Tuesday, June 4, 2019
ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে ঈদ আর কেমন হয়? by আসাদুজ্জামান রিপন

ঈদ উদযাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা ট্রিবিউনকে এমদাদুল হক বলেন, ‘ঈদের ভাবনা নয়, কীভাবে ঋণের টাকা শোধ করবো, সেটাই এখন প্রধান ভাবনা। এ বছর ধানচাষে যে লোকসান হয়েছে, তাতে সৃষ্ট ঋণের ভার কাঁধে নিয়ে ঈদ আর কেমন হয়?’
ধান চাষে উৎপাদন খরচের হিসাব দিতে গিয়ে এমদাদুল হক বলেন,‘এ বছর ধান চাষের জন্য প্রথমেই আমার এক বিঘা (৪৫ শতাংশ) জমি প্রস্তুত করতে চার জন শ্রমিকের খাবারসহ ২৫০০ টাকা মজুরি ব্যয় হয়েছে। জমি চাষে খরচ হয়েছে আরও ২ হাজার টাকা। বীজ ও বীজতলা প্রস্তুত করতে চাষাবাদ ও শ্রমিক খরচ লেগেছে ১ হাজার ৫শ টাকা। এরপর পাঁচজন শ্রমিকসহ নিজে ধানের চারা রোপন করতে গিয়ে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৫শ টাকা। এরপর ধানক্ষেত থেকে আগাছা পরিষ্কার (নিড়ানি) করতে কমপক্ষে চারজন শ্রমিকের মজুরি ও খাবার বাবদ ২ হাজার ৫শ টাকা ব্যয় হয়েছে। সার ও সেচ খরচ হয়েছে আরও ৫ হাজার টাকা। এই এক বিঘা জমির ধান কাটতে গিয়ে প্রয়োজন পড়েছে ৮ জন শ্রমিকের। এবার জনপ্রতি শ্রমিক মজুরি দিতে হয়েছে ১ হাজার টাকা করে। সঙ্গে খাবার খরচ আরও ২ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে প্রতিবিঘা জমিতে ধান উৎপাদনে খরচ পড়ছে ১৭ হাজার ৫শ টাকা। এছাড়া নিজেদের শ্রমতো আছেই।’
এমদাদুল হক জানান,এক বিঘা জমিতে ধানের ফলন হয়েছে ১৭ মণ। এরমধ্যে রোগাক্রান্ত হওয়ায় চিটা ধান ৪ মণ বাদ দিয়ে মোট ধানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ মণ। প্রতিমণ ধান সর্বোচ্চ ৮শ টাকা দরে ১৩ মণ ধানের দাম পাওয়া গেছে ১০ হাজার ৪শ টাকা। মোট লোকসান হয়েছে ৭ হাজার ১শ টাকা।
এভাবেই ধানচাষে বিঘাপ্রতি লোকসানের কারণে ঋণের বোঝা মাথায় নিতে হয়েছে কৃষক এমদাদুল হকের মতো জেলার প্রায় সব কৃষককে। ধান রোপনের আগে করা ঋণ পরিশোধের চিন্তায় এখন তারা দিশাহারা। এ অবস্থায় তাদের ঈদ যেন মরার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রায়পুরা উপজেলার টেকপাড়া গ্রামের কৃষক সাত্তার মিয়া বলেন, ‘ধারদেনা করে ধান লাগিয়ে এখন এই ঋণের টাকাই পরিশোধ করতে পারছি না। ঈদে ছেলে-মেয়ের নতুন কাপড়ের আবদার মেটানোও সম্ভব হয়নি। আমাদের মতো কৃষকের ঈদের দিন সবদিনের সমান।’
একই এলাকার কৃষক মুক্তার হোসেন, ইউনুছ মিয়া ও আলাউদ্দিন সঙ্গেও কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা বলেন, ‘এরপর থেকে আর ধান চাষ করবো না বলে ভাবছি। কিন্তু, আমরা তো কৃষক, কী করবো? ঈদের দিনটাও আমাদের পরিবারের জন্য আনন্দের হয় না।’
এবার নরসিংদী জেলায় ৫৬ হাজার ৩শ ১৭ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয় জানিয়ে জেলা কৃষি কর্মকর্তা শোভন কুমার ধর বলেন, ‘সরকার প্রতিমণ ধান ১০২৬ টাকা দরে কেনার ঘোষণা দিয়েছে। আগস্ট মাস পর্যন্ত ধান সংগ্রহ করবে সরকার। এজন্য কৃষক ধান কেটে ঘরে নিয়ে তিন মাস সংরক্ষণ করার পর বিক্রি করলে লোকসান হবে না। তবে, কৃষকরা তাৎক্ষণিক শ্রমিক খরচ যোগাতে সস্তায় ধান বিক্রি করে লোকসান গুনছেন।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ কেমন হাতুড়ে ডাক্তার? by ওয়েছ খছরু

গোয়াইনঘাটের আগলসপুর গ্রামের তরুণ বিনন্দ দাস। বয়স ২০-এর কাছাকাছি। ওই গ্রামের উপানন্দ দাসের ছেলে। এরই মধ্যে চা-বাগানী এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে বিনন্দ দাসের। কয়েক মাস ধরে চলা এই প্রেম জানাজানি হয়ে যায় এলাকায়। তবে প্রেমের সম্পর্ক ভালোভাবে নেয়নি বিনন্দের পরিবার। তারা ঘটনাটিকে নিয়ে বিনন্দকে গালিগালাজ করেন।
এতেই ক্ষোভ বাড়ে বিনন্দের। কাউকে কিছু না বলে বাজার থেকে কিনে আনে চা-বাগানের ঘাষ নিধনের জন্য ব্যবহৃত ‘মরণঘাতি’ বিষ। গত ২৯শে এপ্রিল পান করে বিনন্দ। ভোররাতে পান করার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিনন্দকে তাৎক্ষণিক নিয়ে যাওয়া হয় এলাকার হাতুড়ে ডাক্তার বিকাল দেবনাথের কাছে। বিনন্দের পরিবারের সদস্যরা মানবজমিনকে জানিয়েছেন, বিকাশের কাছে নিয়ে যাওয়ার আগে বিনন্দ বমি করে। কয়েক দফা বমি করার ফলে সে কাহিল হয়ে পড়ে। এ সময় ডাক্তার বিকাশ তাদের বলেন, যেহেতু বমি করেছে, সে কারণে ঝুঁকি নেই। এখন সুস্থ হয়ে যাবে। এ কথা বলে বিনন্দের শরীরে ইঞ্জেকশন পুশ করে এবং ওষুধ দিয়ে তাদের বিদায় করে দেয়। এদিকে হাতুড়ে ওই ডাক্তারের দুই দিনের চিকিৎসার পর আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে বিনন্দ। তার শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হচ্ছিল। দুই দিন চিকিৎসা গ্রহণের পর অবশেষে হাতুড়ে ডাক্তার বিকাশ দেবনাথ মৃত্যু পথযাত্রী অবস্থায় বিনন্দকে ওসমানী হাসপাতালে রেফার করেন। ১লা মে পরিবারের সদস্যরা বিনন্দ দাসকে নিয়ে আসেন সিলেটে।
প্রথমে তাকে সিলেটের আল রাইয়ান ক্লিনিকে ভর্তি করেন। এ সময় সেখানের কর্তব্যরত ডাক্তার বিনন্দকে দেখেন। তারা বলেন, বিনন্দের গোটা শরীরে বিষক্রিয়া হয়েছে। বিষ ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে। তাকে বাঁচানো সম্ভব নাও হতে পারে। এর কারণ হিসেবে ডাক্তাররা বলেন, কেউ বিষ পান করলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভেতর থেকে ওয়াশ করে বিষ বের করে নিতে হয়। নতুনবা সময় যত বাড়ে তার শরীরে তত বিষ ছড়িয়ে পড়ে। তেমনটি হয়েছিল বিনন্দের বেলায়। এ কারণে বিষ শ্বাসনালীতেও আঘাত হানে। এদিকে শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হওয়ার কারণে আইসিইউ সুবিধা নিতে গত ২রা মে সিলেটের সুবহানীঘাটের ওয়েসিস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিনন্দকে। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর বিনন্দকে আইসিইউ সুবিধা দেয়া হয়। পাশাপাশি তাকে অন্যান্য চিকিৎসাও দেয়া হয়। তবে হাতুড়ে ডাক্তার বিকাশ দেব চিকিৎসার নামে সময়ক্ষেপণ করার কারণে বাঁচানো গেল না বিনন্দকে। গত ৭ই মে মধ্যরাতের পর বিনন্দ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এদিকে গতকাল সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে বিনন্দের লাশ গ্রামের বাড়ি গোয়াইনঘাটে নিয়ে সৎকার করা হয়।
বিনন্দের পিতা উপানন্দ দাস গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানিয়েছেন, তার ছেলে বিষ পানের পর আমরা হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসি এবং তিনি বলেন, সুস্থ হয়ে যাবে। তাকে ইঞ্জেকশন পুশ করার পাশাপাশি ওষুধও খাওয়ান। টানা দুই দিন চিকিৎসা গ্রহণ করেও কোনো উন্নতি হয়নি। এই দুই দিনের মধ্যে তার শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বিনন্দের মৃত্যুর জন্য হাতুড়ে ডাক্তারের চিকিৎসাকে দায়ী করেন। হাতুড়ে ডাক্তার বিকাশ দেবনাথ অভিযোগের ব্যাপারে জানান, তিনি মাত্র একদিন চিকিৎসা দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে সে সুস্থ না হওয়ার কারণে তাকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেয়া হয়। সিলেটের গোয়াইনঘাট হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. রেহান উদ্দিন জানিয়েছেন, কেউ বিষপান করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। তাকে ওয়াশ করতে হবে। এরপর চিকিৎসা দিতে হবে। হাতুড়ে ডাক্তার এসব ঘটনায় চিকিৎসা দিতে পারেন না বলে জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এটিএম বুথে অভিনব চুরি: সতর্কতার কারণে অর্থ সংকটের আশঙ্কা

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত শুক্রবার রাতে ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটি বুথ থেকে সাইবার ক্রিমিনালরা অভিনব কায়দায় টাকা তোলার ঘটনায় বুথগুলোতে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিয়েছে নিজ নিজ ব্যাংকগুলো। এ কারণে বুথগুলোতে টাকার প্রবাহ কম।
জানা গেছে, বুথ থেকে জালিয়াতি করে অর্থ তুলে নিলেও তার রেকর্ড পাওয়া যায়নি ব্যাংকের সার্ভারে কিংবা কোনো গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকেও টাকা যায়নি। অর্থাৎ টাকাটা সরাসরি এটিএম মেশিন থেকে বের করে নিয়েছে দুর্বৃত্ত চক্র। কর্মকর্তারা বলছেন, এখানে এক ধরনের কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে যেগুলোর মেশিনে দিয়ে সরাসরি অর্থ বের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ আটক করেছে ইউক্রেনের ৫ নাগরিককে।
গতকাল রাজধানীর কয়েকটি ব্যাংকের সেবা ঘর (এটিএম বুথ) বন্ধ দেখা যায়। এ সময় বুথটির ভেতরে কর্মকর্তারা থাকলেও কলাপসিবল গেট বন্ধ করে রাখা হয়। বুথটির নিরাপত্তাকর্মী জানান, বুথে সমস্যা হয়েছে। টাকা না থাকার কারণে বুথ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। আজ থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক। এ সময় কেবল এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিং চালু থাকবে।
