Sunday, June 7, 2026
মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে, কংগ্রেসে রিপাবলিকান প্রতিরোধের মুখে ট্রাম্প
রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলই মনে করে না যে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থে কোনো বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। তবে রিপাবলিকানদের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ তার সঙ্গে মতবিরোধ প্রকাশে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এমনকি যেসব রাজনীতিককে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছেন, তারাও এখন ভিন্ন অবস্থান নিচ্ছেন। এর ফলে নির্বাচন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ট্রাম্পের উচ্চাভিলাষী কর্মসূচিগুলো বাধার মুখে পড়তে পারে। রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস বলেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, আপনি দেখতে পাবেন আইনপ্রণেতারা তাদের ভোটাররা যা চান বলে মনে করেন, সেভাবেই ভোট দেবেন। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের তথাকথিত ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’-এর বিরোধিতা করার পর গত বছর টিলিস সিনেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন।
ডেমোক্রেটরা অবশ্য এ ধারণা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের মতে, রিপাবলিকান পার্টির বৃহত্তর অংশ এখনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত নয়। ডেমোক্রেট সিনেটর জন ফেটারম্যান মাঝে মাঝে ট্রাম্প সমর্থিত উদ্যোগে ভোট দেন। তিনি বলেন, যারা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন, তারা মূলত ট্রাম্পের দ্বারা রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরাই। বরং এটি প্রমাণ করে যে দলের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ কতটা শক্তিশালী। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, রিপাবলিকানদের এই ভিন্নমত মূলত নির্বাচনী বছরের রাজনীতি। তিনি বলেন, প্রত্যেক সদস্য প্রতিটি ইস্যুতে রাজনৈতিক মূল্য দিতে প্রস্তুত থাকবেন না। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন বলেন, গণমাধ্যম ও ডেমোক্রেটরা অস্তিত্বহীন বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করলেও আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কর্মসূচি বাস্তবায়নে এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যাশা করছি।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর নতুন প্রবণতা
বছরের পর বছর ধরে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা বিতর্কিত মন্ত্রিসভা সদস্যদের অনুমোদন, নির্বাহী আদেশের প্রতি নীরব সমর্থন এবং বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধি ও নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি মেডিকেইড-এ কাটছাঁট নিয়ে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পের প্রধান আইনগুলোকে সমর্থন দিয়ে তার প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছেন। তবে আইনপ্রণেতা ও তাদের সহকারীরা বলছেন, ট্রাম্প যখন রিপাবলিকান সিনেটর বিল ক্যাসিডি ও জন কর্নিনের পুনঃনির্বাচন প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেন এবং ধারাবাহিকভাবে অস্বস্তিকর সময়ে বিভিন্ন ঘোষণা দেন, তখন দলের ভেতরে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়তে থাকে। পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায় মেমোরিয়াল ডে ছুটির ঠিক আগে। তখন ট্রাম্প কর্নিনের পুনঃনির্বাচনের বিরোধিতা করেন এবং তার ‘এন্টি-ওয়েপনাইজেশন ফান্ড’ ঘোষণা করেন। এর ফলে সিনেট রিপাবলিকানরা ৭০ বিলিয়ন ডলারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ তহবিল বিল থেকে সরে যেতে বাধ্য হয় এবং ক্ষুব্ধ মনোভাব নিয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করে। এক রিপাবলিকান সিনেট সহকারী বলেন, এটা ছিল একেবারে নিখুঁত ঝড়ের মতো পরিস্থিতি।
পরবর্তীতে শুক্রবার সিনেট ওই অভিবাসন আইন প্রয়োগ তহবিল বিল পাস করে। একই সঙ্গে রিপাবলিকানরা একটি ডেমোক্রেট সংশোধনীর বিরুদ্ধে ভোট দেয়। এর উদ্দেশ্য ছিল এন্টি-ওয়েপনাইজেশন ফান্ড বন্ধ করা। যদিও দলের কিছু সদস্য উদ্বিগ্ন যে এই অর্থ ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হামলায় অংশগ্রহণকারী দাঙ্গাকারী এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক মিত্রদের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। ট্রাম্প তুলসি গ্যাবার্ড-এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তার ঘনিষ্ঠ সমর্থক বিল পুলটে’কে অস্থায়ী ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ডিএনআই) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তবে এ নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রিপাবলিকানদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। সিনেটর মিচ ম্যাককনেল স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তিনি স্থায়ী ডিএনআই হিসেবে পুলটে’কে সমর্থন করবেন না। ম্যাককনেল বলেন, আইন অনুযায়ী এই পদে ব্যাপক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তির প্রয়োজন। যে কোনো মনোনীত ব্যক্তি যদি এই শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি আমার ভোট পাবেন না।
