Wednesday, February 13, 2019
চীনে মুসলিমদের বিরুদ্ধে কেন এত অবিচার!

তারপর থেকে তার মেয়ে আইবোতা শেখ পিতার কাছ থেকে আর একটি শব্দও শুনতে পান নি। তিনি বলেন, আমি জানি না কি কারণে আমার বাবাকে এভাবে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি চীনের কোনো আইন লঙ্ঘন করেন নি। তাকে কোনো আদালতেও বিচারের জন্য তোলা হয় নি। এ কথা বলতে বলতে পিতার একখানা ছবি হাতে কান্নায় ভেঙে পড়েন আইবোতা শেখ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। বিবিসির সাংবাদিক আবদুজলিল আবদুরাসুলভ এ নিয়ে প্রতিবেদনটি লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, আমি কাজাখস্তানের সবচেয়ে বড় শহর আলমাটিতে চীনা কাজাখদের একটি গ্রুপের সঙ্গে কথা বলি। তার মধ্যে ছিলেন আইবোতা শেখ। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ওই মানুষগুলো কাজাখ সরকারের একটি ছোট্ট অফিসে সমবেত হয়েছিলেন তাদের প্রিয়জনকে মুক্ত করার জন্য আবেদন নিয়ে। অনেক দিন ধরে এসব মানুষ নিখোঁজ।
জাতিসংঘের কমিটি অন দ্য ইলিমিনেশন অব রেসিয়াল ডিসক্রিমিনেশন বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট পেয়েছে যে, প্রায় ১০ লাখ মানুষকে সিনজিয়াংয়ের বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। এর প্রায় সবাই মুসলিম সংখ্যালঘু উইঘুর, কাজাখ ও অন্যান্য গোষ্ঠীর।
চীনে ১০ লাখেরও বেশি কাজাখ বসবাস করেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর হাজার হাজার কাজাখ চলে যান তেলসমৃদ্ধ কাজাখস্তানে। কাজাখস্তানে জাতিগত কাজাখদের প্রতি আকর্ষণও এক্ষেত্রে তাদেরকে অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকতে পারে। যারা কাজাখস্তানে গিয়েছিলেন তারা এখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। চীনে তাদের যেসব আত্মীয়স্বজন রয়ে গেছেন তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারছেন না।
নুরবুলাত তুরসুনজান উলু ২০১৬ সালে আলমাটি অঞ্চলে চলে যান। তিনি বলেছেন, তার পিতামাতার অনেক বয়স হয়েছে। চীন ছেড়ে কাজাখস্তানে যাওয়ার মতো শারীরিক সক্ষমতা নেই তাদের। তা ছাড়া তাদের পাসপোর্ট নিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আরেকজন আবেদনকারী বেরমুরাত নুসুপকান উলু বলেছেন, চীনে থেকে যাওয়া তাদের আত্মীয়রা ফোনে অথবা চীনে জনপ্রিয় ম্যাসেজিং অ্যাপ উইচ্যাটে কথা বলতেও ভয় পান। তাদের এই ভয় পাওয়ার যৌক্তিকতা আছে। তিনি বলেন, আমার শ্বশুর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমাদের দেখতে এসেছিলেন। আমার বাসা থেকে তিনি চীনে অবস্থানরত তার ছেলের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, তারা কেমন ছিলেন এবং কি করছিলেন সে সম্পর্কে। এর অল্প পরেই তার ছেলে বুরঝানকে আটক করা হয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, তিনি দু’ বা তিনবার কাজাখস্তান থেকে ফোন কল রিসিভ করেছেন। এ জন্য তাকে রাজনৈতিক বন্দিশালায় পাঠানো হয়েছে।
মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে এসব মানুষকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন করা হয় না। বিচারেও তোলা হয় না। তাদেরকে আইনজীবী অথবা পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেয়া হয় না। এমন বন্দিশালায় বেশ কিছু মাস কাটিয়েছেন জাতিগত কাজাখ ওরিনবেক কোকসিবেক। তিনি বলেছেন, সেখানে নরকে সাতটি দিন পাড় করেছি আমি। আমার হাত বেঁধে রাখা হয়েছিল। দু’পা বেঁধে রাখা হয়েছিল। তারা আমাকে একটি ছোট্ট জায়গায় ছুড়ে ফেলেছিল। এ সময় আমি দুটি হাত উপরের দিকে তুলে ধরি এবং উপরের দিকে তাকাই। সঙ্গে সঙ্গে তারা আমার ওপর পানি ঢেলে দেয়। এ সময় আমি আর্তনাদ করেছি। তারপরে কি ঘটেছিল আমি স্মরণ করতে পারছি না। জানি না সেখানে কত সময় ছিলাম আমি। তখন ছিল প্রচন্ড ঠান্ডা। তারা আমাকে একজন বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করতো। আমার কাছে ছিল দ্বৈত্য নাগরিকত্ব। আমার ঋণ ছিল এবং জমির মালিক ছিলাম আমি। তবে এসব অভিযোগের কোনোটিই সত্য নয়।
এক সপ্তাহ পরে কোকসিবেককে নিয়ে যাওয়া হয় আরেকটি আলাদা স্থানে। সেখানে তাকে শিখানো হয় চীনা গান ও ভাষা। তাকে বলা হয়, তিনি ৩০০০ শব্দ শিখতে পারলে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। চীনে তারা এটাকে বলে পুনঃশিক্ষা বিষয়ক ক্যাম্প। যদি তাই হয় তাহলে মানুষকে কেন হ্যান্ডকাপ পরানো হবে? প্রশ্ন করেন তিনি। তার ভাষায়, তারা কাজাখদের আটক করে। এর কারণ, তারা মুসলিম। কেন তাদেরকে জেলে আটকে রাখা হয়? এর উদ্দেশ্য হলো, তারা কাজাখদের চীনা বানাতে চায়। তারা পুরো জাতিকে মুছে ফেলতে চায়।
কোকসিবেকের এই কাহিনী নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয় নি। তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অন্য যেসব অধিকারকর্মীরা এ বিষয়ে যেসব ডকুমেন্ট হাজির করেছে তার সঙ্গে মিলে যায় তার কাহিনী। এ বিষয়ে কাজাখস্তানে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের মুখোমুখি হয় বিবিসি। তারা কোনো জবাব দেয় নি। ওদিকে চীনা কর্তৃপক্ষ এমন জেলখানাকে ‘ভকেশনাল’ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা বলে, যে পরিবেশ সন্ত্রাস ও ধর্মীয় উগ্রবাদের উর্বরতা দেয় তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থা।
