Monday, November 4, 2019
২০০ পুরুষের শয্যাসঙ্গী, অতঃপর...

এতে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামকে বর্ণনা করেছেন ‘প্রলোভনের খেলার মাঠ’ বা প্লেগ্রাউন্ড অব টেম্পটেশন’ হিসেবে। বৃটেনের শেফিল্ডে বসবাসকারী এই যুবতী ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছেন। তারপর তাদের সঙ্গে সাক্ষাত হয়েছে। এক রাতের জন্য তাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। লঁরি স্বীকার করেন, এভাবে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করাটা অনেক সহজ। এ জন্যই এত বেশি মানুষ নিয়মিত যৌনতায় আসক্ত হচ্ছে।
সাবেক এই যৌন আসক্ত যুবতী লঁরি তার কুমারিত্ব হারান মাত্র ১২ বছর বয়সে। অর্থাৎ ওই সময়েই তিনি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। টিনেজ বয়সে তা তার মধ্যে আসক্তি সৃষ্টি করে। যৌনতার আগ্রহ বাড়তেই থাকে। বয়স যখন ২০ পেরিয়েছে তখন থেকে ২৯ বছর বয়সের মধ্যে তিনি ১০০ থেকে ২০০ পুরুষের সঙ্গে যৌনতায় মেতেছিলেন। এসব পুরুষের বেশির ভাগের সঙ্গে তার প্রেম বা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বর্তমানে তার বয়স ৩০ বছর। তিনি বৃটিশ একটি পত্রিকাকে বলেছেন, ইন্সটাগ্রাম হলো প্রলোভনের পূর্ণাঙ্গ এক ময়দান। আমার সবচেয়ে খারাপ বিষয়টি ছিল যে, যার সঙ্গে আমার পরিচয় হতো সেই নতুন নতুন পুরুষের সঙ্গে আমি শয্যাসঙ্গী হতে থ্রিল অনুভব করতাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাকে সেটা সহজ করে দিয়েছিল। এ জন্য আমার বার-এ যাওয়ার প্রয়োজন হতো না। দামি ডেটিং অ্যাপ ব্যবহারের দরকার পড়তো না। আমি বাসায় বসে অনায়াসে ইন্সটাগ্রাম ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যে মনের রসদ যোগাড় করে নিতাম।

লঁরি নিজে যৌন সম্পর্ক না খুঁজলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অফারে সয়লাব হয়ে যেতেন তিনি। এর মধ্যে তিনি বেছে বেছে সঙ্গী নির্বাচন করতেন। তবে তাদের কেউ কেউ আবার তাকে বিপদজনক অবস্থায় নিয়ে যেতেন। এমনই একজন সুদর্শন যুবক তার হৃদয়ের স্পন্দনকে পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ পথ থেকে তিনি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে যোগাযোগ করেন একটি ওয়েবসাইটের সঙ্গে। এটি হলো ‘সেক্স অ্যান্ড লাভ অ্যাডিক্টস অ্যানোনিমাস’ (এসএলএএ)। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন লঁরি। তারা তাকে ১২ ধাপের কর্মসূচি দিল। সেখানে গিয়ে একই রকম আরো আসক্তের এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পেলেন তিনি। নিয়মিত তাদের মিটিংয়ে উপস্থিত হতে লাগলেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বই লেখার সিদ্ধান্ত নিলেন। লিখেও ফেললেন বই। প্রকাশিত হয়েছে সেই বই। দাম ৯.৯৯ পাউন্ড।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রকৃতির মাঝে সজীব নেপালের থারু গোষ্ঠী by বেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী
![]() |
| কৃষিকাজ, মৎস্য ও বন্যপ্রাণী শিকারের জন্য নানান উপকরণ |
থারুদের প্রাচীন ও সবচেয়ে বড় বাসস্থান মধ্য তরাইয়ের দাং উপত্যকা তৈরি নিয়ে রয়েছে চমৎকার এক কিংবদন্তি। থারু বিশ্বাস অনুযায়ী, দাং উপত্যকা পানিতে প্লাবিত ছিল। থারুদের গুরু বাবা (ধর্মীয় নেতা) একটি পদ্মপাতা দাং উপত্যকার পানিতে ভাসিয়ে দেন। এরপর সেখান থেকে নতুন পদ্ম গাছ তৈরি হয় এবং গাছের শিকড়ে সৃষ্টি হয় কেঁচো। এই কেঁচো থেকে তৈরি হলো পবিত্র মাটি ও ভূমি। সেই ভূমিতে আস্তে আস্তে গাছপালা সৃষ্টি হলো এবং পশু-পাখি অবাধে বিচরণ শুরু করলো। এরপর গুরুবাবা তার অনুসারী থারুদের দাং উপত্যকায় বসবাসের জন্য পাঠিয়ে দিলেন।
