Saturday, December 28, 2024
ভারতের অর্থনীতিকে খাদের কিনারা থেকে তুলে এনেছিলেন মনমোহন by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণের পর সেই সমালোচকেরাও আজ স্বীকার করছেন, আধুনিক ভারতের অর্থনৈতিক উদারীকরণের জনক তিনিই। ভারত আজ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যেটুকু সম্ভ্রম আদায় করতে পেরেছে, তার কৃতিত্ব মনমোহন সিংকেই দিতে হবে।
হয়তো সেই সঙ্গে নিভৃতে এ কথাও স্বীকার করছেন, তাঁর দ্বিতীয় দফার শাসনকালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় প্রমাণ অভিযোগ আনাটাও ছিল ভুল। কয়লাখনি বণ্টন কেলেঙ্কারি, টু জি স্পেকট্রাম বা কমনওয়েলথ কেলেঙ্কারির অভিযোগের তিরে তাঁকে বিদ্ধ করার চেষ্টা হলেও কোনো তদন্তই তাঁকে দোষী ঠাওরাতে পারেনি। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি যে দুর্নীতিতে ডুবে থাকতে পারেন, জনগণ সে কথা বিশ্বাস করতে চায়নি।
নিজের প্রতি সেই বিশ্বাস মনমোহনের ছিল বলেই অভিযোগ ও রাজনৈতিক দুশমনির জবাবে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘সংবাদমাধ্যম ও বিরোধীরা আমার প্রতি নির্দয় হলেও আমার বিশ্বাস, ইতিহাস ততটা নির্দয় হবে না। আশা করি ইতিহাস আমাকে অন্যভাবে মনে রাখবে। আমার প্রতি সদয় হবে।’
নিজের প্রতি ধারণা বা নিজেকে নিজের মূল্যায়নে মনমোহন ভুল করেননি। দেশবাসী তাঁকে স্বচ্ছ, ভদ্র, নম্র, মৃদুভাষী অথচ লক্ষ্য অর্জনে ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তার জন্যই মনে রেখেছে। মৃত্যুর পরে তা আরও বেশি করে প্রমাণিত। রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠা তিনিই এ দেশের শেষ প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক।
অথচ বাবার কথা শুনে চললে অর্থনীতিবিদ নয়, মনমোহন সিংয়ের পরিচিতি হতো চিকিৎসক হিসেবে। বাবা গুরমুখ সিং কোহলি চেয়েছিলেন স্কুল শেষ করে ছেলে চিকিৎসায় পড়ুক। বাবার ইচ্ছাকে মর্যাদা দিতে মনমোহন মেডিকেল কলেজে ভর্তিও হন। মনমোহন–কন্যা দামন সিং তাঁর লেখা ‘স্ট্রিক্টলি পার্সোনাল: মনমোহন অ্যান্ড গুরশরণ’ বইয়ে এই কথা জানিয়ে লিখেছেন, বাবার কথায় মেডিকেলে ভর্তি হলেও তিনি খুশি ছিলেন না। অর্থনীতি তখন তাঁকে টানছে।
মাস কয়েকের মধ্যেই মেডিকেলে পড়া ছেড়ে দেন মনমোহন। অমৃতসর হিন্দু কলেজে অর্থনীতিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তারপর সাগর পাড়ি। অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষালাভের পর দেশে ফিরে প্রথমে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, তারপর দিল্লি স্কুল অব ইকোনমিকসে অধ্যাপনা করেন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯, তিন বছর জাতিসংঘে কাটিয়ে দেশে ফিরে ১৯৭২ সালে যোগ দেন ভারত সরকারে, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে।
চার বছর (১৯৭২–৭৬) ভারত সরকারের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ১৯৮২–৮৫ রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর ও ১৯৮৫–৮৭ যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন মনমোহন। এরপরই তাঁর রাজনীতিতে প্রবেশ একেবারে আচমকাই। সেই কাহিনিও চমকপ্রদ। ১৯৯১ সালের জুন। নেদারল্যান্ডসে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে দিল্লি ফিরেছেন ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান মনমোহন সিং। দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি ঘোচাতে শুয়ে পড়েছেন। গভীর রাতে ফোন বাজল। ধরলেন মনমোহনের কন্যার স্বামী বিজয় তনখা। ফোনের ওপারে প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের অতি ঘনিষ্ঠ আমলা পি সি আলেকজান্ডার। বললেন, ঘুমিয়ে পড়লেও বাবাকে জাগাতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।
নির্দেশ সত্ত্বেও বিশেষ গুরুত্ব দেননি মনমোহন। দিনটি ছিল ২১ জুন। সকালে যথারীতি ইউজিসি অফিসে গেছেন। কিন্তু তড়িঘড়ি তাঁকে ফিরে আসতে হয় বাড়িতে। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে চান। রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মনমোহন সিংকে দেখে সবাই তাজ্জব। কন্যা দামন সিং লিখেছেন, রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়ার আগেই বাবাকে নতুন দায়িত্বের কথা জানিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওই। যদিও তা ঘোষিত হয়নি।
