Tuesday, July 23, 2019
সিভিল সার্জন বুঝতেই পারেননি তিনি ডেঙ্গু আক্রান্ত! by জাকিয়া আহমেদ
![]() |
| ডা. শাহাদাত হোসেন |
সিভিল সার্জন সাহাদাত হোসেনের মৃত্যু সম্পর্কে জানতে চাইলে তার শ্যালক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল অনুষদের রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান মিথুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ তিনদিন ধরেই তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। জ্বর নিয়েই হবিগঞ্জের মিটিংয়ে অ্যাটেন্ড করেছেন। সেখানে অসুস্থ হওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার বাসায় আসেন। তারপর কিছুটা ভালো থাকলেও কিছু সময় পর তিনি বলেন শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। এরপর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়ার পথে সংসদ ভবনের কাছাকাছি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।’ তিনি বলেন, ‘আমার বোন জানিয়েছেন, সংসদ ভবনের কাছাকাছি এলেই তার চোখ দিয়ে পানি বের হয়। এরপর থেকেই তিনি আর রেসপন্স করেননি।’
ডা. মিথুন বলেন, ‘তার মধ্যে ডেঙ্গুর কোনও লক্ষণ ছিল না। তবে, কয়েকদিন ধরেই তার জ্বর ছিল। এই জ্বরকেই আমরা এখন ডেঙ্গু হিসেবে ধারণা করছি। কারণ, এখন তো কারও ডেঙ্গুর কোনও শারীরিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের কিন্তু জ্বর ছাড়া আর কিছু নেই। টেস্ট না করালে বোঝা যাচ্ছে না প্ল্যাটিলেট কমছে কিনা, পিসিভি দ্রুত কমে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে কিনা। ডা. সাহাদাত হোসেন কোনও টেস্টই করাননি। তাই বুঝতেও পারেননি তার ডেঙ্গু হয়েছে।’
ডেঙ্গুর বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এবারের ডেঙ্গু হেমোরেজিক নয়, শক সিন্ড্রোম। তাই জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে, ডেঙ্গু টেস্ট করাতে হবে। অন্যদিকে, এবারের জ্বরের সঙ্গে বমি ও লুজ মোশনও ডেঙ্গুর লক্ষণ। তবে, এবারে মৃত্যুর হার বেশি।’
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ডেঙ্গু আমাদের প্রবলভাবে আক্রমণ করেছে। সবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একরকম নয়। কারও শরীরের লিভার, কিডনি, ব্রেইন কোনও রকম কম্প্রোমাইজড থাকে, তাহলে তার মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। অন্যদিকে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, ৭০ বছরের বেশি বয়সী বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের জন্য ডেঙ্গুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। কারণ, তাদের ফ্লুয়িড ব্যালেন্সে সমস্যা থাকে।’
এদিকে, রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল বলেন, ‘ডেঙ্গু বাংলাদেশে প্রথম হানা দেয় প্রায় বিশ বছর আগে। শুরুতে আমরা একে বুঝতে পারিনি। আমরা জানতাম ডেঙ্গু হলে উচ্চমাত্রার জ্বর হয়। প্রচণ্ড গা-ব্যথা হয়। গায়ে র্যাশ হয়। চোখে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা দেয়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, ডেঙ্গু জ্বরে উচ্চমাত্রার জ্বর নাও হতে পারে। বরং স্বল্পমাত্রার জ্বর বা ১০০-১০১ ডিগ্রি জ্বরও হতে পারে।’
ডেঙ্গুতে প্ল্যাটিলেট কমে যায় মন্তব্য করে ডা. গুলজার হোসেন বলেন, ‘আগে আমরা প্ল্যাটিলেট কমে যাওয়াকেই ডেঙ্গুর মূল ঝুঁকি বলে জানতাম। কিন্তু এটা ছিল ভুল। প্ল্যাটিলেট কমে ঠিকই, কিছু মাত্রায় রক্তক্ষরণও হয়। কিন্তু ডেঙ্গুর মৃত্যুঝুঁকির মূল কারণ এটি নয়। ডেঙ্গুতে রোগীর রক্তনালীর ছিদ্রগুলো বড় হয়ে যায়। সেই ছিদ্র দিয়ে রক্তের জলীয় উপাদান বের হয়ে যায়। ফলে রক্তচাপ কমে। এই অবস্থাকে বলে ডেঙ্গু-শক সিন্ড্রোম। মূলত এটাই ডেঙ্গুর মৃত্যুঝুঁকির মূল কারণ।’
এক প্রশ্নের জবাবে ডা. গুলজার বলেন, ‘এবার ডেঙ্গু ভাইরাস তার ধরন বদলেছে। আগের চেয়ে আরও বেশি দুর্ধর্ষ হয়েছে। ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম করছে বেশি। আরেকটা কারণ হতে পারে বিগত বছরগুলোতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকেই। অনেকে হয়তো জানতেও পারেননি তিনি আগে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের শরীরে ডেঙ্গুর অ্যান্টিবডি তৈরি হিয়ে গেছে। দ্বিতীয়বার তারা যখন আক্রান্ত হচ্ছেন, তখন ব্যাপারটা ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তাই এবারে কোনও অবহেলা নয়, জ্বর হলেই যেতে হবে চিকিৎসকের কাছে। ডেঙ্গু হয়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।’ অবহেলার কোনও সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন মায়ের অসহায়ত্ব, ডাক্তারদের অবহেলা ও একটি শিশুর মৃত্যু! by এম. সোলায়মান

আমিও ব্যাপারটা এড়িয়ে ফোনে কথা বলতে বলতে সামনে চলে যাই কিন্তু হঠাৎ মনে হলো একটু পিছনে গিয়ে দেখে আসি এখানে এত মানুষের ভিড় কেনো। একটি অসহায় মহিলা ছেলেকে নিয়ে চিৎকার করছে। পাশেই ছেলের নানা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে।
ঘটনাটি দেখে আমি জানতে চাইলাম কি হয়েছে তাদের? তারা বললেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর ডাক্তার আমার ছেলেকে ভর্তি না করিয়ে বললেন, আপনার ছেলের জলাতঙ্ক হয়েছে, আর মাত্র ২৩-২৪ ঘন্টা বাচঁতে পারে, এখানে ভর্তি না করিয়ে তাড়াতাড়ি বাড়িতে নিয়ে যান। তখন আমরা নামতে না চাইলে হাসপাতালের লোক আমারদের জোর করে বেড় করে দেয়।’
জাহেরা খাতুন আরও বলেন, আমরা এত রাতে এখন কোথায় যাব? আমার ছেলের কি হবে?
আমি তাদের কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম। রোগী যতই সিরিয়াস হোক না কেনো একজন ডাক্তার কোনো ভাবেই রোগীর অভিভাবকের সঙ্গে এমন করে কথা বলতে পারেন না। ওই হাসপাতালটা মূলত এসব কেন্দ্রিক রোগের জন্যই সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়ে এভাবে হাসপাতাল থেকে অপমান করে বের করে দিতে পারেন না। ওই ডাক্তার যত সহজে একজন মায়ের সামনে বলতে পেরেছেন তার ছেলেকে আর বাচাঁনো সম্ভব নয় সেটা একজন মায়ের পক্ষে সহ্য করাও এত সহজ ব্যাপার নয়।
পরে তাদের বললাম আপনারা আমার সঙ্গে সেই হাসপাতালে চলেন দেখি কে আপনাদের ভর্তি করাবে না...! তাদের আশ্বস্থ্য করে আমার সঙ্গে ফের ওই হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। তখন রাত ১১.৩০ মিনিট। হাসপাতালে গিয়ে আমার পরিচয় দিয়ে কর্তব্যরত ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে বিষয়টা তারা অন্যভাবে আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। পরে আমার হস্তক্ষেপে ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
গতকাল সোমবার সকালে ওই ছেলের অবস্থা আরও অবনতি হলে তাকে নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্য রওহনা হন মা। কিন্তু পথিমধ্যে মায়ের কোল ছেরে চির বিদায় নিয়ে যান ছেলেটি। খবরটা শুনে আমার খুব খারাপ লেগেছে। আমি রাতে যখন ছেলেটির পাশে ছিলাম তখন ছেলেটিকে বার বার তার মাকে বলতে শুনেছি “তোরা আমায় বাড়ি নিয়ে চল, হাসপাতালে রেখে আমায় মেরে ফেলিস না।” আর ছেলেটির মা হাউ মাউ করে কেঁদে বলেছিলেন বাবা তোরে আমি কোথাও যেতে দিব না বলে বুকে চেপে ধরেছিল। সেই দৃশ্যটির কথা আমি ভুলতে পারছি না।
আমরা জানি জলাতঙ্ক রোগ হলে মানুষকে আর বাচাঁনো সম্ভব নয় এই রোগের মৃত্যু শতভাগ নিশ্চিত কিন্তু একজন কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন অসহায় মায়ের সঙ্গে তার ছেলের মৃত্যুর কথা হঠাৎ জানালে কেমন প্রতিক্রিয়া হতে পারে তা বোধহয় ওই ডাক্তার আপা জানেন না।
স্বামী হারা জাহেরা খাতুনের একমাত্র ভরসা ছিল তার একমাত্র ছেলে। কিন্তু পারিবারিক অসচেতনতা ও আর্থিক সংকটের কারণে আজ তার ছেলেকে জীবন দিতে হলো। একা হয়ে গেলো সে।
গত রোজার ঈদে তার ছেলেকে কুকুরে কামড় দিয়েছিল কিন্তু তখন তারা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে না গিয়ে কবিরাজের মাধ্যমে ঝাড়ফুক করেছিলেন, এমনকি ওই কবিরাজও বলেছিলেন তার ঝাড়ফুকে সম্পূর্ণ সুস্থ্য হয়ে যাবে। কিন্তু তার তিন মাস না পেরুতেই ওই ছেলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হন এবং পরিশেষের দৃশ্য খুবই বেদনাদায়ক, কষ্টদায়ক। একটি মায়ের কোল ছেড়ে অকালেই ঝরে গেলো একটি শিশু।
এ জন্যই আমাদের সবাইকে সচেতন হওয়া খুব জরুরী কুকুর/বিড়াল দংশন, কামড় বা আঁচড় দিলেই ভ্যাকসিন বা টিকা দিতে হবে, বন্যপ্রাণী যে কোনো পশু হলে অবশ্যই টিকা নিতে হবে। পোষ্য প্রাণী হলে সে প্রাণীর টিকা নেয়া আছে কিনা দেখতে হবে। পাশাপাশি আমাদের সমাজের ওই সব ভন্ড কবিরাজদের প্রতিহত করা খুব জরুরী যারা এই সব রোগীদের হাসপাতালে না পাঠিয়ে নিজেই চিকিৎসার দায়িত্ব নেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক, কাশ্মির বিরোধ নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ট্রাম্পের
সংঘাত নিরসনে ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে পাকিস্তান স্বাগত জানাবে বলে খান উল্লেখ করার পর প্রেসিডেন্ট বলেন যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাকে একই কাজ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন এবং তিনি সানন্দে এই ভূমিকা পালন করতে রাজি আছেন।
ট্রাম্প বলেন, আমি যদি সাহায্য করতে পারি তাহলে আমার মধ্যস্থতাকারী হতেই ভালো লাগবে।
পাকিস্তান ও ভারত উভয়েই মুসলিম সংখ্যাগুরু ভূখণ্ড কাশ্মিরের দাবিদার। ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ ভাগ হওয়ার সময় এই ভূখণ্ড পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
খান প্রকাশ্যেই বলছেন যে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত যুদ্ধে রূপ নিতে পারতো। কাশ্মিরের বিতর্কিত সীমান্তে পাকিস্তান ও ভারতীয় জঙ্গিবিমান ডগফাইটে লিপ্ত হয়। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিমান ভূপাতিত করার দাবি করে। পাকিস্তান একজন ভারতীয় পাইলটকে আটক করে।
সে সময় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বশক্তিগুলো দুই পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানায়। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানায়।
সোমবার হোয়াইট হাউজে খানকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্প ওই মন্তব্য করেন। বৈঠকে আফগান তালেবানদের যুদ্ধবিরতি ও আফগান সরকারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় রাজি করাতে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চান ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শাক্তি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য তালেবানদের আলোচনার টেবিলে আনতে পাকিস্তানের সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে খানের সঙ্গে ট্রাম্পের ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার এক মন্তব্যে ট্রাম্প আফগান যুদ্ধের মেয়াদকে ‘হাস্যকর’ বলে উল্লেখ করেন। তবে হুমকি দিতেও ছাড়েননি।
তিনি বলেন, আমি এক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধে জয়ী হতে পারি। পৃথিবী থেকে আফগানিস্তান মুছে যাবে। তবে তিনি লাখ লাখ মানুষকে হতাহত হওয়ার ঝুঁকিতে ঠেলে দিতে চান না বলে জানান।
সতর্ক আশাবাদের নিয়ে সোমবারের বৈঠকের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, পাকিস্তানের প্রাথমিক উদ্যোগের প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বলেন: আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে পৌছাতে যাচ্ছি।
কর্মকর্তাটি বলেন, খান ঠিক কথাই বলছেন। তবে তার কথার মধ্যে যে আলাদা কিছু রয়েছে তার প্রমাণ পেতে হবে আমাদের।
খানের সফর সম্পর্কে কর্মকর্তাটি বলেন, এটা হলো আফগান শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে তালেবানদের প্রভাবিত করতে পাকিস্তান যেন তার পুরো প্রভাবকে কাজে লাগায় সে জন্য দেশটিকে অনুপ্রাণিত করার একটি সুযোগ।
যুক্তরাষ্ট্র গত বছর তালেবানদের সঙ্গে টেকসই আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এর জের ধরে খানের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। পাকিস্তানী কর্মকর্তারা বহু বছর ধরেই তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার উপর জোর দিয়ে আসছেন। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে তালেবানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌছাতে চান ট্রাম্প, যাতে পুননির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের এক বছর আগেই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেয়া যায়।
ওভাল অফিসে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয়ার কথা খানের। ওভাল অফিসে খান দুই ঘন্টার কিছু বেশি সময় অবস্থান করেন।
দুই নেতার মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতা, জ্বালানি ও নারী ইস্যু নিয়ের কথা হয়। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই সফরকে সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হয় বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে টানাপড়েন দেখা দেয়। আফগানিস্তানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি সইয়ে সহায়তা করতে পাকিস্তানকে রাজি করানোর চেষ্টা করে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু চীনের উপর দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির অর্থনৈতিক নির্ভরতা বৃদ্ধি মার্কিন প্রশাসনের জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
১৯৯০-এর মাঝামাঝি থেকেই তালেবানকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। এটা মূলত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে আফগানিস্তানে প্রভাব বিস্তারে বাধা দানের জন্য। তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক যে কোন দেশের চেয়ে গভীর।
অনেক দিন ধরে ওয়াশিংটন অভিযোগ করে আসছে যে পাকিস্তানের সহায়তা পাওয়ায় তালেবানকে পরাজিত করা অবসম্ভব হয়ে পড়েছে। পাকিস্তানের সমর্থন লাভের জন্য ওবামা প্রশাসন দেশটিকে প্রতি বছর প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের সামারিক ও অর্থনৈতিক সহায়ত দিয়েছে। কিন্তু তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোন আগ্রহ দেখায়নি পাকিস্তান। চলতি অর্থবছরে পাকিস্তানকে দেয়া ৭১ মিলিয়ন ডলার সহায়তা কাটছাট করে ট্রাম্প প্রশাসন।
গত বছর নভেম্বরে সন্ত্রাসবাদে সহায়তা করার জন্য প্রথম দিকে ট্রাম্প পাকিস্তানের সমালোচনা করেন। এর জবাবে খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে পাকিস্তানকে অনেক ভুগতে হয়েছে। এখন আমরা আমাদের জনগণ ও আমাদের স্বার্থে যেটা সবচেয়ে ভালো সেটাই করবো।
এর একমাস পর সুর নরম করে ট্রাম্প খানের বক্তব্য স্বীকার করে নেন এবং তালেবানদের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের সহায়তা কামনা করেন।
>>>রেবেকা বালহাউস, সাইদ শাহ
![]() |
| সোমবার হোয়াইট হাউজে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুইদিনে ১০,০০০ কোটি টাকার মূলধন উধাও by এম এম মাসুদ

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২০০ পয়েন্ট।
বাজারের সামপ্রতিক এ দরপতনকে ‘অস্বাভাবিক’ মনে করছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনও (বিএসইসি)। পতনের কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে এখন আতঙ্ক চলছে; সেই আতঙ্কে প্রতিদিনই পড়ছে সূচক। বেশ কিছুদিন ধরে সব খাতের শেয়ারের দরই পড়ে যাচ্ছে। ছোট বিনিয়োগকারীরা ফের রাস্তায় নামছেন। মিছিল-মানববন্ধন হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার তারা ১৫ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন। এদিকে অস্বাভাবিক এই দরপতনে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারের পতনরোধে সাম্প্রাতিক সময়ে নানা কার্যকরি সংস্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে বহুদিনের চাহিদা বিনিয়োগসীমা সংশোধন, প্লেসমেন্ট শেয়ারে লক-ইন এর মেয়াদ বৃদ্ধি, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা বৃদ্ধি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট (আরআইইউ) বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বিতর্কিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন করা হয়েছে। তারপরও শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক পতন হচ্ছে। যদিও আইপিও্থর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসা কোম্পানির মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা রয়েছে। এছাড়া একটি কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়ে বিএসইসি ও ডিএসইর মধ্যে সৃষ্ট দুরত্ব বাজারে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে গুনঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
