Monday, March 16, 2015
অপহরণের পর নৃশংসভাবে শিশু হত্যা by রেজওয়ান আহমদ
সাঈদকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন কনস্টেবল এবাদুর। তিনি রোববার বিকালে সিলেট মহানগর হাকিম আদালত-১-এর বিচারক শাহেদুল করিমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রহমত উল্লাহ জানান, এবাদুর, গেদা ও আবদুর রকিব এই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের হোতা। তারা সবকিছু স্বীকার করেছে। এ ছাড়া অপহরণের সময় তাদের সঙ্গে আরও দু’জন ছিল বলে জানিয়েছে। এর মধ্যে একজন মুহিবুল ইসলাম মাসুম আওয়ামী ওলামা লীগের নেতা। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মো. রহমত উল্লাহ আরও জানান, এবাদুর ও গেদা একসময় সাঈদদের বাসার পাশেই থাকত। সাঈদ তাদের মামা বলে ডাকত। অপহরণের পর এবাদুর ও গেদা মুক্তিপণ নিয়ে সাঈদকে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু সাঈদকে ছেড়ে দিলে সে তাদের পরিচয় ফাঁস করে দেবে, এ ভয়ে তাকে হত্যা করা হয়। বুধবার অপহরণের পরদিনই সাঈদকে হত্যা করা হয় বলে ঘাতকরা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেছেন সাঈদের বাবা আবদুল মতিন। শিশু অপহরণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কনস্টেবল এবাদুর রহমানকে (নং ৯৩৯) বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির সদস্যরা রাতেই ঘটনাস্থল থেকে হত্যার আলামত সংগ্রহ করেন। সিআইডির পরিদর্শক শামীমুর রহমান জানান, একটি পাটের ও ৬টি প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো ছিল সাঈদের মরদেহ। শিশুটির গলায় প্রায় দুই হাত লম্বা একটি রশি লাগানো ছিল। গলায় রশির দাগ মিলেছে। শিশুটির গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন। শনিবার রাত দেড়টার দিকে সাঈদের মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
রোববার ময়নাতদন্ত শেষে সাঈদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। লাশ বাসায় নেয়া হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। তার মা বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন। তাকে সান্ত্বনা জানাতে গিয়ে অনেকেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। রোববারই সাঈদের মরদেহ দাফনের জন্য সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার খাসিলা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাদ আসর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সাঈদ দ্বিতীয়। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার খাসিলায়। সাঈদকে অপহরণের পর তার বাবা ও মামার কাছে ফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় বুধবার রাতে কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করেন মামা জয়নাল আবেদীন। তিনি জানান, অপহরণের পর তাকে ও সাঈদের বাবাকে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পাঁচ লাখ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা দুই লাখ টাকা দাবি করে। বৃহস্পতিবার রাতে টাকা নিয়ে তাদের শাহজালাল (রহ.) দরগায় যেতে বলে অপহরণকারীরা। দরগায় যাওয়ার পর অপহরণকারীরা আবার ফোন করে এয়ারপোর্ট সড়কের বাইশটিলা এলাকায় যেতে বলে। সেখানে যাওয়ার পর পুলিশ ও র্যাবকে কেন বিষয়টি জানানো হল তার জন্য অপহরণকারীরা ফোনেই ক্ষোভ প্রকাশ করে। একপর্যায়ে তারা সাঈদকে খুন করার হুমকি দিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। সাঈদের বড় মামা আশরাফুজ্জামান আজিম জানান, গত শুক্রবার কনস্টেবল এবাদুরের সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় তিনি সাঈদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেন এবং তাকে উদ্ধারে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। কিন্তু এবাদুরের বিষয়ে সন্দেহ জাগায় পুলিশ তার মোবাইল ফোন কল ট্র্যাক করতে শুরু করে। আর এভাবেই অপহরণকারীদের শনাক্ত করা হয়। পুলিশ জানায়, যে মোবাইল ফোন দিয়ে সাঈদের বাবা ও মামার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, সেটি ট্র্যাক করে জানা যায়, একেক সময় একেক জায়গায় অবস্থান করছে অপহরণকারীরা। পরে অপহরণকারীদের মোবাইল সেট ট্র্যাক করে তাদের শনাক্ত করে পুলিশ। উদ্ধার অভিযানে নামা পুলিশের টিম নগরীর আম্বরখানায় একটি মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালায়। ওই দোকানের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, বুধবার বিকালে মোবাইল সেটটি কেনেন বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল এবাদুর। পরে শনিবার সন্ধ্যায় কনস্টেবল এবাদুরকে কোতোয়ালি থানায় ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি ঘটনাটি অস্বীকার করেন। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। এবাদুর জানান, সাঈদ তার বাসায় আছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি দল এবাদুরের বাসার দিকে রওনা হয়। পথে এবাদুর পুলিশকে জানায় সাঈদকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ তার কুমারপাড়া ঝেরঝেরি পাড়ার সবুজ ৩৭নং বাসার একটি কক্ষ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় সাঈদের লাশ উদ্ধার করে। এ সময় এবাদুরের স্ত্রী সিনথিয়া নির্ঝর তানিয়া বাসায় ছিলেন। তিনি কুমারপাড়ার স্বপ্নঝাড়া বিউটি পার্লার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। এবাদুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত র্যাবের কথিত সোর্স গেদা মিয়া ও জেলা ওলামা লীগ নেতা আবদুর রকিবকে গ্রেফতার করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারকে ছাড় দেয়ার আহবান ব্যবসায়ীদের
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই এর সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ বলেন, হরতাল ও অবরোধের কারণে বিগত বাজেটের অর্ধেকের চেয়েও বেশি ক্ষতি হয়েছে।
মানববন্ধন, সমাবেশ, অনশনের মত কর্মসূচি পালন করার পর ব্যবসায়ীরা আজ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে দাবি করে ব্যবসায়ী এই নেতা বলেন, আমরা আজ ভাগ্যাহত, আশাহত। আমরা ভেঙে পড়েছি। আর কোনো সমাধানের পথ খুঁজে পাচ্ছি না। তাই আজ আমরা কান্না শুরু করেছি। আল্লাহর কাছে দোয়া করা ছাড়া উপায় নেই। আল্লাহ আমাদের একটি পথ দেখাও।
সরকারের উদ্দেশে কাজী আকরাম বলেন, মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেয়া আপনাদের অতীব দায়িত্ব। তাই মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আর অন্যদের বলব আর ভোগাবেন না। রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান করুন। সংলাপ ও সমাঝোতা যেভাবেই হোক সঙ্কট নিরসন করুন।
চলমান সহিংসতায় কোনো রাজনৈতিক কর্মী মারা যাচ্ছে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ বা ছাত্রশিবির কেউ মারা যাক তা আমরা চাই না। কিন্তু সহিংসতায় মারা যাচ্ছে শ্রমিক। এটা কারো কাম্য নয়।
তিনি অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ করার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনারা হরতাল অবরোধ বন্ধ করুন, তাহলে আমরা সরকারকে চাপ দেব শান্তির পথে আসার জন্য।
সভাপতির বক্তব্যে নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী দ্বীন বলেন, ব্যবসায়ীরা সরকারকে বাঁচিয়ে রেখেছে। কিন্তু সেই ব্যবসায়ীরা আজ পথে বসেছে। তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, দেশ ও জনগনের স্বার্থে আপনারা একটু নমনীয় হন, ছাড় দেন। তাহলে আপনা আপনি সমাধান হয়ে যাবে। আগামী ২৬ মার্চের আগে দেশের এ পরিস্থিতির সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ ব্যবসায়ী নেতা।
রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলমীন বলেন, হরতাল অবরোধে আবাসন খাতের হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। অবস্থা খুবই খারাপ। এর দায় নেবে কে?
