Sunday, September 27, 2015
মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট সোমবার
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করার পরেও কেন পরীক্ষা বাতিল অথবা তা তদন্ত না করে তড়িঘড়ি করে ফল প্রকাশ করা হলো’। শহীদ মিনারের সমাবেশে পরীক্ষার্থীরা বলেছেন, নেগেটিভ মার্কিংয়ের এ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বার ১৯৮.৬ পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। নেগেটিভ মার্কিং হলে যত ব্রিলিয়ান্ট পরীক্ষার্থী অথবা যত সহজ প্রশ্নই হোক কখনো এতো নাম্বার কেউ পেতে পারে না।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ১৮ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা দিয়ে অনেকেই ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের সাথে যে প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে এর হুবহু মিল পেয়েছে। র্যাবের কর্মকর্তারা কষ্ট করে প্রশ্নসহ কয়েকজনকে ধরলেন কিন্তু কর্তৃপক্ষ এতে গা করেননি। এটা খুবই লজ্জাজনক। এতে করে এলিটফোর্স র্যাবের সদস্যরা প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে সাহস ও আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
পরীক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কবে যে ওসব র্যাব কর্মকর্তাদের শাস্তিমুলক বদলী করা হয় অথবা শাস্তি দেয়া হয় আমরা জানিনা?
শিক্ষার্থীরা বলেছেন, এটা মানুষের জীবন-মরনের সাথে জড়িত। মেধাহীনদের এখানে ভর্তি করা হলে এরা রোগী মারবে, ভুল চিকিৎসা করবে। সুস্থ মানুষকে অসুস্থ করে তুলবে। আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, প্রশ্ন হওয়া এ পরীক্ষা বাতিল করে আবারো পরীক্ষা নেয়া হোক, প্রকৃত মেধাবীদের ভর্তি করা হোক মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিহত হাজিদের ৬৫০ জনের ছবি প্রকাশ, ৩ জন বাংলাদেশি
নিহত বাংলাদেশি তিনজনের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর হলেন খুলনার মো. শহীদুল ইসলাম আর ঢাকার সাভারের আমিনুর রহমান। অন্য আরেকজন পুরুষ হাজিকে বাংলাদেশি বলে শনাক্ত করা হলেও তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যদিকে আরেক হাজি ফিরোজা খানমের পরিবারের পক্ষ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ আজ বা আগামীকাল সোমবার নিহত অন্য হাজিদের ছবি প্রকাশ করতে পারে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করছে।
তবে ঢাকার সাভার থেকে এবার হজে যাওয়া এক আমিনুর রহমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তির পর সৌদি আরবে প্রথম আলোর প্রতিবেদক ফেরদৌস ফয়সালের সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি প্রথম আলোর প্রতিবেদককে বলেছেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তির কারণে তাঁর পরিচিতজনেরা ভেঙে পড়েছেন বলে বাংলাদেশ থেকে তাঁর কাছে খবর গেছে।
অবশ্য সৌদি আরবে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপ হওয়া হাজি আমিনুর রহমান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা আমিনুর রহমান একই ব্যক্তি কি না সেটি প্রথম আলোর প্রতিবেদক তাৎক্ষণিক ভাবে নিশ্চিত করতে পারেননি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিনায় পদদলনের শিকার হয়ে থাকতে পারেন এমন বাংলাদেশি হাজিদের ছবি মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে হজ এজেন্ট, আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনেরা তাঁদের শনাক্ত করতে পারেন। মেডিকেল দলগুলো মক্কার বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করছে ও নিখোঁজ হাজিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস ও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল হজ মিশনের সঙ্গে মিলে কাজ করে যাচ্ছে। নিখোঁজ হাজিদের বিষয়ে রিপোর্ট করতে অন্য হাজি, তাঁদের সঙ্গী, আত্মীয়স্বজন, হজ গাইড ও এজেন্টদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
হজের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিনায় শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে যাওয়ার পথে পদদলিত হয়ে মারা যান ৭৬৯ জন আর ৯৩৪ জন হাজি আহত হয়েছেন। গত ২৫ বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহতম দুর্ঘটনা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন কমিশনের পদ্যতাগ দাবি বিএনপির
ইসিকে ‘নির্লজ্জ, অযোগ্য ও দুষ্টের শিরোমণি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু তারা নির্লজ্জ, তাই যদি তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করে তাহলে আমরা (বিএনপি) রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা বলে তাদের অভিশংসনের (ইমপিচমেন্ট) দাবি করছি।
তিনি বলেন, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, বর্তমান বিতর্কিত-আজ্ঞাবহ ও দুষ্টের শিরোমণি নির্বাচন কমিশন এ বছরের শেষের দিকে প্রায় তিনশ’ পৌরসভা নির্বাচন ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদের একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এটি ইসির একটি রুটিন কাজ হলেও এই আজ্ঞাবহ, অযোগ্য ও ব্যর্থ ইসি ভোটার তথ্য হালনাগাদের কাজটি অতীতেও সুষ্ঠুভাবে করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