গতকাল সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন সোমবার ডিএসইএক্স ৬৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯৬৬.৪৪ পয়েন্টে নেমে আসে। সূচকে এর চেয়ে খারাপ অবস্থা ছিল সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২২শে ডিসেম্বর, সেদিন সূচক নেমে গিয়েছিল ৪ হাজার ৯৬৬ পয়েন্টে। চলতি বছরের ২৪শে জানুয়ারি ডিএসইএক্স সূচক অবস্থান করছিল ৫৯৫০ পয়েন্টে। সেই হিসাবে গত ছয় মাসে ১০০০ পয়েন্ট হারিয়েছে ডিএসইর প্রধান সূচক। আর এই পতনের কারণ অনুসন্ধানে রোববার ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি।
সমপ্রতি কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তি নিয়ে বিএসইসি ও ডিএসই কর্তৃপক্ষ দুই মেরুতে অবস্থান করছে। আর্থিক প্রতিবেদনে বড় ধরনের অসংগতি থাকায় কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত না করতে অনড় অবস্থান নেয় ডিএসই। এ ইস্যুতে বিএসইসির অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে ডিএসইর সদস্যদের মধ্যে।
অন্যদিকে, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পূণঃনিয়োগ ঝুলিয়ে রাখার মাধ্যমে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়েছে উঠেছে। গত মে মাসে কেএএম মাজেদুর রহমানকে ডিএসইর এমডি হিসাবে পূণঃনিয়োগের বিষয়ে অনুমতি চেয়ে বিএসইসিকে চিঠি দেয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোন উত্তর দেয়নি বিএসইসি। এরইমধ্যে গত ১১ই জুলাই ডিএসই থেকে বিদায় নিয়েছেন মাজেদুর রহমান। তবে কমিশনের কোন জবাব না পাওয়ায় মাজেদুর রহমানকে পূণঃনিয়োগ বা নতুন এমডির খোঁজে বিজ্ঞপ্তি দিতে পারছে না ডিএসই কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া গত কয়েক বছরে মানহীন কিছু কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের বিষয়টি নিয়েও বাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে। বিনিয়োগকারীরাও এ জন্য বিএসইসিকে দুষছেন। এমনকি বাজারের আস্থা ফেরাতে বিএসইসির চেয়ারম্যানেরও পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছেন বিনিয়োগকারীরা।
বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারে পতনের কারণ হচ্ছে সার্বিকভাবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হয়েছে। আরেকটি কারণ হচ্ছে ব্যাংক খাতের ঋণ সরবরাহ কমে গেছে। এতে অনেক বিনিয়োগকারী ঋণ পাচ্ছেন না। অন্যদিকে ঋণ কমে যাওয়ায় ব্যাংকের মুনাফা কমবে। এছাড়া একটি লিজিং কোম্পানি অবসায়ন হচ্ছে। অন্যদের অবস্থাও খুব একটা সন্তোষজনক না। এসব বিষয়গুলো বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা। আর দুই দিন আগের কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ছিল ৩ লাখ ৮২ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা। সে হিসেবে বাজার মূলধন কমেছে ৯ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। পাশাপাশি কমেছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর ও সূচক। ফলে দুই দিনের ব্যবধানেই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বাজার মূলধন কমেছে।
এদিকে বাজেট অনুমোদনের পর ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে ১১ দিনই সূচকের পতন হয়েছে। এ সময়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স হারিয়েছে ৩৮৭.৮৮ পয়েন্ট।
বাজার পরিস্থিতি: গতকাল ডিএসইএক্স সূচক ৬৭.৩০ পয়েন্ট বা ১.৩৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৯৬৬.৪৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ১৮.৩৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৩৯.৫৩ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ২৩.২৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৭৭৬.১৪ পয়েন্টে। এর আগের দিন ডিএসইর ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ওই দিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৬৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩৫৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৭৭টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির।
অন্যদিকে, সিএসইএর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ১৯৯.৫৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ২১৫.৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। শতাংশ হিসাবে এই সূচক ১.২৯ শতাংশ কমেছে। গতকাল সোমবার সিএসইতে ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত রোববার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। লেনদেন হয়েছে ২৮৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫১টির, কমেছে ২১৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির দর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত
৬৪০ টন ওজনের রকেট থেকে উৎক্ষেপ করা হয়েছে চন্দ্রযান-২। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) বিজ্ঞানীরা নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। উৎক্ষেপণের কয়েক মিনিট পরেই রকেটটি সফলভাবে চন্দ্রযান-২ কে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করেছে। এর পরপরই চন্দ্রযান-২ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা নিয়ন্ত্রণকক্ষে পরস্পরকে অভিনন্দন জানান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবন চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণের পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমি খুশি মনে ঘোষণা করছি, জিএসএলভি মার্ক-৩ (ইসরোর সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট) সফলভাবে চন্দ্রযান-২ কে কক্ষপথে স্থাপন করেছে। ভারতের জন্য এ এক ঐতিহাসিক যাত্রার সূচনা। এর আগে আমরা গুরুতর কারিগরি ত্রুটি পেয়েছিলাম। সেটা সারিয়ে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়েছে।’
এক হাজার কোটি রুপি বাজেটের এই মিশনের জন্য গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিট থেকে ২০ ঘণ্টার কাউন্টডাউন শুরু হয়। বলা হচ্ছে, চন্দ্রযান-২ চাঁদের এমন এক অংশে অভিযান চালাবে, যেখানে খুব কম মহাকাশযান পৌঁছাতে পেরেছে। এখন পর্যন্ত যতগুলো চন্দ্রযান চাঁদে গেছে, সেগুলোর বেশির ভাগই চাঁদের উত্তর মেরুতে অবতরণ করেছে। তবে চন্দ্রযান-২ প্রথমবারের মতো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার প্রত্যাশা করছে। চাঁদে পানি ও খনিজ পদার্থের খোঁজ করা চন্দ্রযান-২ এর প্রধান লক্ষ্য।
চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণের পর টুইট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘বিশেষ এ মুহূর্ত আমাদের ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে লেখা থাকবে। চন্দ্রযান-২ এর উৎক্ষেপণ আমাদের বিজ্ঞানীদের পরাক্রম ও বিজ্ঞানের নতুন মাত্রা উদ্ভাবনে ১৩০ কোটি ভারতীয়ের সংকল্পের কথাই জানায়। প্রত্যেক ভারতীয় আজ ভীষণ গর্বিত।’
চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণের মাধ্যমে চাঁদে অভিযান চালানো মাত্র চতুর্থ দেশ হলো ভারত। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন চাঁদে মহাকাশযান পাঠিয়েছিল। এর আগে ২০০৮ সালে ভারত প্রথম মহাকাশযান চন্দ্রযান-১ উৎক্ষেপণ করে। তবে এটি চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেনি। চন্দ্রযান-১ রাডার ব্যবহার করে চাঁদে পানির খোঁজ চালায়।
অরবিটার, ল্যান্ডার ও রোভার নামে এর তিনটি আলাদা অংশ আছে চন্দ্রযান-২ এর। অরবিটারের কাজ চন্দ্রপৃষ্ঠের ছবি নেওয়া। বিক্রম নামে ল্যান্ডারের কাজ চাঁদে মাটির খোঁজ করা। আর প্রজ্ঞান নামে রোভারের কাজ পৃথিবীতে বিশ্লেষণের জন্য চাঁদের ছবি ও তথ্য পাঠানো।
![]() |
| চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণ চালিয়েছে ভারত। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বর্বর প্রেমিক পিয়াসের হাতেই ধর্ষণের শিকার হয় রিমা by আশরাফুল ইসলাম

সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ১৭ই জুলাই রাতে সুকৌশলে স্কুল ছাত্রীকে নানার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে প্রথমে সে নিজে ধর্ষণ করে এবং পরে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষণ করে। র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিয়াস মিয়া ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। লে. কমান্ডার, বিএন এম শোভন খান জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের গাংধোয়ারচর গ্রামে নানার বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ের একটি বরই গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় রিমার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই র্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে। এছাড়া তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত আসামিদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চালায়। এরই ধারবাহিকতায় এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামি পিয়াস মিয়াকে তারা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্যও র্যাবের অভিযান চলমান রয়েছে।
লে. কমান্ডার বিএন এম শোভন খান জানান, পিয়াসের বাবা রুবেল মিয়া সৌদি আরব থাকার সুযোগে পিয়াস উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় বখাটেপনা ছাড়াও সে ইয়াবায় আসক্ত ছিল। সে ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে একবার গ্রেপ্তারও হয়েছিল।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে পিয়াস জানিয়েছে, দুই মাস আগে রিমার সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর সুবাদে রিমা নানাবাড়িতে আসলে পিয়াস তার সঙ্গে দেখা করতো। ঘটনার রাতেও পিয়াসের ডাকে রিমা ঘর থেকে বের হয়। পরে বাড়ির পুকুরপাড়ে নিয়ে গিয়ে রিমাকে সে প্রথমে ধর্ষণ করে। এ সময় জাহিদ ও তার অন্য বন্ধুরা পাহারায় ছিলো। পিয়াসের পর পালাক্রমে অন্যরা মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।
পিয়াস সম্পর্কে তার স্কুল পাকুন্দিয়া পাইলট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফছর উদ্দিন আহম্মদ মানিক জানান, সে স্কুলে আসতো না। তার মাথার চুলের স্টাইল ছিল অন্যরকম। বছর দু’য়েক আগে বিদ্যালয়ে ছাত্রদের চুল রাখার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপের পরও সে তার চুলের স্টাইলের পরিবর্তন করেনি। ফলে সেলুনে নিয়ে গিয়ে তার চুল কাটানো হয়।
প্রধান শিক্ষক আফছর উদ্দিন আহম্মদ মানিক বলেন, বর্বর ও নৃশংস এই ঘটনায় পিয়াস জড়িত থাকায় ও গ্রেপ্তার হওয়ায় আমরা তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করবো। এজন্যে সোমবার মিটিং করা হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৌদি প্রবাসী রুবেল মিয়ার এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে পিয়াস ছোট। বাবার অবর্তমানে একমাত্র ছেলে পিয়াস এই বয়সেই উচ্ছৃঙ্খলতায় ডুব দেয়। পিয়াস এবং তার বন্ধুদের বখাটেপনায় এলাকাবাসী ছিলেন দিশেহারা। পিয়াস তার বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতেই ইয়াবার আড্ডা বসাতো। এলাকার মেয়েদের উত্যক্ত করতো। রিমা হত্যাকাণ্ডের পর তার বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং কনডম পাওয়া যায়।
নিহত স্মৃতি আক্তার রিমা পার্শ্ববর্তী হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের কন্যা ও হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের গাংধোয়ারচর গ্রামে নানার বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ের একটি বরই গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিনই বিকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে স্মৃতি আক্তার রিমার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্তে ধর্ষণের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহত স্কুল ছাত্রীর মা আঙ্গুরা খাতুন বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় মামলাটি (নং-৮) করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৭ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় জাহিদ মিয়া (২০), পিয়াস মিয়া, রুমান মিয়া (১৮) ও রাজু মিয়া (১৮) এই চার জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার চার আসামির মধ্যে জাহিদ মিয়া পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে, পিয়াস মিয়া একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী রুবেল মিয়ার ছেলে, রুমান মিয়া গ্রামেরই ফারুক মিয়ার ছেলে ও রাজু মিয়া একই গ্রামের কফুল উদ্দিনের ছেলে। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বিয়েতে ব্যর্থ হয়ে রিমাকে অপহরণের পর জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম শফিকুল ইসলাম জানান, র্যাব গ্রেপ্তারের পর পিয়াসকে রোববার বিকালে পাকুন্দিয়া থানায় হস্তান্তর করেছে। এছাড়া মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর জয়ী হওয়ার আশা করছেন ইমরান খান

যুক্তরাষ্ট্র তাদের অধিকাংশ সামরিক সহায়তা বাতিল করেছে, যার পরিমাণ ৩০০ মিলিয়ন ডলার। সন্ত্রাসবাদ দমনে পাকিস্তান যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না, এমন অভিযোগ তোলার পর ওই সহায়তা বাতিল করেন ট্রাম্প।
খান একই সাথে তার দেশকে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশান টাস্ক ফোর্স কর্তৃক তালিকাভুক্তি হওয়া থেকে রক্ষার চেষ্টা করছেন। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এই তালিকাভুক্তির কারণে পাকিস্তানকে ১০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যার্থতার জন্যও একটি নজরদারি তালিকায় পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
দিল্লী ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের মনোজ যোশি বলেন: “পাকিস্তান সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের সম্পর্ককে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা দেয়া বন্ধ করেছে এবং পাকিস্তান সেটা ফেরত চায় এবং একই সাথে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশান টাস্ক ফোর্সের চাপ থেকেও তারা মুক্ত হতে চায় – এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটা শিথিল না হলে তাদের পুরো অর্থনৈতিক পরিস্থিতি হুমকির মুখে পড়ে যাবে”।
ট্রাম্প ও খান যখন সোমবার বৈঠকে বসবেন, তখন প্রথমে তাদেরকে সোশাল মিডিয়ার শত্রুতার জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মার্কিন নেতা পাকিস্তানের ব্যাপারে বলেছেন, “তারা আর দশটা দেশের মতোই একটা দেশ, যারা যুক্তরাষ্ট্রের থেকে নিচ্ছে এবং কিছুই ফিরিয়ে দিচ্ছে না”।
খান টুইটারে জবাব দিয়েছিলেন: “নিজেদের ব্যর্থতার জন্য পাকিস্তানকে বলির পাঁঠা না বানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বের সাথে বিশ্লেষণ করে দেখা উচিত, কেন আফগানিস্তানে ১৪০,০০০ ন্যাটো সেনা এবং ২৫০,০০০ আফগান সেনা থাকার পরও এবং সেখানে কথিত ১ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরও তালেবানরা আজ আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে”।
