Thursday, June 18, 2015
প্রথম আলো পোড়াল বদির সমর্থকেরা, প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি
আজ প্রথম আলোয় ‘তিন তালিকাতেই সাংসদ বদি’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরই জের ধরে টেকনাফ পৌর আওয়ামী যুবলীগের ব্যানারে আজ বিকেল বিকেল চারটার দিকে বাস স্টেশনের উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এই প্রতিবাদ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পৌর যুবলীগের সভাপতি মঞ্জুরুল করিম। সভায় শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
![]() |
| ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ আবদুর রহমান বদির সমর্থকেরা টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের ওপর প্রথম আলো পত্রিকার কয়েকটি সংখ্যায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। ছবি: সংগৃহীত |
ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য নুরুল ইসলাম ওরফে কালু প্রথম আলো টেকনাফ প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিনকে প্রকাশ্যে হত্যা করার হুমকি দিয়ে উপস্থিতিদের হাত তুলে সমর্থন আদায় করেন। তিনি বলেন, যেখানে পাই সেখানে গিয়াসকে হত্যা করা হবে।
![]() |
| মানব পাচার, ইয়াবা ও রোহিঙ্গাদের বৈধকরণ—এই তিন অপরাধের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সাংসদ আবদুর রহমান বদি—এ সংক্রান্ত খবর প্রথম আলোয় প্রথম হওয়ায় টেকনাফে পৌর যুবলীগ মিছিল করে। ছবি: সংগৃহীত |
সভা চলাকালে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের ওপর আজকের প্রথম আলো পত্রিকার কয়েকটি সংখ্যায় আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়। সভাশেষে একটি মিছিল জিরো পয়েন্ট এলাকা ঘুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
প্রতিবাদ সভা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোহাম্মদ আলী বলেন, সাংসদ বদির বিরুদ্ধে প্রথম আলো তাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছে। এর সঙ্গে আমার কোনো যোগসূত্র নেই। আর প্রতিবাদ সভায় যারা ছিলেন তারা সাংসদেরই অনুগত লোকজন। এ প্রতিবাদ সভার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। আর শেখ হাসিনার সরকার মানবপাচার, রোহিঙ্গা আশ্রয়দাতা ও ইয়াবার বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি এটাকে সাধুবাদ জানাই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন তালিকাতেই সাংসদ বদি by শরিফুল হাসান
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা টেকনাফের শীর্ষ ৭৯ মানব পাচারকারীর তালিকায় সাংসদ বদির নাম আছে ১ নম্বরে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এ তালিকা করা হয়। একই বছরের ডিসেম্বরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে আরেকটি তদন্ত হয়। তাতে সাংসদের আট আত্মীয়কে মানব পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এর আগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের করা ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকায়ও সাংসদ বদিকে মাদকের মূল পৃষ্ঠপোষক বলা হয়। ওই তালিকায় তাঁর ১৭ জন আত্মীয়ের নাম আছে।
আর রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে সহায়তাকারীদের তালিকায়ও তিনি আছেন ১ নম্বরে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২০১৩ সালের অক্টোবরে এ তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছিল।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ঢাকার হিসাব অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগর এলাকায় মানব পাচারের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে তিন হাজার কোটি টাকার মাদকের বাজারের অর্ধেকই দখল করে রেখেছে ইয়াবা। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা প্রবেশের একমাত্র রুট টেকনাফ।
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে সহায়তা করা, কক্সবাজারে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া এবং পরে তাদের নাগরিক সনদ দিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে সহযোগিতা করাও বড় টাকার বাণিজ্য। তবে টাকার অঙ্কে এর কোনো হিসাব গ্রহণযোগ্য কোনো সংস্থা থেকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও কক্সবাজারের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা জানান, মানব পাচার ও ইয়াবা চোরাচালান—দুটিতেই মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও রোহিঙ্গাদের একটি চক্র জড়িত বলে অভিযোগ আছে।
গত বছরের ১১ জুন সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের সীতা পাহাড়ের বিপরীতে বাংলাদেশের জলসীমায় মালয়েশিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলারের যাত্রীদের সঙ্গে নাবিক ও পাচারকারীদের সংঘর্ষ হয়। এতে পাঁচজন বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান, আহত হন অর্ধশতাধিক। পরবর্তী সময়ে কোস্টগার্ড ২৯৮ জনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে সেন্ট মার্টিনে নিয়ে আসে। উদ্ধার করা এবং জড়িত ওই ব্যক্তিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ ও কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের পেছনের মূল হোতাদের নামের একটি তালিকা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। পরে তালিকা যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয় ৭৯ জনকে মানব পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত করে। তাতে সাংসদ আবদুর রহমান বদির নাম ১ নম্বরে রাখা হয়। তাঁর ভাই মুজিবর রহমানের নাম তালিকায় ৩ নম্বরে আছে।
রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহকারীদের তালিকায়ও সাংসদ ভাইয়ের সঙ্গে মুজিবর রহমানের নাম ৮ নম্বরে আছে। আর ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় তাঁর নাম ৭ নম্বরে আছে। এই তালিকার ২ নম্বরে আছে সাংসদের আরেক ভাই আবদুর শুক্কুরের (৩৮) নাম। ওই তালিকার ৪ নম্বরে সাংসদের ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম (২৩), ৫ নম্বরে ফয়সাল রহমান (২০) ও ৮ নম্বরে মোহাম্মদ আলমের (৩৫) নাম রয়েছে। শফিকুল ও ফয়সালের বাড়ি থেকে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর একজন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। ওই ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলাও করে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে সাতজনকে মুখ্য পাচারকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এঁরা রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় মাদক পাচারে মুখ্য ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। টেকনাফের চৌধুরীপাড়ার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় ১ নম্বরে থাকা সাংসদ আবদুর রহমানের নামের পাশে লেখা হয়েছে, সাংসদের ছত্রচ্ছায়ায় লোকজন ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত।
সাংসদের আর যেসব আত্মীয় মানব পাচারকারীদের তালিকায় আছেন, তাঁরা হলেন তাঁর বোন শামসুন্নাহারের ছেলে সায়েদুর রহমান নিপু (২৪), বোনের দেবর হামিদ হোসেন (৪০), চাচাশ্বশুর জহিরউদ্দিন এবং সাংসদের দুই বেয়াই আক্তার কামাল ও শাহেদ কামাল।
এ ছাড়া পুলিশের প্রতিবেদনে এঁদের বাইরে মানব পাচারকারী ও হুন্ডি ব্যবসায়ী হিসেবে সাংসদের খালাতো ভাই মং মং সেন, বেয়াই মো. হারুন (৪৫), আক্তার কামাল (৩৫), সাইদ কামাল (৩০), হামিদ হোসেন, হাসু ওরফে শামীম, মফিজুর রহমান ও তালই জহিরউদ্দিনের নাম আছে।
সাংসদের আর যেসব আত্মীয়ের নাম ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় আছে তাঁরা হলেন ভাই আবদুল আমিন (৩৫), শফিকুল ইসলাম (ফয়সাল রহমান) (২০), বোন শামসুন্নাহার, বোনের ছেলে সায়েদুর রহমান ওরফে নিপু, চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আলম (৩৫), ফুফাতো ভাই কামরুল ইসলাম ওরফে রাসেল, ফুফাতো ভাই নুর আলম (৩২), শামীম, খালাতো ভাই মং মং সেন, বেয়াই আবদুল জব্বার (৪০), বেয়াই আফসার, সৈয়দ হোসেন ও মফিজুর রহমান।
জানতে চাইলে সাংসদ আবদুর রহমান গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইয়াবা হলে আমার নাম, রোহিঙ্গায় আমার নাম, মানব পাচার হলে আমার নাম আসবেই। এগুলো পুরোনো খবর। সীমান্ত এলাকার সাংসদ বলে আমার এই অবস্থা।’ কেন বারবার আপনারই নাম আসে—এ প্রশ্নের জবাবে সাংসদ বলেন, ‘এগুলো বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র। তাদের এখন আর কোনো কাজ নেই। বিএনপি-জামায়াত জানে, আমাকে নির্বাচনে হারাতে পারবে না। তাই তারা এসব ষড়যন্ত্র করছে। যাতে আমি দলের নমিনেশন না পাই।’
এই তিনটি তালিকাই তো আপনার সরকারের সময়ে হয়েছে—এমন প্রশ্নে সাংসদ বলেন, ‘ষড়যন্ত্র থেমে নেই। যারা তালিকা করে, তারাও অবশ্যই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু আপনি এলাকায় যান। দেখবেন আমি ইয়াবা, মানব পাচার—এসবের বিরুদ্ধে। আমি মানব পাচারকারীদের ধরিয়ে দিয়েছি। তারপরও ষড়যন্ত্র চলছে।’
সাবেক সাংসদ ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সব সময় বলে এসেছি, মানব পাচার ও ইয়াবার চক্র একই সূত্রে গাঁথা। এসবের পেছনে মূল হোতা একজন সাংসদ। এই চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারলে ইয়াবা ও মানব পাচার দুটিই বন্ধ করা সম্ভব।’
সরকারের হাতে এত তথ্য থাকার পরেও কেন সাংসদ বদির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রথম আলোকে বলেন, এই সাংসদকে আগেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তিনি জামিন নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন। এখন আবার কোনো অভিযোগ এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি মামলায় আদালত সাংসদ বদিকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ইয়াবা চোরাচালান বা মানব পাচারের কোনো ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইভীকে সরানোর দাবিতে শামীম ওসমানপন্থীদের নগরভবন ঘেরাও!
