Monday, July 6, 2015
‘একদলীয় রাজনীতি’ প্রতিষ্ঠা চেয়েছে আওয়ামী লীগ by মিজানুর রহমান খান
![]() |
| উইকিলিকস |
উইকিলিকস ওয়েবসাইটে প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এ পর্যন্ত পাওয়া বাংলাদেশে রাজনীতি-সংক্রান্ত কিছু গোপন নথি পর্যালোচনায় বিরোধী বিএনপি ও জামায়াতের প্রতি তাদের প্রচ্ছন্ন সহানুভূতির বিষয়টি লক্ষ করা গেছে। যদিও সৌদি আরবের সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধে জামায়াত ও রাজনৈতিক সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুরোধে সাড়া দেয়নি। একাধিক নথিতে এই ইঙ্গিতও স্পষ্ট যে, সৌদি প্রশাসনের ভেতরের অন্তত কোনো কোনো মহল মনে করে, যুদ্ধাপরাধের বিচারে ক্ষমতাসীন দলের ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ ছিল।
২০০৮ থেকে ২০১৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত আল-বুসাইরি ছিলেন ঢাকায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এমন কিছু বাংলাদেশি রাজনীতিক জানিয়েছেন যে, তিনি চমৎকার ইংরেজি বলতেন এবং খুবই মিশুক ছিলেন। বিএনপির একজন স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির প্রতি তাঁর সমালোচনাপূর্ণ মনোভাব তিনি খুব গোপন রাখতেন না।
১৯ জমাদিউস সানি ১৪৩৩ (১০ মে ২০১২) সৌদি রাষ্ট্রদূত আল-বুসাইরি উল্লিখিত বার্তায় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানান, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মনোযোগ বেড়েছে। তদুপরি দেশটির অর্থনৈতিক উন্নতিও অব্যাহত রয়েছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান সৃষ্টি হবে, তবে তা নির্ভর করছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার অব্যাহতভাবে আমেরিকা ও ভারতের সমর্থন পেয়ে যাচ্ছে, যা তাকে (বর্তমান সরকার) বিরোধীদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের মাধ্যমে চাপে রাখার সুযোগ এনে দিয়েছে। আর সরকার একদলীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
সৌদি রাষ্ট্রদূতের এই মনোভাব সম্পর্কে মন্তব্য চাওয়া হলে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস)-এর সাবেক জ্যেষ্ঠ গবেষণা পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘জঙ্গিবাদ প্রশ্নে ভারত-মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গি এক হলেও যুদ্ধাপরাধের বিচার ও নির্বাচন প্রশ্নে ভারতের থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে ভিন্নতা ছিল। সুতরাং এখানে সরলীকরণ করা হলে তাতে সৌদি আরবের পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন পাওয়া যেতে পারে। যদিও জামায়াতের প্রস্তাব নাকচ করার মধ্যে তাদের প্রজ্ঞার পরিচয় মিলেছে।’
যুদ্ধাপরাধের বিচারকেও চাপে রাখার কৌশল হিসেবে সৌদি দূতাবাসের মূল্যায়ন হয়ে থাকতে পারে। কারণ, ২০১২ সালের ১০ মে প্রেরিত ওই তারবার্তার মাত্র তিন মাস আগেই অপর একটি গোপনীয় তারবার্তায় (নং ২১৮/৭/৩/৩২৫ তাং ২০/৩/১৪৩৩) সৌদি দূতাবাস তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল সউদকে (এখন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় বাদশাহর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা) জানিয়েছিল: ‘যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশ সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে “প্রতিশোধ গ্রহণ” করা।’ এই বার্তাটির পুরো অংশ পাওয়া যায়নি।
ড. ইফতেখারুজ্জমান ও সুজনের ড. বদিউল আলম মজুমদার ক্ষমতাসীন দলের তরফে একদলীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সৌদি মনোভাবের প্রতি সায় দিয়েও উভয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচারকে ‘প্রতিশোধ গ্রহণ’ হিসেবে দেখার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘বিরোধী দলকে চাপে রাখার সঙ্গে যুদ্ধাপরাধের বিচারকে এক করে দেখার বিষয়ে সৌদি দূতাবাসের পেশাদার কূটনীতির প্রজ্ঞা নয়, তাদের মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে।’ ড. বদিউল আলম মজুমদারের কথায়, ‘এই প্রশ্নে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দ্বিমত করব। কারণ অপরাধের বিচার হতেই হবে, আর অভিযুক্তরা যথারীতি বিচারের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।’ তবে তিনি গত দুই দিনে প্রথম আলোয় প্রকাশিত সৌদি নথির আলোকে বলেন, বাংলাদেশ রাজনীতি বিষয়ে নেওয়া সৌদিদের সঠিক ধরনের দৃস্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন ঘটেছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সৌদি নথি সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তবে ‘একদলীয় রাজনীতি’ বিষয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল পলাশে আমাদের এক ইফতার পার্টিতে আওয়ামী লীগের শ দুয়েক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ইফতার মাহফিলের মঞ্চ তছনছ ও এক হাজার লোকের ইফতার লুট করেছে, এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। প্রায় প্রতিদিনই দেশের এখানে-সেখানে এমনটা ঘটছে, যা নিশ্চিত করে যে, বাংলাদেশে এখন বহুদলীয় গণতন্ত্র মৃত।’
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী পাসের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাবদলের পথ রুদ্ধ করা হয়, যা কার্যত একদলীয় ব্যবস্থার পথ প্রশস্ত করেছে।
সৌদি বার্তার এই মূল্যায়নের বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সৌদি নথির বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে, যেকোনো বিষয়ে বিভিন্ন দেশের যেকোনো রকমের দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে পারে। কেউ গ্লাসের অর্ধেক খালি, আবার কেউ অর্ধেক পূর্ণ দেখতে পারেন। একদলীয় রাজনীতির ধারণার সাথে বাস্তবতার মিল নেই।’
ড. বুসাইরি তাঁর এক পৃষ্ঠায় সমাপ্ত ওই বার্তায় লেখেন, ‘যদিও এই সময়ে বর্তমান সরকার বিভিন্ন নানামুখী অস্থিরতা ও বিক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছে। ইতিমধ্যে বিরোধী বিএনপির নেতাকে গুম করা হয়েছে।’
ধারণা করা যায়, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন। ২০১২ সালের ১০ মে প্রেরিত বার্তাটির নিচে নীল কালিতে ড. আল-বুসাইরির সই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
একাধিক বার্তায় দেখা যায়, সৌদি আরব বাংলাদেশে মার্কিন মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সফরের ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখছে। ওই বার্তাটির সঙ্গে বুসাইরি ২০১২ সালের শুরুতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তা, যাঁরা বাংলাদেশ সফর করেছিলেন তাঁদের নামের তালিকা রিয়াদে প্রেরণ করেন।
আরেকটি পৃথক নথি পাওয়া গেছে যার শিরোনাম, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিবেদন’। ২০১২ সালের নভেম্বরে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল সউদ তাঁর প্যাডে লেখা এক চিঠিতে ঢাকা থেকে ওই শিরোনামে পাঠানো দূতাবাসের তারবার্তা বাদশাহ আবদুল্লাহর কাছে প্রেরণ করেন এবং একই সঙ্গে তার অনুলিপি দেশটির গোয়েন্দাপ্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও দেন। অথচ এতে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ঘটনার বিশ্লেষণ ছিল না।
২০১২ সালের নভেম্বরে ঢাকার দূতাবাসের বরাতে বাদশাহ আবদুল্লাহর কাছে প্রেরিত ওই বার্তায় বলা হয়, ‘সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও বিরোধী জাতীয়তাবাদী দলের কর্মীদের মাঝে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে, যাতে অনেকে আহত ও নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি দেশের নানা প্রান্তে নিরাপত্তা বাহিনী ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে, যাতে দুই পক্ষেই হতাহত হয়েছে এবং জামায়াতের দলটির অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের বিক্ষোভ এবং সহিংসতার তীব্র নিন্দা করেছেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও পরিষ্কার করে বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর সহিংসতার উদ্দেশ্য হচ্ছে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও দেশের নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটানো। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হস্তে এগুলো দমন করবে। পার্লামেন্টে সরকারদলীয় সদস্যরাও এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা করেছেন এবং যুদ্ধাপরাধের বিরোধিতাকারীদের শরিয়া আইনে বিচার করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে তাঁরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।’
এরপর ওই বার্তায় বলা হয়, ‘পার্লামেন্ট সদস্যগণ (বিচার বন্ধ করার) ওই হুমকিকে দেশের সংবিধানবিরোধী বলে মনে করেন। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংলাপের যে পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁরা তাও প্রত্যাখ্যান করেছেন। সহিংসতার ধারাবাহিকতায় জামায়াতের সমর্থকেরা আইনমন্ত্রীর গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে এবং পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ও মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।’
‘অপরদিকে বিরোধীদলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উত্তরাঞ্চলে রেলের টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিরোধী দল আহূত সমাবেশ করতে না দেওয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর বাড়াবাড়ি সমালোচনা করেছেন। তাঁরা ঢাকায় এবং কয়েকটি প্রধান শহরে বিক্ষোভ করেছেন। বিরোধী রাজনীতিবিদদের ওপর সরকারি দমন নীতি, দুর্নীতির ব্যাপকতার প্রতিবাদ এবং সাধারণ নির্বাচন পরিচালনায় নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে তাঁরা আন্দোলনে আছেন। এই রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রবিষয়ক সহকারী সচিব বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।’ এই বার্তাটির পরের অংশ পাওয়া যায়নি।