ওয়াশিংটনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তালেবানদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় সহায়তা দেয়ার বিষয়টি তুলে ধরবেন ধারণা করা হচ্ছে, এবং হাফিজ সাইদের গ্রেফতারের বিষয়টি উল্লেখ করবেন। হাফিজ সাইন একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের প্রধান, যে গ্রুপটি ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার সাথে জড়িত বলে ভারত দাবি করে আসছে।
যোশি বলেন: “এটাকে অতটা কাকতালীয় বলা যাবে না যে, সাইদ এমন সময় গ্রেফতার হলেন যখন পাকিস্তানের বিষয়টি ফিনান্সিয়াল টাস্কফোর্সে আলোচনা হতে যাচ্ছে এবং যখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ সফরে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন”।
খানের প্রয়োগ করার মতো অস্ত্র সীমিত, কিন্তু তালেবানদের ইস্যু থেকে ছাড় পেতে হলে পাকিস্তানের সদিচ্ছার প্রয়োজন। পাকিস্তান অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি চীনা বলয়ে চলে গেছে, এ ব্যাপারে মার্কিন উদ্বেগের বিষয়টি নিয়েও তিনি খেলতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, “সফরের উদ্দেশ্য হলো আফগান শান্তি প্রক্রিয়ার ব্যাপারে পাকিস্তানের দিক থেকে সুনির্দিষ্ট সহযোগিতা নিশ্চিত করা এবং পাকিস্তান নিজেদের সীমানার ভেতরে সম্প্রতি যে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করেছে, সেটাকে আরও গভীর ও স্থায়ী করা”।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা করলে এবং যেহেতু সেনাবাহিনী প্রধান কমর জাভেদ বাজওয়া সফরে খানের সাথে রয়েছেন, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে লেখক ও বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকা বলেছেন যে, “খান বৈঠক থেকে বের হওয়ার পর ট্রাম্প আর পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের মধ্যেই আসল আলোচনা হবে”।
তিনি আরও বলেন: “সন্দেহ নেই যে আফগানিস্তানই আলোচনার শীর্ষে থাকবে। পাকিস্তানের সফররত টিম, সেই সাথে সেনাপ্রধান বাজওয়া এটা ভালো করেই জানেন যে, আফগানিস্তান থেকে আমেরিকানদের সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে তাদেরকে সহযোগিতা করতে হবে। আমেরিকাকে পাকিস্তানের জন্য তাদের সামরিক অর্থায়নের বিষয়টি চালুর পূর্বশর্ত হিসেবে পাকিস্তানকে এই মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে হবে”।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খারাপ থেকে খারাপতর হয়। পাকিস্তানের ক্ষমতাসীনদের মধ্যেও একটা ধারণা জন্মে যে, এ অঞ্চলে চীনের প্রভাব বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভর করতে পারবে না।
ট্রাম্প যে ধারাবাহিক বর্ণবাদী টুইট করে চলেছেন, সেটা ইসলাম-বিদ্বেষী হিসেবে তার ইমেজকে পাকিস্তানে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সরকারের এক মন্ত্রী সম্প্রতি নিউ ইয়র্কারের একটি নিবন্ধ রি-টুইট করেছেন, যেটার শিরোনাম হলো ‘অ্যা রেসিস্ট ইন দ্য হোয়াইট হাউজ’। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, “যে গণতন্ত্রে বর্ণবাদ ও গোঁড়ামি রাজনৈতিক নীতি হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে গেছে”। যদিও ওই মন্ত্রী দ্রুত টুইটটি ডিলিট করে দেন।
>>>শাহ মীর, জুলিয়ান বোর্গার ও রেবেকা র্যাটক্লিফ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান উষ্ণ সম্পর্কে ক্ষতি নেই চীনের by হু ওয়েজিয়া

বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক দৃশ্যপটে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের গুরুত্বের বিষয়টিই ফুটে ওঠেছে ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগে। উল্লেখ্য, চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরকে (সিপিইসি) পাকিস্তান পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে। এটি এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক গেম চেঞ্জার বলে বিবেচিত হচ্ছে।
চীনা প্রস্তাবিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প সিপিইসির মাধ্যমে পাকিস্তান ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ গ্রহণ করতে পারছে, এই করিডোরকে চীন ও পাশ্চাত্যের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেব তুলে ধরতে সক্ষম।
সিপিইসি পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক বিষয়াদিতে পাকিস্তান আস্থার সাথে কাজ করতে পারবে।
জুনে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির পাকিস্তান সফরের সময় ইসলামাবাদ ঘোষণা করে যে সে আন্তঃআফগান সংলাপকে সমর্থন করে।
অনেকে মনে করে, আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা হবে ট্রাম্পের সাথে আসন্ন শীর্ষ বৈঠকে পাকিস্তানের জন্য একটি সুবিধাজনক বিষয়।
ইমরান খানের যুক্তরাষ্ট্র সফরে চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খুবই সম্ভব যে পাকিস্তান যাতে চীনের বেশি ঘনিষ্ঠ না হয় সেজন্য চাপ দেবে ওয়াশিংটন। সন্ত্রাসীদের দমন করার জন্য আরো কিছু করার জন্যও পাকিস্তানকে চাপ দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। আবার অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান, ইসলামাবাদের সাথে সম্পর্ক মেরামত করা, ইন্দো-প্যাসিফিকে ওয়াশিংটনের ভারসাম্যে পুনঃবিন্যাসে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে, সন্ত্রাস দমনের প্রয়াসে চীন সমর্থন করছে। সেইসাথে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার প্রতিও সমর্থন দিচ্ছে চীন। উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হলে পাকিস্তান হতে পারে মার্কিন বিনিয়োগের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে পাকিস্তান কেবল নিজের স্বার্থই সমুন্নত রাখতে পারবে না, সিপিইসির উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে পারবে।
বিশ্বাবয়নের এই যুগে কোনো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কই অন্যদের বাদ দিয়ে হয় না। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ‘লৌহ ভ্রাতার’ মধ্যকার আরো উষ্ণ সম্পর্কের মানে বেইজিংয়ের জন্য নেতিবাচক কিছু নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাকিস্তান তার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করবে, এমনটাই স্বাভাবিক। তবে ভারত যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রহণ করেছে, পাকিস্তান সম্ভবত তা করবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিন্দা বর্ষণের মধ্যেও শাসকদলের নরম মনোভাব -প্রিয়া সাহার বক্তব্য নিয়ে আনন্দবাজার

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নালিশ করায় এনজিও-কর্মী প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের নিন্দা বর্ষণের মধ্যেই নরম মনোভাব নিয়ে চলার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শাসক দল আওয়ামী লীগের যে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শনিবারেও প্রিয়া সাহার বক্তব্যকে ‘দেশদ্রোহী’ কাজ বলে কঠোর শাস্তি দাবি করেছিলেন, তিনিই রবিবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে জানিয়েছেন প্রিয়া সাহার ব্যাখ্যা না-শুনে কোনও আইনি ব্যবস্থা না-নেয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ওয়াশিংটনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের একটি আলোচনা সভার পরে বিশ্বের নানা দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বুধবার হোয়াইট হাউসে গিয়ে প্রিয়া ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে নির্যাতনের মুখে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা ক্রমেই কমছে। তার পরেও রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা মুসলিম মৌলবাদীদের নিরন্তর নির্যাতন চলছে তাঁদের ওপর। এর পরেই শাসক দলের একের পর এক নেতা-মন্ত্রী প্রিয়ার কাজকে ‘সরকার-বিরোধী চক্রান্তের অঙ্গ’ বলে বিবৃতি দেওয়া শুরু করেন।
সোশ্যাল সাইটে নেটিজেনদের আক্রমণ শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। শনিবার ঢাকায় প্রিয়ার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান সরকার-সমর্থকেরা। রবিবার দু’টি আলাদা আলাদা মামলা করে প্রিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনেন দুই ব্যক্তি। মামলার তোড়জোড় শুরু করেছিল সরকারের আইন মন্ত্রকও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন লন্ডনে। দুপুরে ওবায়দুল কাদের তাঁর নির্দেশের কথা ঘোষণা করার পরে আইন মন্ত্রক হাত গুটিয়ে নেয়। বিকেলে প্রিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দু’টিও খারিজ হয়েছে।
আক্রমণের মধ্যেই নেটিজেনদের একাংশ প্রিয়ার বক্তব্যের সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। ২৫ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন ফেসবুকে লেখেন, ‘ট্রাম্পকে প্রিয়া সাহা যা বলেছেন, কমই বলেছেন। খুব মাপা সময়। ভয়াবহতা বর্ণনা করার সময় তাই পাননি।’ তসলিমার কথায়, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও নির্যাতন বাংলাদেশে চলছেই। সাম্প্রদায়িক সংঘাতের পটভূমিকায় সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ নিয়ে ‘লজ্জা’ উপন্যাসের জন্যই মৌলবাদীদের রোষে পড়ে দেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। প্রিয়ার বক্তব্যকে সমর্থন করে ফেসবুকে লিখেছেন গণ আন্দোলন মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারও। সরকারি তথ্য দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন, ট্রাম্পকে দেওয়া প্রিয়ার পরিসংখ্যান আদৌ ভুল নয়। ইমরান লিখেছেন, ‘প্রিয়া সাহার বক্তব্য ভুল প্রমাণিত করার জন্য তিনি দেশে ফেরার আগেই সকল সাম্প্রদায়িক দেশদ্রোহীকে কঠোর শাস্তি দিয়ে প্রমাণ করা হোক বাংলাদেশ বাস্তবেও একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ।’
এর মধ্যেই ইউটিউবে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন প্রিয়া সাহা। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, সরকারি তথ্য থেকেই তিনি তাঁর পরিসংখ্যান পেয়েছেন। ১৯৪৭-এ ভারত ভাগের সময়ে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ছিলেন জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ। এখনকার বাংলাদেশে তা কমে ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০১১-র একটি গবেষণার রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন ৬৩২ জন করে সংখ্যালঘু কমে যাচ্ছেন।
এটা একটা কাল্পনিক বক্তব্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য। আমরা রয়ে-সয়ে অগ্রসর হচ্ছি, মশা মারতে আমরা কামান দাগাতে চাই না। তিনি বলেন, বিষয়টা আমরা আরও খোঁজ-খবর নিয়েছি,এসব বক্তব্য দেয়ার পেছনে অন্য কারো হাত আছে কি না এবং তিনি যখন দেশে ফিরবেন, তিনি বলেছেন দেশে ফিরবেন... তখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে যে, তিনি কী উদ্দেশ্যে বলেছেন, কেন বলেছেন, কী ইনফরমেশনের ভিত্তিতে বলেছেন-সেটা তাকে অবশ্যই ব্যাখ্যা করতে হবে। কারণ, দেশে গোটা জাতির মধ্যে কনফিউশন সৃষ্টি হয়েছে।
শেখ হাসিনা মাইনরিটি নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন সে বক্তব্যের সাথে সংখ্যা তত্ত্বের এই বিষয়টাতে কোনো মিল নেই। প্রিয়া সাহার স্বামী দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) চাকরি করেন-এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, উনার স্বামী সরকারি চাকরি করেন। এক পরিবারে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে- মেয়ে সবাই এক মতালম্বী হবেন- এমন তো কোনো কথা নয়। উনার স্ত্রী অন্যায় করলে,সেটার জন্য স্বামীকে কেন অভিযুক্ত করতে হবে-এটা তো কোনো আইনে নেই। আমরা অহেতুক এ ধরনের বিষয়কে কেন ইনভাইট করতে যাব। প্রিয়া দেশে না এলে কী ব্যবস্থা নেবেন-এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন,উনি নিজেই বলেছেন দেশে ফিরে আসবেন। আর এটা এমন একটা বিষয় নয় যে, জোর করে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে, এরকম কিছু আমরা পাইনি। আমরা খতিয়ে দেখছি,সেরকম কিছু হলে পরে দেখা যাবে। প্রিয়া সাহার বিষয়ে সরকার ব্যাকফুটে গেল কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ব্যাকফুটের কোনো বিষয় না। উনি এনজিও সংগঠনের নেতৃত্ব দেন, আবার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের অ্যাপেক্স বডির অর্গানাইজিং সেক্রেটারি। কাজেই এটাকে তো তুচ্ছ জ্ঞান আমরা করতে পারি না।
এটা তার নিজের নাকি শেখানো কথা, কী মনে করছেন-এ বিষয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, সেটা আমাদের জানা নেই। কারো প্ররোচনা কাজ করেছে কি-না, পেছনে কোনো রাজনৈতিক মতলব আছে কি-না, উস্কানি আছে কি-না, বিষয়টা আমাদের জানতে হবে এবং আমরা বিষয়টা খতিয়ে দেখছি। সারাদেশে ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে মানুষ মারা হচ্ছে-এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন,এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমি কথা বলেছি, তারা বিষয়টির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, এটাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন। পিটিয়ে মানুষ মারার সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীরা জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ আসছে- এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,দলীয় নেতাকর্মী কেউ যদি জড়িত থাকে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আমরা আপসহীন। সবার ক্ষেত্রে একই রকমের আইন প্রযোজ্য হবে, একই রকমের ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে। দলীয় লোকের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা শেখ হাসিনার সরকার কখনও করেনি, এখনও করবেন না, ভবিষ্যতেও না।
এদিকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহায় দশ দিন সিএনজি ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলে জানান তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদের আগে তিন দিন ও পরের তিন দিন ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। পচনশীল দ্রব্য,গার্মেন্ট ও ওষুধবাহী যানবাহন যথারীতি চলবে। তিনি বলেন,এছাড়া ঈদের আগের সাতদিন এবং পরের তিন দিন মোট ১০ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে। গার্মেন্ট কর্মীদের ঈদের সময় বিআরটিসি বাস দিয়ে সহযোগীতা করা হবে এবং ধাপে ধাপে ছুটির বিষয়ে মালিকদের যথাযথ উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। সড়কের কারণে যানজটের সৃষ্টি হবে না আশা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের বন্যা কবলিত এলাকায় সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং তা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা হচ্ছে। মহাসড়কে কোথাও সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কোন কারণ নেই, সব গুড শেইপে রয়েছে এবং ভালও থাকবে। সেতুমন্ত্রী বলেন,যত্রতত্র পশুর হাট যেন না বসে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানোনো হয়েছে, রাস্তা এবং রাস্তার আশে পাশে যেন পশুর হাট না বসে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে এ বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান মানেন না রওশন
![]() |
| রওশন এরশাদ ও জি এম কাদের |
বিবৃতিতে পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান না হওয়া পর্যন্ত জি এম কাদেরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রওশন। এতে তাকে সমর্থন জানিয়েছেন সাত জন সংসদ সদস্যসহ দুজন প্রেসিডিয়াম সদস্য।
