Monday, November 18, 2019
অণ্ডকোষ নিয়ে ভয়ংকর তথ্য, কার ছোট কার বড়?

অবশ্য কতটা সত্যতা আছে এর, আর কতটা মিথ্যা; সব আপনাদের হাতে ছেড়ে দিলাম। তবে সুদর্শন পুরুষ বনাম কুৎসিত পুরুষ ও বিভিন্ন সুন্দর-অসুন্দর প্রাণীদের মধ্যে চালানো হয়েছে এই গবেষণা। আর এর জন্য নেয়া হয়েছে একটি স্ট্যান্ডার্ড ফিগারও, যেখানে রাখা হয়েছে প্রায় ১০০ এর বেশি প্রাণী।
প্রাপ্তি ফলাফলে এমন একটি তথ্যও দেয়া হয়েছে, যেটাই মূলত অবাক করে দেবে আপনাদের। তাই দেরি না করে চলুন জেনে আসি কী ছিল তাদের এই গবেষণার ফলাফল-
যে সব পুরুষে নারীরা পাগল, তারা দেখতে যতটা আকর্ষণীয় হউক না কেন, তাদের অণ্ডকোষ সাইজে নাকি ছোট হয়, এমনটা জানিয়েছে প্রসিডিংস অব দ্যা রয়াল সোসাইটি বি জার্নাল।
তাদের প্রকাশিত এই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, মানুষ হিসেবে আমাদের প্রজাতিটি ‘প্রাইমেট’ বর্গের অন্তর্ভুক্ত। (প্রাইমেট হল যে বর্গে আছে বিভিন্ন ধরনের বানর, গরিলা, হনুমান) ইত্যাদি।
তবে আকর্ষণীয় পুরুষরা এমন হবে কেন? তাদের এই ধরণের ঘাটতি থাকবেই বা কেন? তার উত্তর মিলেছে এই গবেষণায়। তথ্য বলছে, আসলে কিন্তু বিবর্তনের দিকে থেকেই এসেছে এ বৈশিষ্ট্যটি।
তার কারণ, যাদের অণ্ডকোষ বড়, তাদের যদি চেহারাটাও আকর্ষণীয় হয়; তাহলে সব দিক থেকে ফিট হয় সে পুরুষটি। তাই যে পুরুষ আকর্ষণীয়, তার অণ্ডকোষ ছোট হয়।
আবার যে পুরুষ আকর্ষণীয় নয়, তার অণ্ডকোষ বড় হয়। অর্থাৎ যাতে সব পুরুষদের নারীরা পাত্তা দেন, তাই নাকি এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া প্রসিডিংস অব দ্যা রয়াল সোসাইটি বি জার্নালের গবেষণায় আরো জানানো হয়েছে, প্রাইমেট বর্গের (বানর, গরিলা, হনুমান জাতের) প্রাণীদের মাঝে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ‘সেক্সুয়াল কম্পিটিশন’। আর এই কারণে বিবর্তনের ধারায় পুরুষ প্রাইমেটদের মাঝে শারীরিক বিভিন্ন ‘অর্নামেন্ট’ বা আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
যেমন, ওরাংওটাংয়ের মুখের কিছু বৈশিষ্ট্য, প্রোবোসিস মাংকির বড়সড় নাক, এমনকি তাদের দাড়ি—এ সবই নিজ প্রজাতির নারীকে আকর্ষণ করার জন্য এসেছে। আর এই কারণে রূপ না দেয়া হলেও অন্যান্য কিছু সৌন্দর্য তাদের দেয়া হয়েছে।
তবে এই গবেষকরা আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য এবং অণ্ডকোষের আকৃতির মাঝে কোনো যোগসূত্র আছে কি না? তা খতিয়ে দেখার জন্য মানুষসহ আরো ১০৩টি প্রজাতির প্রাইমেটের তথ্য নেন। সেখানে দেখা যায়, যাদের শরীর বিশেষ করে মুখে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য আছে, তাদের অণ্ডকোষ ছোট হয়। অর্থাৎ যারা দেখতে সুন্দর, তাদের অণ্ডকোষ তুলনামূলক ছোট।
গবেষকরা আরো বলেছেন, যে সব প্রাইমেট পুরুষ দেখতে সুদর্শন, তারা এমনিতেই নারী সঙ্গী পেয়ে যায়। ফলে তাদের শুক্রাণু উৎপাদনে বেশি কষ্ট করতে হয় না, তাই তাদের অণ্ডকোষ ছোট হয়। আর অনায়াসে সব কিছু মিলে যায় বলে অণ্ডকোষের দিকে গুরুত্বই দেয় হয় না।
অন্যদিকে যেসব প্রাইমেট দেখতে আকর্ষণীয় নয়, তাদের বংশবিস্তারের সুযোগ বেশি থাকার জন্য একবারের বেশি পরিমাণে শুক্রাণু নিঃসরণ করার দরকার হয় এবং এ কারণেই তাদের অণ্ডকোষ বড় হতে দেখা যায়। অর্থাৎ তারা দেখতে সুদর্শন নয় বলে বংশ বিস্তারের সময় তাদের অনেক মনোযোগী হতে হয়। ফলে শুক্রাণু নিঃসরণ বেড়ে যাওয়ায় তাদের অণ্ডকোষ বড় হয়।
