Sunday, April 26, 2015
মাহীর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা
![]() |
| হাসপাতালের বিছানায় মাহী। পাশে আহত স্ত্রী |
ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়গত কাল রাত তিনটায় মাহী সাংবাদিকদের বলেন, তিনি বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে বারিধারার বাসায় ফিরছিলেন। বিজি প্রেসের সামনে সিটি ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিয়ে গাড়িটি কিছু দূর এগিয়ে গেলে ৮-১০ জন দুর্বৃত্ত লাঠিসোঁটা নিয়ে গাড়ির ওপর হামলা চালায়। তারা গাড়ির সামনের কাচ ভেঙে ফেলে। এরপর এক দুর্বৃত্ত তাঁকে (মাহী) লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে ও তাঁর চুল ধরে টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে নামানোর চেষ্টা করে। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছিল। তাঁকে উদ্দেশ্য করে এক দুর্বৃত্ত বলে ‘তোর নির্বাচন করার সখ কেনো’?
এ সময় দুর্বৃত্তদের কয়েকজন গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে তাঁর স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। দুর্বৃত্তরা তাঁর বাম হাত ও চোখে এবং চালক শহীদ মণ্ডলকে ডান কাঁধে আঘাত করে। ঘটনার পরপরই তাঁদের ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
মাহী জানান, ঘটনা কারা ঘটিয়েছে সে ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত নন। তবে ষড়যন্ত্র চলছে। আর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘আমি নিরাপত্তা চাই নাই, কারণ সব সাবেক রাষ্ট্রপতির বাসায় সরকার পুলিশি নিরাপত্তা দিলেও বি. চৌধুরীর বাড়িতে কোনো পুলিশ দেওয়া হয় নাই।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহী বলেন, ‘ঘটনার সাথে আনিসুল হক, না তাবিথ আউয়াল জড়িত তা সময়ই বলে দিবে। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। তবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব না, নির্বাচনে আছি, থাকব, ইনশা আল্লাহ।’ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মাহী বলেন, ‘শনিবার সারা দিন তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বলা হয়েছে।’
মাহীর নির্বাচনী প্রচার সেলের প্রধান সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, চিকিৎসা নিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরে গেছেন।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) শাহিদা প্রথম আলোকে জানান, গাড়িতে মাহী, তাঁর স্ত্রী, তাঁর ছোট ভাই, গাড়ির চালক ও আরও একজন ছিলেন। এ বিষয়ে মাহী থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদার কান্না, নীরব প্রতিশোধের আহবান- খালেদা জিয়ার পুরো বক্তব্য
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতীয়-ইউরেশীয় প্লেটের ফাটলে হিমালয় বিপর্যয়
বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগর ও এশিয়ায় দুটি সিসমিক প্লেট রয়েছে।
একটির নাম ইউরেশিয়া প্লেট, আরেকটি ইন্ডিয়া প্লেট। হিমালয় এ দুটি প্লেটকে আলাদা করেছে। প্লেট দুটির মিলনস্থলের নামকরণ করা হয়েছে ক্যাসকেডিয়ান সাবডাকশন জোন। দুই প্লেটের মধ্যবর্তী অংশে হিমালয়ের অবস্থান। বহুদিন ধরে বিজ্ঞানীরা প্লেট দুটির সংঘর্ষ এবং এর ফলে ঘটা ফাটল নিয়ে কাজ করছেন। পুরনো গবেষণায় জানা গিয়েছিল, প্লেট দুটির ঘর্ষণে সৃষ্ট ফাটলটি সংযোগস্থলের কয়েক ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত। তবে নতুন তথ্য অনুযায়ী, আগের চেয়ে কিছুটা দূরে এ ফাটলের অবস্থান। ইন্ডিয়া প্লেট ও ইউরেশিয়া প্লেটের সংযোগস্থলের ২-৪ ডিগ্রি উত্তরেই এ ফাটলের অবস্থান। তবে বিজ্ঞানীরা অবাক হয়েছেন এ ফাটলের গভীরতা দেখে। দুটি শক্তিশালী প্লেটের এ ঘর্ষণের ফলে নিচের দিকে প্রায় ১৫ ডিগ্রি গভীরতা সৃষ্টি হয়েছে সেখানে। দৈর্ঘ্যরে ব্যাপ্তিতে এই ক্ষতের অবস্থান নিচে প্রায় ২০ কিলোমিটারের মতো। ক্ষত তৈরি হওয়ার কারণে এরই মধ্যে প্লেট দুটি তাদের স্বাভাবিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। এ কারণে সংযোগস্থল-সংশ্লিষ্ট এলাকাজুড়ে বড় আকারের ভূকম্পনের আশংকা বাড়ছে। সপ্তদশ শতকের পর থেকে এ অঞ্চলে বড় আকারের কোনো ভূমিকম্প আঘাত হানেনি।
কয়েক বছর ধরেই ভূ-গবেষকরা বলছেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ মারাত্মক ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। সিসমিক প্লেটের ঘূর্ণন সাইকেলের কারণে সব অঞ্চলেই দেড়শ বছরের নিয়মিত বিরতিতে ৮ থেকে ১০ মাত্রার ন্যূনতম একটি ভূমিকস্প আঘাত হানে। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-পদার্থবিদ্যায় উচ্চতর গবেষণার ছাত্র ওয়ারেন ক্যাল্ডওয়েল বলেছেন, ভূমিকম্প সম্পর্কে আগাম ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়। কিন্তু সিসমোগ্রাফের তথ্য জানাচ্ছে, ভূমিকম্পের ঝুঁকির পরিমাণ বেশ বিস্তৃত। যেহেতু, এ অঞ্চল তুলনামূলক বেশি ঘনবসতিপূর্ণ, তাই আগাম সতর্ক বার্তা ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
এদিকে ইউএসজিএস বলছে, পৃথিবীব্যাপী মাটি খনন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভূমিকম্পের আশংকা বাড়ছে। তেল গ্যাস ও সম্পদের অনুসন্ধানে ভূমি খনন ও ভূ-অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রবন্দর প্রতিষ্ঠার মতো কাজে ভূগর্ভের গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্য হিন্দু, গার্ডিয়ান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেনা মোতায়েন নিয়ে টালবাহানায় শঙ্কা বাড়ছে
গতকাল সকালে উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টরের বস্তি ও কলোনিতে গণসংযোগ করেন তাবিথ আউয়াল। এরপর সকাল সাড়ে আটটায় বাসে করে উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টরের সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজ-সংলগ্ন ৮ নম্বর বস্তিতে যান। তিনি বস্তির ঘরে ঘরে গিয়ে বাস মার্কায় ভোট চান। এরপর সেখান থেকে তাবিথ রেললাইন-সংলগ্ন সেলিমের বস্তিসহ আশপাশের বিভিন্ন বস্তি এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোট ও দোয়া চান। এ সময় গণসংযোগকালে তিনি বলেন, আমরা জনগণের কাছ থেকে বিপুল সাড়া পাচ্ছি। জনগণ আমাদের চাচ্ছে। তাই শেষ পর্যন্ত আমরা নির্বাচনের মাঠে লড়াই চালিয়ে যাবো। নির্বাচিত না হলে ফলাফল মেনে নেবেন কি না-সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তাবিথ আউয়াল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ফলাফল যা-ই হোক, মেনে নেবো। এসব এলাকায় গণসংযোগ শেষে তাবিথ আউয়াল মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত দুটি নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। সকাল ১০টায় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং বেলা ১১টায় তিনি দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন।