তারিখ উদ্ধার করতে না পারা আরেকটি তারবার্তায় যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে সৌদি আরবের ঢাকার দূতাবাসের মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। ধারণা করা যায়, ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে এটি লেখা হতে পারে।
সৌদি দূতাবাস রিয়াদে তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এক দাপ্তরিক নোটে জানায়, ‘বর্তমান সরকার তার সকল কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে জাতিসংঘ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থন লাভে সক্ষম হয়, তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সব সময় এ বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে আসছিল যে, বিচারটি হতে হবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এবং স্বচ্ছ।’
এরপর ওই বার্তায় বলা হয় ‘এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, যুদ্ধাপরাধের দায়ে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই হলেন বিরোধীদলীয় এবং বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপির সদস্য এবং তাদের কেউ এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন দল এবং শরিক জাতীয় পার্টির সদস্য নন। যাতে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, এই বিচারের মূল উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক এবং এই বিচারের বিষয়ে বিরোধী দল প্রবল প্রতিবাদ জানাচ্ছে। অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত অবনতি আর সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের মনে ক্ষোভ আছে।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১০ সালে প্রথম অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। ২০১২ সালের নভেম্বরের মধ্যে জামায়াতের নয়জন ও বিএনপির দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। ওই বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদ আল ফয়সাল মরহুম বাদশাহ আবদুল্লাহকে আরও জানিয়েছিলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকারের সমর্থকদের মধ্যে এ বিষয়ে সংঘর্ষ সরকারকে এ বিচার-প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে দ্বিধান্বিত করতে পারে বলে দূতাবাস মনে করে। কারণ সরকার ভয় করে, এর পরিণতিতে দেশে নৈরাজ্য এবং নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। এটা প্রতীয়মান হয় যে, এই বিচারের সর্বশেষ শাস্তি হবে অভিযুক্তদের ফাঁসির মাধ্যমে শাস্তি প্রদান, যা বাংলাদেশকে এক সীমাহীন অন্ধকার গহ্বরে নিক্ষেপ করবে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিতুমীরের সামনে হঠাৎ ছাত্রলীগের তাণ্ডব
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিসে জয়ের পথে ‘না’ ভোট
পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, গণভোটের ফলাফল ‘হ্যাঁ’ হোক আর ‘না’ হোক, গ্রিসের রাজনৈতিক ইতিহাসের চরম এ সংকটজনক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা কম। এ যেন সিংহের মুখ থেকে নেকড়ের মুখে পড়ার অবস্থা। এদিকে গ্রিসের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে আজ সোমবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ। খবর বিবিসি, এএফপি ও রয়টার্সের। ‘না’ ভোট এগিয়ে থাকায় গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপ্রাসের জয় হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ জয়েও তিনি আসল সংকট কীভাবে মোকাবিলা করবেন, সে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। গতকাল রাতে খুদে বার্তা লেখার ওয়েবসাইট টুইটারে দেওয়া বার্তায় গ্রিসের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পানোস কামেনোস বলেন, জনগণ প্রমাণ করেছে, তারা কারও ব্ল্যাকমেইলে নতি স্বীকার করেনি। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে।
সকালে শুরু হয়ে গ্রিসের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) ভোট শেষ হয়। ঋণদাতাদের দেওয়া কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের শর্তসংবলিত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব (বেইল আউট) গ্রহণ করা হবে কি না, গণভোটে বিবেচ্য ছিল সেটিই। ‘না’-এর উত্তর সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান। তবে সেই প্রত্যাখ্যানের ফল হয়তো ইউরোজোন (অর্থাৎ যেসব দেশে ইউরো প্রচলিত) থেকেই গ্রিসের বিদায়। এর ফলাফল এখন একেবারেই অজানা।
তবে ভোটের ফলাফল ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ হলে এর প্রভাব কী হবে—গ্রিসের ক্ষমতাসীন সরকার আর প্রতিপক্ষ ঋণদাতা ইউরোপীয় নেতাদের তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত। তাঁদের মতভিন্নতার বহিঃপ্রকাশ ভোটদাতাদের মধ্যেও।
রাজধানী এথেন্সের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটার সারির একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে ৮০ বছর বয়সী মিশেলিস বলছিলেন, ‘আমি “না”তে ভোট দিয়েছি। কারণ আমি মনে করি, আমার দেশের জন্য সেটাই ভালো।’ তবে গ্রিসবাসী অনেকেরই ভাবনা, ‘না’ ভোট আবার তাঁদের মুদ্রা দ্রাকমাতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ২০০১ সালে ইউরো গ্রহণ করার আগে এটিই ছিল দেশটির মুদ্রা। অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিক থিওডোরা বলছিলেন, ‘আমি হাঁটু গেড়ে প্রার্থনা করেছি “হ্যাঁ” জয়ী হোক। কারণ “না” জয়ী হলে ধ্বংস শুরু হবে।’
‘না’ ভোট দিতে গ্রিসের জনগণের কাছে ভোটের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যান প্রধানমন্ত্রী সিপ্রাস। বলেন, ‘ভালোভাবে আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জনগণের ইচ্ছাকে কেউ উপেক্ষা করতে পারবে না।’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ‘না’ ভোট আলোচনার টেবিলে তাঁর হাতকে শক্তিশালী করবে। তবে এর বিপরীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা বারবারই বলে এসেছেন, গ্রিস যদি ইউরোজোনে থাকতে চায় তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিকল্প নেই।
বিশ্লেষকেরা বলেছেন, গত কয়েক মাসের নিষ্ফলা আলোচনার পর বেইল আউট কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের মত দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রিসের আশপাশের দেশসহ সমস্ত ইউরোপীয় দেশেই বড় প্রভাব ফেলেছে।
জার্মান কাউন্সিল অব ফরেন রিলেশনসের জুলিয়ান রাপল্ড বলেন, ‘বেইল আউট কর্মসূচি নিয়ে ঋণদাতাদের সঙ্গে গ্রিসের ভবিষ্যৎ আলোচনার ওপর এ নির্বাচনের প্রভাব ব্যাপক।’ তিনি বলেন, গ্রিস যদি ইউরোজোন ছেড়ে যায় তবে সংকট নিরসনে ইইউর প্রচেষ্টার এক ব্যর্থতাই হবে সেটি।
আর ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী ইমানুয়েল ম্যাক্রোন বলেছেন, একটা সমঝোতায় পৌঁছার জন্য গ্রিস এবং আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের চেষ্টা চালাতেই হবে।
‘হ্যাঁ’ ভোটের অর্থ
সরকারের পক্ষে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে যাবে। নতুন নির্বাচন আহ্বান করা হতে পারে। অথবা জাতীয় সরকার গঠিত হতে পারে। ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিপুল সমর্থন থাকলে পুরস্কারস্বরূপ ঋণদাতারা আর্থিক সহায়তা আবার চালু করতে পারে। নতুন নির্বাচন হলে সেটির সম্ভাব্য সময় সেপ্টেম্বর মাস। সেই নির্বাচনে সিপ্রাস আবার বিজয়ী হতে পারেন। গ্রিক নাট্যের নতুন চক্রের আবার শুরু হতে পারে।
‘না’ ভোটের মানে
ঋণদাতারা তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বলেই মনে করবে। তারা বলেছে, ‘না’-এর মানে আলোচনার সব পথ শেষ। তাদের কাছ থেকে আরও আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পথও বন্ধ হবে। এ মাসের মধ্যে ইসিবির ৩০০ কোটি ইউরোও ফেরত দিতে হবে। গ্রিসকে ইউরোজোন থেকে বের করে দেওয়া হতে পারে। অনেকের মতে, এর ফলে সামাজিক সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে।
সংকট যেভাবে দানা বাঁধল
যে ঋণসংকট নিয়ে গ্রিসে এখন টালমাটাল অবস্থা, তার শুরু আজ থেকে পাঁচ বছর আগে। এই সময়ের মধ্যে নানা চড়াই-উতরাই প্রত্যক্ষ করেছে দেশটি। ২০০৯ সালের অক্টোবরে সরকার প্রথম স্বীকার করে প্রত্যাশার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে গ্রিস।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আইএমএফের কাছে পরের বছরের এপ্রিলে সাহায্যের আবেদন করে এথেন্স। ওই বছরের মে মাসে ইউরোজোনের প্রথম দেশ হিসেবে গ্রিস ইইউ ও আইএমএফের কাছ থেকে আর্থিক পুনরুদ্ধার (বেইলআউট) প্যাকেজ গ্রহণ করে। তারা এথেন্সকে ১১০ বিলিয়ন ইউরো দেয়। বিনিময়ে এথেন্স বেতন কর্তন ও কর বৃদ্ধির মতো যেসব পদক্ষেপ নেয়, তার চড়া মূল্য দিতে হয় জনগণকে।
২০১১ সালের অক্টোবরে অর্থনৈতিক অবস্থা আরও অবনতি হওয়ায় ১৩০ বিলিয়ন ইউরোর দ্বিতীয় বেইলআউট প্যাকেজ প্রস্তাব ঘোষণা করে ইউরোজোন। যেসব শর্তে ইইউ ও আইএমএফ ঋণ দিয়েছিল, তা পুনর্বিবেচনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে পার্লামেন্ট নির্বাচনে বড় জয় পায় আলেক্সিস সিপ্রাসের নেতৃত্বাধীন ব্যয়-সংকোচনবিরোধী সিরিজা পার্টি। এরপর ফেব্রুয়ারিতে গ্রিস ও ঋণদাতাদের মধ্যে মতৈক্য হয় যে জুন পর্যন্ত ঋণসহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। বিনিময়ে বিভিন্ন সংস্কার পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় এথেন্স।
গত ২ জুন সংস্কার প্রশ্নে গ্রিসকে চূড়ান্ত প্রস্তাব দেয় ঋণদাতারা। প্রধানমন্ত্রী সিপ্রাস তা প্রত্যাখ্যান করেন। ২৭ জুন সিপ্রাস ঋণদাতাদের সর্বশেষ প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন। সূত্র: এএফপি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই ম্যাচে ৬৮ গোল হজম!