সেই সময়কার ভারতীয় অর্থনীতি ছিল শঙ্কাজনক। আগের প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখর ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) থেকে দেশের সোনা গচ্ছিত রেখে। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় তলানিতে। ভাঁড়ারে মাত্র ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, সেই সময়কার হিসেবে মাত্র আড়াই হাজার কোটি ডলার, যা দিয়ে বড়জোর দুই সপ্তাহের প্রয়োজনীয় আমদানি বিল মেটানো যায়। জলের মতো বিদেশি মুদ্রা বেরিয়ে যাচ্ছে। চড়চড় করে বেড়ে মুদ্রাস্ফীতি দুই অঙ্ক ছাড়িয়ে গেছে। মূল্যবৃদ্ধিও লাগামছাড়া। বৈশ্বিক ব্যাংকগুলো ভারতকে ঋণ দিতে অস্বীকার করছে। অর্থনীতি চুরচুর করে ভেঙে পড়ছে।
দেশের অর্থনীতির হাল কেমন, মনমোহন সিংয়ের তা জানা ছিল। সমস্যার মতো সমাধানের রাস্তাও ছিল জানা। কালক্ষেপণ না করে তাই তিনি কাজে নামতে দেরি করেননি। রিজার্ভ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর তখন সি রঙ্গরাজন। তাঁর সঙ্গে পরামর্শ করে কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই খেপে প্রথমেই তিনি ডলারের বিপরীতে রুপির অবমূল্যায়ন করেন। ঘোষিত হয় নতুন শিল্পনীতি। তুলে নেওয়া হয় রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা। এ ক্ষেত্রে তিনি সহায়তা পান বাণিজ্যমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের। পরের মাসেই পেশ করেন তাঁর প্রথম বাজেট। লাইসেন্স পারমিট রাজের দিন শেষ করে দেশের অর্থনীতিকে উন্মুক্ত করার সেই শুরু।
দেশ দেখল, মাত্র ১৮টি ক্ষেত্র ছাড়া সর্বত্র শিল্পে লাইসেন্স প্রথা তুলে দেওয়া হলো। মোট ৩৪ শিল্পে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের অনুমোদিত হলো। বহু ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থার একচেটিয়া অধিকার খর্ব হলো। রুগ্ণ সরকারি সংস্থা থেকে ক্রমেই হাত গুটিয়ে নেওয়ার পর্ব শুরু হলো। হাত দিলেন ব্যাংকিং নীতি সংস্কারে। খুলে দেওয়া হলো বেসরকারি ব্যাংকের দরজা।
ভারতীয় স্টক মার্কেটে বিদেশি লগ্নির দরজা খুলে দেওয়া হলো। শুরু হলো মিউচুয়াল ফান্ড। সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থারও। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক ‘সেবি’র হাতে দেওয়া হলো আরও ক্ষমতা। ক্রমেই ঘুরে দাঁড়াতে থাকল অর্থনীতি। প্রতিযোগিতা ক্রমেই বাড়িয়ে তুলতে থাকে দক্ষতা। এতে অবশ্যই অখুশি হয়েছিলেন তাঁরা, এতকাল যাঁরা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও দাক্ষিণ্যে ব্যবসা–বাণিজ্য চালাচ্ছিলেন। ভারতীয় অর্থনীতিতে যাঁদের পরিচিতি ছিল ‘বম্বে ক্লাব’ সদস্য বলে। কিন্তু নরসিমা রাওয়ের সমর্থনে মনমোহন সিং সব বাধা কাটিয়ে এগিয়েছিলেন।
মনমোহন যখন অর্থমন্ত্রী হন, তখন ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারে ছিল মাত্র ১০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। দুই বছরে তা বেড়ে হয় ১ হাজার কোটি ডলার।
মনমোহন সিংয়ের ওপর অর্থনৈতিক দায়িত্ব সঁপে নরসিমা রাও যেমন ভুল করেননি, তেমনই সঠিক কান্ডারি বেছে নিতে কুণ্ঠিত হননি সোনিয়া গান্ধীও। কংগ্রেস দল ও তাঁর নির্বাচনী শরিকদের সবাই যখন ২০০৪ সালে উপঢৌকনের ডালি সাজিয়ে সোনিয়া গান্ধীর হাতে প্রধানমন্ত্রিত্ব তুলে দিতে উন্মুখ, রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী তখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনমোহন সিংয়ের নামই ঘোষণা করেছিলেন। ২০০৪ সালের ২২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথ নেন মনমোহন সিং। পাঁচ বছর পর ২০০৯ সালে ওই দিনে দ্বিতীয়বারের জন্যও।
প্রধানমন্ত্রী হয়েও বৈপ্লবিক সব পরিবর্তন এনেছিলেন মনমোহন সিং। দারিদ্র্য দূরীকরণে ২০০৫ সালে চালু করেন এক শ দিনের কাজের প্রকল্প, পরবর্তী সময়ে যা ‘মনরেগা’ নামে পরিচিত। সেটাই ছিল দরিদ্রদের জন্য তাঁর কাজের গ্যারান্টি। ভারত–যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু চুক্তির সিদ্ধান্ত শুধু বৈপ্লবিকই ছিল না, ওই চুক্তি আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের আসন অন্য উচ্চতায় স্থাপন করেছিল। সেটা ছিল আক্ষরিক অর্থেই পররাষ্ট্রনীতির এক নতুন মাইলফলক।
