Showing posts with label মাহফুজুর রহমান মানিক. Show all posts
Showing posts with label মাহফুজুর রহমান মানিক. Show all posts

Thursday, February 12, 2015

খবরে 'খবর' হোক by মাহফুজুর রহমান মানিক

কোনো কিছুর অবস্থা যাচাইয়ের নানা পদ্ধতি রয়েছে। শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করে ব্যক্তির জ্বর আছে কি-না বোঝা যায়। চোখের পানি ব্যক্তির অনুভূতির পরিচায়ক। এ রকম প্রত্যেকটির অবস্থা পরিমাপ করতে একেকটি যন্ত্র, স্কেল বা পরিমাপক আছে। ভূমিকম্প হলে রিখটার স্কেল বলে দেয় তার মাত্রা কেমন। পাল্লা বলে দেয় বস্তুর ওজন। ল্যাক্টোমিটারে দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপ হয় কিংবা পরীক্ষা প্রমাণ করে শিক্ষার্থীর মেধা। তারপরও কিছু থেকে যায়। যেগুলো মাপার সাধারণ যন্ত্র নেই। অবস্থা বোঝার বৈজ্ঞানিক সূত্র নেই। তবুও বিভিন্নভাবে আমরা অনুভব করি।
সংবাদমাধ্যমে নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাজ সংবাদ নিয়ে। সংবাদকে তারাও বিভিন্নভাবে মাপেন। কোন খবর বড় করে দেবেন, কোনটা ছোট করবেন_ এটা তাদের বিবেচ্য। এ বিবেচনারও হয়তো নানা মাত্রা আছে। নির্দিষ্ট জেলার খবর হলে ওই জেলার পত্রিকায় ঘটনাটি যতটা গুরুত্ব পাবে, জাতীয় পত্রিকায় আসলে খবরটি হয়তো সে গুরুত্ব পাবে না। সংবাদমাধ্যমের নির্দিষ্ট নীতি অনুযায়ী কোনো খবর ছোট-বড় হতে পারে। এর বাইরেও সর্বজনীন বলে কথা আছে। কোনো জেলায় কিংবা দেশের কোনো জায়গায় একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটলে, সেখানে অন্তত একশ' মানুষ মারা গেলে দেশের সব সংবাদমাধ্যমের প্রধান শিরোনাম কোনটা হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটা খবরের মাত্রাগত দিক থেকে যতটা সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য মানুষের প্রত্যাশার কারণে।
এ রকম বড় ঘটনা অবশ্য প্রধান খবর হয়ে প্রকাশ হওয়ার মানে এটাও প্রমাণ করে, প্রশাসনের মনোযোগের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দুর্ঘটনাটি। এটা অবশ্য প্রত্যেক খবরের ক্ষেত্রেই সত্য। খবরটি প্রকাশ হওয়ার মাধ্যমে সেটি মানুষ যেমন জানছে, তেমনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও যেন তা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
দেশে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যে সংকট চলছে, তার খবর বলা চলে প্রতিনিয়তই দেশের সবক'টি সংবাদমাধ্যমে প্রধান খবর হিসেবে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়ে আসছে। খবরটি কেবল দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, দেশের সীমানা পেরিয়ে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক প্রায় সব সংবাদমাধ্যমেই গুরুত্বের সঙ্গে এসেছে। এ সংকট কতটা গুরুতর, তা হয়তো এটা দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক অনেক সংবাদমাধ্যমই আছে, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে হয়তো ২-৩ মাসের মধ্যেও বাংলাদেশের খবর পাওয়া যায় না। সে একই সংবাদমাধ্যমে এই সময়ে খবর হয়েছে ৪-৫টি কিংবা তারও বেশি। এমনকি হয়তো একই দিনে দুটি খবরও প্রকাশ হয়েছে। এখানে খবরের সংখ্যা যত না গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি সংকটের মাত্রা। তবে এটাও বলে রাখা দরকার, নেতিবাচক সংবাদই বলা চলে সংবাদমাধ্যমে বেশি আসে। খুব ভালো খবর না হলে স্বাভাবিক অবস্থার খবর আন্তর্জাতিক মাধ্যমে তেমন দেখা যায় না। কিন্তু বলার বিষয় হলো, যে সংকটটি প্রতিনিয়ত আমাদের সংবাদমাধ্যমে প্রধান খবর হয়ে আসছে। সে সংকটটি পেট্রোল বোমায় মানুষ মেরে আরও ঘনীভূত হচ্ছে। যে সংকটটি দেশের ১৫ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত করছে। যে সংকটের অনিশ্চয়তায় রয়েছে ৩০ লাখ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা। যার কারণে অর্থনীতির হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ কাজ হারাচ্ছে, খেতে পারছে না_ সে সংকটটি আসলে কতটা 'সংকট' হিসেবে আমাদের কর্ণধাররা বিবেচনা করছেন তা জানা নেই। তবে রাজনৈতিক এ সংকট ও অচলাবস্থায় যে রাজনীতিবিদদেরই এগিয়ে আসতে হবে। খবরে সময় থাকতে খবর না হলে, হয়তো তাদের রাজনীতি থাকবে, কিন্তু যাদের জন্য রাজনীতি করবেন, তারা থাকবে কি?

