Tuesday, October 31, 2017
২ বালিকাকে দেহব্যবসায় নামিয়েছেন এক মা, খদ্দের ৩ বাংলাদেশী

বলা হচ্ছে, বাংলাদেশী ওই পুরুষদের মনোরঞ্জনে বাধ্য করা হয় তাদেরকে। ৩৯ বছর বয়সী ওই মা একজন বেকার। তার চতুর্থ ও পঞ্চম বিয়ের সূত্রে জন্ম হয় ওই দুই কন্যার। তাদেরকে নিয়ে তিনি মালয়েশিয়ার সিনাইয়ের তামান বিনটাংয়ে দ্বি-তল একটি বালিজ্যিক ভবনের ছয়টি রুমের একটিতে বসবাস করেন। তবে মেয়েদের যৌনব্যবসায় বাধ্য করতে তিনি বেছে নেন লারকিন পারদানায় একটি হোটেল। তার অবস্থান থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। সেখানে কয়েক বছর ধরে বসবাস করছেন মালার নামে একজন। তিনি বলেছেন, এই পেশায় নামানো মেয়ে দুটির পড়াশোনা চলছিল ধূর গতিতে। তারা খুব কম কথা বলতো। ঠিক মতো স্কুলে যেতো না। তবে তাদেরকে এমন পেশায় নামানো হয়েছে এ বিষয়ে তার কোনো ধারণা ছিল না। নিয়মিত তার বাসায় আসা-যাওয়া করতেন বাংলাদেশী এক পুরুষ। মালার বলেছেন, আমাদের ধারণা ছিল ওই বাংলাদেশী হয়তো তার স্বামী। তারা একসঙ্গে থাকতেন মাঝে মাঝেই। অভিযুক্ত মা একটি কারখানায় কাজ করতেন। কিন্তু কয়েক মাস আগে তার চাকরি চলে যায়। স্থানীয় পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ খলিল কাদের এ অভিযোগ তদন্ত করছেন। তিনি বলেছেন, গত কয়েক মাস ধরে প্রতি শ্রকিবার মেয়েদেরকে ওই হোটেলে নিয়ে যেতেন ওই মা। তাদেরকে দিয়ে অর্থের বিনিময়ে দেহ ব্যবসা করাতেন। ২৫ শে অক্টোবর তামান বিনতাং এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন মামলাটি তদন্তাধীন। শেষ হতে সময় লাগবে এক মাসের মতো। তবে যে বাংলাদেশীদের কাছে ওই দুই মেয়েকে তুলে দেয়া হয়েছে তাদের নাম জানা যায় নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পালিয়ে বেলজিয়ামে কাতালান নেতা পুইগডেমন্ট by নাজমুস সাদাত পারভেজ

পুইগডেমন্ট বেলজিয়ামে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করবেন বলে জানানো হয়েছে। সোমবার কাতালোনিয়া ত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত- কি করবেন পুইগডেমন্ট তা নিয়ে একটি ঘোর অনিশ্চয়তার মাঝে ছিলো স্পেনের মানুষ। আত্মগোপনের একটি রক্ষণাত্মক পদক্ষেপ নিয়ে সকল জল্পনার অবসান ঘটালেন তিনি। বেলজিয়াম প্রথমদিকে পুইগডেমন্টের উপস্থিতির কথা জানে না- বলে বিবৃতি দিলেও পরে বেলজিয়ামের একজন আইনজ্ঞ জানান, পুইগডেমন্ট বেলজিয়ামেই আশ্রয় নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুইগডেমন্ট আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তিনি অনুরোধ করেছেন, তার বেলজিয়ামে অবস্থানকালে যাতে আমি তার আইনগত ব্যাপার দেখাশুনা করি। পল বেকার্ট নামের ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ওই আইনজীবী আরো বলেন, রাজনৈতিক আশ্রয়ের মামলা মোকাদ্দমা নিয়ে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা। তিনি ও পুইগডেমন্ট ভবিষ্যতের করণীয় আলোচনা করছেন। একমাত্র বেলজিয়ামের সরকারই কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার সময় দেশটিকে সমর্থন করেছিলো। স্পেন-কাতালান সংঘাতের সময় দেশটি ইঙ্গিতও দিয়েছিলো যে, প্রয়োজনে তারা পুইগডেমন্টকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে পারে। তবে পদচ্যুত এই নেতাকে আশ্রয় দেয়ার ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ফাটলের আশঙ্কা রয়েছে। বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী চার্লস মাইকেল অবশ্য পুইগডেমন্টকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। কিন্তু দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী থিও ফ্রাঙ্কেন ভিটিএম নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করলে এটা স্পষ্ট বুঝা যায় যে, কাতালানের সঙ্গে অবিচার করা হচ্ছে। সেখানকার পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুইগডেমন্ট ও অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক মামলা দেয়া হয়েছে। সেখানে তাদের ন্যায়বিচার পাবার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। এই অবস্থায় মানবিকতার সঙ্গে আমাদের উচিত পরিস্থিতি বিবেচনা করা। যদিও এমনটি করতে গেলে স্পেনের সঙ্গে আমাদের সস্পর্কের অবনতি হবার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয়ের কনজারভেটিভ পপুলার পার্টি বলেছে, পুইগডেমন্টকে গ্রেপ্তার করা তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিলো না। তারা শুধু নিশ্চিত করতে চেয়েছে, পদচ্যুত নেতারা যাতে সরকারি কাজকর্মে অংশ না নিতে পারেন। পুইগডেমন্টের পালিয়ে যাওয়াকে ন্যাক্কারজনক বলে উল্লেখ করেছেন কাতালানের স্বাধীনতা বিরোধীরা। এই অবস্থায় কাতালানের স্বাধীনতাকামীরা একটি হতাশাজনক অবস্থায় পতিত হলেন। তারা কি এখন রণে ভঙ্গ দেবেন নাকি আইনি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে লড়ে যাবেন- এ কঠিন সিদ্ধান্তটা তাদেরকেই নিতে হবে। তবে, পুইগডেমন্ট বেলজিয়ামে বসে অভিবাসী সরকার পরিচালনা করার কথা ভাবছেন- এমন একটি সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। বাস্তবে এ ধরনের কোন নজির না থাকায় এ সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসিডদগ্ধ মুসলিম মডেল রেশমের সাহসিকতা

কি কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে তা স্পষ্ট না হলেও, ধরে নেয়া হয় জাতিবিদ্বেষ, ধর্মবিদ্বেষ থেকে এটা করা হয়েছে। সাধারণত মুখমণ্ডলে অ্যাসিড হামলার মতো ভয়াবহতার শিকার নারীরা নিজেদের গুটিয়ে নেন। তারা নিজেদের পুড়ে যাওয়া মুখ নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগেন। লোকসম্মুখে আসতে চান না। এখানেই ব্যতিক্রম ম্যানচেস্টারের ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার ছাত্রী রেশম। অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া রেশম খান আর দশজন অ্যাসিডদগ্ধ নারীর মতো নিজেকে গুটিয়ে নেন নি। তিনি সাহসিকতার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয়। মানুষকে তার চিকিৎসা এবং সেরে ওঠার অগ্রগতি সমপর্কে জানাতে থাকেন। সমপ্রতি নিজের জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি সেলফি দেন তিনি। এতে তিনি লেখেন, নিজেকে লুকিয়ে রাখার দিন শেষ। অ্যাসিডে পুড়ে যাওয়ার ভয়াবহতার তোয়াক্কা না করে সাহসিকতার সঙ্গে গণমাধ্যমে নিজের ছবি দেবার ফলে প্রশংসায় ভাসছেন রেশম। তার সাহসিকতার প্রশংসায় গণমাধ্যম এখন পঞ্চমুখ। টুইটারে দেয়া তার এক ছবির নিচে একজন লিখেছেন, তুমি কতটা আকর্ষণীয় এবং সাহসী! তোমার ওপর ভয়াবহ হামলার পরেও যে সাহস তুমি দেখিয়েছো, তা বিরল। আরেকজন লিখেছেন, এভাবেই সব বাধা ভেঙ্গেচুরে এগিয়ে যাও। তুমি অসাধারণ! আমরা তোমাকে নিয়ে গর্বিত। অ্যাসিড আক্রমণের ভয়াবহতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নিজের ব্লগে রেশম লেখেন, এই ঘটনার পর আমি আতঙ্কে মুষড়ে পড়ি। তবে আমি ভাগ্যবান বোধ করি যে, এতে আমার মুখাবয়বের কোনো বিকৃতি ঘটেনি। তিনি আরও লিখেছেন, এসিড হামলার শিকার নারীদের মধ্যে আমিই সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান। কারণ, পরিবার পরিজন ছাড়াও- জনসাধারণ এবং গণমাধ্যমের যে অকাতর ভালোবাসা আমি পেয়েছি, তাতে আমি অভিভূত। হীনম্মন্যতার অন্ধকার চাদর ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা রেশমদের কল্যাণেই বদলে যাচ্ছে সময় এবং দিন দিন আরও আত্মবিশ্বাসী হতে শিখছেন নারীরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটে ঝুঁকছে যুবকরা by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

এসব ওষুধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিছু অভিযান চালালেও মূল হোতারা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ‘যৌন উত্তেজক’ বলে প্রচার করা অনুমোদনহীন দেশীয় ওষুধের বাজারও বাড়ছে। তবে স্বাস্থ্য ও মাদকবিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ওষুধ এক ধরনের মাদক। আসক্তি বাড়ানো ওষুধগুলো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিভিন্ন ফার্মেসির বিক্রেতারা জানান, বাজারে ভারতের ইন্টাগ্রা’ ৫০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আমেরিকার ভায়াগ্রার প্রতি ট্যাবলেটের মূল্য ৭৫০ টাকা। ভারতের সেনেগ্রা ও কামাগ্রা প্রতি ট্যাবলেট ৫০ থেকে ৭০ টাকা। সেনেগ্রা, টেনেগ্রা, ফরজেস্ট, ক্যাবেটরা, টার্গেট ও ইডেগ্রা বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা। অধিকাংশ ওষুধের গায়ে মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ লেখা থাকে না। আমেরিকার টাইটানিক এক বোতলের দাম চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। খুচরা ট্যাবলেট ৪০০ টাকা। টাইটানিকে ইয়াবার মতো উত্তেজনার পাশাপাশি নেশা হয়। তাই ইয়াবার ক্রেতারা কেউ কেউ টাইটানিক সেবন করছেন। কম দামে পাওয়া যাচ্ছে চীনের জিয়ংবার। একটি ট্যাবলেটের দাম ৭০ টাকা। জিনসিন পাস ৯০০ টাকার দরে বিক্রি হয়। পাওয়া যাচ্ছে দেশে তৈরি উত্তেজক ওষুধও। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঢাকা ও সারা দেশের খুচরা ওষুধ বিক্রেতারা রাজধানীর মিটফোর্ড ও চানখাঁরপুল থেকে দেশি-বিদেশি উত্তেজক ওষুধ কিনে এলাকায় চড়া দামে বিক্রি করছেন। খুচরা বিক্রেতারা এসব ওষুধকে পাওয়ার বলে ডাকেন। অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে তারা পাওয়ারও নিয়ে নেন প্রয়োজনমতো। শাহবাগ, ধানমন্ডি, শেরে বাংলানগরসহ সবখানেই পাওয়ার খুচরা বিক্রি হচ্ছে। মিটফোর্ডের কয়েকজন ওষুধ বিক্রেতা জানান, সরদার মার্কেটকে বলা হয় ইন্ডিয়ান মার্কেট। এ মার্কেটের নিচতলার দোকানগুলোতেই পাওয়ার ওষুধ বেশি বিকিকিনি হয়। এ ছাড়া হাবিব মার্কেটসহ সব মার্কেটে এখন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি হয়। রাজধানীর অভিজাত এলাকার ওষুধের দোকানেই বিক্রি বেশি। উচ্চবিত্ত শ্রেণির যুবক-যুবতীরা এসব ওষুধ খাচ্ছে। কিছু উত্তেজক ওষুধ খেলে চেহারার লাবণ্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এ কারণে শখ করে খায় অনেকে। উত্তেজনার পাশাপাশি নেশার কারণে ইয়াবা বেশি প্রচলিত হয়ে ওঠে। এ ছাড়া আইসপিল, ভায়াগ্রা, সানাগ্রা, ইন্টাগ্রাসহ বিভিন্ন ওষুধে আসক্ত হয়ে পড়েছে যুবসমাজ। এক শ্রেণির অপচিকৎসায় এ ধরনের ওষুধের মাধ্যমে যৌন দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা চালানো হয়। ওই সব কথিত চিকিৎসক এ ধরনের ওষুধ-বাণিজ্যের সিন্ডিকেটেও জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত দু’বছর আগে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন লাগেজ আমদানি-নিষিদ্ধ ওষুধ আটক করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। তবে লাগেজ বহনকারী সন্দেহভাজন পাকিস্তানি নাগরিক পালিয়ে যায়। ২০০৮ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর সকালে কার্গো ভিলেজে পড়ে থাকা পাঁচটি বড় কার্টন কাস্টমস কর্মকর্তারা গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে খুলে দেখেন কয়েক হাজার পিস উত্তেজক ওষুধ। জানা গেছে, কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফ এবং উত্তরাঞ্চলের ভারতের সীমান্ত হয়ে ইয়াবার সঙ্গে উত্তেজক ওষুধের চালান আসে দেশে।
উত্তেজক ওষুধে আসক্ত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে কৌতূহলেই খাওয়া শুরু করেন তারা। ভালো লাগা থেকে এখন আসক্তি ও নেশা। কেউ কেউ বিশেষ শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করেন। পরে ওষুধ না খেলে তারা স্বস্তি পান না। তবে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলেন, উপযুক্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো ধরনের উত্তেজক ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। এতে শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ জানান, পুরুষ-মহিলাদের মধ্যে ২ থেকে ৫ শতাংশের দুর্বলতা থাকতে পারে। ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মানসিক সমস্যা। সে জন্য বিভ্রান্ত হয়ে উত্তেজক ওষুধ খায় অনেকে। এসব ওষুধ হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। দীর্ঘদিন ব্যবহারে দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি কমে যায়। এতে লিভার ও নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
মিটফোর্ডের ওষুধ ব্যবসায়ীরা জানান, ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অভিযানের অভাবেই এসব ওষুধ বিক্রি হয়। তাই অনেকে দোকানে নিষিদ্ধ উত্তেজক ওষুধ রাখেন। বিদেশি আমদানি-নিষিদ্ধ ওষুধের আদলে এখন দেশি কোম্পানি উত্তেজক ওষুধ বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। ওষুধ প্রশাসন ওই সব ওষুধের অনুমোদনও দিয়ে থাকে। ওষুধ প্রশাসন কর্মকর্তারা বলেন, উত্তেজক ওষুধ হিসেবে যেসব ওষুধ বাজারে বিক্রি হয় তা ভেজাল এবং অনুমোদনহীন। অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেরা তৈরি করে বিদেশি সিল লাগিয়ে দিচ্ছেন। ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এর মধ্যে ক্ষতিকর সব উপাদান আছে।
র্যাব হেড কোয়ার্টারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলম এই বিষয়ে বলেন, বাজারে নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ওষুধের শতকরা ৮০ ভাগই ভারত থেকে আসে। যৌন উত্তেজক সেনেগ্রা ওষুধই বেশি বিক্রি হয় বলে তাদের অভিযানে উঠে এসেছে। এছাড়া দেশি হরবাল ওষুধ জিংসন যৌন উত্তেজক হিসেবে সেবন করছে কেউ কেউ। যদিও এটি কম মাত্রায় অনুমোদন নিয়ে উচ্চমাত্রার শক্তি বর্ধন করে বিক্রি করছে কিছু কোম্পানি। তিনি জানান, দু-তিন মাস আগে যাত্রাবাড়ী এলাকায় জিংসন যৌন উত্তেজক ওষুধ উৎপাদনকারী তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে র্যাব’র অভিযানের কারণে আগের চেয়ে পরিস্থিতি একটু কমে এসেছে বলে এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, র্যাব গত প্রায় এক বছরে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ রাখার দায়ে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সাবেক এক নেতা বলেন, ‘কিছু ব্যবসায়ী প্রকাশ্যেই উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করেন। কেউ কেউ অকারণে ব্যবহার করছে এই ওষুধ। আগে আমেরিকা ও ইউরোপ থেকে আসলেও এখন ভারত থেকেই বেশি আসছে যৌন উত্তেজক ওষুধ। নীতিমালা নেই। ক্রেতা-বিক্রেতার সচেতন হওয়া উচিত। ঢালাওভাবে বিক্রি করা উচিত নয়। এই ওষুধ ব্যবহারে কঠিন হওয়া উচিত বলে এই নেতা মনে করেন। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যাবে না।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, কোনো ওষুধই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়। ইদানীং দেশে যুব সমাজের মধ্যে যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবনের মাত্রা বেড়ে গেছে। এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। হতে পারে জটিল রোগও। তাই এই ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইসি’র কৌশলটা কী?

