Monday, March 19, 2018
ভারতে বিরোধীদের ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনের তোড়জোড় শুরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটেনে আতঙ্কে মুসলিম শিক্ষার্থীরা

২২ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থী বলেন, বৃটেনে সন্ত্রাসী হামলার পর তিনি নিজেই চলাফেরা, আচার আচরণ নেকটা পরিবর্তন করে ফেলেছেন। কারণ, ইসলামভীতি থেকে হামলার আশঙ্কা কমিয়ে আনা। নতুন ওই জরিপে আরো দেখা গেছে বৃটেনজুড়ে মুসলিমরা ক্রমবর্ধমান হারে হেট ক্রাইম বা জাতিবিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন। গত বছরে প্রকাশিত তথ্যমতে, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে বৃটেনজুড়ে মসজিদকে টার্গেট করে হেট ক্রাইম দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেইথ ম্যাটারস নামের সংগঠনের পরিচালক ফাইয়াজ মুঘল এনইউএস-এর নতুন জরিপ রিপোর্টকে উদ্বেগজনক বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনিও মনে করেন ইসলামভীতি থেকে এমন অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার ভাষায়, ২০১২ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে মুসলিমবিরোধী কথাবার্তা, অবমাননা ও নির্যাতন অধিক হারে দেখা যাচ্ছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে যুবক বা যুবতীদের মধ্যে আতঙ্ক আগের চেয়ে বেড়েছে। তারা এখন আর তাদেরকে নিরাপদ মনে করেন না। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বৃটেনে শতকরা ৪৩ ভাগ মুসলিম শিক্ষার্থী মনে করেন, তাদের ক্লাসে সন্ত্রাস নিয়ে আলোচনা করা আর স্বস্তির বিষয় নেই। যেসব কারণে তারা নির্যাতিত হচ্ছেন তা নিয়ে আলোচনা করার মতো কোনো স্থান নেই ক্লাসে বা ক্যাম্পাসে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের চতুর্থ দূষিত নগরী ঢাকা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রমোদ ভ্রমণে ইউএনও, তোলপাড়

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) অনুপস্থিতিতে রোববার ও সোমবার অফিসপাড়ায় ছিল ছুটির আমেজ। অনেকে সেবা নিতে এসে ঘুরে গেছেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সংবাদকর্মীরা গত তিনদিন অফিসপাড়ায় সরেজমিনে ঘুরে এর সত্যতা পেয়েছেন। ইউএনও না থাকায় সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববারে ৭টি দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাও ছিলেন অনুপস্থিত। ঢিলেঢালাভাবে অফিস করেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। ঐদিন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সানজিতা নাসরীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এম.এ রশিদ, উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার দাস, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রথীন্দ্র নাথ চক্রবর্তী ছিলেন,অনুপস্থিত। তাদের অনেকের অফিসে ঝুলেছে তালা। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা.আমিনা আক্তার অফিসে এসেছেন দুপুরের পর। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের দুইজন পিয়নও ছিলেন অনুপস্থিত। সোহেল রানা নামের এক পিয়ন অফিসে আসেন ১২ টা ২৫ মিনিটে। আজও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা.আমিনা আক্তারসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তার অফিস সহায়ক মো. রফিকুল ইসলাম দুপুর ৩টার সময় জানান, সকাল থেকে স্যারের অপেক্ষায় বসে আছি, স্যার কখন আসবেন জানি না।
জানা যায়, শনিবারের শিশু দিবস পালনের প্রস্তুতি সভায় স্থান নির্ধারিত হয়েছিল জেলা পরিষদের মধুপুর অডিটরিয়ামে। পৌর এলাকার অন্তত ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আনন্দ র্যালি শেষে গতবারের মতো অডিটরিয়ামে আলোচনায় যোগ দেয়ার কথা। কিন্তু র্যালি শেষে আলোচনা সভার স্থান নিয়ে বিপাকে পড়ে ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীগণ। খোঁজ খবর নিয়ে জানেন,আলোচনা সভা হচ্ছে মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে । জেনে অনেকে র্যালি শেষ করে ফিরে যান। মাত্র শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মধুপুর কলেজের অল্প শিক্ষার্থী হল রুমে বসার সুযোগ পান। সাউন্ড সিস্টেম প্রস্তুত না থাকায় বিপত্তি ঘটে অনুষ্ঠান শুরু নিয়ে। আধ ঘণ্টা পরে শুরু হলেও সেখানে অনুপস্থিত মধুপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস। খোঁজ নিয়ে জানা গেল তিনি মধুপুর ট্রাক মালিক সমিতির আহবানে তাদের কক্সবাজেরের প্রমোদ ভ্রমণে যোগ দিয়েছেন। ঢাকা থেকে বিমানে তিনি গন্তব্যে রওনা দিয়েছেন। ইউএনওর প্রমোদ ভ্রমণে সঙ্গী হয়েছেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু। প্রমোদ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বাপ্পু সিদ্দিকী জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠান ফেলে তিনদিন ব্যাপী ইউএনও’র প্রমোদ ভ্রমণ সত্যিই লজ্জাজনক ব্যাপার। তিনি আরও জানান,শনিবারের শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)। উপজেলা চেয়ারম্যানের পরিবর্তে ছিলে ভাইস চেয়ারম্যান। পরে জানতে পারলাম তারা ট্রাক মালিক সমিতির আমন্ত্রণে কক্সবাজারে প্রমোদ ভ্রমণে গিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.মাহবুবুল হক সাংবাদিকদের মোবাইলে জানান, ইউএনও স্যার ছুটিতে আছেন। রোববার যে ৭ জন কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন,তা আমার জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে দেখব।
উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস প্রমোদ ভ্রমণের কথা স্বীকার করে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান,আমার ছেলে অসুস্থ ছিল বলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠান শুরু করে দিয়ে এসেছি। পরে ঢাকায় এসে সুযোগ পেয়েছি তাই স্বপরিবারে বিমানে কক্সবাজার এসেছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাটা চুলে কোটি টাকার ব্যবসা

শুধু দেশের বাজাই এ দিয়ে ব্যবসা হচ্ছে তা নয়, আসছে শত-কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসেবে গত অর্থবছরে বিভিন্ন দেশে এই চুল রপ্তানি করে আয় হয়েছে এক কোটি ৯০ লাখ ডলার অর্থাৎ ১৫০ কোটি টাকারও বেশি।
ঢাকার ধানমন্ডীর একটি পুরনো পার্লার লি। সেখানে বেলা এগারোটার পর গিয়ে দেখা যায় যে ক'জন নারী সার্ভিস নিতে এলেন তারা বেশিরভাগই আসেন চুল কাটাতে।
ক্লায়েন্টদের চুল কাটছেন কর্মীরা আর কিছুক্ষণ পরপর মেঝেতে জমা হওয়া কাটা চুল ঝাড়ু দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন পরিচ্ছন্ন-কর্মীরা।
কিন্তু এসব চুল যায় কোথায়?