মতমিনিময় শেষে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের এ মেয়র প্রার্থী ‘বাস’ মার্কায় ভোট চাইতে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। মালিবাগ চৌধুরীপাড়া, পূর্ব খিলগাঁও, পশ্চিম খিলগাঁও, হাজীপাড়া, মগবাজার ওয়ারলেস গেট, ফার্মগেটের গ্রিন সুপার মার্কেট, আনন্দ সিনেমা হল এলাকা, ফার্ম ভিউ সুপার মার্কেট ও মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্প ও গুলশান-১ এলাকায় গণসংযোগ করেন তাবিথ আউয়াল। প্রত্যেক এলাকায় ভোট চাইতে গেলে সেসব এলাকার বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা এসে যোগ দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে ওইসব এলাকার হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক তার সঙ্গে অংশ নেন। গণসংযোগকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি মাওলানা শাহীনুর পাশা, স্থানীয় কাউন্সিলর প্রার্থী ও দলের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিকালে গণসংযোগ কর্মসূচির বাইরে ব্যক্তিগতভাবে তেজগাঁও ক্যাথোলিক চার্চ পরিদর্শন করেন। ফার্মগেট এলাকায় গণসংযোগকালে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন। কিন্তু আমাদের প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা চালাতে দেয়া হচ্ছে না। তাদের নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। ৩৬ কমিশনার প্রার্থী হুমকি ও গ্রেপ্তারের ভয়ে আত্মগোপন করে আছেন। তারা ভোটও চাইতে পারছেন না। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসেরও একই অবস্থা। তিনি বলেন, র্যাব-পুলিশ দিয়ে কেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা হচ্ছে। এ নির্বাচন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য অগ্নিপরীক্ষা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে নতুন করে আন্দোলন হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তাবিথ আউয়াল বলেন, আমরা এখনও অপেক্ষায় আছি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ ফিরে আসবে। আমরা জনগণের জন্য নির্বাচন করছি, জনগণের জন্য নির্বাচনের মাঠে থাকবো। তারা যে ভোট দিতে চায় তার দরকার উপযুক্ত পরিবেশ।
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের দাবি: রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির দ্বিতীয় বছর পূর্তিতে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন। তাবিথ আউয়াল বলেন, ট্র্যাজেডির দুই বছর পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিপূরণের অর্থ পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে নিহতের পরিবার এবং হাত-পা হারানো পঙ্গু হওয়া হাজারো খেটে খাওয়া মানুষকে। তাবিথ আউয়াল সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, সরকারের তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণের অর্থ সঠিকভাবে বণ্টন না করায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আন্তরিকতা নিয়ে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা কড়া সমালোচনা করেছে।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি শোক ও সমবেদনা: রাজধানীসহ সারা দেশে ভূমিকম্পের ঘটনায় হতাহতদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন তাবিথ আউয়াল। এক বিবৃতিতে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায় থেকে দ্রুত আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাবিথ আউয়াল আরও বলেন, আমি ঢাকা উত্তরের মেয়র নির্বাচিত হলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) সঙ্গে নিয়ে এমন পরিকল্পিত শহর গড়ে তুলতে চেষ্টা চালাবো, যাতে ভূমিকম্পসহ যে কোন আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ভোট চাই না আমি -আনিসুল হক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটের আগে হামলা ধরপাকড়
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল খিলগাঁও এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল হুদা আরজু (৪০) আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরজুর অভিযোগ, নিজ দলের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগের প্রস্তুতিকালে যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাকে গুলি করেছে। সূত্র জানায়, গতকাল বিকাল ৪টায় খিলগাঁও থানাধীন উত্তর গোড়ানের টেম্পো স্ট্যান্ডের সামনে দুই নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাবিবা চৌধুরী বীথির পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। ওই ওয়ার্ডের বিএনপির নির্বাচনী কমিটির পরিচালক ছিলেন আরজু। গণসংযোগের প্রস্তুতিকালে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে আরজুর বাম পায়ে এক রাউন্ড গুলি বিদ্ধ হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান দলের নেতাকর্মীরা। আরজু সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুলের লোকজন তাকে গুলি করেছে। তার আগে নির্বাচনী তৎপরতা শুরুর পর থেকেই স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছিলো তাকে। খিলগাঁও থানার এসআই ইফতেখার হোসেন জানান, গুলিবর্ষণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। গুলিবর্ষণকারীকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। উত্তর গোড়ানের ৩৯৮/বি নম্বর বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকেন নাজমুল হুদা আরজু।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের এক কাউন্সিলর প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন। হামলায় কাউন্সিলর প্রার্থী সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরীসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বিকাল ৩টায় সেগুনবাগিচা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ওই এলাকায় তখন গণসংযোগ করছিলেন কাউন্সিলর প্রার্থী সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী। গণসংযোগ চলাকালে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত তাদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। সারোয়ার চৌধুরীর ভাই ইকবাল চৌধুরী জানান, আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন রতনের লোকজন এই হামলা চালায়। আওয়ামী লীগের ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক আল রাজুর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলায় সারোয়ার চৌধুরীসহ প্রায় ২০ আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সারোয়ার চৌধুরীকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার চৌধুরী। এতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন রতন ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। শুরু থেকেই নানাভাবে সারোয়ার চৌধুরীকে বাধা দিচ্ছিলেন তারা। এ বিষয়ে ফরিদ উদ্দিন রতন বলেন, আল রাজুর ওপর হামলা করেছে সারোয়ারের লোকজন। অফিস থেকে বাসায় যাওয়ার পথে সেগুনবাগিচায় রাজুর ওপর হামলা চালানো হয়। নিজে হামলা করে এখন নাটক করছেন সারোয়ার।
এছাড়া, শান্তিনগর মোড়ে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আঞ্জুমান আরা বেগমের নির্বাচনী গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আঞ্জুমান আরার নির্বাচন পরিচালক আমিনুর রহমান অভিযোগ করেন, শান্তিনগর এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থী আঞ্জুমান আরার পক্ষে গণসংযোগের সময় ছাত্রলীগ অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এতে ওই কাউন্সিলর প্রার্থীসহ ১৫ জন সমর্থক আহত হয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে নারী মানবাধিকার কর্মীকে হত্যা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালের পাশে আছি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালে ভূমিকম্পের কবলে বাংলাদেশী তারকারা
কনকচাঁপা, কণ্ঠশিল্পী
আলহামদুলিল্লাহ ... এখনও বেঁচে আছি...
নিপুণ, অভিনেত্রী
শুটিং, শুটিং, শুটিং। হঠাৎ দেখলাম আমার গাড়ি নাচানাচি করছে। ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপার কি? পরে বুঝলাম সারা দেশে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
ইরেশ যাকের, অভিনেতা
সাকিবরা, সাব্বির কালকে এমন মারা মেরেছে যে আজকেও ভূমিকম্প হচ্ছে
মৌসুমি হামিদ, অভিনেত্রী
মেকআপ নিচ্ছি। হঠাৎ করে মাথাটা ঘুরছে মনে হচ্ছে। এরপর অনুভব করলাম পুরো ঘরটা নড়ছে। সামনে পুকুর ছিল।
পানি যেভাবে উথাল-পাতাল শুরু করল তা দেখে আসলেই ভয় পেয়েছি।
বিদ্যা সিনহা মিম, অভিনেত্রী
এইমাত্র ভূমিকম্প অনুভব করছি। আমাদের বাসার সবকিছু কেঁপে উঠছে।
আরিফিন শুভ, অভিনেতা
দেহ মন পৃথিবী সবই নড়ে ওঠলো...
নাজনীন আক্তার হ্যাপি, অভিনেত্রী
ভূমিকম্প কখন হল? তাও নাকি অনেক বেশি! ধুর আমি টের পেলাম না কেন?? মিস হয়ে গেল!
পান্থ কানাই, কণ্ঠশিল্পী
আমাকে ভালোই ঝাঁকাচ্ছে। ওরে বাবা একটু আগে আরেকবার ফিডব্যাক ঝাঁকানি দিল...
আমি আগেই বলছিলাম, পাকিস্তানরে এভাবে চুবানি খাওয়ানোটা ঠিক হয়নি... বর্ডা লাগসে... দুরু বদদোয়া লাগছে!
