Monday, October 8, 2018
বাম হাত বেঁকে গেছে, বাম কাঁধ নাড়াতে পারছেন না খালেদা জিয়া

ড. জলিল সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ত্রিশ বছর ধরে রিউমাটো আর্থাইটিস নামক রোগে আক্রান্ত তিনি। এই রোগটি নিয়ন্ত্রন না রাখার কারণে তার শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বাম হাত বেঁকে যাওয়া, বাম কাঁধ নাড়াতে না পারা, হাত ঝিম ঝিম করাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা গেছে।
এছাড়া তার ঘাড়ে ও কোমরে ব্যথা আছে। তার বাম হিপজয়েন্টে আর্থাইটিস আছে। তার দুই হাঁটুর রিপ্লেসের স্থানে কিছুদিন আগে ফুলে গিয়েছিল। পরবর্তীতে ওষুধ দিয়ে তা ঠিক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বেগম জিয়া গত বিশ বছর ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন।
তার ডায়াবেটিস কন্ট্রোলের জন্য ইনসুলিন দেয়া হলেও তিনি তা নেননি। তার ডায়াবেটিসের বর্তমান কী অবস্থা সেটি আমাদের পরীক্ষা নিরিক্ষা করে দেখতে হবে। ইতোমধ্যে তার সুগার কমে হাইপো-ডায়াবেটিস হয়ে গিয়েছিল। তবে তিনি ব্লাডপ্রেসারের ওষুধ খাচ্ছেন। কিছুদিন আগে তার জ্বর হয়েছিল। সেটা এখন নাই। তার শরীরের সোডিয়াম কমে গিয়েছিল। ওষুধ দিয়ে সেটা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
গতকাল দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-তে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। এসময় খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চারজন সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। খালেদার জিয়ার অসুখের ব্যাপারে ব্যাখ্যা করে ড. জলিল বলেন, ‘এটি এক ধরণের বাত, গিঁটে গিঁটে ব্যথা। এর চিকিৎসা না হলে ঘাড়ে-মাজায়-কোমরে ব্যথা হয়।
এর চিকিৎসা একটি চলমান প্রক্রিয়া। খালেদা জিয়াকে ফিজিও থেরাপি দেয়া হচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তার ফিজিওথেরাপি শুরু করে দেবো।’
উল্লেখ্য, আদালতের নির্দেশে ৬ অক্টোবর বিকালে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বিএসএমএমইউ-এ ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তিনি বিএসএমএমইউ-এর ৬১২ নম্বর কেবিনে ভর্তি আছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আতঙ্কে আওয়া জাতিগোষ্ঠী

এখনও তারা তীর-ধনুক নিয়ে বেরিয়ে পড়ে জঙ্গলে। শিকার ধরে। তার ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। এমনিভাবে তারা এই জঙ্গলে শতাব্দীর পর শতাব্দী বসবাস করে আসছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। তীর-ধনুক দিয়ে তারা শিকার ধরে আরমাডোলোস নামে একটি প্রাণি। এটি দেখতে অনেকটা খরগোশের মতো। ঘন জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করে মধু। বাবাসু নামের এক রকম বাদাম। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন তাদের ওপর অক্টোবর সংখ্যা প্রকাশ করেছে।
তার ওপর ভিত্তি করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অনলাইন দ্য সান। এতে একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একজন আওয়া শিকারি পিঠে করে তার শিকার একটি ছোট্ট হরিণ নিয়ে যাচ্ছে। আর তার হাতে তীর আর ধনুক। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, রেইনফরেস্টের পরিষ্কার পানির এক প্রবাহে শিশুদের নিয়ে গোসল করছেন একদল নারী। জঙ্গলে যেমন বাইরে মানুষ এসে হানা দেয়। বন কেটে সাবাড় করে। মাদক পাচার করে বনের ভিতর দিয়ে। ঠিক একই ভাবে তারা মাঝে মাঝেই হানা দেয় আওয়াদের বাড়িঘরে। এই জাতিটি বেঁচে আছে শুধু বন আর সেখানকার পানির উৎসের ওপর নির্ভর করে। তবে বাইরে থেকে এখন বিপদজনক সব লোক গিয়ে তাদেরকে হুমকি দেয়। ওই আবাসন ছেড়ে চলে যেতে বলে। তারা যেখানে বসবাস করে তা সংরক্ষিত। তাদেরকে আইন দিয়ে নিরাপত্তা দেয়া হয়। কিন্তু তাদের ওপর হামলাকারী বা দুর্বৃত্তদের থামানোর কোনো ব্যবস্থা নেই।
এরই মধ্যে মারানহো জঙ্গলের মূল চেহারা নষ্ট হয়ে গেছে। শতকরা ৭৫ ভাগ বন সাফ হয়ে গেছে। সংরক্ষিত আরারিবোইয়া ইনডিজিনিয়াস ল্যান্ডের মূল্যবান সব গাছ হারিয়ে গেছে। সেখানে কাঠ সংগ্রহ বা গাছ কাটা বেআইনি হলেও অপরাধীরা প্রকাশ্যে এ কাজটিই করছে। বিশাল বিশাল গাছের গুঁড়ি বোঝাই ট্রাক পিছন দিকের রাস্তা দিয়ে সপাটে চলে যায়। সেখানে কোনো পুলিশ প্রহরা নেই। ব্যাস এভাবেই গোপন স’মিলে চলে যায় এসব কাঠ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুনরায় নির্বাচিত হলে প্রত্যেক বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল তার সরকারি বাসভবন গণভবনে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ‘চিকিৎসক সম্মেলন-২০১৮’তে প্রদত্ত ভাষণে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবাটা নিশ্চিত করা সরকার হিসেবে এবং মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্বও কর্তব্য বলে আমি মনে করি। তিনি বলেন, সেজন্য বিশেষায়িত চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান, নার্সিং থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে আমাদের প্রশিক্ষণ প্রদান একান্তভাবে প্রয়োজন। তার জন্য আমরা যেমন ইনস্টিটিউশনগুলোও করে দিয়েছি তেমনিভাবে চিকিৎসার সুযোগটাও আরো ব্যাপকভাবে সৃষ্টি করতে চাই। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে যেমন প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে তেমনি বিদেশি প্রশিক্ষক এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপরও আমরা জোর দিচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন, আমার অনুরোধ থাকবে চিকিৎসক ভাই বোনদের কাছে- মানুষের সেবা করাটা কিন্তু সর্বপ্রথম কর্তব্য।
কিন্তু এ প্রসঙ্গে একটা দুঃখের কথা আমি বলতে চাই। সেটা হলো, উপজেলা হাসপাতালগুলোকে উন্নতমানের করার জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি, যেখানে আমাদের ৫০ বেডের একটি হাসপাতালে কমপক্ষে ১০ জন চিকিৎসক প্রয়োজন, সেখানে কোথাও একজন কোথাও কোথাও খুব বেশি হলে ৪ জন ডাক্তার রয়েছেন। সেখানে কিন্তু ডাক্তার থাকেন না। মানুষ তাহলে সেবা পাবে কিভাবে। এটা আমার পশ্ন। তিনি বলেন, পদ আমরা সৃষ্টি করে দিয়েছি। কিন্তু এখানে আমরা ডাক্তার পাইনা, নিয়োগও আমরা দিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু কেন এই অবহেলা, মানুষের প্রতি। এটা নিশ্চয়ই জনগণ প্রত্যাশা করে না।
