Tuesday, November 10, 2009

বিদেশে ইউরেনিয়াম পাঠাতে চায় না ইরান

ইরান তার স্বল্পমাত্রায় সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশ নীতিবিষয়ক কমিটির প্রধান এ কথা জানিয়েছেন।
তেহরানের ওই শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা আলাউদ্দিন বরুজার্দি বার্তা সংস্থা আইএসএনএকে বলেছেন, ‘২০ শতাংশ সমৃদ্ধকরণের জ্বালানি গ্রহণের বিনিময়ে আমরা ইতিমধ্যে সমৃদ্ধ করা এক হাজার ২০০ কেজি ইউরেনিয়ামের বেশির ভাগ অংশ দিয়ে দিতে পারি না। বিদেশে ইউরেনিয়াম পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে আমরা আরও ভাবতে চাই। আমরা জ্বালানি অর্জনের উপায় নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছি। একটা কার্যকর সমাধানে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা অব্যাহত আছে।’
তেহরানের একটি পরমাণু গবেষণা চুল্লিতে প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম সরবরাহ নিয়ে গত মাসে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান এল বারাদির মধ্যস্থতায় ইরান ও ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

আফগানিস্তান থেকে জাতিসংঘ তার ২০০ কর্মী সরিয়ে নেবে

জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন গত শুক্রবার বলেছেন, আফগানিস্তান থেকে ২০০ কর্মচারীকে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেবে সংস্থাটি। সম্প্রতি কাবুলে জাতিসংঘের একটি
অতিথিশালায় জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে কর্মচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আফগানিস্তান থেকে প্রায় ২০০ কর্মচারীকে সরিয়ে এই অঞ্চলেরই অন্য কোনো ক্ষেত্রে নিযুক্ত করা হবে। বান কি মুন সম্প্রতি তাঁর কাবুল সফরের
ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করার পরপরই এ ঘোষণা দিলেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে ৬০০ কর্মচারীকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে যে ধরনের খবর বেরিয়েছে, তা
ঠিক নয়। আসলে ২০০ কর্মচারীকে এখান থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হবে।

গাজার যুদ্ধাপরাধ প্রতিবেদন যাচ্ছে নিরাপত্তা পরিষদে

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, প্রায় এক বছর আগে গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে তৈরি প্রতিবেদনটি তিনি নিরাপত্তা পরিষদে পাঠাবেন। গত শুক্রবার বান কি মুন বলেন, গোল্ডস্টোনের তৈরি এই প্রতিবেদন শিগগিরই নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো হবে।
প্রতিবেদনটিতে গাজা ভূখণ্ডে যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েল ও হামাস উভয়কে দায়ী করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের ১৯২ সদস্যের সাধারণ সভায় একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সেখানে গাজায় যুদ্ধাপরাধের ব্যাপারে ইসরায়েল ও হামাস উভয়ের প্রতি স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে। ইসরায়েল জাতিসংঘের এই প্রস্তাবকে নাকচ করে দিয়েছে। প্রস্তাবটি ১১৪ ভোটে পাস হয়। ১৮টি সদস্য রাষ্ট্র প্রস্তাবের বিরোধিতা করে। ৪৪টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত থাকে।
সাবেক আন্তর্জাতিক আইনজীবী রিচার্ড গোল্ডস্টোনের করা ৫৭৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়, যুদ্ধাপরাধের ব্যাপারে ইসরায়েল ও হামাস বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত করতে ব্যর্থ হলে প্রতিবেদনটি আন্তর্জাতিক আদালতে পাঠানো হবে।