ট্যুরিজম ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টিডাব) সভাপতি জামিউল আহমেদ বলেন, এক সময় হয়তো আন্দোলন শেষ হবে। কিন্তু ট্যুরিজমের যে ক্ষতি হলো তা পূরণ হওয়ার নয়। অনেক ব্যবসায়ী পথে বসে যাবে। আমাদের এখন গণকান্না কর্মসূচি দেয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।
বাংলাদেশ সিএনজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মাসুদ খান বলেন, ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া এর সমাধান হবেনা। তিনি সংলাপের মাধ্যমে সরকারকে সমাধানের উপায় বের করার আহবান জানিয়ে বলেন, দুই পক্ষকেই অনড় অবস্থা থেকে সরে এসে সহিংসতা বন্ধ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সহনশীলতা দেখাতে হবে। নাহলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।
মূল প্রবন্ধে টাইম ওয়াচের উপদেষ্টা সম্পাদক বজলুর রায়হান বলেন, হরতাল অবরোধের কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে পড়েছে। পোশাক, কৃষি, পোল্ট্রি, আবাসন খাত, পর্যটন, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। এ থেকে উত্তরণে রাজনীতিবিদদের আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব ড. মজিবুর রহমান সংলাপ সঞ্চালনা করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্র যদি ব্যর্থ হয় by মেজর জেনারেল (অবঃ) মো. মনিরুজ্জামান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মসজিদ ধর্মীয় স্থান নয়, চাইলেই গুঁড়িয়ে দেয়া যায় : বিজেপি নেতা
আসামে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে ফৌজদারি আইনে মামলা।
তবে এতেও নিজের ভুল স্বীকার করতে রাজি নন সুব্রামানিয়াম স্বামী। তার দাবি, তার বক্তব্যের সপক্ষে তার কাছে নাকি প্রমাণও আছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানান, শুক্রবার রাতে গুয়াহাটিতে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এই বিজেপি নেতা বলেন, ‘মসজিদ ও গির্জা মোটেও কোনো ধর্মস্থান নয়। এটা সাধারণ একটা ভবন মাত্র। যে কোনো সময় চাইলেই মসজিদ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া যায়। আমার সঙ্গে কেউ সহমত না হলে আমি বিতর্কে যেতে রাজি।’ তিনি বলেন, সৌদি আরবের মানুষদের কাছ থেকে এ তথ্য আমি পেয়েছি।’
ওই দিন আরেকটি অনুষ্ঠানে বিজেপির এই নেতা হিন্দুবাদী সংগঠন আরএসএসের সঙ্গে সুর মিলিয়ে দাবি করেন সব ভারতীয় মুসলমান আদতে হিন্দু। বিজেপি নেতার এ মন্তব্যের বিরুদ্ধে শনিবার গোটা আসামজুড়েই একাধিক সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। রাস্তায় দাহ করা হয় সুব্রামানিয়াম স্বামীর কুশপুত্তলিকা। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ (বি) ও ১৫৩ (এ) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি (কেএমএসএস)। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। কেএমএসএসের সভাপতি অখিল গগৌর অভিযোগ, ‘বিধানসভা নির্বাচনের মুখে বিজেপি এ রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইছে। মুসলিমদের বিরুদ্ধে স্বামীর এ বিতর্ক সেই ষড়যন্ত্রের অংশমাত্র। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আসাম সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি এ রাজ্যে তার প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক।’
আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈও স্বামী ও বিজেপির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আসামের অনুভূতির ওপর এ ধরনের আঘাত হানার অনেক মূল্য দিতে হবে বিজেপিকে।’
এদিকে, বিতর্কিত মন্তব্যের আসামের রাজ্য বিজেপিও সুব্রামানিয়ামের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘এ মন্তব্য স্বামীর ব্যক্তিগত, এর সঙ্গে আমাদের দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে এই বিষয়ে আমরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে চিঠি লিখব।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিখোঁজের ঘটনাগুলোর যোগসূত্র রয়েছে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় সে রাতের ঘটনা
উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টর কল্যাণ সমিতির নিরাপত্তারক্ষী মনসুর আহমেদ জানান, আমার রাতের বেলায় বেশি ডিউটি থাকে। ১৩/বি নম্বর রোডের মাথায় আমাদের প্রধান অফিস। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তাচৌকি রয়েছে। তিনি আরও জানান, রাতের বেলায় সাইকেল নিয়ে আমি ৩ নম্বর সেক্টরের বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিই। আবাসিক এলাকা হওয়ায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় লোকজনের আনাগোনা কমে যায়। সেদিন ১১ নম্বর রোডের মাথায় একটি আবাসিক ভবনের সামনে সাদা মাইক্রোবাস দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। সুঠাম দেহের ছয় থেকে সাতজন যুবক। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দেয়। এরপর আমি নিজের কাজে চলে যাই। আরেক নিরাপত্তারক্ষী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টায় ১৩/বি নম্বর রোডের ৪৯ নম্বর বাড়িতে ওই মাইক্রোবাসটি দাঁড়ায়। পরে ওই বাড়ির এক ব্যক্তিকে তারা তুলে নিয়ে চলে যায়। তাকে কেন ধরা হচ্ছে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে ওই মাইক্রোবাসের লোকজনের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, আসামি হিসেবে তাকে ধরা হয়েছে। ওই নিরাপত্তারক্ষী জানান, তাদের গায়ে কোন বাহিনীর পোশাক ছিল না। তবে একজনের হাতে রাইফেল দেখা গেছে। ওই বাড়ির সামনের ৫১/সি নম্বর বাড়ির এক দারোয়ান জানান, দায়িত্বরত অবস্থায় সেদিন বাড়ির বাইরে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন যুবককে আসতে দেখেন। তারা গাড়ি থেকে নেমেই বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের মারধর শুরু করে। পরে শুনি ওই বাড়িতে আশ্রয় নেয়া বিএনপির এক নেতাকে ধরে নিয়ে গেছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে ওই বাড়ির বাসিন্দারাও বাড়িতে থাকছেন না। নিরাপত্তাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করলেও তারা আতঙ্কে আছেন বলে জানিয়েছেন। যে ফ্ল্যাট থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদকে তুলে নেয়া হয় ওই বাসায় থাকা গৃহকর্মী ফাতেমা জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কয়েক দফায় তার কাছ থেকে তথ্য জানতে চেয়েছে। তবে তিনি এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কোন কথা বলতে রাজি হননি। তিনি শুধু বলেন, আপনাদের সঙ্গে কথা বললে আমার ক্ষতি হবে।
হাইকোর্টে প্রতিবেদন: ‘সালাহউদ্দিনের খোঁজ পায়নি’ কোন বাহিনী
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদকে খুঁজে বের করে আদালতে হাজির করতে জারি করা রুলের শুনানি আজ পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী এবং বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ শুনানি মুলতবি করে। এদিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ঢাকা মহানগর পুলিশ, র?্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র?্যাব, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের বিশেষ শাখার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। প্রতিটি বিভাগই জানায়, সালাহউদ্দিন আহমেদকে পুলিশের কোন শাখা আটক বা গ্রেপ্তার করেনি। তাকে খুঁজেও পাওয়া যায়নি। পুলিশ তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে। অ্যাটর্নি জেনারেল রুল নিষ্পত্তি করে দেয়ার আবেদন জানান। সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, আমরা পুলিশের প্রতিবেদনের অনুলিপি পাইনি। এ বিষয়ে আমাদের কিছু জবাব দেয়ার আছে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মামলা। এর সঙ্গে মানুষের জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন জড়িত। পরে আদালত আজ পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করে।
পরিবারের সদস্যদের দেয়া তথ্যমতে, গত মঙ্গলবার রাতে উত্তরার একটি বাড়ি থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদকে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে যায়। তার সন্ধান চেয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। সেদিন হাইকোর্ট তাকে কেন খুঁজে বের করে হাজির করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিল। একইসঙ্গে আদালত এও মন্তব্য করেছিল, যে কোন নিখোঁজ নাগরিককে খুঁজে বের করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
সালাহউদ্দিনকে ফেরত দিন: ন্যাপ-এনডিপি
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ২০দলীয় জোটের মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমেদকে অক্ষত অবস্থায় তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছে জোটের শরিক দল এনডিপি ও ন্যাপ। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া সরকারের দায়িত্ব। সরকার যদি এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তাহলে তাদের ক্ষমতায় থাকার কোন অধিকার নেই। সালাহউদ্দিন আহমেদ একজন রাজনীতিবিদ। তাকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে না দেয়া হলে দেশের রাজনীতিতে কালো ক্ষত সৃষ্টি হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার রাজনৈতিকভাবে আন্দোলন মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে গুম, হত্যা, জেল-জুলুমের মাধ্যমে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা করছে। একজন সাবেক প্রতিমন্ত্রীকে উঠিয়ে নিয়ে গায়েব করে ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের নিখোঁজের ঘটনার দায় বর্তমান সরকার কোনভাবেই এড়াতে পারে না। সালাহউদ্দিনের কিছু হলে তার দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। আমরা আশা করি, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকার সালাহউদ্দিন আহমেদকে আদালতে হাজির করবে। ওদিকে আরেক বিবৃতিতে ২০ দলীয় জোটের শরিক দল এনডিপি’র চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সরকারকেই উদ্যোগী হতে হবে। দেশব্যাপী চলমান অবরোধ-হরতাল বন্ধ করতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সংলাপে অবশ্যই বসতে হবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ফর্মুলা সরকারকেই বের করতে হবে। যেই ফর্মুলায় সকল দল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে। বিবৃতিতে তারা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদসহ যাদেরকে গুম করা হয়েছে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির দাবি জানান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দানবপ্রজন্ম বানাচ্ছে আইএস