ঢাকার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল দুপুরে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, রেওয়াজ অনুযায়ী বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোটার তথ্য সংগ্রহ করার রীতি থাকলেও এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টির প্রচেষ্টায় যে প্রচারণা চালানোর ব্যবস্থা করা হয়, তা ইতোপূর্বে পরিলক্ষিত হয়নি। শাসকদলীয় কর্মীদের ভোটার তথ্য সংগ্রহ করার কাজে নিয়োজিত করায় ইতোপূর্বে এ কর্মসূচি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়িতে বাড়িতে ভোটার তথ্য সংগ্রহ করতে গড়িমসি করেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তারা তাদের কর্তব্য পালন না করায় যোগ্য ও প্রাপ্ত ভোটারদের অনেকেই ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত হতে পারেননি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে আগের তুলনায় ভোটার তালিকায় নারী ভোটারদের নিবন্ধনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন যার ইলেক্টরাল সিস্টেমের নিরীক্ষা অনুযায়ী, ২০০৮ সালে আট কোটি ১০ লাখ ৫৮ ভোটার ছিল। তখন পুরুষের চেয়ে নারী ভোটার বেশি ছিল ১৪ লাখ ১৩ হাজার ৬০০ জন। কিন্তু এরপর প্রতিবার ভোটার তথ্য হালনাগাদ করতে গিয়ে নারী ভোটারের সংখ্যা ক্রমাগতভাবেই কমছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
আরো উদ্বেগের বিষয়, ২০১৩ সালে সর্বশেষ হালনাগাদে নারী ভোটারের চেয়ে উল্টো পুরুষ ভোটার বেড়েছে দুই লাখ ৯১ হাজার ৩৯৯ জন। নারী ভোটারের সংখ্যা কেন কমে যাচ্ছে- এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কোনো মাথাব্যথা নেই। দেশে ৯০ সালের পর থেকে ভোটদানে নারীদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বরাবরই বেশি ছিল। অথচ গত কয়েক বছরে চিত্রটি বদলে যাওয়া, নারীর ক্ষমতায়ন ও রাজনীতিতে নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি নেতিবাচক প্রতিফলন ছাড়া আর কিছুই নয়। এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি আছে কি না তাও আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।
বিএনপির এই নেতা অরো বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এ দেশের নারী সমাজ যতবার নির্বিঘ্নে ভয়-ভীতির পরিবেশ মুক্ত হয়ে অবাধে ভোট দিতে পেরেছেন, তাদের অধিকাংশই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে, তার দলকে, ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। বিষয়টি অনুধাবন করে সম্ভবত আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন নারী ভোটারদের তথ্য সংগ্রহে খুব বেশি উৎসাহী নয় এবং এ হার কমে গেলেই বোধ হয় তারা খুশি হন। নারী ভোটার কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কোনো উদ্বেগ ও করণীয় না থাকায় আমাদের এ আশঙ্কা আরো জোরদার হয়েছে।
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আমরা গত সিটি নির্বাচনের ভোট জালিয়াতি ও সহিংস ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছিলাম। বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বিদেশী রাষ্ট্র ও সংস্থার প্রধানরাও একই দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু আজ্ঞাবহ ইসি এ দাবির প্রতি কর্ণপাত না করে প্রমাণ করেছে তাদের নিয়োগকারী শাসকগোষ্ঠীর মনোবাসনা পূরণ করাই একমাত্র ধ্যান ও জ্ঞান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এ ধরনের বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনকে বহাল রেখে ভবিষ্যতে কোনো স্থানীয় নির্বাচনে কোনো বিরোধী রাজনৈতিক দল অংশ নেবে কি না এ সংশয় থেকেই গেল। আমরা দাবি করছি, অনতিবিলম্বে এ ব্যর্থ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও তার সহযোগী কমিশনাররা সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত থাকায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'আমি হব যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট' : কারসনকে ইউসুফ
![]() |
| ইউসুফ দায়ুর (বামে) ও বেন কারসন |
মিনেসোটার ইডেন প্রাইরির ইউসুফ তার ২ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভিডিও জবাবে বলে, এটা প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে ইচ্ছুক বেন কারসনের জবাব। ইউটিউবে তার ভিডিওটি পোস্ট করেছেন তার মা।
ইউসুফ বলে, 'মি. কারসন কেউ যদি বলে আপনার গায়ের রঙের জন্য আপনি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না তবে কী হবে? যদি কেউ বলে আপনার বংশের কারণে আপনি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না তবে কী হবে? কিংবা কেউ যদি বলে আপনার ধর্মবিশ্বাসের জন্য (যেমনটা আপনি আমার প্রতি বলেছেন) আপনি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না, তবে কী হবে?'
