Sunday, December 22, 2013
একে একে নিভিছে দেউটি
কবে, আরও কত দিন পরে এমন অসম্ভব সম্ভব হবে?
নিউইয়র্ক
হাসান ফেরদৌস: প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাধারণ থেকে অসাধারণ ব্যক্তিত্বে উত্তরণ
![]() |
| সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন |
মালেকা বেগম: নারীনেত্রী। অধ্যাপক, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবাসী-আয় বিনিয়োগে লাগুক
মুনির হাসান : সমন্বয়ক, যুব কর্মসূচি, প্রথম আলো এবং সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষ আর কত বিপর্যস্ত হবে? by ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু

ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মানুষ পুড়িয়ে মারা, মানুষকে পেট্রল বোমা মেরে হত্যা করা, হরতাল-অবরোধ ডেকে মানুষকে চরম দুর্ভোগ ও হয়রানিতে ফেলা, দেশের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করা, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত করা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুুণ্ন করা- এসব কি কখনও কারও কাম্য হতে পারে? নিশ্চয় না। অথচ বাংলাদেশে ক্ষমতার জন্য কতিপয় রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও ক্যাডারদের দ্বারা এগুলোর সবকিছুই এখন প্রতিনিয়ত সংঘটিত হচ্ছে। আর দেশের সাধারণ মানুষও যেন অসহায়-অবলা জীবের মতো মুখ বুজে এসব নীরবে সহ্য করে যাচ্ছেন। সম্মিলিতভাবে কোনো প্রতিবাদ করছেন না। প্রতিবাদ করার সাহস পর্যন্ত দেখাতে পারছেন না। দেশের সব রাজনৈতিক দলই বলে, তারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে। দেশের প্রধান একটি রাজনৈতিক দল তো এ স্লোগান প্রায়ই প্রচার করে বেড়ায়, ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’। কিন্তু দেশের চেয়ে যে রাজনীতিকদের নিজেদের পকেট বড় এবং জনগণের চেয়ে তাদের নিজেদের পকেটকেই প্রকৃতপক্ষে বড় করে দেখা হয়, তা জনগণের অজানা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো যদি সত্যিকার অর্থেই জনগণের জন্য রাজনীতি করত, তাহলে ওইসব রাজনৈতিক দলের হাতে এ দেশের জনগণকে বারবার জিম্মি হতে হতো না, জনগণকে বারবার বলির পাঁঠা হতে হতো না। এ দেশে হরতাল-অবরোধ মানেই যে মানুষ পুড়িয়ে মারা, দেশব্যাপী তাণ্ডবলীলা চালানো, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বাংলাদেশ যেন হরতাল-অবরোধের দেশ হতে চলেছে। হরতালে, অবরোধে শুধু জনগণের প্রাণহানিই ঘটছে না। দেশের অর্থনীতিরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে। শিক্ষার্থীরা পড়ছে সেশনজটের কবলে, যা তাদের জীবনে বয়ে আনছে অপূরণীয় ক্ষতি।
রাজনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশকে অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাসহ সব দিক থেকে এগিয়ে নেয়া। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঘটছে এর উল্টোটি। হরতাল-অবরোধের কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি পণ্য সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটছে। ফলে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম, যা অনেক সময় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে অবরোধের কারণে দেশের অর্থনীতিতে এখন চলছে বিপর্যয়। এর ফল ভয়াবহ হতে বাধ্য এবং এর খেসারত দিতে হবে গোটা জাতিকে। হরতাল-অবরোধ বন্ধে দেশের ব্যবসায়িক নেতারা, বুদ্ধিজীবী মহল, সাধারণ মানুষ, সুশীল সমাজসহ সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রয়োজন দাবি আদায়ে হরতাল-অবরোধের বিকল্প কোনো পন্থা খুঁজে বের করা। সবাই মিলে হরতাল আর অবরোধকে ‘না’ বলার ব্যাপারেও দ্রুত সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সব রাজনৈতিক দলেরই ভালোভাবে স্মরণ রাখা প্রয়োজন, যে দল হরতাল-অবরোধ আহ্বান করে দেশে অস্থিশীলতা ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, পরবর্তী সময়ে এর কুপ্রভাব পড়ে ওই দলেরই ওপর। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার এটাও বোঝা উচিত, জনগণ এখন আর বোকা নন। তারা যে সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মতো যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম, তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ তারা ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বেশ ভালোভাবেই দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। দেশ-জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সব দলেরই হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি পরিহার করা উচিত। এখন সময় দেশকে এগিয়ে নেয়ার, পিছিয়ে দেয়ার নয়। হরতাল-অবরোধের কারণে এ দেশটি সবদিক থেকে পিছিয়ে যাক, এমনটি কারও কাম্য হতে পারে না। তাই দেশের এহেন মুহূর্তে সরকারি দল, বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আলোচনায় বসে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে- যেন এ দেশের শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষ ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সুনামির হাত থেকে চিরতরে রক্ষা পান, সুখে-শান্তিতে দুই বেলা দুমুঠো ভালোভাবে খেয়ে-পরে বাঁচতে পারেন।
ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু : বিভাগীয় প্রধান, আইন বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস; অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদস্য
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন ও গণতন্ত্র by ইকতেদার আহমেদ

সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদটি একজন সংসদ সদস্যের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ ও ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে অন্তরায় হিসেবে বিবেচিত। এটি গণতান্ত্রিক চিন্তাচেতনা ও মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নাগরিক হিসেবে একজন ভোটার ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে যে স্বাধীনতায় ভোট করেন, সেই একই ভোটার সংসদে ভোট দানের ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবেন না, এটা কোনোভাবেই গণতন্ত্রচর্চা ও বিকাশে সহায়ক নয়। তাছাড়া দলের অগণতান্ত্রিক আচরণে সংক্ষুব্ধ বা ব্যথিত হয়ে দল থেকে পদত্যাগ করলে সংসদ সদস্যপদ হারাতে হবে- এটা তো গণতন্ত্রের অনুশীলন নয়। একজন সংসদ সদস্যের নির্বাচনে বিজয়ের ক্ষেত্রে দলের অবদান ও নিজের যোগ্যতা উভয়ই বিবেচ্য। সুতরাং দল থেকে পদত্যাগের কারণে সংসদে আসন শূন্য হওয়া একজন সংসদ সদস্যের যোগ্যতাকে খাটো করে দেখার নামান্তর। এরপরও কথা থাকে, যে দেশে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম একটি মূলনীতি হল গণতন্ত্র, সে দেশে কী করে একজন সংসদ সদস্যের স্বাধীনভাবে ভোট প্রদান বা মত প্রকাশের অধিকার হরণের পরও দাবি করার অবকাশ থাকে- গণতন্ত্র রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি?
দশম সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিষয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এ যে বিধানাবলি রয়েছে তাতে বলা হয়েছে- যখন মনোনয়নপত্র বাছাই-পরবর্তী দেখা যায় যে, একটি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য শুধু একজন বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন অথবা যখন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে শুধু একজন অবশিষ্ট থাকে, তখন রিটার্নিং অফিসার গণ-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উক্তরূপ প্রার্থীকে নির্বাচনী এলাকা থেকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের বরাবরে তৎমর্মে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবেন। অতঃপর নির্বাচন কমিশন সে মোতাবেক বিজয়ী প্রার্থীদের গেজেট বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করবে। এ সামগ্রিক পর্বটি আনুষ্ঠানিক ভোট গ্রহণের আগেই সম্পন্ন হয়। যদিও এ ধরনের নির্বাচন বেআইনি নয়, তবে নৈতিকতা ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে অগ্রহণযোগ্য। সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া সংক্রান্ত ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সংসদ নির্বাচনে ও বিএনপি ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ জন করে প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। অতঃপর ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ সংসদ নির্বাচনের সময় এরশাদ নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় ১৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ বিএনপি ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারির একতরফা ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাছাড়া ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির বাতিল হওয়া নবম সংসদ নির্বাচনে ১৭ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ নির্বাচনটির কার্যক্রম চলাকালীন বিএনপি ক্ষমতাসীন ছিল, যদিও আনুষ্ঠানিক ভোট গ্রহণ পর্বের আগে এ নির্বাচনটি বাতিল হওয়ায় এটিকে সংসদ নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করার সুযোগ নেই। দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ষষ্ঠ সংসদের কোনোটিই নির্ধারিত ৫ বছর পূর্ণ করতে পারেনি। সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের ভিত্তিতে ৩০০ জন প্রার্থী ৩০০টি পৃথক নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত হয়ে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ ঘটেনি। তাছাড়া কর্মরত প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত ৫ম সংসদ নির্বাচন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের ৭ম সংসদ নির্বাচন ও ২০০১ সালের ৮ম সংসদ নির্বাচন এবং সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০০৮ সালের ৯ম সংসদ নির্বাচন তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ায় এসব নির্বাচনের কোনোটিতেই কোনো প্রার্থীর কোনো নির্বাচনী এলাকা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার অবকাশ সৃষ্টি হয়নি।
বর্তমান দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৪ জন প্রার্থীর সবাই তথাকথিত সর্বদলীয় সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত দলগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত। এ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৪ জনের দলগত যে অবস্থান তা হল- আওয়ামী লীগ ১২৭, জাতীয় পার্টি (এরশাদ/রওশন) ২১, জাসদ (ইনু) ৩, ওয়ার্কার্স পার্টি ২ ও জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) ১।
দশম সংসদ নির্বাচনে ১৫৪টি আসনে বিভিন্ন দলের একক প্রার্থীর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, সর্বদলীয় সরকারে অংশ নেয়া বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতেই এটা হয়েছে। বিএনপি সর্বদলীয় সরকারে এলে তাদের সঙ্গে এমন সমঝোতা করতাম। এ বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা বলেন, এভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে সংসদে আসন সংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি আসনে যদি প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন সেক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে এ নির্বাচনটিকে কি গণতান্ত্রিক বলা যায়? তারা আরও বলেন, এভাবে সমঝোতার মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারপূর্বক একক প্রার্থী হওয়ার অবকাশ সৃষ্টি করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনীতির পরিচায়ক নয়। বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা যখন জানতে পারলেন তাদের নির্বাচনী এলাকা থেকে একক প্রার্থী হিসেবে একজন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তখন তাদের অনেককে আক্ষেপ করে বলতে শোনা গেছে, এরা কেউই আমাদের ভোটে নির্বাচিত নয়। তাই কী করে বলি, তারা আমাদের সংসদ সদস্য। বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের অভিমত, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত অনেকেই পুলিশ প্রহরা ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় গেলে জনগণের দ্বারা লাঞ্ছিত ও অপমানিত হওয়ার উপক্রম হতে পারে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনের নির্বাচন-পরবর্তী যে ১৪৬টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে, এসব আসনেও প্রার্থীর সংখ্যা এবং সমঝোতার ভিত্তিতে যেসব প্রার্থীকে নির্বাচিত করে আনা হবে তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী অপরাপর প্রার্থীর কার্যকলাপ অবলোকনে প্রতীয়মান হয়, এসব আসনের নির্বাচনগুলো নেহাত লোকদেখানো ও পাতানো। আর তাই কোনো অবস্থায়ই এসব আসনের নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন বলার সুযোগ নেই।
আন্তর্জাতিকভাবে জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে যে নীতি অনুসৃত হয় তা হল- যে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মর্মে বিবেচিত হতে হলে তিনটি শর্ত পূরণের আবশ্যকতা রয়েছে। যথা- (ক) নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে হবে, (খ) নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক হতে হবে এবং (গ) সর্বশেষ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃত দলটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হতে হবে। দশম সংসদ নির্বাচনের সার্বিক কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়, এ তিনটি শর্তের কোনোটিই পূরণ হওয়ার মতো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই। তাই এ নির্বাচনটি আন্তর্জাতিকভাবে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে যে স্বীকৃত হবে না সেটি ঘটনাপ্রবাহ দৃষ্টে স্পষ্ট।