এদিকে খুলনার ব্যাংক থেকে মজুরির টাকা তুলতে গিয়ে নতুন দুর্ভোগে পড়েছেন পাটকল শ্রমিকরা। ব্যাংকগুলোর এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় এই দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরই খালিশপুর এলাকার সব এটিএম বুথে টাকা শেষ হয়ে যায়। শুক্রবার সকালে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বুথে টাকা দিলেও ১১টার মধ্যে তা শেষ হয়ে গেছে। ফলে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা থাকলেও তা হাতে পাচ্ছেন না শ্রমিকরা।
ঈদের আগে শেষ ব্যাংকিং লেনদেন ছিল গতকাল। ফলে ব্যাংকে ছিল উপছে পড় ভিড়। ব্যাংকে লাইনে দাঁড়ানো থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আশ্রয়স্থল ছিল বুথ। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এটিএম বুথগুলোতেও নেটওয়ার্ক সমস্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দু-একটি ব্যাংকের বুথে অবশ্য নেটওয়ার্ক সমস্যার কথা ‘গ্রাহকের অবগতির স্বার্থে’ ব্যাংক কর্তৃপক্ষই সাদা কাগজে লিখে রেখেছে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত বেশকিছু ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা না পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অবস্থায় ঈদের ছুটিতে এটিএম বুথের সার্বক্ষণিক সেবা পাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া আছে। এখন কিছু বুথে নেটওয়ার্কের সমস্যার কথা শুনেছি। এই সমস্যা দ্রুত সমাধান করার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, এটিএম বুথ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশকে আগেই সতর্ক করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানিয়ে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে এ সংক্রান্ত একটি চিঠিও দেয়া হয়েছিল। জোরদার করতে বলা হয়েছিল নিজেদের ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু বিষয়টিতে গুরুত্ব না দেয়ায় বিদেশি সাইবার ক্রিমিনালরা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেদ করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিল।
এর আগে ২০১৬ সালে বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ৪টি এটিএম বুথে গ্রাহকের কার্ডের তথ্য-উপাত্ত চুরি করে এটিএম থেকে অর্থ তোলার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলো। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, স্কিমিং ডিভাইস বসিয়ে এসব তথ্য চুরি করা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে ৪টি বুথে ১২০০ কার্ডে লেনদেন হয়েছে। তবে তথ্য চুরি ও কার্ড ক্লোন হয়েছে ৩৬টির মতো কার্ডে এবং এভাবে প্রায় ২০ লাখের মতো অর্থ চুরির ঘটনা ঘটেছিলো। আর ওই ঘটনাতেও উঠে এসেছিলো কয়েকজন বিদেশী নাগরিকের নাম। এসব কারণেই কার্ড ও এটিএম বুথ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঈদের সময় ব্যাংক বন্ধ থাকে। এই বন্ধের সময় যেন কোন দুষ্টচক্র কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে, সে জন্য ব্যাংকগুলোকে সাইবার নিরাপত্তাসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ইউক্রেনের ৬ নাগরিক রিমান্ডে: অভিনব জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা উত্তোলণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ইউক্রেনের ছয় নাগরিককে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। তাদের প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, দেনিস ভিতোমস্কি (২০), নাজারি ভজনোক (১৯), ভালেনতিন সোকোলোভস্কি (৩৭), সের্গেই উইক্রাইনেৎস (৩৩), শেভচুক আলেগ (৪৬) ও ভালোদিমির ত্রিশেনস্কি (৩৭)। ঢাকার বিভিন্ন ডাচ বাংলা ব্যাংকের অটোমেটেড টেলার মেশিনের (এটিএম) বুথ থেকে অন্তত অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই বিদেশী চক্রটি। এই চক্রের পলাতক আরেক সদস্য ইউক্রেন নাগরিক ভিটালি’র (পাসপোর্ট নম্বর এফই ৮০৪৪৮) কাছে অন্তত ১০ লাখ টাকা রয়েছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশনে রেড এ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা আন্তজার্তিক জালিয়াত চক্রের সদস্য। এর আগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৩০টি দেশের এটিএম বুথ টার্গেট করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে তারা। গত ১৫ দিনে তারা এই টাকা হাতিয়ে নেয়। এদের মধ্যে একটি গ্রুপের সাত জন গত ৩০শে মে বাংলাদেশে আসে। এরপর তারা ডাচ-বাংলা ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের বুথ থেকে অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুবুল আলম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা ইউক্রেনের নাগরিক। তারা আন্তজার্তিক ব্যাংক জালিয়াত চক্রের সদস্য। এরা টুরিষ্ট ভিসায় দেশে ঢুকেছেই মুলত ব্যাংকের বুথ থেকে জালিয়াতের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতে। এরা আন্তজার্তিক পুলিশ সংস্থা এফবিআইএর তালিকাভুক্ত।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই চক্রের সদস্যরা সক্রিয় বলে জানান তিনি।
ডিবির তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিনব পদ্ধতিতে চক্রের সদস্যরা এটিএম বুথ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। তাদের এই আধুনিক কৌশল কোনোভাবেই বাংলাদেশের ব্যাংক কর্তৃপক্ষের জানা থাকার কথা নয়। সারা বিশ্বেই এটা একটি নতুন পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ব্যাংকের সার্ভারে কোন রেকর্ড থাকে না। এতদিন এটিএম কার্ড হোল্ডারদের কার্ড নকল করে বা ক্লোন করে এ ধরণের জালিয়াতি করা হতো। এ চক্রের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও একজন এখনও পলাতক রয়েছে। তার কাছেই ডাচ বাংলার বুথ থেকে হাতিয়ে নেয়া সাড়ে চার লাখ টাকা রয়েছে বলে গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।
ডিবির এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রায় এক সময়ে আন্তজার্তিক এটিএম বুথ জালিয়াতি চক্রের সাত সদস্য গত ৩০শে মে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ঢাকার পান্থপথের হোটেল ওলিও ড্রিম হ্যাভেনে অবস্থান করে এটিএম বুথে কিভাবে ঢুকবে, টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর তারা কিভাবে পালাবে এমন নানান পরিকল্পনা করতে থাকে। এরপর গত শুক্রবার খিলগাঁও এলাকার ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটি বুথ থেকে এদের দু’জন তিন লাখ উঠায়।
তারা টাকা হাতিয়ে নিয়ে বুথ ত্যাগ করার সময় কিছু টাকা বুথে ফেলে যায়। এতেই সন্দেহ বাড়তে থাকে। পরে বিষয়টি বুথের নিরাপত্তারক্ষী ব্যাংক কর্মকর্তাদের জানালে তারা ওই বুথে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজে দেখেন, দুই বিদেশি নাগরিক বুথ থেকে টাকা উঠিয়ে বের হয়ে যায়। কিন্তু সিসিটিভিতে ওই দৃশ্য দেখা গেলেও ব্যাংকের সার্ভারে এই টাকা উত্তোলনের কোনও হিসাব জমা পড়েনি। এতে ব্যাপক সন্দেহ তাদের মনে দানা বাঁধে। পরের দিন শনিবার একই বুথ থেকে তারা টাকা হাতিয়ে নিতে ঢোকে। তারা মুখে মাস্ক দিয়ে ও মাথায় ক্যাপ দিয়ে বুথে ঢোকে। তবে বুথে ঢুকে বেশি সময় নেয়ায় সন্দেহ হয় নিরাপত্তারক্ষীর। তখন তিনি আশপাশের লোকজনকে ডেকে সহযোগিতা চান।
বিষয়টি টের পেয়ে দুই বিদেশি নাগরিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন একজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে হোটেল ওলিও ড্রিম হ্যাভেনে অভিযান চালিয়ে আরো পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পালিয়ে যাওয়া ইউক্রেন নাগরিকের নাম ভিটালি (পাসপোর্ট নম্বর এফই ৮০৪৪৮)। বুথ থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা তার কাছে রয়েছে বলে আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। তবে সে যেন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য দেশের সবকটি ইমিগ্রেশন পয়েন্টে তার বিষয়ে এলার্ট জারি করা হয়েছে।
ডাচ বাংলা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিবিকে জানিয়েছে, তাদের বুথ থেকে জালিয়াত চক্র মোট সাড়ে চার লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
হোটেও ওলিও ড্রিম হ্যাভেন কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৩০শে মে সাতজন ইউক্রেনের নাগরিক তাদের হোটেলের অষ্টম তলার ৮০৫ ও ৮০৭ নম্বরের দুটি কক্ষ ভাড়া নেয়। তাদের আচরণ সন্দেহজনক ছিল। তারা দিনের বেলা ঘনঘন বাইরে বের হতো। আবার দ্রুতই কক্ষে প্রবেশ করত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫০০ কোটি টাকার শেয়ার প্রত্যাখ্যান গুগল প্রধান নির্বাহীর!