ওদিকে কাজাখ সরকার বলে, চীনের ভিতরে যেকোনো চীনা নাগরিকের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ চীনের আভ্যন্তরীণ বিষয়। সেখানে তাদের হস্তক্ষেপ করার কোনো এক্তিয়ার নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশে শ্রমিক নিয়োগ দালালমুক্ত করার পরিকল্পনা -রয়টার্সের রিপোর্ট

সরকারি ডাটা উল্লেখ করে ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন ৭৫ লক্ষাধিক বাংলাদেশী।
২০১৭ সালে কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষ বিদেশে কর্মসংস্থানে গিয়েছেন। এটা এযাবতকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা রওনক জাহান রয়টার্সকে বলেছেন, এ পরিকল্পনায় রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিগুলোকে বলা হবে তাদের হয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে যারা ব্রোকার হিসেবে কাজ করছে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে। এ তথ্য পাওয়ার পর আমরা ওইসব নাম প্রকাশ করে দেবো। জানিয়ে দেবো সার্টিফায়েড ব্রোকারদের নাম। এতে জনগণ সচেতন হবে। এ উদ্যোগে মানবপাচার প্রতিরোধ করা যাবে।
উল্লেখ্য, বিদেশে কাজ খুঁজে পেতে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক অভিবাসী নির্ভর করেন ব্রোকার বা দালালদের ওপরে। রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিচার্স ইউনিটের তথ্যমতে, ওইসব মানুষের প্রায় অর্ধেকই নানা রকম প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হন।
গত বছর বিদেশে কর্মরত অবস্থায় প্রায় ৩৮০০ বাংলাদেশী শ্রমিক মারা যান। ২০০৫ সালের পর এটি এক বছরে মারা যাওয়া সর্বোচ্চ শ্রমিকের সংখ্যা। এতে বিদেশে শ্রমিকদের ওপর অশোভন আচরণের বিষয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
এক্ষেত্রে সরকারি প্রস্তাবনার প্রশংসা করেছে অভিবাসীদের অধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো। তারা বলেছে, এতে গ্রামীণ অঞ্চলে অভিবাসী হিসেবে কাজ করতে যাবেন যেসব শ্রমিক তাদের জন্য সহায়ক হবে। এতে তারা প্রতারিত হবেন না। প্রতারিত হলে তারা আদালতে ন্যায়বিচার দাবি করতে পারবেন।
বাংলাদেশে এক হাজার ২ শতাধিক লাইসেন্সধারী রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি আছে। কিন্তু তাদের বেশির ভাগই শহরে। কিন্তু জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগই যে গ্রামে বাস করেন, তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে এসব এজেন্সি। এমনটা বলেছেন অভিবাসীদের অধিকার বিষয়ক সংগঠন অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের চেয়ারম্যান শাকিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ওই কারণে বিদেশে কাজের সন্ধানকারীরা এসব এজেন্সির নাগাল পাওয়ার জন্য একজন দালাল ধরেন বিদেশে যাওয়ার জন্য। একই সময়ে এজেন্সিগুলোরও রয়েছে সক্ষমতায় ঘাটতি। তারাও দালালের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।
বিদেশে কাজের সন্ধান করেন যেসব শ্রমিক তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরচের অন্যতম দেশ হলো বাংলাদেশ। এখানে বিদেশে যেতে হলে কিছু অভিবাসী শ্রমিককে ফি পরিশোধ করতে হয় ৮৫০০ ডলার। এমন হিসাব জাতিসংঘের। এই খরচের সবটাই যে ডকুমেন্ট বা কাগজপত্রভিত্তি তা নয়। তাই যখন কোনো শ্রমিক নির্যাতিত হয়ে দেশে ফেরেন তখন তারা আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন না। এ কথা বলেছেন আরএমএমআরইউয়ের মেরিনা সুলতানা। তিনি আরো বলেন, এক্ষেত্রে একমাত্র ডকুমেন্ট হলো সরকারি ফি-এর রিসিপ্ট কপি। এর মাঝামাঝি যে বিপুল অংকের অর্থ লেনদেন হয় তার দায়িত্ব কেউ নেয় না। তাই এসব অর্থ কোথায় গেছে, কার হাতে গেছে তা প্রমাণের কোনো উপায় নেই।
পার্টটাইম ভিত্তিক তিনটি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিতে ব্রোকার হিসেবে কাজ করেন মোহাম্মদ পারভেজ। তিনি বলেন, যদি এক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী ব্যক্তি (দালাল)কে সরকারি কোনো ডকুমেন্ট দেয়া হয় তাহলে প্রতারণা ও জালিয়াতি কমিয়ে আনতে তা সহায়তা করতে পারে। যদি তারা (সরকার) আমাদেরকে সরকারিকরণ করে এবং মাসিক একটি বেতন দেয় তাহলে সবার জন্যই তা শুভকর হবে। প্রতারণার পরিমাণ কমে আসবে। কারণ, তখন প্রত্যেকেই জবাব দিতে বাধ্য থাকবে।
তবে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রটিং এজেন্সির (বায়রা) সেক্রেটারি জেনারেল শামিম আহমেদ চৌধুরী নোমান বলেছেন, রিক্রটিংয়ে মধ্যস্থতাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনার মধ্য দিয়ে সিস্টেমের কোনো উন্নতি হবে না। ফিও কমে আসবে না। তিনি বলেন, যদি আপনি অভিবাসীদের ফি কমাতে চান, তাহলে আপনি সিস্টেমে আরো বেশি স্টেকহোল্ডারকে যুক্ত করতে পারেন না।
এমন স্কিম অসংখ্য শ্রমিককে সহায়তা করতে পারে, যারা মোহাম্মদ মাহবুবের মতো একই রকম ভাগ্যবরণ করেন। মাহবুব বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের একজন কর্মকার। তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দু’বার দালালের খপ্পরে পড়েছিলেন। তাকে ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট দেয়া হয়েছিল। তার কাছ থেকে দালালরা লুফে নিয়েছিল বিপুল অংকের অর্থ।