লি বিউটি পার্লারের হিসাব বিভাগের পরিচালক বাদল শিমশাং জানান, "কাটা চুল কিছুদিন আগ পর্যন্ত বস্তায় ভরে কিনে নিয়ে যেত একদল লোক। তবে এখন আর ছোট চুলের চাহিদা নেই। বড় চুল কেউ কাটলে পার্লারের মেয়েরা সেগুলো সংরক্ষণ করেন এবং বিক্রি করেন।"
আগে গ্রামের দিকে বাড়িতে বাড়িতে চুল সংগ্রহ করা হতো তবে এখন শহরের অলিতে-গলিতেও চুল খুঁজতে আসেন ফেরিওয়ালারা।
কলাবাগান এলাকার একজন নারী বলেন, মেয়েদের ঝড়ে পড়া চুল নিয়ে যায় ফেরিওয়ালারা, তার বিনিময়ে মেলে অন্যকিছু।"ফেরিওয়ালা আইসা চুল চায়। তারপর ক্লিপ, সেফটিপিন, স্টিলের বাটি, চামচ এগুলা দেয়।" তার সাথে কথা বলেই বেরিয়ে একজন ফেরিওয়ালাকে পাওয়া গেল, যে পুরনো কাগজ ও চুলের খোঁজ করছিল। কি ধরনের চুল নিতে চায় জানতে চাইলে সে বলে, মহিলাদের মাথার চুল।
বাদ নেই ছেলেদের সেলুনও। যদিও সেখানে খুব একটা বড় চুল পাওয়া যায়না তারপরও সেখান থেকেও চুল সংগ্রহ করার জন্য ঘোরাফেরা করে ফেরিওয়ালারা, জানান বেশ কয়েকটি সেলুনের নরসুন্দর বা নাপিত।
তবে বাংলাদেশে মূলত এ ধরনের চুলের বেশিরভাগ সংগ্রহ করা হয় পার্লার থেকে এবং বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে। ঢাকার খিলগাঁওয়ের রেলগেট সংলগ্ন একটি বাড়িতে হেয়ারি নামে উইগ তৈরির কারখানা।
এর উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান ২২ বছর আগে শুরু করেছিলেন কাজটি। তখন দোকানে দোকানে গিয়ে তিনি ফ্যাশন ডলের মাথায় উইগ বসানোর জন্য সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতেন। আর এখন তার কাছে প্রতিদিনই কেউ না কেউ আসছেন উইগের খোঁজে।
মতিউর রহমান বলেন, "এখন বিভিন্ন বয়সের মানুষেরা আসছেন নিজেদের মাথার উইগ বা পরচুলা তৈরির জন্য। কেউ চাকরির ইন্টারভিউ দেবেন বা বিয়ের পাত্রী দেখতে যাবেন, আবার কেউ টেলিভিশনে খবর পরবেন এমন অনেকে নিচ্ছেন উইগ। এছাড়া দেশের বাইরে থেকে তাদের কাছে অর্ডার আসছে।"
কাটা চুল কেজি প্রতি তিন-চার কিংবা ৫০০০ টাকাতেও বেচা-কেনা চলছে। তবে চুলের আকার হতে হবে আট ইঞ্চি লম্বা। বর্তমানে কোনও কোনও কোম্পানি এই চুল আইল্যাশ বা চোখের পাপড়ি তৈরিতে ব্যবহার করছে। আর বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা চুল প্রক্রিয়াজাত করা ছাড়াও চলে যাচ্ছে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে। শত-কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আসছে ফেলনা এসব এসব চুল রপ্তানি করে। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাইরে সবচেয়ে বেশি এ ধরনের চুল যাচ্ছে ভারতে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তালিকায় উইগ এবং হিউম্যান হেয়ারকে অপ্রচলিত পণ্য হিসেবে বলা হচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি জানায় গত অর্থবছরে এই পণ্য রপ্তানি করে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল অর্জিত হয়েছিল তার চেয়েও বেশি।
ইপিবির পরিচালক আব্দুর রউফ বিবিসি বাংলাকে বলেন, রাজশাহী নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গাসহ উত্তরাঞ্চলের অনেক জায়গাতে ফেলে দেয়া চুল হয়ে উঠেছে অনেকের রোজগারের উৎস। মূলত স্বাধীনতার পর থেকেই এই ব্যবসাটি চলে আসছিল। তবে তা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়তে থাকে ১৯৯৯-২০০০ সালের পর থেকে। আর রপ্তানি করে সবচেয়ে বেশি মুদ্রা এসেছে ২০১৫ -১৬ অর্থবছরে এক কোটি ১৪ লাখ মার্কিন ডলার। বর্তমানে চীনসহ কিছু দেশ বাংলাদেশে এসে এই খাতে বিনিয়োগও করছে। ফলে ছোট একটি খাত হলেও সেটি ধীরে ধীরে তা সম্ভাবনা জাগাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসুস্থতার দোহাই দিয়ে সুচি'র প্রকাশ্য ভাষণ বাতিল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিশোর কিশোরীদের মধ্যে বাড়ছে ধূমপান আসক্তি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভেতরে মজুরি বোর্ডের বৈঠক, বাইরে অবস্থান

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এলডিসি থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমরা করব জয়, কিন্তু কবে? by জোসেফ ই. স্টিগলিৎস

ইংরেজি থেকে অনূদিত। স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট
জোসেফ ই. স্টিগলিৎস নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও লেখক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যশোরের এসপির জমিপ্রীতি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচারের রাজনীতি ও রাজনীতির বিচার by তোফায়েল আহমেদ

ড. তোফায়েল আহমেদ: রাজনীতি ও লোকপ্রশাসনের অধ্যাপক, স্থানীয় সরকার ও শাসন বিশেষজ্ঞ
tofail101@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতালিতে ডানপন্থীদের জয়ে হুমকিতে ইইউ ও অভিবাসীরা by সরাফ আহমেদ

সরাফ আহমেদ: প্রথম আলোর হ্যানোভার, জার্মানি প্রতিনিধি।
Sharaf.ahmed@gmx.net
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ায় চীন কি এগিয়ে? by মারুফ মল্লিক

ড. মারুফ মল্লিক, রিসার্চ ফেলো, সেন্টার ফর কনটেমপোরারি কনসার্নস, জার্মানি
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সংসদ টিভি’কে কাজে লাগান by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর গণমাধ্যমকর্মী ও উন্নয়নকর্মী
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ একটি ভুল শব্দ

বেনজীর আহমেদ: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলার যে চ্যালেঞ্জ, তা গতিশীল এবং পরিবর্তনশীল। ১৪ বছর আগে একটা তাড়াহুড়োর মধ্যে যে ম্যান্ডেট নিয়ে র্যাব গঠিত হয়েছিল, সেখানে আজ অনেক পরিবর্তন এসেছে। র্যাবের কাজ ও পরিবেশেও পরিবর্তন এসেছে।
প্রথম আলো: অপারেশন ক্লিন হার্ট র্যাবের আওতায় না হলেও তার কাজের ধারাবাহিকতা র্যাব বজায় রেখেছে।
বেনজীর আহমেদ: আমি এর পেছনে এভাবে যোগসূত্র খুঁজছি না। অপারেশন ক্লিন হার্ট ও র্যাবের বৈশিষ্ট্য এক নয়। এখানে আটটি বাহিনীর লোক আছে, কমান্ড-কাঠামো ভিন্ন। আমি মনে করি না র্যাব অপারেশন ক্লিন হার্টের সরাসরি কোনো লিগেসি। ওই সময়ে জেএমবি ও বাংলা ভাইয়ের আকস্মিক উত্থান এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন সরকারের এ রকম একটি বাহিনীর দরকার ছিল। র্যাব দুই ফ্রন্টে কাজ করেছিল। বাংলা ভাই দমনের পাশাপাশি সন্ত্রাস দমন তার লক্ষ্য ছিল।
প্রথম আলো: তার মানে র্যাব তৎকালীন বিএনপি সরকারের একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ছিল?