একবার না পারিলে দেখো ৯৫০ বার

একবার না পারিলে দেখ শতবার’—এমন মন্ত্র ষোলোআনা নিজের জীবনে কাজে লাগিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার নারী চা সা-সুন (৬৮)। পরীক্ষায় বারবার ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এর পরও হাল ছাড়েননি। ধৈর্য ধরে টানা চার বছর চেষ্টা করে গেছেন।
অবশেষে ৯৫০ বারের চেষ্টায় তিনি গাড়িচালকের লাইসেন্স পাওয়ার লিখিত পরীক্ষায় পাস করেছেন। এবার তিনি ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় পাস নম্বর ৬০ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এ পর্যন্ত পরীক্ষার ফি বাবদ তাঁকে চার হাজার ২০০ মার্কিন ডলার গুনতে হয়েছে। সিউল থেকে ১৩০ মাইল দক্ষিণে জিওনজি এলাকার বাসিন্দা এই সা-সুন।
কোরিয়ান ড্রাইভারস লাইসেন্স এজেন্সির নিয়ম অনুযায়ী, ৫০ মিনিটের ওই লিখিত পরীক্ষায় রাস্তার নিয়মকানুুন ও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ের ওপর ৫০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকে। দ্য কোরিয়া টাইমস জানায়, সুন ২০০৫ সালের ১৩ এপ্রিল থেকে ওই পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। আর তাঁর ওই অধ্যাবসায়ের পেছনের কারণ হলো, গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পেলে তিনি গাড়িতে করে সবজি ও অন্যান্য পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।
লাইসেন্সের জন্য বারবার পরীক্ষা দিয়ে ইতিমধ্যে নিজ এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন সুন। স্থানীয় একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সুন সত্যিই এখন বিখ্যাত বনে গেছেন। কেবল এজেন্সির কর্মচারীদের কাছে নন, তিনি অনেক পরীক্ষকের কাছেও পরিচিত মুখ। তাঁর ওই হার না মানা মনোভাব সত্যিই বিস্ময়কর।’
সুন বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আপনি যদি আপনার লক্ষ্য অর্জনে অনড় থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা অর্জন করতে পারবেন। তাই আপনারা আপনাদের স্বপ্নকে ব্যর্থ হতে দেবেন না এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যান।

দালাই লামা আজ অরুণাচল যাচ্ছেন সফরকে সমর্থন করল যুক্তরাষ্ট্র

তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামার বহুল আলোচিত অরুণাচল সফর নিয়ে চীন তীব্র আপত্তি জানালেও যুক্তরাষ্ট্র ওই সফরকে সমর্থন জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, দালাই লামা একজন ধর্মীয় নেতা। ধর্ম প্রচারের উদ্দেশে অরুণাচল সফরের অধিকার তাঁর রয়েছে। গতকাল শনিবার ভারতের স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ভারতের বৌদ্ধ অধ্যুষিত প্রদেশ অরুণাচলে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা রয়েছে দালাই লামার। সপ্তাহব্যাপী ওই সফর আজ রোববার থেকে শুরু হওয়ার কথা।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি মারিয়া অটেরোর বরাত দিয়ে ভারতের পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, ‘দালাই লামা একজন ধর্মীয় নেতা। ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে অরুণাচল সফরের অধিকার তাঁর অবশ্যই আছে। অরুণাচলে একটি আশ্রমে যাবেন দালাই লামা। এটি একটি পবিত্র স্থান। আমাদের দৃষ্টিতে আশ্রমে সফর দালাই লামার স্বাভাবিক ভূমিকারই একটা অংশ।’ মারিয়া জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা শিগগিরই দালাই লামার সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। দালাই লামার প্রতি ওবামার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে।
মারিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, তিনি বলেছেন, এ মাসেই চীন সফরে যাচ্ছেন ওবামা। এ সময় তিনি তিব্বত ইস্যু নিয়ে বেইজিং কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও আলোচনা করবেন।
অরুণাচল প্রদেশে এর আগে দালাই লামা বেশ কয়েকবার সফর করলেও ভারত সরকার গত বছর এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে বেইজিং ও নয়াদিল্লির মধ্যে সম্প্রতি সীমান্ত নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার মধ্যেই ভারত বলেছে, দালাই লামা ভারতের যেকোনো স্থানে সফর করতে পারবেন। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ভারতে অবস্থান করছেন দালাই লামা।
সরকারের এ সিদ্ধান্তে ভারতের বিশ্লেষকেরা বলেছেন, এর মাধ্যমে বেইজিংয়ের কাছে দিল্লি এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে, হিমালয় পাদদেশের ওই রাজ্যটি ভরতেরই। চীনও ওই রাজ্যের মালিকানা দাবি করে থাকে।
হিমালয়ের নানা বিতর্কিত অঞ্চল বিশেষ করে অরুণাচল নিয়ে ১৯৬২ সালে ভারত ও চীনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
দালাই লামার বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের অভিযোগ, তিব্বতের স্বাধীনতা চেয়ে তিনি চীনকে ভাঙার পাঁয়তারা করেন। যদিও শান্তিতে নোবেলজয়ী এই ধর্মীয় নেতা দাবি করেন, তিনি তিব্বতের স্বাধীনতা চান না, চান স্বায়ত্তশাসন।