ঠিক কত টাকার শেয়ার সুন্দর পিসাই ফিরিয়ে দিয়েছেন, তা নিখুঁতভাবে জানা যায়নি। তবে অনুমান করা হচ্ছে, এই শেয়ারের মূল্য প্রায় ৫৮ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।
তবে এই অর্থ ফিরিয়ে দেয়ার নেপথ্যে শুধু পিসাইয়ের সদাশয়তা কাজ করেছে ভাবলে হয়তো ভুল হবে।
এ বছরের শুরুর দিকে গুগলের অভ্যন্তরীণ এক বৈঠকে একজন কর্মী প্রশ্ন তোলেন যে, সিলিকন ভ্যালিতে কর্মরত অনেক নিচু সারির কর্মী যেখানে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে প্রধান নির্বাহীকে এই বিপুল পরিমাণ বেতনভাতা দেয়ার যৌক্তিকতা কী? হয়তো এ নিয়ে উদ্ভূত বিতর্ক আর না বাড়াতে অতিরিক্ত এই শেয়ার বোনাস গ্রহণ না করাই সমীচীন মনে করেছেন পিসাই।
এ বছরের শেষ নাগাদ গুগলের মূল কোম্পানি আলফাবেট সুন্দর পিসাইয়ের পারিশ্রমিক নিয়ে বৈঠকে বসবে। তার পারিশ্রমিক চুক্তির কিছু অংশবিশেষে হয়তো পরিবর্তনও আনা হবে। তবে ততদিনে তার বিদ্যমান শেয়ারের মুনাফা জমা হয়ে তিনি হয়ে উঠবেন ব্যাপক ধনী।
২০১৪ সালে সুন্দর পিসাই যখন পদোন্নতি পেয়ে গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজের অনেক দায়িত্ব বুঝে পান, তখন তিনি প্রায় ২৫ কোটি ডলার মূল্যের স্টক শেয়ার পেয়েছিলেন। তার পরের বছর তিনি গুগলের প্রধান নির্বাহী হন। তখন তিনি পান আরো ১০ কোটি ডলারের শেয়ার। ২০১৬ সালে তিনি আরো ২০ কোটি ডলারের শেয়ার পান।
কিন্তু ওই বছর থেকেই গুগলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে অনেক বিতর্কের সাক্ষী হতে থাকেন পিসাই। ওই বছরের শুরুতে গুগলের কর্মীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। তারও কিছুকাল পরে জেমস ডামোর নামে একজন গুগল প্রকৌশলী প্রকাশ্যে দাবি করেন গুগল রক্ষণশীল বা কনজারভেটিভদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ করে। এই দাবির পর রিপাবলিকানরা ব্যাপক ক্ষেপে ওঠে।
২০১৮ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গুগলের কাজ করার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় গুগল কর্মীরা। অগত্যা মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হয় প্রতিষ্ঠানকে। একই বছর চীনে শাসকগোষ্ঠীর চাহিদা মতো গুগলের একটি সেন্সর্ড সার্চ ইঞ্জিন চালু করার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে ফুঁসে উঠে কর্মীরা। ২০১৬ সালেরই শেষের দিকে যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত নির্বাহীদেরকে বড় অঙ্কের বোনাস দেয়ার প্রতিবাদে কয়েক হাজার গুগল কর্মী কর্মবিরতি পালন করে।
এছাড়া প্রধান নির্বাহীর বিপুল অঙ্কের বোনাস প্রাপ্তি নিয়ে অসন্তোষ তো আছেই। প্রধান নির্বাহীদের অত্যধিক বেতন-ভাতা নিয়ে গুগলের বাইরেও রব উঠছে। একই সময়ে বিশ্বব্যাপী বেশ কয়েকটি মনোপলির (বাজারে একাধিপত্য) তদন্ত চলছে গুগলের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রেও গুগলের বিপুল ক্ষমতা, প্রকাণ্ড আকার ও মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশাধিকার নিয়ে নানারকম পর্যালোচনা চলছে।
দুই প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সার্জি ব্রিন এখন আর প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখেন না। সাবেক প্রধান নির্বাহী এরিক শিমিডথ এতদিন গুগলের বোর্ডে ছিলেন। তিনিই রাজনৈতিক বিষয়াষয় দেখাশোনা করতেন। কিন্তু তিনিও শিগগিরই বিদায় নিচ্ছেন। এই বছরের ডিসেম্বরে নানা ধরনের বিতর্কের মুখে কংগ্রেসের শুনানিতে বসতে হয় সুন্দর পিসাইকে।
তবে এতকিছুর পরও গুগলের লাভের অঙ্ক কিন্তু পিসাইয়ের অধীনে বেড়েই চলেছে। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর আলফাবেটের শেয়ারের মূল্য ৫০ শতাংশ বেড়েছে! তবে গত ত্রৈমাসিক বর্ষে ওয়াল স্ট্রিটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইউরোপের সমর্থন পেতে মরিয়া আমেরিকা

মাইক পম্পেও বার্লিনে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে ইরানের সঙ্গে ইউরোপের আর্থিক লেনদেনের বিশেষ ব্যবস্থা ‘ইনসটেক্স’ চালুর কথা উল্লেখ করে বলেছেন, যেসব পণ্যের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে সেসব ছাড়া অন্য কোনো পন্যে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে ওয়াশিংটনের আপত্তি নেই। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন সময় ইউরোপে তিন দিনের সফর শুরু করেছেন যখন গত কয়েক সপ্তাহে মার্কিন কর্মকর্তারা একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক হুমকি দিয়ে চলেছেন এবং যুদ্ধ বাধানোর পায়তারা করছেন অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সংলাপে বসারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যা পরস্পর বিরোধী অবস্থান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ইরান ইস্যুতে ইউরোপের সঙ্গে আমেরিকার বিতর্ক চরমে উঠেছে। আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলেও ইউরোপ এ চুক্তি টিকিয়ে রাখার পক্ষে অস্থান নিয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় ইউরোপের কর্মকর্তারা ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য 'ইনসটেক্স' ব্যবস্থা চালু করার কথা বলছে। কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তারা হুমকি দিয়েছেন, যেসব দেশ ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে, আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার যে কথা বলছে ইউরোপ তার সঙ্গে একমত হতে পারেনি। ইউরোপীয় কর্মকর্তারা পশ্চিম এশিয়ায় ট্রাম্পের যুদ্ধকামী তৎপরতারও বিরোধিতা করেছেন। জার্মানির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী নাইল্স অ্যানেন মার্কিন কর্মকর্তাদের ইরান বিরোধী যুদ্ধংদেহী মনোভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতি বেআইনী যা জাতিসংঘ নীতিমালার লঙ্ঘন।
তবে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইউরোপীয়রা যদিও গত কয়েক বছরে আমেরিকার ইরান বিরোধী নীতির প্রতি সমর্থন জানায়নি কিন্তু তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় ইরানের স্বার্থ রক্ষায়ও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ইউরোপ এখনো ‘ইনসটেক্স’ ব্যবস্থা চালু করেনি। এ অবস্থায় মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিকসহ আরো অন্যান্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনে ইউরোপের সমর্থন লাভের চেষ্টা করছেন। তবে ইউরোপ আমেরিকার এ আবদারকে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক নীতিমালার লঙ্ঘন বলে মনে করে। তাদের মতে পরমাণু সমঝোতা ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য অনেক বড় কূটনৈতিক অর্জন যা ইউরোপের নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক দফতরের প্রধান ডোমেনিক দাউই সব ক্ষেত্রে আমেরিকার দাবীদাওয়া ইউরোপ মেনে নেবে না উল্লেখ করে বলেছেন, ইউরোপের নিজস্ব স্বাধীন নীতি রয়েছে এবং ইউরোপের উচিত স্বাধীন কূটনৈতিক নীতি বজায় রাখা।
যাইহোক, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইরানের বিরুদ্ধে আরো ব্যবস্থা নিতে ইউরোপকে রাজি করানোর জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালালেও ইরান ইস্যুতে খোদ মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় তিনি ইউরোপের সমর্থন পাবেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জঙ্গি’ শামীমার সঙ্গে বাংলাদেশকে জড়ানোয় যুক্তরাজ্যকে দুষলেন আইনজীবী by অদিতি খান্না

আইনজীবী তাসনিম আকুঞ্জির-এর লেখা চিঠিতে বলা হয়, শামীমা বেগমের পরিবার বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে অভিবাসন নিলেও শামীমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ব্রিটেনে। বাংলাদেশে কখনোই যাওয়া হয়নি তার। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য কেবল তখনই কারও নাগরিকত্ব তখনই প্রত্যাহার করতে পারে, যখন ওই ব্যক্তির রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা না থাকবে। ব্রিটিশ নাগরিকত্ব প্রত্যাহার হলেও শামীমা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন- এমন বিবেচনা থেকে তার নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করা হয়। তবে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে, শামীমা বেগম তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য নন। এছাড়া বাংলাদেশে প্রবেশ করলে সন্ত্রাসবাদে সংশ্লিষ্টতার কারণে শামীমা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারে।’
শামীমার এই পারিবারিক আইনজীবীর চিঠি থেকে আরও জানা যায়, ‘শামীমার বাবা-মা কখনোই বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় বসবাস করেননি। তারা বাংলাদেশের হাই কমিশনে শামীমার জন্ম নিবন্ধনও করাননি। শিশু হিসেবে তাকে কখনোই বাংলাদেশেও নিয়ে আসেননি তারা।’
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, শামীমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা এমনকি উগ্রপন্থায় জড়িয়ে পড়াও যুক্তরাজ্যে।
এদিকে শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের পেছনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়ী করে চিঠিতে বলা হয়, ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশে ক্ষমতার অপব্যবহার। ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নিজের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারে সাজিদ জাভিদ শামীমার নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করেছেন। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ওপর এমন একটি দায় চাপাচ্ছেন যার সঙ্গে দেশটির কোনও সম্পর্ক নেই।
১৬ পৃষ্ঠার এই চিঠিতে শামীমা বেগমের বোন রেনু বেগমের লেখা একটি চিঠি থেকেও উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। বোন রেনু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদকে লেখা চিঠিতে দাবি করেছেন, তাদের সঙ্গে শামীমার কোনও যোগাযোগ নেই। তবে পরিবারের সদস্য হিসেবে তার প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তার বোনের পুনর্বাসনের সুযোগ বাতিলের অভিযোগও করেন রেনু।
এদিকে তাসনিম আকুঞ্জির লেখা চিঠির বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বলা হয়, কোনও একটি ঘটনা সম্পর্কে নিয়মিত তারা কোনও মন্তব্য করেন না।
আর লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই ধরনের মামলায় তারা সবসময়ই ট্রাজেডি রোধ করাতেই মনোনিবেশ করে থাকেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম কমান্ডের প্রধান ক্লার্ক জ্যারেট বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য কাউকে অপরাধী বানানো নয়। বরং আমরা ট্রাজেডি রোধ করতে চাই এবং ওই মেয়ে ও তার পরিবারকে সহায়তা দিতে চাই। ওই মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার মুহূর্ত থেকেই আমরা তার শুভকামনা প্রত্যাশা করে আসছি।’