নগর দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিতে অর্থায়নের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ডিএফআইডি প্রতিনিধিদলের বেলা ১১টায় মেয়রের সঙ্গে নগরভবনে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত ছিল। ডিএফআইডির অর্থনীতিবিদ মিশেল সুল্টজ ও শান্তনু দাস, ব্র্যাক বাংলাদেশের ডিএফআইডির উপদেষ্টা হেলেন কাইন্ডসহ কয়েকজন ওই প্রতিনিধিদলটিতে ছিলেন। কিন্তু প্রতিনিধিরা নগরভবনে ঢোকার আগেই রাজনীতিতে শামীম ওসমানের অনুগত বলে পরিচিত লোকজন নগর ভবনের প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় তাঁরা ইংরেজিতে লেখা ব্যানার প্রদর্শন করেন।
পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই করা ওই অবরোধ কর্মসূচিতে ঘেরাওকারীরা ‘আইভীর দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘আইভীর চামড়া, তুলে নেব আমরা’ বলে স্লোগান দেন। একপর্যায়ে মেয়র আইভী ঘেরাওকারীদের সামনে গিয়ে বলেন, ‘আমি তোমাদের সামনে এসেছি, এখন তোমাদের সৎ সাহস থাকলে পারলে জুতা মারো, চামড়া তুলে নাও।’ মেয়রের এ কথা শুনে অবরোধে নেতৃত্বদানকারীরা পিছু হটে যান। একপর্যায়ে যুবলীগের নেতা জানে আলম বিপ্লব মেয়র আইভীকে বলেন, ‘আপা এটা তো আমাদের স্লোগানের ভাষা।’
ঘেরাওকারীদের সঙ্গে কথা বলে আইভী কার্যালয়ে ফিরে যান। এরপর নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, সহসভাপতি জাকিরুল আলম হেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, নগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত সাজনু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ হোসিয়ারি সমিতির চেয়ারম্যান নাজমুল আলম সজল, ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল, বৃহত্তর তল্লা যুবলীগের সভাপতি জানে আলম বিপ্লব, সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ইশরাত জাহান স্মৃতি সেখানে বক্তব্য দেন। তাঁরা সবাই নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ শামীম ওসমানের সমর্থক ও অনুগত হিসেবে পরিচিত।
বিদেশি দাতা সংস্থার ওই প্রতিনিধিরা বেলা ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নগরভবনে অবস্থান করেন। পুরোটা সময় শামীম ওসমানপন্থীরা ঘেরাও কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন।
ঘেরাও কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্যে খোকন সাহা দাবি করেন, উন্নয়নের নামে মেয়র আইভী সিটি করপোরেশনের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সিটি করপোরেশনের চেয়ে পৌরসভা ভালো ছিল। কর না কমালে উন্নয়নবঞ্চিত মানুষ আগামী দিনে নগরভবন ঘেরাও করবে, মেয়রকে বেরোতে দেবে না। এবার বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা হলে নাগরিকেরা কর দেওয়া বন্ধ করে দেবে। তিনি আইভীকে মেয়র পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
মেয়র আইভী তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্য দেশি-বিদেশি অর্থায়নে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে সাংসদ শামীম ওসমানের অনুগতরা সুপরিকল্পিতভাবে বিদেশি দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের পরিদর্শনকালে ইংরেজিতে লেখা ব্যানার নিয়ে ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন।
মেয়র আইভী বলেন, ‘নারী বলেই তারা আমাকে হেয় করার জন্য এই ধরনের পথ বেছে নিয়েছে। আমি যখন সাহস করে তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম, তখন তারা কুরুচিপূর্ণ স্লোগান বন্ধ করে চুপ হয়ে যায়। নেতৃত্বদানকারীদের অনেকে সটকে পড়ে। আমি তাদের মুখোমুখি হওয়ার পর, তারা আমার সঙ্গে কোনো খারাপ ব্যবহার করেনি। হয়তো তারা বুঝতে পেরেছেন, কেউ তাদের ভুল বুঝিয়ে এ ধরনের কাজ করতে বাধ্য করাচ্ছে।’
এর আগেও বিদেশি দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা নগর ভবনে এলেই রাস্তায় গড়ে তোলা ট্রাক টার্মিনালে এলোপাতাড়ি ট্রাক রেখে অহেতুক যানজট সৃষ্টি করা হয় বলেও দাবি করেন মেয়র আইভী।
নগর ভবন ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালে ঘটনাস্থলে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মালেকের নেতৃত্বে পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশ বিদেশি নাগরিকদের নগরভবনে নিরাপদে ঢুকতে ও বের হওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
![]() |
| ১০ জুন ট্রাইব্যুনালের এজলাসের কাঠগড়ায় দণ্ড ভোগ করে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ফাইল ছবি |
ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আফতাবুজ্জামান প্রথম আলোকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত অবমাননার দায়ে ১০ জুন জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে এজলাসে আসামির কাঠগড়ায় এক ঘণ্টার কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন। এক সপ্তাহের মধ্যে জরিমানার ওই টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের দপ্তর জানায়, নির্ধারিত সময়ে জরিমানার টাকা জমা না দেওয়ায় জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
যদিও জাফরুল্লাহর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ৫ জুলাই পর্যন্ত জাফরুল্লাহর অর্থদণ্ড স্থগিত করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি রেজিস্ট্রার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ধরনের কোনো আদেশের অনুলিপি আমরা পাইনি।’
আদালত অবমাননার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত নিউ এজ পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদনের সম্পাদক বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ জানিয়ে দেশের ৫০ নাগরিক গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বিবৃতি দেন। মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির পরে বিবৃতি থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন। ১৪ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল ৪৯ বিবৃতিদাতার কাছে তাঁদের বিবৃতির বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। পরে বিবৃতির জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ায় ২৬ বিবৃতিদাতাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৩ জনের বিরুদ্ধে গত ১ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল আদালত অবমাননার রুল দেন।
১০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জাফরুল্লাহকে আদালত অবমাননার দায়ে দণ্ড দেন ও অভিযোগ থাকা অন্য ২২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রয়োজন’ -বৃটিশ পার্লামেন্টে বিতর্ক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০০ রানী, ৫০০ রাজপুত্র নিয়ে সংসার রাজার
১৯৬৮ সালে বাবার মৃত্যুর পর রাজ্যাভিষেক হয় আবুম্বির৷ উল্লেখ্য, ক্যামেরুনে বহুবিবাহকে এখনো বেআইনি ঘোষণা করা হয়নি৷ স্থানীয় রীতি, সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখাই তার উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন বর্তমান রাজা আবুম্বি৷ তবে, শুধু আবুম্বিদের এই কীর্তিই অভিনব নয়, বাফুটের রাজপ্রাসাদও পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার কাজটা বোলারদের
![]() |
| সাকিবের ২৯তম ওয়ানডে ফিফটিতে বড় স্কোর পেয়েছে বাংলাদেশ |
ইনিংসের মাঝপথে সাকিব অবশ্য বলে গেছেন ২০-২৫টি রান কম হয়ে গেছে। এতে সাকিবেরও কিছু ‘দায়’ আছে। সেট হয়েও স্লগ ওভারে উইকেট দিয়ে এসেছেন। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, সাকিব হালটা ঠিকভাবে না ধরলে আজ হয়তো ২৩০-২৪০ রানেই অলআউট হয়ে যেত বাংলাদেশ।
তামিম-সৌম্যর ১০২ রানের উদ্বোধনী জুটিতে দারুণ শুরু পেয়েছিল মাশরাফির দল। মাঝখানে ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে পথ হারিয়ে ফেলে। বৃষ্টির আগে সৌম্য আর বৃষ্টির পর ফেরেন তামিম। দুজনই ফিফটির ইনিংস দুটো টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। এর পর লিটন দাস আর মুশফিকও দ্রুত ফিরে গেলে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
সেখান থেকেই সাব্বির ও নাসিরের সঙ্গে দুটো দারুণ জুটি গড়েন সাকিব। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাওয়াশে ভূমিকাই রাখতে পারেননি। সতীর্থেরা যে ব্যাটিংয়ের সুযোগই দিচ্ছিল না! এবার সুযোগ পেতেই ঝলসে উঠলেন স্বরূপে। মূলত সাব্বিরের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে তাঁর ৮৫ রানের জুটিটায় ধাক্কা সামলে ওঠে বাংলাদেশ। সাকিবের ৫২, সাব্বিরের ৪১ ও নাসিরের ৩৪ রানের ইনিংস তিনটি কক্ষপথে ফেরায় বাংলাদেশকে। মাশরাফির ১৮ বলে খেলা ২১ রানের ইনিংসটা বড় ভূমিকা রাখে তিন শ পার করাতে। তবে ৫ উইকেটে ২২৯ থেকে ৩০৭ রানে অলআউট—সাকিব ঠিকই বলেছেন, আরও গোটা পঁচিশেক রান তুলতেই পারত বাংলাদেশ।
তবে সেই ঘাটতিটা পুষিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব এখন বোলারদের। ভারতের বিপক্ষে আগের তিনটি জয়েই মাশরাফির বড় ভূমিকা ছিল। দুবার তো ম্যাচ সেরাই হয়েছেন। এবার মাশরাফির নেতৃত্বে বোলারদের করতে হবে বাকি কাজটা। অনেককে চমকে দিয়ে চার পেসার নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে অভিষেক হচ্ছে মুস্তাফিজুর রহমানের, পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেকে সুইংয়ে চমকে দিয়েছিলেন এই বাঁ হাতি পেসার। আজকের আবহাওয়া তাঁকে ওয়ানডেতেও চমকে দেওয়ার মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছে।
আছেন ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত অভিষেক হওয়া তাসকিনও। বিশ্বকাপের নায়ক রুবেলও ফিরছেন। আর স্পিন বিষ ঢালতে সাকিব তো আছেনই। ভারতের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ, আবার কঠিনও হয়তো নয়। সেটা অনেকটাই নির্ভর করছে বোলারদের ওপর।
সর্বশেষ ১৯ মাসে পরে ব্যাট করে ২৩ ইনিংসে একবারই তিন শ পেরিয়েছে ভারত। কিন্তু সেই ম্যাচটাও তারা জেতেনি, হয়ে গিয়েছিল ‘টাই’!