বর্তমান নির্বাচনে এরশাদ নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি আদৌ অংশগ্রহণ করছে কি-না তা স্পষ্ট নয়। আর অংশগ্রহণ করে থাকলে প্রধানমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী তার দল সর্বদলীয় সরকারের অংশ হয়ে থাকলে এবং তার দলের প্রার্থীদের সমঝোতার ভিত্তিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করা হয়ে থাকলে এ দলটিকে কি বিরোধী দল বলার সুযোগ আছে? সুতরাং দশম সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ অধিবেশন বসার অবকাশ সৃষ্টি হলেও সে সংসদে কার্যত যে কোনো বিরোধী দল থাকবে না এ বিষয়টি স্পষ্ট।
যে কোনো দেশের জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং সত্যিকার অর্থে গ্রহণযোগ্য হয়েছে কি-না তা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা অবলোকন করে থাকেন। কিন্তু দশম সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে দেশীয় পর্যবেক্ষকরা ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশংকায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা থেকে নিজেদের বিরত রাখার সিদ্ধান্ত কমিশনকে জানিয়ে দিয়েছেন। দেশীয় পর্যবেক্ষকরাই যখন নিরাপত্তার আশংকায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অনীহ, তখন বিদেশী পর্যবেক্ষকরা যে পর্যবেক্ষণে আসবেন এমনটি ভাবার কোনো সুযোগ আছে বলে প্রতীয়মান হয় না। এটি অনস্বীকার্য যে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সংঘাতে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক হত্যাকাণ্ডসহ অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, লুটপাট ও শারীরিকভাবে আঘাতের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধায় এর প্রতিবিধানে নির্বাচন কমিশন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে- জনগণ এমনটিই প্রত্যাশা করে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, সংঘাত নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব আইন-শৃংখলা বাহিনীর এবং সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির দায় নির্বাচন কমিশন নেবে না। নির্বাচন কমিশনের এহেন বক্তব্যে দেশবাসী হতভম্ব ও বিস্মিত। দেশবাসীর অভিমত, সংঘাত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধায় এর মাধ্যমে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির দায় নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। আর আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশনের উচিত সরকারকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান। কিন্তু আমাদের নির্বাচন কমিশন কি সরকারকে সে ধরনের কোনো নির্দেশনা আদৌ দিয়েছে?
বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত আমদানি ও রফতানিনির্ভর। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সংঘাত ও সহিংসতায় অভ্যন্তরীণ শিল্প ও কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অবরোধের কারণে দেশের একস্থান থেকে অন্যস্থানে পণ্য পরিবহনসহ আমদানি ও রফতানি বাণিজ্যের পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন ঘটছে। এ ধরনের অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে তা দেশের ভবিষ্যৎকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেবে।