আনজাম মাসুদ, নির্মাতা
মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ শোকরিয়া বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হয়নি।
নুসরাত ফারিয়া, অভিনেত্রী
সারা দেশে ভূমিকম্প হচ্ছে। দয়া করে নিরাপদে থাকুন।
প্রসূন আজাদ, অভিনেত্রী
জীবনে প্রথমবার এত বেশিক্ষণ ভূমিকম্প অনুভব করলাম। আজকেই হয়তো কেউ ফতোয়া দিয়ে বসবে এই ভূমিকম্প মেয়েদের দোষের জন্য হয়েছে! তারা পর্দাসীন হয়ে চলে না বলে দেশে ভূমিকম্প হচ্ছে!
সাজু খাদেম, অভিনেতা
অলস বিবাহিত লোকদের জন্য সুখবর, মাত্রই বিশাল ভূমিকম্প হয়ে গেল!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতীয়-ইউরেশীয় প্লেটের ফাটলে হিমালয় বিপর্যয়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নির্বাচন কমিশন বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটারের মন কে বুঝিতে পারে? by ফারুক ওয়াসিফ
![]() |
| সাংসদ ইলিয়াস মোল্লাহর সঙ্গে মিরপুরে প্রচারাভিযানে আনিসুল হক |
উত্তরের মালিক প্রশ্নের মালিককে খুঁজে পেলেন না। প্রশ্নকারী তখনো বলে চলেছেন, ‘আপনারা ভোটের সময় ছাড়া আমাদের খোঁজ নেন কখনো?’ আওয়াজ শুনে সবাই এবার একসঙ্গে ওপরে তাকাল। রাস্তার পাশের বাড়ির দোতলার জানালায় দাঁড়িয়ে আছেন এক মধ্যবয়সী নারী। জবাবের আশায় তিনি তাকিয়ে আছেন আনিসুল হকের দিকে।
ঢাকা উত্তরে টেবিল ঘড়ি মার্কার প্রার্থী হক সাহেব হঠাৎ থতমত। বললেন, ‘এর উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব এমপি সাহেবের।’ এমপি সাহেব ভুরু কুঁচকে বললেন, ‘দাঁড়ান দাঁড়ান, কোন রাস্তার কথা কইতাছেন।’ উত্তরে ওই নারী আবারও বললেন, ‘এই যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন, সেটাও তো ভালো না। পল্লবী থেকে বের হওয়ার রাস্তাটাও সাত বছর ধরে মেরামত হচ্ছে না।’ ইলিয়াস মোল্লাহ এবার হাসতে হাসতে উত্তর দিলেন, ‘নির্বাচনের আগে দিয়া রাস্তার কাজ ধরুমনে।’
দোতলার নারী আর কিছু বলার সুযোগ পেলেন না। কর্মীরা স্লোগান তুললেন, এমপি ও মেয়র প্রার্থীকে নিয়ে রিকশা এগিয়ে চলল। এই রাস্তা ভাঙাচোরা হলেও পাকা। কিন্তু আমরা মোল্লা বস্তিতে ঢুকেছিলাম মোল্লা মার্কেটের পাশের যে রাস্তা দিয়ে, সেটায় খোয়া ঢালা চলছে। দু-এক দিনের মধ্যেই পিচঢালাই হবে। এক শ্রমিককে জিজ্ঞাসা করে জানলাম, কাজ শুরু হয়েছে ১৫-২০ দিন আগে। মেয়র নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকার অনেক রাস্তাই মেরামত চলছে। যে কাজ মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরে সিটি করপোরেশন ভুলে যাবে বলে সবার ধারণা, নির্বাচনী হাওয়ায় সরকার সেটি আগেই করে দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠবেই, কার জন্য এত আয়োজন, সরকার–সমর্থিত প্রার্থীর জন্য, নাকি ভুক্তভোগী নাগরিকদের জন্য?
গত বুধবার সকাল সোয়া ১০টা। মিরপুরের পল্লবী থানা পেরিয়ে মুসলিম বাজার আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের পাশে গিয়ে দাঁড়াল ১০-১২টি গাড়ির বহর। জমায়েত সমর্থকেরা স্লোগান তুলল। আনিসুল হক উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের সাফল্যের কথা বললেন, ভোটারদের প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ করে বক্তৃতা দিলেন। কেবল খেয়াল করলেন না, তিনি যেখানে দাঁড়িয়ে, সেই আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি পার্কের জমির ওপর নির্মিত!
ঘুরে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে দেখে এক যুবক এগিয়ে এলেন। বললেন, আপনারা কি আনিসুল হকের সঙ্গে এসেছেন? সাংবাদিক পরিচয় দিলে বললেন, ‘উনি তো ভালো প্রার্থী, কিন্তু এ এলাকায় যারা ওনার ইলেকশন করতেছে, তারা তো ভালো না।’ যুবকটি নিজের পরিচয় দিলেন ওই এলাকার ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের এক কেন্দ্রীয় নেতার ভাতিজা হিসেবে। এখন চাকরি করছেন। ঠিক একই কথা শুনি পল্লবীর পেছনের মোল্লা বস্তিতে।
দুপুর ১২টার দিকে বস্তির তিন ফুট চওড়া গলি দিয়ে হক ও মোল্লাহর প্রচার মিছিলের পেছন পেছন হাঁটছি। টিনের ঘরের দরজায় দাঁড়ানো এক নারী গলা চড়িয়ে বলে উঠলেন, ‘গার্মেন্টস বন্ধ সেই কোরবানির টাইমে, খামু, না ভোট দিমু?’ বাচ্চা কোলে গজগজ করতে করতে তিনি চলে গেলেন বস্তির আরও ভেতরে। সরু রাস্তার সরু মিছিলের এক যুবক বললেন অন্য কথা। তাঁর বিচারে মোল্লা বস্তির বেশির ভাগ ভোট আনিসুল হকই পাবেন। মোল্লা মার্কেটের মাছের ব্যবসায়ী হামিদ পাশে পাশে হাঁটছিলেন। ‘কারে ভোট দিবেন’ জানতে চাইলে বলেন, ‘ঠিক করি নাই।’ ভোটের আগে মানুষ সত্যটা বলতে চায় না। বলে, ‘কী জানি’ কিংবা ‘আল্লায় জানে’ অথবা ‘দেখি’। অভিজ্ঞ মানুষ মাত্রই বুঝবে, এই ভাষা নিজেকে লুকানোর ভাষা। এবারে ঢাকার ভোটাররা অনেক সাবধানি। তা হলেও অনেক চাপাচাপির পর মুখ খুললেন হামিদ। তাঁর হিসাবে ওই বস্তির বেশি ভোট বিএনপির প্রার্থীর দিকেই যাবে। ভোট কে বেশি পাবেন, সেটা দেখার জন্য ২৮ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে পরিচিতি ও লোকবলে আনিসুল হকই যে এগিয়ে, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।
তাঁর কাছ থেকে সরে অন্য এক পুরুষকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আপনাদের বস্তিতে টেবিল ঘড়ি মার্কার ভবিষ্যৎ কেমন?’ উত্তর এল, ‘আল্লায় জানে, তবে চোরের হাতে দিছে সব মাতব্বরি।’ এই সব অভিজ্ঞতা থেকে ভোলা বস্তির সামনের রাস্তায় পথসভার আগে আনিসুল হককে জিজ্ঞাসা করি, ‘কারওয়ান বাজারে খালেদা জিয়ার গাড়িতে হামলাকারীদের একজন আপনার পাশে দাঁড়িয়ে টেবিল ঘড়ি মার্কার প্রচার করছে, এমন ছবি গণমাধ্যমে এসেছে। আজ যাদের নিয়ে আপনি ঘুরলেন, এলাকায় তাদের ভাবমূর্তি বিষয়ে কি আপনি সতর্ক?’