Saturday, January 18, 2014

শুরুতেই গতি চাই by মাহফুজুর রহমান মানিক

প্রথম থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত আমাদের শিক্ষাবর্ষের হিসাব ইংরেজি বছরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বছর শুরু ও শেষ হওয়ার সঙ্গে বিদ্যালয়ে শিক্ষাবষের্র শুরু ও শেষ হয়। জানুয়ারির শুরুতেই তাই সরকারের তরফ থেকে বই দেওয়া হয় এবং নতুন বছরে নতুন ক্লাসও শুরু হয়। ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে যার সমাপ্তি। গোটা বছরে ক্লান্ত শিক্ষার্থী নতুন করে প্রাণ পায় জানুয়ারিতে। নতুন বছরের চেয়েও নতুন ক্লাসের আমেজে প্রত্যেকেই প্রাণচঞ্চল থাকে। তার ওপর নতুন বই ও নতুন নতুন সহপাঠী শিক্ষার্থীর সে হৃদয়কে আরেকটু উদ্দীপ্ত করে বৈকি। শিক্ষার্থীরা এ সময় চাপমুক্ত থাকে। তাই এ সময়ে পড়াশোনায় শিক্ষার্থীর অর্জন ভালো হওয়াই স্বাভাবিক। ফলে কাজে লাগানোর জন্য এ সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণত দেখা যায় শিক্ষাবর্ষের শুরুর দিকে, বিশেষ করে জানুয়ারি মাসজুড়ে ক্লাস অনেক কম হয়। অনেক জায়গায় ২-৩টি ক্লাস করেই ছুটি হয়ে যায়। অথচ প্রশাসন-শিক্ষকরা চাইলেই আরও বেশি ক্লাস নিতে পারেন কিংবা স্বাভাবিক সময়ের মতো পূর্ণোদ্যমে পড়াশোনা শুরু করতে পারেন। তা না করায় অনেক সময় দেখা যায় নির্দিষ্ট সিলেবাস শেষ হয় না এবং পরীক্ষার আগ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করে শিক্ষার্থীর ওপর চাপিয়ে তা শেষ করার চেষ্টা করেন। বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ প্রয়োগের কথা বলা হচ্ছে না কিংবা শুরুতেই সিলেবাস শেষ করতে হবে, তাও নয়। এটা ঠিক যে, নতুন ক্লাসের অনেক বই-ই শিক্ষার্থীর কাছে কঠিন হতে পারে। সেটা শিক্ষকরা ভালোভাবে বুঝিয়ে দেবেন; যতটা পারা যায় শিক্ষার্থীদের ওপর কঠোর না হয়ে সহজে বোঝাবেন। তা শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই প্রয়োজন। এটা একদিকে যেমন নির্দিষ্ট সিলেবাস স্বাভাবিক নিয়মে শেষ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তার চেয়ে বেশি জরুরি আমাদের রাজনৈতিক অবস্থার জন্য। গত বছরের অভিজ্ঞতা কারও অজানা নয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে হরতাল-অবরোধের কারণে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। অনেকে ঠিকমতো সিলেবাস শেষ করতে পারেনি; পরীক্ষা নিতে হয়েছে নানা ভোগান্তির মধ্যে। এভাবে হয়তো শিক্ষাবর্ষ পার হয়েছে কিন্তু শিক্ষার্থীর কতটা অর্জন হলো তা নিশ্চয়ই ভাবার বিষয়। যদিও রাজনৈতিক অস্থিরতার দায় কোনোভাবেই শিক্ষার্থী-শিক্ষা ব্যবস্থা নিতে পারে না। কিন্তু আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য যে, শিক্ষা ব্যবস্থা সরাসরি এর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি স্কুল পোড়ানোর মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাও দেখতে হয়েছে। অথচ এটা সবারই জানা, সব ক্ষতিই পোষানো যায় কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি অপূরণীয়।
রাজনৈতিক অচলাবস্থা আমরা চাই না। রাজনীতির প্রভাব শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর পড়ূক তাও কেউ মেনে নেবে না। তারপরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এ জন্য বছরের শুরু থেকেই যথাযথভাবে প্রত্যেকটি শিক্ষাঘণ্টা কাজে লাগানোর বিকল্প নেই। পূর্ণোদ্যমে শিক্ষাবর্ষ শুরু হলে মাঝপথের অপ্রত্যাশিত অবস্থার মোকাবেলা কিছুটা হলেও সম্ভব। বলার অপেক্ষা রাখে না, বছরের শুরুতে ঢিলেঢালা ক্লাসের বিষয়টা অনেক আগ থেকেই চলে আসছে। আগে হয়তো একটা বাস্তবতাও ছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পেঁৗছতে পেঁৗছতে গোটা জানুয়ারি লেগে যেত। তখন ইচ্ছা থাকলেও শিক্ষকদের ক্লাস নেওয়া সম্ভব ছিল না। এখন জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই শিক্ষার্থীরা সব বই পেয়ে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই পুরোপুরি ক্লাস হওয়া সমস্যা নয়। নতুন বইয়ের গন্ধ আর নতুন শ্রেণীতে শিক্ষার্থীর প্রাণচাঞ্চল্য থাকতে থাকতেই শুরু হোক না পূর্ণোদ্যমে পড়াশোনা।
mahfuz.manik@gmail.com