সেটা আমি আপনাদের ভেবে দেখার অনুরোধ করবো। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালিক এবং কনফেডারেশন অব মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অব এশিয়া অ্যান্ড ওশেনিয়া অঞ্চলের সভাপতি ডা. রবীন্দ্রান আর নাইডু অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া এবং বিএমএ মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিএমএ মহাসচিবকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা এবং সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করে চিকিৎসক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। পরে তিনি শান্তির প্রতীক পায়রা ওড়ান। প্রধানমন্ত্রী সম্মেলন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে স্মরণীকারও মোড়ক উন্মোচন করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাবি আদায়ে এবারও সফল হবো -মানববন্ধনে ড. কামাল

প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, আমরা কতগুলো ব্যাপারে পরীক্ষা করে দেখেছি।
ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬ দফা আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সব জায়গাতে আমরা সফল হয়েছি। যেটাকে অসম্ভব মনে করা হতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেটাকে সম্ভব করা হয়েছে। অতীতে প্রত্যেকবার আমরা আন্দোলনে সফল হয়েছি। এবারো ইনশাআল্লাহ সফল হব। সফল হয়ে আমরা দেশে সরকার গঠন করবো এবং তা হবে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে।
তিনি বলেন, আমরা চাই জনগণের মালিকানা এ দেশে প্রতিষ্ঠা হোক। এটা অসম্ভব কিছু না। আমাদের সংবিধানে লেখা আছে বাংলাদেশের মালিক জনগণ। সেই মালিকের ভূমিকা আপনাদের রাখতে হবে। মালিক হয়ে অসহায় বোধ করলে চলবে না। মালিকানা ভোগ করতে হলে মালিকের ভূমিকা রাখতে হবে। আর এই ভূমিকা রাখার জন্যই আজ আমাদের এই আন্দোলন। এই আন্দোলনে সফল হওয়ার জন্য নারী পুরুষ সবাই মিলে ঐক্য তৈরি করতে হবে। জনগণের ক্ষমতা যদি জনগণের হাতে না থাকে তাহলে পাইকারি হারে লুট হয়। আজকে দেশে সেই কাজটাই হচ্ছে। দেশে লুটপাট হচ্ছে।
এই লুটপাটের টাকা যাচ্ছে বিদেশে। এটা জনগণ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছে। তাই আমরা যেখানে যাই, সাড়া পাই। আজকে আপনাদের উপস্থিতি আমাদের আশ্বাস দিচ্ছে ১৬ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরিবর্তন আনবে। সেই পরবির্তনের কারণে আমরা সামনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখছি। কারণ বৈধভাবে সরকারে আসতে হলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আমরা জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠার কাজে নিয়োজিত। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই আন্দোলন অব্যশই সফল হবে।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ৭ দফা দাবির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমাদের দাবিগুলো জানিয়েছি। রাজবন্দিদের মুক্ত করতে হবে। নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন কোনো মামলা করা যাবে না। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। হয়েছে উল্টোটা। কাউকে মুক্ত তো করা হয়নি বরং হাজার হাজার নতুন গায়েবি মামলা করা হয়েছে। এই কারণে আজকে আমাদের আন্দোলনকে আরো তীব্র করতে হবে। ১৬ কোটি মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রমাণ করতে হবে এই দেশটা আমাদের সবার। এই দেশ কোনো ব্যক্তি, দল বা কোনো পরিবারের নয়। আমরা যদি সবাই মিলে দাবি রাখি অতীতে যেমন আমরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে সফল হয়েছি এবারো সফল হব।
তাহলে জনগণের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরে আসবে। তিনি বলেন, আমাদের যে সম্ভাবনা আছে সেটা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনতার স্বপ্ন অবশ্যই পূরণ করতে হবে। জনগণের ঐক্যের মাধ্যমে আমরা তা প্রতিষ্ঠা করবো। কোনো স্বৈরাচার আমাদেরকে বঞ্চিত করতে পারবে না। আসুন, ঐক্যের শক্তি নিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করি। জাতীয় ঐক্যের সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন বলেন, আমার দেশের সোনালী ব্যাংক, শেয়ার বাজারসহ সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। আসুন ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদদের চেতনা বাস্তবে রূপ দেই। এই সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করি।
ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর বলেন, বর্তমানে দেশ চলছে একটি বিনা ভোটের সরকারের মাধ্যমে। ‘আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব’ এই নীতির মাধ্যমে এই সরকার ক্ষমতায় আসে তখন। কিন্তু এখন মানুষের সেই অধিকারটুকু তারা কেড়ে নিয়েছে। ১৫১ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। জনগণকে ভোট দেয়ার সুযোগ দেয়নি। সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন। নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে বাংলার মানুষ আপনাদেরকে চায় না।
মানববন্ধনে প্রায় হাজার খানেক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে। বিকাল ৪টার আগে থেকেই ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন। বিকাল ৪টার পরে জাতীয় ঐক্যের সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিনের সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে মানববন্ধন শুরু হয়। ৫টার পর ড. কামাল হোসেন মানববন্ধনে যোগ দেন। এরপর মোস্তাফা আমিন ড. কামাল হোসেনের ওপর মানববন্ধনে সভাপতিত্বের দায়িত্ব অর্পণ করেন।
মনববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ন ম ফাহিম উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, ভাষানী ফাউন্ডেশনের সভাপতি সিদ্দিকুর ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, লেবার পার্টি (একাংশ) এর সাধারণ সম্পাদক হামদুল্লাহ আল মেহেদী, গণতান্ত্রিক দল সভাপতি সামছুল আলম চৌধুরী, গণদল সভাপতি এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কথিত অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে কি করবে ভারত! by জি সীতারামন

একই সঙ্গে এ নিয়ে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। যারা এনআরসিতে ঠাঁই পান নি তারা নাগরিকত্ব দাবি করে আপত্তি উত্থাপন করার সুযোগ পাবেন। এ প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, যাদের আপিল বাতিল হয়ে যাচ্ছে বা যাবে তাদের কি হবে? তাদেরকে কি ভারত থেকে বের করে দেয়া হবে?
এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে নি কেন্দ্রীয় সরকার। ওদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রত্যাবর্তন চুক্তিও নেই। এমন চুক্তি নেপালের সঙ্গেও নেই ভারতে। অবৈধ অভিবাসী হিসেবে যারা বিবেচিত হবেন তাদের লড়াইটা হবে দীর্ঘ। এরই প্রেক্ষিতে ইকোনমিক টাইমস ম্যাগাজিন ওইসব ভারতের ওইসব কথিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছে। দেখার চেষ্টা করেছে বিশ্বের সঙ্গে ভারতের অবস্থানটা কি। শরণার্থীদের বিষয়ে ভারতের অবস্থান কি?