সামনে মনোনয়ন যুদ্ধ
এ পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে রিপাবলিকানদের বিরোধিতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রতীকী পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ঝুঁকিতে থাকা তিন রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স, জন হাস্টেড এবং ড্যান সুলিভান ডেমোক্রেটদের সঙ্গে মিলে ট্রাম্পের এন্টি-ওয়েপনাইজেশন ফান্ড নিষিদ্ধ করার উদ্যোগকে সমর্থন করেন। যদিও সেই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত পাস হয়নি। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র রিপাবলিকান সিনেটর জিম ব্যাংকস ভোটাভুটির সময় বলেন, এই পুরো প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। তার মধ্যে আছে সীমান্ত নিরাপদ করা এবং আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট)-কে অর্থায়ন করা।
তবে ট্রাম্পের পরবর্তী বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে তার সাবেক আইনজীবী টড ব্ল্যাঞ্চকে স্থায়ী মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মনোনয়ন দেয়া। এই মনোনয়ন সিনেটে কঠিন বাধার মুখে পড়তে পারে। প্রথমে বিষয়টি যাবে সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটিতে, যেখানে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ট্রাম্পের সমালোচক হয়ে ওঠা জন কর্নিন। কর্নিন বলেছেন, তার সমর্থন নির্ভর করবে ব্ল্যাঞ্চ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের কী জবাব দেন তার ওপর। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত আইনজীবী নন। আমি নিশ্চিত হতে চাই যে তিনি এই পার্থক্য বোঝেন এবং আইন যথাযথভাবে প্রয়োগে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন আমরা চোখ ঘষি, এতে চোখের কি কোনো ক্ষতি হয়? by ডা. হিমেল বিশ্বাস
চোখ ঘষার কারণ
* শুষ্কতা ও ক্লান্তি: দীর্ঘ স্ক্রিন টাইম বা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে চোখ শুষ্ক ও ক্লান্ত হয়ে পড়লে মস্তিষ্ক ঘষার মাধ্যমে আরাম খোঁজে।
* অ্যালার্জি: ধুলা, ফুলের পরাগ বা অন্য কোনো অ্যালার্জেনের কারণে চোখে চুলকানি শুরু হলে আমরা অজান্তেই চোখ ঘষি।
* স্বস্তি: চোখ ঘষার সময় স্নায়ুগুলো উদ্দীপ্ত হয় এবং ভেগাস নার্ভ সক্রিয় হয়ে হৃৎস্পন্দন সামান্য হ্রাস করে, যা সাময়িক আরাম বা স্বস্তি এনে দেয়।
কেন এটি ক্ষতিকর
চোখ ঘষার অভ্যাস দীর্ঘ মেয়াদে চোখের জন্য মারাত্মক হতে পারে:
১. সংক্রমণের ঝুঁকি: হাত হলো জীবাণুর আস্তানা। চোখ ঘষার সময় হাতের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সরাসরি চোখে প্রবেশ করে, যা কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা) বা অন্যান্য সংক্রমণের কারণ হতে পারে।
২. কর্নিয়ার ক্ষতি: জোরে চোখ ঘষলে কর্নিয়ার (চোখের সামনের স্বচ্ছ অংশ) ওপর চাপ পড়ে। নিয়মিত এই চাপ পড়লে কেরাটোকোনাস নামক একটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে। এই রোগে কর্নিয়া দুর্বল হয়ে ধীরে ধীরে বাইরের দিকে শঙ্কু আকৃতি ধারণ করে, যা দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক ক্ষতি করে এবং একসময় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
৩. চাপ বৃদ্ধি: যাঁরা গ্লুকোমার ঝুঁকিতে আছেন, তাঁদের জন্য চোখ ঘষা খুবই বিপজ্জনক। এতে চোখের ভেতরের চাপ হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে, যা অপটিক নার্ভের ক্ষতি করে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি বাড়ায়।
৪. চুলকানি বৃদ্ধি: অ্যালার্জির কারণে চোখ ঘষলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ঘষার ফলে একধরনের হিস্টামিন নিঃসরনণকারী মাস্ট কোষ থেকে আরও বেশি হিস্টামিন নিঃসৃত হয়, যা চুলকানি ও লাল ভাবকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
৫. কালচে আভা বা ডার্ক সার্কেল: চোখ ও তার চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা। জোরে ঘষলে এই অংশের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে চোখের নিচে কালচে ছোপ বা ডার্ক সার্কেল আরও প্রকট হতে পারে।
অভ্যাস দূর করার উপায়