তবে এই নয় শুধু; গবেষণা করতে গিয়ে আরো দেখা গেছে, যেসব প্রাইমেট পুরুষের ক্যানাইন দাঁত বড় হয় (অর্থাৎ সে মারামারি করতে গিয়ে বেশি সুবিধা পায়) তার অণ্ডকোষও বড় হয়।
এই গবেষণার লেখক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব জুরিখের স্টেফান লুপোল্ড। তিনি পরিশেষে জানান, এককথায় বলতে গেলে সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষের অণ্ডকোষ ছোট হয়। আর অসুন্দর পুরুষেরটা বড় হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের যে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্ন কিছু কারণে বিখ্যাত
সবচেয়ে প্রাচীন
![]() |
| বোলোনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির একটি ছবি। ইউরোপের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় এটি |
সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী
![]() |
| ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় |
সবচেয়ে ধনী
![]() |
| হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, সবচেয়ে বেশি অর্থসমৃদ্ধ |
সবচেয়ে অদ্ভুত স্থানে
সবচেয়ে উঁচুতে
![]() |
| আগ্নেয়গিরির এই জ্বালামুখের কাছে আইস্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয় |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপমহাদেশের প্রথম হাদিস শিক্ষা কেন্দ্র সোনারগাঁয়ে by ইকবাল মজুমদার তৌহিদ

গিয়াসউদ্দিন বলবনের আমলে শেখ শরফুদ্দিন আবু তাওয়ামা ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে আনুমানিক ১২৭৭ সালে দিল্লিতে আগমন করেন। তার মতো আল্লাহর ওলির আগমনে সকলে তার দরবারে ভিড় জমাতে থাকলে শায়খের জনপ্রিয়তা এক সময় বাদশার প্রসিদ্ধি ও প্রভাবকেও অতিক্রম করে।
তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে গিয়াসউদ্দিন বলবন আবু তাওয়ামাকে অনুরোধ করে বাংলায় পাঠিয়ে দেন। আবু তাওয়ামা তদানীন্তন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁয়ে এসে ধর্মপ্রচার শুরু করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় এসে বর্তমান মোগরাপাড়া দরগাবাড়ী প্রাঙ্গণে একটি বৃহৎ মাদ্রাসা ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরী গড়ে তোলেন। বর্তমানে মাদ্রাসাটির কর্যক্রম নেই এবং এর অবকাঠামোর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
হাদিস ও ইসলামী আইনশাস্ত্রের পাশাপাশি তিনি ভেষজশাস্ত্র, গণিত, ভূগোল এবং রসায়নশাস্ত্রের একজন পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন। ফলে তার প্রতিষ্ঠিত লাইব্রেরীটি ছিল বেশ আধুনিক ও সমৃদ্ধশালী। গবেষকদের মতে তার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাই ছিলো উপমহাদেশের ইলমে হাদিসের সর্বপ্রথম ও সর্ববৃহৎ বিদ্যাপীঠ। ধারণা করা হয়, তৎকালীন সময়ে দূর-দূরান্ত থেকে জ্ঞান অর্জন করতে আসা এ মাদরাসার ছাত্রসংখ্যা ছিলো ১০ হাজার।
তিনি এখানে দীর্ঘ ২৩ বছর হাদিসের পাঠ দিয়েছিলেন। এখানে একটি খানকাও প্রতিষ্ঠা করেন। ‘মানজিলে মাকামাত’ নামে তাসাউফ সর্ম্পকে তার একটি লিখিত বই আছে।
