Sunday, May 24, 2015
আবার মুখ্যমন্ত্রী পদে তামিলদের ‘আম্মা’
![]() |
| শপথ অনুষ্ঠানে জয়ললিতা l এএফপি |
৬৭ বছর বয়সী জয়ললিতা চেন্নাইয়ের মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেন। এ সময় মঞ্চে তাঁর পেছনে ছিলেন নতুন মন্ত্রিসভার ২৮ সদস্য। পরে তাঁরাও শপথ নেন।
বহু তামিলের কাছে ‘আম্মা’ হিসেবে পরিচিত জয়ললিতা শপথ নিতে মিলনায়তনে যাওয়ার পথের দুই ধারে হাজারো সমর্থক সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের হাতে ধরা ছিল জয়ললিতার বড় বড় ছবি। জয়ললিতার দল এআইএডিএমকের কর্মী-সমর্থকেরা পতাকা উড়িয়ে, নেচে-গেয়ে ও মিষ্টিমুখ করে আনন্দ করেন। অনেকে স্লোগান দেন, ‘আম্মা আম্মা, আম্মা ফিরে এসেছেন’।
এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন জয়ললিতা।
সাবেক চলচ্চিত্র তারকা জয়ললিতার পক্ষে তামিলনাড়ুতে বিপুল সমর্থন রয়েছে। জাতীয় রাজনীতিতেও তাঁর দল এআইএডিএমকে যথেষ্ট গুরুত্ব পায়। ভারতীয় লোকসভায় দলটি তৃতীয় সর্বোচ্চ আসনের অধিকারী।
৫৩ কোটি রুপির অর্থসম্পদের সুনির্দিষ্ট হিসাব দিতে না পারায় জয়ললিতা গত বছর মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হন। তবে কর্ণাটক হাইকোর্ট গত সপ্তাহে ওই মামলা বাতিল করেন। জয়ললিতার অনুপস্থিতিতে এত দিন মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তাঁরই বিশ্বস্ত নেতা পান্নিরসেলভাম। তিনি শুক্রবার পদত্যাগ করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক সহিংসতা- দুই বছরে ৬৫০ চার্জশিট
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ৬৫৪টি চার্জশিটের মধ্যে ওয়ারী জোন ৬৪, উত্তরা জোন ২৫, লালবাগ ৩৮, তেজগাঁও জোন ৯৬, মতিঝিল জোন ১৩৪, মিরপুর জোন ১৬২, গুলশান জোন ৪৩ ও রমনা জোন পুলিশ ৯২টি চার্জশিট প্রদান করেছে। ২০দলীয় জোটের অন্যতম শরীক জামায়াত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালে শীর্ষ নেতাদের সাজা দেয়ার প্রতিবাদে ২০১৩ সালে দেশব্যাপী অরাজকতা চালায়। ওই বছর বিরোধী জোটের সরকার পতনের আন্দোলন অব্যহত থাকে। বিএনপি ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বয়কটের আগে ও পরে সিরিজ আকারে সহিংসতা চালায়। সহিংসতায় ১৭জন পুলিশ সদস্যসহ ১৪৬জনের প্রাণহানি ঘটে। এসব ঘটনায় ৩৮০০টি মামলা করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চলতি বছরের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া সহিংসতার ঘটনায় চার্জশিট দেয়ার কাজ শুরু করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। ৬ই জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অবরোধে অন্তত ১০২ জনের প্রাণহানি ঘটে। এ দফায় ১৭১৭টি মামলা দায়ের করা হয়। ২৩শে জানুয়ারি যাত্রবাড়ীতে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় গোয়েন্দারা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলায় চার্জশিট প্রদান করেছে। এসব মামলায় একজনকে হত্যা ও ২৭জনকে অগ্নিদগ্ধ করার দায়ে খালেদাসহ ৩৭বিএনপি নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে তাদের বিরুদ্ধে এ চার্জ গঠন করা হয়। মামলায় বিএনপি নেতা এমকে আনোয়ার, রুহুল কবীর রিজভী, আমানুল্লাহ আমান, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মীর সরাফত আলী সপু, আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সালাউদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, শওকত মাহমুদ, বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস ও প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাইবান্ধায় রাস্তায় ধান ফেলে কৃষকদের প্রতিবাদ
বিভিন্ন গ্রাম থেকে শ’ শ’ নারী- পুরুষ রাস্তায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার দাড়িয়াপুরের সুন্দরগঞ্জ সড়কে অবস্থান নেয়। তারা রাস্তায় ধান ফেলে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট এবং বাসদ ওই কর্মসূচির আয়োজন করে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তারা গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের দাড়িয়াপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন বাসদ নেতা মঞ্জুর আলম মিঠু, আবু সাঈদ সরকার, নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী সহ অন্যরা।
কৃষক নেতারা বলেন, ধানের বাম্পার ফলন হলেও দাম না পেয়ে কৃষকের কষ্ট হচ্ছে। ধানের ভরা মওসুমে ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ হচ্ছে চাষীরা। বর্তমান বাজারে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচও উঠছে না। এই ধান ও ভুট্টা তারা আর বাড়িতে নিয়ে যাবেন না। রাস্তায় ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ জানাবেন এবং কৃষকদের ধানের ন্যায্য মূল্য ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আয়ারল্যান্ডে বৈধতার পথে সমকামিতা, বিয়ের জোর প্রস্তুতি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশী শনাক্তে মিয়ানমার যাচ্ছে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ায় গণকবরে ১০০ লাশ, হতভাগ্যরা অভিবাসী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিবির সভাপতি-সেক্রেটারির জবাব দেওয়ার সময় বাড়ল
গত ৪ মে জারি করা রুলে কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তার জবাব দিতে বলা হয়েছিল। আজ রোববার শিবিরের দুই নেতার জবাব দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির জবাব দাখিলের জন্য চার সপ্তাহের সময়ের আবেদন জানান। প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ও তাপস কান্তি বল। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জবাব দেওয়ার দিন পিছিয়ে আগামী ১৪ জুন পুননির্ধারণ করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১।
একই অভিযোগে কারণ দর্শাও নোটিশ জারি করা হয়েছিল শিবিরের দুই নেতাসহ জামায়াত নেতাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম এবং তিন জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময়ে ওই ছয়জন নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে এ নোটিশের জবাব দেন। পরে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে এবং ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য হওয়ায় তিন জামায়াত নেতাকে গত ৪ মে ক্ষমা করে দিয়ে বাকি দুই শিবির নেতার বিরুদ্ধে রুল জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাদেরকে ভবিষ্যতের জন্য এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাগরে ও বন্দিশিবিরে আমাদের ‘মানবসম্পদ’! by মশিউল আলম
![]() |
| সমুদ্রে ভাসছে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীরা |
এই পরিস্থিতি কেন সৃষ্টি হয়েছে, তা অজানা নয়। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানরা সীমাহীন জাতিগত বর্বরতার শিকার হচ্ছে; অস্তিত্ব রক্ষার মরিয়া চেষ্টায় তারা মাছ ধরার ট্রলার কিংবা নৌকায় চড়ে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়ায় যেতে চাইছে। কিন্তু বাংলাদেশের যেসব মানুষ রোহিঙ্গাদের মতো একই রকমের ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের সমস্যা কী? এ দেশে তো কোনো জাতিগত সহিংসতা চলছে না। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের এসব মানুষ ঘর ছাড়ছে দারিদ্র্যের কারণে। কিন্তু এই মানুষগুলোর প্রিয় মাতৃভূমি তো দারিদ্র্য বিমোচনে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বিশ্ববাসীকে! ছিনিয়ে এনেছে নোবেল পুরস্কার! বাংলাদেশ তো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে! অচিরেই মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হতে চলেছে এ দেশ! তাহলে কেন এই মানুষগুলো স্বদেশ ছেড়ে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হচ্ছে?
এই প্রশ্নের সোজা উত্তর হলো, এই মানুষগুলো জীবিকার সন্ধানে ঘর ছাড়ছে, অধিকাংশই ভালো উপার্জনের প্রলোভনে মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে, এমনকি প্রাণও হারাচ্ছে। তার মানে, স্বদেশে তাদের কর্মসংস্থানের প্রকট অভাব। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সংগতভাবেই তাদের বলা হচ্ছে ইকোনমিক মাইগ্রেন্ট বা অর্থনৈতিক অভিবাসী। কিন্তু সমস্যা হলো, এই জীবিকার সন্ধানী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সামনে স্বাভাবিক, বৈধ ও নিরাপদ পথ নেই, বা থাকলেও তা অত্যন্ত সংকুচিত।
বৈধ ও নিরাপদ উপায়ে বিদেশে গিয়ে উপার্জন করার সুযোগ বন্ধ বা সীমিত হয়ে গেলে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে তা করার প্রবণতা যে বাড়ে, তার একটা প্রত্যক্ষ দৃষ্টান্ত বর্তমানের এই পরিস্থিতি। বাংলাদেশের যেসব মানুষ এখন সাগরে ভাসছে, তাদের গন্তব্য মালয়েশিয়া—আমাদের জনশক্তি রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজারগুলোর একটি। সেখানে অভিবাসী শ্রমিকের অনেক চাহিদা রয়েছে, কিন্তু বৈধ পথে শ্রমিক যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। গত তিন বছরে এ দেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছে মাত্র ৭ হাজার ১৯০ জন বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক। অথচ ২০০৭ সালে গিয়েছিল ২ লাখ ৭৩ হাজার, তার পরের বছর ১ লাখ ৩১ হাজার। তখন মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো হতো বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে। কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয়। তিন বছর বন্ধ থাকার পর ২০১২ সালে মালয়েশিয়ার সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে একটা চুক্তি হয় যে বাংলাদেশ বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের বাদ দিয়ে শুধু সরকারিভাবে শ্রমিক পাঠাবে। মালয়েশিয়ার সরকার বলে, তারা প্রথম দফায় বাংলাদেশ থেকে ৫০ হাজার শ্রমিক নেবে, পরে এই সংখ্যা বাড়বে। আর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আশা করা হয়েছিল যে বছরে অন্তত এক লাখ শ্রমিক মালয়েশিয়া পাঠানো যাবে। এ জন্য মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের নিবন্ধন শুরু হলে সাড়ে ১৪ লাখ আগ্রহী যুবক নিজের নাম নিবন্ধন করেছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো, গত তিন বছরে যেতে পেরেছে মাত্র সাত হাজার।
