Sunday, September 6, 2009
ঢাকা চেম্বারের কর্মশালায় বক্তারা রপ্তানি বাড়াতে পণ্যের মান বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণের পরামর্শ
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক অব আয়রন অ্যান্ড মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ (জিইএনআইআই) প্রকল্পের যৌথভাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক অব আয়রন অ্যান্ড মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনের ডিসিসিআইয়ের সভাপতি জাফর ওসমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ কর্মশালায় শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া প্রধান অতিথি এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত আইনার হেবোগার ইয়েনসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি এম এস সেকিল চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের পরামর্শক শাহরিয়ার শামস প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেন, বর্তমান সরকার দেশের শিল্পায়নে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতকে উত্সাহিত করার জন্য নতুন ঘোষিত শিল্পনীতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি দ্রুত শিল্পায়নের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির ওপর জোর দেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, লৌহ ও ইস্পাত শিল্প বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। এ খাতের বিকাশের জন্য সরকার সব রকম সহায়তা দেবে।
শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বমন্দা মোকাবিলায় নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে এবং রপ্তানিপণ্য বহুমুখীকরণ করতে হবে। এ ছাড়া তিনি পণ্যের মান বৃদ্ধি ও নিরাপদ শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত আইনার হেবোগার ইয়েনসেন বলেন, বিশ্বমন্দা পরিস্থিতিতে ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভালো অবস্থানে রয়েছে এবং বিশেষ করে ইউরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম দিন দিন বাড়ছে। তিনি কেবল তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভর না করে অন্যান্য পণ্যের মানবৃদ্ধি এবং পণ্য বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআইয়ের সভাপতি জাফর ওসমান বলেন, জিইএনআইআই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো শিল্প-সংগঠগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যের প্রসার করা। তিনি বলেন, ঢাকা চেম্বার এ দেশের লৌহ ও ইস্পাত তথা ধাতু শিল্পের বিকাশে এ প্রকল্পের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সিঙ্গুরের জমি ফেরত দিতে সম্মতি দিলেন রতন টাটা
তবে রতন টাটা শর্ত জুড়ে দিয়েছেন একটি। শর্তটি হলো, তাঁরা যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছেন, তা ক্ষতিপূরণসহ ফেরত দিলেই কেবল টাটা গোষ্ঠী ওই জমি ফেরত দিতে রাজি। কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনের সঙ্গে গত মঙ্গলবার বিকেলে সিঙ্গুরের জমি নিয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রতন টাটা।
রতন টাটা বলেন, পশ্চিমবঙ্গের শিল্পায়ন প্রক্রিয়ায় টাটা গোষ্ঠী বাধা হতে চায় না। বরং পশ্চিমবঙ্গে নতুন নতুন শিল্প হলে সেখানে তাঁরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। এমনকি রতন টাটা আরও জানান, তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়ন থেকে হাত গুটিয়ে নিচ্ছেন না বরং এখানকার শিল্পে আরও বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রতন টাটা বলেন, আগামী বছরই কলকাতার উপকণ্ঠে রাজারহাটে তাঁদের নতুন ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে টাটার একলাখি ন্যানো গাড়ির কারখানা নির্মাণের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার টাটাকে আগামী ২০১০ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৯৯৭ একর জমি লিজ দেয়। এতে অবশ্য ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর নবায়নের শর্ত রাখা হয়। এরপরই টাটা গোষ্ঠীর অঙ্গসংগঠন টাটা মোটরস সেখানে ন্যানো গাড়ির কারখানা গড়ে তোলে। এই জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ছড়িয়ে দেন এই আন্দোলন। একপর্যায়ে প্রবল আন্দোলনের মুখে টাটা মোটরস তাদের ন্যানো গাড়ির কারখানা গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যায়। এর পরও মমতা টাটার জন্য লিজ দেওয়া ৯৯৭ একর জমির মধ্যে যে ৪০০ একর জমি দিতে কৃষকেরা অনিচ্ছুক ছিলেন, তা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন।
রতন টাটা আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুরের ঘটনায় তাঁদের তিক্ত অভিজ্ঞতা হলেও তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের শিল্পখাতে বিনিয়োগ থেকে সরে যাবেন না। রাজ্য সরকার চাইলে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে আরও শিল্পায়নের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করতে সম্মত আছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিকেএমইএর ফায়ার সেল উদ্বোধন, ১২ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ
নারায়ণগঞ্জে বিকেএমইএর কার্যালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেএমইএর এই ভর্তুকি মূল্যে চাল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক। পাশাপাশি তিনি বিকেএমইএর ফায়ার সেফটি সেল কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে পোশাকশিল্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিকেএমইএর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের বিসিক এলাকায় একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন এবং বিসিক এলাকার একটি পুকুর খনন করে তা এ কাজে লাগানোর উপযোগী করে তোলার অনুরোধ জানানো হয়। এ ছাড়া পোশাকশিল্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিসিক এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি এবং শ্মশানগাঁওয়ে একটি থানা স্থাপনেরও অনুরোধ জানানো হয়।
শামসুল হক পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পোশাকশিল্পের অরাজক অবস্থা নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বদা সজাগ থাকার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিকেএমইএ ভর্তুকি মূল্যে চাল বিতরণ কার্যক্রম গ্রহণ করায় তা শ্রমিকদের জীবনযাপনের জন্য সহায়ক হবে।
বিকেএমইএর সভাপতি ফজলুল হক জানান, তাঁর সংগঠন সব সময়ই শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে। এ বছরও সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে এবং বিকেএমইএ প্রথম ভর্তুকি মূল্যে চাল বিতরণের এ কার্যক্রম শুরু করে।
অনুষ্ঠানে বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি আলহাজ আব্দুর রাশেদ, সহসভাপতি জাহিদুল হক ভূঁইয়া, সহসভাপতি (অর্থ) এম এ রহমান এবং পরিচালকেরাসহ নারায়ণগঞ্জ জেলার ডিসি, এসপি ও র্যাবের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি দিয়ে শুরু হলো নতুন অর্থবছর
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬১ হাজার কোটি টাকা। সেই হিসাবে অর্থবছরের প্রথম মাসে, অর্থাত্ গত জুলাইয়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তিন হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা। কিন্তু এর বিপরীতে আদায় হয়েছে তিন হাজার ৭২৯ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৯৬ কোটি টাকা কম। আগের অর্থবছরে জুলাই মাসে তিন হাজার ৮২৫ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছিল।
সূত্র বলছে, চলমান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জিনিসপত্রের দাম এখনো অনেক কম। এ কারণে আমদানি পর্যায়ে শুল্ক আদায়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। এ ছাড়া দেশে বিদ্যুত্ ও গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় শিল্প খাতে বিনিয়োগ কমে গেছে। ফলে কমেছে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি। এটিকেও শুল্ক কমার একটি অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও আয়কর আদায় বেড়েছে।
জুলাই মাসে মোট এক হাজার ৫৮১ কোটি টাকার শুল্ক আদায় হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ৩৮৮ কোটি টাকা বা প্রায় ২০ শতাংশ কম। গত বছরের জুলাই মাসে মোট এক হাজার ৯৯৬ কোটি টাকার শুল্ক আদায় হয়। চলতি বছরে আমদানি পর্যায়ে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ২৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা।
ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক খাতে মোট লক্ষ্যমাত্রা ২০ হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম মাসে আদায় হয়েছে এক হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা, আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ২০৪ কোটি টাকার মতো বেশি। অর্থাত্ এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধির হার ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ।
আয়কর খাতে জুলাই মাসে মোট আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬২ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ৮৭ কোটি টাকা বা ১৫ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। আগের বছরে একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৫৭৫ কোটি টাকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৯১৪ কোটি ডলার, সর্বকালের সর্বোচ্চ মাসিক হিসাবে আগস্টে এসেছে সর্বাধিক পরিমাণ প্রবাসী-আয়
একই সঙ্গে চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে দেশে মোট ৯৩ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী-আয় এসেছে। এটিও দেশে কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণে প্রবাসী-আয়ের রেকর্ড। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রবাসী-আয়ের উচ্চ প্রবাহ ও আমদানি ব্যয় হ্রাস পাওয়ায় রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুদ বেড়ে ৯১৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত ৮ আগস্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৮০০ কোটি ডলার অতিক্রম করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে আরও দেখা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরের শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৭৪১ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এর আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছর শেষে এই পরিমাণ ছিল ৬১৪ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। বিশ্বমন্দার এই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি অর্থনীতিকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করছে বলে মনে করা হয়। বর্তমান ২০০৯-১০ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দেশে মোট ১৮২ কোটি ৩২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স বা প্রবাসী-আয় এসেছে। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিদেশে কর্মরত অনবাসী বাংলাদেশি নাগরিকেরা পাঠিয়েছিলেন ৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
প্রবাসী-আয়ের উচ্চ প্রবাহ লেনদেনের ভারসাম্য অনুকূল অবস্থায় রাখতে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি চলতি হিসাবের ভারসাম্যেও বড় ধরনের উদ্বৃত্তাবস্থা বজায় রেখেছে।
২০০৮-০৯ অর্থবছরে দেশে প্রবাসী-আয়ের পরিমাণ ছিল ৯৬৮ কোটি ১৭ লাখ ডলার, যা আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছরের চেয়ে সাড়ে ২২ শতাংশ বেশি ছিল। ওই অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে ৭৯১ কোটি ডলারের কিছু বেশি অর্থ পাঠিয়েছিলেন।
আবার চার বছর আগে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ৪৮০ কোটি ২৪ লাখ ডলারের প্রবাসী-আয় এসেছিল। অর্থাত্ তিন বছরের মধ্যে দেশে প্রবাসী-আয়প্রবাহ দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে আরও দেখা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে দেশে ৯১ কোটি ডলারের বেশি অর্থ পাঠান প্রবাসীরা। তখন পর্যন্ত সেটিই ছিল মাসওয়ারি হিসাবে প্রবাসী-আয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগের মে মাসে প্রায় ৮৯ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান প্রবাসীরা।
প্রবাসী-আয়ের বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনীতির চলমান মন্দা বাংলাদেশের প্রবাসী-আয়ের ওপর সেভাবে আঘাত হানেনি। তবে বিশ্বব্যাংক বলেছে, মন্দার মতো অনিশ্চয়তার সময়ই প্রবাসী-আয় বাড়ে বলে সব সময়ই দেখা গেছে।
আবার সাম্প্রতিককালে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ও মানিগ্রামের মতো নামকরা অর্থ স্থানান্তরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম জোরদার করার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে দেশে প্রবাসী-আয়ের প্রবাহ না কমে বরং বাড়ার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গেছে, প্রবাসী-আয় বাড়ার চলমান প্রবণতায় বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সেবার মান বাড়ানো এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে (এনজিও) সম্পৃক্তকরণে উত্সাহিত করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এখন প্রবাসী-আয়প্রাপ্তিতে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় রয়েছে। পৃথিবীর বড় বড় অর্থ স্থানান্তরকারী প্রতিষ্ঠানও মনে করছে যে বিশ্বমন্দা বাংলাদেশে প্রবাসী-আয়প্রবাহে তেমন নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ওবামা
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সহকারীরা জানান, কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নেতা হ্যারি রেইড কংগ্রেস অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে ওবামাকে চিঠি দেন। চিঠিতে পেলোসি ও রেইড লিখেছেন, ‘স্বাস্থ্য বীমা খাতে কম খরচ, উন্নত মান ও বিস্তৃত সেবাসংবলিত একটি সংস্কার অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছি আমরা। লক্ষ্য পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ব্যাপারে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের একটি যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার জন্য আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে গাদ্দাফিকে সতর্ক করা হয়েছে
এ মাসের শেষ নাগাদ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মুয়াম্মার গাদ্দাফির অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তাঁর এ সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৯৮৮ সালে স্কটল্যান্ডের লকারবির আকাশে বিমান হামলার ঘটনায় সাজা পাওয়া আল-মেগরাহিকে ত্রিপোলি বিমানবন্দরে বীরোচিত সংবর্ধনা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও লিবিয়ার মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মেগরাহিকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় স্কটল্যান্ড ও ব্রিটিশ সরকারও চাপের মধ্যে রয়েছে।
জ্যেষ্ঠ মার্কিন সিনেটর ফ্রাংক লোটেনবার্গ মানবিক বিবেচনায়, নাকি তেলচুক্তির স্বার্থে মেগরাহিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে কংগ্রেসে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন বরাবরের মতো গত বুধবারও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, মেগরাহিকে নিয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। তাঁকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি স্কটল্যান্ড সরকারের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার।
একই দিন স্কটিশ পার্লামেন্ট মেগরাহিকে মুক্তি দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জান্তার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেন সু চি
সু চি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে গত ২০ বছরের ১৪ বছরই গৃহবন্দী অবস্থায় কাটিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে সামরিক জান্তা তাঁকে নানা খোঁড়া অজুহাতে কারাবন্দী করে রাখে। সর্বশেষ গৃহবন্দিত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার মুহূর্তে গত মে মাসে জন ইয়েত্ত নামের খেয়ালি এক মার্কিন নাগরিক পার্শ্ববর্তী লেক সাতরে সু চি যে বাড়িতে গৃহবন্দী ছিলেন সেখানে ঢুকে পড়ে। এ অপরাধের দায় চাপানো হয় ৬৪ বছর বয়সী সু চির ওপর। এ ঘটনায় কুখ্যাত ইনসেইন কারাগারের গোপন আদালতে তাঁর বিচার হয়। ১১ আগস্ট ওই বিচারের রায় দেওয়া হয়।