জানা যায়, লন্ডনের বেথনেল গ্রিন অ্যাকাডেমি স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল শামীমা। ২০১৫ সালে আমিরা আবাসে ও খাদিজা সুলতানা নামের আরও দুই কিশোরীকে সঙ্গে নিয়ে আইএসে যোগ দিয়েছিল সে। পরিবারকে একদিনের জন্য বাইরে যাওয়া কথা বলে প্রথমে তুরস্ক যায় তারা। সেখান থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে সিরিয়ায় প্রবেশ করে। এরপর নেদারল্যান্ডস থেকে সিরিয়ায় যাওয়া এক আইএস জঙ্গিকে বিয়ে করেছিল শামীমা। দুইবার গর্ভপাতের পর সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় সে। পরে সেই শিশুরও মৃত্যু হয়। উদ্ধারের পর শামীমা আবারও যুক্তরাজ্যে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে মাথাপিছু আয় মাসে ৩৯৪০ টাকা

আগের ছয় বছরের ব্যবধানে মাসিক মাথাপিছু আয় ও পরিবারের আয়—দুই ক্ষেত্রেই বেড়েছে। ২০১০ সালে এ দেশের একজনের প্রতি মাসে আয় ছিল ২ হাজার ৫৫৩ টাকা। ছয় বছরের ব্যবধানে ব্যক্তির গড় আয় বেড়েছে ৫৪ শতাংশ। আর পরিবারের আয় বেড়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। তবে এই আয় কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের একক আয় নয়। সব মানুষ ও পরিবারের আয়কে মানুষ ও পরিবারপ্রতি ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
গত ১৩ মে সোমবার বিবিএস এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০১৬–এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিবিএসের মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েন। এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিবিএসের জাতীয় হিসাব শাখার পরিচালক জিয়া উদ্দীন আহমেদ, খানা আয় ও ব্যয় জরিপ প্রকল্পের পরিচালক দিপংকর রায়।
জরিপের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২০১৬ সালে এ দেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। এর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিবিএস প্রক্ষেপণ করেছে যে ২০১৮ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে হতদারিদ্র্যের হার ২০১৬ সালে নেমে এসেছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে। ২০১৮ সালে তা আরও কমে ১১ দশমিক ৩ শতাংশ হয়েছে। ২০১৬ সালের পর বিবিএস আর কোনো খানা আয় ও ব্যয় জরিপ করেনি।
এই বিষয়ে কৃষ্ণা গায়েন বলেন, এর আগে প্রাথমিক ফলাফল দেওয়া হয়েছিল। এখন চূড়ান্ত ফলাফল দেওয়া হলো। প্রাথমিক ফলাফলের সঙ্গে চূড়ান্ত ফলাফলের খুব বেশি পার্থক্য নেই।
এবার আসি, এ দেশের মানুষ আয়ের কত অংশ কোথায় খরচ করেন। একটি পরিবার প্রতি মাসে ভোগ ব্যয়ে খরচ করে ১৫ হাজার ৪২০ টাকা। সার্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ এখন যত আয় করেন, তার অর্ধেকের বেশি খাদ্যবহির্ভূত পণ্য কিনতে খরচ করে থাকেন।
২০১৬ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ। তাতে বলা হয়েছে, ছয় বছরে মাথাপিছু মাসিক আয় ৫৪ শতাংশ বেড়েছে।
জরিপের ফল অনুযায়ী, খাদ্যপণ্য কিনতে এ দেশের মানুষ আয়ের ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ খরচ করেন। এ ধরনের চিত্র প্রথমবারের মতো পাওয়া গেছে। অন্য খানা আয় ও ব্যয় জরিপগুলোতে দেখা গেছে, আয়ের অর্ধেকের বেশি খরচ করতে হতো খাদ্যপণ্য কিনতে। যেমন, ২০১০ সালে জরিপ অনুযায়ী, আয়ের ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ খরচ করতেন খাদ্যপণ্যে। এর আগের জরিপে অর্থাৎ ২০০৫ সালে আয়ের ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ খরচ হতো খাদ্যপণ্যে। অবশ্য মানুষের আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যপণ্যের চেয়ে অন্য পণ্যে বেশি খরচ করে থাকেন।
আয় ও ভোগ ব্যয় বাড়লেও মানুষের ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমেছে। এ দেশের মানুষ খাবারের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ২২১০ ক্যালরি গ্রহণ করে। ২০১০ সালেও ২৩১৮ ক্যালরি গ্রহণ করত।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসছে। এখন ভাত খাওয়ার প্রবণতা কমেছে। জরিপের ফল অনুযায়ী, একজন বাংলাদেশি দৈনিক গড়ে ৩৬৭ গ্রাম ভাত খায়। ২০১০ সালে দৈনিক ৪১৬ গ্রাম ও ২০০৫ সালে ৪৪০ গ্রাম ভাত খেত। তবে মাছ-মাংস, ডিম, শাকসবজি, ডাল খাওয়া বেড়েছে। কমেছে ফল ও দুধ খাওয়া।
কৃষি পেশার প্রতি ঝোঁক বাড়ছে। এ দেশের ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ কর্মজীবী কৃষির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাকিরা অন্য খাতের পেশায় আছেন। ছয় বছর আগে কর্মজীবীদের ৩৬ শতাংশের মতো কৃষি খাতে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।
মানুষের জীবনযাত্রায়ও বেশ পরিবর্তন এসেছে। পাকা ঘরে বসবাস যেমন বেড়েছে, তেমনি সুপেয় পানি, স্যানিটারি ব্যবস্থারও উন্নতি হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী দেশের ৮৪ শতাংশ ঘরে টিনের ছাউনি। আর অর্ধেক পরিবারের ঘরে ইটের দেয়াল। তবে এখনো ৩৫ শতাংশের মানুষ কাঁচা পায়খানা ব্যবহার করে। পাকা পায়খানা ব্যবহার করে ৬১ শতাংশের বেশি মানুষ। খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করে প্রায় ৩ শতাংশ মানুষ। আর ৮৫ শতাংশ মানুষ টিউবওয়েলের পানি পান করে। দেশের ৭৬ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ–সুবিধার আওতায় এসেছে।
দরিদ্র পরিবারের ৯০ শতাংশ শিশুই স্কুলে যায়। আর দারিদ্র্যসীমা পার হওয়া পরিবারের যায় ৯৫ শতাংশ।
প্রকল্প পরিচালক দিপংকর রায় বলেন, এই জরিপটির মাধ্যমে দারিদ্র্যের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়। এসডিজির প্রথম লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য নির্মূল করা। এই লক্ষ্যটা কতটা অর্জিত হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করতে এই ধরনের জরিপ অব্যাহত রাখতে হবে। এ ছাড়া সরকারের নানা ধরনের নীতিনির্ধারণে জরিপটি কাজে লাগবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে খাদ্য সংকটে ঠেলে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন

ট্রাম্প প্রশাসন জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি হতে শুরু করে। তখন থেকেই গাজা ও পশ্চিম তীরের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা খাতে বরাদ্দ বাতিল করতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির আওতায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা থেকে ফিলিস্তিনিদের জন্য ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার বরাদ্দ প্রত্যাহারের পর গত বছর জুনে ফিলিস্তিনিদের আরেকটি সহযোগিতাও বাতিল করা হয়।
এই ঘাটতি পূরণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আরব দেশগুলোসহ রাশিয়া এবং চীনের মতো সমৃদ্ধশালী দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাটি। তারা জানায়, লাখ লাখ মানুষকে ক্ষুধার তাড়না থেকে বাঁচাতে জুনের মাঝামাঝিতেই ৬ কোটি ডলার প্রয়োজন।
সংস্থাটির পরিচালক ম্যাথিয়াস স্কেমেল বলেন, আমরা খাবার সরবরাহের ব্যাপারে খুবই জটিল পরিস্থিতিতে রয়েছি। আমরা ১০ লাখ মানুষকে তাদের প্রয়োজনের এক চতুর্থাংশ খাবার সরবরাহে সমর্থ হচ্ছি। ন্যূনতম এই খাবার না পেলে তাদের অনেকেই বাঁচবে না। ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করার আগে ম্যাথিয়াস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণ বন্ধ করার কারণেই এই ঘাটতি পূরণ জরুরি হয়ে পড়েছে।
২০১৭ সালে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি বিষয়ক সংস্থাকে ৩৬০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৮ সালে এসে তারা ঘোষণা দেয় আর কোনও সহায়তা দেওয়া হবে না। ম্যাথিয়াস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণ সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক। খানিকটা সময় নিয়ে সহায়তা কমাতে থাকলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারতো। তবে একদিনের মধ্যে ত্রাণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য খাত ও নিয়োগের ক্ষেত্রে নিজের বরাদ্দ কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে ইউএনআরডব্লিউএ।
২০১৮ সালের শেষার্ধে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক খাতে ৫০ শতাংশ বরাদ্দ কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শিশুরা পর্যাপ্ত কাউন্সিলিং থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া গাজাবাসীদের জন্য স্বল্পসময়ের চাকরি দেওয়ার এক প্রকল্প থেকেও বাজেট কমাতে হয়েছে তাদের। দেশটিতে বেকারত্বের হার ৫৩ শতাংশ। ২০১৮ সালে এই প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার ১৩৯ জন ফিলিস্তিনি চাকরি পেয়েছিলো, আগের বছর থেকে বেকারত্বের হার নেমে এসেছিলো ৪৮ শতাংশে।
বর্তমানে সংস্থাটির সবচেয়ে বড় দাতা ইইউ। এছাড়া আলাদাভাবে সহায়তা করছে জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও সুইডেন। ইইউয়ের পলিসি প্রধান ফেডরিকা মোঘেরিনির প্রশংসা করলেও ম্যাথিয়াসের দাবি, ইউরোপীয় দেশগুলো যথাযথ ভূমিকা পালন করছে না।
ম্যাথিয়াস স্কেমেলক বলেন, ‘আমি গাজায় সবসময়ই শুনি যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত আচরণে কারণেই মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার ওপর আস্থা হারিয়েছে সবাই। ইউরোপীয় দেশগুলোর দায়িত্বপালনের সুযোগ ছিলো কিন্তু তারা নিজেদেরকে নিয়েই বেশি ব্যস্ত। ফলে তারা ভূমিকা পালন করবে এমনটা আশা করা অবাস্তব।
১৯৪৮ সালে আরব যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তায় এক বছর পরেই জাতিসংঘের এই সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে। পশ্চিমতীর, জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ায়ও স্কুল, হাসপাতাল ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে সংস্থাটি। ২০০৭ সাল থেকে জল, স্থল ও আকাশসীমায় অবরুদ্ধ থাকা গাজা উপত্যকাতেই তাদের কার্যক্রমের পরিধি বেশি বিস্তৃত। ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে এই অঞ্চল অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নেই বললেই চলে। দিনের ৪-৫ ঘণ্টা থাকে বিদ্যুৎ সংযোগ।
ম্যাথিয়াস বলেন, আমরা সময়ের সঙ্গে ছুটছি। কোনও স্বপ্ন বা আশা না থাকায় শিশুরাও উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকছে। তিনি বলেন, ‘তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরও অনেক শিশুই ইন্টারনেট দিয়ে বিশ্ব দেখে, নতুন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে। তবে অবরোধ অব্যাহত থাকলে এই পরিস্থিতি থাকবে না। স্বপ্ন দেখবে না তারা। ফিলিস্তিনি বাবা-মা’রা এটা নিয়েই শঙ্কিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যতিক্রমী এক খতিব by মোহাম্মদ ওমর ফারুক