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, জুতা মিছিল- সংঘর্ষ, গাফফার চৌধুরীর অনুষ্ঠান পণ্ড by মনির হায়দার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানব পাচারের শিকার হওয়া এক নারীর লোমহর্ষক বর্ণনা by নুরুজ্জামান লাবু
ওই নারীর ভাষ্য, একটি বাসায় তিনি দিন পনেরোর মতো ছিলেন। ওই বাসার গৃহকর্তা ও তার ছেলে দু’জনই তাকে জোর করে ধর্ষণ করেছে। আরেক বাসায় ছিলেন দিন দশেক। সেই বাসার গৃহকর্তা ভালো ছিল। কিন্তু গৃহকর্তার বৃদ্ধ বাপ তাকে যৌন নির্যাতন করতো। বিষয়টি গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীকেও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারা তার কথাকে পাত্তাই দেয়নি। বৃদ্ধকে যৌন নির্যাতনে বাধা দেয়ায় তাকে আবারো পাঠানো হয় দালালদের সেই অফিসে। সেবার নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় আরও বেশি। পিটিয়ে হাত ভেঙে ফেলা হয় তার। এসময় পুরোটাই অফিসেই পড়ে থাকেন তিনি। একদিন ইন্দোনেশীয় এক তরুণীর মোবাইল নিয়ে বাথরুমে গিয়ে ফোন করেন মা খাদিজাকে। বলেন, মা, আমাকে বাঁচাও। আমি এখানে মরে যাচ্ছি। মা সব শুনে দৌড়ে যান সেই দালাল সিরাজের কাছে। সিরাজ তাকে ফিরিয়ে আনছি আনছি বলে সময়ক্ষেপণ করে। পল্টন থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন মা। কিন্তু পুলিশ কেবল সিরাজকে ডেকে এনে শাসিয়ে দেয়। দিন দিন শাহীনুরের অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ার একপর্যায়ে সিরিয়ার দালালরাই তাকে ফেরত পাঠায় দেশে। দেশে ফিরে টানা ১৮ দিন ঢাকা মেডিক্যালের ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টারে ভর্তি ছিলেন তিনি। মা খাদিজা বেগম বলেন, মেয়েকে নিয়ে তিনি পল্টন থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু ওসি অভিযোগ না নিয়ে ধাক্কা মেরে রুম থেকে বের করে দিয়েছেন। এরপর এসি ও ডিসির অফিসে গিয়েও কাজ হয়নি। পরে তারা র্যাবে অভিযোগ করেন।
র্যাব-৩ এর সিও লে. কর্নেল সারোয়ার বলেন, অভিযোগটি প্রথমে দেয়া হয়েছিল র্যাব-১০ এ। সেটি তাদের কাছে আসলে তারা অনুসন্ধান শুরু করেন। পরে রোববার অভিযান চালিয়ে পুরানা পল্টনের ১১ নম্বর ইব্রাহীম ম্যানশনে অভিযান চালিয়ে সিকদার ওভারসীজের মালিক সিরাজ শিকদার, আল-হাসিব ওভারসীজের মালিক জসিমসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেন। শিকদারের কোন লাইসেন্স নেই। সে আল-হাসিবের হয়ে কাজ করতেন। এই চক্রটি অসংখ্য নারীকে গৃহকর্মীর কাজ দিয়ে পাঠানোর নাম করে বিক্রি করে দিয়েছে। যাদের দিয়ে বিদেশে পতিতাবৃত্তি করানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিসের জনগণ সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে: সিপ্রাস
![]() |
| রাজধানী এথেন্সে রোববার একটি কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপ্রাস। ছবি: এএফপি |
গ্রিসে গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গণভোটে ‘না’ জয়ী হয়েছে। চূড়ান্ত ফলে ‘না’ ভোট পড়েছে ৬১ দশমিক ৩ শতাংশ। ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ। মোট ভোট পড়েছে ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ।
গণভোটের ফলাফলে উৎফুল্ল হাজারো জনতা গ্রিসের রাজপথে নেমে বিজয় উদ্যাপন করেন। ইউরোপীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, গণভোটের রায়ের ফলে ইউরোজোন থেকে ছিটকে পড়তে পারে গ্রিস।
গতকাল রাতে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী সিপ্রাস বলেন, জনগণ প্রমাণ করেছে, ভয় দেখিয়ে কারও স্বার্থ হাসিলের চেষ্টার কাছে গণতন্ত্র নতি স্বীকার করেনি।
টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে সিপ্রাস বলেন, ‘গত সপ্তাহে দেওয়া প্রতিকূল শর্তের (ঋণদাতাদের পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব) ব্যাপারে আপনারা খুব সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু আমি সচেতন আছি, আপনারা আমাকে যে কর্তৃত্ব দিয়েছেন, তা বিচ্ছেদের জন্য নয়।’
গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী জানান, গণভোটের পর আজ আলোচনার টেবিলে ফিরবে গ্রিস।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘না’ ভোটের মধ্য দিয়ে গ্রিসের জনগণ ঋণদাতাদের দেওয়া কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের শর্তসংবলিত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
‘না’-এর মানে ঋণদাতাদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পথ বন্ধ হওয়া; এ মাসের মধ্যে ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) ৩০০ কোটি ইউরো ফেরত দেওয়া; গ্রিসকে ইউরোজোন থেকে বের করে দেওয়া।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পারলেন না ব্যাটসম্যানরা by তারেক মাহমুদ
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও জয় দিয়ে সিরিজ শুরু হবে, ফ্যাফ ডু প্লেসি-জেপি ডুমিনিরা মাশরাফি-সাকিবদের সামনে কাঁপতে থাকবেন—এমন আশা বাংলাদেশ শিবিরেও ছিল না। বরং সিরিজ-পূর্ব কথাবার্তায় বারবারই মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে শক্তিমত্তায় প্রোটিয়ারা কতটা এগিয়ে। ডু প্লেসির দল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে কাল সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। এই উইকেটে ১৪৮-ই যে অনেক বড় স্কোর, ৭ বল বাকি থাকতে বাংলাদেশের ৯৬ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ায়ও সেটিরই প্রমাণ।
অথচ শুরুতে কী চমকটাই না দিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা! সেই চমকে চমকিত এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ফিরে যেতে হলো ইনিংসের প্রথম ওভারেই। ম্যাচের আগে বাংলাদেশ কোচ-অধিনায়কের কথা শুনে ডি ভিলিয়ার্স ভেবে থাকতে পারেন, বাংলাদেশ শিবিরে আসলেই তাঁর জন্য কোনো পরিকল্পনা নেই। ব্যাট তাঁর পরাক্রমশালী, অপ্রতিরোধ্য। ডি ভিলিয়ার্সকে আটকানোর সাধ্য কই বাংলাদেশের! ভুলটা ভাঙল মাঠে। টিকলেন মাত্র ৬ বল, তাতে ‘ভয়’ ছড়াতে ব্যর্থ ডি ভিলিয়ার্স।
চমকটা বাংলাদেশ অধিনায়ক দিয়েছেন নতুন বলে আরাফাত সানি আর নাসির হোসেনকে এনে। নাসিরকে অবশ্য পেলেন না ডি ভিলিয়ার্স। সানির করা ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে কাভারে ক্যাচ হয়ে গেলেন মাশরাফির, অর্ধেক ভরা গ্যালারিতে আনন্দের ঢেউ তুলে ফিরলেন ড্রেসিংরুমে। আউট হওয়ার আগের বলে ২ রান নিলেও শুরুর চার বলেই বোঝা যাচ্ছিল তাঁর অস্বস্তি। সানি-নাসির মিলে ৪ ওভার করার পর সাকিব আল হাসান এলেন ইনিংসের পঞ্চম ওভারে। ততক্ষণে ৩১ রানে ২ উইকেট নেই।
