Friday, July 14, 2017

একে-৪৭কে উইকেট বানিয়ে ক্রিকেট খেলছে কাশ্মিরের গেরিলারা!

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে গেরিলারা একে-৪৭কে উইকেট বানিয়ে ক্রিকেট খেলছে। এমন ‘সশস্ত্র’ ক্রিকেট খেলার ভিডিও ভাইরাল হয়ে ইন্টারনেটে বেশ আলোড়ন তুলেছে।
পাঁচ মিনিটের এ ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে যে একজন ক্যামেরাম্যানসহ ছয় গেরিলা একে-৪৭কে উইকেট হিসেবে বানিয়ে ক্রিকেট খেলছে। ভারত নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণ কাশ্মির থেকে এ ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। ক্রিকেটপ্রেমী গেরিলারা খেলার সময়েও তাদের অস্ত্র ত্যাগ করেননি বরং  তাদের পিঠে ঝুলছে আগ্নেয়াস্ত্র।
এ ছাড়া, খেলার তোড়ে গুলির বেল্টও খুলে রাখেন নি গেরিলারা; বরং ওটি যথারীতি কোমরে বাধা রয়েছে তাদের। ইউটিউবে একদিন আগে দেয়া ভিডিওটি এ পর্যন্ত ৮৭ হাজার বার দেখা হয়েছে।

‘মিয়ানমারের পরিস্থিতি উপেক্ষা করার মতো নয়’

মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি উপেক্ষা করার মতো নয়। দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে আনা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধানী (ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং) মিশনকে তদন্ত করতে দেয়া উচিত। এমন মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। এ খবর দিয়েছে পিটিআই।
খবরে বলা হয়, মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে দেশটির রাখাইন রাজ্যসহ অন্যান্য অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করতে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ গত মাসে একটি কমিশন গঠন করে। কিন্তু মিয়ানমার ওই কমিশনের সদস্যদের মিয়ানমারে প্রবেশের জন্য ভিসা না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
নিকি হ্যালি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে জাতিগত ও ধর্মীয় গোষ্ঠীদের বিরুদ্ধে নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে। নিহত হয়েছেন অনেকে। এছাড়া, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘শুধু জাতিগত পরিচয় বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে কেউ নির্যাতন বা বৈষম্যের শিকার হবে এটা ঠিক নয়। মিয়ানমার সরকারের উচিত এই তথ্য-অনুসন্ধানী মিশনকে কাজ করার অনুমোদন দেয়া।’ তিনি আরো বলেন, ‘জাতিসংঘ মিয়ানমারে যা ঘটছে তা উপেক্ষা করে যেতে পারে না। সরকার যাতে এই ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনকে সমপূর্ণ সহযোগিতা করে সে জন্য আমাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে। এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন যদি তদন্ত না করতে পারে, তাহলে নির্যাতিতদের আসল সংখ্যা জানা যাবে না।’
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর জেনেভা শাখার পরিচালক জন ফিশার বলেন, ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের সদস্যদের ভিসার অনুমোদন না দেয়া মানে হচ্ছে, মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হওয়া মানুষগুলোর মুখে চড় মারা। তিনি বলেন, ‘অং সাং সু চি’র সরকার কি ওইসব ক্ষুদ্র, কলঙ্কজনক দেশগুলোর মতো হতে চায় যারা মানবাধিকার পরিষদের সিদ্ধান্ত  প্রত্যাখ্যান করে? উত্তর কোরিয়া, ইরিত্রিয়া, সিরিয়া ও বুরুন্দি হচ্ছে মানবাধিকার বিরোধী দেশ। এই দেশগুলো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তদন্তে  বাধা দিয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মিয়ানমার সরকারও কি তাই করবে?’ জাতিসংঘের ধারণামতে, গত অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চল থেকে ৯০ হাজার মানুষ বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এদের বিপুল অংশ আশ্রয় নিয়েছে প্রতিবেশী বাংলাদেশে।

বাবার সঙ্গেই মেয়ের বিয়ে!

