Tuesday, November 5, 2024
সহিংসতার আশঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহরে যেখানে ভোট গণনা করা হবে সেখানে ধাতব বেড়া বসানো হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়ে বলছে, নেভাদার লাস ভেগাসে একটি ভোট গণনা কেন্দ্রেও নিরাপত্তা বেষ্টনি বসানো হয়েছে। অ্যারিজোনার শেরিফ তার বিভাগকে উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রেখেছেন। যদি বড় কোনো সহিংসতা দেখা দেয় তাহলে ড্রোন এবং স্নাইপারকে প্রস্তুত রেখেছেন। শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করতে কমপক্ষে ১৯টি রাজ্যে সক্রিয় করা হয়েছে ন্যাশনাল গার্ড।
নির্বাচনের দিন এবং এর পরের দিনগুলোতে রাজনৈতিক সহিংসতা ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি থাকবে ব্যাটলগ্রাউন্ড বা সুইং স্টেটগুলোর দিকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাজ্য হলো নেভাদা। ২০২০ সালের নির্বাচনের পর সেখানে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছিলেন ট্রাম্প সমর্থকরা। তাদের কাউকে কাউকে সশস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। সেখানে বেশ কিছু ভোট গণনা সেন্টারের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেয়া হয়েছে।
সোমবার প্রতিরক্ষা বিষয়ক একজন কর্মকর্তা বলেছেন- আলাবামা, অ্যারিজোনা, দেলাওয়ার, আইওয়া, ইলিনয়,নর্থ ক্যারোলাইনা,, নিউ মেক্সিকো, অরিগন, উইসকনসিন এবং ওয়াশিংটনে মোতায়েন আছে ন্যাশনাল গার্ড। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ডিসি, কলোরাডো, ফ্লোরিডা, হাওয়াই, নেভাদা, অরিগন, পেনসিলভ্যানিয়া, টেনেসি, টেক্সাস ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়াতে সেনাদের রাখা হয়েছে প্রস্তুত। অ্যারিজোনায় ফিনিক্সের ম্যারিকোপা কাউন্টিতে ভোট গণনা সেন্টারেও একইভাবে ধাতব বেড়া নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২০ সালে এখানে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ করা হয়েছিল। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের হুমকি দিয়েছিল রিপাবলিকান সমর্থকরা।
এই কাউন্টির শেরিফ রাস স্কিনার বলেছেন, তার বিভাগ হুমকি ও সহিংসতার বিষয়ে উচ্চ সতর্ক আছে। স্টাফদের ডিউটির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমাদের যথেষ্ট রিসোর্স আছে। আমাদের প্রচুর স্টাফ আছে। প্রচুর সরঞ্জাম আছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে তিনি ড্রোন এবং স্নাইপার ব্যবহার করা হবে বলে জানান। এ ছাড়াও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায়। তিনি বলেন, কয়েকদিনে ব্যাপক রাজনৈতিক মেরুকরণ হয়েছে। এ জন্য নির্বাচনের পরে উচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। এক্ষেত্রে যেকোনো অপরাধী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তারা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন নির্বাচনে টার্নিং পয়েন্ট পেনসিলভানিয়া
চূড়ান্ত এই সময়ে, ডেমোক্রেটিক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং রিপাবলিকান প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে অপরের সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের শেষ দৌড়ে যোগ দিয়েছেন। দুই প্রার্থীর কাছে পেনসিলভানিয়া একমাত্র সেই স্বর্ণমুকুট, যা তাদের প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্নকে বাস্তব করে তুলতে পারে।
পেনসিলভানিয়া: এক রাজ্যের হাতে শাসনক্ষমতার চাবি
পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যটি যেখানে ১৯টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে, এই মুহূর্তে মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য হয়ে উঠেছে। গত ১২টি নির্বাচনের মধ্যে ১০ বার পেনসিলভানিয়া নির্বাচন চূড়ান্ত করেছে কে হবে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ রাজ্যটি ঐতিহাসিকভাবে ‘ব্লু ওয়াল’ (একটি রাজনৈতিক ধারণা যা মূলত ডেমোক্রেটিক পার্টির শক্তিশালী নির্বাচনী ভিত্তি গঠিত তিনটি রাজ্য—পেনসিলভানিয়া, মিশিগান এবং উইসকনসিনকে নির্দেশ করে)-এর অংশ। যেখানে পাশের মিশিগান ও উইসকনসিনের মতো রাজ্যও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী দিক পরিবর্তন করে যে কোনো সময়। কিন্তু এবার পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যটি যে কাউকে ২৭০ ইলেকটোরাল ভোটের ‘ম্যাজিক নম্বর’ ছুঁতে সাহায্য করতে পারে, যা আরও নাটকীয় হয়ে উঠেছে এখন।
এদিকে কমলা হ্যারিসের জন্য, পেনসিলভানিয়া রাজ্যে জয়ী হলে তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভোট সংখ্যা পার করতে পারবেন অনায়েসেই এবং এটি তার জয়ের একমাত্র পথ। ১৯৪৮ সালের পর থেকে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট পেনসিলভানিয়া রাজ্যের ভোট ছাড়া জয়ী হননি, তাই এই রাজ্যটি কমলার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখানে জয়ী হতে তাকে মোকাবিলা করতে হবে ট্রাম্পের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা!
ট্রাম্পের ‘পেনসিলভানিয়া শপথ’
২০১৬ সালে, পেনসিলভানিয়াকে প্রথমবারের মতো রিপাবলিকানদের দখলে আনেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু ২০২০ সালে সেই রাজ্যটি চলে যায় জো বাইডেনের কাছে। ২০২৪ সালে ট্রাম্প আবার পেনসিলভানিয়া ফিরিয়ে আনার জন্য মরিয়া। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে তীব্রতা এসেছে এক বিচিত্র ঘটনা থেকে। জুলাই ২০২৪-এ পেনসিলভানিয়ার বাটলার শহরে এক র্যালিতে ট্রাম্পের ওপর হামলার চেষ্টা হয়। সেই ঘটনাটি পেনসিলভানিয়া রাজ্যটিতে ট্রাম্পের জন্য একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক মুহূর্তে পরিণত হয়। যার ফলে ট্রাম্প শপথ নিয়েছেন যেভাবেই হোক পেনসিলভানিয়া রাজ্য ফিরিয়ে আনতেই হবে!
পেনসিলভানিয়া রাজ্যের জনগণ
পেনসিলভানিয়া রাজ্যের জনগণ বৈচিত্র্যময়। সাদা কর্মজীবী শ্রেণি, যারা ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকানদের সমর্থন করেন, এবার কোথায় ভোট দেবেন? এদিকে কমলা হ্যারিস এই জনগণের মধ্যে কিছুটা জায়গা করে নিয়েছেন, তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে কয়েকটি এলাকায়। অপরদিকে, ট্রাম্প প্রবীণ ভোটারদের মধ্যে এখনও শক্ত অবস্থান বজায় রেখেছেন, যাদের সমর্থন ২০১৬ এবং ২০২০ উভয় নির্বাচনে তাকে সাহায্য করেছে।
তবে পেনসিলভানিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাংশে ল্যাটিনো জনগণের সংখ্যা বাড়ছে এবং এ জনগণও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত পুয়ের্তো রিকান সম্প্রদায়, যারা ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্যের পর কমলা হ্যারিসের দিকে ঝুঁকেছে। এ ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার জন্য, কমলা হ্যারিস অত্যন্ত সতর্কতার তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছেন। সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ভোটারদের সমর্থন লাভের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
ফ্র্যাকিং ও শক্তি নীতির নাটকীয় মোড়
পেনসিলভানিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদক রাজ্য হওয়ায়, ফ্র্যাকিং (প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন পদ্ধতি) একটি তীব্র বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। এ বিষয় নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প আক্রমণ করেছেন কমলাকে, তার পূর্বের অবস্থানের জন্য যাতে কমলা ‘ফ্র্যাকিং’ নিষিদ্ধ করার পক্ষে ছিলেন। তবে কমলা হ্যারিস বর্তমানে তার পূর্বের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। এই ইস্যু পেনসিলভানিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শক্তি নির্ভর ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।
শেষ দৌড়ে পেনসিলভানিয়ার ভোটাররা
সবশেষ এখন, রাজ্যটিতে অবশেষে আসছে সেই অন্তিম মুহূর্ত। যেখানে কেবল ১৯টি ভোট নয়, পুরো মার্কিন নির্বাচনের ভবিষ্যৎ ঝুলে আছে। কমলা হ্যারিস এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প দুজনেই তাদের প্রচারণা এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা ঢেলে দিয়েছেন পেনসিলভানিয়ায়, কারণ তারা জানেন এখানে জয়ী হলে তাদের প্রেসিডেন্ট হওয়ার শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই প্রায় শেষ হয়ে যাবে।
এভাবেই পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যটি হতে চলেছে ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের নাটকীয় ও চূড়ান্ত টার্নিং পয়েন্ট। যেখানে সবার চোখ থাকবে এবং সম্ভবত সেই ভোটই শেষ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে এক দুঃসাহসী নির্বাচনকে!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের ভাগ্য কোন পথে? জিতলে হোয়াইট হাউস, হারলে কারাগার
ঐতিহাসিক উত্তরণ না কি পতনের কিনারায়?