![]() |
| কৃষিকাজ, মৎস্য ও বন্যপ্রাণী শিকারের জন্য নানান উপকরণ |
![]() |
| পায়ের খড়ম, থারু পোশাক পরা লেখক ও বিয়ের পালকী |
![]() |
| কৃষিকাজ, মৎস্য ও বন্যপ্রাণী শিকারের জন্য নানান উপকরণ |
![]() |
| ঢীক্রি ও আসালা মাছ ভাজা (ধনিয়া গুঁড়োসহ পরিবেশনা) |
থারুরা প্রথাগত নিয়মে বিয়ের বন্ধনে জড়ায়। বেশ কয়েকদিন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে চলতে থাকে আনুষ্ঠানিকতা। এ সময় বর-কনে সাদা রঙের ঐতিহ্যবাহী থারু পোশাক পরে। বিয়ের পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে বর ও কনেকে গলায় ঘাসের মালা রাখতে হয়। ঘরগুরুয়া বা পুরোহিতের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। যে চুলায় বর ও কনের জন্য সরিষার তেল দিয়ে বিভিন্ন রান্না হবে, তাতে আগুন জ্বালিয়ে সরিষার তেল ও ঘাসে মন্তর পড়ে পবিত্র করে বিয়ের কাজ শুরু করেন পুরোহিত। বিয়ের পর কনে পালকিতে চড়ে বরের বাড়িতে যায়।
![]() |
| পাহাড়ি মোরগের পেকওয়া (রন্ধন প্রস্তুতি ও ধনিয়া, জিরা গুঁড়োসহ পরিবেশনা) |
তরাই ও মধ্য তরাইয়ের বিশাল বনাঞ্চলে ম্যালেরিয়ার প্রচণ্ড প্রকোপ ছিল। সেখানে অন্য কোনও জনগোষ্ঠী বাস করতে চাইতো না। তৎকালীন শাসকেরা সহজ-সরল, দরিদ্র থারুদের ওই অঞ্চলে বসবাসের জন্য পাঠিয়ে দিতো। একপর্যায়ে থারুরা কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে বন থেকে ঝোপঝাড় কমিয়ে চাষযোগ্য সমতল ভূমি তৈরি করতে সক্ষম হয়। ফলে পর্যায়ক্রমে ম্যালেরিয়াবাহী মশার পরিমাণও কমে আসে। তখন শাসকেরা ওই জমিগুলো থারুদের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে নেপালের রাজপরিবারের সদস্যদের, সরকারি ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের উপহার হিসেবে দেওয়া শুরু করে। ফলে থারুদের বসবাসের জায়গা ক্রমে সংকুচিত হয়ে আসে।
![]() |
| থারুদের বাদ্যযন্ত্র |
দীর্ঘদিন কষ্টভোগের পর একপর্যায়ে থারুরা কামাইয়া পদ্ধতির বিরুদ্ধে জোরালো দাবি তোলে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালে নেপালি সংবিধানে কামাইয়া পদ্ধতি বন্ধের বিষয়ে ধারা সংযুক্ত করা হয়। অবশেষে ২০০২ সালে নেপালি রাজার অধীন সংসদ থারু জনগোষ্ঠীকে ‘কামাইয়া মুক্ত’ হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রকৃতির সঙ্গে বৈচিত্র্য নিয়ে মিশে থাকা সহজ-সরল মনের থারুরা তাদের সারল্য ও ঐতিহ্য ধরে রেখে এগিয়ে চলুক।
>>>লেখক: ফার্মাসিস্ট ও সমাজকর্মী
![]() |
| থারু সম্প্রদায়ের বাড়ি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিডনি চিরকাল ভালো রাখবে যে ৭টি খাবার

যা পরবর্তীতে কিডনি ড্যামেজের মত সমস্যাও হতে পারে। তবে কিছুটা সচেতন হলে কিডনির সমস্যা অনেকেটা প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিছু খাবার আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকটা কমে যার।
১। আপেলঃ
প্রচলিত আছে ‘প্রতিদিন একটা আপেল খান আর ডাক্তারকে দূরে রাখুন’। কথাটা কিডনির ক্ষেত্রেও সত্য। আপেল উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, এতে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি আছে যা বাজে কোলেস্টেরল দূর করে হৃদ রোগ প্রতিরোধ করে থাকে। এছাড়া এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। আপেল কাঁচা বা রান্না করে অথবা প্রতিদিন এক গ্লাস আপেলের জুস খাওয়ার চেষ্টা করুন।
২। রসূনঃ
রসূন ইনফ্লেমেটোরি এবং কোলেস্টেরল কমাতে অনেক বেশি কার্যকরী। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা দেহের প্রদাহ দূর করে থাকে। তবে রান্না করে খেলে এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায় না। ভাল হয় সকালে খালি পেটে কাঁচা রসূন খাওয়া, এটি হার্ট ভাল রাখার পাশাপাশি কিডনিকেও ভাল রাখে।