বেনজীর আহমেদ: সেই সময়ে এর প্রয়োজন ছিল এবং তার ধারাবাহিকতা এখনো আছে। তবে আমি সতর্কতার সঙ্গে যা এড়াতে চাই সেটা হলো, সরকারের পক্ষে আমি কোনো কথা বলতে চাই না।
প্রথম আলো: আপনি সরকারের অংশ?
বেনজীর আহমেদ: আমি সরকারের মুখপাত্র। তবে রাজনৈতিক বা নীতিনির্ধারণী বিষয়ে বলবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো কেউ।
প্রথম আলো: দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী এবং অকার্যকর ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার দোহাই দিয়ে ক্লিন হার্টে প্রায় ৫৮ জনকে হত্যা করা হয়েছিল। আজও ওই যুক্তিতেই হত্যাকাণ্ড ঘটছে, কীভাবে প্রমাণ করবেন সেটা বদলেছে? আপনি তখনো বড় পদে ছিলেন? ওই ৫৮ হত্যার তদন্ত চান না?
বেনজীর আহমেদ: ক্লিন হার্টের পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলব না। আমি ওই সময়ে তার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমি যদি বলি তদন্ত হওয়া উচিত বা উচিত নয়, তাহলে কি তা থেমে থাকবে? এটা বুঝতে হবে, আমরা একটি গণতন্ত্রে বাস করছি। আদালত সচল রয়েছেন, এই যে আপনি আমাকে প্রশ্ন করছেন, এর মানে হলো, গণমাধ্যম অসীম স্বাধীনতা ভোগ করছে। এসবই একটি গতিশীল গণতন্ত্রের লক্ষণ। যা তদন্তযোগ্য, সেটা না হলে কেউ আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন।
প্রথম আলো: ক্লিন হার্টের ৫৮ হত্যার দায়মুক্তি আইনটিও হাইকোর্ট বাতিল করেছেন। সুতরাং সরকারি সংস্থাগুলোর তা তদন্তে বাধা নেই।
বেনজীর আহমেদ: আমার কোনো মন্তব্য নেই। আপনি বললেন, বাতিল হয়েছে, জাস্ট ফাইন।
প্রথম আলো: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টিসহ দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যম বলছে, বিচারবহির্ভূত হত্যা চলছে। সুইডিশ রেডিওর রিপোর্ট মতে, র্যাবের কর্মকর্তা জবানবন্দি দিয়েছেন যে র্যাব মানুষ মারছে।
বেনজীর আহমেদ: আমরা সুইডিশ সরকারকে অনুরোধ করেছি, এটা সত্যি হলে সেই অফিসার এবং যাঁরা এটা রেকর্ড করেছেন, তাঁদের নাম অবিলম্বে আমাদের জানাতে। র্যাবের কোনো কর্মকর্তা যদি তিনি আদৌ হন, তাহলে তিনি খুনি হিসেবে চিহ্নিত হবেন। আমরা আইনি ব্যবস্থায় যাব।
প্রথম আলো: আপনি কি বলছেন যে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে না?
বেনজীর আহমেদ: আমি তো এই টার্মের সঙ্গে একমত নই। তাহলে বিচারে অন্তর্ভুক্ত হত্যাকাণ্ড কোনটি?
প্রথম আলো: এটা কথার পিঠে কথা হলো, আইনের বাইরে হত্যাকাণ্ড ঘটছে। নাম যা-ই দিন, আমরা লাশ পাচ্ছি। র্যাবের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ আছে।
বেনজীর আহমেদ: বহির্ভূত হলে অন্তর্ভুক্ত হত্যা আছে। অন্তর্ভুক্ত হত্যা কোনটি?
প্রথম আলো: রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ড বোঝাতে এটা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত পরিভাষা, বাংলাদেশি মিডিয়া এটা বের করেনি।
বেনজীর আহমেদ: এটা একটা রং কয়েনেজ (ভুল শব্দ উদ্ভাবন)। আমেরিকায় যখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে লোকজন মারা যায়, তখন তো মার্কিন মিডিয়া এটা বলে না। আপনারাও হইচই করে বলেন না। পশ্চিমা অনেক কিছু নিয়ে...
প্রথম আলো: টিভি টক শোতেও দেখেছি, আপনি একটি আলোচনায় বলেছিলেন, বোস্টন কিলিং নিয়ে সিএনএন কথা বলল না। তো আপনি এটা দেখবেন না যে বোস্টন পুলিশ সাধারণভাবে কেমন আচরণ করে? আমাদের বাহিনীগুলো নিয়মিতভাবে যা সব করে থাকে, সেগুলো বিবেচনায় না নিয়ে আপনি আমেরিকার সঙ্গে কীভাবে মেলান?
বেনজীর আহমেদ: আমি কোথায় মেলালাম। আমি বোস্টনের কথা বলেছি। আমি আমার বাহিনীর সঙ্গে মেলাইনি। এটা আপনি মেলাচ্ছেন এখন। যা আপনার কথা, তাকে আমার বলে চালিয়ে দিতে চাইছেন (হাসি)। এটা কিন্তু নৈতিকভাবে ঠিক নয়।
প্রথম আলো: ২২ ডিসেম্বরে খালেদা জিয়ার এক টুইটে ১৯ জন বিএনপি কর্মীসহ ৭৫০ জন নিখোঁজ বা গুমের তথ্য দেওয়ার বিষয়ে কোনো তদন্ত হয়েছে কি?
বেনজীর আহমেদ: পত্রিকায় পড়েছি। তদন্ত কীভাবে করব? নাম-ঠিকানা-পরিচয় লাগবে। শুধু তথ্যের ওপর তদন্ত হয় না।
প্রথম আলো: বিএনপি আপনাকে সুনির্দিষ্ট তালিকা দিলে তদন্ত করবেন?
বেনজীর আহমেদ: আমার কাছে আসার কথা নয়, যাদের কাছে আসবে, তারা দেখবে। সরকার চাইলে র্যাব করবে।
প্রথম আলো: আমাদের দেশের অবস্থা ভালো বোঝাতে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০৯ সালে ব্রিটেনে নিখোঁজ হওয়া পৌনে ৩ লাখের মধ্যে ২০ হাজার ফিরে আসেনি। আমেরিকার অবস্থা আরও খারাপ। আপনার মন্তব্য?
বেনজীর আহমেদ: কোনো মন্তব্য নেই। রাষ্ট্রের কর্মচারী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করতে পারি না।
প্রথম আলো: আমরা খতিয়ে দেখেছি যে বাংলাদেশের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের সঙ্গে ওই মিসিং হওয়া ব্যক্তিদের কোনো মিল নেই।
বেনজীর আহমেদ: আমরা অবশ্য এটা জানি যে, কোনো কোনো দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের রেকর্ডেও এমনটা পাবেন।
প্রথম আলো: তার সঙ্গে আমাদের হত্যা-গুমের মিল খুঁজে পান?
