Tuesday, March 17, 2015
পাঁচ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে মুক্ত হলো নিউ ইয়র্কে পণবন্দী বাংলাদেশী পরিবার by ইমরান আনসারী
![]() |
| জ্যামাইকার পণবন্দী অবস্থা থেকে বাংলাদেশী পরিবারকে উদ্ধারে পুলিশের তৎপরতা |
সোমবার নিউ ইয়র্ক সময় সকাল সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যামাইকার ১৬৮ স্ট্রিটে ঘটে এ ঘটনা ঘটে। অস্ত্রধারী এক সন্ত্রাসী জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের অপর দিকে ৮৫ এভিনিউর ২০ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় দরজায় আঘাত করতে থাকলে বাংলাদেশী পরিবারটি দ্রুত পুলিশকে খবর দেয়। পরে ওই সন্ত্রাসী নিচ তলায় গায়ানিজ বংশোদ্ভূত এক পরিবারের বাসায় দরজা ভেঙে ঢুকে পড়ে। অস্ত্রের মুখে হাতিয়ে নেয় বেশ কিছু ডলার।
বাংলাদেশী ওমর আলী জানান, ‘আনুমানিক সাড়ে ৭টার পর সন্ত্রাসী আমার বাসায় ঢোকার চেষ্টা করলে আমার স্ত্রী দরজা না খুলে পুলিশকে খবর দেয়। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই পুলিশ বাসার সামনে অবস্থান নিলে মুখোশধারী ওই সন্ত্রাসী আমার বাসার ছাদ দিয়ে পাশের আরেকটি বাড়িতে এক বাংলাদেশীর বাসায় ঢুকে পড়ে’।
অস্ত্রধারী ওই সন্ত্রাসীকে আটক করতে মুহূর্তের মধ্যে নিউ ইয়র্ক পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সামনের রাস্তাটি ব্লক করে সাঁজোয়া যান নিয়ে অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তিন দফা হেলিকপ্টারের মহড়া চলে। বন্ধ করে দেয়া হয় জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার। পুরো এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
সশস্ত্র ওই সন্ত্রাসী ৮৫ এভিনিউর ২৮ নম্বর বাড়িতে ঢুকে বাংলাদেশী পরিবারটিকে পণবন্দী করার চেষ্টা করে। পাঁচ ঘণ্টার সেই অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে ওই বাসার বড় ছেলে (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, ‘সে দরজায় জোরে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকে আমার বৃদ্ধা মাকে নিচে ফেলে দেয়। আমার ছোট ভাই ও বাবা ঘুমিয়ে ছিলেন। তারা উঠেই মুখোশধারী সশস্ত্র ওই সন্ত্রাসীকে দেখতে পান। পরে সে দ্রুত আমার জামাকাপড় পরে নেয়। আমার ছোট ভাইকে বলে, পুলিশ ঢুকলে যেন বলা হয় সে আমাদের মেহমান। ইতোমধ্যে পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। বাসায় সন্ত্রাসী অবস্থানের বিষয়টি আমাকে টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে জানাতে থাকলে আমি তা পুলিশকে অবগত করি।’
একপর্যায়ে পুলিশের সোয়াত টিম বাসার দরজার সামনে অবস্থান নেয়। পুলিশের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে নিউ ইয়র্ক সময় ১টা ১৫ মিনিটে আত্মসমর্পণ করে ২৪ বছর বয়স্ক ওই সন্ত্রাসী। পরে পুলিশ বাসার বৃদ্ধ মহিলাকে চিকিৎসার জন্য হসপিটালে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে, ওই সন্ত্রাসী ছিল আফ্রিকান বংশোদ্ভূত। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে তেমন কিছুই জানানো হয়নি। সোমবার সন্ধ্যার পর বাংলাদেশী পরিবার দু’টির খোঁজখবর নিতে যান নিউ ইয়র্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি কন্সাল জেনারেল শাহিদুল ইসলাম। এ ঘটনায় জ্যামাইকাজুড়ে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদার সাথে স্ত্রীর সাক্ষাত, সালাহউদ্দিনকে অক্ষত ফেরত চেয়েছেন খালেদা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই রায় : ব্যারিস্টার খোকন
তিনি আরো বলেন, আমি প্রথমেই সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ও আমার নিজের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সকল নির্বাচন কমিশনারগণ এবং এই নির্বাচনে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে সকল সদস্যের নিকট কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি- এই বার অ্যাসোসিয়েশনের ৫৭ বছরের রেকর্ডে তৃতীয়বারের মতো সম্পাদক পদে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য। আমি মহান আল্লাহ তা-আলার নিকট শুকরিয়া আদায় করছি। দলমত নির্বিশেষে সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি এ সময় বিশেষভাবে স্মরণ করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে। কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি।
তিনি বলেন, আমাদের বিচার ব্যবস্থা ঘুনে ধরা বিচার ব্যবস্থা। মানুষ চায় ন্যায়বিচার। আজ প্রধান বিচারপতির নিকট অনুরোধ করতে চাই- নিম্ন আদালতে যেসব বিচারকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে, যেসব বিচারক মামলার রায় দেয়ার সময় রাজনৈতিক চিন্তা করেন, যেসব বিচারক আইন চিন্তা না করে মন্ত্রণালয়ের কথা অনুযায়ী বিচার করেন, অনতিবিলম্বে সেইসব বিচারককে অপসারণ করা হোক। প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আপনাকে অনুরোধ করতে চাই, এই সুপ্রিম কোর্টে যেসব বিচারক দলবাজি করেন, মানুষকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করেন, তাদের অপসারণ করা হোক। ওইসব দুর্নীতিবাজ এবং দলবাজ বিচারপতিদের হুঁশিয়ার করে দিতে চাই- যদি বিচারপতির চেয়ারের সম্মান ধরে রাখতে না পারেন তবে দয়া করে সরে যান। তিনি বলেন, যদি তারা না চলে যায়, তবে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যে, বিচারপতিদেরও বিচার হয়।
তিনি আরো বলেন, আজ দেশে গণতন্ত্রের নামে প্রতারণা চলছে। বেগম খালেদা জিয়ার বাসায় মানুষ যেতে পারবে না, গ্রেফতার করা হবে। এটা কোন ধরণের গণতন্ত্র? আজ বেগম খালেদা জিয়ার বাসা ইটের ট্রাক, বালুর ট্রাক দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। আবার নিম্ন আদালতের বিচারক বলছেন, আসে না কেন, ওয়ারেন্ট দিচ্ছি। এটা কোন ধরনের বিচার? আজ বেগম খালেদা জিয়ার বাসায় খাবার যেতে দেয়া হচ্ছে না। আমি মনে করি- সরকার গণতন্ত্রের নামে গোটা জাতির সাথে প্রতারণা করছে। এই গণতন্ত্র আমরা চাই না।
তিনি আরো বলেন, আজ সালাহ উদ্দিন আহমেদকে তারা ধরে নিয়ে গেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো অধিকারে মানুষ নিয়ে যায়? কোন অধিকারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রাতের বেলা সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়া মানুষের বাড়িতে প্রবেশ করে?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ইন্ডিয়ারে হারাই দিমু!’ by মোছাব্বের হোসেন
![]() |
| বাংলাদেশ নিয়ে দর্শকদের আবেগটা এমনই। ছবি: সাজিদ হোসেন |
![]() |
| বাংলাদেশ নিয়ে দর্শকদের আবেগটা এমনই। ছবি: সাহাদাত পারভেজ |
খেলার সময় হলেই সাইফুলদের দোকানের চারপাশে ভিড় জমে যায়। নিজেই বলেন, ‘ছোট্ট টিভি তো, ভালা কইরা দেখা যায় না, খেলা টিভিতে দেখলেও স্কোর শুনি রেডিওতে। অন্যরাও তা-ই করে।’ ক্রিকেট খেলা কে কোথায় দেখবে, এ নিয়ে চিন্তা শুরু হয়েছে অনেকের। অনেক চাকরি করেন। সেটা বাদ দিয়ে কীভাবে খেলা দেখবেন, সেই চিন্তা এখন অনেকের মনে। রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী মোমিনুল। তরুণ মোমিনুলের ক্রিকেটে ব্যাপক আগ্রহ। সঙ্গে থাকা মোবাইল সেটে রেডিও চালু করে খেলার খবর শোনেন। বাংলাদেশের খেলা একটাও বাদ যায় না। মোমিনুল বলেন, ‘চাকরি তো করতে হইব। দাঁড়ায় দাঁড়ায় রেডিও শুনি। যখন মাহমুদউল্লাহ ছয় মারে, তখন মন চায় টেলিভিশনে গিয়া দেহি।’
বাংলাদেশের খেলার দিনও তিনি এভাবে রেডিতেই শুনবেন খেলা। বাংলাদেশের বিজয় নিয়ে তিনিও বেশ আশাবাদী। মোমিনুল বলেন, ‘বাংলাদেশকে জিততে হইলে ৩০০-এর ওপরে রান করতে হইব। আর শুরুতেই ওগো উইকেট ফেলায় দিতে হইব। তাইলেই আমাগো কেউ ঠেকাইতে পরব না।’ বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলার দিন টেলিভিশনের দোকানগুলোকেও সামলাতে হয় বাড়তি চাপ। কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে সেমিটেক গ্লোবাল ইলেকট্রনিকসে গিয়ে কথা বলতেই দোকানের কর্মী আলী আহমেদ বললেন, ‘বাংলাদেশের খেলার দিনে প্রচুর ভিড় হয় দোকানের সামনে। সরতেও বলতে পারি না। বাংলাদেশের খেলা তো আর রোজ হয় না। এই চাপ আমাদের কাছে ভালোই লাগে। আবার বাংলাদেশ জিতলে আরও ভালো লাগে। পরশুও বাংলাদেশ জিতুক এইটাই চাই আমরা।’ রাজধানীর একটি গার্মেন্টস কর্মকর্তা হাসান মাহমুদের মন খারাপ। কারণ খেলার দিনে অফিস করতে হবে। তার পরও খেলার দিন কাজের ফাঁকে ফাঁকে মোবাইলে খেলার আপডেট দেখবেন, ‘মনকে তো কাজে বসাতেই পারব না, মন পড়ে থাকবে খেলার দিকে।’ মণিপুরী পাড়ায় রাস্তায় দুই বন্ধুর মধ্যে তর্ক হচ্ছে, ‘ফুটবলের সময় দেখি নানা দেশের পতাকা উড়ে। আর ক্রিকেটের সময় বাংলাদেশের পতাকা কই?’ অপর বন্ধুর চটপট জবাব, ‘ফুটবলে আমরা নানা দেশের সাপোর্ট করি বলে নানা দেশের পতাকা থাকে। কিন্তু ক্রিকেটে আমরা সবাই বাংলাদেশের সাপোর্টার। ওটা আলাদা করে জানান দেওয়ার দরকার কী! বিয়েবাড়িতে জামাইকে কি কেউ জিজ্ঞেস করে, আপনি বরপক্ষ না কনেপক্ষ!’ ভ্রাম্যমাণ দোকান নিয়ে নানান জিনিস বিক্রি করেন মো. আকাশ। বাংলাদেশের খেলা নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি আছে তাঁর, ‘এমন জায়গায় বসমু, যার আশপাশে টিভি আছে। আমার মোবাইলে রেডিও আছে। হেইটাও চালু রাখমু। আর সামনে জিতলে তো কথাই নাই, বন্ধুগো বইলা দিছি, জিতলেই বিরিয়ানি খাওয়ামু।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পরমাণু ক্ষেত্রে ভারতকে প্রতিহত করতে চায় পাকিস্তান’
