Sunday, April 12, 2026
আলোকচিত্রে দুই কবির অদেখা জীবন
বাংলার কাব্যের দুই
অনন্য কীর্তিমান কবির এমন অনেক দুর্লভ মুহূর্ত এবার দর্শকদের সামনে
উন্মোচিত করলেন নাসির আলী মামুন তাঁর ‘ফটোজিয়াম: লাইফ অব পোয়েট্রি’ নামের
প্রদর্শনীতে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রসেঁজের লা
গ্যালারিতে শুরু হয়েছে এই দুই সপ্তাহের প্রদর্শনী। চলবে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত।
প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রদর্শনী খোলা থাকবে।
কবি
শামসুর রাহমান ও কবি আল মাহমুদের কাব্যকৃতি নিয়ে যেমন কাব্যানুরাগী ও
বিদগ্ধজনের মধ্য রয়েছে বিপুল মুগ্ধতা, তেমনি এই দুই কবির মধ্যে রাজনৈতিক
বিশ্বাস, মত–পথ নিয়ে পারস্পরিক দূরত্বের বিষয়টিও অনেকে অনেক রকমভাবে ভেবে
থাকেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ব্যাপারটা কেমন ছিল, সেদিকেই আলোকপাত করলেন
প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন
করে তিনি বলেন, ‘শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ নিজেরা নিজেদের মধ্যে যত না
দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন, তার চেয়ে বেশি দূরত্ব তৈরি করেছি আমরা তাঁদের
ভক্ত–অনুরাগীরা।’
আলোচনার শুরুতে দুই কবির কাজের তুলনামূলক আলোচনা
করে মতিউর রহমান বলেন, শামসুর রাহমান ঢাকা শহরে বেড়ে উঠছেন; নগরজীবন,
নাগরিক চেতনা তাঁর কাব্যে নান্দনিকভাবে রূপায়িত হয়েছে। অন্যদিকে আল মাহমুদ
এসেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্রাম থেকে। গ্রামীণ প্রকৃতি, প্রকৃতিলগ্ন
মানবজীবনের মহিমাকেই তিনি তাঁর কবিতার অবলম্বন করে তুলেছেন। প্রথম দিকে
তিনি প্রগতিশীল রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন, পরে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতার
আস্থাশীল হয়েছেন। অপর দিকে শামসুর রাহমান জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা,
আন্তর্জাতিকতাবাদ—এসব মতাদর্শ ধারণ করেছেন।
প্রথম আলো সম্পাদক বলেন,
‘মুক্তিযুদ্ধকে তাঁরা দুজনই কবিতায় তাঁদের মতো করে উপস্থাপন করেছেন।
কিন্তু আমরা কোনো বিশেষ কারণে তাঁদের মধ্যে পার্থক্য করে শামসুর রাহমানকে
এগিয়ে রেখেছি। তাঁর প্রতি যতটা প্রশ্রয় ও পক্ষপাত করেছি, ততটা আল মাহমুদের
ক্ষেত্রে করিনি।’
মতিউর রহমান আরও বলেন, এমন পক্ষপাত শিল্পকলার
ক্ষেত্রেও দেখা গেছে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান, মোহাম্মদ
কিবরিয়ার প্রতি যেমন প্রাধান্য ও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে; ততটা এস এম সুলতানের
প্রতি দেওয়া হয়নি। তিনি মফস্সলে থাকতেন। তাঁকে একরকম আড়াল করার চেষ্টা তো
ছিলই। এ ধরনের পক্ষপাত আসলে সার্বিক বিচারে আমাদের শিল্প-সাহিত্যের জন্যই
ক্ষতিকর হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথম আলোতে আরও বেশি ভিন্নমত,
যুক্তিতর্কের বিষয়কে উপস্থাপন করতে চাই। শুধু শিল্প–সাহিত্য ও সৃজনশীলতার
জন্যই নয়; দেশের সার্বিক অগ্রগতির জন্যই এই মুক্ত পরিবেশ ও পরমতসহিষ্ণুতা
