Thursday, May 31, 2018
ইসরাইলে গাইবেন না শাকিরা

এদিকে শাকিরা ছাড়াও, তেল আবিব আন্তর্জাতিক সমকামী চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অনেক আন্তর্জাতিক শিল্পী নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
গ্র্যামি-জয়ী কলম্বিয়ান শিল্পী শাকিরার পূর্ব-পুরুষ ছিলেন লেবানিজ। তিনি জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত। ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর ইসরাইলি নৃশংসতার অনেক কিছুই নথিবদ্ধ করা আছে ইউনিসেফের।
এর আগে শাকিরা যখন তেল আবিব কনসার্টে যেতে প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছিলেন, তখন একে ইসরাইল বয়কট আন্দোলন বিডিএস’র ওপর ‘চপেটাঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল ইসরাইল সমর্থকরা। কেউ কেউ বিষয়টিকে ইসরাইলের প্রতি শাকিরার সমর্থন হিসেবেও দেখেছেন।
কিন্তু এখন শাকিরা কনসার্ট বাতিল করায়, একে গুরুত্বহীনভাবে উপস্থাপন করছে ইসরাইল-পন্থিরা। যেমন, এই কনসার্টের আয়োজক লাইভ ন্যাশন সোমবার জানিয়েছে, শাকিরা তেল আবিবে পারফর্ম করবেন, এই খবর সত্য ছিল না। এই গ্রীষ্মে সময়সূচি ঠিকঠাকভাবে না মেলায়, শাকিরা ও লাইভ ন্যাশন ভবিষ্যতে কোনো এক সময় এই কনসার্ট আয়োজনের আশা করছে।
তবে এপ্রিলেই ইসরাইল হায়োম পত্রিকা জানিয়েছিল, জুলাইয়ে তেল আবিবে কনসার্ট করার ব্যাপারে একটি চুক্তিতে সইয়ের কাছাকাছি রয়েছেন শাকিরা। জেরুজালেম পোস্ট পত্রিকা মঙ্গলবার লিখেছে, চ্যানেল ২ এই মাসের শুরুতে শাকিরার কনসার্টের ‘এক্সক্লুসিভ’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
সব ঠিকঠাক থাকলে, এটি হতো ইসরাইলে শাকিরার প্রথম কনসার্ট। তবে এর আগে ২০১১ সালে একবার ইসরাইল সফর করেছিলেন তিনি। তখন তিনি তৎকালীন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনেও যোগ দেন।
শাকিরা তেল আবিবে কনসার্ট করবেন, এমন খবর প্রকাশ হওয়ার পর বয়কট আন্দোলন সক্রিয় প্রচারণা শুরু করে। এই কনসার্ট বাতিলের জন্য অনেক প্রথিতযশা ব্যক্তি ও সংগঠন শাকিরার প্রতি আহ্বান জানান।
তবে শেষ পর্যন্ত শাকিরার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে লেবাননেরও একটি ভূমিকা থাকতে পারে। তেল আবিব থেকে লেবাননের সিডার্স ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যালে গান গাওয়ার কথা ছিল শাকিরার। কিন্তু দেশটিতে অনেকেই দাবি তোলেন, ইসরাইলে পারফর্ম করলে লেবাননের কনসার্ট যাতে বাতিল করা হয়।
শাকিরার এই সিদ্ধান্তকে ইসরাইল বয়কট আন্দোলন বিডিএস-এর প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখছেন অনেকে। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের বেশ ক’জন প্রখ্যাত শিল্পী ইসরাইলে পারফর্ম করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। গেল সপ্তাহে ব্রাজিলের লিজেন্ডারি শিল্পী গিলবার্তো গিল তেল আবিবে অনুষ্ঠেয় নিজের কনসার্ট বাতিল করেছেন। পর্তুগালের জাতীয় মঞ্চের পরিচালক তিয়াগো রড্রিগেজও এই বছরের ইসরাইল ফেস্টিভ্যাল থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
গত সপ্তাহে কয়েক ডজন বৃটিশ ব্যান্ড ফিলিস্তিনি হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে ইসরাইলকে সাংস্কৃতিকভাবে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিশ্ব সঙ্গীত ও বিনোদন জগতের অন্তত দুইজন বড় তারকা ইসরাইল সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এর মধ্যে একজন হলেন নিউজিল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত পপ তারকা লর্ডে। অপরজন হলিউড তারকা নাটালি পোর্টম্যান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবন্ধী মিলনের স্বপ্ন পূরণ নিয়ে সংশয় by আবু সাঈদ সরকার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৃষকের ভরসা ‘ডোল’ by মো. আতাউর রহমান

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যমুনার দুর্গম চরে বাদাম চাষ by সাগর বসাক

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মনজু আলম সরকার জানান,‘ শাহজাদপুর যমুনার চরে বিঘাপ্রতি ১৪ থেকে ১৫ মন বাদাম উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চরাঞ্চলের বেলে মাটিতে লাভজনক বাদাম চাষের পরিধি আরও বৃদ্ধি করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বাদাম চাষিদের পরামর্শ ও উৎসাহ দেয়া হচ্ছে এবং বাদাম চাষে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। অন্যদিকে, কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরও বেশি জমিতে বাদাম চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে স্থানীয় চাষিরা। এদিকে বাদামের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকেরা বেশ খুশি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরব প্রচারণা আওয়ামী শিবিরে মাঠ গোছাচ্ছেন বুলবুল by আসলাম-উদ-দৌলা

এছাড়া জামায়াত-জাতীয় পার্টি প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় জামায়াত মহানগর সেক্রেটারি সিদ্দিক হোসাইন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন। জাতীয় পার্টিও আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রার্থী দিয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মহানগর কমিটির জরুরি সভায় রাসিক নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে মহানগর জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি ও মহানগর যুবসংহতি সভাপতি ওয়াসিউর রহমান দোলনের নাম ঘোষণা করে। সিটিতে জাতীয় পার্টির বড় ভোট ব্যাংক না থাকলেও ভোট ফ্যাক্টরে জামায়াতের প্রার্থী শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে বিএনপির মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। অবশ্য গত ১২ই মার্চ রাজশাহীতে এসে দলটির কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত আমীর মুজিবুর রহমানের সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী সিদ্দিক হোসাইন গ্রেপ্তার হন। তবে সেটাকে সমস্যা হিসেবে দেখছেন না দলটি।
জামায়াত নেতারা বলছেন, সিটি করপোরেশনগুলোতে বারবার তারা বিএনপিকে ছাড় দিচ্ছেন। কিন্তু তাদের একটি না একটিতে বিএনপির ছাড় দেয়া উচিত। পাঁচ নগরে ভোটের আনুপাতিক হারে রাজশাহীতেই জামায়াত সবচেয়ে শক্তিশালী। এই বিবেচনায় রাসিকে তাদের দাবি জোরালো। তবে শেষ পর্যন্ত তারা বিএনপিকে ছাড় দেবেন বলে জানা গেছে।
এদিকে ভোটের লড়াইয়ের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নির্বাচনের মাঠ। জিরো টলারেন্স অবস্থান সমর্থকদের মাঝে। সম্প্রতি পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নগরীর প্রাণকেন্দ্র সাহেববাজার এলাকায় সবুজ নগরী গড়ার, পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের বাণী ও ছবি সংবলিত বিলবোর্ড সরিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিলবোর্ড টাঙ্গানোর ঘটনায় দুইপক্ষের সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিবাদে গত ২২শে মে সড়কে বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। খবর পেয়ে বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং মেয়র বুলবুলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। বিষয়টি পুরোপুরি সুরাহা হয় নি। এরইমধ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণায় প্রচারণার বহর বেড়েছে। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গন যেকোনো সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠার শঙ্কাও থাকছে।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে দলের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেন। তারপর থেকে রাজশাহী নগরীতে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ, সদস্য পদ নবায়নসহ বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমের সঙ্গে সিটি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছে ক্ষমতাসীন দলটি। নগরীতে ওয়ার্ড পর্যায়ে এমনকি মহল্লায় মহল্লায় গিয়ে উঠান বৈঠকের আয়োজন করে। সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম এখন শেষ পর্যায়ে। চলছে মহল্লা কমিটি গঠনের কার্যক্রম। আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটি এবং ভোটকেন্দ্র কমিটি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে গঠন শেষ করা হবে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এরই মধ্যে লিটনের পক্ষে স্টিকার, পোস্টার বিতরণ ও লাগানো শুরু হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করে ব্যানার ও বিলবোর্ডও লাগানো হয়েছে। সেই সঙ্গে দলীয় মেয়রপ্রার্থীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে লিটনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন।
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মহানগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, শেখ হাসিনার কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরপরই আমিসহ দলের নেতাকর্মীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে মাঠে নেমেছি। বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ, সেমিনার থেকে শুরু করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছাতে যা কিছু করা দরকার তা করেছি এবং সেগুলো এখনো অব্যাহত রেখেছি। মোটকথা, রাজশাহীতে সিটি নির্বাচনের আবহ পুরোপুরি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। ভোটারদের মাঝেও বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রমগুলো আরো বেশি গতিশীল করা হয়েছে।
অপরপক্ষে কৌশলী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রায় বছরখানেকের বেশি সময় ধরে বর্তমান মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন। তবে খুলনা সিটি নির্বাচনের পর এই নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আদৌ থাকবে কিনা সে নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
সূত্রমতে, প্রার্থিতা দৌড়ে বিএনপি থেকে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের কোনো প্রতিপক্ষ তৈরি হয় নি। কিন্তু বিগত খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপি রানিং মেয়রদের প্রার্থী করা হয়নি। সেদিক বিবেচনায় বিএনপি আসন্ন রাজশাহী সিটি নির্বাচনেও প্রার্থী পরিবর্তনের গুঞ্জন উঠে। বুলবুল না দিয়ে সাবেক রাসিক মেয়র বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মনে করছিলেন অনেকেই। তবে সে গুঞ্জন হালে পানি পায় নি। রাজশাহী প্রেক্ষাপট পুরোটাই ভিন্ন। তিন হেভিওয়েট নেতার অন্যতম সাবেক মহানগর সভাপতি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন ‘তিনি মেয়র হিসেবে নির্বাচন করছেন না’। অপর মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের বিএনপির প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। সে হিসেবেই তিনি মাঠ গোছাচ্ছেন।
মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ বলেন, সিটি নির্বাচনে কে প্রার্থী হবেন, সে ব্যাপারে কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি ঠিকই, তবে কারাবরণের আগে দলের চেয়ারপারসন বর্তমান মেয়র বুলবুলকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে আমরা প্রার্থী ধরে রেখেছি। বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে বুলবুলের বিকল্পও নেয়।
মহানগর বিএনপি সভাপতি রাসিক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল মানবজমিনকে বলেন, উদার গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিএনপি এই সরকারের অধীনে সবগুলো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। খুলনা সিটি নির্বাচনেও অংশ নেয়। কিন্তু খুলনা সিটি নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে ভোটকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। এই অবস্থায় গাজীপুর সিটি নির্বাচনে আগে থেকে অংশ নেয়ার কথা থাকায় সেখানে বিএনপি প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ওই নির্বাচনের পর রাজশাহী সিটি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা কেন্দ্র থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন মূল্যায়ন