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বালিশ দুর্নীতি নিয়ে বয়ানে তিনি বলেন, বালিশের দাম ছয় হাজার টাকা পড়ে গেছে। তা নয় পড়লো বালিশ যাতে ভালো হয়। কিন্তু বালিশ তুলতে গিয়ে সাত আট’শ টাকা করে লাগছে। নিচ থেকে বেডের মধ্যে নামিয়ে দিচ্ছে সাত’শ টাকা। এটা কিন্তু চাট্টিখানি কথা না। আমি তো ভয়ংকর ভাবে বলছি এটাকে কেউ বলছে পুকুর চুরি, কিন্তু আমি তো বলবো সমুদ্র চুরি। সুমদ্র চুরি বলবো এ কারণে আমরা বালিশের দাম জানি, কোন বালিশ কত টাকা। বালিশ তোলার শ্রমিকের দামও জানি, কম হয়েছে কত, বেশি হয়েছে কত। কিন্তু বলেন তো ওখানে প্লাটিনাম, ইউরিনিয়াম, পারমাণবিক যে বস্তু গুলো আছে যেটা পুড়িয়ে বিদ্যুত উৎপাদন করা হবে। আমরা জানিই না এসবের রং কি, কিভাবে বিক্রি করে। এগুলো কেজিতে মাপ না মিটারের মাপ, না হালিতে মাপ, কিছু জানেন আপনারা? তাহলে যেটা জানেন সেটার দুর্নীতি আমারা বুঝতেছি কিন্তু যেটার রং জানি না, আকৃতি জানি না, কখনো দেখিই নাই মূল উপাদান ওইটাই। এখানে যে কি পরিমান চুরি হয়েছে সেটা বলতে পারেন? এ জন্য এটার নাম দিয়েছি আমি সমুদ্র চুরি। ওদের কাছে পাপ এখন আর কোনো সাবজেক্টেই না, পাপ এখন ওদের কাছে ওপেনআপ হয়ে গেছে। সারা বিশ্বে যেখানে পারমাণবিক বিদুৎ প্রকল্প বাদ দিচ্ছে সেখানে বাংলাদেশ অনেক ঝুঁকি নিয়ে করছে।
নারী অধিকার নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। নারীদের নিয়ে একটি ওয়াজে তিনি বলেন, যেসব নারী সংসারের কাজ করে তাদের আমরা তেমন মূল্যায়ন করতে চাই না। তবে তাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা উচিত। কারণ কোনো কাজকে ছোট করে দেখা উচিত নয়। কারণ আপনার মা বা স্ত্রী ঘরে যে কাজগুলো করেন তা তাদের জন্য ইহসান। তারা তা করতে বাধ্য নয়। রোজায় সাহরির কথা উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, আমাদের মা ও স্ত্রীরা সাহরিতে সবার আগে উঠেছে, খাবারগুলো গরম করেছে, সবাইকে ডাকছেন। বাচ্চাদের খাওয়াচ্ছেন, আবার খাওয়ার পরে সেই বাসনগুলো ধুয়ে পরিষ্কার করছে। আপনি খেয়ে মসজিদে যাচ্ছেন নামাজ পড়তে। তিনি কিন্তু বসে নেই। বাসন ধোয়া ও মোছার কাজ শেষ হলেই তিনি নামাজ পড়ে তারপর ঘুমাতে যান। খবর নিয়েছেন কখনো? তাদের প্রতি সম্মান দেখান, তাদের খবর নিন। পরিবারের ভালোবাসা থেকে তারা এটি করছেন। কিন্তু আপনি আমি কি করছি তাদের জন্য। ভেবে দেখেছেন কি? তাই এই মানুষগুলোর জন্য সহানুভূতিশীল হতে হবে, ভালোবাসতে হবে, তাদের ধন্যবাদ জানাতে হবে। না হলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপারেটিভ রিলিজিয়াস বিষয়ে পিএইচডি করছেন। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে হাদিসে অর্নাস, মার্স্টাস করেছেন। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ শহরে উকিলপাড়া। বাবা নওগাঁ আলিয়া মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস ও নওগাঁ কাঁচারি মসজিদের খতিব। তার শৈশব কৈশর কেটেছে নওগাঁ শহরেই। কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, নারীদের নিয়ে সবাই কথা বলেন। হয়তো সবাই নারীদের ভালোর জন্যই বলেন। নারীদের পর্দা করার জন্য বলেন। কিন্তু সেটা বলেন টিটকারী করে, তাদের হেয় করে। অনেক বক্তাকেই দেখি নারীদের ব্যাঙ্গ করে বলেন তারা ইন্ডিয়ান সিরিয়াল নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তাদের আর কোনো কাজ নেই ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্ত সব নারী তো এটা করছে না। তাহলে যখন নারীরা এ ওয়াজ গুলো শুনছেন তখন তাদের কেমন লাগছে, এই বিষয়টা কেউ বলতে পারবেন? আমার স্ত্রী আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন, ঢাকা বারের সদস্য, তিনি জুশিডিয়ার সার্ভিসে পরিক্ষা দিয়ে পাশ করেছেন। তারপরও তো তিনি আমার সংসার দেখছেন, কষ্ট করছেন। নারীদের প্রাপ্ত সম্মানটুকু দিতে হবে। আমার পারিবারিক শিক্ষাই ছিল এটা। পারমাণবিক বিদুৎ কেন্দ্রের ওয়াজের ব্যপারে তিনি বলেন, আমি মসজিদে খুতবা দেয়ার সময় গুনাহ্র বিষয়টি বুঝাতে গিয়ে এটার উদাহরন দিয়েছি। আমি মনে করি সবাই সবার দায়িত্ব নিয়ে নিজের কাজটা করলে দেশটা অনেক এগিয়ে যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে আমরা ভাড়াটিয়া নই বরং সমান অংশীদার: ওয়াইসি এমপি
| ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এমপি |
ওয়াইসি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘ভারতে আমরা ভাড়াটিয়া নই বরং সমান অংশীদার। আমরা এদেশের সমান নাগরিক। সংবিধানে দেয়া আমাদের অধিকারকে কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে আমি বলতে চাই যে সংবিধানের শক্তির উপরে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি আপনার বিরুদ্ধে লড়াই করবে। মজলুম মানুষের ইনসাফের জন্য লড়াই করবে। জুলুম নির্মূল করার জন্য লড়বে। অধিকার অর্জনের জন্য লড়বে।'
ওয়াইসি গত শুক্রবার হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদে দেয়া ভাষণে বলেন, ‘যদি প্রধানমন্ত্রী মোদি মন্দিরে যেতে পারেন তাহলে আমরাও মসজিদে যেতে পারি। যদি প্রধানমন্ত্রী মোদি গুহায় যেয়ে ধ্যান করতে পারেন তাহলে আমরা মুসলিমরাও গর্বের সঙ্গে মসজিদে বসে নামাজ আদায় করতে পারি। দেশের মুসলিমদের ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার জন্য ভয় পাওয়া উচিত নয়। কারণ সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। ভারতীয় আইন, সংবিধান আমাদেরকে ধর্ম পালনের অধিকার দিয়েছে।’
ওয়াইসি বলেন, ‘সম্মানিত বন্ধুরা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মনে রাখো আমরা মুসলিম। মুসলিম ও ভয় একসঙ্গে থাকতে পারে না। হয় ভয় থাকবে না হয় মুসলিম থাকবে। আমরা এখানেই থাকব ইনশাআল্লাহ্তায়ালা। ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই।’
ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ভারতের হায়দ্রাবাদ থেকে এ নিয়ে একনাগাড়ে চারবার নির্বাচিত হয়েছেন।
![]() |
| বক্তব্য রাখেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামিন পেয়ে পালিয়ে যাওয়া উগ্রপন্থীরা কতটা ঝুঁকি তৈরি করছে?
রোববার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলন র্যাবের মহাপরিচালক বলেছেন, হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার পর র্যাবের হাতে গ্রেফতার ৫১২ জন সন্দেহভাজন উগ্রপন্থীর মধ্যে ৩০০ জনই জামিনে পেয়েছেন। তবে এই ৩০০ জনের মধ্যে অধিকাংশই পলাতক রয়েছে বলে জানান মি. আহমেদ। তাদেরকে আইনি সহায়তা না দেয়ার জন্য আইনজীবীদের অনুরোধ করেন তিনি।
একজন সন্দেহভাজন উগ্রপন্থী জামিনে থাকলে তাকে কতটা নজরদারির আওতায় রাখতে পারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
র্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান বলেন, উগ্রবাদের দিকে যাতে নতুন করে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে নজর দিতে গিয়ে, জামিন পাওয়া সন্দেহভাজনদের উপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
"নজরদারি করার ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি যে, এদেরকে কন্টিনিউয়াসলি নজরদারির মধ্যে রাখা কঠিন হয়ে যায়," বলছিলেন তিনি।
"উগ্রবাদের দিকে যাতে নতুন কেউ জড়াতে না পারে এবং যাদের সেই ধরণের লক্ষণ আছে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্যের মধ্যে আছে। আবার যারা জামিন পেয়ে বের হয়ে আসছে, তাদের ২৪/৭ নজরদারির মধ্যে রাখা সম্ভব হয় না।"
বাংলাদেশে যে অ্যান্টি-টেরোরিজম অ্যাক্ট বা সন্ত্রাসবিরোধী আইন রয়েছে, সেখানে শক্তিশালী কিছু ধারা রয়েছে। এই আইনের ২০ ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশ এই ধরণের ঘটনার তদন্ত এবং নজরদারির দায়িত্বে থাকবে। তাহলে জামিন পাওয়া এইসব সন্দেহভাজন ব্যক্তি কীভাবে পলাতক হয়ে যায়?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমোনলজি বিভাগের শিক্ষক খন্দকার ফারজানা রহমান বলেন, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেসব বাহিনী রয়েছে, তাদের সবার মধ্যে সঠিক সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।
"এরা (সন্দেহভাজনরা) কিন্তু দেশের বাইরে চলে যেতে পারে। কারণ ইমিগ্রেশনের সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোন সমন্বয় নেই।"
ফারজানা রহমান বলেন, "আমরা বিভিন্ন দেশে দেখি ইমিগ্রেশনে এই রকম সন্দেহভাজন একেক জনের তথ্য থাকে। বাংলাদেশে সব বাহিনী যেমন কাউন্টার টেরিরজম, র্যাব, সোয়াট এবং ঐ ব্যক্তি যেখানে থাকে সেখানকার স্থানীয় থানার কাছে তথ্য থাকা উচিত।"
এসব সন্দেহভাজন উগ্রপন্থীদের তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে রাখা হয়নি বলেও মনে করেন তিনি।
"আমার আরেকটা জিনিস মনে হয় - তাহলো সন্দেহভাজন এই সব উগ্রপন্থীদের পরিপূর্ণ তথ্য তৈরি হয়নি। যার ফলে পালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় তাদের জন্য।"
এদিকে জামিনে থাকা তিনশো' জনের মধ্যে যদি অধিকাংশ পলাতক থাকেন, তাহলে সেটা একটা উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করেছেন উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর কার্যকলাপ যারা পর্যবেক্ষণ করেন তারা।
মানবাধিকারকর্মী নূর খান মনে করেন, নজরদারির অভাবে এ ধরণের সন্দেহভাজনরা আবারো সংগঠিত হওয়ার একটা সুযোগ পায়, যার ফলে আবারো একটা দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
"এই মানুষগুলো দীর্ঘদিন চুপ থাকে, গ্রেফতার হওয়ার পর মূল যে সংগঠন তারাও দূরত্ব বজায় রেখে চলে কিছু সময় পর্যন্ত, পরে আবার তারা সংগঠিত হয়ে যায়। এবং আবার তারা আক্রমণ করে।"
তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের যেসব গোয়েন্দা সংস্থা গুলো আছে, তাদের মূল দায়িত্ব ছিল এদেরকে নজরদারির মধ্যে রাখা।
"কিন্তু এই নজরদারিতে রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে আগামীতে এক ধরণের আশঙ্কা থেকেই যাবে।"
এদিকে র্যাব বলছে, তারা বর্তমানে উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে যে পদ্ধতিতে কাজ করছে, সেটা ভালো কাজ করছে। তবে ভবিষ্যতে নজরদারি বাড়ানোর জন্য আরো বেশ কিছু কৌশল গ্রহণ করা হচ্ছে। সূত্র : বিবিসি।
![]() |
| এপ্রিলে ঢাকার মোহাম্মদপুর সংলগ্ন বছিলা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব - সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদের তারিখ নিয়ে কেন এত বিতর্ক? by তারিক চয়ন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা বিভিন্ন দিনে ঈদ উদযাপন করবেন। কেবল বিভিন্ন দেশই নয়, বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং বিভিন্ন পরিবারের মধ্যেও ঈদের তারিখ নিয়ে রয়েছে বিভক্তি। এমনকি মসজিদের ভেতরে এ নিয়ে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে।
এটা খুব উদ্ভট যে, একটি ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ এ ধরনের বিতর্কের কারণে ফিকে হয়ে যায়। কেন মুসলমানরা একটি নির্দিষ্ট তারিখে একমত হতে পারেন না?