বিবৃতির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রওশন এরশাদ। তিনি সোমবার রাত সাড়ে ১১ টায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,‘ আমি এই বিবৃতি দিয়েছি। জরুরি ভিত্তিতে করার কারণে বিবৃতিটি হাতে লেখা হয়েছে।’
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৪ জুলাই মারা যান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এর আগে গত জুনে শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরকে দায়িত্বভার অর্পন করেন তিনি। বিষয়টি তাৎক্ষণিক মেনে নিলেও এরশাদের মৃত্যুর চার দিনের মাথায় গত ১৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) জাতীয় পার্টির মহাসচিব জি এম কাদেরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে গণমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন। আর এর পাঁচ দিন পরেই তাকে চেয়ারম্যান পদে মানতে আপত্তি জানালেন রওশন এরশাদ ও তার অনুসারীরা।
সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতার প্যাডে হাতে লেখা এই বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ লিখেছেন, ‘‘সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের মারফত আমরা জানতে পেরেছি জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে যা আদৌ কোনও যথাযথ ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দায়িত্বপালনকালে জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্র ধারা ২০ (২) এর খ-এ দেওয়া ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। যথা-‘মনোনীত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রেসিডিয়ামের সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামতের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন। চেয়ারম্যানের অবর্তমানে ধারা ২০ (২) এর ‘ক’ কে উপেক্ষা করা যাবে না।
আশাকরি বর্তমানে যিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।’’
বিবৃতিতে দলের সব নেতা-কর্মীকে গঠনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
বিবৃতিতে এ ঘোষণার প্রতি একমত পোষণকারী আরও সাতজন সংসদ সদস্য ও প্রেসিডিয়াম সদস্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন-প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম ওসমান এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, রওশন আরা মান্নান এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রত্না এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, ও প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে জাতীয় পার্টির ঘোষিত চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের কেউ ফোন রিসিভ করেননি।
এর মাধ্যমে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে বিভক্তির বিষয়টি আবারও সামনে চলে এলো। এরশাদের মৃত্যুর পর জি এম কাদের ও রওশন এরশাদের মধ্যে দলের নেতৃত্ব এবং ক্ষমতা নিয়ে যে বিবাদের সৃষ্টি হতে পারে তা রাজনৈতিকমহলে অনুমিতই ছিল। বিশেষ করে সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতার আসন নিয়ে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়টি এমন আভাস আগেই দিয়েছিল।একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের আসনে গিয়ে গত জানুয়ারিতে জি এম কাদেরকে সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা ঘোষণা করলেও সে সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেননি পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সংসদের প্রথম অধিবেশনের পরেই তাকে সরিয়ে রওশন এরশাদকে বিরোধীদলীয় উপনেতা করতে বাধ্য হন তিনি।
এরও আগে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া-না নেওয়া নিয়ে রওশন ও জি এম কাদেরের পারস্পরিক মত পার্থক্য ভীষণ দোটানায় ফেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদকে। সরকারি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে মধ্যস্থতা করে তাদের সঙ্গে জোট গড়ার লবি করেন রওশন এরশাদ। এরশাদ তার চাপে মহাজোটে থাকার ঘোষণা দেন। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের মন্ত্রী থাকার পরেও বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় জাতীয় পার্টিকেও নির্বাচনের বাইরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান জি এম কাদের ও তার অনুসারীরা। ফলে দোটানায় পড়ে এরশাদ একবার নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দেন, আবার পর মুহূর্তে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাজনৈতিক তামাশার সৃষ্টি করেন। এ অবস্থায় ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি থাকতে হয় তাকে। নির্বাচনে না গিয়ে টানা পাঁচ বছর সংসদের বাইরে ছিলেন জি এম কাদের। আর সংসদে বিরাধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেন রওশন এরশাদ। আর হাসপাতালের শয্যায় থেকেও নির্বাচিত হয়ে পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ছিলেন এরশাদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আর কোনো দেশে মশা মারতে রুল দিতে হয় না

হাইকোর্ট বলেন, মশা নিধনে যদি কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হতো তাহলে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে কেন? আমরা মশা নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নেয়া ছাড়া তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না। সিটি করপোরেশনে যারা আছেন তাদেরকে আগে সচেতন হতে হবে। এরপর জনগণকে সচেতন হতে বলতে হবে। আমরা চাই সমন্বিতভাবে মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিক সিটি করপোরেশন।
যাতে কোনো মানুষকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে না হয়।
এর আগে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়রকে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঢাকা শহরে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ এ ধরনের অন্যান্য রোগের বিস্তার রোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতেও বিবাদীদেরকে বলা হয়। গত ১৪ই জুলাই হাইকোর্টের দেয়া আদেশ অনুসারে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সে ব্যাপারে দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আদালতে প্রতিবেদন দেয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সায়রা ফাইরোজ।
ওই আইনজীবীর উদ্দেশ্যে আদালত বলেন, জনগণ ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছে এপ্রিল মাস থেকে। তখন থেকে মশা নিধনে কেন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। মেয়র বসে থাকবেন, কখন উচ্চ আদালত থেকে আদেশ আসবে তখন কাজ শুরু করবেন! পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে মশা নিধনে হাইকোর্ট রুল জারি করে না। কিন্তু সেবা সংস্থার নিষ্ক্রিয়তার কারণে আমাদেরকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। আদালত বলেন, যেদিন থেকে লোকজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হবে না সেদিনই মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের নেয়া কার্যক্রম আমাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে। যে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে তাতে মশা নির্মূল হলে মানুষ তো ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতো না। যদি এটা মহামারি আকারে রূপ নেয় তখন কিছুই করার থাকবে না। আদালত বলেন, পত্রিকায় দেখলাম ২৬ জন লোক মারা গেছে। যখন রুল জারি করা হয় তখন ছিল ১১ জন। সাংবাদিকেরা কি মিথ্যা লেখে? শুনানি শেষে হাইকোর্ট প্রধান দুই স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তলব করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গেও চালু হলো এনআরসি! by পরিতোষ পাল

অথচ কিছুদিন আগেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রউফের স্ত্রী মুস্তাব সেরা রউফ ও পুত্র আসাদ রউফের নামে নোটিশ দেয়া হয়েছে। তারা যে প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক তা প্রমাণের জন্য দু’জনকেই সশরীরে দপ্তরে হাজির হওয়ার কথা বলা হয়েছে। নোটিশে হুমকিও দেয়া হয়েছে, হাজিরা না দিলে একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
অর্থাৎ ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দেয়া হবে। আবদুর রউফ সাংবাদিকদের বলেছেন, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে একটি নামি স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। আর তাঁর পুত্র আসাদ লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে পাস করে বিদেশেই রয়েছেন। ফলে স্ত্রীর পক্ষে হাজিরা দেয়া সম্ভব হলেও পুত্রের পক্ষে হাজিরা দেয়া সম্ভব নয়। তবে নোটিশে দেয়া সময় ও তারিখ অনুয়ায়ী আলীপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লাইন দিয়ে আর পাঁচজন সাধারণ নাগরিকের মতোই আবদুর রউফ পরিবারের পক্ষে দেখা করেছিলেন নির্দিষ্ট আধিকারিকের সঙ্গে। জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতাতেই বসবাস করছেন। জমা দিয়েছেন প্রয়োজনীয় নথি ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র। অবশ্য কমিশনের আধিকারিক আশ্বস্ত করেছেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশোধন করা হবে। তবে নির্বাচন কমিশন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এইভাবে নোটিশ সাধারণত পাঠানো হয় খুব কম ক্ষেত্রেই। একমাত্র কোনো অভিযোগ এলেই এই ধরনের নোটিশ পাঠানো হয়ে থাকে। সেইমতো সব নথি পরীক্ষা করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়া বা রেখে দেয়া হয়।
সিপিআইএম-এ বিভ্রান্তির প্রবণতা
ভারতের বৃহত্তম কমিউনিস্ট দল মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টি গত কয়েকটি নির্বাচনে জনভিত্তি হারিয়ে অস্তিত্ব সংকটের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে দলের অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তির প্রবণতা। কীভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংকট মোকাবিলায় জোট তৈরির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কিনা বা তা থাকলেও কার সঙ্গে কীভাবে জোট হতে পারে তা নিয়ে নানা মতের প্রতিফলন দেখা গেছে দলের নেতাদের মধ্যে। একসময় বিজেপি এবং কংগ্রেস থেকে সমদূরত্বের তত্ত্বকেই দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণকারীরা ঠিক করেছিলেন। তবে গত পার্টি কংগ্রেসে অবশ্য পরিস্থিতি অনযায়ী কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে সাম্প্রদায়িক শক্তির মোকাবিলা করার কথা বলা হয়। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনে অনেক আলোচনার পরও সেই জোট তৈরি হয়নি। আর ফল বেরোনোর পর দেখা গেছে, দলের মধ্যেকার ক্ষয় আরও প্রবল হয়ে মাত্র ৭ শতাংশে এসে ঠেকেছে দলের জনভিত্তি। তবে নির্বাচনের পর আবার কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে রাজনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলার রাস্তা খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে।
তবে এরই মধ্যে দলের এক নেতা বলেছেন, বিজেপি’র সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মোকাবিলায় কেউই অস্পৃশ্য নয়। এর পরেই সিপিআইএম’র এক বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিক অচ্ছুৎ নয় ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিলেন, বিজেপি কাউকে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে মারছে দেখলে আক্রান্ত ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের হলেও তাকে আমি বাঁচাতে যাব। সেখানে যদি তৃণমূল নেতাও থাকেন তবুও আমি যাব। তিনি নিজের অবস্থানে অনড় থেকে পরবর্তী সময়ে এও বলেছেন, ইস্যুর ভিত্তিতে তৃণমূলের পাশে থাকতে আপত্তি নেই। রাজনীতিতে কেউ অস্পৃশ্য নয়। তবে একজোট হওয়ার জন্য তৃণমূলের সামনে শর্তও রাখেন তিনি। বলেন, বহু সিপিএম কর্মীর বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা দেয়া হয়েছে। সেগুলো প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে হবে। এর পরেই সোস্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, ‘রাজনৈতিক অস্পৃশ্যতা’ না থাকলে তৃণমূল-বিজেপি’র ‘আঁতাত’ নিয়ে সিপিআইএম’র কি কথা বলা সাজে? এদিকে কংগ্রেসের অনেক নেতাই প্রধান শত্রু হিসেবে বিজেপিকে চিহ্নিত করে আগুন নেভাতে সবাইকে একসঙ্গে চলতে বলেছেন। ফলে সিপিআইএম’র মধ্যে বিতর্ক ঘণীভূত হয়েছে জোট নিয়ে। এই অবস্থায় সিপিআইএম’র পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সম্পাদক সূর্য্যকান্ত মিশ্র দলের সকলকেই সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বিজেপি’র মোকাবিলায় তৃণমূল বা তৃণমূলকে রুখতে বিজেপি’র হাত ধরা- এই দুই ‘বিপজ্জনক প্রবণতা’ থেকেই দূরে থাকতে হবে। তাঁর মতে, সমস্ত শান্তিপ্রিয় ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার লড়াইকে দুর্বল করার জন্য বিজেপিকে নিয়ে তৃণমূলের এবং তৃণমূলকে নিয়ে বিজেপি’র বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক বিপজ্জনক প্রবণতা চালু করার চেষ্টা হচ্ছে। আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তির ক্ষেত্রে এর গুরুতর প্রতিক্রিয়া রয়েছে এবং বাম ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে তা গুরুতর বিপদ। তবে দলের নেতাদের মধ্যেকার ’বিভ্রান্তির প্রবণতা’ কাটানোর জন্য দলীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনা করা হবে।
মেট্রোতে দরজা বন্ধের চেষ্টা হলে জরিমানা
ভারতের প্রথম মেট্রো রেল (পাতাল রেল) কলকাতা শহরে চালু হলেও এই মেট্রো রেলের যাত্রীদের প্রায় প্রতিদিনই কমবেশি নানা দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা জোড়াতালি দিয়ে রেল চালাচ্ছেন বলেই সংকট তীব্র হয়েছে। গত ১৩ই জুলাই এক দুর্ঘটনায় এক প্রৌঢ়ার মৃত্যু যাত্রী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অনেক প্রশ্ন হাজির করেছে। মেট্রো রেলের দরজায় হাত আটকে মৃত্যু হয়েছিল সেই প্রৌঢ়ার। হাত আটকে থাকা অবস্থাতেই মেট্রো ছুট লাগিয়েছিল। ফলে দেওয়ালে ধাক্কা এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল সেই ব্যক্তির। এরপরেই মেট্রো কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্টেশনে দুই প্রান্তে গাড়ির মতো লাগানো হবে লুকিং গ্লাস। যাতে চালক বা গার্ড দেখতে পারবেন বাইরের দিকটি। তবে যাত্রী সচেতনতার উপরও জোর দিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। স্টেশনে স্টেশনে মাইকে প্রচার এবং ভিডিও ক্লিপের মাধ্যম প্রচার করা সম্পর্র্কে। তবে মেট্রো রেলওয়ের কর্তারা বিশৃঙ্খল যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইনি পথ নিয়েছেন। মেট্রোকর্তাদের অভিযোগ, যাত্রীদের অনেকেই দেরি করে প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে শেষ মুহূর্তে হাত, পা, ব্যাগ বা ছাতার হাতল দিয়ে দরজা আটকে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন।
এতে দরজা খোলা ও বন্ধের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয়। অযথা বেশি সময় থামতে হয় একটি ট্রেনকে। এর ফলে মেট্রোর সময়ানুবর্তিতা যেমন ধাক্কা খায়, তেমনই শেষ মুহূর্তে ট্রেনে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়। এই প্রবণতা রুখতেই রেলের আইনকে কাজে লাগিয়ে জরিমানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, মেট্রোয় হুড়োহুড়ি করে উঠতে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে কেউ দরজা আটকানোর চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী হাজার রুপি পর্যন্ত জরিমানা অথবা ছ’মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। অপরাধের মাত্রা বেশি হলে জেল ও জরিমানা, দু’টোই একসঙ্গে হবে। ইতিমধ্যে এক ডজনের বেশি যাত্রীকে জরিমানা করা হয়েছে। এতদিন মেট্রো স্টেশনে থুথু ফেলা, স্টেশন নোংরা করা এবং কম ভাড়ার টোকেন কাটার জন্য জরিমানা চালু ছিল। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মেট্রোর দরজা আটকে রাখার বিষয়টিও। নির্দিষ্ট মূল্যের টোকেন না কাটার ক্ষেত্রে ২৫০ রুপি পর্যন্ত এবং প্ল্যাটফরমে থুথু ফেলার ক্ষেত্রে ৫০০ রুপি পর্যন্ত জরিমানা করা হত। যাত্রীরা অবশ্য সময়ানুবর্তিতার দিকে মেট্রো কর্তাদের নজর দেয়ার আরজি জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে ত্রুটিমুক্ত রেল চালানোর আবেদন জানানো হয়েছে।