বেনজীর আহমেদ: আমি মিসিং মানুষের কথা বলছি। দুনিয়াজুড়েই এটা হচ্ছে, অনেকে ফিরে আসেন, কেউ কখনোই ফিরে আসেন না। আমাদের দেশেও লোকজন মিসিং হয়, ফিরে আসে, ফিরে আসে না। এই মুহূর্তে আমাদের কাছে ১১ জনের নিখোঁজ তালিকা আছে। অভিযোগ ছিল তাঁরা গুম হয়েছেন, আমরা দেখলাম তাঁরা বাড়িতে কাজকর্ম করছেন। কিছুদিন আগে একজন গুরুত্বপূর্ণ লোক সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে স্বেচ্ছায় মিসিং হয়ে স্বেচ্ছায় আবির্ভূত হলেন। আপনারা এ নিয়ে পত্রিকায় অনেক লেখালেখি করেছেন। আমি নামটা বলতে চাই না। কেউ পাওনাদারের কারণে মিসিং হচ্ছেন।
প্রথম আলো: র্যাবের হেফাজতে সাম্প্রতিক মৃত্যু, হয়রানির তথ্য? এ বিষয়ে আপনাদের অভ্যন্তরীণ তদন্তের কী ফল?
বেনজীর আহমেদ: এসব তথ্য তো আপনাদের ভালো জানার কথা। আমাদের হাতে নজির নেই। আমাদের ১৪টি ব্যাটালিয়নকেই আমরা ওয়াচ করি। (হেসে) অবশ্য ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক জর্জ অরওয়েলের বিগ ব্রাদারের মতো করে ওয়াচ নয়। এ জন্য একটি কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট আছে। দোষীরা শাস্তি পান।
প্রথম আলো: কতজন কী কারণে শাস্তি পান, সেটা কি প্রকাশযোগ্য?
বেনজীর আহমেদ: প্রকাশযোগ্য। কিন্তু আমাদের দেশে তো এটাও এক সমস্যা, একবার পুলিশ সদর দপ্তর এ রকম তথ্য প্রকাশ করে বিপদে পড়েছিল। ওটাই মূল শিরোনাম হয়ে গেল। আপনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থে প্রকাশ করলেন, সেটাই ঘায়েলের জন্য ব্যবহৃত হবে। আমরা শাস্তি যে দিই, সেটা আপনাকে দেখাব, কিন্তু প্রকাশের জন্য নয়।
প্রথম আলো: সোয়াট বা সিটিইউর মতো বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর জন্মের পরও র্যাব কেন বিলুপ্ত হবে না?
বেনজীর আহমেদ: অন্য সংস্থা এসেছে, কিন্তু র্যাব বিলুপ্ত হবে কেন? আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত র্যাবের সামর্থ্য অনেক উত্তম। পুলিশ পারলে র্যাব সৃষ্টি হতো না। আর র্যাবের বেঁধে দেওয়া মানটাই আজ অন্যান্য সংস্থা অনুসরণ করছে। র্যাব জাতীয় সামর্থ্য বৃদ্ধি করছে। অনেক দেশেই একই বিষয়ে একাধিক সংস্থা কাজ করে। হোলি আর্টিজেন বেকারির পরে এ পর্যন্ত র্যাব ও পুলিশ যথাক্রমে ৪৯২ ও ২০০ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার করেছে। র্যাব না থাকলে চিত্রটি হতো উল্টো।
প্রথম আলো: এভাবে সামরিক বাহিনীকে যুক্ত করে বিশ্বের কোথাও এ রকম বাহিনী আছে কি?
বেনজীর আহমেদ: না, এ ধরনের বাহিনী অনন্য।
প্রথম আলো: ৮০০ কোটি টাকার বাজেটের একটি বাহিনী, একটি সাধারণ বিধির অধীনে চলা কি ঠিক? পূর্ণাঙ্গ সংসদীয় আইন নয় কেন?
বেনজীর আহমেদ: আমরা একটি সম্পূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ আইনের খসড়া তৈরি করেছি। অংশীজনদের মতামত নিচ্ছি। সরকার ও সংসদ আইন করবে।
প্রথম আলো: খসড়া আইনে নতুন কী অন্তর্ভুক্ত হতে পারে? নিয়োগনীতি?
বেনজীর আহমেদ: অনেক প্রশাসনিক সমস্যা মোকাবিলা করেছি। যেমন সরকার অনুমোদন করলেই তবে আমরা তদন্ত করতে পারি। আবার আদালতের নির্দেশদানের এখতিয়ার আছে। সুতরাং আদেশ আমরা তামিল না করে পারি না, কিন্তু তা-ও অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হয়। প্রশাসনিক, অপারেশনাল ও অনুসন্ধানগত জটিলতা দূর করার চেষ্টা আমাদের রয়েছে। এটা শতভাগ প্রেষণনির্ভর বাহিনী, তাই ঘন ঘন বদলির কারণে আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সবার ও সব তথ্য সংরক্ষণ করতে পারছি না। ফলে কিছু নিজস্ব টেকনিক্যাল স্টাফ প্রয়োজন।
প্রথম আলো: একজন সাবেক সেনাপ্রধান র্যাবে অফিসার দেওয়াকে নিরুৎসাহিত করেছিলেন বলে শুনেছি। আইন দ্বারা এর সমাধান কীভাবে হবে? ৪০ শতাংশের সেনা কোটা পূর্ণ থাকে কি?
বেনজীর আহমেদ: ওটা তো নিশ্চয় তাঁর সরকারি ভাষ্য ছিল না। তাই এর ওপর মন্তব্য করা ঠিক মনে করি না। কোটায় কখনো নানা কারণে ওঠানামা থাকতে পারে, তবে তা সাময়িক।
প্রথম আলো: র্যাবের ওপর মানুষের আস্থার বিষয়ে আপনি বলেছেন, দেশ-বিদেশে সমীক্ষা হয়েছে। কারা বলল, ৮৩ ভাগের আস্থা আছে?
বেনজীর আহমেদ: যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট।
প্রথম আলো: আপনি বলেছেন, ১০ বছরে র্যাব দেড় লাখ লোক গ্রেপ্তার ও ১ হাজার ২০০ জঙ্গি গ্রেপ্তার করেছে। ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার একটিমাত্র অংশ আপনি, গ্রেপ্তারের পরের স্তরগুলোর ফলাফল জানতে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা আছে কি না?
বেনজীর আহমেদ: দেখুন, গ্রেপ্তারের ওই সংখ্যা এটাও নির্দেশ করছে যে, তথাকথিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডই যদি আমরা বেশি করতাম, তাহলে এরাই বেশি মারা যেত। আবার দেখবেন, ঢাকায় বিভিন্ন বাহিনী ছিল, যাদের সঙ্গে র্যাবের ‘এনগেজমেন্ট’ বা গোলাগুলি হয়েছে, তাদের সংখ্যা কমেছে। শাহাদাৎ বাহিনী, জাহাঙ্গীর বাহিনী কোথায়? যখন এ রকম বাহিনী অনেক ছিল, তখন রেট অব এনগেজমেন্ট বেশি ছিল।
প্রথম আলো: কিন্তু বছরে ৮০ থেকে ১০০ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে, এটা বেশি মনে হয় না?
বেনজীর আহমেদ: আপনি বলুন, কোন সংখ্যাকে আপনি স্ট্যান্ডার্ড মনে করেন? কত জন আমাদের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হলে আপনি খুশি হবেন?
প্রথম আলো: পাল্টা প্রশ্ন আপনাকেও করা চলে। আর কত সংখ্যা হলে আপনি তাকে ন্যূনতম বলবেন?