সুইজারল্যান্ডে অমুসলিমদের মসজিদে আমন্ত্রণ

সুইজারল্যান্ডের মুসলমানেরা শনিবার সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন মসজিদে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। দেশটিতে মিনার নির্মাণ নিষিদ্ধ করা হবে কিনা—তা নিয়ে ভোটাভুটির আগে তাঁরা সাধারণ মানুষকে এই আমন্ত্রণ জানালেন।
সুইজারল্যান্ডের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল সুইস পিপলস পার্টির মতে, মসজিদের মিনার হলো মুসলমানদের রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতীক। তারা এ মাসে মসজিদগুলোতে মিনার নির্মাণ করা হবে কি না—এই প্রশ্নে গণভোট আহ্বান করেছে। এই গণভোটের মাত্র তিন সপ্তাহ আগে সুইস মুসলিমরা সাধারণ সুইস নাগরিকদের মসজিদে আমন্ত্রণ জানায়।
সুইজারল্যান্ডের মুসলমান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান নেতা তামির হাদজিপলু বলেন, ‘মসজিদের মিনার নির্মাণ প্রশ্নে ডানপন্থী দলটি গণভোটের ডাক দিয়ে সুইজারল্যান্ডের মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে।’ এই দেশে প্রায় চার লাখ মুসলমান বাস করে। এই চার লাখ মুসলমানের জন্য দেশটিতে প্রায় ২০০ মসজিদ রয়েছে। এই ২০০ মসজিদের মধ্যে মাত্র চারটিতে রয়েছে মিনার।
পূর্ব সুইজারল্যান্ডের একজন মুসলমান জনপ্রতিনিধি হিশাম মাইজার বলেন, আমরা আশা করি, সুইজারল্যান্ডের সাধারণ নাগরিকেরা মসজিদে এসে ইসলাম সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন। এর মধ্য দিয়ে ইসলাম সম্পর্কে তাঁদের প্রচলিত ভুল ধারণা ভাঙবে।
এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, শনিবার বিপুলসংখ্যক অমুসলিম সুইস নাগরিক বিপুল উত্সাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মসজিদগুলোতে এসে ইসলাম সম্পর্কে জেনেছেন।

টুইন টাওয়ারস যুদ্ধজাহাজের যাত্রা

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসীদের হামলায় বিধ্বস্ত নিউইয়র্কের বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা বা টুইন টাওয়ারের ধ্বংসাবশেষের ইস্পাত দিয়ে তৈরি যুদ্ধজাহাজ আজ রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। এ সময় মার্কিন নৌবাহিনীর শতাধিক কর্মকর্তা, নাবিক, ৯/১১-এর ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা ম্যানহাটনে ‘ইউএসএস নিউইর্য়ক’-এর যাত্রাকালে উপস্থিত ছিল।
অনুষ্ঠানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নিউইয়র্কের সাবেক সিনেটর হিলারি ক্লিনটন যুদ্ধজাহাজটিকে ‘অবিচলিত রূপের প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। একই সঙ্গে তিনি নিউইর্য়ককে ইস্পাতের তৈরি দৃঢ় শহর আখ্যা দেন। মার্কিন নৌপরিবহনমন্ত্রী রে মাবুস বলেন, ‘আমাদের ওপর যতবারই হামলা চালানো হোক না কেন, আমরা প্রতিবারই ফিরে আসব।’
যুদ্ধজাহাজটি তৈরি করতে টুইন টাওয়ারের ধ্বংসাবশেষের সাড়ে সাত টন ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে। জাহাজের চূড়ায় রয়েছে টুইন টাওয়ারের ছবি এবং তাতে হামলার পর নগর বিভাগের সাড়া দেওয়ার দৃশ্য। গত মাসে লুইজিয়ানায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে জাহাজটি নির্মাণ করা হয়।
নৌবাহিনীর মুখপাত্র এ সপ্তাহের শুরুতে বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, এ জাহাজে ৩৬১ জন কাজ করবেন। এেদর প্রতি সাতজনের একজন নিউইয়র্কবাসী।

