Saturday, July 4, 2015
বাবার বয়সী স্বামীর সাথে ৬ বছরের বালিকার বিয়ে!
তাই বিয়েতে ‘নাটা প্রথা’ (একজন পুরুষ বিবাহিত কোনো নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারবেন যত দিন তিনি তার ভরণপোষণ দেন) সম্পন্ন করা হয়।
অবিবাহিত রতন লাল গোপনে সব রীতি-নীতি মেনে বিবাহের পিঁড়িতে বসেন। তিনিও কনের পরিবারের কাছ থেকে বিরাট অঙ্কের যৌতুক নিয়েছেন বলে খবরে বলা হয়েছে। যদিও শিশুটির পরিবারের যৌতুকের অর্থের পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
তবে শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশ ঠিকই খবর পেয়ে আটক করে রতন লালকে। সেই সঙ্গে নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। সদর মহকুমা শাসকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিটিকে।
গাংরার পুলিশ পরিদর্শক জ্ঞানেন্দ্র সিং বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনা তদন্তে একটি দল পাঠানো হয়। পরে সত্যতা নিশ্চিত হলে রতন লালকে ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন-২০০৬’ এর অধীনে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, বয়স বেড়ে যাওয়ায় পাত্রী খুঁজে পাচ্ছিলেন না রতন লাল। তাই নিজের সম্প্রদায়ের মধ্যেই ওই মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন বলে জেরার মুখে তিনি স্বীকার করেন।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানানো হয়, রাজস্থানের এই সম্প্রদায়ের মধ্যে এ ধরনের বিয়ের রেওয়াজ আছে। তাই প্রতিবেশীরাও বিয়ে বন্ধের চেষ্টা করেনি।
রাজস্থানের পুলিশ জানায়, বিয়েতে দালালি করেন ৫১ বছরের জামুনি ভাই। এ জন্য তিনি প্রায় তিন হাজার টাকা ঘুষ নেন। তাকে খুঁজছে পুলিশ। শুধু এ বিয়েই নয়, গাংরায় এমন আরো বাল্যবিবাহের ঘটকালিও তিনি করে থাকেন।
তথ্যসূত্র : মিরর।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভ্রান্ত ভাবনা, ভুল পথ, সর্বনাশা পরিণতি by আবুল মোমেন
একসময় বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাংলা ভাষায় অমুসলিম লেখকদের প্রাধান্যের কারণে ইসলামি চেতনার অগ্রাধিকারের দোহাই দিয়ে এসব সম্পর্কে বিরূপ প্রচারণা চলেছে। ভাষা আন্দোলন এবং পরবর্তী দুই দশকের বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে এ দেশের সাধারণ মানুষ গ্রহণ করায় ইসলামি রক্ষণশীলদের ভাষাসংক্রান্ত সাংস্কৃতিক কট্টরপন্থা কালে কালে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
কিন্তু এ নিয়ে কখনো তাত্ত্বিক আলোচনা হয়নি। ভাষাসংস্কৃতির অগ্রগামিতা সহজ ও নিশ্চিত হয়েছে মূলত পাকিস্তানি শাসকদের বাঙালির প্রতি (যার সিংহভাগ ধর্মে মুসলমান) সুস্পষ্ট বৈষম্য ও লাগাতার নিপীড়ন-বঞ্চনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধ ও ক্রমবর্ধমান সংগ্রামের কারণে। এই সংগ্রামে বিজয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক অধিকার অর্জনের অনুষঙ্গ হিসেবেই বাঙালি সংস্কৃতির বিজয়ও ছিল স্বাভাবিক ও অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু এতে কট্টরপন্থীদের মনের খুঁতখুঁতানি কাটেনি। বাঙালি হতে বা বাঙালি মুসলমান পরিচয়ে তাদের কুণ্ঠা থেকে যায়।
বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি নিয়ে আমমানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির একটি সহজ কারণ হলো এর সঙ্গে সংস্কৃত (ও প্রাকৃত) ভাষার যোগ, যে ভাষায় হিন্দুধর্মীয় শাস্ত্রগুলো রচিত; এ ভাষার প্রথম ও প্রধান শিল্পীরা প্রায় সবাই ধর্মত হিন্দু, যা মূলত ঐতিহাসিক কারণে ঘটেছে, ধর্মীয় কারণে নয়। আমরা লক্ষ করব, বাংলার মধ্যযুগ (এবং ভারতবর্ষেরও) ইউরোপের মতো অন্ধকার নয়। এ সময় মুসলিম সুলতানেরাই বাংলা ভাষার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে আনুকূল্য জুগিয়েছেন।
প্রথম যুগের মুসলিম আরব যোদ্ধারা বিজিত দেশে ইসলাম ধর্মের সঙ্গে সঙ্গে ইসলামের ভাষা হিসেবে আরবি প্রচলন করতে চেয়েছেন। দেখা গেছে, ধর্মান্তরকরণ যত সহজ, ভাষান্তরিত করা তত সহজ নয়। ফারসি ভাষা আরব যোদ্ধাদের সব জবরদস্তি উপেক্ষা করে টিকে গেছে। এর কারণ, এ ভাষায় উন্নত জনপ্রিয় সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছিল, যা ব্যাপক মানুষের নৈমিত্তিক চর্চার অংশ হয়ে পড়েছিল। আজও দেখা যাবে, বৃহত্তর পারসিক সাংস্কৃতিক ভূমিতে—সে বাকু থেকে কাবুল, বোখারা থেকে ইস্তাম্বুল, ইস্পাহান থেকে ফ্রুঞ্জে সর্বত্র—অভিজাত-নিম্নবর্ণ পণ্ডিত-মূর্খ সবাই শ্রেষ্ঠ কবিদের দু-চার পঙ্ক্তি আওড়াতে পারেন। সেই সব সাহিত্য সব সময় তৌহিদি পন্থার শর্ত শতভাগ হয়তো পূরণ করে না।
বাংলা ভাষায় প্রচুর ভাবের গান, আধ্যাত্মিক গান রয়েছে, যা মাঠপর্যায়ের খেটে খাওয়া মানুষকে যুগ যুগ ধরে ভাবুকতার খোরাক দিয়ে এসেছে। আবার পরবর্তীকালে দেশবন্দনার কাব্য ও গানও রচিত হয়েছে দেদার। ফলে বহুকালে বাঙালির এমন এক ভাবুক আধ্যাত্মিক শাশ্বত মন তৈরি হয়েছে, যা তাকে সহজাতভাবে ভাব আর সুরের রসিক করে তুলেছে। কাব্য ও গানের সূত্রে বাঙালির ভাবের ঘরে একান্ত দেশজ আদল বেশ শক্ত স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। এখানেও নিতান্ত ঐতিহাসিক কারণেই এই ভাব-সুরসম্ভারে হিন্দুদের অবদানই প্রথম এসেছে, হয়তো আজও বেশিই আছে। কিন্তু কালের নিয়মে কি সাহিত্য কি সংগীত, সবতাতেই ইসলামের প্রভাব পড়েছে, আরবি-ফারসি ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির মিশ্রণ ঘটেছে, আর মুসলমান কবি ও সুরশিল্পীর আবির্ভাবও ঘটেছে স্বাভাবিকভাবে। বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য বা বাঙালি সংস্কৃতিকে আর কোনোভাবেই নিরঙ্কুশভাবে হিন্দুর বলে ভাবা যাবে না, এটা হিন্দু-মুসলিমের যৌথ সৃষ্টি।
ভাষা ও সাহিত্যের বিষয়ে কিছুটা হাল ছাড়লেও সংগীতের ব্যাপারে কিছু কট্টরপন্থী বলতে চান, ইসলামে সংগীত বেদাত। সংগীতের মূল ভিত্তি হলো সুর। আর যখন সুললিত কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত বা আজানের ধ্বনি ভেসে আসে, তখন ধর্ম–বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে কান খাড়া করে তা শুনতে হয়। কারণ, সুরের আবেদন সর্বজনীন। পবিত্র কোরআন বা আজানের বক্তব্য কেবল মুসলমানের কাছেই গ্রাহ্য হলেও সুর এমন এক বিমূর্ত ভাষা, যা সব মানুষের, এমনকি প্রাণীদেরও প্রভাবিত করতে সক্ষম।
মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, সব সৃষ্টির মালিক আল্লাহ। তাহলে মানবজীবনে সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারী, মানবমনকে শান্ত, সুস্থ, সমাহিত করার গুণসম্পন্ন এমন সৃষ্টিকে কেন তাঁরা উপেক্ষা করবেন? হ্যাঁ, বান্দার জন্য পরীক্ষা হলো, এই মহৎ সৃষ্টিকে তার সুমহান রূপেই সে ব্যবহার করবে, নাকি এর অপব্যবহার, অপচয় করবে। এটা ব্যক্তির এবং সেই সঙ্গে সমাজের রুচি, দক্ষতা ও ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে কে কীভাবে সম্পদকে ব্যবহার করবে। এ ধরনের হীনতাকে অপসংস্কৃতি আখ্যা দিয়ে সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশে কাজ করাই হলো সঠিক পথ।
তাই মুসলমানদের বিপরীতমুখী অবস্থানে দাঁড় করানোর প্রয়াসগুলো বস্তুত যুক্তিযুক্ত নয়। আরেকটা কথাও মনে রাখা ভালো, আরব ভূমি মূলত শুষ্ক মরু অঞ্চল, প্রচণ্ড উত্তাপ ও ভয়াবহ লু হাওয়া আর ধূলিঝড় বয়ে যায়। তাপ, লু, ধূলি আর বাতাসের শুষ্কতা থেকে আত্মরক্ষার জন্য সে দেশে নারী-পুরুষ সবাইকে জোব্বাজাতীয় পোশাক পরতে দেখা যায়। সেখানকার মুসলমান যেমন, তেমনি খ্রিষ্টান, ইহুদি সবাই এই পোশাকই পরে। (বর্তমান উন্নতির যুগে ব্যাপক ধনাগমেনর ফলে সর্বত্র ব্যাপকভাবে এসি এসেছে এবং পোশাকেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।) আমাদের এই উষ্ণমণ্ডলীয় দেশের বাতাসে আর্দ্রতা বেশি এবং বৃষ্টির প্রাচুর্যও বেশ। আর সর্বত্র নদীনালা ছড়ানো। এ ধরনের ভ্াপসা গরমে গায়ে বাতাস পেলে আরাম হয়। তাই আমাদের দেশে নিজস্ব যে পোশাকগুলো উদ্ভাবিত প্রচলিত হয়েছে, যেমন: লুঙ্গি, ধুতি, শাড়ি, চাদর, গামছা—সবগুলোই খোলামেলা, যাতে গায়ে বাতাস খেলতে পারে। কোনোটাই আঁটসাঁট নয়, নদীনালা জলা-কাদা ভেঙে পথ চলতে ওঠানো-নামানোর জন্য বেশ উপযোগী।
সংসারে মানুষকে একদিকে যেমন ঔচিত্যবোধ থেকে কাজ করতে হয়, তেমনি অন্যদিকে উপযোগিতার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়। কী উচিত, তার সঙ্গে কী উপযোগী, তাকেও মেলাতে হয়।