নিজের রক্তে কমবে যন্ত্রণা
নিজের রক্তেই কমবে যন্ত্রণা। অস্ত্রোপচারের কোনো প্রয়োজনই পড়বে না। প্লেটলেট রিচ প্লাজমা (পিআরপি) পদ্ধতি প্রয়োগ করে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে এই চিকিৎসা করা সম্ভব। সমপ্রতি এমন চিকিৎসা পদ্ধতি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে শুরু হয়েছে। ওই হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক রাজেশ প্রামাণিক জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে রোগীর শরীর থেকে প্রথমে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এর পরে ওই সংগৃহীত রক্ত বিশেষ যন্ত্রে তীব্র গতিতে ঘোরানো হলে তাতে তিনটি স্তর তৈরি হয়। তারই একটি হলো, প্লেটলেট সমৃদ্ধ প্লাজমা বা পিআরপি। রোগীর আঘাত পাওয়া জায়গা চিহ্নিত করে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে সেখানে পিআরপি দেয়া হয়। দু’সপ্তাহ অন্তর তিন ধাপে রোগীকে ওই ইঞ্জেকশন দেয়া হয়। চিকিৎসকদের দাবি, সমপ্রতি এই পদ্ধতিতে চিকিৎসার মাধ্যমে যন্ত্রণা থেকে নিস্তার পেয়েছেন দুই রোগী। বাঁ হাতের যন্ত্রণায় কাবু হয়ে পড়েছিলেন এক লেখিকা। অসহনীয় যন্ত্রণার কারণে পুজো সংখ্যায় লিখতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইক থেকে রাস্তায় পড়ে পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন এক যুবক। চিকিৎসায় লক্ষাধিক টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছিল এক বেসরকারি হাসপাতাল। দু’জনকেই অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। তবে সরকারি হাসপাতালে আসার পর দু’জনের ক্ষেত্রেই পিআরপি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। থেরাপি প্রসঙ্গে চিকিৎসকদের বক্তব্য, পিআরপি’র ভিতরে প্রচুর গ্রোথ ফ্যাক্টর থাকে।
সেটাই ক্ষতস্থানকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করছে। জানা গেছে, খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পায়ে আঘাত, লিগামেন্ট এবং কাঁধের শিরায় চোট লাগলে পিআরপি পদ্ধতি প্রয়োগ করে চিকিৎসায় সুফল পাওয়া যাচ্ছে। পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা, টেনিস এলবোর ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি ভালো সাড়া দিচ্ছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েেেছন। তবে এই চিকিৎসা পদ্ধতির বিরুদ্ধ মতামতও রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইদলিবে মানবিক বিপর্যয় রোধে তুরস্ক by মুহাম্মদ খায়রুল বাশার

এই সম্ভাব্য মানবিক বিপর্যয়রোধ করার জন্য তুরস্ক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে, তারা একই সাথে ইদলিবের ভবিষ্যৎ নিয়ে মস্কো, দামেস্ক ও তেহরানের পৃথক ভিশনকে সামাল দেয়ার জন্যও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যকার চুক্তি লঙ্ঘন করে রুশ বিমানবাহিনীর সমর্থন নিয়ে আসাদ সরকার স্থলবাহিনী নিয়ে অগ্রসর হতে থাকলে শেষ পর্যন্ত একটি গভীর মানবিক ও রাজনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি হবে। ইদলিবের বর্তমান পরিস্থিতি হচ্ছে সিরিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত একটি ধীর ও অব্যাহত প্রক্রিয়ার ফল। গত মে মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ ইদলিবের ভেতর ও চতুর্দিক থেকে প্রায় দুই লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তাদের অনেকেই আবার তুরস্ক সীমান্তের দিকে পাড়ি জমিয়েছে। তুরস্ক কর্তৃপক্ষ ইদলিবের বিদ্রোহী তথা সরকার বিরোধীদের সাহায্য-সহায়তা দিচ্ছে। সরকারি হামলা প্রতিহত করার আশা নিয়েই বিদ্রোহীদের সহায়তা দেয়া হচ্ছে। মনে হচ্ছে একটি মানবিক বিপর্যয় থেকে বাঁচানোর জন্য আঙ্কারা একাই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই মানবিক বিপর্যয়ের ফলে হাজার হাজার বেসামরিক লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সিরিয়ার তুরস্কের নীতি হচ্ছে বিরোদের সাথে অংশীদারিত্ব। সিরিয়ায় বেশির ভাগ উদ্বাস্তুকে নিজ দেশে আশ্রয় দানকারী দেশ হচ্ছে তুরস্ক। তারা কিছুতেই সঙ্ঘাত থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না। আঙ্কারা ইদলিবে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাশিয়ার নেতৃত্বে ইদলিবে যে হামলা চালানো হচ্ছে- সেই হামলা প্রতিরোধ করতে তুরস্ক সরকার বিরোধীদের গাইডেড অ্যান্টি টাংক মিসাইল সরবরাহ করছে। মস্কোকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার জন্য তুরস্ক রুশ হামলা প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
তুরস্ক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর অন্য স্বার্থ ও এজেন্ডা রয়েছে। আসাদ সরকার সিরিয়ার ‘প্রতি ইঞ্চি’ মাটি পুনর্দখলের জন্য ইদলিবে পরিকল্পিতভাবে বোমা বর্ষণ করে। আসাদ সরকার মনে করে ইদলিবে সত্যিকারভাবে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি কার্যককর হলে সেখানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হবে। অন্য দিকে রাশিয়া, সামরিক শক্তির মাধ্যমে তার ইচ্ছা পূরণের জন্য কাজ করছে। দেশটি বিমান হামলা চলিয়ে তুরস্ককে তার নিজের রাজনৈতিক বোঝাপড়ার মধ্যে নিয়ে আসার প্রয়াস চালাচ্ছে। রাশিয়া সমঝোতার মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার বিরোধী পক্ষের প্রতি নিজেদের সমর্থন প্রত্যাহার, তাদের প্রতি সহায়তা দান বন্ধ করে এবং এককভাবে ওয়াইপিজি প্রভাবিত সিরীয় গণতান্ত্রিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে নিজে সাইড লাইনে চলে গেছে। পেন্টাগনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কেবল ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) পরাজিত করার ব্যাপারে আলোকপাত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র আইএস-বিরোধী অংশীদারদের আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হতে উৎসাহিত করে না। কিন্তু তারা এখন সিরিয়া সরকারের ‘আচরণে’ পরির্তন চায় এবং ইরানকে সিরিয়া থেকে বের করে দিতে চায়। এ জন্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ইদলিবে সিরিয়ার বিরোধীদের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। ইদলিবে আমেরিকা আল কায়েদার সাথে যুক্ত হায়াত তাহির আল শামের (এইটিএম) বলিষ্ঠ ভূমিকার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন এবং তারা ওই এলাকাকে ৯/১১-এর পর থেকে এ পর্যন্ত আলকায়েদার ‘বৃহত্তম নিরাপদ এলাকা’ বলে আখ্যায়িত করে আসছে।
অথচ সেখানে বেসামরিক লোকদের ওপর রাশিয়ার বর্বর বোমা হামলার বিরুদ্ধে আমেরিকা নীরব। যুক্তরাষ্ট্র কেবল রাশিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার। সিরিয়া যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইউরোপীয় দেশগুলো আমেরিকার সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে হামলার অংশগ্রহণ করেছে। কিন্তু তারা ইদলিবে কৌশলগত দায়দায়িত্ব গ্রহণ এড়িয়ে গেছে। তারা ইউরোপে নতুন একটি মানবিক বিপর্যয় এবং উদ্বাস্তু প্রবাহ চায় ন। তবে তারা মানবিক সহায়তা এবং তুরস্কের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বাইরে গিয়ে বৃহত্তর কোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত নয়।
সিরিয়ার যুদ্ধকে শূন্যগর্ভ ভূ-রাজনৈতিক খেলা হিসেবে অভিমত প্রকাশ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর একটি ভিন্ন উদ্দেশ্য প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা তুরস্কের ভূমিকাকে হেয় করার কৌশল গ্রহণ করেছে।
ইদলিব পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তুরস্কের ক্ষতি করতে চায়। কাতারের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞা এবং দোহার প্রতি তুরস্কের সমর্থনকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব ও তার মিত্ররা তুরস্ককে কোণঠাসা করার প্রয়াস চালাচ্ছে।
একই সময়ে সিরিয়ার সরকারবিরোধীরাও নানাবিধ সমস্যায় রয়েছে। ইদলিবে এইচটিএসের প্রাধান্য রয়েছে। তুরস্ক তার জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ইদলিবে দৃঢ় ভূমিকা রাখছে। কিন্তু বহু দেশ সিরিয়ার মজলুম সরকার বিরোধী বেসামরিক লোকদের প্রতি সহানুভূতি সম্পন্ন নয়। সিরিয়ার সরকারবিরোধী রাজনৈতিক গ্রুপ ও বেসামরিক লোকেরা ইদলিবের চরমপন্থীদের হাতে অস্ত্র চলে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে চান না। সিরিয়া বিরোধী শক্তি তাদের এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং চরমপন্থী গ্রুপগুলোকে নির্মূল করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিজেরাই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বিরোধী পক্ষের অনেক সদস্য মনে করেন, চরমপন্থীরা সরকারের বিরুদ্ধে ভালো যোদ্ধা এবং তারা অত্যাবশ্যকীয় আন্তর্জাতিক সহায়তা পেয়ে থাকে। কিন্তু এই দায়িত্বহীন দৃষ্টিভঙ্গি তুরস্কের হাতকে দুর্বল করে দিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রস্তাবিত মার্কিন-লংকা চুক্তি নিয়ে ভারতের নিরবতায় লংকান কৌশলগত সম্প্রদায়ে কৌতুহল
মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ কর্পোরেশান (এমসিসি) থেকে ৪৮০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল নিয়ে বিতর্কিত এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে এবং সেটা মার্কিন কংগ্রেস এবং লংকান মন্ত্রিসভায় পাস হলে এর অধীনে বেশ কিছু অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু প্রধানত, এর অধীনে রয়েছে ২০০ কিমি দীর্ঘ কলম্বো-ত্রিনকোমালি ইকোনমিক করিডোর (সিটিইসি), যেটার মাধ্যমে পশ্চিম উপকূলের সাথে পূর্ব উপকূল যুক্ত হবে।
শ্রীলংকার সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ড. পালিথা কোহোনার মতে, এমসিসির জন্য সরকারকে ভূমি আইন পরিবর্তন করতে হবে যাতে নাগরিকদেরকে রাষ্ট্রের দেয়া জমি পৃথক করা যায়। বিদেশীরাও এখানে ক্রেতা হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সিট’ইসি’র মাধ্যমেও ১৯৮৭ সালের ইন্দো-লংকা অ্যাকোর্ড লঙ্ঘিত হবে, যেখানে ভারতের প্রতি শত্রুতাপ্রবণ কোন দেশের কাছে শ্রীলংকার কোন বন্দর বা বিমান বন্দর হস্তান্তরে বাধা আছে। ড. কোহোনা বলেন, ত্রিনকোমালিকে সরঞ্জামের ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্য রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
প্রেসিডেন্ট মৈত্রিপালা সিরিসেনা বহুবার বলেছেন যে, তিনি এসওএফএ চুক্তির বিরোধী কারণ এতে দেশের সার্বভৌমত্ব মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে। তিনি এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিলক মারাপোনাকে নির্দেশনাও দেন যাতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরকে এটা জানান যে, বর্তমান কাঠামোতে এসওএফএ চুক্তি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাধারণভাবে মার্কিন-পন্থী প্রধানমন্ত্রী রানিল বিক্রমাসিঙ্গেরও এই চুক্তির ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে। কারণ তার সম্মতি ছাড়া তার দলের সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারাপোনা আমেরিকাকে এসওএফএ চুক্তির ত্রুটির ব্যাপারে অবগত করতে পারবে না।
একমাত্র অর্থমন্ত্রী মাঙ্গালা সামারাবিরা সর্বোতভাবে এসওএফএ এবং এমসিসি চুক্তির পক্ষে রয়েছেন।
এসিএসএ ২০১৭ ও এসওএফএ
সাবেক লংকান নৌবাহিনী প্রধান ও পাথফাইন্ডার ফাউন্ডেশানের নৌ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অ্যাডমিরাল ড. জয়ানাথ কলম্বেজ বলেছেন যে, ২০০৭ সালে যে অ্যাকসেস অ্যান্ড সার্ভিসেস এগ্রিমেন্ট (এসিএসএ) স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেটা খুবই সাদামাটা ছিল। মার্কিন সেনারা যাতে এখানে এসে লংকান সামরিক বাহিনীর সাথে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য ওই চুক্তি করা হয়েছিল।
তামিল টাইগারদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধ চলাকালে শ্রীলংকার পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন ড. পালিথা কোহোনা। তিনি বলেন যে, এসিএসএ ২০০৭ চুক্তি ছিল নির্দিষ্ট ১০ বছরের জন্য। ২০১৭ সালে যখন এটা নবায়নের প্রশ্ন আসলো, এসিএসএ’র চেহারা তখন বদলে গেছে। এটা তখন ৮৩ পাতার একটি দলিল যেখানে ৫০ এর বেশি সংযোজন রয়েছে। তাছাড়া, এটা ছিন ‘উন্মুক্ত’। এর অর্থ হলো, এখানে কোন সময়ের বিধিনিষেধ ছিল না।
এর পর যুক্তরাষ্ট্র এসিএসএ’র বদলে এসওএফএ চুক্তির প্রস্তাব দেয়। সানডে টাইমসের মতে, যুক্তরাষ্ট্র চাচ্ছে তাদের বিমান ও যানবাহনে কোন ধরনের পরিদর্শন করা যাবে না। এর অর্থ হলো শ্রীলংকান নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড বা কাস্টমসের কেউ শ্রীলংকার বিমানবন্দর বা সমুদ্র বন্দরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের কোন সামরিক যানবাহন বা বিমান পরিদর্শন করতে পারবে না। তারা এমনকি স্থলেও তাদের যানবাহনকে পরীক্ষা করতে পারবে না, আন্তর্জাতিকভাবে যে অধিকার বিশ্বের সকল দেশের রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র একই সাথে লাইসেন্স, কাস্টমস শুল্ক, কর এবং অন্যান্য ফি থেকেও নিষ্কৃতি চায়।
শ্রীলংকার যে কোন স্থানে কাজ করার সময় মার্কিন সেনারা যাতে তাদের পোশাক পড়তে পারে, এবং অস্ত্র ও যোগাযোগ সরঞ্জাম বহন করতে পারে, সে অনুমোদন চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু শ্রীলংকার সংবিধান ও সাধারণ আইন অনুসারে, শুধুমাত্র সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের এই অধিকার রয়েছে।
সেই সাথে ওয়াশিংটন চায় যাতে মার্কিন সেনা এবং ঠিকাদাররা ব্যক্তিগত ও জোটগত শুধুমাত্র মার্কিন পরিচয়পত্র ব্যবহার করে শ্রীলংকায় প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হতে পারে। সানডে টাইমসের মতে, এর অর্থ হলো তারা কোন পাসপোর্ট বা ভিসা বহন করবে না।
১৯৯৬ সালের ডিপ্লোমেটিক প্রিভিলেজ অ্যাক্ট লঙ্ঘিত হচ্ছে
এসওএফএ চুক্তির মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের ডিপ্লোমেটিক প্রিভিলেজ অ্যাক্ট লঙ্ঘিত হচ্ছে, যেখানে পারস্পরিক বিনিময়ের উপর জোর দেয়া হয়েছে। যদি কোন দেশ, ধরা যাক যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলংকায় যদি বিশেষ কূটনীতিক সুবিধা পায় এবং শ্রীলংকার জনবলকে যুক্তরাষ্ট্রে একই সুবিধা দেয়া না হয়, তাহলে শ্রীলংকা সরকার দ্বীপরাষ্ট্রে মার্কিন জনশক্তিকে ওই সুবিধা দেয়া বাতিল করতে পারবে।
তাই, ১৯৯৬ সালের ডিপ্লোমেটিক প্রিভিলেজ অ্যাক্ট অনুসারে ১৯৯৫ সালে প্রেসিডেন্ট চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার সময়ে স্বাক্ষরিত এসওএফএ চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন করা যাবে না। যখন লংকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সবশেষ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা দফতরকে এটা জানানো হয়েছে।
জোট-নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন
ড. কোহোনার মতে, এসওএফএ চুক্তি শ্রীলংকার জোট নিরপেক্ষতার নীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, কারণ এর মাধ্যমে শ্রীলংকার সকলের বন্ধু হওয়া এবং কারো শত্রু হওয়া থেকে বিরত থাকার নীতি গ্রহণ করেছে।
তিনি প্রশ্ন করেন, “যেহেতু আমরা কোন দেশ থেকে হুমকির মুখে নেই, তাহলে একটা পরাশক্তির সাথে এই ধরনের ব্যাপক-ভিত্তিক চুক্তিতে যাওয়ার প্রয়োজন কেন, যদি না ওই পরাশক্তি শ্রীলংকাকে চীনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়?”