রিয়াল-পর্তুগালের টানাটানিতে রোনালদো

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ডান অ্যাঙ্কেলে অস্ত্রোপচার লাগবে না—ডাচ চিকিত্সক নিকোলাস ফন ডিক পরীক্ষা করে বলেছেন এটি। এ খবরে রিয়াল মাদ্রিদ শিবিরে স্বস্তিই ফেরার কথা। কিন্তু সেখানে এখন বিরক্তি। চোট কাটিয়ে না উঠতেই যে রোনালদোকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্লে-অফ ম্যাচের দলে ডাকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন পর্তুগাল কোচ কার্লোস কুইরোজ।
বসনিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের প্রথম প্লে-অফ ম্যাচটি ১৪ নভেম্বর। ১৮ নভেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচ। মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ দুটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় রোনালদোকে ছাড়া খেলার চিন্তাই করতে পারছে না পর্তুগাল। কিন্তু রিয়াল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চোট থেকে সেরে উঠতে আরও দুই সপ্তাহ লাগবে রোনালদোর।
পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের (এফপিএফ) সভাপতি জিলবার্তো মাদাইল বলেছেন, ‘রোনালদো জাতীয় দলের অনুশীলনে আসবে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলতে চায়। ফেডারেশনের চিকিত্সক দল ওকে দেখবে।’
মাদাইলের এ কথা শুনে খুব চটেছে রিয়াল কর্তৃপক্ষ। ক্লাবের মহাপরিচালক জর্জ ভ্যালডানো বলেছেন, ‘ডাক্তার এবং সাধারণ জ্ঞান বলে পর্তুগালের ওকে দলে ডাকা উচিত নয়।’ আর কোচ ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনির কথা, ‘রোনালদোর পর্তুগালের পক্ষে খেলা সম্ভব নয়।

চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত পাহেইরা

প্রথম দফায় দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হিসেবে মোটামুটি ভালোই করছিলেন। কিন্তু অসুস্থ স্ত্রীকে সময় দিতে গত বছর এপ্রিলে চাকরি ছেড়ে চলে যান কার্লোস আলবার্তো পাহেইরা। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নেন আরেক ব্রাজিলিয়ান জোয়েল সান্তানা। কিন্তু সান্তানার সময়টায় নয় ম্যাচের আটটিতেই পরাজয়ের কোনো সান্ত্বনা খুঁজে পাচ্ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকা। আর তাই ‘অসুস্থ’ দলটাকে সারিয়ে তুলতে আবারও পাহেইরার হাতে দলের দায়িত্ব সঁপে দিয়েছে আগামী বিশ্বকাপের স্বাগতিকেরা।
দ্বিতীয় মেয়াদে দলের দায়িত্ব নিয়েই বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ জানিয়ে দিলেন, প্রত্যাশার প্রতিদান তিনি দেবেন, ‘আমি এখানে এসেছি, কারণ বিশ্বকাপে স্বাগতিক দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা অনেক সৌভাগ্য আর সম্মানের। আমার রেকর্ডে এটি থেকে যাবে। এটা অমূল্য। আর আমি এর জন্য উন্মুখ।’
পাহেইরার ব্যাকুল থাকারই কথা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে আগামী বিশ্বকাপে নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটা ‘রেকর্ড’ হয়ে যাবে তাঁর। ভিন্ন ৫টি দেশকে নিয়ে বিশ্বকাপে যাওয়ার কীর্তিটা আর আছে শুধু বোরা মিলুটিনোভিচের। ব্রাজিলকে ১৯৯৪ আর ২০০৬ বিশ্বকাপে পথ দেখিয়েছেন। ’৯৪-তে তো বিশ্বকাপই জিতলেন। পাহেইরাকে বিশ্বকাপে দেখা গিয়েছিল কুয়েত, আরব আমিরাত আর সৌদি আরবের কোচ হিসেবেও।
কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার দায়িত্ব এমন এক সময় নিলেন, যখন দলটার চাকচিক্য বলতে কিছু বাকি নেই। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৮৬ নম্বরে জায়গা তাদের। সময়ও আর বেশি নেই হাতে। পাহেইরা কি পারবেন? দ্বিতীয় মেয়াদে ‘বাফানা বাফানা’র দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকদের জিজ্ঞাস্য ছিল এটাই। ৬৬ বছর বয়সীর প্রত্যয়ী উত্তর, ‘আমার যদি মনে হতো এই দলটার বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার বা ভালো করার সম্ভাবনা নেই, তাহলে নিজেকে বিপদে ঠেলে দেওয়ার জন্য আমি কি এখানে আসতাম? প্রশ্নই ওঠে না।’
আপাতত তাঁর দাওয়াই কী হবে সেটিও জানিয়ে দিয়েছেন। ভঙ্গুর আত্মবিশ্বাস চাঙ্গা করে তোলা। ‘হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে ভালো দিক হলো, আমাদের জেতার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। আর সেটি করতে হলে আমাদের জিততে শুরু করতে হবে। এ মাসে জাপান আর জ্যামাইকার বিপক্ষে দুটো গুরুত্বপূর্ণ প্রীতি ম্যাচ আছে। আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধারে এই দুটো ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
আগামী মার্চে এক মাসের সফরে দলকে নিয়ে ব্রাজিলে যাবেন। সেখানে স্থানীয় দলগুলোর বিপক্ষে কমপক্ষে ১০টি প্রীতি ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। দেখাই যাক, পাহেইরার ছোঁয়ায় কতটা বদলায় স্বাগতিকেরা। প্রথম রাউন্ডেই তারা বাদ পড়ে গেলে বিশ্বকাপই যে খানিকটা রং হারাবে।