উনি বললেন, ‘এত লোক আমার সঙ্গে ঘোরে। এদের সবার ব্যাপারে তো খোঁজ নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। আমার নজর সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের দিকে। ’
প্রশ্ন: আপনি তো অনেকগুলো জরিপের ভিত্তিতে প্রচার চালাচ্ছেন, তাহলে এ ব্যাপারে কেন জরিপ করেননি?
উত্তর: আমি ঢাকার সমস্যার ওপর জরিপ করেছি, প্রতিদিন ১০ হাজার মানুষের কথা রেকর্ড করছে আমার লোকেরা। তবে সন্ত্রাসীদের ওপরে কোনো জরিপ করিনি।
প্রশ্ন: মুসলিম বাজারের যে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের দরজায় দাঁড়িয়ে আপনি বক্তব্য দিয়েছেন, সেই জমিটা তো পার্কের। মেয়র নির্বাচিত হলে কি আপনি মাঠঘাট-জলাশয় দখলমুক্ত করতে পারবেন? তখন কি দখলদার-সন্ত্রাসীদের আপনার পাশ থেকে সরাতে পারবেন?
উত্তর: আমার ওপর ভরসা রাখেন।
তাঁর এক পাশে তখনো মিরপুরের প্রতাপশালী সাংসদ ইলিয়াস মোল্লাহ, অন্য পাশে যুবলীগ নেতা নিখিল। এলাকায় এই দুজনকে নিয়েই অনেক বিতর্ক আছে।
সব কাজেরই ভালো ও মন্দ দুই দিকই আছে। আনিসুল হক যে উদ্যম আর স্বতঃস্ফূর্ততা নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন, তারও ভালো-মন্দ আছে। মুসলিম বাজার থেকে মিছিল নিয়ে আধা কিলোমিটার এগোতেই ডান দিকে পড়ল ঈদগাহ মাঠ। বাচ্চারা সেখানে ক্রিকেট খেলছিল। আনিসুল হক হঠাৎ দৌড়ে গিয়ে ব্যাট হাতে নিলেন। জটলা তাঁকে ঘিরে হাততালি দিতে থাকল। কেউ একজন বল করল। তিনি সপাটে ব্যাট চালালেন। বল উড়ে চলে গেল অনেক দূরে। সবাই খুব খুশি। খেলা ছেড়ে আবার তিনি মিছিল নিয়ে হাঁটতে শুরু করলেন। হঠাৎ কিশোর বয়সী একটি ছেলে চিৎকার করে বলল, ‘বল হারাই গেছে।’
সেই মাঠের পাশেরই একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল কাইয়ুম। তিনি পরিষ্কার কণ্ঠে বললেন, ‘আনিসুল হক উপস্থাপক ছিলেন। মানুষ হিসেবে ভালো। আমার ভোট আমি তাঁরেই দিব।’ রূপনগরের কাছের এক সবজি বিক্রেতাকে টেবিল ঘড়ি মার্কার পোস্টার দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করি, ‘কেমন করবেন এই প্রার্থী?’ হাসতে হাসতে বললেন, ‘ভালো ভালো।’
মোল্লা বস্তি ও ভোলা বস্তি পেরোলে উর্দুভাষী বিহারিদের সেই কালশী বস্তি। গত বছর শবে বরাতের রাতে এক পরিবারের সাতজনসহ ১০ জন মানুষকে সেখানে পুড়িয়ে মারা হয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে স্থানীয় প্রভাবশালীদের দিকে। কালশী পেরোলেই নতুন সুন্দর-শোভন বিলাসী আবাসন ডিওএইচএস। আরেক দিকে নতুন ফ্লাইওভার চলে গেছে বনানী-গুলশান ও উত্তরার দিকে। একদিকে বস্তি, ভূমি-জলা দখল, সন্ত্রাস এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্তের কষ্টের চলাফেরা; অন্যদিকে তিলোত্তমা ঢাকা। যিনিই মেয়র নির্বাচিত হবেন, কষ্টের ঢাকাকে তিনি কি সুখের ঢাকার কাছে নিতে পারবেন? নাকি যে জীবন স্বস্তির, সামর্থ্যের, তার সঙ্গে কষ্টের জীবনের কখনো হবে নাকো দেখা? অনেক ভোটারের মনে এই প্রশ্নই আজ জাগ্রত।
ফারুক ওয়াসিফ: সাংবাদিক ও লেখক।
bagharu@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ভোটের সাথে চাওয়া–পাওয়ার সম্পর্ক নাই’ by মশিউল আলম
![]() |
| এলাকায় প্রচারাভিযানে আফরোজা আব্বাস |
তিনি মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের চলমান প্রচারাভিযানে এক ব্যতিক্রমী প্রচার নেত্রী। ব্যতিক্রমী এই কারণে যে তাঁর স্বামী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস একমাত্র মেয়র পদপ্রার্থী, যিনি আত্মগোপনে বলে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে অংশ নিতে পারছেন না এবং সে কারণে তাঁর সহধর্মিণীকেই নামতে হয়েছে এই কষ্টকর ও ঝক্কিপূর্ণ কাজে।
আফরোজা আব্বাস তাঁর স্বামীর জন্য প্রচারাভিযান শুরু করেছেন ৮ এপ্রিল সকাল থেকে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে শুরু করে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত তিনি হেঁটে চলেন ঢাকা দক্ষিণের পাড়া-মহল্লার অলিগলি। সিটি নির্বাচনে মেয়র পদের জন্য কোনো নারী প্রার্থী হননি, মির্জা আব্বাসের প্রতিনিধি হিসেবে আফরোজা আব্বাসই একমাত্র নারী, যাঁকে প্রায়-মেয়র পদপ্রার্থী বলে মনে হচ্ছে। কোনো কোনো সাংবাদিক তাঁকে জিজ্ঞাসা করছেন ‘মেয়র নির্বাচিত হলে আপনি ঢাকা দক্ষিণের জন্য কী করবেন?’
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তাঁর জনসংযোগ মিছিলের পিছু নিই পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসার পাশের এক কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে। এটি সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ড। এর আগে তিনি সকাল নয়টা থেকে জনসংযোগ করেছেন পার্শ্ববর্তী ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে।
বকশীবাজারের ওই গলিতে দেখলাম, জনা পঞ্চাশেক কর্মী-সমর্থক রয়েছেন তাঁর সঙ্গে, শক্ত-সমর্থ কয়েকজন হাতে হাত ধরে তাঁকে ঘিরে ধরে চলেছেন, তাঁদের পিছু পিছু স্লোগান দিতে দিতে চলেছেন অন্য নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। তাঁদের হাতে হাতে লিফলেট, একজনের হাতে ধবধবে সাদা সোলার বোর্ডে কালো কালিতে আঁকা একটা মগের ছবি। একজন বহন করে চলেছেন পানিভর্তি একটা জেরিক্যান। প্রচণ্ড রোদে দরদর করে ঘামছেন প্রত্যেকে, ঘামে চকচক করছে তাদের কপাল। চোখে-মুখে দারুণ উত্তেজনা।
স্টিল ফটো ক্যামেরা ও ভিডিও ক্যামেরাসহ আছেন বেশ কিছুসংখ্যক সাংবাদিক। সেই ভিড়ে দেখলাম, ভিডিও ক্যামেরা হাতে বিটিভির একজন সাংবাদিকও আছেন। মির্জা আব্বাসের কর্মীদের মধ্য থেকে কেউ কেউ পেছন থেকে ডাকছিলেন, ‘ওই বিটিভি, ওই বিটিভি, ছবি যে নিতাছেন, প্রচার তো করবেন না!’