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যানজট সহ্য না করতে পেরে গুলি ছোড়েন সাংসদপুত্র রনি
![]() |
| বখতিয়ার আলম রনি |
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ নুরু মিয়া জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া ও মো. কামাল ওরফে টাইগার কামালের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। একই ঘটনায় গতকাল বুধবার আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন বখতিয়ারের অপর বন্ধু আবাসন ব্যবসায়ী কামাল মাহমুদ। এর আগে এ মামলায় গ্রেপ্তার বখতিয়ার আলমের গাড়িচালক ইমরান ফকির আদালতে জবানবন্দি দিয়ে বখতিয়ারের নাম প্রকাশ করে।
গত ১৩ এপ্রিল রাতে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে সাংসদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির গুলিতে দুজন শ্রমজীবী মানুষ নিহত হন। গুলি ছোড়ার সময় বখতিয়ারের গাড়িতে জাহাঙ্গীর হোসেন, কামাল মাহমুদ ও টাইগার কামাল ছিলেন।
মামলার তদন্ত ও আদালত সংশ্লিস্ট সূত্র থেকে জানা যায়, সাক্ষীরা তাদের (জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, টাইগার কামাল) জবানবন্দিতে বলেন, কল্যাণপুরে একটি জমির বেচাকেনা নিয়ে কথা বলতে তাদের বাংলামোটরে শ্যালে বারে ডেকে পাঠান সাংসদপুত্র বখতিয়ার। সেখানে তারা মদপান করেন। তখন বখতিয়ারের সঙ্গে কামাল মাহমুদ ছিলেন। রাত ১১টায় শ্যালে বার বন্ধ হয়ে যায়। তখন বখতিয়ার তাঁকে সোনারগাঁও হোটেলে মদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে বন্ধু জাহাঙ্গীরকে বলেন। এতে জাহাঙ্গীর রাজি হলে তাঁরা চারজন (কামাল মাহমুদসহ) বখতিয়ারের প্রাডো গাড়িতে করে সোনারগাঁও হোটেলে আসেন। সেখানে বখতিয়ার, জাহাঙ্গীর ও টাইগার কামাল আবার মদপান করেন। ফেরার পথে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে এলএমজি টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে গাড়ি যানজটে পড়ে। এতে বিরক্ত হয়ে বখতিয়ার লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে চার-পাঁচটি গুলি ছোড়েন। এতে দুজন লোক মারা যান।
সাংসদপুত্রের আরও দুই বন্ধু জবানবন্দি দিচ্ছেন
রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাংসদপুত্র বখতিয়ার আলম রনির আরও দুই বন্ধু সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিচ্ছেন। তাঁরা হলেন—জাহাঙ্গীর ও টাইগার কামাল।
ঢাকার মহানগর হাকিম নুরু মিয়া আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ওই দুজনের জবানবন্দি গ্রহণ করছেন।
একই ঘটনায় গতকাল বুধবার আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন বখতিয়ারের আরেক বন্ধু আবাসন ব্যবসায়ী কামাল মাহমুদ।
গত ১৩ এপ্রিল রাতে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে সাংসদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিনু খানের ছেলে বখতিয়ারের গুলিতে দুজন শ্রমজীবী মানুষ নিহত হন। গুলি ছোড়ার সময় বখতিয়ারের গাড়িতে ছিলেন কামাল।
মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল সকালে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কামাল মাহমুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি ১৩ এপ্রিল রাতে সাংসদপুত্রের গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দিতে রাজি হন। এরপর তাঁকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নিয়ে যান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এসআই দীপক কুমার দাস। আদালতে জবানবন্দি দিয়ে কামাল মাহমুদ বাসায় ফিরে যান।
মামলার তদন্ত ও আদালত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, কামাল মাহমুদ জবানবন্দিতে বলেছেন, কল্যাণপুরে একটি জমির বেচাকেনা নিয়ে কথা বলতে তাঁকে বাংলামোটরে শ্যালে বারে ডেকে পাঠান সাংসদপুত্র বখতিয়ার। তিনি সেখানে এসে দেখেন, বখতিয়ার মদপান করছেন। বখতিয়ারের সঙ্গে আরও দুই বন্ধু জাহাঙ্গীর হোসেন ও টাইগার কামালও ছিলেন। রাত ১১টায় শ্যালে বার বন্ধ হয়ে যায়। তখন বখতিয়ার তাঁকে সোনারগাঁও হোটেলে মদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে বন্ধু জাহাঙ্গীরকে বলেন। এতে জাহাঙ্গীর রাজি হলে তাঁরা চারজন (কামাল মাহমুদসহ) বখতিয়ারের প্রাডো গাড়িতে করে সোনারগাঁও হোটেলে আসেন। সেখানে বখতিয়ার, জাহাঙ্গীর ও টাইগার কামাল আবার মদপান করেন। কামাল মাহমুদ আদালতের কাছে দাবি করেন, তাঁর মদপানের অভ্যাস না থাকায় তিনি পান করেননি।
জবানবন্দিতে কামাল মাহমুদ বলেন, রাত দেড়টার দিকে তাঁরা সোনারগাঁও হোটেল থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠেন। বখতিয়ারের গাড়িচালক ইমরান ফকির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। বখতিয়ার বসেন চালকের পাশের আসনে। বাকি তিন বন্ধু পেছনের আসনে। তাঁরা প্রথমে জাহাঙ্গীরকে মগবাজার ডাক্তার গলির সামনে নামিয়ে দেন। পৌনে দুইটার দিকে নিউ ইস্কাটনে এলএমজি টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে গাড়ি যানজটে পড়ে। এতে বিরক্ত হয়ে বখতিয়ার লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে চার-পাঁচটি গুলি ছোড়েন। এরপর মিনিট খানেক গাড়িটি সেখানে ছিল।
কামাল মাহমুদ আদালতকে বলেন, গুলি করতে দেখে তিনি বখতিয়ারকে বললেন, এটা কী করলা? জবাবে বখতিয়ার বলেন, কিছু হবে না, চুপ থাকো। পরে টাইগার কামালকে ঘটনাস্থলের একটু দূরে নিউ ইস্কাটনে এবং তাঁকে (কামাল মাহমুদ) হাতিরপুলে নামিয়ে দিয়ে বখতিয়ার ধানমন্ডির বাসায় ফিরে যান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফাতাহ-হামাস বিরোধ আবার প্রকাশ্য
২০১৪ সালের এপ্রিলে ফিলিস্তিনি ঐক্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রেসিডেন্ট আব্বাসের পশ্চিম তীর-ভিত্তিক ফাতাহ মুভমেন্ট এবং গাজা শাসনকারী ইসলামপন্থী সংগঠন হামাসের মধ্যে সাত বছরের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে ওই সমঝোতা হয়। ফিলিস্তিনি সরকার পদত্যাগ করলে, তা হবে ঐক্যের প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে বিরাট এক ধাক্কা।
পশ্চিম তীরের রামাল্লায় মঙ্গলবার ফাতাহ রেভ্যুলেশনারি কাউন্সিলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রেসিডেন্ট আব্বাস কী বলেছেন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে বৈঠকে অংশ নেওয়া বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, আব্বাস বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফিলিস্তিনি সরকার পদত্যাগ করবে।’
প্রেসিডেন্ট দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, আব্বাস বুধবার স্থানীয় সময় দুপুরে প্রধানমন্ত্রী রামি হামদাল্লাহর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন।
ফিলিস্তিনের ২০০৬ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে হামাসের হাতে ক্ষমতাসীন ফাত্তাহর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। একপর্যায়ে ২০০৭ সালের মার্চে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যের সরকার হলেও তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। তিন মাসের মধ্যেই এই দ্বন্দ্ব রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। জুন মাসে গাজা থেকে ফাতাহ মুভমেন্টকে হটিয়ে দিয়ে একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে হামাস। সেই সঙ্গে পশ্চিম তীর থেকে হামাসের কর্মকর্তাদের বিতাড়ন করা হয়। এরপর সাত বছর গাজা শাসন করে হামাস। তবে গত বছরের জুন মাসে হামাস প্রশাসন পদত্যাগ করে এবং রামাল্লাহভিত্তিক ঐক্যের সরকার শপথ নেয়।
স্বতন্ত্র আমলাদের নিয়ে গঠিত ঐক্যের সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল ফাতাহ-হামাস উভয়ই। তবে বাস্তবে তারা গাজায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। কারণ, আদতে হামাসই এখনো গাজার ক্ষমতায় রয়েছে।
ঐক্যের সরকারের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের খবরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হামাস। তাদের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি গতকাল বলেন, ঐক্যের সরকারে পরিবর্তনের ব্যাপারে কেউই তাঁদের সঙ্গে পরামর্শ করেনি। ফাতাহ একতরফাভাবে এ পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘সব পক্ষের মধ্যে সমঝোতা ছাড়াই সরকারে একতরফা যেকোনো পরিবর্তন প্রত্যাখ্যান করে হামাস।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেগুনের দাম দ্বিগুণ
![]() |
| প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম ৮০ থেকে ৯০ টাকা। ছবিটি কারওয়ান বাজার থেকে তোলা l প্রথম আলো |
মঙ্গলবার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।
পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে কাল শুক্রবার। তাই ইফতারসামগ্রী তৈরিতে প্রয়োজন হয় এমন সবজির দাম সুযোগ বুঝে বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। কারওয়ান বাজার ঘুরে গতকাল এ চিত্র পাওয়া গেছে। খুচরা ও পাইকারি—দুই বাজারেই এমন সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। সবজির বড় পাইকারি বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে এক দিনের ব্যবধানে গতকাল বেগুনের দাম ২০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা হয়েছে। আদা, রসুন ও কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। হঠাৎ করে না বাড়লেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা পাম তেল, আলু, দেশি ও বিদেশি পেঁয়াজ, আদা এবং আমদানি করা রসুনের দাম বেড়েছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) গতকালের বাজারদরে এ তথ্য দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, পাম তেল লিটারে ১-২ টাকা, দেশি ও বিদেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৫, আদা ও রসুন মানভেদে কেজিতে ১০ ও আলুর দাম বেড়েছে ৪ টাকা।
কারওয়ান বাজারে গতকাল প্রতি কেজি আলু মানভেদে ২০-২৪ টাকা, দেশি ও বিদেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, দেশি আদা ১৪০, ভারতীয় আদা ১৬০-২০০, পটোল ও করলা ৩০, ঝিঙে ৪০, চায়না রসুন ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। ছোলার কেজি ৬০-৬৫, দেশি মসুর ডাল ১১৫-১২০, বিদেশি মসুর ৯৫, অ্যাংকর ডাল ৫০-৫৫ ও খেসারি ডাল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে খেজুরের দাম প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত।
জানতে চাইলে কারওয়ান বাজার কাঁচামাল আড়ত ব্যবসায়ী মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে সবজি প্রচুর পরিমাণে আসছে। দু-একটি ছাড়া কোনো পণ্যের দামই বাড়েনি। তিনি জানালেন, গতকাল পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৫-২০, আলু ১৮ থেকে সাড়ে ১৮ ও পেঁয়াজ ৩৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
তাহলে খুচরা বাজারে এসব পণ্যের দাম এত বেশি কেন—এ প্রশ্নে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আজ (গতকাল) বাজারে মানুষের ঢল নামছে। মনে হইতাছে, বাজার কোথাও চইল্লা যাইব। মানুষের বাড়াবাড়ির কারণেই খুচরা ব্যবসায়ীরা দিছে দাম বাড়াইয়া।’ তাঁর মতে, মানুষ অন্যান্য সময়ের মতো রমজান মাসেও স্বাভাবিক বাজার-সদাই করলেই সবজির বাজার ঠান্ডা থাকত।
