Sunday, July 20, 2014
ইসরাইলি বর্বরতা: গাজায় এক পরিবারের চার শিশুসহ নয়জন নিহত

শনিবার শেষ রাতে ইসরাইলি ট্যাংকবহর হামলা চালায় গাজার উত্তরাঞ্চলীয় বেইত হানুনে। ট্যাংকের গোলায় বিধ্বস্ত হয় আবু জুরাদ পরিবারের আবাসস্থল।
হামলায় জুরাদ পরিবারের তিন নারী, দুই পুরুষ ও চার শিশু- হানিয়া, আহলাম, সামিহ ও মুসা মারা যায়।
এদের মধ্যে তাত্ক্ষণিকভাবেই চারজন এবং পরবর্তিতে আরো ৫ জন মারা যায়।
এর আগেও ইসরাইলের গোলায় দুদফায় গাজায় একই পরিবারের চারটি করে শিশু মারা যায়।
এনিয়ে গত ১২ দিনের ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় নিভে গেছে ৭৭টি শিশুর তাজা প্রাণ।
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি বলেন, ‘নেতানিয়াহু আমাদের শিশুদের হত্যা করছে, তবে এর মূল্য তাকে পরিশোধ করতে হবে।’
এদিকে গাজায় শনিবার হামলা আরও জোরদার করেছে ইসরাইল।
শনিবার গাজায় ‘অবিশ্রান্তভাবে ও নির্বিচারে’ ট্যাংকের গোলা নিক্ষেপ করছে ইসরাইল। শনিবারের হামলায় মারা গেছে অন্তত ৩৪ জন।
গাজায় ১২ দিনের ইসরাইলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৩৩ জন ফিলিস্তিনি। এদের মধ্যে ৭৭টি শিশু ছাড়াও রয়েছেন ২৪ নারী ও ১৮জন প্রবীণ ব্যক্তি। হামলায় আহত হয়েছেন ২,৩৮৫ জন।
ইহুদিবাদী আগ্রাসনের প্রতিবাদে গাজা নিয়ন্ত্রণকারী হামাস ইসরাইলে ১ হাজার রকেট ছুড়েছে। হামলায় এখন পর্যন্ত দুই ইসরাইলি নিহত হয়েছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস/ আল জাজিরা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেনাপোল সীমান্তে বেড়েছে সোনা চোরাচালান by নূর ইসলাম
গত সাত মাসে এ সীমান্তপথে ভারতে পাচারের সময় ১৮টি সোনার চালান আটক হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি চালান আটক করেছে বিজিবি। আর বাকি ৮টি চালান আটক করেছে বিএসএফ ও পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া ভারতীয় কাস্টমস আটক করে তিনটি চালান।
যশোর ২৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মতিউর রহমান জানান, ভারতে সোনার চাহিদা বেশি থাকায় আন্তর্জাতিক সোনা পাচারকারী চক্রের সদস্যরা বাংলাদেশকে সোনা পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে। বিদেশ থেকে বিমানপথে সোনা আসার পর শুল্ক কর্মকর্তাদের নজর এড়িয়ে বেশকিছু চালান দেশের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। পরবর্তীতে সীমান্তের বৈধ ও অবৈধপথে বিভিন্নভাবে ভারতে সোনা পাচার হচ্ছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান জানান, প্রতিদিন তার কাছে সোনা পাচারের দু’-একটি তথ্য আসছে। কিন্তু সোনার চালান আটক করলে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। এ কারণে সোনা আটকে পুলিশের আগ্রহ কম। ইতিপূর্বে সোনার একটি বড় চালান আটক করে একজন ওসি’র চাকরি হারাতে হয়েছে। ফলে অনেক ভেবে চিন্তে পুলিশ সোনার চালান আটকে আগ্রহ হারাচ্ছে।
২৭শে জুন বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশের সময় নোম্যান্সল্যান্ড থেকে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ১৩টি স্বর্ণের বারসহ এক ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীকে আটক করে ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ২৫শে জুন যশোরের পুলেরহাট এলাকা থেকে সাড়ে ৪ কেজি সোনাসহ ৪ ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বিজিবি সদস্যরা। ২০শে জুন বাংলাদেশ থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ৫ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের সোনার বার পাচারের সময় ভারতীয় কাস্টমস কর্মকর্তারা সোনাসহ ৪ ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীকে আটক করে। ১৮ই জুন বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ৩৬ পিস সোনার বার ভারতে পাচারের সময় অপু নামে বাংলাদেশী এক সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীকে আটক করে বিএসএফ। ৭ই জুন বেনাপোল নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকা থেকে সাড়ে ৪ কেজি সোনার বারসহ ২ ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীকে আটক করে ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তারা বেনাপোল কাস্টমসের তল্লাশি শেষে ভারতে যান। ২৬শে মে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তপথে ভারতে পাচারের সময় ১ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের (১০টি) সোনার বারসহ মিঠুন নামে স্থানীয় এক পাচারকারীকে আটক করে বিজিবি। ১৬ই মে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকা থেকে পাঁচটি সোনার বারসহ জসিম ও উত্তম নামে দুই পাচারকারীকে আটক করে বিজিবি। ১৪ মে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্ত থেকে ২০টি সোনার বারসহ শাহ্ আলম নামে একজনকে আটক করে বিজিবি। ২৪শে এপ্রিল বেনাপোলের ঘিবা সীমান্তপথে ভারতে পাচারের সময় পুতুল নামে ভারতীয় এক নারীকে পাঁচটি সোনার বারসহ আটক করে বিজিবি। ১২ই এপ্রিল নো-ম্যান্সল্যান্ড থেকে এক কেজি সোনার বারসহ টাক কামাল নামে এক বাংলাদেশী সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীকে আটক করে বিএসএফ। ৫ই ফেব্রুয়ারি বেনাপোল চেকপোস্টের নোম্যান্সল্যান্ড থেকে গোপাল হালদার নামে এক ভারতীয় রপ্তানিকারককে ২২টি সোনার বারসহ আটক করে বিএসএফ সদস্যরা। ৯ই ফেব্রুয়ারি ২১ পিস সোনার বারসহ এক কুলিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ২৫শে জানুয়ারি বেনাপোল চেকপোস্টের নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকা থেকে ২০টি সোনার বারসহ আলী কদর (৩২) নামে এক ভারতীয় লেবারকে আটক করে বিএসএফ। ১৪ই জানুয়ারি বেনাপোলের কাগজপুকুর এলাকা থেকে ৩৬টি সোনার বারসহ মোমিন নামে এক বহনকারীকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়া ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর পুটখালী সীমান্ত থেকে কামরুল ইসলাম নামে এক যুবককে ১২টি সোনার বারসহ আটক করে বিজিবি। ২১শে নভেম্বর পুটখালী সীমান্ত থেকে ১৫টি সোনার বারসহ তুহিন নামে এক পাচারকারীকে আটক করে বিজিবি।
বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাধন কুমার কু-ু বলেন, ‘বেনাপোলে যাত্রীদের মালামাল ও দেহ পরীক্ষার জন্য আমাদের ৪টি স্ক্যানিং মেশিন, ১০টি হ্যান্ড মেটাল ও ২টি আর্চওয়ে মেশিন রয়েছে। কিন্তু একটি আউটগোয়িং স্ক্যানিং মেশিন, ২টি আর্চওয়ে মেশিন বিকল হয়ে আছে, যে কারণে সোনা পাচার রোধ করা যাচ্ছে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিনব জালিয়াতি, প্রতারণা by মনজুর আহমেদ
এই অভিনব প্রতারণাও করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ করা পর্যবেক্ষকের সামনেই। তিনি উপস্থিত ছিলেন গত ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পর্ষদের ৩২৯তম সভায়। এই সভার কার্যতালিকায় ছিল ৩০৮টি বিষয়। সভার পর দীর্ঘদিন পার হলেও এর কার্যবিবরণী দেওয়া হয়নি পর্যবেক্ষক অশোক কুমার দেকে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফখরুল ইসলামকে তিনবার টেলিফোন করার পর অবশেষে কার্যবিবরণী পান তিনি। আর তা পেয়েই অভিনব প্রতারণা দেখতে পান কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যবেক্ষক।
সভার কার্যতালিকায় ৩০৮টি বিষয় থাকলেও অনুমোদিত কার্যবিবরণীতে দেখানো হয়েছে ৪১৪টি। অর্থাৎ পর্ষদ বৈঠকে প্রস্তাব উত্থাপন না করেই ১০৬টি ঋণ অনুমোদন করা হয়। এই ১০৬টি অননুমোদিত ঋণে টাকার পরিমাণ ছিল এক হাজার ৩৫৪ কোটি।
পর্যবেক্ষক বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক অশোক কুমার দে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিস্তারিত জানিয়ে চিঠি দিয়ে বলেছেন, ‘এ ধরনের কার্যক্রম ব্যাংকিং রীতিনীতির চরম লঙ্ঘন এবং প্রতারণা ও জালিয়াতির শামিল।’ এ ছাড়া, মহাব্যবস্থাপক থেকে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দুজনের পদোন্নতির বিষয়ে তাঁর বক্তব্য বিকৃত করারও অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যবেক্ষক। এই দুই ঘটনার বিষয়ে চিঠিতে তিনি আরও লিখেছেন, ‘গুরুতর এ অনিয়মের জন্য পর্ষদের চেয়ারম্যান ও বিশেষভাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়ী।’ এ নিয়ে পর্ষদের পরের সভায় আপত্তিও তোলেন অশোক কুমার দে। তখন পর্ষদের সব সদস্যই এর জন্য এমডিকে দায়ী করে ব্যাখ্যা তলবের সিদ্ধান্ত নেন।
বেসিক ব্যাংকের সেই এমডি কাজী ফখরুল ইসলামকে অপসারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমি সে সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে এসব অনুমোদনের বিষয়ে কথা বললে তিনি (চেয়ারম্যান) টেলিফোনে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এগুলোর অনুমোদনের জন্য আমাকে বলেছিলেন।’
বেসিক ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকের সে সময়ের চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুর বাসায় তৈরি হতো পর্ষদ সভার কার্যতালিকা। সব ধরনের লেনদেনও তখনই হতো। বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এভাবে ব্যাংক পরিচালনার আর কোনো দৃষ্টান্ত নেই।
বেসিক ব্যাংক নিয়ে প্রায় তিন বছর ধরেই গণমাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকও একাধিকবার চিঠি লিখেছে অর্থ মন্ত্রণালয়কে। কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি অর্থ মন্ত্রণালয়। আর এর মধ্যেই ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ঘটেছে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও প্রতারণা।
ব্যাংকটিতে নিয়মিত পর্ষদ বৈঠকও হতো না। দুই দিন পর বৈঠক হলেও সেখানে কার্যতালিকায় রাখা হতো ৩০০-এর বেশি ঋণপ্রস্তাব। কম সময়ের মধ্যে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই সভায় বিপুল পরিমাণ অর্থের ঋণপ্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হতো। অশোক কুমার দে এ নিয়ে চিঠিতে লিখেছেন, ‘পর্ষদের সভা নিয়মিত অনুষ্ঠিত না হওয়ায় ব্যাংকের ভালো গ্রাহকবৃন্দ হয়রানি ও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং ঋণ ও অগ্রিম কার্যক্রমসহ ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক কর্মকাণ্ডে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।’
বাংলাদেশ ব্যাংক এসব তথ্য গত সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে বেসিক ব্যাংকের দিলকুশা ও গুলশান শাখার ওপর নতুন করে অধিকতর পরিদর্শনের প্রতিবেদনও পাঠানো হয়েছে। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সরকারঘনিষ্ঠ আবদুল হাইকে পদত্যাগের সুযোগ দিয়ে ‘সম্মানজনকভাবে’ বিদায় দিয়েছে। অথচ তাঁর সময়েই জালিয়াতি করে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ প্রথম আলোকে বলেন, আগে ঋণ ও নথি জালিয়াতি হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি, পরিচালনা পর্ষদের কার্যতালিকা ও কার্যবিবরণী জালিয়াতি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের জঘন্য জালিয়াতি ফৌজদারি অপরাধের শামিল। এর দায়িত্ব প্রধানত ব্যাংকের চেয়ারম্যানের। আর এমডিও দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। তাঁদের যোগসাজশে এগুলো হয়েছে বলে আমার ধারণা। বাংলাদেশ ব্যাংকও নিশ্চয় এমনই বিবেচনা করছে।’
বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ১৬ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঋণ বিতরণের গুরুতর অনিয়ম উদ্ঘাটন করেছে। এর মধ্যে রিলায়েন্স শিপিং লাইনসের স্বত্বাধিকারী জনৈক আসিফ ইকবাল ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর বেসিক ব্যাংকের দিলকুশা শাখায় একটি চলতি হিসাব খোলেন। যার শনাক্তকারী ছিল নাহিদ এন্টারপ্রাইজ নামের এক প্রতিষ্ঠান। শনাক্তকারী এই প্রতিষ্ঠানটি অস্তিত্বহীন ও হিসাব পরিচালনাকারী ভুয়া।
কিন্তু বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০১২ সালে ২ ফেব্রুয়ারি এই হিসাব পরিচালনাকারীকে জাহাজ কিনতে ১৬ কোটি ১২ লাখ টাকার ঋণ দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, ‘অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে জাহাজ ক্রয় করার নিমিত্তে বের করে নিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।’
ঋণ হিসাবটি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখেছে, এর থেকে ১৬ কোটি ছয় লাখ টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে বেলায়েত নেভিগেশনের হিসাবে জমা হয়েছে। বেলায়েত নেভিগেশনের মালিক বেলায়েত হোসেন আসিফ ইকবালের আত্মীয়। যদিও ব্যাংক শাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শকদের বলেছিল, বেলায়েত আসিফ ইকবালকে চেনেন না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেলায়েত নেভিগেশনের মালিক বেলায়েত হোসেন চট্টগ্রামে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের আহ্বায়ক এবং কোস্টাল ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। গত বৃহস্পতিবার তাঁর কয়েকটি মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে একটি সূত্র জানায়, তিনি বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাইয়ের পদত্যাগের এক দিন আগে কানাডায় চলে গেছেন। জানা যায়, আবদুল হাইয়ের সঙ্গে বেলায়েত হোসেনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।