গতকাল সু চির আইনজীবী চি উইন বলেন, ‘আমরা ওই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করেছি।’ সু চির অপর আইনজীবী নিয়ান উইন বলেন, আপিলের ব্যাপারে প্রাথমিক শুনানি হবে শুক্রবার (আজ)। এদিনই সিদ্ধান্ত হবে আপিলটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনায় নেওয়া হবে কি না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী রাজশেখর নিহত -হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ওই হেলিকপ্টারে তাঁর বিশেষ সচিব পি সুব্রামনিয়াম, নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ এস সি ওয়েসলে এবং হেলিকপ্টারের চালক ও সহ-চালক ছিলেন। তাঁরা সবাই মারা গেছেন। রুদ্রকোন্ডা পর্বত এলাকায় হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়।
মুখ্যমন্ত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রথমে কুর্নুল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় অন্ধ্র প্রদেশের রাজধানী হায়দরাবাদে। প্রসঙ্গত, রাজশেখর রেড্ডির নেতৃত্বে পরপর দুবার অন্ধ্র প্রদেশে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। জানা গেছে, তাঁর জায়গায় অর্থমন্ত্রী কে রোসাইয়াহ রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন।
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী রেড্ডি হায়দরাবাদ থেকে হেলিকপ্টারে করে যখন চিত্তোরের উদ্দেশে রওনা দেন তখন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। নকশাল অধ্যুষিত নালামাল্লা জঙ্গলে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭। ইন্দোনেশিয়ার ভূকম্পন পরিমাপক সংস্থা জাভার কাছে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করার কথা জানিয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। আধঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে জাভা প্রদেশের সিয়ানজুর এলাকার সিকাংগারেং গ্রামে পাহাড়ধসে অন্তত ২০টি বাড়ি মাটির ২০ মিটার নিচে চাপা পড়ে। চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধার করতে সেনা ও পুলিশ গতকাল তত্পরতা অব্যাহত রাখে। ওই এলাকায় অন্তত ৪২ জন চাপা পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, তাদের কেউ হয়তো আর বেঁচে নেই। ওই এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। একমাত্র মোটরসাইকেলে কোনো রকমে দুর্গত এলাকায় যাওয়া যায়। পুলিশ আরও জানায়, বুধবারের ভূমিকম্পে পশ্চিম জাভা প্রদেশের সিয়ানজুর, গুরুত ও তাসিকমালয়া এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তাসিকমালয়ার একটি হাসপাতালের একজন কর্মী জানিয়েছেন, তাঁদের হাসপাতালে নারী, শিশুসহ অন্তত ৪৩ জনকে চিকিত্সা দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার কর্মকর্তা প্রিয়াদি কারদোনো বলেন, উপকূলীয় এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ধারণা, ওই এলাকায় মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।’ দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পশ্চিম জাভায় ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল তাসিকমালয়ায় জরুরি চিকিত্সকদল পাঠানো হচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিআইএ বন্দী নির্যাতন নিয়ে আর প্রতিবেদন প্রকাশ করবে না
যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত বন্দী নির্যাতনের বিস্তারিত প্রতিবেদন কেন প্রকাশ করা হবে না তা জানতে চেয়ে সিআইএকে নোটিশ দিয়েছিলেন। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য গত সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার সিআইএ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ মার্কিন গোপন কারাগারে বন্দী নির্যাতন নিয়ে সিআইএর ইন্সপেক্টর জেনারেলের করা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে কারাগারে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের ওপর সিআইএ কর্মকর্তাদের বর্বরোচিত নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওয়াশিংটনে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক হোল্ডার জিজ্ঞাসাবাদের নামে সিআইএর বন্দী নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে একজন বিশেষ কৌঁসূলি নিয়োগ করেন।
সিআইএ বলেছে, বন্দী নির্যাতন নিয়ে তৈরি বিস্তারিত প্রতিবেদন এতটাই সংবেদনশীল যে তা প্রকাশ করা ঠিক হবে না। কারণ এ প্রতিবেদনে বিদেশে সিআইএর কর্মকাণ্ডের অবস্থান, গোয়েন্দা তত্পরতার পদ্ধতি, সূত্র এবং এ ব্যাপারে কিছু বিদেশি সরকারের সহায়তার কথা বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া এই প্রতিবেদনে সিআইএর জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য, তাদের ই-মেইল ও লিখিত প্রমাণাদি রয়েছে।
সংস্থাটির আইনজীবী ওয়েন্ডি হিলটন বলেছেন, ‘এ প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।’
এসিএলইউর জাতীয় নিরাপত্তা প্রকল্পের পরিচালক জামিল জাফর বলেছেন, ‘সিআইএর এ সিদ্ধান্ত ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ নয়। কেননা, বারাক ওবামা ক্ষমতা গ্রহণের পর সিআইএর বন্দী নির্যাতন বন্ধ এবং এ ব্যাপারে মার্কিন সরকারের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের অঙ্গীকার করেছিলেন।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলকাতা ওপেন দাবা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্র্যান্ড স্লামে সেই পুরোনো নাদাল
তবে আরেক সাবেক নম্বর ওয়ান নিজের বিদায়ী গ্র্যান্ড স্লামটা মোটেও স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। আগেই অবসরের ঘোষণা দেওয়া মারাত সাফিন প্রথম রাউন্ডেই (১-৬, ৬-৪, ৬-৩, ৬-৪) হেরে গেছেন অস্ট্রিয়ার ইয়ুর্গেন মেলজারের বিপক্ষে। সহজ জয় পেয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন রজার ফেদেরার ও লেটন হিউইট।
প্রথাগতভাবে সেন্টার কোর্টে দিনের শেষ ম্যাচটি পুরুষদের হওয়ার কথা, কিন্তু পরশু মেয়েদের ম্যাচ দিয়ে শেষ হলো দিনের খেলা। ওই ম্যাচে হাঙ্গেরির মেলিন্দা জিঙ্ককে ৬-১, ৬-১ গেমে উড়িয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উঠে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেরেনা উইলিয়ামস। সহোদরা ভেনাস উইলিয়ামসও বড় জয় পেয়েছেন, স্বদেশি মেথানি মাতেক-স্যান্ডসকে ৬-৪, ৬-২ গেমে হারিয়েছেন তিনি। আগের ম্যাচেই জয়ের ইতিহাস গড়া ভারতীয় তারকা সানিয়া মির্জা পরের ম্যাচেই হারলেন ইতিহাস গড়ে! একটা গেমও জিততে পারেননি তিনি। দশম বাছাই ইতালির ফ্লাভিয়া পেনেত্তার কাছে উড়ে গেছেন ৬-০, ৬-০ গেমে। টেনিস ‘মম’ কিম ক্লাইস্টার্স ৫-৭, ৬-১, ৬-২ গেমে ফ্রান্সের মারিয়ন বারতোলিকে হারিয়ে উঠে গেছেন তৃতীয় রাউন্ডে।
এদিন বেশ কয়েকজন তারকার কয়েকটি ম্যাচ থাকলেও ক্যামেরা যেন নাদালকেই খুঁজে ফিরেছে বেশি। সবার কৌতূহল—মায়োর্কার ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপের বাড়িতে গত কয়েকটি দিন কেমন কেটেছে তাঁর? নাদালের মুখে ঝরল হতাশা, ‘বাড়িতে থাকার সময় কয়েক সপ্তাহ যেন পুরো বিশ্ব থেকেই বিচ্ছিন্ন ছিলাম।’ তবে ইনজুরি নিয়ে দুশ্চিন্তা কেটে যাওয়ার কথাই বললেন স্প্যানিশ তারকা, ‘আমার এখন আর ব্যথা নেই। তাই আমি আর এসব নিয়ে অত ভাবছি না।’ গ্যাসকোয়েটকে উড়িয়ে দিতে এদিন মেরেছেন ২৭টি উইনার। নিজেকে বেশ নির্ভারই লাগছে নাদালের, ‘আমাকে এখন আগের চেয়ে আরও বেশি তরতাজা মনে হচ্ছে’ তাই হয়তো ছয়টি গ্র্যান্ড স্লামজয়ীর চোখ গ্র্যান্ড স্লামের চক্র পূরণের দিকে। নাদাল যখন প্রথম ইউএস ওপেনের স্বপ্ন দেখছেন, তখন ফেদেরার নেমেছেন টানা ষষ্ঠ ইউএস ওপেন জয়ের লক্ষ্যে। তৃতীয় রাউন্ডে অবশ্য মুখোমুখি হতে হবে সাবেক নাম্বার ওয়ান হিউইটের। এই অস্ট্রেলিয়ানকে এর আগে টানা ১৩ ম্যাচে হারালেও হালকাভাবে নিচ্ছেন না প্রতিপক্ষকে, ‘আমি নিশ্চিত এটা একটা দারুণ ম্যাচ হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাল অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন সাকিব
ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা সন্ডার্সের। অস্ট্রেলিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, সাউথ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং ইউকে স্পোর্টস ইনস্টিটিউটের পরামর্শক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতাও আছে তাঁর।
কুঁচকির সমস্যায় অনেক দিন ধরেই ভুগছেন সাকিব। ইংল্যান্ডে বেশ কয়েকবার বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকও দেখিয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে জিম্বাবুয়ে যাওয়ার পথে সর্বশেষ দেখানোর সময়ই সেখানকার চিকিত্সক তাঁকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংসদ অধিবেশন -এবারও কি বিরোধী দলশূন্য থাকবে
এটা ঠিক যে বিরোধী দলেরও দায়িত্ব আছে। তাদের সংসদ অধিবেশনে যেতে হবে। যাওয়া উচিত। বস্তুত, বিএনপি ও তাদের জোটের অন্তর্ভুক্ত দলগুলোর অনেকেই অধিবেশনে যোগ দিতে আগ্রহী। কারণ, তারা জানে যে দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, টিপাইমুখ বাঁধ, গ্যাস রপ্তানি প্রভৃতি বিষয়ে সরকারের জবাবদিহি চাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ যাচ্ছে। সংসদে তারা জনজীবনের এসব জ্বলন্ত সমস্যা নিয়ে সরকারকে জবাবদিহিতে বাধ্য করতে পারে। এতে দেশের মানুষ খুশি হবে। বিরোধী দলের ভাবমূর্তিও উন্নত হবে। তাই সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী তাদের অবিলম্বে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া উচিত।
অধিবেশনে না গেলেও সংসদীয় কমিটিগুলোয় বিএনপির সাংসদেরা সক্রিয় অবদান রাখছেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে এসব কমিটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সরকারের জবাবদিহিতা আদায়ে সচেষ্ট রয়েছেন। এটা উত্সাহব্যঞ্জক। কিন্তু বিরোধী দলকে সংসদেও যেতে হবে। বিরোধী দলবিহীন অধিবেশন অর্থহীন। নিষ্প্রাণ সংসদ কখনো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে না।
এখানে সরকারি দলকে আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। বড় দল হিসেবে তাদের দায়িত্ব বেশি। তারা যদি অন্তত অনুকূল মনোভাব দেখায়, বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার সূত্রপাত করে এবং স্পিকারকে স্বাধীন উদ্যোগ গ্রহণে উত্সাহিত করে, তাহলে সমস্যা সমাধানে অগ্রসর হওয়া সম্ভব। বড় দলসুলভ অহমিকা সব সময় পরিত্যাজ্য। মনে রাখতে হবে, সংসদে আসন কম হলেও ভোটের সংখ্যানুপাতে বিএনপি কিন্তু এখনো বেশ বড় ও প্রভাবশালী দল। বিগত সংসদেও কিন্তু আওয়ামী লীগ আজকের বিএনপির মতো অবস্থায় ছিল এবং ভবিষ্যতে যে আবারও সে অবস্থায় যাবে না, তা কে বলবে?
সুতরাং সরকারি দলের দূরদৃষ্টি কাম্য। সংসদ কার্যকর হলে রাজনীতি টিকে থাকবে, টিকে থাকবে গণতন্ত্র। এ মুহূর্তে এর চেয়ে বড় দায়িত্ব আর কিছু হতে পারে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিউটির একটি স্বপ্নপূরণ
আগামী বছরের এসএ গেমস সামনে রেখে তিন মাসের জন্য বিউটিসহ পাঁচ অ্যাথলেটকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সিদ্ধান্তটা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ)। গত রাতে বিউটির সহযাত্রী হওয়ার কথা ছিল আরও তিনি অ্যাথলেটের। কিন্তু বিমানের টিকিট-সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে যাওয়ায় আফজাল হোসেন (৪০০ মিটার হার্ডলস), ইমরান ভূঁইয়া (স্প্রিন্ট) ও আল আমিনকে (লং জাম্প) যেতে হচ্ছে দুই-তিন দিন পর।
এসএ গেমসে এর আগে একটি মাত্র ব্যক্তিগত পদক জিতছেন বিউটি, তাও সেটি ৪০০ মিটারে (ইসলামাবাদ সাফে)। ১০০ বা ২০০ মিটারে পদক জয় কঠিনই মনে করেন তিনি। এবার দেশের মাটিতে কতটা কী করতে পারবেন, সময়ই বলবে। তবে এই প্রথম উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে বিউটির মনে একটু হলেও আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। গতকাল কুয়ালালামপুর যাত্রার আগে বলে গেছেন, ‘যে করেই হোক এসএ গেমসে ভালো কিছু করতে চাই। আমি জানি, আমার ওপর অনেক দায়িত্ব। আমি দেশের জন্য খেলতে সব সময়ই তৈরি ছিলাম এবং আছি। এখন মালয়েশিয়ায় উন্নত প্রশিক্ষণ পেলে খুবই ভালো হবে। টাইমিংটা বাড়ানোই হবে আমার মূল লক্ষ্য।’
হার্ডলসে এবার জেসমিনকে নিয়ে সোনা জয়ের প্রত্যাশা অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের। জেসমিনও সেটা অসম্ভব মনে করেন না, ‘চেষ্টা করলে পারতেও পারি। মালয়েশিয়ায় আমি চাইব টাইমিংটা ভালো করতে। আশা করি, ভালো টাইমিং করে এসএ গেমসে পদক আনতে পারব।’
শুধু অ্যাথলেট নয়, সাতজন বক্সারকে ব্যাংককে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানোর কথা ছিল দিনকয়েক আগেই। কিন্তু বিভিন্ন সমস্যায় তাদের যাওয়া পিছিয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহেই বক্সাররা ব্যাংকক যেতে পারবেন বলে আশা করছে বিওএ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্মরণ মাদার তেরেসা-অসহায়ের বন্ধু- আশরাফুল হক
মাদার তেরেসা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় উদ্বাস্তুদের সাহায্য করেছেন, আবার স্বাধীনতার পর বহু বীরাঙ্গনা ও তাঁদের অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তানদের আশ্রয় দিয়েছেন। এমনি আরও অনেক কাজের সঙ্গে তিনি এবং তাঁর গড়া সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ যুক্ত ছিল। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বহু সম্মান ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এসবের মধ্যে ১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার, ১৯৬২ সালে র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার, ১৯৭১ সালে পোপ জন পল শান্তি পুরস্কার এবং ১৯৮০ সালে প্রাপ্ত ভারত সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ভারতরত্ন উল্লেখযোগ্য।
আজ ৫ সেপ্টেম্বর তাঁর দ্বাদশ মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আমরা তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারি তাঁরই কিছু অমর বাণী স্মরণ করে—
The fruit of silence is prayer
The Fruit of prayer is faith
The fruit of faith is love
The Fruit of love is service
The Fruit of service is peace
[নীরবতাই প্রার্থনা/ প্রার্থনাতেই বিশ্বাস জন্মায়/ নিবিড় বিশ্বাস ভালোবাসার উত্স/ গভীর ভালোবাসাই সেবার ভিত্তি/ সেবাতেই শান্তি]।
মাদার তেরেসা যে শুধু অর্থনৈতিক দারিদ্র্য নিয়ে ভাবতেন তা নয়, যাঁরা নানা কারণে মানসিক কষ্টে আছে, তাদের কষ্ট কীভাবে দূর করা যায় তা নিয়েও তিনি চিন্তা করতেন। বরং এ কাজটিকে তিনি বেশি কঠিন মনে করতেন। এ সম্পর্কে তিনি নোবেল বক্তৃতায় বলেন, ‘অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড, নট অনলি ইন দ্য পুওর কান্ট্রিজ, বাট আই ফাউন্ড দ্য পোভার্টি অব দ্য ওয়েস্ট সো মাচ মোর ডিফিকাল্ট টু রিমুভ. হোয়েন আই পিক আপ আ পারসন ফ্রম দ্য স্ট্রিট, হাংরি, আই গিভ হিম আ প্লেট অব রাইস, আ পিস অব ব্রেড, আই হ্যাভ স্যাটিসফাইড, আই হ্যাভ রিমুভ দ্যাট হাংগার. বাট আ পারসন দ্যাট ইজ শাট আউট, দ্যাট ফিল আনওয়ান্টেড, টেরিফাইড, দ্য পারসন দ্যাট হ্যাজ বিন থ্রোন আউট ফ্রম সোসাইটি—দ্যাট পোভার্টি ইজ সো হার্টেবল (Hurtable) অ্যান্ড সো মাচ, অ্যান্ড আই ফাইন্ড দ্যাট ভেরি ডিফিকাল্ট।’ [শুধু দরিদ্র দেশগুলোতে নয়, পশ্চিমা দেশগুলোর সমস্যা দূর করা আরও কঠিন। রাস্তার ক্ষুধার্ত একজনকে ডেকে এনে এক প্লেট ভাত, এক টুকরো রুটি দিয়ে আমি তার ক্ষুধা নিবারণ করে সন্তুষ্ট হতে পারি। কিন্তু সমাজ যাকে পরিত্যাগ করেছে, যে ভালোবাসাবঞ্চিত, সমাজে যে অনাকাঙ্ক্ষিত, যে ভীত, তার অবস্থা খুব করুণ। তার জন্য কিছু করা সত্যি দুরূহ।]
নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করতে গেলে মাদার তেরেসাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘কীভাবে আমরা বিশ্বশান্তির পথে অগ্রসর হতে পারি?’ জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘গো হোম অ্যান্ড লাভ ইওর ফ্যামিলি।’
এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই সৃষ্টিকর্তা আছেন। আমি যখন কোনো কুষ্ঠরোগীর ক্ষত পরিষ্কার করি, তখন অনুভব করি, আমি যেন স্রষ্টারই সেবা করছি। এর চেয়ে সুখময় অভিজ্ঞতা আর কী হতে পারে!’