প্রয়োজন।’
আলোচনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিল্পী মনিরুল
ইসলাম বলেন, নাসির আলী মামুন দীর্ঘদিন থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিকৃতির
ছবি তুলছেন। কাজটি বেশ কঠিন। এটা কেবল ক্যামেরার শাটারে চাপ দেওয়া না।
আলোকচিত্রের মাধ্যমে সেই ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করাটাই সার্থক
পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফারের কৃতিত্ব। তিনি এ ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জন
করেছেন।
ফরাসি রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শার্লেট বলেন, বাংলা
সাহিত্যের দুই প্রধান কবির আলোকচিত্র নিয়ে এই প্রদর্শনীতে কবিতা, সাহিত্য ও
আলোকচিত্রের মধ্য একটি নিবিড় সংযোগের সৃষ্টি হয়েছে।
নাসির আলী
মামুন বলেন, তিনি স্বাধীনতার পর থেকেই এই দুই কবির সঙ্গে যোগাযোগ
রেখেছিলেন। ক্যামেরা ছিল এই যোগাযোগের মাধ্যম। দেশে ও দেশের বাইরে, ভারতের
শান্তিনিকেতনে তিনি এই দুই কবির সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন। তিনি লক্ষ করেছেন, দুই
কবির মধ্যে কথাবার্তা হতো না। তিনি তাঁদের মধ্য এই দূরত্ব ঘোচাতে উদ্যোগী
হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে শামসুর রাহমানের বাড়িতে আল মাহমুদকে নিয়ে গিয়ে তাঁদের
সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন।
নাসির আলী মামুন বলেন, তাঁর কাছে আরও বহু
দুর্লভ ছবি ও নিদর্শন রয়েছে। এগুলো নিয়ে তিনি ‘ফটোজিয়াম’ নামের একটি
সংগ্রহশালা করতে চান। এ জন্য তিনি সবার সহায়তা কামনা করেছেন।
স্বাগত
বক্তব্য দেন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের পরিচালক সাঁজোয়া শম্ভো। তিনি বলেন, এ বছর
আলোকচিত্রের ২০০ বছর পূরণ হচ্ছে। এমন একটি সময়ে বাংলাদেশের দুই প্রধান
কবিকে নিয়ে এমন একটি ব্যতিক্রমী আলোকচিত্র প্রদর্শনী করতে পেরে তাঁরা
আনন্দিত।
দুই কবির দুই ভুবন
প্রদর্শনীতে আলোকচিত্র
রয়েছে ৫৮টি। অধিকাংশই সাদাকালো। সেখানে দুই কবির তরুণ থেকে বৃদ্ধ বয়সের
নানা রকমের প্রতিকৃতি রয়েছে। আছে অনেক ঘরোয়া জীবনের পরিবার–পরিজনের সঙ্গে
অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর মুহূর্ত। ফলে দর্শকেরা দুই কবির বেড়ে ওঠার পাশাপাশি
তাঁদের জীবনযাপনের বিষয়েও অনেক ধারণা পাবেন। শামসুর রাহমানের কবিতা, লেখা,
চুল আঁচড়ানো, মুখে শেভিং ক্রিম মাখিয়ে ক্ষৌরকর্মের প্রস্তুতি, স্ত্রীর
সঙ্গে পাশাপাশি বসে থাকা, রিকশায় পুরান ঢাকার রাস্তায়—এমন অনেক দৃশ্য দেখতে
পাবেন দর্শকেরা।
আল মাহমুদকে পাওয়া যাবে তাঁর গ্রামে দেহাতি
মানুষদের সঙ্গে, মমতাময়ী মায়ের নিবিড় সান্নিধ্যে, গভীর কাব্যভাবনায় গভীর
নিমগ্ন হয়ে থাকার মুহূর্ত, স্ত্রী ও নাতি–নাতনিদের সঙ্গে পারিবারিক
পরিবেশে।
প্রদর্শনীতে দর্শকেরা আরও দেখতে পাবেন দুই কবি একসঙ্গে
মেতেছেন আড্ডায়, খাওয়াদাওয়া করছেন, করমর্দন করছেন পরস্পরের উষ্ণ হৃদ্যতায়।
এই ছবিগুলো নতুন করে ফিরিয়ে আনবে তাঁদের অনুরাগীদের মনে। কবিরা সশরীর নেই