প্রাথমিক শিক্ষার অধিকার, আদিবাসী অধিকার, খাদ্য সুরক্ষা আইন, জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন আইনও মনমোহনেরই করা। খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় তিনি চালু করেছিলেন গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা। ভর্তুকির অর্থ সরাসরি উপভোক্তার ব্যাংক খাতায় পাঠানোর কাজও মনমোহন সিংই প্রথম শুরু করেছিলেন। নাগরিকদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, যার পোশাকি নাম ‘আধার কার্ড’, তার যাত্রা শুরুও মনমোহন সিংয়ের হাত ধরে। আর পাস করিয়েছিলেন মানুষের তথ্য জানার অধিকার আইন, সারা দেশে যা ‘আরটিআই’ বলে পরিচিত।
তিস্তা চুক্তি সই হতে হতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসহযোগিতায় না হওয়া, বিজেপির প্রবল বিরোধিতার কারণে স্থলসীমান্ত চুক্তি সই করতে না পারা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনমোহন সিংয়ের ব্যর্থতা বলে অবশ্যই চিহ্নিত হবে। মণিপুরের টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশিদের সমালোচনাও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস আমলে ভারত–বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতিতে তাঁর সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা কখনো প্রশ্নের মুখে পড়েনি।
ব্যতিক্রমী রাজনীতিক হিসেবে শ্রদ্ধা ও সম্মানের আসন অজাতশত্রু মনমোহন সিংয়ের জন্য পাতাই থাকবে। চিরকাল তিনি পরিচিত থাকবেন আধুনিক ভারতের অর্থনীতির রূপকার ও নিষ্কলঙ্ক রাষ্ট্রনেতা হিসেবে, যিনি কখনো ‘রাজনীতিক’ হয়ে উঠতে পারেননি। চানওনি।
![]() |
| ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সূর্যের কাছে গিয়ে ইতিহাস গড়ল নাসার মহাকাশযান
নাসার তথ্য অনুযায়ী, প্রোবটির একটি ‘আলোক সংকেত’ যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের লরেল শহরে অবস্থিত জনস হপকিনস অ্যাপ্লায়েড ফিজিকস ল্যাবরেটরিতে (এপিএল) এসে পৌঁছেছে। এখান থেকে প্রোবটি পরিচালনা করা হচ্ছে।
পার্কার সোলার প্রোব ঘণ্টায় প্রায় ৪ লাখ ৩০ হাজার মাইল গতিতে গত মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সূর্যের দিকে ছুটতে শুরু করে। এ সময় প্রোবটিকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮০০ ফারেনহাইট বা ৯৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে হয়েছে। এসব প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে অবশেষে তা বাংলাদেশ সময় গতকাল বেলা ১১টার দিকে সূর্যপৃষ্ঠের প্রায় ৩৮ লাখ মাইল কাছাকাছি পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
২৪ ডিসেম্বর যাত্রার পর থেকে মহাকাশযান বা প্রোবটির সঙ্গে এপিএলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। মহাকাশযানটির প্রোগ্রাম এমন করে ঠিক করা ছিল, তা যদি সফলভাবে সূর্যের কাছাকাছি প্রত্যাশিত স্থানে পৌঁছাতে পারে, তা হলে একটি আলোক সংকেত পাঠাবে। এই সংকেতের জন্যই নাসার বিজ্ঞানীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন।
সংকেত পাঠানোর অর্থ হলো, মহাকাশযানটি নিরাপদ আছে এবং ঠিকভাবে কার্যক্রম চালাতে পারছে। আগামী ১ জানুয়ারি মহাকাশযানটি নিজের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পার্কার সোলার প্রোব সূর্যের এতটা কাছাকাছি যাওয়ার ফলে এই নক্ষত্র সম্পর্কে নতুন তথ্য জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এসব তথ্য সূর্যের চারপাশের অতি উত্তপ্ত অঞ্চলকে বুঝতে এবং সৌরবায়ুর উৎস শনাক্ত করতে বিজ্ঞানীদের সহায়তা করবে।
এর আগে সূর্যের কাছাকাছি অঞ্চল প্রদক্ষিণ করে আসা মহাকাশযানগুলো বিজ্ঞানীদের নক্ষত্রটির বায়ুমণ্ডলের বাইরের সীমানা বুঝতে সাহায্য করেছিল।
![]() |
| সূর্যের কাছাকাছি চলে যেতে সক্ষম হয়েছে মহাকাশযান পার্কার সোলার প্রোব। ছবি : নাসা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেখ হাসিনা-জয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের প্রমাণ পেয়েছে এফবিআই
এর পাশাপাশি ১ অক্টোবর বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেজারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি ইউরোপীয় প্রতিনিধিদল তৎকালীন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহর সাথে দেখা করেন। কমিশনের অপারেশনাল সক্ষমতা জোরদার করার জন্য পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধার করতে প্রযুক্তিগত সহায়তার পুনর্বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশনকে জানান, হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগটি অধিকতর তদন্তের জন্য দুদক মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