দুয়েক মাস আগে, যে দালাল মাহবুবের সঙ্গে এমন আচরণ করেছিল, সে তাকে ফোন করে এবং তাকে বলে, যদি তিনি মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে আরো টাকা দিতে হবে। মাহবুব বলেন, তাকে আমি বলে দিয়েছি- না। যথেষ্ট হয়েছে। আমার কাছে আর কোনো অর্থ নেই। আমাকে দু’বার বোকা বানানো হয়েছে। আমি জানি ওই ব্যক্তি আমাকে সত্য বলে নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্ভোগ: মেট্রোরেলের অপেক্ষায় মানুষ by শাহ নেওয়াজ বাবলু

দুর্ভোগ আর নানা ভোগান্তিতে প্রায় অর্ধেক ঢাকার মানুষ। সরজমিন ঘুরে প্রকল্প এলাকায় দেখা গেছে দুর্ভোগের নানা চিত্র। ভুক্তভোগীরা অবশ্য বলছেন, কর্তৃপক্ষ আরো সচেতন হলে দুর্ভোগ অনেকটা কমানো যেত। গত কয়েক দিন প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এর কাজের কারণে যানজট অনেকটাই বেড়েছে। সেই সঙ্গে আগারগাঁও থেকে মিরপুর-১২ পর্যন্ত তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অনেক গর্ত। ছোট গর্তগুলো মেরামতের কোনো ব্যবস্থা না করা হলেও বড় গর্তগুলো কোথাও কোথাও ঢেকে দেয়া হয়েছে স্টিলের পাত দিয়ে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকে রাস্তায়। এখন কোনো বৃষ্টি নেই। কিন্তু পূর্ব শেওড়াপাড়া থেকে মণিপুর পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশে অনেকটা জায়গাজুড়েই পানি জমে রয়েছে গত চার দিন ধরে। এই পানি কোথা থেকে আসল, সেটা কেউই বলতে পারছে না। এই কারণে ওই এলাকার মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। এই দুর্ভোগ সত্ত্বেও মানুষ আশা করছেন, মেট্রোরেল চালু হলে মানুষ যানজটের ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবেন। মিরপুর-১২ থেকে ওল্ড ডিওএইচএস পর্যন্ত মেট্রো রেলের প্রকল্পের কাজের কারণে রাস্তার তিন ভাগের দুই ভাগই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আর একদিক দিয়ে চলাচল করে দুই দিকের যানবাহন এবং সাধারণ মানুষ। এ কারণে ওই এলাকায় যানজট অনেকটাই বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে সকাল বেলা। সেখানকার স্কুল কলেজগুলো শুরু এবং ছুটির সময় যানবাহনের লম্বা যানজট লেগে যায়।
রাজধানীর খামারবাড়ী এলাকায় মেট্রোরেলের কাজের জন্য সড়কের বড় অংশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সড়কের বাকি সরু জায়গা দিয়ে পাশাপাশি দুটি গাড়িও যেতে পারছে না। তীব্র যানজটের কারণে খামারবাড়ী মোড় পার হতেই ঘণ্টা পেরিয়ে যাচ্ছে কোনো কোনো সময়।
মেট্রোরেল প্রকল্পের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের খামারবাড়ী, কাওরান বাজার, বাংলামোটর, শেরাটন ক্রসিং ও শাহবাগ এলাকায় খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে। ফলে এসব এলাকায় সড়কের পরিমাণ কমে গেছে। এই কারণে সড়ক দিয়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলায় যানজট দীর্ঘ হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। সোমবার সকাল সোয়া নয়টার দিকে আড়ং মোড় পার হয়ে দেখা যায়, খামারবাড়ী মোড়ের যানজট পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
শেওড়াপাড়ার একটি কনফেকশনারির মালিক মো. রাসেল মানবজমিনকে বলেন, শুকনোর সময় খুব ধুলোবালি হয় আর বর্ষায় কাদাপানি। বৃষ্টিতে রাস্তা তলিয়ে গেলে খোলা ম্যানহোল হয়ে ওঠে মরণফাঁদ। এ প্রকল্পের কাজের কারণে আমাদের বিক্রি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। কাজীপাড়ার ফার্নিচার ব্যবসায়ী আবুল খায়ের বলেন, রাস্তার ধুলোবালির কারণে দোকানে বসা যায় না। আর কয়েকদিন পরে তো বর্ষা আসছে। বর্ষার সময় পানি সরার কোনো পথ না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। রাস্তা সরু হওয়ায় পানি এদিক-সেদিক যেতেও পারে না। দীর্ঘ সময় এ অবস্থায় থাকার কারণে আর ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে ছোট গর্তগুলোও আর ছোট থাকে না। বেশি বৃষ্টি হলে ফুটপাতসহ অনেক দোকানেও পানি উঠে যায়। মানুষ ভ্যানে চেপে, কোমর-পানিতে ভিজে, নৌকা দিয়ে চলাচল করে।
অনেক স্থানে ফুটপাত চলাচলের অযোগ্য। তাছাড়া যান চলাচল কমে যায়। পানি এত বেশি হয় যে, রাস্তার ভেতরই গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়ে স্কুলগামী শিশুরা। পুরুষরা কোনোভাবে চলাচল করলেও নারীদের চলাচলের অযোগ্য হয়ে ওঠে এই এলাকা। আর এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই তো আমাদের ব্যবসার অবস্থা একবারেই নাজেহাল। আগের তুলনায় কাস্টমার অনেক কম আসে। এর একমাত্র কারণ যানজট।
ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্র ফরহাদ সরকার মানবজমিনকে বলেন, আগে যেখানে ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় লাগত ভার্সিটিতে যেতে, একই পথ যেতে এখন লাগে প্রায় এক ঘণ্টা। এখন অনেক সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরে আসি। মণিপুর স্কুলের শেওড়াপাড়া শাখার এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, সরু রাস্তা আর ফুটপাতের বেহাল অবস্থার কারণে বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যেতে খুব সমস্যায় পড়তে হয়। আর পাবলিক বাসে উঠলে যানজটে চলে যায় অনেক সময়। মিরপুর-১১-এর বাসিন্দা মোহাম্মাদ হাবীব মানবজমিনকে বলেন, আমার অফিস মতিঝিলে। সেখানে যেতে আগে সময় লেগেছে ১ ঘণ্টারও কম, এখন প্রায় আড়াই ঘণ্টা লেগে যায়। মেট্রো রেল প্রকল্পের কারণে রাস্তার পরিমাণ অনেক কমে গেছে। তাছাড়া এ এলাকার রাস্তার দুই পাশ দিয়ে খোঁড়াখুঁড়ির পর তা ভালো করে মেরামত না করায় অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