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মসজিদ ধর্মীয় স্থান নয়, চাইলেই গুঁড়িয়ে দেয়া যায় : বিজেপি নেতা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে গির্জায় বোমা হামলা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দানবপ্রজন্ম বানাচ্ছে আইএস
তিনি বলেন, এই শিশুদের কিছু করারও নেই। মধ্যপ্রাচ্যের এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় শিকার তারাই। তবে এটি মানবজাতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে।
এদিকে আইএসের গত মাসে প্রকাশিত অপর ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সিরিয়ার ‘কুবস’ ক্যাম্পে ৫ বছর বয়সী শিশুদের সামরিক স্টাইলে ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে। হিউমান রাইটস ওয়াচ এক অনুসন্ধানে জেনেছে, সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য শিশুদের ব্যাপকহারে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। গত বছরের নভেম্বরে জাতিসংঘ কমিশনের প্রতিবেদনেও এসব কথা উঠে এসেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলের ভিডিও
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপহরণ নিয়ে ধূম্রজাল by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
কিন্তু সংবাদপত্রের তো এ রকম হওয়ার কথা ছিল না। সংবাদপত্র বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কাছ থেকে এ রকম দায়িত্বহীন আচরণ কেউ আশা করে না। এ কাজের ফলে সমাজে ব্যাপক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। আমরা বশংবদ মিডিয়া সব সময় সে দিকে খেয়াল রাখতে পারি না। এসব ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ও তার ঢাকবাদকদের কোনো কর্মকাণ্ডই আখেরে ধরা দেয় না। সাম্প্রতিক ইতিহাসে আমরা দেখি, ১৯৭৯ সালে এত বড় ক্ষমতাধর ইরানের শাহের পতন ঘটিয়েছিল মাত্র কিছুসংখ্যক সামরিক প্রশিক্ষণার্থী। আর ১৯৫২ সালে কিউবার জনধিকৃত কার্লোস সরকারের পতন ঘটিয়েছিল কিছু অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা মাত্র ৭৭ মিনিটের মধ্যে। সুতরাং কখন যে কোথায় কিভাবে কী হবে, সেটি নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারে না। আর তাই স্বৈরশাসকেরা সব সময়ই খুব অস্থির থাকেন। তার ফলে সাময়িকভাবে তা হয়ে ওঠে গোলযোগপূর্ণ, দীর্ঘমেয়াদে হয় বিপর্যয়কর।
তেমনি একটা নজির আমরা দেখলাম বাংলাদেশের বর্তমান বহু বিতর্কিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে। একশ্রেণীর দায়িত্বহীন সরকারের দালাল মিডিয়া পূর্বাপর বিবেচনা না করেই, চিলে সত্যি সত্যি কান নিয়েছে কি না না দেখেই একেবারে শোরগোল করে ফেলল যে, যুক্তরাষ্ট্রের এক আদালত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক জাসাস (জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা) নেতার ছেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন। কিন্তু এই সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও দায়িত্বহীন। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগে ফের ষড়যন্ত্রতত্ত্বের আবির্ভাব। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাংলাদেশে এখন সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ বা হত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে যে শোরগোল হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। বাংলাদেশের সংসদে যা হলো তা-ও সম্পূর্ণ অমূলকÑ চিলে কান নিয়েছে ধরনের। যে সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্টে গলা থরথর করে কাঁপিয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন, তারাও সংবাদটির উৎস খুঁজে দেখতে চাননি। এভাবে গালিগালাজ করলে হয়তো প্রধানমন্ত্রী খুশি হন, সে কারণে তারা গালিগালাজ করেই গেছেন। কেউ তলিয়ে দেখেননি।
গত ৪ মার্চ দক্ষিণ নিউ ইয়র্ক ডিস্ট্রিক্টের বিচারক ভিনসেন্ট বিক্কেট্টি এক মামলায় রায় দিয়েছেন। সে মামলার রায় নিয়ে বাংলাদেশের কোনো কোনো দায়িত্বহীন মিডিয়া এমন সব গপ্পো প্রচার করে বসেছে যে, বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্রে ধরা খেয়েছেন। এই প্রচারণাও সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে ওই মামলাটির ছিল দু’টি দিক। প্রথমত, একজন এফবিআই এজেন্টের অর্থের বিনিময়ে কিছু অপ্রকাশিতব্য অতি গোপনীয় দলিল অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করা। যারা এফবিআইকে এভাবে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করে, যুক্তরাষ্ট্রের আইনে তারা অপরাধী বলে বিবেচিত হয়। আর যে এভাবে প্রলুব্ধ বা প্ররোচিত হয় সেই এফবিআই এজেন্টও মার্কিন আইনে অপরাধী সাব্যস্ত হয়। এফবিআই এজেন্ট রবার্ট লাস্টিকের কাছে তৃতীয় পক্ষ ঘুষের বিনিময়ে যা দাবি করেছিল তা সরবরাহ করা হয়নি এবং যে ঘুষ দেয়ার চুক্তি হয়েছিল সে অর্থও এফবিআই এজেন্টকে দেয়া হয়নি। কিন্তু দেয়া হোক বা না হোক, যুক্তরাষ্ট্রের আইনে তা সমান অপরাধ।
আদালতের বিবেচনায় লাস্টিক পাঁচ ধরনের অপরাধ করেছেন। ঘুষসংক্রান্ত ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ঘুষ গ্রহণে রাজি হয়েছেন, মার্কিন নাগরিক ও এফবিআইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, সরকারি গোপন দলিল চুরিতে রাজি হয়েছেন এবং কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে অননুমোদিতভাবে তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হয়েছেন। এ কারণে ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্কের সংশ্লিষ্ট আদালত রায় দেবেন ৩০ এপ্রিল। আমরা অপেক্ষা করতে পারি সে রায়ে কী দাঁড়ায়।
তবে মামলায় ইতোমধ্যে যারা সাজা পেয়েছেন তারা হলেন কানেকটিকাটের রিজভী আহমেদ সিজার এবং নিউ ফেয়ার ফিল্ডের জোহানেস থ্যালর। তাদের দু’জনকে যথাক্রমে ৪২ মাস ও ৩০ মাসের সাজা দেয়া হয়েছে। কারণ, তারা ঘুষ দিতে চেয়েছিলেন। রিজভী আহমেদ থ্যালরকে ব্যবহার করে এবং ঘুষ দিয়ে এফবিআইয়ের একটি গোপন রিপোর্ট বের করতে চেয়েছিলেন। এগুলো মার্কিন আইনে অপরাধ। তা নিয়েই তুলকালাম। দুর্ভাগ্য হলো এই যে, মূল যে ব্যক্তি যাকে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, তার মামলা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। তিনি এফবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির একজন বন্ধু মাত্র। রিজভী থ্যালরের মাধ্যমে লাস্টিকের কাছ থেকে ঘুষদানবিষয়ক এফবিআইয়ের এক রিপোর্ট সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মূল আসামি এখনো কোনো শাস্তির মুখোমুখি হয়নি। যে দু’জনকে শাস্তি দেয়া হয়েছে, তাদের অপরাধ হলো তারা কেন অন্যায়ভাবে একটি গোপন দলিলের কপি সংগ্রহ করার চেষ্টা করলেন।
এ ঘটনার পর বাংলাদেশে যে প্রচার-প্রপাগান্ডা চলল, তার মূল হলো, কারা যেন সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সাপ্তাহিক হলিডে তাদের তদন্তে দেখতে পেয়েছে, এফবিআইয়ের ওই ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টে এমন একজন মার্কিন নাগরিক রয়েছেন, যিনি বাংলাদেশের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এক ব্যক্তির অতি ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও মার্কিন নাগরিক। এ ক্ষেত্রে আকস্মিকভাবে আবির্র্ভূত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এবং আইটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গত ৯ মার্চ তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, তিনি নিজে এই ষড়যন্ত্রের একজন ভুক্তভোগী এবং রিজভী আহমেদ জাসাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনের ছেলে। কিন্তু আদালতের বিবেচনায় এর কোনো কিছুই অন্তর্ভুক্ত ছিল না। রিজভী আহমেদ যখন তার প্রথম পথে সাফল্য পাচ্ছিলেন না, তখন তিনি দ্বিতীয় পথ অবলম্বন করেন। এফবিআই এজেন্ট লাস্টিকের অন্য এক বন্ধুর সাহায্য নেয়ার চেষ্টা করেন। তখন রাগ হয়ে লাস্টিক থ্যালরকে একটা ই-মেইল পাঠান। তাতে তিনি বলেন, ‘আহমেদকে বলো যে, আমি অভিযুক্তের নাম্বার পেয়েছি। দরকার হলে পেচ্ছাব করে দেবো। আহমেদরা যা করছে তা অভিযুক্তের কাছে বিক্রি করে দেবো। সুতরাং তাকে পয়সা দিতে হবে। নইলে তাকে চিপড়ে ছাড়ব।’
এ থেকে বোঝা যায় যে, লাস্টিক রিজভী আহমেদকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছিল। কারণ, রিজভী অন্য সূত্রও কাজে লাগাচ্ছিল। রিজভী আহমেদের লক্ষ্য ছিল, এফবিআইয়ের অন্য কারো মাধ্যমে ওই দলিল হস্তগত করা। কিন্তু তা পছন্দ করেনি লাস্টিক। লাস্টিক দলিলও দিলেন না। ব্ল্যাকমেইলও করলেন। রাগান্বিত লাস্টিক এক বার্তা দিলেন যে, কোথাও কেউ এক ‘বাংলাদেশী রাজনীতিককে হত্যা’ করতে চাচ্ছে এবং এই বার্তা অভিযুক্তের কাছে পৌঁছে দেবে সে। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, এফবিআই এজেন্ট লাস্টিক তার সাথে যোগাযোগকারীর বিরুদ্ধে বড় বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিলেন। এর সাথে এলো হত্যার হুমকির ঘটনা। এফবিআই এজেন্ট ব্ল্যাকমেইল করার জন্য যা বললেন, সেটাই এখন হু হু ভাবে চলছে। যুক্তরাষ্ট্রে জাসাস নেতার ছেলে কী করতে চেয়েছিলেন বা চাননি, এগুলো গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যা করতে চেয়েছেন এমন কথা জয়ই প্রকাশ করলেন। কেউ তো বলেনি যে, গোটা বিষয়টির সাথে জয় জড়িত আছেন। কিন্তু ৯ মার্চ জয় অকারণেই তার ফেসবুকে বলে বসলেন, নিউ ইয়র্কের আদালতে শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে হত্যার চেষ্টা করেছে। কোথায় একটি গোপন দলিল সংগ্রহের চেষ্টা, আর কোথায় জয়কে হত্যার চেষ্টাÑ ধুলায় অন্ধকার। জয় সেখানে আরো আবিষ্কার করলেন, বিএনপি তাকে হত্যা করতে চায়, অপহরণ করতে চায়, খুন করতে চায়। আজব! আসলে রিজভী আহমেদ কী দলিলের জন্য এফবিআইকে ঘুষ দিতে চেয়েছিলেন তা এখনো প্রকাশ হয়নি।
কিন্তু সাপ্তাহিক হলিডের রিপোর্টে দেখা যায়, জনাব আহমেদ যে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলেন তার সাথে জয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ঘটনাটি পরিষ্কারভাবে এই যে, এক ব্যক্তি এফবিআই এজেন্টকে ঘুষ দিয়ে একটি গোপন দলিল সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছে। এর বাইরে আর কিছু নেই। তাহলে জনাব জয় কেন আগবাড়িয়ে বলতে গেলেন, দলিল সংগ্রহের চেষ্টাকারী তাকে হত্যা করতে চায়?