কোহোনা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, চীনের শক্তির উত্থানের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তার ব্যাপারে অতিমাত্রায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে এবং এসওএফএ সন্দেহাতীতভাবে শ্রীলংকাকে একটা সিনো-মার্কিন সঙ্ঘাতের মধ্যে টেনে নিয়ে যাবে।
ভারতের নিরবতা রহস্যজনক
অ্যাডমিরাল কলম্বেজ উল্লেখ করেন যে, ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ভারত অন্যতম প্রধান শক্তি এবং শ্রীলংকা ও যুক্তরাষ্ট্রের এসওএফএ চুক্তি নিয়ে তারা নিরব রয়েছে।
তিনি মনে করেন না যে, ভারত শ্রীলংকায় মার্কিন আধিপত্য চাইবে বা ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থে চীনকে নিয়ন্ত্রণের কৌশলে সবসময়ই একমত হবে তারা।
অ্যাডমিরাল কলম্বেজের বিশ্বাস, “বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য চীনের সাথে সুসম্পর্ক চায় ভারত। সে কারণে ভারত এখানে উদ্বিগ্ন এবং নিজেদের মতো করে নিরবে ব্যবস্থা নিচ্ছে তারা। ভারত তাদের কূটনীতিক অর্জন নিরবেই হাসিল করে”।
তবে, তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, অতীত হয়তো ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি স্মরণ করেন, “অতীতে ভারত নৌ শক্তির দিক থেকে অন্ধ ছিল। তাদের নৌ শক্তির সীমাবদ্ধতার কারণেই ২৬/১১ এর মুম্বাই হামলা হতে পেরেছে এবং তাদের এই সীমাবদ্ধতার কারণেই ভারত মহাসাগরে চীন তাদের শক্তির বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে”।
ড. কোহোনা বলেন যে, এমসিসির অধীনে ত্রিনকোমালিকে লজিস্টিক ঘাঁটিতে রূপান্তরের বিষয়টি এসওএফএ’র সাথে সম্পৃক্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারতের এতে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।
কোহোনা উল্লেখ করেন যে, ১৯৮৭ সালের ইন্দো-লংকা অ্যাকোর্ডে বলা হয়েছে যে, শ্রীলংকা তাদের কোন বন্দর বা পোতাশ্রয়কে এমন কোন দেশের কাছে দিতে পারবে না, যেখানে এই বন্দরগুলো সামরিক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে এবং সেটা ভারতের জন্য প্রতিকূল হবে।
অভিজ্ঞ এই কূটনীতিক বলেন, “ইন্দো-লংকা অ্যাকোর্ড একটা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, যেটা অগ্রাহ্য করার সুযোগ নেই”।
এসওএফএ’র অর্থনৈতিক যুক্তি
তবে, শ্রীলংকায় এসওএফএ চুক্তির অন্যতম কট্টর সমর্থক হলেন অর্থমন্ত্রী মাঙ্গালা সামারাবিরা। এই চুক্তি বিপজ্জনক হওয়ার আশঙ্কা সম্প্রতি তিনি নাকচ করে দেন।
সামারাবিরা বলেন, “১৯৯৫ সালে, প্রেসিডেন্ট চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার সময়ে একটা এসওএফএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তিতে দেশের কোন ক্ষতি হয়নি। এখন যে আলোচনা চলছে, সেই আগের চুক্তি নবায়নের জন্যই সেটা হচ্ছে”।
তিনি বলেন, “তাছাড়া শ্রীলংকার অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দূরে সরিয়ে দেয়া ঠিক হবে না, কারণ বছরে তারা শ্রীলংকা থেকে ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ও সেবা ক্রয় করে। ইউরোপিয় ইউনিয়ন (ইইউ) শ্রীলংকার সবচেয়ে বড় রফতানি অংশীদার। ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই শ্রীলংকার ৫ বিলিয়ন ডলারের গার্মেন্টস শিল্পের অন্যতম বৃহৎ দুই ক্রেতা”।
![]() |
| শ্রীলংকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিলক মারাপোনা ও তার মার্কিন প্রতিপক্ষ মাইক পম্পেও |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোটরসাইকেল যন্ত্রণা ঢাকায়: মামলা দিয়েই নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা by শুভ্র দেব

বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে, ঢাকায় নিবন্ধনকৃত মোটরসাইকেলের সংখ্যা সাড়ে ছয় লাখ। ঢাকায় মোট যানবাহনের তিন ভাগের দুই ভাগই মোটরসাইকেল।
তবে নিবন্ধনের বাইরে চলে এই সংখ্যাও অনেক। এসব মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে লাইসেন্সবিহীন চালকই বেশি। ট্রাফিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়া চলমান। বানিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে মোটরসাইকেল ব্যবহারের কারণে বিশৃঙ্খলা আরও বাড়ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।
বিআরটিএ সূত্রমতে, ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত সারা দেশে মোট নিবন্ধিত যানবাহনের সংখ্যা ৪০ লাখ ১৮ হাজার ৭৬৭টি। এর মধ্যে শুধু মোটরসাইকেলের সংখ্যা ২৬ লাখ ২৩ হাজার ৭৫৪টি। একই সময়ে শুধুমাত্র ঢাকায় নিবন্ধন হয়েছে ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৬০টি যানবাহন। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৪৭১টি। এছাড়া ২০১০ সাল পর্যন্ত ঢাকায় রেজিষ্ট্রেনকৃত মোটরবাইকের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৮১টি। আর ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৩৯০। সাড়ে ৮ বছরের ব্যবধানে এই সংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ সালে নিবন্ধন দেয়া হয়েছে ৩৪ হাজার ৭০৮ টি, ২০১২ সালে ৩২ হাজার ৮১০টি, ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ৩৩১টি, ২০১৪ সালে ৩২ হাজার ৮৯৪টি, ২০১৫ সালে ৪৬ হাজার ৭৬৪টি, ২০১৬ সালে ৫৩ হাজার ৭৩৮ টি, ২০১৭ সালে ৭৫ হাজার ২৫১টি, ২০১৮ সালে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৪টি ও ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত দেয়া হয়েছে ৪২ হাজার ৮৩০টি মোটরসাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন।
এদিকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সারা দেশের রেজিষ্ট্রেশনকৃত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৫৯ হাজার ২৫৭ টি। ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৭টি। এর মধ্যে ২০১১ সালে নিবন্ধন দেয়া হয়েছে, ১ লাখ ১৪ হাজার ৬১৬টি, ২০১২ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৫৮৮টি, ২০১৩ সালে ৮৫ হাজার ৮০৮টি, ২০১৪ সালে ৯০ হাজার ৬৮৫টি, ২০১৫ সালে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৫৮টি, ২০১৬ সালে ৩ লাখ ৩২ হাজার ৫৭টি, ২০১৭ সালে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৫৫০টি, ২০১৮ সালে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৬০৩টি ও মে ২০১৯ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৩২টি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ মোটরসাইকেল। বিগত দিনগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় যত মানুষ নিহত হয়েছেন তার বড় একটি অংশ নিহত হয়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০১৮ সালের ২৫ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে মোটরসাইকেল জড়িত। বিআরটিএ কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশে মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে খুব অল্প টাকা লাগে। তাই যে কেউ মোটরসাইকেল কিনে রেজিষ্ট্রেশন করে নিচ্ছে। যদি অন্যান্য দেশের মত রেজিষ্ট্রেশন ফি আরও বাড়ানো হত তবে মানুষ মোটরসাইকেল কিনে রেজিষ্ট্রেশন করতে নিরুৎসাহিত হত। এছাড়া রাইড শেয়ারিং কোম্পানি বাজারে আসার কারণে মোটরসাইকেল বেড়েছে। বানিজ্যিক উদ্দেশ্য মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকার বাইরে থেকে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল এসেছে। বাড়তি ট্রিপের আশায় তারা অনেকেই বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে। বাইরে থেকে আসা অনেক চালকেরই ঢাকার ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা নাই। এজন্য আরও বেশি বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।
সরজমিন গত কয়েকদিন, ঢাকার কাওরানবাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ, পল্টন, কাকরাইল, ফকিরাপুল, রামপুরা, বাড্ডা, মিরপুর, মোহাম্মদপুরসহ একাধিক এলাকা ঘুরে বেপয়োয়া মোটরসাইকেল চালকদের নানা চিত্র দেখা গেছে। শুক্রবার রাত ৯টা। ফার্মগেট থেকে বাংলমোটর-শাহবাগগামী যানবাহন আটকে আছে কাওরানবাজার ট্রাফিক সিগন্যালে। সড়কের মধ্যে লেগে আছে যানবাহনের লম্বা লাইন। এমন সময় সড়কের বাম পাশের ফুটপাত দিয়ে ছুটে চলে একের পর এক মোটরসাইকেল। ব্যস্ততম এই সড়কের ফুটপাত দিয়ে সবসময়ই পথচারীরা চলাচল করেন। কিন্তু চালকরা উচ্চ শব্দের হর্ন দিয়ে বেপরোয়াভাবে ছুটছেন। এতে করে পথচারিরা হাঁটাতো দুরের কথা দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বাধ্য হয়ে অনেকে ফুটপাত থেকে নেমে প্রধান সড়কের ওপর গিয়ে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে শিশু বাচ্চা কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন শায়েলা আক্তার নামের এক নারী। তিনি বলেন, আমরা যাবো কোন দিক দিয়ে। ব্যস্ত এই সড়কে এমনিতেই দ্রুত গতিতে ছুটে যানবাহন। সড়ক দিয়ে হাঁটার কোন উপায় নাই। একমাত্র ভরসা ফুটপাত। এখন যদি ফুটপাত দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল করে আমরা যাবো কোন দিক দিয়ে। আমির হোসেন নামের আরেক পথচারি বলেন, পথচারীদের চলাচলে যাতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় এজন্য পুরাতন ফুটপাত ভেঙ্গে পথচারীদের চলাচল উপযোগী ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধিদের জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কিন্তু এই ফুটপাত দিয়ে চলাচলের কোন উপায় নাই। লোহার খুটি পোতা হয়েছে। অন্ধলোক যাওয়ারতো উপায় নাই, সুস্থ মানুষও হাঁটতে পারছে না।
কাওরানবাজার মোড়ে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক সদস্য বলেন, সিগন্যাল মানার বালাই নাই। যখন সিগন্যাল পড়ে তখন ফাঁকফোকড় দিয়ে সবাই লাইনের সামনে চলে আসে। কোনোভাবে যদি একটু সুযোগ পায় তবে সিগন্যালের ছাড়ার অপেক্ষা না করেই সবাই রওয়ানা হয়ে যায়। তখন আর আমাদের কিছু করার থাকে না। সিগন্যাল না মানার জন্য অন্যপাশের গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। বাংলামোটরে আরেক ট্রাফিক সদস্য বলেন, কয়েক বছর আগেও এমন অবস্থা ছিল না। এই দুই বছরে মোটরসাইকেল অনেক বেড়েছে। এভাবে যদি বাড়তে থাকে তবে নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টকর হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ মানবজমিনকে বলেন, মোটরসাইকেলে অনেক ঝুঁকি আছে। মোটরসাইকেলের মাধ্যমে যেকোন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে সহজেই পালানো সম্ভব। আইন অমান্যকারী মোটরসাইকেলকে আমরা মামলা দিচ্ছি। প্রতি মাসে সকল যানবাহনকে এখন প্রায় দেড় লাখ মামলা দেয়া হয়। মোট মামলার ২৫ শতাংশ শুধু মোটরসাইকেলের।
তিনি বলেন, সড়কে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ আনতে হেলমেটবিহীন চলাচল নিষেধ করা হয়েছে। ঢাকায় এখন যাত্রী ও চালক সবাই হেলমেট ব্যবহার করে। যারা করে না তাদের মামলা দেয়া হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিহারে আরএসএসকে নিয়ে ‘রিপোর্ট’ পুলিশের, ক্ষুব্ধ বিজেপি

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার বিতর্কের সূত্রপাত। ওই দিন একটি বিতর্কিত চিঠি সামনে আসে। গত ২৮ মে ওই চিঠিটি লেখেন পটনা স্পেশাল শাখার তৎকালীন পুলিশ সুপার রাজীব রঞ্জন। তাতে আরএসএস, তাদের ১৮টি শাখা সংগঠন এবং ওই সংগঠনের কর্মীদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, পেশা এবং অন্য জরুরি তথ্য সংগ্রহ করে সদর দফতরে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়।
সঙ্ঘের যে ১৮টি শাখা সংগঠন সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়, তার মধ্যে অন্যতম হল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরঙ্গ দল, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, ধর্ম জাগরণ সমন্বয় সমিতি, হিন্দু রাষ্ট্র সেনা, মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ, দুর্গা বাহিনী। চিঠিটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখার পাশাপাশি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওই সংগঠনগুলি সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করে পাঠিয়ে দিতে বলা হয়।
এই চিঠি ঘিরেই তোলপাড় শুরু হয়েছে বিহারের রাজনৈতিক মহলে। সঙ্ঘের উপর নজর রাখতে নীতীশ কুমারই কি তা হলে নির্দেশ দিয়েছিলেন? উঠছে এমন প্রশ্ন। পটনা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা এখনও পর্যন্ত চিঠিটিকে উড়িয়েও দেননি আবার চিঠিতে সঙ্ঘের উপর নজরদারি চালানোর নির্দেশ পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রকাশ্যে স্বীকারও করেননি। গত মাসেই রাজীব রঞ্জনকে বদলি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে তাঁর দায়িত্বে রয়েছেন কার্তিকেয় শর্মা। যে হেতু সেই সময় পটনায় ছিলেন না, তাই চিঠির ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইন্সপেক্টর জেনারেলের দাবি, ‘‘রাজ্যের বিভিন্ন সংগঠন সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করা স্পেশাল ব্রাঞ্চের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কোনটা কার সংগঠন তাতে কিছু যায় আসে না। বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানকারী এবং রাজনৈতিক সংগঠন সম্পর্কেও খোঁজ খবর নিই আমরা।’’