![]() |
| পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র শাহিন |
তিনি আরো বলেন, ভারতের ব্যাপক ভিত্তিক পরমাণু কর্মসূচির মুখে নূন্যতম পরমাণু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়তে চায় পাকিস্তান। এ ক্ষেত্রে ভারতীয় উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতেই পাকিস্তান নিজ পরমাণু প্রতিরক্ষা চাহিদার হিসাব করছে বলে জানান তিনি।
ভারতকে ঘিরে পাকিস্তানের পরমাণু নীতি তৈরি হলেও ভারতের পরমাণু নীতি পাকিস্তানকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে কিনা জানতে চাওয়া হলে সাদিয়া তাসলিম বলেন, এ অঞ্চলে ভারতের বৃহৎ লক্ষ্য রয়েছে; তাই পরমাণু নীতিও বহুমুখী হয়ে উঠেছে।
ভারত যখন নিজের পরমাণু বোমার মজুদ বাড়িয়ে চলেছে তখন পাকিস্তানও একই কাজ করবে কিনা জানতে চাওয়া হলে সাদিয়া বলেন, চূড়ান্তভাবে পাকিস্তান কি করবে তা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। এর সঙ্গে ইচ্ছা-অনিচ্ছা, অবকাঠামো, জাতীয় অগ্রাধিকার এবং সম্পদের বিষয় জড়িত বলে জানান তিনি। তবে বর্তমান প্রবণতা দেখে মনে হয়, পরমাণু ক্ষেত্রে ভারতের উন্নয়নে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন পাকিস্তান এবং এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উন্নতি করতে না পারলেও এ ক্ষেত্রে অন্তত পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে ইসলামাবাদ।
সূত্র : রেডিও তেহরান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তরার সেই বাড়ির লোকজনের মুখে কুলুপ
এ সময় এক ব্যক্তিকে ওই বাড়িতে ঢুকতে দেখা যায়। তিনি ওই বাড়ির বাসিন্দা। তার কাছে ওই রাতে কি হয়েছিল জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।
এ দিকে গত ছয় দিনেও সালাহউদ্দিন আহমদের হদিস মেলেনি। আদালতের নির্দেশের পরেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সালাহউদ্দিনের কোনো সন্ধান দিতে পারেনি।
গত ১০ মার্চ মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর উত্তরার ওই বাড়ির দ্বিতীয়তলার পশ্চিম পাসের ফ্যাট থেকে তুলে নেয়া হয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে। ওই ফ্যাটে থাকতেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ডিএমডি হাবিব হাসনাত ও তার স্ত্রী সুমনা। জানা গেছে, রাত সাড়ে ১০টার দিকে সালাহউদ্দিনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়া হয়। এ সময় বাসার দুই গৃহকর্মী ও সালাহউদ্দিন আহমদের চালককেও পুলিশ নিয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চালক ও পুরুষ গৃহকর্মীকে ছেড়ে দেয়া হলেও একজন নারী গৃহকর্মীর কোনো হদিস নেই। ঘটনার পরের দিন রাতেই সালাহউদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা আহমদ রাজধানীর উত্তরা, গুলশান ও বনানী থানায় যান সাধারণ ডায়েরি করার জন্য। কিন্তু কোনো থানাতেই তার ডায়েরি গ্রহণ করেনি পুলিশ। এরপর ১২ মার্চ সালাহউদ্দিনের স্ত্রী একটি রিট আবেদন করেন হাইকোর্টে। ওই আবেদনের পরিপ্রেেিত গত রোববারের মধ্যে সালাহউদ্দিনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। আইনশৃঙ্খলা রাকারী সংস্থার সদস্যদের এই নির্দেশ প্রদান করা হয়। গতকাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উইংগুলো পৃথক প্রতিবেদন দাখিল করেছে আদালতে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, সালাহউদ্দিনের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
এ দিকে গতকাল সালাহউদ্দিন আহমদকে কেন আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হবে না, সে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার জন্য গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট সরকারকে যে রুল দিয়েছিল তার শুনানি আবারো ৮ এপ্রিল পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ যখন সেখানে যায়, তখন ফ্যাটটি তালাবদ্ধ ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী আখতার জানান, চার দিন আগে হাসনাত-সুমনা দম্পতি বাইরে যান। এ সময় ‘রায়হান’ নামে একজন মেহমানকে রেখে যান। হাসনাত দারোয়ানদের বলে যান, তাদের অনুপস্থিতিতে এই মেহমান বাসায় থাকবেন। ওই বাড়িতে রাত ১১টা পর্যন্ত ভাড়াটেরা গাড়ি নিয়ে আসা-যাওয়া করতেন। ১০ মার্চ আনুমানিক ৯টার দিকে চার-পাঁচজন হাসনাতের বাসায় যান। আনুমানিক আধা ঘণ্টা পর মেহমান ওই চার-পাঁচজনের সাথে গাড়িতে উঠে চলে যান। ওই লোকটি সালাহউদ্দিন কি না, তা তারা জানেন না। বাসায় যাওয়া লোকদের গায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক ছিল না। তাদের কাছে কোনো অস্ত্রও দেখা যায়নি। বাইরে যে গাড়িটি অপো করছিল, তাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ির মতো মনে হয়নি। মেহমানের হাতে কোনো হাতকড়া ছিল না, তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলেও মনে হয়নি।
তবে গত বৃহস্পতিবার আখতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে একদল লোক ওই বাসার সামনে আসেন। বাসার সামনে তিনটি গাড়ি ছিল। কিছুণ পর রাত ১০টা নাগাদ তারা এসে বলেন, আমরা ডিবির লোক। কোনো সমস্যা নেই। পকেট গেট খোলা ছিল। তারা কয়েকজন সেই গেট দিয়ে বাসার ভেতরে ঢুকে পড়লে আখতারুল জিজ্ঞেস করেন, ‘কী কারণে আসছেন? তারা বলেন, পরে জানতে পারবি।’
ওই সময় আখতারুল আরো বলেন, এ সময় দু’জন তাকে ‘চটকনা’ দেন। তাদের কাছে পিস্তল দেখে ভয় পান আখতারুল। তারা নিজেদের ডিবির লোক বলে পরিচয় দেন ও আখতারুলকে ‘চুপ করে বইসা থাক’ বলে কয়েকজন দোতলায় চলে যান। লোকগুলো এরপর ২০-২৫ মিনিট ছিলেন। নামার সময় চোখ বাঁধা অবস্থায় দু’জন দুই পাশে ধরে তাকে (সালাহউদ্দিন) নিয়ে নেমে যান। পরে একটি মাইক্রোবাসে তুলে সালাহউদ্দিনকে নিয়ে চলে যান অস্ত্রধারীরা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুপ্রিম কোর্টে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্যানেলের বিপুল জয়
এছাড়া, নির্বাচনে দু’টি সহ-সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের এএসএম মোক্তার কবির খান এবং সরকার সমর্থক প্যানেলের আবুল খায়ের নির্বাচিত হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের শওকত আরা বেগম দুলালী। দু’টি সহ-সম্পাদক পদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মাজেদুল ইসলাম পাটোয়ারী উজ্জল এবং সরকার সমর্থিত প্যানেলের দেলওয়ার মোস্তফা চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।
সদস্য পদে বিএনপি-জামায়াত জোট সমর্থকদের প্যানেলের নির্বাচিতরা হলেন- শামীমা সুলতানা দিপ্তী, আনোয়ারুল ইসলাম শাহিন, মির্জা আল মাহমুদ ও মো. জসিম সরকার। সরকার সমর্থিত প্যানেলের সদস্যরা হলেন- মহিউদ্দিন শামীম, একেএম দাউদুর রহমান মিনা, অমিত দাশগুপ্ত। রোব ও সোমবার ভোট গ্রহণ শেষে গতরাতে নির্বাচনের এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ভয়–ডরহীন’ বাংলাদেশ
![]() |
| ছন্দ ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ, বললেন সাকিব। ছবি: শামসুল হক |
বাংলাদেশের সামনে আট বছর আগের স্মৃতি। ২০০৭ বিশ্বকাপে এ দিনে পোর্ট অব স্পেনে ভারতের বিপক্ষে এসেছিল সেই দারুণ জয়। সেই ম্যাচে ৫৩ রান করা সাকিব আজ সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘আমার মনে হয় সেদিন (আট বছর আগে) আমরা ভয়হীন ক্রিকেট খেলেছিলাম। সেদিন যেমনটা খেলেছিলাম, তেমনটাই খেলতে চাই। এ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মনে হয় সেটি করতে পেরেছি। ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যেমন খেলেছি, তেমনটা খেললে আশা করি ম্যাচটা দারুণই হবে। এটি আসলে ওই দিনের ওপর নির্ভর করছে। এ জন্য আমাদের শুরুটা ভালো করা প্রয়োজন। আমরা যদি ছন্দ ধরে রাখতে পারি, তাহলে যেকোনো কিছুই সম্ভব।’