এক নজরে মাদার তেরেসা
মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট মেসিডোনিয়ার এক আলবেনিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মিশনারিদের কাজ ও জীবনযাত্রা শৈশবেই তাঁকে আকর্ষণ করেছিল। ১২ বছর বয়সে তিনি এ বিষয়ে মনস্থ করেন এবং ১৮ বছর বয়সে বাড়ি ছেড়ে ‘সিস্টার অব লরেটো’তে যোগ দেন। সেই থেকে তাঁর মানবসেবার পথচলা শুরু। এর পর থেকে আর কখনো পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেননি। ১৯২৯ সালে তিনি ভারতের কলকাতায় আসেন। ১৯৫০ সালে ভ্যাটিকানের অনুমতি নিয়ে নিজেই গড়ে তোলেন ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’। বর্তমান ১২৩টির মতো দেশে এই প্রতিষ্ঠানটির শাখা কার্যকর, এসব শাখায় চার হাজারের বেশি সিস্টার আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত। বাংলাদেশে এর ১৩টির মতো শাখা রয়েছে। মাদার তেরেসা ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ভারতের কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। aurka.dhaka@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওরাম জানতেনই না
১৭তম ওভারের (নিজের তৃতীয়) শেষ বলে আউট করেছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসকে। এর পর বল হাতে নিয়েছেন শেষ ওভারে, প্রথম দুই বলেই আউট করেছেন মালিঙ্গা বান্দারা ও নুয়ান কুলাসেকারাকে। তবে বুঝতে না পারলেও ওরামের হ্যাটট্রিক ও ভেট্টোরির অসাধারণ এক স্পেলে সফরে প্রথম জয়ের মুখ দেখেছে কিউইরা।
টেস্ট সিরিজে শ্বেত ধোলাইয়ের পর ড্যানিয়েল ভেট্টোরি বলেছিলেন, তাঁর তরুণ দল টেস্টে এখনো খাপ খাইয়ে নিতে পারেনি, কিন্তু ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে তারা পুরোপুরি অন্য রকম। অধিনায়ক যে ভুল বলেননি, প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই তা প্রমাণ করল নিউজিল্যান্ড। ১৪২ রানের লক্ষ্যে ছুটে ৮ ওভারেই শ্রীলঙ্কার স্কোরবোর্ডে রান ছিল ৭৫। এই ম্যাচটিও ৩ রানে জিতে নিউজিল্যান্ড আরেকবার মনে করিয়ে দিয়েছে চিরপ্রতিষ্ঠিত সেই কথাটিই, শেষ বল হওয়ার আগে ক্রিকেটে শেষ বলে কোনো কথা নেই!
এমনিতেই লক্ষ্যটা খুব বেশি চ্যালেঞ্জিং ছিল না, এর পর আবার দিলশানের ২৮ বলে ৫৭ রানের ইনিংস। এমন ম্যাচ জিতে উচ্ছ্বসিত ভেট্টোরি দলীয় সমঝোতাকেই দিলেন কৃতিত্ব, ‘দিলশান যখন এমন ফর্মে থাকে, তাকে আটকানোর পথই খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু সে আউট হওয়ার পর আমরা যেভাবে লড়াইয়ে ফিরেছি, এটা ছিল অসাধারণ। আমার মনে হয় সবাই যা দেখতে চাচ্ছিল আমরা তাই করে দেখিয়েছি। মাঠে সবাই ছিল দুর্দান্ত। রাইডার, ম্যাককালাম, টেলর সবাই মাঠে সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছে। এর চেয়ে বেশি আমি আর চাইতে পারতাম না।’ বরাবরের মতোই অবশ্য ভেট্টোরি নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। ৬ ওভারে ৬৪ রান, এই অবস্থায় বোলিংয়ে এসে ৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে নিয়েছেন কুমার সাঙ্গাকারা আর অভিষিক্ত জিহান রুপাসিংহের উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি। শুরুর ঝড়টা অধিনায়ক সামাল দেওয়ার পর নিজেদের খুঁজে পেয়েছেন বাকি বোলাররাও। অষ্টম ও দশম ওভারে দিলশান ও কাপুগেদারার গুরুত্বপূর্ণ উইকেট দুটি নিয়েছেন ইয়ান বাটলার। প্রথম ওভারে ১৬ রান দেওয়ার পর ফিরে আসা শেন বন্ড পরের তিন ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১১ রান। খুশি হওয়ার অনেক উপলক্ষই তাই খুঁজে পাচ্ছেন ভেট্টোরি।
অন্যদিকে কুমার সাঙ্গাকারা খুঁজছেন হারের কারণ। এমন শুরুর পরও কীভাবে হারলেন এখনো ভেবে পাচ্ছেন না শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক, ‘প্রতিপক্ষকে ১৪১ রানে বেঁধে ফেলা ও সম্ভব-সেরা একটা শুরুর পর জিততে না পারাটা খুবই চিন্তার বিষয়। সবাইকে নিজেদের দিকে তাকাতে হবে এবং দায়িত্ব নিতে হবে। এই ম্যাচ কীভাবে হারলাম এখনো বুঝতে পারছি না।’
উত্তর খোঁজার জন্য খুব বেশি সময়ও পাচ্ছেন না সাঙ্গাকারা। একই মাঠে দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি যে আজই!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থনীতি আমাদের মুদ্রা কখন মূল্য হারাবে by আবু আহমেদ
কোন মুদ্রার বিপরীতে টাকা কত মূল্য হারাবে বা মূল্য উদ্ধার করবে, সেটা নির্ভর করে ডলার-ইউরো-পাউন্ড-ইয়েনের পারস্পরিক ওঠানামার ওপরও। ইউরো ডলারের বিপরীতে তেজি হতে লাগলে অবশ্য বাংলাদেশকে বেশি একক টাকা দিয়ে ইউরোকে কিনতে হবে। দুই বছর আগে ব্রিটিশ পাউন্ড অতি তেজি ছিল, সেই পাউন্ডকে কিনতে হতো ১৩৫ টাকা দিয়ে। সেই অবস্থা কি আজকে আছে? মার্কিন ডলার কিন্তু টাকার বিরুদ্ধে তার মানকে ধরেই রেখেছে। এর অর্থ কী? এর অর্থ হলো, ডলার পাউন্ডের বিপরীতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেজি হয়েছে, যার কারণে আমরা আগের তুলনায় কম একক টাকা দিয়ে পাউন্ড কিনতে পারি। মুদ্রার পারস্পরিক ওঠানামার পেছনে অনেক উপাদান কাজ করে, যার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা, অন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মুদ্রার ভবিষ্যত্ ক্রয়ক্ষমতার ওপর লোকজনের বিশ্বাস।
অন্য একটি উপাদান হলো হঠাত্ করে কোনো মুদ্রার জন্য চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া। বিশ্ব আর্থিক দুর্যোগের সময় কিন্তু তুলনামূলকভাবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বেড়ে গিয়েছিল, সে জন্যই মূলত বাজারে পাউন্ড-ইউরোর বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। আবার এক দেশ থেকে অন্য দেশে সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার গতিটা যদি স্বাভাবিক হয়ে যায়, তখন ডলারের ওই উল্লম্ফন চাহিদাও কমে যেতে পারে, সেই অবস্থায় অন্যান্য বিষয় ঠিক থাকলে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বাড়তেও পারে। মুদ্রা ব্যবসায়ীরা কোন মুদ্রার মূল্য কমবে, কোন মুদ্রার মূল্য বাড়বে ওই সব নিয়ে সর্বদাই জল্পনায় থাকেন। তাঁরা ভবিষ্যতের বাজারেও মুদ্রা বেচাকেনা করেন। ফলে আজকের দিনে মুদ্রাব্যবসাও একটা বড় ব্যবসা।
সত্তরের দশক-পূর্ব সময়ে মুদ্রাব্যবসা অত লাভজনক ছিল না। সত্তরের দশকের শেষ দিক থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় সব অর্থনীতিই মুদ্রার বিনিময়, বাজারে আগের ফিক্সড-এক্সচেঞ্জ রেইট বা ধরাবাঁধা মূল্যে বিনিময় হারকে ত্যাগ করে, ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেইট বা ভাসমান বিনিময় হার গ্রহণ করে।
ফলে এখন বিশ্বের মুদ্রাগুলোর মান অতি পতন থেকে অতি বর্ধনও ঘটছে। ১৯৭১ পূর্ব পর্যন্ত মার্কিন ডলার ছিল স্বর্ণের সঙ্গে যুক্ত। যেদিন থেকে তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ঘোষণা করলেন, তাঁদের মুদ্রা ডলার আর স্বর্ণের সঙ্গে যুক্ত নয়, সেই দিন গ্লোবাল মুদ্রা বাজারে একটা প্রচণ্ড অবিশ্বাস এবং অনিশ্চয়তার ঢেউ লাগে। ওই স্বর্ণের সঙ্গে ডলারের সম্পর্ক ছেদ হলেও ডলারের বিপরীতে অন্য কোনো মুদ্রা গ্লোবাল লেনদেনে ডলারের স্থানকে সরাতে পারেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, যুক্তরাষ্ট্র তখনো বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ উত্পাদন ও বাণিজ্যিক লেনদেনের অধিকারী ছিল। অন্যদিকে অন্য কোনো রিজার্ভ কারেন্সি স্বর্ণের সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্কিত ছিল না।
কেউ প্রশ্ন করতে পারে, বিশ্বের অর্থনৈতিক শক্তি-সামর্থ্য তো অনেক পরিবর্তন হচ্ছে। তাহলে শুধু চারটি মুদ্রা কেন রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে পরিগণিত হবে? এর উত্তর হলো, ডলার-পাউন্ড-ইয়েন এই মুদ্রাগুলো আগে থেকেই বিশ্বের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের লেনদেনে ব্যবহূত হয়ে আসছিল। শুধু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ডলার এক নম্বরে উঠে এল যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষমতার জোরে এবং ডলারের বিপরীতে স্বর্ণের একটা সংযোগ ছিল বলে। আর ইউরো তো রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে বিশ্ব-লেনদেনে ব্যবহার হতে লাগল মাত্র ২০০০ সাল থেকে, একত্রে ১১টি ইউরোপীয় অর্থনীতির সমর্থনের জোরে। ইউরোর আগে ইতালির লিরা, ফ্রান্সের ফ্রাংক এসব মুদ্রাকে রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে গণ্য করা হতো।
ইউরোর উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে ওই সব মুদ্রা গ্লোবাল লেনদেনের দৃশ্যপট থেকে সরে যায়। ভবিষ্যতে আরও কোন কোন মুদ্রা রিজার্ভ মুদ্রা বা গ্লোবাল লেনদেনের মুদ্রা হয়, সেটা ভবিষ্যত্ই বলতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে ভারতের রুপি ও চীনের ইউয়ান বড় প্রার্থী। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবসা, যেটা আইএমএফ কর্তৃক স্থাপিত ও তদারকিকৃত, সেটা যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের পক্ষে। নব্য আর্থিক ধনীরা যত চেষ্টাই করুক না কেন ডলারের সমর্থকেরা তাদের জায়গা ছাড়তে নারাজ। আজও ডলার হলো সম্পদ ধারকের ক্ষেত্রে অতি কাঙ্ক্ষিত মুদ্রা। বিশ্ব লেনদেনের ৬৫-৬৮ শতাংশ ডলারেই সমাধা হচ্ছে। আর বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোও প্রায় ওই পরিমাণ তাদের বৈদেশিক মুদ্রাকে ডলারে ধারণ করছে।
চীন-ভারত-ব্রাজিল তাদের মুদ্রাকে জাতে তুলতে চাইছে বটে, তবে রাস্তা অনেক দূর। এ জন্য তাদের আইএমএফ কাঠামোসহ বিশ্ব লেনদেনের কাঠামোয় সংস্কার আনতে হবে। এর সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের মুদ্রাগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে কনভার্টেবল ঘোষণা করতে হবে। যতই এরা আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের মুদ্রাগুলোকে গ্রহণযোগ্য করাতে চাইবে, ততই নিজ দেশে তাদের একটা দায়িত্বশীল মুদ্রা ও আর্থিকনীতি গ্রহণ করতে হবে। আজকে যে কিছু কিছু আন্তর্জাতিক লেনদেন কানাডীয় ডলার, অস্ট্রেলীয় ডলার, চৈনিক ইউয়ানে হচ্ছে না তা নয়। তবে অতি সীমিত। একমাত্র চীনই আপাতত তাদের মুদ্রাকে লেনদেনে ব্যবহার করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
চীনের জন্য মার্কিন ডলার হলো শাঁখের করাত—উভয় দিকে কাটে। প্রায় সব বৈদেশিক সম্পদই চীন রেখেছে ডলারে। ফলে এই দেশ একদিকে ডলার পতনের ভয়ে কাঁপছে, অন্যদিকে তাড়াতাড়ি ডলার থেকে বের হতে চাইলে ডলারের মূল্য পড়ে নিজেরই ক্ষতি হবে। ফলে চীন বলছে, না, মার্কিন ডলার নয়, আন্তর্জাতিক লেনদেন ও সম্পদ ধারণের ক্ষেত্রে বড় মুদ্রাগুলোর সম্মিলন ঘটিয়ে নতুন মুদ্রা চালু করা হোক, যাতে করে এক মুদ্রা পড়লে অন্য মুদ্রা সম্পদের মূল্যকে রক্ষা করতে পারে। কিন্তু এই প্রস্তাবও অতি পুরোনো। সে রকম তো আইএমএফের নেতৃত্বে একটা মুদ্রা চালু আছে, যার নাম হলো ‘SDR’ (Special Drawing Rights)। কিন্তু এসডিআরের ব্যবহার অতি সীমিত। এর সীমিত করার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের পলিসিই অনেকটা দায়ী।
যুক্তরাষ্ট্র কোনো দিন চাইবে না তাদের ডলার মুকুট হারাক, তাই সেটা স্বাভাবিক নিয়মে না হলে আসবে কৌশলে। তবে আজতক ডলারের মুকুট হারানোর কোনো কারণ দেখা যায়নি। ডলার দুর্বল হয়েছে সত্য, ডলারের জায়গা দখল করে নিচ্ছে ইউরো-ইউয়ান-রুপি এরা। কিন্তু অনেক দিন ধরেই ডলার ডলারই থাকবে, কোনো মুদ্রা তার ওপর উঠতে পারবে না।
এক নম্বরের মুদ্রার অবস্থান পাওয়ার জন্য এক নম্বরের অর্থনীতিও জরুরি। চীন এই ক্ষেত্রে একটা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে বটে, তবে সেটা কত দ্রুত ডলারকে সিংহাসনচ্যুত করে ২০২৫ সালের পরই বলা যাবে, যখন পর্যন্ত অনেকের মতে চীনের অর্থনীতি হবে এক নম্বরের অর্থনীতি। তবে বিশ্ব কখনো একক মুদ্রা দ্বারা শাসিত হবে না। যেটা আমাদের জ্ঞান এখন পর্যন্ত বলে, বিশ্ব চলবে কয়েকটি মুদ্রায়, এর মধ্যে এশীয়দেরও এক বা একাধিক মুদ্রা থাকবে।