আরেক প্রতিষ্ঠান সিমেক্স লিমিটেড। যার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনৈক রাশেদুল হাসান। এই হিসাবটি খোলা হয় ২০১০ সালে ৭ ডিসেম্বর। ২০১১ সালের ৩০ মার্চ পর্ষদ সাত কোটি ৯০ লাখ টাকার ঋণসীমা অনুমোদন করে। শাখা থেকে কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়েছিলেন গ্রাহকের জামানত দেখতে। তাঁরা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শকের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন, এই ঋণকারীর বাসা, অফিস ও ফ্যাক্টরির যে ঠিকানা দেওয়া হয়েছে, তার কোনো অস্তিত্ব তাঁরা খুঁজে পাননি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ‘সার্বিক বিচারে প্রতিষ্ঠানটি নামসর্বস্ব, অর্থাৎ ভুয়া।’ প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান বকেয়ার পরিমাণ ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকা, যার পুরোটাই ক্ষতির পর্যায়ে শ্রেণীকৃত হয়েছে। ঋণ হিসাবটিতে কোনো ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পাদিত হওয়ার কোনো নজির বাংলাদেশ ব্যাংক পায়নি, বরং নগদে ঋণ হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলনকে সন্দেহজনক মনে করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘প্রতিষ্ঠানটি নামসর্বস্ব বা অস্তিত্ববিহীন হওয়ায় এবং ঋণের টাকা অধিকাংশ নগদে উত্তোলিত হওয়ায় এ ক্ষেত্রে উল্লিখিত ঋণের অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে শাখার সে সময়ের কর্মকর্তারা এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ইন্ধন আছে বলে প্রতীয়মান হয়।’
আরেক প্রতিষ্ঠান সাহারা ইমপোর্ট লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ঋণের ১২ কোটি টাকা মাত্র ১২ দিনের মধ্যে পুরোটাই নগদে উত্তোলন করেছে। কোনো প্রকার ব্যবসায়িক কাজের জন্য পরিশোধ করা হয়নি। যাকে সন্দেহজনক মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো প্রতিবেদনের বিষয়ে দুদকের চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠি ও সংযুক্ত প্রতিবেদনগুলো পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কী করব, তা আগামী কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমানে ওঠার আগে শেষ ই-মেইল শারলিনকে দেখার অধীর অপেক্ষা
বিধ্বস্ত বিমান নিয়ে কূটনৈতিক সঙ্কট
মালয়েশিয়ার বিধ্বস্ত বিমানের ঘটনায় পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। রাশিয়ার মদতে বিদ্রোহীরা আন্তর্জাতিক তদন্ত বিশেষজ্ঞ দলকে তদন্তকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। রাশিয়াপন্থি ওই বিদ্রোহীরা বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করছে বলেও অভিযোগ এনেছে তারা। এক বিবৃতিতে ইউক্রেন সরকার বলেছে, রাশিয়াপন্থি বিদ্রোহীরা ঘটনাস্থল থেকে ৩৮টি মৃতদেহ সরিয়ে বিদ্রোহী অধ্যুষিত শহর দোনেৎস্কের একটি হিমঘরে সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়াও বিমানের ধ্বংসাবশেষ রাশিয়াতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন সরকার। এদিকে, ইউরোপীয় পর্যবেক্ষক দল ওএসসিই বলেছে, তাদেরকে ঘটনাস্থলে যেতে বাধা দিয়েছে মিলিশিয়ারা। মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী লিইও তিওং লাই বলেন, মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের যদি ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে না দেয়া হয় তবে সেটা হবে অমানবিক। যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেন পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহীকে ঘটনার জন্য দায়ী করেছে। তাদের ইঙ্গিত রয়েছে রাশিয়ার দিকেও। উভয় রাষ্ট্র মনে করছে, মালয়েশিয়ার ওই বিমানটিকে বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। আর এতে রাশিয়ার সহায়তা ছিল ধারণা করছে তারা। এসব অভিযোগের কড়া সমালোচনা করেছে রাশিয়া। গতকাল রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রাবকভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তদন্ত ফলাফলের অপেক্ষা না করেই বিচ্ছিন্নতাবাদী ও রাশিয়ার ওপর দোষারোপ করছে। রাশিয়ার গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, মার্কিন কর্তৃপক্ষের এ হেন বিবৃতি ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে তাদের গুরুতর রাজনৈতিক ভ্রান্তধারণার প্রমাণ। পশ্চিমা বিশ্বকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তথ্যযুদ্ধ পরিচালনা করার অভিযোগ এনে দায়ী করে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ক্রেমলিনের মদতপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দায়ী না করে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের উচিত মালয়েশীয় বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় তাদের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী কি করছিল তা ব্যাখ্যা করা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবটও দুর্ঘটনাস্থল সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজন ব্যক্ত করেছেন। সেখানে আলামত নষ্টের প্রচেষ্টা হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। ইউরোপীয় পর্যবেক্ষক দলকে প্রাথমিক ভাবে বাধা দেয়ার পর তাদেরকে পায়ে হেঁটে এগোতে দেয় বিদ্রোহীরা। কিন্তু তাদের গতিবিধি ধ্বংসাবশেষ স্থানের আগ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়। ইউক্রেন সরকার বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাকে সন্ত্রাসী কর্মকা- বলে অভিহিত করে। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে ইউক্রেন সরকারের প্রতি পাল্টা অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি ইউক্রেন বিমান বাহিনীর একটি বিমান ওই মালয়েশীয় বিমানকে ভূপাতিত করেছে। বৃহস্পতিবার পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত বিমানটি ২৯৮ আরোহীর প্রত্যেকে প্রাণ হারার। আমস্টারডাম থেকে ফ্লাইট এমইচ-১৭ কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। লুহানস্ক এলাকার ক্রাস্নি লুচ ও দোনেৎস্ক এলাকার শাখতারস্ক নামক স্থানের মাঝামাঝি বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী বিমান আরোহীদের মধ্যে নেদারল্যান্ডের নাগরিক ছিলেন ১৯৩ জন। এছাড়াও ছিলেন ৪৪ মালয়েশীয় (১৫ ক্রু সহ), ২৭ অস্ট্রেলিয়ান, ১২ ইন্দোনেশিয়ান, ১০ বৃটিশ, ৪ জার্মান, ৪ বেলজিয়ান, ৩ ফিলিপিনো এবং কানাডা ও নিউজিল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিক।
এমএইচ-১৭ এর পূর্ণ যাত্রী তালিকা প্রকাশ
মালয়েশিয়ার এয়ারলাইন্স গতকাল এমএইচ-১৭ এর পূর্ণ যাত্রী তালিকা প্রকাশ করেছে। নিহত ব্যক্তির মৃতদেহ শনাক্ত করতে সহায়তা করার জন্য যাত্রীদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি আবেদন জানিয়েছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানের এক মুখপাত্র বলেন, তারা নিহতদের পরিবারের সদস্যদেরকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। তবে তেমন কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তারা ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। ওই মুখপাত্র আরও জানান, এয়ারলাইন্সের একটি দল আমস্টারডামে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সহায়তা করছে। অন্যদিকে তাদের একটি নিরাপত্তা দল রয়েছে ইউক্রেনে। গতকাল নেদারল্যান্ড জুড়ে একাধিক ফরেনসিক দল নিহতদের পরিবার থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজ করেছে। এছাড়াও, গত ৪৫ ঘণ্টায় এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় মৃতদের নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। নিহতদের মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ নমুনা ও ছবি ব্যবহার করা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লিতে ভিসা সেন্টার স্থানান্তরের প্রতিবাদ -২৫০ আবেদন যাচ্ছে বৃটেনে by ওয়েছ খছরু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ছেলে মারে, বলতেও লজ্জা পাই’ by মানসুরা হোসাইন
কথাগুলো বলছিলেন নাসরীন আক্তার চৌধুরী। গত ২৩ জুন তিনি ঢাকার ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগেও এসব কথা বলেন।
শুধু তা-ই নয়, এর আগে এই মা ভাটারা থানায় একাধিকবার ছেলে তাঁকে মারধর করছে ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে জানিয়ে সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন। গত ২৩ মে তিনি শেষ জিডি করেন।
এই মায়ের অপরাধ, তাঁর নামে আড়াই কাঠা জায়গার ওপর একটি দোতলা বাড়ি আছে। রাজধানীর বারিধারার কাছে এ সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য দেড় থেকে দুই কোটি টাকা। অসুস্থতার জন্য জীবন বীমা করপোরেশনের নিম্ন সহকারীর পদ থেকে থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন তিনি।
নাসরীন আক্তার চৌধুরীর স্বামী ব্রিটিশ কাউন্সিলের গাড়িচালক ছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি মারা যান। স্বামী যতদিন বেঁচে ছিলেন, ততদিন বড় ছেলে মায়ের সঙ্গে এত খারাপ ব্যবহার করতেন না।
এই মা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার দুই ছেলে। সম্বল বলতে এই বাড়ি। কিন্তু বড় ছেলে ও ছেলের বউ বাড়ির দখল নিতে চায়। ছোট ছেলে বিয়ে করেনি। বড় কোনো চাকরিও করে না। বড় ছেলে আমাকে আর ছোট ছেলেকে বাড়ি থেকে তাড়াতে চায়।’
সরকার গত বছর পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন করেছে। এ আইন অনুযায়ী, প্রত্যেক সন্তান বাবা-মায়ের ভরণ-পোষণ দিতে বাধ্য। মা-বাবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁদেরকে প্রবীণ নিবাসে পাঠানো যাবে না। এ আইন লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
তবে ছেলে ভরণ-পোষণ দেবে, মা নাসরীন সেই আশা বাদ দিয়েছেন। বরং ছেলে, ছেলের বউ ও নাতির মাস খরচের জন্য বাড়ির একটি অংশ ছেড়ে দিয়েছেন। তার পরও মা হিসেবে ছেলে তাঁকে একটু সম্মান করবে, নিজের বাড়িতে থাকতে দেবে, সে আশাটুকুও তিনি করতে পারছেন না। তিনি প্রাণনাশের হুমকিতে আছেন। তাঁর দাবি, তাঁর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বড় ছেলে রানা বাড়ির ভাড়া তুললেও ৪০ হাজার টাকা বিদ্যুত্ বিল দেননি। ফলে বিদ্যুতের লাইন কেটে দিয়েছে। গত মাস থেকে বাড়ির ভাড়াটেরা চলে গেছেন। খরচ কীভাবে সামলাবেন, তা-ই নিয়ে তিনি চিন্তায় আছেন।
বড় ছেলে রানা চৌধুরী টেলিফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রমাণ সাপেক্ষে মায়ের করা অভিযোগ সঠিক নয়। তবে পারিবারিকভাবে বললে, মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার, উচ্চবাচ্য, তর্কবিতর্ক হয়েছে। তার পেছনে কারণও আছে। তবে মায়ের গায়ে হাত তুলিনি।’ তবে বাড়িভাড়া তুলে বিদ্যুত্ বিল পরিশোধ না করার অভিযোগ স্বীকার করেন।
রানা চৌধুরীর দাবি, মা ও ছোট ভাই জনি চৌধুরী বাড়ি ছাড়া অন্য সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছেন। বাড়ির ভাড়াটেদের তাঁরা থাকতে দিচ্ছেন না। এসব নিয়ে কথা বলতে গেলেই ঝগড়া হচ্ছে।
নাসরীন জানালেন, তাঁর শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ছেলের কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে নিজের ছেলের জন্মদিন বেশ ঘটা করেই পালন করেন এক সন্তানের জনক রানা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খোলামেলা হয়ে টপলেস শ্রুতি হাসান

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজার বাতাসে মৃত্যুর জীবাণু
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইংল্যান্ডের লিড
ভারত দ্বিতীয় ইনিংস
রান বল ৪ ৬
বিজয় নটআউট ২১ ৮৯ ২ ০
ধাওয়ান ক রুট ব স্টোকস ৩১ ৪৫ ৪ ০
পূজারা নটআউট ২৫ ৫২ ৪ ০
অতিরিক্ত ৭
মোট (১ উইকেটে, ৩১ ওভারে) ৮৪
উইকেট পতন : ১/৪০
বোলিং : অ্যান্ডারসন ৯-৪-২০-০, ব্রড ৮-৩-২৩-০, স্টোকস ৫-১-১২-১, প্লাংকেট ৪-২-১২-০, মঈন আলী ৫-১-১০-০।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফের একসঙ্গে নোবেল তারিন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তদন্তের মাঠ দখলের লড়াই
![]() |
| নিহত আরোহীদের স্মরণে গতকাল মালয়েশিয়ার ক্লাং ভ্যালিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বালন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মোমবাতি জ্বালানোর সময় স্বজন হারানোর বেদনায় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি এই নারী। রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় কত দিন চলবে ইসরায়েলি অভিযান?