এ বিশ্বকাপে দারুণ ফর্মে রয়েছে ভারত। ছয়ে-ছয় নিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে তারা। দলে রয়েছে ভীতিজাগানিয়া কয়েকটি নাম—মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলি, শিখর ধাওয়ান। সাকিবও মানছেন তা। তবে নিজেদের সেরা দিনে কোনো বড় নামে কাজ হয় না, সেটিও মনে করিয়ে দিলেন বাংলাদেশ-সেরা অলরাউন্ডার, ‘ভারত খুবই ভালো দল। তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তাদের দলে বেশ কয়েকজন বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে। তবে আমরাও কিন্তু এ বিশ্বকাপে ভালো খেলছি। আমাদের আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে। এ ম্যাচের জন্য আমরা প্রস্তুত। অবশ্যই কাগজে-কলমে বাংলাদেশের চেয়ে ভারত এগিয়ে। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এটি এক ম্যাচের খেলা। যদি দিনটা আমাদের হয় আর তাদের খারাপ হয়, তবে কেউ জানে না কী হবে।’
বাংলাদেশের দলীয় লক্ষ্য ছিল কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা। সেটি পূরণ হয়েছে। কাজেই ভারতের বিপক্ষে হারানোর কিছু নেই বললেন সাকিব, ‘দর্শকেরা দলের কাছে সব সময় অনেক কিছু প্রত্যাশা করে। তাদের প্রত্যাশামতো আমরা বেশ ভালো খেলেছি। আমাদের এখন প্রয়োজন খেলায় মনোযোগ দেওয়া এবং খেলায় কীভাবে ভালো করতে হয় , সেটিই মূল বিষয়। যদি সেটা ঠিকঠাক করতে পারি, আশা করি ফলই সব বলে দেবে। জয়-পরাজয় ব্যাপার নয়। যদি নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারি, সেটিই হবে মূল বিষয়।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হরতাল নেই, আছে অস্বস্তি
বিএনপি-জামায়াতসহ ২০-দলীয় জোট গত ৬ জানুয়ারি থেকে টানা অবরোধ এবং ১৫ জানুয়ারি থেকে দফায় দফায় হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করে আসছে। কখনো সরকারের পদত্যাগ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান, আবার কখনো জোটের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার-নির্যাতনের প্রতিবাদে শুক্র-শনিবার ছাড়া প্রতিদিনই হরতাল ঘোষণা করা হচ্ছে।
চলতি দফায় গত রোববার সকাল ছয়টা থেকে ৭২ ঘণ্টার (কাল বুধবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত) যে হরতাল ঘোষণা করা হয়, তা পঞ্চদশ দফা। এই দফারও ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এ ধরনের হরতাল কর্মসূচিতে দেশের কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষেরই সাড়া মেলেনি।
সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, ব্যক্তিগত—সব ধরনের অফিস নিয়মিত চলছে। সব অফিসে উপস্থিতি ও কাজকর্ম স্বাভাবিক আছে। উচ্চতম থেকে নিম্নতম পর্যায় পর্যন্ত সকল আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, কাজকর্ম, বিভিন্ন বিষয়ে বিদেশি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সভা-বৈঠক সবই নিয়মিত ও স্বাভাবিকভাবে চলছে।
তবে সচিবালয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা কিছুটা কম। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এটিকে বরং সচিবালয়ের কর্মপরিবেশের জন্য ভালো মনে করছেন। দর্শনার্থী কম থাকায় কাজে সময় বেশি দেওয়া যাচ্ছে বলেও তাঁদের দাবি।
রাস্তায় সব ধরনের যান চলাচল স্বাভাবিক। ঢাকায় যাঁরা নিত্যযাত্রী, অপরিহার্য প্রয়োজনে যাঁদের প্রতিদিন ঘরের বাইরে বের হতে হয়, বাস-ট্যাক্সি, রিকশা-টেম্পোতে চেপে যাতায়াত করতে হয়, তাঁরা রাস্তায় তীব্র যানজটে পড়ছেন। হঠাৎ করে গরম পড়ায় জটের মধ্যে যানবাহনে অস্থির অনেককে বলতে শোনা যায়, ‘ছাতুর হরতাল। মোটামুটি একটু হরতাল হলেও তো এত যানজট হতো না। একটু আরামে কাজকর্ম সেরে বাসায় ফেরা যেত।’ যানবাহনের যেমন অভাব নেই, তেমনি যাত্রীসংখ্যায়ও কমতি নেই।
ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্যান্য জেলা-উপজেলার নৌ ও রেল যোগাযোগ সব সময়ই প্রায় স্বাভাবিক ছিল। এখন সড়ক যোগাযোগও স্বাভাবিক হয়ে আসছে। দিনের বেলায় দূরপাল্লার বাস-ট্রাক চলাচল এখন প্রায় স্বাভাবিক। তবে রাতের যাত্রা নিয়ে এখনো কিছুটা শঙ্কা রয়েছে সবার মধ্যেই। যানবাহনের মালিকদের মতো যাত্রীরাও রাতে চলাচল এখনো সম্পূর্ণ নিরাপদ মনে করতে পারছেন না। তাই এখনো রাতে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল কম। যাত্রীও সীমিত। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ এখনো রাতে ভ্রমণ করতে ভরসা পাচ্ছেন না। তবে ক্রমান্বয়ে রাতে যানবাহনের চলাচল ও যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে।
ব্যবসায়ী-দোকানদারেরা কিছুদিন আগেও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটের এক দরজা খুলে আরেক দরজা বন্ধ রাখতেন। এখন তাঁরা সব দরজা খুলে বসছেন পসরা সাজিয়ে। পাইকারি ও খুচরা সব ক্ষেত্রে বেচাকেনাও জমে উঠছে। ঢাকার মৌলভীবাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেছেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকেও আজকাল অনেক ক্রেতা আসছেন। ক্রমেই তাঁদের সংখ্যা বাড়ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে আসছে।
রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা কখনোই কমেনি। চাল-ডাল, তেল-লবণ, শাকসবজি, মাছ-মাংস প্রভৃতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহও কমেনি হরতাল-অবরোধের কারণে। তবে জামা-কাপড়, জুতা-ছাতা, মনোহারি ও প্রসাধন সামগ্রীসহ শৌখিন দ্রব্যাদির বেচাকেনায় বেশ খানিকটা খরা চলছিল। এখন আর তা নেই।
উত্তরার রাজলক্ষ্মী বিপণিবিতানের একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা এখন বুঝে গেছি কখন কী ঘোষণা আসবে, কতক্ষণ ঘোষক বিশ্রাম নেবেন। আর আমাদের কী করতে হবে। আমরা ঘোষণা শুনব। কাজকর্মও করব। কাজ ছাড়া তো আমাদের চলবে না। তবে একটু সাবধানে থাকতে হবে। কারণ, মানুষের জীবনের দাম তো কমেই চলেছে।’
রাজধানীর যেসব স্কুলে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীরা যায়, সেই স্কুলগুলোতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এসব স্কুলের ক্লাস ও পরীক্ষা দুই মাস ধরে শুক্র ও শনিবারকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। যেসব স্কুলে আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরা যায়, সেগুলোতে আবার ক্লাস-পরীক্ষা নিয়মিতই হচ্ছে। এ অবস্থায় অভিভাবকেরা গৃহশিক্ষক ও কোচিং ক্লাসের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়িয়েছেন।
রাজধানীর কলেজ ও সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সবগুলোই খোলা। তবে কোনো কোনোটিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এখনো কিছুটা কম। কারণ, অনেক অভিভাবক শঙ্কায় সন্তানদের পাঠাচ্ছেন না। অবশ্য এ সংখ্যাও ক্রমে বাড়ছে। তার পরও চলমান হরতাল-অবরোধে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে আছে শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষার্থীরা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধোনির কোনো ‘বুজরুকি’ নেই!
![]() |
| এভাবেই প্রতি ম্যাচে ব্যাট হাতে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ধোনির ভারত। ছবি: রয়টার্স |
রীতিমতো চমকে দিয়েই ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত, অথচ সে বছরই আসল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরে প্রথম পর্বে বিদায় নেওয়ার পর বিরাট ধাক্কা। ওলট-পলট ভারতীয় ক্রিকেটে। সংক্ষিপ্ত সংস্করণে দায়িত্ব পাওয়ার পর ধোনির প্রথম ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ ছিল ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর প্রথম সুযোগেই তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ‘ক্যাপ্টেন কুল’!
এরপর তাঁরই নেতৃত্বে ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপ জয়, ২০১৩ ইংল্যান্ডের প্রতিকূল কন্ডিশনে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়। ধোনিই একমাত্র অধিনায়ক, যার অধীনে দল জিতেছে আইসিসির তিনটি টুর্নামেন্টই। গত বছর ভুলে যাওয়ার মতো নিউজিল্যান্ড সফর ও এশিয়া কাপে বাজে ফর্মের পরও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত উঠেছিল ফাইনালে। এবারও বিশ্বকাপের আগে হাবুডুবু খাচ্ছিল ব্যর্থতার চোরাবালিতে। অথচ সেই ভারত এখন শিরোপা থেকে ‘তিন ম্যাচ’ দূরে! বড় মঞ্চে ভারতকে এমন বদলে দিতে ধোনির ভেতর কাজ করে কী এক ‘জাদুমন্ত্র’!
সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক ও কোচ মুশতাক মোহাম্মদ মনে করেন ‘বুজরুকি’ নয়, ধোনির সাফল্যের রহস্যের পেছনে রয়েছেন কয়েকজন বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান। মুশতাক বললেন, ‘ধোনির অর্জনকে আমি খাটো করে দেখতে চাই না। তাকে ভালোভাবেই মূল্যায়ন করি। মূল কথা হচ্ছে, এখন ধোনির হাতে রয়েছে কিছু সেরা ব্যাটসম্যান, এটাই তার বড় সুবিধা।’
ক্রিকেটে একজন অধিনায়ক তখনই সফল যখন তাঁর দল সাফল্যে পায়। মুশতাক তাই প্রচলিত কথাটিই মনে করিয়ে দিলেন, ‘একটি বিজয়ী দলের অধিনায়কত্ব করা সব সময়ই সহজ কাজ। বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ায় বাজে একটা সিরিজের পরও বিশ্বকাপে এসে দলে যেভাবে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে এনেছে সে কারণে ধোনিকে সাধুবাদ জানতে হবে। শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন-আপের কারণে ফিল্ডিংয়ের সময় ধোনি অনায়সে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারে। সে জানে প্রতিপক্ষ যত রানই করুক তার দল সেটা তাড়া করতে পারবে। তাদের বর্তমান একাদশের বাইরে যেসব ব্যাটসম্যানরা আছে, তারাও তো দুর্দান্ত!’ তথ্যসূত্র: পিটিআই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সালাহ উদ্দিনের অন্তর্ধান- রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপেক্ষায় সালাহউদ্দিন আহমেদের পরিবার by কাজী সুমন
সালাহউদ্দিনকে খোঁজা নিয়ে রুলের শুনানি ৮ই এপ্রিল পর্যন্ত মুলতবি
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদকে খুঁজে বের করা নিয়ে জারি করা রুলের শুনানি আগামী ৮ই এপ্রিল পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেন। আজ থেকে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকবে। গতকাল ছুটির আগে শেষ কার্যদিবসে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও আবেদনের পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ শুনানি করেন। পরে সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করেছে তা মিথ্যা।
এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে সালাহউদ্দিন আহমেদকে উত্তরার একটি বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। ওই বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীও একই তথ্য জানান। সালাহউদ্দিন আহমেদকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাজির করার নির্দেশনা চেয়ে গত বৃহস্পতিবার হাসিনা আহমেদ হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সালাহউদ্দিন আহমেদকে কেন খুঁজে বের করা হবে না এবং কেন হাজির করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রোববার হাইকোর্টে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ, র?্যাব, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও বিশেষ শাখা (এসবি)। পাঁচটি প্রতিবেদনেই বলা হয়, সালাহউদ্দিন আহমেদের খোঁজ জানে না পুলিশ। তারা তাকে গ্রেপ্তার বা আটক করেনি।
সালাহউদ্দিনকে খুঁজে না পাওয়া রাজনীতির অশুভ লক্ষণ: সুরঞ্জিত
এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদকে খুঁজে না পাওয়া রাজনীতির জন্য অশুভ লক্ষণ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি বলেছেন, সবমহলের প্রচেষ্টায় সালাহউদ্দিনকে খুঁজতে হবে। আশা করি সালাহউদ্দিন সম্পর্কে ভাল খবর পাব। গতকাল দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘চলমান রাজনীতি’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী’ নামের একটি সংগঠন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলন করে সহিংসতাকে উসকে দিয়েছেন অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, এতদিন পর খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে আসলেন। মানুষ ভেবেছিল সংবাদ সম্মেলনে চলমান সংঘর্ষ-সংঘাতের রাজনীতি পরিহারের কথা বলবেন তিনি। কিন্তু উনি যেন এই সংঘাতের রাজনীতিকে আরও উসকে দিলেন। সুরঞ্জিত বলেন, খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র নেতারা ছিলেন না। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এত বড় নেতা। উনার পরিচয় লিখতে গেলে এক পাতা শেষ হয়ে যায়। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, যিনি নেত্রী ডাকলেও আছেন, না ডাকলেও আছেন। তিনিও উপস্থিত ছিলেন না। অন্তরালের রাজনীতি অন্তর্ধানে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, রাজনীতি হবে প্রকাশ্যে। জনগণের জন্য জনগণকে নিয়েই হবে রাজনীতি। অন্তরালের রাজনীতি না হওয়াই ভাল।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার অফিস আছে, লোকজন আছে। সেখান থেকে খবর পাঠালে কী হতো? রাজনীতি কোন অজানা পথে যাচ্ছি আমরা জানি না। সুরঞ্জিত বলেন, বাংলাদেশ বাংলাদেশেই থাকবে। বাঙালি বাঙালিই থাকবে। এ দেশকে মধ্যপ্রাচ্য বানানো যাবে না। এ দেশের শ্যামল মানুষকে উগ্র জঙ্গিবাদী বানানো যাবে না। গণতন্ত্রই আমাদের ঐতিহ্য। গণতন্ত্রই আমাদের রাজনীতি। আলোচনা সভায় আয়োজক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিনেও সালাহউদ্দিনকে খুঁজে না পাওয়ায় ড্যাবের উদ্বেগ
দীর্ঘ ৬ দিনেও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদকে খুঁজে না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন ড্যাব-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, সালাহউদ্দিনের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় স্পষ্ট যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে গেছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, থানায় তাদের জিডি পর্যন্ত নেয়া হয়নি। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে শরণাপন্ন হন তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা বেগম। কিন্তু সেখানেও আজ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৫টি সংস্থা আদালতকে জানান- তারা কোন সন্ধান পাননি। এতে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজনরা আতঙ্কিত। তারা আরও বলেন, ছেলে-মেয়েদের কান্নার রোলে ভারি হয়ে উঠেছে বাতাস। দেশের সাধারণ জনগণের মতো ড্যাবও এই নিখোঁজের ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তারা বলেন, সালাউদ্দিন আহমেদের মতো সজ্জন, দেশপ্রেমিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাবেক মন্ত্রী, সাবেক আমলা, আজ ৬ দিন ধরে নিখোঁজের পরও তাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা না নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনভিতপ্রিয় বক্তব্য দেশের সাধারণ মানুষকে ব্যথিত করেছে। আমরা এরূপ বক্তব্যের নিন্দা জানাই। সরকার যেখানে আজ পর্যন্ত বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী, ঢাকার জনপ্রিয় ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলমসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীর সন্ধান দিতে পারেনি। সেই ব্যর্থ সরকারই আজ সালাউদ্দিনকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে। আমরা চিকিৎসক সমাজ সাধারণ জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি এবং সকল নোংরামি বন্ধ করে অনতিবিলম্বে সালাউদ্দিন আহমেদকে অক্ষত অবস্থায় তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার যদি সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে কোনরূপ অপকৌশলের আশ্রয় নেয় তাহলে দেশের জনগণ তাদের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে। বাংলার মাটিতে এসকল দুষ্কৃতকারীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে যাবে ভবিষ্যতে এরূপ ঘটনার পুনরাবৃত্তির সাহস কেউ দেখাতে না পারে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রী পুনঃনির্বাচিত হলে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র থাকবে না: নেতানিয়াহু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দোকান খুলল গুগল
জানা গেছে, লন্ডনের টটেনহ্যাম কোর্ট রোডে অবস্থিত কারিস পিসি ওয়ার্ল্ডকে নিজেদের প্রথম ‘ব্র্যান্ড শপ’-এর স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে গুগল কতৃপক্ষ৷
‘গুগল শপ’ নামের ওই দোকানে অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ট্যাবলেট, ক্রোমবুক ল্যাপটপ আর ক্রোমকাস্ট টিভি সার্ভিস বিক্রি করবে এই ওয়েব জায়েন্ট৷বিভিন্ন পণ্য কেনার পাশাপাশি এই দোকানে পণ্যগুলোর ব্যবহার করার রীতিও দেখে নিতে পারবেন ক্রেতারা৷
গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লন্ডনে খুব তাড়াতাড়ি আরো দুটি দোকান চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে৷ খুব তাড়াতাড়ি তারা এই দুটি শপ চালু করবে৷পাশাপাশি গুগলের পক্ষ থেকে খুব তাড়াতাড়ি ইউরোপের বাইরেও তাদের এই শপ চালু করা হবে৷ তবে কবে নাগাদ চালু করা হবে এ ব্যাপারে গুগল কিছুই জানায়নি৷
সূত্র : ইন্টারনেট
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিটি নির্বাচন হবে, ভোট দিতে পারব তো? by সোহরাব হাসান
তাহলে বিলম্বে হলেও বহুপ্রতীক্ষিত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সত্যিই আলোর মুখ দেখছে? সরকারি দলের নেতাদের হাবভাব দেখে তা-ই মনে হচ্ছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এসএসসি পরীক্ষা এখনো শেষ হয়নি। সামনে এইচএসসি পরীক্ষা। জুনের তৃতীয় সপ্তাহে রোজা শুরু হবে। কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, ‘কোনো সমস্যা নেই। আমরা প্রস্তুত।’ নির্বাচন কমিশন আভাস দিয়েছে যে এইচএসসি পরীক্ষা ও রোজার মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন হতে পারে। সরকার চাইলে তারা রোজার মধ্যেও নির্বাচন করতে পারে।
যে নির্বাচনের জন্য হঠাৎ এত তোড়জোড়, সেই নির্বাচন এত দিন হলো না কেন? কমিশন বলবে, কারণ মামলা। যুক্তি বটে! আইনের প্রতি আস্থাশীল কমিশন আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবে কীভাবে? দ্বিতীয়ত, সীমানাসংক্রান্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের গেজেট নোটিফিকেশন তাদের হাতে আগে পৌঁছেনি। এখন পৌঁছেছে বলেই তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রকৃত কারণ হলো, সরকার চাইছে বলেই নির্বাচন কমিশন নড়েচড়ে বসেছে। আবার সরকার না চাইলে তারা নীরব হয়ে যাবে। এ টি এম শামসুল হুদার কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধিতা সত্ত্বেও উপজেলা নির্বাচন করেছিল। দফায় দফায় বৈঠক করে ‘ক্ষুব্ধ’ বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে পেরেছিল। সে রকম সদিচ্ছা ও সাহস বর্তমান কমিশনের আছে বলে মনে হয় না। তাই তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত বলা যাবে না, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবেই।
ঢাকা সিটি করপোরেশনে সর্বশেষ নির্বাচন হয় ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে। সেই হিসাবে প্রায় সাত বছর সিটির বাসিন্দারা নির্বাচিত প্রতিনিধি থেকে বঞ্চিত। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন কবে হবে, তার চেয়েও জরুরি প্রশ্ন হলো, এত দিন হলো না কেন? তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়ে সে রকম কোনো জটিলতা হয়নি। ১৯৯৪ সালের পর থেকে সেখানে পাঁচ বছর পর পর নির্বাচন হয়ে আসছে। তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। একবার মোহাম্মদ মন্জুর আলম। অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনে দুবার নির্বাচন হয়েছে। প্রথমবার জিতেছেন আওয়ামী লীগের নেতা মোহাম্মদ হানিফ, দ্বিতীয়বার বিএনপির নেতা সাদেক হোসেন খোকা। হানিফ বিপুল ভোটে হারিয়েছিলেন মির্জা আব্বাসকে। আর ২০০২ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতা-ই করেনি। ফলে সাদেক হোসেন ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’ জয়ী হন। এবার কি তার ‘প্রতিদান’ হবে? আওয়ামী লীগের সমর্থক প্রার্থীদ্বয় কি ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’ জিতে যাবেন?
আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রার্থী ঠিক করতে পারলেও চট্টগ্রামের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। সেখানে প্রার্থিতার জন্য তিনজন আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম। স্থানীয় ১৪ দল মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সমর্থন করলেও আওয়ামী লীগের একাংশ ভিন্নমত প্রকাশ করেছে। শেষমেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে চট্টগ্রামে কে প্রার্থী হচ্ছেন। কিছু দিন আগ পর্যন্ত বিএনপির পক্ষে বর্তমান মন্জ্ুর আলম ও নগর সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেনের পক্ষে পোস্টার–ব্যানার টানানো হলেও এখন চুপচাপ। অর্থাৎ তারাও হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
এবারে তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কী হবে? নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু করা যেমন কমিশনের দায়িত্ব, তেমনি অংশগ্রহণমূলকও। নির্বাচন অর্থ বাছাই। সেই বাছাইয়ের কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্যই প্রতিটি গণতান্ত্রিক দেশে একটি নির্বাচন কমিশন থাকে। এটি কোনো সরকারের অধীন প্রতিষ্ঠান নয়। স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এ প্রতিষ্ঠান যাকেই বাধা মনে করবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে, নিয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সেই হিম্মত আছে কি না, সেটি আরও একবার পরীক্ষা হবে। নির্বাচন বা বাছাই-প্রক্রিয়াটিতেই যদি গলদ থাকে, তাহলে গোটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই হয়ে পড়ে অকার্যকর; যার ভুক্তভোগী দেশের ১৬ কোটি মানুষ। বিগত জাতীয় নির্বাচনে জনগণ প্রার্থী বাছাইয়ের সুযোগ পাননি। অনেকে বলবেন, বিরোধী দল আসেনি। বিরোধী দলকে নির্বাচনে আনার জন্য যে আস্থা দরকার, নির্বাচন কমিশন কেন সেটি নিশ্চিত করতে পারল না? এটি যতটা না রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতা, তার চেয়ে বেশি নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতা। সামনের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যদি বিএনপি অংশ নেয়, তাহলে কমিশনের দায়িত্ব হবে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। আর যদি বিএনপি অংশ না নেয়, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি ঘটবে এবং সেটি একতরফা ও একপেশে নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হবে। তখন হয়তো ক্ষমতাসীনেরা বলবেন, ‘চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দুটিই আমরা।’ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারত ও শ্রীলঙ্কার চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ যতটা গৌরবের, নির্বাচনী যুদ্ধে একই দল থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হওয়া ততটাই লজ্জাজনক।
স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর নির্বাচন রাজনৈতিক ব্যানারে না হলেও প্রার্থীরা কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী। তাঁদের পক্ষে প্রচারণায় গোটা দলের নেতৃত্ব নেমে পড়েন। তাই এটিকে অরাজনৈতিক বলারও সুযোগ নেই। কোনো কোনো স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ এর রাজনৈতিক পরিচয়ে আপত্তি তুলেছেন। আবার কেউ বলছেন, এ নির্বাচনও দলীয় পরিচয়ে হওয়া উচিত। নাচতে নেমে ঘোমটা দেওয়া কেন? রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক বিতর্কে না গিয়েও নাগরিকদের একান্ত চাওয়া হলো একটি সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে নগরবাসী যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকে বেছে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া। আর সেটি তখনই সম্ভব যখন সব পক্ষ অংশ নেবে। জাতীয় নির্বাচন বর্জনকারী দলও স্থানীয় পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে স্থানীয় সরকার সংস্থার নির্বাচনে অংশ নিয়ে থাকে। এমনকি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বর্জন করার দুই মাসের মাথায় অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি জোট ভালো ফল করেছিল। নির্বাচনটি একই দিনে হলে বিএনপি হয়তো সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয়ী হতো।
এবারের তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন কেমন হবে? কাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে? ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে ঢাকা উত্তরে ব্যবসায়ী নেতা আনিসুল হক ও দক্ষিণে সাঈদ খোকনের নাম ঘোষণা করেছে। জাতীয় পার্টিও আলাদা প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছে। নাগরিক ঐক্যের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না জেলখানা থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। কয়েকটি বাম দলও তাদের সমর্থক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে দলে দুই ধরনের চিন্তাভাবনা আছে। এক পক্ষ ভাবছে, ক্ষমতাসীনদের ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেওয়া ঠিক হবে না। এ নির্বাচনের মাধ্যমে দল সভা-সমাবেশের সুযোগ পাবে, জনগণের কাছে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। সরকারের জনপ্রিয়তা তলানিতে এসে ঠেকেছে। সে ক্ষেত্রে বিএনপি জোট যাকেই প্রার্থী করুক না কেন, জেতার সম্ভাবনা আছে।
কিন্তু অন্য অংশ দেখছে এটিকে সরকারের ফাঁদ হিসেবে। তারা মনে করছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো নির্বাচনেই বিএনপির যাওয়া ঠিক হবে না। কেননা, ঢাকায় মেয়র পদে তাদের প্রার্থী জিতলেও গাজীপুর, রাজশাহী ও সিলেটের পরিণতি হবে। তা ছাড়া, তারা যখন সর্বাত্মক অবরোধে আছে, তখন কীভাবে নির্বাচন করে? নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অর্থ হবে নিজেদের কর্মসূচিকে নাকচ করে দেওয়া।
সিটি নির্বাচনে সব দল যদি অংশ নেয় তাহলে নির্বাচনটি যেমন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, তেমনি তাদের হালনাগাদ জনপ্রিয়তা যাচাইও হয়ে যাবে। আর বিএনপির মতো একটি বড় দল না এলে সেটি হবে একতরফা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন। এখন নির্বাচন কমিশনকেই ঠিক করতে হবে তারা কী ধরনের নির্বাচন করবে।
ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচন কবে হবে, সেটি এখন বড় প্রশ্ন নয়। বড় প্রশ্ন হলো, সেই নির্বাচনে নগরবাসী ভোট দিতে পারবেন কি না? গত জাতীয় নির্বাচনে ঢাকার বেশির ভাগ ভোটার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি। এবারেও যদি নির্বাচন কমিশন সে ধরনের একটি একতরফা ও ‘বিনা ভোটের’ নির্বাচন আয়োজন করে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দুই সিটি করপোরেশনের ৪৪ লাখ ভোটার। নগরবাসী আরেকটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন চায় না, চায় অবাধ, সুষ্ঠু, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। আশা করি, নির্বাচন কমিশন জনগণের ওপর আরেকটি ভোটারবিহীন নির্বাচন চাপিয়ে দেবে না।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab০3@dhaka.net
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্নীতির বিরুদ্ধে চাই সামাজিক প্রতিরোধ by নুরুল আমিন
আবার অনেককে দেখেছি দুর্নীতিগ্রস্তদের সাথে বন্ধুত্ব ও আত্মীয়তার সম্পর্ক এড়িয়ে চলতে এবং কথায় ও কর্মে তাদের ঘৃণা করতে। এখন সেদিন বিগত হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেমিনার ও স্থানে স্থানে গণজমায়েত করে শিক্ষার্থী ও জনগণকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন করতে হবে। গণিত উৎসব ও বন্ধু সভার মতো দেশের আনাচে-কানাচে দুর্নীতিবিরোধী সভা-সমাবেশের আয়োজন জরুরি। সুশীলসমাজ ও দেশের থিংক ট্যাংক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসতে হবে এবং দুর্নীতি আধিক্য সরকারি অফিসের সামনে দুর্নীতিবিরোধী ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে প্রতিবাদের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে সুজন, বাপা, সিপিডি, মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিরোধে একসাথে কাজ করতে পারে। প্রয়োজনে বিকল্প রাজনৈতিক জোট গঠনে সবাইকে রাস্তায় নামতে হবে। কয়েক দিন আগে নাগরিক ঐক্যের দুর্নীতিবিরোধী একটি সমাবেশে স্বল্প লোকের উপস্থিতি আমাদের কষ্ট দেয়। আয়োজকদের সামনের নেতৃত্বের সারিতে আরো ভারিক্কি নেতানেত্রীর প্রয়োজন। ঐক্যের নেতৃত্বে নিজেদের বড় নেতা মনে করলে এ প্রচেষ্টা ভণ্ডুল হবে। প্রাজ্ঞজনেরা বলেন, দুর্নীতি সব সময় আত্মঘাতী। দেশে দেশে এর অসংখ্য প্রমাণ আমরা পাই। যেমন- ফিলিপাইনে মার্কোস, ইন্দোনেশিয়ায় সুহার্তো, আমাদের এরশাদ সরকারের পতন ও এক-এগারোর ধাক্কা এবং সম্প্রতি ভারতে কংগ্রেসের ভরাডুবি এর ভালো উদাহরণ। তাই সবাইকে বুঝতে ও বুঝাতে হবে দুর্নীতিবাজ দুর্নীতি করে ধনী হলেও সে যেমন দুর্নীতির কুফল থেকে মুক্ত নয়, তেমনি দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার নিজের পতন নিজেই ডেকে আনে।
লেখক : খণ্ডকালীন শিক্ষক, রয়েল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বামীকে বাঁচিয়ে রাখতে সালাহউদ্দিনের স্ত্রীর আকুতি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ দিন পর পুতিনের দেখা
![]() |
| রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন |
![]() |
| কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট আলমাজবেক আতামবায়েভের সঙ্গে বৈঠকে ভ্লাদিমির পুতিন |
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল সোমবার দেখা দিলেন লৌহমানব হিসেবে পরিচিত এ রুশ নেতা। খবর বিবিসি ও এএফপির।
পুতিন গতকাল কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট আলমাজবেক আতামবায়েভের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকে যোগ দেন। ৫ মার্চের পর এই প্রথম খবর ও দর্শন পাওয়া গেল তাঁর।
পরিবেশটা আঁচ করতে পেরে গতকাল আতামবায়েভের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন বলেই বসেন, ‘কোনো গুজব না থাকলে জীবনটাই নিরামিষ হয়ে যায়।’ সেন্ট পিটার্সবার্গের বাইরে কনস্টান্টিনভস প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয় বৈঠকটি।
গতকালের আগে পুতিনকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ৫ মার্চ ইতালির প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজির সঙ্গে সাক্ষাতের সময়। এরপর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে একটি নারী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে ছবি প্রকাশ হয়েছিল। তবে রাশিয়ার গণমাধ্যমের একাংশে বলা হয়, ওই সাক্ষাতের ছবিটি আসলে ৫ মার্চ তোলা।
এমন কথাও রটে যে, পুতিন প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। ক্রেমলিনের দুর্ভেদ্য দেয়ালের অভ্যন্তরে এমন কিছু ঘটেছে, যা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও নিশ্চুপ রয়েছে সবাই। প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পুতিন নিহত হয়েছেন বলেও গুজব ওঠে।
ছবি বিনিময়ের সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পুতিন ঘনিষ্ঠ চেচেন নেতা রামাজান কাদিরভের মন্তব্য রহস্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সেখানে কাদিরভ রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি তাঁর আনুগত্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে লেখেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে তাঁর (পুতিন) আমি একজন ভক্ত। তিনি যে অবস্থানেই থাকুন, সেটি কোনো বিষয় না!’