উপরন্তু দেশের তাবৎ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হলো, অথচ নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে অত বেশি হৈচৈ নেই। মাতামাতি নেই। সবটাই যেন কেমন পানসে চলছিল। তাই সিইসি হয়তো ভেবে চিন্তেই বলেছেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক। তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক দিক থেকে দেখলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে আহত করে। কারণ আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে কোনোভাবেই বরদাশত করতে পারছে না। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি বা তাদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন যদিও জিয়ার চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মকভাবে করেছেন জেনারেল এরশাদ। জেনারেল এরশাদ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রানিংমেট হিসেবে দাঁড় করিয়ে প্রকৃতপক্ষে তাদের জাতীয় রাজনীতির মূল স্রোতধারার অন্যতম কুশলীব হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই অভিযোগ জিয়ার বিরুদ্ধে নেই। কারো কারো মতে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জানতেন। কিন্তু তা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেননি। ওটাও মূলত বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহ। সন্দেহাতীত কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। তবে মিজানুর রহমান চৌধুরীর জবানবন্দি মতে, জিয়া ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সখ্য গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। অবশ্য সেটা অনেকের মতে, সেখানে বিশ্বস্ততা ছিল না। ছিল চক্রান্তের অংশ।
তবে এই বিতর্কের বাইরে অনেকের মতে, যদি তদন্ত কমিশন বা একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডং কমিশন হয় যে, আরো কে কে জানতেন, অথচ প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেননি, তাহলে হয়তো সন্দেহের তালিকায় এমন কেউ আসতে পারেন, যারা পরে আওয়ামী লীগের ভালো অবস্থানে বা আস্থার একটা জায়গা করে নিতে পেরেছেন। এর সবটিই মূলত সন্দেহ। একজন চৌকস আমলা হিসেবে এই ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বা হিসাব-নিকাশ সম্পর্কে সিইসি একেবারে কিছুই জানবেন না, সেটা হিসাবের কথা নয়।
এখন প্রশ্ন হলো সিইসির কৌশলটা কী? একটি হিসাব খুব সহজ: তিনি মনেপ্রাণে আশা করেন বিএনপিও সামনের নির্বাচনে অংশ নেবে। কিন্তু তিনি এমন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখেন বা সামর্থ্য রাখেন কি না, যেখানে বিএনপি বা বিরোধী দল একটু বেশি ভালো করে ফেলল, কিন্তু তিনি তাতে উতলা হলেন না। নিরপেক্ষ সাংবিধানিক সংস্থার প্রধান হিসেবে তিনি সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত থাকবেন, সেই রকম একটি ধারণা তিনি দিতে চান কি না। আওয়ামী লীগের নেতারা যেদিন সংলাপে গেলেন সেদিন ভিন্ন এক পরিস্থিতি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, সংলাপের পরিবেশ দেখে তারা রীতিমতো লজ্জা পেয়েছেন। অভিযোগ আনার সুযোগই পাননি তারা।
সতর্ক বিশ্লেষকরা একমত যে, সিইসির কৌশল হবে বিএনপিকে নির্বাচনে আনা। সেটা তিনি নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে আশা করবেন। কিন্তু সেটা আওয়ামী লীগকে স্বস্তি দিতে পারে। অবশ্য এখানে একটি দ্বন্দ্ব বা ধোঁয়াশা একটা বিষয় আছে। সেটা হলো কেয়াটেকার সরকার হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই ক্ষমতায় থাকবেন। তারই নিয়োগ দেয়া রিটার্নিং অফিসারগণ নির্বাচন চালাবেন। ভোট গ্রহণ ও গণনা করবেন। কিন্তু তদুপরি আওয়ামী লীগ কি বিএনপির অংশগ্রহণ চাইছে? এর উত্তর পেতে কেউ হয়তো বলবেন জোতিষীর বাড়ি যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। কারণ, আওয়ামী লীগ বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচন করতে চায়, সেটা এখনও যথেষ্ট পরিষ্কার তা হলফ করে বলা যাবে না। কারণ, অনেকের ধারণা, সহায়ক সরকার হোক বা না হোক বিএনপি ৩০০ আসনে শক্তিশালী প্রার্থীর মনোনয়ন দেওয়াটাই একটি বিরাট ঘটনা হতে পারে। খোদ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ইতিমধ্যে ইঙ্গি করেছেন যে, বিএনপি নির্বাচনে এলে অনেক ডাকসাইটে প্রার্থীর ঘাম ঝরতে পারে!
সুতরাং একটি তাৎপর্যপূর্ণ সময়ে সিইসির রাজনৈতিক উক্তির কোনো তাৎপর্য নেই তা মানা সহজ নয়। সিইসি বারংবার বলেছেন, তিনি ভেবেচিন্তে একটি তথ্য হিসেবে বলেছেন। তার যদি: তিনি বলেছেন, জিয়া গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন বলেননি। কারণ তার আগে বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিল। অবশ্য সমালোচকরা বলবেন, এই তথ্য আওয়ামী লীগ যুক্তিসঙ্গত মনে করে না। তাদের জোরোলো যুক্তি: বহুদল বিলোপ করে একদলীয় বাকশাল কায়েম ঠিক কি বেঠিক? সেটা তর্কসাপেক্ষ হলেও সেটা বন্দুকের নলে আসেনি। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা করেছেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্যদিয়ে দেশের গণতন্ত্রও হত্যা করা হয়। আর এই হত্যাকাণ্ডে জিয়া জড়িত ছিলেন। শুরু হয়েছিল সামরিক শাসন। তাই জিয়া তো পর্দার আড়ালের কুশলীব। তিনি কি করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবতর্কের মর্যাদা পবেন?
বিএনপি জিয়ার সম্পৃক্তার অংশটুকু বাদ দিয়ে তার পক্ষে যুক্তি হলো: জিয়া নিজে সামরিক শাসন জারি করেননি। তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে বা ধারাবাহিকতার কারণে ক্ষমতা পেয়েছেন। সেনা প্রধান হিসেবে তার ওপর ক্ষমতা বর্তেছে।
বাকশালের আওতায় যে আওয়ামী লীগ একটি সংগঠন হিসেবে হারিয়ে গিয়েছিল, সেই রাজনৈতিক সত্তা জিয়ার আমলেই জাগ্রত হয়েছে। সিইসি নুরুল হুদা বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে গণতন্ত্র আবার ফিরে এসেছে। সেই ভিত্তিতে ১৯৭৯ সালে বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগও সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
তবে এখন পর্যবেক্ষরা বলছেন, সব কথা সবসময় বলা হয় না। সিইসি কোনো কারণে নিরীহভাবে একটি তথ্য হিসেবে বললেও এর একটা রাজনৈতিক আবেদন আছে। বিএনপি যেদিন সংলাপে গেল ঠিক সেদিনটিতেই তাকে এই জলবৎতরলং কথাটি আওড়াতে হলো!
এটাও দেখার বিষয় যে, কাদের সিদ্দিকী খুব সবিতা করতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন, তিনি একটি ঝড়ো বিতর্কের নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু সেটা ঘটেনি, অবশ্য সময় এখনই সরে গেছে তা-ও বলার উপায় কম।
অবশ্য বহু বিশ্লেষক মনে করেন বা ভাবতে পছন্দ করেন যে, বিএনপির নির্বাচনে আসাটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। আগামী ১১ বা ১২ মাসের আগে বা পরে যখনই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে, তখনই তাদের নির্বাচনী মাঠে দেখা যাবে। এছাড়া এ বিষয়ে ভিন্নমত খুবই কম যে, বিএনপির নির্বাচনে আসাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চান। সুতরাং রাষ্ট্রের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির দিক রয়েছে। তবে সেটা খোদ ক্ষমতাসীন দলের তরফে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখাটা বেশি স্পর্শকাতরতা লাভ করতে পারে। সেদিক থেকে এই অপ্রিয় কাজটি সিইসি করে দেওয়ায় আওয়ামী লীগের তাতে খুব ক্ষতির কারণ মনে করার সুযোগ সীমিত। তারা বলেন, সিইসি যদি বিএনপিকে নির্বাচনে আনার কাজটি সুচারু রূপে সম্পন্ন করতে পারেন, তাহলে ক্ষমতাসীন দলের ঝুঁকি বাড়ে না কমে। অবশ্য এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করারও লোকের অভাব হবে না।
বাংলাদেশের রাজনীতির সুবিধা হলো এখানে দুয়ে দুয়ে চার মেলানো হয়। যারা এটা করেন তারা কিন্তু জানেন যে, দুয়ে দুয়ে চার এখানে কালেভদ্রে হয়, কিংবা কষ্মিনকালেও হয় না। তবে কোনো সন্দেহ নেই যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা নিরুত্তাপ রাজনীতিতে বলা চলে একটি আকস্মিক বোমা বা পটকা ফুটিয়েছেন। চাঞ্চল্য যদি বেশি হয়, তাহলে এটা হবে বোমা, কিন্তু কম চাঞ্চল্য হলে এটা হবে পটকা বা নির্বাচনী উৎসবের আতশবাজি।
তবে এটা এমন একটি সময় যখন দেশের আরেকটি সাংবিধানিক স্তম্ভের প্রধান ‘অসুস্থতাজনিত ছুটিতে’ বিদেশে রয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘খালেদাকে ভোট থেকে দূরে রাখতেই ফেনীর ঘটনা’

এই হামলায় মূলত সাংবাদিকদের কেন টার্গেট করা হলো- এটা পরিষ্কার নয়। তিনি ফেনী সার্কিট হাউজে বিশ্রাম নেবেন এবং সেখানে দুপুরের খাবার খাবেন- এমনটাই প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। খালেদার আগমনে জেলার নেতাকর্মীরা সেখানে ব্যাপকভাবে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল কিন্তু অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে সার্কিট হাউজে কাউকে আসতে দেয়া হয়নি এবং বাধা দিতে গিয়ে বিএনপির বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা সরজমিন দেখবেন- এটাই ছিল তার উদ্দেশ্য। এটি একটি মহৎ উদ্দেশ্য। জননেত্রী শেখ হাসিনাও তাদের দেখে এসেছেন। তাহলে এই শুভ কাজে কেউ বাধা দিতে পারে কিনা- এটি অবশ্যই একটি বড় প্রশ্ন? যতই ওবায়দুল কাদের বলুক, ওনারা ছবি তুলতে যাচ্ছিলেন এবং এটা অভ্যন্তরীণ কোন্দল। এইসব কথা সচেতন জনগণকে খাওয়ানো যাবে না। সুষমা স্বরাজ এসে যখন পরিষ্কার বলে গেলেন আমরা সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চাই, ঠিক সেই মুহূর্তে এই ধরনের উস্কানিমূলক তৎপরতা গণতন্ত্রের ওপর হামলা- এটা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং একটি নয়, একাধিক জায়গায় হামলা হয়েছে। এই ঘটনা খালেদাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবার জন্য একটি অজুহাত হিসেবে কাজ করবে। কেউ কেউ বলছেন, ঘটনা যেখানে যাই ঘটুক খালেদাকে ভোট করতেই হবে। বিষয়টি বোধ হয় পুরোপুরি ঠিক সেরকম নয়।
খালেদার ওপর হামলাটি কেন? একদিকে খালেদাকে ভোটে আসতে বলবেন অন্যদিকে তাকে পেটাতে থাকবেন সেটি তো হতে পারে না। আসলে আসল কথা একটাই- ভোট করে যারা কোনো দিনই জিততে পারবে না- ওই সমস্ত লোকগুলো খালেদা জিয়া ভোটে আসুক তারা মোটেই চায় না। সেই কারণে অবশ্যই বলা যায় ফেনীর ঘটনাটি খালেদা জিয়াকে ভোট থেকে দূরে রাখার একটি অপতৎপরতা। বর্তমান সরকারের তৎপরতা থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় সরকার সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোট করতে চায়। ফলে শেখ হাসিনা মোটেই ফেনীর ঘটনাকে সুদৃষ্টিতে দেখবেন না। ফেনীর বর্তমান এমপিরা কেহই ভোটে এমপি হয়নি এবং তারা জানে ভোট হলে তারা এমপি হবে না। সেই কারণেই কেন্দ্রের ইঙ্গিত ছাড়াই খালেদার ওপর তারা হামলা করেছে। বারবার একই গোষ্ঠী বিনা ভোটে এমপি হবে- এমনটি ফেনীবাসী কেবল চেয়ে চেয়ে দেখবেন- এমনটি হতে পারে না।
ওদিকে, হাজারিকা প্রতিদিনের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা হবার পর তিনি চট্টগ্রাম পৌঁছেই সার্কিট হাউজ থেকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তার আগে তিনি তার সফর সঙ্গী আহত দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির ওপর বিস্তারিত খবরা-খবর নেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপহরণ তদন্তে বেরিয়ে এলো লোমহর্ষক হত্যার রহস্য