এছাড়াও সোনারগাঁয়ের এ বিদ্যাপীঠে অবস্থানকালে শায়খ ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ফিকাহ্ বিষয়ক যেসব বক্তৃতা দিয়েছিলেন, সেগুলোর সংকলনে ফার্সি ভাষায় রচিত ‘নামায়ে হক’ একটি কাব্যগ্রন্থের অস্থিত্ব পাওয়া যায়। এ গ্রন্থে ১৮০টি কবিতা আছে। কেউ কেউ তা ‘মসনবী বনামে হক’ নামে অভিহিত করেছেন। গ্রন্থটি ১৮৮৫ সালে বোম্বাই থেকে এবং ১৯১৩ সালে কানপুর থেকে প্রকাশিত হয়।
জানা যায়, ব্রিটিশ জাদুঘরের আর্কাইভ ভবনে শায়খ শরফুদ্দীন আবু তাওয়ামার লিখিত পান্ডুলিপির অস্তিত্ব রক্ষিত আছে।
তার প্রতিষ্ঠিত এ মাদ্রাসাই উপমহাদেশের ইতিহাসে হাদিসের আনুষ্ঠানিক পাঠদান শুরু করেছে।
বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম পর্যটক ইবনে বতুতা তার লেখা, ‘রেহালায়ে এবনে বতুতায়’ এই ঐতিহাসিক মাদ্রাসার কথা উল্লেখ করেন।
সোনারগাঁয়ে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তিনি উপমহাদেশের ধর্মীয় ইতিহাসে কালজয়ী হয়ে থাকবেন। শায়খ আবু তাওয়ামা হিজরী ৭০০ মোতাবেক ১৩০০ খ্রীস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
বর্তমানে মহান এ ধর্ম প্রচারকের মাজারটি সোনারগাঁয়ের দরগাবাড়ী গেলে দেখা যায়। পাশাপাশি ছয়টি মাজারের মধ্যে সবুজ রং করা মাজারটি শায়খের।
প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মাজার দেখতে আসেন শিক্ষানুরাগী ও শায়খের ভক্তবৃন্দ। ধারণা করা হয় তার পাশের পাঁচটি মাজার তার শিষ্য কিংবা মাদ্রাসা শিক্ষকদের। ১৯৮৪ সালে ইসলামী দার্শনিক ও চিন্তাবিদ সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহঃ) হিন্দুস্তান থেকে সোনারগাঁয়ে এসে শায়খের কবর জিয়ারত ও মুনাজাত করেন। এবং মাজার থেকে অল্পদূরে ভাগলপুর এলাকায় শায়খ শরফুদ্দিনের স্মৃতি রক্ষার্থে ‘মাদ্রাসাতুশ শরফ আল ইসলামিয়া’ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করেন, যা বর্তমানে সোনারগাঁয়ে ইসলামী শিক্ষার জ্যোতি ছড়াচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছিল যেভাবে
এই রথযাত্রার পরিকল্পনা করা হয়েছিল জঙ্গী হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির এক প্রচারমূলক মিছিল হিসেবে। এর সংগঠক ছিলেন বিজেপির নেতা লাল কৃষ্ণ আদভানি। সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, এটা চলবে কয়েক সপ্তাহ জুড়ে এবং ভারতের বিভিন্ন জায়গা হয়ে মোট ৮ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের পবিত্র শহর অযোধ্যা পর্যন্ত যাবে।
এই রথ যাত্রার মূল দাবি ছিল অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে জনমত সংগঠিত করা। অযোধ্যা শহরের যে জায়গায় এই রামমন্দির নির্মাণের কথা বলা হয়, সেখানেই দেবতা রামচন্দ্রের জন্ম হয়েছিল বলে হিন্দুরা বিশ্বাস করে। কিন্তু সেখানে মোগল সম্রাট বাবর ষোড়শ শতাব্দীতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন - যার নাম বাবরি মসজিদ এবং এ কারণে জায়গাটি ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদের কাছেও পবিত্র।
পরিকল্পনা করা হয়, রথযাত্রা অযোধ্যায় পৌঁছানোর পর মি. আদভানি সেই বিতর্কিত স্থানটিতে রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