যা হোক, বাংলাদেশের কথায় ফিরে আসি। আমাদের মুদ্রা টাকাকে অবমূল্যায়ন করতে বলে সম্ভাব্য উপকারভোগীরা। অবমূল্যায়নের যে একটা খারাপ দিক আছে সেটা তাঁরা ভুলে যান। মুদ্রার মূল্য বৃদ্ধি পেলেও অনেক উপকার থাকতে পারে। অবস্থাটা হলো যেন চেষ্টা-তদবিরের। কিন্তু বিষয়টা সেভাবে দেখা উচিত নয়। আমাদের মুদ্রা এখন বাজারনির্ভর, অনেকটা এর মূল্য বাজার চাহিদা সরবরাহের সঙ্গে গতি রেখে ওঠানামা করছে। সেই অর্থে বাংলাদেশ ব্যাংক আর আগের মতো অবমূল্যায়ন আর উঠতি মূল্যায়ন কোনোটাই করে না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের ওপর নজর রাখে বটে। কখনো প্রয়োজনে ডলার কেনে, কখনো বাড়তি ছাড়ে। কোনো বাজারই পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক নয়। সেই অর্থে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারও।
আমাদের অর্থনীতিকে এই পর্যন্ত ফ্লোটিং বা মুদ্রার ভাসমান বিনিময় হার ঠিকই কাজ করে যাচ্ছে। এই বাজারকে কোনো দিক থেকেই বড় ধাক্কা দেওয়া ঠিক হবে না। আর আমাদের মুদ্রার মূল্য আমাদের হাতে, এমন কোনো নীতি গ্রহণ করা বা চালিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না, যাতে করে টাকার মূল্য পড়ে যাওয়ার কারণ ঘটতে পারে। হঠাত্ বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা থেকে আমাদের টাকার মূল্যের পতন হবে না, বরং যেটা নিয়ে আমাদের মৃদু শঙ্কা সেটা হলো আমাদের অর্থনীতিতে সরকার কর্তৃক অতি বেশি ঋণ করা এবং অর্থনীতিতে বিনিয়োগের বন্ধ্যাত্বতা। এই দুইয়ের মিলন হলে টাকা মূল্য হারাতে পারে বইকি। সেই অবস্থায় আমাদের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে যাবে, দারিদ্র্য বিমোচনের গতি মন্থর হয়ে যাবে, বাড়তি কর্মক্ষম লোকেরা বেশি হারে বেকার থাকবে ইত্যাদি।
আবু আহমেদ: অর্থনীতিবিদ; অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধৈর্য ও সহনশীলতায় মাহে রমজান by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
আরবি ‘সবর’ শব্দের আভিধানিক অর্থ ধৈর্যধারণ, সহনশীলতা, পরমত সহিষ্ণুতা, সহ্য করা প্রভৃতি। ইসলামের পরিভাষায় বিপদ-আপদ, দুঃখ-কষ্ট, রোগ-শোক, ক্ষুধা-তৃষ্ণা, অন্যায়-অত্যাচার যাবতীয় বালা-মুসিবতে কোনোরূপ বিচলিত না হয়ে এবং আনন্দিত ও সুখে আত্মহারা না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করে যথাসম্ভব শান্তভাবে মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশানুযায়ী চলার নাম সবর। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনায় রোজাদার ব্যক্তি সর্বাবস্থায় ধৈর্যধারণ ও সহনশীলতা প্রদর্শনের সুবর্ণ সুযোগ লাভ করে থাকেন। ফলে রোজা মানুষকে সংযমী ও সহনশীল করে এবং ত্যাগী বানায়।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানবজাতিকে তাঁর ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু কুপ্রবৃত্তি মানুষকে ইবাদত করা থেকে সর্বদা বিরত রাখতে চেষ্টা করে। সুতরাং সহনশীলতার মাধ্যমে কুপ্রবৃত্তিগুলোকে দমন করে আল্লাহর ইবাদত সম্পন্ন করা উচিত। নতুবা মানবজীবনের উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। তাই ধৈর্যধারণ করে মৌলিক ইবাদত করতে হবে আর এরই নাম ইবাদতে সবর। অতএব, মহান আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগিতে চরম ধৈর্যধারণ ও সহনশীলতার প্রয়োজন রয়েছে। নামাজ প্রতিষ্ঠায়, রোজা পালনে ও হজ আদায় করতে যথেষ্ট ধৈর্যধারণ করতে হয়। ফরজ, সুন্নাত, নফল, জুমা, তারাবি, তাহাজ্জুদসহ বিভিন্ন নামাজে ধৈর্যের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়। রমজান মাসে সারা দিন পানাহার পরিত্যাগ করে অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে রোজা রাখতে হয়।
মাহে রমজান ধৈর্যের মাস। এ মাসে জীবনের সর্বক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান পালনসহ ধৈর্য ও সহনশীলতার শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়। অনেকের মেজাজ কড়া থাকায় ধৈর্যচ্যুত হয়ে সামান্য কারণেই অন্যের সঙ্গে বাদানুবাদ ও ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয়। এটা সম্পূর্ণ অনুচিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘রোজার দিনে কেউ যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং শোরগোল না করে। তার সাথে কেউ ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হলে সে যেন (অধৈর্য না হয়ে) বলে, আমি রোজাদার।’ (বুখারী)
সর্বোপরি মাহে রমজানে রোজা পালনের মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর রাস্তায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হন এবং প্রবৃত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হন। আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের প্রবণতা বলিষ্ঠ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের আবেগ, উদ্যম, অনুভূতি, প্রবৃত্তি ও ক্ষুধা-তৃষ্ণার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ শক্তি অর্জিত হয়, যা ঈমানদারকে তার কুপ্রবৃত্তির সঙ্গে লড়াইয়ে বিজয়ী করে। তাই নিজ প্রবৃত্তির সঙ্গে যুদ্ধ-সংগ্রাম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উভয়ের জন্য ধৈর্য ও সহনশীলতা তথা সবরের প্রয়োজন। ধৈর্য মানুষের ঈমানকে পরিপক্ব করে। বস্তুত ঈমানের যত শাখা-প্রশাখা রয়েছে, তার মধ্যে ধৈর্য অন্যতম। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ধৈর্য হচ্ছে ঈমানের অঙ্গ বা অর্ধাংশ।’ (আবু নাঈম)
আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার ক্ষেত্রেও ধৈর্যের প্রয়োজন রয়েছে। রমজান মাসে যারা ধৈর্যের সঙ্গে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান, মহান আল্লাহ তাদের সাহায্য করেন। সিয়াম বা রোজা ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে ত্যাগের মাধ্যমে ধৈর্যধারণের অভ্যাস গড়তে শেখায়। এ মাস মানুষকে ধৈর্যশীল হওয়া ও সংযমবোধ শেখায়। সংযম ছাড়া মানুষ প্রকৃত মানুষ হতে পারে না। আসলে মুসলমানেরা এ মাসের ধর্মীয় নিয়ম-রীতি পালনের মাধ্যমে যে ত্যাগ-তিতিক্ষা, ধৈর্য ও সহনশীলতার গুণাবলি অর্জন করেন, তা বছরের বাকি ১১ মাস ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সৃজনশীল নানা ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়ে থাকেন এবং এ মহান ব্রত নিয়েই রোজার আবির্ভাব। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে (আল্লাহর কাছে) সাহায্য চাও, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত-১৫৩)
ঈমান ও সত্ কর্ম চালু রাখা এবং সত্য-ন্যায়ের সংরক্ষণ ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ। এ কঠিন কাজ সম্পাদনের জন্য যে ধৈর্য ও সহনশীলতা বা সবরের প্রয়োজন তা মাহে রমজানের দীর্ঘ সিয়াম সাধনার মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব। আর এই সবর জান্নাতের পথ সুগম করে। যারা মাহে রমজানে সবর করেন, আল্লাহ তাআলা তাঁদের বেহেশত দান করবেন। হাদিস শরিফে রোজাকে ‘শরীরে জাকাত’ আখ্যায়িত করে বলা হয়েছে, ‘রোজা ধৈর্যের অর্ধেক এবং ধৈর্যের প্রতিদান জান্নাত।’ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ধৈর্য জান্নাতের ভাণ্ডারসমূহের একটি ভাণ্ডার।’
সুতরাং রমজান মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে রোজাদারের মধ্যে যে ধৈর্য ও সহনশীলতা তথা সবরের গুণাবলি সৃষ্টি হয়—ধর্মপ্রাণ মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সুখ-দুঃখে, বালা-মুসিবতে ও অন্যায়-অত্যাচারের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুরূপ ধৈর্যধারণের প্রয়োজন রয়েছে। মাহে রমজান প্রকৃত অর্থেই যেন মানুষের মনের পশুত্ব, আত্ম-অহমিকা, হিংস্রতাসহ সব অমানবিক দোষ-ত্রুটি জ্বালিয়ে ভস্ম করে ও ধৈর্য-সহনশীলতা বিকশিত করে। প্রেম-প্রীতি, ভালোবাসা-হূদ্যতা সব মানবিক গুণাবলি অর্জন করে আমরা যেন মুত্তাকি হয়ে নিজেদের মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করে জীবনের সর্বস্তরে পরিমিতিবোধ, ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করতে পারি, আল্লাহ পাক সবাইকে এ তাওফিক দান করুন।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন সাধারণ ছেলের গল্প by রবিন সাইফুদ্দিন
আজকের অমলকান্তির নাম এমরান হোসেন। তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় বহু দূরের এক দ্বীপ হাতিয়ার গণ-উন্নয়ন গ্রন্থাগারে। দেখি গভীর মনোযোগে খবরের কাগজে চোখ বোলাচ্ছেন। বেশ কথা জমল। কথার প্রসঙ্গ—দেশ, জাতিসত্তা, সংস্কৃতি, একটি অজপাড়া দ্বীপের অবহেলিত মানুষের দুঃখগাথা। হাতিয়ার দরিদ্র কিন্তু মেধাবীদের জন্য কিছু করার তাড়না তাঁর ভেতর। এলাকার সংস্কৃতির উন্নয়ন ঘটানোর জন্য কিছু একটা করতে হবে। কিন্তু কী করবেন তিনি একা? কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া আইলায় দুর্গতদের জন্য আরও ত্রাণ কিংবা সাহায্য কীভাবে ব্যবস্থা করা যায়। প্রয়োজনে তাদের ঘর তুলে দিতে নিজের কাঁধে বাঁশ-কাঠ তুলে নিতেও রাজি ছিলেন এমরান। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের মধ্যে যে বিশাল ফারাক তাও জানা ছিল তাঁর। তাই সম্ভব হলো না অনেক কিছু। প্রসঙ্গ পাল্টে এমরানের নিজের কথা জানতে চাই। ভীষণ অবাক হতে হলো তাঁর গল্প শুনে।
এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন এমরান। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অপেক্ষা। বাবার একটা ছোট্ট চায়ের দোকান ছিল। একসময় এমরানের নিত্যসঙ্গী ছিল চা, চিনি, চা পাতা, চামচ—এসব। বাবার সঙ্গে দোকানে চা বিক্রি করতেন। চায়ের টুংটাং আওয়াজ শুনতে শুনতে আকার আর বয়সের সঙ্গে বাড়তে থাকে তাঁর স্বপ্ন। কেবল নিজের চেষ্টায়, মায়ের সম্মতি আর বাবার অনুরাগে এমরান প্রাথমিক, মাধ্যমিক পাড়ি দিয়ে কলেজটাও পাড়ি দিলেন।
কোনো এক মফস্বলের চায়ের দোকান থেকে কত আয়ই বা হতো? এমরান স্কুলজীবন থেকে তাই বেছে নিলেন টিউশন। প্রতিদিনই রাত করে ফিরতে হতো বাড়িতে। অন্যের বাচ্চাদের পড়িয়ে তবেই তো নিজের পড়া। যা আয় হতো তা দিয়ে নিজের ভরণপোষণ, পড়ালেখার খরচ চালাত। সেই সামান্য আয়ের কিছু অংশ পরিবারেও দিতে হতো তাকে। একসময় বেশ জমিজমা ছিল। কিন্তু মেঘনা নদী অন্য অনেকের মতো তাদেরও সর্বস্বান্ত করে দিয়ে গেছে। এখন আর কিছুই নেই। থাকার জায়গাটুকুও না। এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের দেওয়া সামান্য এক টুকরা জায়গায় এমরানদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। তাও নদীর অন্য পারে। কিছুদিনের মধ্যেই এমরানদের হাতিয়া ছাড়তে হবে। তারপর কী হবে? কথায় কথায় এমরানের চোখের কোণে জল চিকচিক করে। সবে উচ্চমাধ্যমিক পাস করলেন। ভর্তি হতে হবে শহরের কোনো ভালো প্রতিষ্ঠানে। তাঁর যে অনেক কিছু করতে হবে, বড় হতে হবে। এমরানের ইচ্ছে, ঢাকা অথবা চট্টগ্রামের কোথাও ভর্তি হওয়ার। কিন্তু এমরান হতাশ। কেননা তাঁর এমন কেউ নেই যে তাঁকে সাময়িক আশ্রয় দেবে, সাহায্যের হাত বাড়াবে। কী করবেন তাহলে তিনি? আক্ষেপের সুরে এমরান জানান, ‘একজন সামান্য চায়ের দোকানদারের ছেলের কে-ই বা থাকবে? এলাকায় থাকতে কিছু ছাত্র পড়াতাম, যা-ই পেতাম তাতেই নিজের কোনোমতে চলত। এখন বাইরে গেলে কেমনে চলমু, কই যামু।’ বলতে বলতে ভেঙে পড়েন এমরান।
তাঁর সঙ্গে যেখানে বসে এসব কথা হচ্ছিল সেই গণ-উন্নয়ন গ্রন্থাগারের সমন্বয়কারী মো. নুর উদ্দিন বললেন, ‘এমরান প্রতিদিন বাড়ি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার সাইকেলে চেপে কলেজ করত, গ্রন্থাগারে আসত। পড়ালেখার প্রতি ওর আগ্রহ বেশ অবাক করার মতো। কিন্তু দারিদ্র্য তার সামনে প্রধান বাধা এখন।’ এমরানের সহজ স্বীকারোক্তি, বই কিনতে পারতেন না বলেই গ্রন্থাগারে প্রতিদিন পড়ে থাকতেন। কিন্তু এখন তাঁর কী হবে? অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে পথ চলতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় দ্রুত এগিয়ে আসছে। কিন্তু এখনো স্থির হতে পারেননি অর্থ আর আবাসন-সংকট কীভাবে মোকাবিলা করবেন।