তবে বাংলাদেশে যে দলটা শুধু ডি ভিলিয়ার্সের ওপর নির্ভর করে আসেনি, সেটা জানিয়ে দিলেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ডু প্লেসি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করেছেন। জোহানেসবার্গ থেকে সেই ফর্মটা ঢাকায় নিয়ে এসে কাল অপরাজিত ৭৯। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের ১১ বাউন্ডারির ৮টিই তাঁর ব্যাট থেকে। ৯০ রানে ৪ উইকেট পড়ার পর ৫৮ রানের পঞ্চম উইকেট জুটিতে অধিনায়কের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত সংগত করে গেছেন রাইলি রুশো (৩১)। ইনিংসের তিন ছক্কার দুটিই তাঁর। প্রথমটি নাসিরকে তাঁর মাথার ওপর দিয়ে, মুস্তাফিজুরের বলে পরেরটি উড়ে গেল লং অনের ওপর দিয়ে।
বাংলাদেশের বোলারদের সাফল্য বলতে সানির ১৯ রানে ২ উইকেট। মন্থর উইকেটে তাঁর বলই যা একটু সমস্যায় ফেলেছে প্রোটিয়াদের। সাকিবকেও মনে হয়েছে সাবলীল। কিন্তু প্রায় এক বছর পর জাতীয় দলে ফেরা অফ স্পিনার সোহাগ গাজীকে সম্ভবত নতুন অ্যাকশনে আরেকটু ধাতস্থ হতে হবে। ২ ওভার বল করে ‘ডট’ মাত্র দুটি, রান দিয়েছেন ১৬।
সীমিত ওভারের ক্রিকেট ইদানীং যে রকম ধুমধাড়াক্কা হয়ে উঠেছে, তাতে ১৪৮ রান কমই মনে হতে পারে। কিন্তু শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উইকেটে কাল এই রান টপকে জেতাও কঠিন ছিল। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে রুশো জানালেন, ১৪৮ রান করে নিজেদের নিরাপদই ভাবছিলেন তাঁরা। বাংলাদেশের ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত সে ধারণাটাকেই সত্যি প্রমাণ করল। এলোমেলো শট খেলে আউট হওয়ার শুরুটা করলেন ওপেনার তামিম ইকবাল। বাকিরাও যে প্রায় একই রকম ভুলে উইকেট বিসর্জন দিয়েছেন, সেটা বোঝা যাচ্ছে ব্যাটসম্যানদের আউটের ধরনেই। ১০ জনের মধ্যে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন আটজনই। সাকিব আর লিটনের লড়াইয়েও তাই রানটা এক শ পার হলো না। বাংলাদেশের স্পিনের বিপরীতে দক্ষিণ আফ্রিকার ছিল পেস-স্পিনের যুগলবন্দী। দুই স্পিনার অ্যারন ফাঙ্গিসো ও জেপি ডুমিনি নিয়েছেন তিন উইকেট। বাকি সাত ব্যাটসম্যানের ছয়জনই আউট হয়েছেন পেসারদের বলে।
হারের কারণটা তো বোঝাই যাচ্ছে। ম্যাচ শেষে সেটাকে আরও পরিষ্কার করে দিলেন অধিনায়ক মাশরাফি, ‘ওরা আমাদের স্পিনারদের যেভাবে সামলেছে, আমরা সেটা পারিনি।’
দেখা যাক, এই শিক্ষা আগামীকাল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে কাজে আসে কি না!
দ. আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১৪৮/৪
বাংলাদেশ: ১৮.৫ ওভারে ৯৬
ফল: দ. আফ্রিকা ৫২ রানে জয়ী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন দেশে হামলা- এখন অশুভকে চিহ্নিত করতে হবে by জোনাথন ফ্রিডল্যান্ড
তিউনিসিয়ার সুছা এলাকায় অবকাশ যাপন করতে যাওয়া লোকজন ব্যারিকেড দেওয়া হোটেল থেকে বীভৎস ছবি টুইটারে তুলে দিয়েছেন। সৈকতে শব্দ শুনে তাঁরা মনে করেছিলেন, দিনের বেলায় কোথাও আতশবাজি শুরু হয়েছে। কিন্তু সেটা যে হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যে ছোড়া গুলির শব্দ, তা বোঝার পরই তাঁরা সৈকত থেকে পালিয়ে কীভাবে হোটেলে এসেছেন, সে বর্ণনা দিয়েছেন। আর কুয়েত সিটিতে হত্যাকারী যেন আগের দুটি ঘটনাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে গায়ে বোমা বেঁধে দুই হাজার মানুষভর্তি এক মসজিদে ঢুকে পড়ে বোতাম চেপে দেয়। এতে বহু মানুষ পরপারে চলে যাবে, তার এ রকমই আশা ছিল।
প্রতিটি ঘটনাই আমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিয়েছে। এই তিনটি ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তারা নিশ্চিতভাবেই আশা করেছিল, তারা যা করেছে, তা সবকিছুকে ছাড়িয়ে যাবে। গত মঙ্গলবারে আইএস যে ভিডিও ছেড়েছে, তাতে দেখা যায় গুয়ানতানামো কারাগার স্টাইলের লাল জাম্পসু৵ট পরিহিত পাঁচজন মুসলমান নাগরিককে খাঁচায় ভরে সুইমিংপুলে নামানো হচ্ছে। খুবই উন্নত প্রযুক্তির আন্ডারওয়াটার ক্যামেরা এসব মানুষের মারা যাওয়ার মুহূর্ত ধারণ করেছে, তাঁদের ডুবে যাওয়ার ছলাৎ ছলাৎ শব্দও রেকর্ড করেছে।
এসব ঘটনা থেকে আমরা কী বুঝব? যা দেখেছি, সে বিষয়েই বা কী করব? ঘটনাগুলো সাধারণভাবে একই গোষ্ঠী ঘটিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা এমন যোগসূত্র খুঁজবেন। কেউ কেউ এর দায়িত্বও নিতে পারে। ইসলামিক স্টেট (আইএস) ইতিমধ্যে কুয়েতের হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। আইএসের অবস্থান নিয়ে প্রচুর বিশ্লেষণ পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া ও সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ নিয়েও অনেক বিশ্লেষণ পাওয়া যাবে।
কিন্তু একটি সাধারণ ঘটনা এই ভয়াবহ ঘটনাগুলোর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করেছে। এর সূত্র পাওয়া গেছে এক নীরব মুহূর্তে। ৭০ বছর আগে মুক্ত হওয়া নাৎসিদের নির্যাতন শিবির বারজেন-বেলসেন পরিদর্শন করেছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এই শিবিরে অবর্ণনীয় নির্যাতনের কারণে ৫০ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে রাজনৈতিক তাত্ত্বিক হানাহ আরেন্ট লিখেছিলেন: ‘যুদ্ধোত্তর ইউরোপের বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনের সবচেয়ে মৌলিক প্রশ্ন হবে অশুভের সমস্যা।’ তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, বিশ্বযুদ্ধের প্রাণহানি দেখার পর ইউরোপীয়রা এই ভেবে উদ্বিগ্ন হবে, কতটা বিভীষিকা সম্ভব। কারণ, তারা ইতিমধ্যে দেখে ফেলেছে, তারা কতটা করতে পারে। বাস্তবে হলোকস্টের পরিকল্পনা তাৎক্ষণিকভাবে হয়নি, আবার সব জায়গাতেও তা আসেনি। কিন্তু হলোকস্ট ঘটেছিল।
এই প্রক্রিয়ায় ‘অশুভের সমস্যা’ বিশ্বাসী মানুষের কাছে সুনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পৃথিবীটা এত বেশি বদমায়েশিতে পরিপূর্ণ হলে কীভাবে দয়ালু ও সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের ধারণায় বিশ্বাস রাখা যায়? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিরা ৬০ লাখ ইহুদিকে হত্যা করেছে, তাদের মধ্যে ১০ লাখের বেশি ছিল শিশু। কিন্তু আজ আমরা যা দেখছি, তাতে এটা নিশ্চিত যে ‘অশুভর সমস্যা’ কোনো ঐতিহাসিক প্রশ্ন নয়; এটা বর্তমানের সমস্যা। আবার সেটা ধর্মবিশ্বাসীদের চ্যালেঞ্জও করে না। নিশ্চিতভাবেই সেটি আমাদের সবাইকে পীড়িত করে। কারণ, আমরা এমন এক বিশ্বের কল্পনা করি, যেখানে এমন নিষ্ঠুরতা ঘটা সম্ভব। তা সে গত সপ্তাহে চালর্সটনে ধর্মবিশ্বাসীদের গুলি করে মারা হোক বা কুয়েতে বোমা মেরে ধর্মবিশ্বাসীদের উড়িয়ে দেওয়া হোক।