এরপর ইউসুফ জানায়, যখন তার বয়স ছিল ২ বা ৩ বছর, তখনই সে প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। সে জানায়, ওই সময়ই সে তার বন্ধুদের বলত, একদিন সে প্রেসিডেন্ট হবে।
সে কারসনকে লক্ষ্ করে বলে, 'আপনি আসলে আমার স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছেন। কারণ আপনি বলেছেন, কোনো মুসলিম প্রেসিডেন্ট হতে পারবে না।'
কারসনকে উদ্দেশ করে ইউসুফ বলে, আমি প্রেসিডেন্ট হলে দেখবেন, আমি সবাইকে, সব বর্ণ, সব জাতি, সব ধর্মকে সম্মান করব। আপনি খ্রিস্টান, ইহুদি, মুসলিম, হিন্দু, নাস্তিক কি না তা কোনো ব্যাপারই হবে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদ ও অদম্য বাংলাদেশ by সোহরাব হাসান
কয়েক মাস আগেই ভারত ঘোষণা দেয় যে, বাংলাদেশে গরুর চালান বন্ধ থাকবে। যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার গরু চোরাই পথে বাংলাদেশে আসে, সেখানে এ ধরনের ঘোষণা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। আবার এটি ঠিক চোরাইও বলা যায় না। বাংলাদেশের সরকার, ভারতের সরকার এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ভালো করেই জানে যে কীভাবে সীমান্ত দিয়ে গরু আসে। এ ব্যাপারে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সীমান্তরক্ষীদের একটি অলিখিত চুক্তি থাকে। সেই চুক্তি মোতাবেক এত দিন ভারত থেকে প্রায় নির্বিঘ্নে গরু আসত। মাঝে মধ্যে সংঘর্ষও হতো যখন একপক্ষ চুক্তির শর্ত অমান্য করত। গরুর চালানে দুই দেশেরই লাভ।
কিন্তু হঠাৎ ভারতের বিজেপি সরকার গরুর চালান বন্ধের ঘোষণা দিলে বাংলাদেশ বিপদে পড়ে। গরুর মাংসের দামও বেড়ে যায়। তাই ঈদকে সামনে রেখে মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। অনেকের মতে, প্রতি বছর ঈদুল আজহায় যে সংখ্যক গরু কোরবানি হয়ে থাকে, তার অর্ধেকেরও বেশি নাকি ভারত থেকে আসত। এ অবস্থায় ঈদের আগে ভারত থেকে গরু না এলে মহা সংকট হবে বলে আশঙ্কা করা গিয়েছিল।
কিন্তু আনন্দের কথা হলো এবারে ভারত থেকে গরু কম এলেও কোরবানির পশুর সংকট হয়নি। যেটুকু সমস্যা হয়েছে, তা যানজট তথা পরিবহন অব্যবস্থাপনার কারণে। বাংলাদেশের খামারি ও ব্যবসায়ীরা জোর দিয়েই বলেছিলেন, ভারত থেকে গরু আনার কোনো প্রয়োজন হবে না। মানুষের চাহিদা অনুযায়ী তারা গরুর জোগান দিতে পারবেন।
এমনকি ঈদের কদিন আগে যখন হাটে গরু আসতে শুরু করেছে, তখন খামারিরা উল্টো আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ভারতীয় গরু এলে তাদের সর্বনাশ হয়ে যাবে। তাদের গরুগুলো হাট থেকে ফেরত নিয়ে যেতে হবে। ঈদের আগের দিন বিকেলে ঢাকার কোনো কোনো হাটে গরুর অভাব দেখা দিলে তারা ক্রেতাদের এই বলে আশ্বস্ত করেন যে, যানজটের কারণে গরুবাহী ট্রাক ঢাকায় আসতে পারছে না। ওই দিন রাতেই গরুবাহী ট্রাকগুলো ঢাকায় আসে এবং সংকট কেটে যায়। ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। এই ঘটনা প্রমাণ করল যে, বাংলাদেশ অবিলম্বে পশুখাদ্যেও স্বাবলম্বী হবে।
আর ঈদে মানুষের ঘরে ফেরা নিয়ে যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তার দুটো দিক আছে। প্রথমত একই সময়ে এত বিপুলসংখ্যক মানুষ ঘরে ফিরলে পরিবহনব্যবস্থার ওপর যে বাড়তি চাপ পড়ে সেটি মোকাবিলা কঠিন। তবে এই কঠিন কাজটিকে আরও কঠিন করে দিয়েছে পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এ ক্ষেত্রে তারা বরাবরই উদাসীন।কিন্তু তারা যদি আগে থেকে সতর্ক থাকতেন, যদি যদি রাস্তাঘাটগুলো সময়মতো সংস্কার করতেন, যদি ট্রাফিকব্যবস্থা উন্নত হতো, তাহলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমত।
প্রতি ঈদেই ঘরমুখো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। তাই বলে কি তারা হতোদ্যম হন? কখনো বাড়ি না যাওয়ার কথা ভাবেন? ভাবেন না। ঈদের আগের দিন যারা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন, তাদের কারও কারও তিন ঘণ্টার পথ নয় ঘণ্টা লেগেছে। ছয় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়েছে পনেরো ঘণ্টায়। কিন্তু তারও তারা হতোদ্যম হননি। বাস-ট্রেনের দুর্লভ টিকিট পেয়ে মানুষ যতটা আনন্দ পেয়েছিল, গন্তব্যে পৌঁছার পর তাদের সেই আনন্দ আরও কয়েকগুণ বেড়েছে। দীর্ঘ পথের সব ক্লান্তি ও ক্লেশ মুছে গেছে।