এদিকে সবজির পাইকারি বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে মঙ্গলবার প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ কেনাবেচা হয়েছে ৮-৯ টাকায়। গতকাল সেখানে কাঁচা মরিচের দাম ওঠে ২০ টাকা। এক দিন আগের ১০ টাকা কেজির গ্রানুলা আলু গতকাল বিক্রি হয় ১৫ টাকায়। করলা কেজিতে ৪ টাকা বেড়ে ১২ টাকায় বিক্রি হয়। এক দিন আগে পটোল ৭ টাকায় বিক্রি হলেও গতকাল তা ১২ টাকায় উঠেছে। শসার দাম দ্বিগুণ হয়েছে, ১৫ টাকা। মঙ্গলবার ছিল সাড়ে ৭ টাকা। ১২ টাকা কেজির বরবটি হয়েছে ২২ টাকা।
মহাস্থানের পাইকারি ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম হঠাৎ সবজির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে বলেন, ‘প্রতিবারই রমজান মাসের প্রথম কয়েক দিন বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সবজির দামও বাড়ে। এবার বৃষ্টির কারণে কিছু সবজির সরবরাহ কম। তাই এক দিনের মাথায় দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত দাম বেড়েছে।’
জানতে চাইলে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘রমজান মাসে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বেগুন, শসা ও ধনেপাতার মতো পণ্যের সরবরাহ ঘাটতির কারণে দাম কিছুটা বেড়ে যায়। তবে পেঁয়াজ, আদা, রসুনের মতো পণ্যের যথেষ্ট মজুত থাকার পরও মূল্যবৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাছ শিকারে পদ্মার সংযোগ খালে বেড়া
![]() |
| ফরিদপুরের সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কবিরপুর খালে প্রায় দেড় মাস ধরে বাঁশ ও জালের বেড়া দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে l প্রথম আলো |
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ৮০ ফুট প্রস্থের এই খালটি নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের মনসুরাবাদ থেকে শুরু হয়ে কবিরপুরে এসে শেষ হয়েছে।
এ সংযোগখালের কবিরপুর অংশে খালের এক পাশে ছয় থেকে আট ফুট জায়গা নৌকা চলাচলের জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে। বাকি জায়গাজুড়ে বাঁশের মধ্যে জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এভাবে মাছ শিকারের কাজে নিয়োজিত আছেন পাবনার বেড়া উপজেলার জয়নগর গ্রামের তিন জেলে নূর হোসেন, আমিনুর রহমান ও রেজাউল।
নূর হোসেন, আমিনুর ও রেজাউল জানান, গত ৮ মে থেকে তাঁরা এভাবে নদীতে ফাঁদ পেতে মাছ শিকার করছেন। নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আসমত আলীর ডাঙ্গি গ্রামের ফাকের মিয়ার সহায়তায় ও তত্ত্বাবধানে মাছ শিকার করা হচ্ছে।
কাবরপুর এলাকার ট্রলারচালক সুরুজ খাঁ ও ফাকেরহাট এলাকার আইয়ুব খাঁ অভিযোগ করেন, খালের বেশির ভাগ জায়গা দখল করে নেওয়ায় চলাচলে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অত্যন্ত ধীরগতিতে ট্রলার চালিয়ে ওই এলাকা পার হতে হয়।
স্থানীয় জেলে জালাল ব্যাপারী ও মনসুরাবাদের পরান ফকির বলেন, তাঁদের খালে মাছ ধরতে দেওয়া হচ্ছে না। ধরতে গেলেও ধাওয়া খেতে হচ্ছে। মাছ ধরতে না পেরে বিপদে আছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে ফাকের মিয়া বলেন, ‘আমি জেলেদের দিয়ে মাছ ধরার ফাঁদ বসাইনি। জেলেরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আমার নাম ব্যবহার করে। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত নই।’
নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মোস্তফা হোসেন বলেন, সংযোগ খালে ফাঁদ পেতে মাছ শিকার করাচ্ছেন ফাকের মিয়া। এভাবে ফাঁদ পেতে মাছ ধরায় নৌকা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারছে না। প্রতিনিয়ত ডিমওয়ালা মাছ ধরা হচ্ছে।
নর্থ চ্যানেল ইউপির চেয়ারম্যান মো. মোস্তাকুজ্জামান বলেন, ‘খালে জালের ফাঁদ পেতে মাছ ধরার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেপুটি লিডার থেকে ছিটকে গেলেন রুশনারা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাংসদপুত্রই গুলি ছুড়েছেন
![]() |
| সাংসদপুত্রই গুলি ছুড়েছেন |
সাংসদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিনু খানের ছেলে বখতিয়ারের গুলিতে দুজন শ্রমজীবী মানুষ নিহত হন। গুলি ছোড়ার সময় বখতিয়ারের গাড়িতে তাঁর বন্ধু আবাসন ব্যবসায়ী কামাল মাহমুদও ছিলেন।
মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল সকালে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কামাল মাহমুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি ১৩ এপ্রিল রাতে সাংসদপুত্রের গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দিতে রাজি হন। এরপর তাঁকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নিয়ে যান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এসআই দীপক কুমার দাস। আদালতে জবানবন্দি দিয়ে কামাল মাহমুদ বাসায় ফিরে যান।
মামলার তদন্ত ও আদালত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, কামাল মাহমুদ জবানবন্দিতে বলেছেন, কল্যাণপুরে একটি জমির বেচাকেনা নিয়ে কথা বলতে তাঁকে বাংলামোটরে শ্যালে বারে ডেকে পাঠান সাংসদপুত্র বখতিয়ার। তিনি সেখানে এসে দেখেন, বখতিয়ার মদপান করছেন। বখতিয়ারের সঙ্গে আরও দুই বন্ধু জাহাঙ্গীর হোসেন ও টাইগার কামালও ছিলেন। রাত ১১টায় শ্যালে বার বন্ধ হয়ে যায়। তখন বখতিয়ার তাঁকে সোনারগাঁও হোটেলে মদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে বন্ধু জাহাঙ্গীরকে বলেন। এতে জাহাঙ্গীর রাজি হলে তাঁরা চারজন (কামাল মাহমুদসহ) বখতিয়ারের প্রাডো গাড়িতে করে সোনারগাঁও হোটেলে আসেন। সেখানে বখতিয়ার, জাহাঙ্গীর ও টাইগার কামাল আবার মদপান করেন। কামাল মাহমুদ আদালতের কাছে দাবি করেন, তাঁর মদপানের অভ্যাস না থাকায় তিনি পান করেননি।
জবানবন্দিতে কামাল মাহমুদ বলেন, রাত দেড়টার দিকে তাঁরা সোনারগাঁও হোটেল থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠেন। বখতিয়ারের গাড়িচালক ইমরান ফকির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। বখতিয়ার বসেন চালকের পাশের আসনে। বাকি তিন বন্ধু পেছনের আসনে। তাঁরা প্রথমে জাহাঙ্গীরকে মগবাজার ডাক্তার গলির সামনে নামিয়ে দেন। পৌনে দুইটার দিকে নিউ ইস্কাটনে এলএমজি টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে গাড়ি যানজটে পড়ে। এতে বিরক্ত হয়ে বখতিয়ার লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে চার-পাঁচটি গুলি ছোড়েন। এরপর মিনিট খানেক গাড়িটি সেখানে ছিল।
কামাল মাহমুদ আদালতকে বলেন, গুলি করতে দেখে তিনি বখতিয়ারকে বললেন, এটা কী করলা? জবাবে বখতিয়ার বলেন, কিছু হবে না, চুপ থাকো। পরে টাইগার কামালকে ঘটনাস্থলের একটু দূরে নিউ ইস্কাটনে এবং তাঁকে (কামাল মাহমুদ) হাতিরপুলে নামিয়ে দিয়ে বখতিয়ার ধানমন্ডির বাসায় ফিরে যান।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই দুই খুনের বিষয় জানতে আরেক প্রত্যক্ষদর্শী টাইগারকে কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ব্যালাস্টিক প্রতিবেদন এ সপ্তাহে: গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বখতিয়ারের লাইসেন্স করা পিস্তলের ব্যালাস্টিক প্রতিবেদন চলতি সপ্তাহে ডিবির কাছে আসবে। এরপর ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বখতিয়ারের পিস্তলের লাইন্সেস বাতিলের আবেদন করা হবে। তিনি বলেন, রিমান্ডে থাকাকালে বখতিয়ার ডিবির কাছে গুলি ছোড়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর গাড়িচালক ইমরান ফকিরও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এদিকে আদালতের নির্দেশে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতালে রাখা হয়েছে বখতিয়ার আলমকে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কারা কর্মকর্তা গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, কারা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বখতিয়ারের শরীরে কোনো সমস্যা পাননি। তাঁকে অনেকটাই ভাবলেশহীন দেখা গেছে। বাইরে থেকে তাঁর জন্য খাবার আসে।
এদিকে গতকাল সাংসদ পিনু খানের পক্ষে তানভীর আহমেদ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জব্দ করা প্রাডো গাড়িটি তাঁর জিম্মায় দেওয়ার আবেদন করেন। আদালত পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষকে গাড়ির মালিকানাসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাড়তি কিছু...
ক্যাটওয়াক, নাচ আর কথামালার ফাঁকে দর্শকদের ইতিউতি। কখন আসবেন? কখন গাইবেন শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ? এ রকম গুঞ্জন। অবশেষে উপস্থাপক ইমতু গান গাওয়ার জন্য মঞ্চে ডাকলেন বিশ্বজিৎ চৌধুরীকে। দর্শকেরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গেলেন। নাম ভুল করল নাকি। কিন্তু না। মঞ্চে এলেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী। তিনি এসে শোনালেন বিশ্বজিৎ নামের বিভ্রাটের গল্প। বললেন, ‘এই মানুষটিকে আমি সব সময় ঈর্ষা করি। আমরা নামে এক। কিন্তু খ্যাতিতে তিনি আমার থেকে অনেক এগিয়ে।’
| শাড়ি ক বিভাগে কিউ |
| শাড়ি খ বিভাগে কিউ |
শব্দযন্ত্রে বেজে ওঠে গান—‘মনেরও বাগানে ফুটিল ফুল রে, রসিক ভ্রমর আইল না’। গানের সুরে সুরে পালকি চড়ে মঞ্চে প্রবেশ করে গ্রামীণ বধূ। আবার কারও হাতে একতারা। নৃত্যশিল্পীদের এই পরিবেশনা ক্ষণিকের জন্য হলেও পাঁচতারকা হোটেলের মিলনায়তনে সৃষ্টি হয় গ্রামীণ আবহ।
জ্ঞানী মডেলক্যাটওয়াকের ফাঁকে ফাঁকে চলছে নানা আয়োজন। এরই মধ্যে উপস্থাপকের ডাকে মঞ্চে আসেন চট্টগ্রামের মডেল মীম। এসেই চঞ্চল উপস্থাপক ইমতুর প্রশ্নের জেরার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তাঁর প্রতি ছুটতে থাকে একের পর এক বিশাল সব প্রশ্ন। কিন্তু উত্তর—হ্যঁা, হু। এই এক-দুই শব্দের উত্তর দীর্ঘ করার প্রাণান্তকর চেষ্টা করতে থাকেন উপস্থাপক। কিন্তু মডেল অনড়। শেষ পর্যন্ত কী আর করা! মডেলের উপাধি ‘জ্ঞানী’।তখন চলছে কথামালা। বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। তাঁর পাশে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ও সহপৃষ্ঠপোষক রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুফ হাবিব। মঞ্চের পাশের আসনে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন চট্টগ্রামের খ্যাতনামা ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সানশাইন গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমান। হঠাৎ তাঁকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান প্রথম আলোর সম্পাদক। অনুরোধ করেন কিছু বলার জন্য। কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই শিক্ষাবিদ। তিনি বলেন, ‘আজ আমার গর্বের দিন। মঞ্চে রয়েছে আমার ছাত্র মাশরুফ।’ প্রিয় ছাত্রের মাথায় স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন এই শিক্ষিকা। এ সময় অধ্যক্ষ ও ছাত্রকে সবার সামনে একসঙ্গে ক্যাটওয়াক করার অনুরোধ জানান মতিউর রহমান। সম্পাদকের অনুরোধে সাড়া দিয়ে র্যা ম্পে হাঁটেন দুজনই। গ্রন্থনা:
সুজন ঘোষ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাগরভাসা মানুষ ও আমরা by হাসান ফেরদৌস
মানুষ দেশ ছেড়ে নিশ্চিত মৃত্যুর পথে পা বাড়ায় কেন?