যদিও বিহার পুলিশের সদর দফতর সূত্রে খবর, গত বছর রামনবমী ঘিরে রাজ্যের একাধিক জেলায় সাম্প্রদায়িক অশান্তি দেখা দিয়েছিল। তার জেরেই এই পদক্ষেপ করা হয়। সঙ্ঘ এবং তাদের বিভিন্ন শাখা সংগঠনকে সাবধান করতে উপ মুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার মোদীর সঙ্গেও আলাদা করে কথা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নজরদারির কোনও ব্যাপার নেই বরং গোটা ঘটনাকে ‘রুটিন অ্যাফেয়ার’ বলে অভিহিত করেছে জেডিইউ। রাজ্যের জনসংযোগ মন্ত্রী নীরজ কুমার জানান, ‘‘এ রকম বহু সংগঠন সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করে স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এতে বিজেপি-জেডিইউ সম্পর্কে কোনও প্রভাব পড়বে না।’’
তবে চিঠিটি যে সময় লেখা হয়েছিল, সেই সময় দিল্লিতে দ্বিতীয় বার সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর মন্ত্রিসভায় জেডিইউয়ের জায়গা হচ্ছে না, তখনই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাই কি সঙ্ঘের উপর কড়া নজর রাখতে উদ্যোগী হয়ে উঠেছিলেন নীতীশ কুমার? এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
রাজ্য বিজেপির তরফে বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে দলের বিধায়ক নিতিন নবীন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘‘আরএসএস কোনও সন্ত্রাসী সংগঠন নয়। যা ইচ্ছা তথ্য জোগাড় করুক পুলিশ। তবে বিহারে সঙ্ঘের প্রান্ত প্রচারক রাজেশকুমার পাণ্ডে বলেন, ‘‘চিঠির কথা কানে এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি আমরা। কিন্তু এমন কোনও গোপন কাজকর্মে যুক্ত নই আমরা যে, পুলিশ লাগাতে হবে। রাজ্যে আমাদের অনেক শাখা সংগঠন রয়েছে। নির্বাচন এবং বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করি। তা সংবাদমাধ্যমকে প্রকাশিতও হয়।’’ কিন্তু ওই তালিকায় এমন কিছু সংগঠনের নাম রয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগ থাকা তো দূর, আগে কখনও সেগুলির নাম শোনেনি বলেও দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) এবং কংগ্রেসের ‘মহাজোট’ ছেড়ে বেরিয়ে এসে, ২০১৭-র ২৭ জুলাই বিজেপির হাত ধরে বিহারে সরকার গড়েন নীতীশ কুমার। কিন্তু তার পর থেকে, গত দু’বছরে তিন তালাক— সহ একাধিক বিষয়ে দু’পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। এক সময় ‘সঙ্ঘ মুক্ত ভারত’-এর ডাক দেওয়া নীতীশের সঙ্গে সম্পর্ক তেমন ভাল নয় সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবতেরও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনা–ভাবনায় আবারও আড়িয়াল বিল by কমল জোহা খান
![]() |
| আড়িয়াল বিল |
২০১০ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার আড়িয়াল বিল এলাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু পরের বছর জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম শুরু হলে আন্দোলন শুরু করে আড়িয়াল বিল এলাকার মানুষ। এই আন্দোলনের মুখে সেখানে বিমানবন্দরের নির্মাণ প্রকল্পটি স্থগিত করা হয়।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিষয়ে জানতে চাইলে গত মঙ্গলবার ২ জুলাই বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন সচিব মো. মহিবুল হক প্রথম আলোকে বলেন, আড়িয়াল বিলের বিমানবন্দরের বিপক্ষে যাঁরা ছিলেন, তাঁরাই সেখানে বিমানবন্দর চাইছেন। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা হবে। তা ছাড়া যেসব এলাকা বিমানবন্দরের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে, সেসব এলাকার সাংসদদের উপস্থিতিতে একটি প্রেজেন্টেশন থাকবে। সেখানে বিমান প্রতিমন্ত্রী থাকবেন। তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে।
সিদ্ধান্ত বদলের কারণ জানতে কথা হয় আড়িয়াল বিল রক্ষা কমিটির কার্যকরী পরিষদের সদস্য বরাইখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেনের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আমরা জুন মাসে ঢাকায় শিক্ষা ভবন মিলনায়তনে বৈঠক করি। আমাদের পরবর্তী বৈঠক ৬ জুলাই শ্রীনগর উপজেলা পরিষদে অনুষ্ঠিত হবে।’
ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের জমি এমনিই তো ডেভেলপার কোম্পানি কিনে নিত। তার চেয়ে আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর অনেক ভালো। আগে আন্দোলনের সময় আমাদের বলা হয়, ভূমিদস্যুরা জমি দখল করবে। এলাকার স্কুল-কলেজ, ঘরবাড়ি কিছু থাকবে না। তা ছাড়া বিমানবন্দর হবে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার একর এলাকাজুড়ে।
এদিকে প্রায় চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। ওই বছরের জানুয়ারি থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় নতুন করে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য জায়গা চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে। প্রকল্পটির জন্য মাদারীপুরের শিবচরের চর জানাজাত, ঢাকার দোহারের চর বিলাসপুর, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের কেয়াইন ও লতব্দি এলাকাকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়। পরের বছর ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর নতুন করে বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সঙ্গে এক চুক্তির মাধ্যমে জাপানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিপ্পন কোয়ি লিমিডেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি নতুন বিমানবন্দরের জন্য ১৮ মাসের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই, স্থান নির্ধারণ ও বিমানবন্দরের মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ করবে বলে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, নিপ্পন কোয়ি লিমিটেড প্রাথমিকভাবে মাদারীপুর জেলার শিবচর ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরায় নতুন বিমানবন্দরের জন্য সম্ভাব্য উপযুক্ত স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। কিন্তু দুটি এলাকা ঘন জনবসতিপূর্ণ। এ ছাড়া এসব এলাকায় খাসজমি বেশ কম। তাই জাজিরা ও শিবচর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য অনুপযোগী। এ কারণে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নিপ্পন কোয়ি লিমিটেডকে বিমানবন্দর নির্মাণের স্থান হিসেবে কম ঘনবসতিপূর্ণ ও খাসজমি বেশি রয়েছে এমন এলাকা বেছে নিতে বলে বেবিচক।
বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলতি জুলাই মাসে বেবিচকের কাছে নতুন বিমানবন্দরের সম্ভাব্য এলাকার বিষয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরবে নিপ্পন কোয়ি লিমিটেড। সম্ভাব্য স্থানগুলোর ভালো–মন্দ সব বিষয় সম্পর্কে এই উপস্থাপনায় ধারণা পাওয়া যাবে।
বেবিচকের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান নাইম হাসান প্রথম আলোকে বলেন, সম্ভাব্য সব এলাকা নিয়ে প্রেজেন্টেশন (উপস্থাপনা) দেবে জাপানিরা। আড়িয়াল বিলও এর মধ্যে রয়েছে। বিমানবন্দর আগের মতো এলাকা নিয়েই নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। লম্বায় ৮ কিলোমিটার ও প্রস্থে ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিমানবন্দরটি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের ব্যাপারে ২০১০ সালের ২৯ আগস্ট অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। ওই বৈঠকে প্রকল্পটি সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। ২০১০ সালে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাক্-সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটি সাতটি স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করে তিনটি স্থানের নাম প্রস্তাব করে। এর মধ্যে একটি স্থান ছিল ময়মনসিংহের ত্রিশাল। অন্যটি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর। পরে ওই তিনটি স্থান থেকে সরে আসে সরকার। এরপর এ-সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশে ২০১০ সালের নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলকে চূড়ান্তভাবে বেছে নেওয়া হয়।
কিন্তু আড়িয়াল বিলে জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হলে এলাকাবাসী বিরোধিতা করেন। ২০১১ সালের শুরুতেই বিমানবন্দরের বিরোধিতা করে ‘আড়িয়াল বিল রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা বলেন, আড়িয়াল বিলের প্রতি একর জমিতে ১০০ মণ ধান হয়। শুষ্ক মৌসুমে হয় রবিশস্য। বর্ষায় মাছ চাষ ছাড়াও লাখ লাখ টাকার শামুক হয়। এ শামুক বিক্রি করেও অনেকের জীবিকা চলে। বিমানবন্দর নির্মাণ করা হলে আড়িয়াল বিল এলাকার লোকজন এসব কিছুই হারাবেন। জীবিকা নির্বাহের আর কোনো পথ থাকবে না।
ওই বছর ৩১ জানুয়ারি গ্রামবাসী ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হয় কয়েক শ লোক। এরপর সরকার আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের প্রকল্পটি স্থগিত ঘোষণা করে।
যে কারণে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বাংলাদেশে আকাশপথে বিমান চলাচলের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তাই নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের প্রয়োজন বলে বেবিচক সূত্রে জানা গেছে। ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর নিপ্পন কোয়ি লিমিটেডের সঙ্গে সমীক্ষা চুক্তির পর বেবিচকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি রানওয়ে আছে। এর যাত্রী ধারণের ক্ষমতা বছরে ৮০ লাখ। ২০৩৫ সালের মধ্যে এই বিমানবন্দরের ধারণক্ষমতার সবটুকু ব্যবহৃত হয়ে যাবে। তাই ২০১০ সালে জাতির পিতার নামে নতুন এই বিমানবন্দর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা ছাড়া ১৯৬৫ সালে শাহজালাল বিমানবন্দরের নকশা করা হয়েছিল। ১৯৮১ সালে বিমানবন্দরটি চালু হয়। এটি প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো হয়েছে। আধুনিক বিমানবন্দরের সুযোগ-সুবিধা শাহজালাল বিমানবন্দরে নেই বললেই চলে। তাই নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করা ছাড়া বিকল্প কোনো উপায় নেই।
আড়িয়াল বিল ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জ জেলা এবং পদ্মা নদীর মাঝখানে ছিটমহলসম জলাভূমি অঞ্চল। বিলের দৈর্ঘ্য ২৬ মাইল এবং প্রস্থ ১০ মাইল। অর্থাৎ মোট আয়তন ২৬০ বর্গমাইল বা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬০০ একর। ২০১০ সালে প্রস্তাবিত প্রকল্পে ১০ হাজার একর জমি বিমানবন্দরের জন্য এবং ১৫ হাজার একর বঙ্গবন্ধু সিটির জন্য অধিগ্রহণ করা হবে। শ্রীনগর উপজেলার ১৪টি মৌজা, নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৮টি মৌজা ও দোহার উপজেলার ৭টি মৌজা থেকে এই ২৫ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে।
সম্প্রতি আড়িয়াল বিলে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর ফিরিয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান বিকল্প ধারার বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনের সাংসদ মাহী বি চৌধুরী।
![]() | ||||
| আড়িয়াল বিল। ছবি: সুহাদা আফরিন |

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেইংজিংয়ের শক্তির খেলার প্রতীক, শ্রীলংকার পতাকা উড়িয়ে কলম্বোতে ভিড়লো চীনা ফ্রিগেট by লরা ঝাউ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে বিদেশী অর্থায়নের প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীর গতি, বাড়ছে ঋণের বোঝা by শফিক রহমান

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-টঙ্গী তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েল গেজ ট্রাক নির্মাণ এবং টঙ্গী জয়দেবপুর ডাবল ডুয়েল গেজ ট্রাক নির্মাণ প্রকল্পটি ধিরগতির প্রকল্পগুলোর একটি অন্যতম নজির। ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি-১) ঋণচুক্তির আওতায় ২০১২ সালের জুনে শুরু হওয়া ওই প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি ২০১৯ সালের জুলাই মাসে। সাত বছর শেষে এর বাস্তব অগ্রগতি মাত্র ৯ শতাংশ।
২০১০ সালের ৭ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রথম ১০০ কোটি ডলারের এলওসি চুক্তি হয়। পরে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার অনুদানে রূপান্তর করে ভারত। ওই এলওসি-১ এর আওতায় ২০১১ সালের জুনে হাতে নেয়া খুলনা-শাহবাজপুর রেল লাইন পুনর্বাসন প্রকল্পের মেয়াদও আগামী মাসে (জুলাই, ২০১৯) শেষ হচ্ছে। কিন্তু আট বছরে প্রকল্পটির অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ১২ শতাংশ।
এলওসি-১ এর আওতায় প্রায় একই সময়ে হাতে নেয়া খুলনা-মংলা বন্দর রেল লাইন নির্মাণ প্রকল্পটির মেয়াদ কয়েক দফা বাড়িয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। সে হিসেবে হাতে আছে মাত্র এক বছর। কিন্তু এ পর্যন্ত প্রকল্পটির অগ্রগতি হয়েছে ৪৪ শতাংশ।