হিন্দু ও খ্রিস্টানদের মতো ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মাঝে মাঝেই রিপোর্ট করে যে, তাদের জোর করে উচ্ছেদ করা ঠেকাতে কার্যত ব্যর্থ হয়েছে সরকার। একই ঘটনা জমি দখল করার ক্ষেত্রেও। স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলা ভাষায় লেখা পাঠ্যপুস্তকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ধর্মনিরপেক্ষতা আনতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। এতে অমুসলিম লেখকদের লেখা বাদ রাখা হয়েছে। এমন সব বিষয়ের স্থানে ব্যবহার করা হয়েছে ইসলামিক বিষয়বস্তু। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান, উৎসবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনকে অব্যাহতভাবে মোতায়েন করছে সরকার। যেসব অনুষ্ঠানে সহিংস টার্গেট হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেখানেই এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়। বছরজুড়ে বৌদ্ধ ও হিন্দু সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হয়েছে। জুনে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় অংশে বাঙালি মুসলিম গ্রামবাসী ৩০০ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এসব বাড়িঘর চাকমাদের, যাদের বেশির ভাগই সংখ্যালঘু বৌদ্ধ। হামলার সময় মারা গেছেন ৭০ বছর বয়সী এক নারী।
স্থানীয় একজন মুসলিম অধিবাসীকে হত্যার ঘটনায় এই অগ্নিসংযোগ করা হয়। নভেম্বরে ইসলাম অবমাননা করে ফেসবুকে এমন একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দেয় রংপুরে। তখন উত্তেজিত জনতা রংপুরে হিন্দুদের প্রায় ৩০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাকালে এবং প্রকাশ্য বিবৃতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের অন্যান্য প্রতিনিধি ধর্মের নামে সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। সরকারকে উদ্বুদ্ধ করেছেন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার সমুন্নত রাখতে এবং সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখতে। এ জন্য স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজের সদস্য, বেসরকারি সংগঠন ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও অন্য স্টাফরা। এ সময়ে তারা ধর্মীয় সহনশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ধর্ম ও উগ্র সহিংসতার মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। দূতাবাস মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবিক সহায়তা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় শিক্ষা কর্মসূচি বিনিময় করেছে দূতাবাস।
একটি বহুজাতিক সমাজে ধর্ম ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ভূমিকা উদঘাটন ছিল এর উদ্দেশ্য। এতে ২০১৬ সালে ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগার, অনলাইন এক্টিভিস্ট, লেখক ও প্রকাশক মিলিয়ে ৬ জনকে হত্যা করা হয়। এ নিয়ে তদন্ত অপরিপূর্ণ রয়েছে। এমনটা বলা হচ্ছে মিডিয়ার রিপোর্টে। বছর শেষ হয়ে গেলেও পুলিশ এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে পারে নি। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে ইসলাম অবমাননা বা ইসলামের বিরুদ্ধে আক্রমণ করার কারণে ৯ জনকে হত্যা করা হয়। আল কায়েদার আদর্শে উদ্বুদ্ধ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসার আল ইসলাম-এর দায় স্বীকার করে। এই ৯ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাইকোর্ট দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পুলিশ সন্দেহভাজনদেরকে আরো দুটি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত করে। তবে ছয়টি তদন্ত মুলতবি পড়ে থাকে। ৯ই সেপ্টেম্বর শীর্ষ একটি দৈনিক রিপোর্ট করে যে, ওই মুলতবি ছয়টি মামলায় পুলিশ ৪৩ সন্দেহভাজনের মধ্যে মাত্র ৭ জনকে আটক করেছে। ৬ই নভেম্বর পুলিশ ঘোষণা দেয় তারা আবু সিদ্দিক সোহেল নামে একজনকে আটক করেছে। সে ২০১৫ সালে ব্লগার অভিজিত রায়কে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ২৩শে নভেম্বর পুলিশ আরো বলে তারা আরো একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তার নাম আরাফাত রহমান। সেও অভিজিত হত্যায় জড়িত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৯টি মাস যদি ফিরে পেতাম আরিফের আক্ষেপ by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ

পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হলেও সব মিলিয়ে প্রায় ২৯ মাসই দায়িত্বের বাইরে ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ায় এ সময়টা পদহারা ছিলেন। এর মধ্যে কারাগারে বন্দি অবস্থায় কেটেছে পুরো দুই বছর। বাকি সময়টুকু কেটেছে পদ ফিরে পাওয়ার জন্য আইনি লড়াইয়ে। আরিফুল হক চৌধুরী মনে করছেন, যে সময়টুকুতে তিনি সেবা করার সুযোগ হারিয়েছেন সেটা যদি তাকে ফিরিয়ে দেয়া হতো তবে তিনি নগরবাসীকে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো হয়তো পূরণ করতে পারতেন। যে স্বপ্ন তিনি নগরবাসীকে দেখিয়েছিলেন সেটা পূরণ করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন আরিফুল হক। পেছন ফিরে চাইলে দেখতে পান অনেক কাজই বাকি রয়ে গেছে।
আরিফুল হক চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, নগরবাসী আমাকে তাদের পবিত্র আমানত হিসেবে নগরভবনের চাবি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। আমি চেষ্টা করেছি, তাদের সে আমানত যথাযথভাবে রক্ষা করে তাদের সেবা করে যেতে। দীর্ঘদিন দায়িত্বহীন থাকায় আমি তাদের সে সেবা হয়তো দিতে পারিনি। কিন্তু আমার চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না। কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায়ও বিষয়টি আমাকে যন্ত্রণা দিয়েছিল যে, জনতার দায়িত্ব নিয়েও আমি সে দায়িত্ব পালন করতে পারছি না। আরিফ মনে করেন, পুরোটা না হলেও আরো কিছুটা সময় পেলে তিনি বাকি থাকা প্রতিশ্রুতির কিছুটা হয়তো পূরণ করতে পারতেন।
মেয়র হিসেবে আরিফের পথচলা মোটেও সুখকর ছিল না। দায়িত্বগ্রহণের দেড় বছরের মাথায় থমকে যায় সে চলার পথ। ২০১৪ সালের শেষ দিকে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পূরক চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ওই বছরের ৩০শে ডিসেম্বর হবিগঞ্জের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আরিফুল হক। যেতে হয় কারাগারে, হারাতে হয় মেয়র পদও।
মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার কারণে ২০১৫ সালের ৭ই জানুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। কারাগারে থাকা অবস্থায়ই আরিফুল হক অভিযুক্ত হন ১২ বছর আগে সংঘটিত আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা সংশ্লিষ্ট মামলায়ও। মামলাগুলো মাথায় নিয়েই দুই বছর কারাগারের ভেতরে কাটাতে হয় আরিফুল হককে। উচ্চ আদালত থেকে সবকটি মামলায় জামিন লাভের পরই ২০১৭ সালের ৪ঠা জানুয়ারি মুক্তির দুয়ার খুলে আরিফের জন্য। মুক্তি পাওয়ার পর বরখাস্তের সাময়িক আদেশ চ্যালেঞ্জ করলে হাইকোর্ট ওই বছরের ১৩ই মার্চ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশটি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে দেন। রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের পর স্থগিতাদেশটি টিকে যাওয়ায় ওই বছরের ৩০শে মার্চ নগরের দায়িত্ব নিয়েছিলেন আরিফুল হক। তবে সে দায়িত্বকালের মেয়াদ ছিল মাত্র তিন ঘণ্টা। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে আবার বরখাস্তের চিঠি আসে আরিফুল হকের নামে। আবার পদ হারান, আবার আইনি লড়াইয়ে নামেন আরিফ। মাসখানেক আইনি লড়াই শেষে ২০১৭ সালের ৪ঠা মে আবার দায়িত্ব বুঝে নেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকার চার নদীর তীরে অবকাঠামো নির্মাণের চার কারণ by শফিকুল ইসলাম
![]() |
| বুড়িগঙ্গর তীরে অবৈধ স্থাপনা |
জানা গেছে, এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ,গাজীপুর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিস্তৃত ‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীররক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ (২য় পর্যায়)’ প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। প্রকল্পের পুরো অর্থই সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে যোগান দেওয়া হবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর বাস্তবায়ন করবে। আগামী জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০২২ সালের ৩০ জুন শেষ হবে এর কাজ।
জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় মোট ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ের ৩৫ দশমিক ৫১ কিলোমিটারই নির্মিত হবে নদীর নিচু তীরভূমিতে । ১০ দশমিক ২৭ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে নদীর উঁচু তীরভূমিতে। ৫ দশমিক ৯২ কিলোমিটার নদীর তীরভূমিতে কলামের উপর ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা) নির্মাণ করা হবে। দশমিক ৩০ কিলোমিটার পায়ে হাঁটার সেতু নির্মাণ করা হবে। ৪৪ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার তীররক্ষা কাজ করা হবে। ১ কিলোমিটার ওয়াল নির্মাণ করা হবে। ১ দশমিক ৫০ কিলোমিটার বেড়াসহ সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে। ৩টি ইকো-পার্ক নির্মাণ করা হবে। ১৯টি জেটি নির্মাণ করা হবে এবং ১ হাজার ৮২০টি সীমানা পিলার স্থাপন করা হবে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে এ চার নদীর তীরে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও টঙ্গীতে ৩টি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর রয়েছে। কিন্তু এসব নদীর তীরভূমির বিভিন্ন জায়গা অবৈধ দখলদারদের কবলে রয়েছে। অবৈধ দখলদাররা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যবসা পরিচালনার জন্য নদীর তীরে আরসিসি কাঠামো তৈরি করেছে। ফলে নদীগুলোর প্রশস্ততা এবং নৌচলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় গভীরতা দিন দিন কমে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অননুমোদিত ও অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণের ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। বিআইডব্লিউটিএ বিভিন্ন সময় নদীর তীরভূমির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে এবং এখনও করছে। কিন্তু দখলদারদের হাত থেকে উদ্ধার করা তীরভূমি সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে ওঠে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মহানগরীর চারদিকে নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল একটি সভাও হয়। এ সভায় সিদ্ধান্ত হয় ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দুপাশ অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে তীরভূমিতে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ চলমান রাখতে হবে। পাশাপাশি তীরের জায়গায় জনগণের জন্য বসার বেঞ্চ, ইকো পার্ক, বৃক্ষরোপন ইত্যাদি কাজ হাতে নেওয়া যেতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা শহরের চারদিকে বৃত্তাকার নৌপথের মোট ১২০ কিলোমিটার তীরভূমির মধ্যে ১ম পর্যায়ে ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। ২য় পর্যায়ে ৫২ কিলোমিটার অংশ অন্তর্ভুক্ত করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পটি প্রস্তাব করেছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অংশেও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।
৮৫০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন মাসে শেষ করার লক্ষ্যে প্রকল্পটির প্রস্তাব করা হলে ২০১৭ সালের ৫ আগস্ট প্রস্তাবটির ওপর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সলের ৫ ডিসেম্বর পুনর্গঠিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে গৃহীত হয়। পুনর্গঠিত ডিপিপি-তে কিছু অসংগতি থাকায় তা সংশোধন করে গত ১৩ মার্চ পুনর্গঠিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে গৃহীত হয়। বর্তমান পুনর্গঠিত ডিপিপি অনুসারে প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
জানতে চাইলে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এটি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা শহরের চেহারা বদলে যাবে। এই শহরের মানুষের জীবনমান বদলে যাবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজধানীর ‘জলাবদ্ধতা’ কোনো সুখবর নেই by সুদীপ অধিকারী