অবশ্য তাঁদের এই তির্যক কথাগুলো চাপা পড়ে যাচ্ছিল কর্মীদের স্লোগানের নিচে: ঢাকার ছেলে আব্বাস ভাই/ মগ মার্কায় ভোট চাই; ভোট চাই ভোটারের/ দোয়া চাই সকলের ইত্যাদি। গলির দুই পাশে সারি সারি দোকানের লোকজন উৎসুক চোখে তাকাচ্ছেন, কেউ কেউ হাসিমুখে হাত নাড়ছেন, মাথা দোলাচ্ছেন। আফরোজা আব্বাস কোনো কোনো দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ে সালাম দিয়ে লিফলেট এগিয়ে দিচ্ছেন, দোয়া চাইছেন, তারপর হাসিমুখে বেরিয়ে এসে আবার হেঁটে চলেছেন।
উর্দু রোডের এক জায়গায় পৌঁছে তিনি ঢুকে পড়লেন বেশ চিকন একটা গলির ভেতরে, কর্মীদের সবাই সেখানে ঢুকতে পারলেন না, তাঁরা গলিতে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে লাগলেন। আমি কষ্ট করে গলিটির ভেতরে ঢুকে একটু এগোতেই দেখতে পেলাম একটা মন্দির। আফরোজা আব্বাস মন্দিরের ভেতরে ঢুকে সেখানকার লোকজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন, লিফলেট দিলেন, তারপর বেরিয়ে এলেন। ফুরসত পেয়ে কজন সাংবাদিক তাঁকে ঘিরে ধরে প্রশ্ন করতে লাগলেন। একজন জানতে চাইলেন, ‘প্রচার করতে নেমে আপনি কেমন সাড়া পাচ্ছেন?’ উত্তরে আফরোজা আব্বাস বললেন, ‘ভালো সাড়া পাচ্ছি। কিন্তু আমাদের পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। প্রতিদিনই মিছিলের পর তিন-চারজন কর্মীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমি কোনো বাসায় ঢুকলে পরে পুলিশের লোকেরা সেই বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। সব রকম উপায়ে আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।’
সেখান থেকে বেরিয়ে আবার শুরু হলো হাঁটা। মিছিলের ভিড়ে প্রচণ্ড ঠেলাঠেলিতে পথচলা দায়। কর্মীরা কেন নিজেদের মধ্যে ঠেলাঠেলি, ধাক্কাধাক্কি করছিলেন, তা আমার বোধগম্য হলো না। একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, এমন ধাক্কাধাক্কির কারণ কী। তিনি আমার সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মৃদু হেসে বললেন, ‘আপনি সামনে আগায়া যান, আপার আগে আগে থাকেন। পিছে এই ঠেলাধাক্কা সামলাইতে পারবেন না।’
কিন্তু কেন এই ‘ঠেলাধাক্কা’? আমি জানতে চাইলাম, পেছন থেকে মিছিলের ওপর আক্রমণের আশঙ্কা আছে কি না?
‘কিছুই বলা যায় না।’
‘এর আগে কি সে রকম কিছু ঘটেছে? ’
‘মিছিলে অ্যাটাক করে নাই। কিন্তু যেসব নেতা-কর্মী প্রচারে একটু বেশি অ্যাকটিভ, তাদেরকে হয়রানি করা হইতেছে। রাত্রেবেলা তারা বাসায় থাকতে পারে না। তাদের বাসায় তল্লাশি করা হইতেছে। আর দ্যাখেন, মির্জা আব্বাসের পোস্টার কম। আমরা পোস্টার লাগাই, আর আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের পোস্টার ছিড়্যা ফেলে।’
বকশীবাজারের সেই কমিউনিটি সেন্টারের পাশ থেকে আসার সময় অলিগলিতে টানা দড়িতে ঝোলানো অজস্র পোস্টার দেখতে পেয়েছি, সেগুলোর অধিকাংশই ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের পোস্টার। মেয়র পদপ্রার্থীদের পোস্টার চোখে পড়েছে কদাচিৎ। যেমন বিরল মির্জা আব্বাসের পোস্টার, তেমনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী সাঈদ খোকনের পোস্টারও চোখে পড়েছে কম।
মিছিলটা সামনে এগিয়ে গেলে আমি একটু থামি। আশপাশের দোকানগুলোতে ঢুঁ মারি, যেখানে যেখানে আফরোজা আব্বাস এইমাত্র তাঁর স্বামীর হয়ে লিফলেট দিয়ে গেছেন। এক বয়স্ক দোকানিকে জিজ্ঞাসা করি, ‘ভোট দিতে যাবেন?’
তিনি হেসে বললেন, ‘কত দিন পর ভোট হইতেছে, যাব না কেন?’
‘যাঁকে মেয়র পদে ভোট দেবেন, তাঁর কাছে আপনি কী চান?’
তিনি হেসে বললেন, ‘শোনেন, ভোটের সাথে চাওয়া-পাওয়ার সম্পর্ক নাই।’
‘কিছুই চান না? তাহলে রোদের মধ্যে কষ্ট করে ভোট দিতে যাবেন কেন?’
এবার তিনি বললেন, ‘চাই তো অনেক কিছুই। কিন্তু চাইয়া তো লাভ নাই। পাবলিকের চাওয়ায় কিছু আসে যায় না।’
‘আপনার যে অনেক কিছু চাওয়ার আছে, এটা কি মির্জা আব্বাস সাহেবের ওয়াইফকে বললেন?’
‘তাই কি বলা যায়?’
এক সুযোগে আফরোজা আব্বাসকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আপনি যে লোকজনের কাছে আপনার স্বামীর জন্য ভোট চাচ্ছেন, তো ভোটাররা আপনার কাছে কী চাচ্ছে?’
উত্তরে তিনি বললেন, আমার প্রশ্নটা অত্যন্ত ভালো একটা প্রশ্ন। তারপর বললেন, ‘কোনো ভোটার এ পর্যন্ত কিছু চায়নি। কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেনি, আপনি ভোট চাচ্ছেন, তার বিনিময়ে আপনার স্বামী আমাদের জন্য কী করবেন। সবাই আমাকে বলেছেন, আমরা ভোট দিতে চাই। গুম-খুনের রাজত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা ভোট দিতে চাই। পরিবর্তনের জন্য আমরা ভোট দিতে চাই।’
মুহূর্তের জন্য মনে হলো, এটা যেন নগরবাসীর সুখ-দুঃখ দেখভালকারী নির্বাচনের লড়াই নয়, আমি যেন প্রত্যক্ষ করছি জাতীয় রাজনীতির ভোটযুদ্ধ, যেখানে সরকারবিরোধী পক্ষটি মনে করছে জনগণ যে সরকারের পাশে নেই, তা দেখিয়ে দেওয়ার একটা বিকল্প সুযোগ তাদের সামনে এসে গেছে। সেই সুযোগ তারা ছাড়তে রাজি নয়, এটা বোঝা গেল আফরোজা আব্বাসের পরের কথাগুলো শুনে: ‘মির্জা আব্বাসকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার আসামি করে, তাঁকে জামিন না দিয়ে, তাঁকে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সুযোগ না দিয়ে, আমাদের ওপর হয়রানি করে, নানা পন্থায় সরকার আমাদের নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চাচ্ছে। সরকার চাচ্ছে আমরা যেন নির্বাচন বর্জন করি। কিন্তু আমরা সেটা কোনোভাবেই করব না।’
তিনি শেষের বাক্যটি উচ্চারণ করার সঙ্গে সঙ্গে কর্মীরা জোরে স্লোগান দিয়ে উঠলেন।
মিছিলের পেছনে ঘুরে ঘুরে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করছিলাম, মির্জা আব্বাস ও সাঈদ খোকনের মধ্যে ভোটযুদ্ধ সম্পর্কে ভোটারদের মনোভাব কী। সমর্থনের পাল্লা কোন দিকে ভারী। কিন্তু মাত্র ঘণ্টা দুয়েক ঘুরে ও কথাবার্তা বলে সেটা অনুমান করা প্রায় অসম্ভব। সমর্থনের ঢেউ বা জোয়ার বলে যে একটা কথা শোনা যায়, সেটা এখনো কোনো পক্ষেই স্পষ্ট হয়ে জেগে ওঠেনি। আফরোজা আব্বাসের দিকে হাসিমুখে হাত নাড়া কিংবা সায় দিয়ে মাথা দোলানো দেখে সম্ভবত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না যে এই ভোটারদের সবাই মির্জা আব্বাসের মগ মার্কায় ভোট দেবেন। জানি না, সাঈদ খোকনের নির্বাচনী প্রচার মিছিলের সময়ও এই ভোটাররা একইভাবে হাসিমুখে হাত নাড়েন কি না, একইভাবে সায় দিয়ে মাথা দোলান কি না।
মশিউল আলম: সাংবাদিক।
mashiul. alam@gmail. com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী -সাক্ষাৎকারে নজরুল ইসলাম খান by শরিফুজ্জামান
প্রথম আলো . তিন মাসের এই আন্দোলন সফল না ব্যর্থ?