রোহিঙ্গারা কেন দেশ ছাড়ছে, তা আমরা বুঝি। যে জাতিবিদ্বেষী ব্যবস্থা মিয়ানমার সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে, তাতে রোহিঙ্গাদের নাগরিক সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মিয়ানমারের অধিবাসী হলেও তারা সে দেশের নাগরিক নয়। এমনকি সে দেশের জাতীয় জনসংখ্যা গণনায় তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। তার ওপর রয়েছে অভাবনীয় নির্যাতন। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন সে দেশের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা, যাঁদের আমরা নিতান্তই শান্তিপ্রিয় বলে জানি। কোনো অপরাধ ছাড়াই—শুধু রোহিঙ্গা হওয়ার কারণে—হাজার হাজার মানুষ কারাগারে পচে মরছে। কেউ কেউ বাংলাদেশে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেছে। অং সান সু চি, শান্তির জন্য যিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তিনি পর্যন্ত এ নিয়ে টুঁ শব্দটি করেননি। নোবেল পুরস্কার নিতে স্টকহোমে গেলে তাঁকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। জবাব না দিয়ে সে প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে গিয়েছিলেন। অবাক কি যে জাতিসংঘের ভাষায় এই রোহিঙ্গারা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত সম্প্রদায়।
রোহিঙ্গাদের নিয়ে তার প্রতিবেশীদেরও কেউ টুঁ শব্দটি করে না। তাদের ভয়, মুখ খুললেই ঘাড়ে চেপে বসবে। এই রোহিঙ্গারা সম্ভবত একসময়, যে ভূখণ্ডে আজকের বাংলাদেশ, সেখান থেকেই আরাকান গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। সে অর্থে তারা আমাদের দূরসম্পর্কের হলেও জ্ঞাতি ভাই। কিন্তু নিজেদের সমস্যায় যে নিজে হাবুডুবু খাচ্ছে, তারা কী করে জ্ঞাতি ভাইবোনদের সাহায্য করবে?
যারা ভুলে গেছে, তাদের মনে করিয়ে দিই, সত্তরের শেষ মাথায় সৌদি আরবের উৎসাহে বাংলাদেশ কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছিল। সৌদি আরবের লক্ষ্য ছিল, রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে জিহাদি মন্ত্র ছড়ানো, আর বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল কাঁচা টাকা কামানো। সশস্ত্র প্রশিক্ষণের জন্য সে সময় কক্সবাজারে একাধিক ক্যাম্পও স্থাপন হয়েছিল। অনুমান করি, সেসব প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের মুজাহিদরা নদী পেরিয়ে আরাকান রাজ্যে আক্রমণ করে সেখানে ওয়াহাবি মন্ত্র ছড়াবে, এমন একটা বুদ্ধি হয়তো আঁটা হয়েছিল। বর্মি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গেরিলাদের আক্রমণের খবরও আমরা অনেকবারই পত্রপত্রিকায় দেখেছি। এমনকি ইসলামিক রিপাবলিক অব রোহিঙ্গা ল্যান্ড, এই নামে একটি স্বতন্ত্র জিহাদি রাষ্ট্র গঠনের কথাও বলা হয়েছিল সে সময়।
কিন্তু এখন অবস্থা ভিন্ন। বাংলাদেশ সরকার এই ব্যাপারে কোনো সমর্থন দিতে আগ্রহী নয়। রোহিঙ্গা গেরিলারা কেউ কেউ সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, চোরাচালানিতেও, ফলে তাদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করা গেলেই আমাদের স্বস্তি।
অন্যদিকে, রোহিঙ্গাদের এক নম্বর পৃষ্ঠপোষক সৌদিদের নিজেদের পয়সায় টান ধরেছে, সে কারণে ওয়াহাবি মন্ত্র ছড়ানোর বদলে তাদের কাছে অনেক জরুরি তেল বিক্রি। বছর চারেক আগে সৌদি আরব চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি এক চুক্তি করেছে, যার অধীনে সৌদি তেল যাবে চীনে। মিয়ানমারে নির্মিতব্য শয়ে (Shwe) পাইপলাইন দিয়ে চীনের ইউনান প্রদেশে প্রতিদিন দুই লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করা হবে। অতএব চুলায় যাক রোহিঙ্গারা, তার চেয়ে ডলার গোনা যাক।
ফলে এসব রোহিঙ্গা, যারা সর্ব অর্থে অস্পৃশ্য, তারা দেশের ভেতরে থেকেও মৃত। সমুদ্র পেরিয়ে তারা যদি থাইল্যান্ড কি মালয়েশিয়া বা আরও দূরের অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার চেষ্টা করে, তার কারণ বোঝা আমাদের জন্য কঠিন নয়।
কিন্তু মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার স্বপ্ন দেখছে যে বাংলাদেশ, তার মানুষেরা দেশ ছাড়ার জন্য এমন মরিয়া হয়ে উঠল কেন? ভিটেমাটি বিক্রি করে, নিজের শেষ কপর্দকটি দিয়ে তারা কেন মাঝসমুদ্রে নিশ্চিত মৃত্যুর পথে পাড়ি দিচ্ছে?
এর উত্তর যে আমরা জানি না, তা নয়। কিন্তু জেনেও চোখ বুজে থেকেছি। একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন থেকেই এই অঞ্চলে সক্রিয়, তারাই নানা প্রলোভন দিয়ে মানুষ পাচার করছে। একসময় এদের লক্ষ্য ছিল আদম ব্যবসা। বিদেশে গেলেই বিস্তর পয়সা, এমন অলীক গালগপ্প অভাবী মানুষদের মনে গেঁথে দেওয়া খুব কঠিন কাজ নয়। ফলে নিজের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে মানুষ বিদেশে অবৈধ পথে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছে। গত ১০ বছরে সে ব্যবসার ধরন বদলে গেছে।
এখন তাদের লক্ষ্য মানুষকে ফুসলিয়ে বিদেশে পাচার, তারপর তাদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়। হাজার কোটি টাকার এই ব্যবসা, যার সঙ্গে জড়িত মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সরকারি কর্মকর্তারা। সেনাবাহিনীর কোনো কোনো সদস্য যে পাচারকারীদের রক্ষাকর্তা হিসেবে দু-দশ কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন, সে কথা থাইল্যান্ডের সামরিক সরকারই স্বীকার করেছে।
এই মানব পাচারকারীদের কথা আমরা অনেক আগে থেকেই জানি। বাংলাদেশের পত্রিকায় চট্টগ্রামের এক রেবি ম্যাডামের কথা বেরিয়েছে। একসময়ের দরিদ্র কৃষকের স্ত্রী রেবি—যাঁর আসল নাম রেজিয়া আখতার—শুধু মানব পাচার করে এখন কোটিপতি। পুলিশের খাতায় নাম উঠেছে, কিন্তু তাঁকে আটকে রাখা যায়নি। কারণটা নিশ্চয় বুঝিয়ে বলতে হবে না। জানা গেছে, এই রেবি ম্যাডামের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ৫০ জনের এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট। অনুমান করি, যে কারণে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা মানব পাচারের কথা জেনেও চোখ অন্য দিকে ঘুরিয়ে রাখতেন, বাংলাদেশেও সেই একই কাণ্ড।
নানা পথে মানব পাচারের এই ঘটনা চলছে কয়েক দশক ধরে। সমুদ্রপথে পালাতে গিয়ে বিদেশি টহলদারি যানের হাতে উদ্ধার না হলে এদের কথা আমরা জানতামও না। আর জানলেও তা নিয়ে ‘কিছু করা দরকার’-জাতীয় সরকারি উদ্যোগের কথা সাড়ম্বরে বলা হতো না।
রোহিঙ্গাদের কথা ছেড়ে দিই, নিজের দেশের মানুষের প্রতি এমন অবজ্ঞা কেন আমাদের? একটা কারণ সম্ভবত এই যে মানুষগুলো অতিদরিদ্র এবং সেই হেতু পরিত্যাজ্য। একইভাবে আমরা অগ্রাহ্য করে গিয়েছি বিদেশের জেলে আটক বাংলাদেশিদের কথা। বিদেশ মানে বিলেত-আমেরিকা বা সৌদি আরব নয়, বাড়ির পাশের ভারত। রুটি-রুজির আশায় দেয়াল টপকে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে ধরা পড়ে তারা এখন জেলে। সঙ্গে থাকা ছেলেমেয়েরাও জেলে। তাদের কথা পত্রপত্রিকায় লেখাও হয়েছে। কই, তাদের ফিরিয়ে আনারও তো কোনো কার্যকর চেষ্টা হয়নি।
ভারতের পত্রপত্রিকাতেই খবর হয়েছে, অনুপ্রবেশের কারণে পশ্চিমবঙ্গের জেলে আটক রয়েছে প্রায় হাজার দেড়েক মানুষ। ইতিমধ্যে তাদের জেল-সাজা শেষ হয়েছে। কিন্তু ফিরিয়ে আনার কোনো লক্ষণ নেই। তাদের সঙ্গে অনুপ্রবেশের সময় ধরা পড়া প্রায় ২০০ ছেলেমেয়ে মা-বাবার সঙ্গে অন্তরীণ অবস্থায় রয়েছে বছরের পর বছর। তাদের ফিরিয়ে আনারও কোনো ব্যবস্থা পাকা হয়নি। এই ২০০ ছেলেমেয়ের একজনও যদি আমাদের ভদ্দর লোকদের কারও সন্তান হতো, তাহলে নির্ঘাত তা নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড হতো। এক সালাহ উদ্দিনকে ফিরিয়ে আনতে পাহাড় লঙ্ঘনের কথা ভাবা হচ্ছে, তবে সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ।