যে যুবক অন্য অনেকের জন্য কিছু করতে চান কিংবা করে বেড়ান তাঁর নিজের বেলায়ই তিনি ব্যর্থ! প্রশ্ন করি নিজেকে, কে ব্যর্থ, এমরান ব্যর্থ নাকি আমরা? সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘প্রিয়তমাসু’র শেষ কটা লাইন মনে পড়ল, ‘আমি যেন সেই বাতিওয়ালা, সে সন্ধ্যায় রাজপথে-পথে বাতি জ্বালিয়ে ফেরে/অথচ নিজের ঘরে নেই বাতি জ্বালার সামর্থ্য/নিজের ঘরেই জমে থাকে দুঃসহ অন্ধকার’। এমরানেরও তা-ই হলো। একসময় প্রতিদিন টিউশন করে বাড়ি ফিরতেন। অন্যের সন্তানের কাছে আলো বিলাতেন। আর এখন নিজেই আলোহীন হয়ে আছেন, আলোকিত হওয়ার অপেক্ষায়। তিনি জানেন না আদৌ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হবে কি না, নাকি এখানেই থমকে যাবে পড়ালেখার পথ। এখন শুধু নীরব অপেক্ষা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দরকার সমন্বিত বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্ব কর্মসূচি -জেনেভা জলবায়ু সম্মেলন by সরাফ আহমেদ
মানব সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান প্রযুক্তির উন্নতি যেমন মানব সমাজকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যাচ্ছে। আবার তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই এবং মনুষ্য সমাজের লাগামহীন অবহেলার কারণে বিশ্বজুড়ে চলেছে প্রকৃতিগত নানা সংকট। তার আলামতও পৃথিবীর নানা অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে।
অতীতে প্রকৃতিগত দৈবদুর্যোগকে থামাতে মানুষের কোনো হাত নেই বলে মনে হলেও, আধুনিককালে বিজ্ঞানীরা এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে নানা বিষয় নিয়ে কাজ করছেন। পৃথিবীর নানা প্রান্তরের বন্যা, খরা, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত বরফহীনতা বা বরফপাত প্রভৃতি জলবায়ুগত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে গবেষণা চলেছে। গবেষণা হচ্ছে কীভাবে এই দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ পেয়ে পরিবেশবান্ধব বসুন্ধরা মনুষ্য বাসোপযোগী করে রাখা যায়। পাশাপাশি আগাম সতর্ক বার্তা দিয়ে সুনামি বা হারিকেনের মতো দুর্যোগ বা এশিয়া-আফ্রিকার দুর্গম অঞ্চলেও কৃষকেরা যাতে আসন্ন খরা ও বন্যার আগাম বার্তা পেয়ে সতর্ক হন।
জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক প্যানেল এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার পক্ষ থেকে ১৯৭৯ সালের প্রথম সম্মেলনেই পৃথিবীর নানা দেশের সমন্বয়ে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে আন্তর্জাতিক বহুদেশীয় প্যানেল গঠিত হয়। সঙ্গে গঠিত হয় বিশ্বজুড়ে আবহাওয়া ও প্রকৃতি বিজ্ঞানী এবং গবেষকদের আন্তর্জাতিক প্যানেল—যার নাম দেওয়া হয় আন্তর্জাতিক আবহাওয়া পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু গবেষণা পরিকল্পনা। যেগুলো পরিচালিত হচ্ছে জাতিসংঘ জলবায়ু ও আবহাওয়াবিষয়ক প্যানেল থেকে।
এ ছাড়া জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতি সংস্থা বা ইউনেস্কো, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান কমিশন এবং আন্তসরকারি মহাসাগরীয় কমিশন প্রভৃতি সংস্থাগুলোর অবদানের জন্য এবং বিশ্বব্যাপী প্রকৃতিকে পরিবেশবান্ধব রাখার প্রয়াসের জন্য জাতিসংঘের এই উদ্যোগ ২০০৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
প্রথম সম্মেলনের দৃষ্টিকোণ থেকে ১৯৯২ সালে দ্বিতীয় জলবায়ু সম্মেলন, যাকে বলা হয় বিশ্ব জলবায়ু কনভেনশন যা জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক প্যানেলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সবিশেষ হালহকিকত এবং আগামী দিনের বিশ্বব্যাপী করণীয় বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
এবারের সম্মেলনের উদ্যোক্তা জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক প্যানেল ও তাদের এজেন্সিসমূহ। তৃতীয় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী দৈবদুর্যোগ ঠেকাতে সমস্যা ও করণীয় বিষয়, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ুর পার্থক্য এবং পরিবর্তন রোধে বালিতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনের প্রস্তাবগুলোর বাস্তবায়নের বা কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ এবং পরিবর্ধন। এ ছাড়া আফ্রিকায় নাইরোবি সম্মেলনের কর্মসূচি অনুযায়ী খরা ও খাবার পানীয় সমস্যার দুর্ভোগ কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা।এবারের জেনেভা সম্মেলনে যে মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণ রোধে নতুন মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
বিশ্বের সব প্রান্তের জলবায়ুবিষয়ক সব পূর্বাভাস এবং তথ্য-উপাত্ত সমন্বিতভাবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ঋতু ও সময়ভিত্তিক স্কেলের মাধ্যমে বিশ্ব জলবায়ুর পূর্বাভাস নির্ণয়। এর সঙ্গে সামাজিক কারণে, জলবায়ু পরিবর্তন ও এই পরিবর্তনের কারণে নানাবিধ প্রকৃতিগত সমস্যা যা কৃষিক্ষেত্রে বা খাদ্য নিরাপত্তা, বনবিষয়ক, জ্বালানি, পানি, স্বাস্থ্য, গ্রাম ও নগরায়ণ, পর্যটন, বন্যপ্রাণী, ব্যবসা, পরিবহন বা এককথায় যা মানুষের সমাজ অর্থনৈতিক জীবনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।
উদ্যোক্তারা বলছেন, জলবায়ুবিষয়ক সব তথ্য-উপাত্ত আগামীতে মনুষ্য ও প্রকৃতিগত কারণে জলবায়ু পরিবর্তনরোধে সহায়ক হিসেবেই কাজ করবে, সে ক্ষেত্রে সম্মেলনে মূল বিষয়গুলো ছাড়াও কিছু সহায়ক বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। যেমন জলবায়ু পূর্বাভাসের বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, প্রকৃতিগত সংকট ব্যবস্থারোধে প্রয়োজনীয় তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা। প্রকৃতির প্রভাব ও পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বিশ্ব মানবতাকে প্রকৃতিগত সংকটের পূর্বাভাস দিয়ে সতর্ককরণ ব্যবস্থার সমন্বয় সাধন।
পরিবেশবাদীরা আশা করছেন, জলবায়ু সংকটের উন্নয়ন ঘটাতে বিজ্ঞানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সমন্বিত ব্যবস্থা যা আঞ্চলিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবেই করতে হবে এবং এই ব্যবস্থার কার্যকরী ব্যবহারের মাধ্যমে জলবায়ুর বৈসাদৃশ্য ঠেকাতে অনেকটাই সহায়ক হবে। তারা আরও বলেছেন, কোনো দেশ বা জাতি বা মহাদেশ এককভাবে বিশ্বকে রক্ষা করতে পারবে না, তাই দরকার সমন্বিত বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্ব কর্মসূচি।
জেনেভার বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে একটি বিশ্বজনীন সিদ্ধান্ত ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে পৃথিবীর ১৫০টি দেশের প্রায় এক হাজার ৫০০ বিজ্ঞানী, পরিবেশবাদী, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও কর্মী এবং মন্ত্রী ও রাষ্ট্রপ্রধানেরা অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জেনেভা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের পাশাপাশি সর্বমোট ২০ জন রাষ্ট্রপ্রধান সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া সম্মেলনে এসেছেন জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল বান কি মুন। তবে এই জলবায়ু এবং জীববৈচিত্র্য সংকটরোধে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সমন্বিত বা বৈশ্বিক কাঠামোর সবটাই নির্ভর করবে বিশ্বব্যাপী মানব সমাজের এই বিষয়ে সচেতনতা ও সাবধানতার ওপর।
পশ্চিমা বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর অতিরিক্ত কার্বনডাই- অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন যেমন জলবায়ুর তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে, পাশাপাশি আমাদের দেশের শিল্পকারখানাগুলোর রাসায়নিক বর্জ্য নদী-নালায় প্রবাহিত হয়ে পরিবেশ বিষময় করে তুলেছে। নদী-জলাশয় দখল বা বাড়ির আবর্জনা ছাদ বা বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দেওয়ার প্রবণতা বা যত্রতত্র প্লাস্টিক ব্যাগ বা বোতল ফেলে রেখে পরিবেশবান্ধব অবস্থা তৈরিতে অন্তরায় সৃষ্টি হচ্ছে।
পৃথিবীকে রক্ষা করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রয়োজন মানবজাতির পরিবেশবান্ধব আচরণ আর তবেই বাঁচবে এই বসুন্ধরা।
সরাফ আহমেদ: প্রথম আলোর হ্যানোভার (জার্মানি) প্রতিনিধি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দায়গুলো অন্য কারো, মৃত্যুগুলো আমাদের -সোয়াইন ফ্লু by ফারুক ওয়াসিফ
এ অবস্থায় সরকারের একটি সিদ্ধান্তে ভয় আরও বেড়েছে। এখন থেকে পরীক্ষা না করেই কারও সোয়াইন ফ্লু হয়েছে কি না তা শনাক্ত করা হবে। কারণটা সরকারি ভাষায়, ‘দেশে সোয়াইন ফ্লুর বিস্তার বেড়ে যাওয়ায়...’। দেশে সোয়াইন ফ্লু বেড়ে যাওয়ার প্রমাণ কী? প্রমাণ পত্রিকার সংবাদ। বুধবার পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ২৫৯। পরীক্ষাই ছাড়া এই ২৫৯ জন যে সোয়াইন ফ্লুতেই ভুগছে, তা বুঝব কীভাবে? এই পদ্ধতি অবৈজ্ঞানিক ও অনিরাপদ।
তথ্যগুলো কীভাবে আসে?
আমাদের সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং মার্কিন সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) পন্থাই অনুসরণ করছে। গত মে মাসে ডব্লিউএইচও মহামারির সতর্কতা লেভেল ৫ থেকে ৬-এ তোলে। এর অর্থ, মহামারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। কীভাবে তারা এটা বুঝল? ঘটনার ধারা খেয়াল করুন। ২৯ এপ্রিল ডব্লিউএইচও জানায়, নয়টি দেশে ১৪৮ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে একজন। কিন্তু জানানো হয় না যে এই ১৪৮টি ঘটনার কতগুলো ল্যাব-পরীক্ষায় প্রমাণিত আর কতগুলো সন্দেহের ভিত্তিতে সাব্যস্ত। এটা না করে ডব্লিউএইচও ও সিডিসি একযোগে বলে যে যেহেতু রোগ ছড়িয়ে গেছে, সেহেতু এখন আর পরীক্ষার প্রয়োজন নেই (ডব্লিউএইচও, ব্রিফিং নোট, ২০০৯)। এর পরপরই ডব্লিউএইচও-র বৈশ্বিক পরিসংখ্যানে সোয়াইন ফ্লু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তাদের যুক্তি অদ্ভুত, যেহেতু রোগ ছড়িয়েছে সেহেতু পরীক্ষা নিষ্প্রয়োজন। সদস্য দেশগুলোকে নিশ্চিত আক্রান্তের তথ্য দিতে না বলার কারণটি ডব্লিউএইচওর প্রধান মার্গারেট চ্যান পরিষ্কার করেননি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ১৩ আগস্ট পর্যন্ত গোটা বিশ্বে এক লাখ ৮২ হাজার ১৬৬ জন আক্রান্ত হলেও মারা গেছে মাত্র এক হাজার ৭৯৯ জন। এই এক হাজার ৭৯৯ জনের মৃত্যুর মূল কারণ যে সোয়াইন ফ্লু, তার বৈজ্ঞানিক প্রমাণও হাজির নেই। অথচ সিডিসি গত ২৮ মে বলছে, ‘আমাদের হাতে ১১-১২টি মৃত্যুর খবর আছে। ...এর মধ্যে ১০ জনের বেলায় অন্য রোগের উপস্থিতি ইনফ্লুয়েঞ্জাজনিত সমস্যাকে মারাত্মক করেছে।’
এভাবে বাড়িয়ে ধরা এবং অন্য রোগের উপসর্গগুলোকে হিসাবে না ধরার ফল বিভ্রান্তিকর। ইংল্যান্ডে সম্ভাব্য আক্রান্ত হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে তিন হাজার ৯০৬ জন। বিপরীতে স্কটল্যান্ডে নিশ্চিতভাবে আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ৪৩ জন। ব্রিটেনে অধিকাংশ তথ্য স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারা সংগৃহীত নয়। কেবল তাই-ই নয়, সেখানে অনলাইনে ও সরাসরি টেলিফোন নম্বর দিয়ে বলা হয়েছে, যাঁরা আশঙ্কা করছেন তাঁরা যেন ওই নম্বরে ফোন করে পরামর্শ নেন। যিনিই ফোন করছেন, তাঁর নাম আক্রান্ত হিসেবে লিপিবদ্ধ হচ্ছে। এভাবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে দেখানো যাচ্ছে। একই জিনিস বাংলাদেশেও ঘটছে। ডব্লিউএইচও থেকে শুরু করে আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রোগশনাক্ত পদ্ধতির বিবর্তনটা অনেকটা এ রকম: প্রথম ধাপে পরীক্ষা করা, পরের ধাপে সন্দেহের ভিত্তি ঠিক করা এবং সর্বশেষ রোগীকে নিজে নিজেই ঠিক করতে বলা (Self Categarization)। অথচ কে না জানে যে, রোগের উত্স, সঠিক অবস্থা ও ধরন না জেনে ব্যবস্থা নেওয়া আত্মঘাতী!
মেক্সিকোর ভেরাক্রুজ শহরের একটি গ্রাম থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে বলা হচ্ছে। যেখানে মেক্সিকোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সোয়াইন ফ্লুতে মৃতের সংখ্যা মাত্র সাত বলে নিশ্চিত করেছে, ডব্লিউএইচওর প্রধান দাবি করেছেন, মেক্সিকোয় সোয়াইন ফ্লুতে মারা গেছে ১৭৬ জন!