বেনজীর আহমেদ: আমার কাছে কোনো সংখ্যা নির্ধারিত নেই। এক বছরে কেউ যদি এনগেজমেন্টে না আসে, একটাও হবে না। আসলে যে কয়টা আসবে, সেই কয়টা হবে।
প্রথম আলো: আপনি ‘এনগেজমেন্ট’ বলছেন। তাহলে বলুন পেশাদার খুনির মানবাধিকারে আপনি বিশ্বাস করেন কি? এটা মানতে আপনি সাংবিধানিকভাবে বাধ্য।
বেনজীর আহমেদ: কেন করব না? এটা আমরা মানি তো। না মানলে গ্রেপ্তার করা দেড় লাখ লোক ও ১ হাজার ২০০ জঙ্গি সবাই তো নিহত হতো।
প্রথম আলো: গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মনিটরিং কীভাবে চলে?
বেনজীর আহমেদ: অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা করি না, ধরেই পুলিশকে দিই। তারা বাকি কাজ করে। আমরা এই প্রথম একটি ডেটাবেইস করেছি। জেলে ঢোকা ও বেরোনো আমরা প্রতিমুহূর্তে মনিটর করছি। কোন সন্ত্রাসী কখন ঢুকল, কখন বেরোল, তা বলতে পারব। ৫০ ভাগের বেশি জেলে এটা করেছি। আমরা যেসব মামলার তদন্ত করি, এর জন্য একটি কেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার করেছি। তদন্তের প্রতিটি ধাপে কী ঘটছে, তার ডেটা সংরক্ষণ চলছে। আর সংঘাতে আমাদের কতজন আহত হয়েছে, অঙ্গহানি ঘটেছে, তা আমরা প্রকাশ করি না। কারণ সন্ত্রাসীদের উৎসাহ দিতে চাই না।
প্রথম আলো: ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ, এনকাউন্টার চলছিল, হঠাৎ এসব বন্ধ হয়ে গুম এল? কীভাবে দেখেন আপনি?
বেনজীর আহমেদ: এখন তো কোনো অভিযোগই পাই না। তথাকথিত গুমের অভিযোগও পাই না। সুন্দরবনে গত সপ্তাহে দুজন লোক মারা গেছে। এখন বলবেন, তারা মারা পড়ল কেন? তারা সশস্ত্র, আমরা বেশি প্রশিক্ষিত। ১৭টি বাহিনীর ১৯২ জন লোক ১৬ হাজার রাউন্ডের মতো গুলি নিয়ে বিনা শর্তে আত্মসমর্পণ করেছে, এসব খুব বড় করে আসে না। বেসরকারি ব্যাংক, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও র্যাবের তহবিলের টাকায় তাদের পুনর্বাসন হয়েছে। জেলেরা সন্ধ্যা হলে আগে বাতি নেভাতেন, এখন তাঁরা গ্যাসের চুলা জ্বালান, টিভি দেখেন।
প্রথম আলো: বলুন তো, র্যাবের কালো পোশাক সঙ্গে গোখরো সাপের ফণার প্রতীক, এটা দেখে শিশুরা র্যাব হতে চাইবে? ভয় পাবে না? এটা কি বদলানোর কথা ভাববেন? অন্য দেশে?
বেনজীর আহমেদ: এটা যাঁরা তৈরি করেছিলেন, তাঁরা চিন্তাভাবনা করেই করেছেন। হয়তো আপনি যেভাবে ভাবছেন, সেটা তাঁরা চিন্তা করেননি। তাঁরা ভেবেছেন, সন্ত্রাসীদের জন্য এটা একটা বার্তা। অনেক দেশে বাঘ আছে, শ্বাপদের চিহ্ন অনেক স্পেশাল ফোর্সের আছে। হোলি আর্টিজানের পরে গঠিত স্পেশাল কমান্ডো গ্রুপের প্রতীক হলো অর্ধেক মানব, অর্ধেক নেকড়ে। নিরীহর কাছে তারা মানুষ, সন্ত্রাসীর কাছে তারাই নেকড়ে।
প্রথম আলো: সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড রহস্য হয়েই থাকবে? আপনি ডিজি হয়ে আসার পরে কি অগ্রগতি করেছেন?
বেনজীর আহমেদ: র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে আমি যদি আমার কর্মকালের মধ্যে ভুক্তভোগী পরিবারের প্রত্যাশা অনুযায়ী এর একটা সুষ্ঠু পরিণতি দেখতে পারি, তাহলে আমার থেকে বেশি খুশি হয়তো কেউ হবেন না।
প্রথম আলো: আপনি আরেকটু নির্দিষ্ট করে বলবেন, কবে আমরা এটা আশা করতে পারি?
বেনজীর আহমেদ: আপনি আমাকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফাঁদে ফেলতে চাইছেন কি? পেশাদার হিসেবে আমি সেই ফাঁদে পা দেব না (হাসি)।
প্রথম আলো: নারায়ণগঞ্জের ত্বকী হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র র্যাব সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেওয়ার পরেও কিন্তু হয়নি। নথিটি আপনি দেখেছেন কি?
বেনজীর আহমেদ: নথিটি চলমান, ক্লোজ করা হয়নি। দুই সপ্তাহ আগে সাগর-রুনির নথিটি পর্যালোচনার সময় এটিও দেখেছি।
প্রথম আলো: নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়?
বেনজীর আহমেদ: না। অনেক দেশে কোনো মামলার যখন নিষ্পত্তি হয় না, তখন তাকে ডেথ কেস ফাইল বলে। আবার ৪০ বছর পরে কোনো ক্লু থেকে কিছু পাওয়া গেলে সেটা আবার খোলা হয়। পশ্চিমা দেশগুলোর ওয়েবসাইটে এটা থাকে।
প্রথম আলো: বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর ফাইল খোলা?
বেনজীর আহমেদ: আমরা এর তদন্ত করছি না।
প্রথম আলো: র্যাবের রাজনৈতিক ব্যবহারের অভিযোগ কীভাবে দেখেন?
বেনজীর আহমেদ: নমস্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক বক্তব্যের পাল্টা বক্তব্য দেওয়া আমার কাজ নয়। আমি পেশাদার। সে হিসেবেই আমার কাজটি করতে চাই।
প্রথম আলো: র্যাবের অভ্যন্তরীণ অভিযোগের তদন্ত নির্বাহী কর্মকর্তা বাদ দিয়ে বিচারিক হাকিম দিয়ে করালে অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা পেত বলে মনে করেন কি?
বেনজীর আহমেদ: কেন তাদের দিয়ে করাতে হবে, এটা আমি জানি না।
প্রথম আলো: কারণ বিচারকেরা স্বাধীন।
বেনজীর আহমেদ: আমরা এটাও শুনি তাঁরা স্বাধীন নন। (হাসি) আপনার পত্রিকাতেই ছাপা হবে, না, তাঁরা স্বাধীন নন। যেটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, সেটা হলো আমাদের সঙ্গে এনগেজমেন্টের কারণে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখন আমরা তদন্ত করছি। যদি আমরা যথার্থ দেখি, আর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট না বলেন, তাহলে সেটাই টিকবে। এটাই ভারসাম্য। আর আমি বলব, আমরা কঠোর শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।
প্রথম আলো: মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক? সরকারি কমিশনকে কিন্তু আপনাদের প্রতি সন্তুষ্ট মনে হয় না।
বেনজীর আহমেদ: তাদের কোনো অনুরোধ আমাদের কাছে এই মুহূর্তে পেন্ডিং নেই।
প্রথম আলো: আসক, অধিকার কিছু আপনাদের জানায়?