স্বর্গচ্যুত মানুষের বসত মর্ত্যে, যেখানে বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ু, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভাষাসংস্কৃতির বৈচিত্র্যও ব্যাপক। জলবায়ু ও প্রকৃতির ওপর বস্তুত মানুষের হাত নেই। দেখা যাচ্ছে, এদের ওপর বেশি খোদকারি করলে আখেরে বিপর্যয় হয়, যা ক্ষুদ্র মানুষের পক্ষে সামলানো কঠিন। পৃথিবীকে জলবায়ু ও প্রকৃতির দিক থেকে একাকার করা যাবে না—এটা বান্দার কর্ম নয়। এটাও বোঝা গেছে, মানবজাতির ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যও ঘুচবে না। মানুষের সামনে চ্যালেঞ্জ হলো এই বিবিধ বৈচিত্র্য নিয়ে পরস্পর শান্তিতে সহাবস্থান করা।
যুদ্ধবিগ্রহ চালিয়ে অপরকে পদানত করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের দিন বহুকাল আগে শেষ হয়ে গেছে। এখন কোনো যুদ্ধই নিষ্পত্তি হয় না, চলমান থাকে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ সমাপ্ত হলে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছিলেন, যুদ্ধকে জয় করা গেছে, শান্তিকে নয়।
সংঘাত ও যুদ্ধের কারণগুলো জিইয়ে রাখলে কখনো শান্তি আসবে না, সমৃদ্ধিও নয়। সেটাই ধর্মসম্মত কাজ, যা বিদ্বেষ ও আক্রোশের চর্চাকে নিরুৎসাহিত করবে, বরং বোঝাপড়া ও স্থিতিশীলতার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে।
অষ্টাদশ শতাব্দীতে বাংলায় ইংরেজ শাসন শুরু হওয়ার পর ঊনবিংশ শতকে এখানে একটি কালান্তরের সূচনা হয়েছিল। মুসলমান নেতৃত্ব সেদিন তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ধরতে পারেনি, তাদের ব্যর্থতার চড়া খেসারত গুনতে হয়েছে এ দেশের সাধারণ মুসলমানকে। এর জের আজও শেষ হয়নি। আজ পৃথিবী ও মানবসমাজ আরেক কালান্তরের সামনে। এবার ভূমণ্ডল ও মানবসমাজ ব্যাপক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। অর্থনীতি খোলামেলাভাবে আগ্রাসী হয়ে পড়েছে। প্রযুক্তি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনের ধরন পাল্টে দিচ্ছে, ভূরাজনীতিতে নতুন শক্তিকেন্দ্র ও ভিন্ন টানাপোড়েন তৈরি হচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ভূমি ও পানির লড়াইকে আড়াল করতে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের বুলি ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পুরোনো চিন্তা ও রাজনীতির খোলস ভাঙতে না পেরে আরব ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম দেশগুলোয় একদিকে শাসকেরা সাম্রাজ্যবাদের বশংবদ হয়ে এজেন্টের কাজ করছে, আর নানান কট্টর দল ওদেরই পাতা ফাঁদে পা দিয়ে আত্মঘাতী হানাহানিতে নেমেছে। এই হলো নির্বোধের ক্রোধকে পুঁজি করে তার ওপর প্রভুত্ব দীর্ঘায়িত করার পুঁজিবাদী কৌশল।
দ্রুত পরিস্থিতি অনুধাবন করা দরকার। পরিবর্তনগুলো এবং এদের প্রভাব কত গভীর ও ব্যাপ্ত হতে পারে, তা বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। বিরোধ ও বিবাদের চর্চায় লিপ্ত না হয়ে সংহতি ও সম্প্রীতির সুযোগগুলো এখনই কাজে লাগাতে হবে। বাঙালি ও মুসলমানে বিরোধ হওয়ার কারণ নেই। আরবি শুধু সুন্নি মুসলমানের ভাষা নয়, আরবিভাষী শিয়াদের বাস আছে বাহরাইন, ইরাক, সিরিয়া এবং সব আরব দেশে। নানা মত-পথের খ্রিষ্টানও আছে আরবিভাষী, ইহুদিও রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, চীন, শ্রীলঙ্কা, বসনিয়াসহ কত দেশেই অনারব মুসলমান রয়েছে, যাদের মাতৃভাষা ভিন্ন ভিন্ন।
ইসলামের নবীর কাছে আল্লাহর কাছ থেকে প্রথম যে বাণীটি আসে, তা একটিমাত্র শব্দ—ইকরা (পড়ো)। পঠন হলো জ্ঞানের চাবি। জ্ঞানের নির্যাস বলা হয় পবিত্র কোরআনকে। তার গভীরতা ও ব্যাপ্তির সঠিক এবং কালোপযোগী ব্যাখ্যার সামর্থ্য যদি কোনো জনগোষ্ঠী হারিয়ে ফেলে একে কেবল একটি মুখস্থ করে আওড়ানোর গ্রন্থ মনে করে, তবে এ গ্রন্থ থেকে সমকালীন জীবনকে চালিত ও সমৃদ্ধ করার রসদ তারা খুঁজে পাবে না। তাদের জ্ঞানরাজ্য হবে মৃত এবং তারা হয়ে পড়বে তামাদি। তারা পিছিয়ে যেতে থাকবে। এ পরিস্থিতিতে স্বভাবতই পরাজিতের মনের ক্রোধ ও প্রতিহিংসায় নিজেরা জ্বলতে থাকবে এবং শত্রু তৈরি করে ঝাল ঝাড়বে। এভাবে সাম্রাজ্যবাদের তেমন ক্ষতি তারা করতে পারবে না, ভ্রাতৃঘাতী হানাহানিই সার হবে। এটা সত্যি দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি।
আমরা কোনো জনগোষ্ঠীর জন্য এ রকম পরিণতি কামনা করি না।
আবুল মোমেন: কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের একটি বাস-অযোগ্য শহর থেকে বলছি... by আনিসুল হক
এখন ঢাকার যা অবস্থা, এটা একেবারে গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়, স্বাভাবিক দিনে যানজট হবে অস্বাভাবিক রকম। একটা কারণ সবাই জানি, আমাদের রাস্তার পরিমাণ ৮ ভাগ, এটা হওয়া উচিত ২৫ ভাগ। কিন্তু উন্নত দেশে, যেখানে রাস্তার পরিমাণ বেশি, সেখানে কি যানজট বাধে না? নিউইয়র্কে খুব যানজট হয়!
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সহপাঠী ছিলেন সুকমল মোদক। সিভিল ডিপার্টমেন্টে আমাদের ক্লাসে তিনি ছিলেন ফার্স্টবয়। এখন সান ফ্রান্সিসকো এলাকায় থাকেন। বছর কয়েক আগে আমি সান ফ্রান্সিসকো গেলে তিনি আমাকে তাঁর বাসায় নিয়ে যাবেন। আমাকে বললেন, তুমি কি ট্রেনে করে অমুক স্টেশন পর্যন্ত আসতে পারবে? আমি তা-ই করলাম। তারপর তাঁর গাড়িতে উঠে তাঁর বাড়িতে গেলাম। ড. মোদক (http://www.bdiusa.org/sukomal-modak-ph-d) বললেন, এই যে তুমি ট্রেনে এলে, এর বদলে ধরো তুমি একটা গাড়িতেই তোমার হোটেল থেকে রওনা হলে, তাহলে তোমার অন্তত এক-দেড় ঘণ্টা বেশি সময় লাগত, কারণ এই সময়টায় ভীষণ যানজট হয়! এরপর সুকমল মোদক আমাকে যে কথাটা বলেছেন, অত্যন্ত মেধাবী ও উচ্চশিক্ষিত এই প্র্যাকটিসিং ইঞ্জিনিয়ারের কথাকে আমি মূল্যবান বলে মনে করি—রাস্তার পরিমাণ তুমি যতই বাড়াও না কেন, গাড়ির পরিমাণ তার চেয়ে বেশি হবে। কাজেই সড়কপথে যানজট হবেই।
আসলেই তো। বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে দ্রুত উন্নততর হচ্ছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হতে চায়। এই অবস্থায় কয়েক লাখ টাকা হলেই আমরা যা করি, একটা গাড়ি কিনে ফেলি। না কিনে উপায়ও নেই, কারণ আমাদের দেশে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বলতে প্রায় কিছুই নেই। আমাদের নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত ক্যাটাগরিতে ওঠার প্রতীক হলো একটা গাড়ি থাকা। রাস্তা নেই। কিন্তু গাড়ি আছে। ঢাকার রাস্তায় আছে শুধু গাড়ি আর গাড়ি। গাড়ি আছে, কিন্তু নেই কোনো পরিকল্পনা, নেই পরিকল্পনার সমন্বয়। আপনি কারওয়ান বাজারের ভেতরের রাস্তাগুলো দেখুন, প্রশস্ত পথ, কিন্তু দুই পাশে তার অর্ধেকটা দখল করে রেখেছে নানা ধরনের দোকান, তার পরের অংশটা ব্যবহার করা হচ্ছে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য, ৮০ ফুট রাস্তার ৬০ ফুট বেদখল, আর কুড়ি ফুটে কোনোরকমে দুটো গাড়ি চলাচলের চেষ্টা করছে, তার মধ্যে দুটো দাঁড়িয়ে পড়েছে পার্কিং না পেয়ে, কাজেই বসে থাকতে হচ্ছে। রাস্তা অচল হয়ে পড়ে থাকছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আগে ঢাকার কোনো কোনো রাস্তায় রিকশা চলাচল নিষেধ ছিল, অবরোধের পর ওই নিষেধাজ্ঞা আর কেউ মানে না। একই রাস্তায় নানা গতির যান। হাঁটারও জায়গা নেই, কারণ সবগুলো ফুটপাত বেদখল। আর আছে সমন্বয়হীনতা। একটা মাস্টারপ্ল্যান আছে, ঢাকা মহানগরের যোগাযোগ নিয়ে, কিন্তু যখন কোনো প্রকল্প করা হয়, সেই মাস্টারপ্ল্যান মাথায় রাখা হয় না, ইচ্ছেমতো ফুটওভার ব্রিজ, ইচ্ছেমতো ফ্লাইওভার করা হচ্ছে। র্যাংগস ভবন ভেঙে বানানো নতুন রাস্তাটা বিজয় সরণির মোড়ে যানজট বাড়িয়েছে। খেয়ালখুশিমতো নতুন রাস্তা বা ফ্লাইওভার বানালেই সমস্যার সমাধান হবে না। একটা সামগ্রিক পরিকল্পনা ধরে এগোতে হবে, যে কাজটা বিদেশি তহবিল খরচ করে সুন্দর করে তৈরি করা আছে। আবার সেটা নিয়ে বসলে বিশেষজ্ঞরা ঢাকার যানজট সমস্যা সমাধানের একটা সামগ্রিক পরিকল্পনা হালনাগাদ করে দিতেও পারবেন।
ঢাকার একটা বড় সমস্যা—অতিরিক্ত জনসংখ্যা। সবকিছু এখন ঢাকামুখী। ঢাকার বাইরে থাকলে নাকি ছেলেপুলেদের লেখাপড়া হয় না। বলি, আমরা ঢাকার বাইরে পড়াশোনা করিনি? আমরা কি মানুষ হইনি? উপজেলা শহর, জেলা শহর আর বিভাগীয় শহরগুলোকে স্বাবলম্বী করারও একটা মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগোনো দরকার, দরকার ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ করার। দিনাজপুরের আশপাশে দেখলাম অনেকগুলো বোর্ডিং স্কুল হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগেই। আমাদের রাজশাহী কিংবা রংপুর হোক না শিক্ষার শহর, সিরাজগঞ্জ কিংবা ময়মনসিংহ বিখ্যাত হোক না চিকিৎসার জন্য!