কিন্তু কেন? মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে গত তিন বছরে মাত্র সাড়ে আট হাজার শ্রমিকের চাহিদাপত্র এসেছে; অর্থাৎ সে দেশের সরকার বাংলাদেশের সরকারকে বোঝাতে চেয়েছে যে মালয়েশিয়ায় অভিবাসী শ্রমিকের চাহিদা তেমন নেই। কিন্তু বাস্তবে এটা সত্য নয়; চাহিদা অবশ্যই রয়েছে, তবে সরকারিভাবে শ্রমিক আমদানিতে মালয়েশিয়ার সরকারের আগ্রহ ফুরিয়ে গেছে। কারণ, অবৈধভাবে ওই দেশে অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক যেতে পারছে, যাদের খাটানো যাচ্ছে অত্যন্ত অল্প মজুরিতে। যে সময় সরকারিভাবে গেছে মাত্র সাত হাজার শ্রমিক, সেই একই সময়ে অবৈধভাবে গেছে প্রায় দেড় লাখ। আর অবৈধভাবে শ্রমিক যাওয়া ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের হিসাবে এ বছরের প্রথম তিন মাসেই ২৫ হাজার বাংলাদেশি অবৈধ ও বিপজ্জনক পথে সাগর পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশে নৌকায় উঠেছে।
আর স্বাভাবিক ও বৈধ পন্থা সংকুচিত বা বন্ধ হলে যা হয়, অবৈধ পথটি হয়ে ওঠে ভীষণ অস্বাভাবিক: অবৈধ পথে মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী বাংলাদেশিরা পড়ে গেছে মানব পাচারের বিরাট এক আন্তর্জাতিক চক্রের কবলে। তাদের দালালেরা ছড়িয়ে পড়েছে দেশের এমন সব অঞ্চলে, যেখানকার মানুষের মধ্যে দেশ ছাড়ার প্রবণতা আগে ছিল না। দালালেরা স্বল্প খরচে ভালো উপার্জনের লোভ দেখিয়ে অজ্ঞ ও দরিদ্র বেকার যুবকদের পাচার করছে, যে পাচার কিনা একপর্যায়ে পরিণত হচ্ছে অপহরণের মতো ব্যাপারে। তাদের নৌকায় তুলে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে, বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে শ্রমদাস হিসেবে। টাইম সাময়িকী ও লন্ডনের দৈনিক গার্ডিয়ান লিখেছে, থাইল্যান্ডের চিংড়ি ও সি ফুড শিল্পে কাজ করে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ শ্রমিক, যাদের অর্ধেকই ক্রীতদাস এবং এই ক্রীতদাসদের অধিকাংশই বাংলাদেশি। তাদের মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে থাইল্যান্ডের উপকূলে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার অনেক অঞ্চলে মানব পাচারকারীরা গড়ে তুলেছে বন্দিশিবির, সেগুলোর ৮০ শতাংশই মালয়েশিয়ায়। ওই দেশটি বাস্তবে পরিণত হয়েছে অভিবাসী শ্রমিকদের দাসের মতো খাটানোর এক স্বর্গরাজ্যে। তাই দেশটির সরকার বৈধ পন্থায় বিদেশ থেকে শ্রমিক নিতে আগ্রহী নয়, অবৈধ পন্থাই তাদের জন্য বেশি লাভজনক।
স্বাভাবিক, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ভালো মজুরির নিশ্চয়তাসহ বৈধ পন্থায় জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের কোনো সরকারের সাফল্যের তেমন কোনো রেকর্ড নেই। বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানি খাতে রয়েছে নানা রকমের অন্যায্য, প্রতারণামূলক প্রবণতা, যেটা নিয়ন্ত্রণের সামর্থ্যও কোনো সরকার দেখাতে পারেনি। কিন্তু এই ছোট্ট ভূখণ্ডের দেশটিতে জনসংখ্যার চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই চলেছে। আমাদের সরকার সম্ভবত সেই চাপ অনুভব করতে পারে না, অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে সরকার বোঝা মনে করে না, মনে করে সম্পদ, মূল্যবান ‘মানবসম্পদ’। কিন্তু এই মানবসম্পদের এই চাপ এমন অপ্রতিরোধ্য যে কর্মসংস্থানের খোঁজে মানুষের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা সম্ভবত কোনোভাবেই রোধ করা সম্ভব নয়। সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে শত শত মারা পড়া কিংবা গণকবর থেকে শত শত কংকাল উদ্ধার হওয়ার রোমহর্ষক খবরগুলোও সম্ভবত এ দেশের বেকার তরুণ-যুবকদের বিদেশে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা দমাতে পারবে না। কিন্তু তারা যেন স্বাভাবিক ও নিরাপদ পন্থায় যেতে পারে, সেই চেষ্টা করা সরকারের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে সরকার এ পর্যন্ত মর্মান্তিকভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের ব্যর্থতা কিছুটা কমতে পারে যদি এখন বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সঙ্গে নিয়ে বৈধ পথে শ্রমশক্তি রপ্তানির পথ খোলা হয়।
মশিউল আলম: সাংবাদিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সর্ববৃহৎ হাজি হোটেল
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাক সিরিয়ার শেষ সীমান্তও আইএসের দখলে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়রদের মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া না-দেওয়া by আলী ইমাম মজুমদার
![]() |
| আনিসুল হক, সাঈদ খোকন, আ জ ম নাছির উদ্দিন |
রাষ্ট্রীয় মানক্রম নির্ধারণের বিষয়টি পৃথিবীর অনেক দেশে আছে বলে জানা যায়। কোথাও তা নেই, এমন তথ্য পাওয়া যায় না। এই মানক্রম নির্ধারণের প্রক্রিয়া ও পদধারীদের অবস্থান অবশ্য অভিন্ন নয়। বিভিন্ন দেশের চলমান পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় নিয়েই এটা করা স্বাভাবিক। আমাদেরও তা–ই হয়েছে। সময়ে সময়ে এতে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ নামে আমাদের রাষ্ট্রীয় মানক্রম রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে জারি ও সংশোধন করা হয়। এটা প্রধানত রাষ্ট্রীয় কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্যই প্রযোজ্য। ব্যতিক্রম শুধু সাবেক রাষ্ট্রপতিদের এখানে স্থান দেওয়া হয়েছে। মানক্রম তালিকার শেষে উল্লেখ রয়েছে যে এটা সব আনুষ্ঠানিক ও সরকারি কাজে অনুসরণ করতে হবে। এর বাইরে থাকা বেসরকারি ব্যক্তিদের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে না। তাঁরা প্রচলিত প্রথা অনুসরণে বিভিন্ন সভা বা অনুষ্ঠানে স্থান পাবেন; এমনটাও উল্লেখ রয়েছে।
পক্ষান্তরে ভারতে সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ভারতরত্ন পদকপ্রাপ্তদের এই তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে। ব্রিটেনে মানক্রম তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছেন রাজপরিবারের অনেক সদস্য আর কেন্টারবেরির আর্চবিশপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই তালিকায় স্থান নিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ফার্স্টলেডি সবাই। সুতরাং বিষয়টিকে তুচ্ছ মনে করার কোনো কারণ নেই। আর সিটি মেয়ররা অতি মর্যাদাসম্পন্ন পদধারী এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে সংযুক্ত বলে তাঁদেরও অন্যদের সঙ্গে পারস্পরিক মর্যাদার বিষয়টি যতটা সম্ভব সুস্পষ্ট থাকা উচিত। মানক্রম তালিকায় সংশোধন না এনেও সরকার নির্বাহী আদেশে কোনো বিশিষ্ট পদধারীদের সময়ে সময়ে বিভিন্ন মর্যাদা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, কয়েকজন রাষ্ট্রদূত আর ইউজিসির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যানকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। একাধিক রাষ্ট্রদূত এখনো তা ভোগ করছেন। এ নিয়ে তেমন কোনো আপত্তি কেউ করেছিলেন, এমনটা দেখা যায়নি। সিটি মেয়রদের মর্যাদাও আগে এমনি নির্বাহী আদেশবলেই দেওয়া ছিল। তবে সেটি দেওয়া হয়েছিল তাঁদের নামে। পদের বিপরীতে নয়। আর সেই নামধারী ব্যক্তি নির্দিষ্ট পদে না থাকায় পদটি হারিয়েছে এ মর্যাদা। আবার হয়তো বা নির্বাহী আদেশেই তা দেওয়া হতে পারে। তবে সেটা শুধু ঢাকা-চট্টগ্রামের জন্য না হয়ে সবগুলো সিটি করপোরেশনের জন্য হওয়া সংগত হবে। উল্লেখ করা যায়, সবগুলো মহানগরের আয়তন, জনসংখ্যা, রাজস্ব আয়, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের পার্থক্য ব্যাপক বিধায় মেয়রদের মানক্রমেও কিছু পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক।
সিটি মেয়রদের প্রাপ্য মর্যাদা দিতে কার্পণ্যে তাঁদের মাঝে কিছুটা হতাশা আতে পারে। সেই নগরের কাজকর্মেও পড়ে এর নেতিবাচক প্রভাব। এর ফলে স্থানীয় সরকারব্যবস্থার প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অভাবও লক্ষণীয় হয়। কোনো মহানগরের মেয়র সম্মানিত একজন ব্যক্তি। সেই সম্মান ধরে রাখতে তাঁকেও সচেষ্ট থাকা দরকার। পাশাপাশি সরকারেরও এ বিষয়ে যত্নশীল হওয়ার আবশ্যকতা রয়েছে। মহানগর ও সিটি মেয়র দুটি বিষয় সময়ে সময়ে অকারণে অতি উচ্চে তুলে ধরা, আবার তেমনি কথায় কথায় ধুলায় মেশানো প্রতিষ্ঠানটির যুগবাহিত মর্যাদার পরিপন্থী। মেয়র পদটি কোনো না কোনো নামে সব দেশেই আছে। আর তা আছে গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে। লন্ডন নগরের একটি ক্ষুদ্র কাউন্টি সিটি অব লন্ডনের প্রধান লর্ড মেয়র। নিজ অধিক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান রাজা বা রানির ঠিক নিচে। অধিক্ষেত্রের বাইরেও তাঁর মর্যাদা একজন কেবিনেট মন্ত্রী। আসন গ্রহণ করেন মন্ত্রীদের পর পর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানক্রম অনুসারে প্রেসিডেন্ট, অনুষ্ঠানে উপস্থিত সফরকারী রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সেই রাজ্যের গভর্নর এবং এর পরপরই সংশ্লিষ্ট সিটি মেয়রের অবস্থান। ভারতীয় উপমহাদেশে ঠিক এ ধরনের কিছু না থাকলেও খুবই সম্মানিত ব্যক্তিরা মেয়রের পদ নিকট অতীতেও অলংকৃত করেছেন। দেশ বিভাগ-পূর্ব সময়ে কলকাতা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের মেয়র ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, বিধান চন্দ্র রায়ের মতো নেতারা। একপর্যায়ে ডেপুটি মেয়র ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। শেরেবাংলা ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী দুজনে পরবর্তী সময়ে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশ বিভাগের পরও একপর্যায়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও শেরেবাংলা পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন। বিধান চন্দ্র রায় হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। দেখা যায়, সেবামূলক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানটি দেশের ভবিষ্যৎ নেতা গড়ায়ও গৌরবজনক ভূমিকা রাখতে পারে। এসব বিষয় আমাদের স্মরণে রাখা ও অনুসরণ করার আবশ্যকতা রয়েছে।