আমি জানি, এসব ঘটনার সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যাখ্যা আছে। ঐতিহাসিক জের, ভূরাজনৈতিক শক্তি, স্থানীয় বিষয়—এসবই প্রাসঙ্গিক। কিন্তু এগুলো দিয়ে খুব বেশি দূর যাওয়া যায় না। এগুলো সমস্যার কেন্দ্র, অর্থাৎ এমন বিভীষিকা কীভাবে সম্ভব?—এই প্রশ্ন পর্যন্ত পৌঁছায় না।
পানির তলে ডুবিয়ে মারার দৃষ্টান্তটাই নেওয়া যাক, যা খুব সতর্কতার সঙ্গে সাজানো হয়েছে, সেই দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে। শিয়াবিরোধী গোষ্ঠীগত বিভেদের ব্যাপারটি বুঝলে খুনিদের ঘৃণা ও অভিপ্রায় সম্পর্কে জানা যাবে। ২০০৩ সালে ইরাক আগ্রাসনের মাধ্যমে খুনিদের সক্ষমতা সম্পর্কে বোঝা যাবে, তারা কী মাত্রায় তেমন সহিংসতা করতে পারে। তারা শুধু নিনিভাতেই শাসন করতে পারে, কারণ মার্কিন নেতৃত্বাধীন শক্তিগুলো ইরাক ধ্বংস করে দিয়েছিল। কিন্তু পুরো ব্যাপারটিতে যে নৃশংসতাপ্রীতি রয়েছে, তা এটা দিয়ে বোঝা যাবে না: মানুষ হয়ে তারা কীভাবে অন্য মানুষকে শুধু খুনই করতে পারে তা নয়, কতটা যন্ত্রণা দিয়ে অবমাননাকরভাবে তা করতে পারে।
একটি বিকল্প হলো এটাকে আদৌ বিস্ময়কর মনে না করা। উডি অ্যালেনের ছবি হানাহ অ্যান্ড হার সিস্টারস-এর চরিত্রটির কথা স্মরণ করুন। আরেন্টের ‘অশুভর সমস্যা’-প্রশ্নে তার উত্তর হচ্ছে মানুষ যখন জিজ্ঞেস করে হলোকাস্ট কীভাবে হয়েছে, তখন তারা আসলে ভুল প্রশ্ন করে। “‘মানুষের যা স্বভাব তাতে প্রশ্নটি হবে এমন, ‘হলোকাস্ট কেন প্রায়ই হয় না?’”
এখানে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা হলো ‘মানুষের যা স্বভাব’। এমন কথার ভিত্তি হচ্ছে মনুষ্যপ্রকৃতি সম্বন্ধে হতাশাব্যঞ্জক দৃষ্টিভঙ্গি। আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মানুষ অন্তর্নিহিতভাবেই অসভ্য, তাহলে আইসিসের তরুণদের ধারাবাহিক নৃশংসতা দেখে বিস্মিত হওয়ার কারণ নেই: খাঁচার মধ্যে মানুষকে পুড়িয়ে মারা, শিশুদের মারা, শিশুদের দিয়ে জোর করে প্রাপ্তবয়স্কদের গুলি করানো, আর নৃশংসতাপ্রীতিকে প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়ায় পরিণত করা।
আবার আরেকভাবে দেখলে বলা যায়, আজকের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড যারা ঘটাচ্ছে, তারা স্রেফ ভারসাম্যহীন ও অস্বাভাবিক মানুষ। এদের সঙ্গে ৮২ বছর বয়সী পালমিরা সিলভার খুনি নিকোলাস সালভাদরের কোনো পার্থক্য নেই।
অথবা আমরা যদি সিদ্ধান্ত নিই খুনিরা মানসিকভাবে সুস্থ, তাহলে আমরা মানুষের গোষ্ঠীগত মনস্তত্ত্বে নজর দিতে পারি। আমরা নিজেদের স্ট্যানলি মিলগ্রামের হলোকাস্ট-পরবর্তী কাজের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে পারি। তিনি মানুষের আদেশ পালনবিষয়ক যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, তাতে দেখা যায়, মানুষ শুধু যতক্ষণ নির্ভরযোগ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলে, ততক্ষণ তাদের মধ্যে অন্যকে প্রচণ্ড নির্যাতন করার প্রবণতা দেখা যায়।
ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাসিম কাসাম আমাকে বলেছিলেন, মানুষের সত্তা অখণ্ড হলে ‘সেখানে সবকিছু একসঙ্গে এঁটে যায়। কিন্তু অন্যদের মধ্যে দেখা যায়, সত্তা নানা ভাঙা ভাঙা অংশে গঠিত, সেগুলো সংগতিপূর্ণ নয়।’ এসব মানুষ জীবনের এক ক্ষেত্রে মানবীয় মানদণ্ড অনুসরণ করতে পারে, আবার আরেক ক্ষেত্রে তা না–ও করতে পারে। অর্থাৎ তাদের সত্তা অখণ্ড নয়।
আইএস ভীতি সৃষ্টি করে, তাতে আবার কাজও হয়। আগামী কিছুদিন অন্তত অবকাশযাপনকারীরা সুছায় যাবেন না। কিন্তু এসব অপরাধ যেমন ভীতি সৃষ্টি করে, তেমনি এগুলো প্রতিক্রিয়াও সৃষ্টি করে। সাবেক জিহাদি ও ইসলামি পণ্ডিত উসামা হাসানের সঙ্গে কথা বললাম। তিনি আইসিসের এই কার্যক্রমে খুবই বিরক্তি প্রকাশ করলেন। তিনি বললেন, ইসলামে মৃতদেহকে অপবিত্র করা নিষিদ্ধ।
তিনি বলেন, সভ্যতার যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে বিশ্বের মহান সমাজ ও ধর্মগুলোকে আজ এই স্বল্প পরিসরে সংঘটিত কিন্তু বিদ্বেষপূর্ণ খুনের প্রথা বন্ধ করতে একত্র হতে হবে: খ্রিষ্টধর্ম, ইসলাম ধর্ম, হিন্দুধর্ম, ইহুদিধর্মসহ অন্যদের। এই সংগ্রামকে অশুভর বিরুদ্ধে যুদ্ধ আখ্যা দেওয়ার কোনো মানে হয় না। যুদ্ধটা তেমন প্রকৃতির হলে কখনো জয়লাভ করা যাবে না। অশুভ ব্যাপার আমাদের মধ্যেই আছে, আর দৃশ্যত তা সব সময়ই থাকে। কিন্তু এটা সত্যিই কী, তা বলতে আজ ভয় পেলে চলবে না।
ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন; দ্য গার্ডিয়ান থেকে নেওয়া
জোনাথন ফ্রিডল্যান্ড: দ্য গার্ডিয়ানের নির্বাহী সম্পাদক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে বুঝবেন আমে ‘বিষ’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সসম্মানে বাঁচতে না ভোট দিন
এ চুক্তির জন্য দাতারা যে প্রস্তাব দিয়েছে, এতে বিভিন্ন খাতে ব্যয়সংকোচন করার কথা বলা আছে। এতে আপত্তি রয়েছে দেশটির বর্তমান বামপন্থী সরকারের। তবে চুক্তি না হলে গ্রিস এসব দাতার কাছ থেকে কাক্সিক্ষত ২৯ বিলিয়ন ইউরো ঋণ পাবে না। এ ঋণ পেলেই কেবল এথেন্স আগামী দু’বছরের মধ্যে পরিশোধযোগ্য সব দেনা শোধ দিতে পারবে। এর মধ্যে আইএমএফের কাছ থেকে নেয়া গ্রিসের দেড় বিলিয়ন ইউরো (১ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) গত মঙ্গলবারের মধ্যে শোধ করার কথা থাকলেও তা পারেনি গ্রিস। শুক্রবার গ্রিসকে ঋণখেলাপি ঘোষণা করা। এদিকে, গ্রিসের ঋণ সংকটে দাতাদের দেয়া আর্থিক পুনরুদ্ধার (বেইল আউট) কর্মসূচি প্রস্তাবের ওপর গণভোট প্রশ্নে গভীরভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে দেশটির জনগণ। প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপরাস একপক্ষের কাছে নায়ক ও অন্যপক্ষের কাছে ভিলেন হয়ে উঠেছেন। পাশের একটি স্টেডিয়ামে ২২ হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বিক্ষোভ করছে। তাদের একজন বলছেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে সিপরাস, তুমি কাপড়বিহীন সম্রাট’। এদিকে, পার্লামেন্টের সামনে না ভোট সমর্থক তরুণ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের নিবৃত্ত করতে পিপার গ্যাস স্প্রে করেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর জিহাদিদের বেতন দেয় ভারত
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন টাইগারদের নিয়ে যত ভয় প্রোটিয়া অধিনায়কের