আর যা-ই করি না কেন, বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা হতে হবে নৌপথ ও রেলপথনির্ভর। আমাদের আরেক বন্ধু স্থপতি ইকবাল হাবিব অবশ্য খুব জোর দেন ঢাকার রাস্তায় হাঁটার সুবিধা করে দেওয়ার ওপরে। তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ রেলও এই শহরের যোগাযোগ স্বাভাবিক ও সুন্দর করতে পারবে না, কারণ এখনো বেশির ভাগ মানুষ হেঁটে চলাচল করে এবং তাদের ভূগর্ভস্থ রেলের টিকিট কেনার সামর্থ্য থাকবে না। আর আমার দুটো চিন্তা আছে, ঢাকা শহরে প্রায় চার লাখ রিকশা চলে, আর গত বছর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক খবরে সংখ্যাটা বলা হচ্ছে আড়াই লাখ, যার বেশি ভাগ অনুমোদনহীন। মানুষ রিকশা টানে, এটাকে আমার অমানবিক বলে মনে হয়, কাজেই আমাদের একটা গবেষণা হওয়া উচিত বিদ্যুৎ–চালিত ছোট যানবাহন প্রবর্তনের, যার গতি থাকবে ভালো, যা হবে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী। এটা প্রবর্তন করে রিকশা ঢাকা শহর থেকে তুলে দিতে হবে, আজ হোক, কাল হোক। ঢাকা শহরে চার লাখ রিকশা চালান আট লাখ রিকশাওয়ালা। দ্বিতীয় চিন্তা হলো ঢাকা শহরের তৈরি পোশাকের কারখানাগুলোকে একটা মেয়াদের পরে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক আসে বিদেশ থেকে, তৈরি হয়ে পোশাক যায় বিদেশে, কিন্তু কারখানাগুলো কেন ঢাকায়, তার উত্তর আমার জানা নেই। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের কাছাকাছি বড় গার্মেন্টস জোন করে দেওয়া যায় নাকি? এই দুটো জিনিস করা গেলে ঢাকা শহর থেকে মানুষের চাপও কমবে অনেকটাই।
আমাদের রাস্তা বাড়াতে হবে, ফুটপাত বাড়াতে হবে, ফ্লাইওভার বানাতে হবে, কিন্তু আমরা যত রাস্তাই বানাই না কেন, গাড়ির সংখ্যা রাস্তার ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হবেই, কাজেই আমাদের যোগাযোগব্যবস্থাটা নৌপথ ও রেলপথভিত্তিক করতেই হবে। আর তা নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান ধরে নতুন করে এগোনোর সময় এখনই।
আমার গত সপ্তাহের গদ্যকার্টুনে ঢাকার যানজট আর জলজট নিয়ে খানিকটা কাব্যিপনা করেছিলাম। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন থেকে শ্রদ্ধেয় প্রকৌশলী ও সংবাদপাঠক সিরাজুল মজিদ মামুন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমি আপনার লেখার সাহিত্যগুণ নিয়ে কথা বলব না। আমি হিউস্টনে এসেছি ফুসফুসের চিকিৎসা নিতে আর এসে আটকে পড়েছি। দুই সপ্তাহ আগে চার ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, যানবাহন জলমগ্ন হয়ে পড়ে, চার ঘণ্টা লেগেছিল সেই পানি নেমে যেতে।
‘তারও দুই সপ্তাহ আগে নুরুল আলম চৌধুরী নামের একজন প্রবাসী বাংলাদেশি কাজ থেকে ফিরছিলেন গাড়ি নিয়ে। হঠাৎ আসা বৃষ্টির ঢলে তার গাড়ি ভেসে যায় এবং তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের নিষ্কাশনব্যবস্থা খারাপ। তবে হিউস্টনের মতো খারাপ নয়।’
একটুখানি বৃষ্টি হলেই ঢাকা বা চট্টগ্রামের রাস্তা যে জলমগ্ন হয়, তার অনেক কারণ আছে। আমরা সব নিচু জায়গা ভরাট করেছি। মিরপুরের রূপনগরে প্রশিকা ভবনের পেছন দিকে একটা বিল ছিল চার বছর আগেও, জল টলমল করত, এখন সেটার পুরোটাই দখল করে বাঁশের ঘরবাড়ি বানানো হয়েছে, তারপর বড় রাস্তা থেকে দেয়াল তুলে সেসব জায়গায় হচ্ছে বহুতল ভবন, এটা আমি নিজের চোখে দেখছি, অথচ আমাদের আইন আছে জলাধার ভরাট করা যাবে না। নগরে জলাবদ্ধতার আরেকটা কারণ আমরা বড় বেশি রাস্তায় ময়লা ফেলি এবং পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার। এসব না হলে সাধারণ বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমার কথা নয়, বেশি বৃষ্টি হলে আধঘণ্টা-এক ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে যাওয়ার কথা, অনেক জায়গায় যায়ও।
আমাদের সহপাঠী সুকমল মোদকের আরেকটা পর্যবেক্ষণ ও উদ্বেগের কথা আপনাদের জানিয়ে রাখি। বাংলাদেশের মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত হচ্ছে, হলেই তারা তাদের টিনের ঘরটাকে ইটের ঘর বানাতে চাইবে, খুব স্বাভাবিক। মধ্য আয়ের দেশের মানুষের সবার বাড়ি যদি ইটের হয়, তাহলে বাংলাদেশের সব মাটি পুড়িয়ে ইট বানাতে হবে, দেশের পরিবেশের তাহলে বারোটা বেজে যাবেই। ড. মোদক তাই গবেষণা করছেন, ইটের বিকল্প গৃহনির্মাণসামগ্রী কী হতে পারে।
অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে অনেকগুলো সমস্যা আসবে, নদীদূষণ, বন ধ্বংস, কৃষিজমি ধ্বংস, জলাভূমি ভরাট—যে দেশ চলে লুণ্ঠনতন্ত্র দিয়ে, সে দেশে এগুলো অনেক বড় সমস্যাই বাধাবে। এমনিতেই ঢাকা পৃথিবীর বসবাস-অযোগ্য শহরের তালিকায় এক–দুই নম্বরে ওঠানামা করছে কয়েক বছর ধরে। সেখান থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে আর একমুহূর্ত দেরি না করে সমন্বিত সমাধানের পথ তৈরি করতে হবে, প্রতিটা সমস্যারই কারিগরি সমাধান আছে, দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও দূরদর্শিতা। ঢাকা পৃথিবীর সবচেয়ে বাস-অযোগ্য শহর হতে পারে, কিন্তু এত সুন্দর দেশ, এত ভালো মানুষের দেশ আমরা আর কোথায় পাব? এই দেশে জন্মেছি, এই দেশেই মরতে চাই, মরার আগে এই দেশটাকে সুন্দর দেখতে চাই, সুন্দর করে গড়ে তুলতে অবদান রাখতে চাই, আমরা সবাই।
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্নোডেন কি সত্যিই ‘বিশ্বাসঘাতক’? by মশিউল আলম
![]() |
| স্নোডেন–সমর্থকদের সমাবেশ |
এই প্রতিবেদনের তথ্যগুলো সত্য হলে তার তাৎপর্য বিরাট। প্রথমত, এর মাধ্যমে প্রমাণিত হবে যে স্নোডেন তাঁর স্বদেশের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার বিপুল পরিমাণ টপ সিক্রেট তথ্য চুরি করে শত্রুপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন, অথবা তথ্যগুলো শত্রুপক্ষের হস্তগত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। অর্থাৎ ‘বিশ্বাসঘাতক’, ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ ইত্যাদি যেসব অভিযোগপূর্ণ অভিধায় তাঁকে আমেরিকার কর্তাব্যক্তিরা অভিহিত করে আসছেন, স্নোডেন তা-ই প্রমাণিত হবেন। ফলে স্বদেশে স্নোডেন তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা হারাবেন। যাঁরা তাঁকে নাগরিক স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষার পক্ষের এক লড়াকু সৈনিক ও জাতীয় বীর বলে মনে করেন, তাঁরা তাঁকে ঘৃণা করবেন। আর সবচেয়ে গুরুতর কথা হলো, তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত গুপ্তচরবৃত্তি-সংক্রান্ত আইনের অধীনে যে মামলা করা হয়েছে, তাতে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন, সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হলে তাঁর মৃত্যুদণ্ড হবে।
এটা হচ্ছে একটা দিক, যা শুধু ব্যক্তি স্নোডেনের পরিণতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অন্য দিকটা এর থেকে অনেক বড়। সেটা হলো, স্নোডেনের ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ সত্য বলে প্রমাণিত হলে আমেরিকা ও ব্রিটেনের সরকার ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক সুবিধা হবে। স্নোডেনের তথ্য ফাঁসের পর থেকে উভয় দেশে প্রবল জনমতের চাপে গোয়েন্দা কর্মসূচি সংস্কার করার যেসব উদ্যোগ শুরু হয়েছে, সেগুলো ঠেকিয়ে দেওয়ার পক্ষে অনেকে যুক্তি খুঁজে পাবেন। তাঁরা বলতে পারবেন, সংস্কারের প্রয়োজন নেই, বরং স্নোডেনের মতো ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ যেন আর কেউ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও প্রবল ও প্রসারিত করা দরকার।
![]() |
| স্নোডেন–সমর্থকদের সমাবেশ |
সানডে টাইমস ওই প্রতিবেদনে শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্যই তুলে ধরেছে, তাঁদের কাছে কোনো সাক্ষ্য–প্রমাণ দাবি করেনি, তাঁদের বক্তব্যগুলোর যথার্থতা যাচাই করেনি। যে কর্মকর্তা বলেছেন, রুশ ও চীনারা হ্যাক করে স্নোডেনের তথ্যভান্ডার নিজেদের ব্যবহারযোগ্য করেছে, সানডে টাইমস-এর প্রতিবেদকেরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেননি তিনি এটা কীভাবে জানতে পেরেছেন। সানডে টাইমস দাবি করেছে, স্নোডেন মোট ১৭ লাখ গোপনীয় তথ্য চুরি করে ডাউনলোড করেছেন, কিন্তু এই দাবির পক্ষেও কোনো সাক্ষ্য–প্রমাণ দেয়নি। বরং এনএসএর পক্ষ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে, তারা নিজেরাই জানে না স্নোডেন কী পরিমাণ গোপনীয় তথ্য নিজের ল্যাপটপে ডাউনলোড করে থাকতে পারেন। আরেক কর্মকর্তা বলেছেন, স্নোডেনের হাতে রক্তের দাগ লেগে আছে, অর্থাৎ স্নোডেনের তথ্য ফাঁসের ফলে ব্রিটিশ বা মার্কিন কোনো গোয়েন্দা শারীরিকভাবে আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু আরেক কর্মকর্তা বলেছেন, কেউ আক্রান্ত হয়েছেন এমন তথ্য তাঁরা পাননি।