মেয়রদের পদমর্যাদা দেওয়ার বিপরীতেও কেউ কেউ যুক্তি দেখান। থাকতে পারে কোনো না কোনো যুক্তি। তবে কাজ করার সুবিধার্থে পদমর্যাদা অপরিহার্য না হলেও প্রয়োজনীয় বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়। আর আমাদের তো অতীত ঐতিহ্যও রয়েছে। মাঝখানে কিছুটা ছেদ পড়েছে অযাচিত কারণে। বিভিন্ন দেশের নজিরও আছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রধানের জন্য এরূপ পদমর্যাদা দেওয়ার বিধান সেই আইনে আছে কি নেই, তা অপ্রাসঙ্গিক। তা না থাকলেও সরকার ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মেয়রদের একটি অবস্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে। একইভাবে উপযুক্ত স্থানে সিটি মেয়রদের দেখাতে আপত্তি থাকার কথা নয়। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স সংশোধন সময়সাপেক্ষ বা কিছু জটিলতা থাকলে আপাতত আগের মতো নির্বাহী আদেশে পদমর্যাদাটি নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। তবে সেটা ব্যক্তির বরাতে না করে পদের বিপরীতে করাই যৌক্তিক হবে।
আলোচনা করা হয়েছে, মহানগরগুলোর গুরুত্বে ব্যাপক ব্যবধান রয়েছে। রাজধানী ঢাকা দুই ভাগে বিভক্ত হলেও এর প্রশাসনিক মর্যাদা অত্যন্ত বেশি। বিভক্ত হওয়ার পরও প্রতিটি সিটি করপোরেশনের আওতায় জাতীয় সংসদের বেশ কয়েকটি নির্বাচনী এলাকা রয়েছে। ঠিক তেমনি বন্দরনগর চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হয়। অর্থনীতির বিবেচনায় এই মহানগরের গুরুত্ব অপরিসীম। অন্য মহানগরগুলোকে ঠিক হয়তো একই স্তরে বিবেচনা করা যায় না। তা সত্ত্বেও ঢাকা ও চট্টগ্রামের মেয়রদের মর্যাদা দিতে গিয়ে অন্যদের উপেক্ষা করা অবিবেচনাপ্রসূত কাজ হবে। বরং বিষয়টি অপ্রিয় হলেও বলতে হয়, এ দুটি প্রধান নগরের তিনজন মেয়রের নির্বাচনের চেয়ে অবশিষ্টদের নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা কোনো অংশেই কম ছিল না। সেটা যা-ই হোক, সবগুলো নির্বাচনই হয়েছে বর্তমান কিংবা এর আগের মেয়াদের মহাজোট সরকারের সময়কালে। এসব নির্বাচনের সাফল্য ও ব্যর্থতা যা-ই থাকুক, এর অংশীদার এই সরকার। তাই তিক্ততা সামনে না এনে দেশের সব সিটি মেয়রের পদের বিপরীতে যথাযথ মর্যাদা নির্ধারণ করে দেওয়ার দাবিটি সংগত।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির চীন সফর by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের দুটি দিক রয়েছে। একটি পুরোপুরি বাণিজ্যকেন্দ্রিক, অন্যটি দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিতর্ক। একদিকে দুই দেশের বিপুলায়তন, অন্যদিকে সীমান্ত বিতর্ক। এর ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ওপরই অবিশ্বাস ও সন্দেহের একটা চাদর বিছানো রয়েছে। মোদি এই সফরে সেই চাদর সরিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রটি দুজনের পক্ষেই সম্মানজনকভাবে বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। তাই কোনো রকম রাখঢাক না করেই তিনি প্রকাশ্যে চীনা নেতৃত্বকে বলেছেন, সীমান্ত বিরোধের ন্যায্য ও সর্বজন যুক্তিগ্রাহ্য সমাধান হওয়া জরুরি। একইভাবে তিনি প্রবল আপত্তি জানিয়েছেন, যেভাবে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে চীন অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা করেছে অথবা অভিন্ন নদীগুলোর গতিপথ ও প্রবাহ বদলের চেষ্টা করছে। সহজ ভাষায় এত দৃঢ়ভাবে এসব কথা বলা ও যৌথ বিবৃতিতে তা উল্লেখ করতে গেলে একটা সাহসের প্রয়োজন হয়। সেই সাহস মোদি পেয়েছেন ভারতের বাজারকে চীনের সামনে হাট করে খোলার আগ্রহ দেখিয়েছেন বলেই। উদ্বৃত্ত অর্থের ভান্ডার নিয়ে বসে থাকা চীনও তাই ভারতের উদ্বেগ ও আপত্তির দিকটা খেয়ালে রাখতে বাধ্য হচ্ছে। জমির দখল ও বাজার দখলের মধ্যে একটা ভারসাম্য রাখার প্রয়োজনীয়তা তারা অস্বীকার করতে পারছে না।
ভারতের বাজারে চীন যত দখল নিচ্ছে, ততই বেড়ে চলেছে বাণিজ্য-ঘাটতি। মোদির কাছে সেটাও অন্য এক উদ্বেগ। বার্ষিক ৬৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যে চীন যা রপ্তানি করে, ভারত থেকে সেই তুলনায় আমদানি যৎকিঞ্চিৎ। ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ ও কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রে চীনের বাজার প্রায় বন্ধ। এই বন্ধ দুয়ার খোলার প্রয়োজনীয়তা মোদি দ্বিধাহীনভাবে জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য খুবই স্পষ্ট। আমাদের বাজার যেমন খুলছি, তোমাদের বাজারও তেমন খুলতে হবে। বাণিজ্য-ঘাটতি না কমালে আখেরে তোমাদেরই ক্ষতি। দিল্লি থেকে চেন্নাই হাইস্পিড রেল করিডর খুলতে চীন তার আগ্রহ অনেক দিন ধরেই দেখাচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে চেন্নাই-বেঙ্গালুরু করিডরে দুই দেশ নীতিগতভাবে রাজি। চীন জানে, মোট ৩৬ বিলিয়ন ডলারের এই কাজ তাদের মুনাফাকেও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। কাজেই, সীমান্ত ও বাণিজ্য-ঘাটতির ভারতীয় উদ্বেগ উপেক্ষা করা তাদের পক্ষে ক্ষতিকর। মোদিও প্রচ্ছন্নে সেই বার্তাই দিয়ে রেখেছেন।
চীন ও ভারত হাতে হাত মেলালে গোটা পৃথিবী যে তাদের সমীহ করতে বাধ্য হবে, এই বার্তা মোদি এবারের সফরে বেশ ভালোভাবেই দিতে পেরেছেন। তা তিনি যেমন প্রেসিডেন্ট শিকে বলেছেন, তেমনি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াংকে। বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশেও তিনি ভারতের উদ্বেগ, চাহিদা এবং দুই দেশের মঙ্গলের জন্য প্রয়োজনের দিকগুলো সরাসরি তুলে ধরেছেন। পরমাণু সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে (এনএসজি) ঢোকার জন্য চীনের সমর্থন যেমন খোলামেলা চেয়েছেন, তেমনি চেয়েছেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের জন্য সমর্থন। মোদি তারুণ্যে বিশ্বাসী। বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সামনে ভাষণ দেওয়ার মধ্য দিয়ে মোদি চেয়েছেন তরুণদের মনে ভারতের একটা ঝলমলে রঙিন ছবি এঁকে দিতে—অবিশ্বাস, সংঘাত ও সংশয়ের বদলে বিপুল সহযোগিতার অপার সম্ভাবনা যে ছবির ক্যানভাস।
ভারতকে চীন কখনো স্বাভাবিক মিত্র মনে করে না; বরং আগামী দিনের প্রতিদ্বন্দ্বীই ভাবে। চীনও সেই অর্থে ভারতের প্রিয় সখা নয়। ভারতকে চাপে রাখতে চীন তার সীমান্ত-হাতিয়ারের প্রয়োগ বারবার করে এসেছে। শির সফরের সময় চীনা ফৌজ ডেপসং উপত্যকার গভীরে ঢুকে দ্বিপক্ষীয় সংকটের সৃষ্টি করেছিল। এবারও মোদির সফরের আগে অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে তারা সরকারি বিবৃতি দিয়েছে। অথবা সফর চলাকালে চীনা টেলিভিশনে ভারতের বিকৃত ম্যাপ দেখিয়ে মোদিকে বিব্রত করেছে। সীমান্তের দাবি চীন যে ছাড়বে না, ভারতের তা জানাও। মোদি তাই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) মতৈক্যের প্রশ্নে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের প্রয়োজনকে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন। চীনের লক্ষ্য যদি হয় ভারতের বাজার, মোদির হাতিয়ারও তাহলে সেটাই। ভারতের বাজারকে সামনে রেখে আধুনিক চীনা নেতৃত্বকে পাকাপাকিভাবে স্তিমিত করে উন্নয়নের রথের সওয়ারি হওয়াই মোদির পাখির চোখ। প্রেসিডেন্ট শির প্রতিশ্রুতি ছিল ২০ কোটি বিলিয়ন ডলারের লগ্নি। মোদির সফরে চুক্তির মোট পরিমাণ ২২ কোটি ডলার। ভারত না চীন, লাভের পাল্লা কার দিকে কতটা ঝোঁকে, ভবিষ্যতেই তা বোঝা যাবে।
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: প্রথম আলোর নয়াদিল্লি প্রতিনিধি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাগরে ভাসমানদের বেশির ভাগই বাংলাদেশী
বৃটেনে বাংলাদেশী মানব পাচার সিন্ডিকেট
এবার বৃটেনে আবিষ্কৃত হলো অবৈধ মানব পাচার সিন্ডিকেট। আর এ চক্রের মূল হোতা এক বাংলাদেশী দম্পতি। শহিদুল ও আনোয়ারা ইসলাম দম্পতি বহুদিন ধরে বৃটেনের ল্যাঙ্কাশায়ারের একটি ঘরে অবৈধভাবে মানব পাচারের কার্যক্রম চালাতেন। এর আগে স্থানীয় কর্মকর্তারা ওই দম্পতির ঘরের ছাদে স্যুটকেসের স্তূপের ভেতরে এক বাংলাদেশীকে খুঁজে পান। এছাড়া তাদের বাসায় জাল পাসপোর্ট ও জাতীয় বীমা সম্পর্কিত কয়েকশ’ নথিপত্র পাওয়া যায়। ফলে পুলিশের দাবি, ওই দম্পতি বৃটেনে মানবপাচারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন। অবৈধভাবে মানবপাচারে জড়িত থাকায় বৃটেনের একটি আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করেছে। এ খবর দিয়েছে বৃটেনের ল্যাঙ্কাশায়ার টেলিগ্রাফ। শহিদুল ও আনোয়ারা ইসলামের লিয়ামিংটন এভিনিউর বাসায় ২০১৪ সালের এপ্রিলে পুলিশ তল্লাশি চালায়। তখন তাদের ঘরের ছাদে এক বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীকে পাওয়া যায়। তার নাম শফিক মিয়া। শফিক মিয়ার ছয় মাসের ভিসার মেয়াদ এর অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। এরপর থেকে তাকে আশ্রয় দিয়ে আসছিলেন শহিদুল-আনোয়ারা দম্পতি। অভিবাসন কর্মকর্তা ইয়ান মরিসন আদালতকে জানিয়েছেন, নকল পাসপোর্ট ও জাতীয় বীমা নথির সঙ্গে সম্পর্কিত প্রায় ২৭০টি নথি সে সময় উদ্ধার করা হয় ওই ঘর থেকে। এক তদন্তে দেখা যায়, সেখানে উদ্ধারকৃত অন্তত দুটি ছবিযুক্ত পাসপোর্টের বৈধতা বাতিল হয়েছে অনেক আগেই। এছাড়া উদ্ধারকৃত বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট বাংলাদেশীদের। একই তদন্তে, এ কাজে বোল্টনের একটি রেস্তরাঁয় কাজ করা আবদুল শহীদের সংশ্লিষ্টতাও ধরা পড়েছে। অবৈধ অভিবাসনে সাহায্য ছাড়াও উদ্দেশ্যমূলকভাবে নিজের কাছে পরিচয়মূলক নথিপত্র রাখার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন শহিদুল। তার স্ত্রী আনোয়ারাও অনুপ্রবেশে সাহায্য ও অযৌক্তিক কারণে বিভিন্ন নথি নিজের কাছে রাখার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এছাড়া আবদুল শহীদ ও তার ভাইপো মোহাম্মদ উদ্দিনকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিচয়মূলক নথিপত্র রাখার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। আগামী ২৬শে জুন তাদের সাজার রায় দেয়া হবে। অভিযুক্ত দম্পতি বাংলাদেশের কোন জেলার অধিবাসী সে সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
অভিবাসীদের বাঁচাতে আবারও বান কি মুনের আহ্বান