Saturday, January 11, 2014

পয়সার পুনরাবির্ভাব! by মাহফুজুর রহমান মানিক

নতুন প্রজন্মের কাছে পয়সার হিসাব অনেকটা ঐতিহ্যের মতো। এক-পাঁচ-দশ এমনকি পঁচিশ পয়সাও দেখার সুযোগ অনেকের হয়নি হয়তো। অনেকে হয়তো দেখে থাকবেন জাদুঘরে; বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকার জাদুঘর ও মুদ্রা প্রদর্শনীতে। মুদ্রা সংগ্রহের শখ কিংবা সংগ্রহ করে রাখা অন্য কারও কালেকশন থেকেও কেউ দেখে থাকতে পারেন। অথচ এসব মুদ্রার এক সময় ব্যাপক প্রচলন ছিল। দাদা-দাদি, নানা-নানিদের গল্প থেকে অনেকে জানেন, তাদের সময় পাঁচ-দশ পয়সায় অনেক কিছু পাওয়া যেত। এক-দুই টাকায় ব্যাগভর্তি বাজার করা যেত, যা এখন কল্পনা করাও কঠিন। যেখানে পঁচিশ-পঞ্চাশ পয়সা থাক, এক টাকায়ও তেমন কিছু পাওয়া যায় না; যেখানে এক টাকাই দুষ্প্রাপ্য, এর বদলে অনেক জায়গায় যেখানে চকোলেট ধরিয়ে দেয়, সেখানে পয়সার কথা অবাস্তবই বটে। তবে দেখার বিষয় হলো, এভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একদিক থেকে পয়সার হিসাব, চিন্তা কিংবা লেনদেন উঠে গেলেও আরেকদিক থেকে ঠিকই ফিরে এসেছে।
সেটা অবশ্য আগের মতো ধরাছোঁয়া কিংবা সরাসরি লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে নয়। বরং এর বাইরে থেকেই প্রতিনিয়ত পয়সার হিসাব করছেন সবাই। এ হিসাব ফিরে এসেছে মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে। দিন যত যাচ্ছে মোবাইল অপারেটরগুলোর এ পয়সার হিসাব বরং আরও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম হচ্ছে। এ হিসাবে পয়সার সঙ্গে সেকেন্ডের হিসাবটাও গুরুত্ব পাচ্ছে। এখন নানা অফারে মিনিটে পঁচিশ-ত্রিশ পয়সায় কথা বলা যায় এবং বলা চলে, দেশের কোনো অপারেটরে মিনিটে দেড় টাকা-দুই টাকার ওপরে কথা বলার চার্জ নেই। চার্জ যাই হোক তার সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। দেড়-দুই টাকায় ভ্যাটের হিসাবটা অবশ্যম্ভাবীভাবে পয়সাই আসে। আর সেকেন্ডের হিসাব ধরলে চার্জ প্রতি সেকেন্ডে দুই-আড়াই পয়সা আসে। এমনকি কোনো কোনো অপারেটরের বিভিন্ন প্যাকেজে এ হিসাবে সেকেন্ডে আধা পয়সাও হয়ে যায় এবং মোবাইল অপারেটরগুলো ঠিকই চার্জ পয়সা হিসাবেই টাকা কেটে নেয়।