![]() |
| গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে গতকাল লন্ডনে ইসরায়েল দূতাবাস অভিমুখী বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বললেন মুলায়ম...
![]() |
| মুলায়ম সিং যাদব |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় কত দিন চলবে ইসরায়েলি অভিযান?
নেতানিয়াহু শুক্রবার বলেন, ‘ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রতি আমার ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে, স্থল অভিযানের সম্ভাব্য পরিধি সম্প্রসারণের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ও আইডিএফ এ বিষয়ে প্রস্তুত।’
ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় স্থল হামলার দিকে কেন এগোলে, দেশের জনগণকে তার একটা ব্যাখ্যা দিতে শুক্রবার ভাষণ দেন নেতানিয়াহু। এতে তিনি বলেন, ‘অন্য সম্ভাব্য পথ কাজ না করার কারণেই আমরা এই অভিযানের পথ বেছে নিয়েছি। আর আমরা এটাও বুঝতে পেরেছি, কোনো পদক্ষেপ না নিলে আমাদের যে মূল্য দিতে হচ্ছে, তার পরিমাণটা আরও বাড়বে।’
স্থল অভিযানের কারণে উভয় পক্ষকে কতটা মূল্য দিতে হবে, তা এখনো অজানা। তবে চলমান সংঘাত শুরুর পর এরই মধ্যে তিন শতাধিক ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে; আহত হয়েছে দুই হাজারের বেশি। অন্যদিকে দুজন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে; আহত হয়েছে ১০ জনের মতো। কিন্তু এ সংখ্যা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা এখনো কেউ জানে না। কারণ, স্থল অভিযান শুরু করলেও কবে তা শেষ হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি ইসরায়েল। গাজায় অভিযান শেষে ইসরায়েলের বেরিয়ে আসার কৌশল কী হবে, তাও এখনো অজানা। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়া’আলোন শুক্রবার বলেন, ‘যতদিন দরকার এবং শান্তি ফিরে না আসা পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।’
ইসরায়েলি স্থল অভিযানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, গাজার গোপন সুড়ঙ্গগুলো ধ্বংস করা। ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, সুড়ঙ্গগুলো ব্যবহার করে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলে ঢুকে হামলা চালায়। তবে সুড়ঙ্গ ধ্বংসের পরও ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় আরও কিছুদিন থাকতে পারে। ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার সদস্য ইউভাল স্টেইনিৎজ এমন আভাস দিয়ে বলেন, ‘অপারেশন প্রটেক্টিভ এজ’-এর আওতায় ইসরায়েল পুরো গাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।
১৯৬৭ সালের ছয় দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে গাজা উপত্যকা দখল করে ইসরায়েল। ২০০৫ সালের আগ পর্যন্ত সেখানে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা ছিল। ৪০ বছর পর তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। টাইম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড়পুকুরিয়ার কয়লা উত্তোলনে উন্মুক্ত খনি by মুশফিকুর রহমান
করতে হবে। কয়লা উত্তোলনের প্রয়োজনীয় কর্মকাণ্ড যাতে নিরাপদে, শুকনো জায়গায় করা সম্ভব হয়, সে জন্য এটি প্রয়োজনীয় পূর্বশর্ত।
এ মাসেরই প্রথম সপ্তাহে আইডব্লিউএম এক সেমিনারে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রের হাইড্রোলজিক্যাল মডেলিংয়ের অগ্রগতি জানিয়েছে। কয়েক বছর ধরে সরকারের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটি খনি উন্নয়নের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের সম্ভাব্য মডেলিং নিয়ে কাজ করছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উন্মুক্ত কয়লাখনি নির্মাণের প্রয়োজনে বড়পুকুরিয়ার সংশ্লিষ্ট অংশ থেকে বছরে প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি উত্তোলন করতে হবে এবং আইডব্লিউএম সেখানে ডি-ওয়াটারিং অপারেশন ব্যবস্থাপনা সম্ভব বলে মনে করে। স্মরণ করা যেতে পারে যে দেশের উত্তরাঞ্চলে প্রযোজ্য কয়লাক্ষেত্রে উন্মুক্ত কয়লাখনি নির্মাণ নিয়ে অনেক দিন ধরে নানা রকমের কল্পনাপ্রসূত গালগল্প ছড়ানো হয়েছে। সরকার এত দিন বড় আকারে কয়লা উত্তোলনে যেহেতু আগ্রহ দেখায়নি, সে কারণে প্রচারক দল এবং হাতুড়ে বিশেষজ্ঞদের একটানা বিরূপ প্রচারণার ক্ষেত্রে দ্বিধা ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইডব্লিউএমের গবেষণা এ ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত নির্মাণে সহায়ক হবে।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকার বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রের অগভীর উত্তরাংশে সীমিত পরিসরে একটি উন্মুক্ত কয়লাখনি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখান থেকে উত্তোলিত কয়লা দিয়ে এক হাজার ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্তের কথাও মন্ত্রী জানিয়েছেন। খনি ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ একই সঙ্গে পরিচালনার মাধ্যমে পাঁচ বছরের মধ্যে বড়পুকুরিয়া থেকে বাড়তি এক হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনের কথাও মন্ত্রী জানিয়েছেন।
পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে সরকার আমদানি করা কয়লা দিয়ে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। প্রাথমিকভাবে কয়লা আমদানি এবং তা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন যত সহজে বাস্তবায়নযোগ্য বলে ভাবা হয়েছিল, বাস্তবে তা তত সহজ নয়। বড় পরিসরে কয়লা আমদানি বাংলাদেশের জন্য নানা কারণে চ্যালেঞ্জিং। গৃহীত উদ্যোগের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সমুদ্র উপকূলের কাছাকাছি তৈরির পরিকল্পনা সত্ত্বেও স্পষ্ট হয়েছে যে কয়লা আমদানির প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এখনো অনুপস্থিত। প্রতিটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিজের জন্য এসব অবকাঠামো সুবিধা নির্মাণ করতে চাইলে তা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। প্রকারান্তরে তার ফলে উৎপাদিত বিদ্যুতের মূল্য অগ্রহণযোগ্য মাত্রায় বেড়ে যাবে। এখন চেষ্টা চলছে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবশ্যিক অনুষঙ্গ হিসেবে আলাদা বন্দর/জেটি নির্মাণ না করে কীভাবে একক গভীর সমুদ্রবন্দর সুবিধা গড়ে কয়েকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা আমদানি নিশ্চিত করা যায়। তারই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি সমন্বিত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য বিপুল পরিমাণ সরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে সেখানে অবকাঠামো গড়তে হবে এবং তা সময়সাপেক্ষ।
দেশের সীমিত প্রাকৃতিক গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এখনো প্রধান জ্বালানি। দেশের গ্যাস উত্তোলন এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, ভবিষ্যতে তা ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কয়েক বছরের মধ্যে স্বাভাবিক নিয়মে গ্যাসের মজুত আরও হ্রাস পাবে। দৈনিক উৎপাদনও দ্রুত হ্রাস পেতে থাকবে (বড় মাপের কোনো গ্যাসক্ষেত্রের আশু সংযোজন হচ্ছে না বিবেচনায় এমন প্রাক্কলন অবধারিত)। এদিকে গ্যাস সরবরাহের চাপ বাড়ছে। এই পটভূমিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দেরিতে হলেও সরকার এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে মনোযোগ দিতে চাইছে। আমদানিনির্ভর কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন উদ্যোগ দেশের মজুত কয়লা উত্তোলন এবং ব্যবহারের তুলনায় যে কোনো অংশে কম চ্যালেঞ্জিং নয়, এত দিনে তা স্পষ্ট হয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ সে পটভূমিতেই ঘোষণা করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে বড়পুকুরিয়ায় যে ছোট ভূগর্ভস্থ কয়লাখনি চালু হয়েছে, তার উৎপাদনক্ষমতা নগণ্য (বছরে মাত্র এক মিলিয়ন টন। পক্ষান্তরে এক হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে বছরে প্রায় তিন মিলিয়ন টন কয়লা প্রয়োজন হয়)। বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রটি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হলেও সেখানে নির্মিত ভূগর্ভস্থ খনি থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে ২০০৫ সালে। ৬৬৮ হেক্টর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত ৩৯০ মিলিয়ন টন মজুতের বড়পুকুরিয়া ক্ষেত্রের কয়লা ১১৮ মিটার থেকে ৫০৩ মিটার গভীরতায় সঞ্চিত হয়েছে। ভূগর্ভস্থ খনি কেবল গভীর স্তর থেকে কয়লা তুলতে পরিকল্পিত। ফলে বড়পুকুরিয়া খনির উত্তরাংশের ২৭১ হেক্টর জায়গার প্রায় ১১৮ মিলিয়ন টন অগভীর স্তরের কয়লা ভূগর্ভস্থ কয়লাখনি কখনো উত্তোলনের উদ্যোগ নিতে পারেনি এবং তেমন পরিকল্পনা ভূগর্ভস্থ খনির জন্য প্রাসঙ্গিক নয়। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি অবশিষ্ট ২৭২ মিলিয়ন টন মজুতের মধ্য থেকে খনির সম্পূর্ণ জীবনকালে মাত্র ২৫-৩০ মিলিয়ন টন উত্তোলনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পক্ষান্তরে বড়পুকুরিয়ার উত্তরাংশে উন্মুক্ত খনির সাহায্যে দ্রুত ১১৮ মিলিয়ন টন মজুত কয়লার ১০০ মিলিয়ন টনের বেশি উত্তোলন করা সম্ভব।
এই প্রথম সরকার উন্মুক্ত কয়লাখনি নির্মাণ এবং সেখান থেকে কয়লা উত্তোলনের ঘোষণা দিল। যে কয়লাক্ষেত্রের জন্য যে পদ্ধতি প্রযোজ্য, তা প্রয়োগের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কয়লা উত্তোলনের কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এখন সামনে এগোনো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সমাবেশ যথাযথভাবে করা গেলে প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।
ড. মুশফিকুর রহমান: খনি প্রকৌশলী। জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত -তদন্তের মাঠ দখলের লড়াই

নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরগামী ফ্লাইট এমএইচ১৭ গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়।ইউক্রেনের পশ্চিমা-সমর্থিত সরকারের অভিযোগ, ওই অঞ্চলের রুশপন্থী বিদ্রোহীরা রাশিয়ার তৈরি বুক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করেছে। ওই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে রাশিয়া।
তবে বিদ্রোহীরা দাবি করছে, আকাশে এত ওপরে উড্ডয়মান উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার মতো ক্ষেপণাস্ত্র তাদের হাতে নেই। তারা উল্টো অভিযোগ করছে, বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন করতে কিয়েভের সেনাবাহিনী এই কাজ করেছে।
রাশিয়ার সামরিক বাহিনী নিজেও উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর পক্ষে যুক্তি দেখানো হচ্ছে, সম্প্রতি রুশ বাহিনী ওই অঞ্চলে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর একটি উড়োজাহাজ ভূপাতিত করেছে।
অভিযোগ পাল্টা-অভিযোগের কাদা ছোড়াছুড়ির ফলে বিশ্ববাসী এখন কোনটা সত্য, তা নিয়ে ধাঁধায় রয়েছে। মর্মান্তিক ওই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিশ্বসমাজ চায়, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। বিশেষ করে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় যেসব দেশের নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে, সেসব দেশ ঘটনার আন্তর্জাতিক নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে। এ অবস্থায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চলছে।
তদন্ত চালানোর এখতিয়ার কার: জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইসিএও) নিয়মে বলা আছে, ‘দুর্ঘটনা বা ঘটনা যে দেশে ঘটেছে, তদন্তের দায়িত্ব সে দেশেরই।’ তবে বিশ্বের সব বড় উড়োজাহাজ দুর্ঘটনাকেই আন্তর্জাতিক বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তদন্তের জন্য অন্যান্য দেশকে কারিগরি সহায়তা ও বিশেষজ্ঞ পাঠানোর আমন্ত্রণ জানানো হয়। কোনো কোনো ঘটনায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকায় আন্তর্জাতিক তদন্ত অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এ ঘটনায়ও এই কথাটি প্রযোজ্য।
গত মার্চে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ রহস্যজনকভাবে উধাও হওয়ার পর মালয়েশিয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ তদন্তে অংশ নেয়। এবার দুর্ঘটনায় যেসব দেশের নাগরিক উড়োজাহাজে ছিল, সেসব দেশ তদন্তে ভূমিকা রাখতে চাইবে। পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশ এরই মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ, স্বাধীন ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি করেছে। এদিকে রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন আন্তদেশীয় বিমান পরিবহন কমিটি (আইএসি) বলেছে, আইসিএওর অধীনে তদন্ত হতে হবে। রাশিয়ার পাশাপাশি ইউক্রেনসহ বিভিন্ন সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্র আইএসির সদস্য।
সংঘাতপূর্ণ এলাকায় কীভাবে তদন্ত হবে: সংঘাতপূর্ণ ওই এলাকায় তদন্ত চালানো কঠিন কাজ। ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া, তদন্তকারীদের নিরাপত্তা, ধ্বংসাবশেষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়া ইত্যাদি কাজ সুচারুভাবে শেষ করতে তদন্তকারীদের অনেক ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হবে।
রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলেছে, তারা আন্তর্জাতিক তদন্তকারীদের ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুমতি দেবে। এ জন্য ওই এলাকায় মানবিক করিডোর খুলে দেওয়া হবে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সেখানে পূর্ণাঙ্গ অস্ত্রবিরতি চাইছে।
তদন্তকারীরা কোথায় আলোকপাত করবেন: মার্কিন জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ডের (এনটিএসবি) সাবেক চেয়ারম্যান ডেবোরাহ হার্সম্যানের মতে, তদন্তকারীদের প্রথম কাজ হবে উড়োজাহাজটির চারটি কোনা খুঁজে বের করা: নাক, লেজ ও দুই পাখার দুই শীর্ষভাগ। পাশাপাশি ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিটের ভয়েস রেকর্ডারও খুঁজতে হবে। এনবিসিকে হার্সম্যান বলেন, উড়োজাহাজটি কীভাবে ভেঙে পড়ল, সেটি বের করতে হবে। এর মাধ্যমে জানা যাবে, কোথা থেকে এটা শুরু হলো এবং কীভাবে তা ছড়িয়ে পড়ল।
তদন্ত নিয়ে এত মাতামাতি কেন: উড়োজাহাজটি যদি রাশিয়ার সরবরাহকৃত অস্ত্র দিয়ে ভূপাতিত করা হয়, তাহলে ইউক্রেন সংকট নতুন মোড় নিতে পারে। চলতি সপ্তাহে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, রাশিয়া ইউক্রেনের একটি সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে। রাশিয়া এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, মস্কোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসার পর পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়েছে। রাশিয়া এই পদক্ষেপকে মার্কিন ‘ব্লাকমেল’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, তারা ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।
ইউক্রেন নিয়ে পাশ্চাত্য ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ওই উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটল। ঘটনা যে-ই ঘটাক, এখন উভয়পক্ষই এ বিষয়টিকে পুঁজি করে একে অন্যকে ঘায়েল করার চেষ্টা করবে। তাই তদন্তকে নিজের মুঠিতে এনে তা থেকে ফায়দা লোটার চেষ্টা চলছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কখন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে বলা যায় না -সাক্ষাৎকারে: আকবর আলি খান by মশিউল আলম

প্রথম আলো :আওয়ামী লীগ একতরফা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য সরকার গঠন করার পর ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। এই সরকারের দেশ পরিচালনা সম্পর্কে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
আকবর আলি খান :সামগ্রিকভাবে গতানুগতিক ধারায়ই সরকার চলছে। এটা যে একটা নতুন নির্বাচিত সরকার, তা বোঝার কোনো উপায় নেই। তবু যদি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তাহলে বলা যায়, নির্বাচনের পরে কিছু কিছু পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
প্রথম আলো :যেমন?
আকবর আলি খান :যেমন, দেশপ্রেমিক মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নির্বাচনের আগে উত্থাপন করা যাচ্ছিল না। তদন্ত হওয়া সম্ভব ছিল না। কিন্তু নতুন মন্ত্রিসভায় পুরোনো অনেক মন্ত্রী বাদ পড়ে যান এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত এখন চলছে বলে দেখা যাচ্ছে। আরেকটি পরিবর্তন হলো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। খুন, অপহরণ, ধর্ষণ ইত্যাদি অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেছে এবং এসবের সঙ্গে সরকারি দলের সম্পৃক্ততা সুস্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। মন্ত্রিসভা পরিবর্তনের মাধ্যমে কিছু আশার ইঙ্গিত এসেছিল, কিন্তু জনগণ আইনশৃঙ্খলার অবনতির ব্যাপারে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও হতাশ হয়ে পড়ছে।
প্রথম আলো :কিন্তু সরকারকে তো উদ্বিগ্ন মনে হচ্ছে না। তারা বলছে, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া আইনশৃঙ্খলার তেমন কোনো অবনতি ঘটেনি।
আকবর আলি খান :আইনশৃঙ্খলার ব্যাপারে সরকার যে কিছুই করছে না তা নয়। যেমন, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ব্যাপারে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু সেটা আদালত কিংবা জনগণের কাছে যথেষ্ট বলে মনে হচ্ছে না। এই পরিস্থিতির যদি পরিবর্তন না করা যায় এবং দেশের আইনশৃঙ্খলার যদি ক্রম-অবনতি ঘটতে থাকে, তাহলে সেটা সরকারের জন্যও ভালো হবে না, দেশের জন্যও ভালো হবে না।
প্রথম আলো :সাধারণত দেখা যায়, কোনো মন্ত্রী বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যখন দায়িত্বরত থাকেন, তখন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় না। তাঁরা যখন দায়িত্ব থেকে বিদায় নেন, কেবল তখনই তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত হয়। এখনো কি সেটাই ঘটছে না?
আকবর আলি খান :যেসব মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত এখন হচ্ছে, তাঁরা মন্ত্রীর পদে বহাল না থাকলেও কিন্তু ক্ষমতাবলয়ের একদম বাইরে চলে যাননি। তাঁরা এখনো ক্ষমতাসীন দলেরই নেতা। তাঁদের কেউ সাংসদ, কেউ বা কোনো সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, এ রকম বিভিন্ন পদে তাঁরা আছেন। সুতরাং এটা বলা যাচ্ছে না যে তাঁরা ক্ষমতার একদম বাইরে যাওয়ার পরে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে।
প্রথম আলো :আপনি কি মনে করেন, তাঁদের শাস্তি হবে?
আকবর আলি খান :তদন্তের ফল শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়াবে আমরা তা জানি না। কিন্তু তদন্ত যে হচ্ছে, সেটাও একটা আশার লক্ষণ। মনে হয়, নির্বাচনের আগে সরকার এসব বিষয়ে যে অবস্থানে ছিল, সেটার হয়তো পরিবর্তন হয়েছে। সাবেক মন্ত্রীদের দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে সরকারের কোনো কোনো মহলে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, যাতে দুর্নীতি কমে আসে। তবে এটা কতটুকু স্থায়ী হবে এবং এর ফল কী হবে, সে সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই। কারণ, ফল পাওয়ার জন্য দরকার আদালতের মাধ্যমে বিচার নিষ্পন্ন করা। কিন্তু এ দেশে আদালতে দীর্ঘসূত্রতা সুবিদিত; সেখানে অতি দ্রুত কোনো বিচার হবে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
প্রথম আলো :কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারের গড়িমসির ঝোঁক লক্ষ করা যাচ্ছে। যেমন, মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বিদেশিদের সম্মাননা ক্রেস্টের সোনা-রুপা জালিয়াতির ঘটনার তদন্ত আর এগোচ্ছে না। এর মধ্যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করলেন, ক্রেস্টে সোনা কতটুকু দেওয়া হয়েছে তা বড় ব্যাপার নয়, সম্মাননা যে দেওয়া হয়েছে, সেটাই বড় ব্যাপার...