আন্দামান সাগরে ভাসমান অভিবাসীদের জীবন বাঁচাতে এ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। এদিকে সম্প্রতি উদ্ধার করা অভিবাসীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। শুক্রবার সমুদ্র থেকে মিয়ানমার দুটি নৌকা থেকে উদ্ধার করে ২০৮ জনকে। মিয়ানমার সরকারের দাবি, তারা সবাই বাংলাদেশী। তাদেরকে ফেরত পাঠানো হবে। তবে উদ্ধার করা ওই অভিবাসীরা যে বাংলাদেশী সে বিষয়ে অন্য কোন মাধ্যম থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, দমনপীড়ন ও দরিদ্রতা থেকে মুক্তির আশায় অভিবাসন প্রত্যাশী দুই সহস্রাধিক মানুষ এখনও বঙ্গোপসাগরে আটকে আছেন। অনেকের জীবন এখন নিষ্ঠুর পাচারকারীদের করুণার ওপর নির্ভরশীল। এর বেশির ভাগই মিয়ানমারের পশ্চিম রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গা মুসলিম। দেশটিতে তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় না। উপরন্তু ‘বাঙালি’ বা ‘বাংলাদেশের অবৈধ অভিবাসী’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। এদিকে বাংলাদেশ থেকেও অনেকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তির আশায় ভয়াল যাত্রায় অংশ নিয়েছেন। এ মাসের শুরুতে থাইল্যান্ডে পাচারকারীদের এক ক্যাম্পে গণকবর উদ্ধারের পর দেশটি ব্যাপক অভিযান শুরু করে। এতে করে পাচারকারীরা সমুদ্রপথে খাবার পানি ছাড়া অভিবাসীদের নৌকায় পরিত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়া শুরু করে। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজারের বেশি অভিবাসীকে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। অনেকে উপকূলে পৌঁছেছেন সাঁতরে। মিয়ানমারে ব্যাপক দমনপীড়ন ও অধিকারহীন হয়ে দলে দলে রোহিঙ্গা মুসলিমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে পাড়ি দিচ্ছে অপেক্ষাকৃত উন্নত প্রতিবেশী দেশের আশায়। তারা যাতে দেশ ছাড়তে বাধ্য না হয়, এমন পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমারের ওপর বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ। একই সঙ্গে সাগরে আটকেপড়াদের জরুরি মানবিক সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। এমতবস্থায় শুক্রবার দেশটির নৌবাহিনী জানায়, তারা তাদের প্রথম উদ্ধার অভিযানে দুটি নৌকা থেকে ২ শতাধিক অভিবাসীকে উদ্ধার করে। নৌকার খোল থেকে ঠাঁসাঠাঁসি করে থাকা হাড্ডিসার এসব মানুষকে উদ্ধারের পর জাতিসংঘের সহযোগিতায় সহায়তা দেয়া হয়। মিয়ানমারের কর্মকর্তারা বলছেন, উদ্ধারকৃত ২০৮ জনের প্রত্যেকেই বাংলাদেশী এবং দ্রুতই তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এএফপি জানিয়েছে, অভিবাসীরা প্রকৃতপক্ষে কোন দেশের নাগরিক তা তারা নিশ্চিত হতে পারেনি। গতকাল মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের পরিচালক জ হ্যতে বলেন, আমরা তাদের মানবিক সহায়তা দিচ্ছি। এরপর তাদেরকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। উদ্ধারকৃতদের বিষয়ে বাংলাদেশী সীমান্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এদিকে, এখনও আটকে থাকা হাজার হাজার অভিবাসীদের নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। মওসুমি বর্ষাকাল শুরু হওয়ার সময় এসে যাওয়ার কারণে তাদের জীবনের ঝুঁকি অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, এসব অভিবাসীকে খুঁজে বের করে তাদের জীবন বাঁচানো ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ পাওয়া উচিত। ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে সফরকালে তিনি এ কথা বলেন। আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে এ সংকট মোকাবিলায় সংকটের ‘মূল কারণগুলো’ সমাধা করতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, শুক্রবার সিনিয়র মার্কিন কূটনীতিক রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মিয়ানমারকে। মার্কিন পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন মিয়ানমারের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন, নাগরিকত্বের স্বীকৃতি পাওয়ার একটা রাস্তা থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন, দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পেছনে কোন প্রকার স্বীকৃতি না থাকার ফলে যে অনিশ্চয়তার সৃষ্ঠি হয় সেটা অন্যতম কারণ। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বর্তমান অভিবাসন সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হলো, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর দমনপীড়ন। মিয়ানমারের ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না দেশটি। কয়েক প্রজন্ম ধরে তারা সেখানে বসবাস করে আসলেও মিয়ানমার তাদেরকে ‘বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসী’ বলে প্রত্যাখ্যান করছে। রোহিঙ্গারা দেশটিতে প্রতিনিয়ত বৈষম্য আর দমনপীড়নের শিকার হয়। ২০১২ সালে স্থানীয় নিবাসীদের সঙ্গে এক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় অসংখ্য রোহিঙ্গা নিহত হয়। এতে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েন অনেকে, যারা এখন অস্থায়ী ক্যাম্পে বসবাস করছেন। নৌকায় করে দলে দলে দেশত্যাগের পেছনে ওই ঘটনাটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। আর তাদের দুর্দশার সুযোগ লুফে নিয়ে পাচারকারীরা ফেঁদে বসেছে ভয়াবহ আর রমরমা মানব পাচার ব্যবসা।
উদ্ধার করা বাংলাদেশীদের ঠাঁই হতে পারে পেনাংয়ে
উদ্ধার করা বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী আবাস হতে পারে মালয়েশিয়ার পেনাং। দেশটির সরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারা উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য পেনাংকে সম্ভাব্য এলাকা হিসেবে বিবেচনা করছেন। অস্ট্রেলিয়ার একটি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার আইজিপি খালিদ আবু বকর বলেছেন, অভিবাসীদের স্থানান্তরের জন্য সহজ লোকেশন হচ্ছে পেনাং। তাই তাদের অস্থায়ী ভিত্তিতে আবাসিক সুবিধা দিতে এ স্থানটিই বেশি উপযোগী। মালয়েশিয়ার উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পেনাং রাজ্য। এর কিছু অংশ মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে এবং বাকিটা একই নামে দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। এ সপ্তাহের শুরুর দিকে প্রথমে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া তাদের জলসীমায় থাকা কয়েক হাজার বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাকে ঠাঁই দিতে সম্মত হয়। বুধবার কুয়ালালামপুর তাদের ঠাঁই দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও তাদের জলসীমা থেকে অভিবাসীদের নৌযান এখনও উদ্ধার করতে পারে নি মালয়েশিয়ার নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড। এরই মধ্যে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক নৌবাহিনী ও মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিকে নির্দেশ দিয়েছেন অভিবাসীদের উদ্ধার করতে। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডকে এ ক্ষেত্রে দুই লাখ ডলার দেয়ার ঘোষণা নিয়েছে সিঙ্গাপুর।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কি ঘটেছিল সেই রাতে- আদিবাসী তরুণী গণধর্ষণ: ক্ষোভ, প্রতিবাদ সর্বত্র by রুদ্র মিজান
গতকাল সরজমিন ঘটনাস্থ কুড়িল বিশ্বরোডে গিয়ে দেখা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫০ ফুট দক্ষিণে বসুন্ধরা আবাসন এলাকার ফটক। ঘটনাস্থল থেকে সামনের দিকে আরও প্রায় ২৫০ ফুট দূরত্বে কুড়িল ফ্লাইওভার। এই দুটি স্থানে প্রতিরাতেই পুলিশের পিকআপ ভ্যান অবস্থান করতে দেখা যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ঘটনাস্থলের পেছনে বাসস্ট্যান্ড। ঘটনাস্থল থেকে দু-এক মিনিট হাঁটলেই কুড়িল মোড়। সেখানেও যাত্রী উঠায়-নামায় বাসগুলো। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে বাস না পেয়ে কুড়িল মোড়ের দিকে হাঁটছিলেন ওই তরুণী। নির্যাতিতা ওই তরুণী তার স্বজনদের জানিয়েছেন, তাকে জোর করে ছাই রঙের মাইক্রোবাসে উঠানোর পরই দুই জন দুই পাশ থেকে তাকে চেপে ধরে। চিৎকার করার চেষ্টা করলে মুখ আরো চেপে ধরে তাদের একজন। অন্য দুজন তার হাত ধরে রাখে। চিৎকার করলে গুলি করে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয় তারা। হুমকিতে ভয় পেয়ে যান ওই তরুণী। গাড়িতে ছিলো পাঁচ যুবক। তাদের প্রত্যেকের বয়স ২২ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। যুবকদের একজন গাড়ি চালাচ্ছিল। বাকি চারজনই ব্যস্ত ছিল ওই তরুণীকে নিয়ে। এসময় তারা উচ্চ আওয়াজে গান ছেড়ে দেয়। প্রথমেই যুবকরা তার ওড়না টেনে ফেলে দেয়। তারপর মাইক্রোবাসের মধ্যের সিটে ফেলে একের পর এক নির্যাতন করতে থাকে। বারবার তাদের কাছে অনুনয় করেছেন তিনি। বলেছেন, ভাই আমাকে এবার ছেড়ে দেন। আপনাদের বোন মনে করে আমাকে ছেড়ে দেন।
দুর্বৃত্তরা তখন হেসেছে। এমনকি একে একে পাঁচ জনই ওই তরুণীকে পাশবিক নির্যাতন করেছে। চালক যুবকটি যখন নির্যাতন করে তখন আরেক যুবক গাড়ি চালাচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তারা পাঁচ জনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। গাড়িতে তারা পানীয় পান করেছে। তবে তা কোন ধরনের পানীয় তা বলতে পারেননি নির্যাতিতা তরুণী। গাড়িতে নির্যাতন চলাকালীন ওই তরুণী বারবার বাসায় যাওয়ার আকুতি জানালে দুর্বৃত্তরা জানতে চায়, বাসা কোথায়। বাসার ঠিকানা জানানোর পর রাত পৌনে ১১টার দিকে উত্তরা পূর্ব থানা এলাকার জসিম উদ্দিন সড়কে নামিয়ে দেয় তাকে। নির্যাতিতা তরুণীর বরাত দিয়ে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় দুর্বৃত্তদের একজনের ফোনে কল এলে তা রিসিভ করছিল না সে। এ সময় অন্য যুবক তাকে নাম ধরে ফোন রিসিভ করতে বলে। তদন্তের স্বার্থে ওই নামটি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করতে অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। ওই নাম ও তাদের চেহারার বর্ণনা অনুসারে কয়েক জনের একটি তালিকা করেছে পুলিশ। তালিকা অনুসারে শুক্রবার রাত থেকেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নির্যাতিতার বর্ণনা অনুসারে তালিকা করে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। সন্দেহমূলক ব্যক্তিদের আটক করলেই তরুণীকে দিয়ে শনাক্ত করানো হবে। ধর্ষকদের দেখলে চিনতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্যাতিতা তরুণী।
কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার যে দোকানের সামনে থেকে ওই তরুণীকে তোলে নিয়ে যাওয়া হয় ওই দোকানের নাম সিনহা মটরস। ঘটনার সময় দোকানটি বন্ধ ছিল। এমনকি পাশের সোনালী ফার্মেসিটিও বন্ধ ছিল। সিনহা মটরসের মালিক সবুজ মিয়া জানান, রাত ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে চলে যান তিনি। পার্শ্ববর্তী নিউ তাজ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস খোলা থাকলেও তরুণী তুলে নেয়ার দৃশ্য দেখতে পাননি তিনি। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক জাকির হোসেন বলেন, যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছেলেমেয়েরা এখান থেকে বাসে উঠা-নামা করেন। মুখ চেপে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কারণেই তিনি শব্দ শুনতে পাননি বলে জানান। ওই দুটি দোকানের পাশে চা বিক্রি করেন মুহাম্মদ বাবুল। সাধারণত রাত ১০টা পর্যন্ত তার চায়ের দোকান খোলা থাকলেও ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি দোকান বন্ধ করে দেন। বাবুল বলেন, সন্ধ্যায় বৃষ্টি হওয়ার কারণে দোকান বন্ধ করে দিই। যমুনা ফিউচার পার্কের দ্বিতীয় তলার যে পোশাকের শো-রুমে ওই তরুণী কাজ করেন সেখানে গেলে কথা হয় ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের সঙ্গে। প্রতিষ্ঠানের সহকারী ইনচার্জ মুহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, প্রায় পাঁচ মাস ধরে এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন ওই তরুণী। কেউ তাকে উত্ত্যক্ত করেছে বলে কোনদিন অভিযোগ করেননি তিনি। ওই প্রতিষ্ঠানের সহকর্মী সেলসগার্ল কাকলী বলেন, ওই তরুণী বেপরোয়া চলাফেরা করতেন না। কেউ তাকে উত্ত্যক্ত করতো বলেও জানা নেই।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান জোনের উপ-কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ধর্ষণকারীরা তরুণীর পূর্ব পরিচিত না। তবে ধর্ষকদের মধ্যে একজনের নাম ও অন্যদের চেহারার বর্ণনা জানা গেছে। এ ঘটনায় সিসি ক্যামেরার কোন ফুটেজ পাওয়া যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ষণকারীদের শনাক্ত করতে কয়েকটি টিম কাজ শুরু করেছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশও তদন্তে নেমেছে। ওই তরুণীকে গাড়িতে উঠানোর স্থান এবং পুরো রাস্তায় যেখানে যেখানে মনে করতে পারবে সে স্থানগুলোকে তদন্তের আওতায় থাকবে। সেসব স্থানে সিসি ক্যামেরা থাকলে তার ফুটেজ সংগ্রহ করা হবে। গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে গুলশানে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ঘটনার পর শুক্রবার দুপুরে ভাটারা থানায় এ বিষয়ে মামলা করা হয়। মামলার পর পরই নির্যাতিতা তরুণীকে তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল সকাল ১১টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওই তরুণীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষা শেষে দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান মো. হাবিব-উজ-জামান চৌধুরী বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় গণধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে বলে জানান তিনি। ওই তরুণীর শারীরিক পরীক্ষা করেছেন মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক প্রভাষক ডা. মমতাজ আরা। উল্লেখ্য, ওই তরুণী বড় বোনের সঙ্গে উত্তরায় থাকেন খালার বাসায়। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলায়।
ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
রাজধানীতে চলন্ত মাইক্রোবাসে তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। গতকাল বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। বিকাল পাঁচটায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘গারো ছাত্র ইউনিয়ন’ এবং ‘যৌন নিপীড়ন বিরোধী নির্দলীয় ছাত্রজোট’ সংগঠনের ব্যানারে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান। এসময় তাদের হাতে ‘হে রাষ্ট্র নারীর নিরাপত্তা কোথায়?’, ‘আর কতো নারীর সম্ভ্রম দিলে রাষ্ট্র তুমি জাগবে?’, ‘ধর্ষণকারীদের ফাঁসি চাই’, ‘নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করো’ ইত্যাদি লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড শোভা পায়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে আলোক প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ হয়। এদিকে আদিবাসী তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে এসব সংগঠনের পক্ষ থেকে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিঙ্গাপুরের চিকিৎসাপত্র জমা দেয়া হবে -২৯শে মে জামিন শুনানি
৬২ দিন নিখোঁজ থাকার পর সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী ১১ই মে শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকা থেকে উদ্ধার হন। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় দুদফা হাসপাতাল পরিবর্তন করে এখন নর্থ-ইস্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজিওয়নাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল সায়েন্সেস (নেগরিমস)-এর এ চিসিৎসা নিচ্ছেন সালাহউদ্দিন। সালাহউদ্দিনের আইনজীবী এসপি মোহন্ত শুক্রবার শিলংয়ের নিম্ন আদালতে তার জামিনের আবেদন করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেয়ার জন্য পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই জামিনের জন্য আবেদন করেন আইনজীবী। তিনি আদালতকে বলেন, তার মক্কেল অসুস্থ থাকায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো জরুরি। এ সময় সালাহউদ্দিন আহমেদের পাসপোর্টের ফটোকপি আদালতে পাঠানো হয় এবং দেখানো হয় সালাহউদ্দিন আহমেদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বৈধভাবে ভ্রমণ করেছেন।
তবে সরকারি আইনজীবী তার জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, সালাহউদ্দিনের অনুপ্রবেশের পর এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেনি পুলিশ। কোন তদন্তই হয়নি। তাই এ পরিস্থিতিতে তাকে জামিন দেয়া সম্ভব নয়। দুই পক্ষের যুক্তি শোনার পর ম্যাজিস্ট্রেট এল খারশিং ২৯শে মে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
নেগরিমস হাসপাতালে ভর্তির পর সালাহউদ্দিনের বিভিন্ন প্যাথলজি টেস্ট করা হয়। শারীরিক টেস্টের রিপোর্ট পরীক্ষা করেছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক। চিকিৎসকরা তার রিপোর্ট দেখে মনে করছেন শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। এ অবস্থা থাকলে আগামী সপ্তাহে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হতে পারে। নেগরিমসের ভারপ্রাপ্ত সুপার ভাস্কর বর্গাইন জানান, সালাহউদ্দিনের শারীরিক অবস্থা মোটামোটি স্বাভাবিক। তবে তার হার্ট ও মূত্রনালিতে সংক্রমণ রয়েছে। এসব সমস্যার কারণে আরও কিছুদিন তাকে চিকিৎসা নিতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘লোকে এখন মীরজাফর বলেনা, বলে তুই ব্যাটা শ্রীনি’ -সাক্ষাৎকারে : মুস্তাফা কামাল by গৌতম ভট্টাচার্য
গৌতম ভট্টাচার্য
প্রশ্ন: শোনা যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেটারদের একাংশের মধ্যে তীব্র ভীতি রয়েছে যে, আসন্ন বাংলাদেশ সফরে তাঁদের উত্তেজিত গণসমর্থনের বিরুদ্ধে পড়তে হতে পারে। সোজা কথায়, তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।
কামাল: কোথা থেকে শুনছেন এ সব কথা! সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ঠিক উল্টো, গোটা বাংলাদেশ ভারতীয় ক্রিকেটারদের স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষায় আছে। ইন্ডিয়া এলে একটা দারুণ এক্সাইটমেন্ট হবে। ক্রিকেট উৎসবের চেহারা নেবে।
প্র: কিন্তু বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের পর যে ভাবে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী সেন্টিমেন্ট আছড়ে পড়েছে এবং তারও আগে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্লগার অভিজিৎ রায় খুন হওয়াতেই নাকি ক্রিকেটাররা এত উদ্বিগ্ন। প্রকাশ্যে কিছু না বললেও তাঁদের কারও কারও দুর্ভাবনা, আবার ক্রিকেট ঘিরে এমন উত্তেজক কিছু ঘটে না তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। কামাল: বিন্দুমাত্র কোনও আশঙ্কা নেই। বরঞ্চ গোটা দেশ উদ্বেল হয়ে ভারতীয় সিরিজের দিকে তাকিয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে হাজির থাকবেন ওয়ান ডে দেখতে। জগমোহন ডালমিয়াকে কাল দেখা করে আমরা বিশেষ আমন্ত্রণ জানাব অন্তত এক দিনের জন্যেও আসার জন্য। ডালমিয়া হলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের গডফাদার। ওঁর জন্যই আমরা টেস্ট স্টেটাস পাই। সেই ঋণ বাংলাদেশ ভোলেনি। প্র: সে তো শ্রীনিবাসনও বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অনেক কিছু করেছেন বলে শোনা যায়। উনি না থাকলে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পেত না।
কামাল: একদম বাজে কথা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কোথায় হবে, উনি আসার আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। প্র: আপনি ছিলেন আইসিসি প্রেসিডেন্ট। শ্রীনি চেয়ারম্যান। পদে বসার পরপর আপনি প্রচুর প্রশংসা করতেন শ্রীনির।
কামাল: হ্যাঁ করতাম। তখনও জানতাম না ওঁর বাড়ির লোকেরা এই ভাবে বেটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। জানতাম না ক্রিকেট প্রসারের নামে উনি এতটা বেনিয়া। আইসিসিতে পরবর্তীকালে ওঁর হাবভাব দেখে আমার মনে হত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আবার ফেরত এল নাকি? খালি ধান্দা টাকা রোজগারের আর নিজের কাছে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার। কোথায় ক্রিকেটের বিশ্বায়ন হবে, তা নয়। আইসিসি পরের বিশ্বকাপে টিমের সংখ্যা ১৪ থেকে ১০-এ নামিয়ে আনছে। খালি বলে টাকা, টাকা। কোথা থেকে কত রোজগার হবে। আরে, কোথাও তো ব্যাট আর বলের কথাটা বল। প্র: বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে ভারত হারানোর পর আপনি যে সব কথা বলেছিলেন, অনেকের মতে উত্তেজনা তাতেই বাড়ে।