পয়সাবিহীন এ সময়ে এভাবে ভার্চুয়াল পয়সার হিসাব মজার বিষয়ই বটে। প্রত্যেকের গোচরে-অগোচরে এ হিসাব কাজ করে যাচ্ছে। সবাই যখন তার মোবাইলের ব্যালেন্স চেক করতে যান তখনই সেটা টের পান। ফলে বলা চলে, মোবাইল ফোনই নীরবে আমাদের ঐতিহ্যবাহী পয়সার হিসাব বাস্তবে ধরে রাখছে! এটা অবশ্য বর্তমান আধুনিক দুনিয়ারই ফল। প্রযুক্তি এখন দিন দিন একেবারে মানুষের দোরগোড়ায় সহজলভ্য হিসেবে পেঁৗছে যাচ্ছে। এই প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে বিপরীতমুখী একটি চিত্র আমরা দেখছি, যেখানে জীবনের অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিসের দাম বাড়ছে অথচ একই সময়ে কমছে প্রযুক্তিগত পণ্যের মূল্য। মোবাইল ফোনই তার বাস্তব উদাহরণ। আগে চার-পাঁচ হাজার টাকায় মোবাইল ফোন কেনা অসম্ভব ছিল। এখন তা এক-দেড় হাজার টাকায়ই পাওয়া যায়। একই সঙ্গে আমরা মোবাইল ফোনে কথা বলার চার্জও কমতে দেখছি। এমনকি এ নিয়ে অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও লক্ষণীয়। এরই ধারাবাহিকতায় পয়সার পুনরাবির্ভাব।
বর্তমান প্রজন্ম মোবাইল ফোনে পয়সার এ হিসাব থেকেও আগেকার দিনের কথা স্মরণ করতে পারেন। তবে বলাই বাহুল্য, সত্যিকার পয়সা দেখতে জাদুঘরেই যেতে হবে। সবকিছুর দামই যে এখন বাড়তি!
mahfuz.manik@gmail.com

Saturday, July 6, 2013

কাগজ-কলম কিংবা প্রযুক্তি by মাহফুজুর রহমান মানিক

লেখার অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসাব করতে গেলে অবশ্যম্ভাবী হয়ে দুটি বিষয় মাথায় হাজির হয়_ কাগজ ও কলম। লেখার সঙ্গে এ দুটি বিষয় এত অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত যেন এগুলো ছাড়া লেখালেখি কদাপি সম্ভব নয়।

Wednesday, July 3, 2013

বৃদ্ধ আইন! by মাহফুজুর রহমান মানিক

নচিকেতার বৃদ্ধাশ্রম গানটি যে কারও হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। মানবজীবনের এক নির্মম বাস্তবতার কথা বলছে এটি। গানের প্রথম দিকের চেয়ে শেষের কথাগুলো বোধহয় বেশি বাস্তব।