মেট্রো রেলের এ প্রকল্পকে সাধুবাদ জানালেও এর কারণে সৃষ্ট সমস্যাকে অসহনীয় মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, প্রকল্প শেষ হতে সময় লাগলেও যাতে রাস্তার মেরামতের কাজ দ্রুত শুরু করা হয়।
মিরপুর পুরবী মার্কেটের সামনে গত ৬ বছর ধরে ছোটদের কাপড় বিক্রি করে আসছেন বাবুল মিয়া। প্রথম কয়েক বছর বেচাবিক্রি ভালো হলেও মেট্রো রেলের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে সেটা একবারেই কম। গতকাল তিনি মানবজমিনকে বলেন, আগে যেখানে প্রতিদিন ৬-৭ হাজার টাকা বিক্রি হতো। এখন দুই তিন হাজার টাকা বিক্রি করতেই অনেক কষ্ট হয়। এই ইনকামে খুব কষ্ট হচ্ছে পরিবার চালাতে। একই মার্কেটের মোবাইল দোকান ডায়না টেলিকমের মালিক আবু ইউসুফ মানবজমিনকে বলেন, বেচাবিক্রির অবস্থা খুবই খারাপ। অনেক মাসে দোকানের খরচ তুলতেই টানাটানি হয়ে যায়। আগের তুলনায় অর্ধেকও বিক্রি করতে পারি না। এই কাজের কারণে আমাদের মার্কেটের সামনে বড় দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। তাই অনেকেই মন চাইলে কিছু কিনতে আসতে পারে না। আর যারা আসেন তারা মার্কেটের পেছনের দিক দিয়ে ঘুরে আসেন।
পশ্চিম কাফরুলের মেসার্স সোবাহান অ্যান্ড সার্ভিস স্টেশনে কাজ করেন মুক্তল হোসেন। তিনি বলেন, আমি এই তেলের পাম্পে ১২ বছর ধরে চাকরি করি। গত দুই বছর ধরে মেট্রো রেলের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে কাস্টমার অনেক কম। কাজ শুরু হওয়ার আগে অনেকেই ঘুরে আসত তেল নেয়ার জন্য। এখন যানজটের কারণে কেউই আসতে চায় না।
পূর্ব মণিপুর এলাকায় ফার্নিচার ব্যবসা করেন আবুল হোসেন। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের কাজের কারণে আমার দোকানের সামনে দেয়াল দেয়া হয়েছে। এর ফলে বাহির থেকে আমার দোকান প্রায় দেখাই যায় না। নতুন কাস্টমার আমার এখানে আসে না বললেই চলে। যারা আসে সবাই পুরনো কাস্টমার। আগে আমার দোকানে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ টাকার মতো বিক্রি হতো। কিন্তু এখন ২০ হাজার টাকা বিক্রি করতে কষ্ট হয়।
এদিকে পুরো প্রকল্প এলাকায় ধুলার কারণে সমস্যা হচ্ছে আশপাশের মানুষের। আদালতের নির্দেশের পর এখন নিয়মিত পানি ছিটানো হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে না। অন্যদিকে সড়কে রিকশা-ভ্যান নিয়ন্ত্রণ না করায় পুরো এলাকায় হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বর্ষায় কী হবে? by আব্দুল আলীম

সরজমিন দেখা যায়, উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে শাহবাগ পর্যন্ত রাস্তার মাঝ খান দিয়ে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ চলছে। কোথাও রাস্তার দুইপাশেও পিলার নির্মাণের কাজ চলছে। ফলে রাস্তার পাশের ওয়াসার ড্রেন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তার কোথাও কোথাও বড় ধরনের গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে যানজট সব সময় লেগেই থাকছে। নতুন করে ফার্মগেট থেকে মতিঝিল অংশের কাজ শুরু হওয়ায় এই সড়কেরও প্রায় একই অবস্থা। রাজধানীর সবচেয়ে ব্যস্ততম রাস্তার এই বেহাল অবস্থার মধ্যে এবার বর্ষা মৌসুমের ভোগান্তি নিয়ে চিন্তিত নগরবাসী। ফার্মগেট মণিপুরি পাড়ার বাসিন্দা আজমল হোসেন বলেন, আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা খুব একটা দেখা যেতো না। কিন্তু এবার ফার্মগেটে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ চলছে। এই রাস্তার দুই পাশে সীমিত আকারে গাড়ি চলাচল করছে।
নির্মাণ কাজের কারণে রাস্তার পাশের ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়। এবার বর্ষা মারাত্মক ভোগান্তিতে ফেলবে আমাদের। আগারগাঁও তালতলার বাসিন্দা জাহেদা বেগম মানবজমিনকে বলেন, মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যায় না। সারাদিন ধুলো উড়ে। রাস্তায় যানজট লেগে থাকে। একটু বৃষ্টি হলে কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। এখন রাস্তার যে অবস্থা তাতে একটু বেশি বৃষ্টি হলে এক সপ্তাহেও মনে হয় পানি সরবে না। কাজীপাড়া এলাকার দোকানদার সেকেন্দার আলী বলেন, মেট্রোরেলের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে একটু বৃষ্টিতেই রাস্তা তলিয়ে যায়। এবার তো রাস্তার পাশের সব ড্রেন ভরে গেছে। বর্ষার মৌসুমে খুব খারাপ অবস্থা হবে। এই এলাকার বাসিন্দা সাইফুল আলম বলেন, গত দুই বর্ষায় কাজীপাড়া সড়ক একটি দুর্ভোগের নাম ছিল। দিনের কোনো সময় বেশি বৃষ্টি হলে এখানে সারাদিন এমনকি রাত পর্যন্ত পানি জমে থাকতো। হাঁটু পানি ডিঙিয়ে যান চলাচল করতো। পানির কারণে যান চলাচল বন্ধও থেকেছে। এবার সড়কের পাশে ফুটপাথ ঘেঁষে কাজ হচ্ছে। দ্রুত পানি সরানোর ব্যবস্থা না হলে এবার দুর্ভোগ আরো বেশি হবে।
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট (ডিএমআরটিডি) বা মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ করার সময় সড়কের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সব ধরনের কাজ করার কথা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের। রাস্তার কোথাও কাটতে হলে কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা আবার আগের মতো মেরামত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এসব কাজ ঠিক মতো করছে না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে নির্মাণের সময় বিভিন্ন ধরনের ময়লায় রাস্তার দুই পাশের ওয়াসার ড্রেন বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়। রাস্তার যে অংশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করে সেখানেও বড় বড় খানাখন্দে ভরপুর। দুইটি গাড়ি চলাচলের মতো জায়গা থাকলেও বেহাল সড়কের কারণে একটি লাইনে চলতে পারে গাড়িগুলো।