বেনজীর আহমেদ: না।
প্রথম আলো: আপনার নিজ এলাকা গোপালগঞ্জের কোনো আসন থেকে কখনো নির্বাচনে দাঁড়াবেন না?
বেনজীর আহমেদ: আমি এসব নিয়ে ভাবি না।
প্রথম আলো: তার মানে আপনি রাজনীতিতে নামার সম্ভাবনা নাকচ করছেন না।
বেনজীর আহমেদ: কেন আমি এসব নিয়ে ভাবতে যাব, আমি তো কর্মরত আছি।
বেনজীর আহমেদ: র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোটা-বৈষম্যের প্রতিবাদ ও ঝাড়ু কর্মসূচি

২. আন্দোলনের লক্ষ্য যেমন গণতান্ত্রিক হতে হয়, তেমনি তার কর্মসূচিকেও হতে হয় মানবিক। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন বৈষম্যের শিকারকে উপহাস করতে পারে না। কথাটা বলার প্রসঙ্গ এল আন্দোলনের একটা কর্মসূচির কারণে। কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীরা প্রতিবাদ হিসেবে সম্প্রতি রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছেন। কিছুদিন আগে ভারতেও কোটার বিরোধিতা করতে গিয়ে আন্দোলনকারীরা জুতা পালিশের কর্মসূচি নিয়েছিলেন। কিন্তু এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজকে আমরা কোন বার্তা দিচ্ছি? ঝাড়ু দেওয়া কি নীচু কাজ? সমাজের বঞ্চিত যে শ্রেণিটি ঝাড়ু দেওয়ার কাজ করে, এর মাধ্যমে তাদের কি হেয় করছি না? শিক্ষার গর্বে কম শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত ঝাড়ুদারদের তুচ্ছ করাটা কি গ্রহণযোগ্য হয়? এর দ্বারা সমাজের সামনে আমরা কোন আদর্শ স্থাপন করতে চাইছি? আমাদের অনেকে উচ্চশিক্ষিত, কিন্তু বিদেশে গিয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ করে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠন। আমরা কোটার সংস্কার চাইতে গিয়ে যেন আমাদের পূর্বপুরুষদের অপমান না করে বসি। কোটার সংস্কার তো চাই সংবিধানবর্ণিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্যই।
৩. ব্রাহ্মসমাজের সদস্য ও শিবনাথ শাস্ত্রীর শিষ্য আনন্দচন্দ্র মিত্র নামের একজন শিক্ষক, যিনি ময়মনসিংহে শিক্ষকতা করতেন। তিনি ১৮৭৬ সালে রাষ্ট্রনীতিবিষয়ক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। সেটির নাম ছিল ‘ব্যবহার দর্শন’, যার শিরোনামের নিচে ইংরেজিতে লেখা ‘অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য সায়েন্স অব পলিটিকস’। আনন্দচন্দ্র মিত্র সায়েন্স অব পলিটিকস বলতে ব্যবহার দর্শন বুঝতেন। সেখানে বলেছেন, ‘যে সমাজে রাজশক্তি ও প্রজাশক্তি সম্মিলিত হইয়া কার্য্য করে, তাহাকে রাজ্য বলে। সমুদয় প্রজাশক্তি সম্মিলিত হইয়াই রাজশক্তির সৃষ্টি করে, এবং সেই রাজশক্তির বশীভূত হইতে আপনা হইতেই বাধ্য হয়। রাজশক্তিও আবার প্রজাশক্তির এমন আয়ত্ত থাকে, যে কোন ক্রমেই প্রজাশক্তিকে উপেক্ষা করিয়া কোন কার্য্য করিতে পারে না। যে সমাজে এই রূপে কার্য্য চলে তাহাই প্রকৃত রাজ্য।’ মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে তো আমরা এমন রাষ্ট্রই সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম। যেখানে নাগরিকদের ন্যায্য দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া হবে। সরকার যদি কোনো সমস্যা বুঝতে না পারে, তখন আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের বোঝানোর সুযোগটা খোলা রাখতে হবে। কোটা সংস্কারের আন্দোলনে সরকারের হুঁশ ফিরুক। আমরা সরকারকে মনে করাতে চাই যে মুক্তিযুদ্ধে আমাদের ঘোষিত নীতিই তো ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। ‘নীতি’ শব্দটি ‘নী’ ধাতু থেকে উদ্ভূত, যার মানে হচ্ছে টেনে নিয়ে যাওয়া। অর্থাৎ যে বিদ্যার সাহায্যে টেনে নিয়ে যাওয়া যায়, তাই নীতি। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পূর্বপুরুষদের এই বৈষম্যবিরোধী নীতিই টেনে নিয়ে গেছে। সাতই মার্চের ভাষণের কথা ধার করে বলি, কী পেলাম আমরা? আমাদেরও কি দাবায়ে রাখা হবে?
নাহিদ হাসান: প্রধান সমন্বয়ক, রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটি, কুড়িগ্রাম।
nahidknowledge@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাঙালিপ্রেমী’ জাফর মাসুদ by সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান: প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক ও কবি
sohrabhassan 55 @gmail. com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কৃষ্ণবিবর পুরোপুরি কৃষ্ণ নয়’ by ড. সাজিদ হক

১. কৃষ্ণবিবরের ইভেন্ট হরাইজনের (Event Horizon) ভেতর।
২. বৃহৎ বিস্ফোরণ (BIG Bang) সিঙ্গুলারিটিতে (বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড ও সৃষ্টির শুরু অবস্থা)।
কৃষ্ণবিবরের ইভেন্ট হরাইজনের ভেতর কী হচ্ছে, প্রকৃতি তা আমাদের জানতে দেয় না। একইভাবে মনে হয় যেন, এই মহাবিশ্বের শুরুতে কী হয়েছে, প্রকৃতি সেটা গোপন করার জন্য সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে মহাবিশ্বকে অবিশ্বাস্য গতিতে সম্প্রসারণ করেছে। এই ব্যাপারকে আমরা পদার্থবিজ্ঞানে ইনফ্লেশন বলি। এই জটিল বিষয়গুলো নিয়েই স্টিফেন হকিং তাঁর বিখ্যাত গবেষণাপত্রগুলো লিখেছেন। আর একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে, কৃষ্ণবিবরের ভেতরের রহস্য ভেদ করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে যে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন, যেটি পৃথিবীর তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীদের একটা চিন্তা কৃষ্ণবিবরের ভেতর ফেলে রেখেছে ৫০ বছর ধরে। তাঁর ‘কৃষ্ণবিবর পুরোপুরি কৃষ্ণও না’—এই আবিষ্কার জন্ম দিয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের সম্ভবত সবচেয়ে আলোচিত ‘ইনফরমেশন প্যারাডক্স’-এর (information Paradox ) (ড. তীব্র আলী যেটাকে কূটাভাস বলেছেন)। ভবিষ্যতের মানুষ ও পদার্থবিজ্ঞান স্টিফেন হকিংকে ঠিক কোন আসনে রাখবে, সেটা বলা মুশকিল। তাঁর অসাধারণ গবেষণা জটিল পদার্থবিজ্ঞানকে মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়া এবং সর্বোপরি তাঁর শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে জয় করার গল্প তাঁকে যে ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় করে রাখবে, তাতে সন্দেহ নেই।
>>>ড. সাজিদ হক, শিক্ষক, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান, ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর, কানাডা।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেনেই নিচ্ছি নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু? by আসিফ নজরুল

২. মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে (ধর্ম, বংশ, জন্মস্থান, রাজনৈতিক পরিচয়-নির্বিশেষে) এই অধিকার প্রত্যেক মানুষের। যেমন বৈষম্যহীনতা একটি মানবাধিকার। গোপালগঞ্জে বা ফেনীর মানুষ বলে তাই কারও আমলভেদে বৈষম্যের শিকার হওয়ার বা বাড়তি সুযোগ পাওয়ার অধিকার নেই। আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা জামায়াতের রাজনীতি করলে আমলভেদে কারও অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কোনো বিশেষ ছাত্রসংগঠনের কর্মী এই অভিযোগে পিটিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার যেসব সংবাদ আমরা পত্রিকায় দেখি, তাও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমাদের সংবিধানে মানবাধিকার সীমিত করা হয়েছে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য। যেমন পুলিশ বা সেনাবাহিনীর বাক্স্বাধীনতা বা মিছিল করার অধিকার নেই। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু মানবাধিকার প্রযোজ্য নয় বলা হয়েছে সংবিধানে। তবে কিছু অধিকার, যেমন নির্যাতন, অবমাননাকর ও লাঞ্ছনাকর দণ্ড বা ব্যবহার থেকে মুক্ত থাকার অধিকার, প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃত। জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকারের মতো নির্যাতন থেকে রেহাই পাওয়ার অধিকার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিগুলোতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। শুধু এ বিষয়টি নিয়ে নির্যাতনবিরোধী যে কনভেনশনটি রয়েছে, তার পক্ষরাষ্ট্র বাংলাদেশও। নির্যাতনবিরোধী আন্তর্জাতিক ও সাংবিধানিক বিধানের পাশাপাশি ২০১৩ সালে প্রণীত একটি আইন বাংলাদেশে রয়েছে। এই আইনে হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের অভিযোগ পুলিশ না নিলে সরাসরি আদালতে মামলা করার, হেফাজতের দায়িত্বে থাকা দোষী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের, অভিযোগকারী ব্যক্তির নিরাপত্তা বিধানের ও তাঁর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আইনে কোনো সমস্যা নেই আমাদের। কিন্তু তারপরও দেশে অব্যাহতভাবে নির্যাতন বা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। ঘটছে মূলত এসবের বাস্তবায়ন নেই বলে।
৩. মানবাধিকার রক্ষিত হচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য দেশে নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমন সংসদ, উচ্চ আদালত ও মানবাধিকার কমিশন। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে, মানবাধিকার বিষয়ে নজরদারির জন্য এরা বিদেশ থেকে উচ্চ অঙ্কের আর্থিক সহযোগিতাও পেয়ে থাকে। মানবাধিকার নজরদারির জন্য গণমাধ্যমও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে বর্তমান সংসদ ও সংসদীয় কমিটিগুলো অকার্যকর থাকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। ২০১৪ সালের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলোর সদস্যদের মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলবে না, এটি অভাবনীয় নয়। কিন্তু এ বিষয়ে বাদবাকি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রয়েছে। মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার থাকার জন্য বাংলাদেশে জনগণের অর্থে পরিচালিত একটি মানবাধিকার কমিশন রয়েছে। এই কমিশনের মৌলিকতম দায়িত্ব হচ্ছে যে কারও মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হলে সে বিষয়ে তদন্ত করা, অন্তত তার উদ্বেগ ও আপত্তি প্রকাশ করা। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা করা হয় না। সংসদের বাইরে থাকা বিরোধী দল (যেমন বিএনপি, সিপিবি) ও সংগঠনগুলোর (যেমন তেল-গ্যাসসংক্রান্ত জাতীয় কমিটিসহ) সভা-সমাবেশের ওপর পুলিশি আক্রমণের বহু ঘটনা ঘটলেও আমরা মানবাধিকার কমিশনকে এ বিষয়ে কিছু বলতে দেখি না। হেফাজতে ছাত্রদল নেতা জাকিরের মৃত্যুর সাম্প্রতিক ঘটনাসহ এ ধরনের বহু ঘটনায় কমিশনকে সোচ্চার হতে দেখি না। অতীতে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু ঘটনায় কমিশনকে সরকারের ভূমিকার প্রতি সমর্থন প্রদান পর্যন্ত করতে দেখা গেছে। মানবাধিকার রক্ষার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা পালনের অবকাশ রয়েছে উচ্চ আদালতের। নিকট অতীতে উচ্চ আদালত গ্রেপ্তার ও রিমান্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্তমূলক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এরপর এসব নির্দেশ লঙ্ঘিত হওয়ার সংবাদ ফলাও করে পত্রিকায় বহুবার প্রকাশিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উচ্চ আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে সরকারের যেকোনো বাহিনীর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকারি বাহিনীর নির্যাতনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ে আমরা উচ্চ আদালতকে তা করতে দেখি না। নিম্ন আদালতের হাত-পা আরও বাঁধা। চার বছর আগে নিম্ন আদালতের একজন বিচারক ২০১৩ সালের আইন অনুসারে র্যাবের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা (নির্যাতন ও হত্যাসংক্রান্ত) গ্রহণ করেছিলেন। এরপর প্রথমে তাঁর মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়, পরে তাঁকে অন্য জায়গায় বদলি করে দেওয়া হয়। নিম্ন আদালতের স্বাধীনতা ও মর্যাদার ওপর এই জাজ্বল্যমান হস্তক্ষেপের ঘটনায় প্রতিবাদ পর্যন্ত করেনি গণমাধ্যম ছাড়া অন্য কেউ। বাকি থাকে বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠনগুলো। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাগুলো এরা লিপিবদ্ধ করে জানিয়ে দেওয়ার কাজটি করে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে নিরন্তর সোচ্চার থাকার দায়িত্ব অনেক ক্ষেত্রে পালন করে না। রাজনৈতিকভাবে যারা সরকারের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বা ছাত্রলীগের নির্যাতন হলে বহু মানবাধিকার সংগঠন তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমল, রাজনৈতিক বিশ্বাস, ধর্মীয় পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ভেদে তাদের উৎসাহের মাত্রা দৃষ্টিকটু রকমের হেরফের হয়। জাকিরের মৃত্যুর ঘটনাও তাদের অনেকে হয়তো এ কারণে এড়িয়ে গেছে। অথচ মানবাধিকারের মূল দর্শনের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাবোধ থাকলে এটি করার কথা নয়।
৪. মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানগুলো পালন না করলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়তে থাকবে। নির্বাচনের বছরে এসে তা বাড়ার কারণও আছে। এমনিতেই গণমামলা আর যথেচ্ছ সংখ্যায় অজ্ঞাতনামা আসামি করার প্রচলন দেশে রয়েছে। এই সুযোগে বিরোধী পক্ষের যে কাউকে গ্রেপ্তার করার সুযোগ সরকারের রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর থাকে নির্যাতিত হওয়ার এমনকি মারা যাওয়ার আশঙ্কা। এর কোনো প্রতিকার না হলে দেশের বিপুলসংখ্যক নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার বলে কিছু থাকবে না। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন তখন আরও বিপর্যস্ত হবে।
আসিফ নজরুল: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুখের সূচক নাকি অসুখের? by কামাল আহমেদ

কামাল আহমেদ: সাংবাদিক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 19
(95)
- ভারতে বিরোধীদের ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনের তোড়জোড় শুরু
- বৃটেনে আতঙ্কে মুসলিম শিক্ষার্থীরা
- বিশ্বের চতুর্থ দূষিত নগরী ঢাকা
- প্রমোদ ভ্রমণে ইউএনও, তোলপাড়
- কাটা চুলে কোটি টাকার ব্যবসা
- অসুস্থতার দোহাই দিয়ে সুচি'র প্রকাশ্য ভাষণ বাতিল
- কিশোর কিশোরীদের মধ্যে বাড়ছে ধূমপান আসক্তি
- ভেতরে মজুরি বোর্ডের বৈঠক, বাইরে অবস্থান
- এলডিসি থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ
- আমরা করব জয়, কিন্তু কবে? by জোসেফ ই. স্টিগলিৎস
- যশোরের এসপির জমিপ্রীতি
- বিচারের রাজনীতি ও রাজনীতির বিচার by তোফায়েল আহমেদ
- ইতালিতে ডানপন্থীদের জয়ে হুমকিতে ইইউ ও অভিবাসীরা by...