Saturday, June 22, 2013

হৃদয়ের দৃষ্টি by মাহফুজুর রহমান মানিক

নীরবতা অনেক কথা বলে। এর প্রচণ্ড এক শক্তি আছে। অনেক সময় কথা বলে যা কাউকে বোঝানো যায় না নীরবতা তা অনায়াসে বুঝিয়ে দেয়। সরবতার চেয়ে নীরবতা বেশি কিছু বলে কিনা জানা নেই।

Friday, January 25, 2013

মিলনমেলা বসবে যখন by মাহফুজুর রহমান মানিক

গত বছরের কথা মনে আছে? বাংলা একাডেমীর বইমেলায় প্রবেশ করলেই একটা গান শোনা যেত, 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা, লেখক-পাঠকের মিলনমেলা'। সেই মিলনমেলা ১১ মাস পর আবার দরজায় কড়া নাড়ছে।

Sunday, January 20, 2013

ছবির ভাষা by মাহফুজুর রহমান মানিক

কেউ কথা বললে তার কথা আরেকজন পুরোপুরি নাও বুঝতে পারে, কারও লেখা অন্যের কাছে বোধগম্য নাও হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে 'কমিউনিকেশন গ্যাপ' থেকে যায়। ছবির ক্ষেত্রেও কি তাই? একটি নিশ্চল, নিস্তব্ধ ছবির দিকে তাকিয়ে গল্প-উপন্যাস-টেলিভিশনে কতজনকে কাঁদতে দেখেছি।

Sunday, January 13, 2013

প্রথম দিনেই নতুন বই by মাহফুজুর রহমান মানিক

নতুন বছরে নতুন কাসের সাথে সাথে নতুন বই শিার্থীদের প্রত্যাশা। শিশুদের েেত্র এ প্রত্যাশা চিরন্তন সত্য। পৃথিবীটা তাদের কাছে নতুন। নতুন পৃথিবীতে সবকিছুতে নতুনই ভালবাসে শিশু। শিশুদের পড়ার জন্য চাই নতুন বই।

Thursday, January 10, 2013

শিক্ষা- সরকারি কলেজ না দরকারি কলেজ by মাহফুজুর রহমান মানিক

সরকারি কলেজগুলোর আগের ঐতিহ্য আর নেই। মেধাবী শিক্ষার্থীদের টানতে পারছে না এগুলো। বর্তমান শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ আরেকটা বিষয় হলো নতুন পদ সৃষ্টি।

Tuesday, January 8, 2013

যন্ত্রণা সমাচার by মাহফুজুর রহমান মানিক

কোনো কোনো কলের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে অধীর আগ্রহে। সন্তান যখন দূরে থাকে তার কলটা পাওয়ার জন্য মা কতটা চিন্তায় থাকেন ভাবা যায়? অনেক কলের জন্য মানুষ বছরের পর বছর অপেক্ষা করে। কারও অপেক্ষার প্রহর গোনা শেষ হয়, কারও হয়তো কখনোই শেষ হয় না।

Tuesday, January 1, 2013

ডায়েরির পাতা by মাহফুজুর রহমান মানিক

ডায়েরির পাতা কথা বলে। নানা কথা বলে, প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা যেমন বলে, তেমনি মৃত ঘটনাগুলোকে জীবন্ত করে চোখের সামনে আনে। ইতিহাসকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনা নিয়ে এসেছে।

Saturday, December 22, 2012

হৃদয়ছোঁয়া চিঠি by মাহফুজুর রহমান মানিক

চিঠি বোধহয় মানুষের ভাব গুছিয়ে প্রকাশের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। মোবাইল, ইন্টারনেট, ই-মেইলের যুগেও চিঠির কদর কমেনি। এগুলোর প্রভাবে চিঠি লেখার পরিমাণ, প্রয়োজনীয়তা আর প্রবণতা কমে গেছে হয়তো, কিন্তু আবেদন ঠিকই আছে।