মিরপুর শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মূল সড়কের মাঝখানে ডিভাইডার দিয়ে মেট্রোরেলের কাজ চলছে। দুই পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করার জন্য রাস্তা রাখা হয়েছে। কিন্তু সড়কটির কোথাও গর্ত, কোথাও এবড়োথেবড়ো কোথাও আবার মাটির স্তূপ জমে আছে। কাটা-ছেঁড়া, এবড়োথেবড়ো এসব সড়ক দিয়েই প্রতিদিন ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রীদের। যানবাহন চলাচলের ফলে বাতাসে সব সময়ই ধুলাবালু লেগেই আছে। পল্লবী এলাকাতেও সড়কের বেহাল দশা। একটি বাসই চলাচল করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। খোঁড়াখুঁড়ির ফলে সড়কের মাত্র ৫০ শতাংশ যানচলাচলে ব্যবহার হচ্ছে। এ কারণে তালতলা থেকে মিরপুর ১২ নম্বর পর্যন্ত সড়কে জনগণের ভোগান্তির শেষ নেই। মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হোসেন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে মেট্রোরেলের কাজ চলছে এই এলাকায়। কবে কাজ শেষ হবে জানি না। আমার অফিস মতিঝিল। এইটুকু যেতে সময় লেগে যায় আড়াই ঘণ্টার বেশি। অথচ ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটের রাস্তা।
উল্লেখ্য, প্রাথমিকভাবে উত্তরা, পল্লবী, রোকেয়া সরণির পশ্চিম পাশ দিয়ে খামারবাড়ি হয়ে হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, শাহবাগ-টিএসসি, দোয়েল চত্বর, তোপখানা রোড হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার মেট্রোরেল রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। মেট্রোরেলের কাজ করার জন্য ৪০ ফুট জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এতে তুলনামূলকভাবে রাস্তা ছোট হয়ে গেছে। দুই লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও সড়কের কোথাও কোথাও দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে গেছে। এর ফলে লেগে থাকছে দীর্ঘ যানজট।
বর্ষার আগে ড্রেনেজ ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান মানবজমিনকে বলেন, মেট্রোরেল নির্মাণের কারণে ড্রেনের কোনো ক্ষতি হলে সেটা তাদেরই মেরামত করার কথা। তারা সব সময় আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে না। সেখানে কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা না দেখে কিছু বলা যাবে না। তবে বর্ষার সময় জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। খুব শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে এগুলোর বিস্তারিত জানানো হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরু জব্দ করা নিয়ে সংঘর্ষ বিজিবির গুলিতে নিহত ৩

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বকুয়া ইউনিয়নের বরমপুর গ্রামে।
স্থানীয়রা জানায়, বহরমপুর গ্রামের হবিরর রহমান কয়েকদিন আগে রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ হাট থেকে দুটি গরু কিনে আনে। সেই গরু মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় যাদুরানী বাজারে বিক্রি করার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। যাদুরানী মহাবিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বেতনা ক্যাম্পের বিজিবি’র সদস্যরা ভারতীয় গরু মনে করে রাস্তা থেকে ভটভটিসহ গরু দুটি আটক করে ক্যাম্পের উদ্যোশে রওনা হয়। গরু বহনকারী ভটভটিসহ গরু দুটি হবিরর রহমানের বাড়ির সামনে পৌঁছালে তার পরিবারের লোকজন গাড়িটি আটকিয়ে বিজিবি’র কাছে জানতে চায়- কি কারণে তাদের গরু আটক করা হলো। উত্তরে বিজিবি সদস্যরা বলেন- ভারতীয় গরু তাই আটক করা হয়েছে। এসময় গরুর মালিক গরু ক্রয়ের কাগজপত্র বিজিবিকে দেখায়। তবুও বিজিবি সদস্যরা গরু দিতে অস্বীকৃত জানালে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে পরিবারের লোকজন বিজিবি’র কাছ থেকে গরু ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় উপস্থিত বিজিবি সদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।
বকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বর্ষা বলেন, এখন পর্যন্ত তিনজন মারা গেছে এটা নিশ্চিত। কি কারণে এ সংঘর্ষ এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, কৃষকের গরু ভারতীয় অভিযোগ তুলে টানাটানি করে। এসময় গ্রামবাসীসহ পথচারীরা ক্ষিপ্ত হয় এবং বাঁধা দেয়। এসময় বিজিবি নিরিহ মানুষের উপর গুলি করে।
হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আমিরুজ্জামান হতাহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম ও হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমজে আরিফ বেগ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, বিজিবি তাদের জীবন রক্ষায় গুলি বর্ষণ করেছে। তবে এ ঘটনা তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহবায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটি এ ঘটনায় প্রকৃত দেষী ও ঘটনার কারণ উদঘাটন করবেন। এরপর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান সেলিম।
ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মো. মাসুদ বলেন, বিজিবি’র একটি পেট্রোল টিম ৫টি গরু সিজ করে ক্যাম্পে ফেরার পথে চোরাকারবারিরা ও এলাকাবাসী বিভিন্ন দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজিবি’র উপরে হামলা চালায়। তাদের অনুরোধ করেও তারা কোন কথা শুনেনি। বরং তারা উত্তেজিত হয়ে বিজিবি’র অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এবং ২টি গরু ছিনিয়ে নেয়। গ্রামবাসীর হামলায় ৫ জন বিজিবি সদস্য আহত হওয়ার পরে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করা হয়। ওই গরুগুলো ভারতীয় চোরাকারবারিদের এমন তথ্য বিজিবির কাছে আছে বলে জানান বিজিবির অধিনায়ক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবাসী ছেলেকে আনতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা-মা

এতে মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়, ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা। মাইক্রোবাস থেকে লাফিয়ে পড়া প্রবাসীর ছেলে রনি (১৩) ও রাশেদ (১০) সহ মালেক, হাসান এবং আবুল কালামকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এ ঘটনা কমলপুর গ্রামে শোকের মাতম চলছে।
খুলনায় ট্রাক চাপায় কলেজের শিক্ষক নিহত
স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে জানান, খুলনায় দ্রুতগামী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে কিশোর কুমার পাল (৫৫) নামের এক কলেজ শিক্ষক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফুলতলা উপজেলার খুলনা-যশোর সড়কের দামোদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত কিশোর কুমার পাল খুলনা সরকারি বিএল কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি নগরীর ট্যাংক রোডে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গিলাতলা গ্রামে।
ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফুলতলা উপজেলা পরিষদের ১০০ গজ দূরে দামোদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে খুলনা-যশোর মহাসড়ক পায়ে হেঁটে অতিক্রম করার সময় যশোরগামী দ্রুতগামী একটি ট্রাক অধ্যাপক কিশোর কুমার পালকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ওসি জানান, ধারণা করা হচ্ছে, কিশোর কুমার পাল আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটিকে জব্দ এবং চালক ও হেলপারকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।
চিরিরবন্দরে সড়ক দুর্ঘটনায় গরু ব্যবসায়ী নিহত
চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, চিরিরবন্দরে শ্যালোমেশিনের ইঞ্জিনচালিত ভটভটি উল্টে ঘটনাস্থলেই তৌফিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত এবং ২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সড়ক দুর্ঘটনাটি গত ১১ই ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর দেড়টায় উপজেলার সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কের ঘাটেরপাড় নামক স্থানে ঘটেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাখাইনে গ্রামে ফেলা হয়েছে গোলা, ত্রাণ নিতে বাধা -অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্ট

যেকোনো পরিস্থিতিতে বসতি আছে এমন গ্রামের ওপর গোলা নিক্ষেপ ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রাখা সমর্থনের অযোগ্য। অ্যামনেস্টি বলেছে, ২০১৭ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সেনাবাহিনীর যে ডিভিশনগুলো নৃশংসতায় জড়িত ছিল তাদেরকে সম্প্রতি রাখাইনে ফের মোতায়েন করা হয়েছে। তিরানা হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক নিন্দা সত্ত্বেও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নৃশংসতা, প্রমাণ সাপেক্ষে বলে যে, তারা আরো ভয়াবহভাবে অধিকতর সিরিয়াসভাবে নির্যাতন করে যাচ্ছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সোমবার রাখাইনে চলমান সামরিক অভিযান ও সহিংসতার বিষয়ে নতুন তথ্যপ্রমাণ নিয়ে এ রিপোর্ট প্রকাশ করে। এর শিরোনাম ‘মিয়ানমার: ফ্রেস এভিডেন্স অব ভায়োলেশনস অ্যামিড অনগোয়িং মিলিটারি অপারেশন ইন রাখাইন স্টেট’। এই রিপোর্টে অ্যামনেস্টি বলেছে, রাখাইনে বেসামরিক মানুষকে আটক করার ক্ষেত্রে অস্পষ্ট ও নিষ্পেষণমূলক আইন ব্যবহার করছে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। আর এসব ঘটছে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের রিপোর্ট হওয়ার পরও। ওই রিপোর্টে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে মিয়ানমারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত ও বিচারের আহ্বান জানানো হয়। মিয়ানমারের ওইসব কর্মকর্তা রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, কাচিন ও উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নির্যাতন চালিয়েছেন। আরাকান আর্মির হামলা সম্পর্কে অ্যামনেস্টি লিখেছে, ২০১৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ছিল মিয়ানমারের স্বাধীনতা দিবস। এদিন রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে চারটি পুলিশ পোস্টের ওপর সুসংগঠিত হামলা চালায় জাতিগত রাখাইন সশস্ত্র গ্রুপ আরাকান আর্মি। ওই হামলায় ১৩ জন নিরাপত্তারক্ষী নিহত হন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। আরাকান আর্মি মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই জোরালো করেছে। তারা চীন ও রাখাইন রাজ্যে দৃষ্টি সরিয়ে এনেছে সম্প্রতি। এসব সংঘাতের মূল বিন্দু তাদের নিরাপত্তা রক্ষী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো স্থিতিশীল পরিবেশ