৩। পেঁয়াজঃ
কিডনি সুস্থ রাখার আরেকটি অন্যতম উপাদান হল পেঁয়াজ। এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনোয়েড রয়েছে। যা রক্তের চর্বি দূর করে থাকে। এছাড়া এতে কুয়ারসেটিন আছে যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে থাকে। পেঁয়াজে পটাশিয়াম,প্রোটিন আছে যা কিডনির জন্য অনেক বেশি উপকারী।
৪। লাল ক্যাপসিকামঃ
লাল ক্যাপসিকামে কম পরিমাণে পটাশিয়াম আছে যা কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন সি, এ, ভিটামিন বি সিক্স, ফলিক এসিড, ও ফাইবার রয়েছে। এছাড়া লাইকোপেন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান, যা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে থাকে। রান্না বা সালাদ হিসেবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লাল ক্যাপসিকাম খেতে পারেন।
৫। ডিমের সাদা অংশঃ
ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং অ্যামিনো এসিড আছে যা কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে কিডনিকে সুস্থ রাখে। ডিম সিদ্ধ করে বা অমলেট করে খেতে পারেন। তবে হ্যাঁ ডিমের সাদা অংশ শুধু।
৬। মাছঃ
কিডনিকে সুস্থ রাখার অন্যতম খাবার হল মাছ। এতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ওমেগা থ্রি এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটোরি ফ্যাট আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখে। আমেরিকান ডায়াবেটিকস এসোসিয়েশনের মতে দিনের খাদ্যতালিকায় দুই থেকে তিন বেলা মাছ রাখুন। এটি আপনার হৃদযন্ত্র ঠিক রাখার পাশপাশি ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।
৭। অলিভ অয়েলঃ
একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রতিদিনের রান্নায় অন্যান্য তেলের চেয়ে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে অলিক এসিড, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ফ্যাটি এসিড আছে যা কিডনি সুস্থ রাখার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্দোনেশিয়ায় কমোডো ড্রাগনদের বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমেছে গ্রামবাসীরা by রেবেকা হেনশ্কে এবং ক্যালিস্টাসিয়া উইজায়া

![]() |
| কমোডো দ্বীপের কাছে টুরিস্টবাহী জাহাজ। |
![]() |
| সাগর সৈকতে ঘুরে বেড়াচ্ছে কমোডো ড্রাগন। |
![]() |
| কমোডো অঞ্চলের গভর্নর ভিক্টর বুংটিলু লাইসকোডাট। |
দেখুন কীভাবে টুরিস্টের সংখ্যা বেড়েছে


![]() |
| যেসব দ্বীপে কমোডো ড্রাগনের বাস। |
![]() |
| কমোডো ড্রাগন গড়পরতা ১০ ফুট লম্বা হয়। |
![]() |
| হাজী আমিন, কমোডো দ্বীপের পুরাতন বাসিন্দা। |
![]() |
| পরিবারের সাথে হাজী আমিন। |
![]() |
| পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি দ্বীপে কমোডো ড্রাগনের বাস। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল: একটি বাজে চিন্তা by জাও লিয়াঙ

রাজনৈতিক সংস্কার
১৯৪০-এর দশকের শেষ দিকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বে সামরিক জোট হিসেবে নর্থ আটলান্টিক ট্রি অর্গ্যানাইজেশন (ন্যাটো) প্রতিষ্ঠিত হয়। ৭০ বছর পর প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরঙ্কুশ শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র এখন দক্ষিণ এশিয়ায় তার উপস্থিতি আরো জোরদার করার হাতিয়ার হিসেবে সামরিক সহযোগিতা কামনা করছে। এর প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে বিশ্ব উদ্বিগ্ন।