কিন্তু তাঁদের কাব্যকৃতি মহাকালের পাতায় অক্ষয় হয়ে আছে।
| প্রদর্শনীর একটি ছবিতে আল মাহমুদ নামাজে দাঁড়িয়েছেন শামসুর রাহমানের শ্যামলীর বাসভবনের কক্ষে। ২০০৪ সালের অক্টোবরে আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের তোলা। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৭০০০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরছে মিশরের গ্র্যান্ড মিউজিয়াম
বিখ্যাত মিশরবিদরা মনে করছেন, এই জাদুঘরের উদ্বোধন তাদের সেই দাবিকে আরও জোরালো করবে যে, মিশরের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নবস্তুগুলো, যেগুলো বিদেশে সংরক্ষিত, সেগুলো ফেরত দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে লন্ডনের বৃটিশ মিউজিয়ামে থাকা বিখ্যাত রোজেটা স্টোন। জিইএমের প্রধান আকর্ষণ হলো তরুণ রাজা তুতানখামেনের অক্ষত সমাধির সম্পূর্ণ উপাদান, যা প্রথমবারের মতো একসাথে প্রদর্শিত হচ্ছে। এতে রয়েছে তুতানখামেনের সোনার মুখোশ, সিংহাসন ও রথসহ হাজারো ঐতিহাসিক নিদর্শন। জিইএমের সাবেক প্রধান ও আন্তর্জাতিক মিশরবিদ সমিতির সভাপতি ড. তারেক তৌফিক বলেন, আমি ভেবেছিলাম কীভাবে তাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা যায়। ১৯২২ সালে সমাধি আবিষ্কারের পর প্রায় ৫৫০০ নিদর্শনের মধ্যে মাত্র ১৮০০টি প্রদর্শিত হয়েছে। এবার আমরা সম্পূর্ণ সমাধিটি প্রদর্শন করছি। কিছুই গুদামে বা অন্য কোনো জাদুঘরে থাকবে না। দর্শকরা হাওয়ার্ড কার্টারের মতোই পুরো অভিজ্ঞতা পাবেন।
প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই বিশাল জাদুঘর বছরে ৮ মিলিয়ন দর্শক আকর্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা মিশরের পর্যটন খাতে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে আনবে। গিজার পিরামিড এলাকার পর্যটক গাইড ও আগ্রহী মিশরবিদ আহমেদ সেদ্দিক বলেন, আমরা আশা করি গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়াম মিশরবিদ্যা ও সাংস্কৃতিক পর্যটনের এক নতুন সোনালী যুগ সূচনা করবে। এর পাশাপাশি, ৪৫০০ বছর পুরোনো খুফুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার নৌকা ও অন্যান্য রাজবংশীয় নিদর্শনও এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমি আংশিকভাবে খোলা অবস্থাতেও এখানে বহু ট্যুর আয়োজন করেছি। এখন এটি হবে তার গৌরবের শীর্ষে। তুতানখামেন সংগ্রহ খুলে গেলে পুরো বিশ্ব এখানে ছুটে আসবে, কারণ তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত ফারাও।
স্পেনের পর্যটক রাউল বলেন, এটা অবশ্যই দেখা উচিত। আমরা ৪ঠা নভেম্বরে পূর্ণ উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছি। লন্ডনের পর্যটক স্যাম বলেন, আমরা শুধু সব মিশরীয় নিদর্শন দেখার অপেক্ষায়। জীবনে একবারই এমন সুযোগ আসে। একজন বৃটিশ পর্যটক যোগ করেন, তাহরির স্কোয়ারের পুরোনো জাদুঘরটা খুবই বিশৃঙ্খল ছিল। নতুন মিউজিয়ামটা নিশ্চয়ই অনেক সুন্দরভাবে সাজানো। এখানে এসে ইতিহাসকে আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যাবে।