কাদিরভের মন্তব্যে এই গুজবও পোক্ত হয় যে, পুতিনকে ঘিরে থাকা প্রভাবশালীদের ঐক্যে চিড় ধরেছে এবং তাদের একটি অংশ তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। গত মাসে পুতিনবিরোধী নেতা বরিস নেমেৎসভ আততায়ীর গুলিতে নিহত হওয়ার পর শুরু হয়েছিল এই গুজব। ওই হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া জাউর দাদায়েভ একজন চেচেন। চেচেন নেতা কাদিরভ তাঁকে ‘প্রকৃত যোদ্ধা এবং দেশপ্রেমিক’ বলে আখ্যায়িত করে বসেন।
এর ফলে আরেকটি ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। সেটি হলো, চেচেন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই নেমেৎসভকে হত্যা করা হয়েছে। আর এর ফলে রাশিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা এফএসবি ক্ষুব্ধ হয়। চেচেন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ পুতিনও বেকায়দায় পড়েন।
এর মধ্যে সুইজারল্যান্ডের একটি ট্যাবলয়েড খবর প্রকাশ করে, পুতিন তাঁর গোপন ভালোবাসাবাসির সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ায় তাকে দেখতে সুইজারল্যান্ডে আছেন।
গতকাল কিরগিজ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পুতিনকে একটু ফ্যাকাশে দেখাচ্ছিল। তবে তিনি অতিথি আতামবায়েভকে প্রাসাদের কিছু অংশ ঘুরিয়ে দেখান বলে জানানো হয়েছে। এতে মনে করা হচ্ছে রুশ প্রেসিডেন্টের অসুস্থতা হয়তো তত গুরুতর নয়।
পুতিন হাসিমুখেই টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে বসেন। কিরগিজ প্রেসিডেন্ট আতামায়েভ বলেন, ‘পুতিন একটু আগেই আমাকে পুরো এলাকাটি ঘুরে দেখিয়েছেন। নিজেই গাড়ি চালিয়েছেন তিনি।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপহৃত শিশু হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওলামা লীগ নেতাও, কনস্টেবল বরখাস্ত
এর আগে অপহরণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে গত রোববার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান। দুজনের জবানবন্দির বক্তব্যে মিল রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। জবানবন্দিতে এবাদুর বলেছিলেন, টাকার জন্যই সাঈদকে অপহরণ করা হয়। কিন্তু সাঈদ তাঁকে (এবাদুর) চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওলামা লীগের নেতা রাকীবসহ পাঁচজন জড়িত।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. রহমত উল্লাহ জানান, বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল এবাদুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠা ও পরবর্তী সময়ে মামলা হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া এবাদুরের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘সোর্স’ গেদা মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল সকালে মহানগর হাকিমের আদালতে গেদাকে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) শাহ মো. ফজলে আজিম পাটওয়ারী ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গেদা মিয়াকে গতকালই রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানায়।
সিলেট নগরের রায়নগর এলাকার বাসিন্দা মতিন মিয়ার ছেলে আবু সাঈদকে গত বুধবার অপহরণ করে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুঠোফোনে ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অপহরণকারীদের শনাক্ত করে পুলিশ শনিবার রাতে কনস্টেবল এবাদুরকে আটক করে। পরে তাঁর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ওই রাতে নগরের কুমারপাড়ার ঝেরঝেরিপাড়ায় তাঁর বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় সাঈদের লাশ।
এ ঘটনায় এবাদুরের সহযোগী গেদা মিয়া ও এন ইসলাম তালুকদারকে আটক করা হয়। সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পূর্বপরিচিত ছিলেন এবাদুর। সাঈদ তাঁকে ‘মামা’ সম্বোধন করতেন। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এবাদুর ‘টাকার জন্য’ সাঈদকে অপহরণ করার কথা জানিয়ে ‘চিনে ফেলায় হত্যা করা হয়’ বলে উল্লেখ করেন। অপহরণের ঘটনায় সঙ্গে গেদা ও রাকীব ছাড়া আরও তিনজন ছিলেন বলে জানান এবাদুর।
সাঈদের সহপাঠীদের প্রতিবাদ: নগরের রায়নগর হাজি শাহমীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল আবু সাঈদ। ওই বিদ্যালয়ের সামনে গতকাল বেলা ১১টায় এলাকাবাসী মানববন্ধনের আয়োজন করলে ওই বিদ্যালয় ছাড়াও আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। মানববন্ধনে সাঈদের সহপাঠীরা কালো ব্যাজ পরে নিজ হাতে লেখা প্রতিবাদী নানা ফেস্টুন প্রদর্শন করে। এ সময় তাদের অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। মানববন্ধন থেকে সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল রায়নগর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাবেরী রানী দেবী জানান, ঘটনা জানাজানি হলে শনিবার বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম থাকায় পাঠদান হয়নি। গতকালও এ অবস্থা ছিল।
সংশোধনী: গতকাল প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশে মুক্তিপণের পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অপহরণকারীরা পাঁচ লাখ টাকা দাবি করলেও দুই লাখ টাকা তাদের কাছে দেওয়ার চেষ্টা করছিল সাঈদের পরিবার। বিষয়টি আগেই পুলিশকে জানানোয় এই টাকা অপহরণকারীরা নিতে পারেনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাগাল্যান্ডের ফরিদ খান : টার্গেটকিলিংয়ের নির্মম শিকার by জি. মুনীর
![]() |
| নাগাল্যান্ডে বাংলাভাষী ইস্যুতে গাত্রদাহ |
ভারতের ‘সিভিল লিভার্টিজ মনিটরিং কমিটি’ এই মর্মান্তিক পরিকল্পিত হত্যা ঘটনায় তাদের মর্মাহত হওয়ার কথা প্রকাশ করেছে। তাদের অভিমত, এ ধরনের অমানবিক ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা তাদের নেই। মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণার মাত্রা যে কী মাত্রায় পশুত্বের পর্যায়ে নামাতে পারে, এ ঘটনা এরই এক প্রকৃষ্ট প্রমাণ ও উদাহরণ। হয়তো অনেকেই বলতে পারেন, সমাজে যেভাবে ধর্ষণের ছড়াছড়ি, তাতে করে অভিযুক্ত ফরিদ খান তার উপযুক্ত সাজাই পেয়েছে। প্রতিটি ধর্ষকের বেলায় এমনটিই হওয়া উচিত। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, তা হলে আইন আদালত থাকার দরকারটা কী? এ ছাড়া ফরিদ খানের ঘটনাটি তলিয়ে দেখলে এ ঘটনার এত সহজ সমীকরণ সম্ভব নয়।
সিভিল লিভার্টিজ মনিটরিং কমিটি এ ব্যাপারে স্পষ্টতই বলতে চায়, এটি হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এটি একটি পরিকল্পিত খুন। পরিকল্পিত এক গভীর ষড়যন্ত্রেরই অংশ। আর এর পেছনে রয়েছে একটি মুসলিমবিরোধী প্রাইভেট গ্যাং। একই সাথে এতে সমর্থন রয়েছে রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদেরও। গোটা ঘটনাপর্বটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখলে বহুল আলোচিত-সমালোচিত গুজরাট জেনোসাইডের কথাই মনে করিয়ে দেয়, যেখানে হিন্দুত্ববাদীদের সহজ শিকারের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল গুজরাটের মুসলমানেরা। দেখা যাবে, ডিমাপুরের ঘটনায় জড়িত রয়েছে একই ধরনের মুসলিমবিরোধী শক্তি, আর এতে সমর্থন জুগিয়েছে নাগাল্যান্ড রাজ্য সরকার। তা না হলে কী করে ডিমাপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের মতো একটি সুরক্ষিত কারাগার থেকে বিচারাধীন একজন অভিযুক্তকে একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা বের করে নিয়ে এসে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা নানা নির্যাতনের ঘটনা পরম্পরার মধ্য দিয়ে এভাবে নির্মমভাবে প্রকাশ্য রাজপথে হত্যা করতে পারে? এ ঘটনা প্রমাণ করে ভারতীয় মুসলমানেরা সরকারের হেফাজতে থাকা অবস্থায়ও নিরাপদ নয়।
ভারতসহ বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে ডিমাপুরের এই ঘটনার বিবরণ প্রকাশ হওয়ার পাশাপাশি চলছে এ ঘটনার নানামুখী বিশ্লেষণ। ঘটনার বিবরণে প্রকাশÑ ৩০ বছরের মতো বয়েসী বাংলা ভাষাভাষী সৈয়দ ফরিদ খান ওরফে সৈয়দ শরিফ খান ভারতের আসাম রাজ্যের করিমপুর জেলার মূল অধিবাসী। কিন্তু বর্তমানে তিনি বসবাস করছিলেন নাগাল্যান্ডের ডিমাপুর শহরে। সেখানে তিনি পুরনো ভাঙাগাড়ির ব্যবসায় করতেন। ব্যবসায় ভালোই চলছিল। চার বছর আগে তিনি বিয়ে করেন এক নাগা মহিলাকে। সেখানে এরা সুখেই সংসার করছিলেন। তাদের রয়েছে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান। ফরিদ খানের ছোট ভাই নাসিরুদ্দিন তার সাথেই বসবাস করতেন। বাংলা ভাষাভাষী হওয়ার কারণে ফরিদ খানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশী ইমিগ্র্যান্ট বলে অপপ্রচার চালানো হয়। কিন্তু বাস্তবতা এ দাবির অসারতাই প্রমাণ করে। তার বাবা ভারতীয় বিমানবাহিনীতে চাকরি করেছেন ২০ বছর। তার দুই ভাই এখনো ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরিরত। তার এক ভাই ১৯৯৯ সালে নিহত হন কারগিল যুদ্ধে, ভারতের বাহিনীর হয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময়।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ফরিদ খান তার স্ত্রীর এক জ্ঞাতিবোন ও এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে স্থানীয় একটি হোটেলে যান একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। পরদিন পুলিশ তার বাসায় এসে তাকে ধরে নিয়ে যায়। বলা হয়, তার স্ত্রীর ওই জ্ঞাতিবোন তার বিরুদ্ধে থানায় একটি ধর্ষণ মামলার এফআইআর দাখিল করেছে। জানা গেল, পরদিন এই মহিলা ফরিদ খানের স্ত্রীর কাছে গিয়ে তার কাছে দুই লাখ রুপি দাবি করে। এ পরিমাণ অর্থ তাকে দেয়া হলে তিনি এই ধর্ষণ মামলা তুলে নেবেন বলে জানান। ফরিদ খানের স্ত্রী এ অর্থ তাকে দিতে অস্বীকার করেন। অপর দিকে ফরিদ খানকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর তাকে পাঠানো হয় ডিমাপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি এই কারাগারের হেফাজতেই ছিলেন। তাকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক রাখার খবর স্থানীয় একটি খবরের কাগজের প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হয় ঘটনার এক সপ্তাহ পর। এ ছাড়া এ ব্যাপারে উসকানিমূলক খবর ছড়িয়ে দেয়া হয় ফেসবুকে।