সমঝোতার মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক ভোট পর্ব হয়েছে কী হয়নি সে বিতর্কে না গেলেও নির্বাচনটি যে সাজানো ও পাতানো এবং সেখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীর পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলেও তারা যে সমঝোতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারীর আকাক্সক্ষায় তথাকথিত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সে বিষয়ে দেশের সচেতন ও বিবেকবান মানুষের মধ্যে কোনো সংশয় নেই। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন হলেও সে সংসদ বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার আইনটি পাসপূর্বক অবলুপ্ত হয়েছিল। বর্তমান দশম জাতীয় সংসদের কাছে চিরস্থায়ীভাবে নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা কী হবে এমন প্রশ্নের সুরাহা যদি পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে হয়তো দশম সংসদ নিয়ন্ত্রণকারী আওয়ামী লীগ ক্রমনিমজ্জমান গণতন্ত্রের উত্তরণে সহায়ক ভূমিকা রেখে নিজের অপবাদ লাঘবের কিছুটা হলেও সুযোগ পাবে। অন্যথায় গণতন্ত্রের মুখে কালিমা লেপনকারী প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন সাজানো ও পাতানো নির্বাচনটি যে আওয়ামী লীগসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দলগুলোর বিপর্যয়ের অশনি সংকেতের আগমনী বার্তা তা অতীত ঘটনা অবলোকনে স্পষ্ট প্রতিভাত।
ইকতেদার আহমেদ : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তি-সম্প্রীতি বনাম রাজনৈতিক অস্থিরতা by ড. সুকোমল বড়ুয়া

এ রকম কিছু ঘটনা হরহামেশাই সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে যাচ্ছে, যা আমাদের শংকিত করে তোলে। এদিকে আবার গুজব ছড়ানো হচ্ছে রামু ও উখিয়ার তৈরিকৃত নতুন বিহার ও বুদ্ধমূর্তির ওপর আঘাত হানা হবে, হামলা হবে। এ নিয়ে সেখানকার বৌদ্ধরা বেশ আতংকে আছে। প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই এ ধরনের কিছু খবর আমাদের চোখে পড়ে, যা দেখে আমরা বিস্মিত হই এবং ভয়ও পাই।
অনেকে বলেন, সংখ্যালঘুদের কী অপরাধ তা আমরা জানি না। তারা কি এ দেশে জন্মগ্রহণ করে ভুল করেছে? আমি কিন্তু এর ঘোর বিরোধী। আমি বলি এ দেশে জন্মগ্রহণ করে আমরা অনেক ধন্য হয়েছি। রামুর ঘটনার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে একটি সংবাদপত্র কয়েকটি গোলটেবিল বৈঠক করেছে। বিশেষত চার প্রধান ধর্ম সম্প্রদায়ের চিন্তাবিদ, ধর্মতত্ত্ববিদ ও বরেণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে এ বৈঠক করা হয়। এরপর ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও সংঘাত-সহিংসতা বন্ধের লক্ষ্যে সংলাপও হয়েছে। তারপরও বন্ধ হচ্ছে না এগুলো। এ কাজ কারা করছে, কেন করছে- অনেক প্রশ্ন মনে দোলা দেয়। আরও প্রশ্ন জাগে, সরকারের গোয়েন্দা, প্রশাসন ও আইন রক্ষাকারী বাহিনী যথাসময়ে পদক্ষেপ নেয় না কেন? তাদের দায়িত্ব তো এগুলো অনুসন্ধান করা, খতিয়ে দেখা এবং ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জাতীয় মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, এসব ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের নীরবতা ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার চরম ব্যর্থতা রয়েছে। এ ধরনের মন্তব্যের পর আর কি কিছু বলার থাকে?
আমাদের প্রশ্ন, সরকারের এসব সংস্থা আগে থেকে সজাগ থাকলে এ ধরনের নাশকতা সহজে হতে পারত না। ফেসবুকের মিথ্যা প্রচারণা থেকে এসব জঘন্য ও নৃশংস ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে সরকারি-বেসরকারি নানা পর্যবেক্ষণে এসেছে।
একই ভূখণ্ডে আমরা বসবাস করি। পরিচয় অভিন্ন, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। তারপরও কেন এত আক্রমণ ভাবতে কষ্ট হয়। এ রকম বাংলাদেশ তো আমরা চাইনি। এজন্য তো স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়নি। আমরা চেয়েছিলাম একটি সোনার বাংলাদেশ, যেখানে সব ধর্ম-বর্ণ মানুষের সমান অধিকার থাকবে। সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে। কোনো রকমের ভেদাভেদ, বৈষম্য থাকবে না। কিন্তু কার্যত সে দৃশ্য দেখা যায় না। এজন্য আমাদের মনে অনেক কষ্ট। এও ঠিক যে, কোনো জাতি বা সম্প্রদায়কে সংখ্যাতত্ত্ব দিয়ে বিচার করা যায় না। বিচার করতে হয় তাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য দিয়ে। মেধা, যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার মানদণ্ডেও তাদের বিচার করা উচিত। সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দুটি শব্দই আমাদের ব্যথিত করে। আমাদের অনেকেই বলেন, ‘সংখ্যালঘু’ বললেই নাকি মন দুর্বল হয়ে যায়। মনে হয় এ দেশে আমরা এতিম, অসহায়। তাই আজ বলতে চাই, এ দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের অধিকার সমান। পবিত্র সংবিধানেও বলা আছে ‘একই ভূখণ্ডে যে কোনো স্থানে বসবাসকারী বাংলাদেশের ধর্ম-বর্ণের যে কোনো নাগরিক সমান সুযোগ-সুুবিধা ভোগ করবে। কোনো রকম বৈষম্য করা যাবে না।’ আমরাও যেন বলতে পারি ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।’
২.