১৭ ডিসেম্বর দুদক মহাপরিচালক মোঃ আখতার হোসেন জানান- হাসিনা, জয়, হাসিনার বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে তথা বৃটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক এবং অন্যরা নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৭ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। যার পৃথক একটি তদন্তও শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
সূত্র জানিয়েছে যে, নয়টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, আশ্রয়ণ এবং বেপজা ও বেজার অধীনে থাকা অন্যান্য প্রকল্প। ৭ বিলিয়নের মধ্যে শুধু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প থেকেই ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে বৃটেনের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের নাম তার পরিবারের তালিকায় রাখা হয়েছে। টিউলিপের খালা, বাংলাদেশে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীনে ব্যাপক তদন্তের মুখোমুখি ।
হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং ৫ আগস্ট ছাত্রদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানের মুখে পড়ে রেহানাকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। ১৫ বছরের শাসনের পর হাসিনার নেতৃত্বাধীন কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম প্রথম নজরে আসে ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বনাম রিজভী আহমেদের মামলায়। এফবিআই-এর তদন্তে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অসদাচরণ প্রকাশ পেয়েছে।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে হংকং এবং কেম্যান দ্বীপপুঞ্জের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি এবং লন্ডন ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তরিত করার তথ্য বিশেষভাবে সামনে এসেছে। এফবিআই তাদের লন্ডন প্রতিনিধির মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেছে এবং গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রমাণ পেয়েছে।
বিচার বিভাগের একজন সিনিয়র ট্রায়াল অ্যাটর্নি এবং একজন বিশেষ এজেন্ট নিশ্চিত করেছেন যে কেম্যান দ্বীপ এবং হংকংয়ের শেল কোম্পানির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। এ বিষয়ে দুদকের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, 'ঘটনাটি অনেকাংশে সত্য, আমরা ভবিষ্যতে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে পারি, এ বিষয়ে আমরা পরে সরাসরি কথা বলব।'
বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পর্কে সম্প্রতি প্রকাশিত শ্বেতপত্র অনুসারে, কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ শাসনের অধীনে অবৈধ তহবিল প্রবাহের কারণে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বার্ষিক ১৬ বিলিয়ন ডলার লোকসান করেছে।
সূত্র : গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন কি চুরি হয়ে যাচ্ছে? by ড. মো: মাহবুবুল আলম
আরেক আয়নাঘরে থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন।
একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি অতি সম্প্রতি পূন:প্রকাশিত জাতীয় দৈনিকের লেখায় ২৪শে জুলাই এর বিজয় তাদের পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন। সমন্বয়কবৃন্দ সবকিছুতেই তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন, কিন্তু এব্যাপারে তাদের এখন পর্যন্ত নীরব দেখেছি।