আমেরিকায় একমাত্র সিডিসিই ভাইরাসের প্রকৃতি শনাক্ত করতে সক্ষম। গোটা আমেরিকা মহাদেশের তথ্যগুলোও তারাই সরবরাহ করছে। আর বৈশ্বিকভাবে তথ্য দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাদের এই একচেটিয়া অবস্থানের ভুল হলে, কে তা শোধরাবে? গলদটা গোড়ায় হলে সব ক্ষেত্রেই ভুল হতে বাধ্য। বার্ড ফ্লুর বেলায় ডব্লিউএইচওর পদ্ধতি ও ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণ হয়েছে। তাই আজ জনস্বার্থে দাবি ওঠা দরকার যে রোগ শনাক্তকরণ, আক্রান্তের সংখ্যা নিরূপণ ও চিকিত্সা বিষয়ে স্বচ্ছতা আনা হোক।
কারও গুদাম পোড়ে, কেউ আলুপোড়া খায়
প্রবাদ হচ্ছে—কারও গুদাম পোড়ে আর কেউ সেই পোড়া আলু খায়; আবার লবণও চায়। বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষকে সোয়াইন ফ্লুর টিকা দেওয়ার জন্য তোড়জোড় লেগে গেছে। ডব্লিউএইচও প্রায় ৫০০ কোটি টিকা কেনার পরিকল্পনা নিয়েছে। মার্কিন সরকার বরাদ্দ করেছে ৪০০ কোটি ডলার। ফ্রান্সে বাধ্যতামূলক টিকাদানের খরচ ধরা হয়েছে ১০০ কোটি ডলার। মন্দার এই সময় ওষুধ কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া ব্যবসা ঠেকায় কে? অথচ ১৯৭৬ সালে আমেরিকার নিউ জার্সির ফোর্ট ডিক্স সামরিক ঘাঁটি থেকে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেয় মার্কিন সরকার। চার কোটি লোককে টিকা দেওয়ার পর দেখা যায়, রোগের থেকে ওষুধ বেশি বিপজ্জনক। কর্মসূচিটি বন্ধ হয়। এই ভাইরাসে মারা গিয়েছিল সর্বমোট একজন। কিন্তু টিকায় মারা গেছে ৩০ জনেরও বেশি এবং ৫০০ জন আক্রান্ত হয়েছে গুইলেঁ-বার (Guillain-Barre) নামের মারাত্মক প্যারালাইসিসে (সিবিসি নিউজ আর্কাইভ)।
২০০৫ সালের বার্ড ফ্লু-হিড়িকেও অনেক হইচই হয়। এর প্রতিষেধক তামিল ফ্লুর পেটেন্ট নেওয়া ছিল মার্কিন ঝবধত্ষব কোম্পানির। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হওয়ার আগে ডোনাল্ড রামসফেল্ড ছিলেন এর সিইও। মন্ত্রী থাকা অবস্থাতেই তিনি এর বিরাট অঙ্কের শেয়ারের মালিক। বিশদ বলার সুযোগ নেই। কেবল এটুকু বলি, এ পর্যন্ত বেশির ভাগ টিকাই ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে (www.i-sis.org.uk)। রোগ ঠেকানোর সেরা উপায় হচ্ছে, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনপ্রণালী, দূষণহীন পরিবেশ ও সুষ্ঠু খাদ্যাভ্যাস। মিসাইল মেরে শত্রু দমন করা যায়, কিন্তু মিসাইলসদৃশ অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টি-ভাইরাস সব ক্ষেত্রে মানবশরীর সয়নি।
গোড়ায় হাত দিন
বার্ড ফ্লুর ঘটনায় ডব্লিউএইচও ভেবেছিল, স্থানীয় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা যা-ই হোক, তাদের দক্ষ মেডিকেল আমলাতন্ত্রই মহামারি ঠেকাতে সক্ষম। ১৯৯৭ সালে ডব্লিউএইচও বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে মিলে মহামারি রোধের একটা কৌশল দাঁড় করায়। আক্রান্ত এলাকাকে বিচ্ছিন্ন করে সবাইকে ধরে ধরে ভ্যাক্সিন (যদি থাকে) দিয়ে দেওয়াই ছিল এর কৌশল। কিন্তু এতে কাজ হয়নি। কারণ, এখনকার অণুজীবাণুগুলো দ্রুতই দুনিয়াময় ছড়িয়ে পড়তে পারে। বার্ড ফ্লুর বেলায় তা-ই হয়েছিল।
যেসব কারণে মহামারির জন্ম হয় এবং যেসব এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ সেসব কারণ দূর করা এবং সেসব এলাকাকে সহায়তা করার বদলে ধনী দেশগুলো জৈব গবেষণায় টাকা ঢেলেই খালাস। এরই ফল হলো দৈত্যাকারের ওষুধ কোম্পানির উদয়। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর দাবি, অ্যান্টি-ভাইরাল টিকাগুলো ওষুধ কোম্পানিগুলোর মুনাফার কবল থেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক, যাতে সরকারিভাবেই এগুলোর উত্পাদন ও বণ্টন করা যায়। সোয়াইন ফ্লু সেই প্রয়োজনটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। স্বাস্থ্য তদারকি, বৈজ্ঞানিক ও রোগনিয়ন্ত্রণকারী অবকাঠামো, সবার জন্য মৌলিক চিকিত্সাসেবা এবং বৈশ্বিকভাবে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সহজপ্রাপ্য করা দরকার। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে হয় এর দায়িত্ব বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানির হাতেই ছেড়ে রাখতে চায়। তামিল ফ্লুর প্রতিষেধকের একচেটিয়া নিয়ে নিয়েছে রোশে, অ্যাভেন্তিস, বাক্সটারসহ গোটা কয়েক কোম্পানি। এই সেপ্টেম্বরে টিকাগুলো বাজারে আসবে। বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণার জন্য এরাই নিরন্তর ডব্লিউএইচওর ওপর চাপ জারি রেখেছিল। সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস দেখা দেওয়ার এক বছর আগেই ২০০৮-এর আগস্টে বাক্সটার এর টিকার পেটেন্টের আবেদন করে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রিয়ায় এদের গবেষণাগার থেকে ভাইরাসবাহী উপাদান ছড়িয়ে পড়ার কথা ডব্লিউএইচও তো বটেই বাক্সটারও স্বীকার করেছে। এর জন্য তাদের কোনো শাস্তি হয়নি।
যে প্রক্রিয়ায় বার্ড ফ্লু তৈরি হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াই সোয়াইন ফ্লুর বিবর্তনকে এগিয়ে দিয়েছে। ভাইরাস বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস, অতি উত্পাদনশীল যান্ত্রিক কৃষি ও করপোরেট বাণিজ্যিক খাদ্যশিল্পই হলো ইনফ্লুয়েঞ্জার রূপান্তরের কারণ। যেমন বার্ড ফ্লু ছড়ানোর জন্য থাইল্যান্ডে শারোয়েন পকফান্ড এবং সোয়াইন ফ্লুর জন্য মেক্সিকোয় খামার করা মার্কিন স্মিথফিল্ডকে দায়ী করা হয়। অদ্যাবধি এদের কেউ জরিমানা করেনি, কিন্তু জনগণের টাকার শ্রাদ্ধ করে অনির্ভরযোগ্য শত শত কোটি টিকা কেনা হচ্ছে। অন্যদিকে বার্ড ফ্লুর ধাক্কায় বাংলাদেশসহ অনেক দেশের অজস্র ক্ষুদ্র খামার পথে বসেছে আর এখন সোয়াইন ফ্লুর সময় মিসরসহ অনেক দেশের গ্রামীণ শূকরপালকেরা হাহাকার করছে। বহুজাতিক পরিবেশবিধ্বংসী খামার ও কারখানাগুলো গ্যাট ও নাফটা চুক্তির বলেই তৃতীয় দুনিয়ায় চলে আসতে পারছে এবং বিপর্যস্ত করছে এখানকার জীবন ও প্রাণীদের বাস্তুসংস্থান। এখানে শ্রম ও কাঁচামাল সস্তা এবং সরকার কমবেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। সুতরাং নো জবাবদিহি, নো সতর্কতা। পাখি বা শূকরের কী দায়? সুতরাং সোয়াইন ফ্লু না বলে একে নাফটা ফ্লু বলাই শ্রেয়।
মার্কিন পিউ রিসার্চ সেন্টার তাদের এক যুগান্তকারী প্রতিবেদনে জানায়, ‘শিল্পের মাধ্যমে বিরাট আকারে গবাদিপশু উত্পাদন-ক্ষেত্রগুলোতে মারাত্মক সব ভাইরাসের চক্র সৃষ্টি হয়ে চলেছে। এসব ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হওয়ার মতো রোগ-ব্যাধির জন্ম দিতে পারে।’ কিন্তু এসব কোম্পানি অমিত ক্ষমতাধর। বিশ্বব্যাপী এদের রাজনৈতিক ক্ষমতাও কম নয়। এরা পিউকে বাধা দেয় এবং তহবিল বন্ধের হুমকি আসে। বিশ্বের চিকিত্সা-ব্যবস্থা, চিকিত্সক ও চিকিত্সা পদ্ধতি অনেকভাবেই এদের হাতে বাঁধা। গত ২ সেপ্টেম্বর মার্কিন আদালত বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি ফাইজারকে ২.৩ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে ভুয়া ওষুধ তৈরি ও বিক্রির জন্য। এসব ওষুধ বাজারজাত করায়চিকিত্সকদের ঘুষ দেওয়া ছিল তাদের কৌশলের অংশ।
সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সন্ত্রাস কমাতে পারেনি, ভাইরাসবিরোধী যুদ্ধও ভাইরাস ঠেকাতে অক্ষম হবে। তবে ব্যবসায়িক দিক থেকে তাদের সফলতার কোনো জুড়ি নেই। এর মানে জনস্বাস্থ্যের আরও অবনতি এবং জীবন বাঁচানো ওষুধের ওপর বড় ওষুধ কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য। এসব করপোরেটের পাথুরে দেয়ালে মাথা খুঁড়ে মরে প্রতিকারের আশা ও সম্ভাবনা। যুদ্ধ-মহামারি-আর্থিক সংকট-জলবায়ু পরিবর্তন তারা ঘটায় কিন্তু মরে ও ধোঁকে সাধারণ মানুষ। দায়গুলো তাদের কিন্তু মৃত্যু-ক্ষতি-ভয় কেন কেবল আমাদেরই হবে?
কিন্তু আজ যখন মানবজাতি বিপন্ন, তখন আগুন কে লাগিয়েছে তা বেশি দিন গোপন থাকবে না। এক রিকশাচালককে বলতে শুনি, ‘যাক, কোথাও থোওয়া যায় না, তাই ভয়।’ আমরা ভীত, কারণ আমরা আমাদের ভয়গুলোকে কোনো সরকার, কোনো বিশেষজ্ঞ সংস্থা কিংবা কোনো বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের জিম্মায় রেখে শান্তি পাচ্ছি না। কিন্তু আমাদের শিশুদের জীবনের দায়িত্ব, মানবজাতির অস্তিত্বের ভার নিতে হবে আমাদেরই। জনগণের সতর্কতা ও নজরদারির তাই কোনো বিকল্প নেই। কারণ, আমাদের কেবল আমরাই আছি।
ফারুক ওয়াসিফ: সাংবাদিক।
farukwasif@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্ম তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনে রোজা -সিয়াম সাধনার মাস by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
যিনি মুত্তাকি বা পরহেজগার হবেন, তিনি যাবতীয় খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন এবং ভালো কাজের অনুশীলন করবেন। সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ধৈর্য, ন্যায় বিচার বা আদল, ইহসান প্রভৃতি যত রকমের অনুপম মানবিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তিনি সেগুলোর অধিকারী হতে চেষ্টা করবেন। তিনি সর্বদা সত্কাজ করবেন এবং অপরকে সত্কাজের প্রতি বিনীতভাবে আহ্বান জানাবেন। আর নিজে অসত্ কাজ থেকে সর্বদা বিরত থাকবেন এবং অন্য সবাইকে অসত্ কাজ থেকে বিরত থাকতে সচেষ্ট হবেন। তিনি সময়মতো নামাজ আদায় করবেন, জাকাত প্রদান করবেন এবং মাহে রমজানে সিয়াম সাধনা তথা রোজাব্রত পালন করবেন।
কারা সত্যবাদী এবং কারা মুত্তাকিন, তাদের সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘সত্কর্ম শুধু এই নয় যে পূর্ব কিংবা পশ্চিম দিকে মুখ করবে, বরং বড় সত্কাজ হলো এই যে ঈমান আনবে আল্লাহর ওপর, কিয়ামত দিবসের ওপর, ফেরেশতাদের ওপর এবং সব নবী-রাসুলের ওপর আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্মীয়-স্ব্বজন, এতিম-মিসকিন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসের জন্য। আর যারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করে, জাকাত প্রদান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য ধারণকারী, তারাই হলো সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই হলো মুত্তাকিন।’(সূরা আল-বাকারা, আয়াত-১৭৭)
বছরের এক মাসব্যাপী রোজা পালনের উদ্দেশ্য নিছক উপবাস থাকা নয়, এর মূল উদ্দেশ্য তাকওয়া অর্জন করা। ফলে সমাজ জীবনে মানুষ অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে পারে এবং ন্যায় কাজ করার জন্য এগোতে পারে। মানুষের মধ্যে তাকওয়া বা খোদাভীতি অর্জনের লক্ষ্যে মাহে রমজানের পূর্ণাঙ্গ একটি মাস রোজা রাখা ফরজ করা হয়েছে। মানুষ যাতে তাকওয়া অর্জন করতে পারে, আল্লাহভীতির গুণাবলি অর্জন করতে পারে, দুনিয়ার সব কাজে আল্লাহকে উপস্থ্থিত পাওয়ার মতো বোধশক্তি অর্জন করতে পারে এর জন্যই রোজা। মুত্তাকির বৈশিষ্ট্য অর্জনের জন্য পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যেন তোমরা মুত্তাকি বা খোদাভীরু হতে পারো।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত-১৮৩)
অন্য সব ইবাদত যেমন নামাজ কিংবা দান, খয়রাত, সাদকা ইত্যাদিতে ‘রিয়া’ তথা লোক দেখানোর অবকাশ থাকে; কিন্তু মাহে রমজানের রোজার মধ্যে এসবের কোনো স্থান নেই। কেননা রোজাদার ব্যক্তি রোজা আছেন কি না তা তিনি ছাড়া অন্য কেউ জানে না। সিয়াম পালনকারীর সামনে সুস্ব্বাদু ও লোভনীয় খাবার উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও স্রষ্টার প্রতি দায়িত্বশীলতার কারণে তিনি তা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকেন। ক্ষুধা-পিপাসা ও খাদ্য গ্রহণের ইচ্ছাকে আধ্যাত্মিক সাধনা বলে নিয়ন্ত্রণ করেন। কোনো রোজাদার যদি লোকচক্ষুর অন্তরালে কোনো খাদ্যদ্রব্য ভক্ষণ করেন বা কিছু পান করেন বা নিষিদ্ধ কোনো খারাপ কাজ করে বসেন, তাহলে তা মানুষের জানার নয়। কিন্তু খাঁটি রোজাদার বা পরহেজগার ব্যক্তি তা করেন না। কারণ সেই মুত্তাকি জানেন যে মানুষ না দেখলেও আল্লাহ তাঁর বান্দার সকল কর্মকাণ্ড গভীরভাবে প্রত্যক্ষ করছেন। এভাবে রোজাদারের মধ্যে খোদাভীতি বা পরহেজগারি সৃষ্টি হয় এবং সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার, যাবতীয় অশ্লীল কাজ, মিথ্যা কথা প্রভৃতি খারাপ ও নিন্দনীয় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখেন। তাই রোজাকে বলা হয় তাকওয়া অর্জনের মাস।
যদি কেউ আন্তরিকভাব্রেরোজার প্রতিটি বিন্যস্ত আমল বা বিধি-বিধান সুন্দরভাবে পালন করেন তাহলে তাঁর মধ্যে অবশ্যই তাকওয়া আসবে। রোজা মুত্তাকির জন্য এক অফুরন্ত নিয়ামতস্বরূপ। তাকওয়া হচ্ছে মনুষ্যত্ব অর্জনের সর্বপ্রথম ও সর্বোত্তম অবলম্ব্বন। কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে মুত্তাকি ক্ষুধা, পিপাসা, কাম, ক্রোধ, লোভ-লালসা পরিত্যাগ করে রোজা পালনে ব্রতী হন। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মাহে রমজানের রোজা পালন করতে গিয়ে রোজার সীমারেখা বুঝে নেবে এবং যে কর্তব্য রোজার ভেতর পালন করা বাঞ্ছনীয় তা সুচারুভাবে পালন করে চলবে তার এরূপ রোজা তার বিগত গুনাহের ক্ষমার কাফ্ফারা হয়ে যাবে।’ (বায়হাকি)
মাহে রমজানে তাকওয়ার গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে মানুষের পাপাচারের প্রতি আকর্ষণ দিন দিন হ্রাস পেতে থাকে। বস্তুত যে রোজা তাকওয়া তথা আল্লাহর ভয় ও হূদয়ের পবিত্রতাশূন্য, সে রোজা যেন প্রকৃত অর্থে রোজাই নয়। আল্লাহর কাছে এমন রোজার কোনো প্রয়োজন নেই। এ জন্য ইসলামে মাহে রমজানের বিধি-বিধানের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। রোজা যাতে অন্তঃসারশূন্য আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত না হয় এবং তা যেন একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই পালন করা হয়, সে জন্য মাহে রমজানে তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রতিও বিশেষ তাগিদ প্রদান করা হয়েছে।
ইসলামে রোজার যে নিয়মশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা আত্মশুদ্ধি লাভ ও তাকওয়া অর্জনের মূলমন্ত্র। মাহে রমজানসহ মুসলমানদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। একজন রোজা পালনকারী ও তাকওয়া অবলম্বনকারী মুমিন মুসলমান সমাজে কোনো প্রকার অশ্লীল ও অবৈধ কোনো খারাপ কাজ করবেন না, কাউকে প্রতারণা করবেন না, কারও অপকার বা অনিষ্ট সাধনের চিন্তাও করবেন না, বরং সর্বদা পরোপকারে লিপ্ত থাকবেন এবং পবিত্র কোরআন ও হাদিসের নির্দেশ মোতাবেক জীবনযাপন করে জান্নাত লাভের পথ সুগম করবেন। আসুন, আমরা সবাই যদি তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য সত্য ও ন্যায়ের পথে চলি, মানুষ হিসেবে মানবিক দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলোর প্রতি আত্মসচেতন হই, আল্লাহর নির্দেশ মান্য করি, সমাজে অন্যায়, অসত্য ও অকল্যাণের পথ বর্জন করে চলি তাহলে নিশ্চয়ই আমরা মুত্তাকি হতে পারব।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানের চোরাবালিতে ওবামা by ফারুক চৌধুরী
আফগানিস্তানে সমস্যার মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র যুগল পদক্ষেপ নিচ্ছে। তা হচ্ছে আফগানিস্তানে আরও ২১ হাজার সেনা পাঠানো এবং সে দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে উন্নততর প্রশিক্ষণ দেওয়া। কিন্তু তা সত্ত্বেও আফগানিস্তানে তালেবানরা শক্তি সঞ্চয় করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সেনাদের ওপর তীব্র থেকে তীব্রতর আঘাত হানছে। এ অবস্থায় সাধারণত যা ঘটে থাকে তা হলো এই যে ঘটনাস্থলে নিযুক্ত সেনাপতিরা আরও সেনা পাঠানোর সুপারিশ পাঠান, প্রেরিত রাষ্ট্রের জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, প্রেরণকারী রাষ্ট্রে বিরূপ জনমতের সৃষ্টি হয় এবং প্রেরণকারী রাষ্ট্র সমস্যার চোরাবালিতে ঘুরপাক খায়। তা আমরা অতীতে ভিয়েতনামে ও পূর্ব এশিয়ায় দেখেছি আর এখন প্রত্যক্ষ করছি ইরাকে। বর্তমানে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সেনাবাহিনীর সেনাপতি জেনারেল ম্যাকক্রিস্টেলের প্রতিক্রিয়াও তার ব্যতিক্রম নয়। তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানে অবস্থার অবনতি হচ্ছে এবং অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর কথাটি যে বিবেচনাধীন রয়েছে, তার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ওবামাকে দ্রুতই একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন পথে যাবেন তিনি?