ভাববেন না, এবারে যারা বাড়ি যেতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, তারা আগামী ঈদে বাড়ি যাবেন না। হয়তো আরও বেশি উৎসাহ নিয়ে যাবেন প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে। কেননা আমাদের রাজনীতিকেরা চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পেলেও সাধারণ মানুষ চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পান না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষকেরা আর কত দিন রাস্তায় থাকবেন? by সোহরাব হাসান
সমস্যা হলো প্রধানমন্ত্রী যে দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন, তাঁদের একজন অর্থাৎ অর্থমন্ত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্কে আছেন। তিনি ফিরবেন আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে। সে ক্ষেত্রে তাঁর না ফেরা পর্যন্ত কি সমস্যাটি এভাবে ঝুলে থাকবে? আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তিনি বিদেশে বসেও শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। এর আগে বেতন কাঠামোর আপত্তি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়। যদিও অর্থমন্ত্রীর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেতারা তাঁর সঙ্গে বসবেন না বলে জানিয়েছিলেন। পরে অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
এখন শিক্ষক নেতারা যদি তাঁদের পূর্বতন অবস্থান থেকে সরেও আসেন অক্টোবরের আগে তাঁর সঙ্গে বৈঠক হচ্ছে না। শিক্ষকদের প্রতি শতভাগ সহানুভূতি থাকা সত্ত্বেও শিক্ষামন্ত্রী যে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না, সেটি প্রথম দিনের বৈঠকেই ধারণা করা গিয়েছে। শিক্ষকদের দাবি মানার সঙ্গে যেহেতু আর্থিক বিষয়টি জড়িত, সেহেতু অর্থমন্ত্রীর সম্মতি জরুরি।
তাহলে কি তিনি দেশে না আসা পর্যন্ত শিক্ষকেরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন? আর সেই আন্দোলনের ধরনই বা কী হবে? ক্লাস-পরীক্ষা কত দিন বন্ধ থাকবে?
চলতি বছর বিরোধী দলের হরতাল-অবরোধের কারণে শিক্ষাঙ্গন প্রায় তিন মাস বন্ধ ছিল। এ ছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-উপাচার্য কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিরোধের কারণেও পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে। শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো অচলাবস্থা চলছে। এখন যদি শিক্ষক আন্দোলনের কারণে অনির্দিষ্টকাল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকে, তাহলে সেশনজট অবধারিত।
আশা করি, সম্মানিত শিক্ষকেরা বিষয়টি সদয় দৃষ্টিতে দেখবেন। তবে তাঁরা তখনই সদয় হতে পারবেন, যখন সরকার শিক্ষকদের প্রতি সহৃদয়তা দেখাবেন। তাঁদের ন্যায্য দাবি মেনে নেবেন।
কেবল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নন, আন্দোলনে আছেন কলেজ শিক্ষকেরা, আন্দোলনে আছেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। এমনকি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকেরাও আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন। শিক্ষকদের দাবিদাওয়াগুলো ন্যায়সংগত। তাঁরা নতুন কোনো আবদার করেননি। আগের বেতন কাঠামোয় যে সুযোগ ও মর্যাদা ছিল, সেগুলো অক্ষুণ্ন রাখার কথা বলেছেন। বছরের প্রথম তিন মাস বিরোধী দলের আন্দোলনের কারণে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো ক্লাস পরীক্ষা হতে পারেনি। এখন বছরের শেষ তিন মাসে যদি সরকারের অনমনীয়তার কারণে ফের শিক্ষাঙ্গন উত্তপ্ত হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষকেরা নতুন কোনো দাবিদাওয়ার কথা বলেননি। তাঁদের যৌক্তিক দাবি, এত দিন যে সুযোগ-সুবিধা আগে পেয়ে আসছেন, সেটি কেন কমানো হবে? সরকার শিক্ষকদের দেওয়া কোনো সুবিধা বাড়াতে না পারে, কমাতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের মর্যাদা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি শিক্ষকদের মর্যাদার আসনে বসাতে চান বলেই এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন কারা সেটি বাস্তবায়ন করতে দিচ্ছেন না?