তবে কন্ডিশন সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ডু প্লেসিস বলেন, ‘টি ২০ ম্যাচে অবশ্যই কন্ডিশন একটা ভূমিকা রাখে। কারণ অনেক বেশি রান, চার-ছক্কা হয়। এটা যদি কোনোভাবে না হয়, তাহলে আমাদের বোলিং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে জেতার চেষ্টা করব।’ বাংলাদেশের টি ২০ ক্রিকেটার নিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্য দেশগুলো অনেক বেশি টি ২০ ম্যাচ খেলে। এ কারণেই ভারতীয় দল দীর্ঘদিন ধরে এত বেশি সফল। তারাই সবচেয়ে বেশি টি ২০ খেলে। সব দেশই তাদের মতো প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। টি ২০ কাঠামো অনুসারে সে ধরনের খেলোয়াড় বেরিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশকেও গুরুত্ব দিতে হবে।’ বাংলাদেশ দল সম্পর্কে প্লেসিস বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে ভালো বিষয় হচ্ছে, অনেকে ক্রিকেটার বেরিয়ে আসছে। সেটা বিশেষত টি ২০ ক্রিকেটে বেশ ভয়ংকর ব্যাপার হতে পারে। কারণ নতুন কোনো ছেলেকে কেউ দেখেনি এবং তার বিপক্ষে খেলেনি।’ তিনি বলেন, ‘টি ২০ সংক্ষিপ্ত খেলা। দুই ওভারের মধ্যে ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিবর্তিত বোলিংয়ের মুখোমুখি হওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। সেজন্য সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসছে তিশমার ভিডিও অ্যালবাম
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিকল্পনা ছাড়াই ট্রানজিট: আনু মুহাম্মদ by সিরাজুস সালেকিন
মানবজমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আনু মুহাম্মদ বলেন, কানেক্টিভিটির নামে যে ট্রানজিট দেয়া হচ্ছে তা আসলে ভারতের এক অঞ্চলের সঙ্গে আরেক অঞ্চলের যোগাযোগ। ভারতের জন্য এটা খুব বড় ঘটনা, বড় প্রাপ্তি। ভারতের বড় পুঁজি। তাদের জন্য এটা খুব দরকার। এ অঞ্চলে বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে খনিজ সম্পদ আরোহণ, বিনিয়োগ কিংবা বাজার এগুলো খুবই কম খরচে, কম পয়সায় করতে পারবে। শতকরা ২৫ ভাগ খরচে তারা করতে পারবে। পুরো জিনিসটার পরিকল্পনা সেভাবেই সাজানো আছে। বাংলাদেশের কোন পরিকল্পনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে যে সড়ক-রেল ব্যবহার করবে, নৌপথ ব্যবহার করবে। ব্যবহার করতে গেলে বাংলাদেশের কোন অসুবিধা হবে কিনা, কোন ক্ষতি হবে কিনা। কোন লাভ থাকলে কি লাভ? এবিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব ছিল স্টাডি করা, সমীক্ষা করা। দায়িত্ব ছিল এটা জনগণকে জানানো। অন্তত পক্ষে সংসদ নামের যে একটা বিষয় আছে সেটা নির্বাচিত হোক আর অনির্বাচিত হোক সেখানে আলোচনা করা। শুল্ক নির্ধারণ নিয়ে মনে হচ্ছে ভারত বা বাংলাদেশ সরকার অপেক্ষা করছে যে ভারত কখন কতটা দিতে রাজি হবে বা সিদ্ধান্ত হবে। বাংলাদেশের নিজের কোন চাওয়ার নেই। কোন পরিকল্পনাও নাই। ডব্লিউটিও মাশুল নির্ধারণ করে দেবে অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে আনু মুহাম্মদ বলেন, এগুলো হলো লোক ভুলানো কথাবার্তা। একটা বিষয় যখন নির্ধারিত হচ্ছে মানুষের ওপর কর বসানো দেশের জনগণের ওপর কর বসানোর জন্য তো সরকারের কোন দেরি হয় না। সেটা তো চট করে হয়ে যায়। ঘোষণা দেয়ার পরের দিন কার্যকর হয়ে যায়। সেখানে এরকম একটা নীতিমালা তৈরি হচ্ছে সেটার একটা পরিকল্পনা থাকতে হবে। কখন কত কিভাবে হবে। ডব্লিউটিওর নীতিমালা যদি হয় এটা তো বলতে হবে। এতদিন থেকে কথা হচ্ছে। এক উপদেষ্টা একদিন বললেন যে এটা তো চাওয়াই অভদ্রতা। সেটা কি ঠিক কথা। পুরো জিনিসটা নিয়ে তাদের কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয় নেই। মাশুল নির্ধারণের বিষয়টি এখনও অস্বচ্ছ অবস্থায় আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবিশ্বাস্য মাত্রার একটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এটা দক্ষিণ এশিয়ায় বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। ভারতের বিনিয়োগ, স্থলবিন্যাস, জলবিন্যাস, অর্থনীতির বিন্যাস অনেক কিছুর পরিবর্তন হবে। বাংলাদেশের ভেতরে শুধু অবকাঠামো না, বহু ধরনের প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, কানেক্টিভিটি বলতে যেটা বলা হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য নতুন কোন কানেক্টিভিটির কিছু নেই। কারণ আমরা কলকাতার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ, আখাউড়ার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ, কিংবা আগরতলার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমাদের কি সমস্যা হচ্ছে? আমাদের তো সমস্যা নেই। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করছি কোন সমস্যা নাই। ট্রানজিট নিয়ে মন্ত্রীরাও সঠিক তথ্য দিতে পারছে না দাবি করে তিনি বলেন, আমরা দেখি মন্ত্রীরা একেক সময় একেক কথা বলেন। কেউ বলেন চাওয়া ঠিক হবে না। কেউ বলেন ডব্লিউটিও অনুযায়ী হবে। কেউ বলে একেকটা অঞ্চলে যেরকম শুল্ক থাকে সেরকম হবে। এটা তো একটা নির্বোধের মতো কথাবার্তা। এতবড় একটা ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে সেটা তো একটা প্রস্তুতি থাকবে, কাগজপত্র থাকবে, পরিকল্পনা থাকবে, নীতিমালা থাকবে। কোনরকম নীতিমালা ছাড়াই ভারত ট্রানজিট দিতে যাচ্ছে। এর আগে মানবিক কারণ দেখিয়ে গেছে। একসময় বিদ্যুতের কথা বলে গেছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে গেছে। বাংলাদেশ সরকার বলে কোন কিছুর আছে এটাই এখানে বোঝা যাচ্ছে না। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ইতিমধ্যে এটা এভাবে নিয়ে গেছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে ইঙ্গিত দিয়ে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ভারত বাংলাদেশে কাঁটাতার দিয়ে রাখছে এই যুক্তিতে যে এই দেশের মধ্য থেকে সন্ত্রাসী যাবে তাদের দেশে। এখন সন্ত্রাসী যে দেশ থেকে যাবে বলে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া হয়, সেই দেশের মধ্য দিয়ে পণ্য পরিবহন কি ভরসায় হবে সেটা তো বোঝা মুশকিল। সে নিরাপত্তা কে দেবে, কি হবে ব্যবস্থা। সে নিয়ে ব্যাখ্যা নেই। কাঁটাতারের যুক্তি যে কারণে সেই কারণে তো ট্রানজিট হওয়ার কথা না। আর যদি ট্রানজিট সম্ভব হয় তবে কাঁটাতার হওয়ার কথা না। এ কথাগুলো তো সরকারেরই বলার কথা। ট্রানজিটে বাংলাদেশ লাভবান হবে না দাবি করে তিনি বলেন, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগের ব্যাপারে আমরা সবসময় আগ্রহী। বাংলাদেশ থেকে এই কথাটা অনেকবার বলা হয়েছে। ভারত একসময় সম্মত হয়েছিল। কিন্তু ৩৪ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে এমন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে সে সময় যার ফলে বাংলাদেশ-নেপাল যোগাযোগ কার্যকর হয়নি। কিন্তু আমাদের দিক থেকে সবসময় আমরা উন্মুক্ত আছি। ভারতের জন্য এ যোগাযোগটা হয়নি। নেপাল-ভুটানকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যে এটা বাংলাদেশের বিরাট অর্জন। কিন্তু এটার অনেক আগেই ভারত সম্মতি দিয়েছিল কিন্তু কার্যকর করেনি। পুরো কানেক্টিভিটির মধ্যে নেপাল-ভুটান যোগ হবে খুবই সামান্য। ভারতের