ব্রাজিল-ম্যানসিটি দ্বন্দ্বের মূলে রবিনহোর ইনজুরি

১৪ নভেম্বর কাতারের দোহায় ব্রাজিল-ইংল্যান্ড ম্যাচ। তেমন বড় কিছু নয়, একটি প্রীতি ম্যাচ মাত্র। বাছাইপর্ব শেষ, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে এমন কিছু ম্যাচ সব দলই খেলবে। কিন্তু এ ম্যাচটি হঠাত্ করেই আলোচনায় চলে এল কার্লোস দুঙ্গা রবিনহোকে দলে রাখায়। ক্লাব বনাম জাতীয় দলের চিরায়ত দ্বন্দ্বটাও প্রকাশ হয়ে পড়ল আরেকবার।
কাকা-রবিনহোরা ব্রাজিল দলের ‘প্রাণ’। তাঁরা তো দলে থাকবেনই। রবিনহোর দলে থাকা তাহলে আবার বিশেষ কেন হবে? বিষয়টি আসলে বিশেষ হয়ে উঠেছে রবিনহোর ইনজুরির কারণে। সেপ্টেম্বর মাসে ব্রাজিলের পক্ষে খেলতে গিয়েই অ্যাঙ্কেলে চোট পেয়েছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার। সেই চোটের কারণে ম্যানসিটিতে ১০টি ম্যাচ খেলতে পারেননি, এখনো খেলার মতো ফিট নন। এর মধ্যেই দুঙ্গা তাঁকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের দলে রাখায় বেজায় চটেছেন ম্যানসিটি কোচ মার্ক হিউজ।
সম্প্রতি অনুশীলনে ফিরলেও রবিনহো যে এখনো ম্যাচ খেলার জন্য ফিট হয়ে ওঠেননি, হিউজ বলেছেন, ‘মাঠভিত্তিক অনুশীলন রবি এখনো শুরু করেনি। আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আছে ওর। কিন্তু ও এখনো এ রকম ম্যাচ খেলার পর্যায়ে নেই।