সে সময় সাংবাদিক হিসেবে সেই রথযাত্রা প্রত্যক্ষ করেছিলেন আর কে সুধামন। ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে তার পর থেকে কিভাবে বিজেপির উত্থান হয়েছে তাও দেখেছেন তিনি। তিনি কথা বলেছেন বিবিসির ফারহানা হায়দারের সাথে।
মি. সুধামন তখন কাজ করতেন সংবাদ সংস্থা পিটিআইতে। পিটিআই সেই ১৩ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ রথযাত্রা কভার করতে পাঠিয়েছিল তাকে, এবং গুজরাটের সোমনাথ শহর থেকে যখন এই মিছিল শুরু হয়, সেদিন থেকেই সেই রখযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে ভ্রমণ করেছিলেন তিনি।
"বিজেপির তখন এমন একটা রাজনৈতিক আইডিয়ার দরকার ছিল যাতে দলটি টিকে থাকতে এবং বিকশিত হতে পারে। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের এই কর্মসূচি শুরু করা ছিল মি. আদভানির দিক থেকে এক মাস্টারস্ট্রোক। এর লক্ষ্য ছিল ক্ষমতায় যাবার জন্য ভারতের হিন্দু ভোটকে নিজেদের দিকে টেনে আনা" - বলছিলেন মি. সুধামন।
রথযাত্রার নেতৃত্বে ছিলেন মি. আদভানি তিনি বসেছিলেন একটি ট্রাকে যাকে সাজানো হয়েছিল প্রভু রামচন্দ্রের রথের আকার দিয়ে।
ভোট পাবার জন্যই কি বিজেপি এভাবে ধর্মকে ব্যবহার করেছিল? প্রশ্ন করা হলে মি. সুধামন বলেন, "হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। এটাই ছিল তাদের রাজনীতির প্রধান অবলম্বন।"
"মি. আদভানির ট্রাকটি বানানো হয়েছিল একটি রথের মতো করে। এর মধ্যে ছিল সবরকম সুযোগ সুবিধা। ছিল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি কক্ষ - যাতে মি. আদভানি জনসভার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিতে পারতেন।"
"রথের সামনের দিকটা ছিল খোলা, যেখানে এসে মি. আদভানি জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারতেন।"
"একটা প্রাচীন যুগের রথের আকৃতিতে বানানো টয়োটা ট্রাকটি দেখতে হয়েছিল বেশ অন্যরকম। এটা সাজানো হয়েছিল রামের ছবি এবং গেরুয়া রঙ দিয়ে - যা বিজেপির রঙ। ফলে ট্রাকটার একটা পৌরাণিক চেহারা ছিল, তবে ভেতরে ছিল সব আধুনিক সুযোগ সুবিধা।"
১৯৯০ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর এই রথযাত্রা শুরু হয়েছিল। যাত্রা শুরুর আগে মন্দিরে পূজো দেন এল কে আদভানি।
আদভানির সাথে এই রথযাত্রায় ছিলেন বিজেপির বেশ কয়েকজন সদস্য - যার মধ্যে ছিলেন উদীয়মান তারকা এবং মি. আদভানির অনুসারী নরেন্দ্র মোদী। সারা দিন ধরে সেই রথের পেছনে পেছনে চলতো মি. সুধামন সহ একদল সাংবাদিককে বহনকারী যানের বহর।
"যখনই আমরা কোন শহরে পৌঁছাতাম, রথের গতি হয়ে যেতো খুবই ধীর। চারপাশে লোকের ভিড় জমতো, তারা রথের সাথে সাথে হাঁটতে থাকতো। রখটা মাঝে মাঝে বিভিন্ন জায়গায় থামতো, এবং মি. আদভানি বক্তৃতা দিতেন।"
"মি. আদভানির বক্তৃতা ছিল মূলত রামমন্দির এবং কেন এই মন্দির বানাতে হবে - তার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।"
বিজেপির হিন্দু নেতারা বলতেন, ভারতে তাদের ভাষায় ধর্মনিরপেক্ষতার নামে খুব বেশি মাত্রায় আপোষ করা হয়েছে। তারা বলতেন, এখন সময় এসেছে ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের কথা বলার ।
মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ বিজেপি অস্বীকার করতো, কিন্তু তাদের জনসভাগুলো থেকে লোকেরা ঠিক এই বার্তাটি নিয়েই ঘরে ফিরতো।
কেমন সাড়া ফেলেছিল এই রথযাত্রা?