চোখ ঘষার অভ্যাস থাকলে তা বন্ধ করতে হবে। চুলকানি বা অস্বস্তি হলে, পরিষ্কার ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আই ড্রপ ব্যবহার করুন। প্রয়োজন হলে একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। কারণ, চোখের ভেতরে কোনো সমস্যা থাকলে তা নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা আবশ্যক।
![]() |
| অনেকেই অভ্যাসবশত বা অস্বস্তিবোধ করলে অজান্তেই চোখ ঘষে থাকেন। ছবি: পেক্সেলস |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে হাকান ফিদান এরদোয়ানের পর দেশটির দ্বিতীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি
যদিও সরকারি পরিচয়ে তিনি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই তাকে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী সহযোগীদের একজন হিসেবে বিবেচনা করেন। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে দীর্ঘদিন কাজ করার কারণে তাকে তুরস্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক হিসেবেও দেখা হয়।
সেনাবাহিনী থেকে রাষ্ট্রীয় কৌশলবিদ
১৯৬৮ সালে আঙ্কারায় জন্ম নেওয়া হাকান ফিদানের কর্মজীবনের শুরু সামরিক বাহিনীতে। দীর্ঘ সময় তিনি নন-কমিশন্ড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে সামরিক জীবনের পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষার প্রতি সমান গুরুত্ব দেন।
ন্যাটোর একটি মিশনে দায়িত্ব পালনকালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড থেকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে বিলকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। তার গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র ছিল আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা।
এরদোয়ানের আস্থাভাজন হয়ে ওঠা
রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই ফিদানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উত্থান শুরু হয়। ২০০৩ সালে তাকে তুরস্কের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (টিকা)-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
চার বছর ধরে ওই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে থেকে তিনি মধ্য এশিয়া, আফ্রিকা ও বলকান অঞ্চলে তুরস্কের প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার দক্ষতা ও কৌশলগত চিন্তাভাবনা দ্রুতই এরদোয়ানের আস্থা অর্জন করে। পরবর্তীতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যুক্ত হন।
গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে দীর্ঘ অধ্যায়
২০১০ সালে মাত্র ৪২ বছর বয়সে তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটির প্রধান নিযুক্ত হন হাকান ফিদান। সে সময় এটি ছিল একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, কারণ এত অল্প বয়সে আগে কেউ এই পদে আসীন হননি।
প্রায় ১৩ বছর গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি সংস্থাটিকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে ভূমিকা রাখেন। ২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সময় সরকারের অবস্থান সুসংহত রাখতে এবং সংকট মোকাবিলায় তার ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচিত হয়।
তুরস্কের বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যু বিশেষ করে সিরিয়া, লিবিয়া ও ইউক্রেন সংশ্লিষ্ট নানা কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এ কারণেই তাকে আঙ্কারার ‘ব্ল্যাক বক্স’ বা গোপন তথ্যের নির্ভরযোগ্য রক্ষক হিসেবে অভিহিত করা হয়।
পররাষ্ট্রনীতির নেতৃত্বে নতুন ভূমিকা
২০২৩ সালের নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। গোয়েন্দা অঙ্গনের নেপথ্য ভূমিকা থেকে বেরিয়ে এসে তিনি সরাসরি তুরস্কের বৈদেশিক নীতির মুখপাত্র ও প্রধান বাস্তবায়নকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।
বিশ্লেষকদের মতে, আনুষ্ঠানিক পদমর্যাদার বাইরে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্রনীতি এই তিন ক্ষেত্রেই তার গভীর প্রভাব রয়েছে। ফলে অনেকেই তাকে তুরস্কের বর্তমান ক্ষমতার কাঠামোয় সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন হিসেবে দেখেন।
ঢাকা সফরের তাৎপর্য
বাংলাদেশ সফরের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণ করা। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে যৌথ সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তুরস্কের আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে বাংলাদেশের আগ্রহও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের প্রশ্নে তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ফিদানও এই সংকটের টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক সমাধানের পক্ষে তুরস্কের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ভবিষ্যতের নেতৃত্বে কি হাকান ফিদান?