নজরুল ইসলাম খান . তিন মাসের আন্দোলনে সফলতা ও ব্যর্থতা দুই-ই আছে। এই সময়ে দলটি দেশে-বিদেশে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে পেরেছে। তা ছাড়া, এই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা নিজ দলের শক্তি ও সামর্থ্য বুঝতে পেরেছি। সরকারের মনোভাব ও অবস্থান সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে আমি এই আন্দোলনকে ব্যর্থ বলব না।
প্রথম আলো . প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী বলছেন, আপনাদের এই আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে। আপনাদের মূল্যায়ন কী?
নজরুল ইসলাম খান . সফলতা বলতে তাঁরা কী বোঝান, জানি না। আমরা তো আর এখনই সরকার ফেলে দেওয়ার আন্দোলন করিনি। দেশে-বিদেশে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি প্রতিষ্ঠিত ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আমরা সরকারের মধ্যে বড় ধরনের ভীতি লক্ষ করেছি। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হলে তাদের এমন ভয় থাকত না।
প্রথম আলো . প্রায় দেড় মাস বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের ভেতর কেমন ছিলেন?
নজরুল ইসলাম খান . চেয়ারপারসনসহ আমরা ৬২ জন নেতা-কর্মী ও নিরাপত্তাকর্মী সেখানে থেকেছি। একটি কার্যালয়ে এত দিন ধরে এতগুলো মানুষের খাওয়া, গোসল, ঘুমানোর বিষয়টি কতটা কষ্টকর ছিল, তা বলে বোঝানো যাবে না। ব্যাকপেইনসহ কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমাকে চেয়ারপারসন হাসপাতালে যেতে বলেন। আরও কয়েকজন অসুস্থ হন। কিন্তু আমরা কেউই ওনাকে ফেলে যেতে চাইনি। শেষ পর্যন্ত তিনি আমার উপযোগী একটি ক্যাম্প খাট জোগাড় করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
প্রথম আলো . বাসা ছেড়ে চেয়ারপারসন ও আপনারা দলীয় কার্যালয়ে থাকতে গেলেন কেন? বাসায় থেকে কি আন্দোলন করা যেত না?
নজরুল ইসলাম খান . চেয়ারপারসন তো আর ইচ্ছা করে সেখানে থাকেননি। নিশ্চয়ই সবার মনে আছে, তাঁকে বের হতে দেওয়া হয়নি। তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে কার্যালয়ের ভেতরে রেখে ফটক আটকে দেওয়া হয়েছিল। সেই তালা যখন ভিন্ন উদ্দেশ্যে খুলে দেওয়া হয়, তখন তিনি আর বের হননি। এ ছাড়া দলের নেতা-কর্মীদের ওপর অন্যায়ভাবে যে নিপীড়ন চালানো হচ্ছিল, যেভাবে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল, তাদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করার জন্যই তিনি তিনটি মাস একটিমাত্র কক্ষে অবস্থান করেছিলেন।
প্রথম আলো . আপনাদের আন্দোলন চলার সময় এতগুলো নিরীহ মানুষ মারা গেল। এর দায় কি আপনাদের নয়?
নজরুল ইসলাম খান . এতগুলো মানুষের মৃত্যু দুঃখজনক। কিন্তু বিএনপির আন্দোলন চলাকালে তারা মারা গেছে বলে এই দায় বিএনপির ওপর চাপানো ঠিক নয়। ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার অন্যায় আগ্রহ গোটা ঘটনার জন্য দায়ী। বিএনপির পক্ষ থেকে এসব সহিংসতার নিন্দা ও দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি করা হয়েছে। কিন্তু তা না করে বিএনপি ও ২০ দলের নেতা-কর্মীদের আটক করে ক্রসফায়ারের নামে খুন করেছে, পায়ে গুলি করে পঙ্গু করেছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেও একই কায়দায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি, বিচারও করা হয়নি। কেন? তাহলে প্রমাণ হতো সরকারি দলের লোকজনই এসব ঘটিয়েছে।
প্রথম আলো . নাশকতার সময় বিএনপি, যুবদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী আটক হয়েছেন। দায় এড়াবেন কীভাবে?
নজরুল ইসলাম খান . সারা দেশে এতগুলো পেট্রলবোমা মারা হলো, কিন্তু হাতেনাতে বিএনপির কেউ ধরা পড়ল না। র্যাব-পুলিশের হাতে ধরা পড়লে তারা যেভাবে ঘটনা সাজাতে চায়, সেভাবেই হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর থেকে পেট্রলবোমাসহ বোমা বানানোর জিনিস, বেআইনি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের যেসব খবর বের হয়েছে, তার কি কোনো বিচার হয়েছে। আমরা কাউকে বোমা মারতে বলিনি, এর দায় আমরা কেন নেব?
প্রথম আলো . কিন্তু মীর নেওয়াজ আলীর বাড়ি থেকে তো পেট্রলবোমাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান . ওই বাড়িতে তাঁদের কেউ থাকতেন না। ওটা ছিল তাঁদের মালিকানাধীন ভাড়া বাড়ি। নিজের বাড়িতে কেউ এমন শক্তিশালী বিস্ফোরক রাখবে না। তা ছাড়া, এ ধরনের শূন্য ফ্ল্যাটে অভিযানের সময় শনাক্ত করার জন্য বাড়ির মালিক বা তাঁর প্রতিনিধি অথবা প্রতিবেশী কাউকে সঙ্গে নেওয়া হয়নি। কিন্তু টিভি ক্যামেরা ছিল। কারণ, ঘটনাটি ছিল সাজানো। এবং উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো।
প্রথম আলো . বিএনপির চেয়ারপারসন হরতাল-অবরোধ ডাকলেন। একটি বড় বিক্ষোভ-সমাবেশ করার ক্ষমতা কি দলের নেই?
নজরুল ইসলাম খান . আসলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা শান্তিপ্রিয়। বিএনপি একটি সমাবেশ করলে প্রচুর লোকসমাগম হয়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমাবেশেও এত মানুষ হয় না। কিন্তু বিএনপির সমাবেশে বোমা-ককটেল ফুটলে অর্ধেক সমর্থক চলে যায়, পুলিশ গুলি করলে সমাবেশ ফাঁকা হয়ে যায়। তাই বিপুল জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও আইনি অস্ত্রের বেআইনি প্রয়োগের মুখে দলটি মাঠ দখলে রাখার রাজনীতির ক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে। বিএনপি কিংবা ২০ দলের দু–চারজন কর্মী কোথাও এক হলেই সেখানে গুলি করা হয়। এ অবস্থায় বিক্ষোভ সমাবেশ করা কঠিন হলেও আমাদের কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে, গুলি খেয়েছে, গ্রেপ্তার হয়েছে।
প্রথম আলো . বিএনপির অবস্থান কিছুটা নমনীয় বলে মনে করেন কি? তৃতীয় পক্ষ এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বলে গুঞ্জন আছে।
নজরুল ইসলাম খান . তৃতীয় কোনো পক্ষের এমন উদ্যোগ নেওয়ার কথা আমি জানি না। তবে শান্তি ও স্থিতিশীলতা সবার জন্য, বিশেষ করে সরকারের জন্য খুবই প্রয়োজন। কিন্তু এ জন্য যে ধরনের আচরণ ও যৌক্তিক কার্যক্রম থাকা দরকার, তা সরকারের ছিল না। সরকার দেরিতে হলেও এটা হয়তো কিছুটা বুঝতে পেরেছে।
প্রথম আলো . তিন মাসে খালেদা জিয়া না লন্ডন থেকে তারেক রহমান আন্দোলন পরিচালনা করেছেন?