তবে সঙ্গত কারণেই সবার মনে প্রশ্ন, কী আছে ওই গোপন দলিলে? বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী এক সাপ্তাহিক অনুসন্ধান করে দেখেছে, দলিলটি মার্কিন তেল কোম্পানি শেভরনকে নিয়ে। ২০০৯ সালে উৎপাদন বণ্টন চুক্তির অধীনে পাঁচ কোটি ২৭ লাখ ডলারের একটি কন্ট্রাক্ট পেতে শেভরন বাংলাদেশের প্রভাবশালী রাজনীতিকদের ঘুষ দিয়েছে। অন্যান্য তথ্যের মধ্যে এফবিআই জানতে পারে, যাদের ঘুষ দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী একজন ক্ষমতাশালী বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্যক্তি। শেভরনের সাথে আরো নানা ধরনের জটিলতার কারণে বিষয়গুলো মীমাংসার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরী ২০০৯ সালের ডিসেম্বরের শেষে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। তিনি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য শেভরন এবং ওই প্রভাবশালী বাংলাদেশী রাজনীতিকের সাথে বৈঠক করেন।
এ দিকে বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় ইন্সপেক্টর জেনারেলের বিচারিক অফিস। সে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় এমিলি রায়ে উডকে। কিন্তু এই সূত্র ও অন্যান্য প্রচারমাধ্যমের খবর দেখে এফবিআই চাতুর্যের সাথে শেভরন ও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকের ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিশ্বস্ত সূত্রের উল্লেখ করে ঢাকার সাপ্তাহিকটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী ওই বাংলাদেশী রাজনীতিকের বেশ কিছু কোম্পানিতে ৩০ কোটি ডলার সন্দেহজনক জমা হয়েছে।
এ দিকে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্রে দেখা যায়, গোপন তথ্য পেতে কোনো ঘুষের লেনদেন হয়নি। কিন্তু মার্কিন আইন অনুযায়ী ঘুষ দেয়া-নেয়ার চেষ্টাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে ঘুষ দিয়ে গোপন দলিল সংগ্রহের চেষ্টার দায়ে দুই ব্যক্তির সাজা হয়েছে। তার সাথে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ বা খুন কিংবা জাসাস নেতার সংশ্লিষ্টতার কোনো উল্লেখ কোথাও নেই। কেউ কলা খায় কি খায় না, তা-ও কেউ জানতে চায়নি। তাহলে জায়গায় বইসা আওয়াজ দিচ্ছেন কেন?
আমাদের গণমাধ্যম বা সংসদের শেষ পর্যন্ত বোধোদয় হবে কি?
লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
rezwansiddiqui@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেফহোম থেকে মায়ের কোলে
ছেলেকে জড়িয়ে ধরে নিজের ভাষার টানে জানালেন প্রতিক্রিয়া, ‘পরথম আলো পত্রিকাটারে বড় এখটা ধন্যবাদ। দুইটা বছর পর আমি আমার চানমুখ (ছেলে) ফিইরা পাইছি!’
প্রতিলা সিমসাং যে ছেলেকে ফিরে পেলেন, সে গত বছরের জুন মাস থেকে সিলেট নগরের বাগবাড়িতে সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত ‘মহিলা ও শিশু-কিশোরী নিরাপদ আবাসন-সেফহোম’-এর বাসিন্দা ছিল। বাক্প্রতিবন্ধী হওয়ায় সেফহোম নথিতে তার পরিচয় ছিল ‘অজ্ঞাত প্রতিবন্ধী শিশু’। সেফহোমে তাকে ‘রাসেল’ নামে ডাকা হতো। গত বুধবার প্রথম আলোয় ‘ফিরতে উন্মুখ ১১ মুখ’ শিরোনামে সচিত্র একটি প্রতিবেদন দেখে গত বৃহস্পতিবার সেফহোমে এসে শিশুটিকে শনাক্ত করেন তার মা। তিনি জানান, ‘রাসেল’-এর প্রকৃত নাম তন্ময় সিমসাং, বয়স ১৬। সেফহোম সূত্রে জানা যায়, শিশুটি আদিবাসী পরিবারের বলে নিশ্চিত হওয়ার পর মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে সিলেটের বেসরকারি সংস্থা এফআইভিডিবির আইনজীবীর মাধ্যমে সিলেট মহানগর আমলি আদালত-৩-এ উপস্থাপন করা হয়। গতকাল রোববার বিচারক আনোয়ারুল হক এক আদেশে শিশুটিকে মায়ের জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেন। সেফহোমের প্রধান বার্তাবাহক হাবিবুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা বিকেলে সেফহোমে পৌঁছালে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সেফহোমের ফটক খোলা হয়। ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তন্ময়ের মাসহ পরিবারের সদস্যরা। ভেতর থেকে তাকে বিদায় দেয় সেফহোমের অন্য বাসিন্দারা। ছেলেকে নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায়ই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করেছেন প্রতিলা সিমসাং। প্রতিলার সঙ্গে এসেছিলেন স্বামী প্রীতিন নখরে। জানালেন, দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে তন্ময় সবার ছোট। বাক্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে মধুপুরের একটি মিশন স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। স্কুলে যাওয়ার পথে প্রায় দুই বছর আগে নিখোঁজ হয় তন্ময়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মেলেনি। বুধবার প্রথম আলোর সংবাদ দেখে তন্ময়ের খালাতো ভাই সিলেটে এসে শনাক্ত করে, পরে পরিবারকে খবর দেয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগ কর্মীদের বাধায় নিউ ইয়র্কে সংবাদ সম্মেলন ভণ্ডুল
এরই পরিপ্রেক্ষিতে জাসাস নেতার ছেলে শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৫টায় নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের ফুডকোর্ট রেস্তরাঁয় সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেন। এ খবর পেয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই ড. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী ফুডকোর্ট রেস্তঁরা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় তারা প্রকাশ্যেই ঘোষণা দেন, আজ এখানে আমরা বাংলাদেশী স্টাইলে এ সংবাদ সম্মেলন প্রতিহত করবো। আওয়ামী লীগের এমন মারমুখী অবস্থানের খবর পেয়ে সংবাদ সম্মেলন দেড় ঘণ্টা বিলম্ব হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই তরুণ দুজন পুলিশ সদস্য বেষ্টিত হয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। তার পিতা মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন আগে থেকেই সেখানে বসা ছিলেন। তবে স্থানীয় বিএনপির কোন নেতাকে সেখানে দেখা যায়নি।
লিখিত বক্তব্যে অভিযুক্ত তরুণ গণমাধ্যমে আসা তথ্যের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তবতার মিল নেই বলে দাবি করেন। এতে তিনি তার নিজের অবস্থান ও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
সিজার সংবাদ সম্মেলনস্থল ত্যাগ করার পর সেখানে ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, রিজভী আহমেদ সিজার একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সে কোর্টের পারমিশন ছাড়া কিভাবে প্রেস কনফারেন্স করতে চায়? এ রকম একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আমরা সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ দিতে পারি না। সংবাদ সম্মেলন করতে হলে তাকে কোর্টের পারমিশন নিয়ে আসতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অশীতিপর লক্ষ্মীরানী এখনো বয়স্ক ভাতার স্বপ্ন দেখেন
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়িয়া গ্রামের হালদারপাড়ায় বাস লক্ষ্মীরানীর। তাঁর জন্ম ১৯২২ সালের ১৪ অক্টোবর। বহু আগেই বসতভিটাসহ তাঁর সবটুকু জমি পদ্মায় ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়েছে। নিশ্চিহ্ন হয়েছে গ্রামের পালপাড়াটিও। বর্তমানে আরামবাড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনে হালদারপাড়ায় তিনি ছেলে ও নাতি-নাতনির সংসারে বসবাস করছেন। মৃৎশিল্পের চাহিদা কমতে থাকায় তাঁদের আয়ও কমে গেছে। ভীষণ অভাব তাঁদের সংসারে। তবে লক্ষ্মীরানী বসে নেই। নিজের হাতে এখনো তিনি মাটির জিনিসপত্র তৈরি করেন। অর্থকষ্ট থাকলেও কারও কাছে সাহায্যের জন্য হাত বাড়াননি। তিনি মনে করেন, সরকারি বয়স্ক ভাতা পেলে কিছুটা হলেও তাঁর অভাব দূর হতো। এ জন্য তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও সদস্যের কাছে কয়েকবার ধরনাও দিয়েছেন। কিন্তু লক্ষ্মীরানীর ভাগ্যে কার্ড মেলেনি।
লক্ষ্মীরানী বলেন, ‘ছিলি-পুলির সংসারে থাকি, খানেওয়ালা ১২ জন। অভাব লাগি আছে। বয়স তো কম হলি না। এ বয়সে কার কাছে টাকার জন্যি হাত পাততাম! ভাতার (বয়স্ক ভাতা) টাকা পেলি আমি সেই টাকা দিয়ি অনেক কিছু কিনতে পারতাম, আমার উপকারও হতি।’ তাঁর প্রশ্ন, ‘আমার আর কত বয়স হলি একখানা ভাতার কার্ড পাব, বাবা?’