গত ৪ মার্চে নাগাল্যান্ডের একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী জেলাপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে অভিযুক্ত ফরিদ খানকে তাদের হাতে তুলে দেয়ার দাবি জানায়। ৫ জানুয়ারি এক হিসাবে ছয় হাজার থেকে সাত হাজার, অন্য হিসাবে ১০ হাজার উচ্ছৃঙ্খল জনতা বিক্ষোভ মিছিল করে ডিমাপুর কারাগারে যায়। উল্লেখ্য, এদের মধ্যে প্রচুর নারী ও শিশুও ছিল। এরা কড়া নিরাপত্তায় থাকা কারাগারের ফটক ভেঙে ফরিদ খানকে টেনেহিঁচড়ে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসে রাস্তায়। এর পর তার জামা-কাপড় টেনে খুলে উলঙ্গ করে মারধর শুরু করে। এ সময় তার ওপর পাথরও ছোড়া হয়। এরপর তার দেহ নিস্তেজ হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে তাকে দড়ি দিয়ে একটি মোটরসাইকেলের পেছনে বেঁধে ডিমাপুর শহরের কেন্দ্রস্থলের রাস্তায় ছেঁছড়িয়ে মারা হয়। এরও পর তার লাশ প্রদর্শনের জন্য শহরের কেন্দ্রস্থলের একটি কক টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখা হয়। উল্লেখ্য, ডিমাপুর কেন্দ্রীয় কারাগারটি সিআরপিএফ সিকিউরিটির আওতাধীন একটি কারাগার। এ ধরনের নিরাপত্তাধীন কারাগার থেকে একজন বন্দীকে জেল থেকে জনতা বের করে নিয়ে গেল, অথচ কারারক্ষীরা ন্যূনতম ক্ষমতা প্রয়োগ করে তাকে রক্ষার জন্য কোনো পদক্ষেপ নিলো নাÑ বিষয়টি সত্যিই বিস্ময়কর ও রহস্যজনক।
ডিমাপুরের এসপি বলেছেন, ধর্ষণের এ অভিযোগটি ছিল মিথ্যা। আসলে মেয়েটি এর মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করার প্রয়াস চালিয়েছিল। অবশ্য এই এসপিকে পরে বরখাস্ত করা হয়। মেডিক্যাল রিপোর্টেও ধর্ষণের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তা ছাড়া হোটেলের সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা দৃশ্যেও ওই মেয়েটির সাথে ফরিদ খানের কোনো অস্বাভাবিক আচরণের কোনো দৃশ্যও ধরা পড়েনি। সব মিলিয়ে গোটা ধর্ষণের অভিযোগটি যে ছিল সাজানো, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু ফরিদ খানের জীবনে যা ঘটার তা ঘটে গেছে। তার পরিবারের জন্য যে ক্ষতি হওয়ার তা-ও হয়ে গেছে।
উচ্ছৃঙ্খল জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে করতে কারাগারে গেল। সেখানে এরা পূর্বপরিকল্পনামতে শুধু ওই ফরিদ খানকেই টার্গেটে পরিণত করল। এর কারণ দুটো। প্রথম কারণ তিনি ছিলেন মুসলমান। দ্বিতীয়ত তিনি ছিলেন বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান। যার ফলে তাকে বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসী হিসেবে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর সহজ সুযোগ এরা হাতের কাছে পেয়ে যায়। তাই উদ্দেশ্যমূলক তাকে পরিচিত করে তোলা হয় অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসী হিসেবে। বিষয়টি পরিকল্পিত ছিল বলেই এই উচ্ছৃঙ্খল জনতা সেখানে থাকা অন্য এক অভিযুক্ত ধর্ষণকারীকে স্পর্শমাত্র করেনি। কারণ, তিনি মুসলমান কিংবা বাঙালি এর কোনোটিই ছিলেন না। আসলে ওই অভিযুক্ত ধর্ষক ছিলেন একজন নাগা। এ ঘটনা প্রমাণ করে, ফরিদ খানের এই অমানবিক নির্যাতন মৃত্যুর পেছনে শুধু ওই মহিলারই হাত ছিল না, বরং এটি ছিল একজন মুসলিম যুবকের জীবনে নেমে আসা সঙ্কীর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যতাড়িত পূর্বপরিকল্পিত এক টার্গেটকিলিং।
উল্লেখ্য, উত্তর-পূর্ব ভারতের এই নাগাল্যান্ড রাজ্যটি প্রধানত খ্রিষ্টান অধ্যুষিত এলাকা হলেও ভারতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে সেখানে দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু জনগোষ্ঠীর মাঝে মুসলমানবিরোধী একটি সাম্প্রদায়িক মনোভাব ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আগে যেখানে আসামে মুসলমানদের ওপর মাঝে মাঝে নানা অজুহাতে হামলা চালিয়ে নির্বিচারে মুসলমানদের হত্যা করা হতো, এখন সেই একই কাজটি নাগারাও শুরু করেছে নাগাল্যান্ডে। ফরিদ খানের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় : প্রথমত সেখানকার মুসলমানেরা এখন সরকার ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সহজ টার্গেট; এমনকি সেখানকার মুসলমানেরা জুডিশিয়াল কাস্টোডিতেও নিরাপদ নয়; জুডিশিয়ারি, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার এ হত্যাকাণ্ডের জন্য পুরোপুরি দায়ী। উল্লিখিত ‘সিভিল লিভার্টিজ মনিটরিং কমিটি’ও মনে করে, এর জন্য দায়ী জুডিশিয়ারি। কারণ, ফরিদ খান সরকারের কারাগারের হেফাজতে ছিল। আর প্রশাসনিকভাবে নাগাল্যান্ড সরকার ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এ ক্ষেত্রে দণ্ডণীয় অপরাধে অপরাধী। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যতাড়িত মানবতাবিরোধী এক ঘৃণ্য অপরাধ। এ জন্য এই কমিটি এ ব্যাপারে ভারতের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা করে এ ঘটনার বিচার দাবি করেছে। তাদের প্রশ্ন, কেন জুডিশিয়ারি কাস্টোডিতে থাকা অবস্থায় একজন নাগরিককে এ ধরনের নির্মমতার শিকার হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে? এখানে সরকারের দায় কোথায়? এ কমিটি মনে করে প্রধান বিচারপতির উচিত এ ব্যাপারে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমটো অ্যাকশন) কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এসব প্রশ্নের জবাব সে দেশের মানুষকে জানানো এবং দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা। একই সাথে এই কমিটি নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করে। কারণ এরা উভয়ই নাগাল্যান্ডের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত। এই কমিটি অবশ্য এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে নাগা স্টুডেন্ট ফেডারেশনের ব্যাপারে কিছু উল্লেখ করেনি। কিন্তু যেহেতু কারাগারে নিয়ে যাওয়া উচ্ছৃঙ্খল জনতার বিক্ষোভ মিছিলটির নেতৃত্বে ছিল এই স্টুডেন্ট ফেডারেশন, অতএব এই ফেডারেশন এ ঘটনার দায় কিছুতেই এড়াতে পারে না। এ ফেডারেশনের নেতাদের নেতৃত্বেই জনতা জোর করে কারাগারে ঢুকে ফরিদ খানকে বের করে নিয়ে এসে এ ঘটনা ঘটায়।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, যখন এমন খবর ছড়িয়ে দেয়া হয় যে অভিযুক্ত ব্যক্তি নাগাল্যান্ডের লোক নন, তিনি করিমগঞ্জের লোক। তখন স্থানীয় জনতা আরো বেশি বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। কারণ এরা ভাবে বাইরে থেকে একজন লোক এসে নাগাল্যান্ডের লোকের বিরুদ্ধে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে যাবে, তা হতে দেয়া যায় না। এর ফলে আসাম থেকে নাগাল্যান্ডে এসে যারা ব্যবসায় বাণিজ্য করছেন কিংবা অন্যান্য ধরনের রোজিরোজগারে নিয়োজিত, তারাও আজ হুমকির মুখে। ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে প্রচুর লোক নাগাল্যান্ডে এসে ব্যবসায় বাণিজ্য ও নানা ধরনের কাজকর্ম করে জীবন নির্বাহ করছে। সে জন্য স্থানীয় লোকদের ব্যবসায় বাণিজ্য ও কাজকর্মের সুযোগ ক্রমেই সঙ্কোচিত হয়ে পড়ছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে এক ধরনের অসন্তুষ্টিও কাজ করছে। তবে সেখানে এমন একটি ধারণাও কাজ করছে, বাইরে থেকে নাগাল্যান্ডে আসা এসব লোক প্রধানত বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসী। এসব কারণে, নাগাল্যান্ডে তথাকথিত ‘বহিরাগতদের’ ব্যাপারে এক ধরনের বিদ্বেষ নাগাদের মধ্যে কাজ করে। এই বিদ্বেষ ফরিদ খানের ঘটনার ক্ষেত্রে অংশত কাজ করেছে। একজন ধর্ষণকারী হিসেবে ফরিদ খানের ওপর এদের যতটা না ক্ষোভ ছিল, তার চেয়ে বেশি ক্ষোভ ছিল একজন ‘বহিরাগত’ হিসেবে। নাগাল্যান্ডে ‘ইনসাইডার-আউটসাইডার’ নামে একটি পলিটিক্যাল ডিকোটমি তথা রাজনৈতিক দ্বিবিভাজন কাজ করে। ফরিদ খান সেই পলিটিক্যাল ডিকোটমিরই শিকার। ফরিদ খানের ভাই দাবি করেছেন, তার ভাইকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখা উচিত। নাগাল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের ক্ষেত্রে এরা এক ধরনের জেনোফোবিয়া তথা বহিরাগতভীতিতে ভোগে। এরা মনে করে, বহিরাগতরা নাগাদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের পথে বাধা হিসেবে কাজ করে বা করবে। সে উপলব্ধি থেকে এদের মধ্যে এক ধরনের বহিরাগতবিদ্বেষ সব সময় কাজ করে। ফরিদ খানের বেলায়ও হয়তো সে বিদ্বেষও কাজ করেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীন অস্ত্র বিক্রিতেও বিশ্বে তৃতীয়
![]() |
| ইরাকের রাজধানী বাগদাদে নিরাপত্তা এবং অভিয়েশন মেলায় চীনের তৈরি অস্ত্রের প্রদর্শনী। ছবিটি ৭ মার্চ তোলা। ছবি: রয়টার্স। |
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ত্র বিক্রিতে চীনের সামনে আছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। চীনের পরে জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। চীন বিশ্বের অস্ত্র বাজারে ৫ শতাংশ অস্ত্র রপ্তানি করে। ওই ৫ শতাংশ অস্ত্রের দুই-তৃতীয়াংশ কেনে এশিয়ার তিনটি দেশ পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।
এই পাঁচ বছরের মধ্যে এশিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে আফ্রিকার ১৮টি দেশে চীনের অস্ত্র রপ্তানি হচ্ছে। তবে ওই প্রতিবেদনে অস্ত্র রপ্তানির কথা বলা হলেও অর্থের হিসাবের ব্যাপারটি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩১ ও রাশিয়া ২৭ শতাংশ অস্ত্র বিক্রি করে থাকে। চীন, জার্মানি, ফ্রান্স বিক্রি করে শতকরা ৫ শতাংশ। যুক্তরাজ্য ৪ শতাংশ, স্পেন, ইতালি, ইউক্রেন ৩ শতাংশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত ইসরায়েল ২ শতাংশ অস্ত্র বিশ্ববাজারে বিক্রি করে।
চীনের রপ্তানি ৫ বছরে (২০১০-২০১৪ সাল) বেড়েছে ১৪৩ শতাংশ। অথচ এই সময়ে জার্মানির ৪৩ এবং ফ্রান্সের ২৭ শতাংশ অস্ত্র রপ্তানি কমেছে। অস্ত্র বিক্রি কমার কারণে হার একই (৫ শতাংশ) থাকা সত্ত্বেও জার্মানি ও ফ্রান্সকে পেছনে ফেলেছে চীন।