যদি ট্রাম্প নির্বাচনে কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তবে এটি হবে এক অভূতপূর্ব ঘটনা এক অপরাধমূলক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হোয়াইট হাউসের কর্তা হয়ে ফিরবেন। তবে পরাজয় হলে তার জন্য অপেক্ষা করছে আইনি ঝড়, যা তাকে কারাগারে নিয়ে যেতে পারে।
এর আগে ২০১৬-২০২০ সালের তার প্রেসিডেন্ট পদে থাকা অবস্থায় দুবার অভিশংসনের সম্মুখীন হন তিনি। প্রথমবার ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ প্রয়োগের অভিযোগে, দ্বিতীয়বার ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলায় উসকানির দায়ে।
পলাতক নায়ক না কি নতুন দণ্ডের সম্মুখীন?
ট্রাম্পের জীবনীকার গয়েন্ডা ব্লেয়ার এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্প নিজেকে এমন একজন হিসেবে গড়ে তুলেছেন যিনি সব প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তি পান। কিন্তু এবার তার জন্য পরিস্থিতি ভিন্ন। ব্লেয়ারের কথায়, ‘এবার তার সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন পরিণতি। কারাবাস থেকে শুরু করে সম্পদ হারানোর শঙ্কা। এমনকি জয় বা পরাজয় যাই হোক না কেন, তাকে শারীরিক এবং মানসিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।’
নির্বাচনে জিতলে ট্রাম্পের প্রথম পদক্ষেপ হবে বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথকে বরখাস্ত করা, যিনি তার বিরুদ্ধে দুইটি গুরুতর ফেডারেল মামলার তত্ত্বাবধান করছেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে চারটি ফৌজদারি মামলা চলছে, যা তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের পথে বিশাল চ্যালেঞ্জ।
ট্রাম্পের প্রধান আইনি চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য প্রভাব
স্টর্মি ড্যানিয়েলসের ‘হাশ মানি’ মামলা : ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ‘হাশ মানি’ (‘হাশ মানি’ এমন একটি টাকা, যা কাউকে দেওয়া হয় কোনো গোপনীয় বা অপ্রীতিকর তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে) প্রদানের জন্য ব্যবসায়িক জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ২৬ নভেম্বর তার দণ্ডাদেশ ঘোষণা হবে। নির্বাচনে জয় পেলে তার আপিলের পথ উন্মুক্ত হতে পারে।
জাতীয় নির্বাচন হস্তক্ষেপ মামলা : ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। জয়ী হলে এই মামলা খারিজ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
জর্জিয়া নির্বাচনে হস্তক্ষেপ মামলা : জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টিতে নির্বাচনী প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত। পরাজিত হলে তার বিচারের তারিখ নির্ধারণ হতে পারে, কিন্তু জয় পেলে এই মামলায় বিলম্ব ঘটতে পারে।
গোপন নথিসংক্রান্ত মামলা : প্রেসিডেন্সির শেষে গোপনীয় নথি সংরক্ষণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান। নির্বাচনে জয়ী হলে বিশেষ কৌঁসুলির অফিস বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও মামলা থেকে ট্রাম্পের মুক্তি নিশ্চিত নয়।
আইনি ও রাজনৈতিক চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রান্তে ট্রাম্প
আইন অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত হলেও ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন, তবে নির্বাচিত হলেও তার ক্ষমতা সীমিত হতে পারে। ২৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তাকে অক্ষম প্রমাণ করে ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা যেতে পারে। এছাড়া, নির্বাচনে জয় তার অনেক মামলা খারিজের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, তবে সব আইনি ঝামেলা থেকে ট্রাম্পের মুক্তি পাওয়া অনিশ্চিত।
চূড়ান্ত সংঘাত : কারাগারের শিকল না কি ক্ষমতার মঞ্চ?
ডোনাল্ড ট্রাম্পের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সংগ্রাম হতে চলেছে এ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। একদিকে প্রেসিডেন্সির মুকুট, অন্যদিকে কারাগারের শেকল—এই দ্বন্দ্বে কে জিতবে? সময়ই তা বলে দেবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নূহ নবীর নৌকার সন্ধান দেবে ৩ হাজার বছরের পুরোনো মানচিত্র!
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া সেই নৌকা নিয়ে এখনও আগ্রহের কমতি নেই। কিন্তু কোথায় আছে নূহ নবীর সেই নৌকার ধ্বংসাবশেষ? তা আজও রহস্যে ঘেরা। ১৯৫৯ সালে তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ের ওপরে জাহাজ আকৃতির একটি স্থান সন্ধান পান ক্যাপ্টেন ইলহান দুরুপিনার নামে এক মানচিত্রকর। অনেকেই দাবি করেন, এটাই নূহ নবীর নৌকার ধ্বংসাবশেষ। বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে প্লাবন শেষে ওই অঞ্চলের আরারাত পর্বতেই গিয়ে ঠেকেছিল নূহ নবীর নৌকা।
তবে ভূতত্ত্ববিদরা, ওই স্থানকে নূহ নবীর নৌকার ধ্বংসাবশেষ মানতে রাজি নন। ওই স্থানটি আসলে পাহাড়েরই অস্বাভাবিক এক ধরনের ভাঁজ বলেই বিশ্বাস তাদের। এত দিন ধরে রহস্যঘেরা সেই ইতিহাস নিয়ে এবার নতুন এক দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি তারা বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো মানচিত্রের গোপন রহস্যভেদ করেছেন। ৩ হাজার বছর পুরোনো মাটির ওই মানচিত্র ইমাগো মুন্ডি নামে পরিচিত।
বলা হচ্ছে, এই মানচিত্রই সন্ধান দেবে নূহ নবীর নৌকার। প্রাচীন ব্যাবিলনীয় সভ্যতার এই নিদর্শনের রহস্য শতকের পর শতক প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে অজানা ছিল। ১৮৮২ সালে বর্তমান ইরাকে ওই নিদর্শনটি খুঁজে পাওয়া যায়। মাটির এই ট্যাবলেটটি বর্তমানে ব্রিটিশ জাদুঘরে আছে। ইমাগো মুন্ডিতে একটি গোলাকৃতি বিশ্ব মানচিত্র রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রাচীন ব্যাবিলনে বিশ্ব সৃষ্টির ধারণা ফুটে উঠেছে।
সে সময় পর্যন্ত মানুষ যতখানি বিশ্ব আবিষ্কার করেছিল, তার পুরোটাই ওই মানচিত্রে ছিল বলে মনে করা হয়। মানচিত্রটির এক অংশে মেসোপটেমিয়া সভ্যতারও উল্লেখ রয়েছে। ওই শিল্পকর্মের এক জায়গায় উরারতু নামক এক জায়গার কথা বলা আছে। সেখানে গেলে পারসিকতু-জলযান দেখতে পাওয়া যাবে। ব্যাবিলনের অন্য প্রাচীন ট্যাবলেটেও এই পারসিকতু শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। ধারণা করা হয়, মহাপ্লাবনের সময় ওই নৌকা টিকে ছিল।
গবেষকদের বিশ্বাস বাইবেলে উল্লিখিত আরারাতই হচ্ছে এই উরারতু। মেসোপটেমিয়ার একটি কবিতায় এর উল্লেখ রয়েছে। যেখানে বলা হয়, একটি পরিবার ১৫০ দিনের বন্যার পর এই পর্বতে তাদের নৌকা ভেড়ায়। বন্যা শেষ হওয়ার পর উরারতু পর্বতের চূড়ায় অবস্থান নেয় পরিবারটি। তবে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করা একজন আর্থ ক্রিয়েশনিস্ট ড. অ্যান্ড্রু স্নেলিংয়ের মতে, আরারাত পর্বতে নূহ নবীর নৌকা থামার সুযোগই নেই। কারণ মহাপ্লাবনের সময় ওই পর্বতের অস্তিত্বই ছিল না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমুদ্রের গভীরতম রহস্য মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
মানুষের এই কৌতূহল মেটানোর অভিযানে আবিষ্কৃত হয়েছে কত শত রহস্য। এমনই এক রহস্য ‘মারিয়ানা ট্রেঞ্চ’ নামটার সঙ্গেই জড়িয়ে আছে এক অসীম রহস্যময়তা।
পৃথিবীর স্থলভাগের থেকেও অনেক অনেক বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ জলভাগ। জলের ওপরে যেমন হাজার হাজার সুউচ্চ পর্বত রয়েছে, তেমনি জলের নিচে রয়েছে গভীর সমুদ্র খাত। এরমধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর হচ্ছে এই মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। মারিয়ানা ট্রেঞ্চ প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ঠিক পূর্বে অবস্থিত।
স্পেনের রাজা চতুর্থ ফ্লিপের স্ত্রী মারিয়নার নামানুসারে রাখা হয়েছিল মারিয়ানা দীপপুঞ্জের। মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের নামানুসারে এই সমুদ্রখাদটিকে মারিয়ানা ট্রেঞ্চ নামকরণ করা হয়েছ।
মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা প্রায় ১১,০৩৪ মিটার বা ৩৬,২০১ ফিট অর্থাৎ প্রায় ৭ মাইলের সমান। অর্থাৎ পুরো মাউন্ট এভারেস্টকেও যদি তুলে এনে এই জায়গায় ডুবিয়ে দেওয়া হয় তারপরও এভারেস্ট শীর্ষ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২১৩৩ মিটার বা ৭০০০ ফিট নিচে থাকবে।