১৯৫১ সালের জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক কনভেন অথবা ১৯৬৭ সালের প্রটোকলে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় ভারত। এ দুটি কনভেনশন বা প্রটোকলে শরণার্থীদের অধিকার সুরক্ষিত করা হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার (ইউএনএইচসিআর) বলেছে, শরণার্থীদের সুরক্ষা বিষয়ক কোনো জাতীয় ফ্রেমওয়ার্ক নেই ভারতের। তা সত্ত্বেও তারা প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়া অব্যাহত রেখেছে। তারা আফগানিস্তান ও মিয়ানমার সহ অন্য দেশগুলোর জন্যও ইউএনএইচসিআরের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান দেখাচ্ছে।
শরণার্থীদের কিভাবে দেখা হবে সে বিষযে বেশ কিছু আইন আছে। এর মধ্যে রয়েছে রেজিস্ট্রেশন অব ফরেনার্স অ্যাক্ট ১৯৩৯, ফরেনার্স অ্যাক্ট ১৯৪৬ ও পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৭। কেন্দ্রীয় সরকার সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট ১৯৫৫ সংশোধনের চেষ্টা করছে। এই সংশোধনীর মধ্য দিয়ে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কথিত অবৈধ অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে। তবে সবাইকে নয়। যারা এ দেশগুলোর হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন ও পারসি সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘু শুধু তাদেরকেই এমন সুবিধা দেয়া হবে। প্রস্তাবিত আইনটিতে মুসলিমদের মধ্যকার নির্যাতিতদের ধরা হয় নি।
বৌদ্ধ উপজাতি চাকমা এবং হিন্দু উপজাতি হাজংরা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে ভারতে অভিবাসী হয়েছেন ১৯৬৪-৬৯ সালের মধ্যে। তাদের মধ্য থেকে ১৪৮৮৮ জন বসতি গড়েছেন বর্তমানের অরুণাচল প্রদেশে। তাদেরকে নাগরিকত্ব দেয়ার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন তারা। কিন্তু বৈধ শরণার্থীদের নাগরিকত্বক দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে। ২০১২ সালে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, অরুণাচল প্রদেশে ৫৪৫০০ চাকমা ও হাজং রয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র ৬০০০ রয়েছেন অরুণাচলের। রাজ্য সরকার বলছে, চাকমা ও হাজংয়ের সংখ্যা ৬৫৮৫০। এরা ১৯৬৪ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে জন্মেছেন শরণার্থীদের ঔরসে। তারা ভারতীয় নাগরিক।
(অনলাইন দ্য ইকোনমিক টাইমসে প্রকাশিত লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে নিয়ন্ত্রিত বিচারব্যবস্থা চলছে: সুপ্রিম কোর্ট বারের আলোচনা

সেমিনারে আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর এই সরকার দুটি ভয়ঙ্কর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রথমত-প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষাব্যবস্থা, বিচার বিভাগ সর্বত্র দলীয় আনুগত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। আর রাষ্ট্র এবং সরকারকে এক করে ফেলেছে। দল ও সরকারও এখন এক হয়ে গেছে। এই দুটির মধ্যে কোনো তফাৎ আর থাকেনি। তিনি বলেন, ‘এই দুটি পদক্ষেপে দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
মানুষ তার অধিকার হারিয়েছে। এমন একটি পরিবারও খুঁজে পাওয়া যাবে না যারা গত দশ বছরে সরকারের দ্বারা নিপীড়ন ও উৎপীড়নের শিকার হয়নি। অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, এমন কোনো বিভাগ নেই যেখানে আনুগত্যের প্রভাব নেই। আনুগত্যের বাইরে গত দশ বছরে কোনো নিয়োগ হয়নি।
গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, দেশে এখন ন্যায়বিচারের কোনো পরিবেশ নেই। তিনি বলেন, বিচারকরাই যেখানে আতঙ্কিত, সেখানে খালেদা-তারেক বা বিরোধী দলের কারো ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা নেই। জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে বিতাড়ন জাতিকে একটি সংকটে ফেলেছে। তিনি বলেন, যে দেশে প্রধান বিচারপতি বিচার পান না, সে দেশে খালেদা-তারেক বা আমরা কেউ বিচার পাবো না। আ স ম আব্দুর রব আরো বলেন, তিনটি স্তম্ভের একটি হলো প্রশাসন, যেটি এখন পুলিশ নিয়ন্ত্রিত এবং এই রাষ্ট্রটিও পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। বাকি দুটি স্তম্ভ আইন ও বিচার বিভাগ এখন অসহায় হয়ে পড়েছে।
আইনজীবীদের অনৈক্যের কারণে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে বের করে দেয়া সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি চার বিচারপতিকে ডেকে নিয়ে গেলেন। তারা এসে বললেন যে তোমার সঙ্গে (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) আমরা বিচারে বসবো না। অভিযোগের মামলা দায়েরের আগেই অভিযোগের বিচার হয়ে গেল।’ আলোচনায় অংশ নিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকলে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আজ জেলে যেতে হতো না। তারেক রহমানের ওপর এধরনের নির্যাতন হতো না। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের পরিপূর্ণ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণের জন্য আমাদের লড়াই করতে হবে।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে দেশে নিয়ন্ত্রিত বিচার ব্যবস্থা চলছে। ১৬ কোটি মানুষ আজ অবরুদ্ধ। দেশের মানুষ আজ কারাগারে। তিনি বলেন, এই সরকার ২০০৮ সালে নির্বাচিত হয়েছিল। কিন্তু এখন এই সরকার একটি অনির্বাচিত ও অবৈধ সরকার।’ সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেষ বেলায় ‘সংরক্ষিত কোটায়’ প্লট বরাদ্দের হিড়িক by দীন ইসলাম

ওই সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দিতে চাপ দিলেই রাজউক থেকে বলা হতো এ কোটায় কোনো প্লট বরাদ্দ অবশিষ্ট নেই। এ নিয়ে সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ও রাজউক চেয়ারম্যানের মধ্যে মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত বন্ধ ছিল। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে দশম সংসদের ৯৯ জন এমপিকে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে ৯৫ জনকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ও চার জনকে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এসব এমপিদের মধ্যে ৯৩ জনকে তিন কাঠা এবং ৬ জনকে ১০ ও ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ঠা এপ্রিল গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এক চিঠিতে দুইজন প্রতিমন্ত্রী ও ৯৭ জন সংসদ সদস্যকে সরকারের সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়। এ নির্দেশনায় পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৯৫টি ও ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে চারটি প্লট বরাদ্দ দিতে বলা হয়। এর ভিত্তিতে বিষয়টি রাজউকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হলে তাদের বিভিন্ন আয়তনের প্লট বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্লটপ্রাপ্তদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জনের মধ্যে ৩৫ জন এমপি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন। এ ছাড়া সরাসরি নির্বাচিত তিন জন এমপি প্লট বরাদ্দ পান। ওই সময় ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ পান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। এ ছাড়া ঝিলমিলে পাঁচ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ পান সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল ও হেপী বড়াল, যশোর-২ আসনের এমপি মো. মনিরুল ইসলাম এবং বরিশাল-৪ আসনের এমপি পংকজ নাথ। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় প্লট বরাদ্দপ্রাপ্ত এমপিরা কিস্তি পরিশোধ শেষে ধাপে ধাপে প্লটের লিজ দলিল করছেন। এদিকে দ্বিতীয় দফায় গত ৩০শে এপ্রিল তিন সচিবসহ ৩৭ ভিআইপি ব্যক্তিকে সংরক্ষিত কোটায় ৩০টি প্লট বরাদ্দ দিতে রাজউকে অনুশাসন পাঠায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