গত বছর ২৬শে জুলাই সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এক আলোচনা সভায় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঘোষণা দেন,‘ বৃষ্টির কারণে বর্তমান জলাবদ্ধতা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিটা আমাদের শিক্ষা দিচ্ছে। আমি প্রমিজ করছি, সামনের বছর থেকে আপনারা আর জলাবদ্ধতা দেখবেন না।’ এই ঘোষণার পরই ঢাকার দুই মেয়র মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। মন্ত্রীও ৮৫ শতাংশ জলাবদ্ধতা দূর করার আশ্বাস দেন। জলাবদ্ধপূর্ণ এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন ঘোষণা দেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শিগগিরই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এজন্য রাজধানীর জলাবদ্ধপূর্ণ ৪৮টি এলাকাও চিহ্নিত করেন তিনি। কিছু প্রকল্প কাজও চলতে দেখা যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়। ডিএসসিসি’র অভ্যন্তরীণ তথ্য ও সামপ্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যায়, জলাবদ্ধপ্রবণ এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ধানমন্ডি-২৭, রাপা প্লাজা, ধানমন্ডি-৮/এ স্টাফ কোয়ার্টার মোড়, কাঁঠাল বাগান, গ্যাস্ট্রোলিভার গলি, কলাবাগান ডলফিন গলি, গ্রিনরোড, মাদারটেক ও মেরাদিয়া। এসব এলাকাগুলোর পানি নিষ্কাশন হয় পান্থপথ বক্স কালভার্ট-হাতিরঝিল হয়ে রামপুরা খাল দিয়ে চলে যায় বালু নদীতে। এদিকে জলাবদ্ধ এলাকা নিউমার্কেট পশ্চিম-দক্ষিণ পাশের বটতলা, বিজিবি- ৩নং ও ৪ নং গেট, নাজিমউদ্দিন রোড, হোসেনী দালান, চকবাজার, লালবাগ, কাজী আলাউদ্দিন রোড ও বংশাল এলাকার পানি নিষ্কাশন হয় বুড়িগঙ্গা স্লুইসগেট হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে। মতিঝিল, দিলকুশা, দৈনিক বাংলা, শান্তিনগর, মালিবাগ, মৌচাক, সেগুনবাগিচা, পল্টন, বেইলী রোড, সিদ্ধেশ্বরী, সার্কিট হাউজ রোড, রাজারবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল ও আরামবাগ এলাকার জমা পানি সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্ট, কমলাপুর পাম্প, মানিকনগর খাল, জিরানি খাল ও মাণ্ডাখাল হয়ে বালু নদী ও বুড়িগঙ্গায় চলে যায়। কিন্তু গুলিস্তান এলাকার জমে থাকা পানির সরে যাওয়ার তেমন কোনো পথ খোলা না থাকায় একটু বৃষ্টি হলেই সচিবালয় এলাকাতে পানি জমে যেতে। এই সংকট নিরশনেই এবার বর্সা মৌসুমের আগদিয়ে শুরু হয়েছে পল্টন মোড় হয়ে সচিবালয়ের দেয়াল ঘেঁষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তা খননের কাজ। জলাবদ্ধতার হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে রাস্তা খোঁড়ার ফলে এলাকাটিতে সাধারণ পথচারীদের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। রাস্তার উপর তৈরি হওয়া কাদা-মাটির হাত তেকে বাঁচতে ফুটপাতে ওঠার ব্যবস্থাটুকু নেই সেখানে। এদিকে ফার্মগেট খামার বাড়ি এলাকায়ও চলছে সংস্কার কাজ। ব্যস্ততম এই সড়ক খোঁড়াখুঁড়ির ফলে তীব্র যানযটের যন্ত্রণার সঙ্গে পোহাতে হচ্ছে জলাবদ্ধতাও। তবুও সিটি করপোরেশনের দাবি বিগত দিনের তুলনায় এ বছর পানি নিষ্কাশনে অনেকটায় সফল হয়েছেন তারা। কিন্তু নগরবাসীর ভাষ্য- আগের তুলনায় রাস্তায় জলাবদ্ধতা তেমন কিছুই কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে। সরজমিন দেখা যায়, আবাসিক এলাকা ধানমন্ডির জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে মাটির নিচে পানি নিষ্কাশনের ছোট পাইপ পরিবর্তন করে বড় পাইপ লাগানোসহ বিভিন্ন সংস্কার কাজ শুরু করেছে ডিএনসিসি। এক মাসের কাজ ছয় মাস গড়িয়ে কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে ধানমন্ডি-১৫ নম্বর বাসস্ট্যান্ড থেকে স্টাফ কোয়ার্টার হয়ে জিগাতলা নতুন রাস্তার সংস্কার কাজ। কাজ শেষে মূল রাস্তাটিতে পানি না দাঁড়ালেও, ত্রুটিপূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য আশপাশের এলাকার পানি ঢুকে পড়ছে। দেখা যায় সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে খোদ সিটি করপোরেশনের কমিশনারের বাড়ি সংলগ্ন এলাকা। অন্যদিকে সমতা না রেখে এই এক এলাকার পাইপ বদলানোতে অন্যসব এলাকায় আগের তুলনায় এখন পানি জমছে দ্বিগুণ। একটু বৃষ্টিতেই জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে পোস্টঅফিস পর্যন্ত রাস্তাটি তলিয়ে যাচ্ছে পানির নিচে। ব্যস্ততম এই রাস্তায় পানির মধ্যে চলতে গিয়ে হরহামেশাই বিগড়ে যাচ্ছে মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ইঞ্জিনচালিত যানবাহন। ফলে বৃষ্টির দিন এলাকাটিতে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানযট। শবেমাত্র শেষ হয়েছে ধানমন্ডি শঙ্কর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ। কিন্তু সংস্কার কাজের দীর্ঘ ভোগান্তির পরও তেমন কোনো সুফল পায়নি এলাকবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা লিয়াকত আলী বলেন, তিন-চার মাস ধরে এই রাস্তায় পাইপ পাল্টানোর কাজ চলছিল। যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে পথ চলাও তখন দায় ছিল। কিন্তু কাজ শেষের পরও জলাবদ্ধতা তেমন কিছুই লাঘব হয়নি বলে জানান তিনি। এদিকে মোহাম্মদপুর বাসস্টান্ড হয়ে থানার সামনে দিয়ে ধানমন্ডি ঢোকার মেইন সড়কেও চলছে সংস্কার কাজ। এলাকাটিতে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও উন্নয়নের নামে রাস্তার দু’পাশই খুঁড়ে রাখা হয়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। যার মধ্যে উন্মুক্তভাবে বসানো রয়েছে সারিবদ্ধ লোহার রড। প্রয়োজনের তাগিদে এর মধ্য দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ। এবিষয়ে বিষয়ে মোহম্মদপুর সরকারি গ্রাফিক্স আর্ট কলেজের ছাত্র সুমন বিশ্বাস বলেন, এই রাখার ফলে প্রতিদিন এই যানযট হয়ে উঠছে তীব্র থেকে তীব্রতর। যানবহন তো দূরের কথা রাস্তার পাশ ঘেঁষে প্রতিদিন পায়ে হেঁটে চলাচল করাটাও যন্ত্রণার হয়ে উঠেছে। এদিকে উন্নয়নের নামে সংস্কার কাজ নিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে জনবহুল এলাকা ফার্মগেট, কাওরান বাজার, আজিমপুর, শ্যামলী, শেরে বাংলা নগর, হাজারীবাগ, পল্লবী, ক্যান্টনমেন্ট, যাত্রাবাড়ী, মগবাজার, বাড্ডা, খিলক্ষেত, নিকুঞ্জ, কুড়িল, বনশ্রী, কুর্মিটোলা, মিরপুর, মহাখালীসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়। জানা যায় এসব এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে ইতিমধ্যেই ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যেই কিছু এলাকার প্রকল্প কাজ শেষ হলেও এখনো চলমান রয়েছে কিছু এলাকার উন্নয়ন কাজ। এ বিষয়ে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাসকিন এ খান বলেন, সর্বক্ষণ বৃষ্টির পানি জমে না থাকায় রাজধানীর এই জলাবদ্ধতাকে ‘জলজট’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। ঢাকা শহরকে বালতির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, রাজধানীর সর্বত্র আমরা কংক্রিটে ছেয়ে ফেলেছি। ফলে বৃষ্টির পানি প্রাকৃতিকভাবে যে মাটি শুষে নেয়ার অবস্থা নেই। তিনি বলেন, রাজধানীর পানি সমস্যার সমাধানের জন্য ইতিমধ্যেই আমরা মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করেছি। কিন্তু ঢাকার জলজট নিরসনে এখনো কাজ করছে সাতটি সংস্থা। আর এই কাজ এক হাতে নিয়ে এসে মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করলেই এর সমাধান সম্ভব। ঢাকার রাস্তায় জলাবদ্ধতা নিয়ে ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ড্রেনেজ) এবং প্রকল্প পরিচালক মো. শওকত মাহমুদ বলেন, রাস্তায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরে যাওয়ার জন্য যেই খালগুলে তৈরি করা হয়েছিল তা ময়লা-আবর্জনা ও অবৈধভাবে দখল হয়ে রয়েছে। এই জন্য ইতিমধ্যেই আমরা ঢাকার আশপাশের ৫টি খাল উদ্ধার ও সংস্কারের প্রকল্প হাতে নিয়েছি। খালগুলোয় প্রাণ ফিরে এলে ঢাকার রাস্তায় আর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না। কিন্তু এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্সের সাধারণ সম্পাদক আদিল মাহমুদ বলেন, বৃষ্টির কারণে গতবছর ঢাকার বিভিন্ন স্থানের জলাবদ্ধতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছিল। জলাবদ্ধতা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা খালিদ আহমেদ বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ইতিমধ্যেই আমরা বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। সেগুলোর কাজও শুরু হয়েছে। নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতি ইকবাল হাবীব বলেন, বক্স কালভার্টগুলো এখন ঢাকার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেসব খাল এক সময় ঢাকা শহরের গৌরব ছিল, সেগুলো দখল করে বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এতোদিন পর সেই খালগুলো পুনরুদ্ধার একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আপনারা কিং ফিশদের ধরতে পারেন না -বেসিক ব্যাংক মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট

গতকাল শুনানিতে দুদকের আইনজীবী, খুরশিদ আলম খান আদালতকে এই বলে অবহিত করেন যে, এসব মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দ্রুতই চার্জশিট দিয়ে দেয়া হবে।
শুনানির একপর্যায়ে দুদকের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে আদালত বলেন, আপনি যখন দায়িত্ব নিচ্ছেন তখন আপনি বোর্ডের (বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ) কাউকে আসামি করলেন না কেন? ব্যাংকের ক্রেডিট কমিটি লোনের ব্যাপারে নেগেটিভ ফাইন্ডিং দেয়ার পরও তাদেরকে আসামি করা হয়নি। আপনি আইওদের সার্টিফিকেট দিচ্ছেন। বোর্ড যদি এপ্রোভাল দেয় তাহলে বোর্ডের একটা লোকও কেন আসলেন না।
আদালত দুদকের আইনজীবী ও তদন্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ৫৬ মামলার মধ্যে আড়াই বছরে একটি মামলারও চার্জশিট দিতে পারলেন না। আপনারা যদি ৫৬টি মামলা না নিয়ে ৫টি মামলা নিতেন তাহলে হয়তো দ্রুত চার্জশিট দিতেন।
একপর্যায়ে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে আদালতের এক মন্তব্যের জবাবে খুরশিদ আলম খান আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তার করা হলেও তারা কোর্টে এসে জামিন পেয়ে যায়। আদালত বলেন, জামিন পেলেও আইনের আওতার ভিত্তিতেই জামিন পায়। তদন্তের ধীরগতির কারণেই তারা জামিন পায়।
শুনানির সময় আদালত আরো বলেন, লোন দেয়া হলো। এখানে নেগেটিভ পজিটিভ ছিল কি না, এখন বলা হচ্ছে তদন্ত করতে গেলে টাকাটা কোথায় গেল সেটা খুঁজে বের করতে হবে। এই মামলায় টাকা খুঁজতে হবে কেন? এটা তো মানি লন্ডারিং এর মামলা নয়।
একপর্যায়ে এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে আদালত বলেন, আপনারা যদি চার্জশিট দিতে না পারেন তাহলে সরে দাঁড়ান। আদালত আরো বলেন, যদি কোনো কৃষক ৫ হাজার টাকা লোন নিত তাহলে তাকে মাজায় দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে আসা হতো। আপনারা ‘কিং ফিস’দের ধরতে পারেন না। অনেকে ব্যবসা বাণিজ্য করছে, টকশোতে কথা বলছে, তারা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও অংশ নিচ্ছে।
বেসিক ব্যাংকের ওই ৫৬ মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবাল হোসেনের উদ্দেশ্যে আদালত বলেন, আমরা তো অনেক অবজারভেশন দিলাম কিন্তু আপনারা গুরুত্ব দিলেন না। আপনাদের সমস্যা কোথায়? আমরা হতাশ। আপনাদের ব্যর্থতার কারণে আসামিদের জামিন দিতে হয়। একই লোক ভিন্ন ভিন্ন নামে রাষ্ট্রের এতগুলো টাকা নিয়ে গেল। রাষ্ট্রের এতগুলো টাকা চলে গেল, আমাদেরও তো দায়িত্ব আছে। এখন মনে হচ্ছে কমিশন আগে যা বলেছে তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আদালত বলেন, দুদক একটি বিধিবদ্ধ রাষ্ট্রীয় সংস্থা। রাষ্ট্রীয় সংস্থার কাজ নিয়ে আমরা আর কত কথা বলব। এখন মনে হয় লজ্জায় কালো কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকি। কেন এত কথা বললাম।
শুনানির পর দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, আমরা আদালতে বলেছি আমাদের তদন্ত কাজ শেষ হতে চলেছে। দ্রুত আমরা চার্জশিট দেব। তিনি জানান, এ দুই মামলার আসামি ফজলুল সোবহান ও শিপার আহমেদের জামিন প্রশ্নে বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রেখেছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বেসিক ব্যাংকের রাজধানীর গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠে। পরে এ বিষয়ে তদন্তে নামে দুদক। ঋণপত্র যাচাই বাছাই না করে জামানত ছাড়া, জাল দলিলে ভুয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দানসহ বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ অনুমোদনের অভিযোগ ওঠে ব্যাংকটির তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধান শেষে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর গুলশান, পল্টন ও মতিঝিল থানায় ১৫৬ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা দায়ের করে দুদক। এসব মামলায় মোট দুই হাজার ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৪১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় আসামির বিরুদ্ধে। আসামিদের মধ্যে ২৬ জন ওই ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। অন্যরা ঋণ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক জরিপ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তবে, এ সব মামলার আসামির তালিকায় বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চু কিংবা ব্যাংকটির তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের কেউ না থাকায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুকে দুদকে তলব করে তাকে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এছাড়া বেসিক ব্যাংকের সাবেক ১০ পরিচালককে ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেসিডেন্টের ক্ষমায় মুক্ত জোসেফ তোলপাড়

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. জাহাঙ্গীর কবির মানবজমিনকে বলেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি তোফায়েল আহমেদ জোসেফের প্রেসিডেন্টের কাছে করা অনুকম্পা ও তার মুক্তির আদেশের কপি গত রোববার বেলা ১২টায় পাই। এরপর একজন ডেপুটি জেল সুপারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের ১১১ নম্বর কেবিনে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ডেপুটি জেলার তার সঙ্গে নেয়া কারা রেজিস্ট্রারে কয়েদির স্বাক্ষর নিয়ে বিকাল পৌনে চারটায় তাকে মুক্তি দেন। এরপর তিনি কোথায় গেছেন তা আমাদের জানা নেই। তিনি বলেন, জোসেফ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ৩০ বছর মেয়াদের মধ্যে ২৬ বছর জেল খেটেছেন। তার সাজার মেয়াদ বাকি ছিল আর মাত্র ৪ বছর। যাবজ্জীবন সাজার আসামির ২০ বছর কারাভোগ পার হলে কারা কর্তৃপক্ষ তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায়। সেই সঙ্গে তার পাওনা ছুটির তথ্যও দেয়া হয়।
জোসেফের কারামুক্তির বিষয়ে গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, তোফায়েল আহমেদ জোসেফের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট তাকে ক্ষমা করে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার আগে তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাটের সঙ্গে বৈঠক করেন। জোসেফ এখন কোথায়? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জোসেফের যে প্রসঙ্গটা, তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। তিনি অলরেডি ২০ বছর কারাভোগ করেছেন।
২০ বছর কারাভোগের পরই তিনি ডিউ প্রসেসে, যেভাবে প্রসেস হয় সেভাবে আবেদন করেছেন। সেই আবেদনটি মহামান্য (প্রেসিডেন্ট) পর্যন্ত যায়। জোসেফ ভারতে চলে গেছে- একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, ইন্ডিয়াতে চলে গেছে আপনি দেখেছেন নাকি? ওই সাংবাদিক তখন বলেন, আমি দেখিনি। পত্রিকায় খবর এসেছে। জোসেফ জেলে আছে নাকি বেরিয়ে গেছে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি (জোসেফ) আবেদন করেছিলেন ভয়ানক অসুস্থ, এক বছর না দেড় বছর বাকি ছিল (সাজা), এক বছর কয়েক মাস।
সেটার জন্য তিনি মার্সি পিটিশন (ক্ষমা প্রার্থনা) করেছিলেন, সেটি খুব সম্ভব প্রেসিডেন্ট অনুমোদন করেছেন...এক বছর কয়েক দিন, তার কিছু অর্থদণ্ডও ছিল। সেগুলো আদায় সাপেক্ষে তাকে বিদেশে চিকিৎসার পারমিশন (অনুমতি) দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। এটুকু আমি জানি, এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না। পুলিশের বিশেষ শাখার এক কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, দুই দশক কারাগারে থাকার পর মুক্তি পেয়ে জোসেফ ইতিমধ্যে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে জোসেফের পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন জোসেফ। সেখান থেকেই মুক্তি পান ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের এ অন্যতম নিয়ন্ত্রক। ১৯৯৯ সালের একটি হত্যাকাণ্ডে জোসেফের মৃত্যুদণ্ড হয়। হাইকোর্টও এ রায় বহাল রাখেন। পরবর্তী সময়ে আপিল বিভাগ সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এদিকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ওয়াদুদ আহমেদের ছোট ছেলে তোফায়েল আহমেদ জোসেফের বড় ভাই হারিস আহমেদের নামও রয়েছে পুলিশের শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায়। হারিস বর্তমানে ভারতে পালিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হয়।
নব্বইয়ের দশকে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন তাদের আরেক ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু। আর তাদের বড় ভাই লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ আহমদ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক ছিলেন। ফ্রিডম পার্টির নেতা মোস্তফা হত্যা মামলায় ২০০৪ সালে জোসেফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল ঢাকার জজ আদালত। হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রাখলেও ২০১৫ সালে আপিল বিভাগ তার সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
জোসেফ ২০ বছর আগে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় তার নামে ঢাকার বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, খুন, অবৈধ অস্ত্র বহনের অভিযোগে অন্তত ১১টি মামলা ছিল। এর মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান হত্যা মামলা ছাড়া বাকিগুলোর নিষ্পত্তি হয়েছিল আগেই। সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে জোসেফের বড় ভাই হারিস আহমেদ নিজেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় জাতীয় পার্টির নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর তিনি নিজের পরিচয় দিতে শুরু করেন মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের নেতা হিসেবে।
ঢাকার ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কমিশনার পদে নির্বাচনও করেছিলেন তিনি। জোসেফও এক সময় নিজেকে ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানার নেতা হিসেবে দাবি করতেন। তবে সংগঠনের কোনো পদে তিনি ছিলেন না। এদিকে যাবজ্জীবন সাজায় কারাগারে থাকার মধ্যে জোসেফ জটিল কোনো রোগ না থাকার পরও টানা ২০ মাসের বেশি সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কাটালে বিষয়টি গত বছর সংবাদ শিরোনাম হয়। এ নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তাকে হাসপাতাল থেকে কারাগারে ফেরত নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। পরে আবার অসুস্থতার জন্য ঢাকা মেডিকেলের ১১১ নম্বর কেবিনে আসেন। ওই কেবিন থেকেই তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে বার্নিকাটের উদ্বেগ