সম্ভবত মুসলমানদের কোনো কেন্দ্রীয় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ নেই বলে। মুসলিম দেশগুলোতে ঈদের তারিখ সরকার, আদালত বা সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্বারা নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে অমুসলিম দেশগুলোতে এ সিদ্ধান্ত পৃথক পৃথক মসজিদ দ্বারা গৃহীত হয়। মুসলমানরা ‘চন্দ্র ক্যালেন্ডার’ ব্যবহার করে এবং একটি নতুন চাঁদের সঙ্গে নতুন মাস নির্ধারণের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এভাবে দিন-তারিখ নির্ধারণ করা খুব সহজ কাজ নয়।
বিতর্কের আরেকটি ক্ষেত্র হলো- ইসলামের পুরনো নাকি আধুনিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হবে তা নিয়ে। অনেক পণ্ডিত বিশ্বাস করেন, নতুন চাঁদ জন্মের সঙ্গে নতুন মাস শুরু হয় না, বরং যখন খোলা চোখে ‘ক্রিসেন্ট’ বা একটি অর্ধচন্দ্র দেখা যায় তখনই একটি নতুন মাসের জন্ম হয়। যে রাতে চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার আশা করা হচ্ছে, আবহাওয়া কমিটি এবং সাধারণ মানুষ আকাশের দিকে সে সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। কিন্তু এভাবে ‘চন্দ্র দর্শন’ এ নির্ভরতা মানে- একটি মেঘলা রাতের মতো সাধারণ ঘটনাও ঈদের তারিখ একদিন পিছিয়ে দিতে পারে।
আরেক গোষ্ঠী যারা কুরআনের আক্ষরিক পড়াশোনা দ্বারা কম অনুপ্রাণিত মনে করেন, মুসলমানদের আধুনিক বিজ্ঞান ব্যবহার করা উচিত। এ বিষয়ে মুসলিম পণ্ডিতদের দুটি সংগঠন ‘দ্য ফিকাহ কাউন্সিল অফ নর্থ আমেরিকা’ এবং ‘ইউরোপীয়ান কাউন্সিল ফর ফতোয়া অ্যান্ড রিসার্চ’ এর বক্তব্য- এক্ষেত্রে জ্যোতির্বিদ্যা হলো গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি, যার দ্বারা তারিখগুলো অগ্রিম অনেক আগে থেকেই জানা যাবে।
তারা একটি ‘সার্বজনীন ইসলামী ক্যালেন্ডার’ তৈরি করার চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।
(দ্য ইকোনমিস্ট অবলম্বনে)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফি দিতে দেরি হওয়ায় ছাত্রের হাতে সিল!
![]() |
| ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের একটি স্কুলে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর হাতে এভাবে সিল মেরে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ছবি: বিবিসির সৌজন্যে |
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে। সেখানকার একটি স্কুলে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর হাতে সিল মেরে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ওই সিলে স্কুলের ফি দিতে দেরি করার বিজ্ঞপ্তি ছিল। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এ ধরনের ‘অপমানজনক’ ঘটনার পর থেকে ওই ছেলেটি আর স্কুলে যেতে চাইছে না। পাঞ্জাবের লুধিয়ানার ওই স্কুলের প্রিন্সিপাল শিক্ষার্থীর হাতে সিল মারার ঘটনা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলছেন, ফি দিতে দেরি করায় সিল মারা হয়নি। বরং ছেলেটি বারংবার ‘নোটবুক’ আনতে ভুলে যাওয়ায় এ কাজ করা হয়েছে।
স্কুলের প্রিন্সিপাল আরও বলেছেন, ওই সিলের কালি মুছে ফেলা সম্ভব। তবে যে শিক্ষক এই কাজ করেছেন, তিনি ভুল করেছেন বলে স্বীকার করেছেন প্রিন্সিপাল।
স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, দুই মাস ধরে বেতন দিচ্ছে না ওই শিক্ষার্থীর পরিবার। বেতন দিতে শিক্ষার্থীর পরিবারকে কয়েক দফা বলা হলেও কাজ হয়নি।
তবে ওই শিক্ষার্থীর পরিবার বলছে, স্কুলের কাছ থেকে পাওয়া এমন আচরণ ‘যথাযথ’ নয়। শিশুটির বাবা অটোরিকশার একজন চালক। তিনি বলেন, ‘বেতনের জন্য এমন আচরণ যথাযথ নয়। এ ঘটনায় আমরা সবাই অপমানিত হয়েছি।’
স্থানীয় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বর্ণজিৎ কৌর বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ ‘সম্পূর্ণ ভুল’ কাজ করেছে। এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্তঃসত্ত্বার পর বান্ধবীর সঙ্গে এডিসির প্রতারণা!

সেই সূত্র ধরে কয়েকদিন ফোনে কথা হয় তাদের। এরপর এপ্রিলের শেষের দিকে তার সঙ্গে ঢাকায় এসে সাক্ষাৎ করেন ওই নারী। প্রথম সাক্ষাতেই তাদের কথা হয় বিয়ে নিয়ে। ওই নারী জানান, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি মিরপুর ছয় নম্বরে একটি বাসা ভাড়া নেন। বাসা নেওয়ার খবর দেওয়ার পর তিনি ঢাকায় যান। ওই বাসায় আসিফ ইমতিয়াজের বোন ও ভগ্নিপতির সঙ্গে কথা হয়। তাদের সামনেই মে মাসের মধ্যে বিয়ে করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তখনো চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনে কর্মরত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এডিসি (এলএ) আসিফ ইমতিয়াজ।
ডিভোর্সে এতো সময় লাগছে কেন এমন প্রশ্নে আসিফ তার বান্ধবীকে জানান, আগের শ্বশুর আইনজীবী হওয়ায় ডিভোর্সের প্রক্রিয়ায় একটু বেশি সময় লাগছে। যেদিন ডিভোর্স পেপার হাতে পাবেন, তার পরের দিনই বিয়ে করবেন। এমন আশ্বাসের পাশাপাশি বোন ও ভগ্নিপতিকে সাক্ষী রাখায় ওই নারী একপর্যায়ে আসিফের সঙ্গে থাকতে রাজি হন।
বাড়ি ভাড়া নেয়ার সময় বাড়িওয়ালা তার আইডি নম্বরসহ সব বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পর বাড়ি ভাড়া দিয়েছেন বলে ওই নারীকে জানান। আসিফের কর্মস্থল চট্টগ্রাম হওয়ায় তিনি একা ওই বাসায় থাকতেন না। সেজন্য আসিফ তাকে মিরপুরে একটি হোস্টেল ঠিক করে দেন। বৃহসপতিবার রাতে আসিফ চট্টগ্রাম থেকে আসলে, তখন তারা বাসায় থাকতেন।
ওই নারী জানান, কখনও শনিবার আবার কখনও রোববার সকালে আসিফ ইমতিয়াজ চট্টগ্রাম চলে যেতেন। দুই মাস থাকার পর মিরপুরের বাসাটা তারা ছেড়ে দেন। পরে পরিচিত একজনের মাধ্যমে বনশ্রীতে একটি সাবলেট নেন। সেই বাসা পাওয়া পর্যন্ত তারা দুজন বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাসায় থাকতেন। ২০১৮ সালের জুন মাসে ছয় দিনের প্রশিক্ষণে আসিফ চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যান। ওই ছয় দিন তারা বিজয়নগরের একটি অভিজাত হোটেলে ছিলেন।
এরপর বনশ্রীতে বাসা পাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহেই কখনও দুই দিন আবার কখনও বেশি দিন একসঙ্গে থাকতেন তারা। বিউটি পার্লার করার জন্য আসিফ ওই নারীকে ট্রেড লাইসেন্সও করতে বলেন। কথামতো ময়মনসিংহে একটি ট্রেড লাইসেন্সও করেন ওই নারী। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দেবেন এমন কথা বলে ওই নারীর ছবিসহ পাসপোর্ট, ট্রেড লাইসেন্স এবং তার মায়ের ছবিও নেন আসিফ।
ওই নারী বলেন, কিন্তু সেগুলো দিয়ে আসিফ ব্যাংক ঋণের কোনো ব্যবস্থা না করে চট্টগ্রামের কদমতলীর স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট করেন। শুরুতে তিনি এটা জানতেন না। একদিন বাসায় আসিফের মানিব্যাগে ওই নারী তার নামে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের একটি ডেবিট কার্ড দেখতে পান। তবে তিনি আসিফকে এ নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করেননি। কারণ বললেই আসিফ তাকে গালিগালাজ ও মারধর করবেন এমন আশংকা ছিল তার। পরে ব্যাংকে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, এক মাসে ওই অ্যাকাউন্টে ২০ লাখ টাকা লেনদেন করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এডিসি (এলএ) আসিফ ইমতিয়াজ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া অভিযোগে ভুক্তভোগী ওই নারী লিখেছেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে আমি গর্ভবতী হই। এটা তাকে জানানোর পরই আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করে। গর্ভের শিশু নষ্ট করার জন্য প্রচণ্ড চাপ দেয়। এক সপ্তাহ পরই সে আমাকে ফেসবুকসহ সব যোগাযোগ মাধ্যমে ব্লক করে দেয়। তার সঙ্গে আমি কোনো যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। নানাভাবে তাকে ম্যাসেজ দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। পরে চট্টগ্রামে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেও পারিনি। পরে ডিসির মাধ্যমে সাক্ষাৎ করে ঘটনা বলার পর তিনি বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন এবং একজন এডিসিকে দায়িত্ব দেন।
ওই নারী বলেন, এডিসি তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন। আমি সব ডকুমেন্ট দেয়ার পর এডিসি তাকে চট্টগ্রাম থেকে বদলির করার সুপারিশ করেন। তার সুপারিশমতে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তাকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে বদলি করা হয়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। আর জানুয়ারি মাসে তার সঙ্গে আমার শেষ সাক্ষাৎ হয়। এরপর সে দেখা করতে চাইলেও আমি করিনি।