মনে পড়ছে, অনেক বছর আগে একটি ছোট বিমান ঢাকার কাছে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ভেঙে পড়ায় বেশ কিছু ভদ্র সন্তান নিহত হয়। এমন একটা বড় ঘটনা মুহূর্তমাত্র বিলম্ব না করে অন্য সব ভদ্র সন্তানকে তা জানানোর জন্য সে সময় একাধিক পত্রিকা ‘টেলিগ্রাম’ বের করেছিল। আমি বলছি সেই সময়ের কথা, যখন ইন্টারনেট নামের বস্তুটি অনাবিষ্কৃত ছিল। সত্যি কথা হলো, আমাদের অজ্ঞাতে অথবা আমাদের সজ্ঞান সম্মতিতে, আমরা নিজেরাই একটি শ্রেণিব্যবস্থা নির্মাণ করেছি, যার তাবৎ আয়োজন শুধু তাদের জন্য, যারা সমাজের উঁচুতলায় বসে ছড়ি ঘোরায়।
অবস্থাটা শুধু তখন বদলাবে, যখন এসব গরিব-গুর্বোরা জেগে উঠবে।
হাসান ফেরদৌস: নিউইয়র্কে প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য সতর্কবার্তা -প্রতিটি অভিযোগ আমলে নিন
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে দেশের মানুষের কাছে একমাত্র ভরসাস্থল, তা প্রশ্নাতীত। অন্যায়ের প্রতিকার চাইতে মানুষ প্রথমে থানায়ই যায়। পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয়, যখন তাদের বিরুদ্ধেই নানা অভিযোগ আসে। সম্প্রতি চট্টগ্রামে ডিবি পুলিশের একটি দলের বিরুদ্ধে একজন ব্যবসায়ীকে হয়রানির অভিযোগ উঠলে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়ে ভালো উদাহরণ স্থাপন করেছে। কিন্তু এ রকম দৃষ্টান্ত বিরল। অভিযোগ উঠলে অনেক সময় বাহিনীর সদস্যদের নিয়েই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এতে সুবিচার পাওয়া অনিশ্চিত।
কমিশনের চেয়ারম্যান স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে প্রচলিত আইনে সাদা পোশাকে কাউকে আটক করা যাবে না, আসামি ধরতে হলে নিজের পরিচয়পত্র দেখাতে হবে ইত্যাদি। কিন্তু অনেক সময় পুলিশ এসবের তোয়াক্কা করে না। আসামিকে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও কম নয়। অথচ এসব বন্ধে ‘নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন-২০১৩’ রয়েছে বলে সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে জানানো হয়েছে। এই আইনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোনো দোষী ব্যক্তির জন্য কঠোর সাজার ব্যবস্থাও রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য আইন ভেঙে নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো, হেফাজতে মৃত্যুর জন্য দায়ী বা কোনো অপরাধে জড়িত বলে অভিযোগ উঠলে তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত, বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে মানুষের আস্থা অর্জন করা যাবে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই সব হতভাগ্যের উপকথা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
বাংলাদেশ ব্যাংকের সিন্ধুকে যে সাড়ে তেইশ শ কোটি ডলার জমা পড়েছে, তার মধ্যে সাড়ে বারো শ কোটি পাঠিয়েছেন প্রবাসী শ্রমিকেরা। ওই অর্থ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা পাঠাননি, সরকারি কর্মকর্তারা পাঠাননি, সংসদ সদস্যরাও পাঠাননি, পত্রিকার উপসম্পাদকীয় লেখকেরাও পাঠাননি। পাঠিয়েছেন তাঁরাই, যাঁরা পরিবার-পরিজন ফেলে বিদেশ-বিভুঁইতে গিয়ে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে রিয়াল-দিনার রোজগার করেন। সেই হতভাগ্যদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক কী? কেমন ব্যবহার তাঁরা পান রাষ্ট্রের বেতন-ভাতাভোগী লোকদের থেকে? সেই ভাগ্যহীনদের সম্পর্কে দুটি ঘটনার উল্লেখ করতে চাই।
আমি কলকাতা যাচ্ছিলাম বইমেলায়। সেখানে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সম্পর্কে আমার একটি প্রবন্ধ পাঠ করার আমন্ত্রণ। যানজটের কবলে না পড়ায় যথাসময়ের অনেক আগেই গিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছাই। বোর্ডিং পাস ও ইমিগ্রেশন সেরে প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জে গিয়ে বসি। পুলিশ ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যথেষ্ট খাতির করেন। এর মধ্যে সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীদের নিরাপত্তাবেষ্টনী পার হওয়ার ডাক আসে। দুই-তিন শ মানুষ হুড়মুড় করে সেদিকে ধাবিত হয়। কিছুসংখ্যক কলকাতার যাত্রী ছাড়া বসার জায়গা ফাঁকা হয়ে যায়। চুপচাপ বসে আছি। মিনিট ২০-২৫ পরে একজন যাত্রী, অতি মলিন তাঁর বস্ত্র, নিরাপত্তাবেষ্টনী থেকে বিধ্বস্ত অবস্থায় ফিরে আসেন। তিনি আমার সামনে এসে দাঁড়ালেন। মনে হলো মানুষটি মৃত, অদৃশ্য কেউ তাঁকে দুই পাশ থেকে ধরে খাড়া করে রেখেছে। তাঁর হাতে পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস। বোর্ডিং পাস নয়, যেন ফাঁসির আসামির মৃত্যুর পরোয়ানা। মরে গিয়ে বেঁচে থাকা লোকটি বললেন, ‘আমারে যাইতে দিল না, আমার প্লেন নাকি আগামীকাইল বিকালে। এহন আমি কী করুম?’
এ দেশে কোনো ব্যাপারেই অবাক হওয়া ঠিক না, তবু অবাক হয়ে বললাম, ‘সে কী কথা? দেখি আপনার বোর্ডিং পাস?’
বোর্ডিং পাস নেড়েচেড়ে দেখি সবই ঠিকঠাক। তবু কেন যেতে পারলেন না, তা জানতে তাঁকে কর্মকর্তাদের কাছে যেতে বলি। তাঁর বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায়। তিনি কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবে শ্রমিকের কাজ করছেন। মাস দুয়েকের ছুটিতে এসেছিলেন। আগামীকাল তাঁর কাজে যোগ দেওয়ার শেষ তারিখ। কাল নয়টায় কাজে যোগ না দিলে তাঁর চাকরি থাকবে না। অথচ বিমানবন্দর কর্মকর্তারা তাঁকে প্লেনে ওঠার আগে সাফ জানিয়ে দিলেন, এ প্লেনটি তাঁর জন্য নয়, তাঁর প্লেন আগামীকাল সন্ধ্যায়।
কর্মকর্তাদের কাছে কী শুনে তিনি যখন ফিরে এলেন, তখন মনে হলো, তিনি দ্বিতীয়বার মারা গেছেন। তাঁকে বসতে বলি এবং অর্থহীন সান্ত্বনা দিই। তিনি বললেন, অফিসার তাঁকে বলেছেন, যেহেতু ইমিগ্রেশন হয়ে গেছে সুতরাং আর কিছুই করার নেই, আগামীকাল প্লেনে ওঠার আগ পর্যন্ত তাঁকে বাংলার মাটিতেই থাকতে হবে এবং সে মাটিও মুরাদনগর নয়, এই বিমানবন্দরের প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জের চত্বর।
তিনি জানালেন, তাঁর কাছে বাংলাদেশের কোনো টাকা নেই। বললেন, ‘আমি এই দুই দিন খামু কী? আর কাইল কামে যোগ না দিলে চাকরি থাকব কি না ঠিক নাই।’
বললাম, ‘আপনার বাংলাদেশি টাকা থাক বা না থাক, আপনি বিমানবন্দরের মধ্যে দুটি দিন আটকা থাকবেন কেন? আমি আপনাকে সামান্য কিছু টাকা খাবার কিনতে দিতে পারি, কিন্তু কী অপরাধে আপনি এখানে এক রাত এক দিন পচবেন?’
তাঁকে নিয়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার কাছে যাই। তিনি আমাকে খুব সম্মান দিলেন। আমাকে ও ওই যাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বোর্ডিং পাস যাঁরা ইস্যু করেছেন, তাঁদের কাছে গেলেন। অনেক তর্কবিতর্ক হলো। প্রথম দোষটি করেছেন যাত্রীর স্থানীয় দালাল। তিনিই তাঁকে এই ফ্লাইটের কাগজপত্র দিয়ে পাঠিয়েছেন। মুরাদনগর থেকে মাইক্রোবাস ভাড়া করে ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি ঢাকা এসেছেন। তারা তাঁকে নামিয়ে দিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হয়ে গেছে। দ্বিতীয় দোষটি করেছে এয়ারলাইনসের লোকেরা। ইমিগ্রেশনের কোনো দোষ নেই। আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করি তাঁকে বিমানবন্দরের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দিতে। শেষ পর্যন্ত একটা ফয়সালা হলো, যাত্রী বিমানবন্দরের বাইরে যেতে পারবেন। কোনো আত্মীয় বা বন্ধুর বাড়িতে থাকবেন এবং কাল এসে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্লেনে উঠবেন। কিন্তু কেন এই বিড়ম্বনা? এর জন্য কী শাস্তি প্রাপ্য চাকরির দালালদের, কী শাস্তি এয়ারলাইনসের লোকদের?