- দক্ষিণ এশিয়ায় চীন কি এগিয়ে? by মারুফ মল্লিক
- ‘সংসদ টিভি’কে কাজে লাগান by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
- ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ একটি ভুল শব্দ
- কোটা-বৈষম্যের প্রতিবাদ ও ঝাড়ু কর্মসূচি
- ‘বাঙালিপ্রেমী’ জাফর মাসুদ by সোহরাব হাসান
- ‘কৃষ্ণবিবর পুরোপুরি কৃষ্ণ নয়’ by ড. সাজিদ হক
- মেনেই নিচ্ছি নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু? by আসিফ নজরুল
- সুখের সূচক নাকি অসুখের? by কামাল আহমেদ
- পর্যটকবান্ধব করার জন্য যা করণীয় by শামস উজ জামান
- এবার এক নয়, ছয়জন স্টর্মি
- মোদিকে হটাতে তৎপর মমতা
- কাতারে কোরআন প্রতিযোগিতা: বাংলাদেশিদের ঈর্ষণীয় সাফল্য
- বেঁচে থাকাটাই যেখানে সাফল্য
- ভয়াবহ দাবানলের কবলে অস্ট্রেলিয়া
- রাশিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট by জামিল খান
- মাকে ‘বন্দী’ করেছেন সালমান!
- ফিনল্যান্ডেই সব সুখ
- অর্জনের বিপরীতে গর্জন by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- সাধারণ শিক্ষার্থীদের দুর্নীতি ভাবনা by মুহাম্মদ ইয়...
- খেলাপি ঋণ বনাম আইএমএফের পরামর্শ
- শিক্ষায় ঔপনিবেশিকতার দীঘল ছায়া by বাহালুল মজনুন চু...
- হারিয়ে যাচ্ছে খেলার মাঠ by আর কে চৌধুরী
- এবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আপত্তির মুখে ১৫৭ কোটি টাকা...
- পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন ৫৮ শতাংশ
- প্রকল্পের শুরুতেই অনিয়ম
- ইভিএমে সংস্কার
- মস্কোর সঙ্গে সর্বোচ্চ সম্পর্ক গড়ে কাজে আগ্রহী বেইজিং
- পর্নো তারকার কাছেই টাকা চাইছেন ট্রাম্প
- মোদির কারণে শান্তি ফিরছে না কাশ্মীরে: সাবেক প্রধান...
- উ. কোরিয়ার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালে জার্মানি: ...
- ৫৪ বছর নিভৃতপল্লীতে সেবা দিচ্ছেন বৃটিশ নাগরিক রোজ ...
- ক্যান্সার প্রতিরোধে ডায়েট
- ‘এটা নজির বিহীন, আমরা আদেশ বুঝতে পারিনি ‘
- বর্ষায় ভোগান্তির শঙ্কা by মুছা বিন মোহাম্মদ
- ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করবেন সৌদি যুবরাজ
- নিজভূমে পরবাসী ১১০ বছরের বৃদ্ধা
- কোন দেশ থেকে কূটনীতিক বহিষ্কার করলে কি ঘটে
- পরিশ্রমই বদলে দিলো আত্মবিশ্বাসী লাইজুর ভাগ্য by জা...
- পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন বন্ধ by মিজানুর রহমান
- পুতিনকে শি’র অভিনন্দন
- মানবজাতিকে যে বার্তা দিয়ে গেলেন হকিং by জি. মুনীর
- নির্বাচনে ৪ শর্ত বিএনপির
- ঢাকা-থিম্পুকে ধরে রাখতে দিল্লি মরিয়া by মাসুম খলিলী
- পরিস্থিতি ভঙ্গুর by সালাহউদ্দিন বাবর
- আইসক্রিমের কাঠিতেও বিষ! আক্রান্তের ঝুঁকিতে কিডনি-ল...
- ডিম নিয়ে ভয়ঙ্কর খবর!
- রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ আসিয়ান নেতৃবৃন্দের
- কারাগারে বন্দি ৭৭ হাজার ১২৪
- চীন সীমান্তে সি-১৭ গ্লোবমাস্টার, ভারতের নতুন ছক
- শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার
- জীবিতকে মৃত ঘোষণা করল আদালত
- গ্যাস রাইজারে বজ্রপাত: সিলেটে ৫ জনের মর্মান্তিক মৃ...
- ইনস্টাগ্রামে কিভাবে সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়?
- কেন কোটা সংস্কার জরুরি? by রাজিয়া সুলতানা
- দুই মন্ত্রীর দুই কথা ও রাজনীতির আগাছা by হাসান হামিদ
- কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
- ফের ক্ষমতায় প্রেসিডেন্ট পুতিন
- ইউএস বাংলার বিমানে ত্রুটি ছিল না
- আলু চাষ করে কৃষক বিপাকে
- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফরে উঠে আসছে বিরোধের চিত্র ...
- হিজাবের সৌন্দর্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন ইহুদি-ললনা
- এক মঞ্চে দুই চৌধুরী
- রংপুরে খাদেম হত্যা: ৭ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড
- স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় পুষ্টি পরিষদের খাদ্যনির্দ...
- বঙ্গবন্ধু আজীবন মানুষের কথা বলেছেন -আলোচনা সভায় প্...
- আগামী ১৪ এপ্রিল পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ
- উজ্জ্বল কেবল সাব্বিরই
- ঢাকায় বেপরোয়া মোটর সাইকেল
- কাতারের মানুষের ওজন বেশি হয় কেন?
- সোহরাওয়ার্দীতে জনসভার অনুমতি পায়নি বিএনপি
- ৫ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়েছিল ট্রামেপর...
- এক টাকা কর দিলেই ট্যাক্স কার্ড -অর্থমন্ত্রী
- সরকারি চাকরিতে মেধা-যোগ্যতার চেয়ে কোটার প্রাধান্য
- রাশিয়ায় নিয়মরক্ষার নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ
- পাইলট আবিদের স্ত্রী হাসপাতালে
- আরেকটি ফাইনাল, আরো একবার কান্না
- শিশুর ৪টি আঙ্গুল কেটে দিলো যুবলীগ নেতা
- স্বর্ণের দাম কমেছে
- ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে করা রিট খারিজ
- শালিকার প্রেমিককে ফাঁসাতে গিয়ে...
- তুরস্ক-এফএসএ’র দখলে আফরিন
- ফের কান্না :শেষ বলের ছক্কায় হার
-
▼
Mar 19
(95)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...