তারপর একটি কক্ষে বন্দি করা হয় আকাশকে। এরপর মারধর। উলঙ্গ করে খারাপ নারীর সঙ্গে ধারণ করা হয় ভিডিওচিত্র। তা দেখিয়ে ঢাকা ন্যাশনাল পলিটেকনিকের ওই ছাত্র আকাশের পিতা দিলীপ কুমার সাহার কাছ থেকে দাবি করা হয় ৩০ লাখ টাকা চাঁদা।
রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে অপহরণের পর বিমানবন্দর থানায় জিম্মির এসব ঘটনাই হয় মালদ্বীপ প্রবাসী বন্ধু শ্যামলের (২২) পরিকল্পনা ও নির্দেশনায়। এতে অংশ নেয় তার অপরাধ জগতের সঙ্গী জুয়েল রানা (২২), সোহেল (২১) ও ইয়াসিন (২৫)। পুত্র অপহরণের ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের স্বর্ণের ব্যবসায়ী দিলীপ গত ১৯শে অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। তা তদন্ত ও অনুসন্ধানের ভার পড়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপর। মাঠে নামে টিম। বেরিয়ে আসে একের ভেতর বহু অপরাধ। উদঘাটন হয় দেশে-বিদেশে হত্যাসহ আরো বেশকিছু অপরাধের রহস্য। ধরা পড়ে একটি ভয়ঙ্কর অপরাধী চক্র।
জানা যায়, আকাশের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। সেখানেই তার পিতার স্বর্ণের দোকান রয়েছে। দিলীপ ও তার ভাইয়ের সঙ্গে আগে ব্যবসা করতেন শ্যামল। কয়েক বছর আগে তিনি ব্যবসা গুটিয়ে মালদ্বীপ চলে যান। কিন্তু আকাশের সঙ্গে মোবাইল ও ফেসবুকে যোগাযোগ রাখতেন। শ্যামল মোবাইল-ফেসবুকের মাধ্যমে ঢাকায় অবস্থানরত তার ঘনিষ্ঠ জুয়েল রানা, সোহেল ও ইয়াছিনের সঙ্গে আকাশের পরিচয় করিয়ে দেয়। কুমতলবে তারাও তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এরপর গত ৭ই অক্টোরব তার নানির মৃত্যুর সংবাদে প্রবাসী শ্যামলের নির্দেশে ফাঁদ পাতে তারা। নিজেদের গাড়িতে তাকে চৌদ্দগ্রামে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে বিভ্রান্ত করে। বন্ধুত্বের কারণে সেও তাদের বিশ্বাস করে। গাড়িতে উঠার আগে সহানুভূতি প্রকাশ করে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে যায় সোহেলের বাড়িতে। এরপরই বাসার একটি কক্ষে তাকে জিম্মি করা হয়। রাখা হয় অর্ধ মাসের বেশি সময়। সেখানে তাকে নির্যাতন করে ও উলঙ্গ ভিডিওচিত্র ধারণ করে ঘটনা প্রকাশ ও মামলা না করতে হুমকি দেয়া হয়।
কিন্তু তার পিতা দিলীপের মামলার পর তাদের উদ্দেশ্য আর সফল হয়নি। মাঠে সক্রিয় হয়ে ওঠে ডিবি সদস্যরা। বন্দি ভিকটিম আকাশকে খাবার সরবরাহকারী সোহেলের বাবা-মাকে আটকের পর সে ধরা পড়ে। এরপর ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর, কুমিল্লার মুরাদনগর ও কোম্পানীগঞ্জ, গাজীপুরের জয়দেবপুর, রাজধানীর দক্ষিণখান, উত্তরখান, খিলক্ষেত ও ভাটারা থানার বিভিন্ন এলাকায় একে একে অভিযান চালায় ডিবি সদস্যরা। ডিবি’র উপ-কমিশনার মীর মোদাচ্ছের হোসেনের নির্দেশনায় ও অতিরিক্ত এডিসি মাহমুদ আফরোজ লাকী তা তত্ত্বাবধান করেন। আর টিমের নেতৃত্ব দেন ডিবি’র অর্গানাইজড ক্রাইম প্রিভেনশন টিমের সহকারী কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম। অবশেষে গত ২৯শে অক্টোবর রাজধানীর উত্তরাসহ একাধিক এলাকা থেকে ধরা পড়ে একে একে তিন দুর্ধর্ষ অপরাধী।
এর মধ্যে জুয়েল রানার বিরুদ্ধে নরসিংদী, নবীনগর ও মুরাদনগর থানায় খুন, অস্ত্র ও মারামারির ৪ টি মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের পর তার ফ্রিজ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩ টি বিদেশি পিস্তল। এছাড়া ২০১৪ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর ইতালিতে বাংলাদেশি যুবক পিংকুকে খুন করে মোবাইল, অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়ে দেশে চলে আসে। তাকে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। বাংলাদেশে সে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে ইতালির পুলিশও তাকে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।
অপরদিকে সোহেল ও জুয়েলের বাড়ি রাজধানীর দক্ষিণখান থানায়। মামলার অন্যান্য আসামি শিমুল, জুয়েল রানা, ইয়াছিন এর বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর থানায়।
ডিবি’র সহকারী কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রথমে অপহরণকারীকে উদ্ধারে মাঠে নামি। এরপর আসামিদের গ্রেপ্তার করা হলে খুনসহ আরো বেশ কয়েকটি ভয়াবহ অপরাধ। শুধু দেশেই নয়, তাদের একজন বিদেশেও খুন করে এসেছে। এসব ঘটনায় অপহরণ ও অস্ত্র আইনে দু’টি মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Monday, October 30, 2017
সিঙ্গাপুর চলে আসবে অন্ধ্রে? -বিবিসি

মোট চারটি দলে ভাগ হয়ে এই কৃষকরা সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন, তার প্রথম ব্যাচটিকে সোমবার রওনা করিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু।
না, এই কৃষকরা কোনো লটারি জিতে বা সরকারি প্রকল্পের পুরস্কার পেয়ে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন না।
তারা অন্ধ্রের নতুন রাজধানী গড়ে তোলার জন্য তাদের উর্বর কৃষিজমি সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন, তার প্রতিদানেই তাদের সিঙ্গাপুর বেড়াতে পাঠাচ্ছে রাজ্য সরকার।
এই নতুন রাজধানী শহরের নাম রাখা হয়েছে অমরাবতী।
অন্ধ্র সরকার বলছে, অত্যাধুনিক এই নতুন শহরটি গড়ে তোলা হবে একেবারে সিঙ্গাপুরের আদলে, আর সে জন্যই রাজধানীর জন্য জমি দিয়েছেন যে কৃষকরা তাদের সিঙ্গাপুর দেখিয়ে আনা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, "কৃষকরা যে জমি দিয়েছেন তাতে আমরা কী ধরনের শহর তৈরি করব, কী ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সেখানে থাকবে সেগুলো নিজের চোখে যাতে তারা দেখে আসতে পারেন তার জন্যই আমাদের এই উদ্যোগ।"
২০১৩ সালে অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য ভাগ করে তেলেঙ্গানা আর অন্ধ্র - এই দুটো আলাদা রাজ্য গঠন করা হয়।
পুরনো রাজধানী হায়দ্রাবাদ যেহেতু আগামীতে পুরোপুরি তেলেঙ্গানার ভাগে পড়ছে, তাই অন্ধ্রের জন্য নতুন রাজধানী তৈরির প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
অন্ধ্রের গুন্টুর এলাকার প্রায় পঁচিশ হাজার কৃষক নতুন রাজধানী গড়ার জন্য তাদের মোট প্রায় পঁয়ত্রিশ হাজার একর জমি রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এই জমির জন্য এককালীন মূল্য ছাড়াও সরকার তাদের প্রতি বছর ক্ষতিপূরণ দিয়ে যাবে।
এই পঁচিশ হাজার কৃষকের মধ্যে থেকেই অনেক যাচাই-বাছাই করে মাত্র সোয়া শ'র মতো লোককে সিঙ্গাপুর ভ্রমণের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের বিমানভাড়া অবশ্য এই কৃষকরাই দিচ্ছেন, কিন্তু তাদের চারতারা হোটেলে থাকা-খাওয়া সহ চারদিন শহরে বেড়ানোর যাবতীয় খরচ-খরচা অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারই বহন করছে।
আজ প্রথম ব্যাচে যারা রওনা হলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন ভেলাগাপুডি গ্রামের ইদুপালাপতি সীতারামাইয়া।
অমরাবতীর জন্য নিজের ১০ একর জমি দিয়েছেন তিনি, বিনিময়ে প্রতি বছর ৫ লক্ষ রুপি করে ক্ষতিপূরণ পাবেন।
৬৫ বছর বয়সী সীতারামাইয়া বলছিলেন, "আমাদের দেয়া জমিতে কী ধরনের শহর হবে সেটা তো একবার গিয়ে দেখে আসা দরকার। আমরা সেখানে থাকতে পারি বা না-পারি, আমাদের ছেলেপুলেরা হয়তো একদিন সেখানে থাকতে পারবে!"
তবে সিঙ্গাপুরের পথে রওনা হওয়ার আগে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অনেকেই জানতে চেয়েছেন, তারা কত লক্ষ রুপি নগদ সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন? ভারতীয় রুপিতে সিঙ্গাপুরে কেনাকাটা করা যাবে কি না ইত্যাদি।
বি নরসিমহার মতো কেউ কেউ আবার প্রশ্ন করেছেন, সিঙ্গাপুর থেকে তারা কতটা স্বর্ণ কিনে ভারতে আনতে পারবেন?
কৃষকদের কারো কারো আবার দুশ্চিন্তা ছিল, সিঙ্গাপুরে গিয়ে সেখানকার স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে তারা কোন ভাষায় কথাবার্তা বলবেন।
অন্ধ্র সরকার তাদের আশ্বস্ত করে বলেছে অনুবাদের ব্যবস্থা থাকবে।
চারদিন চাররাতের সফরে তাদের সিঙ্গাপুর শহরের প্রায় সব দর্শনীয় স্থান এবং সিঙ্গাপুর আর্ট মিউজিয়াম ঘুরিয়ে দেখানো হবে।
সিঙ্গাপুর সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এই অতিথিদের জন্য কয়েকটি ওয়ার্কশপেরও আয়োজন করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি ওয়াশিংটনে, রচিত হচ্ছে নতুন ইতিহাস by মোহাম্মদ আবুল হোসেন

যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর নভেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ এবং এর সঙ্গে জড়িত ট্রাম্প টিমের গোপন তৎপরতা নিয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার পর গত শুক্রবারই এ মামলায় প্রথম চার্জ গঠন করা হয়েছে। কিন্তু সেই চার্জ বা অভিযোগে কাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, কি বলা হয়েছে- তা দৃশ্যত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পর্যন্তও জানতে দেয়া হয় নি। আজ সোমবার ফেডারেল গ্রান্ড জুরি প্রথমবারের মতো এ অভিযোগ অনুমোদন দেবেন। ফলে এক বা একাধিক জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিকে কারাগারে যেতে হতে পারে। তা-ই যদি হয় তাহলে আইন মন্ত্রণালয়ের স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুয়েলার রাশিয়াগেট কেলেঙ্কারিতে নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত করবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে। তা হবে হোয়াইট হাউচের জন্য বাস্তবেই এক বিপদজনক দুর্গতি। তবে রাশিয়া কানেকশন নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, তা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার টিম। এ নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে চাকরি হারিয়েছেন এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কমি। তাকে বরখাস্ত করে ট্রাম্প প্রশাসন স্পেশাল কাউন্সেল নিয়োগ করেছে রবার্ট মুয়েলারকে। এর বাইরে তদন্ত হচ্ছে কংগ্রেশনাল কমিটি থেকে। তদন্ত হচ্ছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তরফ থেকে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন আজ সোমবারই প্রথম ঘটতে যাচ্ছে। এতে যাকেই অভিযুক্ত করা হোক তাতে হোয়াইট হাউজ এক বিদঘুটে অস্বস্তিতে পড়বে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, তারা এতদিন বলে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ ও ট্রাম্প টিমের জড়িত থাকার বিষয়ে বানোয়াট কাহিনীর জন্ম দিয়েছেন পরাজিত ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও তার টিম। এর সত্যতা, যথার্থতা প্রমাণ হয়ে যাচে আজ। এর মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ বৃত্ত ও এর বাইরে পারিবারিক বৃত্তে আঘাত লাগতে পারে। এমনকি তার প্রেসিডেন্সিও পড়তে পারে মারাত্মক ঝুঁকিতে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে ওই রবার্ট মুয়েলারের ওপর। তার রিপোর্টে কাকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে এবং তার প্রতিক্রিয়া কি তা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে। এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ার দিকে লক্ষ্য রাখবে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাসী। মুয়েলার ‘গোলায়’ কে ঘায়েল হবেন! এ নিয়ে যখন চারদিকে কান সচেতন, চোখ স্থির হয়ে আছে পত্রিকার পাতায়, অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলোতে ব্রেকিং দেখার জন্য সবাই উদগ্রিব তখন অনেকেরই দৃষ্টিতে পড়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি টুইট। তিনি রোববার এই টুইট করেছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, দুষ্ট রাজনীতির জন্য যাদুবিদ্যার (উইচ হান্ট) এই ভয়াবহ বিষয়টি (যা দেশের জন্য খারাপ) ব্যবহার করছে ডেমোক্রেটরা। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা তার বিরুদ্ধে ফাইট দিচ্ছেন, যা আগে কখনো হয় নি। আরেক টুইটে তিনি লিখেছেন, ডেমোক্রেটরা/ক্লিনটনরা অনেক বেশি দোষী। প্রকৃত সত্য এখন বেরিয়ে আসছে। কিছু একটা করুন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে বেশ কিছু বিষয়ে নজর দিয়েছেন রবার্ট মুয়েলার। খতিয়ে দেখা হয়েছে ট্রাম্পের সাবেক প্রচারণা বিষয়ক চেয়ারম্যান পল ম্যানাফোর্টের ব্যবসায়িক বিষয়। খতিয়ে দেখা হয়েছে প্রেসিডেন্টের নির্বাচনী টিমের সদস্যদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ। তদন্ত করা হয়েছে বরখাস্ত হওয়া সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের বিষয়টি। রাশিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলায়েক, ব্যাংকার সহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের গোপন বৈঠক, যোগাযোগের বিষয়ে হাত দিয়েছেন মুয়েলার। এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কমিও এসব অভিযোগের তদন্ত করছিলেন। কিন্তু তাকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। এতে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ করা হয়, বিচারে বাধা সৃষ্টি করতে ট্রাম্প এমনটি করেছেন। জেমস কমি যাতে রাশিয়া কানেকশন নিয়ে তদন্ত করতে না পারেন, তদন্তে ব্যাঘাত করে সে জন্য তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জেমস কমিকে বরখাস্ত করার মধ্য দিয়ে বিচারে বাধা সৃষ্টি করেছেন কিনা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাও তলিয়ে দেখেছেন রবার্ট মুয়েলার। যদি সর্বশেষ এই অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে চার্জশিট কার বিরুদ্ধে যাবে, কাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে! এমন প্রশ্নে চোখ আকাশে তুলছেন বিশ্লেষকরা। আতঙ্ক দেখা দিয়েছে অনেকের মাঝে। রোববার ট্রাম্প নিজেই কিছু প্রশ্ন সৃষ্টি করেছেন, যার উত্তর হয়তো নতুন সপ্তাহে পাওয়া যেতে পারে। তা হলো, অভিযোগ যা-ই হোক, ট্রাম্প কি তার সরাসরি ক্ষোভ নিবৃত করতে পারবেন? আইনী ও রাজনৈতিক ঝুঁকিতে নিমগ্ন হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবেন? পারবেন স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুয়েলারের ওপর ক্ষোভ সামলাতে? রাশিয়া কানেকশনে অনেকবার ট্রাম্প নিজেকে গভীর ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তিনি জেমস কমিকে বরখাস্ত করে রবার্ট মুয়েলারকে নিয়োগ দিয়েছেন। একে অনেকে খাল কেটে কুমির আনার মতো বলে অভিহিত করেছেন। রোববার এনবিসি/ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের জনমত জরিপে দেখা গেছে ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিণাম ক্রমাগত খারাপের দিকে যাচ্ছে। এদিন তার জনপ্রিয়তা বা এপ্রুভাল রেটিং দাঁড়ায় শতকরা ৩৮ ভাগ। এটা তার প্রেসিডেন্সির মেয়াদে সর্বনি¤œ রেটিং। তার শীর্ষ পরামর্শক টাই কব পরিষ্কার করে বলেছেন, রোববার ট্রাম্পের টুইট কোনোভাবেই মুয়েলারকে ঘায়েল করতে করা হয় নি। সিএনএনের সাংবাদিক জেফ জেলেনি’কে তিনি বলেছেন, বরং অনেকেই বলতে পারেন প্রেসিডেন্টের রোববারের টুইট স্পেশাল কাউন্সেলের কর্মকান্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল না। তিনি তাকে সহাযোগিতা করে গেছেন। এমন অবস্থায় ওয়াশিংটনে কথা ছড়িয়ে পড়েছে যে, যদি ট্রাম্প এবার জেমস কমির মতো মুয়েলারকেও বরখাস্ত করার চেষ্টা করতেন তাহলে তাতে যুক্তরাষ্ট্রে সৃষ্টি হতো সাংবিধানিক সঙ্কট। এতে ক্ষমতাসীন দল রিপাবলিকান নেতারা কংগ্রেসে কঠিন এক রাজনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়তেন। বলা হচ্ছে, এখনও ট্রাম্প সেই কাজটিই করতে পারেন। এর প্রেক্ষিতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয় পরিষদ ও রক্ষণশীল অনেক কলামনিস্ট স্পেশাল কাউন্সেল মুয়েলারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, রাশিয়া ‘নাটকে’ এফবিআইয়ের সুষ্ঠু তদন্ত তার অধীনে সম্ভব হবে না, ইতিহাস তাই বলে। তাহলে কি প্রথম অভিযোগটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ফোকাস করা হবে না? এসব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নানা বিশ্লেষণ। তবে নিউ ইয়র্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এটর্নি প্রীত ভারারা বলছেন, সোমবার অভিযোগ প্রকাশ হওয়ার পর ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কি হয় তার ওপরই নির্ভর করছে ‘নাটকের’ গুরুত্ব। তিনি বলেন, আমি কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেবো। দেখবো ট্রাম্প কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান কিনা। তিনি এমন কোনো কথা বলেন কিনা, যা তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায় ভবিষ্যতে। দ্বিতীয় যে বিষয়ে আমি দৃষ্টি দেবো তা হলোÑ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিবাদী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে গুরুতর কোনো বার্তা পাঠান কিনা। ওদিকে হোয়াইট হাউজ কিন্তু হিলারি ক্লিনটনকে ছেড়ে দিচ্ছে না। তিনি যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তখন রাশিয়ার বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি ইউরেনিয়াম ফার্ম বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এ বিষয়টি বড় করে দেখাতে চাইছে হোয়াইট হাউজ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাগান থেকে কাপে আসার গল্প

চা বোর্ডের হিসেবে পুরো বাংলাদেশে চা বাগান রয়েছে মোট ১৬২টি৷ তার মধ্যে শ্রীমঙ্গলের বাগানসহ মৌলভীবাজার জেলায় মোট বাগানের সংখ্যা ৯০টির মতো৷
সেই কাক ডাকা ভোরে উঠে চা শ্রমিকরা পাতা তুলতে শুরু করেন৷ যার চা পাতার ঝুলির ওজন বেশি হয়, তিনি পারশ্রমিক বেশি পান৷ তাই তাদের মধ্যে সব সময় থাকে এক ধরনের তাড়া কাজ করে৷
চা শ্রমিকদের মধ্যে নারীই বেশি৷ চা শ্রমিক, চা শিল্পী, চা কন্যা বা পাতিয়ালী – যে নামেই তাদের ডাকা হোক না কেন, তারা কঠোর পরিশ্রমী৷
পাতা তোলার পর কে কতটা তুলেছেন তা মাপা হয় বাগানেরই কাছের ছোট এক কুটিরে৷ চা পাতার ওজন অনুপাতেই শ্রমিকরা তাদের পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন৷ পাতা মাপার পর এক ফাঁকে ঝটপট বাড়ি থেকে নিয়ে আসা নাস্তাটা তারা সেরে নেন৷ আবার যে বাগানে যেতে হবে!
চার মাপার পর পাতা নেয়া হয় কারখানায়৷
কারখানায় পৌঁছানোর পর ছোট ছোট ব্যগে করে ইলেক্ট্রিক মেশিনের সাহায্যে ঘুরে ঘুরে পাতা যায় আরেক জায়গায়৷
এখানে পাতাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে ভালো করে পরিস্কার করে বেছে নেয়া হয়৷
পাতা পরিস্কারের পর নেয়া হয় মেশিনে৷ কয়েকটি মেশিনে একসাথে কাজ হয়৷ মেশিনে ‘প্রসেস’ হওয়ার সময় সবুজ পাতা কেমন যেন এক সোঁদা আর মিষ্টি গন্ধ ছড়ায়৷
এবার চা পাতা শুকানোর পালা৷ এরই মধ্যে এই মেশিনের গরম তাপে চা পাতার রঙ বদলে গিয়ে গাঢ় বাদামী হয়ে যায়৷ চা বাগানে ঘোরাঘুরির পর তৈরি গরম চায়ের গন্ধ, চেহারা আর হাত দিয়ে ধরে দেখার অনুভূতি কিন্তু চা প্রেমীদের কাছে দারুণ রোমাঞ্চকর!
গুড়ো চা শুকিয়ে যাওয়ার পর এবার গুণগত মান পরীক্ষার পালা৷ চা টেস্টের পর সব ঠিক থাকলেই কেবল তা বড় বড় বস্তায় ভরে প্যাকিং এবং রফতানির জন্য পাঠানো হয় চট্টগ্রামে৷
চট্টগ্রামের কারখানা থেকে প্যাকেট হয়ে বাজারে আসে চা৷ তারপর তো দুটি পাতা একটি কুঁড়ির সেই চা আমাদের কাপে৷ ‘চা’-এর তুলনা শুধু চা-ই৷
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতীয় সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে ব্যয়বহুল পরিকল্পনা

আরো সমৃদ্ধ হলো ভারতীয় নৌবাহিনী। বাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে নয়া সংযোজন অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজ আইএনএস কিলতান। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি চার অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজকে নৌবাহিনীতে যুক্ত করার যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, আইএনএস কিলতান তার মধ্যে তৃতীয়।
১. পৃথ্বী: এটি একটি সার্ফেস টু সার্ফেস ব্যালিস্টিক মিসাইল
পৃথ্বী-১: রেঞ্জ- ১৫০ কিমি, বহন ক্ষমতা- ১০০০ কেজি পরমাণু ওয়ারহেড
পৃথ্বী-২: রেঞ্জ- ৩৫০ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ৩৫০-৭৫০ কেজি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড
২. ধনুষ: রেঞ্জ- ৩৫০ কিলোমিটার
৩. অগ্নি: এটি একটি লং রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল
অগ্নি-১: রেঞ্জ- ৭০০ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ৭৫০-১০০০ কেজি ওয়ারহেড
অগ্নি-২: রেঞ্জ- ২০০০ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ১০০০ কেজি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড
অগ্নি-৩: রেঞ্জ- ৩০০০ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ২০০০-২৫০০ কেজি ওয়ারহেড
অগ্নি-৪: রেঞ্জ- ৩৫০০ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ৮০০-১০০০ কেজি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড
অগ্নি-৫: রেঞ্জ- ৫৫০০-৫৮০০ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ১৫০০ কেজি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড
অগ্নি-৬: রেঞ্জ- ৬০০০-৮০০০ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ১০০০ কেজি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড
৪. K সিরিজের সাবমেরিন লঞ্চড মিসাইল
K-15: রেঞ্জ- ৭৫০ কিলোমিটার
K-4: রেঞ্জ- ৩০০০ কিলোমিটার
৫. আকাশ মিসাইল: রেঞ্জ- ২৫ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ৬০ কেজি ওয়ারহেড
৬. ত্রিশুল: রেঞ্জ- ৯ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ৫.৫০ কেজি ওয়ারহেড
৭. নাগ: রেঞ্জ- ৩-৭ কিলোমিটার, বহন ক্ষমতা- ৮ কেজি অ্যান্টি-ট্যাংক ওয়ারহেড
৮. ব্রহ্মোস: রেঞ্জ- ২৯০ কিলোমিটার
সূত্র: কলকাতা২৪ ডট কম
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন কেলেঙ্কারিতে বিলাতের রাজনীতিবিদরাও

এমনটা ফরেস্ট দাবি করার পর তা স্বীকার করেছেন গারনিয়ের। শুধু তা-ই নয়। তিনি ওই সেক্রেটারিকে ডাকতেন ‘সুগার টিটস’ বা ‘মিষ্টি ছুড়ি’ নামে। এ সবই স্বীকার করেছেন তিনি। লন্ডনের দ্য মেইলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়্যার ফরেস্ট থেকে নির্বাচিত ৫৩ বছর বয়সী কমন্স সেক্রেটারি ক্যারোলাইন এডমন্ডসন বলেছেন, তাকে নগদ অর্থ দিতেন বাণিজ্যমন্ত্রী গারনিয়ের। আর সোহো’তে সেক্স শপের বাইরে অপেক্ষায় থাকতেন তিনি। ওই দোকানের ভেতরে প্রবেশ করতেন এডমন্ডসন। তিনি মন্ত্রী গারনিয়েরের জন্য কিনে আনতেন সেক্স টয়। কিনেছেন দুটি ‘ভাইব্রেটর’। এডমন্ডসন আরো ফাঁস করে দিয়েছেন যে, ওই সময়কার পররাষ্ট্র বিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি ছিলেন গারনিয়ের। তিনি এডমন্ডসনকে বলেছেন, ওই দুটি সেক্স টয়ের একটি তার স্ত্রীর জন্য। অন্যটি হলো তার নিজের নির্বাচনী আসন ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে একজন নারী সহকারীর জন্য। রোববার এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর বৃটেনজুড়ে হইচই সৃষ্টি হয়েছে। মুখে মুখে ঘুরছে এ কাহিনী। এ বিষয়ে মন্ত্রী গারনিয়ের বলেছেন, এ অভিযোগ আমি অস্বীকার করছি না। আমি অতটা অসৎ হতে যাবো না। উল্লেখ্য, মন্ত্রী গারনিয়ের তিন সন্তানের পিতা। তার বিরুদ্ধে ২০১০ সালে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। তা কিন্তু তিনি অস্বীকার করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, ওই সেক্স টয় দুটি তিনি কিনেছিলেন বড়দিনের দুপুরের খাবার পরে। আর টিভি শো ‘গ্যাভিন অ্যান্ড স্ট্যাসি’ নিয়ে রসালো আলোপচারিতার সময় তিনি এডমন্ডসনকে সুগার টিটস বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। এরপরই তারা দুজন আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। তবে তার এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন এডমন্ডসন। তিনি বলেছেন, মন্ত্রী গারনিয়ের তাকে কমন্সের একটি বারের ভেতর সোহো’ সেক্স শপে গিয়ে কেনাকাটার প্রস্তাব দেন। সে এক রাতের কথা। তারপর পরের দিন তিনি ‘আমাকে বলেন চলো এটা প্রাকটিস করি’। ওদিকে যৌন কেলেঙ্কারি ঘিরে ধরেছে ক্ষমতাসীন কনজার্ভেটিভ পার্টির আরেক সিনিয়র এমপি স্টিফেন ক্রাব’কে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৩ সালে একটি চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে তার কাছে এসেছিলেন ১৯ বছর বয়সী এক যুবতী। তিনি তাকে অশালীন এসএমএস দিয়েছিলেন। এ অভিযোগ স্বীকার করেছেন ৪৪ বছর বয়সী এই মন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বোকামি করে তিনি ওই এসএমএস পাঠিয়েছিলেন। তবে ওই যুবতীর সঙ্গে তার কোনো শারীরিক সম্পর্ক ছিল না। তিনি বলেছেন, ওই যুবতীর সঙ্গে কয়েকবার সাক্ষাৎ হয়েছিল। তারা একসঙ্গে কফি পান করেছেন। একবার কমন্স বারে ওয়াইন পান করেছেন। তার ভাষায়, আমাদের মধ্যে এসএমএস বিনিময় হয়েছে। সেক্স নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। তবে তা সিরিয়াস পরিণতির দিকে যায়নি। ওই যুবতীর এক বন্ধু ডেইলি টেলিগ্রাফকে বলেছেন, দু’সন্তানের পিতা ক্রাব যে এসএমএস পাঠিয়েছিলেন তা তিনি দেখেছেন। তার একটিতে তিনি ‘আমার বান্ধবীর সঙ্গে সেক্স করতে চেয়েছেন’। এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ক্রাব। বলেছেন, এমন যৌন উত্তেজক চ্যাটিংয়ের জন্য আমি দুঃখিত। যুক্তরাষ্ট্রে হলিউড প্রযোজক হারভে উইন্সটেনের যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে কৌতুক করেছেন বৃটেনের পরিবেশমন্ত্রী মাইকেল গভ। তিনি ওই কেলেঙ্কারি নিয়ে সামঞ্জস্যহীন মন্তব্য করায় বাধ্য হয়েছেন ক্ষমা চাইতে। এর পরই বৃটেনের রাজনীতিকদের এই যৌন অপরাধের বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। হারভে উইন্সটেনের যৌন কেলেঙ্কারির খবর ছড়িয়ে পড়ার কয়েক দিনের মধ্যেই বৃটেনে তার ছোঁয়া লেগেছে। এর ফলে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি মনে করছেন, ওয়েস্টমিনস্টারে যৌন কেলেঙ্কারির কারণে তাকে মন্ত্রিসভা নতুন করে জরুরি ভিত্তিতে সাজাতে হতে হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। এ বিষয়ে অবগত এমন সূত্র দ্য সান অন সানডে’কে বলেছেন, কিছু এমপি এমন সব অভিযোগে অভিযুক্ত এটাতো গত কয়েক বছর ধরেই ওপেন সিক্রেট। তাই রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। শুক্রবার এমনটা বলেছেন তার একজন মুখপাত্রও। ওদিকে চুপ করে বসে নেই বিরোধী লেবার দলও। দল নেতা শনিবার এক বক্তব্যে সতর্ক করেছেন। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যেসব এমপির বিরুদ্ধে এমন যৌন অপরাধ ও নির্যাতনের অভিযোগ আছে তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অপহরণ অতঃপর...