তুরস্কের রাজনীতিতে এরদোয়ানের পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা যতই বাড়ছে, ততই সামনে আসছে হাকান ফিদানের নাম। শান্ত স্বভাব, কৌশলী নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা ও কূটনীতি দুই ক্ষেত্রেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে তাকে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ জাতীয় নেতা হিসেবে বিবেচনা করেন অনেক পর্যবেক্ষক।
বিশ্ব রাজনীতিতে তুরস্কের প্রভাব বাড়ানোর যে কৌশল আঙ্কারা অনুসরণ করছে, হাকান ফিদানকে সেই নীতির অন্যতম প্রধান স্থপতি মনে করা হয়। তার ঢাকা সফরও বৃহত্তর আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা, মিডল ইস্ট আই
![]() |
| তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘণ্টা দুয়েক আগে হাসিঠাট্টা করা মানুষটাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটছি সেকেন্ডের হিসাব করে by কানিজ ফাতেমা
রাত দুইটায় বাসায় ঢুকে দেখি, রাকিব ছাড়া সবাই ঘুমাচ্ছে। পরদিন একটা ওয়ার্কশপের জন্য সে অনলাইন মিটিং করছে। ওকে ঘুমানোর তাড়া দিই। সাংসারিক আলাপের ফাঁকে ঠাট্টাচ্ছলে তাকে উৎসব সিনেমার ‘কিপটা জাহাঙ্গীর’ বলতেও ভুলি না। তারপর ঘুমিয়ে পড়ি।
ভোর পাঁচটার দিকে হঠাৎ আমাকে ডেকে তুলে রাকিব বলে, ‘বুকে ব্যথা করছে, তোমার কাছে কি ওষুধ আছে?’
ওষুধ খাওয়ানোর পরও ব্যথা কমে না। ডাক্তারের কাছে যেতে চাই, সে চায় না। দুজনই চ্যাটজিপিটি ও জেমিনিকে দিয়ে লক্ষণ মেলানোর চেষ্টা করি, মেলে না। ব্যথা বাড়লে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে হাসপাতালে যেতে রাজি হয় ও।
জরুরি বিভাগে পৌঁছালে ফার্মেসি থেকে আমাকে চারটি ওষুধ আনতে দেন ডাক্তার।
দ্রুত ওষুধ কিনে আনি। খাওয়ানোর পর রাকিবকে ইসিজি করতে পাঠানো হয়। রিপোর্ট দেখে ডাক্তারদের কানাঘুষা করতে দেখি। তারপর দ্রুত আমাদের জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যেতে বলেন এক ডাক্তার। কী মনে করে পেছনে ফিরে ডাক্তারদের দিকে তাকাই। তাঁদের একজন আমাকে বলেন, ‘ওনাকে কথা কম বলতে দেবেন, দাঁড় করিয়ে রাখবেন না।’
ডাক্তারের শঙ্কিত চোখ আমাকে আরও অনেক কিছু বলে। আমি বৃষ্টিকে ফোন করে কেঁদে ফেলি, ‘আব্বুকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে আয়।’
আমার তখনো ভাবতে অবাক লাগছিল, ঘণ্টা দুয়েক আগে হাসিঠাট্টা করা মানুষটাকে নিয়ে ছুটছি সেকেন্ডের হিসাব করে। আমার কাছে রাস্তার হিসাব, সময়ের হিসাব বেশি মনে হয়। প্রতিটি মুহূর্ত মনে হচ্ছিল, এক্ষুনি সব মুহূর্ত ছবি হয়ে যাবে! স্মৃতি হয়ে যাবে! কিছুতেই আমি এটা মানতেই পারছিলাম না।
আমার ছোট ছেলেটার মুখ মনে ভেসে উঠছিল। এখনো সে এত ছোট। ২০১৭ সালে ঠিক এ রকম এক বৃহস্পতিবার রাতে আমাদের ছেলে তীহানকে নিয়ে দৌড়াতে হয়েছিল। আমার সেই বান্ধবীর কথা মনে পড়ছিল, যার জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না। কতটা সংগ্রাম করে তারা এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে জীবন যাপন করার চেষ্টা করে। কিছু একটা আঁকড়ে ধরে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চায়। মন থেকে সব অশুভ চিন্তা দূর করতে আয়াতুল কুরসি পড়তে থাকি এবং তখনই আমার মনে হয়, এখনো আমাদের একসঙ্গে অনেক গান শোনা বাকি, এখনো পড়া হয়নি অনেক বই, দেখা হয়নি কত সিনেমা। ছেলেকে সঙ্গে করে ঘোরা হয়নি অনেক জায়গা, এখনি চলে যাওয়ার সময় কোনোভাবেই এটা না।
হাসপাতালে ডাক্তার দেখে বললেন, ‘হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এখনই সিসিইউয়ে নিতে হবে।’
সিসিইউয়ে নার্স জানালেন, ম্যাসিভ অ্যাটাক, এনজিওগ্রাম বা এসটিকে ইনজেকশন দিতে হবে, ঝুঁকি আছে।
ইনজেকশনের অনুমতি দিলাম। কাঁদতে কাঁদতে ওষুধ নিয়ে ফিরে এলে টেকনিশিয়ান ভাই বললেন, ‘মনে হয় কাজ হচ্ছে।’
দ্রুত তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে স্থানান্তর করি। সেখানে পৌঁছালে ডাক্তার বলেন, ‘আল্লাহর শুকরিয়া, ৩০ শতাংশ রোগী পথে মারা যায়। আপনারা সময়মতো এনেছেন।’