মি. সুধামন বলেন, এটা আসলেই বিপুল সাড়া ফেলেছিল। এতে জনসমাগমও হয়েছিল ব্যাপক।
"এই প্রতিক্রিয়া ছিল স্বাভাবিক, এতে সাজানো কিছু ছিল না। আমি কিছু মহিলাকে দেখেছি, তারা হাতের বালা খুলে আদভানির পায়ের কাছে রেখে বলেছিল, এ থেকে যে অর্থ পাওয়া যাবে তা রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ব্যবহার করতে।"
"যতই দিন যাচ্ছিল, রথযাত্রা ততই জনপ্রিয়তা পাচ্ছিল এবং জনসমাগমও ক্রমাগত বাড়ছিল। এতে বোঝা যাচ্ছিল যে বিজেপির জনপ্রিয়তা বাড়ছে, এবং এই যাত্রার মধ্যে দিয়ে মি. আদভানি তার পার্টির পক্ষে জনসমর্থনকে সংহত করতে পেরেছেন। "
এত লোকসমাগম দেখে কি তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন? মি. সুধামনকে এ কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন "হ্যাঁ, এটা সত্যি অপ্রত্যাশিত ছিল, এতে কোন সন্দেহ নেই। এর আগে একমাত্র ইন্দিরা গান্ধী বা রাজীব গান্ধীর মতো নেতাদের পক্ষেই এরকম জনসমাগম ঘটানো সম্ভব ছিল।"
প্রতিদিন ১২ ঘন্টা ধরে উত্তর ও মধ্য ভারতের মধ্যে দিয়ে পথ পরিভ্রমণ করে এই রথযাত্রা। এই অঞ্চলটিকে বর্ণনা করা হয় ভারতের 'হিন্দু হার্টল্যান্ড' হিসেবে। এ অঞ্চলের শহর ও গ্রামগুলোর হাজার হাজার লোক মি. আদভানির বক্তৃতা শুনতে রথযাত্রার পথে জড়ো হয়।
মনে করা হয়, অযোধ্যায় প্রবলভাবে বিতর্কিত রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পথে এই যাত্রা ভারতের আন্ত:ধর্মীয় উত্তেজনাকে উস্কে দিচ্ছিল।
"ভারতের মধ্যঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছিল। আদভানির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কারণে তিনি যখন বিহারের সমস্তিপুর পৌঁছালেন, তখন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তাকে গ্রেফতার করলেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য ছিল, মি. আদভানিকে গ্রেফতার করা ছাড়া তাদের সামনে কোন উপায় ছিল না। কারণ তার এই যাত্রা সহিংসতা উস্কে দেবে এ আশংকা আগে থেকেই ছিল, কারণ একটি ধর্মীয় বিষয়কে এখানে রাজনৈতিক রূপ দেয়া হচ্ছিল এবং দক্ষিণপন্থী হিন্দু মৌলবাদী বিজেপির এই নেতা সে কাজটিই করছিলেন।
রামমন্দির নির্মাণ আন্দোলনের নেতা মি. আদভানি ও তার হাজার হাজার সমর্থককে গ্রেফতার করা হলো। এর ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংএর কোয়ালিশন সরকারের প্রতি সমর্থন তুলে নেয় বিজেপি।
ভারত পতিত হয় এক রাজনৈতিক সংকটে।
এর ফলে পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯১ সালেই অনুষ্ঠিত হলো লোকসভা নির্বাচন, এবং তাতে বিজেপির আসনসংখ্যা অনেক বেড়ে গেল।
সাংবাদিক আর কে সুধামন মনে করেন, বিজেপি হয়তো আরো বেশি আসনে জিততো যদি কংগ্রেস নেতা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় নিহত না হতেন।