গার্ডিয়ান-এর সাবেক মার্কিন প্রতিবেদক গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড, যিনি স্নোডেনের দেওয়া গোপন তথ্যভান্ডারের ওপর ভিত্তি করে ২০১৩ সালে ওই পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রতিবেদন লিখেছিলেন, তিনি সানডে টাইমস-এর প্রতিবেদনটিকে নিকৃষ্ট ধরনের সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত বলে অভিহিত করেছেন। তিনি দ্য ইন্টারসেপ্ট নামের এক অনলাইন পত্রিকায় লিখেছেন, সানডে টাইমস-এর প্রতিবেদনটি মিথ্যায় ভরপুর, এটা স্নোডেনের মুখে কালিমা লেপনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রচারণা। তিনি তাঁর দীর্ঘ লেখাটিতে সানডে টাইমস-এর ওই প্রতিবেদনের অন্তঃসারশূন্যতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। গার্ডিয়ানও সানডে টাইমস-এর প্রতিবেদনটি সম্পর্কে বেশ কয়েকটি গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, যা থেকে মনে হয়, রুপার্ট মারডকের এই পত্রিকাটি ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে যোগসাজশ করে স্নোডেনকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে তুলে ধরার অপচেষ্টা করেছে। প্রতিবেদনটির শিরোনামের মধ্য দিয়ে সানডে টাইমস স্নোডেনকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেছে, কিন্তু এর পক্ষে জোরালো সাক্ষ্য–প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট বা গার্ডিয়ান-এর মতো কোনো সংবাদপত্র স্পষ্টতই এমন আচরণ করত না। বরং এই পত্রিকাগুলো স্নোডেনের তথ্য ফাঁসের পেছনে নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষার তাগিদের কথাই তুলে ধরে আসছে, এবং বলার চেষ্টা করছে যে স্নোডেনের তথ্য ফাঁস একটা বড় ‘পাবলিক সার্ভিস’।
সানডে টাইমস ব্রিটিশ সরকারের নিজস্ব প্রোপাগান্ডা মেশিনের ভূমিকা নিয়ে এডওয়ার্ড স্নোডেনের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার যে অপচেষ্টা করেছে, তা সফল হওয়ার নয় সানডে টাইমস-এর প্রতিবেদনটি যে দুরভিসন্ধিমূলক, এটি প্রকাশের সময়টা লক্ষ করলেও তা মনে হয়। স্নোডেন তাঁর চুরি করা তথ্যভান্ডার মস্কো পৌঁছার পরেই রুশদের হাতে তুলে দিয়েছেন এমন অভিযোগ উঠেছিল আজ থেকে অন্তত ১৮ মাস আগেই। তখন স্নোডেন এ অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে নাকচ করে দিয়ে বলেছিলেন, সাংবাদিকদের হাতে তথ্যভান্ডারটি তুলে দেওয়ার পর তাঁর কাছে আর এমন কিছু নেই, যা তিনি রুশদের দিতে পারেন। দেড় বছর পর সানডে টাইমস আবার সেই পুরোনো অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ব্রিটেনের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদন ফেঁদে বসল কেন?
ব্রিটেনে যাঁরা নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষার পক্ষে আন্দোলন করছেন, তাঁরাও এই প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ, ব্রিটেনে এখন গোয়েন্দা নজরদারিব্যবস্থার সংস্কারের দাবি উঠেছে; কিছুদিন আগেই ডেভিড অ্যান্ডারসন কিউসি নামে এক স্বাধীন পর্যালোচক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের নির্দেশে ব্রিটেনে প্রচলিত সন্ত্রাসবাদ দমনসংক্রান্ত আইনগুলো পর্যালোচনা করে প্রায় পৌনে ৪০০ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদন পেশ করেছেন, যেখানে তিনি বিদ্যমান আইনগুলোকে অগ্রহণযোগ্য ও অগণতান্ত্রিক বলে মন্তব্য করে বেশ কিছু সংস্কারের সুপারিশ করেছেন। এতে ব্রিটিশ সরকার অসুবিধায় পড়েছে, কারণ তারা আইনগুলো সংস্কার করতে চায় না। গোয়েন্দা নজরদারি বিষয়ে একটা বিল আসছে শরতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উঠবে, তখন সংস্কারের দাবিতে প্রবল বিতর্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সানডে টাইমস-এর ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পেছনে দুরভিসন্ধি খুঁজে পাচ্ছেন অনেকেই।
ব্রিটেনের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সানডে টাইমস স্নোডেনের বিরুদ্ধে যে পুরোনো অভিযোগগুলো নতুন করে উত্থাপন করেছে, সেগুলো আমেরিকায় উঠলে একটু কম অবাক হতাম। কারণ, স্নোডেনের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা আমেরিকায় হওয়াই বেশি যুক্তিযুক্ত। তিনি ওই দেশের নাগরিক, বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকলে ওই দেশের সরকারের সঙ্গে করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা আছে আমেরিকাতেই এবং সুযোগ পেলে তাঁকে শূলে চড়াবে আমেরিকাই। কিন্তু সানডে টাইমস-এর এই প্রতিবেদনের তথ্যগুলোর ব্যাপারে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি, দেশটির মূলধারার সংবাদমাধ্যমেও এটা নিয়ে তেমন হইচই নেই। সম্ভবত আমেরিকায় বেশির ভাগ মানুষ ধরে নিয়েছে, সানডে টাইমস কোনো ট্যাবলয়েড পত্রিকার মতো একটা চাঞ্চল্য সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, যার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করার দরকার নেই।
সানডে টাইমস ব্রিটিশ সরকারের নিজস্ব প্রোপাগান্ডা মেশিনের ভূমিকা নিয়ে এডওয়ার্ড স্নোডেনের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার যে অপচেষ্টা করেছে, তা সফল হওয়ার নয়। স্নোডেন যখন হংকংয়ে অবস্থান করছিলেন, তখন নিন্দুকেরা বলেছিলেন তিনি চীনাদের গুপ্তচর, তথ্যভান্ডারটি তিনি চীনাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। তারপর তিনি যখন মস্কো ও কিউবা হয়ে একুয়েডরে যাওয়ার পথে তাঁর দেশ তাঁর পাসপোর্ট বাতিল ঘোষণা করার পরে তিনি মস্কো বিমানবন্দরে আটকে গিয়ে রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেন, তখন বলা হলো, তিনি রুশদের গুপ্তচর, ওই তথ্যভান্ডার রুশদের হাতে তুলে দেওয়ার বিনিময়ে রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে গেছেন। সুতরাং সানডে টাইমস নতুন কোনো গল্পই আর বানাতে পারেনি; সে শুধু নিজের এবং সেই সঙ্গে কিছুটা ব্রিটিশ সাংবাদিকতারও ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে।
মশিউল আলম: সাংবাদিক।
mashiul.alam@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলে রকেট হামলা আইএসের
![]() |
| মিসরের সঙ্গে সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা |
‘সিনাই প্রভিনস’ নামের জঙ্গিগোষ্ঠীটি টুইটারে এক বিবৃতিতে দাবি করে, দখলকৃত ফিলিস্তিনের ইহুদি অবস্থানে তারা তিনটি রকেট ছুড়েছে। আইএস অধিভুক্ত জঙ্গিগোষ্ঠীটির ভাষ্য, সিনাইয়ের উত্তরাঞ্চলে সামরিক তল্লাশিচৌকিতে হামলার পর মিসরের সেনাবাহিনীকে সমর্থন দেওয়ায় ইসরায়েলে রকেট ছোড়া হয়েছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্রের ভাষ্য, সিনাই থেকে ছোড়া দুটি রকেট ইসরায়েলি ভূখণ্ডের ভেতরে বিস্ফোরিত হয়েছে। তবে এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
গত বুধবার সিনাইয়ে কয়েকটি তল্লাশিচৌকি ও একটি থানায় জঙ্গিরা হামলা চালায়। এরপর তাদের সঙ্গে মিসরের নিরাপত্তা বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ হয়। এতে কমবেশি ৭০ সেনা ও শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়েছে।
জঙ্গিদের অবস্থানে বোমা ফেলে ওই হামলার জবাব দিচ্ছে মিসরীয় বিমানবাহিনী। সিনাই জঙ্গিমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দুই ছাত্র কলেজে ভর্তি হতে পারবে না? by প্রণব বল
দুই ছাত্রের মধ্যে একজন বিশ্বজিৎ বসাক বান্দরবান সুয়ালেক উচ্চবিদ্যালয় আর আল আমিন চট্টগ্রাম নগরের রহমানিয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছে। দুজনই মানবিক বিভাগের ছাত্র। বিশ্বজিতের জিপিএ ৪.২৮ আর আল আমিনের ৩.৮৯।
ভর্তি-প্রক্রিয়ায় এবার জেলা কোটা, শিক্ষা কোটা ও মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকলেও প্রতিবন্ধী কোটা ছিল না। কোন কোটায় আবেদন করবে, তা বুঝতে না পেরে শিক্ষা কোটায় আবেদন করে দুজন।
ভর্তির এই অনিশ্চয়তা নিয়ে দুই ছাত্রের অভিভাবকেরাও উদ্বিগ্ন। বিশ্বজিতের মা সীমা বসাক বলেন, ‘কষ্ট করে ছেলে পড়ালেখা করল। এত সীমাবদ্ধতা নিয়ে ছেলে এসএসসি পাস করার পর অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এখন ভর্তি হতে পারছে না। আমার ছেলের শিক্ষাজীবন কি এখানে থেমে যাবে?’
শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, শিক্ষা কোটাটি কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সন্তানদের জন্য। এই দুই ছাত্রের কেউ ওই কোটায় পড়ে না।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কলেজের মানবিক বিভাগের ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘সে (বিশ্বজিৎ) আবেদনের সময় ভুল করেছে। তারা শিক্ষা কোটায় ভর্তির জন্য আবেদন করেছে। প্রতিবন্ধী কোটা নেই। এখন তাদের বিষয়ে আমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নেব? আমাদের এ ক্ষেত্রে কিছু করার নেই।’
এ বিষয়ে বিশ্বজিৎ বসাক জানায়, প্রতিবার প্রতিবন্ধী কোটা থাকলেও এবার ভর্তিতে কোটা ছিল না। তাই সে শিক্ষা কোটায় আবেদন করে। এই কোটায় তার নাম এলেও ভর্তি হতে দিচ্ছে না কলেজ।
নিয়ম অনুযায়ী, পাঁচটি পছন্দের কলেজের নাম দিয়ে আবেদন করে হাজেরা তুজ ডিগ্রি কলেজে ভর্তির জন্য বিবেচিত হয় আল আমিন। কিন্তু ১ জুলাই ভর্তি হতে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কেন সে সাধারণ (জেনারেল) কোটায় আবেদন করেনি, তা জানতে চাওয়া হয়।
আল আমিন বলে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই পাস করতে হয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের। এখন সে কী করবে বুঝতে পারছে না।
এ বিষয়ে হাজেরা তুজ ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ কুতুব উদ্দিন বলেন, শিক্ষা কোটায় আবেদন করায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি করাতে পারছে না। তবে বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় তাকে চট্টগ্রাম বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন তাঁরা।
ভুক্তভোগী দুই ছাত্র জানায়, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে এবার চার প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। তারাও শিক্ষা কোটায় আবেদন করেছিল।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কলেজ উপপরিদর্শক মো. হালিম প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তির নীতিমালায় প্রতিবন্ধীদের জন্য এবার কোনো কোটা রাখা হয়নি। তবে সব কলেজকে তাদের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সাধারণ কোটায় আবেদন করতে হবে। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ চাইলে তাদের ভর্তি করাতে পারে। এতে বোর্ডের কোনো আপত্তি থাকবে না। এ ছাড়া এই দুজনকে খালি আসনে আবেদনের মাধ্যমে ভর্তির চেষ্টা করতে পারবে।
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এই শিক্ষার্থীরা শ্রুতলেখকের মাধ্যমে পরীক্ষা দেয়। তারা মুখে বলবে আর শ্রুতলেখক তা লিখবে। চট্টগ্রাম সরকারি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের সুযোগ রয়েছে। এরপর শিক্ষার্থীরা অন্য বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সামাদ বলেন, ‘প্রতিবন্ধী কোটা না থাকায় ভর্তির আবেদনে হয়তো ভুল হয়েছে। কিন্তু সিটি কলেজ আমাদের চারজনকে ভর্তি করিয়েছে। চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজেরা তুজ ডিগ্রি কলেজ ভর্তি করাচ্ছে না। এখন কি তাহলে তাদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে?’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘স্টার জলসার’ জাদু by ইমরান আহম্মেদ
![]() |
| প্রতিদিন এভাবেই ভারতীয় চ্যানেল স্টার জলসায় সিরিয়াল দেখেন সালমা বেগম (ছদ্মনাম)। ছোট ছেলে শিহাবও (ছদ্মনাম) সিরিয়ালের ভক্ত। ছবি: ইমরান আহম্মেদ |
রাজীবকে (ছদ্মনাম) এভাবে আদেশ করেন তার মা সালমা বেগম (ছদ্মনাম)।
রাজীব আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘আমি খবর দেখছি, মা।’
‘পরে দেখিস, পড়তে যা।’
বলেই টেলিভিশনের দূরনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র হাতে নেন সালমা বেগম। বোতাম টিপে চালু করেন স্টার জলসা চ্যানেল।
সালমা বেগম প্রতিদিন ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল স্টার জলসায় গোটা দশেক সিরিয়াল দেখেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই চ্যানেলে তাঁর চোখ দুটো ঘোরাফেরা করে। গড়ে একটানা পাঁচ ঘণ্টা সিরিয়াল দেখেন। রাত সাড়ে ১১টায়ও তাঁর পছন্দের একটি সিরিয়াল আছে, কিন্তু সকালে উঠতে হয় বলে এটি বাদ দেন। সুযোগ থাকলে অবশ্য দেখা হয়ে যায়। এভাবে প্রতিদিন সিরিয়ালের চক্রে চক্কর দিচ্ছেন তিনি।
সালমা বেগমের তিন সন্তান। সজীব (ছদ্মনাম), রাজীব আর শিহাব (ছদ্মনাম)। একটি বড় কক্ষে ছেলেদের পড়ার টেবিল আর টেলিভিশন। সেখানে বসে পাঁচ ধরে একটার পর একটা সিরিয়াল দেখে চলেছেন সালমা বেগম।
সালমা বেগমের সিরিয়াল দেখার বিষয়ে তাঁর বড় ছেলে অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সজীবের দেওয়া তথ্যমতে, প্রতিদিন সন্ধ্যায় তিনি টিভি সিরিয়াল দেখা শুরু করেন। রাত সাড়ে ১১টায় শেষ করেন। প্রতিটি সিরিয়ালই পাঁচ মিনিট দেখানোর পর বিরতি দেয়। এই ফাঁকে বাসার কাজ সেরে নেন। ব্যাপারটা এমন—সিরিয়াল দেখার ফাঁকে ফাঁকে কাজ।
স্টার জলসায় সিরিয়াল চলাকালে অন্য কোনো চ্যানেল বা অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ নেই বলে জানান সজীব। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি একটি চ্যানেলে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দেখি। তা দেখতে অন্তত তিন দিন আগে মাকে বিষয়টি জানাতে হয়। তখন ওই সময় অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ মেলে। অবশ্য সে সময় তিনি পাশের বাসায় গিয়ে আন্টির সঙ্গে সিরিয়ালের ওই পর্বটা দেখে আসেন।’
অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব বলেন, ‘আমাদের একটা রুম হওয়ায় পরীক্ষার সময় তিনি পাশের বাসায় গিয়ে সিরিয়াল দেখেন। সিরিয়ালের সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে বকাঝকা শুরু করেন। সরকার থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন—কেউ বাদ যান না।’
রাজীবের ভাষ্য, মা সিরিয়াল দেখেন বলে টিভির অন্য কোনো অনুষ্ঠান তাঁদের দেখা হয় না। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ খেলাও দেখা হয় না। তিনি বলেন, ‘আগে “ইত্যাদি” দেখতাম, ঈদের সময় নাটক ও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান দেখতাম। বিভিন্ন সময় ক্রিকেট-ফুটবল খেলা হয়। এখন এসবের কিছুই দেখার সুযোগ হয় না। সারা বছরই শুধু স্টার জলসা।’
বাড়ির ছোট ছেলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র শিহাব। তৃতীয় শ্রেণি থেকে মায়ের সঙ্গে সিরিয়াল দেখার অভ্যাস করে ফেলেছে। স্টার জলসায় কী কী সিরিয়াল দেখায়, তা শিহাবের মুখস্থ।
সিরিয়ালগুলোর নাম জানতে চাইলে শিহার জানাল, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ‘বধূবরণ’, সাতটায় ‘ইষ্টিকুটুম’, সাড়ে সাতটায় ‘তুমি আসবে বলে’ আর রাত আটটায় ‘চোখের তারা তুই’। রাত সাড়ে আটটায় ‘কিরণমালা’, নয়টায় ‘বোঝে না সে বোঝে না’, সাড়ে নয়টায় ‘ঠিক যেন লাভ স্টোরি’, ১০টায় ‘জল নূপুর’, সাড়ে ১০টায় ‘তোমায় আমায় মিলে’, ১১টায় ‘মন নিয়ে কাছাকাছি’, আর সাড়ে ১১টায় ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’। তাঁর বাংলা পাঠ্যবইয়ের কবিতাগুলোর নাম জানতে চাইলে, মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল, ‘এখন মনে নেই।’
সিরিয়ালে তুমি কী দেখো—জানতে চাইলে শিহাব বলল, ‘প্রেম করে পালাইয়া যায়, আবার ফিররা আসে। ঘরের মধ্যে কুটনামি কইরা প্যাঁচ লাগায়, পূজা-অনুষ্ঠান-গান, বউ থাকতে গোপনে আরেকটা বিয়া—এমন অনেক কিছু।’
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সিরিয়াল চলে। পরদিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত আগের দিন প্রচার করা সিরিয়ালগুলোর পুনঃপ্রচার চলে। এতেও যোগ দেন মা ও ছেলে।
আগে সপ্তাহে ছয় দিন সিরিয়াল দেখাত, রোববার বন্ধ থাকত, এখন সপ্তাহে সাত দিনই প্রচার করা হয় সিরিয়াল। এতে শুধু আমাদের দেশের নারীরাই নন, শিশুরাও মায়েদের সঙ্গে অনুচিত ও অনুপযোগী জিনিস দেখছে ও শিখছে বলে দাবি করেন রাজীব। এতে শৈশবেই কচিমনে পড়ছে বিরূপ প্রভাব।
সালমা বেগমের ভাষ্য, ‘সন্ধ্যা থেকে সিরিয়াল দেখি বলে আগেই ঘরের কাজকর্ম সেরে রাখি। বিদ্যুৎ বা অন্য কোনো কারণে কোনো সিরিয়ালের কোনো পর্ব মিস হলে দিনের বেলা দেখে পুষিয়ে নিই।’
সালমা বেগমের দেখা ১০টি সিরিয়ালের প্রতিটির নায়ক-নায়িকার নাম তাঁর মুখস্থ। অথচ নিজের মুঠোফোনের নম্বরটা মনে থাকে না। আর বাংলাদেশের নাটক সর্বশেষ কবে দেখেছেন, তা মনে করতে গলদঘর্ম হতে হলো তাঁকে। বাংলাদেশের টিভি নাটকে অভিনয় করা কুশীলব যে কয়জনের নাম তিনি মনে করতে পারলেন, তাঁদের অনেকে এখন অবসর নিয়েছেন।
একসঙ্গে এত সিরিয়াল দেখার পর বিষয়গুলো মনে থাকে কি না—জানতে চাইলে সালমা বলেন, ‘আমার এগুলো মনে থাকে না। আসলে আগের পর্বে কী হইছে আর পরের পর্বে কী হবে, এটা মিলিয়ে ছয়-সাত মিনিট যায়। দৈনিক প্রত্যেকটার ১০-১২টা করে দেখায়। দেখি, আবার ভুলে যাই।’
সিরিয়াল দেখাটা এখনো সে রকম নেশায় পরিণত হয়নি—এমনটা দাবি করে সালমা বেগম বললেন, ‘না দেখাইলে, না দেইখ্যা থাকতে পারমু, তয় দেখাইলে না দেইখ্যা থাকতে পারমু না।’
সালমা বলেন, পাঁচ বছর ধরে সিরিয়াল দেখার অভ্যাস হয়েছে। এর আগে অবসরে হয়তো হাতের কাজ করতেন বা ছোট ছেলেকে পড়াতেন। এখন চোখের সমস্যা হওয়ায় আর হাতের কাজ করেন না। কবে থেকে চোখে সমস্যা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিয়মিত সিরিয়াল দেখা শুরু করার দু-এক বছর পরই।
এসব সিরিয়াল দেখার প্রভাবের বিষয়ে সালমার ভাষ্য, এটা শুধু নাটক হলেও অনেকে বাস্তবের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেন। সিরিয়ালের বিভিন্ন ধরনের পোশাক, গয়না, রান্নাবান্না দেখানো হয়। তাঁর প্রতিবেশীদের অনেকে এসব পোশাক-শাড়ি স্বজনদের কাছে দাবি করেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনেক ঝগড়া হয়েছে বলেও তিনি দেখেছেন। এমন করা ঠিক নয় বলে মনে করেন তিনি।
ওই বাসা থেকে ফেরার সময় ডাকলেন সজীব। বললেন, ‘ভাই, একটু ভালো করে লেখেন। সব কিছুরই একটা সীমা থাকে। স্টার জলসা-জি বাংলার মতো চ্যানেলগুলো এখন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এগুলো এখনো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভবিষ্যৎ আরও খারাপ হবে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিপিন্সে ফেরিডুবিতে ৩৮ আরোহীর মৃত্যু
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবামাকে বিয়ে করতে চান মুগাবে!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেদিন অনেক ভয় পেয়েছি
**ঈদের নাটকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি। কয়েকদিন আগে শফিকুর রহমান শান্তুনুর রচনা ও কমল চৌধুরীর পরিচালনায় ‘সুপার স্ক্রু ড্রাইভার’ নামের সাত পর্বের নাটকে অভিনয় করেছি। এটি গত বছরের ‘স্ক্রু ড্রাইভার’ নাটকের সিকুয়াল। এবারই প্রথম কোনো সিকুয়াল নাটকে কাজ করলাম। খুবই উপভোগ করেছি। আশা করছি সবার ভালো লাগবে। এ নাটক ছাড়া ঈদের জন্য আরও কয়েকটি নাটকে অভিনয় করব।
*ধারাবাহিকের ব্যস্ততা কী আছে?