তুলনায় খুবই সামান্য হবে। ভারতের এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চল যাওয়া সেটার মাত্রা আর নেপাল-ভুটান যাওয়া সেটার মাত্রা এক না। এখন নেপাল ও ভুটানে ভারতের বিনিয়োগ প্রধান। এখন ভারতের বিনিয়োগই নেপাল ভুটান হয়ে আসবে। বাংলাদেশের ক্ষতির দিক বিবেচনা করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়ক ও রেলপথের ওপর বাড়তি বোঝা পড়বে তাতে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহনের দশা কি হবে। যাত্রী পরিবহনের কি হবে। নতুন রাস্তা তৈরি করতে গেলে কৃষিজমির কি হবে। কতটা জলাশয় নষ্ট হবে, নদী নষ্ট হবে। সেগুলোর তো হিসাব নিকাশ সরকারের দায়িত্ব ছিল অনেক আগে। কতটা হলে বাংলাদেশের পরিবহনে সমস্যা হবে না। সমস্যা হলে বিকল্প কি ব্যবস্থা থাকবে হিসাবের মধ্যে নিয়ে আসার কথা। দুই রাষ্ট্রের মধ্যে কোন নীতি বা চুক্তি হলে এগুলো বিস্তারিত করা। ১০-১৫ বছর থেকে এসব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশ একটা ওয়ার্কিং পেপার তৈরি করতে কয়েক মাসের ব্যাপার। এটা করে ওই অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষকে জানিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যদি রাজি হয় তাহলে সরকারের সমস্ত কিছু মানুষকে জানাতে অসুবিধা কোথায়। পুরো ট্রানজিটের বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, এ না জানানো থেকে অস্বচ্ছতা থেকে, গোপনীয়তা থেকে বোঝা যায় যে এখানে বাংলাদেশের জনগণের জন্য বিরাট সমস্যাজনক ঘটনা হতে যাচ্ছে। সেটার মাত্রাটা কত হবে এটা আমরা এখনও বলতে পারি না। কিন্তু এটা বাংলাদেশের মানুষের লাভ যে নাই সেটা তাদের গোপনীয়তা থেকে বোঝা যাচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএসের জিম্মায় থাকা সাকেরের মা-বাবার আকুতি: ‘মৃত্যুর পূর্বে তোমাদের দেখা পাবো কি’ by হাসান চৌধুরী
আবদুল মান্নানের ছোট ভাই আবদুল লতিফ লুলু মিয়া এই প্রতিবেদককে জানান, ঘটনা যাই ঘটুক ভাতিজি রাজিয়া না আসলেও তার ভাই, ভাবী, ভাতিজি এবং পুত্র ফিরে আসতে পারে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। তাদেরকে এনে দেশীয় জেলে পুঁতে রাখলেও সান্ত্বনা মিলবে এই ভেবে যে মৃত্যুর সংবাদে তারা অন্তত প্যারোলে মুক্তি পেয়ে শেষবারের মতো দেখে যেতে পারবে। তার ভাই আবদুল মান্নান ও অন্য সদস্যরা স্বেচ্ছায় সিরিয়া গেছেন তা বিশ্বাস করেন না। তিনি বলেন, যাবার কয়েকদিন আগে ৮০ বছর বয়স্ক আবদুল মান্নান আবদুল লতিফকে তার রুমে ডেকে এনে বলেন, ‘ভাইরে তোমারও বয়স হয়েছে। আমরা কখন মারা যাব ঠিক নেই। এখনই জমিজমাগুলো আমরা থাকতেই ভাগবাটোয়ারা করে দেয়া ভাল, নইলে ছেলেমেয়েরা ওসব পারবে না। তখনকার কথায়ও তিনি তাদের এমন চলে যাবার কোন ইঙ্গিত পাননি। গত ১১ই মে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের গ্রামের বাড়ি থেকে যুক্তরাজ্য যাবার পথে তুরস্ক থেকে ১২ সদস্যের বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এই বৃটিশ পরিবারটি নিখোঁজ হন। অবশেষে সম্প্রতি জানা যায় তারা সিরিয়ার জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের জিম্মায় আছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরশাদ থাকার পক্ষে রওশনের না
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্ধকারে আলোর রেখা by তুহিন ওয়াদুদ
![]() |
মুক্তির আনন্দ ছিটমহলের ঘরে ঘরে, উল্লাস
|
গত ১৬ জুন আবারও গিয়েছিলাম কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়া ছিটমহলে। সেখানে কালির হাটের একটি চায়ের দোকানে বসে কথা হচ্ছিল ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির বাংলাদেশ অংশের সভাপতি মইনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফাসহ অনেকের সঙ্গে। চিকিৎসাসেবাবঞ্চিত জীবনের কথা বলতে গিয়ে ছিটমহলবাসী মুনির হোসেনের চোখ ছলছল করে উঠল। তিনি জানালেন, তাঁর স্ত্রীকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি ছিটমহলের মানুষ হওয়ায়। লালমনিরহাট হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
মিথ্যাচার, নিজ দেশে পরবাসী জীবন, অভিভাবকহীনতা—সবকিছুর অবসান ঘটতে যাচ্ছে ছিটমহলবাসীর। আগামী ৩১ জুলাই মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে ছিটমহল বিনিময়। সে কারণে ছিটমহলগুলোয় আনন্দের বন্যা বইছে। চারদিকে স্বস্তির সুবাতাস। বাংলাদেশ সরকার এরই মধ্যে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে তাদের জন্য। সরকারের এই উদ্যোগে তারা উল্লসিত। দাসিয়ারছড়ার নীলকমল নদের পাশে দাঁড়িয়ে মুক্তিযোদ্ধা জেবের আলী বলছিলেন, ‘আমি ছিলাম শেখ মুজিবের সৈনিক। একাত্তরে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করছি, কিন্তু তখন স্বাধীনতা পাই নাই। এখন হামার মুক্তি হলো।’ ৩১ জুলাইয়ের পর তাঁরা যখন বাংলাদেশি হবেন, তখন যেন তাঁরা যোগ্যতা অনুসারে চাকরি পান, সেই দাবি তাঁদের। এ প্রসঙ্গে মোজাফফর নামের একজন বললেন, ‘যোগ্যতা অনুযায়ী আমাদের জন্য সরকারের কাছে বিশেষ কোটায় চাকরির জন্য আবেদন জানাচ্ছি।’
ছিটমহলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দেবে ভূমি ব্যবস্থাপনা। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের মোট ১১১টি ছিটমহলের মধ্যে ৪২টিতে কোনো মানুষ বাস করে না। আবার অনেক জমি বিক্রি হয়েছে মৌখিক কিংবা সাদা কাগজে লিখে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জরুরি।
দীর্ঘ ৬৮ বছর ছিটমহলবাসী যে অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট ভোগ করেছে, এর দায় ছিটমহলের মালিকরাষ্ট্রের। উভয় রাষ্ট্র ছিটমহলের মানুষের প্রতি রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছিল। বাংলাদেশের অভ্যন্তরের ১১১টি ভারতীয় ছিটমহলের মোট জমির পরিমাণ ১৭ হাজার ১৫৮ একর। তার মধ্যে শুধু দাসিয়ারছড়ার আয়তন প্রায় দুই হাজার একর। এ দুই হাজার একর ছিটমহলের ভেতরে ১০৭ একর জমির একটি বাংলাদেশি ছিটমহল ‘ছিটচন্দ্রখানা’। বাংলাদেশ-ভারত ১৬২টি ছিটমহলের বাইরে এই ছিটমহল। এখানে প্রায় দেড় শ পরিবারের বসবাস। সেখানে একটি বাড়ির উঠানে কয়েকজন নারী বসে গল্প করছিলেন। ওখানেই কথা হলো বৃদ্ধ রাবেয়া, শ্যামলীসহ অনেকের সঙ্গে।