নজরুল ইসলাম খান . তারেক রহমানের সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগ বেশ ভালো। এমনকি আমাদের অনেক নেতার চেয়েও তিনি বেশি যোগাযোগ রাখতেন। তাই বলে তিনি বিদেশে থেকে আন্দোলন পরিচালনা করেছেন, এটা ঠিক নয়। বিএনপির চেয়ারপারসন সবার সঙ্গে আলোচনা করেই কর্মসূচি ঠিক করেছেন এবং আন্দোলন পরিচালনা করেছেন। তারেক রহমানকে যারা ভয় পায়, তারা এসব কথা ছড়ায়।
প্রথম আলো . আন্দোলন থেকে হঠাৎ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ কী?
নজরুল ইসলাম খান . বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচনমুখী দল। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এই নির্বাচনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি তাদের দাবি, যুক্তি ও গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরতে চায়।
প্রথম আলো . তিন সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে মনে করেন?
নজরুল ইসলাম খান . নির্বাচন কমিশন যে ধরনের অনুগত প্রতিষ্ঠান, তাতে নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সংশয় থেকে যায়। তা ছাড়া, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চট্টগ্রামে মহিউদ্দিন চৌধুরী ও ঢাকায় হাজি সেলিমকে বসিয়ে দিলেন, তাতে বোঝা যায়, দলটি এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। যেকোনো উপায়ে তাদের জেতার চেষ্টা থাকবে। তবে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি, ভোটারদের সচেতনতা ও গণমাধ্যমের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন হবে। তার পরও দুশ্চিন্তা হলো, এই সরকার সমালোচনার পরোয়ানা করে না। ভোটারবিহীন ও প্রার্থীবিহীন নির্বাচন করেও তারা দাবি করে যে জনগণের রায় নিয়ে তারা ক্ষমতায় আছে। এই নির্বাচনেও ভোট না পেয়ে তারা আবার জনগণের রায় পেয়েছে বলে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে এটা তাদের জন্য বেশ বড় ঝুঁকি হবে।
প্রথম আলো . ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে একাদশ নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা বা সমঝোতা কি হয়েছিল? তারানকোর উপস্থিতিতে দুই দলের মধ্যে কী কথা হয়েছিল?
নজরুল ইসলাম খান . অস্কার ফার্নান্দো তারানকোর উপস্থিতিতে দশম নির্বাচনের আলোচনা সফল হয়নি। সরকার বলেছিল, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নির্বাচন পেছানো সম্ভব নয়, যদিও সুযোগ ছিল। তবে সর্বশেষ কথা ছিল, পরবর্তী নির্বাচনের জন্য আলোচনা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু গত সোয়া বছরে সরকার আলোচনায় বসতে চায়নি। এমনকি ওই নির্বাচনের আগে-পরে সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীগণ শিগগিরই একাদশ নির্বাচনের কথা বললেও এখন দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে ২০১৯ সাল। সরকারি দলের এই অবস্থান পরিবর্তন জনগণকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে।
প্রথম আলো . বিএনপি মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে, সোজা কথায় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে কি? একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই গাঁটছড়া কি আপনাকে পীড়া দেয় না?
নজরুল ইসলাম খান . এটা করতে হলে তো আলোচনা করতে হবে। শুধু যুদ্ধাপরাধী কেন, দুর্নীতি, অনাচার রোধ, সন্ত্রাস, বেকারত্ব, কৃষি ও শিল্প উন্নয়ন, পরীক্ষার সময় কেউ হরতাল করতে পারবে না, যারা সরকারে থাকবে, তাদের আচরণ কেমন হবে, বিরোধীদের প্রতি সরকারের বা সরকারের প্রতি বিরোধীদের আচরণ কেমন হবে—এসব বিষয়েও আলোচনা ও সমঝোতার প্রয়োজন। কিন্তু তার আগে প্রয়োজন এই বিষয়ে একমত হওয়া যে দেশের সরকার নির্বাচিত হবে জনগণের সমর্থনে। আর এ জন্য সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প নেই। একজন সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি অবশ্যই মানবতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, গণতন্ত্র হত্যাকারী, স্বৈরাচারী এবং ক্ষমতায় থাকা বা যাওয়ার জন্য মানুষ খুনের বিপক্ষে। এসব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যই তো আমরা যুদ্ধ করেছিলাম। এসব পাওয়ার জন্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বিকল্প নেই। এ জন্য সরকার আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি না করার সুযোগ খুঁজলে তো কিছুই হবে না।
প্রথম আলো . আপনাকে ধন্যবাদ।
নজরুল ইসলাম খান . ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জার্মান সুন্দরীর সঙ্গে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর রোমান্স
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসমাপ্ত এক সংলাপ by দ্বিজেন শর্মা
![]() |
| রেইনট্রির নিচে লেখক দ্বিজেন শর্মা |
গাছের নিচে রাখা একটি বেঞ্চিতে বসলাম, সামনে স্ট্যান্ডে বসান ঢাউস ক্যামেরা আমার দিকে তাক করা। তার দিয়ে আমাকে একটি মাইক্রোফোনের সঙ্গে যুক্ত করে সেটি আমার পকেটে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। আকাশে মেঘের ঘনঘটা। তাড়া দিলাম এবং একটি ছেলে এসে আমার পাশে বসল। শুরু হলো সংলাপ।
বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের গাছপালা সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন।
আমাদের তাহলে ফিরতে হবে ১৯০৫ সালে, যখন পূর্ববঙ্গ ও আসাম একত্র করে ঢাকায় নবগঠিত এই প্রদেশের রাজধানী নির্মাণ হতে চলেছে রমনা এলাকায়, আর তাতে ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর গোটা রমনা গ্রিন, বর্তমান সচিবালয় ও নীলক্ষেত। ১৯১১ সালে নতুন এই প্রদেশ গঠনের পরিকল্পনা পরিত্যক্ত হয় এবং পরিকল্পিত রাজধানীতে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯২১)। মন্ত্রীদের যে বাড়িগুলো দেখ, সেগুলোতে একসময় থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। গোটা রাজধানী হস্তান্তরিত হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে। রাজধানীর বৃক্ষসজ্জার দায়িত্ব পান লন্ডনের কিউ বোটানিক গার্ডেনের এক কর্মকর্তা আর. এল প্রাউডলক। তিনি ১৯০৮ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত এখানে কর্মরত ছিলেন। তিনি দেশি-বিদেশি গাছপালা দিয়ে শহরের পথগুলো সাজান, যার সামান্য অবশিষ্টই শুধু আজ টিকে আছে মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে। তাই এই এলাকার বড় বড় গাছগুলোর বয়স জানার জন্য তাঁর থাকাকালীন সময়কে ভিত্তি হিসেবে ধরা যেতে পারে, যদিও তার আগেও এখানে কিছু গাছ ছিল এবং পরেও অনেক গাছ লাগানো হয়েছে। রমনা পার্কের গাছগুলো অনেক পরে লাগানো একমাত্র কুসুমগাছের সারি এবং একটি মহুয়া ও দু–তিনটি রেইনট্রি ছাড়া। ১৯১৮ সালে প্রাউডলক দেশে ফেরেন, আমাদের জন্য রেখে যান উদ্যান-নগর নির্মাণের একটি প্রত্নকাঠামো বা আর্কিটাইপ।
—বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকা নির্মাণের সময় কি গাছপালা কাটা পড়েছিল?