৫ লাখ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত জিইএমের বাইরের অংশে খোদাই করা রয়েছে হায়ারোগ্লিফ ও অ্যালাবাস্টার, যার প্রধান প্রবেশদ্বারটি পিরামিড আকৃতির। এখানে অন্যতম আকর্ষণ হলো ৩২০০ বছর পুরোনো ১৬ মিটার লম্বা রামসেস দ্বিতীয়ের ওবেলিস্ক এবং তার ১১ মিটার উচ্চতার বিশাল মূর্তি। ২০০৬ সালে কায়রোর রেলস্টেশন এলাকা থেকে জটিল প্রক্রিয়ায় মূর্তিটি স্থানান্তর করা হয়।
মিউজিয়ামটি প্রথম প্রস্তাবিত হয় ১৯৯২ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের শাসনামলে। ২০০৫ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। আরব বসন্ত, অর্থনৈতিক সংকট, কোভিড-১৯ মহামারি ও আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে প্রকল্পটি প্রায় পিরামিড নির্মাণের সমান সময় নিয়েছে সম্পূর্ণ হতে। প্রবীণ প্রত্নতাত্ত্বিক ও মিশরের সাবেক পর্যটন ও প্রত্নসম্পদমন্ত্রী ড. জাহি হাওয়াস বলেন, এটি ছিল আমার স্বপ্ন। অবশেষে মিউজিয়ামটি খুলে গেছে দেখে আমি গর্বিত। এটি প্রমাণ করে মিশরীয়রাও এখন প্রত্নতত্ত্ব, সংরক্ষণ ও জাদুঘর পরিচালনায় বিদেশিদের সমান দক্ষ। তিনি আরও বলেন, এখন আমি চাই দুইটি জিনিস। প্রথমত, জাদুঘরগুলো যেন চুরি করা নিদর্শন কেনা বন্ধ করে। দ্বিতীয়ত, তিনটি জিনিস মিশরে ফিরিয়ে আনা হোক- রোজেটা স্টোন (বৃটিশ মিউজিয়াম থেকে), দ্য জোডিয়াক (ল্যুভর, ফ্রান্স) এবং নেফারতিতির বক্ষমূর্তি (বার্লিন থেকে)। ড. হাওয়াস ইতিমধ্যে এই তিনটি প্রত্নবস্তু ফেরতের দাবিতে অনলাইন পিটিশন চালু করেছেন। এতে এরই মধ্যে শতসহস্র মানুষ স্বাক্ষর করেছে।
রোজেটা স্টোন (১৭৯৯ সালে আবিষ্কৃত) হায়ারোগ্লিফিক লিপি পাঠোদ্ধারে মূল চাবিকাঠি ছিল। এটি ফরাসি বাহিনী আবিষ্কার করে এবং পরে বৃটিশরা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হিসেবে নিয়ে যায়। ১৮২১ সালে ফরাসিরা দেন্দেরার হাথোর মন্দির থেকে দ্য জোডিয়াক সরিয়ে নেয় এবং শতাব্দীরও বেশি আগে জার্মানরা গোপনে নিয়ে যায় নেফারতিতির মূর্তি। ড. হাওয়াস বলেন, আমরা চাই এই তিন দেশ সৌজন্যবশত এগুলো ফিরিয়ে দিক উপহার হিসেবে, যেমন মিশর পৃথিবীকে অনেক উপহার দিয়েছে। অন্য শীর্ষ মিশরবিদ ড. মনিকা হান্না’ও এই তিনটি বস্তু ফেরতের পক্ষে। তিনি বলেন, জিইএম আসলে বিশ্বের কাছে এই বার্তা দেয় যে মিশর এখন প্রস্তুত। আমরা আমাদের ঐতিহ্য ফেরত চাই সঠিক কূটনৈতিক পথে। বৃটিশ মিউজিয়াম বিবিসিকে জানিয়েছে, তারা মিশর সরকারের কাছ থেকে রোজেটা স্টোন ফেরত চাওয়া বা ধার নেয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পায়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রথম সপ্তাহে ৪০০ কোটি টাকা আয়, যে সব রেকর্ড ভাঙল ‘গদার টু’
২০০১ সালে মুক্তি পেয়েছিল অনিল
শর্মা পরিচালিত ‘গদার: এক প্রেম কথা’। সেই সময় বক্স অফিসের অনেক পুরোনো
রেকর্ড ভেঙে ফেলেছিল এই ছবি। দর্শক ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন তারা-সাকিনার
জুটিকে।
দীর্ঘ ২২ বছর পর আবার একই ছবি ধরা পড়ছে সর্বত্র। এই