**এই মুহূর্তে জুয়াড়ি, জীবন থেকে নেয়া এ শহরের গল্প ও বিন্দু বিসর্গ নামে তিনটি নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার চলছে। এগুলোর শুটিংয়ে নিয়মিত সময় দিতে হচ্ছে। তবে ঈদের জন্য ধারাবাহিকে সময় একটু কম দিচ্ছি।
*‘শূন্য থেকে শুরু’ নাটকেও অভিনয়ের কথা শোনা গেছে...
**হ্যাঁ, আলভী আহমেদের পরিচালনায় নাটকের কাজ শুরু করেছিলাম কিছুদিন আগে। তবে এখনও প্রচারে আসেনি। এ নাটকে অনেক চমক থাকবে দর্শকের জন্য।
*উপস্থাপনার খবর কী?
**বাংলাভিশনে রূপচর্চা বিষয়ক একটি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছি। উপস্থাপনায় বেশ আনন্দ পাই। আগেও উপস্থাপনার কাজ করেছি। এটি ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা।
*সম্প্রতি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। এখন সব ঠিক আছে তো?
**সেদিন আল্লার রহমতে বেঁচে গেছি। অনেক ভয় পেয়েছি। আমার স্বামী রায়হান খান আহত হয়েছে। আর গাড়ির ড্রাইভার মারা গেছেন। জীবনে এত বড় দুর্ঘটনার মুখে এবারই প্রথম পড়লাম। রায়হান এখন আগের চেয়ে ভালো আছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
সাদিয়া ন্যান্সি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারি কর্মচারী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী না হলে বরখাস্ত -সংসদীয় কমিটির সুপারিশ by কাজী সোহাগ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আমি মুজাহিদ বিয়ে করবো’ by ওয়েছ খছরু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেখিয়ে দিতে পারবো বাংলাদেশ রোল মডেল: স্যার আবেদ
শাইখ সিরাজ: দেশের জন্য এমন গৌরব বয়ে আনার জন্য এবং ১৫ কোটি মানুষের হাতে খাবার পৌঁছে দেয়ার কাজের এমন স্বীকৃতির জন্য আপনাকে অনেক অভিনন্দন। পুরস্কারটি কবে নাগাদ আপনার হাতে তুলে দেয়া হবে?
স্যার ফজলে হাসান আবেদ: অসংখ্য ধন্যবাদ। এ পুরস্কারটি অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব খাদ্য দিবসে দেয়া হয়। এবারও সে সময়েই দেয়া হবে। কাজের এ স্বীকৃতি আমাদের কর্মীদের কাজ করতে অনেক বেশি উদ্বুদ্ধ করবে, সেটাই সবচেয়ে বেশি ভাল লাগার কারণ।
শাইখ সিরাজ: ব্র্যাক এখন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। আপনি জানেন, গতকালই নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। সেখানে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকাও অনেক। দেশের সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রগুলোতে ব্র্যাকের আর কী কী কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে?
স্যার ফজলে হাসান আবেদ: আমরা শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। পুষ্টিহীনতা নিয়েও কাজ করছি আমরা। প্রসূতি মায়েরা ২ বছর কী করে ব্রেস্ট ফিড করাবে সেটা নিয়েও কাজ করছি। আমাদের দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ খাটো থাকে। সেই পুষ্টিহীনতা দূর করতেও কাজ করছি আমরা।
বিকাশের মাধ্যমে কেবল যে টাকা পাঠানো যাবে তা-ই না। বরং বিকাশ দিয়ে ব্যাংক লোন বা সেভিংসও করা যাবে, এমন ব্যবস্থা আমরা করছি। আপনি জানেন, স্বাস্থ্যের ব্যাপারে এ দেশে এখনও অনেক কাজ করার আছে। দেশে কৃমিরোগীর সংখ্যা কম নয়। সেটা নিয়েও কাজ করে যাচ্ছি আমরা। পানি ও স্যানিটেশন নিয়েও কাজ করছি। সবাই যেন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ও স্বাস্থ্যকর পানি পায় সে চেষ্টাই করে চলেছি। এসবের পাশাপাশি অনেক কাজ আছে আমাদের হাতে। যেমন কিছু প্রশিক্ষণ জনগণকে দেয়া যেন অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করে দেশকে উন্নতির দিকে নিতে পারি। তা ছাড়া কৃষিতেও অনেক ভাল সম্ভাবনা রয়েছে আমাদের। খাদ্য উৎপাদনশীলতা আরও বাড়াতে কাজ করে চলেছি।
শাইখ সিরাজ: বর্গাচাষি ঋণ আপনাদের একটি বড় কার্যক্রম, সেটা নিয়ে আপনাদের বর্তমান অবস্থান বলুন।
স্যার ফজলে হাসান আবেদ: সেটা চলছেই। প্রতি বছরই বাড়ছে ঋণের পরিমাণ। এখন ৭০০ কোটি টাকার ওপরে গেছে। আশা করি পরিমাণটা শিগগিরই এক হাজার কোটিতে গিয়ে দাঁড়াবে। হয়তো আরও বাড়বে।
শাইখ সিরাজ: এত গেল দেশের প্রেক্ষাপটে কর্মপরিকল্পনা। দেশের শিক্ষা, স্যানিটেশন ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে কথা হলো, দেশের বাইরেও তো আপনারা অনেক কাজ করছেন? আফগানিস্তানে, উগান্ডাতেও আপনাদের কাজ চলছে?
স্যার ফজলে হাসান আবেদ: সেটাও চলছে। ওসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ একযোগে কাজ করছে। আমরা হয়তো একটা সময় গিয়ে দেখিয়ে দিতে পারবো বাংলাদেশ যে উন্নয়নের মডেল তৈরি করেছে সেসব অন্য দেশেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
শাইখ সিরাজ: দেশের বায়োটেকনোলজি আবিষ্কারগুলোও তো এখন দেশের বাইরে পাঠানো হচ্ছে?
ফজলে হাসান আবেদ: উগান্ডাতে আমরা একটা বায়োটেকনোলজি প্লান্ট তৈরি করেছি। সেটা শিগগিরই উৎপাদন শুরু হবে। আমরা এখানে যা শিখেছি তা ওখানে নিয়ে যাবো আবার অন্য দেশের শিক্ষা আমাদের দেশে নিয়ে আসবো। ভাল যেসব শিক্ষা সেসব আমরা অদল-বদল করতে চাই।
শাইখ সিরাজ: এ দেশের দারিদ্র্যবিমোচনে সরকারের পাশাপাশি এনজিওগুলোর অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। আপনার কি মনে হয় কবে নাগাদ দেশ থেকে দারিদ্র্য নির্মূল হতে পারবে?