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাট বিরোধী সফল আন্দোলনের কথাটি সরকার মনে রাখবে আশা করি। আমলাতন্ত্র অনেক সময়ই সরকারকে ভুল বোঝায়। আমলা ছাড়া আর কেউ গুরুত্বপূর্ণ নন, এই মানসিকতা থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে। নতুন মাস শুরু হওয়ার আগেই শিক্ষকদের ন্যায়সংগত দাবি দাওয়া মেনে নেওয়া হোক। শিক্ষকদের বঞ্চিত করে কোনো দেশ কিংবা দেশের শিক্ষা এগোতে পারে না। নীতিনির্ধারকেরা এই সত্যটি যত দ্রুত অনুধাবন করবেন, ততই মঙ্গল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তবুও সিরিয়ার বাশারের পাশে ইউরোপ
সিরিয়ায় গত চার বছরের বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২ লাখ ৪০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। এই অন্তহীন যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে বাঁচতে সিরীয় শরণার্থীরা দলবেঁধে ইউরোপের পথে পা বাড়িয়েছে।
ক্ষমতা ধরে রাখতে বাশার আল-আসাদ মরিয়া। মৃত্যু, ধ্বংসলীলা—কোনো কিছুতেই তাঁর ভ্রুক্ষেপ নেই। বরং তাঁর দাবি, সিরীয় জনগণের সম্মতি নিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। অন্য কারও কথায় তিনি ক্ষমতা ছাড়তে রাজি নন।
যুদ্ধ-বিগ্রহ, নিপীড়ন-বঞ্চনা থেকে রেহাই পেতে ইউরোপমুখী লাখো শরণার্থী ও অভিবাসন-প্রত্যাশীদের মধ্যে সিরিয়ার মানুষই বেশি। এই শরণার্থীদের সামাল দিতে ইউরোপ হিমশিম খাচ্ছে। শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার প্রশ্নে তারা বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তারা সমালোচিত হচ্ছে। এত কিছু সত্ত্বেও বাশার আল-আসাদের ওপরই যেন ভরসা ইউরোপের।
ইউরোপীয় নেতা মনে করছেন, বাশারকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করলে সংকটের সমাধান হবে না। তিনি জয়ী হলেই কেবল সংঘাতের অবসান হতে পারে, থামতে পারে ইউরোপমুখী সিরীয় শরণার্থীদের ঢল।
সিরিয়ার ব্যাপারে ইউরোপের নির্লিপ্ত আচরণ সংকটকে ঘনীভূত করেছে। তাই এই সংকটের দায় ইউরোপও এড়াতে পারে না।
সিরিয়ার পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে—দেশটির ওপর বাশার সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা প্রায় অসম্ভবই মনে হচ্ছে। বাশারকে যতই সমর্থন বা পুনর্বাসন করা হোক না কেন, তাতে অবস্থার উন্নতি হবে বলে মনে হয় না।
ক্ষমতা স্থিতিশীল হলে বাশার তাঁর জনগণকে দেশে নিরাপদে রাখতে পারবেন—এমন ধারণা ভুল। বরং দেশটির জনগণ ফের এক মস্ত কারাগারে বন্দী হবে, যেমন তারা অতীতে ছিল। বাশারের টিকে থাকায় সিরিয়ার জনগণের জীবন বদলাবে না।—বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানি সিনেমা মুহাম্মদ (স.)- ক্যামেরার পেছনের কথা by সিরাজুল ইসলাম
প্রথমদিকে ইরানের ১৪৩টি হলে মুহাম্মদ (সা.) সিনেমাটি দেখানো শুরু হয় এবং আগামী ১৮ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার থেকে আরও ৪৬টি হলে ছবিটি দেখানো শুরু হবে। রাজধানী তেহরানের ১৭টি হলে চলছে এ সিনেমা। ছবিটি দেখানোর ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা রয়েছে যে কারণে সব সিনেমা হলে এ ছবি দেখানো সম্ভব হচ্ছে। এ সিনেমা তৈরিতে ডি-এইট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যার কারণে সব সিনেমা হলে এ প্রযুক্তি লাগসই হচ্ছে না। এ কারণে সিনেমাটি নিয়ে যেভাবে মানুষের আগ্রহ রয়েছে সে পরিমাণে এই সময়ের মধ্যে টিকিট বিক্রি থেকে অর্থ উঠে আসেনি। অবশ্য, কানাডার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে আশাব্যঞ্জক ব্যবসা হয়েছে। সেখানে একদিনেই ৬০ হাজার ডলারের টিকিট বিক্রি হয়েছে। তবে ছবিটি যেহেতু ‘বিগ বাজেটের’ এবং এ ছবি নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে সে কারণে ছবিটি বহুদিন ধরে ইরানের ভেতরে দেখানো হবে এবং ব্যবসায়িক দিক দিয়ে সফল হবে।