এর ভিত্তিতে ৩৭ জন আবেদনকারীর অনুকূলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-এর বরাদ্দ বিধি ১৩ এ বিধি মোতাবেক প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। এ দফায় দুই এমপি, তিন সচিব এবং সরকারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। এ ছাড়া গত ৩০শে মে ১৮ জন এমপিকে প্লট বরাদ্দ দেয়ার অনুশাসন দিয়ে রাজউকে চিঠি পাঠায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া ১৫ই জুলাই আরো ১২ এমপিকে প্লট বরাদ্দ দেয়ার অনুশাসন দেয়া হয়েছে। এ দুই দফায় ৩০ জন এমপিকে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় শতাধিক এমপিকে প্লট বরাদ্দ দেয়ার অনুশাসন দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষে এসব এমপিরা প্লট বরাদ্দ পেয়ে কিস্তি পরিশোধ করেছেন। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ই সেপ্টেম্বর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২৪টি প্লট বরাদ্দের অনুশাসন দিয়ে রাজউকে চিঠি পাঠিয়েছে। এ তালিকায় দুই সচিবকে প্লট বরাদ্দ দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ ও মীর সাব্বির এবং চিত্রনায়িকা অঞ্জনা সুলতানাকে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘সংরক্ষিত কোটা’য় প্লট বরাদ্দ দিতে গেলে নিয়ম মানা উচিত। কারণ প্রতি কোটার বিপরীতে প্লট রাখা আছে। তাই কোটার চেয়ে বেশি প্লট বরাদ্দ দিলে আগামীতে খারাপ দৃষ্টান্ত হতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসাদের প্রতি সমর্থন ঘোষণায় ইসরায়েলি দ্রুজদের আনুষ্ঠানিক আয়োজন

অনুষ্ঠানে উপস্থিত দ্রুজরা ঐতিহ্যবাহী কালো পোশাক ও সাদা টুপি পরিহিত ছিলেন। যে স্থানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল তার তা একদম সিরীয় সীমান্তের কাছে। দ্রুজরা শিয়াদের ইসমাইলি সম্প্রদায় দ্বারা প্রভাবিত, যদিও মুসলমানদের অনেকেই তাদেরকে মুসলমান হিসেবে স্বীকার করেন না। তাদের যে অংশ সিরিয়ায় বসবাস করছেন, তারা দীর্ঘ সময় ধরে বাসার আল আসাদের পরিবারের প্রতি অনুগত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত দ্রুজরা ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত গোলান মালভূমিতে বসবাস করেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারে দ্রুজদের প্রভাব রয়েছে। এরা ইসরায়েলকে অনুরোধও করেছিলেন, সীমান্ত পার হয়ে যুদ্ধে জড়াতে।
গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের আগ পর্যন্ত সিরিয়ার অংশ ছিল। ১৯৮১ সালে তা ইসরায়েলের সাথে যুক্ত করা হয়। ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সমর্থন পায়নি। ইসরায়েল এক সময় গোলান মালভূমি সিরিয়াকে ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছুক ছিল। কিন্তু সিরিয়ায় ইরানি সেনা বহরের উপস্থিতির কারণ দেখিয়ে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে দেশটি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌনদাসী থেকে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাদিয়া

তিনিই প্রথম ইরাকি এমন বিরল সম্মানে ভূষিত হলেন। বর্তমানে তিনি জার্মানিতে অবস্থান করছেন। ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের এই যুবতী এখন একজন মানবাধিকার কর্মী। তিন মাসের জন্য ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিরা তাকে অপহরণ করে আটকে রেখেছিল। এবার ডেনিস মুকওয়েজের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিনি। তারা যৌন সহিংসতাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার বন্ধের জন্য এবং সশস্ত্র লড়াইয়ে যৌন সহিংসতা বন্ধের জন্য কাজ করছেন।
নাদিয়া মুরাদ প্রতিষ্ঠা করেছেন নাদিয়া’স ইনিশিয়েটিভ। গণহত্যা, গণহারে নৃশংসতা, মানব পাচারের মতো অপরাধে নারী ও যেসব বালিকা বা শিশু শিকারে পরিণত হয় তার এ সংগঠন তাদের পাশে দাঁড়ায়। তাদের মানসিক ক্ষতকে সারিয়ে জীবন পুনর্গঠনের জন্য কাজ করে।
ইরাকের সিনজারে কোজো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন নাদিয়া মুরাদ। ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের সন্তান তিনি। আর তার পরিবার হলো কৃষক। ১৯ বছর বয়সে ইরাকের সিনজারে অবস্থিত কোজো গ্রামে বসবাস করছিলেন নাদিয়া। তখন তিনি শিক্ষার্থী। ওই সময় তাদের গ্রাম ঘিরে ফেলে ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিরা। ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের কেউ যাতে গ্রাম থেকে বেরিয়ে যেতে না পারেন তা নিশ্চিত করে তারা। ওই ঘেরাও দিয়ে তারা হত্যা করে ৬০০ মানুষকে। এর মধ্যে নাদিয়ার ৬টি ভাই ও সৎভাই ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি আইএস। তারা ওই গ্রামের যুবতীদেরকে দাস বানিয়ে নিয়ে যায়। ইরাকে ওই সময় আইএসের কাছে জেলে বন্দি ছিলেন ৬ হাজার ৭ শতাধিক ইয়াজিদি যুবতী। তাদের একজন ছিলেন নাদিয়া মুরাদ। তাকে মসুল শহরে দাসী বানিয়ে রাখা হয়েছিল। নিয়মিত প্রহার করা হতো তাকে। সিগারেটের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হতো শরীরের বিভিন্ন স্থান। যখনই তিনি পালানোর চেষ্টা করতেন তখনই তাকে ধর্ষণ করা হতো। তাকে আটকে রাখার দায়িত্বে ছিল যে ব্যক্তি, একদিন তিনি তার বন্দিশালা তালা না দিয়েই চলে যান। এ সময় নাদিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাকে আশ্রয় দেন প্রতিবেশী একটি পরিবার। তারা আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। উত্তর ইরাকের দুহোকে অবস্থতি একটি শরণার্থী শিবিরে গিয়ে ওঠেন তারা।
২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি। এ সময়ই প্রথম একটি বেলজিয়ান দৈনিক পত্রিকা লা লিব্রে বেলজিক’কে সাক্ষাৎকার দেন নাদিয়া মুরাদ। তখন তিনি রোয়ান্ডায় একটি আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছিলেন একটি কন্টেইনারের ভেতর। ২০১৫ সালে তিনি সহ ১০০০ নারী ও শিশুকে জার্মানির বাদেন-উরতেমবার্গ সরকার শরণার্থী কর্মসূচির অধীনে সুবিধা দেয়। তারা সেখানে চলে যান। সেটাই হয়ে ওঠে নাদিয়া মুরাদের নতুন ঠিকানা।