কামাল: একটা কথা ভাল করে বুঝুন। আমি কিন্তু ইন্ডিয়ার এগেনস্টে বলিনি। আমি একটা লোকের এগেনস্টে বলেছিলাম। আইসিসির প্রেসিডেন্ট ছিলাম আমি। উনি চেয়ারম্যান। অপারেশনের দায়িত্ব ওঁর হাতে। মেলবোর্নে সে দিন উনি আমাদের ম্যাচে স্পাইক্যাম কেন রাখেননি বলতে পারেন? কেন টিভি রিপ্লের বেছে বেছে সে দিনই ব্যবস্থা করা হয়নি? মাহমুদউল্লাহর ক্যাচটা তো লাইনের বাইরে থেকে ধরা। অথচ টিভিতে দেখায়ইনি। স্কোরবোর্ডের ওপরে যে দেখাচ্ছিল ইন্ডিয়া জিতেগা জিতেগা, এটা কী? এটা তো আইসিসির স্পেস। সেখানে একটা টিমের প্রতি এমন পক্ষপাত দেখানো হবে কেন? এগুলো সব শ্রীনির কীর্তি। ফেয়ার প্লে-তে এই লোকটা বিশ্বাসই করে না। প্র: এমসিজির ফাইনালে আপনাকে আইসিসি প্রেসিডেন্ট হয়েও পুরস্কার দিতে দেওয়া হয়নি। তখন আপনি বলেছিলেন আইসিসির বিরুদ্ধে মামলা করবেন। করেননি। বরঞ্চ পদে ইস্তফা দিয়ে দেন। কেন? কামাল: পরে ভেবে দেখি সেটা করাটা খুব অনুচিত কাজ হবে। ইনস্টিটিউশনের একটা লোক পচা। তা বলে প্রতিষ্ঠানটা তো নয়। এই লোকটার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস দেখায়নি। আমি দেখাই। প্র: শ্রীনি ভারতীয় বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে কিন্তু বাংলাদেশ সফর হতই না।
কামাল: জানি তো। গোটা বাংলাদেশ খুব খুশি যে ভারতীয় বোর্ড থেকে ওঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের দেশ শ্রীনির ওপর প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত। আজ রাতের প্লে-অফে আমার গোটা দেশ আরসিবিকে সাপোর্ট করবে। স্রেফ শ্রীনির জন্য কেউ সিএসকে-কে দেখতে পারে না। এই একটা মানুষ বাংলাদেশে ভারতের ভাবমূর্তিতে কাদা ছেটাচ্ছে। প্র: শেখ হাসিনা তো বিশ্বকাপের পর আপনার সমর্থনে বিবৃতি দিয়েছিলেন? কামাল: একে তো উনি অসম্ভব ক্রিকেট ভক্ত। একেবারে প্রথম বল থেকে খেলা দেখেন। তার ওপর ওঁর মন্ত্রীসভার সদস্য আমি। আমার সঙ্গে এই রকম ব্যবহার করা হয়েছে। তাই উনি চুপ করে থাকেননি। প্র: তো আপনার দাবি এখন সেই বিশ্বকাপ সময়ের উত্তেজনাটা নেই? ধোনি বা কোহলির ভারত— কারও কোনও অসুবিধে হবে না? কামাল: একেবারেই না। আমি তো ইন্ডিয়ান টিমের সম্মানে ডিনার দেব ঠিক করেছি। দারুণ সংবর্ধনা পাবে ওরা এলে। তার আগে অবশ্য নরেন্দ্র মোদী আসছেন। ওঁকেও নজিরবিহীন সংবর্ধনা দেব আমরা। তবে ওই একটা লোককে বাংলাদেশ ক্ষমা করতে পারবে না। প্র: নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসন? কামাল: ইয়েস। বাংলাদেশে লোককে গালাগাল দিলে একটা সময় মীরজাফরের নাম উঠত। এখন ১৭৫৭ উধাও। নতুন নাম পাওয়া গেছে ২০১৫-তে। শ্রীনি। কারও ওপর কেউ প্রচণ্ড রেগে গেলে বা কারও সঙ্গে ঝগড়া হলে আমাদের দেশে লোকে এখন বলে, তুই ব্যাটা শ্রীনি! একদম কথা বলিস না! সুত্র- আনন্দবাজার
কলকাতা, ২৩ মে, ২০১৫,
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশান্তরি করছে অভাব by টিপু সুলতান
‘অভাব, কাজ নাই, সংসার চলে না’—বলছিলেন চুয়াডাঙ্গার সেলিম উদ্দিন। একই গ্রামের রফিকসহ তিনি ভাগ্য বদলের জন্য মালয়েশিয়ায় যেতে দালালদের হাত ধরে ঘর ছাড়েন। এখন ঠাঁই হয়েছে সংখলা প্রদেশের রাত্তফোম জেলার বন্দিশালায়। ৯ মে থাইল্যান্ডের জঙ্গল থেকে আরও অনেকের সঙ্গে এঁদের উদ্ধার করে সেখানকার পুলিশ।
এ প্রতিবেদক গত এক সপ্তাহে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বন্দিশালায় থাকা অন্তত ৫০ জন বাংলাদেশির সঙ্গে কথা বলেছেন। ফোনে কথা হয়েছে থাই জঙ্গল থেকে মুক্তিপণ দিয়ে দেশে ফেরা কয়েকজনের সঙ্গেও। বেশির ভাগ মানুষেরই দাবি, তাঁরা ঘর ছেড়েছেন অভাব আর বেকারত্ব ঘোচাতে। কেউ কেউ ভালো উপার্জনের প্রলোভনে পড়ে বা প্রতারণার শিকার হয়েও পাচারকারীদের খপ্পরে পড়েছেন।
আর এর সুযোগ নিয়েছে মানব পাচারকারীরা। বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া—এই চার দেশের চক্র মিলে গড়ে উঠেছে মুক্তিপণ-বাণিজ্য।
তবে সবার সমুদ্রযাত্রার কাহিনি এক নয়। তিন ধরনের ঘটনা শোনা গেছে থাই বন্দিশালায় আটক ভুক্তভোগীদের মুখে। এক. কেউ এসেছেন স্বেচ্ছায় দালাল ধরে আগাম টাকা দিয়ে। তারপর তাঁদের থাইল্যান্ডের জঙ্গলে আটকে, নির্যাতন করে দেশে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়। দুই. আগাম কোনো টাকা লাগবে না বলে দালাল চক্র মিথ্যা আশ্বাস ও প্রলোভনে ফেলে অনেককে নিয়ে আসে। তিন. জোর করে ও জাহাজে চাকরি দেওয়ার কথা বলে নৌকায় তুলে দেওয়ার ঘটনাও আছে। তবে এটা বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে কম।
সিরাজগঞ্জের রায়হান বেকারত্ব ঘোচাতে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য নিজেই দালাল ধরেন। জমি বিক্রি করে দালালকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন। ‘আমরা জানি বিদেশি জাহাজে যাব। সেখানে ফাইভ স্টার হোটেলের মতো রুম। গদির বিছানা। আর মালয়েশিয়া গেলেই চাকরি। কিন্তু এসে দেখি তিনতলা কাঠের বড় নৌকা। কিছু বলার উপায় নেই। শুরু হলো সমুদ্রের বুকে বন্দিজীবন, এরপর থাইল্যান্ডের জঙ্গলে। আবার বন্দী, খাবার নাই, পানি নাই, গোসল নাই, টাকার জন্য মারধর...বলে শেষ করা যাবে না।’ বলছিলেন এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করা রায়হান।
এ বিষয়ে পত্রিকায় এত লেখালেখি, টেলিভিশনে প্রচার, কখনো দেখেননি? রায়হানের জবাব, ‘এটা দালালদের জিজ্ঞাসা করেছি। তারা বলল, সাংবাদিকেরা বানাইয়া বানাইয়া লেখে।’
জঙ্গল থেকে অনেকের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া রায়হান এখন থাইল্যান্ডের বন্দিশালায়। তাঁর মতোই গণমাধ্যমের খবরকে বিশ্বাস করেনি চুয়াডাঙ্গার রফিকও। রফিকদের সমুদ্রযাত্রার গল্প ভিন্ন। তাঁদের দালাল বলেছে, আগাম কোনো টাকা লাগবে না। মালয়েশিয়া পৌঁছে টাকা দিলে হবে।
কিংবা রোজগার করে কিস্তিতেও দিতে পারবে। রফিকের মতো সম্প্রতি যাঁরা থাইল্যান্ডে পাচারকারীদের ক্যাম্প থেকে উদ্ধার হয়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগই এ প্রলোভন বা প্রতারণার ফাঁদে পড়া বলে জানা গেছে।
মুক্তিপণ দিয়ে সম্প্রতি দেশে ফেরা নূর নবী জানালেন, তাঁকে জোর করে তুলে নিয়েছে দালালেরা। সেটা কীভাবে সম্ভব? নুর নবী বলেন, তাঁরা তিন বন্ধু কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের ছবি তুলে জীবিকা নির্বাহ করেন। অপর দুজন হলেন ফেনীর রফিক ও চট্টগ্রামের মিঠু। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে টানা হরতাল-অবরোধের কারণে কক্সবাজার ছিল পর্যটকশূন্য। আয়-রোজগার ছিল না। তখন ডিসেম্বর মাস। টেকনাফের এক দালাল প্রস্তাব দেয়, মালয়েশিয়ায় অনেক কাজের সুযোগ আছে। কোনো টাকা লাগবে না। মালয়েশিয়া গিয়ে মাসে মাসে বেতন পেয়ে কিস্তিতে টাকা শোধ করলে চলবে। কিস্তির টাকা দিয়েও বাড়িতে ৫-১০ হাজার টাকা করে পাঠানো যাবে।
নূর নবীর দাবি, এতে তিনি রাজি হননি। রফিক ও মিঠু রাজি হন। দুই বন্ধুকে বিদায় জানাতে তিনি টেকনাফ পর্যন্ত যান। তখন তাঁকেও জোর করে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘এত চিৎকার করলাম, কেউ এগিয়ে এল না। বড় ট্রলারে তুলে আমাদের আটকে রাখে। সেখানে আরও অনেক রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি ছিল। তিন দিন পর ট্রলার ছাড়ে। আট দিন, আট রাত পর ট্রলারটি থাইল্যান্ডে পৌঁছায়। এরপর পায়ে হেঁটে ও গাড়িতে তাঁদের নেওয়া হয় মালয়েশিয়ার সীমানায় বাদাম বেসার জঙ্গলে।
নূর নবী জানান, তত দিনে ক্ষুধা, পিপাসায় তাঁরা সবাই ক্লান্ত, তার ওপর মারধর। এরপর দালালেরা থাই ফোন দিয়ে দেশে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেয় নূর নবীকে। মুক্তিপণ চায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ভাই গ্রামে জমি বেচে দালালদের টাকা পাঠান। এরপর নির্যাতন থামলেও মুক্তি মেলেনি। একদিন পুলিশ এসে ক্যাম্প থেকে ধরে নিয়ে যায়। তারপর জেল খেটে দেশে ফেরা। সেটা আরেক বেদনাদায়ক পর্ব।
কিন্তু নূর নবী তবু প্রাণ নিয়ে দেশে ফিরতে পেরেছেন। অনেকের মৃত্যু হয়েছে সাগরে, জঙ্গলে-নির্যাতন, অনাহার কিংবা অসুস্থ হয়ে। অনেকে নিখোঁজ। ১ মে এমন ৩২টি লাশের কঙ্কাল উদ্ধার এবং কয়েকটি গণকবরের সন্ধান মেলার পর থাই সরকার পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে সাগরপথে পাচারের শিকার মানুষদের ওপর বর্বরতার ঘটনাগুলো বিশ্বব্যাপী আলোচিত খবর।
দক্ষিণ থাইল্যান্ডের এসব এলাকায় একাধিক সরকারি কর্মকর্তা এবং পাচারকারী চক্রগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাগর পথ চালুর পর থেকেই সংখ্যায় কম হলেও বাংলাদেশিরা আসছিল। যদিও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ছিল সাগরপথের মূল যাত্রী। ২০০৯ সাল থেকে সংখ্যা ক্রমে বাড়ছিল। ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশির সংখ্যা বেশ বাড়তে থাকে।
সংখলা প্রদেশে কোনো বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা আটক হলে দোভাষী হিসেবে ডাক পড়ে আরাকান বংশোদ্ভূত থাই নাগরিক আমিন সাইয়্যাকের। গত এক বছরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন যাঁরা আইস্যে না, এঁরার ৭০ ভাগই বাংলাদেশের বাচ্চা ছেলে।’ তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের কিছু নেই। টাকা দিতে পারে না। মাসকে মাস জঙ্গলে আটকা থাকতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশিদের কাছ থেকে দ্রুত মুক্তিপণ পাওয়া যায়। এ কারণে বাংলাদেশিদের প্রতি পাচারকারী চক্রের আগ্রহ বেশি।
২০০৯ সাল থেকে সাগরপথে মানব পাচার নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে আসছেন দক্ষিণ থাইল্যান্ডের স্থানীয় এক সাংবাদিক। তাঁর অনুমান, থাই উপকূল দিয়ে গত এক বছরে যত মানুষ পাচারের শিকার হয়েছে, তাদের অর্ধেক বাংলাদেশি। সম্প্রতি যারা এ দেশে আটক বা উদ্ধার হয়েছে, তাদের অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি।
গত ২০ দিনে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিসংখ্যানও ওই সাংবাদিকের আন্দাজকে সমর্থন করে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আন্দামান সাগরে আটকে পড়া অবৈধ অভিবাসীদের অর্ধেকই বাংলাদেশি। তারা অর্থনৈতিক কারণেই দেশান্তরি হয়েছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, শুধু চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই মিয়ানমার ও বাংলাদেশের ২৫ হাজার মানুষ সাগরপথে দেশ ছেড়েছেন। এদের অন্তত ৩০০ জন মারা গেছে।
এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার কথা হয় কেরাম এশিয়ার আঞ্চলিক সমন্বয়ক হারুণ অর রশিদের সঙ্গে। অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে মালয়েশিয়ায় কাজ করেন তিনি। অভিবাসী-সংক্রান্ত জাতিসংঘের এক সভায় যোগ দিতে এখন তিনি থাইল্যান্ডে। তাঁর দাবি, মালয়েশিয়ার এমন কোনো কর্নার পাবেন না, যেখানে সাগরপথে আসা বাংলাদেশি নেই।
হারুণ অর রশিদ বলেন, মুক্তিপণ দিয়ে যেসব বাংলাদেশি মালয়েশিয়া পৌঁছাতে সক্ষম হন, পুলিশের হাতে ধরা পড়ে তাঁদের একটা অংশের ঠাঁই হয় এ দেশের কারাগারে, অন্যদের বেশির ভাগেরই কর্মস্থল হয় রাবার বাগান বা পাম অয়েল প্ল্যান্টেশনে। কেউ কেউ রেস্তোরাঁয় বা কারখানায় কাজ পান। কিন্তু সারাক্ষণ থাকেন পুলিশ-আতঙ্কে। কঠোর পরিশ্রম করেও কম বেতন পান।
সংখলার আমিন সাইয়্যাক জানালেন, তিনি এখানকার বন্দিশালায় পুলিশের দোভাষীর কাজ করতে গিয়ে আগে কক্সবাজার বা চট্টগ্রামের মানুষ পেতেন। গত এক বছর অনেক জেলার মানুষকে পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তঁরার দেশিত মানুষ জঙ্গলে ও আশপাশে মরে পড়ে থাকতেও দেখেছি। রোহিঙ্গা মইরছে মনে করে তঁরার সরকার খবরও নিতো না।’
অনেক দিন ধরে দেশে এমন ধারণা প্রচলিত আছে যে বাংলাদেশি নামে যারা সাগরপথে যাচ্ছে, তাদের বড় অংশ এ দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর। কিন্তু এ প্রতিবেদক দক্ষিণ থাইল্যান্ডের পাঁচটি বন্দিশালা ঘুরে সমুদ্রপথে এসে আটক হওয়া বাংলাদেশের ১৫ জেলার মানুষের হদিস পেয়েছেন। জেলাগুলো হলো কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, সুনামগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও কুষ্টিয়া।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে তো মিয়ানমারের মতো জাতিগত সহিংসতা নেই। সামরিক সরকারও নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মঙ্গলবার কমনওয়েলথভুক্ত ৩৭ সাংসদের একটি প্রতিনিধিদলকে বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখন শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বিবিএসের সাময়িক প্রাক্কলন অনুযায়ী, মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বাড়ছে। গত অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে তা হবে ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। তার পরও বাংলাদেশিরা কেন রোহিঙ্গাদের কাতারে শামিল হচ্ছেন?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, রোহিঙ্গাদের পাচার হওয়া এবং বাংলাদেশিদের পাচার হওয়ার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য আছে। রোহিঙ্গারা কোনো দেশের নাগরিক না। তারা চরম কোণঠাসা হয়ে আছে। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার প্রায়ই বলে, দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। শিগগিরই মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে দেশের নাগরিকেরা এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাচ্ছে, তা ওই দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অধ্যাপক ইমতিয়াজ মনে করেন, সমুদ্রপথে মানব পাচারের ঘটনায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি খারাপ হতে বাধ্য।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বিচার না হওয়ায় বাড়ছে এমন ঘটনা’ by সিরাজুস সালেকিন
অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সমাজের সকলকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন পরিবার থেকে ধর্ষকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না। তিরস্কার করা হয় না। সমাজে প্রচলিত সালিশের মাধ্যমে মিটমাট করার প্রবণতা রয়েছে। কমিউনিটির ব্যর্থতা রয়েছে। যেসব ছেলে অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে না কমিউনিটির পক্ষ থেকে। আগে তাদের একঘরে করে দেয়া হতো। এখন তা করা হয় না। কমিউনিটির প্রত্যেককে এগিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক দল কর্মসূচি দিয়ে এদের প্রতিহত করতে হবে। সালিশে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে এসব সমস্যার সমাধান করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, এখন যা ঘটছে এসব আগেও হয়েছে। কিন্তু গণমাধ্যমে রিপোর্ট না হওয়ায় আমরা জানতে পারিনি। মেয়েরা এখন ভোগের পণ্যে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে মেয়েদের হয়রানির সুযোগ বেড়েছে। কারণ আগের চেয়ে মেয়েরা ঘরের বাইরে বেশি চলাফেরা করে। নারী নেত্রী ও মানবাধিকার কর্মী খুশি কবীর বিচারহীনতাকে নারী নির্যাতনের কারণ উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। একটা ঘটনা ঘটলে অপরাধীদের ধরা হয় না। বরং বক্তব্য দেয়া হয় যে দুষ্টুমি হয়েছে। সেখানে কিছু ঘটেনি। বিরাট আন্দোলন না করলে কোন সমাধান পাওয়া যায় না। মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলে আমরা দেখেছি। আন্দোলন না করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেয় না। তারা ধরে নিচ্ছে তাদের কিছু হবে না। একের পর এক ঘটনায় সাহস পেয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নারীরা কোনদিনই নিরাপদ ছিল না। আগে সমাজে রাখঢাক ছিল। একটা সমস্যা হলে সামাজিকভাবে সমাধান করার চেষ্টা করা হতো। এখন সরাসরি প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে। আমাদের সামাজিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন আছে। এখন পুলিশ পদক্ষেপ নেয়না। বরঞ্চ অপরাধীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। আমাদের আইন কেন, শাস্তির বিধান কেন? অপরাধ যেন বারবার সংঘটিত না হয় সেজন্যই আইন করা হয়েছে। এভাবেই চলতে থাকলে আমাদের সমাজ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক এডভোকেট সালমা আলী যৌন নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধির পেছনে পর্নোগ্রাফি আইনের সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, মোবাইলে ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম যা খুশি তাই দেখছে। অশিক্ষিত লোকদের হাতে ইন্টারনেট চলে গেছে। এসবের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। মোবাইলে পর্নো ভিডিও সহজলভ্য হওয়ায় তা ছড়িয়ে পড়ছে। তরুণ প্রজন্ম উচ্ছৃঙ্খল হয়ে যাচ্ছে। বাবা মা বলতে পারেন না ছেলে কোথায় যায়। মোবাইলে কি দেখে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, শহরে খেলার মাঠ নেই। নিম্ন আয়ের মানুষদের বিনোদনের কোন মাধ্যম নেই। তারা এখন সহজলভ্য মোবাইলে ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে বিনোদন নেয়ার চেষ্টা করে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন আছে, কিন্তু অনেক কিছু বন্ধ রাখার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। টেলিভিশনে অনেক কিছু দেখানো হয় যা বাইরের অনেক দেশে নিষিদ্ধ। প্রশাসন ও পুলিশের ব্যর্থতাকে দায়ী করে তিনি বলেন, দেশে আইন আছে কিন্তু আইনের প্রয়োগ নাই। অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। মিডিয়া কিছুদিন লেখালেখি করে। কিছুদিন পর বন্ধ হয়ে যায়। মামলা হলে বছরের পর বছর চলতে থাকে। এর মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ভিকটিম আক্রান্ত হয়। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে প্রশাসনের কোন জবাবদিহিতা নেই। সরকারের কোন জবাবদিহিতা নেই। পুলিশ দুর্নীতিগ্রস্ত। টাকা পয়সা নিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করে। যারা সৎ আছে ওপরের চাপ থাকে তাদের ওপর। সবকিছুর জবাবদিহিতা সরকারকে করতে হবে। সবকিছু শেষ হয়ে গেলে সরকারের টনক নড়ে। তাই সময় থাকতে সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমস্যা মেয়েদের পোশাকে, নাকি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গীতে? -বিবিসি
প্রতিদিনের মতো কারওয়ানবাজারের অফিসে দিনের কাজ শেষে বাসে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন সিরাজুম মুনিরা। বাসে নিত্যদিনের মতো সেদিনও বেশ ভিড়। সেই ভিড়ের মধ্যে সেদিন এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন তিনি।
“আমি কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ করে অনুভব করছিলাম, আমার শরীরের পেছনের স্পর্শকাতর অংশে শক্ত কিছু এসে লাগছে। প্রথমে ভেবেছিলাম আমার পেছনের যাত্রীর হাতে হয়তো ফাইল জাতীয় কিছু আছে, যেটা আমার গায়ে লাগছে। অনেক ভিড় ছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম না। বার বার সরে যাচ্ছিলাম।”
ব্যাপারটা ভালো করে বোঝার জন্য মুনিরা ঘুরে দাঁড়ালেন। দেখলেন, সুবেশি এক মানুষ, চোখে রিমলেস চশমা। এই মানুষটি এতক্ষণ তার পুরুষাঙ্গ ঘষছিলেন তাঁর পেছনে। মুনিরা ছেড়ে দেবার পাত্র নন। তিনি প্রতিবাদ করলেন। কিন্তু বিস্ময়ের সঙ্গে দেখলেন, উল্টো তাকেই দুষছেন লোকটি।
“যে লোকটা আমার সঙ্গে এরকম একটা কান্ড করলো, সে উল্টো দাবি করতে লাগলো যে আমিই নাকি তাকে উত্তেজিত করেছি। কিন্তু একটু দূরে বসা অন্য দুজন যাত্রী ব্যাপারটা দেখেছেন। তারা আমার পক্ষে সাক্ষী দিলেন। এই দুজন আমার পক্ষে দাঁড়ানোর পরেই কেবল বাসের অন্য যাত্রীরা বিশ্বাস করলেন যে ঐ সুবেশি লোকটি আমাকে উত্যক্ত করছিল।
ঢাকায় গণপরিবহনে যে মেয়েদের চলাচল করতে হয়, তাদের সবার কম-বেশি এরকম অভিজ্ঞতা আছে। কারওয়ান বাজারে সিরাজুম মুনিরার অফিস থেকে বেরিয়ে আমি উঠে পড়ি মতিঝিল-গামী এক বাসে। সামনের দিকে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনে তিন মহিলা যাত্রী। পুরো বাসে আর সব পুরুষ যাত্রী।
পুরুষ যাত্রীর ভূমিকা
বাসের ভেতর যখন মহিলা যাত্রীদের এরকম যৌন হয়রানির শিকার হতে হয়, তখন সহযাত্রী পুরুষরা কি করেন? “আমি সব সময় প্রতিবাদ করার চেষ্টা করি, বাধা দেয়ার চেষ্টা করি’, বললেন এক তরুণ যাত্রী।
মেয়েরা এরকম ঘটনার শিকার হলে যখন প্রতিবাদ করেন, তখন কিন্তু অন্যান্য যাত্রীরা তার সঙ্গে প্রতিবাদে সামিল হন, দাবি করলেন আরেক পুরুষ যাত্রী।
কিন্তু তৃতীয় পুরুষ যাত্রী এরকম ঘটনার দায় চাপালেন মেয়েদের ওপরই। “মেয়েরা কেমন পোশাকে ঘুরছে, সেটা তাদের খেয়াল রাখতে হবে। এটা তো বিদেশ নয়, বাংলাদেশ। তারা কেন বাংলাদেশে এমন পোষাকে ঘুরবে?”