সংখ্যার বিচারে এলওসি-১ এর ১৫টি প্রকল্পের মধ্যে ১২টির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শেষ হলেও আকারের দিক দিয়ে বড় তিনটির শিকি ভাগও শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে গত নয় বছরে এলওসির-১ এর ৮৬ কোটি ডলারের মাত্র ৫৫ শতাংশ অর্থ ছাড় হয়েছে বলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে যে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে সেগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। বিশেষ করে এলওসি-১ এর আওতায় ২০১৩ সালে ভারত থেকে ২৯০টি দোতলা বাস, ৮০টি একতলা এসি বাস এবং ৫০টি আর্টিকুলেটেড বাস (জোড়া বাস) কেনা হয়। মাত্র ছয় বছরের মাথায় এসে জানা যাচ্ছে ওই ২৯০টি দোতলা বাসের মধ্যে ৭টি বিক্রি করে দেয়া হয়েছে, ৪টিকে মেরামতের অযোগ্য (বিইআর) ঘোষণা করা হয়েছে, ১৪টি ভারী মেরামতের জন্য কারখানায় রয়েছে। কোন মতে সচল আছে ২৬৪টি।
একতলা এসি বাসগুলোর মধ্যেও ১টিকে মেরামতের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং ৯টিকে ভারী রিপেয়ারের জন্য কারখানায় পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া জোড়া বাসগুলোর আয়ু ধরা হয়েছিল ১৫ বছর। কিন্তু দুই, তিন বছরেই নড়বড়ে হয়ে গেছে বাসগুলো। বর্তমানে ৫টি বাস ভারী মেরামতের জন্য কারখানায় রয়েছে, আন্দোলনের সময় আগুনে পোড়ানো হয়েছে ২টি এবং কোন মতে চলছে ৪৩টি।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে শুনছি সড়কে ২৫/৩০ বছরের পুরনো বাস চলছে। কিন্তু কোনভাবেই সেগুলোকে সড়কে নামানো বন্ধ করা যাচ্ছে না। অথচ, বিআরটিসি’র ২০১৩ সালে কেনা বাসগুলো ২/৩ বছরের মাথায়ই লক্কর-ঝক্কর হয়ে গেছে।
এছাড়া এলওসি-১ এর আওতায় রেলের ইঞ্জিন ও বগি এবং মোংলা বন্দরের জন্য ড্রেজার কেনা হয়েছে। ভৈরবে মেঘনা নদীতে এবং আখাউড়ায় তিতাস নদে দ্বিতীয় রেলসেতু; আশুগঞ্জ-আখাউড়া রেলপথে সিগন্যালিং ব্যবস্থা উন্নত করা এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) শক্তিশালীকরণ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে।
তবে উদ্বোধনের আগেই ২০১৭ সালের অক্টোবরের শেষের দিকে ভৈরবের মেঘনা নদীতে নির্মিত দ্বিতীয় রেল সেতুর ৮, ৯ ও ১০ নম্বর পিলারে ফাটল ধরে। এর মধ্যে ৯ নম্বর পিলারে ফাটলের পরিমাণ অনেক বেশি- এমন খবর জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। যদিও পরে সেতুর পিলার তিনটি পরিদর্শন শেষে রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চলীয়) ম্যানেজার ও প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাই বলেন, ‘সেতুর মূল পিলারে কোনও ধরনের সমস্যা নেই। সেতুর পিলারের বাইরের বাড়তি অংশে কংক্রিটে ফাটা দাগ আছে। এগুলো কার্গো জাহাজের ধাক্কা লেগে হতে পারে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘মূলত আতঙ্ক সৃষ্টির জন্যই প্রকৌশলীদের কোনও ধরনের মতামত ছাড়াই বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। এসব খবর উদ্দেশ্যমূলক।’
২০১৩ সালে ৫৬৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইরকন এবং এফকনস যৌথভাবে ৯৮৪ মিটার দৈর্ঘ্য এবং সাত মিটার প্রস্থ সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে। ৩ বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও মেয়াদ বাড়িয়ে ৪ বছর করা হয় এবং ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
দ্বিতীয় এলওসি
২০১৫ সালের জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় ২০০ কোটি ডলারের দ্বিতীয় ঋণচুক্তি হয়। পরে ২০১৬ সালের মার্চে ভারতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ঋণচুক্তি হয়। এ ঋণের আওতায় ১৬টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় বাংলাদেশ। তবে এ পর্যন্ত ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক।
এলওসি-২ এর আওতায় অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর অন্যতম হলো আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়ক চার লেনে উন্নীত করা; সৈয়দপুরে রেলওয়ের ওয়ার্কশপ নির্মাণ; খুলনা-দর্শনা ডাবল রেলপথ নির্মাণ; পার্বতীপুর-কাউনিয়া রেলপথকে ডুয়েল গেজ করা; বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ; খুলনার মোংলা ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ভারতীয় অর্থনৈতিক জোন স্থাপন; সড়ক ও জনপথ বিভাগের জন্য যন্ত্রপাতি কেনা, ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক নির্মাণ; ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন।
এসব প্রকল্পের মধ্যে ২০১৮ সালে শুরু হওয়া রেলওয়ের তিনটি প্রকল্পের বিশেষ কোন অগ্রগতির তথ্য দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। আশুগঞ্জে আভ্যন্তরিন নৌবন্দর নির্মান প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ২৪ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে এবং বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ প্রকল্পটি প্রি-একনেক সভায় উপস্থাপিত হয়েছে।
এছাড়া ভারত সরকারের অর্থায়নে ২০১৬ সালে শুরু হওয়া আখাউড়া-আগরতলা (বাংলাদেশ অংশ) ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটির ২৬ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেন প্রকল্প পরিচালক শহিদুল ইসলাম।
গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আখাউড়া-আগরতলা (বাংলাদেশ অংশ) ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পসহ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় নবনির্মিত ৫০০ মেগাওয়াট এইচভিডিসি (২য় ব্লক) এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন। এ সময় নরেন্দ্র মোদি তাঁর ভাষণে ১৯৬৫ সালের আগে বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) এবং ভারতের মধ্যে বিদ্যমান রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, ‘আখাউড়া-আগরতলা রেল কানেকটিভিটির কাজ পুরো হলে আমাদের আন্তর্দেশীয় সংযোগের ক্ষেত্রে আরেকটি যোগসূত্র স্থাপিত হবে।’
তৃতীয় এলওসি
২০১৭ সালের অক্টোবরে ভারতের সঙ্গে তৃতীয় এলওসিতে ৪৫০ কোটি ডলারের চুক্তি হয়। তৃতীয় এলওসির অর্থ দিয়ে ১৬টি প্রকল্প করার প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এখন পর্যন্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ২০১৮-২০২২ সাল মেয়াদী ওই প্রকল্পটি হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাওয়ার ইভাকুয়েশন ফেসিলিটিস অবকাঠামো উন্নয়ন।
এদিকে এলওসির আওতার প্রকল্পগুলোর কেন বিলম্ব হচ্ছে তার সার্বিক পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন নিয়ে গত ৪ মার্চ ইআরডি ও ভারতীয় পক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়। ইআরডির অতিরিক্ত সচিব জাহিদুল হক এবং ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার আদর্শ সোয়াইকার নেতৃত্বে বৈঠকে প্রকল্প বাছাই, অনুমোদন, কার্যাদেশ, অর্থ ছাড়ের কোথায় সমস্যা হয়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। পরে জাহিদুল হক গণমাধ্যমকে জানান, নিজেদের হাতে থাকা প্রকল্পসংক্রান্ত কাজ শেষ করতে উভয় পক্ষ একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। ফলে প্রকল্পের অনুমোদন থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে।
ঝুলে আছে চীনের প্রকল্পও
এদিকে, পাঁচ দিনের সফরে রোববার (১ জুলাই) চীন গিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরকালে তিনি দেশের উন্নয়নে আরো বেশি করে সহায়তা চাইবেন বলে শুক্রবার (২৮ জুন) এক সাংবাদিক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে মোমেন জানিয়েছেন।
কিন্তু চীনের অর্থায়নে ইতোপূর্বে যেসব প্রকল্প নেয়া হয়েছে সেগুলোও বাস্তবায়নের ‘ধীরগতি সমস্যা’ কাঠিয়ে উঠতে পারছে না।
চীনের অর্থায়নে ২০১৫ সালে দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। ঢাকা ওয়াসার বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে চলতি ২০১৯ সাল পর্যন্ত। কিন্তু মেয়াদ সমাপ্তির বছরে এসে দেখা যাচ্ছে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন অগ্রগতি মাত্র ২৩ শতাংশ। একই সংস্থার অধীনে বাস্তবায়নাধীন পদ্মা পানিশোধনাগার নির্মাণ প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয় ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। পরে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত করা হয়। বর্তমানে প্রকল্পটির অগ্রগতি ৯২ শতাংশ।
এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের অধিনে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন ডেভলপমেন্ট অব আইসিটি ইনফ্রা-নেটওয়ার্ক (ফেস-৩) এর অগ্রগতি ৯৫ শতাংশ এবং একই বিভাগের অধীনে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল মেয়াদে নির্মাণাধীন ন্যাশনাল ফোর টিয়ার ডাটা সেন্টারটি পরীক্ষামূলক পরিচালনা চলছে।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জন্য ছয়টি জাহাজ কেনার প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে ২০১৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন পদ্মা ব্রীজ রেল লিংক প্রকল্পটির অগ্রগতি হয়েছে ১৬ শতাংশ। আর ২০১৬ সালে হাতে নেয়া কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্পটির প্রাথমিক মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২০ সাল। পরে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২২ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। যার বর্তমান অগ্রগতি ৩২ শতাংশ হয়েছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক হারুন অর রশীদ।
প্রকল্প বাস্তবায়নের এই ধীরগতির জন্য তিনটি কারণকে নির্দিষ্ট করেছেন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি পর্বেই বড় একটা সময় কেটে যায়। এরপর প্রস্তুতির জন্য যে দক্ষ জনবল দরকার সেটার ঘাটতি রয়েছে। কাজটাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয়ের যে সমন্বয় দরকার সেটারও ঘাটতি রয়েছে।
এর সঙ্গে ‘ম্যনেজিয়াল ইনইফিসিয়েন্সি’র কথা যুক্ত করেছেন রাষ্ট্রীয় গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সাবেক নির্বাহী পরিচালক্ ড. মুস্তাফা কে মুজেরি। তিনি বলেন, সবকিছু মিলিয়ে কস্ট ওভারকাম, টাইম ওভারকাম কোনটাই নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারছি না। এটাও এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে।
একই সঙ্গে প্রকল্পের শর্তগুলোকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী উল্লেখ করে মুস্তাফা কে মুজেরি বলেন, ভারত ও চীনের প্রায় সবগুলো প্রকল্পেরই কেনা-কাটা এবং জনবল নিয়োগ সবকিছুই ওই দেশদুটি থেকে নিতে হয়। অর্থাৎ, প্রতিযোগিতা যখন থাকেনা তখন গ্রহীতা দেশের স্বার্থও সুরক্ষা হয় না।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা আন্দোলন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ বলেন, প্রথমত কথা হচ্ছে প্রকল্পগুলো অস্বচ্ছতায় ভরা। তারপর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে। দেরি হলেতো ভারত বা চীনের কোন ক্ষতি নেই। তাদের পণ্য বিক্রি হচ্ছে, ঋণ এবং সুদের পরিমাণ বাড়ছে। বিপরীতে ঋণের বোঝা বাড়ছে বাংলাদেশের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1384)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 23
(22)
- সিভিল সার্জন বুঝতেই পারেননি তিনি ডেঙ্গু আক্রান্ত! ...
- একজন মায়ের অসহায়ত্ব, ডাক্তারদের অবহেলা ও একটি শিশু...
- ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক, কাশ্মির বিরোধ নিরসনে মধ্যস...
- দুইদিনে ১০,০০০ কোটি টাকার মূলধন উধাও by এম এম মাসুদ
- চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত
- বর্বর প্রেমিক পিয়াসের হাতেই ধর্ষণের শিকার হয় রিমা ...
- প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর জয়ী ...
- যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান উষ্ণ সম্পর্কে ক্ষতি নেই চীন...
- নিন্দা বর্ষণের মধ্যেও শাসকদলের নরম মনোভাব -প্রিয়া ...
- জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান মানেন না রওশন
- আর কোনো দেশে মশা মারতে রুল দিতে হয় না
- পশ্চিমবঙ্গেও চালু হলো এনআরসি! by পরিতোষ পাল
- ইদলিবে মানবিক বিপর্যয় রোধে তুরস্ক by মুহাম্মদ খায়র...
- প্রস্তাবিত মার্কিন-লংকা চুক্তি নিয়ে ভারতের নিরবতায়...
- মোটরসাইকেল যন্ত্রণা ঢাকায়: মামলা দিয়েই নিয়ন্ত্রণের...
- বিহারে আরএসএসকে নিয়ে ‘রিপোর্ট’ পুলিশের, ক্ষুব্ধ বি...
- আলোচনা–ভাবনায় আবারও আড়িয়াল বিল by কমল জোহা খান
- বেইংজিংয়ের শক্তির খেলার প্রতীক, শ্রীলংকার পতাকা উড়...
- বাংলাদেশে বিদেশী অর্থায়নের প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীর ...
- মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় সম্মানহানি ঘটেছে, বলেছে মিয়ানম...
- ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক: উত্তেজনার মধ্যেই আশাবাদ...
- আফগান শান্তি আলোচনার সার কথা by সালমান রাফি শেখ
-
▼
Jul 23
(22)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