Sunday, November 18, 2012

অসি বনাম মসি by মাহফুজুর রহমান মানিক

প্রবাদে আছে অসির চেয়ে মসির শক্তি বেশি। বাস্তব বলে অন্য কথা। অস্ত্রের চেয়ে শক্তিশালী আর কী হতে পারে। যার হাতে অস্ত্র সে-ই ক্ষমতাবান। অস্ত্রের কাছে সবাই অসহায়। ছাত্রের হাতে অস্ত্র থাকলে শিক্ষক অসহায়। খবরটা শনিবারের সমকালের। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রলীগ নেতা পরীক্ষার হলে গেছেন অস্ত্র নিয়ে। অস্ত্রের দাপটে তিনি তার নির্দিষ্ট আসনে বসেননি।

Sunday, November 11, 2012

ভার্চুয়াল দর্শক by মাহফুজুর রহমান মানিক

আজকের দুনিয়ায় যেখানে যা-ই ঘটুক না কেন তার দর্শক কেবল সেখানকার মানুষ নয়। ইন্টারনেট এবং সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে দুনিয়ার একপ্রান্তের ঘটনাবলি আরেক প্রান্তের মানুষও স্বচক্ষে দেখতে পারেন; তারাই ভার্চুয়াল দর্শক এবং এই ভার্চুয়াল দর্শকের সংখ্যাটা কিন্তু কোথাও কোথাও মূল দর্শকের চেয়েও বেশি।

Saturday, November 3, 2012

এক টাকা by মাহফুজুর রহমান মানিক

অনেক টাকা আছে, কিন্তু এক টাকা আছে কি, নোট কিংবা কয়েন? পকেট হাতড়িয়ে হয়তো অনেকে বলতে বাধ্য হবেন, না নেই। এটাই স্বাভাবিক। থাকাটা বরং অস্বাভাবিক। আমাদের অজানতেই এক টাকা হারিয়ে গেছে।

Tuesday, October 30, 2012

ভর্তি প্রক্রিয়া -অক্সব্রিজের আয়নায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় by মাহফুজুর রহমান মানিক

অক্সব্রিজের মধ্যে লুকিয়ে আছে বিখ্যাত দুটি বিশ্ববিদ্যালয়। ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের দুনিয়াজোড়া খ্যাতি আর ঐতিহাসিকতার দিক থেকে একত্রে বলা হয় অক্সব্রিজ। এদের প্রথমটির সঙ্গে মিলিয়েই এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হতো প্রাচ্যের অক্সফোর্ড।

Saturday, October 20, 2012

গণপরিবহন! by মাহফুজুর রহমান মানিক

ডারউইনের কথা তো ফেলনা নয়, সার্ভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট_ যোগ্যতমরাই টিকে থাকে। ঢাকা শহরের গণপরিবহনের কথা চিন্তা করলে মনে হবে শক্তিমানরাই বুঝি যোগ্যতম। শক্তির যোগ্যতার বাইরে গণপরিবহনে নিজের স্থান করে নেওয়ার, টিকে থাকার অন্য কোনো মাধ্যম নেই।

Sunday, October 7, 2012

আইকিউ by মাহফুজুর রহমান মানিক

আইকিউ নিয়ে অনেকের কৌতূহল থাকা অস্বাভাবিক নয়। অলিভিয়ার খবরটা এ কৌতূহলকে আরেকটু উস্কে দেবে নিঃসন্দেহে। সম্প্রতি ডেইলি মেইল সে খবরটি দিয়েছে_ যুক্তরাজ্যের লিভারপুলের অলিভিয়া ম্যানিংয়ের আইকিউ আইনস্টাইন এবং স্টিফেন হকিংয়ের চেয়েও বেশি।

Saturday, September 22, 2012

পুলিশ সিগন্যাল! by মাহফুজুর রহমান মানিক

রাস্তায় নামলেই নগরবাসী ট্রাফিক জ্যাম আর ট্রাফিক সিগন্যালের সম্মুখীন হন। কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয় এই দুটির মধ্যে কোনটি বেশি বিরক্তিকর? একজন জবাব দিলেন, ট্রাফিক জ্যাম। আসলেই কি ট্রাফিক জ্যাম? ধরা যাক কেউ একজন গাড়িতে বসে আছেন।