মেয়ের সঙ্গে নিজের স্বামীকে শেয়ার করেন মা। শুনে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এটাই রীতি। এই চলই দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে মান্ডি উপজাতির মধ্যে। ভারতের অসম, নাগাল্যান্ড, মেঘালয় ছাড়াও বাংলাদেশের কিছু অংশেও এই উপজাতির বাস। মান্ডি ঘরের মেয়েদের কখনও নিজের বাড়ি ছেড়ে শ্বশুরবাড়ি যেতে হয় না। কারণ নিজের বাবাকেই বিয়ে করেন মেয়েরা। শুনে রক্ত গরম হয়ে গেলেও এটাই সত্যি।
কৈশোর থেকে যৌবনে যাওয়ার পথে কখনও কোনও প্রিন্স চার্মিং-এর স্বপ্ন দেখেন না মান্ডি উপজাতির মেয়েরা। মান্ডি কন্যা অরোলা ডালবোটের জীবন কাহিনি শুনলে কান্নায় চোখ ভিজে আসবে। বাংলাদেশের মধুপুর নিবাসী বছর ৩০-এর এই যুবতী যখন খুব ছোট, তখনই মারা যান তাঁর বাবা। তখন তাঁর মা আর একটি বিয়ে করেন। সেই বয়স থেকেই মায়ের দ্বিতীয় স্বামীকেই নিজের স্বামী হিসেবে জানেন অরোলা।
তিনি বলছিলেন, ‘যখন বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছই তখন একজন সুপুরষ আমার স্বামী হবেন, এই স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। তবে যেদিন জানতে পারলাম রীতি মেনে তিন বছর বয়সেই আমার সঙ্গে বাবার বিয়ে হয়ে গিয়েছে, তখন পালিয়ে যেতে ইচ্ছে হয়েছিল।’
এই উপজাতির মধ্যে আরও একটা আজব চল রয়েছে। যদি অল্প বয়সে কোনও মহিলা বিধবা হয়ে যান, তবে তিনি তাঁর স্বামীর পরিবারের কারও সঙ্গেই ফের বিয়ে করেন। স্বামী হাট্টাকাট্টা হলে তিনি তাঁর স্ত্রী ও কন্যা দুজনকেই সুরক্ষিত রাখতে পারবেন – এই ধারণা থেকেই এই চলই হয়ে উঠেছে তাঁদের সংস্কৃতি। এখন বাবার ঔরসজাত ৩ সন্তানের মা অরোলা। আর তাঁর মায়ের আবার দুটি সন্তান।
ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে মান্ডি উপজাতির মানুষের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ। এঁদের গারো উপজাতিও বলা হয়ে থাকে।