পাকিস্তানকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের স্বস্তি

সহ-অধিনায়কত্ব তো হারিয়েছেনই, প্রশ্ন উঠেছিল ওপেনিংয়ে তাঁর ব্যাটিং-সামর্থ্য নিয়েও। সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে আসার আগে নিউজিল্যান্ডের নির্বাচকেরা জানিয়েও দিয়েছিলেন— ওপেনার হিসেবে এটাই তাঁর শেষ সুযোগ। কী দুর্দান্তই না সুযোগটাকে কাজে লাগালেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম! ১২৯ বলে খেললেন ১৩১ রান। ১৪টি চার ও ৩টি ছয়ের এই ইনিংসটিই ব্যবধান গড়ে দিল পরশুর ম্যাচে। ৬৪ রানে জিতে ৩ ম্যাচের সিরিজে সমতায় (১-১) ফিরল নিউজিল্যান্ড। তাদের ৩০৩ রানের স্কোর তাড়া করতে গিয়ে পাকিস্তান ২৩৯ রানেই অলআউট। সিরিজ নির্ধারণী ‘ফাইনাল’ আগামীকাল।
শুধু ওপেনার হিসেবেই নয়, পুরো বছরটিই ম্যাককালামের বাজে কেটেছে। পরশুর ম্যাচের আগে এ বছর ২২টি ওয়ানডেতে ২৫.৮৫ গড়ে রান করেছেন ৫৪৩। গত ৯ ইনিংসে ফিফটি-শূন্য ম্যাককালামের কাছে সেঞ্চুরি ইনিংসটি বড় স্বস্তির। কত বড়, সেটা বোঝা গেল তাঁর উদ্যাপনেই। লাফালেন, শূন্যে ঘুষি ছুড়লেন। ১৬২ ওয়ানডের ক্যারিয়ারে মাত্রই দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, একটু অন্যরকম উদ্যাপন তো হবেই। ‘দলের সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে পারফর্ম করার একটা ব্যাপার ছিল। শুরুটা করেও বড় ইনিংস খেলতে পারছিলাম না। আমি খুব খুশি যে, এই রাতে তা খেলতে পেরেছি। সেঞ্চুরি করে দলকে জেতানো সত্যিই আনন্দের’—ম্যাচ শেষে চাপমুক্তির স্বস্তি ম্যাককালামের কণ্ঠে।
ম্যাককালামের সেঞ্চুরি ইনিংসটি স্বস্তি দিয়েছে নিউজিল্যান্ডকেও। এ ম্যাচ হেরে গেলেই সিরিজ জিতে যেত পাকিস্তান। প্রথম ম্যাচের নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিতীয় ম্যাচের নিউজিল্যান্ডের অনেক তফাত্। কারণ কী? ভেট্টোরির উত্তর, ‘আগের ম্যাচটির সূত্রে কিছু মূল বিষয়ে নিজেদের উন্নতি করার কথা আলোচনা করেছিলাম আমরা। আজ (শুক্রবার) তা করতে পেরেছি আমরা। খুবই ভালো খেলেছি।’
নিউজিল্যান্ডের ৩০৩ রান তাড়া করতে গিয়ে প্রত্যয়ী সূচনাই করেছিল পাকিস্তান। দুই ওপেনার সালমান বাট (৫৯) ও খালিদ লতিফ (৪৫) দলকে দিয়েছিলেন ৭৭ রানের জুটি। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের দুর্দান্ত ফিল্ডিং সুবিধা করতে দেয়নি পাকিস্তানকে। ব্যাট হাতে টানা দুই ম্যাচে ‘ডাক’ পাওয়া রস টেলর ব্যর্থতা পুষিয়ে দিয়েছেন ইউনুস খান (১৯) ও শহীদ আফ্রিদির দুটি দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে। অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ককে হারানোর পর বড় জুটি গড়াটা ছিল অপরিহার্য। কিন্তু আকমল (৪), ইউসুফ (১৮), মালিকরা (২৬) জুটি গড়তে পারেননি। আট নম্বরে নেমে রাজ্জাক ৩৫ রান করলেও সেটা পরাজয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া কোনো কাজে আসেনি। সতীর্থদের দুর্দান্ত ফিল্ডিং ছাড়াও ম্যাচ জয়ে স্কট স্টাইরিসের বোলিংকেও বড় করে দেখছেন ভেট্টোরি, ‘স্কটের ৩ উইকেট ম্যাচটিকে আমাদের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে।’
পাকিস্তান অধিনায়ক ইউনুসের মুখেও স্টাইরিস-প্রশস্তি। নিউজিল্যান্ডের বড় রানের পেছনে ম্যাককালাম-গাপটিলের ১২৬ রানের জুটির অবদান স্বীকার করে ইউনুস বলেন, ‘তারা বড় একটা জুটি পেয়েছে। কিন্তু আমরা ব্যাটিংয়ে নেমে, বিশেষ করে স্টাইরিসের কাছে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়েছি।