অপরদিকে দুটি পূর্ণাঙ্গ মহিলা ব্যাটালিয়নসহ ৪১টি ব্যাটালিয়নের প্রায় ১৭ হাজার সদস্য পার্বত্য ও সমতল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৫ লাখ আনসার সদস্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের নিরাপত্তায় দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন।
৫ জন আনসার সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। আমি তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আজকের সমাবেশ অনুষ্ঠানে তাদের মরণোত্তর সাহসিকতা পদক প্রদান করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন এ বাহিনীর সদস্যরা।
প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, আনসার বাহিনীর গর্বিত সদস্য কমান্ডার আবদুল জাবার ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য আত্মাহুতি দেন। আমি তার স্মৃতির প্রতি গভির শ্রদ্ধা জানাই। সেই সঙ্গে তিনি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে নিহত ত্রিশ লাখ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। জাতিসংঘ মানদণ্ডে আমাদের দেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.৮৬ এ উন্নীত হয়েছে। গত ১০ বছরে শিক্ষার হার ৪৫ থেকে ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে। দারিদ্র্যের হার ২১.৮ শতাংশ নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০ হাজার ৮০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাচ্ছে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর কাজ এগিয়ে চলছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মেট্রোরেল নির্মাণ, কর্ণফুলী ট্যানেল স্থাপনের কাজ চলছে। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সফলতা অর্জন করেছে। পুরুষ-নারীর সমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৭তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে টানা তিন বছর ধরে প্রথমে।
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশকে দরিদ্রতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা। এ লক্ষ্যে জনগণের সঞ্চয় বাড়ানোর জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আমি এখন এটাকে আমার বাড়ি আমার খামার বলি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য দূর হবে। বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সদস্যরাও এই প্রকল্পে সহযোগিতা করতে পারে। আমি তাদের নিয়োজিত করার কথা বলেছি। আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে তারা স্বল্প সুদে লোন নিয়ে আয়বর্ধনের বিভিন্ন কাজে লাগাতে পারেন। বক্তব্য শেষে বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি কর্তৃক আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রিয়াংকার রোড শোতে ইন্দিরারই ছায়া

পাশে ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও উত্তর প্রদেশে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রাজ বব্বর। প্রিয়াংকার এই রোড শোকে ঘিরে গোলাপী সেনার উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে থেকে ৫০০ জনকে আলাদা করে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাঁদের পরণে ছিল প্রিয়াংকা গান্ধীর ছবি এবং স্লোগান ছাপা গোলাপি জামা। তাঁদের জামায় হিন্দিতে লেখা, ‘দেশের সম্মানের জন্য, প্রিয়ংকাজি ময়দানে, মনও দেব, সম্মানও দেব, প্রয়োজন পড়লে জীবনও দেব।’ বিমানবন্দর থেকে কংগ্রেস কার্যালয় নেহরু ভবন পর্যন্ত পুরো পথটাই মানুষে মানুষে সয়লাব ছিল।এই ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ৪ ঘন্টার বেশি সময় ব্যয় করতে হয়েছে। এক সময় বাস থেকে নেমে গাড়ির উপরে ভাইবোন বসে পড়েছিলেন। রোড শোর শুরু থেকেই কর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়েছেন, কখনো সমর্থকদের ছুড়ে দেওয়া ফুলের মালা আবার ছুড়ে দিয়েছেন জনতারই উদ্দেশ্যে। সঙ্গে ছিল মুখের হাসিটি। আবার কখনো নমস্কার করেছেন সকলেরও উদ্দেশ্যে। তবে গোটা পথ এদিন একটি কথাও বলেন নি। যা বলেছেন তা বলেছেন রাহুল গান্ধীই। একসময় রাফাইল বিমানের মডেল ভাই-বোন হাতে তুলে ধরেছেন। খোঁচা দিয়েছেন মোদীকে। প্রিয়াংকাকে ঘিরে এই রোড শো শুধু লক্ষ্ণৌ নয়, গোটা উত্তেরপ্রদেশে দলীয় কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দিয়েছে। আর তাতেই মায়াবতী ও অখিলেশ যাদবদেরও নতুন করে সমীকরণ নিয়ে ভাবতে বসতে হচ্ছে। রোড শো শেষে রাহুল গান্ধী বলেছেন, অখিলেশ ও মায়াবতীজিকে সম্মান করি। তবে কংগ্রেস নিজের শক্তিতে উত্তরপ্রদেশে লড়াই করবে। তিনি বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের আদর্শে বিশ্বাস করে এমন সরকার গড়া। এই কাজের জন্যই প্রিয়াঙ্কা এবং সিন্ধিয়া দায়িত্ব নিয়েছেন। তাই তাঁরা শুধু লোকসভা নয়, বিধানসভা ভোট নিয়েও ভাববেন। যতক্ষণ না এখানে কংগ্রেসের সরকার তৈরি হচ্ছে আমরা স্বস্তিতে থাকবো না। প্রিয়াংকা দলের পূর্ব উত্তরপ্রদেশের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন। সোমবার সেই দায়িত্বের জন্য তিনিই যে উপযুক্ত রোড শো করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গেই নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করানোর কাজ করবেন। ইতিমধ্যে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য। ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশে ৮০টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে ৪২টি কেন্দ্র পড়েছে পূর্ব অংশে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রিয়াংকা শুধু পুর্ব অংশেই তাকাবেন না। তাকে ছুটতে হবে গোটা ভারতে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে এইআইসিসিতে অনুরোধ গিয়ে পৌঁছেছে, প্রিয়াংকাকে একবারের জন্য রাজ্যে পাঠানো হোক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুরে স্ত্রীর পরকীয়ার বলি মেয়ে by ইকবাল আহমদ সরকার

শ্রীপুর থানার ওসি জাবেদুল ইসলাম জানান, শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া এলাকার ইয়াসিন আলীর ভাড়াটিয়া রফিকুল ইসলামের বাসার খাটের নিচে এলুমিনিয়ামের বড় হাঁড়ির ভেতর থেকে রোববার দিবাগত রাতে শিশু মনিরা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরা খাতুন (৬) জেলার কাপাসিয়া উপজেলার হাইলজোড় গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় মোহাম্মদ আলী কিন্ডারগার্টেনের প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
মনিরার বাবা রফিকুল ইসলাম ও মা নাসরিন আক্তার কেওয়া এলাকার ইয়াসিন মিয়ার বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করে স্থানীয় ডেনিম্যাক পোশাক কারখানার ওয়াশিং সেকশনে চাকরি করতো। তিনি আরো জানান, অন্যান্য দিনের মতো ওই দিন শিশুটির মা নাসরিন আক্তার দুপুরের খাবার বিরতির পর আবারো ডিউটি করতে যায় কারখানায়।
সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে মেয়েকে ঘরে এবং আশেপাশে খুঁজে না পেয়ে এবং স্বামীর সন্ধান না পেয়ে মোবাইলফোনে মনিরার নিখোঁজ থাকার বিষয়টি জানান শ্রীপুর থানায়। পরে পুলিশ তাদের বাসায় গিয়ে তাদের ঘরের ভেতর খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে খাটের নিচে এলুমিনিয়ামের বড় হাঁড়ির ভেতর মনিরার মরদেহ পান। নিহতের গলায় শ্বাসরোধে হত্যার আলামতও পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের স্বার্থে ময়নাতদন্ত করাতে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান। হত্যার ঘটনায় শিশুর মা নাসরিন আক্তার বাদী হয়ে তার স্বামীর নামে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর রাতেই ওই এলাকা থেকে শিশুটির ঘাতক বাবা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহমুদুল হাসান প্রাথমিক তদন্ত ও রফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ধারণা করেন, নাসরিনের পরকীয়া সম্পর্ক ও দাম্পত্য কলহের জেরে শিশুটিকে হত্যা করা হতে পারে। এ ছাড়া বিকালে গাজীপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা খাতুনের আদালতে হত্যার ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক রফিকুল ইসলাম। তিনি আরো জানান, রফিকুলের সঙ্গে একই এলাকার নাসরিনের বিয়ে হয় প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে। রফিকুলের সঙ্গে বিয়ের আগে ও পরে নাসরিনের আরো তিনটি বিয়ে হয়। প্রায় দুই বছর আগে তারা আলাদা হয়ে যান। গত ছয়মাস ধরে আবার তারা একত্রে বসবাস শুরু করেন। বিয়ে বিচ্ছেদ হওয়া পুরনো স্বামীদের কারো সঙ্গে বা অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে নাসরিনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল- এমন বিষয় টের পেয়ে রফিকুল তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া করতো। এ ছাড়া টাকা-পয়সা নিয়েও এই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি হতো। তাদের মধ্যে কলহ ছিল দীর্ঘদিন ধরে। গত শুক্র ও শনিবার তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটির পর মারামারিও হয়েছে। এসব অশান্তি থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে রফিকুল তার নিজের শিশু সন্তানকে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। সন্তানকে হত্যা করে বড় হাঁড়ির ভেতর ভরে ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজে আত্মহত্যার করতে পারেনি সে। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এখন ঠাঁই হয়েছে কারাগারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
February
(329)
-
▼
Feb 13
(10)
- চীনে মুসলিমদের বিরুদ্ধে কেন এত অবিচার!
- বিদেশে শ্রমিক নিয়োগ দালালমুক্ত করার পরিকল্পনা -রয়ট...
- দুর্ভোগ: মেট্রোরেলের অপেক্ষায় মানুষ by শাহ নেওয়াজ ...
- বর্ষায় কী হবে? by আব্দুল আলীম
- গরু জব্দ করা নিয়ে সংঘর্ষ বিজিবির গুলিতে নিহত ৩
- প্রবাসী ছেলেকে আনতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা-মা
- রাখাইনে গ্রামে ফেলা হয়েছে গোলা, ত্রাণ নিতে বাধা -অ...
- উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো স্থিতিশীল পরিবেশ
- প্রিয়াংকার রোড শোতে ইন্দিরারই ছায়া
- গাজীপুরে স্ত্রীর পরকীয়ার বলি মেয়ে by ইকবাল আহমদ সরকার
-
▼
Feb 13
(10)
-
▼
February
(329)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...