এই প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ওই পাঁচ বছরে সারা বিশ্বে ১৬ শতাংশ অস্ত্রের বিক্রি বেড়েছে। বিশ্ববাজারে চীনের অস্ত্র রপ্তানি হয়তো অনেক বেড়েছে কিন্তু অস্ত্র রপ্তানির বড় দুই মোড়ল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির ব্যবধান এখনো অনেক। এই ৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৩ ও রাশিয়ার অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে ৩৭ শতাংশ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেহমানদের সঙ্গে নিরুদ্দেশ সালাহ উদ্দিন! by কবির হোসেন
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ দাবি করে আসছেন, ‘১০ মার্চ রাত ১০টার দিকে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ১৩-বি রোডের ৪৯/বি নম্বর ভবনের দোতলা বাসা থেকে তার স্বামীকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।’
তবে ওসি রফিকুল ইসলামের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জিজ্ঞাসাবাদে বাড়িটির দারোয়ান আক্তার জানায়, ওই ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ডিএমডি হাবিব হাসনাত চারদিন আগে সস্ত্রীক বাসা ছেড়ে চলে যান। যাওয়ার সময় রায়হান নামের একজন পুরুষ মেহমান রেখে যান। হাসনাত সাহেব যাওয়ার সময় বলে যান তাদের অনুপস্থিতিতে মেহমান বাসায় থাকবেন।
দারোয়ান আক্তার আরও জানায়, রাত ১১টা পর্যন্ত ভাড়াটিয়ারা বাসায় যাওয়া-আসা করেন। ১০ মার্চ আনুমানিক রাত ৯টার দিকে গাড়ি নিয়ে চার/পাঁচজন মেহমান দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পাশের হাসনাত সাহেবের বাসায় আসেন। আনুমানিক আধাঘণ্টা পর ওই মেহমানদের সঙ্গে আগের পুরুষ লোকটি নিচে নেমে গাড়িযোগে চলে যান। তবে ওই লোকটি সালাহ উদ্দিন আহমেদ কিনা তা তারা জানেন না।’ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘বাসার আসা- যাওয়ার লোকগুলোর গায়ে কোনো আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পোশাক ছিল না। তাদের সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিল না। বাইরে রাখা গাড়ি আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ির মতো মনে হয়নি। হাতকড়া ছিল না। মেহমানকে জোর করে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়নি। অন্যান্য ভাড়াটিয়াদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, এখান থেকে আইনশৃংখলা বাহিনীর কেউ কাউকে ধরে নিয়ে গেছে এমন তথ্য জানা নেই। এমনকি হাবিব হাসনাত সাহেব মেহমান রেখে অন্যত্র কোথায় গেছে তাও তারা জানেন না। তবে তাদের ব্যবহৃত গাড়িটি দু-তিনদিন ধরে গ্যারেজে নেই।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ঘটনার সত্যতা নিরূপণের জন্য হাবিব হাসনাত ও তার স্ত্রী সুমনার সন্ধান করে জানতে পারি যে, হাবিব হাসনাত তার ব্যাংক থেকে ছুটি নিয়েছেন। সুমনা তার বাবার বাড়িতেও নেই। উল্লেখ্য, এই দম্পতির উভয়েরই দ্বিতীয় বিবাহ। উভয়ের প্রথমপক্ষের সন্তান থাকলেও তারা তাদের সঙ্গে থাকেন না। তাদের মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া যায়। এমতাবস্থায় কোনোভাবেই নিশ্চিত হওয়া যায় না যে, সালাহ উদ্দিন আহমেদ আলোচ্য বাসায় ছিল বা তাকে গ্রেফতার বা অপহরণ করেছে।’
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে ওসি রফিকুল ইসলামের এ তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়াও সালাহ উদ্দিনের ব্যাপারে একটি জিডি (সাধারণ ডায়েরি) নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম নিজে ১১ মার্চ তারিখে ওই জিডি করেন। জিডিতে বলা হয়, সালাহ উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ২০-২৫ জন সাংবাদিকসহ থানায় হাজির হয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন যে ১০ মার্চ তারিখে রাত আনুমানিক ৯ থেকে ১০ টার মধ্যে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ১৩-বি রোডের, ৪৯বি বাড়ির তৃতীয় তলা থেকে আইনশৃংখলা বাহিনী পরিচয়ে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর মোবাইল ফোনে অজ্ঞাতনামা কারও সঙ্গে আলাপ করে জানায়, তৃতীয় নয় দ্বিতীয় তলা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জিডি করার জন্য লিখিত কোনো আবেদন বা অভিযোগ নিয়ে আসেনি। বা তার স্বামীকে ধরে নিয়ে যেতে দেখেছে বা তিনি নিজে উল্লেখিত বাসায় ছিলেন কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি (হাসিনা আহমেদ) জানান, তিনি নিজে ওই বাসায় বসবাস করেন না এবং তিনি নিজে ওই বাসায় উপস্থিত ছিলেন না। একপর্যায়ে তিনি জানান, ‘দুবাই থেকে ফোন করে তাকে জানানো হয়েছে, আইনশৃংখলা বাহিনীর পরিচয়ে তার স্বামীকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকা সত্ত্বেও তারা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কেন জানাননি-এমন প্রশ্নেরও তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যক্ষ সাক্ষী না থাকায় সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য সালাহ উদ্দিন সাহেবের স্ত্রীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তাব দিলে তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ ছাড়াই থানা এলাকা ত্যাগ করেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ডায়েরি নথিভুক্ত করেন ওসি রফিকুল ইসলাম। পরে ওসি নিজেই এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তদন্ত করেন।
সালাহ উদ্দিন আহমেদকে খুঁজে বের করতে ও আদালতে হাজির করার প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানিকালে রোববার সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জিডি ও তদন্ত প্রতিবেদনটি আদালতে তুলে ধরেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ছাড়াও র্যাব, সিআইডি, এসবি ও ডিএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে পাঠানো পৃথক পৃথক প্রতিবেদন আদালতে তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
এসব প্রতিবেদনে সালাহ উদ্দিন আহমেদ তাদের হেফাজতে নেই বা তার সম্পর্কে অবহিত নয় বলে জানানো হয়। তবে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়। র্যাবের প্রতিবেদনে শুধু এক লাইনে বলা হয়, ‘সালাহ উদ্দিন আহমেদকে পুলিশ হেফাজতে গ্রহণ করা হয়নি’। এছাড়া ডিবির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। কোনো এফিডেভিট ছাড়াই প্রতিবেদনগুলো আদালতে জমা দেয়া হয়। এর তীব্র বিরোধিতা করেন সালাহ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রীর আইনজীবীরা।
১১০১ চিকিৎসকরে উদ্বেগ! : সালাহ উদ্দিন আহমেদ নিখোঁজের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। রোববার বিএমএ’র সাবেক কার্যকরী সদস্য ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে ১১০১ চিকিৎসক বলেন, দেশের একজন সুনামধন্য নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক আমলা যদি ৪ দিন ধরে নিখোঁজ থাকেন এবং তা যদি আবার আইনশৃংখলা বাহিনী কর্তৃক উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে তা হলে দেশের সাধারণ মানুষ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। অনতিবিলম্বে সালাহ উদ্দিনকে আইনের কাছে সোপর্দ করার দাবি জানানোর পাশাপাশি এর ব্যত্যয় হলে তার দায়দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে বলেও হুশিয়ারি দেন তারা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 17
(46)
- পাঁচ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে মুক্ত হলো নিউ ইয়র্ক...
- খালেদার সাথে স্ত্রীর সাক্ষাত, সালাহউদ্দিনকে অক্ষত ...
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই রায় : ব্যারিস্টার খোকন
- ‘ইন্ডিয়ারে হারাই দিমু!’ by মোছাব্বের হোসেন
- ‘পরমাণু ক্ষেত্রে ভারতকে প্রতিহত করতে চায় পাকিস্তান’
- উত্তরার সেই বাড়ির লোকজনের মুখে কুলুপ
- সুপ্রিম কোর্টে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্যানেলের বি...
- ‘ভয়–ডরহীন’ বাংলাদেশ
- হরতাল নেই, আছে অস্বস্তি
- ধোনির কোনো ‘বুজরুকি’ নেই!
- সালাহ উদ্দিনের অন্তর্ধান- রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত
- অপেক্ষায় সালাহউদ্দিন আহমেদের পরিবার by কাজী সুমন
- প্রধানমন্ত্রী পুনঃনির্বাচিত হলে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র...
- দোকান খুলল গুগল
- সিটি নির্বাচন হবে, ভোট দিতে পারব তো? by সোহরাব ...
- দুর্নীতির বিরুদ্ধে চাই সামাজিক প্রতিরোধ by নুরুল আমিন
- স্বামীকে বাঁচিয়ে রাখতে সালাহউদ্দিনের স্ত্রীর আকুতি
- ১০ দিন পর পুতিনের দেখা
- অপহৃত শিশু হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওলামা লীগ ...
- নাগাল্যান্ডের ফরিদ খান : টার্গেটকিলিংয়ের নির্মম শি...
- চীন অস্ত্র বিক্রিতেও বিশ্বে তৃতীয়
- মেহমানদের সঙ্গে নিরুদ্দেশ সালাহ উদ্দিন! by কবির হোসেন
- আইনজীবী সোহেল রানা ৩৬ দিন ধরে নিখোঁজ
- মহাত্মা লোকমান এবং তার হিকমত by কাজী সাঈদ
- ধর্ষণের ঘটনায় মোদির উদ্বেগ
- চার হাজার কোটি টাকার ঋণ আদায় অনিশ্চিত by মিজান চৌধুরী
- খালেদা জিয়ার বক্তব্যে নমনীয়তার ইঙ্গিত? by মিজানু...
- শাবিতে পুলিশ পাহারায় হলে ফিরলো ছাত্রলীগ
- আমরা আর তুচ্ছ হতে রাজি না by ফারুক ওয়াসিফ
- অনিয়ম দুর্নীতিতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত by নাজমুল আকন্দ
- সুযোগ কাজে লাগাতে উগ্রপন্থীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে -স...
- শ্রমিকদের সদাচার, শিষ্টাচার by মোহাম্মাদ মুনীর চে...
- চলমান সঙ্কট রাজনৈতিক নয় আইনশৃঙ্খলাজনিত -নয়া দিগন্ত...
- ইরান ও ৬ জাতির আলোচনার ভবিষ্যৎ by মহীউদ্দীন আহমদ
- আরেক আগুনবোমার কথা by মনজুরুল হক
- ভারতের বিরুদ্ধে কি করতে হবে জানা আছে
- নিষ্ঠুরতা- ‘তিন মামা’কে চেনা-ই কাল হলো সাঈদের by ও...
- মিসরে নতুন রাজধানীর পরিকল্পনা
- সিরিঞ্জ কুড়ানোই পেশা by শিপন হাবীব
- ধুঁকছে পরিবহন খাত
- নাগাল্যান্ডে বাংলাভাষী ইস্যুতে গাত্রদাহ -ইন্ডিয়ান ...
- হাসিনার দিন শুরু হয় যেভাবে by লুৎফর রহমান
- স্মরণ : স্মৃতির পাতায় খোন্দকার দেলোয়ার
- নিখোঁজ সালাহউদ্দিনের ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ, পরিবারের ...
- ‘পুলিশ প্রধানের পদত্যাগ করা উচিত ছিল’
- সুশাসন ও শুদ্ধাচার কেন জরুরি? by মো: মতিউর রহমান
-
▼
Mar 17
(46)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...