এনজিওগ্রাম করার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় শুধু বললাম, ‘এত তাড়াতাড়ি তো হার মানব না বন্ধু, সাহস রাখো।’
কিছুক্ষণ পর ডাক্তার জানালেন, ‘এক জায়গায় শতভাগ ব্লক, আরেকটিতে সামান্য, দুটি রিং পরানো হয়েছে।’
শঙ্কা কমলে বিকেলে সিসিইউয়ে রাকিব বলল, ‘তুমিও তো সারা রাত ঘুমাওনি!’
হাসি পেল, আর একটু হলে সারা জীবনের ঘুম উধাও করে দিচ্ছিল, এখন খবর নিচ্ছে এক রাতের ঘুমের!
![]() |
| জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে গুপ্তচরবৃত্তি: ইসরাইলকে ‘সর্বোচ্চ হুমকি’ হিসেবে দেখছে পেন্টাগন
দুই বর্তমান এবং এক সাবেক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই মূল্যায়ন করা হয়েছে। ডিআইএর অভ্যন্তরীণ এক বার্তায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে পাল্টা গোয়েন্দা সতর্কতার মাত্রা ‘ক্রিটিক্যাল’ পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনা, নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ইসরাইল সম্প্রতি আরো সক্রিয় নজরদারি চালাচ্ছে বলে পেন্টাগনের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ডিআইএর সাত পৃষ্ঠার একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মানব গোয়েন্দা তৎপরতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইসরাইলের সক্ষমতা ‘অত্যন্ত উচ্চ’ বা ‘ক্রিটিক্যাল’ পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিবেদনে এমন কয়েকটি নির্দিষ্ট ঘটনারও উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ আরো বাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে ইসরাইল। ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠান বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে না। আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম শত্রুদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়, মিত্রদের বিরুদ্ধে নয়।
এদিকে পেন্টাগন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। একইভাবে হোয়াইট হাউসও প্রতিবেদনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, পুরো বিষয়টি ভিত্তিহীন এবং তথ্যদাতারা প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত নন।
বিশ্লেষকদের মতে, মিত্র দেশগুলোর মধ্যে সীমিত মাত্রায় গোয়েন্দা তৎপরতা নতুন কিছু নয়। তবে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলের কথিত কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক সীমা অতিক্রম করেছে বলেই পেন্টাগনের উদ্বেগ বেড়েছে।
এই সতর্কতা জারির পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান মতবিরোধকে দেখা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে ইরান যুদ্ধ এবং লেবাননে সামরিক অভিযান নিয়ে সম্প্রতি উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানের বিপরীতে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে আরো কঠোর সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন হুমকি মূল্যায়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা ও সামরিক সদস্যরা ইসরাইল সফর বা ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করবেন। তবে দুই দেশের মধ্যে চলমান উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে এখন পর্যন্ত কোনো প্রভাব পড়েনি।
সাবেক কূটনীতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া সত্ত্বেও ইসরাইলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই আক্রমণাত্মক গোয়েন্দা তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। নতুন এই মূল্যায়ন সেই পুরোনো উদ্বেগকে আবারো সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ▼ 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