মানব পাচার ও যুদ্ধ ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তিনি বক্তব্য রাখেন ২০১৫ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। মানব পাচারের বিষয়ে এ যাবত এটাই প্রথমবার নিরাপত্তা পরিষদকে ব্রিফ করা হয়। এ ইস্যুতে তিনি একজন এম্বাসেডরের ভূমিকা পালন করছেন। তিনি মানব পাচার ও শরণার্থী বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় উদ্যোগগুলোর সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি এরই মধ্যে বিভিন্ন শরণার্থী ও বেঁচে থাকা মানুষদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাদের নির্যাতিত হওয়া, গণহত্যার কাহিনী শুনেছেন নিজ কানে।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক বিভাগে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি আমাল ক্লুনি। তিনি সেখানে বলেন, আইসিস কমান্ডারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তিনি একজন মক্কেল হিসেবে নাদিয়া মুরাদকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেছেন ২০১৬ সালের জুনে।
ওদিকে কাজ করতে গিয়ে মারাত্মক হুমকির মুখোমুখি হয়েছেন নাদিয়া মুরাদ। তারপরও নিউ ইয়র্ক সিটিতে নিজের প্রতিষ্ঠান নাদিয়াস ইনিশিয়েটিভ উদ্বোধন করেন তিনি। এতে যোগ দিয়েছিলেন টিনা ব্রাউন। গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের আইনগত ও অন্যান্য সহায়তা দেয়ার কথা বলা হয়েছে এখান থেকে। ওই বছরেই তাকে প্রথমবারের জন্য জাতিসংঘের অধীনে ডিগনিটি অব সারভাইভারস অব হিউম্যান ট্রাফিকিংয়ের শুভেচ্ছা দূত বানানো হয়।
ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ ফ্রাঁসিস ও আর্চবিশপ গ্যালাঘারের সঙ্গে ২০১৭ সালের ৩রা মে সাক্ষাৎ করেন নাদিয়া মুরাদ। ওই সাক্ষাতের সময় তিনি আইসিসের হাতে আটক ইয়াজিদিদের জন্য সহায়তা প্রার্থনা করেন। নাদিয়া মুরাদ তার জীবনে ঘটে যাওয়া কাহিনী নিয়ে লিখেছেন স্মৃতিকথা। এর নাম ‘দ্য লাস্ট গার্ল: মাই স্টোরি অব ক্যাপটিভিটি, অ্যান্ড মাই ফাইট এগেইনস্ট দ্য ইসলামিক স্টেট’। এটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের ৭ই নভেম্বর। প্রকাশক ক্রাউন পাবলিশিং গ্রুপ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কয়েক জনের অবরোধে ভোগান্তিতে লাখো মানুষ

যানবাহনও চলেনি সড়কে। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের যানবাহনকে ডাইভারসন করতে দেখা গেলেও যুবকদের সরাতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। দশটার দিকে অবস্থানকারীরা সরে গেলে যানবাহন চলাচল শুরু করে। বেলা একটার পর আন্দোলনকারীদের ২০ থেকে ২৫ জন ফের সড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। কিছুক্ষণ পর তাদের সঙ্গে যোগ দেন আরো ২০ থেকে ২৫ জন।
এরপর থেকে শাহবাগ মোড় হয়ে আর যানবাহন চলেনি রাত পর্যন্ত। এতে পুরো এলাকায় যানজট দেখা দেয়। ব্যস্ততম এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী লাখ লাখ মানুষকে পড়তে হয় দুর্ভোগে। গতকালের অবরোধে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদও যোগ দেয়। সকাল থেকে সড়ক অবরোধ থাকায় সায়েন্সল্যাব, বাটা সিগন্যাল থেকে আসা যানবাহনগুলো সবই বন্ধ ছিল। তবে মাঝে ১০টা থেকে কিছু সময় যানচলাচল শুরু হলেও দুপুরের দিকে আবারো আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও রাস্তা না ছাড়ায় ওই সড়কটির কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। অন্যদিকে কাওরান বাজার থেকে গুলিস্তান যাওয়ার সড়কও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে ডাইভারসন করে দেয় পুলিশ। ফলে এদিক থেকে যাওয়া যানবাহনগুলোর দীর্ঘ জটলা সৃষ্টি হয়। শাহবাগের এ রাস্তাটিতে যানবাহন চলাচল করতে না পারায় শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিশেষ করে সড়কটিতে তিনটি হাসপাতাল থাকায় এখানে দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে এসে বিপাকে পড়েন অনেকে। আবার কাউকে ফার্মগেট পর্যন্ত এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পায়ের ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা জাহানারা বেগম জানান, গাজীপুর থেকে ডাক্তার দেখাতে আসছি। কিন্তু এখন বাসায় যাইতে পারতেসি না। ওইদিক থেকে সব গাড়ি বন্ধ।
ঢাকায়ও থাকার মতো জায়গা নেই। সুব্রত নামের একজন কচুক্ষেত থেকে এসেছেন। তিনি হাঁপানিসহ বেশ কিছু রোগে ভুগছেন। সুব্রত বলেন, সকাল বেলায় অনেক কষ্ট করে আসছি। এদিকে রাস্তা বন্ধ থাকায় তেজগাঁও পর্যন্ত যানজট লেগে যায়। সেখান থেকে কয়েকবার রাস্তা বদল করে হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসছি। এখন বাসায় ফিরবো, কিন্তু কোনো যানবাহন নেই। এই শরীর নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েও থাকতে পারছি না। অপারেশন শেষে খিলগাঁওয়ে বাসায় স্ত্রীকে নিয়ে ফিরবেন নাজিম উদ্দিন নামের একজন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটা কেমন কথা! যখন তখন এ দেশে আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। মানুষ মরলেও কারও কোনো খবর থাকবে না। আমরা সাধারণ মানুষ কোথায় যাবো? ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসা নিতে এসে বিপাকে পড়েন শামসুজ্জামান নামের আরেক ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমি হার্টের রোগী। বাসা যাত্রাবাড়ীতে। শরীরের কি অবস্থা যাচ্ছে আমি বুঝছি। কিন্তু কোনো সিএনজি বা বাস পাচ্ছি না এক ঘণ্টা ধরে। এ অবস্থায় কি করবো বুঝতে পারছি না। আমার স্ত্রী সঙ্গে এসেছে। সে অনেক চেষ্টা করছে কিন্তু কোনো কিছু ম্যানেজ করতে পারছে না। শুধু হাসপাতালের রোগী নন, ব্যস্ততম সড়ক হয়ে যাওয়া আসা করেন ঢাকার কর্মজীবী মানুষের একটি বড় অংশ। ঢাকার উত্তর দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিমের সবচেয়ে বড় সংযোগস্থল শাহবাগ মোড় অবরুদ্ধ থাকায় কর্মজীবী মানুষদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
আশপাশের সড়কে যানজট তৈরি হওয়ায় তা ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে অনেক রাস্তায়।
এদিকে শনিবার লাগাতার অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও গতকাল আন্দোলনকারীরা কর্মসূচির পরিবর্তন করেছেন। তারা জানিয়েছেন, আজ থেকে বিকাল তিনটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন জানান, আমাদের ছয় দফা দাবি। দাবিগুলো হলো- ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের কটূক্তির বিচার, মুক্তিযোদ্ধা পারিবারিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাড়িতে হামলার বিচার, প্রশাসনে রাজাকার ও রাজাকারদের সন্তানদের তালিকা করে বরখাস্ত করা, মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান। তিনি জানান, যত দিন পর্যন্ত আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করা না হবে, তত দিন পর্যন্ত শাহবাগে প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লাগাতার কর্মসূচি ও সারা বাংলাদেশে একই কর্মসূচি পালিত হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আইনি প্রতিকার না পেয়ে সিনহার বিরুদ্ধে মামলা করেছি’ -নাজমুল হুদা