স্যার ফজলে হাসান আবেদ: আশা করি ২০৩০ সালের মধ্যে। সেপ্টেম্বর মাসের দিকে জাতিসংঘ ঘোষণা করবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা। ২০৩০-এর মধ্যে যেসব লক্ষ্য অর্জন করতে হবে, সেটার মধ্যে প্রথমেই থাকবে দারিদ্র্যবিমোচন। এটাই যদি আমাদের প্রথম লক্ষ্য হয় তাহলে সবগুলো দেশই আরও জোরেশোরে কাজ করবে। এখনও তো প্রায় এক-চতুর্থাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়ে গেছে। তাদের উঠিয়ে আনার জন্যও কাজ শুরু করতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিবাসী ইস্যুতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশকে অ্যামনেস্টির সুপারিশ
মানবপাচার মোকাবিলা করা ও এ অপরাধে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি ও তদন্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরপরও মানুষ শোষণের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থেকে যাবে, যদি নিজ দেশে দুঃসহ পরিস্থিতি বিরাজ করে। এ সংকটের মূল কারণ অনুসন্ধান ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে আপনাদের অবশ্যই যৌথভাবে কাজ করতে হবে। ব্যাংকক সম্মেলন মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর কয়েক দশক ধরে বিদ্যমান পদ্ধতিগত বৈষম্য ও নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। যখন মানুষের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তখন সে জীবন বাঁচানো রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা। যখন মানুষ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে রয়েছে, তখন তাদের সুরক্ষা করতে রাষ্ট্র বাধ্য। তাই আমরা বিশ্বব্যাপী ১৬টি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিভাগের পরিচালকগণ সহ আমাদের পিটিশনে স্বাক্ষরকারী ৬০ হাজার মানুষ আপনাদের কাছে জরুরিভিত্তিতে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণের আহ্বান জানাই।
নিশ্চিত করুন যে নৌকা অনুসন্ধান ও সহযোগিতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শরণার্থী ও অভিবাসী বোঝাই সকল নৌকাকে নিকটবর্তী নিরাপদ দেশে অবতরণে সহায়তা করুন, তাদের ফেরত পাঠাবেন না। হুমকি বা কোন ধরনের ভয় দেখাবেন না। খাদ্য, পানি, আশ্রয় ও স্বাস্থ্য সেবা সহ শরণার্থী ও অভিবাসীদের মৌলিক মানবিক প্রয়োজন মিটান। নিশ্চিত করুন যে, আশ্রয়প্রার্থীরা পরিপূর্ণ শরণার্থী মর্যাদা পেতে সক্ষম। নিশ্চিত করুন যে, মানুষের অন্য দেশে স্থানান্তরিত করা হবে না, তাদের নিজ দেশেও নয়- যেখানে তারা মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের ঝুঁকিতে থাকবেন। একটি দেশে প্রবেশে বিশেষ কোন উপায় অবলম্বনের জন্য কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন, আটক বা শাস্তি প্রদান না করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন। যেসব দেশ এখনও করেনি, তারা জাতিসংঘের শরণার্থী মর্যাদাবিষয়ক সম্মেলন, ১৯৬৭ সালের প্রটোকল, রাষ্ট্রহীন মানুষ সমপর্কিত সম্মেলন অনুমোদন করুন। সেখানে উল্লিখিত আইন, নীতি ও চর্চা বাস্তবায়ন করুন। জরুরিভিত্তিতে মিয়ানমারের সরকারের প্রতি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সব ধরনের আইনি, নীতিগত ও চর্চাগত বৈষম্য বন্ধে আহ্বান জানান। প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত রোহিঙ্গাদের সম নাগরিকত্ব পাবার অধিকার বাস্তবায়ন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসির প্রকল্প থেকে সরে গেল জাতিসংঘ
প্রকল্প বন্ধের ঘোষণা এলেও বিজ্ঞপ্তিতে তহবিল প্রত্যাহারের কারণ উল্লেখ নেই: প্রকল্প বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে জাতিসংঘের ঢাকাস্থ আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাঠানো হয়েছে। ‘ক্লোজ অব প্রজেক্ট: স্টেংদেনিং ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাতাদের তহবিল প্রত্যাহারের কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া ওই প্রকল্প আগামী বছরের মার্চে চলার কথা থাকলেও দাতারা তহবিল প্রত্যাহার করে নেয়ায় চলতি মাসেই প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। জাতিসংঘ জানায়, ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় শক্তিশালীকরণে সংস্থাটি সহায়তা দিয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আওতায় ‘বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্প নেয়া হয়েছিল। ভোটার নিবন্ধনপ্রক্রিয়াসহ নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ ও আধুনিক নির্বাচনী চর্চাগুলো প্রবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করতে ওই প্রকল্প ভূমিকা রেখেছে। চলতি জুলাইয়ে ওই প্রকল্প শেষ করে দিলেও ইউএনডিপি এ দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে তাদের অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশে ইউএনডিপির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের’ লক্ষ্য গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা জোরদার করা। এ প্রকল্পে অংশীদাররা হলো- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ (এনআইডি), ইউরোপীয় কমিশন, যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক দপ্তর ডিএফআইডি ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএসএআইডি। প্রকল্পে অর্থায়নবিষয়ক তথ্যে বলা হয়েছে, ওই প্রকল্পের আওতায় প্রতি বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক কোটি ৩৬ লাখ ৯৮ হাজার ৬৩০ ডলার, ডিএফআইডি ২৫ লাখ ডলার, ইউএনডিপি টিআরএসি (টার্গেট ফর রিসোর্স অ্যাসাইনমেন্ট ফ্রম দ্য কোর ফান্ডিং) ২০ লাখ ১৪ হাজার ৪২৩ ডলার এবং ইউএসএআইডি ১৪ লাখ ডলার দিয়ে আসছিল। ২০১১ সালে ওই প্রকল্পে ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৬৬০ দশমিক ৫৭ ডলার এবং ২০১২ সালে ৭১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৪৫ দশমিক ৮৫ ডলার দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে ইউএনডিপির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে এবং শাসনব্যবস্থার একটি স্থায়ী, পেশাদার, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হতে সহায়তা করতে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন, এর সচিবালয় ও স্থানীয় দপ্তরগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ প্রকল্প’ নেয়া হয়েছিল। ২০০৮ সালে নির্বাচনী সংস্কারপ্রক্রিয়া শুরুর প্রেক্ষাপটে এটি করা হয়েছিল। প্রকল্পের আওতায় ২০১২ সালে ৭০ লাখ নতুন ভোটারকে নিবন্ধন করা হয়। প্রকল্পটি অংশগ্রহণমূলক ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নে ভূমিকা রাখে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেলানী হত্যা- ফের নির্দোষ অমিয়
এদিকে অপ্রত্যাশিত এই রায়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফেলানীর পিতামাতা। তারা মেয়ে ফেলানী হত্যার ন্যায়বিচার না পাওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন। ফেলানীর পিতা নুর ইসলাম নুরু জানান, দুই দফা সাক্ষ্য দেয়ার পরও তার মেয়ের হত্যার ন্যায্য বিচার পাননি তিনি। তিনি এ রায় প্রত্যাখ্যান করেন। তার মতে অমিয় ঘোষের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। তা না করে ভারত সরকার বিচারের নামে তামাশা করেছে আমাদের সঙ্গে। আমি ন্যায়বিচারের জন্য আবারও আবেদন করবো।
কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘এই রায় ভারতীয় বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এর ফলে সীমান্ত হত্যার ক্ষেত্রে বিএসএফ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। যা সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সংকট তৈরি করবে। এ রায় মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি’। তিনি জানান, ভারতীয় সরকার এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। পাশাপাশি ফেলানীর পিতা এই রায়ের বিরুদ্ধে ভারতের উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সহায়তা প্রয়োজন।
২০১১ সালের ৭ই জানুয়ারি ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে ফেরার সময় ভারতের চৌধুরীহাট বিএসএফ ক্যাম্পের অমিয় ঘোষ ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে।
এ ঘটনার দুবছর পর ২০১৩ সালের ১৩ই আগস্ট কোচবিহার জেলার সোনারী এলাকায় ১৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্টে ফেলানি হত্যার বিচার শুরু হয়। ওই বিচারে বিএসএফ সদস্যকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেয়া হয়। এই রায় প্রত্যাখ্যান করে ফেলানী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনারের কাছে আবেদন করেন ফেলানীর পিতা নুরুল ইসলাম নুরু।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ কর্তৃপক্ষ। পিতা নুরুল ইসলাম গত বছরের ১৭ই নভেম্বর দ্বিতীয় বারের মতো সাক্ষ্য দেন ভারতের ওই বিশেষ আদালতে। কয়েক দিন আদালত চলার পর গত ২০শে নভেম্বর আদালত মুলতবি হয়ে যায়। ২৫শে মার্চ পুনরায় বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেয় আদালত। ২৬শে মার্চ আইজীবীর অসুস্থতার কারণে আদালত আবারও ২৯শে জুন পর্যন্ত মুলতবি হয়ে যায়। পরে ৩০শে জুন আদালত শুরু হয়ে ৩ দিন চলে। এরপরই মধ্যরাতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
‘গরিব বলে কি বিচার পাবো না?’
বাংলাদেশী কিশোরি ফেলানি খাতুন হত্যা মামলায় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ আবার নির্দোষ সাব্যস্ত হয়েছেন। এ রায়ে মর্মাহত ফেলানি খাতুনের বাবা নুরুল ইসলাম। রায়কে তামাশা আখ্যা দিয়েছেন তিনি। আকুতি প্রকাশ করে প্রশ্ন রেখেছেন ‘গরিব বলে কি বিচার পাবো না?’ ফেলানির পিতা বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘সকাল সাতটার দিকে আমি খবর পাই, আমার মেয়ের হত্যাকারীকে খালাস দিয়েছে। কিন্তু আমি এ বিচার মানি না। পাঁচ বছর ধরে আমি আশায় ছিলাম, কিন্তু বিচারটা আমি পাইনি। আমার খুব খারাপ লাগছে। কিন্তু সবার কাছে আমি আবারও বলছি আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি গরিব বলে কি এর বিচার পাবো না?’