রাজার ৫০০০ শয্যাসঙ্গী

স্পেনের সাবেক রাজা হুয়ান কার্লোসের প্রেমিকা ৫০০০। তাদেরকে তিনি শয্যাসঙ্গী করেছেন। এমনকি তিনি প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার ভালোবাসা পাওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন। তার সঙ্গে প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এসব কথা ‘হুয়ান কার্লোস: দ্য কিং অব ৫০০০ লাভারস’ শীর্ষক বইয়ে লিখেছেন সামরিক ইতিহাসবেত্তা মার্টিনেজ ইংলেস। এ খবর দিয়ে সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশ করেছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। স্পেনের বর্তমান রাজা ফেলিপ। তার পিতা হুয়ান কার্লোস। মার্টিনেজ ইংলেস তার বইয়ে লিখেছেন, রাজা ফেলিপের মা রাণী সোফিয়ার সঙ্গে বিয়ের পরও তার পিতা হুয়ান কার্লোস কয়েক শ’ নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। ওই বইয়ে হুয়ান কার্লোসকে সেক্স এডিক্ট হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সাবেক এই রাজার বয়স এখন ৭৯ বছর। বলাবলি আছে, তিনি যেসব নারীকে বাগে এনেছিলেন তাদের মধ্যে প্রিন্সেস ডায়ানা অন্যতম। এখন থেকে ৫ বছর আগে স্পেনের একজন লেখক লিখেছেন, হুয়ান কার্লোস ১৫০০ নারীর সঙ্গে শয্যা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু নতুন যে বইটির কথা বলা হচ্ছে তার লেখক মার্টিনেজ ইংলেস স্পেনের সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি হুয়ান কার্লোসের যৌন আসক্তির বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, মাত্র ৬ মাস সময়ের মধ্যে সাবেক রাজা কার্লোসের ছিল ৬২ জন প্রেমিকা। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত সময়কে তার প্রেমময় সময় বলা হয়। এ সময়ে বিছানায় তিনি ২১৫৪ জন নারীর সঙ্গ ভোগ করেছেন। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যকার সময়টাকে তার জন্য ‘শীতকালীন সময়’ বলা হয়। এ সময়ে তার বয়স ছিল ৬৭ থেকে ৭৬ বছর। এ সময়ে তার প্রেমিকার সংখ্যা আস্তে আস্তে কমে আসতে থাকে। মার্টিনেজ ইংলেস লিখেছেন, এ সময়ে তিনি ১৯১ জন বিভিন্ন প্রেমিকার সঙ্গে শয্যা গ্রহণ করেছেন। তিনি যখন স্পেনের মিলিটারি একাডেমিতে ছিলেন তখন সাবেক রাকা কার্লোসের সঙ্গে ৩৩২ জন নারীর যৌন সম্পর্ক ছিল। মার্টিনেজ ইংলেস লিখেছেন, হুয়ান কার্লোসের সুপরিচিত প্রেমিকাদের যদি একটি তালিকা করা হয় তাহলে তা হয়ে উঠবে আইসবার্গের মতো বিশাল। উল্লেখ্য, এসব তথ্য প্রকাশ হওয়ায় সাবেক এ রাজার ভাবমূর্তিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না। কারণ, তিনি লজ্জা পেতে জানেন না। এ নিয়ে অনেক বছর ধরে সমালোচনা আছে। ব্যাংকিং খাতে স্পেনের অর্থনীতিতে যখন ধস নামে তখনই তার জনপ্রিয়তা কমতে থাকে। তিনি নিজেকে একনায়কের মতো উপস্থাপন করতেন। তিনি শিকার করতে ভালোবাসতেন। স্কি খেলতেন। প্রমোদতরী ইয়াটে করে ঘুরতে পছন্দ করতেন এবং নারীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ককে ভালোবাসতেন। তিনি যে নারীভোগী তা স্পেনের মাদ্রিদের রাজ পরিবারের সবার কাছে এক ওপেন সিক্রেট। একবার তিনি সুটকেস গোছাতে থাকেন। স্ত্রী সোফিকে বলেন, তিনি টোলেডোতে শিকারে যাচ্ছেন। তার সঙ্গীরা সবাই পুরুষ। সেখানে সোফিকে নিলে তিনি বিরক্ত বোধ করতে পারেন। কিন্তু রাতের মধ্যভাগে সন্তানদের নিয়ে সেখানে গিয়ে হাজির স্ত্রী সোফি। তিনি রাজা হুয়ান কার্লোসকে সারপ্রাইজ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানে দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন তার স্বামী অন্য নারীর সঙ্গে। তিনি হলেন মন্টিয়েল। এসব কিছুর পরেও তার পুরো পরিবার তাকে এ পথ থেকে সরে আসতে উৎসাহিত করে নি। মার্টিনেজ ইংলেস লিখেছেন, কার্লোসের বয়স যখন ১৬ বছর তখন তার জীবনে প্রথম প্রেমিকা আসে। ৬৬ বছর বয়সে শেষ রক্ষিতা আসেন। তিনি হলেন জার্মানিতে জন্ম নেয়া বিচ্ছেদপ্রাপ্ত কোরিনা জু সাইন-উইটজেনস্টেইন। রক্ষিতার প্রসঙ্গ যখন আসতো তখন তিনি কোনো বাছ বিচার করতেন না। মার্টিনেজ ইংলেস বলেছেন, রাজকীয় বিছানায় কার্লোস দু’ধরনের নারীকে নিতেন। তিনি ২৪ ঘণ্টাই সরবরাহ পেতেন অভিনেত্রী, তারকা, সংগীত শিল্পীদের। এর বাইরে ছিলেন বিভিন্ন সুন্দরী। তাদের আবার বেশির ভাগই বিদেশি। এসব কাজে তিনি ব্যবহার করতেন গ্রামের বাড়ি, ব্যক্তিগত এপার্টমেন্ট ও মাদ্রিদের চারপাশের হোটেলগুলো। কার্লোসের যৌন জীবনকে লেখক মার্টিনেজ ইংলেস কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন। প্রথমত ১৯৫৪ সালের গ্রীষ্ম থেকে ১৯৫৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময়টাকে প্রাপ্তবয়স্ক সময় বলা হতো। প্রথমেই তিনি শিকার করেন ইতালির সাবেক এক রাজার কন্যা মারিয়া গাব্রিয়েলা ডি সাবোয়া’কে। এর দু’বছর পরে তিনি স্পেনের মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার পদে যোগ দেন। সেখানে তিনি পরিচিত ছিলেন ক্যাডেট হুয়ানিতো নামে। সেখানে তিনি পেয়ে যান ৩৯৪ জন প্রেমিকা। ১৯৫৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ছিলেন স্পেশাল মিলিটারি একাডেমিতে। তখন কার্লোস একজন টগবগে যুবক। এ সময়ে তিনি ২৩২ জন নারীকে শয্যাসঙ্গী করেন। ১৯৬০ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় পিরিয়ডে তার শিকার প্রেমিকার সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ সময় তার প্রেমিকা ছিল ৪০৩ জন। কিন্তু পরের ৬ বছর তা কমে যেতে থাকে। কমতে কমতে তা দাঁড়ায় ৩৩৬। কেন এমনটা হয়েছে? কারণ, তখন তিনি বিয়ে করেছেন এবং তিন সন্তানের জনক হয়েছেন। এরপরেই তিনি ক্রাউন প্রিন্স হন ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তার প্রেমিকা ছিলেন ৪৬৮ জন। ১৯৭৬ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ছিল তার শেষ সময়। এ সময়ে তাকে ক্ষমতা থেকে নেমে যেতে হয়। এ সময়ে তার শিকার হন ২৯৫৩ জন নারী।