দাবি করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ। একইসঙ্গে কাছে থাকা নগদ অর্থসহ মোবাইল ফোন ও ম্যানিবাগ ছিনিয়ে নেয়। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।
অপহৃতের স্বজনরা জানান, ফিন্যান্স বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র সোহেলের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলায়। বর্তমানে মগবাজার এলাকার নয়তলা ভবনের একটি মেসে থাকতেন। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি চাকরির খোঁজ করছিলেন। বিভিন্ন সময় তাই বিডিজবস্সহ বিভিন্ন চাকরির সাইটে চাকরিপ্রার্থী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করেন। ক’দিন আগে পল্টনের তোপখানা রোডের ট্রপিকানা টাওয়ারের ১৫ তলায় মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে ফোন দেয়। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সোহানুর রহমান জানান, ২৯ তারিখে তার মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে। তাকে আরো জানানো হয়, তার নিজ জেলা ঝালকাঠির জন্য তারা লোক খুঁজছেন। তার কথা মতো গতকাল সকাল ৯টার দিকে তিনি ওই অফিসে মৌখিক পরীক্ষা দিতে যান। পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর পল্টন মোড়ে সোহেলকে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি একটি মাইক্রোবাসে জোরপূর্বক তুলে নেয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়। তারা তার কাছ থেকে মানিব্যাগসহ নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। কাছে থাকা এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে বুথ থেকে টাকা তুলে নেয়। অপহরণকারীরা তার বন্ধুর কাছে ফোন করিয়ে ১০ হাজার টাকা পাঠাতে বলে। এছাড়া তার কাছে আরো ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এদিকে এ ঘটনায় সোহেলের স্বজনদের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। শাহবাগ থানার এসআই শাহ আলম তখন ওই এলাকায় ডিউটি করছিলেন। তিনি জানান, তাকে জানানোর পর তার টিম নিয়ে তিনি ওই অফিসে যান। তার ব্যাপারে জানতে চাইলে অফিসের কর্মকর্তারা সোহেলের মৌখিক পরীক্ষা দিতে আসার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেন। একইসঙ্গে তারা জানান, তিনি পরীক্ষা দিয়েই চলে গেছেন। পরে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়। পরে তাকে উদয়ন স্কুলের সামনে ফুলার রোডে ফেলে যায় অপহরণকারীরা। এসআই শাহ আলম বলেন, সেখান থেকে পথচারীরা তাকে রিকশায় তুলে দিলে তিনি প্রথমে পল্টন থানায় যান। এরপর সেখান থেকে এক বন্ধুর সঙ্গে করে শাহবাগ থানায় আসেন। এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেন, পল্টন মোড়ের মতো একটি ব্যস্ত জায়গা থেকে কিভাবে তুলে নিলো জানতে চাইলে সোহেল জানায়, তারা তাকে অস্ত্র দেখিয়েছিল। এজন্য ভয়ে চিৎকার দেয়নি। মাইক্রোবাসে তোলার পর তার চোখ বেঁধে ফেলে। মারধর করে। এরপর বিভিন্ন স্থানে ঘুরায়। শাহ আলম বলেন, অপহরণকারীরা তার কাছ থেকে ক্রেডিড কার্ড ছিনিয়ে নেয়। পরে একটি বুথ থেকে তার একাউন্টে থাকা ৫ হাজার টাকা তুলে নেয়। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সোহেল রানার বন্ধু ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান জানান, তার ভাইভা দেয়ার পর আজকেই (গতকাল) যোগদানের কথা বলে তার কাছে ২১ হাজার টাকা জামানত চাওয়া হয়। এরপর সোহেল বিষয়টি তার কাছে ফোন করে জানায়। তখন তিনি বুঝতে পারেন যে, সোহেল প্রতারণার ফাঁদে পড়েছে। পরে তিনি শাহবাগ থানায় গিয়ে বিষয়টি জানিয়ে ওই অফিসের দিকে রওনা দেন। এরইমধ্যে সোহেল অফিসের লোকজনকে না বলে বের হয়ে গেলে ওত পেতে থাকা অপহরণকারীরা তাকে অপহরণ করে। পরে সে ফোন করে তার কাছে ১০ হাজার টাকা বিকাশ করতে বলে। মেহেদি বলেন, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স নামে ওই প্রতিষ্ঠানটি বিডিজবস্ থেকে নাম্বার নিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলেছে। ফলে এখানে সাইবার ক্রাইম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সোহেলের এই বন্ধু আরো জানান, অপহরণকারীরা গাড়িতে তোলার পর তার কাছ থেকে বিভিন্ন বন্ধুদের নাম্বার নেয়। এছাড়া সোহেলের কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করে। এই অপহরণের সঙ্গে মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্সস্যুরেন্স নামে ওই প্রতিষ্ঠানটি জড়িত বলে মেহেদির ধারণা। এদিকে মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্সের অফিস সহকারী মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, পুলিশ আসার পর এবং এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সোহানুর রহমানকে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেনেডি হত্যার গোপন দলিল- রবার্ট কেনেডির সঙ্গে প্রেম ছিল মেরিলিন মনরোর!

ওই চিঠিতে বলা হলো, ওই হত্যাকাণ্ডকে তখন আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেয়া হয়েছিল। ওই বইয়ে আরো বলা হয়েছে, যে রাতে মেরিলিন মনরো মারা যান সে রাতে নিজের এপার্টমেন্টেই অবস্থান করছিলেন রবার্ট কেনেডি। এরপর গোয়েন্দা এজেন্টরা লিখেছিলেন যে, কেনেডিকে নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা। কারণ, এটর্নি জেনারেল তখন প্রকৃতপক্ষে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন সান ফ্রান্সিসকোতে। উল্লেখ্য, এটর্নি জেনারেল রবার্ট কেনেডি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ছোটভাই। জন এফ কেনেডিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তারপর অসংখ্য ফাইল জমা হয় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোতে। সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিপুল পরিমাণ ফাইল প্রকাশ করেছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তার একটিতে রবার্ট এফ কেনেডি সম্পর্কে এসব কথা বলা হয়েছে। ১৯৬৩ সালে হত্যা করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডিকে। এর সঙ্গে জড়িত বলে শোনা যায় লি হারভে ওসওয়াল্ড, ওসওয়াল্ডের খুনি জ্যাক রুবি। কয়েক হাজার এমন নথি প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এফবিআইয়ের সাক্ষাৎকার, সিআইএ ও অন্য সরকারি কর্মকর্তাদের তৎপরতা। দীর্ঘ সময় এসব রিপোর্টকে হিমঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তা প্রকাশ করার পর বেরিয়ে আসছে অনেক নাম। তার মধ্যে রয়েছেন নায়িকা মেরিলিন মনরো থেকে শুরু করে দস্যু স্যাম গিয়ানকারান পর্যন্ত নাম। জন এফ কেনেডিকে ডালাসে হত্যার পর একটি যুগের অবসান ঘটে। তখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে নিরপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু কেনেডিকে হত্যার মাধ্যমে তাদের ইতিহাসে কলঙ্ক লাগে। এ বিষয়ে সব রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কমপক্ষে ১৮০ দিন কমপক্ষে ৩০০ দলিল প্রকাশ বিলম্বিত করার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে অনুরোধ করেছে এফবিআই ও সিআইএ। প্রেসিডেন্ট তা অনুমোদন করেছেন। তবে প্রকাশিত দলিলের একটি নোট পাওয়া গেছে। তা ১৯৬৪ সালের মে মাসের। সাবেক সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভের একটি কথোপকথন রয়েছে তাতে। এতে তাকে বলতে শোনা যায়, তিনি বিশ্বাস করেন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা একেবারে অদক্ষ। তাই কোনো ষড়যন্ত্র ছাড়াই জন এফ কেনেডিকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, কেনেডি হত্যাকাণ্ডে ডালাস পুলিশ ডিপার্টমেন্টও জড়িত (এক্সেসরি) থাকতে পারে। সিআইএ সূত্র জানতে পারে যে, এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আমেরিকান রাইট উইং থাকতে পারে বলে চেয়ারম্যান ক্রুশ্চেভের কিছু অন্ধ ধারণা ছিল। যখন সূত্র বলে যে, ওসওয়াল্ড ও রুবি- দু’জনেই ছিলেন উন্মাদ। তারা নিজেরাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তখন ক্রুশ্চেভ সোজাসাপ্টা বলে দেন, তিনি এ কথা বিশ্বাস করেন না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Sunday, October 29, 2017
পুতিন মিথ by সুসান বি. গ্লেসার