একই ছাত্র সংগঠনের এক সাবেক ছাত্রনেতা, বর্তমানে বিদেশি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাংলাদেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে দেশের প্রধানতম দুইটি রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক নীতি ও স্ট্রাট্রেজি সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন। তিনি ঐ দুটি দলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে ভালো মন্তব্য করলেও, দল দুটি যে তাদের নীতিগত অবস্থান মেনে চলেন নাই সেই সম্পর্কে বলেছেন। খুবই কৌতূলোদ্দীপকভাবে এই শিক্ষক এবং সাবেক ছাত্রনেতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন প্রসঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে তাদের অনুশোচনার ব্যাপারে বলেছেন। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক-সাংবাদিক বুদ্ধিজীবীকে এই প্রশ্ন করেন নাই ৭১-প্রশ্নে সেই নেতার রাজনৈতিক দলের অবস্থান কী ছিল? '২৪-এর পতিত দলটি যদি ক্ষমা চাওয়া ছাড়া বাংলাদেশের রাজনীতি করতে না পারে, বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধ অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দলটি মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান ছাড়া কীভাবে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে? রাজনৈতিক সংস্কারের প্রথম ধাপ হওয়া উচিত বাংলাদেশ প্রশ্নে ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে দলগুলোর অবস্থান। যেটি আমাদের তরুণ ছাত্র নেতৃত্ব হয়তো জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছে।
এটি পরিষ্কার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শ্লথ গতি, আপাতদৃষ্টিতে মুক্ত গণমাধ্যমের বাতাবরণে একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রোপাগান্ডা মেশিন হয়ে কাজ করছে অনেক মিডিয়া হাউজ। বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঐ দলটির নেতাকর্মীদের সংবাদ এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের কর্মী বাহিনীর মন্তব্য স্পষ্ট সমাজের প্রতিটি স্তরে তাদের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের গণমাধ্যম। সুতরাং দেশের গণমাধ্যম বা কিছু সাংবাদিক সাংবাদিকতার মুক্তনীতি নিজের কাজে ব্যবহার করছেন না বা নিজকে প্রকাশ না করে রাজনীতিকে নিজের আশ্রয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বিশেষ করে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমগুলো রাজনৈতিক চরিত্র পরিবর্তন করেছেন বলে মনে হয় না। শুধু পরিবর্তন হয়েছে তাদের ব্যক্তি বা গোষ্ঠীবন্দনা। গণমাধ্যমে এই আলোচনা আছে যে, ঐ ধর্মীভিত্তিক রাজনৈতিক গোষ্ঠীর বর্তমান নেতৃত্ব যুদ্ধাপরাধের দায় নিবেন না। কারণ তারা কেউ যুদ্ধ অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন না। কিন্তু রাজনীতিতে নীতি পরিবর্তন না করে শুধু নেতার পরিবর্তনে কোনো রাজনৈতিক দল তার অপরাধের দায়মুক্তি পেতে পারেন কিনা? স্বাধীন গণমাধ্যম নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সঠিক প্রশ্ন উত্থাপিত হবে না। বাংলাদেশের সাংবাদিকরা কি কোনো কিছু আঁচ করছেন, তাই সঠিক প্রশ্ন না করে কাউকে কাউকে ফ্রি স্পেস দিচ্ছেন?
কোনো ছাত্র সংগঠনের কোনো সভাপতি যখন '২৪ গণঅভ্যুত্থানের জয় নিজের বলে দাবি করেন তখন ছাত্র সমন্বয়কদের অতি অবশ্যই এব্যাপারে জাতির কাছে বার্তা দেওয়া জরুরি। যদি তার দাবি সঠিক হয়ে থাকে তাহলে জাতির কাছে সেটা হবে অনেক বেদনার। আর যাই হোক, এখনো বাংলাদেশের অনেক জনগণ যারা গণঅভ্যুত্থানে জীবন দিয়েছেন, সাহস নিয়ে দাঁড়িয়েছেন, ৭১ অপরাধে কোনো দলের আহ্বানে সাড়া দিতেন বলে মনে হয় না। যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর বিপ্লব করে রাজনৈতিক কারণে কারাবরণ করেছেন, সরকারের স্বরূপ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করেছেন, গণমানুষকে আন্দোলনে শরীক হতে বলেছেন, তাদের ক্ষমতা ও আত্মত্যাগকে অবজ্ঞা করা হয়েছে এই দাবির মাধ্যমে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কারের দ্বিতীয় ধাপ হওয়া উচিত দলগুলোর ভেতরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি। তবে এক্ষেত্রেও আশাব্যঞ্জক কোনো অগ্রগতি হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। এদেশের একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা অলরেডি ধরে নিয়েছেন তারা ক্ষমতায় আসছেন। কেন্দ্র থেকে ব্যবস্থা নেয়া সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ের চিত্র হতাশাজনক। নেতাকর্মীদের সাময়িক বহিষ্কার এই চিত্র পাল্টাতে পারবে বলে এখন আর মনে হয় না। যদি না দলটি কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যন্ত এই বার্তা