আকবর আলি খান :তবু সরকার স্বীকার করেছে যে এখানে প্রতারণা হয়েছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন এ ব্যাপারে তদন্ত করছে। এটা আশার লক্ষণ। এ ধরনের পরিস্থিতি কয়েক বছর আগে হয়তো সম্ভব ছিল না। আমি বলছি না যে সমস্যার একেবারে সমাধান হয়ে গেছে, বলতে চাইছি যে কিছু আশার আলো হয়তো দেখা যাচ্ছে।
প্রথম আলো :আপনি বললেন, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ ইত্যাদি অপরাধের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের সম্পৃক্ততা সুস্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু অপহরণ ও খুনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সদস্যদের সম্পৃক্ততার কথাও জানা যাচ্ছে। পুলিশের গ্রেপ্তার–বাণিজ্য, গ্রেপ্তারের পর টাকার দাবিতে পিটিয়ে মেরে ফেলা ইত্যাদি অভিযোগও বেড়ে যাচ্ছে। এগুলো তো সরকারের শাসনপ্রক্রিয়াকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।
আকবর আলি খান :সে জন্য আমিও দেশের সাধারণ মানুষের মতোই উদ্বিগ্ন। কারণ, এই পরিস্থিতি যদি দ্রুত পরিবর্তন করা না হয়, তাহলে আমরা এমন পরিস্থিতির দিকে চলে যাব, যেখানে পরিবর্তন করা অত্যন্ত শক্ত হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে সরকারের অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
প্রথম আলো :আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সরকারের রাষ্ট্রপরিচালনায় কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পেছনে কি দেশের গণতন্ত্রহীন পরিবেশের কোনো সম্পর্ক থেকে থাকতে পারে? কেউ কেউ বলছেন, যেহেতু এই সরকার জনগণের রায় নিয়ে আসেনি, তাই এর দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির বোধে ঘাটতি রয়েছে। আপনি কী মনে করেন?
আকবর আলি খান :দায়িত্বশীল সরকার থাকলে এসব ব্যাপারে নিশ্চয়ই আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতো। সঠিকভাবে নির্বাচিত সরকার না থাকলে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সেটা দেখা দেবে কি দেবে না, সেটা নির্ভর করে নেতৃত্বের ওপরে। নেতৃত্ব অন্তত দুর্নীতির ব্যাপারে একটা গঠনমূলক মনোভাব দেখিয়েছেন, সে ধরনের মনোভাব যদি আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রপরিচালনার অন্যান্য ক্ষেত্রেও দেখা যায়, তাহলে কিছু ফল পাওয়া যেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি, তাতে খুব একটা আশার কিছু আমরা দেখতে পাচ্ছি না।
প্রথম আলো :অর্থনীতির ক্ষেত্রে সরকারের কর্মসম্পাদন কতটা সহায়ক হচ্ছে? বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশ—এগুলোর ক্ষেত্রে সরকারের অবদান কী?
আকবর আলি খান :অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের কিছু সহায়ক ভূমিকা থাকতে পারে, কিন্তু সরকারই এখানে প্রধান নিয়ামক নয়। যদি হতো, তাহলে অতি সম্প্রতি আমরা যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখে এসেছি, সেখানে প্রবৃদ্ধি অনেক কমে যেত। কিন্তু তা ঘটেনি। প্রবৃদ্ধি না কমার কারণ হলো, সরকার যত দুর্বল হচ্ছে, বেসরকারি খাত তত শক্তিশালী হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি মূলত বেসরকারি খাতের এবং আমি মনে করি, এটা এ দেশের অশিক্ষিত মানুষের অবদান। বাংলাদেশের কৃষকেরা কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন। অদক্ষ শ্রমিকেরা বিদেশে কাজ করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠাচ্ছেন। পোশাকশিল্পের অশিক্ষিত নারী শ্রমিকেরা বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আনছেন এবং ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী অজস্র অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত নারী-পুরুষ অর্থনীতি সচল রেখেছেন। সুতরাং যদিও সরকারের অনেক ব্যর্থতা আছে, তা সত্ত্বে আমাদের এসব অশিক্ষিত সৃজনশীল মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের অর্থনীতির চাকা চালু রয়েছে।
প্রথম আলো :অর্থাৎ সরকারের ব্যর্থতা পুষিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের সৃজনশীল কর্মোদ্যমের কারণে?
আকবর আলি খান :সাধারণত দেখা গেছে, নতুন সরকার এলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়তে থাকে। কিন্তু বর্তমানে তা হচ্ছে না। প্রবৃদ্ধি পাঁচ-ছয় শতাংশের মধ্যেই আটকে আছে। সরকার বলেছিল, তারা প্রবৃদ্ধি আট শতাংশে উন্নীত করবে, কিন্তু তা করতে পারেনি এবং কবে করতে পারবে তার নিশ্চয়তা নেই। প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে সুশাসন দরকার।
প্রথম আলো :আপনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে বর্ণনা করবেন? সেনাশাসন কিংবা জরুরি অবস্থা চলছে না; একটা নির্বাচিত সরকারই ক্ষমতায় আছে। কিন্তু দেশের পরিবেশ কি গণতান্ত্রিক?
আকবর আলি খান :বাংলাদেশের মূল সমস্যা হলো, সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সংখ্যা খুবই কম এবং তাদের ভূমিকা খুবই সীমিত। যে দুটি বড় গোষ্ঠী রাজনীতিতে কাজ করছে, তারা কেউই অতীতে নিষ্ঠার সঙ্গে গণতন্ত্র চর্চা করেনি। গণতন্ত্রের প্রতি তাদের কারোরই কোনো অঙ্গীকার নেই। রাজনীতি এখন একটা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি যে সাধারণ নির্বাচন হয়েছে, সেটি অতীতের খারাপ নির্বাচনগুলোকে হার মানিয়ে দিয়েছে। এই প্রথমবার সংসদের ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। এটা আইনসম্মত হতে পারে, কিন্তু গণতন্ত্রের যা নির্যাস, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে এটা গণতান্ত্রিক নয়।
প্রথম আলো :কিন্তু কোনো রাজনৈতিক প্রতিরোধ তো নেই। প্রধান বিরোধী দলসহ সবাই যেন এটা মেনেই নিয়েছে। এরশাদের স্বৈরশাসনকালেও তো এমন প্রতিরোধহীন পরিবেশ দেখা যায়নি।
আকবর আলি খান :বাংলাদেশের মানুষ সব সময় গণতন্ত্রকে সমর্থন করেছে, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। কাজেই আমার ধারণা, এ ধরনের নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করার মতো রাজনৈতিক শক্তি সোচ্চার হয়ে উঠতে পারেনি। কারণ, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের আচরণের মধ্যে বড় ধরনের কোনো তফাত নেই। এ ছাড়া বিরোধী দল এখন একটা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, বিশেষত বিএনপির নেতারা অত্যন্ত প্রবীণ। তাঁরা আর বেশি দিন দলকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন বলে মনে হয় না। তরুণ নেতারাও সুসংগঠিত ও সুসংহত নন। সব মিলিয়ে নির্বাচনের পরে তাদের আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়ায় তাদের আন্দোলন করার ক্ষমতার বিশ্বাসযোগ্যতাও কমে গেছে। তা ছাড়া অতীতে, সামরিক স্বৈরশাসনের আমলে যা ঘটেছে, এখনো তা ঘটবে এমন আশা করা ঠিক হবে না। কিন্তু এই গণতন্ত্রহীন পরিবেশ নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা ক্ষোভ আছে। এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ কখন কীভাবে ঘটবে, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের অনুপস্থিতি মিলিয়ে দেশে একটা সংকটময় পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সব দলের অংশগ্রহণে একটা গণতান্ত্রিক নির্বাচন হওয়া উচিত।
প্রথম আলো :আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আকবর আলি খান :ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আচরণে সত্যি সচেতন হলে by সাহস রতন
প্রথমেই নিজের অভিজ্ঞতালব্ধ কয়েকটি উদাহরণ দিই। বেশ কিছু দিন আগে সান্ধ্যকালীন আড্ডা থেকে বাসায় ফিরছি। রাত ন’টার মতো হবে। গাড়ি ড্রাইভ করে গ্রীন রোড-পান্থপথ সিগন্যাল থেকে ডানে মোড় দিয়ে সোনারগাঁও সিগন্যালের দিকে এগোচ্ছি। এর মধ্যে হঠাৎ পেছন থেকে ‘ধর ধর’ চিৎকারের শব্দে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি একজন ট্রাফিক পুলিশ; ‘ওই ছিনতাইকারী- ধর ধর’ বলে চিৎকার করে একজনকে পেছন থেকে ধাওয়া করছে। আর যার উদ্দেশ্যে বলা, সেই অল্পবয়সী ছেলেটি, কখনও রাস্তার মাঝের ডিভাইডারের উপর দিয়ে, কখনও বা চলতে থাকা গাড়ির ফাঁক গলে দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করছে। ফলে উল্টো দিক থেকে হেঁটে আসতে থাকা পথচারীর মুখোমুখি হচ্ছে। পুরো দৃশ্যটি ঘটলো আমার মতো আরও অনেকের চোখের সামনে কিন্তু আশ্চর্য আমরা কেউই ছিনতাইকারীটিকে আটকাবার বিন্দুমাত্র চেষ্টাও করিনি। ওকে জাপটে ধরারও প্রয়োজন ছিল না, শুধু আলতো একটা ল্যাং দিলেই ছিটকে পড়তো রাস্তায়। আর পেছন থেকে ধেয়ে আসা পুলিশটি অনায়াসে তাকে ধরতে পারতো। এটুকু দায়িত্ব সচেতন না হলো কিভাবে চলবে! আমার প্রসঙ্গ ‘সচেতন ব্যক্তি মানেই উন্নত সমাজ।’ আমি মনে করি ব্যক্তিকে সচেতন করে গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের জাতীয় জীবনে ভাল কোন কিছুই ঘটবে না।
তেলের দাম বেড়েছে কিন্তু আগেই বাস ভাড়া দূরত্বের তুলনায় বেশি হয়ে আছে বলে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাসভাড়া বাড়ানো যাবে না। তারপরও কন্ডাক্টর ৫ টাকা বেশি বাড়া চাইছে এবং বেশির ভাগ যাত্রীই দু’একবার গ্যাঁ-গোঁ করে তা দিয়েও দিচ্ছে। কেউ একজন বেঁকে বসলো ন্যায্য কারণেই। তার কথা হলো- ‘খবরের কাগজে পড়েছি, টিভিতে নিউজ দেখেছি, ভাড়া বাড়ানো যাবে না, তারপরও বেশি বাড়া চাও কেন?’ উত্তরে কন্ডাক্টরের জবাব- ‘আফনে গিয়া মালিকরে জিগান। মালিক আমারে কইয়া দিছে ৫ টাকা বেশি নিতে, আমি কম নিবার পারুম না।’ মালিক-শ্রমিক এ চক্রটি সুযোগ পেলেই যে কারণে বা অকারণে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে, এটি তো আর কারও অজানা নয়। তারপরও একজন যাত্রী এটির প্রতিবাদ করছে দেখেও বাকিরা চুপ মেরে থাকছে। কখনও এমনও হয়, পাশের যাত্রী বলে ওঠে- ‘আরে ভাই দিয়া দেন তো, খামোখা ঝামেলা করে কি হবে? সবাই তো দিয়ে দিচ্ছে দেখেন না? আপনি একা কি করবেন। বেশি বাড়াবাড়ি করলে হয়তো গাড়ি সাইড করে আপনাকে নামিয়েই দিবে।’ ভেবে দেখুন তো একবার, আমরা দিনের পর দিন এভাবেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়ে নিজের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছি না? বাসে ত্রিশের অধিক যাত্রী থাকার পরও মাত্র একজন কন্ডাক্টরের অন্যায় আবদারের কাছে নতি স্বীকার করছে সবাই। এভাবে চললে কোনদিনই এসব অন্যায়-অবিচার বন্ধ হবে না। কিন্তু এমন যদি হতো, পাঁচ টাকা বেশি চাওয়ার পর বেশির ভাগ যাত্রীই সেটি না দিয়ে প্রতিবাদ করছে, তাহলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে এমনটি এত সহজে ঘটতো না। আমরা কখনও চেষ্টা করেও দেখিনি, তাই না?
ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কে সারা বছরই খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। ওয়াসার ড্রেনেজ ডিভিশন আন্ডারগ্রাইন্ড সুয়্যারেজ পাইপ বসানের কাজ শেষ করে যাওয়ার পর মিউনিসিপাল করপোরেশন রাস্তার উপরের অংশের বিটুমিনাস কার্পেটিং কাজ সম্পন্ন করবে। এর মাস খানেক পর টেলিফোন কোম্পানী আসবে নতুন ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ লাইনের কাজ করার জন্য। যার ফলস্বরূপ আবারও কেবলই মাত্র নির্মিত রাস্তাটি কাটা হবে। টেলিফোন কোম্পানির কাজ শেষ হবার পর মিউনিসিপাল করপোরেশন আবার রাস্তাটি মেরামত করবে এবং তারও ক’মাস পর আসবে তিতাস গ্যাস কোম্পানি গ্যাস লাইনের কাজ করার জন্য। সমন্বয়হীনতার কথা বলে জনগণ প্রদত্ত ট্যাক্সের টাকা লুটপাট করে এসব দুর্নীতি দিনের আলোয় আমাদের চোখের সামনে ঘটছে বছরের পর বছর। এ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, আমি-আপনি আসা-যাওয়া করছি। প্রত্যেকে নিজেদের অনেক সচেতন হিসেবে ভাবছি। কিন্তু কোন দিন একজনও কি জিজ্ঞেস করেছি- কি ব্যাপার? পনেরো দিন আগেই না রাস্তাটি মেরামত করা হলো, আবার কেন এটি কাটাকাটি হচ্ছে? প্রথমবার কাটার সময় এক সঙ্গে সব কাজ শেষ হলো না কেন? আমার বিশ্বাস, রাস্তায় চলমান একশ’ জন পথচারীও যদি দৈনিক এ প্রতিবাদটি করতো তাহলে এ অন্যায়টি অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যেতো। কেন সবগুলো কাজ একসঙ্গে হলো না? কর্মরত শ্রমিক কিংবা ঠিকাদার যেই হোক না কেন, প্রতিনিয়ত প্রশ্নের মুখোমুখি হলে এতসব অন্যায়-অবিচার অনায়াসে এভাবে চালাতে পারতো না।
অনেকগুলো বাস্তব উদাহরণের পর এবার একটা অন্যরকম দৃশ্য কল্পনা করা যাক। মি. মফিজ, সামান্য খুচরা ব্যবসায়ী তবে তিনি একজন নিয়মিত করদাতা। তো তার একটি সমস্যা নিয়ে পার্শ্ববর্তী থানায় গেলেন জিডি করতে। থানার অভ্যর্থনা কক্ষে উপস্থিত হতেই ডিউটিরত অফিসারটি অত্যন্ত সুন্দর করে সালাম দিয়ে স্বাগত জানিয়ে বললো- স্যার কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি? -আমি এসেছি একটা জিডি করতে। আমার বাসার পাশের মাঠে গত দু’দিন ধরে রাতভর উচ্চস্বরে মাইক বাজতেছে। পুরো এলাকার মানুষজন বিশেষ করে বয়স্করা ভীষণ বিরক্ত। অনেকেই এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, শব্দ দূষণের ফলে পর্যাপ্ত ঘুমুতে না পারার কারণে। এ বিষয়টি একটু খতিয়ে দেখবেন? -স্যার, আপনি এখানটায় বসুন। আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। আপনার নাম ঠিকানা কিছুই প্রয়োজন নেই, আপনি শুধু যেখানটায় এমনটা ঘটছে ওখানকার লোকেশন আমাকে বলুন স্যার, আমি এক্ষুণি জিডি এন্ট্রি করছি- বলে অফিসারটি চেয়ার টেনে দিলো। পুলিশ অফিসারটির মুখে বার বার স্যার শুনে এবং চেয়ার এগিয়ে দিচ্ছে দেখে মি. মফিজ কিছুটা দ্বিধান্বিত হয়ে- আরে না না ঠিক আছে, আমি সামান্য খুচরা ব্যবসায়ী, আমাকে স্যার বলতে হবে না- বলে নিজেই চেয়ার টেনে বসলেন। অফিসারটি আরও কাঁচুমাচু হয়ে বললো- কি যে বলেন স্যার; আপনাকেই তো স্যার বলতে হবে। আপনি ও আপনার মত আরও অনেক করদাতাদের প্রদত্ত কর থেকেই তো আমার বেতন-ভাতা হচ্ছে। আমি বউ-বাচ্চা নিয়ে খেয়ে পড়ে বেঁচে আছি। আপনারাই তো আমার এমপ্লয়ার। আপনাকে স্যার বলে সম্বোধন করাটা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্যের অংশ।
দৃশ্যটি কাল্পনিক কিন্তু এমনটাই তো স্বাভাবিক হওয়ার কথা ছিল, নয় কি? সমস্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা তো জনগণকেই দিতে হচ্ছে, কখনও ট্যাক্স বা ভ্যাট বা আয়কর হিসেবে। কোথায় ওরা আমাকে স্যার স্যার করবে, তা না, আমি বোকার মতো আমার নিজের ক্ষমতা ও অবস্থান সম্পর্কে অসচেতন বলেই আমার নিয়োগকৃত কর্মচারীকে স্যার বলে সম্বোধন করছি। স্যার বলাটা কোন খারাপ কিছু না কিন্তু যে ভঙ্গিতে বলা হচ্ছে সেটিতেই আপত্তি। বিষয়টি যত তাড়াতাড়ি আমাদের বোধগম্য হবে তত দ্রুত আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।
বাংলাদেশের জনগণ, আমরা; প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নির্বাচন এলে একবার জাগ্রত হই। অতঃপর পাঁচ বছরের জন্য শীত নিদ্রায় চলে যাই। এই সময়ের মধ্যে কোন ধরনের অন্যায়-অবিচার-রাহাজানিই আমাদেরকে কোন ভাবেই ছুঁয়ে যায় না। গ-ারের চেয়েও বেশি সহনশীল হয়ে গেছি আমরা। অতি মাত্রায় সহনশীলতা আমাদের শুধু পিছিয়েই দেয় নি উপরন্তু, দুর্নীতিবাজ-চোরাগোষ্ঠীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক বেশি। এ অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে নিজেকে জাগ্রত রাখতে হবে প্রতিদিন-প্রতিক্ষণ। অন্যায়-অবিচার-ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে। নিজে সত্যিকার অর্থেই সচেতন ব্যক্তির মতো আচরণ করতে হবে। তবেই কেবল সমৃদ্ধি আসবে, উন্নতি ঘটবে রাষ্ট্রের সর্বাঙ্গে।
আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হলে, নিকট ভবিষ্যতে একটি উন্নত ও আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ পাওয়া খুব কঠিন কি?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আকাশে গণহত্যা -ঘৃণ্য হামলার বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেক জাগ্রত হোক

উল্লেখ্য, মালয়েশীয় উড়োজাহাজটি ইউক্রেনের আকাশসীমা পার হওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটি ভূপাতিত করে। এই হামলার ঘটনা নিয়ে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ও রুশপন্থী বিদ্রোহীরা পরস্পরকে দায়ী করেছে। তাদের বিবাদের সঙ্গে মালয়েশীয় উড়োজাহাজের নিরীহ যাত্রীরা কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। এর পরও তাঁদের জীবন দিতে হলো। এটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।
এ ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিরোধ কেবল ওই দেশ বা অঞ্চলের মানুষকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বিশ্বের অন্য প্রান্তের নিরীহ মানুষের জীবনও কেড়ে নিতে পারে। এটি যেমন ইউক্রেনের বেলায় সত্য, তেমনি সত্য মধ্যপ্রাচ্যসহ যুদ্ধকবলিত অন্যান্য এলাকার জন্যও।
জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিশ্বনেতারা মালয়েশীয় উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার ঘটনার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অপরাধীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আমরাও মনে করি, এটি মানবতা ও সভ্যতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আদালতে এর বিচার করতে হবে। বিশ্ববিবেককে জাগ্রত করতে হবে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে।
ইউক্রেনের জাতিগত বিবাদ যে সেই দেশটির মধ্যেই সীমিত নয়, তা আবারও প্রমাণিত হলো। পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে যত দিন বিরোধ থাকবে, তত দিন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তির ওপর হুমকি থেকেই যাবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদে জমজমাট চাঁদার বাজার

ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, চাঁদাবাজি ঠেকাতে পুলিশ সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকে। এবারও ঈদ কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি ঠেকাতে পুলিশ সদস্যরা তৎপর রয়েছে। তিনি বলেন, কোন পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।
সূত্র জানায়, ঈদ এলেই চাঁদাবাজির মাত্রা বেড়ে যায়। মূলত বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদের নামে আদায় করা হয় চাঁদা। প্রথমে টার্গেটকৃত ব্যক্তির মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা। পরে ওই ব্যক্তির স্ত্রী-সন্তানেরা কোথায় যাতায়াত করে বা কে কোন স্কুলে পড়ে সেই তথ্য সংগ্রহ করে। পরে ফোন দেয়া হয় টার্গেটকৃত ব্যক্তিকে। বলা হয়, চাঁদা না দিলে স্ত্রী-সন্তানদের গুলি করা হবে। ভয়ে অনেকেই গোপনে সন্ত্রাসীদের হাতে চাঁদার টাকা তুলে দেন। যে যেভাবে পারেন সমঝোতা করে পরিমাণটা কমিয়ে নেন। সূত্র জানায়, চাঁদাবাজের তালিকায় বিদেশে পালিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি কারাবন্দি সন্ত্রাসীরাও রয়েছে। তাদের নাম ব্যবহার করে চাঁদা আদায় করে সহযোগীরা। এলাকা ভাগ করে আদায় করা হয় চাঁদা। বৃহত্তর মিরপুরে চাঁদা আদায় করা হয় কলকাতায় পালিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদতের নামে। মোহাম্মদপুর এলাকায় নবীর হোসেনের নামে। কাওরান বাজার এলাকায় আশিক, রমনা-মগবাজার-মালিবাগ এলাকায় সুব্রত বাইন ও জিসানের নামে আদায় করা হয় চাঁদা। পুরান ঢাকার এক সময়ের ত্রাস ডাকাত শহীদ বন্দুক যুদ্ধে নিহত হলেও তার সহযোগীরা এখনও চাঁদাবাজি করছে। চাঁদা আদায়ের সময় এখনও তারা ডাকাত শহীদের লোকজন বলে ভয় দেখায়। বলে, ভাই মরেছে আমরা কিন্তু মরি নাই। চাঁদা দিতে হবে না হলে গুলি খেতে হবে। সম্প্রতি নাবিল আহমেদ চৌধুরী নামে ধানমন্ডির ৯/এ সড়কের এক বাসিন্দার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের নামে তাকে ফোন করা হয়। বলা হয়, সারা বছর কোন দাবি করি নাই। ঈদ আসছে ছেলেপেলেদের টাকা পয়সা লাগবে। ৫০ লাখ টাকা দিয়েন। না দিলে বাসার সামনে প্রথমে ককটেল ফাটানো বা গুলি করা হবে। না হলে আপনার স্ত্রী-সন্তানের সব তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। তাদের ওপর হামলা করা হবে। ওই ব্যবসায়ী ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অনুসন্ধান করে জানতে পারেন কলটি এসেছে দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে। কাওরান বাজার এলাকার এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোফাজ্জলের কাছে আশিকের নামে দাবি করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। টাকা না দিলে তাকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। তেজগাঁও থানায় জিডি করেছেন ওই ব্যবসায়ী। বিষয়টি পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ২-এর একটি দলও অনুসন্ধান করছে। চলতি মাসের শুরুতে মোহাম্মদপুরের দুই ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ ও আলমগীরের কাছে নবীর হোসেনের নামে পাঁচ লাখ ও দুই লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়েছে।
পুলিশ ও র্যাবের গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অনেক ছিঁচকে সন্ত্রাসীও এখন কুখ্যাত সন্ত্রাসীর নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবি করছে। মোবাইল কললিস্টের সূত্র ধরে অনুসন্ধান করে দেখা যায় মাদারীপুরের লুন্দি গ্রামের ‘হ্যালো পার্টি’ এর সঙ্গে জড়িত। বেশির ভাগই আবার রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোবাইল দিয়ে চাঁদা আদায় করা হয়। এ কারণে সন্ত্রাসীদের ধরতেও বেগ পেতে হয়। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ছানোয়ার হোসেন জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে কিছু চাঁদাবাজির অভিযোগ এসেছে। এগুলো অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে। কিন্তু বেশির ভাগই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে। র্যাব ২-এর অপারেশন অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান জানান, চাঁদাবাজির কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির মহোৎসবে সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি মেতে উঠেছে এক শ্রেণীর অসাধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও। থানা পুলিশ থেকে শুরু করে ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশ বেপরোয়া চাঁদাবাজি করছে। সূত্র জানায়, রাজধানীসহ এর আশপাশের এলাকার থানায় এখন প্রতিদিনই সাধারণ মানুষকে ধরে এনে হয়রানি করা হচ্ছে। ভয় দেখানো হয় পেন্ডিং মামলায় ঢুকিয়ে দেয়ার। পরে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দফারফা করে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে অবৈধ ব্যবসা বা কার্যকলাপের সঙ্গে যারা যুক্ত তারাই এখন প্রধান টার্গেট পুলিশের। এছাড়া পরিবহন ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ও মালিকরা জানিয়েছেন, রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ কারণে-অকারণে গাড়ি আটক করছেন। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ‘ঈদ বকশিশ’ দাবি করা হচ্ছে। চাহিদামতো টাকা না দিলেই রেকারিং করাসহ বিভিন্ন মামলা দেয়ার ভয় দেখানো হয়। মহাসড়কগুলোতে দায়িত্বরত ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশ আরও এক ধাপ এগিয়ে। ঈদ উপলক্ষে তাদের চাহিদার পরিমাণও বেশি। একাধিক পরিবহন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, প্রত্যেক ঈদেই এই চিত্র দেখা যায়। পুলিশ বা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বা অভিযোগ করেও কোন সুফল পাওয়া যায় না।