ক্যামেরার পেছনের কথা: সিনেমাটি পর্দায় আসার আগ পর্যন্ত পরিচালক মাজিদ মাজিদি সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখেন। ছবির বিষয়ে তিনি কোন সংবাদ কভার করার সুযোগ দেন নি, কোন সাংবাদিককে ছবি শুটিংয়ের লোকেশন ভিজিটেরও অনুমতি দেন নি। এমনকি, তিনি এ সিনেমার অভিনেতা- অভিনেত্রীদের সঙ্গেও সামনাসামনি তেমন কোন কথা বলতেন না। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের যা বলার প্রয়োজন হতো তার বেশির ভাগই বলতে হতো পরিচালকের সহকারীদের কাছে। এ কারণে রাসুলের জীবনভিত্তিক এ সিনেমা নিয়ে আগেভাগে তেমন কিছু জানা যায় নি।
কোথায় প্রতিষ্ঠা করা হয় মক্কা-মদিনা: মুহাম্মদ (সা.) সিনেমার চিত্র ধারণের কাজ শেষ হয় ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে। ছবিতে কাজ করেছেন ৫০০ মানুষ। ছবিটি নির্মাণের জন্য ইরানের রাজধানী তেহরানের ৫০ কিলোমিটার দূরে কোম শহরের কাছে নির্মাণ করা হয় বিশাল সেট। এখানেই তৈরি করা হয় মক্কা ও মদিনার ডামি শহর। মজার তথ্য হলো- এ ছবির অংশবিশেষ ভারতে শুটিংয়ের পরিকল্পনা থাকলেও সে অনুমতি না পাওয়ায় পরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বেছে নেয়া হয়। তার আগে অবশ্য, সৌদি সরকার ছবিটির শুটিংয়ের জন্য অনুমতি দিতে অস্বীকার করে।
স্ক্রিপ্টের প্রথম খসড়া লেখার কাজ শেষ হওয়ার পর ইরানের বিখ্যাত থিয়েটার পরিচালক, লেখক ও গবেষক হামিদ আমজাদ অন্যতম স্ক্রিনরাইটার হিসেবে যোগ দেন। এ টিমে যোগ দিয়েই তিনি প্রধানত সংলাপ লেখার কাজে মন দেন। মুহাম্মদ (সা.) সিনেমার সংলাপ লিখতে লাগে দেড় বছর। ২০১০ সালের জুন মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমার প্রি- প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয়। আর ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শেষ হয় সেট নির্মাণের কাজ।
প্রথম পর্যায়ে ১০০ হেক্টর জমির ওপর নির্মাণ করা হয় সেট; কিন্তু সিনেমার কাজ যতই এগুতে থাকে ততই এর আয়তন বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দেয়। পরে শেষ পর্যন্ত সিনেমার সেট নির্মাণের জন্য আয়তন বেড়ে ২২০ হেক্টরে পৌঁছায়। এখানে বানানো হয় ষষ্ঠ শতাব্দীর পুরনো মক্কা ও মদিনা শহরের ডামি। নির্মাণশৈলীতে ফুটে ওঠে নবীজির বাল্যবেলার সময়কার মক্কা-মদিনার বাস্তব চিত্র। সিনেমাটি দেখলে মনে হবে- এ যেন রাসুলের ছোটবেলার সেই মক্কা ও মদিনা। ডামি এই মক্কা ও মদিনা শহরে মুহাম্মদ (সা.) সিনেমার শতকরা ৭০ ভাগ শুটিংয়ের কাজ হয়েছে। বাকি কাজ হয়েছে ইরানের কেরমান ও বুশেহর প্রদেশের আসালুয়েহ শহরে।
শুটিংয়ের অনুমতি দেয় নি ভারত: মুহাম্মদ (সা.) ছবির কাহিনী অনুযায়ী, আবিসিনিয়ার বাদশাহ আবরাহা কাবাঘরে হামলা চালায়। শুধুমাত্র বাদশাহ আবরাহার হস্তিবাহিনীর আগ্রাসন এবং তাদের ওপর আবাবিল পাখির পাথর বর্ষণের ঘটনা দেখানোর জন্য ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু ভারতীয় কর্মকর্তারা ছবির শুটিংয়ের বিষয়ে অনুমতি না দিলে পরে তা দক্ষিণ আফ্রিকার বেলা-বেলা শহরে শুটিং করা হয়েছে।
সেট পরিদর্শনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা: মুহাম্মদ (সা.) সিনেমা যেহেতু শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর জীবনভিত্তিক এবং তা অনেক সংবেদনশীল বিষয় সে কারণে এই সংবেদনশীলতার বিষয়টি সবসময় মাথায় রেখে কাজ করতে হয়েছে পরিচালক মাজিদ মাজিদিকে। সিনেমার নির্মাণকাজ চলার এক পর্যায়ে ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী সেট তথা মক্কা ও মদিনার ডামি শহর পরিদর্শন করেন। সিনেমা নির্মাণের ক্ষেত্রে এটি ছিল অনন্য সাধারণ ঘটনা এবং একে পরিচালক মাজিদ মাজিদি তার জন্য বিশেষ আশীর্বাদ বলে গ্রহণ করেন। পরে তিনি সংবাদ সম্মেলনে সে কথা বলতেও ভুল করেন নি। মাজিদি জানান, ক্যামেরার বাইরে সর্বোচ্চ নেতা সেদিন নবীজির জীবনচরিত নিয়ে অতি মূল্যবান কিছু বক্তব্য রাখেন যার কিছু অংশ পরে স্ক্রিপ্টে যোগ করা হয়। মজার বিষয় হলো- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এই প্রথম কোন সিনেমা প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং সেখানে বক্তৃতা রাখেন। যদিও এর আগে তিনি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সিরিয়াল ‘মারিয়াম মুকাদ্দাস’ নির্মাণের আগে তার সেট পরিদর্শন করেছিলেন।