রাশিয়ার এই নেতা এক ধরণের সমীহ করার মতো ভাবমূর্তি অর্জন করে ফেলেছেন। ঠিক যেটা তিনি চান।
পুতিনের হাতে এক দশকের কারাদ- পাওয়ার আগ পর্যন্ত রাশিয়ার সবচেয়ে ধন্যাঢ্য ব্যক্তিটি ছিলেন মিখাইল খদরকোভস্কি। পরে নিজের গড়া প্রতিষ্ঠান ছেড়ে তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাসনে যেতে বাধ্য হন। পুতিনের এই সমীহ জাগানিয়া ভাবমূর্তিকে তিনি আখ্যা দিয়েছেন ‘মহান ও ভয়ঙ্কর পুতিনকে নিয়ে লোককথা (মিথ)’ হিসেবে।
এর অর্থ এই নয় যে, পুতিন আসলে গণতন্ত্রপন্থী ব্যক্তি যাকে অনেকে বুঝতে পারেন না। সকল রাশিয়া বিশেষজ্ঞ এ ব্যাপারে একমত যে, তিনি একজন কর্তৃত্ববাদী শাসক যিনি শক্ত হাতে দেশ শাসন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে শত্রুরাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করেন। তার মতে, বিশ্বমঞ্চে সম্ভাব্য যেকোনো ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে বেকায়দায় ফেলতে হবে। আগামী বছর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে তিনি নিশ্চিতভাবেই নির্বাচিত হওয়ার পথে।
কিন্তু যেখানে ওয়াশিংটনের রাজনীতিকরা পুতিনকে মহাপ-িত কৌশলবিদ হিসেবে তুলে ধরছে যিনি কিনা পশ্চিমাদের বুদ্ধি ও শক্তির দৌড়ে পরাজিত করছেন, সেখানে ক্রেমলিন পর্যবেক্ষকরা পুতিনকে দেখেন সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিতে। এটা সত্য যে, পুতিন অনেক সময়ই সোভিয়েত আমলের কৌশলে ফিরে যান, যা তিনি শিখেছেন কেজিবি অফিসার থাকাকালে। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নের তুলনায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও তার সহযোগীদের হাত অনেক দুর্বল। তারা প্রায়ই আক্রমণাত্মক ভঙ্গির বদলে রক্ষণাত্মকভাবে দেশ পরিচালনা করেন। বহির্মূখি হওয়ার বদলে তারা অনেক অন্তর্মূখি। আমরা যতটা ভাবি, ক্ষমতা নিয়ে তারা এর চেয়েও বেশি অনিশ্চয়তাই ভোগেন। যারাই হুমকি হয়ে উঠেন, সত্যিকার অর্থে হোক বা এমনিতেই, তাদেরই দমন করা হয়।
খোদরকোভস্কি এক সাক্ষাৎকারে যুক্তি দেখান, পুতিনকে নিয়ে আমেরিকানদের মধ্যে যে ঘোর বাড়ছে তাতে একটা ফাঁক আছে। জোসেফ স্তালিনের পর পুতিনই এখন রাশিয়ার সবচেয়ে বেশিদিন দায়িত্ব পালন করা প্রেসিডেন্ট। কিন্তু আমেরিকানরা যেই জিনিসটি দেখতে পারছেন না, তা হলো পুতিন অন্তত স্তালিনের নবরূপ নন।
খোদরকোভস্কির ভাষ্য, ‘পশ্চিমে এক ধরণের মনোভাব আছে যে, পুতিন পুরো দেশ পরিচালনা করেন। কিন্তু বাস্তবে এটি একেবারে সত্য নয়।’ তিনি বলেন, ‘মস্কোর বাইরের রাশিয়া তিনি পরিচালনা করেন না। দেশের অন্যান্য অঞ্চল যারা পরিচালনা করেন তাদের সঙ্গে তার বোঝাপড়াটা খুবই সাধারণ। আমার যত ভোট দরকার সেসব তোমরা এনে দেবে। বিনিময়ে তোমরা তোমাদের এলাকা নিয়ে যা ইচ্ছে করার সুযোগ পাবে। এভাবেই মূলত কাজ করছে বিষয়টি। সামনের নির্বাচনেও ঠিক এটাই ঘটবে।’
২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার কথিত হস্তক্ষেপ নিয়ে এখন যে চ্যাঁচামেচি চলছে আমেরিকায়, তাতে পুতিনকে একপ্রকারে মহাশক্তিধর হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। কিন্তু পুতিন নিয়ে এই অতিরঞ্জিত ধারণা আরও আগে থেকে পশ্চিমে বিদ্যমান। এই অতিরঞ্জনের ফলে অনেক সময়ই ভয়াবহ ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিমা নেতারা।
পুলিৎজার পুরষ্কার জয়ী সোভিয়েত ইতিহাসবিদ আনা আপেলবম যুক্তি দেখান যে, পুতিন সরকার যে অন্যান্য দেশের নির্বাচনেও হস্তক্ষেপ করেছে সেসবের প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রে অনেকে প্রথমে অগ্রাহ্য করেছেন। যখন তারা এ নিয়ে গা দিতে শুরু করেছেন ততদিনে দেরিয়ে হয়ে গেছে। কারণ, রাশিয়া ততদিনে যুক্তরাষ্ট্রেও একই কাজ শুরু করেছে। এখন আরেক সমস্যা দেখা দিয়েছে। অতিরঞ্জন শুরু হয়ে গেছে।
ট্রাম্পের নির্বাচন জয়ের জন্য রাশিয়ার হ্যাকারদের দায়ী করার মধ্যে ফাঁক হলো আমেরিকান সমাজের যেসব ফাটলকে হ্যাকাররা ব্যবহার করেছিল সেসবকে স্বীকার করা হয় না।
আনা আপেলবম বলেন, ‘রাশিয়া চরমপন্থী রাজনীতি আবিষ্কার করে না। তারা যেটা করে তা হলো, তারা ব্লাক লিভস ম্যাটার (উদারমনা কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার বিষয়ক আন্দোলন)-এর মতো একটা গ্রুপ তৈরি করবে, যেটা আসলে ভুয়া। আবার একই সাথে তারা অভিবাসন-বিরোধী গ্রুপও তৈরি করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই, এ থেকে বোঝা যায় যে আমাদের মধ্যেও ফাটল আছে। নয়তো ওই গ্রুপগুলোর বার্তা মানুষ শুনবে কেন? অন্য কথায় বলতে গেলে, আমাদের মধ্যে যেই সমস্যা আছে সেটা পুতিনের সৃষ্ট নয়। পুতিন শুধু বুঝতে পেরেছিলেন যে এই সমস্যা আমাদের আছে। এরপর তিনি সেসবকে ব্যবহার করেন।’
মার্কিন নির্বাচনে কারচুপির জন্য আমরা পুতিনকে দায়ী করতে পারি? অবশ্যই। কিন্তু আপেলবম যেই যুক্তি দেখিয়েছেন সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটা হলো রাশিয়া কেলেঙ্কারি আলোচনায় রাশিয়ার ভূমিকাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয় না।
আগামী বছর ২৮শে মার্চ রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু যেই আবহ তৈরি হয়েছে নির্বাচনকে ঘিরে তা থেকে বোঝা সম্ভব পুতিনবাদ আসলে কীভাবে কাজ করে। এটাও বোঝা যায়, আমেরিকা-বিরোধীতা কীভাবে সবসময় তাকে ক্ষমতায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ও ভবিষ্যতেও রাখবে।
১৯৯৯ সালের নববর্ষ থেকে পুতিনের শাসন শুরু হয়েছে। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি, কিন্তু এটি প্রায় নিশ্চিত যে তিনি অন্তত আরও ৬ বছর মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন, যা শেষ হবে ২০২৪ সালে। প্রধান বিরোধী দলীয় ব্যক্তিত্ব অ্যালেক্সি নাভালনিকে নির্বাচনে লড়ার অযোগ্য ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। শুধুমাত্র তারই কিছুটা জনসমর্থন আছে। কিন্তু এখন এই দুর্নীতিবিরোধী প্রচারকের বদলে নির্বাচনে একমাত্র লিবারেল প্রার্থী হবেন সম্ভবত সেনিয়া সোবচাক। তিনি রাশিয়া প্লেবয় ম্যাগাজিনের সাবেক মডেল ও রিয়েলিটি টিভি তারকা। তার মৃত পিতা ছিলেন সেইন্ট পিটার্সবার্গের মেয়র। এই মেয়রের হাত ধরেই পুতিনের রাজনৈতিক উত্থান ঘটে। সেইন্ট পিটার্সবার্গের মেয়র হয়ে পরে প্রেসিডেন্ট হন।
অন্যভাবে বলতে গেলে, এটা ভুয়া প্রার্থিতা। আনা আপেলবম মনে করেন, সেনিয়া সোবচাককে দাঁড় করানো হয়েছে যাতে বিরোধী পক্ষকে বোকা প্রমাণ করা যায়। একে নির্বাচন না বলে গণভোট বলা উচিৎ যার মাধ্যমে প্রতি ছয় বছর পর পর রাশিয়ান জনগণ পুতিনের ক্ষমতা নবায়ন করে।
যেই বিরোধী পক্ষ আছে তারা শুধু দুর্বল তা-ই নয়। তাদের মধ্যে বিভাজনও চরমে। যেমন, খোদরকোভস্কিকে যখন নাভালনি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি বলেন নাভালনি বা অন্য কোনো বিরোধী ব্যক্তিত্বকে সমর্থন দিতে তিনি প্রস্তুত নন। বিরোধীদের মধ্যে একমাত্র নাভালনিরই কিছুটা জনসমর্থন আছে রাশিয়ায়। খোদরকোভস্কি নিজেও ভিন্নমতালম্বী হলেও তার সম্পর্কে রাশিয়ানদের বিরূপ ধারণা রয়েছে। তাকে ভাবা হয় সেসব অভিজাতদের একজন যারা নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত-পরবর্তী অস্থিতিশীলতার সময় টাকা বানিয়েছেন। কোনো নির্দিষ্ট বিরোধী পক্ষকে সমর্থন না দেওয়ার কারণ হিসেবে খোদরকোভস্কি যুক্তি দেখিয়েছেন, ঐক্যবদ্ধ বিরোধী পক্ষকে টার্গেট করা সহজ হবে। তবে তিনি নাভালনিকে আখ্যায়িত করেছেন একজন ‘কর্তৃত্ববাদী’ হিসেবে।
আবার আগামী নির্বাচনে কোনো শক্তিশালী বিরোধী পক্ষ নেই বলে এই নয় যে, পুতিনকে কারও বিরুদ্ধে লড়তে হয় না। বরং, এটি স্পষ্ট হচ্ছে যে আগামী বছর খোদ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়বেন পুতিন। তার নির্বাচনী প্রচারাভিযানে আমেরিকা-বিরোধীতা এত প্রবল থাকবে যা দেখে মনে হবে পুতিনের অপর নির্বাচনী প্রতিপক্ষ বোধ হয় আমেরিকা!
খোদরকোভস্কি বলেন, ‘পুতিনের কিছু স্পষ্ট সমস্যা রয়েছে। তার দেশের অর্থনীতি নিশ্চল হয়ে আছে। তাকে নিয়মিতই অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাতে হয়। আমেরিকার ঘাড়ে দোষ চাপাতে হয়। তাই তাকে এমন কিছু দেখাতে হয় যে তিনি আমেরিকাকে পরাজিত করছেন। উদাহরণস্বরূপ, সিরিয়ায় তিনি আমেরিকাকে হারাচ্ছেন, আইএস’কে নয় কিন্তু। ইউক্রেনে তিনি কিন্তু ইউক্রেনিয়ানদের পরাজিত করেননি। তিনি সেখানেও আমেরিকাকে হটিয়েছেন।’
গত সপ্তাহে ভালদাই ক্লাবের এক বার্ষিক বৈঠকে একদল বিদেশী বিশেষজ্ঞকে ক্রেমলিন থেকে রাশিয়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পুতিনের কথা শোনার জন্য। এই বৈঠক নিয়ে তেমন একটা আলোচনা হয়নি। সেখানে নিজের বক্তৃতায় পুতিন অনেকখানি সোজাসাপ্টা ভাষায়ই বলেছেন, তার ভাবমূর্তি আমেরিকা-বিরোধী বিশ্ব মনোভাবের ওপর স্থাপিত।
প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে রাশিয়া বিষয়ক জাতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন অ্যাঙ্গেলা স্টেন্ট। তিনিও ওই ভাষণে অংশ নিয়েছিলেন। স্টেন্ট বলেন, রাশিয়ার যুঝতে থাকা অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কীভাবে করা সম্ভব এ নিয়ে সকল প্রশ্নই পুতিন এড়িয়ে গেছেন। তিনি বরং জোর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী এক বিশ্বনেতা হিসেবে তার ভূমিকার ওপর। অ্যাঙ্গেলা স্টেন্ট আরও বলেন, এটা ছিল খুবই আমেরিকা-বিরোধী এক বক্তৃতা। তবে ভীতির এক নতুন উপাদান তিনি সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন, সেটা হলো সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ নিয়ে হুঁশিয়ারি। তিনি মূলত বলছিলেন যে, আমরা এখন খুবই বিপজ্জনক অবস্থায় আছি। এটাই ছিল তার বার্তা।
আমি স্টেন্টকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, খোদরকোভস্কি ও অন্যরা যেই যুক্তি দেখিয়েছেন, অর্থাৎ পুতিনকে তার প্রকৃত ক্ষমতার চেয়েও বড় করে আমরা প্রতিষ্ঠিত করেছে, তার সঙ্গে তিনি একমত কিনা। স্টেন্ট জবাবে বলেন, ‘রাশিয়ায় আমার অনেক বন্ধু ঠিক এটাই বিশ্বাস করে। তারা সবাই একই কথা বলেছে: তোমাদের আমেরিকানদের সমস্যা কি! তোমরাই তাকে এমন ব্যক্তিতে পরিণত করেছো যার যেন অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা আছে! এই বিষয়টি শুধু তাকে মহাশক্তিধর হিসেবে ফুটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে তা নয়। এর মাধ্যমে আমেরিকাকে বেশ দুর্বল হিসেবে দেখানো হয়ে যায়।’
কিন্তু স্টেন্ট যেই আমেরিকা-বিরোধীতা পুতিনের কাছ থেকে শুনেছেন, সেটি অনেক ধরেই চলছে। ২০১২ সালেও এর ওপর ভিত্তি করে পুনর্নির্বাচিত হয়েছিলেন পুতিন। তবে গত সপ্তাহের তার ওই কড়া আমেরিকা-বিরোধী বক্তব্যের পর এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে তার সব আশা শেষ।
(সুসান বি. গ্লেসার মার্কিন রাজনীতি বিষয়ক ম্যাগাজিন পলিটিকো’র আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক প্রধান কলামিস্ট। এই লেখাটি পলিটিকোতে প্রকাশিত তার লেখা একটি নিবন্ধের সংক্ষেপিত অনুবাদ।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Friday, October 27, 2017
দেশের মানুষ এবং আমার পরিবারের ভাগ্য এক হয়ে গেছে