মানবজমিনের সঙ্গে একান্তে আলাপকালে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এস কে সিনহা’র বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাসহ চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জোট রাজনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে কথা বলেন।
সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা’র বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে তার মাধ্যমে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তার আক্রোশের শিকার হয়েছি। এক/এগারোর সময় দায়ের করা মামলাগুলো হাইকোর্টে শুনানির পর আমি অব্যাহতি পাই। কিন্তু এস কে সিনহা আপিল বিভাগে আসার পর সেই মামলাগুলো সচল করেন।
সংবিধান অনুযায়ী লিভ (লিভ টু আপিল) গ্রহণ হলে শুনানি হবে।
কিন্তু তিনি এ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন। তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। যে প্রধান বিচারপতি সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে কাজ করবেন তিনি কীভাবে সংবিধানের লঙ্ঘন করেন? এর প্রতিকার চেয়ে আমি হাইকোর্টে রিট করেছিলাম। গত আগস্টে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সেই রিট খারিজ করে দিয়ে বলেন যে, বিষয়টির একমাত্র এখতিয়ার আপিল বিভাগের। যে কারণে আমি কোনো প্রতিকার পেলাম না। আর প্রতিকার না পেয়েই আমি এস কে সিনহা’র বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি। তিনি বলেন, আমার প্রতি তার আক্রোশের আরো কারণ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের প্রতি আমার বিশেষ আস্থা ছিল। এটি তিনি পছন্দ করেন নি। তার আক্রোশটা এক সময় ঘুষ চাওয়ায় রূপ পায়।
কারও পরামর্শে মামলা করেননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পরামর্শে বা সরকারের আরো কাছাকাছি যাওয়ার জন্য আমি সিনহা’র বিরুদ্ধে এ মামলা করিনি। সরকারের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আগে থেকেই আছে। সিনহা’র বিরুদ্ধে মামলা করে নতুন করে সুসম্পর্কের কিছু নেই।
মামলা করার পর আমার প্রতি হুমকিও আসছে। একটি পক্ষ আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছে।
সরকারি দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বৃহত্তর নির্বাচনী জোট গঠনের সম্ভাবনা একই সঙ্গে জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার নির্বাচনী তৎপরতায় রাজনীতি চাঙ্গা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন এবং সেই নির্বাচনের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখছেন তিনি।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের অবস্থান সম্পর্কে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, আমরা বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে কাজ করছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যে ধরনের জোটই হোক না কেন সেই জোটেই বিএনএ থাকবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বৃহত্তর জোটের মিত্র শক্তি হিসেবে থাকতে চাই আমরা। সরকারের প্রতিপক্ষ হয়ে থাকার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। কারণ আমি মনে করি আমি দেশের জন্য যে কাজটা করতে চাই সেটি আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ হয়ে করা সম্ভব নয়। সর্বোপরি আমার দল বা জোটের স্লোগান হচ্ছে- ‘সুস্থ রাজনীতির মাধ্যমে দেশে সুশাসন নিশ্চিত করা’। সুস্থ রাজনীতি বলতে এটিই বলতে চাচ্ছি যেখানে কোনো মুখোমুখি, সংঘাতময় ও সাংঘর্ষিক রাজনীতি থাকবে না। যেখানে প্রতিহিংসাপরায়ণ কোনো রাজনীতি হবে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকেই নির্বাচন করতে চাই।
তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে আমার নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে ৫৭টি আসন দাবি করেছি। তবে, এত আসন হয়তো পাবো না। কারণ আসন নিয়ে আওয়ামী লীগের ওপরও চাপ রয়েছে। যদি দাবিকৃত আসন না পাই কিছুটা কমিয়ে ২৫টি আসন দাবি করবো আমরা। এর মধ্যে ১০/১৫টি আসনে আমাদের অতি গ্রহণযোগ্য প্রার্থী রয়েছেন যারা নির্বাচনে জিতে আসতে সক্ষম।
নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দলের অংশ নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি শতভাগ নিশ্চিত বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবে। গত নির্বাচনে তারা যে ভুল করেছে আমার মনে হয় না তারা সেই ভুল এবারো করবে। সংসদে একটি আসন থাকলে আন্তর্জাতিকভাবেও কিছুটা ভাবমূর্তি থাকে। তাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস তারা নির্বাচনে আসবে। তিনি বলেন, এখন যে বিষয়গুলো তাদের দাবি বা শর্ত যেমন বেগম খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি, ইসি পুনর্গঠন, সহায়ক সরকার- এগুলো পরবর্তীতে তাদের ইস্যু হয়ে যাবে। এই ইস্যুগুলোর মাধ্যমেই তারা জনগণের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবে। এই ইস্যুগুলোর ওপর নির্ভর করেই তারা নির্বাচনী প্রস্তুতি নেবে এবং তার ভিত্তিতেই তারা নির্বাচনে আসবে।
তিনি বলেন, এটি নিশ্চিত করে বলতে পারি ৫ই জানুয়ারির মতো নির্বাচন হবে না। যদি ধরেও নেই যে, নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি তারপর তো উপযুক্ত আসন পাওয়ার মতো গ্রহণযোগ্যতা বিএনপি’র আছে। সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার মতো অবস্থান তো তাদের থাকছে। আর ঐক্যপ্রক্রিয়ার নেতারা জামায়াতের ব্যাপারে আপত্তি জানাচ্ছেন। কিন্তু রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াত অবৈধ হলেও তাদের ভোট তো থাকছে। সেই ভোট তো বিএনপিরই পাবার কথা।
বিএনপি হয়তো এই সুযোগটি কাজে লাগাবে। নাজমুল হুদা বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র নেতৃত্বে দুটি বড় জোট নির্বাচনে নামলে যত কারচুপিই হোক না কেন এতে করে আমি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ দেখছি। তবে, আমি বিশ্বাস করি আওয়ামী লীগই আবার ক্ষমতায় আসবে। কারণ কিছু বিষয়ে সমালোচনা থাকলেও আওয়ামী লীগের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
নাজমুল হুদা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বার বারই বলে আসছেন যে, জনগণ ভোট দিলে তিনি থাকবেন, না হলে নয়। এর অর্থ হলো তিনি ভোটের ফলাফল মেনে নেবেন। তার একথার প্রেক্ষিতেই বোঝা যায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিষয়ে তার আন্তরিকতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তিনি দায়িত্ব নিয়েই বলছেন। তার কথা বিশ্বাস করবো না কেন? তার কথার ওপর আমাদের আস্থা রাখতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্কে সাংবাদিক খাসোগিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে সৌদি আরব!

তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব। তুরস্কের দু’জন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে শনিবার এ কথা লিখেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। সৌদি আরবের শাসকগোষ্ঠীর তীব্র সমালোচক এই সাংবাদিক। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্টেরও একজন প্রদায়ক। গত বছর সৌদি আরবের শাসকগোষ্ঠী যখন ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে দমনপীড়ন চালোনো শুরু করে তখন তিনি দেশ ছেড়ে যান। তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তুরস্কের এক যুবতীর সঙ্গে। তাকে বিয়ে করার জন্য গত মঙ্গলবার জামাল খাসোগি ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনসুলেটে প্রবেশ করেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে। কিন্তু ওই কনসুলেটের ভিতরে প্রবেশের পর তার আর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। তারপর থেকে কনসুলেটের বাইরে অপেক্ষমাণ তার প্রেমিকা। তিনি বা অন্য কোনো প্রত্যক্ষদর্শী জামাল খাসোগিকে বেরিয়ে আসতে দেখেন নি। তবে সৌদি আরবের ওই কনসুলেট থেকে বলা হচ্ছে, জামাল খাসোগি তার কাজ শেষ করে বেরিয়ে গেছেন। এ নিয়ে সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে টানাপড়েন চলছে। তুরস্ক তদন্ত শুরু করেছে। সেই তদন্তে জড়িতরা মনে করছেন, জামাল খাসোগিকে আগে থেকে পরিকল্পনামতো হত্যা করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।
জামাল খাসোগির রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনা সৌদি আরব এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের স¤পর্কে নতুন করে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। কারণ, কাসোগি তার লেখাতে প্রিন্স সালমানের কঠোর সমালোচনা করেছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের সম্পাদকীয় পেজের এডিটর ফ্রেড হিয়াত বলেন, জামালের হত্যার খবর যদি সত্য হয়, তাহলে বিষয়টি ভয়ঙ্কর এবং রহস্যময়। জামাল একজন প্রতিশ্রুতিশীল এবং সাহসী সাংবাদিক ছিলেন। তিনি দেশের প্রতি ভালবাসা থেকে লিখতেন। পাশাপাশি তিনি মানুষের প্রতি সম্মান এবং বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, খাসোগি তার বাগদত্তাকে বিয়ে করার জন্য কাগজপত্র সংগ্রহ করতে দূতাবাসে গিয়েছিলেন। তবে খাসোগি কনসুলেট থেকে বেরিয়ে গেছেন বলে তাদের দাবি। তবে খাসোগির বাগদত্তা হেটিস টুইট বার্তায় জানান, জামাল মারা যান নি। তাকে খুন করা হয়েছে এমনটাও আমি বিশ্বাস করি না।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাডোলু শনিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাসোগি। এর পর পরই ইস্তাম্বুলের পাবলিক প্রসিকিউটরের অফিস থেকে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। খাসোগি নিখোঁজের ঘটনাকে তারা আটক বলে আখ্যায়িত করে একে ভয়াবহ বলে অভিহিত করেন। তবে এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয় নি। অন্যদিকে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সাউদি প্রেস এজেন্সি রোববার সকালে ইস্তাম্বুল কনসুলেটের একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, ভিত্তিহীন এসব অভিযোগের জন্য কড়াভাবে নিন্দা জানায় কনসুলেট। জামাল খাসোগিকে হত্যা করার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা তুরস্কের কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে এসেছে কিনা তা নিয়েও এতে সংশয় প্রকাশ করা হয়। ঘটনা তদন্তে তুরস্কে একটি টিম পাঠিয়েছে সৌদি আরবও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ বছরে ৯০ হাজার মামলা ২৫ লাখ আসামি

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে বিএনপি নেতাকর্মীর হত্যার সংখ্যা ৭৮২ জন। এছাড়া দশ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীসহ অন্যান্য মিলিয়ে মোট গুমের শিকার হয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় ৭৮১ জনকে।
বিএনপির নেতাকর্মী গুম ছিল ৪২৩ জন। বর্তমানে বিএনপি নেতাকর্মীদের গুমের সংখ্যা ৭২ জন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গুরুতর জখম ও আহত হয়েছে ১০ হাজার ১২৬ জন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, এসব ঘটনা প্রমাণ করে সরকার বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার সম্ভাব্য সব ধরনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা আরো একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন করার জন্য কূটকৌশল হাতে নিয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেয়ার জন্য আমরা বহুবার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু সরকার কোনো কর্ণপাত করছে না। তাদের উদ্দেশ্য একটাই আবারও ভোটারহীন নির্বাচন করা। যার কারণে তারা এখন গায়েবি মামলার পথ বেছে নিয়েছে। আজকে সারা দেশে গায়েবি মামলার ছড়াছড়ি। যে মামলা থেকে মৃত ব্যক্তি পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। এই মামলাগুলো দেশের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করেছে। মির্জা আলমগীর বলেন, গায়েবি মামলাগুলো হাস্যকর ব্যাপার। অদ্ভুত কাণ্ড। সরকারের একবারও বোধোদয় হচ্ছে না যে, এটা করে তারা সবাইকে বিপদে ফেলছেন। এই কাজগুলোর সঙ্গে যারা জড়িত, যারা এই মামলাগুলো করছেন ভবিষ্যতে যদি এটাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয় তাহলে তারা সবাই বিপদে পড়বেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ‘সরকারের এসব ষড়যন্ত্রের’ মোকাবিলা করা হবে বলেও জানান তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেয়া একটি বক্তব্য উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি সারাদিন বলেন সুষ্ঠু ভোট হবে। কি চমৎকার তাদের গণতন্ত্র! তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে সারা দেশে নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলাসহ যত ধরনের কূটকৌশল আছে সরকার তা প্রয়োগ করছে।
বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নামে যেসব মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে তা দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছে। যাতে তাদেরকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা যায়। দলীয় প্রধানকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। এগুলো করে সরকার পুরো নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। সরকারের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, স্পষ্ট করে বলতে চাই- নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। তার বিরুদ্ধে সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। বিএনপি যে ৭ দফা দিয়েছে সেই দাবিগুলো মেনে নিলে তাহলেই কেবল নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে, তার আগে নয়। এক প্রশ্নর জবাবে তিনি বলেন, দেশের সকল মানুষকে সঙ্গে নিয়েই আমরা সরকারের এই সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যা যা করা দরকার সরকার তাই করছে, পৃথিবীর কোথাও এমন নজীর নেই। কিন্তু আমাদের দেশে সরকার বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য এই কর্মকাণ্ডগুলো করছে। স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা এসব গায়েবি মামলাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। এর জন্য যেকোনো একটা মামলাকে দৃষ্টান্ত হিসেবে নিয়ে হাইকোর্টের রিট পিটিশন করার চিন্তা করছি। যে অফিসার বাদী হয়ে এই গায়েবি মামলা দায়ের করেছেন তার বিরুদ্ধে সরকার কেন বিভাগীয় পদক্ষেপ নেবে না। তার বিরুদ্ধে কেন শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে না।