দিতে পারে যে এক নতুন চেহারার পরিবর্তিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে দলটি সক্রিয় হবে। দলটির বিরোধী শিবির ইতিমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কিছু কর্মীর বিশৃঙ্খল আচরণ, অবৈধ উপায়ে আর্থিক সংশ্লিষ্টতার ইস্যুটি সামনে নিয়ে এসেছেন। বৈষম্যবিরোধী একজন ছাত্র নেতা, যিনি একটি রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়ার প্রধান ব্যক্তি বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার সাক্ষাৎকারে এই বিষয়টি তুলে ধরতে চেয়েছেন। যদিও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের ব্যানারে যে রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়া চলছে, তার আর্থিক সংস্থান কীভাবে চলছে, আলোচনা, সভা সংগঠন, কমিটি গঠন-নিশ্চয় শুধুমাত্র কর্মীদের মাসিক চাঁদার ভিত্তিতে হচ্ছে না, এটি নিশ্চিত। রাজনৈতিক দলগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এদেশের অন্য দলগুলোর মতো অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে, নতুন দলগুলোর কাছ থেকে নতুন কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা কমে যায়। এদিক দিয়ে অবশ্য ভালো অবস্থানে আছে ধর্মের নামে রাজনীতি করা দলগুলো। পাবলিক পারসেপশন আছে ঐ দলগুলোর নেতাকর্মীরা কোনো আর্থিক অব্যবস্থাপনায় জড়িত না। তাদের নেতাকর্মীরা সুশৃঙ্খল এবং এটি অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে তাদের ব্যাপারেও পাবলিক পারসেপশন আছে যে, দলটি যতো না রাজনৈতিক দলগুলোর মতো পরিচালিত হয়, তারচেয়ে বেশি পরিচালিত হয় একটা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মতো। এই ধরনের দলে থাকার সুবিধা হলো কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা, অস্বচ্ছল সদস্যদের জন্য রয়েছে মাসোহারা-ভিত্তিক ব্যবস্থা। বাংলাদেশের কোন সরকার নিরপেক্ষভাবে সেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান এদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন তাদের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা এবং মুসলিম দেশগুলো থেকে আসা করপোরেট বা সামাজিক খাতে আসা অর্থের সুস্পষ্ট বিলিবন্টন নিয়ে গবেষণা করেন না। গণমাধ্যমগুলো এই প্রশ্ন তুলে না। সুতরাং সাধারণ মানুষের জন্য এ দলগুলো বিপক্ষ দলগুলোর বিরুদ্ধে একটা প্রশ্ন তুলতে পারলেও, নিজেদের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা সুকৌশলে এড়িয়ে যায়। নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর আর্থিক সংশ্লিষ্টতা কাদের সাথে সে ব্যাপারটাও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। সুতরাং রাজনৈতিক সংস্কার চাইলে দলগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা স্পষ্ট করতে হবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি বড় প্রচারণা ছিলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি থাকবে না। কিন্তু দেখা গেলো ধর্মকে উপজীব্য করে রাজনীতি করা একটি দল কিছু ক্যাম্পাসে তাদের কমিটি ঘোষণা করলো। কিন্তু কোনো প্রতিবাদ বৈষম্যবিরোধী সমাজ থেকে দেখা গেলো না। ইতিমধ্যে তারা নিজেই রাজনৈতিক দল করার ঘোষণার মাধ্যমে তাদের দাবি আর নৈতিকভাবে ধোপে টিকে কিনা তা একটি প্রশ্ন বটে। তাদের এই কালক্ষেপণে অনৈতিক সুবিধা যদি কেউ পেয়ে থাকে তবে সেই ছাত্র সংগঠনটি, যারা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ক্যাম্পাসে নীরবে তাদের কর্মী সংগঠনের কাজটি করে ফেলেছে। সংগঠনটির ছাত্র নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতৃত্ব তাদের খুব কাছের মানুষজন। মিডিয়াগুলোতে তাদের মিথস্ক্রিয়া অবশ্য তার সাক্ষ্য বহন করে। উদারনৈতিক দেশের প্রত্যাশা নিয়ে শুরু গণআন্দোলন হারিয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে কিছু রাজনৈতিক সুবিধাভোগীর অবিমৃষ্যকারী ইতিহাস রচনার প্রেক্ষিতে। সুতরাং এব্যাপারে জুলাই আন্দোলনের নায়কদের স্পষ্ট বক্তব্য দরকার। বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডল পরিবর্তন করার এই প্রচেষ্ঠা তাদের নতুন বন্দোবস্তের সাথে সম্পর্কিত কি-না সে ব্যাপারে খোলাসা করা দরকার। না হলে একটি দলের চাঁদাবাজি নিয়ে সমাজে যতো কথা আছে, কারো মসজিদ দখল, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল দখল, পেশাজীবিদের প্লাটফর্ম দখল- এ সম্পর্কিত প্রশ্নে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখছি না কেন। জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে যে বিজয়, তা যখন একটি রাজনৈতিক দল চুরি করে নেয় তবে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক বৈকি। তবে এটাও ঠিক সব রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব দলে সুশাসন নিশ্চিত করা ছাড়া জনগণের মাঝে আস্থা ফেরানোর কাজটি সহজ হবে না।