সিকুয়েল ছবিকে ঘিরে দর্শকের মধ্যে একই উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। বক্স অফিসে
রেকর্ড ভাঙা-গড়ার নেশায় মেতে উঠেছে ‘গদার টু’।
মুক্তির প্রথম
সপ্তাহে ছবিটি ২৮৪ কোটির বেশি আয় করেছে। দ্বিতীয় শুক্রবারে সানির এই ছবি
আবার বড়সড় লাফ দিয়েছে। মুক্তির অষ্টম দিনে প্রায় ২০ কোটির মতো আয় করেছে
ছবিটি।
৮ দিনের মাথায় ‘গদার টু’ বক্স অফিস থেকে ৩০৩ কোটির বেশি আয়
করেছে। সবচেয়ে দ্রুত ৩০০ কোটি ক্লাবের ছবিগুলোর তালিকায় এই সিকুয়েল ছবির
নাম জুড়ে গেছে।
এখন পর্যন্ত শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ সবচেয়ে দ্রুত ৩০০
কোটি রুপি আয় করা ছবি। মাত্র ৬ দিনে কিং খানের এই ছবি ৩০০ কোটি পার করে
ফেলেছিল, ‘গদার টু’ পার করেছে ৮ দিনে। দক্ষিণ ভারত ও হিন্দি বলয়ে সবচেয়ে
সাড়া ফেলেছিল ‘বাহুবলি টু’ ও ‘কেজিএফ টু’। প্রথমটি ১০ দিনে ৩০০ কোটি
ক্লাবের সদস্য হয়েছিল। দ্বিতীয়টির সময় লাগে ১১ দিন। এসব ছবির পর উঠে আসে
আমির খানের ‘দঙ্গল’ ছবির নাম। আমিরের এই ছবির ৩০০ অঙ্ক পার করতে ১৩ দিন সময়
লেগেছিল।
মাত্র ৮ দিনে ‘গদার টু’ বলিউডের সেরা ১০ ছবির তালিকায় চলে
এসেছে। এখন পর্যন্ত এই ছবি আয়ের দিক থেকে অষ্টম স্থানে আছে।
বাণিজ্যবিশেষজ্ঞদের মতে, সানির এই ছবি খুব দ্রুত সবাইকে ছাপিয়ে যাবে।
অনিল শর্মা পরিচালিত ‘গদার টু’ ছবিতে সানি ছাড়া আছেন আমিশা প্যাটেল, উৎকর্ষ শর্মা, সিমরাত কাউর, মনীষ ওয়াধওয়াসহ আরও অনেকে।
![]() |
| ‘গদর টু’র ট্রেলার মুক্তি অনুষ্ঠানে সানি দেওল ও আমিশা প্যাটেল। প্রযোজনা সংস্থার সৌজন্যে |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুধু ইরান নয়, আমেরিকার বিরুদ্ধেও ইসরায়েলের যুদ্ধ এটি by হামিদ দাবাশি
শুরুতে আমি একটা বিষয় বলে দিতে চাই, যা
আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী মনে হতে পারে। ইরানে যে যুদ্ধকে
‘ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের’ বলা হচ্ছে, এটি মূলত একটি জায়নবাদী প্রোপাগান্ডা।
যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বব্যাপী এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অবস্থানকে
স্তব্ধ করার প্রচেষ্টায় এমন নামকরণ করা হয়েছে।
আসলে এটি ইরান ও
যুক্তরাষ্ট্র—উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই একটি ইসরায়েলি যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্র
বলতে আমি এখানে সেই বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ আমেরিকানদের বোঝাচ্ছি, যাঁরা এই
যুদ্ধের বিরোধী, যাঁরা নিজ দেশের ভেতরে এই ইসরায়েলি আক্রমণের শিকার।
ইসরায়েল
ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থাকা ইসরায়েলি স্বার্থ রক্ষাকারী গোষ্ঠী মনে করে
তারা এই যুদ্ধকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইসরায়েলি-মার্কিন’ জোটের যুদ্ধ হিসেবে
বিশ্বের কাছে বিক্রি করতে পারবে, কিন্তু তারা তাতে সফল হবে না।
সতর্কভাবে
লক্ষ করুন কীভাবে নিউইয়র্ক টাইমস ও তাদের অনুসারী মার্কিন