এদিকে আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শেষ হয়েছে, ভোট গণনা চলছে এবং সেপ্টেম্বরেই ফলাফল ঘোষিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় এখন দুই প্রার্থীই এগিয়ে রয়েছেন। তাঁরা হলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এবং তাঁরই সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ। আংশিক গণনায় হামিদ কারজাই এগিয়ে রয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রদত্ত ভোটের শতকরা ৫০ ভাগ না পেলে, তাঁর সঙ্গে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর (অর্থাত্ আবদুল্লাহ আবদুল্লাহর) আবার নির্বাচনে লড়তে হবে। এ তো গেল সরকারি হিসাবের কথা। কিন্তু এ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের সময় হরেক রকমের কারচুপি আর অনিয়ম ঘটেছে এবং নির্বাচনে ছিল গ্রহণযোগ্য স্বচ্ছতার অভাব। এ অবস্থায় নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরাজিত প্রতিদ্বন্দ্বী কি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন? আফগানিস্তানের বহু উপজাতি ও গোষ্ঠীর ভোটারদের শ্রেণীবিভক্তি জটিল এবং তা সহজে বোধগম্য হওয়ার নয়। তা ছাড়া তাতে রয়েছে টাকা এবং ‘ওয়ার লর্ড’দের পেশিশক্তির খেলা। তাই নির্বাচন-উত্তর আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিলতর হয়ে যাবে না তো? নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রথম এবং প্রয়োজনীয় শর্ত। কিন্তু আফগানিস্তানে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো, তা নির্বাচনের নামে প্রহসন বলে পরিগণিত হবে না তো? নির্বাচনের কারণে আফগানিস্তানের রাজনৈতিক অবস্থার হিতে বিপরীত না হয়ে যায়।
আফগানিস্তান ক্রমে ক্রমে প্রেসিডেন্ট ওবামার জন্য কঠিন থেকে কঠিনতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আফগানিস্তানে কী এমন নতুন ‘স্ট্রাটেজি’ তিনি অবলম্বন করতে পারেন, যা পূর্বপরীক্ষিত ‘স্ট্রাটেজি’ থেকে ভিন্নতর হবে?
তার একটি এই হতে পারে যে আফগানিস্তান সমস্যাকে সামরিক সমস্যা হিসেবে যাচাই না করে, তাকে প্রধানত আর্থসামাজিক সমস্যা হিসেবে গ্রহণ করা এবং চটজলদি কোনো সমাধান না নিয়ে একটি সুচিন্তিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা, যাতে থাকবে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রাধান্য। আফগানিস্তানের গ্রামপর্যায়ে কৃষি, মুরগি খামার ও পশুপালন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের বিরাট একটি সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাবনা রয়েছে সে দেশের ঐতিহ্যবাহী কার্পেটশিল্পে নতুন প্রাণসঞ্চার করার। প্রয়োজন রয়েছে স্থানীয় সংস্থাটির প্রতি লক্ষ্য রেখে শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়নের এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে একটি গ্রামীণ অবকাঠামো গড়ে তোলা। এবং এসবের সঙ্গে সঙ্গে পর্যায়ক্রমে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার, যা সে দেশের জনগণের মধ্যে একটি অনুকূল প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে। সামাজিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ অথবা অর্থসাহায্যে কার্পণ্য চলবে না, পরিত্যাগ করতে হবে ‘টু পাইস’ খরচ করে তার দ্বিগুণ কামাই করার পাশ্চাত্যের প্রবণতা।
সামাজিক ক্ষেত্রে সব বিনিয়োগই সরকারি ও বেসরকারি খাতে যুগপত্ভাবে প্রবাহিত করা যেতে পারে। এদিকে আফগানিস্তানের গ্রামীণ বিচারব্যবস্থাকে উন্নততর করার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। পাকিস্তানের সোয়াতে তালেবানদের প্রভাব বিস্তারের প্রধান একটি কারণ ছিল পাকিস্তান সরকারের নড়বড়ে, ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ বিচারব্যবস্থা, যার দুর্ভোগ সেই অঞ্চলের জনগণ পোহাচ্ছিল। তার সঙ্গে সঙ্গে আফগানিস্তানের সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তার জন্য বিরাটাকার বিদেশি সামরিক উপস্থিতির প্রয়োজন নেই।
প্রেসিডেন্ট ওবামা যদি এই দৃষ্টিকোণ থেকে আফগানিস্তানের জটিল সমস্যাটি সমাধানে সচেষ্ট হন, তাহলে সেই হতভাগ্য দেশটিতে হয়তো বা শান্তি ও উন্নয়নের একটি পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে।
ফারুক চৌধুরী: কূটনীতিক। সাবেক পররাষ্ট্র সচিব।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবামার ‘ওয়াটারলু’ by হাসান ফেরদৌস
বারাক ওবামা ঠিক সম্রাট নন। তিনি কোনো রাজ্য দখলের বা সামরিক অভিযানেরও কোনো প্রস্তুতি নিচ্ছেন না। কিন্তু তাঁর প্রতিপক্ষ রিপাবলিকান দল কীভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ওয়াটারলুর মতো এক চূড়ান্ত পরাজয় হানা যায়, এই মুহূর্তে সে আয়োজন চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত। তাদের বিশ্বাস, আমেরিকার স্বাস্থ্যব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন, তার পরাজয়ের ভেতর দিয়েই রচিত হবে ওবামার ওয়াটারলু। বানিয়ে বলছি না, একাধিক রিপাবলিকান নেতা ওয়াটারলুর নাম নিয়েই ওবামার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। তাঁদের অন্যতম হচ্ছেন দক্ষিণ ক্যারোলাইনা থেকে নির্বাচিত সিনেটর জিম ডিমিন্ট। গত মাসে এক বক্তৃতায় এই সিনেটর ভদ্রলোক ঘোষণা করেন, স্বাস্থ্য বীমা প্রশ্নে যদি ওবামাকে ঠেকানো যায়, তবে তা-ই হবে তাঁর ওয়াটারলু। শুধু তা-ই নয়, ওবামার পরাজয়ের ভেতর দিয়ে সূচিত হবে ডি-ডে, আরম্ভ হবে আমেরিকার প্রকৃত মুক্তি। (যাঁরা ডি-ডে কী তা ভুলে গেছেন, তাঁদের মনে করিয়ে দিই, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষ বছরে ৬ জুন ১৯৪৪, মার্কিন নেতৃত্বে মিত্র বাহিনীর দেড় লাখ সেনা ও তাদের সাঁজোয়া বহর ফ্রান্সের নর্মান্ডিতে অবতরণ করে। অনেকেরই বিশ্বাস, সেই অবতরণ বা ‘ডিসএম্বারকেশন’-এর ধাক্কা সামলাতে না পেরেই হিটলার বাহিনীর পরাজয় হয়।)
সোজা কথায়, রিপাবলিকানরা একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কথাই বলছে। এক-দেড় মাস আগেও ভাবা যায়নি যে রিপাবলিকান পার্টির গায়ে-গতরে আর এমন কোনো বল অবশিষ্ট আছে যে তারা ওবামার জনপ্রিয়তায় ধস নামাতে পারবে বা স্বাস্থ্য বীমার মতো মৌলিক প্রশ্নে পাল্টা যুদ্ধ শুরু করে তাতে জিততে পারবে। গত সপ্তাহে গ্যালপ জনমত জরিপের যে ফলাফল দিয়েছে, তাতে এই প্রথমবারের মতো ওবামার সমর্থন ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে। অথচ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর পর ওবামার জনসমর্থন ছিল প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। বলা হচ্ছে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমর্থন এত দ্রুত কমে আসেনি। অন্য আর একমাত্র উদাহরণ হচ্ছে বিল ক্লিনটন, যার বেলায়ও ছয় মাস না গড়াতেই জনসমর্থন ৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসে, কিন্তু ক্লিনটনের সমর্থন কখনোই সত্তরের কাছাকাছি পৌঁছায়নি। ফলে একে যদি ভূমিধস বলা হয় এবং ওয়াটারলুর তুলনা সামনে আনা হয়, খুব একটা বাড়িয়ে বলা হয় না। অন্য অনেক প্রশ্নেই আমেরিকানরা ওবামার ওপর নাখোশ, তবে তাদের অসন্তুষ্টির তালিকায় এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য বীমা যে এক নম্বর, তাতেও কোনো সন্দেহ নেই।
নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই ওবামা স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার তাঁর অন্যতম প্রধান এজেন্ডা বলে আমাদের জানিয়েছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর প্রধান মাথাব্যথা ছিল অর্থনীতি। সে ব্যথা এখনো যায়নি, যদিও অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ মনে করেন, তিরিশের দশকের মতো মহামন্দাবস্থা ওবামা কাটিয়ে উঠেছেন। যে স্টিমুলাস প্যাকেজ তিনি কংগ্রেসের কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে নিয়েছিলেন, তাতে কমবেশি কাজ দিয়েছে। অর্থনীতি যথেষ্ট পোক্ত হওয়ার আগেই ওবামা স্বাস্থ্য বীমা সংস্কারের কাজে হাত দেন। তিনি খুব ভালো করেই জানতেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর ‘মধুচন্দ্রিমা’ খুব বেশি দিন স্থায়ী হবে না। দুই বছরের মাথায় তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনের সম্মুখীন হতে হবে। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল বেধড়ক মার খায়। সে মোতাবেক ২০১০ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসে ফের যে রিপাবলিকানরা ফিরে আসবে না বা ডেমোক্র্যাটদের চলতি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হ্রাস পাবে না, এর কোনোই নিশ্চয়তা নেই। সে কথা মাথায় রেখে নিজের জনপ্রিয়তা একটা সম্মানজনক অবস্থায় থাকতে থাকতেই ওবামা স্বাস্থ্য বীমা সংস্কারের উদ্যোগ নিলেন। সন্দেহ করি, ব্যাপারটা যে এত গোলমেলে হবে, তিনি বা তাঁর উপদেষ্টারা কেউই যথাযথ ঠাহর করে ওঠেননি।
রিপাবলিকানরা আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন, ওবামার কোনো কাজেই তাঁরা সমর্থন দেবেন না। প্রধানত শ্বেতকায় পুরুষেরাই এই দলের ‘বেইস’ বা ভিত। গত নির্বাচনে তাঁদের অধিকাংশই ওবামার বিরুদ্ধে ভোট দেয়। তাঁদের মধ্যে এমন লোকের অভাব নেই, যাঁরা এখনো মনে করেন ওবামা আসলে মার্কিন নাগরিকই নন। তিনি একজন মুসলমান, এমন কথাও তাঁদের অনেকে বিশ্বাস করেন। তাঁদের চোখে ওবামা ও তাঁর প্রগতিশীল আর্থসামাজিক নীতি ভিনদেশি অর্থাত্ ‘আন-আমেরিকান’। এ অবস্থায় নিজেদের বেইসের সমর্থন ধরে রাখার জন্য রিপাবলিকানরা যতটা সম্ভব ওবামার দক্ষিণে অবস্থান গ্রহণ করলেন। দক্ষিণ মানে যেমন-তেমন দক্ষিণ নয়, একেবারে ধর্মযুদ্ধ আর কি! বস্তুত, এই নতুন লড়াইয়ের আসল চেহারাটা ভয়ানক বর্ণবাদী। একজন কালো মানুষ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন, এ দেশের শ্বেতকায় মানুষদের কাছে বিশেষত সেই সব শ্বেতকায়, যারা শ্বেত সভ্যতার শ্রেষ্ঠতায় এখনো সম্পূর্ণ বিশ্বাসী—কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হয়নি। ফলে বেশির ভাগ মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরেও ওবামার সব নীতি যে আন-আমেরিকান অর্থাত্ শ্বেতকায় স্বার্থের বিরোধী, তাদের মধ্যে এমন একটা অলিখিত মতৈক্য গড়ে উঠতে খুব বেশি সময় লাগেনি।
ওবামা নিজেও তাদের সন্দেহে সমর্থন জোগালেন। শুরু থেকেই তিনি বলে এসেছেন, দেশের অধিকাংশ মানুষের কল্যাণের স্বার্থে তিনি ‘সরকার’কে ব্যবহার করতে চান। কিন্তু পুঁজিবাদী আমেরিকায় সরকার একটা ভয়ানক ব্যাপার। রোনাল্ড রিগ্যানের সেই কথা, সরকার আমাদের সমস্যার সমাধান নয়, সে সব সমস্যার কারণ—এ দেশের শ্বেতকায়দের একটা বড় অংশ এখনো মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে। ওবামা এসেই প্রস্তাব করলেন, এমন স্বাস্থ্য বীমা কর্মসূচি চালু করা হোক, যার ফলে দেশের সব মানুষ চিকিত্সার সুযোগ ভোগ করবে। বর্তমানে যে ব্যবস্থা চালু আছে, তাতে অধিকাংশ শ্বেতকায় আমেরিকান কমবেশি স্বাস্থ্য বীমার সুযোগ ভোগ করে। কিন্তু যারা সে সুযোগ ভোগ করে না, তাদের অধিকাংশ হয় কালো মানুষ, নয়তো বহিরাগত অভিবাসী, যাদের অনেকেই আবার অবৈধ। শ্বেতকায় আমেরিকানদের বোঝানো হলো, তোমাদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে এখন ওবামা ওই সব বিদেশিকে স্বাস্থ্য বীমা দেবে।
সবচেয়ে বড় আপত্তি উঠেছে স্বাস্থ্য বীমা ক্ষেত্রে ‘পাবলিক অপশন’ নিয়ে। সব ইউরোপীয় দেশে, এমনকি পাশের বাড়ির কানাডায়ও সরকারিভাবে স্বাস্থ্য পরিচর্যা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এ দেশে স্বাস্থ্য খাতে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বীমা কোম্পানিই সব দণ্ডমুণ্ডের অধিকর্তা। তারাই ইচ্ছামতো ঠিক করে, কে কোন চিকিত্সা পাবে, কার জন্য কী দাম ধরা হবে। এ কথা সবাই মানে, আমেরিকায় চিকিত্সা খাতের বর্তমান সংকটের আসল কারণই হলো স্বাস্থ্য খাতে বীমা কোম্পানিগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য। সে কথা মাথায় রেখে ওবামা প্রস্তাব করেছিলেন, ব্যক্তিগত খাতের পাশাপাশি একটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা চালু হোক। ব্যক্তিগত খাত তুলে নেওয়া হবে না, তবে যাতে তারা ‘মনোপলি’র সুযোগ নিয়ে কাউকে ঠকাতে না পারে, সে জন্য প্রতিযোগী হিসেবে একটি ‘সরকারি খাত’ রাখা হবে। কাউকে কোনো জোরজবরদস্তি করা হবে না, যার যে ‘অপশন’ পছন্দ, তা গ্রহণের সুযোগ থাকবে।
‘পাবলিক অপশন’ বলা মাত্রই চিত্কার শুরু হয়ে গেল। বীমা কোম্পানিগুলো কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে টিভি-রেডিও, পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন অভিযান শুরু করল। তাদের সঙ্গে গলা মেলালেন রিপাবলিকান নেতা-কর্মীরা। এ দেশে সরকারের ব্যাপারে সবাই এমনিতেই সন্দিহান। এখন রিপাবলিকানরা বলা শুরু করলেন, ওবামার স্বাস্থনীতি গৃহীত হলে চিকিত্সক নয়, সরকারি আমলারা ঠিক করবেন কে কোন চিকিত্সা পাবেন। আমেরিকা ‘সোভিয়েত ইউনিয়ন’ হয়ে উঠবে, ব্যক্তিস্বাধীনতা লাটে উঠবে।
দুটো ভুল করেছিলেন ওবামা। প্রথমত, স্বাস্থ্য বীমা প্রশ্নে খুঁটিনাটি তুলে ধরার বদলে তিনি শুধু মোদ্দা নীতিগুলোর কথা বলেছিলেন, আর আইন প্রণয়নের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন কংগ্রেসে তাঁর ডেমোক্রেটিক সমর্থকদের ওপর। কিন্তু তাঁর নিজের দলের ভেতরেই স্বাস্থ্য বীমা প্রশ্নে মতৈক্য নেই। পশ্চিমের উদারনৈতিক সদস্যরা চান, দেশের সব মানুষকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার অধীনে আনা হোক। কিন্তু দক্ষিণের রক্ষণশীল রাজ্যগুলো থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাটরা তাঁদের রিপাবলিকান প্রতিপক্ষের মতো সরকারের নাক গলানো নিয়ে শুচিবাইগ্রস্ত। তাঁরাও ‘পাবলিক অপশন’-এর বিরোধিতা শুরু করলেন। রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের এই বিভক্তি দেখে বলা শুরু করলেন, তাঁর নিজের দলেই ওবামার প্রস্তাবে সমর্থন নেই, দেশের সমর্থন তিনি পাবেন কী করে?