এই আলোকে একটা রিট পিটিশন করার চিন্তা করছি। এসব মামলার মধ্যে হাতিরঝিল মামলাও থাকতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্মঘটে বন্ধ পণ্যপরিবহন, ইলিয়াস কাঞ্চনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাস চাপায় নিহতের ঘটনায় দেশব্যাপী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ওই দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে সারা দেশের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসে। শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভে একাত্মতা প্রকাশ করে তাদের পাশে ছিলেন চলচ্চিত্রের নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত শ্রমিকদের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন তিনি। এর প্রেক্ষিতে ‘পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’র ওই সমাবেশ থেকে চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সাদিকুর রহমান হিরুর সভাপতিত্বে সমাবেশে সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনসহ সাত দফা দাবি মেনে নিতে সরকারকে আগামী ১২ই অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়। অন্যথায় ১৩ই অক্টোবর থেকে সারা দেশে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।
‘পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’র আহ্বায়ক মকবুল আহমদ বলেন, মৃত্যুপরোয়ানা মাথায় নিয়ে শ্রমিকরা রাস্তায় পণ্যবাহী গাড়ি চালাবে না। কোনো শ্রমিক ইচ্ছা করে রাস্তায় মানুষ মারে না। অনেক কারণে সড়ক দুর্ঘটনা হতে পারে। এ জন্য শুধু শ্রমিককে ফাঁসি বা জেল দেয়ার বিধান মানা হবে না।
সমাবেশে সাত দফা দাবি জানানো হয়। সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন করাসহ তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনায় ৩০২ ধারায় মামলা গ্রহণ না করা, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান বাতিল ও জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সদস্য হাসমত আলীসহ মালিক ও শ্রমিক মুক্তি, পুলিশের হয়রানি বন্ধ করা, গাড়ির কাগজপত্র চেকিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ট্রাক টার্মিনাল বা স্ট্যান্ড নির্মাণ করা, গাড়ির মডেল বাতিল করতে হলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া, সহজ শর্তে ভারী যানবাহন চালককে ভারী লাইসেন্স দেয়া ও এর আগ পর্যন্ত হালকা বা মধ্যম লাইসেন্স দিয়ে ভারী যানবাহন চালানোর সুযোগ দেয়া, সারা দেশে গাড়ির ওভারলোডিং বন্ধ করা এবং ফুটপাথ, ওভারব্রিজ, আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার নিশ্চিত করা। এসব দাবি মেনে নেয়া হলে আগামীতে যেকোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করা হবে পরিবহন মালিকরা জানান।
তার আগে শনিবার রাজধানীর তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনালে এক সমাবেশে পণ্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগঠনটি। ওই সমাবেশে ‘পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’র নেতৃবৃন্দ বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাস্তায় পণ্যবাহী গাড়ি চলবে না। আর দাবি মেনে নেয়া হলে আগামীতে যেকোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করা হবে বলে ঘোষণা দেন তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শপথ নিলেন কাভানা

তিনিই বেত কাভানাকে এই পদে নমিনি করেছিলেন। আর তার পরই তার বিরুদ্ধে একের পর এক যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠতে থাকে। কিন্তু তাকে একা ফেলে সরে যান নি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি সমর্থন দিয়ে তার পাশে থেকেছেন। শনিবার যখন ব্রেত কাভানা শপথ নিয়ে বিচারপতি হলেন, তখন নিশ্চয় অনেকটা স্বস্তি পেয়েছেন ট্রাম্প। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন।
সিনেটে যখন ৫০-৪৮ ভোটে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে তাকে নিশ্চিত করা হয় তখন পাবলিক গ্যালারি থেকে প্রতিধ্বনি উঠছিল ‘শেম, শেম, শেম’ বলে। আর তার নিয়োগ নিয়ে জাতি মারাত্মকভাবে বিভক্ত। সিনেট ভোটেই সে দৃশ্য উঠে এসেছে। কারণ, মাত্র দুটি ভোট বেশি পেয়েছেন কাভানা। এই নিয়োগ নানা দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দেশে অনেক বিতর্কিত ইস্যুতে কাজ করতে হবে প্রেসিডেন্টকে। আর এ সময় জাতীয় স্বার্থে কতটুকু দেশকে দিতে পারবেন কাভানা তা দেখার বিষয়। কারণ, সেখানে গর্ভপাত, সমকামীদের অধিকার, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা, সমাজে ধর্মের ভূমিকা কি তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক আছে। এসব বিষয়ে কাভানাকে ভূমিকা রাখতে হবে।
সিনেট ভোটের কয়েক ঘন্টা পরে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস সুপ্রিম কোর্টে ঘরোয়া অনুষ্ঠানে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। বেত কাভানা এখন বিচারপতি অ্যান্থনি কেনেডির স্থলাভিষিক্ত হবেন। তবে কাভানাকে যখন শপথ পড়ানো হচ্ছিল তখন বাইরে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিচ্ছিলেন। তবে তাদেরকে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করে পিছু হটিয়ে দেয়।
তবে কাভানার নিয়োগ ও শপথ সম্পন্ন হলেও নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে যে মধ্যবর্তী নির্বাচন তার প্রচারণার কেন্দ্রে থাকবে কাভানাকে নিয়ে বিতর্ক। রিপাবলিকানরা এটা ধরেই নিয়েছেন, যেসব স্থানে তাদের অবস্থান নড়বড়ে সেখানে এ ঘটনা তাদেরকে আরো নাড়া দেবে। অন্যদিকে ডেমোক্রেটরা মনে করছেন, রিপাবলিকান নারী ভোটাররা এ কারণে নিজেদের দলীয় প্রার্থীর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। ফলে প্রতিনিধি পরিষধে তারা ভাল অবস্থানে চলে আসবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
October
(200)
-
▼
Oct 08
(16)
- বাম হাত বেঁকে গেছে, বাম কাঁধ নাড়াতে পারছেন না খালে...
- আতঙ্কে আওয়া জাতিগোষ্ঠী
- পুনরায় নির্বাচিত হলে প্রত্যেক বিভাগে মেডিকেল বিশ্ব...
- দাবি আদায়ে এবারও সফল হবো -মানববন্ধনে ড. কামাল
- কথিত অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে কি করবে ভারত! by জি সীতা...
- দেশে নিয়ন্ত্রিত বিচারব্যবস্থা চলছে: সুপ্রিম কোর্ট ...
- শেষ বেলায় ‘সংরক্ষিত কোটায়’ প্লট বরাদ্দের হিড়িক by ...
- আমেরিকার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরান বি...
- আসাদের প্রতি সমর্থন ঘোষণায় ইসরায়েলি দ্রুজদের আনুষ্...
- যৌনদাসী থেকে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাদিয়া
- কয়েক জনের অবরোধে ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
- ‘আইনি প্রতিকার না পেয়ে সিনহার বিরুদ্ধে মামলা করেছি...
- তুরস্কে সাংবাদিক খাসোগিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা...
- ১০ বছরে ৯০ হাজার মামলা ২৫ লাখ আসামি
- ধর্মঘটে বন্ধ পণ্যপরিবহন, ইলিয়াস কাঞ্চনকে অবাঞ্ছিত ...
- শপথ নিলেন কাভানা
-
▼
Oct 08
(16)
-
▼
October
(200)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...