সংবাদমাধ্যমগুলো যুদ্ধবিরোধী সমালোচনাগুলোকে প্রকৃত অপরাধী ইসরায়েল ও এর
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর না ফেলে বরং মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে কেন্দ্রীভূত করে মার্কিন নাগরিকদের
বিভ্রান্ত করছে। এর মাধ্যমে তারা এই যুদ্ধ শুরু করা গণহত্যাকারী
জায়নবাদীদের দিক থেকে মানুষের ক্ষোভের দৃষ্টি বিকারগ্রস্ত প্রেসিডেন্টির
দিকে ফেলতে উৎসাহিত করেছে। এই যুদ্ধ ইসরায়েল ও নেতানিয়াহু শুরু
করেছেন—ট্রাম্প নন, অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরাও নন।
এটি এমন
এক যুদ্ধ যা ইসরায়েল একই সঙ্গে ইরান এবং এ যুদ্ধবিরোধী বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ
মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালনা করেছে। অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক
তাঁদের দেশকে ইসরায়েলের শ্বাসরুদ্ধকর কবজা থেকে মুক্ত দেখতে চান। এই
সেটেলার কলোনি বা বসতি স্থাপনকারী উপনিবেশের কল্যাণে অর্থায়ন করতে নিজেদের
অধিক মূল্য দিতে হচ্ছে এসব মার্কিন নাগরিককে।
গণহত্যাকারী জায়নবাদ
থেকে সরে আসার যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন মার্কিন রাজনীতিতে ঘটছে, তার বিরুদ্ধে
ইসরায়েলপন্থী লবি গ্রুপগুলোর যুদ্ধের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত ইরানের
ওপর এই ইসরায়েলি যুদ্ধ।
নেতানিয়াহু কয়েক দশক ধরে এই যুদ্ধের
স্বপ্ন দেখে আসছেন এবং অবশেষে তিনি ট্রাম্পকে ইরানের ওপর আক্রমণে যোগ দিতে
প্ররোচিত করতে সফল হয়েছেন। ওভাল অফিসের সেই স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিকে
তিনি নিপুণভাবে প্ররোচিত করতে সক্ষম হন। ট্রাম্প স্পষ্টতই এই বোকামি থেকে
বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছিলেন, কিন্তু তিনি এতটাই নির্বোধ ও অহংকারী যে কীভাবে
তা করতে হবে তা স্বীকার করতে চাইছিলেন না।
ইসরায়েলের কথামতো কাজ
করে ট্রাম্প কার্যত মার্কিন বাহিনীকে একটি ‘প্রক্সি ফোর্স’ বা ছায়া
বাহিনীতে পরিণত করেছেন তথা কাপুরুষ সেটলার কলোনির একটি ব্যক্তিগত
সেনাবাহিনীতে পরিণত করেছেন। লাখ লাখ মার্কিন নাগরিক এই ঐতিহাসিক দাসত্বের
বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন। তাঁরা তাঁদের দেশ ফেরত চায়।
যুক্তরাষ্ট্রের
রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী
আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কোর্তেজ সম্প্রতি বলেছেন, তিনি ইসরায়েলকে সব ধরনের
সামরিক সহায়তা—এমনকি রক্ষণাত্মক সহায়তাও—দেওয়ার বিরোধিতা করবেন।
এই
প্রবণতা রিপাবলিকান পার্টির মাগা (মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন) আন্দোলনের
মধ্যেও বিস্তৃত হচ্ছে; টাকার কার্লসন, নিক ফুয়েন্তেস ও ক্যান্ডেস
ওয়েন্সের মতো জনপ্রিয় ভাষ্যকার ও বিশ্লেষকদের বক্তব্য শুনলেই তা বোঝা যায়।
আর,
ইসরায়েলি ও মার্কিন বোমারু বিমানগুলোর ইরানের স্কুল, হাসপাতাল, কারখানা,
সেতু এবং একটি সার্বভৌম জাতির অন্যান্য অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা
লাখ লাখ মার্কিনকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে।
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের
এই যুদ্ধ কেন? উত্তরগুলো সহজ ও স্বতঃসিদ্ধ: প্রথমত, এর মাধ্যমে গাজায়
তাদের গণহত্যা, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ভূমি দখল ও লেবাননে যুদ্ধাপরাধ থেকে
বিশ্ববাসীর দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়া।
কিন্তু সর্বোপরি ফিলিস্তিনি,
লেবানিজ, সিরিয়ান ও ইরানিদের বিরুদ্ধে—এবং প্রকৃতপক্ষে পুরো অঞ্চলের
বিরুদ্ধে—এই নৃশংস যুদ্ধগুলো তাদের ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ বা বৃহত্তর ইসরায়েল
তৈরির বিভ্রান্তিকর পরিকল্পনার অংশ।
অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক এই
যুদ্ধের বিরুদ্ধে, কিন্তু অধিকাংশ ইসরায়েলি এই যুদ্ধের সমর্থনকারী। এর
মানে মূলত এটি একটি ইসরায়েলি যুদ্ধ—কোনো ‘মার্কিন–ইসরায়েলি’ যুদ্ধ নয়।
ট্রাম্প
ও তাঁর জায়নবাদী কুশীলবেরা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনকে
স্তব্ধ করার জন্য ভিন্নমতাবলম্বী কণ্ঠস্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও
লাখ লাখ মার্কিন নাগরিক—বাম, ডান ও মধ্যপন্থী—এই যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন।
ফক্স নিউজ ও নিউইয়র্ক টাইমসের প্রোপাগান্ডা সত্ত্বেও প্রকাশ করেছেন—তাঁরা
তাঁদের সন্তানদের ইসরায়েলের হয়ে যুদ্ধ করতে পাঠাতে ক্লান্ত।
ইরানের
ওপর ইসরায়েলি যুদ্ধ মূলত মার্কিনদের ওপর তাদের বৃহত্তর যুদ্ধেরই অংশ।
ইসরায়েল নীতিমান ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ একটি পুরো মার্কিন প্রজন্মকে হারিয়েছে।
যে সংবাদমাধ্যম এবং লবি গ্রুপগুলো ইসরায়েলকে সমর্থন করে যাচ্ছে, তারাও
ইসরায়েলের সঙ্গে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। তারা ভেবেছিল
ইসরায়েলের সমালোচক নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও বিক্ষোভকারীদের ওপর
‘ইহুদিবিদ্বেষ’–এর জঘন্য অপবাদ ছুড়ে দিয়ে ভিন্নমতের নৈতিক কণ্ঠস্বরকে
স্তব্ধ করতে পারবে। কিন্তু মার্কিন এই প্রজন্ম আর কখনোই প্রতারিত হবে না।
ইসরায়েল
এই উভয় যুদ্ধেই হারছে। হ্যাঁ, নেতানিয়াহু একটি পরাশক্তিকে প্ররোচিত করে
গাজায় গণহত্যার মডেলে এই যুদ্ধে যোগ দিতে ও গাজার গণহত্যার মডেলে ইরানি
শিশুদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালাতে বাধ্য করেছেন, যা প্রমাণ করে যে পুরো
জায়নবাদী প্রকল্পটি ইউরোপীয় বর্বরতার একটি নিদর্শন। কিন্তু ইরান এখনো
মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এবং কঠিন আঘাতের পর ঘুরে দাঁড়ানো ও অটল
প্রতিরোধের জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।
ইসরায়েল আমেরিকান
ফ্রন্টেও হেরেছে। একের পর এক জরিপ ও একের পর এক প্রতিবাদ দেখাচ্ছে যে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েল যা করেছে, এর জন্য ইহুদি রাষ্ট্রটিকে ঘৃণা