মারিয়া ট্রেঞ্চ এর গভীরতম অংশটির নাম চ্যালেঞ্জার ডিপ। যেটি গুয়াম দ্বীপের ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। চ্যালেঞ্জার ডিপ নামটি রাখা হয়েছে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর জাহাজ HMS Challenger এর নামানুসারে কেননা এই জাহাজের নাবিকরা এই অংশটি সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেছিলেন।
পৃথিবীর শীতলতম বিপজ্জনক স্থান এটি। সমুদ্রের গভীরতা যত বাড়তে থাকে পানির চাপ তত বাড়তে থাকে। ৩৬ হাজার ফুট গভীরে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে এর চাপের পরিমাণ প্রায় ৮ টন। পানির এই অতিমানবিক চাপ ইস্পাতকেও বেকিয়ে দিতে পারে অনায়াসে।
১৯৬০ সালে প্রথমবারের মতো পিকার্ড এবং ওয়ালস নামের দুই দুঃসাহসী অভিযাত্রী মারিয়ানার গভীরে যান। এতে তারা ব্যবহার করে ব্যাথিসক্যাপ নামের এক ডুবযান। ৫ ঘণ্টা পানির নিচে যাত্রার পর গন্তব্যে পৌঁছান তারা। তাদের যাত্রাপথ মেঘে ঢাকার কারণে সেখানে ছবি তোলা সম্ভব হয়নি। তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে সমুদ্র তলদেশে মেঘ কোথা থেকে এলো। মূলত সমুদ্র গভীরে বালি, কাদা মাটি ও অন্যান্য উপকরণ জমে মেঘের সৃষ্টি হয়।
পিকার্ড দাবি করেন এখানে রহস্যময় প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তিনি সেখানে ফ্ল্যাট ফিশ দেখেছেন। এ ছাড়াও খাদটিতে রহস্যময় এক প্রাণী দেখা যায়। যা অনেকটা মেগালোডন হাঙ্গরের মতো। তবে এই প্রাণীগুলো পানির সবচেয়ে গভীর চাপে অনায়াসে বেঁচে থাকে।
![]() |
| মারিয়ানা ট্রেন্স। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আনারকলি’র শহর বায়ুদূষণের ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন
দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হিসেবে পরিচিত এই নগরী, যা প্রাচীন বাজার ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর জন্য বিখ্যাত, এখন দূষণের রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।
রোববার (৩ নভেম্বর) লাহোরের স্থানীয় সরকার ঘোষণা করে, শহরের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা হবে।
পাঞ্জাবের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ভারতের দিক থেকে দূষিত বাতাস লাহোরের দিকে আসছে, তাই মন্টেসরি, প্লে গ্রুপ ও পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে এক সপ্তাহের ছুটি দেওয়া হচ্ছে।’ এই সিদ্ধান্তটি শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে।
এদিকে গত কয়েকদিন ধরে প্রায় দেড় কোটি মানুষের এই শহর ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন। কুয়াশার সঙ্গে নিম্নমানের ডিজেলের ধোঁয়া, মৌসুমি কৃষিজমির খড় পোড়ানোর ধোঁয়া এবং শীতের সময় ঠান্ডা তাপমাত্রার ফলে তৈরিকৃত গ্যাসগুলো মিলিয়ে এ ধোঁয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে।
বায়ুদূষণের পরিস্থিতি নিয়মিতভাবে তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। তাদের তথ্যমতে, লাহোরের বায়ুর মান সূচক এক হাজারেরও বেশি, যা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাঞ্জাব সরকার আজকের বায়ুর মানের স্কোর রেকর্ড করেছে যা ‘নজিরবিহীন’ বলে মনে করা হচ্ছে।
দেশটির আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগামী ছয় দিন বাতাসের পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকার কথা বলা হয়েছে। লাহোরের পরিবেশ সুরক্ষাবিষয়ক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আনোয়ার এএফপিকে বলেন, এই কারণে সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকবে।
মরিয়ম আওরঙ্গজেব শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এই ধোঁয়াশা শিশুদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বিদ্যালয়গুলোতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং উচ্চতর শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো অন্তর্ভুক্ত শ্বাসপ্রশ্বাসের রোগ, হৃদ্রোগ, ফুসফুস ক্যানসার, শিশু জন্মের সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং অপমৃত্যু। শিশুরা বায়ুদূষণের কারণে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী, কারণ তাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের হার প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে বেশি, তাই তারা দূষিত বায়ু বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে।
লাহোরের আনারকলি এখন শ্বাসকষ্ট ও অসুস্থতার এক প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা শহরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ক্ষতি করছে। এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতের প্রজন্ম একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।
সূত্র : এএফপি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটে জিতেও প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি যারা by হেলাল উদ্দীন রানা
আমেরিকার ইতিহাসে এমন ৫টি নির্বাচনে সাধারণ জনগণের ভোট পেয়েও ইলেক্টোরাল ভোটের মারপ্যাঁচে হোয়াইট হাউসে যেতে পারেননি ৫ জন জনপ্রিয় নেতা। এই ইলেক্টোরাল কলেজের জন্য সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হয়েছে ডেমোক্রেটদের। ইতিহাস বলছে, এদের সকলেই ডেমোক্রেট পার্টির প্রার্থী ছিলেন। তারা হলেন-১৮২৪ সালে এন্ড্রো জ্যাকসন (ডেমোক্রেট-রিপাবলিকান পার্টি), ১৮৭৬ সালে স্যামুয়ল জে টিলডেন (ডেমোক্রেট), ১৮৮৮ সালে গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড (ডেমোক্রেট), ২০০০ সালে আল গোর (ডেমোক্রেট) ও ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটন (ডেমোক্রেট)।
হিলারি ক্লিনটন সাবেক ফাস্টলেডি, নিউ ইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর ও আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। আল গোর ছিলেন বিল ক্লিনটনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি একজন নোবেল জয়ীও। ২০০৭ সালে গোর জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ১৯৮৮ সালে ডেমোক্রেট দলের হয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাইমারিতে মাইকেল ডুকাকিসের সঙ্গে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন।
পক্ষান্তরে ইলেক্টোরাল ভোটের মারপ্যাচের কারণে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন যথাক্রমে জন কুইন্সি, এডামস, রোদারফোর্ড বি হেইস, বেঞ্জামিন হ্যারিসন, জর্জ ডব্লিউ বুশ ও ডনাল্ড ট্রাম্প।
আমেরিকার নির্বাচনে সাধারণের ভোটের পাশাপাশি প্রার্থীকে ২৭০ ইলেক্টোরাল ভোট নিশ্চিত করতে হয় প্রেসিডেন্ট হতে হলে। যুক্তরাষ্ট্রে ৫০টি রাজ্য এবং দেশটির রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি মিলে সর্বমোট ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল ভোট রয়েছে। এই ভোট সিস্টেমকে ইলেক্টোরাল কলেজ বলা হয়ে থাকে। এই কলেজ আসলে প্রতীকী। যে রাজ্যে যে দল জয়লাভ করে তাদের দলীয় নেতৃবৃন্দ এই প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করে থাকে। প্রত্যেক রাজ্য থেকে এই ইলেক্টোরাল ভোটের সার্টিফিকেশন পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে।
নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে জানুয়ারি মাসের ৬ তারিখে নির্ধারিত সেশনে মার্কিন সিনেট ভাইস প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তা অনুমোদন করে থাকে।ডেমোক্রেট পার্টি প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৮২৮ সালে। এর প্রায় ২৬ বছর পর ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে রিপাবলিকান পার্টি। বর্তমানে এই দুই ধারায় বিভক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে কোটিপতি চবি’র পিয়ন কায়ছার by মো. আবু শাহেদ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) রেজিস্ট্রার অফিস নথি সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৮ সালের ৩১শে মে তারিখে অনুষ্ঠিত ৪৫৫তম সিন্ডিকেট সভার ৫৫ (খ) নং সিদ্ধান্তের আলোকে চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলার চারিয়া গ্রামের মো. নবাবুল হকের পুত্র মো. কায়ছার হামিদকে চবি এএফ রহমান হলে ২৪শ টাকা বেসিক বেতন স্কেলে ‘ অর্ডালী পিয়ন’ পদে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে ২২ সালের ১৪শে অক্টোবর সিন্ডিকেট সভায় ‘নিম্নমান সহকারী’ তৃতীয় শ্রেণীতে পদোন্নতি পান। বর্তমানে তার বেসিক বেতন স্কেল ২০ হাজার ৩৯০ টাকা। এদিকে মির্জাপুর ইউপি কার্যালয় নথিতে দেখা যায়, তাঁর নামে হোল্ডিং ট্যাক্স বই রয়েছে। গত ২১-২২ অর্থবছরে সেমিপাকা ঘর দেখিয়ে ২শ’ টাকা এবং ২৩-২৪ অর্থবছরে ২য় তলা ভবন উল্লেখ করে ৫শ’ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেন। ইউনিয়ন পরিষদেও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের জন্য চবিতে নিয়োগ বাণিজ্য ও নানা অনিয়ম দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিলেন কায়ছার হামিদ। আওয়ামী লীগ সরকারের ছত্রছায়ায় তার নিজের এলাকায় মসজিদের সভাপতি ও মাদ্রাসার সেক্রেটারি পদ বাগিয়ে নেন। এমনকি মহল্লার সর্দার পদেও ভাগ বসান। পরবর্তী টার্গেট ছিল- চারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি পদ! সরকার পতনের পর ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি পদ বাগিয়ে নিতে গত ২১শে আগস্ট তার উস্কানিতে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করে। সেখানে ব্যর্থ হন তিনি। পরবর্তীতে ওই প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে যোগদান করলে কায়ছার হামিদ নিজেকে চবি হল সুপার পরিচয়ে প্রধান শিক্ষককে ফুল দিয়ে বরণ করেন বলে প্রধান শিক্ষক শফিউল আলম জানান।
শুধু তাই নয়, হাটহাজারী মডেল থানার সামনে কায়ছার হামিদ তাঁর ছোট বোন রেশমীর জামাই মো. নুর হোসেনের নামে নিয়েছেন জমি। ওই জমির উপর গড়েছেন সাড়ে পাঁচ তলা আবাসিক বাণিজ্যিক ভবন। এটি হোসেন ভিলা হিসেবে পরিচিত। এর নিচতলায় রয়েছে তাঁর নিজস্ব কার্যালয়। গত ২২শে সালে চারিয়া মৌজার ১৯৮৮ খতিয়ানে দরবেশ আলীর ওয়ারিশ সোলাইমান ও কোরবান আলী গংয়ের থেকে ৫ কানি (২শ শতক) জমি ক্রয় করে কায়ছার হামিদ। ওই জমি গুলোর বর্তমান বাজার মূল্য ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সত্যতা জানান জমি বিক্রয়কারী সোলাইমান। অঢেল সম্পদের মালিক হয়েও কায়ছার হামিদ পরিশোধ করে না আয়কর। নীতিমালা অনুযায়ী গণকর্মচারীর বেতন ভাতায় মাসিক ১৬ হাজার টাকার বেশি বতনে বাৎসরিক রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন তিনি।
চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৩ সহকারী কর-কমিশনার মোঃ জালিছ মাহমুদ বলেন, কায়ছার হামিদ গত ১৯ সালে ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট নিয়েছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তিনি কোন রিটার্নং জমা দেননি। রিটার্ন ফাইলে সম্পদের বিবরণ উল্লেখ না করে তথ্য গোপন করে থাকলে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিব। এছাড়া ১৯ সালের পর থেকে রিটার্ন দাখিল না করায় তাঁর বিরুদ্ধে দ্রুত চিঠি ইস্যু করা হবে। এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিপ্রার্থী মিমি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকশন অফিসার পদে চাকরি দেয়ার নামে আমার কাছ থেকে কায়ছার হামিদ ২২ সালের ২৭শে ডিসেম্বর ইসলামী ব্যাংকে তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ এবং নগদ নিয়েছেন ২ লাখ টাকা। তিনি নিজেকে এএফ রহমান হলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার পরিচয় দিয়েছিলেন। চাকরি দেয়ার নামে গড়িমসি করে দুটি বছর পার হলেও এখনো পর্যন্ত চাকরির আশ্বাস মেলেনি। চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে টাকা আত্মসাৎকারীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কায়ছার হামিদ বলেন, এগুলো আমার পৈতৃক সম্পত্তি। দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা। তবে আলিশান বাড়িটা নিজের নামে বলে সত্যতা স্বীকার করেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোহেল তাজের স্ট্যাটাস: ফোন করেছিলেন ড. ইউনূস, দিয়েছেন দাবি আদায়ের আশ্বাস
জাতীয় নেতা তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সোহেল তাজ ফেসবুকে লিখেন- ৩ দফা দাবি আপডেট: আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে আজকে সকালে (সোমবার) মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমাকে ফোন করেছিলেন এবং ওনার সঙ্গে আমার বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাজউদ্দীন আহমদ এবং জাতীয় চার নেতার অবদানের কথা তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেন যে, তিনি পদক্ষেপ নিবেন যাতে নতুন প্রজন্ম আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস জানতে পারে ও আমার দাবি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা অবদান রেখেছেন সকলের অবদানকে পূর্ণাঙ্গভাবে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
তিনি আরও লিখেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জাতীয় চার নেতাসহ জিয়াউর রহমান, ওসমানী (মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী), মুক্তিযুদ্ধের ১১ জন সেক্টর কমান্ডারসহ সকল বীর, হিরো, নায়ক-মহানায়কদের অবদান তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা অত্যাবশ্যক। তারা দেশের সম্পদ, তাদেরকে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।
তিনি লিখেন- বিঃ দ্রঃ রোববার আমাদের সঙ্গে দেখা করতে না পারায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন- এইটাই হলো একজন বড় মনের ও মানের মানুষের পরিচয়- ভদ্রতা ও আমি ওনার এবং এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাফল্য কামনা করছি- আপনাদের উপর বাংলাদেশের মানুষ অনেক আশা করে এই গুরুদায়িত্ব দিয়েছে একটি নতুন সুন্দর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে- আপনাদের সফল হতে হবেই।
উল্লেখ্য, এর আগে তিন দাবিতে গত রোববার পদযাত্রা কর্মসূচি ডেকেছিলেন সোহেল তাজ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করার কথা ছিল তার। পদযাত্রা শুরুর আগেই প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে তার স্মারকলিপি সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকাল ৪টায় তিন দফা দাবিতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন সাকুরা রেস্টুরেন্টের সামনে উপস্থিত হন সোহেল তাজ। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি শুরুর আগেই বিকাল ৫টায় প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের প্রতিনিধি এসে দাবি সংবলিত স্মারকলিপি নিয়ে গেলে, পরে আর পদযাত্রা করার প্রয়োজন হয়নি।
সোহেল তাজ বলেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জাতীয় চার নেতাসহ জিয়াউর রহমান, ওসমানী, মুক্তিযুদ্ধের ১১ জন সেক্টর কমান্ডারসহ সব বীর, হিরো, নায়ক-মহানায়কদের অবদান তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা অত্যাবশ্যক। তারা দেশের সম্পদ, তাদের সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। তাদের নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো রাজনীতি যেন না হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে না পারা ছিল আওয়ামী লীগের বড় রাজনৈতিক ভুল: হাছান মাহমুদ
উল্লেখ্য, সরকার পতনের পর থেকে লাপাত্তা সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। বিমান বন্দরে আটক হয়েছেন এমন খবরও চাউর হয়েছিল। পরে অবশ্য তার অবস্থান আর জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে তিনি বিদেশে কোথাও অবস্থান করছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবিধানে যেনতেনভাবে হাত দেয়া যাবে না
ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানের হেফাজতকারী জনগণ। তাই সংবিধান নিয়ে জনগণকে পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে। গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সংবিধান জনগণের জন্য এবং জনগণই এটার হেফাজতকারী। প্রতিটি মানুষই কিন্তু ক্ষমতার মালিক হিসেবে ভূমিকা রাখি। আমরা যদি মনে করি যে, এভাবে সংবিধানের ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা করছে। কোনো ভুল হলে আমরা ধারণা রাখতে পারি। আমরা বিষয়টা তুলে ধরবো এবং একটা ঐক্যমত গড়ে তুলবো এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেটা করণীয় সেটা করা হবে। তিনি বলেন, জনগণের ভূমিকা হলো সতর্ক থাকা। যেভাবে সংবিধানের ব্যাখ্যা করা হবে, যেভাবে কোর্টের কাছে তুলে ধরা হবে, সব ব্যাপারে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকার যদি মনে করে যে, ভুল হয়েছে তাহলে ভুলকে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে যে ভুল হয়েছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানে হাত দেয়া যেতে পারে উল্লেখ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, কোনো ব্যক্তির কলমের খোঁচা দিয়ে সংবিধান বদলানো যাবে না। একজন ব্যক্তি যদি মনে করেন, প্রেসিডেন্টও যদি মনে করেন যে এটা ভুল, এটা তারও উচিত হবে না যে, কলমের খোঁচা দিয়ে এটাকে পরিবর্তন করা। জনগণের মতামতও জানতে হবে। যখন দেখা যাবে যে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার মত গড়ে উঠেছে, তখন সংবিধানে হাত দেয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, সংবিধানের যে পবিত্রতার কথা আমরা বলি, মৌলিক আইনের যে কথা আমরা বলি, সব আইনের ঊর্ধ্বে সংবিধান। তাই যেনতেনভাবে এটাতে হাত দেয়া যায় না।
আলোচনায় অংশ নিয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংবিধান বিশ্লেষক ড. শাহদীন মালিক বলেন, দেশ ও রাষ্ট্র চালাতে গেলে সব সরকারেরই সমস্যা হয়। কিন্তু সমস্যায় পড়ে এই যে এত বার, গত ৫২ বছরে বিভিন্ন নামে ১২ বার সরকার পদ্ধতির পরিবর্তন আমরা করেছি। এটা আমরা কেন জানি করেই চলেছি। এগুলো রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনা সম্পর্কে আমাদের অপরিপক্বতার বহিঃপ্রকাশ। সমস্যায় পড়লেই আমরা সমাধান খুঁজি সরকার পদ্ধতি পরিবর্তনের। এটা পৃথিবীর আর কোথাও হয় না।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ। ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, আগে যে কয় বার সংবিধান সংশোধন হয়েছিল, তার বেশির ভাগই হয়েছে শাসকের ইচ্ছায়, জনগণের ইচ্ছে অনুযায়ী নয়। সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সংবিধান রাষ্ট্রীয় দলিল। দলীয় বা ব্যক্তি স্বার্থে যদি সংবিধান পরিবর্তন করতে চায়, তাতে লাভ হবে না। যারা সংবিধান সংশোধন করতে চান, তাদের উচিত সকল রাজনীতিবিদদের সঙ্গে আলোচনা করা।
জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, সংবিধান ৫৩ বছর আগে প্রণয়ন হয়েছে। কামাল হোসেন তখন ছিলেন তরুণ আইনজীবী। ৫৩ বছর পর সংবিধানের বানান এখনো ভুল। যা তৈরি করা হয়েছিল তার আর অবিকল নেই। সরকার বা শাসকরা তাদের স্বার্থে এটি করেছে। সংবিধানের নাম ভুল আছে। এদেশে রাজা নেই রানী নেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান হবে না। একশ’ বছর আগে গণতন্ত্র ছিল। এখন সেটি নেই।
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সংবিধান নিয়ে যে বিতর্ক আসছে, তা আমাদের সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আমি নির্বাচনের জন্য কালো মেঘ দেখছি। এখন সংবিধান কিছু করলে অ্যাপ্রুভ করবে কে? এসব আলোচনা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা চাই, কথায় নয় কাজে। ব্যক্তি স্বার্থে কিংবা দলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন করলে তা টেকে না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এনামুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ মামলা দিয়েও কাজ হয় না by প্রতীক ওমর
রোববার সরজমিন ওসমানের পাড়া মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায় পুরো প্রতিষ্ঠানে মাত্র একজন শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত। কোনো শ্রেণিতে ২ জন, কোনোটাতে ১ জন আবার কোনো শ্রেণিতে একজনও শিক্ষার্থী নেই। স্থানীয়রা জানায় এভাবেই অব্যবস্থাপনার মধ্যদিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে মাদ্রাসাটি। প্রশাসনের লোকজন মাঝেমধ্যে এসে সুপারের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করে চলে যান। অনিয়মের কোনো তদন্ত বা বিচার কখনোই হয় না।
পরিদর্শনকালে দেখা মেলে ওই মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি আরিফ মোহাম্মদ দুলালের। তার কাছে মাদ্রাসা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ধারাবাহিক দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরেন। সাবেক একজন বিচারপতি মরহুম ফজলুর রহমান তার গ্রামে ১৯৯৫ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই এনামুল হক সুপার পদে আছেন। দুর্নীতি করে প্রথম বরখাস্ত হন ২০০০ সালে। এরপর দীর্ঘ সময়ের মধ্যে একই অপরাধে বহুবার বরখাস্ত হয়েছেন। এরপর তার বিরুদ্ধে থানা এবং আদালতে একাধিক মামলা চলমান আছে। চার্জ গঠন হয়েছে একটি মামলাতে।
দুলাল আরও জানান, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সাবেক বিচারপতি ফজলুর রহমান মারা যাওয়ার পর এনামুল কৌশলে দাতা সদস্য আরও ৩ জনকে মৃত দেখিয়ে একটি ভুয়া কমিটি গঠন করেন। তৎকালীন সভাপতি এডভোকেট শফিকুল ইসলামের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে এনামুল তার বড় ভাই ওসমান গনিকে সভাপতি বানান। পরে ওই কমিটি নিয়ে নানাধরনের কথা ওঠে। অবশেষে সেই কমিটি জাল প্রমাণিত হয়। এমনকি পরে অবৈধ ওই কমিটির ৬ জন সদস্য বাদী হয়ে এনামুলের বিরুদ্ধে মামলাও করেন। একজন অভিভাবক সদস্য সাবিনা ওই মামলার মূলবাদী। ওই মামলায় তারা উল্লেখ করেন কমিটিতে তাদের না জানিয়ে নাম দেয়া হয়েছে। তারা কোনো রেজ্যুলেশনে স্বাক্ষর করেননি। পরে থানা মামলাটি তদন্ত করে এনামুলের অপরাধের প্রমাণ পায়। পরে বোর্ড ওই কমিটি অবৈধ উল্লেখ করে বাতিল করে দেয়।
পরে মাদ্রাসা চালানোর জন্য আরিফ মোহাম্মদ দুলালকে সভাপতি করে নতুন কমিটি হয়। ওই কমিটি বৈঠক করে দুর্নীতির অপরাধে এনামুলকে আবারো বরখাস্ত করে। তখন ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে ওই ভারপ্রাপ্ত সুপারকেও এলামুল বাহিনী মারপিট করেছে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে এবং তার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগের আলোকে আবুল কালাম আজাদ একটি মামলা করেন। মামলার নম্বর ১১৭/২৩। মামলাটি চলমান রয়েছে।
এ ছাড়াও এনামুল বিভিন্ন সময়ে দপ্তরি, মালী, নৈশপ্রহরী এবং কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যে এককভাবে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। গ্রামের বাড়ির পাশাপাশি মহিমাগঞ্জ বন্দরে ব্যয়বহুল একটি ৩ তলা বাড়িও করেছেন এনামুল।
কয়েক বছর আগে তৌহিদা নামের একজন দাখিল পরীক্ষার্থীকে দিয়ে অন্য একজন শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশনের আলোকে ছবি পাল্টিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করায়। দু’টি পরীক্ষা দেয়ার পর ওই শিক্ষার্থী বুঝতে পারে সে নিজের জন্য নয় অন্যের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছে সুপার। পরে সে আর পরীক্ষা দেয়নি। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয়ভাবে মিটমাট করেন চতুর ওই সুপার। তৌহিদার নিকট আত্মীয় মজনু মিয়া বিষয়টি বর্ণনা করেছেন।
এনামুলের এসব দুর্নীতি কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন ওই মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার শিক্ষক আমিনুল ইসলাম। তিনি মানবজমিনকে বলেন, সুপার এনামুল একটি কমিটি করে। ওই কমিটিতে আমাকে শিক্ষক প্রতিনিধি দেখানো হয়। কিন্তু আমি কিছুই জানি না। পরে ধরা পড়ার পর জানা গেল ওই কমিটি করা হয়েছিল জাল জালিয়াতির মাধ্যমে। তিনি আরও বলেন, ওই সুপার একান্ত নিজের ইচ্ছায় নিজের মতো করে বিভিন্ন সময় নিয়োগ দিয়ে বাণিজ্য করেছেন। তিনি স্বীকার করেন ওই মাদ্রাসায় এবতেদায়ী শাখায় শিক্ষার্থী নেই বললেই চলে।
কথা হয় সুপার এনামুলের সঙ্গে। তিনি মানবজমিনকে বলেন, শত্রুপক্ষ আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। আমি এসব অপরাধের সঙ্গে কখনোই জড়িত ছিলাম না। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। বোর্ড তদন্ত করে আমাকে বেতন-ভাতা প্রদান করছে।
বিষয়গুলো নিয়ে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, এনামুল সুপারের বেতন চালু হয়েছে বোর্ডের পরিপত্রের আলোকে। এখানে আমার কোনো হাত ছিল না। বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে আমি সেই আলোকে কাজ করেছি। শিক্ষার্থী কমের বিষয়টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেয় নি। আপনার মাধ্যমে জানলাম, আমি খোঁজ নিবো।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোয়াইট হাউস কার?