বর্তমানে আমরা একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি। দেশের সামগ্রিক অবস্থা খুবই নাজুক। চারদিকে অস্থিরতা শুধু একটি ইস্যু নিয়ে। নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। এটা কি সমাধানের কোনো পথ নেই? বারবার দোহাই দেয়া হচ্ছে পবিত্র সংবিধানের। সংবিধান তো ধর্মীয় কিতাব নয় যে সংশোধন করা যাবে না। সুশীল সমাজ বলছে, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনও বলছেন, এমনকি দেশের বরেণ্য আইনজীবী এবং এলিট শ্রেণীর মানুষরাও বলছেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থেই সংবিধান। নয়তো এতবার সংশোধন করা হল কেন? ১৯৭২-এর প্রণীত সংবিধানের ধারাই তো নিখুঁত ও অনড় থেকে যেত। দেশে যখনই যে পরিস্থিতি হয়-জনগণের স্বার্থে কিংবা সে সময়কার ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থে- তখনই সংবিধানের ওপর ছুরি বসানো হয়। নইলে পঞ্চদশ সংশোধনী এলো কীভাবে?
এ সময়ে আমাদের দলগুলোর একত্রে বসা উচিত। আবারও সংলাপ শুরু করা উচিত। জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো উভয় দলকে সংলাপে বসিয়ে গেছেন। এটা অব্যাহত রাখা উচিত। ক্ষমতায় থাকলে যে কোনো দলকে উদার মনোভাব দেখাতে হয়। মাঠে বিরোধী দল সব সময় উত্তপ্ত থাকে। এটা শুধু আমাদের বেলায় নয়, সব রাষ্ট্রের বেলায় প্রযোজ্য।
ক’দিন আগে আমরা থাইল্যান্ডে বিরোধী দলের আন্দোলন দেখেছি। বিক্ষোভকারীদের নেতা সুথেপ থাকসুবান সরকারকে হটাতে চূড়ান্ত সীমাও বেঁধে দিয়েছেন। বিরোধী দলের এক আন্দোলনেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনওয়াত্রা আগামী ফেব্র“য়ারির প্রথম সপ্তাহে মধ্যবর্তী নির্বাচন দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এমনকি তিনি গণভোটের ধারণাও ব্যক্ত করেছেন। রাজনীতিতে তারা কত সজাগ এবং গণআন্দোলনের প্রতি কত শ্রদ্ধাশীল- এগুলো অবশ্যই আমাদের জন্য অনুকরণীয়।
গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দলের আন্দোলন থাকবে, এটা একটি বাস্তবতা। সেক্ষেত্রে সরকারি দলকে মারমুখী হলে চলবে না। সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। কারণ সমাধানের সব অস্ত্র সরকারের হাতেই থাকে। এজন্য সরকারি দলকে ছাড়ও দিতে হয় বেশি। এতে সরকারেরই লাভ হয়। কারণ তারা শান্তিতে প্রশাসন চালাতে পারে, সরকারের স্থিতিশীলতাও বজায় থাকে।
৩.