সূত্র জানায়, সন্ত্রাসী ও পুলিশের পাশাপাশি ঈদকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজিতে মেতে ওঠে রাজনৈতিক ক্যাডাররা। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার নামে চাঁদা তোলে তারা। পরে ভাগবাটোয়ারা করে নেয় সবাই। রাজধানীর ২২৭/১ মিরহাজীরবাগের বাসিন্দা ফারুকুল ইসলাম জানান, গত তিন-চার মাস ধরেই স্থানীয় যুবলীগ নামধারী কয়েকজন ক্যাডার তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি মতিঝিলের মদিনা টাওয়ার লিমিটেডে এজিএম হিসেবে কর্মরত আছেন। তার দুই ভাই ইউরোপ প্রবাসী। নিজেদের বাসা ভাড়া দিয়ে প্রচুর টাকা আয় হয় প্রতি মাসে। এসব কারণেই চাঁদাবাজদের নজরে পড়েন তিনি। ফারুকুল ইসলাম চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত ২রা জুলাই সকালে অফিসে যাওয়ার পথে সন্ত্রাসীরা তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। মীরহাজীরবাগের কাওসার মিয়ার গ্যারেজের পাশে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই এলাকার দিলু কাজীর ছেলে কাজী শরীফ (২০) ও একই এলাকার রানা (২২) সহ ৭-৮ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘেরাও করে। সন্ত্রাসীরা দাবিকৃত চাঁদা চেয়ে বলে, বড় ভাইয়ের নির্দেশ আছে চাঁদা না দিলে তোকে মেরে ফেলবো। সন্ত্রাসীরা ফারুকুল ইসলামকে তখন বেদম প্রহার করে। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে শফিক নামে ওই এলাকার একজন বাসিন্দাও আহত হন। এ ঘটনায় ফারুকুল ইসলাম বাদী হয়ে শরীফ ও রানাকে এজাহারনামীয় এবং ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গত ৫ই জুলাই যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলা দায়েরের পর তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছেন বলে জানান ফারুকুল ইসলাম। আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও সরকারি দলের সন্ত্রাসী হওয়ায় পুলিশ তাদের আটক করছে না বলে তার অভিযোগ। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সচেষ্ট। যে কোন সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।
গত ৭ই জুলাই যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিনবপন্থায় চাঁদাবাজি করার সময় মিঠু নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ওই দিন সকাল সাড়ে ৮টায় উত্তর যাত্রাবাড়ীর সুতিরখালপাড় হয়ে গোলাপবাগ যাওয়ার সময় চার যুবক আলমগীর নামে এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে টাকা ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। আলমগীর জানান, এক যুবক তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে বলে, টাকা না দিলে তোকে মেরে ফেলব। এ সময় আত্মীয়-স্বজন যে কাউকে টাকা নিয়ে যেতে বলার জন্য তার মোবাইল ফোন হাতে দেয় দুর্বৃত্তরা। আলমগীর ফোনে কথা বলেন তার আত্মীয় মেহেদি হাসানের সঙ্গে। আলমগীর কৌশলে মেহেদিকে ওই ঠিকানা জানিয়ে বলেন, ঝামেলায় আছি ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আসতে হবে। পরে মেহেদী বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওই দিন যাত্রাবাড়ী থানার সুতিরখাল এলাকার শওকতের ছেলে মুহাম্মদ আলী (২৭), একই এলাকার লিটন, রাব্বিকে এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন আলমগীর। এই মামলায় গত ৯ই জুলাই সুতিরখালের মুহাম্মদ সিদ্দিকের ছেলে মিঠুকে আটক করেছে পুলিশ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃতদেহে পচন, চলছে দোষারোপের খেলা

গত বৃহস্পতিবার সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের দোনেৎস্ক এলাকায় ভূপাতিত হয় মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ১৭। ভয়াবহ ওই ঘটনায় ১২টির বেশি দেশের ২৯৮ জন নিহত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি ছিলেন নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। নেদারল্যান্ডসসহ ওই সব দেশে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দেশগুলোর সরকার চেষ্টা করছে, তাদের নাগরিকদের মৃতদেহগুলো সময়মতো দেশে ফিরিয়ে নিয়ে স্বজনদের হাতে তুলে দিতে।
অন্যদিকে উড়োজাহাজটি কারা ভূপাতিত করল, তা নিয়ে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন,অস্ট্রেলিয়াসহ প্রভাবশালী দেশগুলোর মধ্যে এখনো চলছে পাল্টাপাল্টি দোষারোপের খেলা। ইউক্রেনের রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাতে ঘটনাটি ঘটায় ইউক্রেন সরকার এ জন্য তাদেরই দায়ী করছে। কিয়েভ বলছে, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছে অত্যাধুনিক ওই ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দিয়েছে রাশিয়া। আর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মতো মস্কোও এ জন্য দায়ী করছে ইউক্রেন সরকারকেই।
পাল্টাপাল্টি ওই দোষারোপের খেলায় উদ্ধার তৎপরতা ও ঘটনার তদন্তে বিঘ্ন ঘটছে। রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে অর্গানাইজেশন অব কো-অপারেশন অ্যান্ড সেফটি ইন ইউরোপ বা ওসিএসইর ২১ জনের একটি পর্যবেক্ষক দল গতকাল সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ঘটনাস্থলে যায়। এক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের ওই স্থান থেকে চলে যেতে বাধ্য করে বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধারা।
ওসিএসইর মুখপাত্র মিখায়েল বসিউরকিউ বলেন, ‘ভারী অস্ত্রসজ্জিত যোদ্ধারা পাহারা দিয়ে আমাদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। দেখে মনে হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধক্ষেত্র এটি।’
দুর্ঘটনাস্থলের ভয়াবহতা চোখে দেখা যায় না। বেশ কয়েক মাইল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ ও মানুষের ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ। কোথাও দেখা যায় খেতের মধ্যে পড়ে আছে একটি মৃতদেহ, বিমানের আসনের সঙ্গে সিটবেল্ট দিয়ে বাঁধা, কানে রয়ে গেছে হেডফোনটি! অনেক মৃতদেহেই গতকাল পচন ধরেছে।
সবকিছুই ঘটনা তদন্তের আলামত, কিন্তু দ্রুত তা উদ্ধারের জন্য সমন্বিত তৎপরতা নেই। ইউক্রেনের জরুরি পরিস্থিতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আন্দ্রেই লেইশেঙ্কো জানান, উদ্ধারকাজের জন্য অন্তত ২৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা তল্লাশি করা প্রয়োজন। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল সাতটা পর্যন্ত ১৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা খুঁজে দেখা সম্ভব হয়েছে।
লেইশেঙ্কো বলেন, ‘আমরা ১৮৬টি ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি। সঙ্গে পাওয়া গেছে উড়োজাহাজের ভাঙা অনেক টুকরা।’ তিনি আরও বলেন, যোদ্ধারা (বিচ্ছিন্নতাবাদী) জরুরি উদ্ধারকর্মীদের ওই এলাকায় ঢুকতে দিয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে উদ্ধার করে কোনো কিছু নিয়ে আসতে দিচ্ছে না। যা কিছু পাওয়া যাচ্ছে সব নিয়ে যাচ্ছে তারা।
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এক নেতা বলেছেন, মালয়েশিয়া ও নেদারল্যান্ডসের কর্মকর্তারা তাঁদের বলেছেন কোনো দেহাবশেষ না সরাতে। কিন্তু ওই দেশ দুটি থেকে উদ্ধারকর্মী ও তদন্ত কর্মকর্তারা যাঁরা ইউক্রেনে পৌঁছেছেন, তাঁরা ঘটনাস্থলে নেই। আশপাশের মধ্যে বড় শহর দোনেৎস্ক। ওই শহর থেকে গাড়িতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় ৯০ মিনিট লাগে। তবে যেতে হয় যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে, তল্লাশি ফাঁড়ি পেরিয়ে। সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী যোদ্ধারা সেখানে লড়াই করছে।
সর্বশেষ হিসাবে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ১৯২ জন নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রানস টিমারম্যানস গত শুক্রবারই ১৫ জনের একটি বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে কিয়েভে পৌঁছেছেন। আর ৬২ জনের একটি দল নিয়ে মালয়েশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী লিউ তিয়ং লাইয়ের গতকাল সেখানে পৌঁছার কথা ছিল। এর আগে গতকালই দুর্ঘটনা তদন্তের জন্য দুই মালয়েশীয় বিশেষজ্ঞ কিয়েভ পৌঁছান। তবে ওসিএসইর বিশেষজ্ঞরা গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গিয়ে বাধা পাওয়ায় নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার তদন্তকারী ও বিশেষজ্ঞরা সেখানে পৌঁছাতে পারবেন বা ঠিকমতো কাজ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
আলামত ও তথ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য ইউক্রেনের প্রতি গতকাল আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়া। দেশটি বলেছে, এসব নষ্ট করে ফেলা হলে তা ওই ঘটনায় নিহতদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল হবে।
মালয়েশীয় পরিবহনমন্ত্রী তিয়ং লাই বলেন, ‘উড়োজাহাজ ভূপাতিত হওয়ার স্থলটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে না, এতে মালয়েশিয়া গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
দুর্ঘটনার পরদিন গত শুক্রবার বিচ্ছিন্নতাবাদীরা জানিয়েছিল, তারা উড়োজাহাজের দুটি ব্ল্যাক বক্স পেয়েছে। ব্ল্যাক বক্স তারা রাশিয়ার হাতে তুলে দিয়েছে বলে পরে অভিযোগও পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু গতকাল তারা জানায়, কোনো ব্ল্যাক বক্স পাওয়া যায়নি। এ সম্পর্কে কিছু তারা জানেও না। ব্ল্যাক বক্সে উড়োজাহাজের উড্ডয়ন-সম্পর্কিত সব তথ্য সঞ্চিত থাকে। দুর্ঘটনার পর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা গেলে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা যায়।
এই অবস্থায় ইউক্রেনের সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দুর্ঘটনার সব সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আলামত নষ্ট করে ফেলছে। এর মাধ্যমে কিয়েভ সরকার ঘটনার দায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর চাপাতে চাইছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও একই ইঙ্গিত করেছেন। শুক্রবারই তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, তা থেকে ইঙ্গিত মেলে যে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। আর এটা পরিষ্কার যে, ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাতেই ঘটনাটি ঘটেছে। একদল বিচ্ছিন্নতাবাদী কখনোই যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বা যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে পারে না, যদি না তাদের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ থাকে। ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতে এসব তুলে দিয়েছে রাশিয়া।