করে আমেরিকার জনগণ। প্লেগ থেকে দূরে থাকার মতো রাজনৈতিক প্রার্থীরা আজ
ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো সম্পর্ক এড়িয়ে চলছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের
স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মার্কিনরা এই গ্রীষ্মে
কেবল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকেই নয়, বরং ফিলিস্তিনের মাঝখানে ব্রিটিশ
ঔপনিবেশিক কর্তৃক সৃষ্ট ইসরায়েল থেকেও তাদের মুক্তির উৎসব উদ্যাপন করবে।
* হামিদ দাবাশি, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরানি স্টাডিজ ও তুলনামূলক সাহিত্যের অধ্যাপক।
- মিডল ইস্ট আই থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত ও ঈষৎ সম্পাদিত অনুবাদ: রাফসান গালিব
![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: এএফপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম খায় কোন দেশের মানুষ by বিজয় মজুমদার
গড়ে প্রতিজন হিসাব করলে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকেরা বছরে সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম খান। বছরে প্রায় ৭ দশমিক ৫ গ্যালন আইসক্রিম খান তাঁরা। মানে গড়ে ২৮ দশমিক ৩৯ লিটার।
আইসক্রিমের জন্য
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন ভীষণ আইসক্রিমপ্রেমী ছিলেন। ১৭৯০ সালের গ্রীষ্মে তিনি আইসক্রিম খাওয়ার জন্য ২০০ ডলার ব্যয় করেছিলেন, বর্তমান মুদ্রায় যার পরিমাণ হতো সাড়ে ৫ হাজার ডলার। আর বাংলাদেশি টাকায় সেটা হতো ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এস্কিমো স্পেশাল
আকুতাক হচ্ছে এস্কিমো আইসক্রিম। এটা বানানো হয় রেইনডিয়ার নামের হরিণের শরীরের চর্বি, সিল মাছের তেল, একদম তাজা বরফ ও তাজা বেরি ফল দিয়ে। অনেক সময় মোস বা এলক নামের একধরনের বিশালদেহী হরিণ কিংবা পোলার বিয়ার নামের ভালুকের মাংস দিয়েও আকুতাক বানানো হয়।
ভিন্ন স্বাদের আইসক্রিম
মাচা, রেড বিন, স্কুইড ইঙ্ক, সি উইড আইসক্রিমগুলো জাপানে খেতে পাওয়া যাবে। মাচা হচ্ছে গ্রিন টির আইসক্রিম, রেড বিন (একধরনের শিম), অক্টোপাস আইসক্রিম হচ্ছে স্কুইড ইঙ্ক আর সি উইড মানে হচ্ছে সামুদ্রিক শৈবালের আইসক্রিম। এ ছাড়া চিংড়ি, ঘোড়ার মাংস ও গরুর জিবের মতো ভিন্ন স্বাদের আইসক্রিমও সেখানে পাওয়া যাবে।
চাহিদায় মেলে কোন
১৯০৪ সালে আইসক্রিম কোন মানে কোন আইসক্রিম আবিষ্কৃত হয়। সেবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসে এক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে আইসক্রিমের চাহিদা এমন ছিল যে বিক্রেতারা বুঝে উঠতে পারছিলেন না, কীভাবে সেটাকে মানুষের হাতে দ্রুত ও সহজে তুলে দেওয়া যায়। তখন সেখানে সিরিয়ার এক ওয়েফার বিক্রেতা একটি সমাধান বের করেন। আর্নেস্ট এ হামুয়ি সে সময় ওয়েফারের মধ্যে আইসক্রিম রাখার প্রস্তাব দেন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল কোন আইসক্রিম।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ▼ 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