ইউপি চেয়ারম্যান জার্জিস হোসেন জানান, চলতি অর্থবছরে তাঁর ইউনিয়নে মাত্র ৪৯টি বয়স্ক ভাতার কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এলাকার ইউপি সদস্যদের তালিকা অনুযায়ী বয়স্ক ভাতার সেসব কার্ড তৈরি করা হয়েছে। লক্ষ্মীরানী তাঁর কাছে কখনো বয়স্ক ভাতার জন্য আসেননি বলে তিনি দাবি করেন। তবে ভবিষ্যতে লক্ষ্মীরানীকে একখানা বয়স্ক ভাতার কার্ড দেবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন।
ঈশ্বরদী উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল কাদের জানান, ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে তাঁরা বয়স্ক ভাতার তালিকা করে থাকেন। তবে বয়স ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় লক্ষ্মীরানীর নাম বয়স্ক বা বিধবা ভাতার তালিকায় দেওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১ পাউন্ডের বিরল মুদ্রা ৪৬,০০০ পাউন্ডে বিক্রি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লুটেরা ও অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগের জন্য অভিশাপ by মো: মাইনুল হক
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাছের নিচে পাঠদান
![]() |
| ঝিনাইদহের জাড়গ্রাম-রাউতাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের গাছের নিচে পড়ানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সম্প্রতি তোলা ছবি l প্রথম আলো |
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সাগর হোসেন বলে, গাছের নিচে মাদুর বিছিয়ে এভাবে ক্লাস করতে ভালো লাগে না। তার পরও অনেক সময় ছায়াঘেরা জায়গার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এক ক্লাস শেষ হলে আরেক ক্লাসের শিক্ষার্থীরা বসছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকিরুল ইসলাম বলেন, তিনি এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন ২০১৩ সালের ২ মার্চ। এখানে এসেই দেখেন বিদ্যালয়ের ভবনগুলো বেহাল। ভবনগুলো নির্মাণ করা হয়েছে ৩০-৪০ বছর আগে। এরপর আর সেগুলোর কোনো সংস্কার হয়নি। তিনি আরও বলেন, টিনশেড ভবনটি ও পূর্ব পাশের পাকা ভবনটি ২০১৩ সালের ২ জুন জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সিলগালা করা হয়। বাকি থাকে দুই কক্ষের একটি ভবন, যে ভবনটির ছাদের অনেক স্থানে ফাটল ধরেছে। ইট-বালু খুলে খুলে পড়ছে। সেটিও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
জাকিরুল ইসলাম বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে তিন শতাধিক শিশু পড়ালেখা করছে। দুই পালায় বিদ্যালয় পরিচালনা করলেও তাঁদের তিনটি ক্লাসরুম প্রয়োজন। সেখানে একটিও নেই। তাই গাছের নিচে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। তবে আগামী বর্ষা মৌসুমে কীভাবে ক্লাস চালাবেন, তা নিয়ে এখন তাঁরা চিন্তায় আছেন।
প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সহসভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে তাঁদের বিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে ঢাকার প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়েছে। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজন বলে ঢাকায় জানানো হয়েছিল। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিবপদ দে বলেন, বিদ্যালয়ের অবস্থা খারাপ দেখে তাঁরা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। আশা করছেন, দ্রুত এখানে নতুন ভবন হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রেলের জায়গায় বহুতল ভবন
![]() |
| নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেল বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে বিপণিবিতান। সৈয়দপুর শহীদ ডা. জিকরুল হক রোড এর ছবি l প্রথম আলো |
সৈয়দপুর বণিক সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী জানান, রেলওয়ের জায়গায় গড়ে তোলা মনিহারিপট্টি ও পৌর ক্লথ মার্কেটের ২০০ অস্থায়ী দোকান গত ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি আগুনে পুড়ে যায়। এতে শতকোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। ওই জমি নিয়ে পৌরসভার সঙ্গে রেলওয়ের বিরোধ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। গতকাল রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের প্রধান সড়ক শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডে পাঁচটি, বিমানবন্দর সড়কে একটি ও শহীদ ডা. সামসুল হক রোডে ছয়টি বহুতল বিপণিবিতান নির্মাণের কাজ চলছে। সবগুলোই রেলওয়ের জায়গায়।
জিকরুল হক রোডে নির্মাণাধীন ভবনের দোকান মালিক ও পুড়ে যাওয়া মার্কেটের মনিহারিপট্টির ব্যবসায়ী মোহন আলী বলেন, ‘আগুন আমাদের পথে বসিয়েছে। আমরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ধার করে সবাই মিলে আবার মার্কেট নির্মাণ করছি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আমাদের উচ্ছেদ করবে না বলে বিশ্বাস করি।’
জিকরুল হক ও সামসুল হক রোডের মাঝামাঝি জায়গায় নির্মাণাধীন পৌর ক্লথ মার্কেটের অন্যতম মালিক জুবায়ের আলম বলেন, পুড়ে যাওয়ার ভয় থেকেই এবার স্থায়ী ভবন করা হচ্ছে। বিমানবন্দর সড়কে নির্মাণাধীন বিপণিবিতানের দোকান মালিক ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সদস্য শাহিন আক্তার বলেন, ‘রেলওয়ের জমিতে তো কত ভবনই হচ্ছে। তাই আমরাও নতুন পাকা মার্কেট বানাচ্ছি।’
রেলওয়ের সূত্রমতে, রেলওয়ের জমির বাণিজ্যিক ইজারা থাকলে সেখানে অস্থায়ী স্থাপনা করা যেতে পারে, স্থায়ী ভবন নির্মাণ বেআইনি। সৈয়দপুরের ব্যবসায়ীরা সেই বিধি লঙ্ঘন করায় ৮ মার্চ ৭০ জন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রেলওয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সৈয়দপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, বিএনপির সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা শাখার সদস্য শাহিন আক্তার ও শওকত হায়াতের নাম আছে। মূলত প্রভাবশালী একটি মহল ব্যবসায়ীদের নিয়ে সিন্ডিকেট করে ভবনগুলো নির্মাণ করছে।
মামলার বাদী বাংলাদেশ রেলওয়ের ফিল্ড কানুনগো (বিজি) মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যেসব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাঁদের অনেকের মার্কেটে ৩০টিরও বেশি দোকান আছে। মানবিক কারণে পুড়ে যাওয়া দোকানদারদের বিরুদ্ধে রেলওয়ে নমনীয় আচরণ দেখাচ্ছিল। কিন্তু এই সুযোগে ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট অসংখ্য বহুতল ভবন নির্মাণ করছে। মামলা ছাড়াও এসব স্থাপনা সরিয়ে নিতে ৭২ জন ব্যবসায়ীকে উকিল নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
গত শুক্রবার এসব অবৈধ স্থাপনার নির্মাণ ঠেকাতে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা (ডিইও) মোস্তাক আহমেদ ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এতে তিন দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। মোস্তাক আহমেদ বলেন, সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) নূর আহমেদ হোসেন বলেন, ‘এসব অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে আমরা বারবার ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি। তাঁরা আমাদের কথা আমলে নেননি। বিষয়টি ওপরে জানানো হয়েছে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেহেরপুর ও মাগুরায় ছাত্রলীগের তাণ্ডব- কলেজ ও পাসপোর্ট অফিস ভাঙচুর
![]() |
| মাগুরা পাসপোর্ট কার্যালয় ও মেহেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল কলেজে গতকাল ছাত্রলীগের কর্মীরা ভাঙচুর চালান। মাগুরায় ক্ষতিগ্রস্ত টেবিলেই কাজ করছেন এক কর্মকর্তা (বাঁয়ে) l ছবি: প্রথম আলো |
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী টেকনিক্যাল কলেজের ছাত্র মোখলেছুর রহমান বলেন, টেকনিক্যাল কলেজ এবং সরকারি কলেজ শহরের প্রধান সড়কে মুখোমুখি স্থানে অবস্থিত। টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের কাছ থেকে চাঁদা না পেয়ে সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কর্মীরা কলেজের বিভিন্ন কক্ষের জানালার কাচ, দরজা ও আসবাব ভাঙচুর করেন। এ সময় শহর তরুণ লীগের কিছু কর্মী টেকনিক্যাল কলেজের পক্ষ নিলে ছাত্রলীগের কর্মীরা শহরের কলেজ মোড়ে তরুণ লীগের কার্যালয় ভাঙচুর করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে যায় তরুণ লীগ। একপর্যায়ে দুই সংগঠনের কর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও পিস্তল-রিভলবার উঁচিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বেলা ১১টা থেকে একটা পর্যন্ত দফায় দফায় এই সংঘর্ষ চলে।
টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের একটি দাওয়াতপত্র তাঁকে দেওয়া হয়। দাওয়াতপত্রে টেকনিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সই ছিল। সেখানে সম্মতি ছাড়াই তাঁকে প্রধান অতিথি করা হয়। অনুষ্ঠানের জন্য তাঁর কাছে ৪০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দেওয়ায় গতকাল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কর্মীরা টেকনিক্যাল কলেজে ভাঙচুর চালায়।
এদিকে মাগুরার পাসপোর্ট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন ওরফে সবুজ চার-পাঁচজন কর্মী নিয়ে শহরের কলেজপাড়ায় অবস্থিত পাসপোর্ট কার্যালয়ে যান। তাঁরা ঢাকায় অবস্থান করা আসাদ নামের এক ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাঁর কাগজপত্র জমা রেখে পাসপোর্ট করে দিতে বলেন। কার্যালয়ের উপপরিচালক সাজ্জাদ হোসেন কাজটি করতে অস্বীকার করেন। এতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সাজ্জাদ হোসেন ও রেকর্ড কিপার কবির হোসেনকে মারধর করেন। এ সময় চেয়ার দিয়ে উপপরিচালকের টেবিলের কাচ ও কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুরও করেন তাঁরা। এ খবর কার্যালয়ে ছড়িয়ে পড়লে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিলে সোহরাব এবং রানা ও তানভীর নামের ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে আটকে মারধর করেন।
বেলা একটার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ওই তিনজনকে উদ্ধার করে। ছাত্রলীগের আরও কিছু নেতা-কর্মী তখন সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সুদর্শন রায় ও মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মেহেদী হাসান বলেন, ‘বিষয়টি ছাত্রলীগের নয়। ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেউ অপরাধ করলে সংগঠন তার দায় নেবে না।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসমান বন্ধুত্বের বিড়ম্বনা by আহমেদ উল্লাহ ভূইয়া
আমাদের গর্বের বন্ধুরা শুধু এ ‘মহান’ দায়িত্ব পালন করেই কান্ত হননি। আমাদের প্রবাসী সরকারকে অসম ও সম্মান হানিকর চুক্তিতে আবদ্ধ হতে বাধ্য করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অহঙ্কার সর্বত্যাগী মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবাসী সরকারকেও শত্র“দের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেয়নি। শুধু তাই নয়, মুক্তিযুদ্ধের মহান সেনাপতি জেনারেল আতাউল গনি ওসমানীর এ ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে যোগদানের সৌভাগ্য হয়নি। পাকিস্তানি খুনি, ধর্ষক, লুটেরা বাহিনী এ দেশের লাখ লাখ আদমসন্তান হত্যা করেছিল, হাজার হাজার মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করেছিল, পুড়িয়ে দিয়েছিল ঘরবাড়ি। ভারত সেসব অপরাধীকে ভারতে নিয়ে যায়। আমরা মূল যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে পারিনি। বিজয়ী শক্তি হয়েও আমরা মুক্তিযোদ্ধারা অসহায় দর্শকের মতো বিজিত স্বদেশে আমাদের অবস্থান খুঁজে পাইনি। মনে হলো, অস্ত্র জমা সমর্পণের সাথে সাথে আমরা নিয়তির কাছে আত্মসমর্পণ করলাম। সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারাই এ দিক দিয়ে ব্যতিক্রম। রাষ্ট্র পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধের সমরনায়কেরা দৃশ্যান্তরে হারিয়ে গেলেন। বহিঃরাষ্ট্রের দিকনির্দেশনায় আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতি, বাণিজ্যনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি চলতে থাকায় সহসাই আমরা দেখতে পেলাম অরাজকতা, সন্ত্রাস, দুর্ভি, চোরাচালান আমাদের গ্রাস করে ফেলেছে। পড়শির প্রতি কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার দুয়ার-জানালা খুলতে গিয়ে আমরা আমাদের সীমান্তও খুলে দিয়েছিলাম। আমাদের আবেগাপ্লুত ভালোবাসার সাথে দেশের সম্পদও ভারতে চলে যায়। আবেগে বন্ধুদেশ চোখ বুজে আলীঙ্গন করতে গিয়ে চোখ খুলে দেখি, ’৭৪-এর দুর্ভি, ফারাক্কার ফাঁস, বেরুবাড়ী ভারতের অংশ। দণি তালপট্টিতে ভারতীয় সৈন্য এবং আমরা সে ভূখণ্ড থেকে বিতাড়িত।
এহেন আচরণ দেখে স্বয়ং মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানেকশ ১৯৮৮ সালের ২৮ এপ্রিল ভারতের দি স্টেটসম্যান পত্রিকার সাথে এক সাাৎকারে বলেছিলেন, ‘ভারত সরকার বাংলাদেশের সাথে বেনিয়াসুলভ আচরণ করেছে, যা যেকোনো বিবেচনায় ঠিক হয়নি।’
ব্রিটিশ শাসনের ১৯০ বছরের শোষণ-শাসন, হিংস্র হয়েনাসম জমিদারদের শোষণ-অত্যাচারের হাত থেকে মুক্ত হতে আমরা পাকিস্তানি রাষ্ট্র গঠন করেছিলাম আত্মনিয়ন্ত্রণের আশায়। কিন্তু পাকিস্তানিদের উন্নাসিকতা ও স্বৈর শাসন আমাদের নতুনভাবে স্বশাসনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। আত্মরা ও আত্মমর্যাদার তাগিদে আমরা বাধ্য হয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিই। লাখ লাখ বনি আদমের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২১৪ বছর ধরে এ দেশের মানুষ প্রতিদিনই লড়েছে। মেরেছে এবং মরেছে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার জন্য। পৃথিবীর ইতিহাসে এত দীর্ঘ সংগ্রাম, এত ত্যাগ আর কোথাও দেখা যায় না। আজো যদি বন্ধুত্বের আলীঙ্গনের চাপে শ্বাসরুদ্ধ হতে হয়, এর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে? বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর পাশে অবস্থিত ছোট রাষ্ট্রগুলো সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচারণ পেলেও আমাদের প্রতিদিন ভারতীয় সীমান্তরীদের গুলি খেয়ে প্রাণ হারাতে হয়। কিন্তু আমরা বন্ধু ভারতের প্রতিপ নই। ভারতের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রের তি করার মানসিকতাও আমাদের নেই, সামর্থ্যও নেই। অর্থনৈতিকভাবে আমরা ভারতের পণ্যের বাজার হয়ে যাচ্ছি। ভারতের প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়ের ত্রে বাংলাদেশ। আমাদের পণ্য ভারতে সহজে ঢুকতে পারে না। তাদের আকাশ সংস্কৃতির সবগুলো চ্যানেল আমাদের এখানে চলে। অথচ আমাদের একটি চ্যানেল পর্যন্ত তারা প্রচার করতে দেয় না। তা হলে ভারত কি আমাদের বন্ধু ভাবতে অস্বস্তি অনুভব করে? আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে তাদের হস্তপে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের রীতিনীতির লঙ্ঘন।
বর্তমান জোট সরকার মতার সিঁড়িতে পা না দিতেই ভারত ছুটে এলো চুক্তি করতে। নেপালের সাথে ট্রানজিট চুক্তি করার সাথে সাথেই বন্ধু ভারত প্রমাদ গুনল বাংলাদেশী যানবাহন তাদের দেশে প্রবেশ করলে তাদের তি হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতর তাদের যানবাহন ঢুকতে পারছে কী করে? ইতিহাস সাী আমরা ভারতকে বন্ধু ভাবলেও তারা আমাদের অচ্ছুৎই ভাবে। সঙ্গত কারণেই ভারতকে ’৭১-এ পেয়েছি ‘শত্র“র শত্র“’Ñ আমাদের বন্ধু হিসেবে। বাস্তবে কেন একপীয় ভালোবাসা? ফ্রান্সের প্রখ্যাত রাষ্ট্রপতি দ্য গলের ভাষায় বলতে হয়Ñ‘আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক শুধুই স্বার্থ। অন্য কিছু ভাবা অবান্তর।’
সমগ্র উত্তরবঙ্গ মরুকরণের পথে। ভারত উজানের নদ-নদীতে বাঁধ দিয়ে নদীর প্রবাহ শেষ করে দিচ্ছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের হিসাব মতে, এতে বাংলাদেশের বার্ষিক অর্থনৈতিক তি ৫৪ হাজার কোটি টাকা। প্রাকৃতিক ভারসাম্য, ভূমির লবণাক্ততার কথা নাই বা বললাম। তিস্তা নদীর ওপর ১০টি বাঁধ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি রয়েছে আরো ২৭টি। তা হলে দশ বছর পর সামান্য পানিও আসবে না। আন্তর্জাতিক রীতিনীতির তোয়াক্কা না করে একটি রাষ্ট্র ও জাতিকে পানিবঞ্চিত করার খেলা চলছে।