প্রবাসী শ্রমিকদের বিড়ম্বনার দ্বিতীয় ঘটনাটিতেও আমি জড়িয়ে পড়ি। তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলাম ঢাকাগামী টার্কিশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের জন্য। অনেক বাংলাদেশি ছিলেন। এমন সময় দেখি বিমানবন্দর কর্মচারীদের পাহারায় মলিন বস্ত্র পরা জনা সাতেক বঙ্গসন্তানের একটি দল। সবার বয়সই ত্রিশ-পঁয়ত্রিশের মধ্যে। বাড়ি গোপালগঞ্জ-শরীয়তপুরের দিকে। সবারই ভেতরে কান্না, কিন্তু চোখে পানি নেই। দুঃখ ও হতাশার আগুনে সে পানি শুকিয়ে গেছে।
আমাকে চিনতে পেরে তরুণেরা ঘিরে ধরলেন। বললেন তাঁদের করুণ কাহিনি। স্কুল-মাদ্রাসায় পড়ার সৌভাগ্য তাঁদের হয়নি। অনেকে শুধু নামটা সই করতে পারেন। তাঁদের গন্তব্য স্পেনে। প্রথম বিমানযাত্রা। স্থাবর-অস্থাবর অনেক কিছু বিক্রি করে বিদেশে চাকরির লোভে তাঁরা যাত্রা করেছেন। লাখ দু-আড়াই টাকা প্রত্যেকের থেকে নিয়ে দালালেরা একটি টিকিট ধরিয়ে দিয়েছে। ওই দিন সকালের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে তাঁরা মহা আনন্দে উড়োজাহাজে ওঠেন এবং ফুর্তিতে গল্পগুজব করতে করতে অপরাহ্ণে ইস্তাম্বুল পৌঁছান। সন্ধ্যায় তাঁদের মাদ্রিদগামী ফ্লাইট। কোনো বাঙালির সহযোগিতায় তাঁরা বোর্ডিং পাস নিতে যখন কাউন্টারে যান, তখন তাঁদের মাথায় বাজ পড়ে। ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর থেকে পৃথিবীর আর কোনো বিমানবন্দর অথবা আরশের কোনো ঠিকানায় যাওয়ার তাঁদের জন্য কোনো টিকিট বুকিং বা কনফারমেশন নেই। সুতরাং তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পরবর্তী ফ্লাইটে বঙ্গসন্তানদের বাংলার মাটিতে ফিরে যেতে হবে। তাঁদের পাকড়াও করে ঢাকাগামী ফ্লাইটের বোর্ডিং পাস দিয়ে সিকিউরিটি চেকের লাইনে নিয়ে এসেছে।
ঢাকা বিমানবন্দরে যেটুকু হোক প্রভাব খাটাতে পারি, অন্য দেশে কে পোঁছে। তবু কর্মকর্তাদের কাছে ব্যাপারটার ব্যাখ্যা জানতে গেলাম। তাঁরা বেশি বাক্য ব্যয় করার পাত্র নন। যে ব্যাখ্যা দিলেন তার সোজা অর্থ, আমাদের ভাষায় বলতে গেলে দাঁড়ায়, বাটপারের পাল্লায় পড়ে ওই লোকগুলো আমাদের বিমানে এসেছেন, শুধু ইস্তাম্বুল পর্যন্তই তাঁদের টিকিট কাটা আছে। এখন তাঁরা ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যান।
এখন দেশে ফিরে তাঁরা কী করবেন? তাঁরা আমার সহযোগিতা চান। আমার কী সাধ্য যে আমি তাঁদের সাহায্য করি? তাঁদের করুণ মুখ দেখে ক্রুদ্ধ ও বিচলিত হই। ঢাকায় নেমে তাঁদের আদম ব্যাপারীর অফিসে ফোন করি। তাদের অফিস বনানী। আমার ফোন পেয়ে একজন খেঁকিয়ে ওঠে। তার দাবি, তারা ঠিকই নিয়োগপত্র ও টিকিট করে দিয়েছে। তাদের আর কিছু করার নেই। ওই লোকগুলো যদি যেতে না পারেন তাঁদের গন্তব্যে, সে দোষ তাঁদের।
রাতের ফ্লাইটে ভ্রমণে ঘুমাতে না পেরে আমিও ক্লান্ত ছিলাম। মেজাজ ভালো ছিল না। আদম ব্যাপারীকে বললাম, এঁদের থেকে টাকাপয়সা নিয়ে আপনি আপনার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করেছেন। আপনাকে কিছু বলার অধিকার আমার নেই। আমি এই লোকগুলোকে নিয়ে প্রেসক্লাবে যাচ্ছি, সেখানে তাঁদের বসিয়ে রেখে আমি মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের অফিসে যাব। যা করার সাংবাদিকেরা ও পুলিশই করবে। আপনি আমাকে এই ফোন নম্বরে পাঁচ মিনিটের মধ্যে জানান আপনার কিছু করণীয় আছে কি না!
তিন মিনিটের মধ্যেই ফোন আসে। তিনি বলেন, ‘ঝামেলায় ফ্যালাইলেন। হেগো আমাগো অফিসে পাঠাইয়া দেন।’
দিন দুই অশেষ কষ্ট ভোগের পর ওই শ্রমিকেরা আবার গিয়ে প্লেনে উঠতে পারেন এবং ধারণা করি, তাঁরা সহিসালামতে যেখানে যাওয়ার, সেখানে যেতে পেরেছেন।
কিন্তু কেন অমন হলো? কেন মানুষগুলোর অমন ভোগান্তি? কার দোষে এমনটি হলো?
কেউ বলবেন দোষ ওই লোকগুলোর। কেউ বলবেন রিক্রুটিং এজেন্সির। কেউ বলবেন এয়ারলাইনসের। কেউ সমস্ত দোষ এক ধাক্কায় সরকারের দিকে ঠেলে দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করে দেবেন।
আমি বলব, আসল দোষ বাংলার মানুষের কপালের। এই কপালে হাতুড়ি ঠুকলেও তা ভালো করা যাবে না। আমাদের পূর্বপুরুষেরা প্রাজ্ঞ ছিলেন। তাঁরা বলে গেছেন, কপালগুণে গোপাল মেলে। কপালগুণেই আমাদের শ্রমিকেরা এ-জাতীয় রিক্রুটিং এজেন্ট পান। আমাদের সব সরকারই আমরা পেয়ে থাকি কপালের গুণেই। আমাদের কর্মকর্তারাও আমাদের কপালেরই ফল। কপালগুণেই আমরা পেয়েছি একটা এয়ারলাইনস। কপালের গুণেই আছে আমাদের এক বা একাধিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দর কোনো তামাশার জায়গা নয়। গাবতলী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল আর দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এক রকম হতে পারে না। সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনাল আর বিমানবন্দর এক জিনিস নয়। কোনো দেশের জাতীয় এয়ারলাইনস আর আল হিকমত সিটিং সার্ভিস বাস কোম্পানি এক জিনিস নয়। যে দেশের এক কোটির মতো শ্রমিক বিদেশে যাতায়াত করেন, তাঁদের এয়ারলাইনস লোকসানে চলে কেন? কেন তেমন বিধান নেই যে বাংলাদেশের শ্রমিকদের আসা-যাওয়ায় অন্তত একবার বিমানে ভ্রমণ বাধ্যতামূলক? অন্য দেশের বিমান কোম্পানি চুটিয়ে ব্যবসা করবে আর আমাদের বিমান লোকসান দেবে ও দুর্নীতি করবে? কোনো দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাঁরা কর্মরত, তাঁরা সমগ্র দেশের সব মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁদের আচার-আচরণ, চালচলন দেখে বিদেশিরা বুঝতে পারেন, এই দেশের মানুষের স্বভাবচরিত্র এ রকম। আমি পৃথিবীর যে পঁচিশ-ত্রিশটি বিমানবন্দরে গেছি, সেগুলোর সঙ্গে আমাদেরটির পার্থক্য প্রচুর।
আমাদের বিদেশগামী শ্রমিকেরা অনেকেই নিরক্ষর অথবা সামান্যই লেখাপড়া জানেন। যাতায়াতের সময় বিমানবন্দরে তাঁরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, তার বিন্দুমাত্র ব্যবস্থা আমাদের বিমানবন্দরে নেই। শিক্ষিত বেকারে গিজগিজ করছে দেশ। বিদেশগামী শ্রমিকদের সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রতি বেলায় কয়েকজন যুবক-যুবতীকে কি নিয়োগ দেওয়া যায় না? তাতে বেকারত্বও দূর হয়, প্রবাসী শ্রমিকদের দুর্দশারও লাঘব হয়।
বিদেশে শ্রমিক পাঠানো এবং অবৈধ অভিবাসী পাচার প্রভৃতি নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টির দিকে অবিলম্বে নজর না দিলে শুধু ভাবমূর্তির ক্ষতি নয়, অর্থনীতিরও ক্ষতি হবে।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমপিও পেতে পাসের হার ও শিক্ষার্থী বেশি লাগবে- সংশাধন হচ্ছে নীতিমালা by মোশতাক আহমেদ
বেতন-ভাতার সরকারি অংশ পাওয়ার জন্য প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারের তালিকাভুক্ত হতে হয়, যেটিকে সংক্ষেপে এমপিওভুক্ত বলা হয়। প্রতিষ্ঠানের পর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য এমপিওভুক্ত করা হয়। সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬০০-এর কিছু বেশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এখন আবার এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাংসদদের পছন্দ অনুযায়ী প্রায় এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেটি থেমে আছে।
বর্তমানে সারা দেশে এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে ২৬ হাজারের বেশি। এর মধ্যে গত নভেম্বরের হিসাব অনুযায়ী নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩ হাজার ৩২৬টি, উচ্চবিদ্যালয় ১২ হাজার ৭৭৩টি, দাখিল মাদ্রাসা ৫ হাজার ৩৭১টি, আলিম মাদ্রাসা ১ হাজার ১০৮টি ও মহাবিদ্যালয় (ইন্টারমিডিয়েট) আছে ১ হাজার ৪৩৫টি। বাকিগুলো ডিগ্রি কলেজ, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসা।
প্রস্তাবিত নীতিমালায় মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয় এমপিওভুক্তির জন্য শহর এলাকায় ৬০ জন ও মফস্বল এলাকায় ৪০ জন পরীক্ষার্থী (পাবলিক পরীক্ষায়) থাকতে হবে। বিদ্যমান নীতিমালায় থাকতে হয় যথাক্রমে ৫০ ও ৩০ জন। পাসের হার বর্তমানে ৫০ শতাংশ থাকতে হয়। নতুন এমপিওভুক্তির জন্য তা হতে হবে ৭০ শতাংশ। উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়েও একই সংখ্যক শিক্ষার্থী ও পাসের হার লাগবে।
স্নাতক (পাস) স্তরের কলেজ এমপিওভুক্তির জন্য শিক্ষার্থী থাকতে হবে শহর এলাকায় ৫০ জন ও মফস্বল এলাকায় ৩৬ জন। বর্তমানে থাকতে হয় যথাক্রমে ৪০ জন ও ২৬ জন। পাসের হার লাগবে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ। বর্তমানে এটি আছে ৫০ শতাংশ।
দাখিল ও আলিম স্তরের মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির জন্য পাসের হার ৭০ শতাংশ লাগবে। পরীক্ষার্থী থাকতে হবে শহর এলাকায় ৪০ জন ও মফস্বলে ৩০। বর্তমানের নিয়মে আরও ১০ জন কম হলেও চলে।
বাড়বে জনবল: নতুন পদ বাড়ানোর বিষয়ে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতিটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পদ বাড়বে সাতটি। এই স্তরে বর্তমানে অনুমোদিত পদ আছে নয়টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে ২২টি পদ। এখন আছে ১৬টি। মাদ্রাসাতেও বাড়বে পদ।
বিদ্যমান জনবল কাঠামো অনুযায়ী নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলা, ইংরেজি, সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে একটি শিক্ষকের পদ আছে। প্রস্তাবিত কাঠামোতে প্রতিটি বিষয়ে একটি করে মোট তিনটি শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ দুটি পদ বাড়ছে।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে বাংলা, ইংরেজি, সমাজবিজ্ঞান/ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের জন্য তিনটি শিক্ষকের পদ আছে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় ব্যবসায় শিক্ষা চালু থাকলে ওই বিষয়ে আরও একটি পদ সৃষ্টি করতে বলা হয়েছে। এই স্তরে বিজ্ঞানে সহকারী শিক্ষকের পদ আছে একটি, সেখানে ভৌতবিজ্ঞানের জন্য একটি ও জীববিজ্ঞানের জন্য আরেকটি পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। খসড়া অনুযায়ী প্রতি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে একটি শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করতে বলা হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলতি হাওয়ার সঙ্গে ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ by আহমেদ মুনির
