Showing posts with label অমৃতবাজার পত্রিকা. Show all posts
Showing posts with label অমৃতবাজার পত্রিকা. Show all posts

Monday, August 17, 2020

যে ৫ সিনেমায় সত্যি সত্যি শারীরিক সম্পর্ক করেন নায়ক-নায়িকারা!

অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি এমন অনেক ছবি আছে যেখানে ক্যামেরার সামনে সত্যিকারের দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে হয়েছে তাদের।
জেনে নেওয়া যাক তেমননি পাঁচটি ছবির নাম-
১. লাভ (Love):
২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই ফরাসি ছবিটি। যেখানে একাধিকবার অন্তরঙ্গ দৃশ্য দেখানো হয়েছে। তার উপর ছবিটি ছিল থ্রি ডি। ফলে বড়পর্দায় রীতিমতো জীবন্ত হয়ে উঠেছিল সেসব দৃশ্য। যা উপভোগ করেছিলেন সিনেমাপ্রেমীরা।
২. সংস (Songs):
২০০৪ সালের এই ব্রিটিশ রোম্যান্টিক ছবিতে নায়ক-নায়িকার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের সেই দৃশ্য ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। ছবির নায়ক-নায়িকা বাস্তবেই ক্যামেরার সামনেই দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন।
৩. নিমফোম্যানিয়াক (Nymphomaniac):
এই ছবিতে আবার নগ্নতা ও যৌনতাকে তুলে ধরেছিলেন নায়িকার ডামি। নায়িকা নিজে মিলনের দৃশ্যে ছিলেন না। তাই সে সব দৃশ্যে তার শরীরকেই পর্দায় দেখানো হয়েছিল। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবির এক-একটি দৃশ্য শরীরের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিয়েছিল সিনেমাপ্রেমীদের।
৪. ইন্টিমেসি (Intimacy):
দুই অচেনা মানুষ যারা জড়িয়ে পড়েছিলেন শারীরিক সম্পর্কে। এই হল ছবির গল্প। আর শুধু ক্যামেরার সামনেই নয়, ছবির স্বার্থে অফ ক্যামেরাও একাধিকবার যৌনতায় লিপ্ত হন নায়ক-নায়িকা। ক্যামেরার সামনে নিজেদের অভিব্যক্তিকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতেই নাকি এই প্রয়াস।
৫. অ্যান্টিক্রাইস্ট (Antichrist):
ভুতুড়ে এই ছবিতে যেমন ভয়ে গায়ে কাঁটা দেবে, ঠিক তেমনই এর যৌন দৃশ্য বাড়িয়ে তুলবে শরীরের উষ্ণতা। বিনোদনে ভরপুর এই ছবি ২০০৯ সালে বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করেছিল।

Sunday, January 19, 2020

তিতা স্বাদের করল্লা হাজার গুণে ভরপুর

করল্লা দেখতে সুন্দর কিন্তু স্বাদে তিতা, তবে অনেক উপকারী। হাজার বছর ধরে এটি ওষুধ হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। করল্লা শিশুদের একদমই পছন্দ নয়। তরকারি হিসেবে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। সব সময়েই পাওয়া যায় তবে গ্রীষ্মকালে চাহিদা বেশি। করল্লা ডায়াবেটিস, লিভার, কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং কৃমি রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
করল্লার পরিচিতি বিশ্বব্যাপী। ইংরেজিতে একে Balsam pear, alligator pear, bitter gourd, bitter melon, bitter cucumber ইত্যাদি বলা হয়। বৈজ্ঞানিক নাম Momordica charantia যা Cucurbitaceae পরিবারভুক্ত। এক প্রকার লতা জাতীয় উদ্ভিদ। এছাড়া ওকিনাওয়ার আদি ভাষা থেকে উদ্ভূত `গয়া` এবং সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত `কারাভেলা` নাম দুটিও ইংরেজি ভাষায় প্রচলিত। করল্লার আদি নিবাস ভারতীয় উপমহাদেশ। যা ১৪শ’ শতাব্দিতে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। করল্লা আমাদের দেশে উচ্ছে ও উসতা নামেও পরিচিত।
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস : জগৎ: Plantae, শ্রেণীবিহীন: Angiosperms, বর্গ: Cucurbitales, পরিবার: Cucurbitaceae, গণ: Momordica, প্রজাতি: M. charantia.
বর্ণনা : করল্লা তেতো স্বাদযুক্ত এবং এর শরীর কাঁটার মত ওয়ার্টে ভরা। পরিণত অবস্থায় লম্বাটে, রঙ কাঁচা অবস্থায় সবুজ, পাকলে কমলা বা লাল, দৈর্ঘ্য ১২-২৫ সেন্টিমিটার (৫-১০ ইঞ্চি), প্রস্থ ৫-৭ সেমি হয়ে থাকে। করল্লা কেটে লবণ পানিতে ডুবিয়ে রাখলে তিক্ততা কমে। দক্ষিণ এশীয় এই সবজি এখন সারা পৃথিবীতে বিশেষ করে ক্রান্তীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
করলা গাছ কিউকার্বিটেসি অর্থাৎ শশা পরিবারের সদস্য। এটি একবর্ষজীবী লতা জাতীয় উদ্ভিদ। একই গাছে পুরুষ ও স্ত্রী ফুল হয়। করলার বীজ এঁটেল মাটিতে ২.৫-৫ সেমি গভীরে এবং ৯০-১২০ সেমি দূরত্বে লাগাতে হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম করল্লায় পুষ্টি পরিমাণ : কার্বোহাইড্রেট ৩.৭০ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, ফ্যাট ০.১৭ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ২.৮০ গ্রাম, নায়াসিন ০.৪০০ মিলিগ্রাম, প্যান্টোথেনিক এসিড ০.২১২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-এ ৪৭১ আই ইউ, ভিটামিন সি- ৮৪ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম- ৫ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম- ২৯৬ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম- ১৯ মিলিগ্রাম, কপার- ০.০৩৪ মিলিগ্রাম, আয়রন- ০.৪৩ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম- ১৭ মিলিগ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ- ০.০৮৯ মিলিগ্রাম, জিংক- ০.৮০ মিলিগ্রাম।
উপকারিতা : ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য করল্লা অধিক কার্যকরী। এর মধ্যে রয়েছে চ্যারান্টিন, ইনসুলিনের মত পেপটাইড এবং এলকালয়েড। এগুলো রক্তের সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিসে উপকার করে। বাতের ব্যাথায় নিয়মিত করলা রস খেলে ব্যাথা আরোগ্য হয়। আর্য়ুবেদের মতে করলা কৃমিনাশক, কফনাশক ও পিত্তনাশক।
করল্লার জীবানু নাশক ক্ষমতাও রয়েছে। ক্ষতস্থানের উপরে পাতার রসের প্রলেপ দিলে এবং করল্লা গাছ সেদ্ধ করা পানি দিয়ে ক্ষত স্থান ধুলে কয়েকদিনের মধ্যেই ক্ষত শুকিয়ে যায়। অ্যালার্জি হলে এর রস দু’ চা চামচ দুবেলা খেলে সেরে যাবে।
করল্লা ল্যাক্সেটিভ পায়খানাকে নরম রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জীবাণুনাশী-বিশেষ করে ই-কোলাই নামক জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর। ফলে ডায়রিয়াও প্রতিরোধ হয়। এছাড়া করল্লা নানা রকম চর্মরোগ প্রতিরোধ করতেও অত্যন্ত কার্যকর।
করল্লার জুস লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, রক্ত পরিশোধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
করল্লায় আছে পালং শাকের চেয়ে দ্বিগুণ ক্যালসিয়াম আর কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম। আছে যথেষ্ট লৌহ, প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং আঁশ। ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি এন্টি অক্সিডেন্ট। যা বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখে, শরীরের কোষগুলোকে রক্ষা করে। আরও আছে লুটিন আর লাইকোপিন। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
এছাড়াও রক্তের চর্বি তথা ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় করল্লা এবং ভাল কোলেস্টেরল এইচডিএল বাড়ায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