’৭১-এ ভারত সীমান্ত খুলে দিয়েছিল, যাতে আমরা ভারতে যেতে পারি, বিপদে আশ্রয় নিতে পারি। আজ সে ভারতই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে এমনভাবে ঘিরে দিয়েছে যেন আমাদের এ ভূখণ্ডে বিপজ্জনক শ্বাপদের বসবাস, আর এর হাত থেকে বাঁচার জন্যই তাদের আত্মরামূলক ব্যবস্থা। অথচ ভারতের পূর্বাঞ্চলের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দমনে ভারত আমাদের এ জনবহুল ুদ্র ভূখণ্ড ব্যবহার করতে চায়। এ চাওয়া মনে হয় প্রত্যাখ্যাত হবে না। পায়ের সাথে পাদুকা বিনিময় করার ইতিহাস আমরা আগেও সৃষ্টি করেছি। বেরুবাড়ী হস্তান্তর করলেও তিনবিঘা হস্তান্তর চুক্তি ভারত আজো অনুমোদন করেনি। জাতীয় সম্পদের সাথে সাথে জাতীয় স্বার্থ ও ভূখণ্ড দানখয়রাতের ‘বদান্যতা’ আমাদের রাজনীতিবিদদের আগেও ছিল, এখনো আছে।
এ দিকে হাজার হাজার বোতল ফেনসিডিল, শত শত কেজি গাঁজা, হেরোইন, অবৈধ অস্ত্র সীমান্ত গড়িয়ে বাংলাদেশে আসছে। বাংলা ভাষায় কথা বললে তারা সন্দেহ করেÑ এরা বাংলাদেশী। হয়তো কোনো কারণে সে দেশে চলে গেছে। তাই দল বেঁধে পাঠিয়ে দেয়Ñ যাকে আমরা ‘পুশ ইন’ বলে থাকি। অভিন্ন নদীর পানিও বাংলাদেশকে দিতে রাজি নয়। ওদিকে বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সম্পদে আমাদের ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করছে। তারা জানে, যত কলসির কানাই তারা ভাঙে না কেন, আমাদের এ ভূখণ্ডে প্রেম নিবেদন করার নিঃস্বার্থ প্রেমিকের সংখ্যা কম নয়। প্রায় প্রতিদিনই তাদের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স আমাদের লোককে হত্যা করে। জনে-বলে, শক্তি-সামর্থ্যে ভারত আমাদের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। তাই বন্ধুত্বের আলীঙ্গনে আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে এলেও বলার কিছু থাকে না। কারণ আমাদের এখানে এক ধরনের বন্ধুত্বপিয়াসী মানুষ আছে। এ জন্য দায়ী বা উৎসাহদাতা একশ্রেণীর মেরুদণ্ডহীন বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ তারা সস্তা ফায়দা লুটতে গিয়ে, জাতীয় সম্পদ ও সম্মান লুণ্ঠনে সহযোগিতা করে থাকে। এ অভ্যাসের ফলে তারা হাতকে মুষ্টিবদ্ধ করতে ভুলে গেছে। জাতিসত্তার ইতিহাসে আমাদের গৌরবগাথা বিধৃত। হাজার বছরের ইতিহাসে দেখা যায়Ñ আমরা তখনই হেরেছি, যখন আমরা জাতি হিসেবে ঐক্যের বন্ধনকে অস্বীকার করেছি। এ ভূখণ্ডের বাইরের কৃষ্টিকলায় যখনই আমরা অভ্যস্ত হয়েছি, অনৈক্যের হলাহল পান করেছি, তখনই আমরা হারিয়েছি স্বাধীনতা ও আমাদের আত্মমর্যাদা। ১৯৭০-এর একতা এবং ১৯৭১-এর ইস্পাতকঠিন ঐক্যই আমাদের দিয়েছিল স্বাধীনতা ও স্বাধীন সত্তা। একবিংশ শতাব্দীর প্রথম সোপানে পা রেখেই যেন মনে হচ্ছেÑ আমরা আবারো যেন বহুধা বিভক্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছি।
বিশ্বায়নের যুগে আজকে আমরা যাদের বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধÑ এসব ‘সুমো কুস্তিগির টাইপে’র বন্ধুদের আলীঙ্গনে আমাদের পাঁজরের হাড় আদৌ অত থাকবে কি না, এতে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। তাদের খেয়ালি আনন্দনৃত্যের বেখেয়ালি পদভার একবার যদি শীর্ণদেহী বাংলাদেশের ওপর পড়ে, তবে অর্থোপেডিয়েট্রিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসায়ও সেরে উঠবে কি না সন্দেহ। মার্কিনপ্রেমে দণি কোরিয়া, ফিলিপাইন, ইরাক, আফগানিস্তান এবং ভারতপ্রেমে সিকিম, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কার অবস্থা তো আমরা প্রত্য করছি।
আমরা তিরিশ লাখ শহীদের কথা বলি। কিন্তু যে আত্মমর্যাদার জন্য তারা জীবন বাজি রেখে শির উঁচু করে দাঁড়ানোর শিা দিয়েছিলেন, সেই শিা কি আমরা গ্রহণ করেছি? শহীদেরা যদি এমনই কথিত বন্ধুত্ব চাইতেন, তাহলে তো আজো আমরা বাঁকা মেরুদণ্ড নিয়েই আধিপত্যবাদ আর উপনিবেশবাদের সেবাদাস হিসেবে মর্যাদাহীন জীবনযাপন করতাম। সাম্রাজ্যবাদ আর আধিপত্যবাদকে উৎখাতের জন্যই আমরা যুদ্ধ করেছি। শহীদেরা জীবন দিয়েছেন। যেকোনো নামেই হোক, আধিপত্যবাদের তাঁবেদারি মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করার শামিল এবং শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানির নামান্তর। পরস্পরের প্রতি সমমর্যাদা প্রদানই বন্ধুত্ব। অন্য দিকে অন্যায় আদেশ মানাই দাসত্ব। জাতি হিসেবে আমরা দেশের মাপে ছোট হলেও শৌর্য-বীর্য-ঐতিহ্য এবং মন ও মানের দিক থেকে কোনো জাতির চেয়ে খাটো নই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আমরা সারা বিশ্বে প্রশংসিত। সততা, কর্মনিষ্ঠা, সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে বিশ্বে আমাদের সুনাম। আমরা বন্ধুত্বের মূল্য দিই। মোড়লিপনাকে ঘৃণা করি, প্রতিহত করি। এটাই আমাদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য। তবে আমাদের সরকার পরিচালনার সাথে যারা যুক্ত, বিষয়টি তাদের মগজে ঢুকলেই আমাদের সৌভাগ্য। অন্যথায় সিকিমের হতভাগ্য জনগণের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে আমাদেরও যেন অশ্র“ভারাক্রান্ত হৃদয়ে গাইতে না হয়Ñ ডেলা সিল লাই পি, গ্যাং চাংকা সিবো।’ অর্থাৎ ‘বিদায় হে স্বাধীনতা, তবুও তুমি গোলাপের মতো ফুটে থেকো।’ সিকিম কংগ্রেসের প্রধান লেন্দুপ দর্জি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হয়েও ভারতের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দিতে তার বাধেনি। বিংশ শতাব্দীর এ বিশ্বাসঘাতক পরবর্তীকালে ভারত রাষ্ট্রের ভোটারও হতে পারেনি। অনেকটা নির্বাসনে, পরগাছার মতো দেশবাসীর অভিশপ্ত হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন। বিশ্বাসঘাতকের পরিণতি এমনই হয়। বাংলার স্বাধীনতা বিক্রেতা জগৎশেঠ অপঘাতে মারা যায়। মীর জাফর, উমিচাঁদ প্রমুখের পরিণতিও অভিন্ন। জাতির সাথে যারাই যখন বিশ্বাসঘাতকতা করে, প্রকৃতির রুদ্ররোষে তাদের পরিণতি হয় ভয়াবহ। সবাই এ সত্য উপলব্ধি করতে পারলেই মঙ্গল। অসমান বন্ধুত্বের বিড়ম্বনামুক্ত বন্ধুত্বপিয়াসী মানুষদের জাগরণ ঘটুকÑ এই হোক আমাদের প্রার্থনা।
লেখক : মুক্তিযোদ্ধা ও আইনজীবী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেট নগরীতে অপহৃত স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার -ওলামালীগ নেতা ও কনস্টেবলসহ ৩ জন আটক
![]() |
| পুলিশের বাসায় মিলল অপহৃত শিশুর লাশ |
জানা গেছে, শাহী ঈদগাহ হজরত শাহ মীর (র:) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র সাঈদ গত মঙ্গলবার রাতে নগরীর রায়নগর এলাকা থেকে অপহৃত হয়। ওই দিন রাত ১১টায় সাঈদ তার বাসা থেকে ঝেরঝেরিপাড়ায় তার মামার বাসায় যাচ্ছিল। অপহরণের পর দুর্বৃত্তরা মোবাইল ফোনে প্রথমে পাঁচ লাখ ও পরে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বলে তার বাবা মতিন মিয়া জানান। টাকা পাওয়ার আধ ঘণ্টা পর সাঈদকে ফেরত দেয়ার কথা বললেও অপহরণকারীরা সাঈদকে ফিরিয়ে দেয়নি। মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ ও র্যাব তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। তবে বারবার অবস্থান বদল করায় অপহরণকারীদের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করা যাচ্ছিল না বলে জানান র্যাব-৯ এর কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মাইনুদ্দিন চৌধুরী।
এরপর গত শনিবার রাতে কুমারপাড়া ঝর্ণারপাড় আবাসিক এলাকার ৩৭ নম্বর বাসা থেকে শিশুটির গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এডিসি রহমত উল্যাহ জানান, মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে শিশু সাঈদ অপহরণের সাথে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নিশ্চিত হয় আটককৃত তিনজন এ ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাদের স্বীকারোক্তির মাধ্যমে ৩৭ নম্বর বাসার তৃতীয়তলা থেকে শিশু সাঈদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে শনিবার রাত ১২টায় কুমারপাড়া ঝর্ণারপাড় আবাসিক এলাকার ৩৭ নম্বর বাসায় বিপুল পুলিশ, র্যাব ও সিআইডির ক্রাইম সিনের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয়রা জানান, যে বাসা থেকে সাঈদের লাশ উদ্ধার হয়েছে সে বাসায় পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান দীর্ঘ দিন ভাড়া থাকতেন। অপহৃত সাঈদ সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার খাসিলা গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তারা নগরীর রায়নগর দর্জিবন্দরের বসুন্ধরা ৭৪ নম্বর বাসায় বসবাস করেন। ছেলে অপহরণের ঘটনায় তার বাবা মতিন মিয়া গত বুধবার রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পুলিশের হাতে আটক তিন দুষ্কৃতকারী স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দী দিয়েছে। শনিবার রাতে আটকের পর তাদেরকে রাতভর কোতোয়ালি থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা এ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয়।