—আমি তখন ঢাকায় ছিলাম না। অবশ্যই কাটা পড়েছে, শুনেছি একমাত্র বাওবাব গাছটিও রেহাই পায়নি।
—বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন এলাকায় গাছের সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত স্মৃতি জড়িত থাকলে সেগুলোর কথা বলুন।
—এদের কোনোটিই আর নেই। ঢাকা হলের তৃতীয় তলায় পূর্ব দিকের শেষ কক্ষে থাকতাম। কোনো কোনো রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে মেডিকেল কলেজের সামনের গগন-শিরীষগাছের সারিগুলো দেখতাম। নিঃশব্দ চরাচর। মনে হতো ওরা গাছ নয়, অনৈসর্গিক কোনো সত্তা ক্ষণিকের জন্য সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে, উড়ে যাবে যেকেনো মুহূর্তে। ওদের থেকে চোখ ফেরাতে পারতাম না। কার্জন হল চত্বরে উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের বোটানিক গার্ডেনের সীমানায় ছিল দুটি গ্লিরিসিডিয়ার গাছ, সেগুলো বসন্তের শুরুতে হালকা বেগুনি সাদা ফুলে ভরে উঠত। একটি কোকিল গাছে বসে সারা দিন অবিরাম ডেকে চলত। আমি ও আমার এক সহপাঠী প্রায়ই বিকেলে ওই গাছের নিচে বসে গল্প করতাম। একসময় গোটা এলাকা নির্জন হতো, সন্ধ্যা নামত, আমরা বসেই থাকতাম। হঠাৎ করেই মনে হতো কার্জন হলের বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছেন এক মোগল রাজকন্যা, অপরূপ সজ্জা, পিঠে দীর্ঘ বেণি, যেন এখনই নেমে আসবেন নিচের সবুজ তৃণাঙ্গনে। প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তার সামান্য পশ্চিমে গোলচত্বরে ছিল একটি পাকুড়গাছ, তাতে পেঁচিয়ে উঠেছিল স্পেক্টাবিলিস জাতের একটি বাগানবিলাস, বেগুনি রঙের ফুলে ভরে উঠে আমাদের বসন্তের আগমনী বার্তা জানাত। এক আশ্চর্য দৃশ্য। তখন এত যানজট, মানুষজন ছিল না। লোকে দাঁড়িয়ে থেকে সেই অপূর্ব শোভা দেখত। মিন্টো ও হেয়ার রোডের মিলনস্থলের গোলচত্বরের সুগন্ধি ফুলের বিশাল নাগলিঙ্গমগাছটিও আর নেই। পার্কে বেড়াতে আসা সবাই ওই গাছটি অন্তত একবার দেখে যেতেন।
—ঢাকা এখন কংক্রিটের শহর, হারিয়ে ফেলেছে বাসযোগ্যতা। কীভাবে এই শহরের পুনরুদ্ধার সম্ভব?
—আমার জানা নেই। টিভির টক শোতে নাগরিকদের বিষণ্ন² আলাপন শুনি। মনে পড়ে ছাত্রজীবনের কথা। আমরা প্রায়ই বেড়াতে যেতাম বুড়িগঙ্গার পাড়ে এবং স্বপ্ন দেখতাম ঢাকা একদিন উদ্যান-নগর হবে। নদীর দুই পাড়ে থাকবে রয়েল পামের সারি ও নিওন বাতিশোভিত বুলেভার, জিঞ্জিরার মাঠ হবে খোলা ময়দান, সারা শহরে থাকবে প্রাউডলকের রমনা গ্রিন আদলের বৃক্ষসজ্জা—ছায়াময় মায়াময়। বর্তমান ঢাকা আজ আমাদের দুঃস্বপ্নের অতীত। ষাটের দশকের গোড়া থেকে আমি ঢাকার উন্নয়নের ধারা লক্ষ করে আসছি। যেসব উপাত্ত একটি মানবিক শহর নির্মাণকে পরাস্ত করে, সেগুলো ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে, শক্তিধর হয়ে উঠেছে। এগুলো থামানো আমাদের সাধ্যাতীত।
—তাহলে আমাদের কোনো আশা নেই?
মাথা নাড়ি, কোনো সদুত্তর খুঁজে পাই না। তখনই বৃষ্টি নামে এবং আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু হয়। বাড়ি ফেরার পথে এই আলাপন আমাকেও বিষণ্ন করে। ভাবি, বলা উচিত ছিল—আশা আছে একটিই এবং সেটি তোমরা, দেশের নতুন প্রজন্ম।
দ্বিজেন শর্মা: লেখক, নিসর্গবিদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 26
(34)
- মাহীর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা
- খালেদার কান্না, নীরব প্রতিশোধের আহবান- খালেদা জিয়া...
- ভারতীয়-ইউরেশীয় প্লেটের ফাটলে হিমালয় বিপর্যয়
- সেনা মোতায়েন নিয়ে টালবাহানায় শঙ্কা বাড়ছে
- রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ভোট চাই না আমি -আনিসুল হক
- ভোটের আগে হামলা ধরপাকড়
- পাকিস্তানে নারী মানবাধিকার কর্মীকে হত্যা
- নেপালের পাশে আছি
- নেপালে ভূমিকম্পের কবলে বাংলাদেশী তারকারা
- ভারতীয়-ইউরেশীয় প্লেটের ফাটলে হিমালয় বিপর্যয়
- ‘নির্বাচন কমিশন বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে’
- ভোটারের মন কে বুঝিতে পারে? by ফারুক ওয়াসিফ
- ‘ভোটের সাথে চাওয়া–পাওয়ার সম্পর্ক নাই’ by মশিউল আলম
- বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী -সাক্ষাৎকারে ন...
- জার্মান সুন্দরীর সঙ্গে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্...
- অসমাপ্ত এক সংলাপ by দ্বিজেন শর্মা
- চট্টগ্রামে খালেদার চিঠি দিনভর আলোচনা by কাজী সুমন ...
- ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে জিতবো’ -মনজুর আলম ...
- কাঁদছে নেপাল
- কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের জন্য নির্বাচন করছি না - আ...
- ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ১৫৩১, ধ্বংসস্তূপ নেপাল : একসঙ...
- মুখোমুখি হতে ভয় কেন? by বিশ্বজিৎ চৌধুরী
- তরুণেরাই পারে by সালমা খান
- বিজয়ের সুন্দর উদযাপন by আনিসুল হক
- চাঁপার খুনি ও দুর্বৃত্তদের রক্ষার চেষ্টা by মালেকা...
- শেষ মুহূর্তে মরিয়া ঢাকা উত্তর দক্ষিণের মেয়র প্রার্...
- নির্বাচন মনিটর করবেন খালেদা -আজ সংবাদ সম্মেলন
- দক্ষিণ যেন ঢাকা পড়ে না যায় উত্তরে! by খ. আলম
- আটে মাঠে চার by মারুফ কিবরিয়া
- কথার লড়াইয়ে মনজুর-নাছির
- আওয়ামী লীগ জোর করতে পারে, কেন্দ্র পাহারা দিন -অলি ...
- দায় অস্বীকারের সংস্কৃতি- নির্বাচন কমিশনের ঘুম ভাঙুক
- খাপড়া ওয়ার্ড- এমন মৃত্যু আগে দেখিনি by সত্যরঞ্জন ভ...
- চিলির আগ্নেয়গিরি এখনো ফুঁসছে
-
▼
Apr 26
(34)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...