ছিটমহল বিনিময় প্রসঙ্গ তুলতেই অনেকগুলো কথা সবাই একসঙ্গে বলতে শুরু করলেন, ‘হামরা কারেন্ট চাই, রাস্তা চাই, স্কুল চাই, হাসপাতাল চাই।’ একজন জবুথবু বৃদ্ধ নারী নিজের একটি অচল হাত দেখিয়ে বলছিলেন, ‘হামরা কোনো বয়স্ক ভাতাও পাই না, বাবা। হামার একনা ব্যবস্থা করি দেও।’ ছোট কয়েকটি অপুষ্ট শিশুকে দেখিয়ে দিয়ে একজন বলছিলেন, ‘তাদের স্কুল অনেক দূরে। বাচ্চারা যেতে চায় না।’ লেখাপড়া না থাকার কারণে বাল্যবিবাহের প্রবণতা সেখানে প্রকট। ওই উঠানেই দেখা গেল ১৩-১৪ বছরের আবুল হোসেনকে। সে ওই বাড়ির জামাই। বিয়ে করেছে তৃতীয় শ্রেণি পাস করা একটি মেয়েকে। সেখানে পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িতে কথা বলে জানা গেল, সেখানকার অনেকেই দিল্লিতে গেছেন কাজের সন্ধানে। তবে তাঁরা এখন ফিরে আসছেন। দিল্লিফেরত দাসিয়ারছড়াবাসী মোফাজ্জলের সঙ্গে কথা হলো। তাঁরা দুই ভাই ছিলেন দিল্লিতে। তাঁদের ছিটমহল বাংলাদেশ হচ্ছে শুনে আনন্দে ভাসতে ভাসতে দেশে ফিরেছেন। যদিও বাংলাদেশ-ভারতের দুই দালালকে দুই ভাই উৎকোচ দিয়েছেন প্রায় ১৬ হাজার টাকা। যে ছিটমহলবাসী ভারতে কাজের সন্ধানে গেছেন, তাঁদের সরকারি উদ্যোগে ফেরাতে পারলে এই দুর্ভোগের শিকার হতে হবে না।
দাসিয়ারছড়া ছিটমহলের উন্নয়নের জন্য ২৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। গত ৯ মে যখন আমি দাসিয়ারছড়ায় যাই, সেখানে কালির হাট নামক স্থানে ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির একটি সাইনবোর্ড লাগানো কার্যালয় এবং তার কয়েক গজ দূরে ‘ছিটমহল ইউনাইটেড কাউন্সিল’ নামের সাইনবোর্ড লাগানো আরেকটি কার্যালয় দেখেছিলাম। এখন ‘ছিটমহল ইউনাইটেড কাউন্সিলের সাইনবোর্ড নেই। এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা অনেকেই বলেন, যেহেতু ছিটমহল বিনিময় হচ্ছে, ছিটমহল ইউনাইটেড কাউন্সিলের দাবি পূরণ হচ্ছে না, তাই তাঁরা তাঁদের সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে গেছেন। কিন্তু ছিটমহল ইউনাইটেড কাউন্সিলের দাসিয়ারছড়া ইউনিটের সভাপতি মিজানুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি। বাজারে যেতে পারছি না। কোনো সাংবাদিক এলে কথা বলতে পারি না। আমরা যে ভারতে যাব, সেটাও বলতে পারি না। পুনর্বাসনের সুবিধাও আমরা পাই কি না, সন্দেহ।’ যদি এ অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ সরকারের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ছিটমহলগুলোয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কোন কোন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন, তার তালিকা প্রস্তুতকরণ এবং সম্ভাব্য ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করার কাজ চলছে। ছিটমহলবাসীর জীবনের ৬৮ বছরের বঞ্চনা চাইলেও দ্রুত সমাধান করা সম্ভব নয়।
তুহিন ওয়াদুদ: শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
wadudtuhin@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশি প্রতিবেদন ছাড়াই এমপিপুত্রের পিস্তলের লাইসেন্স by দীন ইসলাম
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপুষ্ট শিশুর জন্য বিশেষ শিশুখাদ্য তৈরি হলো বাংলাদেশে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 06
(65)
- ‘একদলীয় রাজনীতি’ প্রতিষ্ঠা চেয়েছে আওয়ামী লীগ by মি...
- তিতুমীরের সামনে হঠাৎ ছাত্রলীগের তাণ্ডব
- গ্রিসে জয়ের পথে ‘না’ ভোট
- দুই ম্যাচে ৬৮ গোল হজম!
- প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, জুতা মিছিল- সংঘর্ষ, গাফফার চৌধুর...
- মানব পাচারের শিকার হওয়া এক নারীর লোমহর্ষক বর্ণনা b...
- গ্রিসের জনগণ সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে: সিপ্রাস
- পারলেন না ব্যাটসম্যানরা by তারেক মাহমুদ
- তিন দেশে হামলা- এখন অশুভকে চিহ্নিত করতে হবে by জো...
- যেভাবে বুঝবেন আমে ‘বিষ’
- সসম্মানে বাঁচতে না ভোট দিন
- কাশ্মীর জিহাদিদের বেতন দেয় ভারত
- নতুন টাইগারদের নিয়ে যত ভয় প্রোটিয়া অধিনায়কের
- আসছে তিশমার ভিডিও অ্যালবাম
- পরিকল্পনা ছাড়াই ট্রানজিট: আনু মুহাম্মদ by সিরাজুস ...
- আইএসের জিম্মায় থাকা সাকেরের মা-বাবার আকুতি: ‘মৃত্য...
- এরশাদ থাকার পক্ষে রওশনের না
- অন্ধকারে আলোর রেখা by তুহিন ওয়াদুদ
- পুলিশি প্রতিবেদন ছাড়াই এমপিপুত্রের পিস্তলের লাইসেন...
- অপুষ্ট শিশুর জন্য বিশেষ শিশুখাদ্য তৈরি হলো বাংলাদেশে
- গাফফার চৌধুরীর পাশে আছি: তসলিমা নাসরিন
- উড়ছে টাকা উড়ছে by শাহনেওয়াজ
- কেরানীগঞ্জের জিনস প্যান্ট
- ব্রাশের ঘষায় পাল্টানো জীবন by কামনাশীষ শেখর
- ‘দুইআনি’ ভাউচারে লন্ডনে যান সিরিয়ায় থাকা মান্নান b...
- উইয়ের পেটে নর্থব্রুক হল লাইব্রেরির মূল্যবান বই by...
- কেন এই বিদেশ সফর by কাজী সোহাগ
- যত্রতত্র রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি- ঢাকা উত্তরে: জলাবদ্ধ...
- পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে ইউএনপিওর আহ্বান
- দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্ব...
- ব্রাজিলের গম নিম্নমানের: গম নিয়ে রিট আবেদনের পরবর্...
- ব্যাটসম্যানদের আত্মাহুতিতে ছন্দপতন by ইশতিয়াক পারভেজ
- ‘আমি ইতিহাসে বিশ্বাস করি না’ -চন্ডিকা হাথুরুসিংহে
- মাহফুজের অপকর্মের হাতেখড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় by জাবেদ...
- পাহাড়ের আলোকিত মানুষ by আজহার হীরা
- কিরণমালা এখন চিলমারীতে
- রাস্তা সংস্কারে বরাদ্দ ৫০০ কোটি টাকা
- উসকে গেল মেসি–ম্যারাডোনা বিতর্ক
- মুসার সম্পদের খোঁজে ২৪ দপ্তরে দুদকের চিঠি by মোর্শ...
- চট্টগ্রামের ঈদ বাজারে অস্ত্র by মহিউদ্দীন জুয়েল
- চার ধর্মানুসারীদের যৌথ ইফতার
- খেলে দশ দেশ, নাম আবার বিশ্বকাপ!
- ১৬২ ছিটমহলে জনগণনা শুরু সোমবার
- পাঁচ মাসেও সহায়তা পাননি চম্পা বেগম
- সম্মেলন হয়েছে, কমিটি হয়নি -সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ
- জেমস ফকনারের কাণ্ড!
- আদালতকে খাদ্য অধিদপ্তর ‘সেই গম খাওয়ার উপযোগী’
- কি করে বুঝবেন সঙ্গী চ্যাটে মিথ্যা বলছে by নাজমুল আ...
- সিরিয়া সীমান্তে ভারী অস্ত্রসহ কমান্ডো মোতায়েন করেছ...
- রংপুরে ব্যস্ত চুমকি, পাথর এবং পুঁতি বসানোর কারিগরর...
- দুর্নীতি ফাঁসের চেষ্টা, রহস্য-মৃত্যু সাংবাদিকের
- কাঁঠাল যখন গো-খাদ্য
- দুর্নীতি ও কালোটাকা অপরাধ বাড়াচ্ছে: প্রধান বিচারপতি
- অর্ধেক বছরেই বিশ্বে নিহত ৭১ সাংবাদিক
- চীনে ভবনধসে নিহত ১১
- ‘চেয়ারম্যানকে পড়িয়েছি, তাঁর হাতেই মার খেতে হলো’
- খুলনায় লং কামিজ ও খাজকাটা সালোয়ারের কদর বেশি
- বিদেশী পোশাকে সয়লাব ঈদবাজার
- শাবিপ্রবিতে বিতর্কিত শিক্ষককে প্রো-ভিসি নিয়োগের পা...
- পঞ্চগড়ে চাহিদার শীর্ষে ‘কিরণমালা’
- টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন চিলি
- দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী আরামে মন্ত্রিত্ব করছেন: খালেদা
- গ্রিসে এগিয়ে ‘না’ ভোট
- রাজনীতিকদের দায়িত্বশীল বক্তব্য দিতে বললেন আইজিপি
- যুক্তরাষ্ট্রের নারী বিশ্বকাপ জয়
-
▼
Jul 06
(65)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



