আটক কনস্টেবল এবাদুরের জবানবন্দী থেকে জানা যায়, ‘সে সহ আরো তিনজন এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত। এবাদুর জানান, অপহরণের পরদিন বুধবারই তাকে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুম করতে সাতটি বস্তার ভেতরে তার লাশ ঢুকানো হয়।’
সাঈদ অপহরণ ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেটে মহানগরীর কোতোয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ফয়াজ আহমদ জানান, যে মোবাইল ফোন দিয়ে সাঈদের বাবা ও মামার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিল, সেই মোবাইল ট্র্যাক করে এটি মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানার কনস্টেবল এবাদুলের ফোন বলে জানতে পারি। শনিবার তাকে কাজ আছে বলে থানায় ডেকে আনা হয়। সেখানে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদকালে সে প্রথমে ঘটনাটি অস্বীকার করে। পরে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং সাঈদকে হত্যার কথা জানান। এ ছাড়া এবাদুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নগরীর কোর্ট পয়েন্টসংলগ্ন এলাকা থেকে র্যাবের সোর্স গেদা মিয়াকে এবং বন্দরবাজার থেকে জেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিবকে আটক করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো: রহমত উল্লাহ জানান, এবাদুল, গেদা ও আব্দুর রকিব এ তিনজনই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের হোতা। তারা সব স্বীকারও করেছেন।
গতকাল সকালে ওসমানী হাসপাতালে শিশু সাঈদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এরপর লাশ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাথমিক সমাপনীতে বৃত্তি পেলো ৫৪ হাজার খুদে শিক্ষার্থী
সর্বোচ্চ বৃত্তিপ্রাপ্ত ১০টি বিদ্যালয়: সারা দেশে সর্বোচ্চ বৃত্তিপ্রাপ্ত ১০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে রাজধানীর মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয় থেকে ১৪৫ জন বৃত্তি পেয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে- শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ (বৃত্তি পেয়েছে ৮৫ জন), আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৭৬), ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (৬১), ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৫৩), জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৫২), ময়মনসিংহ জিলা স্কুল (৫০), আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল (৪৯), বিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৪৪) ও বিদ্যাময়ী বালিকা বিদ্যালয় (৪৩)। সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলমগীর ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৃত্তির নির্ধারিত সংখ্যা মানা হয়নি: বৃত্তির জন্য ৫৫ হাজার শিক্ষার্থী নির্বাচনের কথা থাকলেও প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নীতিমালা মানা হয়নি। ঘোষিত সংখ্যার চেয়ে কম বৃত্তি দেয়া হয়েছে। ২০০৯ সালে এ সংখ্যা কমানো অব্যাহত রয়েছে। ৫ম শ্রেণীতে শুধু নির্বাচিত কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীর পরিবর্তে সকল শিশুকে বৃত্তির আওতায় আনার পর এ ধরনের বৃত্তি প্রদান শুরু হয়েছে। প্রতি বছরই ৫৫ হাজার মেধাবীকে বৃত্তি দেয়ার কথা। কিন্তু শুরুর বছরই দেয়া হয় ৫০ হাজার ৫৩৫ জনকে অর্থাৎ ৪ হাজার ৪৬৫ জনকে বৃত্তি দেয়া হয়নি। ২০১০ সালে ৫৪ হাজার ৬৭৩ জন, অর্থাৎ ৩২৭ জনকে বৃত্তি দেয়া হয়নি ২০১১ সালে ৫৪ হাজার ৯১৮ জনকে, অর্থাৎ ৮২ জনকে বৃত্তি দেয়া হয়নি। ২০১২ সালে ৫৪ হাজার ৫৩০ জন, অর্থাৎ ৪৭০ জনকে বৃত্তি দেয়া হয়নি। ২০১৩ সালে ৫৪ হাজার ৪১২ জন, অর্থাৎ ৫৮৮ জনকে বৃত্তি দেয়া হয়নি এবং এ বছর ২০১৪ সালে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয় ৫৪ হাজার ৪৮১ জনকে, অর্থাৎ ৫১৯ জনকে এবারও বৃত্তি দেয়া হয়নি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া পরিসংখ্যান অনুসারে গত ৬ বছরে ৬ হাজার ৫৫১-কে বৃত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এদের জন্য বরাদ্দকৃত অব্যবহৃত টাকার পরিণতি কি এ ব্যাপারেও কোন ব্যাখ্যা দেয়নি। এ ব্যাপারে গতকাল মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, বৃত্তির নীতিমালার কারণে এমনটি হচ্ছে। এ বছর সম্পূরক দিয়ে কিছুটা কমানো হয়েছে। আগামীতে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে। উল্লেখ্য, নীতিমালায় মেধাবী ও সাধারণ গ্রেডের শিক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, মোট বৃত্তির সংখ্যা ভাগ (গু) সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীর মোট সংখ্যা (ক্ম) সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানার সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা। উপজেলা/থানার মোট বৃত্তি সংখ্যার ৫০% ছাত্র ও ৫০% ছাত্রীর মধ্যে বণ্টন করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 16
(39)
- অপহরণের পর নৃশংসভাবে শিশু হত্যা by রেজওয়ান আহমদ
- সরকারকে ছাড় দেয়ার আহবান ব্যবসায়ীদের
- মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসে সা...
- রাষ্ট্র যদি ব্যর্থ হয় by মেজর জেনারেল (অবঃ) মো. মন...
- মসজিদ ধর্মীয় স্থান নয়, চাইলেই গুঁড়িয়ে দেয়া যায় : ব...
- নিখোঁজের ঘটনাগুলোর যোগসূত্র রয়েছে
- প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় সে রাতের ঘটনা
- দানবপ্রজন্ম বানাচ্ছে আইএস
- মসজিদ ধর্মীয় স্থান নয়, চাইলেই গুঁড়িয়ে দেয়া যায় : ব...
- পাকিস্তানে গির্জায় বোমা হামলা
- দানবপ্রজন্ম বানাচ্ছে আইএস
- ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলের ভিডিও
- অপহরণ নিয়ে ধূম্রজাল by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
- সেফহোম থেকে মায়ের কোলে
- আওয়ামী লীগ কর্মীদের বাধায় নিউ ইয়র্কে সংবাদ সম্মেলন...
- অশীতিপর লক্ষ্মীরানী এখনো বয়স্ক ভাতার স্বপ্ন দেখেন
- ১ পাউন্ডের বিরল মুদ্রা ৪৬,০০০ পাউন্ডে বিক্রি
- লুটেরা ও অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগের জন্য অভিশাপ ...
- গাছের নিচে পাঠদান
- রেলের জায়গায় বহুতল ভবন
- মেহেরপুর ও মাগুরায় ছাত্রলীগের তাণ্ডব- কলেজ ও পাসপে...
- অসমান বন্ধুত্বের বিড়ম্বনা by আহমেদ উল্লাহ ভূইয়া
- সিলেট নগরীতে অপহৃত স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার -ওলামাল...
- প্রাথমিক সমাপনীতে বৃত্তি পেলো ৫৪ হাজার খুদে শিক্ষা...
- সালাহউদ্দিনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি -হাইকোর্টে ডিএমপি,...
- পাল্টে গেছে পরীক্ষা-দিনের ঘ্রাণ by কাবেরী গায়েন
- শ্রমিক অধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনই কঠো...
- ৩০ বছর পর মুক্ত গরিলা
- জনপ্রতিনিধিদের ওপর মামলার খড়গ by শামছুল ইসলাম
- চার মাস ধরে পলাতক সাংসদ আমানুর by তানভীর সোহেল ও ...
- নিউ জার্সিতে আটকের পর মুক্ত কল্পনা আক্তার
- দেশ চলছে ফ্রি স্টাইলে : গণপূর্তমন্ত্রী
- একজন জয়গুনের কথা by পান্না বালা
- জয়পুরহাট চিনিকলের বর্জ্যের প্রভাব- মারা যাচ্ছে মাছ...
- মুখপাত্রের বিড়ম্বনা by কাফি কামাল
- সঙ্কটের জন্য দায়ী সরকারপ্রধান : বি. চৌধুরী
- ‘মায়ের কোলে সব আবর্জনা কেন?’
- নির্মাণ শেষ হতেই ভেসে গেল ‘মুছাপুর ক্লোজার’
- সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ- পাঁচ দিনেও হদিস নেই by ...
-
▼
Mar 16
(39)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

