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কক্সবাজারের ওয়ার্ড কাউন্সিলর একরামুল হকের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “শুধু একরাম কেন? যে ক’টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সবগুলোর বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তদন্ত হবে। যেখানে বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে, সেখানে একজন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করে দেখবেন, গান ফায়ারটি সঠিক ছিল কিনা। যদি অন্যায়ভাবে কেউ গুলিবিদ্ধ হয়ে থাকে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্ত অনুযায়ী সেই ব্যবস্থাও হবে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের উদ্বেগ প্রশমনে অভিযানের লক্ষ্য তার কাছে তুলে ধরেছেন বলে জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি তার উদ্বেগের কথা বলেছেন যে, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মানুষ মারা যাচ্ছে, নিহত হচ্ছেন। আমরা জানিয়েছি, এদেশ থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাস আমরা যেভাবে কন্ট্রোল করেছি, এদেশের জনগণকে নিয়ে... আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন, মাদক যেভাবে বিস্তার লাভ করছে, সেটা যদি আমরা বন্ধ করতে না পারি তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে যাবে। তিনি (বার্নিকাট) সবই স্বীকার করেছেন। আমরা যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে মাদক নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, সেটা সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ঠিকই আছে। তিনিও প্রশংসা করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা নিহত হচ্ছেন, তাদের বিষয়ে আরেকটু সতর্ক হওয়া যায় কিনা বার্নিকাট তা বলেছেন। এই অবৈধ ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র- সেখানে কেউ খালি হাতে গেলে ভালোভাবে ফিরে আসবে না, এটাই স্বাভাবিক। এজন্য আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী তৈরি হয়ে যায়। সেজন্যই বন্দুকযুদ্ধ হয়। হত্যা করার কোনো উদ্দেশ্য আমাদের নেই। নিহতদের অনেককে আগে ধরে নেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলছি, আমরা একজনকেও পিক করিনি। যারা বলেছে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেগুলোর একটারও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কারা কারা মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত, কারা কারা মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্ত, কারা সহযোগিতা করছে- গোয়েন্দা সংস্থা সেই তালিকা তৈরির পরই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমরা একটি নয়, পাঁচটি সংস্থার মাধ্যমে এই তালিকাটি তৈরি করেছি, তালিকায় যে সব নামগুলো কমন, সেই নামগুলো নিয়ে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, আমি কারও আশ্বাসে ভরসা রেখে চলি না। এ নিয়ে জেআরসি আছে। দুই দেশের যৌথ নদী কমিশন আছে, তারা আলোচনা করছে। এই সফরের উদ্দেশ্য তিস্তা চুক্তি ছিল না। দুই দেশের বর্তমান সরকারের এই মেয়াদেই তিস্তা চুক্তি হবে বলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে আশা প্রকাশ করেছেন, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, উনারা যা বলেছে, সেখানেই থাকেন। প্রতিবেশীদের মধ্যে তিক্ততা থাকতেই পারে। কিন্তু আমার কোনো বক্তব্যে এই তিক্ততা যেন না হয়। তিস্তা চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নদী কমিশনের আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা। এ প্রসঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আপনি তিস্তা ব্যারেজ করলেন কেন? আমরা তো ডাউনস্ট্রিমে। আমরা তিস্তা ব্যারেজ করে এখন পানি পানি বলে চিৎকার করছি কেন?
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোর্ট মুক্তি না দিলে আমি কি জেলের তালা ভেঙে তাকে নিয়ে আসবো? উনার মুক্তি চাইতে হলে প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন সংবিধান সম্মতভাবেই হবে। নির্বাচন আমি করবো না, নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, সংবিধানে যেভাবে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলা আছে, সেভাবেই হবে। ৫ জানুয়ারি (২০১৪) নির্বাচন ঠেকানোর নামে যারা জ্বালাও-পোড়াও করেছে, তা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এই অপকর্ম যারা করেছে, তারা নির্বাচনে আসলো কী আসলো না, এটা নিয়ে এত হা-হুতাশ কেন?
সংবাদ সম্মেলনে ভারতের আনন্দ বাজার পত্রিকা ‘বাংলাদেশ ভারতের কাছে প্রতিদান চায়’ শীর্ষক প্রকাশিত খবরের সূত্র ধরে সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ‘আপনি কোন প্রতিদান চেয়েছেন কিনা? চাইলে কোনো আশ্বাস পেয়েছেন কিনা। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি কোনো প্রতিদান চাই না। প্রতিদানের কী আছে? আর কারও কাছে পাওয়ার অভ্যাস আমার কম। দেয়ার অভ্যাস বেশি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি শুধু ভারতে যাইনি। জিয়াউর রহমান কি যাননি? বেগম খালেদা জিয়া কি যান নি? ২০০১ সালে খালেদা জিয়া গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়েছিল ভারতের কাছে। কিন্তু আমি বলেছিলাম, গ্যাসের মালিক জনগণ। ৫০ বছরের গ্যাস মজুদ থাকবে তারপর গ্যাস বিক্রি চিন্তা-ভাবনা করা যাবে। শেখ হাসিনা বলেন, যারা ক্ষমতায় আসার জন্য মুচলেকা দেয় আমি সেই দলের না। ক্ষমতায় আসার জন্য আমি মুচলেকা দেই নাই। তখন আমি শুধু বলেছিলাম আল্লাহ জন দেখে ধন দেন। তারা গ্যাসও পায়নি, গ্যাস বিক্রিও করতে পারেনি। শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ছিল। এ দেশে বিভিন্ন সরকার ক্ষমতায় থেকে তাদের মদত দিয়েছে। আপনাদের মনে নেই ১০ ট্রাক অস্ত্রের কথা? আপনারা ভুলে গেছেন? আপনারা ভুলে যান আমি ভুলি না। সীমান্ত হত্যার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন সীমান্ত হত্যা নেই বললেই চলে। সেটি কমিয়ে এনেছি আমরা। এসময় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তারা যে আমাদের সমর্থন দিয়েছে, শরণার্থীদের তারা সাহায্য করেছে, লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং দিয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে একসঙ্গে রক্ত দিয়েছে, আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে সেটা স্মরণ করি। চলমান মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক সমাজে একটা ব্যাধির মতো, আপনারাই পত্র-পত্রিকায় লিখেছেন এটি। আপনারা কি চান অভিযান চলুক, না বন্ধ হয়ে যাক? তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন অভিযান চালায় তখন এটিই স্বাভাবিক যে, এ ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটতেই পারে। এ পর্যন্ত যে কয়টা ঘটনা হয়েছে, আপনারা একটা ঘটনা দেখান যে, নিরীহ কেউ এ ঘটনার শিকার হয়েছেন? অভিযানে এই পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব। এই অভিযান হঠাৎই শুরু হয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন গোয়েন্দা সংস্থা তথ্য নিয়ে নজরদারি চালিয়েছে। এরপরই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সমালোচনার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারাই মাদক নিয়ে খবর দিলেন। এখন কিছু হলেই আবার সমালোচনা। তাহলে কি আমি অভিযান বন্ধ করে দেব। অভিযান বন্ধ করে দিলে কী দেশ শান্তি পাবে?
একজন সাংবাদিক জানতে চান মোদি ও মমতার সঙ্গে তিস্তা নিয়ে কী কথা হয়েছে। জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, দ্বিপক্ষীয় সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে যেখানে আমি গিয়েছিলাম বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন করতে ও কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দিতে। তিস্তা চুক্তি নিয়ে নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা কথা দিয়েছে, কথা যখন দিয়েছে অপেক্ষা করুন। পরে প্রধানমন্ত্রী আবার বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন। আপনারা সেখানেই থাকেন। বর্তমান সরকারের আমলে তিস্তা চুক্তি করার বিষয়ে মোদির আশ্বাসে আস্থা রাখছেন কি না-এমন প্রশ্নও ছিল সংবাদ সম্মেলনে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার পানির ব্যবস্থা আমাকেই করতে হবে। আমি নদীর ড্রেজিং করছি, জলাধার তৈরি করছি। পানি যেন আপদকালীন সময়ের জন্য থাকে তার ব্যবস্থা করছি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিস্তা চুক্তি নিয়ে মমতার বিকল্প প্রস্তাব ভারত সরকার বিবেচনা করছে। এই বিকল্প প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য কি না-এমন প্রশ্নও ছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব কথা এখন জানার দরকার নেই। এটা ভারতের বিষয়। সেটা তাদের কাছে জানতে চান। আমার কাছে নয়। পানি নিয়ে সরকার নিজেরাই ব্যবস্থা করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, সেই পানি না এলে চলবে না, সেটা না। নিজেরা ড্রেজিং করছি। ব্রহ্মপুত্র নদ, ধরলা নদী, তিস্তা থেকে শুরু করে কুশিয়ারা, মেঘনা, যমুনা, সবগুলো যেন ড্রেজিং হয়, তার ব্যবস্থা করছি। যার ফলে আমাদের পানির সমস্যা নিজেরা যেন সমাধান করতে পারি, তার ব্যবস্থা নিচ্ছি। এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহা-সচিব রুহুল কবির রিজভীকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাকে এক বালতি পানি পাঠানো উচিত। ওরা তো বলল আমি এক বালতি পানিও আনতে পারিনি। এক বালতি পানি রিজভীকে পাঠিয়ে দেয়া উচিত। একজনকে দায়িত্ব দাও ওকে কয়েক বোতল পানি পাঠিয়ে দিক। রোজার মাস, কাজে লাগবে।
আবারও ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করছেন বিএনপির এমন অভিযোগের বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি তো অনেক বোঝে তাহলে আর বলার দরকার নাই। তারাও তো কম যায় নাই। খালেদা জিয়া কি ভারতে যায় নাই? জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করার ২ বছরের মধ্যেই ভারতে গিয়েছিল। কেন গিয়েছিল? সেটা বিএনপিকে জিজ্ঞেস করেন, ক্ষমতা দখল করেই ভারত গিয়েছিল। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এখন তিস্তার পানির কথা বলে, বিএনপি নেতাদের কি মনে নাই উনাদের নেত্রী ভারত সফরে গিয়েছিলেন। সফর শেষে এসে বলেছিলেন, ওহ গঙ্গার পানি। সেটার কথা বলতে তো ভুলেই গিয়েছিলাম। সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ডা. একিএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর জাতীয় সরকার গঠন প্রস্তাবের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বদু (বদরুদ্দোজা চৌধুরী) কাকার কি মনে নাই জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতা নিয়েছিলেন, তখন যে হ্যাঁ/না ভোট দিয়েছিলেন, সেই নির্বাচনটা উনি কেমন দেখেছিলেন? এদের মুখে ভোটের কথা শুনলে, পাগলেও হাসবে। অবশ্য তাঁকেও বেশি দিন রাখেননি খালেদা জিয়া। বিদায় নিতে হয়েছে। এখন সব ভুলে গিয়ে তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছেন। আসলে একটা কথা আছে না, ‘ওরে মেরেছে কলসির কানা, তাই বলে কি প্রেম দিব না।
ভারত সফর সম্পর্কে লিখিত বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে। উন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার পেছনে ভারত সবসময় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাশে থাকবে। তিনি বলেন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই ভবন উভয় দেশের সংস্কৃতির প্রসারে অবদান রাখবে। শেখ হাসিনা বলেন, কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহিত্যপ্রেমী ছিলেন। কারাগারেও শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে রবীন্দ্র রচনাবলী থাকত। শেখ হাসিনা বলেন, আমি ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি। তিনি বলেন, ২৬শে মে বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্মানসূচক ডি.লিট গ্রহণ করি। আমি এটি সমগ্র বাঙালিদের নামে উৎসর্গ করেছি। আমি কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি। আমি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। তিনি নজরুলের নামে বিশ্ববিদ্যালয় করেছেন। আসানসোলের দুর্গাপুরে নজরুলের নামে বিমানবন্দর করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির আমন্ত্রণে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ও সেখানে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন করতে ২৫ ও ২৬ মে কলকাতা সফর করেন শেখ হাসিনা। সফরে বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে যোগদান ও বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনে তার সঙ্গে ছিলেন মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী যান পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। যেখানে জন্ম নেওয়া জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে’র বিশেষ সমাবর্তনে যোগ দিয়ে সম্মানসূচক ‘ডি. লিট’ ডিগ্রি গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। এরপর কলকাতায় ফিরে নগরীর ভবানীপুরে ‘নেতাজী ভবন’ পরিদর্শনে যান শেখ হাসিনা। দু’দিনের সফর শেষে ২৬ মে রাতে ঢাকায় ফিরেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্ঘুম পতাকা-শ্রমিকরা