লেখক- অধ্যাপক, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ইমেইল : mmahbubul_22@yahoo.com

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড্রাইভিং সিটে বসেও বিএনপি’র উদ্বেগের নেপথ্যে কী? by সাজেদুল হক ও কিরণ শেখ
৫ই আগস্ট হাসিনার পলায়নের পর বিএনপি তার দুঃসময় অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। রাজপথ থেকে প্রশাসন সর্বত্র দলটির কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। তারপরও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কথায় একধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশিত হচ্ছে। অন্তত বক্তৃতা-বিবৃতিতে তারা দ্রুত নির্বাচনের জন্য সরকারের ওপর চাপ তৈরি করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের একধরনের রোডম্যাপ দিলেও বিএনপি তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট রোডম্যাপের দাবি জানানো হয়েছে। এমনকি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোটের অধিকারের দাবিতে রাজপথে নামার কথাও বলছেন। বিএনপিতে কেন এ ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। দলটির ভেতরে-বাইরে কথা বলে একটা ধারণা পাওয়া যায়।
বেশির ভাগ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মনে করেন, এখন দেশে নির্বাচন হলে বিএনপি জয়লাভ করবে। স্বাভাবিকভাবেই এ কারণে বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে। এটি রাজনীতির সবচেয়ে সহজ হিসাব।
বিএনপি নেতাদের কেউ কেউ মনে করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়বে। ভারত বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও তারা এসব বিষয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছে। পণ্য সরবরাহসহ নানা ইস্যুতে পতিত সরকারের সহযোগীরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করবে। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। অন্য কোনো শক্তি যার সুযোগ নিতে পারে।
এমন একটি ধারণাও বিএনপি’র কারও মধ্যে রয়েছে যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি অংশ যতটা সম্ভব নির্বাচন বিলম্ব করতে চায়। তারা দ্রুত নির্বাচন দিতে চায় না। এক্ষেত্রে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠিত হলে তাদের জন্য সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচন হতে পারে এমন আলোচনাও রয়েছে। বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রকাশ্যেই অভিযোগ করেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা একটি রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’ তবে একাধিক গোয়েন্দা সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১৮ বছর ধরে বিএনপি ক্ষমতার বাইরে। দলটির নেতাকর্মীরা গুম, খুন, মামলা, কারাভোগসহ নানা ধরনের নির্যাতন সহ্য করেছেন। ঘরছাড়া ছিলেন হাজার হাজার নেতাকর্র্মী। পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই তারা এলাকায় ফিরেছেন। অনেকে তাদের দখল হওয়া জমি, সম্পদ উদ্ধার করেছেন। আবার অনেকে জড়িয়েছেন দখল ও চাঁদাবাজিতে। এ রিপোর্টারের কাছেও দখলের এমন কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। অনেক জায়গাতেই হাতবদল হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসব অভিযোগ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বিএনপি’র বিরুদ্ধেও জনগণ ক্ষুব্ধ হতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অবশ্য এবার শুরু থেকেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অভিযুক্তদের একটি বড় অংশের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তারেক রহমান দলের নেতাকর্মীদের বারবার সতর্ক করছেন।
কী বলছেন বিএনপি নেতারা?