অভিযোগে ওই নারী বলেন, আমার আশঙ্কা ছিল, তার সঙ্গে দেখা করলে তিনি জোর করে আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করবে, না হয় আমাকে মারধর করবে। এখন পর্যন্ত নানাভাবে তিনি (ইউএনও) আমাকে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন। তার ভয়ে আমি ঢাকায় নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় থাকতে পারছি না। একেক দিন একেক জায়গায় দিন যাপন করছি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণ করেছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, আমি ইউএনওকে ডেকে ওই নারীর অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি ওই নারীর সঙ্গে তার সমপর্ক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাবার পর ইতিমধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (স্থানীয় সরকার) কে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি হওয়া আসিফ ইমতিয়াজের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেনার সামর্থ্য যাদের নেই by অজয় কুন্ডু
![]() |
| তানজিলের দোকানের পোশাক বিনা মূল্যে পান অসহায় মানুষেরা |
তানজিল আহম্মেদ শিবচর পৌর এলাকার বাসিন্দা। পেশায় মৎস্য ব্যবসায়ী। ২০১৬ সালে শিবচর খলিফা পট্টি মার্কেটে এই পোশাক বিক্রির দোকান দেন, যার নাম দেন ‘কিডস ক্লাব’। পোশাক বিতরণের গল্প শোনাচ্ছিলেন তানজিল, ‘প্রথম বছরের কথা। ঈদের আগে আগে আমার দোকানে এক পথশিশু আসে। সে দোকানের সামনে টাঙানো একটি নতুন জামা হাতে নিয়ে দেখছিল। বুঝতে পারি, তার সেটা পছন্দ হয়েছে। আমি শিশুটাকে দোকানের ভেতরে নিয়ে নতুন একটি জামা পরিয়ে দিই। নতুন কাপড় পেয়ে ওই শিশুর হাসি আমাকে আত্মহারা করেছিল।’ এরপর থেকেই তানজিল আহম্মেদ ঈদে অসহায় শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
২৮ মে কিডস ক্লাব নামের ওই দোকানে গিয়ে দেখা গেল মানুষের ভিড়। শিবচর আবাসিক এলাকায় মানুষের বাসায় কাজ করেন পলি বেগম। তিনি কুষ্টিয়া থেকে গত ছয় মাস আগে শিবচরে কাজের সন্ধানে এসেছেন। তাঁর স্বামী অসুস্থ। ছোট ছোট দুই ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে তিনি এসেছেন কিডস ক্লাবে। ছেলেমেয়েদের জন্য পছন্দের পোশাকটি নিতে পেরে খুশি পলি বেগম। তিনি বলেন, ‘কোনো কালেই পোলা-মাইয়াগো ঈদ আইলে নতুন জামা কিইনা দিতে পারি না। নতুন জামা ফিনদা ওরা কহনোই ঈদ করে নাই। এখানে আইয়া দেহি নতুন জামাকাপড় দেয়। পরে ওগের জন্য চাইলে তারা আমার পোলা-মাইয়াগো জামা ফিনদিয়া দেয়।’
অসহায় মানুষের পাশাপাশি দোকানটিতে ঈদের কেনাকাটা করতেও সাধারণ ক্রেতারা এসেছেন। দোকানির এই অনন্য উদ্যোগ তাঁদেরও নজর কেড়েছে। আবুল খায়ের খান নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘আমি দোকানে ঢুকতেই দেখি লেখটি, যা দেখে রীতিমতো আমি অবাক হয়ে যাই। পরে ওই দোকানিকে তাঁর মহতী উদ্যোগের জন্য স্বাগত জানাই।’
অসহায় শিশুদের জন্য অনন্য এই উদ্যোগ নিয়ে স্বপ্নের কথা জানতে চাইলে কিডস ক্লাবের স্বত্বাধিকারী তানজিল আহম্মেদ খান বলেন, ‘ঈদে নতুন পোশাক পেয়ে অসহায় শিশুদের মুখে যে হাসি, তা আমি এই দোকান না দিলে বুঝতেই পারতাম না। আমি প্রতিবছর ব্যবসার যা লাভ হয়, তার একটি বড় অংশের টাকা দিয়ে ঢাকা থেকে শিশুদের জন্য পোশাক কিনে আনি। এ বছর তিন লাখ টাকার মতো পোশাক তুলেছি অসহায় শিশুদের জন্য। ওরা হাসলে যেন আমি ঈদের খুশি খুঁজে পাই।’
![]() |
| তানজিল আহম্মেদ খান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেমিককে গুনে গুনে ৫২ চড়
ইন্ডিয়া টাইমের খবরে জানানো হয়, সারা বিশ্ব ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস পালন করে। তবে চীনের শুধু ১৪ ফেব্রুয়ারি নয়, প্রতিবছরের ‘২০ মে’ও ভালোবাসার দিবস হিসেবে পালনের রেওয়াজ আছে। অন্য বছরের মতো এবারও চীনে ২০ মে ভালোবাসা দিবস পালন হয়। প্রেমিক-প্রেমিকারা নানা আয়োজনে ভালোবাসা দিবসকে রাঙিয়ে তোলেন। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে দিনটি আনন্দময় না হয়ে ওঠে বিষাদে ভরা দিন। তেমনি বিষাদময় ঘটনা ঘটেছে চীনের এক প্রেমিকের ক্ষেত্রে। ২০ মে ওই প্রেমিকের কাছে তাঁর প্রেমিকা একটি হালের স্মার্টফোন কিনে দেওয়ার আবদার করেছিলেন। তবে সেই আবদার তিনি মেটাতে পারেননি। আর যায় কোথায়। মন খারাপ হওয়া প্রেমিকা এ জন্য প্রকাশ্য রাস্তায় প্রেমিককে ৫২টি চড় মারেন। বেচারা প্রেমিক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ‘উপভোগ’ করেছেন প্রেমিকার সেই প্রহার। টুঁ শব্দ করে প্রতিবাদ করেননি। এ সময় অনেকেই এসে প্রেমিকাকে নিবৃত্ত করা চেষ্টা করলেও তিনি সপাটে চড় মেরেরই যাচ্ছিলেন। পাশের দোকানের সিসিটিভি ভিডিওতে পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে। সেই ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে।
ওই প্রেমিকার রাগের আসল কারণ হলো বিভিন্ন সময়ে তিনি প্রেমিককে নানাভাবে অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছেন। অথচ ভালোবাসা দিবসে একটি স্মার্টফোন তিনি আশা করেছিলেন। কিন্তু না পেয়ে মনের খেদে এমন আচরণ করেছেন।
দাচহো শহরের সিসিটিভি ফুটেজ ও রাস্তার অনেক পথচারী মোবাইলে ঘটনাটি ক্যামেরা বন্দী করেন। তবে ঘটনার পরই পুলিশ ওই যুগলকে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু প্রেমিকার কাছে এত চড় খাওয়ার পরও তরুণটি যে আসলেই যে প্রেমিক, তা প্রমাণ করেছেন। কারণ, পুলিশের কাছে প্রেমিকের আবেদন, তাঁর প্রেমিকার যেন কোনো ক্ষতি না হয়।
এক পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ঘটনা তদন্তের পর জানা গেছে, প্রকাশ্যে প্রেমিককে ৫২টি চড় মেরেছেন প্রেমিকা। এরপরই পুলিশের এক কর্মকর্তা দুজনকে আলাদা করেন।
![]() |
| চীনের দাঝাউ শহরের রাস্তায় ভালোবাসা দিবসে প্রেমিককে ৫২টি চড় মেরেছেন প্রেমিকা। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোপে বসবাসরত লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশী ঈদের দিনও ছুটি পান না by আব্দুল মোমিত রোমেল

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতর, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্মেসি, জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন হাউস, সুপার মার্কেট পর্যন্ত প্রায় সব সেক্টরের কর্মকর্তা-কর্মচারীই সেখানকার প্রচলিত শ্রম ও কর্মসংস্থান আইন অনুযায়ী বিভিন্ন ছুটি পায়। সেই সঙ্গে শ্রমিক-কর্পোরেট কর্মী-ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-মন্ত্রী-ক্লিনার-কেয়ারটেকার-নিরাপত্তাকর্মী সব পেশাজীবীই গ্রীষ্মের ছয় সপ্তাহ, ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার হলিডে আর ব্যাংক হলিডের মতো ছুটিগুলো নির্ধারিত সময়ে অথবা পরবর্তীতে ভোগ করে থাকেন। রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানস্বীকৃত এসব নাগরিক ও আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হয় কেবল বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টে কর্মরতদের। এই খাতের লক্ষাধিক শ্রমিক-ওয়েটার-কুক-শেফ-ম্যানেজার-অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার কেউই বছরের এই নির্ধারিত জাতীয় ছুটির দিনে সবেতন ছুটি ভোগ করতে পারেন না। এমনকি বছরের দুই ঈদের দিনেও ছুটি থেকে বঞ্চিত হন তারা। কেননা, ক্রিসমাসের দিন ছাড়া রেস্টুরেন্ট কখনও বন্ধ থাকে না।
রোকনউদ্দিন আহমেদ নামে একজন শেফ বলেন ‘বৃটেনে বছরে ৩৬৪ দিন রেস্টুরেন্ট খোলা থাকে। বন্ধ থাকে কেবল বড়দিনে (ক্রিসমাসের দিন)। ক্রিসমাসে আমাদের কাজ করতে আপত্তি নেই, তবু অন্তত রোজার ঈদে আমাদের ছুটি দেওয়া হোক। ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের অভিবাসীদের মধ্যে যদিও ঈদের দিনের এই অনানুষ্ঠানিক ছুটি ভোগের সুযোগ পান মুসলিমরা। ব্যতিক্রম কেবল বাংলাদেশের রেস্টুরেন্টকর্মীরা বা অধিবাসীরা। মালিকরা যখন ঈদের দিনে পরিবার-বন্ধু নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেন, হোটেলে কর্মরতরা তখন রান্নাঘরে কিংবা বারের পেছনে কিংবা ওয়েটার হিসেবে কারও খাবার পরিবেশন করে দিন পার করেন। ঈদের আনন্দ তাদের কাছে কেবলই বাংলাদেশে রেখে যাওয়া স্মৃতি।
বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট কর্মীরা বহুদিন ধরেই ঈদের ছুটির দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে নিজেদের কোনও সংগঠন না থাকায় সম্মিলিতভাবে এই দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন নি তারা। চাকরি চলে যাওয়ার ভয়ে তারা প্রতিবাদ জোরালো করতেও পারেন নি।