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্রদূত নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন by মিজানুর রহমান
অন্য এক কর্মকর্তা দৃঢ়তার সঙ্গে মানবজমিনকে বলেন, কিছু কিছু অভিযোগের যে সত্যতা রয়েছে, এ বিষয়ে খোদ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অবহিত। সচিব তো বটেই। কিন্তু ব্যক্তিগত এফিলিয়েশনের কারণে হয়তো তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে তিনি প্রধান উপদেষ্টার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তবে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, আন্তঃব্যাচ প্রতিযোগিতা এবং প্রফেশনাল জেলাসি থেকেও নিয়োগ-পদায়ন নিয়ে হরহামেশা প্রশ্ন এবং সমালোচনা হয় বলে মনে করেন ক্যারিয়ারের মাঝামাঝিতে অবস্থান করা ওই কর্মকর্তা।
কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের দায় এড়াতে পররাষ্ট্র সচিব প্রস্তাবিত রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার বা স্থায়ী প্রতিনিধিদের নাম মুখে না নিলেও সরকারের একাধিক বিশ্বাসযোগ্য সূত্র মানবজমিনকে এটা নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, বৃটেন, সৌদি আরবসহ আটটি দেশে এরইমধ্যে নতুন রাষ্ট্রদূতের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। যথাযথ অনুমোদন সাপেক্ষে হোস্ট কান্ট্রির সম্মতির জন্য প্রস্তাবিত দূতের বিস্তারিত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া গত মাসে বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ আরও ১২ দেশে নতুন দূত নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাছাড়া সেপ্টেম্বরেই সাবেক সচিব মো. মাহফুজুর রহমানকে পর্তুগালে রাষ্ট্রদূত করার নোটিশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এগ্রিমোপ্রাপ্তি সাপেক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিবে।
সূত্র বলছে, যথাযথ অনুমোদন সাপেক্ষে ভিয়েনায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসাদ আলমকে যুক্তরাষ্ট্রে, ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলামকে চীনে, মেঙিকোয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলামকে বৃটেনে, রোমানিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে জাপানে, দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম দেলোয়ার হোসেনকে সৌদি আরবে, আলজেরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জুলকার নাইনকে জার্মানিতে, ফরেন সার্ভিস একাডেমির মহাপরিচালক শাহনাজ গাজীকে রোমানিয়ায় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের মহাপরিচালক তারেক আহমদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানোর জন্য হোস্ট কান্ট্রির সম্মতি চাওয়া হয়। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রস্তাবিত দূতকে গ্রহণে এরইমধ্যে অনাপত্তি জানিয়েছে। তাছাড়া রাষ্ট্রাচার প্রধান খন্দকার মাসুদ আলমকে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জাতিসংঘ অনুবিভাগ) তৌফিক হাসানকে অস্ট্রিয়ায়, মহাপরিচালক (আঞ্চলিক সংস্থা অনুবিভাগ) রইস হাসান সরওয়ারকে বাহরাইনে, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. তৌহিদুল ইসলাম এনডিসিকে ব্রাজিলে, নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদাকে ইরাকে, সাংবাদিক মুশফিক ফজল আনসারীকে মেঙিকোয়, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুন্নেসাকে নেপালে, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল খন্দকার মিসবাহ-উল-আজিমকে ওমানে, নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি তৌফিক ইসলাম শাতিলকে দক্ষিণ কোরিয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (মিয়ানমার অনুবিভাগ) ফেরদৌসী শাহরিয়ারকে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।
তাছাড়া নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পরবর্তী স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দীন নোমান চৌধুরীকে এবং ওআইসিতে নব প্রতিষ্ঠিত (আগে সৌদি আরবে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ওআইসিতে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন) স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে মিলানে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল এমজেএইচ জাবেদকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ২১ রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ চূড়ান্ত হলেও বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিল্লি মিশনে কাকে পাঠানো হবে? সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পাশাপাশি রাশিয়ায়ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পদ খালি। তাছাড়া অস্ট্রেলিয়া, পোল্যান্ড, মালদ্বীপ ও আলজেরিয়ায় রাষ্ট্রদূতের শূণ্য পদে নতুন নিয়োগ হবে।
নেটিজেনদের উৎসাহ এবং...
লন্ডনে বাংলাদেশের পরবর্তী হাই কমিশনার কে হচ্ছেন? তা নিয়ে অন্তহীন জল্পনা-কল্পনা। বৃটেনে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশি ডায়াসফেরায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ সব দলের ফেলো রয়েছেন। লন্ডন মিশনের সঙ্গে বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতার ঐতিহাসিক যোগসূত্র। সেই বিবেচনায়ও বৃটেনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিষয়ে ঢাকার বাড়তি মনোযোগ। রিপোর্টে প্রকাশ শেখ হাসিনার আমলে মেঙিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবিদ ইসলাম লন্ডনে পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষ করে আওয়ামী প্রীতি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
বাংলাদেশের স্বৈরশাসন নিয়ে সরব থাকা খ্যাতিমান সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারীকে অন্তর্বর্তী সরকার সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় রাষ্ট্রদূত করার প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাকে নিয়ে নেটিজেনদের উৎসাহ-উদ্দীপনা চরমে। শুধু তাই নয়, খোদ স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিংয়ে সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অতি সম্প্রতি অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নরের আটকাদেশ স্থগিত করতে স্বপ্রণোদিত হয়ে তিনি ভূমিকা রেখেছেন, যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। অনেক মিডিয়া তাকে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত বলে খবর প্রচার করে। তাকে লন্ডনে কিংবা কানাডায় পাঠানো হতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে। এইমধ্যে খবর বেরিয়েছে তাকে মেঙিকোতে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রস্তাব করার। এটি হলে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় মেঙিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর ঘটনা হবে এটাই প্রথম!
উল্লেখ্য, ব্রাজিলে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে এমন একজনকে প্রস্তাব করা হয়েছে যাকে ইউরোপের কোনো দেশ গ্রহণ করেনি। রাষ্ট্রদূত মো. তৌহিদুল ইসলাম এনডিসিকে সর্বশেষ অস্ট্রিয়ায় পাঠানোর চেষ্টা ছিল। তার জন্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন যারপরনাই চেষ্টা করেছেন। কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভেঙে তিনি অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে গোটা বাংলাদেশের ইজ্জত ধুলায় মিশিয়েছিলেন!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক দেশপ্রেমিকের অকথিত কাহিনী : দূর থেকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লড়াই
অগণিত ব্যক্তির আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ এই নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে। বিশেষ করে ছাত্ররা, হাসিনার শাসনামলে চরম দুর্ভোগের শিকার। দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য অনেক সাহসী কণ্ঠকে নীরব করা হয়েছে- কাউকে হত্যা করা হয়েছে , কেউ আবার আহত হয়েছেন। বাংলাদেশে অনেকেই নিপীড়নের শিকার হয়েছেন সে সময়। যারা চ্যালেঞ্জ করার সাহস দেখিয়েছেন তারা নৃশংস প্রতিশোধের সম্মুখীন হয়েছে। বাংলাদেশে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে ভিন্নমতকে দমিয়ে রাখা হয়েছে। এমন ভয়াল পরিস্থিতি থেকে দেশকে বাঁচাতে অনেকেই কাজ করেছেন। তাদের একজন ড. মনজুর মোর্শেদ। যিনি নিউয়র্কের একজন কার্ডিওলজিস্ট। জন্মভূমির প্রতি গভীর দায়িত্ববোধের কারণে, ড. মোর্শেদ সর্বদা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করেছেন।তিনি সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছে তাদেরকে হাসিনা সরকারের অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলার অনুরোধ করেছেন। এমনকি এবিসি বাংলা চ্যানেলের মতো প্ল্যাটফর্মে নিজের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ড. মোর্শেদ। সেখানে তিনি প্রাক্তন কূটনীতিক সাকিব আলী, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম যিনি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর, এবিসি বাংলা চ্যানেলের লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ, আলাউর খন্দকার, ড. তাজ হাসমি এবং অন্যান্য ব্যক্তিত্বদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি টাইম টিভিতে সাংবাদিক আবু তাহের, সালাউদ্দিন, হেলাল উদ্দিন রানা এবং অন্যান্যদের সাথে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি "ফেস দ্য পিপল" অনুষ্ঠানেও কথোপকথনে উপস্থিত হয়েছেন। ন্যায়বিচারের পক্ষে সওয়াল করার জন্য ড. মোর্শেদের অটল প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে যে, রাজনৈতিক বৃত্তে না থেকেও বাংলাদেশের একটি উন্নত ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে তিনি অবিচল ।
বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের পক্ষে ওকালতি করার লক্ষ্যে ড. মনজুর মোর্শেদ গণমাধ্যম ছাড়িয়েও একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছেন। নিউইয়র্কে কার্ডিওলজিস্ট হিসাবে তার ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যেও তিনি হোয়াইট হাউস, পররাষ্ট্র সচিব এবং বিভিন্ন সিনেটরকে চিঠি লিখে নিজের কথা জানিয়েছেন। কংগ্রেসম্যানরা অনেকেই তার উদ্বেগের কথা স্বীকার করে সেই চিঠির উত্তর দিয়েছেন। এমনকি জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের কাছেও তিনি তার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। উপরন্তু, তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং ওয়াশিংটন পোস্টের মতো প্রকাশনাগুলোতে অনেক নিবন্ধ পাঠিয়েছেন, যা পাঠকদের কাছে তার বার্তাকে পৌঁছে দিতে সাহায্য করেছে।
দূরে থেকেও দেশকে যে গভীর ভালোবাসা যায় তারই আদর্শ উদাহরণ হলেন ড. মোর্শেদ তিনি বাংলাদেশী সরকারের ফ্যাসিবাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। সাহসের সাথে তার দেশের নাগরিকদের সাথে হওয়া অন্যায়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তার কথা বলার দৃঢ়তা, অন্যায়কে চ্যালেঞ্জ করার এবং পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করার মানসিকতা একজন ব্যক্তির দৃঢ় সংকল্পকে তুলে ধরে।
বাধার মুখোমুখি হয়েও, হাসিনার শাসনামলে অন্যায়ের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ড. মোর্শেদের দৃঢ় সংকল্প সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি তার অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে, তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের কণ্ঠস্বরকে প্রসারিত করতে এবং জবাবদিহিতা ও সংস্কারের পক্ষে লড়ে যান। দেশের সংগ্রামের গল্পগুলিকে বিস্তৃত শ্রোতার কাছে পৌঁছে দিতে একটি সেতুর মতো কাজ করে চলেছেন ড. মোর্শেদ, যারা পরিবর্তন চাচ্ছেন তাদের মধ্যে যাতে সংহতির অনুভূতি জেগে ওঠে।
এ মুহূর্তে, দেশ একটি নতুন বাংলাদেশের স্বাধীনতা উদযাপন করছে। অগণিত ব্যক্তির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে, বিশেষ করে যাদের গল্প প্রায়শই শোনা যায় না। যারা দেশের অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন, নিপীড়ন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন তাদের আজীবন মনে রাখবে জাতি। অপরদিকে যারা ফ্যাসিস্টকে সমর্থন করে গণতন্ত্রকে দুর্বল করেছে তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আমাদের অবশ্যই এমন একটি ভবিষ্যত গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে যেখানে অতীতের মতো কোনো স্বৈরাচার মসনদে ফিরে আসতে না পারে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাণিসম্পদের প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্প by মো. আল-আমিন
সূত্র জানায়, দেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধি করা প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা। প্রস্তাবটি নিয়ে সম্প্রতি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সূত্র বলছে, প্রকল্প প্রস্তাবের সঙ্গে একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা সমীক্ষা) প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনটি করেছে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। স্টাডিটির আয় ও ব্যয় বিশ্লেষণ অধ্যায়ের টেবিলে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে সেটি পূর্ণাঙ্গ নয়। এতে দেখা যায়, প্রকল্প শেষে অর্থাৎ ৪ বছর পর পঞ্চম বছর আরও অতিরিক্ত ৩৭৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয় করা হলে প্রকল্প থেকে আয় হবে ৬৩৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। একইভাবে পরবর্তী বছরগুলোতে অতিরিক্ত ৩২৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় করা হলে প্রতি বছর ৬৭৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আয় হবে। কিন্তু এই আয় প্রকল্পের কোন কোন খাত থেকে কীভাবে হবে তার কোনো হিসাব প্রতিবেদনে দেয়া হয়নি। এ ছাড়া এই আয়ের জন্য প্রতি বছর অতিরিক্ত যে ৩২৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় করতে হবে তার সংস্থান কীভাবে হবে তারও কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সমীক্ষা প্রতিবেদনে নেই।
কমিশন সূত্র জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১১৬ কোটি টাকা এডিপি বরাদ্দের প্রয়োজন হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর তথ্যে থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের ঘাটতি রয়েছে ১ হাজার ১২২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া আগামী অর্থবছরেও ঘাটতি থাকবে ৬২৬ কোটি ২১ লাখ টাকা। এমন প্রেক্ষাপটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাজেট সিলিংয়ের মধ্যে থেকে এই প্রকল্পের অর্থায়ন কীভাবে করা হবে সে বিষয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্টে কিছু উল্লেখ নেই।
সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদনে প্রকল্পের ৩টি কম্পোনেন্ট প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথম কম্পোনেন্টটি হলো- পার্বত্য এলাকার জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ৭২ হাজার ২৭টি পরিবারকে অনুদান হিসাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী (গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, ভেড়া ইত্যাদি) বিতরণ করা হবে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা দারিদ্র্যবিমোচনের মূল ম্যান্ডেট হলো পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ মডেলের আওতায় এই ধরনের কাজ করে থাকে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনুদান হিসেবে উপকরণ সহায়তা দিয়ে টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কতোখানি ফলপ্রসূ তার জন্য ক্ষুদ্রঋণ মডেলের সঙ্গে কোনো তুলনামূলক বিশ্লেষণ সমীক্ষায় উল্লেখ নেই।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, পার্বত্য জেলার প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। কিন্তু সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদনে পার্বত্য জেলাগুলোর প্রাণিজ আমিষের চাহিদা বা ঘাটতি এবং সরবরাহের তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। স্টাডি রিপোর্টে সারা দেশের দুধ, মাংস এবং ডিমের চাহিদা, উৎপাদন ও প্রাপ্যতার একটি তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, চাহিদার তুলনায় মাংস ও ডিমের উৎপাদন বেশি রয়েছে এবং দুধের উৎপাদনে কিছুটা ঘাটতি আছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় পার্বত্য এলাকার প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য হাঁস, মুরগি, ছাগল, ভেড়া, কবুতর ইত্যাদি বিতরণের যৌক্তিকতা প্রতীয়মান হয় না বলে মনে করে পরিকল্পনা কমিশন।
প্রকল্পের দ্বিতীয় কম্পোনেন্টটি হলো রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত পিগ ফার্ম আধুনিকীকরণ। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা। রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত পিগ ফার্মটি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীন প্রতিষ্ঠান এবং রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা। তাই রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত পিগ ফার্মটি উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে করতে হবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।
প্রস্তাবিত প্রকল্পের তৃতীয় কম্পোনেন্টটি হলো বান্দরবান জেলায় একটি ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএলএসটি) স্থাপন করা। এই আইএলএসটি স্থাপনের বিষয়ে প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডিতে প্রস্তাব করা হলেও ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্টের ডিমান্ড অ্যানালাইসিস অংশে বাংলাদেশ লাইভ স্টক ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েটদের কোন কোন ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ রয়েছে সেটি নেই। এসব ক্ষেত্রে কি পরিমাণ ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েটের চাহিদা রয়েছে, বর্তমানে প্রতি বছর কি পরিমাণ ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে ইত্যাদি বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য উল্লেখ নেই। ফলে অসম্পূর্ণ ফিজিবিলিটি স্টাডির ভিত্তিতে প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ডিপিপিতে নানা অসঙ্গতি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাদের মতো করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কমিশন থেকে বেশ কিছু সুপারিশ দেয়া হয়েছে। ডিপিপি সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চার কাস্টমস কর্মকর্তার অঢেল সম্পদের খোঁজ by মারুফ কিবরিয়া