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, ঢাকার মিরাজনগর এলাকায় এমন একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক হোসেন। তার দোকানটি ছোট। গরম ও শ্রমিকরা কাজ করতে গিয়ে ঘেমে যাচ্ছেন। রাশিয়ায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে স্থানীয় বাজারে তিনি ছাড়ছেন বড় মাপের পতাকা ও হাতে ধরে রাখা ছোট পতাকা। একটানা উৎপাদনে রয়েছেন তিনি। হোসেন বলেন, গত দু’মাস ধরে আমাকে বিরতিহীন কাজ করে যেতে হচ্ছে। এমনও দিন গেছে যখন আমি দু’ঘণ্টাও ঘুমাতে পারি নি। তার সামনে স্ক্রিন প্রিন্টিং মেশিন। তাতে কাজ করছিলেন তিনি। সেখান থেকে মুখ তুলে এমনভাবেই নিজের কথা প্রকাশ করেন হোসেন। প্রচলিত অর্থে বাংলাদেশ হলো ক্রিকেটের দেশ। কিন্তু প্রতি চার বছর পর পর এ দেশের ১৬ কোটি মানুষ মেতে ওঠেন বিশ্বকাপ ফুটবলে। এ দেশটি ২০২টি দেশের মধ্যে ফুটবলে ১৯৭তম অবস্থানে। এ র্যাঙ্কিং করেছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল। তবুও এ দেশটি বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে ওঠে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা ছেয়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাট। আগামী ১৪ই জুন মস্কোতে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের আসর। তার আগে মিরাজনগরের প্রিন্টার থেকে কয়েক লাখ পতাকা তৈরি হবে। কোনো কোনো বাড়িকে প্রিয় দলের রঙে রাঙিয়ে দেয়া হচ্ছে। সারা দেশ থেকে অর্ডার আসছে। তাই পতাকা সেলাইয়ের গতি বেড়ে গেছে। হোসেন বলেন, প্রতিদিন আমরা কয়েক হাজার পতাকা প্রিন্ট করি। সাক্ষাৎকার দেয়ার দিন তিনি বলেন, ওইদিন তিনি আর্জেন্টিনার কমপক্ষে ১১০০০ হাতে ধরা পতাকা তৈরি করেছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রিয় দলের পতাকা হাতে নিয়ে তা দোলাতে দোলাতে র্যালি করছে মানুষ। গত সপ্তাহে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের একটি গ্রুপ ২০০ মিটার লম্বা একটি পতাকা নিয়ে মাদারগঞ্জে র্যালি করে। এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। অনুন্নত দেশটি প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করে ১৯৮২ সালে। কিন্তু ১৯৮৬ সালে এসে যেন এক বিস্ফোরণ ঘটে। ওই বিশ্বকাপের ম্যাচে আর্জেন্টিনার তারকা দিয়েগো ম্যারাডোনা গোল করে ট্রফি বিজয় করেন। সেই থেকে ফুটবল যেন বাংলাদেশের মনস্তত্ত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আরেকটি প্রিয় দল। ম্যারাডোনা নেই। কিন্তু তারপরও আর্জেন্টিনা ক্রেজ শক্তিশালী হচ্ছে। এর কারণ, নতুন সুপারস্টার লিয়নেল মেসি। এমনটা বলেছেন পতাকার হকার ফারুক মিয়া। তিনি পতাকা বিক্রি করেন নারায়ণগঞ্জে। গত সপ্তাহে তিনি বিক্রি করেছেন ৫০০ পতাকা। তাতে ভালো লাভ হয়েছে। তাই তার এখন আরো পতাকা দরকার। যদি আর্জেন্টিনা বিজয়ী হয় তাহলে তিনি খুব খুশি হবেন। বিশ্বকাপ জ্বর আগেভাগেই চলে এসেছে বাংলাদেশে। আসর শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকেই তা নিয়ে এই জ্বর ভর করেছে। এজন্য কয়েক লাখ পতাকা বিক্রি করার প্রত্যাশা করছেন কারখানা মালিক সেলিম হাওলাদার। তিনি বলেন, এর আগে ২০১৪ সালে তিনি ৮০ হাজারের বেশি পতাকা বিক্রি করেছেন। এর বেশির ভাগই বিক্রি হয়েছে বিশ্বকাপ চলাকালে অথবা তার আগের দিনগুলোতে। এখন আমি ২০০০ থেকে ২৫০০ বড় মাপের পতাকা বিক্রি করি। হাতে ধরে রাখা পতাকা দিনে বিক্রি করি ১০ হাজার, যদিও বিশ্বকাপ ফুটবল এখনও অনেক দূরে। সেলিম হাওলাদারের অধীনে কাজ করেন ২৫ জন শ্রমিক। এ ছাড়া মিরাজনগরের কারখানাগুলোতে পতাকা তৈরি করছেন প্রায় ২০০০ শ্রমিক। হাওলাদারের অর্ডারের শীর্ষে রয়েছে মেসি ও নেইমার নেতৃত্বাধীন টিম। তারা হলো, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। বাংলাদেশে এই দুটি দল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। তিনি বলেন, এমন কি আমি আর্জেন্টিনার ৫০ ফুট লম্বা পতাকা তৈরির অর্ডার পেয়েছি। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পরে বাংলাদেশে জনপ্রিয় দল হলো জার্মানি, স্পেন ও পর্তুগাল। বাংলাদেশে রয়েছে সাড়ে চার হাজার তৈরি পোশাকের কারখানা। তাতে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক। তাদের তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানি করে আয় হচ্ছে শত শত কোটি ডলার। কিন্তু বিশেষজ্ঞ ও অধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো বলছে, গার্মেন্ট শ্রমিকদের জীবনমানের কিছুটা অগ্রগতি হলেও তারা দীর্ঘ সময় কাজ করেন বিপদজনক পরিবেশে। আর পান কম বেতন। হাওলাদারের কারখানায় কাজ করেন মোহাম্মদ ইকবাল। তার স্ত্রী নার্গিস আখতার (২৮) পতাকা তৈরিতে নিয়োজিত। এতে সংসারে বাড়তি অর্থ আসছে। ইকবাল বলেন, গড়ে প্রতিদিন আমরা ৩০০০ টাকার কাজ করি। কিন্তু গড়ে প্রতিটি গার্মেন্ট কারখানা থেকে পুরো মাসের বেতন দেয়া হয় প্রায় ৭০ ডলার। এটি হলো বিশ্বে সবচেয়ে কম মজুরি। নার্গিস আখতার হেসে বলেন, আমার মনে হয় পতাকা নিয়ে এই বাড়াবাড়ি আরো কয়েক মাস থাকবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লবিস্ট রেখে নোবেল পাওয়ার ইচ্ছা নেই

তিনি বলেন, আমার সব থেকে বড় পুরস্কার বাংলাদেশের মানুষকে দুই বেলা পেট ভরে খেতে দিতে পারলাম কি না, তারা শান্তি পেল কি না- সেটাই বড় কথা। কিন্তু গরিবের ওপর, সুদের টাকা নিয়ে সেই অর্থ নিয়ে লবিস্ট নিয়োগ করে নোবেল পাওয়ার ইচ্ছা আমার নেই। আমি যে পুরস্কার পেয়েছি কোনোটির জন্য আমি বলিওনি, যাইওনি। এখনও অনেক প্রস্তাব আসছে আমার কাছে। আমি কিন্তু ওসবের পেছনে ছুটি না। হ্যাঁ, নজরুলেরটায় গিয়েছি। কবি নজরুল আমাদের কাছে আলাদা মর্যাদার। তিনি শুধু কবি না, তিনি শিল্পী, তিনি সাহিত্যিক। তার মেধা যে কত বহুমুখী। অবাক লাগে তিনি কত দরিদ্র অবস্থা থেকে উঠে এসেছিলেন। তিনি মানুষের কথা বলতে গিয়ে কারাগারে গেছেন, কিন্তু মাথা নত করেননি। খুব অল্প সময়ে তিনি যে বিশাল সাহিত্যের ভাণ্ডার আমাদের দিয়ে গেছেন তার তুলনা হয় না। নজরুলের নামে একটি ডিগ্রি পেয়েছি। এটা সম্মান আমার কাছে অনেক অনেক উঁচু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বিদ্যুৎ ও পানির সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন খালেদা’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবারও বিশেষ ট্রেন বরাদ্দের বাইরে রংপুর: দুর্ভোগ বাড়বে ঘরমুখো মানুষের by জাভেদ ইকবাল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Wednesday, May 30, 2018
তাহলে কি আমি অভিযান বন্ধ করে দেবো: শেখ হাসিনার প্রশ্ন

আজ (বুধবার) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যুর ঘটনার সমালোচনাকারীদের পাল্টা সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, "দেশকে মাদকমুক্ত করতে এ অভিযান শুরু হয়েছে। অনেক পত্রপত্রিকা মাদক নিয়ে অনেক খবর দিয়েছে। এখন আবার অভিযানে কিছু একটা ঘটলে সমালোচনা করছে। তাহলে কি আমি অভিযান বন্ধ করে দেবো?"
তিনি জানান, এই পর্যন্ত দশ হাজারের মতো গ্রেপ্তার হয়েছে, মাদক বিরোধী অভিযানে কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হয়েছে এমন একটি ঘটনা ঘটেনি।
শেখ হাসিনা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, মাদকের পেছনে যেই গডফাদারই থাকুক তাদের ছাড়া হচ্ছে না, হবে না।
শেখ হাসিনা বলেন, "যখন কোথাও পুলিশ, র্যাব কোথাও অভিযানে যায়, আর সেখানে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে থাকলে, কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।"
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্যে তিনি সাম্প্রতিক ভারত সফরে নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
গত শুক্রবার দুই দিনের সরকারি সফরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা যান প্রধানমন্ত্রী। ওই দিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি র সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করেন। এ সময় হাসিনা ও মোদির মধ্যে বাংলাদেশ ভবনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগদান করেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, "আপনি পুরস্কার আরও পেয়েছেন, আরও পাবেন, কিন্তু যে পুরস্কারের প্রাপ্য আপনি, তা এখনও পাননি, সেটা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। এজন্য এখন থেকেই প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানাই।"
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "কোনো পুরস্কারের প্রতি আমার প্রবৃত্তি নেই। আমি চাই আমার দেশের মানুষ যেন দু'বেলা দু'মুঠো খেতে পারে। আর কোনো পুরস্কারের জন্য লবিস্ট নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্যও নেই আমার। সামর্থ্য থাকলেও এসব আমি সমর্থন করি না। বরং টাকা থাকলে আমার গরিবের মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই।"
সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, এতে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কথা হয়েছে কি-না, প্রশ্ন করা হলে সরকারপ্রধান বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়েছি বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনে, সেদিকেই আমাদের গুরুত্ব ছিল। আর তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আমাদের দু'দেশের যৌথ নদী কমিশন আছে, সেখানে আলোচনা চলছে।"
এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরের মধ্য দিয়ে দু'দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
তার সফর নিয়ে বিএনপি নেতাদের সমালোচনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তারা বলে, আমরা নাকি এক বালতি পানিও আনতে পারিনি। অথচ গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি আমরাই করেছি। যারা মুচলেকা দেয়, আমি সে দলে নই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনের পক্ষে কেন সোচ্চার শিখ তরুণরা? by জসপ্রিত ওবেরয়