হয়েছে। এর কোনো কিছুই বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যাপার নয়। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও এদেশের জনগণের বর্তমান সার্বিক দুর্দশার সঙ্গে এসব হেনস্থা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত বলেই তার সুদৃঢ় বিশ্বাস।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় দেয়া দ্বিতীয় দিনের জবানবন্দিকালে বিএনপি চেয়ারপারসন এসব কথা বলেন। মামলার প্রেক্ষাপট ও পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অবদান, রাজনীতিতে আগমন, আন্দোলন-সংগ্রাম, সরকার গঠন ও সরকার পরিচালনা, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও অধিকার বঞ্চনার নানা উদাহরণ তুলে ধরেন আদালতে। নিজেকে সামান্য মানুষ আখ্যায়িত করে খালেদা জিয়া বলেছেন, আমি যত সামান্য মানুষই হই না কেন, আমার প্রতি বর্তমান শাসক মহলের আচরণের কারণ, পটভূমি ও প্রেক্ষাপটের ব্যাপ্তি কিন্তু সামান্য নয়। দেশ ও জাতির দুর্দশা থেকে এটিকে আলাদা করে দেখা যাবে না। আমার নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়েছে বারবার। কাজেই আলোচ্য মামলাটি দায়ের এবং এর সব কার্যক্রম ও পরিণতি কেবল ফৌজদারি বিধি-বিধান, আইন-কানুন ও বিচার-ব্যবস্থার মধ্যেই সীমিত নয়।
দেশ-জনগণ ও আমার পরিবারের ভাগ্য একসূত্রে গাঁথা
জবানবন্দিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, প্রায় তিন যুগ আগে মানুষের ডাকে ও ভালোবাসায় সাড়া দিয়ে আমি রাজনীতির অঙ্গনে পা রাখি। সেদিন থেকেই বিসর্জন দিয়েছি নিজের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে। আমি কেন রাজনীতিতে এসেছিলাম? নিশ্চিত ও নিরাপদ জীবন ছেড়ে কেন আমি ঝুঁকিপূর্ণ অনিশ্চিত পথে পা দিয়েছিলাম? তখন আমার সামনে মসনদ কিংবা ক্ষমতার কোনো হাতছানি ছিলো না। রাষ্ট্রক্ষমতার অবৈধ দখলদাররা চায়নি আমি রাজনীতিতে থাকি। আমি রাজনীতি না করলে তারা আমাকে অনেক বেশি সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথা বলেছিলো। রাজনীতি করলে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে আমাকে ভয়-ভীতিও দেখানো হয়েছিলো। সবকিছু উপেক্ষা করে আমি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখি। কারণ, দেশে তখন গণতন্ত্র ছিলো না। জনগণের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে নেয়া হয়েছিলো। জনগণের অধিকার ছিলো না। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শুরু থেকেই আমাকে রাজপথে নামতে হয়েছিলো। আমি রাজনীতিতে এসেছিলাম শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের পতাকা হাতে নিয়ে। আমার সংগ্রাম শুরু হয়েছিলো তার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্য নিয়ে। খালেদা জিয়া বলেন, আমি সব সময় চেয়েছি, বাংলাদেশ যেন গণতান্ত্রিক পথে পরিচালিত হয়। মানুষের যেন অধিকার থাকে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকে। বিচার বিভাগ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকে। আমি চেয়েছি, আমাদের অর্থনীতি যেন শক্তিশালী হয়। বিশ্বসভায় বাংলাদেশ মর্যাদার আসন পায়। সেই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্যই আমার রাজনীতি। আমি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দেশ ও জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে নিজের ভাগ্যকে একাকার করে ফেলেছি। আমার নিজের কোনো পৃথক আশা-আকাঙ্ক্ষা নেই। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাই আমার আশা-আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, আমার জীবন পুরোপুরি জড়িয়ে গেছে এদেশের মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যয়ের সঙ্গে। তাদের সুখ-দুঃখ ও উত্থান-পতনের সঙ্গে। দেশের মানুষের জীবনের চড়াই-উৎরাই ও সমস্যা-সংকটের সঙ্গে। তাদের বিজয়, বিপর্যয় এবং সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধির সঙ্গে। দেশ ও জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যতের সঙ্গেই একাকার হয়ে গেছে আমার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। সম্ভবত সে কারণেই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এবং এ দেশের মানুষ যখনই দুর্যোগ ও দুর্বিপাকের মুখে পড়েছে, তখন আমিও দুর্যোগের মুখে পড়েছি। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, দেশ ও জাতি যখন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে, অধিকার হারিয়েছে, বিপন্ন হয়েছে তখন আমিও নানাভাবে আক্রান্ত হয়েছি। আমার পরিবারও পড়েছে নানামুখী সমস্যা-সংকটে। একইভাবে দেশ ও জাতি যখন বিপর্যয় কাটিয়ে উঠেছে, জনগণ যখন বিজয়ী হয়েছে, তাদের হারানো অধিকার ফিরে পেয়েছে তখন আমার নাগরিক অধিকারগুলোও সমুন্নত থেকেছে। জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা যখন সমুন্নত হয়েছে, আইনের শাসন-সুবিচার-গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, তখন ব্যক্তিগতভাবে আমিও সংকট, বিপদ, আক্রমণ, নির্যাতন ও বিপর্যয় থেকে মুক্ত হতে পেরেছি। বারবারই প্রমাণ হয়েছে যে, বাংলাদেশ ও এদেশের জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে আমার নিজের ও আমার পরিবারের ভাগ্য একই সূত্রে গাঁথা হয়ে গেছে।
আমার নাগরিক অধিকার হরণ হয়েছে বারবার
আদালতের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আপনি নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা-মোকদ্দমা দায়ের করা হচ্ছে। জারি করা হচ্ছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। প্রায় চার দশকের স্মৃতিবিজড়িত বসতবাড়ি থেকে আমাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। আমাকে আমার বাসা ও রাজনৈতিক কার্যালয়ে বালির ট্রাক দিয়ে কয়েক দফায় দীর্ঘদিন অবরোধ করে রাখা হয়েছে। আমি আমার অফিসে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় সে সময় বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। সেই অবরুদ্ধ অবস্থাতেই আমি মৃত্যু-সংবাদ পাই বিদেশে চিকিৎসাধীন আমার একটি সন্তানের। আর সেদিনই আমার এবং আমার সঙ্গে অবরুদ্ধদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ বানোয়াট একটি মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ করা হয়, রাস্তায় গাড়ি পোড়ানো এবং বিস্ফোরক দিয়ে মানুষ হত্যার। অফিসে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায়ই নাকি আমরা এসব করেছি।
এগুলো কি কোনো সভ্য ও মানবিক আচরণ? খালেদা জিয়া বলেন, শাসক মহলের নির্দেশে আমার স্বাধীন চলাচল বিভিন্নভাবে ব্যাহত করা হয়েছে। প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে আমার ওপর বারবার হামলার ঘটনা সারা বিশ্ব দেখেছে। আমার ওপর সশস্ত্র আক্রমণ চালানো হয়েছে। আমার গাড়ির ওপর গুলি চালানো হয়েছে। আমার গাড়ি বহরে সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও নিরাপত্তা রক্ষীরা তাতে আহত হয়েছে। সন্ত্রাসীরা কেউ আটক হয়নি। কোনো ঘটনার বিচার হয়নি আজ পর্যন্ত। আমার নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়েছে বারবার।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আমার বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে অসত্য ও কুৎসিত অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এর কোনো কিছুই বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যাপার নয়। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং এদেশের জনগণের বর্তমান সার্বিক দুর্দশার সঙ্গে আমার এসব হেনস্থা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত বলেই আমার সুদৃঢ় বিশ্বাস। তাই, মাননীয় আদালত, আমি যত সামান্য মানুষই হই না কেন, আমার প্রতি বর্তমান শাসক মহলের আচরণের কারণ, পটভূমি ও প্রেক্ষাপটের ব্যাপ্তি কিন্তু সামান্য নয়। দেশ ও জাতির দুর্দশা থেকে এটিকে আলাদা করে দেখা যাবে না। কাজেই আলোচ্য মামলাটি দায়ের এবং এর সকল কার্যক্রম ও পরিণতি কেবল ফৌজদারি বিধি-বিধান, আইন-কানুন ও বিচার-ব্যবস্থার মধ্যেই সীমিত নয়। তিনি বলেন, পুরো বিষয়গুলো ব্যাখ্যা না করলে কেবল আইনগত খুঁটিনাটি দিক তুলে ধরে এই মামলাটির সঠিক চিত্র বিশদ ও নিখুঁতভাবে তুলে ধরা সম্ভব নয়। তাই আমি অনুরোধ করবো আমার কথাগুলো একটু শুনবেন। আমাকে সময় দেবেন, যাতে আমি আমার সব কথা পরিষ্কার ভাবে তুলে ধরতে পারি। যাতে আমি পুরো প্রেক্ষাপট ও পটভূমি তুলে ধরতে পারি। খালেদা জিয়া বলেন, দেশের যে পরিস্থিতি, জাতির যে অবস্থা এবং ইতিহাসের যে ধারাক্রম আজকে এ ধরনের মামলা সৃষ্টি করেছে সে কথাগুলো আমাকে বলতেই হবে। না হলে আমার বক্তব্য ও জবাব অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। যে কথাগুলো না বললে সব কিছু স্পষ্ট ও পরিষ্কার হবে না, সেই কথাগুলো তো আমাকে এই সুযোগে বলতেই হবে।
দেশে নির্বাচিত সংসদ ও সরকার নেই
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, দেশে এখন সত্যিকার অর্থে নির্বাচিত কোনো সংসদ ও সরকার নেই। সবকিছু একতরফা ও একদলীয় ভিত্তিতে চলছে। যে গণতন্ত্রের জন্য মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে সেই গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত। যে তথাকথিত সংসদ গঠন করা হয়েছে, সেই সংসদের বেশিরভাগ সদস্য নির্বাচিত হয়নি। বাকি সদস্যদেরও ভোটাররা নির্বাচিত করেনি। প্রহসনের মাধ্যমে তাদেরকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। শতকরা ৫ জন ভোটারও ভোটকেন্দ্রে হাজির হয়নি। প্রহসনের সংসদ এবং সেই সংসদের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনো বৈধ হতে পারে না। সংসদে কোনো কার্যকর বিরোধী দল পর্যন্ত নেই। খালেদা জিয়া বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন রকম কারসাজি সত্ত্বেও বিরোধী দলের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। সেই শোচনীয় পরাজয় দেখে ভীত হয়ে ক্ষমতাসীনরা আর কোনো ঝুঁকি নেয়ার সাহস পায়নি। এরপর থেকে তারা পৌরসভা এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনগুলো পর্যন্ত দখল ও যুদ্ধে পরিণত করেছে। বিরোধী দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের তারা মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ ও অপসারণ করছে। খালেদা জিয়া বলেন, জাতীয় নির্বাচনের ব্যাপারে সর্বসম্মতিক্রমে আমরা যে ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলাম সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা একতরফাভাবে বাতিল করা হয়েছে। সংবিধানের বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে এক গভীর সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা সেই সংকট থেকে দেশকে মুক্ত করতে চাই। আমরা দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চাই। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে চাই। জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে চাই। দ্বন্দ্ব-সংঘাতের বদলে শান্তি ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এটাই কি আমার অপরাধ? সেই কারণেই কি এতো হেনস্তা, এতো মামলা-মোকদ্দমা আমার বিরুদ্ধে?
আমার পরিচয় দেশবাসী জানে
আদালতের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও চাঁদাবাজিসহ নানান রকম মামলা বিভিন্ন সময়ে হয়েছে। কিন্তু তার পরম সৌভাগ্য, কখনো তাকে আমার মতো আদালতে এমন করে হাজিরা দিতে হয়নি। আমি আইন-আদালত ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন নাগরিক। তাই এই বয়সে এতো ব্যস্ততা ও নানান সমস্যার মধ্যেও যতদূর সম্ভব আদালতে সশরীরে হাজির থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার নিযুক্ত আইনজীবীরা আইনানুগ পন্থায় মামলাসমূহ মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, আমি কখনো অনিবার্য কারণে আদালতে উপস্থিত হতে না পারলে আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার মতো ঘটনা ঘটছে। খালেদা জিয়া বলেন, আমার পরিচয় দেশবাসী জানে। আদালতেরও অজানা নয়। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পত্নী। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ঘোষক। তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের অন্যতম সফল অধিনায়ক। তিনি বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান। দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তক এবং জননির্বাচিত ও নন্দিত সফল রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাভাষী সৈনিকদের প্রতিরোধ যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করার সুযোগ আমাকে ইতিহাস দিয়েছে। এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমি সে কর্তব্য পালন করেছি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দু’টি শিশু সন্তানসহ গ্রেপ্তার হয়ে এই রাজধানীতে আরো অনেকের সঙ্গে চরম অনিশ্চিত ও দুঃসহ বন্দিজীবন আমাকে কাটাতে হয়েছে। আমাদের বন্দিশিবিরের ওপর বোমাবর্ষণের সময়ে আল্লাহ্র অসীম রহমতে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরেছি। কেবল মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নয়, এরপর আরো অনেকবারই চরম বিপদসঙ্কুল পরিস্থিতি ও মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও আজও বেঁচে আছি। জবানবন্দিতে খালেদা জিয়া বলেন, প্রায় পৌনে নয় বছর স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে জনগণের কাতারে থেকে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমি আপসহীন ভূমিকা রেখেছি। আমি এর জন্য মানুষের অপরিসীম সমর্থন ও দোয়া পেয়েছি। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আসনে জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছে। বাংলাদেশের জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আমি তিন-তিনবার তাদের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছি। আমি আমার জনগণের সেবা করার চেষ্টা করেছি তাদের অর্পিত দায়িত্ব সাধ্য, সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী পালন করে। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেয়ার এবং মানুষকে দুর্দশামুক্ত করে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করেছি। উন্নয়নে, উৎপাদনে, শিক্ষায়, নারীশিক্ষায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এবং সন্ত্রাস মুক্তির অভিযানে অবদান রেখে মানুষের জন্য স্বস্তি ও সম্ভাবনার পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেছি। উল্লেখ্য, চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার পরদিন ১৯শে অক্টোবর বিশেষ আদালতে হাজিরা দেন খালেদা জিয়া। সেদিন তিনি আদালতে তার প্রথমদিনের জবানবন্দি দেন। একসপ্তাহের মাথায় গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো জবানবন্দি দিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রয়োজন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে চাপে রাখা

প্রতিবেশী বাংলাদেশের সম্পদে (রিসোর্সেস) ও ধৈর্য্যে টান পড়েছে। তারপরও আরো রোহিঙ্গা আসছেই।
বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সমস্যাটির শিকড় এতটাই গভীরে যে, দৃশ্যত শুধু কঠোর অবরোধ দিয়ে এই নিষ্পেষণ থামানোর সুযোগ খুবই কম। নিউ ইয়র্ক টাইমসে হান্নাহ বিচ যেভাবে খোলামেলা রিপোর্ট করেছেন, তাতে দেখা গেছে মিয়ানমারের সব মানুষই দৃশ্যত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যে দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে তা হলো তারা অবৈধ, সহিংস, দ্রুত বর্ধনশীল আগন্তুক। যদিও তারা রাখাইনে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বসবাস করে আসছে, তাও তাদের বিষয়ে সার্বিকভাবে এমনই ধারণা মিয়ানমারে।
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গণহত্যা, গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ চালাচ্ছে এ বিষয়ে বিভিন্ন সংস্থা প্রামাণ্য রিপোর্ট উপস্থাপন করেছে। তবে এমন রিপোর্টকে বিদেশের শত্রুতাপূর্ণ মিথ্যা প্রচারণা হিসেবে দাবি করে মিয়ানমার প্রত্যাখ্যান করে আসছে। আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা) নামের বিদ্রোহী সংগঠন সীমান্ত পোস্টে হামলা চালানোর ফলে সেনাবাহিনীর অভিযান শুরু হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিশোধমূলক সেনা অভিযান এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, জাতিসংঘ একে জাতি নিধন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সম্প্রতি মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ রিপোর্টে বলেছে, তারা স্যাটেলাইটে ২৮৮টি রোহিঙ্গা গ্রামের ছবি ধারণ করেছে। এসব গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষ হতাশাগ্রস্ত। তারাই এক সময় সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বীরের মতো প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য অং সান সুচিকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু সেই সুচিই এখন রহস্যে ফেলে দিয়েছেন। কেন এত বিপুল সংখ্যক মুসলিম পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে চলে যাচ্ছেন- এমন কথা বলে তিনি রহস্য সৃষ্টি করছেন। এটা তর্কসাপেক্ষ ব্যাপার, যে সরকারের নিরাপত্তা ও সিভিল সার্ভিসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো রয়েছে সেনাবাহিনীর হাতে সেই সরকারের শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা হলেন অং সান সুচি। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার বিরুদ্ধে কোনো কিছু করার ক্ষমতা তার নেই। এর মধ্য দিয়ে সেখানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে গিয়ে গণতান্ত্রিক শাসনের পথে উদার অগ্রযাত্রা ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে রিপোর্ট পাওয়া গেছে যে, মঙ্গলবার বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অং সান সুচি একমত হয়েছেন যে, রোহিঙ্গাদের দেশছাড়া বন্ধ করতে এবং রাখাইন প্রদেশে তাদের বসতিতে ফিরে যেতে স্বাভাবিক অবস্থা তৈরি করতে কাজ করবে দু’দেশ।
এটা হতে পারে একটি ভালো আইডিয়া। কিন্তু এ বিষয়ে রোহিঙ্গাদের রাজি করাতে হবে বা তাদেরকে আশ্বস্ত করতে হবে যে, তারা দেশে ফিরে গেলে প্রকৃতপক্ষেই তাদের বিরুদ্ধে নিষ্পেষণ বন্ধ হবে। এ কাজটি শুধুমাত্র মিয়ানমারের জেনারেলরাই করতে পারেন। রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করতে হবে যে, তাদেরকে একপেশে করে রাখা, নিষ্পেষণ ও তাদের বিরুদ্ধে ভীতি সৃষ্টি করা হলে তার প্রেক্ষিতে সরাসরি ও গুরুতর শাস্তি দেয়া হবে।
(২৫শে অক্টোবর নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত সম্পাদকীয়’র অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেকলে বেঁধে শিশুশ্রম