দুদক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে চার কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে সংস্থাটি। সম্প্রতি অনুসন্ধান শেষও হয়েছে। তবে এই চার কাস্টমস কর্মকর্তার স্ত্রীদের নামেই বেশি সম্পদ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ছাইফুল ইসলামের পরিবার বসবাস করছে উত্তরার ১১ নং সেক্টরে। উত্তরার ৬ নং সেক্টরে বসবাস করছে তৈয়বুর রহমানের পরিবার। আর ভুঁইয়া মফিজুর রহমান দক্ষিণ খানের মোল্লার টেক ও আব্দুস সামাদ একই এলাকার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার এলাকায়। ঢাকার দক্ষিণখান এলাকার ফয়দাবাদ মৌজায় চার কাঠা জমির উপর যৌথ মালিকানায় সাত তলা বাড়ি নির্মাণ করেছে এই চার কর্মকর্তা। নথি অনুযায়ী চার কাঠার মধ্যে আড়াই কাঠা জমির মালিক তৈয়বুর রহমানের স্ত্রী উম্মে তুরিন। সূত্রমতে, ছয় কোটি টাকা মূল্যের এই বাড়ি তোলা হয়েছে ।
এ ছাড়া মসজিদ রোডের পাঁচ কাঠা জমি কিনে গড়ে তুলেছেন গরুর খামার। ২০টি গরুর এই খামারের বাজার মূল্য ২ কোটি বিশ লাখ টাকা। শুধু তাই নয়, আব্দুর রউফ মসজিদ সংলগ্ন আরেকটি ১৫ কাঠা জমি রয়েছে এই চার কর্মকর্তার যৌথ মালিকানায়। এই প্লটের বাজার মূল্য সাড়ে সাত কোটি টাকা। এই জমির পাশে লাল মসজিদ সংলগ্ন দশ কাঠা জমি রয়েছে তাদের নামেই।
দুদক সূত্রে জানা যায়, উত্তরায় অন্তত পাঁচটি ফ্ল্যাট রয়েছে ওই চার কর্মকর্তার। তৈয়বুর রহমানের স্ত্রী উম্মে তুরিন আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিলেও তিনি একজন গৃহিণী। তিনিই মূলত দেখাশোনা করেন চার কর্মকর্তার ঘুষের টাকার সাম্রাজ্য। উত্তরার ৬ নং সেক্টরে বসবাসরত উম্মে তুরিন তার পরিবারের সদস্যদের নামে দক্ষিণখানের ফয়দাবাদ পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় আরও চারটি ফ্ল্যাট ক্রয় করে ভাড়া দিয়েছেন। ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশে রয়েছে দোকানঘর।
দুদকে জমা পড়া অভিযোগ অনুসারে তৈয়বুর রহমান বর্ডার শুল্ক শাখায় চাকরিরত অবস্থায় আটক করেছিলেন ৩০০টি স্বর্ণের বার। এরমধ্যে একশ’ স্বর্ণের বার সরকারি কোষাগারে জমা পড়লেও, বাকি দুইশ’ স্বর্ণের বার হাপিশ করেন তৎকালীন শুল্ক অফিসার তৈয়বুর রহমান।
এই অভিযুক্ত চারজন প্রত্যেকেই ৯ম-১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা। নিজেদের উপার্জন করা অবৈধ টাকা বিনিয়োগ করেই ধাপে ধাপে পদোন্নতি বাগিয়ে প্রত্যেকে এখন রাজস্ব কর্মকর্তা। এর মধ্যে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা থেকে মফিজুর রহমান অবসরে গেছেন। বাকি তিনজন বর্তমানে কাস্টমসে কর্মরত রয়েছেন।
অনুসন্ধানকালে অভিযুক্ত ছাইফুল ইসলাম, তৈয়বুর রহমান, ভুঁইয়া মফিজুর রহমান এবং আবদুস সামাদ ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রার, ঢাকা/গাজীপুর/কক্সবাজার/চট্টগ্রাম/বি. বাড়িয়া/মানিকগঞ্জ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা, ঢাকা উত্তর/দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, সহকারী পরিচালক, বিআরটিএ, ঢাকা সার্কেল-১/ঢাকা সার্কেল-২/ঢাকা সার্কেল-৩, সচিব, রাজউক, ঢাকা, চেয়ারম্যান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি), পোস্ট মাস্টার জেনারেল, কেন্দ্রীয় সার্কেল, ডাক ভবন, ঢাকা, মহাপরিচালক, জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, সচিব, সিডিবিএল, রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক অ্যান্ড যৌথ ফার্মসমূহের অধিদপ্তর, রিহ্যাব এবং সকল তফসিলি ব্যাংকসহ বিভিন্ন দপ্তরে পত্র প্রেরণ করা হয়।
এসব জায়গা থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কাস্টমস কর্মকর্তা তৈয়বুর রহমানের নামে দক্ষিণখানে সাত তলা বাড়িতে চারটি ফ্ল্যাট ছাড়াও বাড্ডায় এক কাঠার এক চতুর্থাংশ জমির তথ্য পাওয়া যায়। এই জমির দাম ৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা। এ ছাড়া মানিকগঞ্জেও রয়েছে ৪ লাখ টাকা মূল্যের জমি। যার উপর তিন তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি। এ ছাড়া একটি ফ্ল্যাটও রয়েছে তার নামে। এর মূল্য ২০ লাখ টাকার বেশি। অনুসন্ধানে তৈয়বুর-এর মোট এক কোটি টাকার বেশি পরিমাণ স্থাবর সম্পদ পেয়েছে দুদক। যা তার আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেছে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে। এ ছাড়া তৈয়বুর রহমানের স্ত্রী উম্মে তুরিন রুমীর নামেও সাড়ে ৩৩ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত কাস্টমস কর্মকর্তা ছাইফুল ইসলামেরও ঢাকা ও ময়মনসিংহে কয়েক কোটি টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এতে বলা হয়, তৈয়বুর রহমানের মতোই ছাইফুল রাজধানীর বাড্ডায় সাত লাখ টাকা মূল্যের একটি জমি কিনেছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ খানে যৌথ মালিকানায় কেনা জমিতে নির্মিত সাত তলা ভবনে চারটি ফ্ল্যাট পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ময়মনসিংহের ত্রিশালে নিজ গ্রামের বাড়িতে চার তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলেও জানানো হয় দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে। অন্যদিকে ছাইফুল ইসলামের স্ত্রী শাহনাজ বেগমের নামে ময়মনসিংহের ত্রিশালে ৫৬ শতাংশ জমির তথ্য পাওয়া গেছে। যার দলিল মূল্য সাড়ে আট লাখ টাকা হলেও বাজার মূল্য অর্ধকোটি টাকার মতো।
এদিকে অবসরপ্রাপ্ত কাস্টমস কর্মকর্তা ভুঁইয়া মফিজুর রহমানের বিষয়ে অনুসন্ধানকালে জানা যায়, রাজধানীর বাড্ডায় তার নামে একটি জমি রয়েছে। যার মূল্য সম্পদ বিবরণীতে সাড়ে সাত লাখ টাকা। তবে বাজার মূল্য আরও বেশি। এ ছাড়া আগারগাঁও, তুরাগে একাধিক ফ্ল্যাট পাওয়া গেছে অনুসন্ধানে। এসব ফ্ল্যাটের বাজার মূল্য কোটি টাকারও বেশি বলে জানান দুদক কর্মকর্তারা। মফিজুর রহমানের স্ত্রী দিলশাদ জাহান লাকীর নামে এক হাজার বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাটের তথ্য পায় দুদক। এসব ফ্ল্যাটের প্রদর্শিত মূল্য ৫০ লাখ ৬৭ হাজার হলেও বাজার মূল্য কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে অনুসন্ধান সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের বিষয়ে মফিজুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক অনুসন্ধান করুক কোনো সমস্যা নেই। আমি আগে হোটেলের ব্যবসা করতাম। সেখান থেকে কিছু টাকা আয় করেছি। তারপর চাকরি করেছি। চারজন মিলে একটা বাড়ি করা কি অসম্ভব বলেন? আমরা যখন জমিটি কিনেছি তখন মূল্য ছিল ৩০ লাখ টাকা। তখন রড- সিমেন্টের দামও কম ছিল। একদল লোক অযথাই হয়রানি করার জন্য অভিযোগ দিয়েছে। আমি দুদককে সব তথ্য দিয়েছি। আর ঘুষের সিন্ডিকেট বলা হচ্ছে। আমরা তো কখনো একসঙ্গে কাজও করিনি।
এদিকে অভিযুক্ত আরেক কাস্টমস কর্মকর্তা মো. আব্দুস ছামাদের বিষয়ে অনুসন্ধানে দুদক জানতে পারে, ফয়দাবাদের সাততলা বাড়ির ওপর চারটি ফ্ল্যাট ছাড়াও গাজীপুর, টাঙ্গাইল মিলিয়ে তার দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে। এছাড়া ফয়দাবাদে ১৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি টিনশেড বাড়ি রয়েছে তার। তবে বাজার মূল্য অনুযায়ী কোটি টাকার কাছাকাছি বলে দাবি করেছেন দুদকের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া আব্দুস ছামাদের স্ত্রী মালেকা পারভীনের নামেও ঢাকার বাড্ডা, দক্ষিণ খান, গাজীপুর, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন স্থানে মোট ৯০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। দলিলে ৯০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা হলেও বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে মনে করছেন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তারা।
দুদকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, চার জনের নামেই জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য আমরা পেয়েছি। প্রতিবেদনের সব কাজ গুছানো হয়ে গেছে। নতুন কমিশন গঠন হলেই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
November
(469)
-
▼
Nov 05
(17)
- সহিংসতার আশঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ রাজ্যে নিরাপত্তা...
- মার্কিন নির্বাচনে টার্নিং পয়েন্ট পেনসিলভানিয়া
- ট্রাম্পের ভাগ্য কোন পথে? জিতলে হোয়াইট হাউস, হারলে...
- নূহ নবীর নৌকার সন্ধান দেবে ৩ হাজার বছরের পুরোনো ম...
- সমুদ্রের গভীরতম রহস্য মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
- আনারকলি’র শহর বায়ুদূষণের ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন
- ভোটে জিতেও প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি যারা by হেলাল উ...
- যেভাবে কোটিপতি চবি’র পিয়ন কায়ছার by মো. আবু শাহেদ
- সোহেল তাজের স্ট্যাটাস: ফোন করেছিলেন ড. ইউনূস, দিয়ে...
- বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে না পারা ছিল আওয়ামী লীগের ব...
- সংবিধানে যেনতেনভাবে হাত দেয়া যাবে না
- এনামুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ মামলা দিয়েও কাজ হয় না by ...
- হোয়াইট হাউস কার?
- রাষ্ট্রদূত নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন by মিজানুর রহমান
- এক দেশপ্রেমিকের অকথিত কাহিনী : দূর থেকে একটি নতুন ...
- প্রাণিসম্পদের প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্প by মো. আল-আমিন
- চার কাস্টমস কর্মকর্তার অঢেল সম্পদের খোঁজ by মারুফ ...
-
▼
Nov 05
(17)
-
▼
November
(469)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