"যদি রাজীব গান্ধী নিহত না হতেন তাহলে বিজেপি হয়তো আরো বেশি আসনে জিততো। কারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল দুই পর্বে। আর তাতে প্রধান ইস্যুই ছিল রাম মন্দির নির্মাণ।"
"উত্তর ভারতে জনমত জরিপে বিজেপিই এগিয়ে ছিল। কিন্তু যেহেতু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল দুই পর্বে - তাই প্রথম পর্বে যে আসনগুলোতে ভোটগ্রহণ হয়েছিল সেগুলোতে বিজেপি প্রায় একচেটিয়া বিজয় পায়। আর দ্বিতীয় পর্বের ভোট হয়েছিল রাজীব গান্ধী হত্যাকান্ডের পর - সেগুলোতে কংগ্রেস অনেক বেশি আসন পায়। ফলে তারাই সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়।"
এই রথযাত্রার ফলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৯২ সালে উগ্র হিন্দু করসেবকরা বাবরি মসজিদ ভেঙে দেয়। ধর্মীয় সহিংসতার কারণে ভারতে এক বিস্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় প্রায় ২ হাজার লোক নিহত হয়।
আর কে সুধামন বলছিলেন, তার মতে ১৯৯০ সালের সেই রথযাত্রা ভারতের রাজনীতিকে সম্পূর্ণরূপে পাল্টে দেয়।
"এটা ছিল এক কর্মসূচি যা আগেকার সব রাজনৈতিক হিসেবনিকেশ পাল্টে দেয়, এবং বিজেপির পক্ষে নিজেদের দলকে গড়ে তোলা সম্ভব হয়।"
"আজ বিজেপি যে ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তার মূলে রয়েছে সেই রথযাত্রা। এর ফলেই তারা পরিণত হয়েছিল প্রথমে প্রধান বিরোধীদলে, এবং তার পর ক্ষমতাসীন দলে। নিশ্চয়ই এ দলটিকে গড়ে তোলার কৃতিত্ব মি. আদভানির এবং কেউ তা অস্বীকার করতে পারবে না।"
"এতে কোন সন্দেহ নেই যে বিজেপি রাজনৈতিক মেরুকরণ ঘটিয়ে জনগণকে দুভাগ করে ফেলেছে। তবে এটাও ঠিক যে দেশ হিসেবে ভারতের মানুষের মধ্যে মোটামুটিভাবে একটা সহনশীলতা রয়েছে।"
বিজেপি ভারতে প্রথম সরকার গঠন করে ১৯৯৬ সালে, এবং তার পর থেকে তারা একাধিকবার ক্ষমতায় এসেছে।
![]() |
| বাবরি মসজিদ ভাঙার পর সারা ভারত জুড়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ২ হাজার লোক নিহত হয় - সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কানে পানি ঢুকলে কি করবেন?

“কানে পানি ঢুকলে খানিকটা চেষ্টা করে তা না বেরলে অনেকেই সেই শারীরিক অসুবিধা নিয়ে কাটিয়ে দেন দিনের পর দিন। শরীরের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কান থেকে সেই পানি বেরিয়ে যাবে ধরে নিয়েই অপেক্ষা করেন। কম পানি ঢুকলে যাও বা এই অভ্যাস মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু পরিমাণে বেশি পানি ঢুকলে তার জন্য কোনও চিকিৎসা বা চেষ্টা না থাকলে বধিরতাও আসতে পারে কিন্তু!’’ —সাবধান করলেন চোখ-কান-গলার বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক শীর্ষক দত্ত।
তবে সব সময় কি কিছু হলেই চিকিৎসকের কাছে পৌঁছনো সম্ভব হয়? চিকিৎসকদের পরামর্শ, তেমন পরিস্থিতি এলে বা চিকিৎসকদের কাছে আসার আগে কিছুটা আরাম বোধের জন্য অবশ্য বাড়িতেই চেষ্টা করুন কানের পুরো পানি বার করে দিতে। কিন্তু কী ভাবে তা সম্ভব, জানেন?