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে যে তার ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রধান উদ্দেশ্য হলো মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কার কাছ থেকে মুক্ত ও কী থেকে মুক্ত। সহজেই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে না বলা হুমকিটি হলো চীন। চীনকে মোকাবিলা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যদি ন্যাটোর মতো করে ইন্দো-প্যাসিপিক সংস্করণ তৈরি করতে চায়, তবে তাতে হয়তো সে সফল হবে না। সামরিকবাদী সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপরীতে চীন কোনো ধরনের সামরিক প্রতিযোগিতা একেবারেই পছন্দ করে না। ইতিহাস ও বাস্তবতা চীনকে ঘরোয়া স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের গুরুত্ব বেশি করে বুঝিয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে। আর এর ভিত্তি হলো পারস্পরিক কল্যাণ ও অভিন্ন উন্নয়ন। এই অঞ্চলে বসবাসরত লোকজনের অভিন্ন সমৃদ্ধি ও জীবনযানের উন্নতি নিশ্চিত করাটা একটি বিরাট অর্জন। যুক্তরাষ্ট্র যদি দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের অস্তিত্বকে উন্মুক্ততা ও স্বাধীনতার প্রতি হুমকি বিবেচনা করে, তাহলে এ ধরনের বৈষম্যের ভিত্তি হবে কেবলই আদর্শগত ও রাজনৈতিক বদ্ধমূল ধারনা, যা সক্রিয় বিরোধিতার কারণে পরিণত হবে। চীন কখনো যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করেনি, করবেও না। মার্কিন প্রাধান্যবিশিষ্ট বিশ্বব্যবস্থাতেই চীন বিকশিত হয়েছে। খুবই সম্ভাবনা রয়েছে যে চীন এই বিশ্বব্যবস্থা ভাঙবে না, নিজদের জন্য কোনো কিছু তৈরি করবে না।
আরেকটি বাধার সৃষ্টি
সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির অংশগ্রহণকারী হিসেবে নেপালকে তালিকাভুক্ত করেছে এবং এই ভিত্তিতে তাদের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক সম্প্রসারণ করতে চাইছে। নেপাল সবসময় তার দুই প্রতিবেশীর মধ্যে গতিশীল ভারসাম্যবজায় রেখে তার জাতীয় স্বার্থ সর্বোচ্চভাবে পূরণ করার আশা করে। সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের ঘরোয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অগ্রগতি ও চীনের সাথে সমন্বয় সাধন ও ভারতের সংশ্লিষ্ট কৌশলকে কেন্দ্র করে ভারসাম্য বজায় রাখার কাজটি করা হয়েছে। এখন নেপাল যদি চীনকে সংযত করার জন্য মার্কিন কৌশলে যোগ দেয়, তবে তা কঠোর শ্রমে অর্জিত ভারসাম্যে মৌলিক পরিবর্তন আনবে, পুরো অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক পরিবেশকে বদলে দেবে।
নেপালের নীতিনির্ধারকেরা এই ইস্যুতে বিচক্ষণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মিলিনিয়াম চ্যালেঞ্জ করপোরেশন কমপ্যাক্ট প্রোগ্রাম গ্রহণ করা সত্ত্বেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে ভূমিকা পালন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন স্পষ্টভাবেই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে নেপাল এই কৌশলে যোগ দিতে প্রস্তুত নয়। এখন নেপালের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি, আর যা করা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো কোনো বড় শক্তির খেলায় যোগ না দেয়া। ওই স্ট্র্যাটেজিতে যোগদান ও চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন অবরোধে সামনের দিকে দেশকে নিয়ে যাওয়া হবে চীন ও নেপালের জন্য দুঃস্বপ্ন।
আন্দোলিত করা
ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির ফোকাস হবে ভারত মহাসাগর অঞ্চল। এই অঞ্চলে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান শক্তি আছে। সে হলো ভারত। এই দেশেরও উচ্চ প্রত্যাশা ও উচ্চাভিলাষ আছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের ঐতিহ্যবাহী কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে এবং তা রক্ষার জন্য সে কখনো ইতস্তত করে না। বড় দেশ হিসেবে ভারতের পক্ষে কখনো যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ইচ্ছা পুরোপুরি গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভারতীয়রা স্পষ্টভাবেই দেখছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে থুসিদিদেস ট্র্যাপ ঘটে গেলে তাতে যেই জয়ী হোক না কেন, আগে হোক বা পরে হোক, ভারতই হবে পরবর্তী শক্তি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ়প্রত্যয় ও সক্ষমতা। আমেরিকা ফার্স্ট স্ট্র্যাটেজি বিকাশকারী ট্রাম্প প্রশাসন বারবার অন্যান্য দেশের সাথে করা প্রতিশ্রুতি ও চুক্তি লঙ্ঘন করছে। এটা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশটির বিশ্বাসযোগ্যতা ব্যাপকভাবে দুর্বল করেছে। তাছাড়া অবাধ্য রাষ্ট্রগুলোকে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শ্রেয়তর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান প্রয়োগ করার ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ভীত হয়ে পড়ে। ব্যবসায়িক মানসিকতাসম্পন্ন লোকদের প্রাধান্যপূর্ণ বর্তমান মার্কিন প্রশাসন আসলে পানিতে ঢেউ তুলে সেটাই করার চেষ্টা করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুর বেপরোয়া আচরণের কারণ

কানাডার অটোয়া’তে অবস্থিত সিএইচইও রিসার্চ ইনস্টিটিউট’য়ের ‘হেলদি অ্যাক্টিভ লিভিং অ্যান্ড ওবিসিটি’র গবেষক দল (এইচএএলও)-এর করা এই গবেষণায় দেখা যায়, বেপরোয়া আচরণের সঙ্গে ঘুম এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে।
গবেষণার প্রধান, সিএইচইও রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ইউনিভার্সিটি অফ অটোয়া’র ডা. মিশেল গুয়েরেরো বলেন, “বিভিন্ন মানসিক রোগ এবং মাদকাসক্তিজনীত সমস্যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বেপরোয়া আচরণ। এদের মধ্যে খাওয়াজনীত আচরণগত সমস্যা, আচরণগত বিভিন্ন বদভ্যাস বা আসক্তি এবং মাদকদ্রব্য সেবন অন্যতম।”
‘পেডিয়াট্রিকস’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার জন্য পর্যবেক্ষণ করা হয় ৪,৫২৪ জন শিশুকে। ঘুম ও বৈদ্যুতিক পর্দায় সামনে সময় কাটানো পরিমাণের পাশাপাশি গবেষকরা শিশুদের শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রাও পর্যবেক্ষণ করেন, যা হওয়া উচিত প্রতিদিন কমপক্ষে এক ঘণ্টার সামান্য থেকে ভারী পরিশ্রম।
‘দ্য এবিসিডি স্টাডি’ নামক আরেকটি গবেষণা গুয়েরেরো ও তার দলকে সাহায্য করে তথ্য সংগ্রহ করতে। বেপরোয়া আচরণের মাত্রা পরিমাপের আটটি মানদণ্ডের বিরুদ্ধে ‘মুভমেন্ট গাইডলাইন’য়ের তিনটি স্তম্ভ সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করেন তারা।
এই আট মানদণ্ডের মধ্যে আছে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নেওয়ার তাড়না, কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য স্থির করা, পুরষ্কৃত কিংবা নেতিকবাচক অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীলভাবে সাড়া দেওয়া এবং ইতিবাচক ও নেতিবাচক অনুভূতির প্রতি বাজেভাবে সাড়া দেওয়া।
গবেষণার ফলাফল বলে, “মুভমেন্ট গাইডলাইন’য়ের তিনটি স্তম্ভ পরিপূর্ণ করতে পারলেই মানদণ্ডের আটটির থেকে পাঁচটির ক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া মেলে।”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ননস্টিক পাত্রের ব্যবহার কি নিরাপদ? by ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