বাংলাদেশে আসছেন না ফ্লিনটফ

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতোই বিপাকে পড়েছেন অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ। ইনজুরির ধকল সইতে না পেরে টেস্ট খেলাটাই ছেড়ে দিলেন। কিন্তু সেই ইনজুরি পিছু ছাড়ছে না তাঁর। গত অ্যাশেজের পর আবারও তাঁর হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। কিন্তু সেরে ওঠার গতি খুবই ধীর। বাংলাদেশের বিপক্ষে পরবর্তী ওয়ানডে সিরিজে ফেরার আশা জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখনকার পরিস্থিতি দেখে এই ইংলিশ অলরাউন্ডার জানাচ্ছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় তিন ম্যাচের ওই সিরিজে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা খুব একটা নেই।
‘আমি বলেছিলাম, ওয়ানডে দলের সঙ্গে আমি বাংলাদেশে যেতে চাই। কিন্তু সেই চাওয়াটা এখন খুব একটা বাস্তবসম্মত মনে হচ্ছে না। ওই সিরিজের পর আইপিএল আছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলব। সপ্তাহ দুয়েক হলো আমি ক্র্যাচ ছেড়েছি। কিন্তু এখনো দৌড়াতে পারছি না’—দুবাইয়ে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকা ফ্লিনটফ বলেছেন সংবাদ সম্মেলনে।
বাংলাদেশের ওই সফরে দুটো টেস্টও খেলবে ইংল্যান্ড। এই সফরে অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসের খেলা উচিত, নাকি বিশ্রামে থাকা উচিত, এ নিয়ে কদিন ধরেই আলোচনা চলছে ইংল্যান্ডে। স্ট্রাউস বিশ্রাম নিলে আর ফ্লিনটফ না এলে দুই সিনিয়র খেলোয়াড়কে ছাড়াই বাংলাদেশে আসতে হবে ইংল্যান্ডকে।
ফ্লিনটফের এই সিদ্ধান্তের পেছনে আইপিএলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াকেও একটা কারণ বলে মনে করছেন কেউ কেউ। ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ না হওয়ায় জাতীয় দলের হয়ে খেলার বাধ্যবাধকতাও নেই। তবে তাঁর কাউন্টি দল ল্যাঙ্কাশায়ারের কোচ পিটার মুরস কিন্তু ফ্লিনটফের এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছেন, ‘ক্রিসমাসের পর বাংলাদেশের সিরিজের জন্য ফেরার লক্ষ্য স্থির করেছিল ফ্রেড। কিন্তু সেটা সম্ভবত তার ফিরে আসার ক্ষেত্রে একটু বেশিই তাড়াহুড়ো হয়ে যায়। তা ছাড়া এর পরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টও আছে।

ভারতকে ছয় উইকেটে হারিয়ে সিরিজ অষ্ট্রেলিয়ার

সাত ম্যাচ সিরিজের ৬ষ্ঠ ওয়ানডেতে ভারতকে ছয় উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জিতেছে সফরকারি অষ্ট্রেলিয়া। ডোগ বোলিংগার ও মিচেল জনসনের বোলিং তোপে ১৭০ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। ১৭১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪১ ওভার ৫ বলে চার উইকেটে ১৭২ রান করে অস্ট্রেলিয়া। তখনও খেলার বাকি ছিল ৮ ওভারে ১ বল।
এর আগে আজ রোববার সকালে গৌহাটির নেহেরু স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামে ভারত। প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে শেবাগকে (৬) ও শেষ বলে গম্ভীরকে (০) ফিরিয়ে দিয়ে ভারতের ইনিংসের পতনটা শুরুটা করেন জনসন। এরপর টেন্ডুলকার (১০) ও যুবরাজ সিংকে (৬) ফিরিয়ে দেন বোলিংগার। এতে ভারতের রান দাড়ায় ২৪, কিন্তু হারায় চার উইকেট। এরপর রায়নাকে (০) ফিরিয়ে দিয়ে ভারতকে আরও বিপদে ফেলেন জনসন। দলের এমন বিধ্বস্ত অবস্থায় হাল ধরেন অধিনায়ক ধোনি ও আর জাদেজা। কিন্তু ৩১ ওভারে দলীয় ৭৫ রানে বোলিংগার ধোনিকে (২৪) এলবিডব্লিওর ফাঁদে ফেলেন। আরও বিপদে পড়ে ভারত। এরপর নেমেই বোলিংগারের বলে বোল্ড হন হরভজন সিং।
রবীন্দ্র জাদেজা (৫৭) এবং প্রবীণ কুমারের (৫৪) রানের কল্যাণে ভারত শেষপর্যন্ত ৪৮ ওভারে করে ১৭০।
ব্যাট করতে নেমে ওপেনার ওয়াটসনের ৪৯ ও মাইক হাসির অপরাজিত ৩৫ রানে চার উইকেটে অস্ট্রেলিয়া জয়ের বন্দরে পৌঁছায়। হরভজন দুইটি, রায়না ১টি ও মুনাফ প্যাটেল ১টি উইকেট নেন।
ম্যাচ সেরা হন ডোগ বোলিংগার।
অষ্ট্রেলিয়া এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ৪-২ এ সিরিজ জিতে নিল।