হাত কেঁপেছিল ক্যালিগ্রাফি তৈরিতে: মুহাম্মদ (সা.) সিনেমার লোগো তৈরির জন্য পরিচালক মাজিদ মাজিদি একটি ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। সেখানে বিচারক হিসেবে ইরানের বিখ্যাত সব ক্যালিগ্রাফারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রতিযোগিতায় ১,৬০০ ক্যালিগ্রাফি জমা পড়ে এবং তার মধ্য থেকে একটিকে শ্রেষ্ঠ বলে বাছাই করা হয়। এছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়টিকে পুরস্কৃত করা হয়। কিন্তু মন ভরে না পরিচালক মাজিদির। পরে তিনি প্রতিযোগিতার অন্যতম বিচারক ও বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার জালিল রাসুলিকে বলেন, “আপনি নিজেই একটি ক্যালিগ্রাফি তৈরি করুন।”
পরে এক সংবাদ সম্মেলনে মুহাম্মদ (সা.) সিনেমার লোগো তৈরির গল্প শোনান জালিল রাসুলি। তিনি জানান, “আমি ৫০ বছর ধরে ক্যালিগ্রাফি লিখছি এবং এ শিল্পের খুঁটিনাটি সব আমার জানা। কিন্তু রাসুলের নাম লেখা ছিল আমার জন্য বেশ কঠিন একটি কাজ। অনেকগুলো স্কেচ আমি তৈরি করি এবং অনেকগুলোর ডিজাইনও করি। কিন্তু কোনটিতে আমি সন্তুষ্ট হতে পারছিলাম না। পরে আমি রাসুল (সা.)-এর কাছে আবেদন করি এবং এই কাজটিতে তাঁরই সাহায্য চাই। একদিন বাদামি রঙের কালি নিয়ে আমি রাসুলের নাম লেখার কাজ শুরু করি। এবার আমি আমার হাত দিয়ে লেখা শুরু করি এবং দেখি যে, আমার সমস্ত শরীর কাঁপছে। আমার সারা জীবনে ক্যালিগ্রাফি লিখতে গিয়ে এমন ঘটনা কখনো ঘটে নি।” রাসুলি এ ঘটনাকে ব্যাখ্যা করে বলেন, “এটাই ছিল তার ইঙ্গিত যা আমি চাইছিলাম।”
সিনেমার বাজেট নিয়ে যত কথা: মুহাম্মদ (সা.) সিনেমা ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেটের ছবি। সে কারণে এ নিয়ে নানা জল্পনা আর গল্প ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, বিশেষ করে পশ্চিমা গণমাধ্যম সিনেমার বাজেট নিয়ে মিথ্যা ও বিচিত্র সব কথা ছড়াচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- হলিউড রিপোর্টার দাবি করেছেন মাজিদ মাজিদি এ সিনেমা তৈরি করতে তিন কোটি ডলার ব্যয় করেছেন। এ প্রেক্ষাপটে সিনেমা প্রকল্পের সামগ্রিক ব্যয় তুলে ধরেছেন নুর তাবান ফিল্ম কোম্পানির প্রধান সাদেকিয়ান।
সাদেকিয়ানের তথ্য অনুসারে মক্কা শহরের ডামি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৫০ লাখ ডলার, মদিনার ডামিতে খরচ ১০ লাখ ডলার এবং অফিস ভবন তৈরিতে খরচ গেছে প্রায় চার লাখ ডলার। ছবির স্ক্রিপ্ট তৈরিতে গেছে এক লাখ ডলার, দুই লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে গবেষণার কাজে আর ৫৪ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে প্রি- প্রোডাকশন কাজে। এক কোটি ১০ লাখ ডলার খরচ হয়েছে প্রডাকশনের কাজে এবং পোস্ট-প্রডাকশনে খরচ গেছে ৫৩ লাখ ডলার। এসব হিসাব অনুযায়ী মুহাম্মদ (সা.) ছবি নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ডলার।
ছবির নির্মাণশৈলী এবং গুণগতমানের কারণে ইরানের ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য একাডেমির প্রধান গোলাম আলী হাদ্দাদ আদেল পরিচালক মাজিদ মাজিদিকে চলতি ইরানি বছরের সেরা পরিচালক ঘোষণা করেছেন।
যেভাবে মনোনীত হয়েছেন কাস্ট অ্যান্ড ক্রু: এ সিনেমায় যারা অভিনয় করেছেন তাদেরকে মনোনীত করেছেন স্বয়ং পরিচালক মাজিদ মাজিদি এবং ইতালির মেকআপ আর্টিস্ট গিয়ানেত্তো ডি রোসি। তিনবার একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী ইতালির সিনেমাটোগ্রাফার ভিত্তোরিয়ো স্তোরারো-ও এ কাজে অবদান রাখেন। কাস্ট অ্যান্ড ক্রু নির্বাচনের জন্য তিনি আলাদাভাবে ইরান সফর করেন।