১৪ই মে যখন গাজায় ৫৯ ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারী ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হলেন, আমি এই তীব্র দুঃখ বৈ কিছু বোধ করিনি। যন্ত্রণা, ক্ষোভ, পরিতাপ আর ঘৃণা আমার হাবভাবে যেন প্রকট হয়ে উঠছিল। কিন্তু নিজেকে শান্ত করার পর আমি যখন চারদিকে তাকালাম, তখন শুদুই নিস্তব্ধ নীরবতাই টের পেলাম।
কানাডার কেউই হয়তো এই হত্যাযজ্ঞ নিয়ে উল্লাশ বা একে যৌক্তিক দাবি করছে না, যেমনটা বিশ্বের অনেক ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো করছে। তবে কোনো কড়া সমালোচনাও দেখতে পেলাম না।
তবে কিছুদিন পর যখন জানা গেল নিহতদের মধ্যে একজন কানাডিয়ান ডাক্তারও রয়েছেন, তখন বেশ শোরগোল হলো। এরপরও এই ঘটনায় কানাডাবাসী যতটা ক্ষোভ দেখিয়েছে, তা এক বনবিড়াল মারা যাওয়া কিংবা গরুর ওপর নিষ্ঠুরতা নিয়ে সৃষ্ট সাম্প্রতিক জনক্ষোভের ধারে কাছেও তা ছিল না। লজ্জাজনক হলেও এটাই সত্যি।
এ কারণেই আমি ভাবছিলাম, তাহলে আমিই কেন গাজার ঘটনা নিয়ে অন্য কানাডিয়ানের চেয়ে এত বেশি ক্ষোভ অনুভব করছি? উত্তরটা সম্ভবত নিহিত আছে আমার শিখ শেকড়ে।
শিখ ধর্মের বয়স ৫০০ বছর। বিশ্বজুড়ে মোট আড়াই কোটি অনুসারী আছে এই ধর্মের। এর মধ্যে দুই কোটিই বসবাস করেন ভারতে। আর ভারতে বসবাসরত শিখদের ৭৭ শতাংশই বসবাস করেন পাঞ্জাব অঙ্গরাজ্যে। ভারতের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.৭ শতাংশ হলেন শিখ। ভারতের স্বাধীনতার পর এই ৭০ বছরে শিখ ধর্মাবলম্বীরা শুধুমাত্র তাদের ধর্মবিশ্বাসের কারণে নানা সময়ে নির্যাতিত হয়েছেন।
তুলনামূলকভাবে সংখ্যায় কম হলেও, শিখ জাতিগোষ্ঠী বৃটিশদের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বেশ বড় ভূমিকা রেখেছিল। স্বাধীনতার প্রশ্নে পরে মুসলিমরা পৃথক হয়ে আলাদা রাষ্ট্র পাকিস্তান গড়ে তোলে। তবে শিখ নেতারা নেহরুর ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের ধারণায় আস্থা রাখে। বিনিময়ে তাদেরকে ভারতের আইনসভায় পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্বের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে সময় যত যেতে থাকে, ততই ভারতের তৎকালীন সর্ববৃহৎ দল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার পাঞ্জাব রাজ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে। ভারতের এই একটি রাজ্যে শিখ জনগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ। ওই সময়ে শিখ রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিহত করতে কংগ্রেস একসময় জারনাইল সিং ভিন্দেরানোয়ালে নামে এক উগ্রপন্থীকে সমর্থন দেয়। তবে পরে এই জারনাইল এত জনপ্রিয় ও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেন যে, তিনি নিজেকে অজেয় ভাবতে থাকেন। এবং নিজেরই প্রভু কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যান।
এই যে ভুল করে ফ্রাংকেন্সটাইন দানব তৈরি করার ন্যারেটিভ, এটা কি পরিচিত মনে হয়?
১৯৮৪ সালে, জারনাইল একটি স্বাধীন শিখ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি তোলেন। এই দাবি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ভালোভাবে নেয়নি। ভারতীয় বাহিনীর অভিযানে তিনি পালিয়ে বেড়াতে থাকেন। তিনি একসময় লুকিয়ে ছিলেন অমৃতসরে অবস্থিত শিখদের সবচেয়ে পবিত্র মন্দির গোল্ডেন টেম্পলে।
জারনাইল ও তার সঙ্গীদের ধরতে ভারতীয় বাহিনী গোল্ডেন টেম্পলে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। হাজার হাজার নিরীহ পূণ্যার্থীর ওপর আক্রমণ করতে ভারতীয় সেনাবাহিনী ¯œাইপার, মর্টার, মেশিন গান ব্যবহার করে। এই পূন্যার্থীদের মধ্যে নারী, পুরুষ, আবাল, বৃদ্ধ-বণিতা - সকলেই ছিলেন। তারা একটি শিখ উৎসবে সামিল হতে সেখানে গিয়েছিলেন। এই হামলা শুধু স্রেফ একটি ভবনের ওপর হামলা ছিল না। ছিল হাজার হাজার নিরীহ মানুষের ওপর হামলা। ছিল লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ শিখের অনুভূতির ওপর খুনে পাশবিকতা। ভারতের সামরিক বাহিনী কখনই কোনো হিন্দু মন্দিরে এই ধরণের হামলা চালাতে পারতো না, ভবিষ্যতেও পারবেও না।
তবে গোল্ডেন টেম্পল অভিযানের পরের কাহিনী আরও মর্মস্তুদ। ওই ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে তার শিখ দেহরক্ষীরা একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করে। আর এই ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে শিখদের বিরুদ্ধে ভারত-জুড়ে এক গণহত্যা রচিত হয়।
হাজার হাজার শিখ পুরুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। নারীদেরকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। শিশু-বৃদ্ধও বাঁচতে পারেননি হত্যাযজ্ঞ থেকে। কিন্তু যেই রাজনৈতিক নেতারা এসব দাঙ্গা উস্কে দিয়েছিলেন তাদের কারও সাজা হয়নি। তারা এখনও মুক্ত। এবং, পুরো দুনিয়া থেকে আসেনি কোনো প্রতিবাদ। এই ন্যারেটিভও কি পরিচিত মনে হচ্ছে না?
পরবর্তীতে পাঞ্জাবে শুরু হয় সশস্ত্র বিচ্ছন্নতাবাদ। পুরো রাজ্যে সার্বক্ষণিক মোতায়েন থাকে সেনাবাহিনী। ১৯৮৪ সালের পরের এক দশকে দাঙ্গাহাঙ্গামা ছিল এই রাজ্যের নিত্য নৈমিত্যিক ঘটনা। রাজ্য পুলিশ ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী যা খুশি তা-ই করতে পারতো পাঞ্জাবে। এতে নজিরবিহীন নৃশংসতা আর বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- দুইই ঘটেছে। এই ১০-১২ বছরে যত শিখ পুরুষ নিখোঁজ হয়েছে তাদের সংখ্যা বিপুল। এই কাহিনীও কি পরিচিত মনে হচ্ছে না?
ওই মৃত্যুর রঙ্গভূমি থেকে যারা পালাতে পেরেছিলেন তারা যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করেন। আজ বিদেশে অবস্থানরত শিখ সম্প্রদায় সমৃদ্ধশালী, যোগাযোগসম্পন্ন ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী।
কিন্তু এরপরও যখনই এই সম্প্রদায় ১৯৮৪ সালের গণহত্যা ও অন্ধকার সময় নিয়ে কথা বলে, তখনই ভারত সরকার যেই প্রতিক্রিয়া দেখায়, তা ফিলিস্তিনিদের কান্নায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াহীনতারই সমতুল্য।
ভারত সরকার শুধু আমাদের ন্যায়বিচারের আবেদনই প্রকাশ্যে অগ্রাহ্য করছে না, বিদেশের রাজনৈতিক প্রাঙ্গনে শিখদের উত্থান দমাতেও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এর একটি বড় উদাহরণ হলো কানাডার তৃতীয় বৃহত্তম দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা জগমিত সিং-এর রাজনৈতিক উত্থান প্রতিহত করতে ডানপন্থী হিন্দু দলগুলোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা।
শিখ সম্প্রদায় জানে নিজের মাতৃভূমি থেকে কার্যত উৎখাত হয়ে অন্য দেশে বাধ্যতামূলক নির্বাসনে থাকতে কেমন লাগে। ‘শুধু মজা’র জন্য কারও টার্গেট প্র্যকটিস হিসেবে গুলিবিদ্ধ হতে কেমন লাগে। তারা বোঝেন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিত্য হয়রানির শিকার হতে কেমন লাগে। তারা আরও জানেন ৭ বছর ধরে ‘সন্ত্রাসবাদে’র অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় ঝুললে কেমন লাগে। তারা বোঝেন যখন পুরো বিশ্ব আপনার দুর্দশা অগ্রাহ্য করে তেমন কেমন বোধ হয়।
হয়তো এ কারণেই আমি আজ ফিলিস্তিনিদের ওপর নৃশংসতার প্রতিবাদ করছি। হয়তো এ কারণেই আমার মতো আরও অনেক শিখ একই কাজ করছেন। এ কারণেই হয়তো অন্যরা যা অনুভব করেনি বা করবে না, সেই কষ্ট আমি অনুভব করি। তবে একজন শিখ, মুসলিম, ইহুদী বা খ্রিস্টান হওয়ার আগে আমরা সবাই সমানভাবে একই হৃদয় আর মগজের, রক্তে আর মাংসের মানুষ। অন্তত আমি আশা করি আমরা তা-ই।
(জসপ্রিত ওবেরয় একজন ব্লগার ও কলামিস্ট। তার এই নিবন্ধ ইসরাইলি পত্রিকা হারেৎসে প্রকাশিত হয়েছে। অনুবাদ করেছেন মাহমুদ ফেরদৌস।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাতছড়িতে পর্যটক টানতে ট্রি এডভেন্সার by রাজীব দেব রায় রাজু

পর্যটকদের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে নানা উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে দর্শনার্থী তথ্য কেন্দ্র, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, উদ্ভিদ গবেষণা কেন্দ্র, ছাত্র-শিক্ষকদের ডরমেটরি, ট্রি এডভেন্সার সেন্টার। সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, এ বনে অবাধে সর্ব সাধারণের প্রবেশ সংরক্ষিত হওয়ায় এবং বনের ভিতরে বসবাসকারী পশু-পাখি নিরাপত্তা ও খাদ্যের সংস্থান থাকায় এখন সাতছড়ি বনে বিভিন্ন বণ্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে। স্তন্যপ্রাণী প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে বন্য শূকর, উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, চশমাপড়া হনুমান, কুলু বানর, লজ্জাবতি বানর, কাঠ বিড়ালি, খরগোশ, ডাইনি বাদর, বন বিড়াল, মেচু বিড়াল, গন্ধগোকুল, হলদে গলা মারটিন, মায়া হরিণ। উভয়চর প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে সোনা ব্যাঙ্গ, কোনা ব্যাঙ্গ, বেনপু ব্যাঙ্গ, লালপিঠ লাউবিচি ব্যাঙ্গ, মুরগি ডাকা ব্যাঙ্গ। সরীসৃপ প্রাণীর মধ্যে রয়েছে উড়ন্ত টিকটিকি, নীলগলা গিরগিটি, তক্ষক, কিং কোবরা, গোখরা সাপ, সবুজ বোরা সাপ, দোড়া সাপ, লাউডগা সাপ, পাহাড়ি সাপ। পাখির মধ্যে রয়েছে কাউ ধনেশ, পাতি ময়না, লালমাথা কুচকুচি, উদয়ী বামনরাঙ্গা, মেটে হাঁড়িচাচা, খয়রামাথা শুমচা, তুর্কীবাজ, সবুজ ঘুঘু, সবুজ ধুমকল, চিত্রা হুতোম প্যাঁচা, তামাটে বেনেবউ, পাতি সবুজ তাউরা, নীলচুটকি, কালাগলা টুনটুনি, কালাঝুটি বুলবুল, জলপাই বুলবুল, এশিয় শ্যামাপাপিয়া ।
সাতছড়ি টিপড়া বস্তির হেডম্যান চিত্তরঞ্জন বর্মন জানান, এক সময় মনুষ্যসৃষ্ট তাণ্ডবে বনভূমি ক্ষতবিক্ষত ছিল। এ কারণে জীববৈচিত্র্য ও দুর্লভ অনেক বণ্যপ্রাণী বিলুপ্ত হতে যাচ্ছিল। এখন সাতছড়ি বনকে অভয়াশ্রম ও জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করায় পাহাড়ে বৃক্ষরাজি বৃদ্ধির পাশাপাশি অনেক বণ্যপ্রাণী ও পাখি, সরীসৃপ প্রাণী বৃদ্ধি পেয়েছে।
মাঝে মাঝে বনের পশু, পাখিগুলোকে রাস্তায় চলে আসতে দেখা যায়। অনেক দর্শনার্থী এগুলো দেখে আনন্দ পেয়ে থাকেন।
প্রায় প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন গাড়ি নিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যোনে ছুটে আসেন। বিশেষ করে জাতীয় দিবসগুলোতে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যোনে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। গত বছর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যোনে প্রবেশের টিকিট বিক্রি করে ১২ লাখ টাকা আয় করা হয়। এ বছর প্রায় ১৫ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন জানান, বণ্যপ্রাণীর খাবারের সংস্থানের জন্য ৪টি ফল বাগান করা হয়েছে। এ সব বাগান থেকে এখন পশু পাখি খাবার সংগ্রহ করে। এ বছরও ২৩০ হেক্টর জায়গায় ফল বাগান করা হবে। এছাড়া খরা মৌসুমে পশু পাখির পানি সংকট দেখা দেয়। এ সংকট মোকাবেলায় বনের ভিতরে জলাধার সৃষ্টি করা হয়েছে।
বণ্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ তানিয়া খান জানান, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে সাতছড়ি বনে গাছকাটা বন্ধ এবং বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণের কারণে এখন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যোনে অনেক বণ্যপ্রাণী বৃদ্ধি পেয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাস্থ্যসেবায় ভারতকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