তবে ইউক্রেন বা মার্কিন সরকারের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, তারা পশ্চিমা বিশ্বের ‘তথ্য-সন্ত্রাসের’ শিকার হচ্ছে। এ জন্য ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে তারা।
রাশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী আনাতোলি আন্তোনভ গতকাল রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেন। এ ঘটনা সম্পর্কে ১০টি প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘পারলে ইউক্রেন এসব প্রশ্নের জবাব দিক।’
অস্ট্রেলিয়াও অভিযুক্ত করছে রাশিয়াকে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ২৮ জন ছিলেন অস্ট্রেলীয় নাগরিক। দেশটিতে গতকাল শোক পালন করা হয়। অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট গতকাল বলেছেন, রাশিয়া এই ঘটনার দায় এড়াতে পারে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের উন্মত্ততা চলছেই -গাজায় মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে

ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় গতকাল ওই অঞ্চল সফরে গেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন। অন্যদিকে ইসরায়েলের চলমান ‘উন্মত্ততা’ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী সায়েব এরেকাত। খবর এএফপি, বিবিসি, রয়টার্স ও সিএনএনের।
৮ জুলাই থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলের অভিযান ‘অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ’ দ্বাদশ দিনে পড়েছে গতকাল। ১০ দিন বিমান হামলার পরও হামাসের রকেট ছোড়া বন্ধ করতে না পারায় বলদর্পী ইসরায়েল বৃহস্পতিবার থেকে স্থল অভিযান শুরু করে।
গতকাল গাজার বিভিন্ন জনপদে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর লক্ষ্য করে বিমান থেকে ব্যাপক বোমা ফেলে ইসরায়েলি বাহিনী। এ ছাড়া ছোড়ে ট্যাংকের গোলা। এ অভিযানে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হয় আরও ৪৮ জন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গতকাল দুপুরের পর ইসরায়েলি বিমান থেকে ছোড়া বোমায় নয়জন নিহত হন। এর আগে সকালে দক্ষিণ গাজার খান ইউনুস শহরে বিমান হামলায় নিহত হন সাতজন। অন্যদিকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে অনমনীয় হামাসের রকেট হামলাও অব্যাহত ছিল। তবে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অধিকারী দেশটিতে তা তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারেনি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সুড়ঙ্গ দিয়ে সে দেশের মাটিতে ঢুকে পড়া এক ফিলিস্তিনি জঙ্গিকে হত্যার দাবি করেছে গতকাল। সেনাবাহিনী বলেছে, মেশিনগান নিয়ে ইসরায়েলি জনপদে হামলা চালানোর জন্য ঢুকে পড়েছিল একদল জঙ্গি। গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়। অন্যদিকে ইসরায়েলের দুজন সেনা প্রাণ হারায়।
মৃত্যু উপত্যকা: দুই দিকে ইসরায়েল আর একদিকে সাগরঘেরা ফিলিস্তিনশাসিত গাজা উপত্যকা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এক আতঙ্কের জনপদ। ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলায় গুঁড়িয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর। মৃত্যুমুখে ঢলে পড়ছে এমনকি ঘরের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ-শিশুনির্বিশেষে যে কেউ। উগ্রপন্থী হামাসকে শায়েস্তা করাই ইসরায়েলের ঘোষিত লক্ষ্য হলেও হতাহতদের মধ্যে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের সংখ্যা নগণ্য। অতীতের অনেক ঘটনার মতোই হামাসের রকেট হামলার জবাবে বহুগুণ শক্তিশালী ইসরায়েল প্রত্যাঘাত করছে জঙ্গিবিমান আর কামান বা ট্যাংক দিয়ে। গাজায় পদাতিক সেনা পাঠানোরও চিন্তাভাবনা আছে ইসরায়েলের। তবে বেসামরিক প্রাণহানি অনেক বেড়ে যাওয়া ও ইসরায়েলের সেনাদের দিকেও হতাহতের আশঙ্কা থাকায় দেশটির ভেতরেই এ নিয়ে বিরোধিতা আছে।
‘উন্মত্ততা’ বন্ধের দাবি: ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী সায়েব এরেকাত গতকাল সকালে সিএনএনকে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টার হামলায় ৬৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময়ে ধ্বংস করা হয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামো। ক্ষতিগ্রস্ত বা একেবারে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক হাজার বাড়িঘর। এ উন্মত্ততা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
ফিলিস্তিনের জরুরি সেবা বিভাগের মুখপাত্র আশরাফ আল-কাদরা বলেন, হামলায় গতকাল যাঁরা প্রাণ হারান তাঁদের মধ্যে আছেন গাজার উত্তরে বেইত হানুন শহরের জুবেইদা পরিবারের এক সদস্যও। ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়ে গত কয়েক দিনে পরিবারটির আরও চার সদস্য প্রাণ হারান। এর মধ্যে রয়েছে ছয় ও দুই বছর বয়সী দুটি শিশু। চিকিৎসা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, গতকাল সকালে বেইত হানুনে ইসরায়েলি হামলার শিকার হয় আবু জুরাদ পরিবারের চার শিশু। ট্যাংকের গোলায় প্রাণ হারায় তারা। এ নিয়ে এই পরিবারের আট সদস্য নিহত হলেন। এর আগেও ইসরায়েলের গোলায় গাজার একটি পরিবারের চার শিশু মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ইসরায়েলের সাম্প্রতিকতম অভিযান শুরুর পর গাজায় এখন পর্যন্ত নিভে গেছে ৭২টি শিশুর প্রাণ।
বিবিসি জানায়, অভিযান শুরুর পর সহিংসতায় ইসরায়েলের পক্ষে নিহত হয়েছেন এক সেনা ও এক বেসামরিক লোক। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
গাজার শাসন পরিচালনাকারী ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি বলেছেন, ‘নেতানিয়াহু আমাদের শিশুদের হত্যা করছে, এর মূল্য তাঁকে পরিশোধ করতে হবে।’©
নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্থল আক্রমণের আওতা ‘উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়ানোর’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্থল অভিযান জোরদারে সেনাবাহিনীকে প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিমান হামলার পাশাপাশি স্থল অভিযানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, হামাসের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে স্থল অভিযানের প্রয়োজন আছে। শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সেনারা এ কাজ করতে পারেনি।
প্রায়ই ইসরায়েলের ঘেরাও ও নিরাপত্তা কড়াকড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া গাজা থেকে মিসর ও ইসরায়েলে যাওয়ার জন্য বেশ কিছু সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক আছে। জঙ্গিরা যেমন অস্ত্র পাচারের জন্য এগুলো ব্যবহার করে তেমনি বিভিন্ন বৈধ ও ইসরায়েল ঘোষিত অবৈধ পণ্য আমদানির সুযোগ করে দিয়ে তা স্থানীয় নির্জীব অর্থনীতিতে অবদান রাখে।
হতাহত কমানোর আহ্বান ওবামার: ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, ইসরায়েলিদের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি তাঁর সমর্থন রয়েছে। কোনো দেশ তার ভূখণ্ডে একের পর এক রকেট এসে পড়া সহ্য করতে পারে না। তবে গাজায় বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানির ঘটনায় তিনি উদ্বিগ্ন। প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, সহিংসতা বৃদ্ধি ও নিরীহ মানুষের আরও প্রাণহানির ঝুঁকিতে ওয়াশিংটন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ইসরায়েল বেসামরিক লোকজনের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যবস্থা নেবে বলে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা।
ওবামার এ আহ্বানের জবাবে ইসরায়েলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল বেন্নি গ্যান্টজ বলেছেন, সেনাবাহিনী স্থল অভিযান আরও জোরদার করছে। চরম মুহূর্ত সামনে আসছে।
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা বলেছেন, স্থল অভিযান থেকে বাঁচতে এরই মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।
পাশ্চাত্যের অন্যান্য তৎপরতা: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, ক্রমাবনতিশীল গাজা পরিস্থিতি নিয়ে ফোনালাপ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এ প্রসঙ্গে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট বলেছে, রকেট হামলা থেকে আত্মরক্ষায় সংগতিপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার ইসরায়েলের অধিকারের প্রতি আলাপে দুই নেতা তাঁদের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লঁরা ফ্যাবিয়াস গতকাল গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় তিনি মিসরের নেওয়া শান্তি উদ্যোগের প্রতি আবারও তাঁর দেশের সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেন।
অভিযানের প্রেক্ষাপট: ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সর্বশেষ এই হামলার শুরু সম্প্রতি ইসরায়েলি তিন কিশোরকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ইসরায়েল এ জন্য হামাসকে দায়ী করলেও তারা তা অস্বীকার করেছে। পরে ফিলিস্তিনি এক কিশোর একইভাবে দৃশ্যত প্রতিশোধমূলক অপহরণ ও হত্যার শিকার হওয়ার পর উত্তেজনা নতুন মোড় নেয়। গাজা থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের রকেট ছোড়া বন্ধের অজুহাতে ইসরায়েল নতুন করে এই অভিযান শুরু করে।
এর আগে ২০১২ সালের নভেম্বরেও হামাসশাসিত গাজায় বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছিল ইসরায়েল। পরে আট দিনের মাথায় মিসরের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়। ফিলিস্তিনি শাসিত অপর অঞ্চল পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী হিসেবে পরিচিত ফাতাহ গোষ্ঠীর হাতে। তবে গত এপ্রিল মাসে দুই সংগঠনের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করে এ বছরের মধ্যে যৌথভাবে নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে মতৈক্য হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 20
(24)
- ইসরাইলি বর্বরতা: গাজায় এক পরিবারের চার শিশুসহ নয়জন...
- বেনাপোল সীমান্তে বেড়েছে সোনা চোরাচালান by নূর ইসলাম
- অভিনব জালিয়াতি, প্রতারণা by মনজুর আহমেদ
- বিমানে ওঠার আগে শেষ ই-মেইল শারলিনকে দেখার অধীর অপে...
- দিল্লিতে ভিসা সেন্টার স্থানান্তরের প্রতিবাদ -২৫০ আ...
- ‘ছেলে মারে, বলতেও লজ্জা পাই’ by মানসুরা হোসাইন
- খোলামেলা হয়ে টপলেস শ্রুতি হাসান
- গাজায় নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ
- গাজার বাতাসে মৃত্যুর জীবাণু
- ইংল্যান্ডের লিড
- ফের একসঙ্গে নোবেল তারিন
- তদন্তের মাঠ দখলের লড়াই
- গাজায় কত দিন চলবে ইসরায়েলি অভিযান?
- বললেন মুলায়ম...
- গাজায় কত দিন চলবে ইসরায়েলি অভিযান?
- বড়পুকুরিয়ার কয়লা উত্তোলনে উন্মুক্ত খনি by মুশফিক...
- মালয়েশিয়ার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত -তদন্তের মাঠ দখলের লড়াই
- কখন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে বলা যায় না -সাক্ষাৎকা...
- আচরণে সত্যি সচেতন হলে by সাহস রতন
- আকাশে গণহত্যা -ঘৃণ্য হামলার বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেক জা...
- ঈদে জমজমাট চাঁদার বাজার
- মৃতদেহে পচন, চলছে দোষারোপের খেলা
- ইসরায়েলের উন্মত্ততা চলছেই -গাজায় মৃতের সংখ্যা ৩০০ ...
- ইসরায়েল কী চায়? by আলী রীয়াজ
-
▼
Jul 20
(24)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