ফ্রান্সে একটি ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টের শেফ জাকির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পূর্ণ একটি মাস রোজা রেখে যখন আনন্দের ঈদ আসে তখন মালিক আমাদের ছুটি দেয় না। তাই তিনি অভিমান করে কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের মধ্যে একতা নেই বলেই মালিকপক্ষ ঈদের ছুটি থেকে আমাদের বঞ্চিত করতে পারেন।’
ফ্রান্সের একজন সিনিয়র সাংবাদিক ফারুক নেওয়াজ খান, কমিউনিটি নেতা সালে চৌধুরী বলেন, প্রতি বছর ঈদের আগে এ নিয়ে কথা ওঠে। তবে সুরাহা হয় না। এজন্য দুই পক্ষের সংলাপ জরুরি। তবে সমস্যা হলো, ফ্রান্সে রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের কোনও সংগঠন নেই। ঐক্যবদ্ধ কোনও প্লাটফর্ম না থাকাটাই তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে সবথেকে বড় বাধা।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় একজন কমিউনিটি নেতা মাহবুবুর রহমান বলেন, ঈদের দিনটিকে ছুটি ঘোষণার দাবি প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে এলেও মালিকদের টনক নড়েনি। এ ছাড়াও ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসী অনেক বাংলাদেশি জানান, ঈদের দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণার জন্য কয়েক বছর ধরে চেষ্টা করছেন । সেই দাবি বাস্তবায়িত হলে ঈদের দিনটিতে রেস্টুরেন্ট মালিকরাও কর্মীদের ছুটি দিতে বাধ্য হবেন। ইংল্যান্ড প্রবাসী রাশু আহমেদ, ইতালি প্রবাসী নাজমুল হোসাইন, ফ্রান্স প্রবাসী লুৎফুর রহমান বাবু, স্পেন প্রবাসী এ আর লিটু জানান, বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট যে সমস্ত মালিক আছেন তাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন করা প্রয়োজন এবং তাদের কর্মীদেরকে বছরের দুইটা দিন ঈদ আনন্দ দেশের মতো উপভোগ করতে দেওয়া উচিত। তারা বলেন, বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন এবং সুনাম অর্জন করছেন । এটা অব্যাহত রাখতে আমাদের মতো কর্মীদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মসজিদে হামলায় আহতদের ৭০ হাজার ডলার দিল ‘ডিম বালক’

১৭ বছর বয়সী এই কিশোর মূলত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর শিরোনাম হয়েছিল অ্যানিংকে ডিম নিক্ষেপের পর। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ‘ডিম বালক’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না এনেই ছেড়ে দেয়। তবে ওই সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক ক্রাউড ফান্ডিং প্রতিষ্ঠান ‘গোফান্ডমি’ তাকে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ শুরু করে। কিন্তু উইলিয়াম সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই অর্থ সে ক্রাইস্টচার্চে হতাহতদের জন্য দেবে।
গত ১৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় ৫১ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়। অস্ট্রেলিয়ার শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী ব্রেনটন টারান্ট এই হামলা চালিয়েছেন। তিনি বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের একটি কারাগারে রয়েছেন। আর এই হামলায় হতাহতদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করল আরেক অস্ট্রেলিয়ান।
উইলিয়াম ওই ইনস্টাগ্রামের পোস্টে লিখেছে, ‘এই অর্থ আমি রাখতে পারব না।’ সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই অর্থ ক্রাইস্টচার্চের ভুক্তভোগীদের সহায়তায় দেওয়া হবে। সে জানিয়েছে, সিনেটরকে ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় আইনি প্রতিষ্ঠান তাকে বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা দিচ্ছে।
উইলিয়াম লিখেছে, ‘অবশেষে! এই বিপুল পরিমাণ অর্থ “ক্রাইস্টচার্চ ফাউন্ডেশন অ্যান্ড ভিকটিমস সাপোর্ট” তহবিলে চলে গেছে। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ওই বেদনাদায়ক ঘটনায় যারা ভুক্তভোগী, তারা খানিকটা হলেও সহায়তা পাবে।’ এই অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে ক্রাইস্টচার্চ ফাউন্ডেশন। তারা বলেছে, গোফান্ডমি থেকে ওই অর্থ তাদের তহবিলে পৌঁছেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভালো নেই বৃক্ষমানব by মরিয়ম চম্পা

বৃক্ষমানব আবুল বাজানদার বলেন, আমার শরীরের অবস্থা ভালো না। চলতি মাসের ১৯ তারিখ ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে এসেছি। এখনো ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকরা আমার শরীরে অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেয়নি। তারা বলেছেন, শিগগিরই অপারেশন করা হবে। এর আগে একবার এসে হাসপাতালে কেবিন খালি না পেয়ে চলে গিয়েছিলাম।
সম্প্রতি কেবিন খালি হওয়ায় ডাক্তার স্যার জানানোর পরে আবার হাসপাতালে এসেছি। হাত-পায়ের বিভিন্ন স্থানের শেকড়গুলো বেড়ে প্রায় আগের মতো হয়ে গেছে। শরীরের ব্যথা যন্ত্রণা খুব বেড়েছে। এজন্য হাসপাতালে এসেছি দ্রুত চিকিৎসা সেবা পেতে। শরীরের যন্ত্রণা আর সহ্য করা যাচ্ছে না। চিকিৎসকরা আগেই বলেছে এটা জেনেটিক সমস্যা। তাই নিয়মিত চিকিৎসা ও ডাক্তারদের ফলোআপে থাকতে হবে। সেই ভরসাতেই আবার হাসপাতালে এসেছি। এখানকার স্যারদের আন্তরিক সহায়তা এবং চিকিৎসা সেবা পেয়ে আমি বরাবরই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন, ডা. সামন্ত লাল সেন স্যারসহ হাসপাতালের সকলের আন্তরিক সেবা না পেলে হয়তো আমি সুস্থ হতাম না। তবে আগে হাসপাতালে আসলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু হতো। কিন্তু এবার কেনো বিলম্ব হচ্ছে জানি না। শরীরের যন্ত্রণা এতটাই বেড়েছে যে, রাতে ঘুমাতে পারি না। আমার একটাই চাওয়া আগের মতো যেন চিকিৎসা সেবা পাই।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ওকে (বাজানদার) তো অনেক আগে আসতে বলেছিলাম। কিন্তু আসেনি। এখন এসেছে। ওগুলো (শেকড়) অনেক বড় হয়ে গেছে। আবার অপারেশন করতে হবে। ঈদের পরে হয়তো তার শরীরে অস্ত্রোপচার শুরু হবে। ঢামেকে ভর্তি হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করেন। তাই আগের নিয়মেই অপারেশন এবং যাবতীয় চিকিৎসা খরচ সরকারি ভাবেই করা হবে।
গত ১০ বছর ধরে হাত-পায়ে শেকড়ের মতো গজিয়ে ওঠা বিরল এক জেনেটিক রোগে ভুগছিলেন বাজানদার। খুলনার পাইকগাছার বাসিন্দা আবুল বাজানদারকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসার জন্য পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। পরবর্তীতে দু’বছরে তার শরীরে মোট ২৫ দফা অস্ত্রোপচার চালানো হয়েছিল। তিনি প্রায় দু’বছর হাসপাতালে ছিলেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পৃথিবীতে বাংলাদেশসহ এখন পর্যন্ত হাতেগোনা কয়েকজনকে এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে। তাদের ইন্দোনেশিয়া, রোমানিয়া এবং সর্বশেষ বাংলাদেশে দেখা গেল। এই রোগী বাংলাদেশে প্রথম।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
June
(697)
-
▼
Jun 04
(19)
- ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে ঈদ আর কেমন হয়? by আসাদুজ্জামা...
- এ কেমন হাতুড়ে ডাক্তার? by ওয়েছ খছরু
- এটিএম বুথে অভিনব চুরি: সতর্কতার কারণে অর্থ সংকটের ...
- ৫০০ কোটি টাকার শেয়ার প্রত্যাখ্যান গুগল প্রধান নির্...
- ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইউরোপের সমর্থন পেতে ...
- ‘জঙ্গি’ শামীমার সঙ্গে বাংলাদেশকে জড়ানোয় যুক্তরাজ্য...
- দেশে মাথাপিছু আয় মাসে ৩৯৪০ টাকা
- ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে খাদ্য সংকটে ঠেলে দিয়েছে ট্রাম্...
- ব্যতিক্রমী এক খতিব by মোহাম্মদ ওমর ফারুক
- ভারতে আমরা ভাড়াটিয়া নই বরং সমান অংশীদার: ওয়াইসি এমপি
- জামিন পেয়ে পালিয়ে যাওয়া উগ্রপন্থীরা কতটা ঝুঁকি ...
- ঈদের তারিখ নিয়ে কেন এত বিতর্ক? by তারিক চয়ন
- ফি দিতে দেরি হওয়ায় ছাত্রের হাতে সিল!
- অন্তঃসত্ত্বার পর বান্ধবীর সঙ্গে এডিসির প্রতারণা!
- কেনার সামর্থ্য যাদের নেই by অজয় কুন্ডু
- প্রেমিককে গুনে গুনে ৫২ চড়
- ইউরোপে বসবাসরত লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশী ঈদের দিন...
- মসজিদে হামলায় আহতদের ৭০ হাজার ডলার দিল ‘ডিম বালক’
- ভালো নেই বৃক্ষমানব by মরিয়ম চম্পা
-
▼
Jun 04
(19)
-
▼
June
(697)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