আর এই ঘটনা পুলিশের নজরে একবারও আসেনি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোরশেদ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, আমাদের পাশে অথচ আমরা জানি না; আপনারা জানলেন কেমনে। এ নিয়ে সন্দেহ পোষণ করে তিনি বলেন, আপনার কাছে কি প্রমাণ আছে; শেকলে বাঁধা শিশুটির। ছবিসহ যাবতীয় তথ্য থাকার কথা বললে তিনি তা দেয়ার জন্য বলেন। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের পর পত্রিকায় দেখার অনুরোধ জানানো হয় তাকে। পরে তিনি এ ব্যাপারে দ্রুত খোঁজ-খবর নিচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেন।
সাতকানিয়ার বেলাল উদ্দিন বলেন, আমি সাতকানিয়া উপজেলার চরতি যাচ্ছিলাম। হঠাৎ মোটরসাইকেলের চেইন পিনিয়াম এর বিয়ারিং এর সমস্যা হওয়ায় ওই মোটরসাইকেল গ্যারেজে যাই। দেখি একটি শিশু পায়ে ও গলা মোটা শিকল দিয়ে তালাবদ্ধ অবস্থায় কাজ করছে। যা আমার হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে। বেলাল উদ্দিনের সহায়তায় মুঠোফোনে কথা হয় মোটর গ্যারজের মালিক রাজীব দাসের বাবা বাবুল দাসের সঙ্গে। রাজীব দাস এ সময় গ্যারেজে ছিলেন না। শিশুটিকে শেকলে বেঁধে রাখা হয়েছে কেন জানতে চাইলে বাবুল দাস বলেন, ছাড়া পেলে পালিয়ে যায়। তাই তাকে শেকলে বেঁধে কাজ করাানো হচ্ছে। প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত একবছর ধরে শিশুটিকে গলা থেকে পা পর্যন্ত তালা দেয়া শেকলে বেঁধে রাখা হয়েছে। গত দেড় বছর আগে তার বাবা-মা তাঁকে গ্যারেজের কাজ শেখার জন্য এখানে দিয়েছেন। কিন্তু সে পালিয়ে যায়। কয়েকবার ধরে আনার পর তার পা ও গলায় শেকল বাঁধা হয়েছে। অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার বাবা-মা বলেছেন তাকে বেঁধে রেখে কাজ করাতে। তার বাবার ফোন নম্বর চাইলে নেই বলে জানান তিনি। তবে তাদের বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নে যেতে বলেন তিনি। কিন্তু কোন গ্রাম বা তাদের নাম কি জানতে চাইলে তা না বলায় সেখানে যাওয়া বা কথা বলা সম্ভব হয়নি। শিশু শ্রম নিষিদ্ধ তবুও শিশুকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন কেন জানতে চাইলে বাবুল দাস বলেন, সে তো শ্রম দিচ্ছে না। কাজ শিখছে। তার বাবা-মা কাজ শিখতে দিয়েছে। এতে আমাদের জড়াচ্ছেন কেন। এ ব্যাপারে শিশু রায়হানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি অনীহা প্রকাশ করে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তবে বেলাল উদ্দিন শিশু রায়হানের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, কাজ শেখার জন্য মা-বাবা তাকে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু মালিক তাকে মারধর করে। খেতে দেয় না। তাই সে দু’বার পালিয়ে গিয়েছিল। পরে তাকে ধরে এনে পা ও গলায় শেকল দিয়ে তালা লাগিয়ে দেয়। চট্টগ্রাম মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, শ্রম আইন-২০০৬-এ ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশু শ্রমিক নিয়োগ সমপূর্ণ নিষিদ্ধ। এ বিষয়টি কম-বেশি সবাই জানেন। সেক্ষেত্রে শিশুদের ঝুঁিকপূর্ণ কাজে নিযুক্ত যারা করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, মোটর গ্যারেজে শিশু রায়হানের কাজ নিঃসন্দেহে ঝঁকিপূর্ণ। অধিকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় দ্রুত শিশুটিকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। এদিকে বেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় লোকজনের অনেকেই শিশুটির মুক্তি দাবি করেছেন। তাদের অনেকে ফেসবুকেও শিশুটির মুক্তি দাবি করে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিয়াকে নিয়ে দেয়া সেই বক্তব্য ধারণ করেন সিইসি

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে সিইসির ওই বক্তব্যের প্রসঙ্গ উঠে আসে। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন- এমন বক্তব্য এখনো ওউন (ধারণ) করেন কিনা- এ সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, হ্যাঁ। এখনো ওউন করি। আমি বিশ্বাস করি। এটা তথ্যভিত্তিক বলেছি। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যতদূর মনে পড়ে, জিয়াউর রহমান সাহেব ১৯৭৭ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর নতুন দল গঠন করেছিলেন। তার আগে ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দেশে গণতন্ত্র ছিল না। তার আগে (১৯৭৫ সালের আগে) গণতন্ত্র ছিল। আমি বলেছিলাম, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন, প্রতিষ্ঠা নয়। তার আগে বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিল। জিয়াউর রহমানের সময়ে গণতন্ত্র আবার ফিরে এসেছে। সেই ভিত্তিতে ১৯৭৮ সালে বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগসহ বহুদল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। বহুদল সংসদে যোগ দিয়েছিল। বহু দল সংসদ পরিচালনা করেছিল। কাউকে খুশি করার জন্য এটা বলিনি, তথ্যভিত্তিক বলেছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সংলাপে আওয়ামী লীগ এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা চায়নি। তবে আমরা যে বক্তব্য দিয়েছি তাতে হয়তো বুঝতে পেরেছেন আমাদের অবস্থান কী। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিবদমান ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার কোনো উদ্যোগ নির্বাচন কমিশন (ইসি) নেবে না বলে জানান সিইসি। তিনি জানান, বিদ্যমান সংবিধান ও আইন অনুযায়ী আগামী নির্বাচন আয়োজন করবে ইসি। সংসদ ভেঙে নির্বাচনের বিষয়ে সরকারকে আইন সংশোধনে বাধ্য করা বা চাপ সৃষ্টির কোনো সুযোগ নির্বাচন কমিশনের নেই। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, নির্বাচনের সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চাপ আসলে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবো। সংলাপে উঠে আসা প্রস্তাব বই আকারে প্রকাশ করে তা রাজনৈতিক দল ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠাবেন বলেও জানান সিইসি। সংবাদ সম্মেলনে সংলাপে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রস্তাব এসেছে, এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি সরাসরি উত্তরে বলেন, না। এমন উদ্যোগ নেবো না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ উদ্যোগ নেয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান হওয়া উচিত। এ উদ্যোগে আমরা (ইসি) যেতে চাই না।
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে আইনে কোনো পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- না, আইনে পরিবর্তন আনার দরকার নেই। যে আইন রয়েছে তাই যথেষ্ট। আইন প্রয়োগ করতে হবে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বাড়তি কোনো ব্যবস্থা নেয়ার দরকার নেই। যে আইন রয়েছে তাই প্রয়োগ করবো। কোনো কর্মকর্তা আইন অমান্য করলে শাস্তির বিধান রয়েছে। অর্থাৎ কারো অপরাধ প্রমাণ হলে তাদের শাস্তি পেতে হবে। বর্তমান সংবিধানের আওতায় দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার বিষয়ে ইসি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা সাংবিধানিক বিষয়। সংবিধান পরিবর্তন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। এটা রাজনৈতিক বিষয়। এদেশে তো বহুমুখী নির্বাচন হয়েছে। যখন যে সরকার এসেছে নির্বাচন করার দায়িত্ব কমিশনকে দিয়েছে, সেভাবে নির্বাচন করেছে। যেমন বলা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে নির্বাচন হয়েছে। পাকিস্তান সরকারের সময়ে হ্যাঁ, না ভোট হয়েছে। বেসিক ডেমোক্রেসি হয়েছিল। অর্থাৎ যেই সময়ে সরকার যে আইন তৈরি করে দেয়, ইসি সেভাবে নির্বাচন করেছে। সেই আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। সংবিধান মেনে ইসিকে চলতে হয়। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সংবিধানে যেভাবে আছে, সেভাবে নির্বাচন হবে। নির্বাচনের এখনো সময় আছে কখন কী হবে তা জানি না। এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আশা করি বিএনপিসহ সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমরা আন্তরিকভাবে চাই বিএনপিসহ সব দল নির্বাচনে আসুক। কারণ বিএনপি একটি বড় দল। আমরা বিশ্বাস করি, আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
সংলাপে অনেক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রস্তাব এসেছে- সরকার তা বাস্তবায়ন না করলে ইসির ভূমিকা কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, যেসব বিষয় ইসির এখতিয়ারভুক্ত তা সরকার করবেই। তবে জটিল কিছু বিষয় যেমন সহায়ক সরকার, সংসদ ভেঙে দেয়াসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলোর বিষয়ে সরকারকে চাপ দেয়া বা বাধ্য করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ইসির এখতিয়ার যেগুলো সে বিষয়ে ইসি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
বর্তমান আইনি কাঠামোতে সেনা মোতায়েন কোন প্রক্রিয়ায় হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সেনা নিয়োগ কিভাবে হবে, তাদের দায়িত্ব কী হবে তা নির্ধারণ করবে ইসি। এ বিষয়ে সেটা বলার সময় এখনো আসেনি। নির্বাচন আসুক তখন পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা যাবে। তবে বিদ্যমান কাঠামোতে সেনা মোতায়েন করা যাবে। সংলাপে সেনা মোতায়েন, সংসদ ভেঙে দেয়াসহ অনেক প্রস্তাব এসেছে। এমন অবস্থায় সংলাপের পর ইসি ভারমুক্ত হলেন নাকি চাপে আছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ না করা পর্যন্ত আমরা ভারমুক্ত হই না। ভার তো আমাদের উপর থাকবে, চ্যালেঞ্জ থাকবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে।
তফসিলের পর নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব সম্পূর্ণ মাঠ প্রশাসনের হাতে চলে যায়, তখন প্রশাসনের এসব লোক কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ মাঠ প্রশাসনের হাতে যাবে না। নিয়ন্ত্রণ যাবে এমন কথার দ্বিমত করি। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইসির হাতে। তারা আমাদের সহায়ক শক্তি মাত্র। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান বলে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের কর্মকর্তারাও নির্বাচনে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে সাংবিধানিকভাবে বাধ্য এবং তারা তা করে আসছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ধরনের সহযোগিতা নেয় ইসি। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন পর্যন্ত ২-৩ মাস সময় লাগে। ওই সময়ে ১২ থেকে ১৩ লাখ জনবল দরকার হয়। এত জনবল স্থায়ীভাবে ইসির নেই। নির্বাচন কমিশনের এত জনবল সারাবছর পোষা সম্ভব নয়, দরকারও নেই। তাই নির্বাচনের সময়ে রিক্যুইজিশন দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেনা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ দেয়া হয়। তারা নির্বাচনে ইসিকে সহায়তা করে। তাদের উপর ইসির নিয়ন্ত্রণ থাকে ও থাকবে। তিনি আরো বলেন, আরপিওতে একটি অধ্যায় রয়েছে, যেখানে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে শাস্তি দেয়ার বিধান রয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যেখানে আইনের ব্যত্যয় হবে সেখানে আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান কার্যকর করা হবে। রাজনৈতিক দলের কমিটিতে নারীদের উপস্থিতির প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সংলাপে নারীদের ভূমিকার বিরুদ্ধে যেসব প্রস্তাব এসেছে তা গ্রহণযোগ্য মনে হয় না। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সংলাপে ইসি সরকারের কাছে কিছু চেয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আওয়ামী লীগ সংলাপে এসেছে রাজনৈতিক দল হিসেবে, সরকার হিসেবে নয়। সীমানা পুনঃনির্ধারণ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, সীমানা নির্ধারণের আইন প্রণয়নের কাজ চলছে। তারপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।
সংলাপের শুরুতে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, সংলাপের মধ্য দিয়ে আমরা মূল্যবান ও দিকনির্দেশনামূলক সুপারিশ ও পরামর্শ পেয়েছি। আগামী নভেম্বরে এসব সুপারিশ ও পরামর্শ সংকলন করে ডিসেম্বরে বই আকারে প্রকাশ করা হবে। গত তিন মাসব্যাপী রাজনৈতিক দলসহ ৪৫টি সংগঠনের সঙ্গে সংলাপ করেছি। সংলাপের মধ্য দিয়ে যে সুপারিশ অর্জন করেছি, সচিব সাহেব তা তিন ভাগে বিভক্ত করে তা সংগঠন ও সংস্থাগুলোর সামনে উপস্থাপন করেছেন। সেগুলো হচ্ছে- সাংবিধানিক সংশ্লিষ্ট বিষয় যেমন নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার, নির্বাচনকালে সংসদ ভেঙে দেয়া ইত্যাদি। আইন বিষয়ক যেমন আরপিও সংশোধন, সীমানা নির্ধারণ আইন তৈরি করা ইত্যাদি। তৃতীয়ত: নির্বাচন কমিশনের করণীয় বিষয় যেমন নির্বাচনে সেনা নিয়োগ, আইনের সঠিক প্রয়োগ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন। এভাবে চার শতাধিক সুপারিশ অর্জন করেছি। এ সময় তিনি আরো বলেন, মাত্র সংলাপ শেষ করলাম। নিজেরা বসে অ্যাসেসমেন্ট করে দেখবো সুপারিশগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবো।
সংলাপের পর ইসিকে সরকার চাপে রাখবে নাকি ইসি সরকারকে চাপে রাখবে- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমাদের কাছে সরকার বা কোনো মন্ত্রী, এমপির কোনো চাপ আসেনি। কখনও চাপ আসেনি। তবে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে চাপ এসেছে, যা সবসময় আসে। কখনো রাজনৈতিক দল পুলিশ বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিষয়ে ফোন করেছে। তখন ভেরিফাই করে ব্যবস্থা নিয়েছি। কিন্তু কখনো সরকারের দপ্তর পক্ষ থেকে আলাদা করে চাপ আসেনি। আগামীতে চাপ আসলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবো।
সুশীল সমাজের সঙ্গে গত ৩১শে জুলাই সংলাপে বসে ইসি। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে দুইদিন, ৪০টি রাজনৈতিক দল, পর্যবেক্ষক, নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপ করে। প্রায় তিন মাসব্যাপী সংলাপ গত মঙ্গলবার শেষ হয়। ওই সংলাপের পর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করলো ইসি। এ সময় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
October
(23)
-
▼
Oct 31
(7)
- ২ বালিকাকে দেহব্যবসায় নামিয়েছেন এক মা, খদ্দের ৩ বা...
- পালিয়ে বেলজিয়ামে কাতালান নেতা পুইগডেমন্ট by নাজমুস...
- এসিডদগ্ধ মুসলিম মডেল রেশমের সাহসিকতা
- যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটে ঝুঁকছে যুবকরা by ফরিদ উদ্দিন...
- সিইসি’র কৌশলটা কী?
- ‘খালেদাকে ভোট থেকে দূরে রাখতেই ফেনীর ঘটনা’
- অপহরণ তদন্তে বেরিয়ে এলো লোমহর্ষক হত্যার রহস্য
-
►
Oct 30
(7)
- সিঙ্গাপুর চলে আসবে অন্ধ্রে? -বিবিসি
- শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি ওয়াশিংটনে, রচিত হচ্ছে নতুন ...
- বাগান থেকে কাপে আসার গল্প
- ভারতীয় সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে ব্যয়বহুল পরিকল্পনা
- যৌন কেলেঙ্কারিতে বিলাতের রাজনীতিবিদরাও
- চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অপহরণ অতঃপর...
- কেনেডি হত্যার গোপন দলিল- রবার্ট কেনেডির সঙ্গে প্রে...
-
▼
Oct 31
(7)
-
▼
October
(23)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...