মুহাম্মদ (সা.) চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনটি শিশু। ছয় বছর বয়সে অভিনয় করেছেন আলী রেজা জালিলি, আট বছর বয়সে হোসেইন জালালি এবং ১৩ বছর বয়সে অভিনয় করেছেন আমির হায়দারি। এছাড়া, মা আমিনার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিনা সাদাতি, দাদা আব্দুল মুত্তালিব-আলী রেজা সুজা নুরি, চাচা আবু তালিব- মাহদি পাকদেল, আবু লাহাব- মোহাম্মদ আসগরী, আবু লাহাবের স্ত্রী জামিলা- রানা আজাদিভার এবং হামজা চরিত্রে অভিনয় করেছেন হামিদ রেজা দৌলতি। এছাড়া, হালিমা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালেহ বাইয়াত। ইহুদি ধনকুবের স্যামুয়েল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোহসেন তানাবান্দেহ, আবু সুফিয়ানের চরিত্রে দারিউশ ফারহাং (নবীজির ঘোরবিরোধী) এবং খ্রিস্টান পাদ্রি বুহাইরা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদেক হাতাফি।
রাসুলের মায়ের ভূমিকায় (আমিনা) অভিনয়কারী মিনা সাদাতির অভিনয়কে দর্শকরা অনন্য সাধারণ বলেছেন। ইরানের অন্যতম স্বনামধন্য অভিনেত্রী তিনি। মিনা সাদাতি বেশ কয়েকটি নামকরা সিনেমা করেছেন এবং জাতীয় পর্যায়ে ২০১৩ ও ২০১৪ সালে পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৮১ সালের নভেম্বর মাসে ইরানের কাশান শহরে এই গুণীশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন এবং গত বছর তিনি সিনেমা জগতে শ্রেষ্ঠ নারী শিল্পী হিসেবে পুরস্কার পান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে হামলার শঙ্কা অস্ট্রেলিয়া সরকারের
প্রতিটি দেশের ব্যাপারে তথ্য মূল্যায়ন করে ওই ওয়েবসাইটে তথ্য প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়া। বিশেষ করে নিজ দেশের পর্যটকসহ অন্যান্য কর্মীদের নির্দিষ্ট ওই দেশে যাওয়া, না যাওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দেওয়া হয় ওই সাইটের মাধ্যমে।
শুক্রবার প্রকাশিত তথ্যের বাংলাদেশ অধ্যায়ে জানানো হয়, ‘নির্ভরযোগ্য তথ্য রয়েছে যে জঙ্গিরা সম্ভবত বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে হামলার পরিকল্পনা করছে।’ এতে আরো বলা হয়, ‘আমরা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছি।’
পার্বত্য চট্টগ্রামের নাম উল্লেখ করে ওই এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান সরকার। ওই এলাকায় সহিংসতা ও অপহরণকে অন্যতম ঝুঁকির কারণ হিসাবে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ‘বাংলাদেশে এর আগে সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এখনো সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করছে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আরো হামলার ঘটনা ঘটতে পারে; পশ্চিমা স্বার্থের বিরুদ্ধেও হামলা হতে পারে।’
চলতি বছর জানুয়ারি থেকেই রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যায় বলে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিষয়ক বিভাগ জানিয়েছে। বলা হয়, এ কারণে আগুন-হামলাসহ বিভিন্ন সহিংসতা ঘটেছে যারা কারণে মানুষের প্রাণ গিয়েছে।
ওই নির্দেশনার একটি জায়গায় বলা হয়েছে, ‘অপরাধমূলক সহিংসতা, সশস্ত্র ডাকাতি বাংলাদেশে বেশ সাধারণ ব্যাপার। এমনকি ঢাকার বনানি, বারিধারা ও গুলশানেও এ সব ঘটে।’
শুক্রবার ডিফ্যাটের এ তথ্য প্রকাশের পরই বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলের সফর পেছানোর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ডিফ্যাটের তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের কাছে ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।’
আগামী সোমবার ঢাকার উদ্দেশে সিডনি ছাড়ার কথা ছিল স্টিভ স্মিথের দলের।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
September
(460)
-
▼
Sep 27
(9)
- মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে অবস্থান ধর্...
- নিহত হাজিদের ৬৫০ জনের ছবি প্রকাশ, ৩ জন বাংলাদেশি
- নির্বাচন কমিশনের পদ্যতাগ দাবি বিএনপির
- 'আমি হব যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট' :...
- ঈদ ও অদম্য বাংলাদেশ by সোহরাব হাসান
- শিক্ষকেরা আর কত দিন রাস্তায় থাকবেন? by সোহরাব হাসান
- তবুও সিরিয়ার বাশারের পাশে ইউরোপ
- ইরানি সিনেমা মুহাম্মদ (স.)- ক্যামেরার পেছনের কথা b...
- বাংলাদেশে হামলার শঙ্কা অস্ট্রেলিয়া সরকারের
-
▼
Sep 27
(9)
-
▼
September
(460)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