দ্বিতীয়ত, প্রথমাবধি ওবামা যুক্তি দেখিয়েছেন, কংগ্রেসে উভয় দলের সমর্থন নিয়ে আইন পাস হোক, তা-ই তিনি চান। রিপাবলিকানদের দলে ভেড়ানোর জন্য তাঁদের সঙ্গে সমঝোতা করতে গিয়ে তিনি ক্রমশ তাঁর মূল অবস্থান থেকে হটা শুরু করলেন, রিপাবলিকানদের নানা ছাড় দেওয়া শুরু করলেন। অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে আইন পাস করার জন্য যদি পাবলিক অপশন ব্যাপারটা পুরোপুরি বাদ দিতেও হয়, তাতেও তাঁর আর আপত্তি নেই। কিন্তু এই ছাড় দেওয়া দেখে তাঁর নিজের দলের উদারনৈতিকেরা বেঁকে বসেছেন। পাবলিক অপশন তুলে নিলে তাঁরা ওবামার স্বাস্থ্য বীমা আইনে সমর্থন দেবেন না বলে সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে যতই ছাড় দেওয়া হোক, রিপাবলিকানরা তাঁকে কিছুতেই সমর্থন করবেন না, তা অবশেষে টের পেয়ে ওবামা মতৈক্যের বদলে শুধু তাঁর নিজের দলের সদস্যদের ভোটের জোরেই স্বাস্থ্য বীমা আইন পাস করিয়ে নিতে রাজি বলে ইঙ্গিত করেছেন। তাতে রিপাবলিকানরা আরও তেতে উঠছেন। তাঁদের অভিযোগ, জাতীয় ঐক্যের ধুয়া তুলে একসময় ওবামা অনেক বড় বড় কথা বলেছেন। এখন তিনিই উল্টো ‘দলবাজি’র প্রবক্তা হয়ে উঠেছেন। এই লোক কাজে এক, কথায় আরেক।
সব মিলিয়ে, খানিকটা লেজেগোবরে অবস্থায়ই পড়ে গেছেন ওবামা। হয়তো ওয়াটারলু নয়, কিন্তু পানিপথের মতো একটা যুদ্ধ তাঁর সামনে রয়েছে, তা মানতেই হবে। যে যুদ্ধে জেতার জন্য তিনি নতুন করে আঁক কষা শুরু করেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্য বীমা প্রশ্নে আরও স্পষ্ট প্রস্তাব তিনি করতে যাচ্ছেন, তাতে বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় খোলসা করে বলবেন বলে জানানো হয়েছে। রিপাবলিকান প্রচারণার জবাবে পাল্টা ক্যাম্পেইনের কোথাও হোয়াইট হাউস থেকে বলা হয়েছে। এ ক্যাম্পেইনে ওবামা নিজে নেতৃত্ব দেবেন বলেও আভাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেসবের পরেও যদি অবস্থা না বদলায়, তখন ওবামা কী করবেন? একটা জিনিস অবশ্য দিনের মতো পরিষ্কার। ওবামার জনপ্রিয়তা যদি আরও কমে যায় অর্থাত্ ৫০ শতাংশের নিচে চলে আসে, তাহলে ওবামার নিজের দলের লোকেরাই নতুন প্রেসিডেন্ট থেকে দূরত্ব বজায় রাখা শুরু করবে। আর সেটাই হবে প্রকৃত ওয়াটারলু। রিপাবলিকান কৌশলবিদেরা এখন তেমন একটা কিছু ঘটার ওপরেই বাজি ধরে বসে আছেন।
২ সেপ্টেম্বর ২০০৯, নিউইয়র্ক
হাসান ফেরদৌস: প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশের আচরণ অগ্রহণযোগ্য ও অভাবনীয় -ওই বুট, ওই লাথি, ওই আহত অধ্যাপক!
সালটি ২০০৯। দিনবদলের স্লোগানে অভূতপূর্ব সমর্থন নিয়ে নতুন সরকার সুপ্রতিষ্ঠিত। সময়টি ব্রিটিশ বা পাকিস্তান আমল কিংবা সামরিক শাসন থেকে অনেক দূরে হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আচরণে মনে হয়, বাংলাদেশ আজও এক পুলিশি রাষ্ট্র। আমরা কি এগোচ্ছি, না পেছাচ্ছি? নাগরিক হিসেবে, গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে এবং সর্বোপরি মানুষ হিসেবে এমন ঘটনা সহ্য করা যায় না।
গভীর সমুদ্রের গ্যাসক্ষেত্র বিদেশি কোম্পানির কাছে বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমাবেশ ও মিছিল করছিল একটি নাগরিক সংগঠন। তাদের দাবি সঠিক কি বেঠিক, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো, নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদে এভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ার কী কারণ সৃষ্টি হয়েছিল? সেখানে সাবেক বিচারপতি থেকে শুরু করে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও রাজনীতিবিদদের কেউ কেউ ছিলেন। তাঁরা দেশের সম্মানিত প্রবীণ নাগরিক। তাঁদের উপস্থিতিতে এমন বর্বরতার কী ব্যাখ্যা দেবে পুলিশ কর্তৃপক্ষ? বয়সের বিবেচনায় এমন আঘাত ও উত্তেজনার ফল আরও মারাত্মক হতে পারত। গতকাল বৃহস্পতিবারের প্রথম আলোর ছবিটি তার সাক্ষ্য দিচ্ছে। কেবল আনু মুহাম্মদই নন, পুলিশের এই হামলায় প্রায় সত্তরজন আহত হয়েছেন। অনেকেরই অবস্থা রক্তাক্ত ও গুরুতর।
এই দৃশ্য আমরা অতীতেও দেখেছি। কখনো তা করেছে ইউনিফর্ম পরা পুলিশ কিংবা রাজনৈতিক দলের মদদপুষ্ট ইউনিফর্মহীন মাস্তান বাহিনী। এই ঘটনা বলছে, পোশাক পরা পুলিশ ও মাস্তানের মধ্যে অনেক সময়ই আচরণের কোনো প্রভেদ থাকে না। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার দায় অবশ্যই পুলিশপ্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিতে হবে। আন্দোলনের নামে হরতাল-ভাঙচুর যেমন সমর্থনীয় নয়, তেমনি আইনি ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ দমন করাও অন্যায়। গণতন্ত্রের শর্ত হলো ভিন্নমত প্রকাশ এবং প্রতিবাদের সুযোগ অবারিত রাখা। পুলিশি জুলুম সভ্য সমাজ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে চলতে পারে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে দোষী পুলিশ সদস্যের শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রতিশ্রুতি পালিত হোক এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চিরতরে বন্ধ হোক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কথা নয়, জনগণ কাজ দেখতে চায় -চাঁদাবাজি: পুলিশের স্বীকারোক্তি
সোমবারের ওই পর্যালোচনা সভায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, দেশের সব মহাসড়কে চাঁদাবাজি হচ্ছে। চাঁদাবাজির কারণে বেড়ে যাচ্ছে পণ্যের দাম। সন্ত্রাসী ও পরিবহন শ্রমিক-কর্মচারীদের পাশাপাশি পুলিশও চাঁদাবাজি করছে। এর আগে খাদ্যপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্য প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বন্দর থেকে বাজার পর্যন্ত পণ্য পরিবহনের পথে চাঁদাবাজির কারণে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। সরকারের মন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পদাধিকারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যখন কোনো বাস্তব সমস্যা অকপটে স্বীকার করেন, তখন তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে হয়। কারণ, এ দেশে সরকার সাধারণত এ ধরনের সমস্যা স্বীকার করতে চায় না। কিন্তু স্বীকার করার মধ্য দিয়ে কী ঘটে, সেটা ভেবে দেখা যায়।
প্রথমেই কিছু প্রশ্ন জাগে। এক. চাঁদাবাজি হচ্ছে, এই কথা স্বীকার করে পুলিশ বিভাগ জনগণকে কী বোঝাতে চায়? চাঁদাবাজদের সঙ্গে তারা পেরে উঠছে না? তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না? চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য দমন করার সাধ্য পুলিশের নেই, তাই কি এমন নিরুপায় স্বীকারোক্তি? দুই. চাঁদাবাজদের এ ধরনের দৌরাত্ম্যের কারণ কী? ‘দেশের সব মহাসড়কে’ যারা চাঁদাবাজি করছে, তাদের শক্তির উত্স কোথায়? পরিবহন খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের কথা উল্লেখ করেছেন পুলিশের কর্মকর্তারা। তো, তাঁরা কি আইনের ঊর্ধ্বে? তাঁদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা কি সম্ভব হচ্ছে না? তা না হলে কেন হচ্ছে না? কত দিন ধরেই তো সরকারের পক্ষ থেকে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করা হচ্ছে, কিন্তু চাঁদাবাজদের পাকড়াও করার খবর তো পাওয়া যাচ্ছে না। কেন? তিন. পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই স্বীকার করছেন, পরিবহন শ্রমিক-কর্মচারীদের পাশাপাশি পুলিশের সদস্যরাও চাঁদাবাজি করছেন। এটা বড় ভয়ঙ্কর কথা, যদিও জনগণ বেশ জানে, রাস্তাঘাটে পুলিশের এক শ্রেণীর সদস্য এসব করেন। কিন্তু সেটা যখন পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও জানেন এবং জনগণকে জানান, তখন পরিস্থিতি হতাশাব্যঞ্জক পর্যায়ে চলে যায়। এ যেন এমন এক পরিস্থিতি, যখন দেশের আইনকানুন অকার্যকর হয়ে পড়ে, দেশ যাঁরা চালান তাঁদের কর্তব্যপালনে ব্যর্থতার দায়বোধ ভোঁতা হয়ে যায়।
পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেছেন, তাঁরা চাঁদাবাজি বন্ধ করার চেষ্টা করছেন। এখন থেকে কোনো অবস্থায়ই যাতে সড়ক-মহাসড়কে চাঁদাবাজি না হয়, সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের নির্দেশ খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখেও একাধিকবার শোনা গেছে। কিন্তু তার সুফল তো দেখা যাচ্ছে না। দেশজুড়ে চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত প্রধানত সরকারি দল ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতা-কর্মী-সমর্থকসহ ক্ষমতাবলয়ের কাছের লোকজন। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়াই যদি এসব অপরাধীর দৌরাত্ম্যের প্রধান কারণ হয়ে থাকে, তাহলে পুলিশের মহাপরিদর্শকের নির্দেশেই চাঁদাবাজি বন্ধ হবে, এ রকম আশা করা যায় না। মুখের কথায় নয়, সরকারকে বাস্তব ক্ষেত্রেই প্রমাণ দেখাতে হবে, নিজের দলের লোকজন বলে কেউ চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি ও অন্যান্য অপরাধ করে পার পাচ্ছে না। জনগণ দেখতে চায়, চাঁদাবাজ-টেন্ডারবাজদের দলে দলে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তা না হলে ঈদের আগে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কাই বেশি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 06
(28)
- ঢাকা চেম্বারের কর্মশালায় বক্তারা রপ্তানি বাড়াতে পণ...
- পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সিঙ্গুরের জম...
- বিকেএমইএর ফায়ার সেল উদ্বোধন, ১২ টাকা কেজি দরে চাল ...
- রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি দিয়ে শুরু হলো নতুন অর্থবছর
- বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৯১৪ কোটি ডলার, সর্বকাল...
- কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ওবামা
- যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে গাদ্দাফিকে সতর্ক করা হয়েছে
- জান্তার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেন সু চি
- অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী রাজশেখর নিহত -হেলিকপ্...
- ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬
- সিআইএ বন্দী নির্যাতন নিয়ে আর প্রতিবেদন প্রকাশ করবে না
- কলকাতা ওপেন দাবা
- গ্র্যান্ড স্লামে সেই পুরোনো নাদাল
- কাল অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন সাকিব
- সংসদ অধিবেশন -এবারও কি বিরোধী দলশূন্য থাকবে
- বিউটির একটি স্বপ্নপূরণ
- স্মরণ মাদার তেরেসা-অসহায়ের বন্ধু- আশরাফুল হক
- ওরাম জানতেনই না
- অর্থনীতি আমাদের মুদ্রা কখন মূল্য হারাবে by আবু আহমেদ
- ধৈর্য ও সহনশীলতায় মাহে রমজান by মুহাম্মদ আবদুল মুন...
- একজন সাধারণ ছেলের গল্প by রবিন সাইফুদ্দিন
- দরকার সমন্বিত বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্ব কর্মসূচি -জেনেভ...
- দায়গুলো অন্য কারো, মৃত্যুগুলো আমাদের -সোয়াইন ফ্লু...
- ধর্ম তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনে রোজা -সিয়াম সাধনার মা...
- আফগানিস্তানের চোরাবালিতে ওবামা by ফারুক চৌধুরী
- ওবামার ‘ওয়াটারলু’ by হাসান ফেরদৌস
- পুলিশের আচরণ অগ্রহণযোগ্য ও অভাবনীয় -ওই বুট, ওই লাথ...
- কথা নয়, জনগণ কাজ দেখতে চায় -চাঁদাবাজি: পুলিশের স্...
-
▼
Sep 06
(28)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...