সমস্যা আমাদের পোষাকে নয়, পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গীতে, জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে বললেন দুই মহিলা যাত্রী। আমি বৃদ্ধ লোককেও দেখেছি মেয়েদেরকে উত্যক্ত করতে, ক্ষোভের সঙ্গে বললেন একজন। “বাসে একটু বেশি ভিড় থাকলেই ইচ্ছে করে এসে ধাক্কা দিয়ে গায়ে পড়ে। তখন বলে যে বাস ব্রেক করায় ধাক্কা লাগছে”, বললেন অপরজন।
বোরকায় সুরক্ষা?
বাসে উঠলেন এক বোরকা পড়া মহিলা। তার কন্ঠে শোনা গেল একেবারেই ভিন্ন ভাষ্য। “আমরা মেয়েরা যদি উচ্ছৃঙ্খল আর খোলামেলা পোষাক পরি, তাহলে ছেলেরা এরকম করতেই পারে। আমরা যদি ধর্মীয় বিধান মেনে পোষাক পরতাম, চলাফেরা করতাম, তাহলে এরকম ঘটতো না।”
আসলেই কি তাই? বোরকাই কি তাহলে যৌন হয়রানি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়?
ঢাকার শাহবাগ মোড়ে ব্যস্ত সময়ে বাসে উঠার চেষ্টা করছিলেন এক বোরকায় আবৃত মহিলা। কয়েকবার চেষ্টা করেও বাসে উঠতে পারলেন না। জানতে চেয়েছিলাম তার অভিজ্ঞতার কথা। “একদিন আমি শাহবাগ থেকে কল্যাণপুর যাচ্ছিলাম। তখন রাত প্রায় নটা। বেশ ভিড় ছিল বাসে। আমি বাসে উঠার সময় একটা লোক আমার গায়ে হাত দিল। আমি তো বোরকা পড়ি, পর্দা মেনে চলি, তারপরও এমন করলো। খুবই আপত্তিকর। শুধু আমার নয়, সব মেয়ের জন্যই এটা আপত্তিকর।”
প্রতিবাদী নারী
রাস্তাঘাটে এরকম ঘটনার শিকার যারা হন, তাদের অনেকেই লজ্জায় মুখ বুঁজে সয়ে যান। কিন্তু অবস্থা পাল্টাচ্ছে, অনেক মেয়েই এখন প্রতিবাদ করছেন, প্রতিরোধেও পিছপা হচ্ছেন না। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আফরিনা তার এরকম এক অভিজ্ঞতার কথা শোনাচ্ছিলেন আমাকে।
“একদিন রাস্তার পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ দেখি বাসের দরোজায় ফর্মাল কাপড়-চোপড় পরা এক পুরুষ আমাকে জিহ্বা দেখিয়ে কুৎসিত ইঙ্গিত করছে, ইশারা করে আমাকে তার সঙ্গে যেতে বলছে। আমি একটু ভাবলাম, তারপর এগিয়ে গিয়ে তার কলার চেপে ধরলাম। তাকে মারতে শুরু করলাম। বাস চলছে, তার মধ্যে আমি এই লোকটাকে পেটাচ্ছি।”
আফরিনার মতো আরও অনেকেই এখন প্রতিবাদী হচ্ছেন, কিন্তু তাদের সংখ্যা হাতে গোণা, বলছেন ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান রোকসানা সুলতানা। শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করছেন তিনি। আমরা কেবল ধর্ষনকেই কেবল যৌন নির্যাতন বলে গণ্য করি। কিন্তু মেয়েরা যে আরও কতরকমের যৌন নির্যাতনের মুখোমুখি হন, টাচিং, ফন্ডলিং, যৌনাঙ্গ দেখানো, যৌনাঙ্গ স্পর্শ করা----এগুলোও তো যৌন নির্যাতন। কিন্তু কেউই আমরা এগুলো নিয়ে কথা বলি না লোকলজ্জার ভয়ে। মুখ বুঁজে সয়ে গেলে এর কোন সমাধান নেই, প্রতিবাদে সোচ্চার হলেই কেবল এর প্রতিকার সম্ভব, বলছেন রোকসানা সুলতানা।
- bbc বাংলা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
May
(1015)
-
▼
May 24
(47)
- আবার মুখ্যমন্ত্রী পদে তামিলদের ‘আম্মা’
- রাজনৈতিক সহিংসতা- দুই বছরে ৬৫০ চার্জশিট
- গাইবান্ধায় রাস্তায় ধান ফেলে কৃষকদের প্রতিবাদ
- আয়ারল্যান্ডে বৈধতার পথে সমকামিতা, বিয়ের জোর প্রস্তুতি
- বাংলাদেশী শনাক্তে মিয়ানমার যাচ্ছে ১১ সদস্যের প্রতি...
- মালয়েশিয়ায় গণকবরে ১০০ লাশ, হতভাগ্যরা অভিবাসী
- শিবির সভাপতি-সেক্রেটারির জবাব দেওয়ার সময় বাড়ল
- সাগরে ও বন্দিশিবিরে আমাদের ‘মানবসম্পদ’! by মশিউল আলম
- সর্ববৃহৎ হাজি হোটেল
- ইরাক সিরিয়ার শেষ সীমান্তও আইএসের দখলে
- মেয়রদের মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া না-দেওয়া by আলী ইমা...
- মোদির চীন সফর by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
- সাগরে ভাসমানদের বেশির ভাগই বাংলাদেশী
- কি ঘটেছিল সেই রাতে- আদিবাসী তরুণী গণধর্ষণ: ক্ষোভ, ...
- সিঙ্গাপুরের চিকিৎসাপত্র জমা দেয়া হবে -২৯শে মে জামি...
- ‘লোকে এখন মীরজাফর বলেনা, বলে তুই ব্যাটা শ্রীনি’ -স...
- দেশান্তরি করছে অভাব by টিপু সুলতান
- ‘বিচার না হওয়ায় বাড়ছে এমন ঘটনা’ by সিরাজুস সালেকিন
- সমস্যা মেয়েদের পোশাকে, নাকি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গীতে...
- ‘উন্নয়নকে গণতন্ত্রের বিপরীতে দাঁড় করানো যাবে না’ -...
- সর্ববৃহৎ হাজি হোটেল
- ৬শ কোটি টাকা নিয়ে হাওয়া ইয়াসিন গ্রুপের মালিক by লো...
- হাতিয়া যাচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প by উবায়দুল্লাহ বাদল
- সুপ্রিমকোর্ট-মন্ত্রণালয় টানাপোড়েন by কবির হোসেন
- বিশ্বের সবচেয়ে ঘৃণিত বুশ জনপ্রিয়তায় যিশুকে ছাড়িয়ে ...
- ৫ই জুন পর্যন্ত আম পাড়া ও বিক্রি নিষিদ্ধ by আসলাম-উ...
- হাটজুড়ে কাঁঠাল, বাতাসে ম-ম ঘ্রাণ by আকমল হোসেন
- ইন্টারনেট ডট অর্গ নিয়ে যত বিতর্ক by মো. মিন্টু হোসেন
- তীব্র তাপদাহে হাঁসফাঁস জীবন
- বদলে গেল বনকিশোর by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- মিয়ানমার উপকূলে ২শ অভিবাসী উদ্ধার
- ১০০ দিনে কী করলেন কেজরিওয়াল?
- কাগজে-কলমে বাংলাদেশের অনুকূলে : বাস্তবতা ভিন্ন
- সিলেটে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের হামলা
- ইরাক সিরিয়ার শেষ সীমান্তও আইএসের দখলে
- সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র কাট্টলী সমুদ্র সৈকত by এ...
- সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী আসছেন...
- মানুষ পোড়ানোর কারণে নিজেও পুড়বেন খালেদা
- ঢাকায় চলন্ত মাইক্রোবাসে গারো তরুণীকে গণধর্ষণ, আলাম...
- দালালদের কিছু হয় না ভুক্তভোগীরা হয় চুরি ছিনতাইয়ের ...
- ছাত্রী লাঞ্ছনার ঘটনায় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতা-কর্মীক...
- সিলেটের প্রবাসী অধ্যুষিত ৮ উপজেলায় ডাকাত আতঙ্ক, রা...
- আত্মঘাতী বোমা হামলায় রক্তাক্ত হলো সৌদি আরব, নিহ...
- রাজশাহীতে অটোকার তৈরির কারখানা হচ্ছে
- চাঁপাই নবাবগঞ্জের আমবাগানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু...
- সাভারে ময়লা আবর্জনা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বায়োগ্যাস
- দাবি আদায়ে বাস ধর্মঘট, জিম্মি যাত্রীরা by শেখ আল-এ...
-
▼
May 24
(47)
-
▼
May
(1015)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


