![]() |
| দর্শকে ঠাসা পাঁচতারকা হোটেল র্যাডিসন ব্লুর মোহনা মিলনায়তন |
![]() |
| সালোয়ার–কামিজের কিউ |
শিল্পী আহমেদ নেওয়াজ, আইভি হাসান ও এইচ এম ইলিয়াস অভিজ্ঞ তিন বিচারক ডিজাইনারদের কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট নন পুরোপুরি। অবশ্য এ ক্ষেত্রে তরুণদের দোষও দিচ্ছেন না তাঁরা। নতুনদের মাথায় অনেক কিছু থাকবে না, এটাই স্বাভাবিক। গত বিশ বছরে চট্টগ্রামের ফ্যাশন আন্দোলন একটা সুস্পষ্ট ধারা তৈরি করেছে। এ বিষয়টা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য তরুণ ডিজাইনারদের নিয়ে কর্মশালা ও গ্রুমিং করানোর প্রস্তাবও দিলেন তাঁরা।
আহমেদ নেওয়াজ বলেন, ‘মৌলিক ডিজাইন ও দেশি পোশাকশিল্পকে প্রমোট করার কথা মাথায় রেখে আমরা ফ্যাশন আন্দোলনের সূচনা করেছি। কিন্তু এখনকার অনেকের মাথায় এটা নেই। তাই আমি মনে করি তরুণ ডিজাইনারদের প্রতিযোগিতার তিন থেকে ছয় মাস আগ থেকেই গ্রুমিং করানো শুরু করা উচিত।’ উইমেন চেম্বারের সহসভাপতি ও ডিজাইনার আইভি হাসান দায়ী করলেন বিদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসনকে। গতকাল প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘ট্রেন্ড ফলো করতে গিয়ে দেশের সংস্কৃতি ভুলে যাব, এটা কেমন কথা?’ তবে এরপরও চূড়ান্ত বাছাইয়ে বেশ ভালো পোশাকই উঠে এসেছে বলে তিনি জানালেন। জামদানি, মসলিন, সিল্কের কাপড়কে প্রাধান্য দিয়েছেন তাঁরা বাছাই করতে গিয়ে। এবার ঋতুর সঙ্গে মানানসই হালকা রঙের পোশাকই বেশি চলছে। পাশাপাশি মেয়েদের লম্বা ঝুলের ফ্লোর টাচ গাউন ধরনের সালোয়ার বেশি জমা পড়েছে।
বুটিক হাউস শৈল্পিকের স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার এইচ এম ইলিয়াস অবশ্য হালের ট্রেন্ড পোশাকে আনার মধ্যে দোষের কিছু দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘ট্রেন্ড অনুযায়ী তৈরি না করলে ক্রেতারা কেন সেই পোশাক কিনবেন?’ তরুণ ডিজাইনারদের মধ্যে অন্য ঘাটতি লক্ষ করেছেন তিনি। ইলিয়াস বলেন, ‘ডিজাইনারদের অনেকেরই কোনো অবকাঠামো নেই। তাই ডিজাইন ভালো হলেও ফিনিশিং ভালো হয়নি অনেকের পোশাকের।’
এবার প্রতিযোগিতায় জমা পরা পোশাকের মধ্যে সালোয়ার–কামিজ ও শাড়ির কাজ ভালো ছিল বলে মন্তব্য করেন ডিজাইনার নূরে জান্নাত নিপা। তাঁর মতে, উৎসবের পোশাকে চলতি ট্রেন্ডটা উঠে আসবে। পাশাপাশি প্যাটার্ন আর রঙের বৈচিত্র্যও থাকতে হবে।
বিজিএমইএর ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক সিমাত মাহমুদও এবার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশি ডিজাইনের সঙ্গে পাশ্চাত্য ধাঁচের সংমিশ্রণ আর ভারসাম্যপূর্ণ পোশাক সেরা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জ্যামে বিরক্ত হয়েই গুলি চালিয়েছিল এমপিপুত্র -আদালতে রনির বন্ধু কামাল
রাজধানীর নিউ ইস্কাটন রোডে জোড়া খুনের ঘটনায় এমপিপুত্র বখতিয়ার আলম রনির বিরুদ্ধে আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এমন বর্ণনা দিয়েছেন তার বন্ধু কামাল মাহমুদ। গতকাল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই দীপক কুমার তাকে আদালতে হাজির করলে সাক্ষী হিসেবে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আমিনুল হক তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। জবানবন্দিতে কামাল ঘটনার পূর্বাপর বর্ণনা দেন। তিনিও বলেন, যানজটে বিরক্ত হয়ে রনি নিজের লাইসেন্সকৃত পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি ৪-৫ রাউন্ড গুলি করে।
গত ১৩ই এপ্রিল মধ্যরাতে নিউ ইস্কাটনে মদ্যপ অবস্থায় রনি তার লাইসেন্সকৃত পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়লে এক রিকশাচালক ও জনকণ্ঠ পত্রিকার অটোরিকশাচালক নিহত হন। গোয়েন্দা পুলিশ প্রযুক্তি ও সিসিটিভির ফুটেজ দেখে গাড়িটি শনাক্ত করে। পরে প্রথমে গাড়িচালক ইমরান ফকির ও পরে গুলি বর্ষণকারী এমপিপুত্র রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমরান ফকির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও রনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিলে তিনি অসুস্থতার ভান করেন। পরে তাকে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রনি যানজটে বিরক্ত হয়ে গুলি চালানোর কথা স্বীকার করেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘটনার সময় বখতিয়ারের গাড়ির পেছনের আসনে কামালসহ আরও দুই বন্ধু ছিলেন। পুলিশ তাদের মধ্যে গতকাল কামালকে আটক করে। কামাল সাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। কামাল তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বলেন, ঘটনার রাতে তারা একসঙ্গে দীর্ঘ সময় ছিলেন। প্রায়ই তারা একসঙ্গে আড্ডা দিতেন। কিন্তু রনির কাছে যে লাইসেন্স করা পিস্তল ছিল সেটা জানতাম না। বেশ কয়েকদিন ধরে ওর কন্যাসন্তান এ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে ছিল। পরিবারের সদস্যরাই তার দেখাশোনা করতো। ঘটনার দিন আমরা বাংলামোটরের শ্যালে নামে একটি বারে যাই। সেখান থেকে হোটেল সোনারগাঁওয়ের লবিতে বসে আড্ডা দেই। রাত দেড়টার দিকে আমরা রনির গাড়িতে করে বাসার উদ্দেশে রওয়ানা হই। রনির মায়ের এই প্রাডো গাড়িটি রনিই বেশির ভাগ সময় ব্যবহার করতো। আমরা সোনারগাঁও হোটেল থেকে বেরিয়ে জাহাঙ্গীরকে নামানোর জন্য মগবাজারের দিকে যেতে থাকি। জনকণ্ঠ কার্যালয়ের সামনে রনি তার পিস্তল বের করে গুলি করে। পরদিন পত্রিকায় দু’জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর দেখে আমি বিস্মিত হই। এরপর কিছুদিন আমি রনিকে এড়িয়ে চলি। রনি মাঝেমধ্যে কিছুটা বেপরোয়া চলাফেরা করতো। ওর এসব আচরণ আমরাও সমর্থন করতাম না। ও মনে করতো ওর মা যেহেতু ক্ষমতাসীন দলের এমপি, ওর কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওকে ধরা খেতে হলো।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলেন, ঘটনার সময় বখতিয়ার যে গাড়িতে ছিলেন, সেই গাড়িটি গত রোববার বিকালে জব্দ করা হয়েছে। এটি তার মা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি পিনু খানের গাড়ি। পুলিশের পক্ষ থেকে তার পিস্তলের লাইসেন্স বাতিলের আবেদনের পাশাপাশি সেটি জব্দ করে ব্যালাস্টিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, রনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না দিলেও বস্তুগত প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে। পিস্তলটি ব্যালাস্টিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট আসলে বিষয়টি শতভাগ নিশ্চত হয়ে যাবে। আগামী দুই-একদিনের মাথায় পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়া যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
June
(974)
-
▼
Jun 18
(40)
- প্রথম আলো পোড়াল বদির সমর্থকেরা, প্রতিনিধিকে প্রাণন...
- তিন তালিকাতেই সাংসদ বদি by শরিফুল হাসান
- আইভীকে সরানোর দাবিতে শামীম ওসমানপন্থীদের নগরভবন ঘ...
- জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রয়োজন’ -বৃটিশ পার্লামেন্টে ব...
- ১০০ রানী, ৫০০ রাজপুত্র নিয়ে সংসার রাজার
- এবার কাজটা বোলারদের
- যানজট সহ্য না করতে পেরে গুলি ছোড়েন সাংসদপুত্র রনি
- ফাতাহ-হামাস বিরোধ আবার প্রকাশ্য
- বেগুনের দাম দ্বিগুণ
- মাছ শিকারে পদ্মার সংযোগ খালে বেড়া
- ডেপুটি লিডার থেকে ছিটকে গেলেন রুশনারা
- সাংসদপুত্রই গুলি ছুড়েছেন
- বাড়তি কিছু...
- সাগরভাসা মানুষ ও আমরা by হাসান ফেরদৌস
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য সতর্কবার্তা -প্রতিটি অভিযো...
- সেই সব হতভাগ্যের উপকথা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- এমপিও পেতে পাসের হার ও শিক্ষার্থী বেশি লাগবে- সংশা...
- চলতি হাওয়ার সঙ্গে ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ by আহমেদ মুনির
- জ্যামে বিরক্ত হয়েই গুলি চালিয়েছিল এমপিপুত্র -আদালত...
- ডিপ্লোম্যাটের দৃষ্টিতে মোদির ঢাকা সফর
- জি-৭ সম্মেলনের চাওয়া-পাওয়া by সরাফ আহমেদ
- ‘মরুর গোলাপ’ বাংলাদেশে by আনোয়ার হোসেন
- প্রেমের টানে
- মেহেরপুরে গম নিয়ে আ.লীগে গন্ডগোল by তুহিন আরন্য
- মানব পাচারকারী কোটিপতি জামাল by আশরাফুল ইসলাম
- বিকট শব্দে হঠাৎ ভেঙে পড়ল ছাদ
- মা যখন ৫ সন্তানের ঘাতক
- বেচারি সাংবাদিক! by কাজী আরিফ আহমেদ
- ছোট কাটরার সামনে এবার উঠছে আটতলা ভবন by মুসা আহমেদ
- কাঁঠালেও রাসায়নিক প্রয়োগ by নজরুল ইসলাম
- জলাবদ্ধতায় থাকা বাসিন্দারা
- মানব পাচার প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি...
- ঘ্রাণ ছড়িয়ে শেষ হচ্ছে ফল উৎসব
- ইরাক থেকে পঙ্গু হয়ে ফিরলেন রাজ্জাক
- বায়ুদূষণ কমালে বছরে বাঁচবে ২০ লাখ প্রাণ
- মুরসির মৃত্যুদণ্ড বহাল- অপর একটি মামলায় যাবজ্জীবন
- তুর্কি নেতার মৃত্যু
- জোড়া খুন: বখতিয়ারের সঙ্গে গাড়িতেই ছিলেন কামাল, সা...
- ফুরিয়ে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানি
-
▼
Jun 18
(40)
-
▼
June
(974)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

