![]() |
| ননস্টিক পাত্র |
এ পাত্রগুলো ব্যবহারে সুবিধা থাকার ফলে এতো বেশি পরিচিত ও জনপ্রিয় ননস্টিক পাত্র। এতে খাবার পোড়ার সম্ভবনা থাকে না বললেই চলে, খাবার খুব সহজে ও দ্রুত রান্না করে নেওয়া যায় বলে ঘরে ঘরে ননস্টিক পাত্রের চল।
কিন্তু সহজলভ্য ও সহজে ব্যবহারযোগ্য ননস্টিক পাত্রের ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ, সে সম্পর্কে সঠিক ধারণা আছে কি? এ ঘরানার পাত্র ব্যবহার আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মাঝে ফেলে দিচ্ছে কি না, সেটা জানা প্রয়োজন নিজের ও পরিবারের মানুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে।
সাম্প্রতিক সময়ের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, ননস্টিক পাত্র থেকে ‘ফরএভার কেমিক্যাল’ নামক এক ধরনের পদার্থ এ সকল পাত্রে রাঁধা খাবারের সাথে মিশে যায়। যা আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের খাবারের সাথে গ্রহণ করে থাকি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হেলথ এন্ড হিউম্যান সার্ভিস বিভাগের ফুড এন্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) এর পরীক্ষা মতে ননস্টিক পাত্র থেকে ক্ষতিকর কেমিক্যাল উপাদান নির্গত হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
গবেষণা থেকে কী পাওয়া গিয়েছে?
FDA এর গবেষণালব্ধ ফল থেকে জানা যায়, ননস্টিক পাত্র থেকে পাওয়া যায় PFAs। যা ৫,০০০ সিনথেটিক গ্রুপের একটি কেমিক্যাল। এই কেমিক্যালটি ফরএভার কেমিক্যাল নামেও পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটি জানাচ্ছে, ৯৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিকের রক্তেই এই কেমিক্যালটির উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে।
দেশটির এনভারমেন্টাল প্রটেকশন অ্যাজেন্সি দাবি করছে, প্রাকৃতিক কোন খাদ্য উপাদান থেকেই এই ক্ষতিকর উপাদান শরীরে প্রবেশ করার কোন সম্ভাবনা নেই। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ননস্টিক পাত্রের ব্যবহারের ফলেই ক্ষতিকর এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
এতে ক্ষতির সম্ভাবনা কতটুকু?
FDA জানাচ্ছে রক্তে PFAs এর মাত্রা কম থাকলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে অতি উচ্চ তাপমাত্রায় ননস্টিকি পাত্রে খাবার রান্না করা হলে PFAs খাবারের সাথে বিপদজনক মাত্রায় মিশে যেতে পারে। যার ফলে ক্যানসার, বন্ধ্যাত্ব, কিডনি ও লিভার ড্যামেজের মতো সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে।
সমাধান কী?
প্রায় সকল ধরনের ননস্টিক পাত্রেই PFAs এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। তাই অ্যালুমিনিয়াম ও টেনফয়েল জাতীয় ননস্টিক পাত্র ব্যবহার ও ক্রয় করা থেকে বিরত থেকে সিরামিক, স্টেইনলেস স্টিল কিংবা টেমপারড গ্লাসের পাত্রের ব্যবহারে অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ সকল পাত্র ব্যবহারে অভ্যাস্ততা গড়ে তুলতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
November
(177)
-
▼
Nov 04
(7)
- ২০০ পুরুষের শয্যাসঙ্গী, অতঃপর...
- প্রকৃতির মাঝে সজীব নেপালের থারু গোষ্ঠী by বেনজীর আ...
- কিডনি চিরকাল ভালো রাখবে যে ৭টি খাবার
- ইন্দোনেশিয়ায় কমোডো ড্রাগনদের বাঁচানোর লড়াইয়ে ন...
- ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল: একটি বাজে চিন্তা by জাও লিয়াঙ
- শিশুর বেপরোয়া আচরণের কারণ
- ননস্টিক পাত্রের ব্যবহার কি নিরাপদ? by ফাওজিয়া ফারহ...
-
▼
Nov 04
(7)
-
▼
November
(177)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
