প্রধান বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করলে সেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। দেশ-বিদেশের পর্যবেক্ষক দলও এ ব্যাপারে আগাম সতর্কবার্তা দিচ্ছে। নির্বাচন জোর করে করলেও সেই সরকার বেশিদিন টেকে না। অনর্থক কয়েকশ’ কোটি টাকা অপচয় করে লাভ কী? দেশে সংঘাত, নৈরাজ্য, সহিংসতা আরও অনেক বেড়ে যাবে। এতে দেশের ক্ষতি ছাড়া লাভ নেই। আমাদের দেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ইস্যুটি স্বীকৃত। তাহলে এর অধীনে নির্বাচন করতে অসুবিধা কোথায়? জাতীয় স্বার্থে এটা অবশ্যই করা উচিত। সবাই বলছে, সংঘাত ও সহিংসতা নিরসনের এটাই একমাত্র পথ। বর্তমান ঘোষিত তফসিল বাতিল করে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হলে এ সংকটের সমাধান হবে।
দেশ এক অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে। আমরা কি ভেবেছি দেশের আর্থিক খাতগুলো আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? শিল্প-বাণিজ্যসহ ছোট ছোট শিল্প আজ ধ্বংসের পথে। দেশের প্রধান রফতানি খাত গার্মেন্ট শিল্প তো এরই মধ্যে বিপর্যয়ের সম্মুখীন। বাকি যেসব কলকারখানা ও শিল্প সংস্থা আছে তাও বন্ধ হওয়ার পথে। শেয়ারবাজার প্রায় ধসে পড়েছে। এ অবস্থা আর কিছুদিন চললে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়াও অসম্ভব নয়। তখন মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। এ ভাবনা কি কারও আছে?
জিঘাংসা জিঘাংসার জন্ম দেয়। একটি সংঘাত আরেকটি সংঘাত সৃষ্টি করে। এটি বৌদ্ধ যুক্তিবাদের কথা। এসব বিষয় চিন্তা করে আমি প্রধানমন্ত্রীকে সবিনয়ে অনুরোধ জানাব আরেকটু নমনীয়তা প্রদর্শনের জন্য। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করলেই বর্তমান সংঘাত বন্ধ হবে। আমি শান্তির পক্ষের মানুষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি যেভাবেই হোক সংকট উত্তরণের একটি পথ বের করুন। জাতিকে বাঁচান। নতুবা দেশ অগ্নিগর্ভে নিমজ্জিত হবে।
প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া : সাবেক চেয়ারম্যান. পালি অ্যান্ড বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সভাপতি, বিশ্ব বৌদ্ধ ফেডারেশন-বাংলাদেশ চ্যাপ্টার
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাদের মোল্লার ফাঁসির বিরুদ্ধে পাকিস্তান জাতীয় সংসদের প্রস্তাব এবং আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া by বদরুদ্দীন উমর

যুদ্ধাপরাধীদের যে বিচার কয়েক দশক আগে হওয়ার দরকার ছিল তা এখন হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বলা দরকার যে, এই বিচার এখন যেভাবে হচ্ছে তাতে এর নৈতিক মান অনেক ক্ষুণ্ন হয়েছে। ১৯৭১ সালের পরপরই এ বিচার না করে ‘বাঙালি জাতি ক্ষমা করতে জানে’, এ কথা বলে লাখ লাখ নিরীহ মানুষ হত্যাকারী, হাজার হাজার নারী ধর্ষণকারী যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে দেয়া ছিল ভুট্টোর পাকিস্তান সরকারকে ছাড় দেয়ার এক কৌশল মাত্র। সেই পাকিস্তানি সরকার, সেনাবাহিনী ও তাদের রাজাকার-আলবদর তাঁবেদারদের শেখ মুজিবের ‘ক্ষমার আদর্শ’ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশের জনগণ যে ক্ষমা করেননি তার প্রমাণ এ বছর ৫ ফেব্র“য়ারি শুরু হওয়া শাহবাগ আন্দোলন।
যুদ্ধাপরাধের বিচার মূলত সরকার ও সেনাবাহিনীর লোকদের বিচার। কারণ যুদ্ধ সরাসরি তারাই করে থাকে এবং তাদের দ্বারাই ও তাদের নির্দেশে যুদ্ধাপরাধ হয়ে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ বিচারে একমাত্র হিটলারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিবেনট্রপ ছাড়া মার্শাল গোয়েরিং থেকে নিয়ে সবাই ছিল সামরিক বাহিনীর শীর্ষ অফিসার। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েও তা-ই হয়েছিল। পাকিস্তান সরকার ও সামরিক বাহিনীই ব্যাপকভাবে সরাসরি হত্যাকাণ্ড করেছিল। লাখ লাখ নিরীহ মানুষ তাদের হাতে নিহত হয়েছিলেন। তারাই হাজার হাজার নারীকে ধর্ষণ করেছিল, রাজাকার ও জামায়াতে ইসলামীর ক্রিমিনালরা তাদের নির্দেশেই এ কাজ করেছিল। ১৯৭১ সালের পর সেই সামরিক বাহিনীর ১৯৫ জন চিহ্নিত অফিসারের কোনো বিচার ও শাস্তি হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিব ও তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন প্রথম দিকে প্রায় প্রতিদিনই জোর গলায় বলতেন, বাংলার মাটিতেই তাদের বিচার হবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারতের মধ্যস্থতায় তারা পাকিস্তানের ভুট্টো সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে বাংলার মাটিতে তাদের বিচার না করে তাদেরকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দিলেন। এর পর স্বাভাবিকভাবেই রাজাকার ও জামায়াতে ইসলামীর যুদ্ধাপরাধীদেরও এক সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, শেখ মুজিব এই মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রিমিনালদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসার জন্য। এসবের মধ্যে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির এবং ১৯৭১ সালে ব্যাপক ও সশস্ত্রভাবে আক্রান্ত দেশের জনগণের প্রতি তার ভালোবাসা ও দেশপ্রেমের কোনো ব্যাপার ছিল না। শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের শ্রেণীগত ও দলীয় ফায়দা হাসিলের জন্যই সেই বিশ্বাসঘাতকতার কাজ করেছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিবেচনা করলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অনস্বীকার্য ন্যায্যতা সত্ত্বেও যেভাবে এখন এই বিচার হচ্ছে তাতে এর নৈতিক চরিত্র ক্ষুণœ হয়েছে। এ ছাড়া শেখ হাসিনার সরকার ১৯৯৬-২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকলেও এ বিচার না করে তার দ্বিতীয় সরকারের আমলে এটা করাও এর নৈতিক দিককে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কেন ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকার এ বিচার করেনি, এর কোনো ব্যাখ্যা আজ পর্যন্ত শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ থেকে পাওয়া যায়নি। কিন্তু আমরা জানি যে, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর এক ধরনের সমঝোতা হয়েছিল।
পাকিস্তান জাতীয় সংসদে কাদের মোল্লার ফাঁসির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে যে প্রস্তাব পাস করা হয়েছে সে বিষয়ে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এর প্রতিবাদ করা এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিবাদ জানানো সঠিক কাজ। কিন্তু এ নিয়ে আওয়ামী লীগ যে মাতামাতি করছে, তাদের মন্ত্রী ও ঘরানার বুদ্ধিজীবীরা যে হম্বিতম্বি করছেন, এর কোনো স্বাভাবিক যৌক্তিকতা নেই। এ কাজ করা হচ্ছে তারা যে লেজেগোবরে অবস্থা নিজেদের জন্য তৈরি করেছে সেটা সামাল দেয়ার উদ্দেশ্যে, জনগণের চিন্তা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু এর দ্বারা তাদের তেমন কোনো সুবিধা হবে না। উপরন্তু অতি চালাকির যা পরিণতি সেটাই তাদের ক্ষেত্রে হবে।
বদরুদ্দীন উমর : সভাপতি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ. সুদান গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে : ওবামা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০১৪-য় প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে আদভানি?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 22
(9)
- একে একে নিভিছে দেউটি
- সাধারণ থেকে অসাধারণ ব্যক্তিত্বে উত্তরণ
- প্রবাসী-আয় বিনিয়োগে লাগুক
- মানুষ আর কত বিপর্যস্ত হবে? by ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু
- প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন ও গণতন্ত্র by ইকতেদার...
- শান্তি-সম্প্রীতি বনাম রাজনৈতিক অস্থিরতা by ড. সুকো...
- কাদের মোল্লার ফাঁসির বিরুদ্ধে পাকিস্তান জাতীয় সংসদ...
- দ. সুদান গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে : ওবামা
- ২০১৪-য় প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে আদভানি?
-
▼
Dec 22
(9)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