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বুঝতে হবে, কেন ছাত্রদের গণআন্দোলন হয়েছে? বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য এই আন্দোলন হয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। এবিষয়টি সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য আমরা নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি। আর আমরা উদ্বিগ্ন না। আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি, জনগণ নির্বাচনমুখী হলে যে ছোটখাটো সমস্যা তৈরি হচ্ছে তা তারা নিজেরাই মোকাবিলা করবে। যেটা এই সরকারের জন্য প্রয়োজন।
বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু মানবজমিনকে বলেন, বিএনপি ১৭ বছর ধরে আন্দোলন, সংগ্রাম করছে। জুলুম নির্যাতন সহ্য করছে। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৬০ হাজার মামলা হয়েছে। ৬২ লাখ নেতাকর্মী আসামি হয়েছেন। আমরা এই আন্দোলন কেন করেছি? এ আন্দোলন আমরা করেছি জনগণের ভোটের অধিকারের জন্য। জনগণ তো এখনো সে অধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। গণতান্ত্রিক সরকার মানে হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার জন্যই দ্রুত নির্বাচন প্রয়োজন। দ্রুত নির্বাচন মানে এই নয় যে, আমরা দুই মাসের মধ্যেই নির্বাচন চাচ্ছি। প্রধান উপদেষ্টা একটা টাইমলাইন বলেছেন। আগামী বছর ডিসেম্বর অথবা পরের বছর শুরুর দিকে। এখন আলোচনা করে একটি ডেট দিলেই হয়। বর্তমান সরকারের প্রতি বিএনপি’র সমর্থন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো দেশের সত্যিকারের উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি কেবল নির্বাচিত সরকারের দ্বারাই সম্ভব। জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে গঠিত কোনো দলকে হুমকি বলে মনে করেন না বলে জানান তিনি। বলেন, দল করার অধিকার সবারই রয়েছে। জনগণ যাদের ভোট দেয় তারাই সরকার গঠন করবে।
বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমরা ১৬ বছর ধরে ভালো নির্বাচনের কথা বলছি। হাসিনার আমলে তামাশা, ভোট চুরি ও ডাকাতির নির্বাচন হয়েছে। আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচন বন্ধ করতে চায়। তাদের গায়ে জ্বালা করছে। তারা বলছেন, ‘৫৩ বছরে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কী করেছেন! আমরা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার তাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে নির্বাচন চাচ্ছি। আমরা আতঙ্কিত হচ্ছি একারণে যে, নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্রে উত্তোরণের পথ নাই।’ বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দেয়া উচিত। কেননা, অনির্বাচিত সরকার বহু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি ঢাকা এবং অন্যান্য শহরে ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভের দিকে ইঙ্গিত করেন। যেসব বিক্ষোভের মধ্যে অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনও ছিল।
বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গণমাধ্যমকে বলছেন, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না দিয়ে নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য আসছে বলেই জনমনে বিভ্রান্তি কিংবা অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষ কখন ভোট দিয়ে তাদের পছন্দনীয় সরকার গঠন করতে পারবে সেটা স্পষ্ট করা দরকার দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে। সরকার অন্য যাই বলুক, এই ভোটের সময়টা না পাওয়াতেই জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিএনপি সেটিই তুলে ধরছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক জোবাইদা নাসরীন বলছেন, নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা মোটামুটি একটি সময়ের কথা বললেও সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণায় যে সরকারের প্রবল অনীহা- তা কিন্তু দৃশ্যমান। বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা একদিকে একটি সময় বলেছেন, আবার অন্যদিকে বলেছেন তার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এসব বিষয় চূড়ান্ত করবে। আবার উপদেষ্টারা কেউ কেউ বলছেন সংস্কারের পর নির্বাচন। ফলে নির্বাচনের তারিখ বলার ক্ষেত্রে একটি অনিশ্চয়তা তো জনমনে আছে। সে কারণেই বিএনপি’র মধ্যেও শঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং এ পরিস্থিতিতে সেটাই স্বাভাবিক।
শেষ কথা: একধরনের বৈপরীত্য নিয়ে এগুচ্ছে বিএনপি’র রাজনীতি। একদিকে ক্ষমতার একেবারে কাছাকাছি অবস্থান। অন্যদিকে অনিশ্চয়তা। রাজনীতিতে যদিও এটা কোনো অভিনব দৃশ্যপট নয়। ঢাকার একজন বিশ্লেষক বলেন, ‘হাজার হাজার বছর ধরেই এটা চলে আসছে। মসনদে বসা কোনো সহজ খেলা নয়।’ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতাদের সঙ্গে একধরনের দ্বান্দ্বিক অবস্থান তৈরি হয়েছে বিএনপি’র। এটাকেও সব বিশ্লেষক নেতিবাচক মনে করেন না। তারা স্মরণ করেন, বন্ধুত্ব ক্ষণকালের। দ্বন্দ্ব চিরদিনের। তবে শত্রুতা না এলেই হলো।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ▼ 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