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নিজেরাই নিজেদের সদস্যের বিচার করে। ফেলানি হত্যার এ রায়ে ক্ষুব্ধ ভারতের মানবাধিকার সংগঠন ‘মাসুম’। বিএসএফ-এর বিচারকে লোক দেখানো ও সংবিধান পরিপন্থি বলে আখ্যা দিয়েছে সংগঠনটি। মাসুম প্রধান কিরিটি রায় রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বিএসএফের আদালতে আগেই স্থির করা ছিল যে কি রায় দেয়া হবে। এটা লোক দেখানো বিচার হলো।
কিরিটি রায়ের প্রশ্ন, এটা কে ঠিক করল যে, শুধুমাত্র অমিয় ঘোষই অভিযুক্ত? যেখানে ফেলানি মারা যায়, সেখান দিয়ে ওর আগে আরও ৪০ জন বেড়া পেরিয়েছে, বিএসএফ ও বিজিবি টাকা নিয়েছে সবার কাছ থেকে। এটা ওয়েল রেকর্ডেড। তাই যারা সেই বেআইনি কাজের অনুমতি দিল, অর্থাৎ অমীয় ঘোষের সহকর্মী বা সিনিয়র অফিসাররা- তারা কেন দোষী হবেন না? কিরিটি রায় আরও জানান, ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেকের জীবনের অধিকার রয়েছে। শুধু ভারতের নাগরিক নয়, দেশের মাটিতে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির। এ ক্ষেত্রে সেটাও লঙ্ঘিত হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একাদশে ভর্তি: ৫০,০০০ অভিযোগ by নূর মোহাম্মদ
অভিযোগের বিষয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কোন সিদ্ধান্ত জানাতে না পারলেও সমস্যার সমাধান না হলে দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশের পর আবারো নতুন করে আবেদনের সুযোগ দেয়ার কথা উল্লেখ করে একটি নোটিশ টাঙানো হয়েছে ঢাকা বোর্ডে। প্রয়োজনে ৩য় ও ৪র্থ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃ বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু বক্কর সিদ্দিক। তবে এই তালিকার বিষয়টি মানতে রাজি নয় ভর্তিচ্ছুকরা। তাদের দাবি, ১ম মেধা তালিকায় সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা বোর্ডের ভুলের কারণে ২য় তালিকায় কেন যাবে? আর ২য় তালিকায় প্রকাশের পর ভাল কলেজে কোন আসন ফাঁকা থাকবে না। বিষয়টি নিয়ে আদালতে শরণাপন্ন হওয়ার চিন্তা ভাবনা করছেন অনেকেই। এদিকে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ফলাফলে অসংখ্য ভুল থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে শুরু করা যায়নি শিক্ষা কার্যক্রম। গতকাল পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১লা জুলাই থেকে ক্লাস শুরু অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারেনি। কিছু প্রতিষ্ঠান ওরিয়েন্টশন ক্লাস করেছে সীমিত আকারে। আর বাণিজ্যিক কলেজেগুলো ভর্তির কার্যত্রুমে ধস নেমেছে। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার কলেজ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, প্রত্যেক কলেজ ১ম মেধা তালিকায় কতজন শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়েছেন, কতটি আসন ফাঁকা আছে পুরো তথ্য স্ব স্ব বোর্ডকে জানাতে হবে।

গতকাল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১ম ভর্তির শেষ দিনও ঢাকা বোর্ডে ছিল ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ভর্তিচ্ছুক, অভিভাবকদের লম্বা লাইন। তদের ভিড় সামালাতে হিমশিম খেতে হয় নিরাপত্তা রক্ষীদের। গতকাল আনসারের পাশাপাশি পুলিশের উপস্থিতি ছিল বোর্ড কার্যালয়ে। বুধবার ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কলেজ উপ-পরিদর্শককে দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখার পর গতকাল বোর্ডের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। এর আগে ভর্তিচ্ছুকদের তোপের মুখে হঠাৎ বুকের ব্যথা অনুভব করে একটি বেসরকারি হাসপতালে ভর্তি হন কলেজ পরিদর্শক ড. আসফাকুস সালেহীন। তবে গতকাল অভিযোগ প্রদানকারীদের প্রবেশে ছিল কড়াকড়ি। বোর্ডে চেয়ারম্যান, কলেজ পরিদর্শনসহ যে কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আনসারদের বাধার মুখে পড়তে হয়। চেয়ারম্যানের দপ্তরে গিয়ে দেখা যায়, নানা ভোগান্তি নিয়ে আসা ভর্তিচ্ছুক ও অভিভাবকদের লম্বা লাইন। চেয়ারম্যানের দপ্তরের সামনে কয়েকজন আনসার সদস্য অভিযোগ ধরন বুঝে সাক্ষাতের সুযোগ দিচ্ছেন। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমি গত তিন দিন ধরে অভিযোগ শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। বুধবার পর্যন্ত সারা দেশ থেকে প্রায় অর্ধলাখ অভিযোগ এসেছে। গতকাল কত জমা হয়েছে তা আল্লাহ জানেন। তিনি বলেন, অধিকাংশ অভিযোগই কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ না পাওয়া সংক্রান্ত। তবে তাদের আমরা বলে দিয়েছি, চান্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানে আপাতত ভর্তি হন, পরে রিলিজ স্লিপে বদল করে নিবেন। আর যাদের আবেদনে ভুল ছিল তাদেরকেও নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেছি। এ ছাড়া আমাদের আর কী বা করার আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথমবার চালু হওয়ার অনলাইন ভর্তিতে ভোগান্তি পিছু ছাড়েনি ভর্তিচ্ছুকদের। ভর্তি আবেদন থেকে শুরু করে কলেজ ভর্তি হতে গিয়ে প্রায় ১২ ধরনের ভোগান্তির শিকার হন তারা। ভর্তিচ্ছুকরা যেসব অভিযোগ নিয়ে বোর্ডে আসছে তার মধ্যে অন্যতম কাঙ্ক্ষিত কলেজে ভর্তির সুযোগ না পাওয়া এবং একজনের আবেদন অন্য আরেকজন বা প্রতিষ্ঠান করে ফেলা। এরপর আবেদন করেও ভর্তির ফলে নাম না আসা, আবেদন না করা প্রতিষ্ঠানে মনোনয়ন, নিজ জেলার বাইরে কলেজ মনোনয়ন, ট্রান্সত্রিুপ্ট না পাওয়া, বাণিজ্য বিভাগ নেই এমন কলেজে পাঠানো হয়েছে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীদের। মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বিজ্ঞান বিভাগে, আবেদন করেনি এমন কলেজেও পাঠানো হয়েছে শিক্ষার্থী, মেয়ে হয়েও ছেলেদের কলেজে অথবা ছেলে হয়েও মেয়েদের কলেজে ভর্তির সুযোগ করে আবেদন, কোটা পছন্দ না করার পরও কোটায়যুক্ত, নামের সঙ্গে প্রকাশিত ফলাফলের আইডি নম্বরে মিল না থাকা, আবেদনের আইডিতে পিতা-মাতার তথ্য গরমিল থাকা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও মুক্তিযোদ্ধা কোটাভুক্ত করা, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি না করানো, বিভিন্ন কলেজে বিভাগের তালিকায় না পৌঁছানো, শিক্ষা বোর্ডের বাতিল করা কলেজেও দেয়া হয়েছে ভর্তির মনোনয়ন।
বোর্ড কর্মকর্তা বলছেন, সারা দেশের ১০টি বোর্ডের সমন্বয় করে আন্তঃ সমন্বয় বোর্ড। ঢাকা বোর্ড পদাধিকার বলে এটি দেখভাল করে। আর বোর্ড চেয়ারম্যান হন আহ্বায়ক। অভিযোগ এলেও এক্ষেত্রে বোর্ড কর্তৃপক্ষের করণীয় বলতে খুব একটা নেই। বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, কারিগরি দিকটি বুয়েট দেখায় এক্ষেত্রে তারা কিছু করতে পারছেন না। এদিকে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১লা জুলাই একাদশ শ্রেণীর ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এবার ভর্তি জটিলতায় কারণে দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্লাস শুরু করতে পারেনি। রাজধানীর কয়েকটি কলেজ গতকাল ওরিয়েন্টশন প্রোগ্রাম করে ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটেনে নিখোঁজ সিলেটের ১২ সদস্যের পরিবার, সন্দেহ আইএসের দিকে by তানজির আহমেদ রাসেল ও হাসান চৌধুরী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 04
(58)
- বাবার বয়সী স্বামীর সাথে ৬ বছরের বালিকার বিয়ে!
- ভ্রান্ত ভাবনা, ভুল পথ, সর্বনাশা পরিণতি by আবুল মোমেন
- বিশ্বের একটি বাস-অযোগ্য শহর থেকে বলছি... by আনিসু...
- স্নোডেন কি সত্যিই ‘বিশ্বাসঘাতক’? by মশিউল আলম
- ইসরায়েলে রকেট হামলা আইএসের
- দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দুই ছাত্র কলেজে ভর্তি হতে পারবে ন...
- ‘স্টার জলসার’ জাদু by ইমরান আহম্মেদ
- ফিলিপিন্সে ফেরিডুবিতে ৩৮ আরোহীর মৃত্যু
- ওবামাকে বিয়ে করতে চান মুগাবে!
- সেদিন অনেক ভয় পেয়েছি
- সরকারি কর্মচারী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী না হ...
- ‘আমি মুজাহিদ বিয়ে করবো’ by ওয়েছ খছরু
- দেখিয়ে দিতে পারবো বাংলাদেশ রোল মডেল: স্যার আবেদ
- অভিবাসী ইস্যুতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশকে অ্যামনেস্...
- ইসির প্রকল্প থেকে সরে গেল জাতিসংঘ
- ফেলানী হত্যা- ফের নির্দোষ অমিয়
- একাদশে ভর্তি: ৫০,০০০ অভিযোগ by নূর মোহাম্মদ
- বৃটেনে নিখোঁজ সিলেটের ১২ সদস্যের পরিবার, সন্দেহ আই...
- সার্বভৌম ঋণের ক্ষেত্রে আইনের শাসন by জোসেফ ই স্ট...
- কোথায় যায় এত টিকিট? by তারেক মাহমুদ
- ‘অস্ত্র’ বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের by রানা আব্বাস
- সাদা সোনায় দুর্দিন by ইমাদ উদ দীন
- লন্ডনে বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে তারেক রহমান...
- ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ পেলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ
- গ্রিস ছেড়ে পালাচ্ছে তরুণেরা
- ঋণের ২০০ কোটি টাকা ফেরত নিলো জাইকা by দীন ইসলাম
- গাজীপুর খাদ্য গুদামে চালের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন by...
- চট্টগ্রাম নগরের সড়ক: কাটতে চায় ওয়াসা, সংস্কার চ...
- প্রস্তুতি ম্যাচে কী বার্তা পেল বাংলাদেশ?
- সত্যিকারের গল্প যখন হার মানায় রূপকথাকে
- যাত্রী নামিয়ে দিয়ে মন্ত্রী উঠলেন বিমানে- ভারতজুড়ে ...
- লতিফ সিদ্দিকীর ফাঁসির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ
- গুগলের এক মহা ভুল!
- কৃত্রিম প্রেমের স্বরূপ
- ব্লগারদের প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয় মনোভাব রয়েছে: অজ...
- রেশনে গুদামের ভাল গম নিতে ‘ওয়ারেন্টি প্রথা’ বাতিল ...
- পাঁচ বছরে বিশ্বব্যাংক থেকে ১৫৫ কোটি টাকা পাচ্ছে সিলেট
- আইসিটি বিভাগের উদ্ভাবন তহবিলের অনুদান- সিপি গ্যাং ...
- বিএমপি কমিশনারকে প্রত্যাহারের সুপারিশ
- মানুষ খুন করেছে রোবট!
- কোকেন কাণ্ড- গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন ১০ দিনের রিমান্ডে
- ‘আইজকাই ঈদ লাগতাছে’
- সিলেটের শিফার প্রেমিক ড্রাইভার খালেদ রিমান্ডে by ও...
- কিরণমালায় মাত তরুণীরা
- গ্রহের মর্যাদা ফিরে পাবে প্লুটো?
- এক সেকেন্ডেই ৩৩টি এইচডি মুভি ডাউনলোড
- ইউটিউবের জন্য হুমকি নয় ফেসবুক
- টেইলার্সের কারিগরদের নির্ঘুম রাত by রাজিউর রহমান রুমী
- ডাল ও পিয়াজের দাম চড়া
- বগুড়ায় বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পরিবারে টেনশন by জ...
- রোবটের হাতে মানুষ খুন
- চট্টগ্রামে আবারও গ্যাস সংকট ভোগান্তিতে নগরবাসী
- এসসিসির স্টাফ কোয়ার্টার জটিলতা যেন শাপেবর!
- এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় উইন্ডোজ ৭
- যেখানে দুর্বলতা দক্ষিণ আফ্রিকার by ফাহিম রহমান
- লতিফ সিদ্দিকীর শাস্তির দাবিতে ইসলামী সংগঠনগুলোর বি...
- ড. কেরি কেনেডিকে সম্মানসূচক ডিগ্রি তুলে দিচ্ছেন ড....
- টিকিট যেন সোনার হরিণ
-
▼
Jul 04
(58)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

