Wednesday, November 13, 2019

হার্টের রোগীদের জন্য সুখবর!

ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা হৃদরোগীদের জন্য এক বিশেষ ধরনের ‘পট্টি’ তৈরি করেছেন। পট্টির মাধ্যমে ছেঁড়া কাপড় যেমন জোড়া লাগানো যায়, ঠিক তেমনি হার্ট অ্যাটাকের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হৃদপিন্ডের পেশিগুলোকে সারিয়ে তুলতে এ ‘পট্টি’ তৈরি করা হয়।
লক্ষ লক্ষ জীবন্ত দেহকোষ দিয়ে তৈরি বিশেষ ধরণের ‘পট্টি’ নিয়ে বিজ্ঞানীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তারা এটির নাম দিয়েছেন হার্ট প্যাচে। এই প্যাচটি প্রায় তিন সেন্টিমিটার বা এক ইঞ্চি দীর্ঘ। এটি রোগীর নিজ দেহের কোষ থেকেই ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হবে।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের বিশেষজ্ঞরা ম্যানচেস্টারে এক সম্মেলনে তাদের এই গবেষণার ফল তুলে ধরেন।
বিজ্ঞানীরা বলছেন এটিকে একটি তালি বা পট্টির মতো করে ক্ষতিগ্রস্ত হৃদপিন্ডের ওপর সেলাই করে দেওয়া হবে এবং তা ধীরে ধীরে সুস্থ পেশিতে পরিণত হয়ে হৃদপিন্ডের সাথে মিশে যাবে।
তারা বলছেন তারা খরগোশের দেহে এ পদ্ধতি পরীক্ষা করে দেখেছেন যে এটি নিরাপদ। দু বছরের মধ্যেই মানবদেহের ওপর এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হবে।
শরীরের কোন একটি ধমনী যখন সরু হয়ে যায় - তখন হৃদপিন্ডের পেশিতে রক্তের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পেশিগুলোতে অক্সিজেন আর পুষ্টিকর উপাদানের অভাব ঘটে। তাই হৃদপিন্ডের রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে দেখা দেয় হৃদরোগ।
তথ্যসূত্র: বিবিসি

Friday, July 5, 2019

জীবনে প্রথমবার জুতা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা উগান্ডার নারী

জীবনে প্রথম বারের মত এক জোড়া জুতা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন উগান্ডার এক নারী। জুতা পাওয়ার পর তিনি আনন্দে নাচতে শুরু করেন। খবর ডেইলি মেইলের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লরা গ্রিয়ার নামে এক নারী এক মহিলার পাশ দিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। এমন সময় দেখেন এক মহিলা খালি পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন। এ সময় তিনি ওই মহিলার পাশে গাড়ি থামান এবং তাকে সাহায্য করতে চান।
লরা বলেন, আমি খালি পায়ে ওই মহিলাকে দেখে আমার ড্রাইভারকে তার কাছে গাড়ি থামাতে বলি এবং এক জোড়া জুতা উপহার তাকে দেই। তিনি জানান, ওই নারীর এর আগে কখনো জুতা ছিল না।
লরা সংবাদ মাধ্যম নিউজফ্লেয়ার’কে বলেন, ওই নারী জুতা উপহার পাওয়া পর আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। জুতা পরে তিনি আনন্দে নাচতে শুরু করেন।
এমন আনন্দের দৃশ্য দেখে আমার চোখে পানি আসে বলে জানান লরা।