- কানে অল্প পানি ঢুকলে চুইংগাম চিবোন।
দাঁত, মাড়ি ও কানের পাশের পেশীগুলির ওঠাপড়ায় কানের পানি বেরিয়ে আসবে।
- কানের পানি বার করার সবচেয়ে সহজ উপায় স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে তা বার করে ফেলা। পানি ঢুকলে একটা লম্বা শ্বাস নিন। এ বার দু’আঙুলে নাকের ছিদ্র বন্ধ করে সেই অবস্থাতেই শ্বাস ত্যাগ করতে চেষ্টা করুন। এই পদ্ধতি বার কয়েক অবলম্বন করলেই কান থেকে পানি বেরিয়ে যাবে সহজে।
- বাড়িতেই চেষ্টা করুন আর এক নিরাপদ পদ্ধতি। যে কানে পানি ঢুকেছে সে দিকে মাথা কাত করুন। এ বার সেই দিকের হাতের তালু পানি ঢোকা কানের উপরে রেখে জোরে চাপ দিন। চাপ দিয়ে সরিয়ে নিন হাত। এতে কিছুটা পানি বেরিয়ে আসবে। বার কয়েক এমন করতে করতেই কানের সিংহভাগ পানিই বেরিয়ে আসে।
তবে এতেও সমাধান না হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছেযান। কোনও রকম বাজারচলতি কানের ড্রপ এই অবস্থায় দেবেন না। বরং চিকিৎসকেরপরামর্শ মেনে ওষুধ ও ড্রপ ব্যবহার করুন।
সুত্র- আনন্দবাজার
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন রক্তের ফেরিওয়ালা by জহিরুল ইসলাম

ফেসবুকে রয়েছে উদ্দীপনের ৩৫ হাজার ফলোয়ার। সংগঠনের মাধ্যমে এ পর্যন্ত তিন সহস্রাধিক নারী-পুরুষকে রক্ত দিয়ে সহায়তা করেছেন। রক্তের জরুরি এ সেবা দিয়ে এলাকায় তিনি রক্তের ফেরিওয়ালা, মানবতার ফেরিওয়ালা ও রক্ত কামাল হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসী বিভাগের শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা তামান্না বলেন, মৃত্যুর আগে আমার দাদাকে ১৩ ব্যাগ রক্ত দিতে হয়েছে। এর মধ্যে উদ্দীপনই ৭ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করে দিয়েছে। এরপর থেকে আমি নিজেও রক্ত দিই ও রক্ত সংগ্রহে কাজ করি।
উদ্দীপনের প্রতিষ্ঠাতা ইউনিভার্সেল কামাল বলেন, আমার বাবা চিকিৎসক হিসেবে জনসেবা করেছেন। আমি একজন ব্যবসায়ী। যেহেতু আমি চিকিৎসক নই, তাই রক্ত দিয়েই মানবসেবা করে যাচ্ছি। রক্তের পাশাপাশি আমি সন্ধানীকে আমার মরণোত্তর দুটি চক্ষুও দান করে দিয়েছি। মানবসেবার এ যাত্রায় আমার স্ত্রী সন্তানরা আমাকে বেশি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। লালমাইয়ের বাসিন্দা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রক্ত দিন জীবন বাঁচান’ এই মূলমন্ত্র হৃদয়ে ধারণ করে ইউনিভার্সেল কামাল ছাত্রজীবন থেকেই মহৎ কাজটি করে যাচ্ছেন। তার কাজের মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম অনুপ্রেরণা পাবে। লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম ইয়াসির আরাফাত বলেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রক্তদাতাদের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। ডাটাবেজ থেকে যে-কেউ রক্ত সংগ্রহ করতে পারবেন। লালমাইয়ের বাসিন্দা ইউনিভার্সেল কামাল দীর্ঘদিন ধরে রক্ত নিয়ে কাজ করে আসছেন। তার এই মানবসেবায় উপজেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুদের স্থূলতা ও বিষণ্ণতা হাতে হাত ধরে চলে, বলছে গবেষণা
'খাবার কম খেলেই সমাধান নয়'
![]() |
| যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণা বলছে, স্থূলতার শিকার সাত বছরের শিশুরা আবেগজনিত সমস্যায় ভুগে থাকে (প্রতীকী ছবি) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
November
(177)
-
▼
Nov 18
(7)
- অণ্ডকোষ নিয়ে ভয়ংকর তথ্য, কার ছোট কার বড়?
- বিশ্বের যে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্ন কিছু কারণে ...
- উপমহাদেশের প্রথম হাদিস শিক্ষা কেন্দ্র সোনারগাঁয়ে b...
- ভারতে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছিল যেভাবে
- কানে পানি ঢুকলে কি করবেন?
- একজন রক্তের ফেরিওয়ালা by জহিরুল ইসলাম
- শিশুদের স্থূলতা ও বিষণ্ণতা হাতে হাত ধরে চলে, বলছে ...
-
▼
Nov 18
(7)
-
▼
November
(177)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