২০১৬ সালে ভারতে স্বাস্থ্যসেবার মান ও সহজপ্রাপ্যতার সূচকে ভারত অর্জন করেছে ৪১.২। ১৯৯০ সালে তা ছিল ২৪.৭। গবেষণায় বলা হয়েছে, যদিও স্বাস্থ্যসেবার মান ও সহজপ্রাপ্যতার উন্নতির দিক দিয়ে এইচএকিউ সূচকের দ্রুত উন্নতি ঘটেছে ২০০০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে, তবু দেশটির সর্বোচ্চ ও সর্বনিন্ম পয়েন্ট অর্জনের ফারাক অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯০ সালে এই পার্থক্য ছিল ২৩.৪ পয়েন্ট। ২০১৬ সালে এই ব্যবধান দাঁড়ায় ৩০.৮ পয়েন্টে। এতে বলা হয়, সূচকে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট অর্জন করেছে গোয়া ও কেরালা। প্রত্যেকেই ৬০ পয়েন্টের বেশি পেয়েছে। অন্যদিকে সর্বনি¤œ পয়েন্ট পেয়েছে আসাম ও উত্তর প্রদেশ। এ দুটি রাজ্যের প্রতিটির অর্জন ৪০ এর নিচে। ১৯৫ টি দেশের মধ্যে সূচকের হিসাবে চীনের অবস্থান ৪৮তম। শ্রীলংকা রয়েছে ৭১তম অবস্থানে। বাংলাদেশ ১৩৩তম ও ভুটান ১৩৪তম। তবে নেপাল (১৪৯তম), পাকিস্তান (১৫৪তম) ও আফগানিস্তানের (১৯১তম) চেয়ে ভাল অবস্থানে আছে ভারত। বিশ্বে ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা ও গুণগত মান ছিল যে পাঁচটি দেশে তারা হলো আইসল্যান্ড (৯৭.১ পয়েন্ট), নরওয়ে (৯৬.৬ পয়েন্ট), নেদারল্যান্ডস (৯৬.১ পয়েন্ট), লুক্সেমবার্গ (৯৬ পয়েন্ট), ফিনল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া (প্রত্যেকেই ৯৫.৯ পয়েন্ট করে)। সবচেয়ে কম স্কোর করেছে যেসব দেশ তার মধ্যে রয়েছে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (১৮.৬ পয়েন্ট), সোমালিয়া (১৯.০ পয়েন্ট), গিনি বিসু (২৩.৪ পয়েন্ট), চাদ (২৫.৪ পয়েন্ট) ও আফগানিস্তান (২৫.৯ পয়েন্ট)। গবেষণা অনযায়ী, ভারত যেসব রোগ মোকবিলায় দুর্বল পারফরমেন্স দেখিয়েছে তা হলো টিবি বা যক্ষা, রিউমেটিক হার্ট ডিজিজ, ইসাইমিক হার্ট ডিজিজ, স্ট্রোক, মূত্রাশয়ের ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, কিডনি সংক্রান্ত জটিল রোগ ও অন্যান্য। গবেষণায় বলা হয়েছে, এই রিপোর্ট এটাকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে যে, সমস্ত সার্ভিস এরিয়া ও জনগণের জন্য গুণগত স্বাস্থ্যসেবার মান ও সহজপ্রাপ্যতা জরুরি ভিত্তিতে উন্নতি করতে হবে। তা নাহলে যে স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক খাত ও যেসব রোগ স্থানীয় জনগণ বয়ে বেড়াচ্ছেন তার ব্যবধান অনেক বাড়বে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজা ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলায় ২০১৪ সালের ‘যুদ্ধস্মৃতি’

ইসরায়েলের দাবি, হামাসের হামলায় তাদের তিনজন সেনা আহত হয়েছেন। গাজা উপত্যকা থেকে এসব রকেট হামলা করা করা হয়। ইসলামিক জিহাদ ও হামাস এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইসরায়েলের অবরোধের জবাবে তারা এই হামলা চালিয়েছে। সম্প্রতি ফিলিস্তিনে বেশ কয়েকবার ইসরায়েলের চালানো হামলার জবাব দিয়েছে তারা।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, হামাস ও ইসলামিক জিহাদের স্থাপনা লক্ষ্য করে ৫৫টি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তবে ইসরায়েলের হামলায় এখনও কোনও হতাহতের কথা জানা যায়নি।
ইসরায়েলি গোয়েন্দাবিষয়ক মন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ বলেন, ‘যুদ্ধের খুব কাছাকাছি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যদি গুলি চলতেই থাকে তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’
ইসলামিক জিহাদের দাউদ সাহাব বলেন, মিসরের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছেন। তার দাবি, ইসলামিক জিহাদ সহিংসতা চায়নি। ইসরায়েলের দোষেই এমনটা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যদি ইসরায়েল চুপ থাকে এবং সবধরনের আগ্রাসন থাকে, তবেই আমরা শান্ত হবো।’
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জোনাথান কনরিকাস বলেন, ২০১৪ সালের পর এটাই সবচেয়ে বড় হামলা। সেনাবাহিনীর দাবি, মঙ্গলবার ৭০টির বেশি হামলা চালিয়েছিলা হামাস ও ইসলামিক জিহাদ। অনেকগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে ইসরায়েল। বাকিগুলো খালিস্থানে আঘাত এনেছে। একটি রকেট কিন্ডারগার্টেনের মধ্যে পড়লে এর দেয়াল ধসে যায়। এক ঘণ্টা পরই স্কুলটি খোলার কথা ছিল।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সম্প্রতি সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে। গত মার্চ থেকে ফিলিস্তিনিদের ছয় সপ্তাহের মার্চ অব রিটার্ন আন্দোলন চলার সময় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১১৮ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনিরাও ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক হামলা অব্যাহত রেখেছে। ইসরায়েলের গুলি চালানোর নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তবে ইসরায়েলের দাবি, নিহতরা সবাই সন্ত্রাসী।
হামাসের এক মুখপাত্র বলেন, এটি ইসরায়েলের আগ্রাসনের স্বাভাবিক জবাব। তিনি বলেন, ‘আমাদের রক্ত সস্তা না।’ ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইসরায়েলেরে আগ্রাসনই প্রমাণ করে যে তারা শান্তি চায় না।
এদিকে হামাসের রকেট হামলা নিয়ে বুধবার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ। যুক্তরাষ্ট্র চায় জাতিসংঘ যেন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালে বলেন, ‘ফিলিস্তিনি থেকে ছোড়া মরটার কিন্ডারগার্টেনসহ বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত এনেছে। নিরাপত্তা পরিষদের এই নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ফিলিস্তিনির নেতাদের দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’
গাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলের নিক্ষেপ করা একটি মিসাইলের অংশ স্কুলে এসে পড়ে। হামলায় চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ দূত নিকোলায় ম্লাদেনোভ বলেন, এই পরিস্থিতিতে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন তিনি।
মঙ্গলবার গাজা উপত্যকায় একটি ফিলিস্তিনিবাহী নৌকা আটক করে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলি সমুদ্র অবরোধের জবাবে ওই নৌকা চালাচ্ছিল ফিলিস্তিনিরা। সেনাবাহিনী জানায়, কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ছাড়াই নৌকাটি জব্দ করে তারা। সেখানে ১৭ জন যাত্রী ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় এবার আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো হচ্ছে by দীন ইসলাম

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 31
(17)
- ইসরাইলে গাইবেন না শাকিরা
- প্রতিবন্ধী মিলনের স্বপ্ন পূরণ নিয়ে সংশয় by আবু সাঈ...
- কৃষকের ভরসা ‘ডোল’ by মো. আতাউর রহমান
- যমুনার দুর্গম চরে বাদাম চাষ by সাগর বসাক
- সরব প্রচারণা আওয়ামী শিবিরে মাঠ গোছাচ্ছেন বুলবুল by...
- বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন মূল্যায়ন
- ২৯টি মাস যদি ফিরে পেতাম আরিফের আক্ষেপ by চৌধুরী মু...
- ঢাকার চার নদীর তীরে অবকাঠামো নির্মাণের চার কারণ by...
- রাজধানীর ‘জলাবদ্ধতা’ কোনো সুখবর নেই by সুদীপ অধিকারী
- আপনারা কিং ফিশদের ধরতে পারেন না -বেসিক ব্যাংক মামল...
- প্রেসিডেন্টের ক্ষমায় মুক্ত জোসেফ তোলপাড়
- বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে বার্নিকাটের উদ্বেগ
- সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
- নির্ঘুম পতাকা-শ্রমিকরা
- লবিস্ট রেখে নোবেল পাওয়ার ইচ্ছা নেই
- ‘বিদ্যুৎ ও পানির সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন খালেদা’
- এবারও বিশেষ ট্রেন বরাদ্দের বাইরে রংপুর: দুর্ভোগ বা...
-
►
May 30
(21)
- তাহলে কি আমি অভিযান বন্ধ করে দেবো: শেখ হাসিনার প্রশ্ন
- ফিলিস্তিনের পক্ষে কেন সোচ্চার শিখ তরুণরা? by জসপ্র...
- সাতছড়িতে পর্যটক টানতে ট্রি এডভেন্সার by রাজীব দেব ...
- স্বাস্থ্যসেবায় ভারতকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ
- গাজা ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলায় ২০১৪ সালের ‘য...
- ঢাকায় এবার আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো হচ্ছে by দীন ইসলাম
-
▼
May 31
(17)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
