Thursday, January 18, 2018
থমথমে নারায়ণগঞ্জ: আইভী ও শামীম ওসমান পাল্টাপাল্টি

যাদের কেন্দ্র করে মঙ্গলবারের তুলকালাম ঘটনা সেই হকাররা ঘোষণা দিয়েও গতকাল ফুটপাথে বসেনি। গতকাল পর্যন্ত নগরীর ফুটপাথ হকারমুক্তই ছিল। এদিকে মঙ্গলবার অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করতে যাওয়া নিয়াজুল ইসলামকে এখনো পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এ নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাসিক মেয়র আইভী ও সাধারণ মানুষ। ওদিকে ১২ জন সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনায় সন্ত্রাসী নিয়াজুলসহ জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাংবাদিকরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরের কয়েকটি পয়েন্টে অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডও। গতকাল দফায় দফায় আইভী ও শামীম ওসমানের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা তাদের সংঘাতে না জড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া পুরো বিষয় নিয়ে তাদের ঢাকায় ডাকা হতে পারে বলে দলীয়ভাবে জানানো হয়েছে।
হত্যার উদ্দেশে হামলা: আইভী
সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, মঙ্গলবার যে হামলা হয়েছে, তা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, নিকট আত্মীয় ভাই, ভাগ্নে ও ভগ্নিপতিসহ কাছের নেতাকর্মীদের মুখ দেখে দেখে হামলা করা হয়েছে। ইটবৃষ্টি ঝরানো হয়েছে। হামলার বিষয়ে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। বুধবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আইভী বলেন, হকারদের উচ্ছেদ ঘটনাটি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা বিকল্প ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু এরই মধ্যে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান অযাচিতভাবে হকার বসানোর ঘোষণা দিয়ে পরিবেশকে উত্তপ্ত করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারকে (এসপি) প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় থেকে আইভি বলেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রীয়তার কারণেই এই হামলা হয়েছে। যখন আমার ওপর ইটবৃষ্টি ঝরানো হচ্ছিল তখন পুলিশ কোথায় ছিল? এমন বিষয় ঘটতে পারে তা জানিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের সাবধানও করা হয়নি।
আইভী বলেন, মঙ্গলবার আমি তো হেঁটে হেঁটে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রেস ক্লাবের সামনে প্রেস ব্রিফিং করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ জানাতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু আমি তো আমার গন্তব্যে যেতেই পারলাম না, শুরু হলো অঝরে ইট-বৃষ্টির হামলা। আমি ঝগড়া করতে যাইনি, কারো বিপক্ষে কথা বলতে যাইনি, আমি শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কার্যক্রম প্রেসকে জানানোর পরে আবার ফিরে আসবো এমন প্রস্তুতিতে গিয়েছিলাম।
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন হকাররা ফুটপাথে বসবে না- এটা হাই কোর্টের রুল দেয়া আছে। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্বের রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে নারায়ণগঞ্জ আবার উত্তপ্ত হলো- এটা কেন? আপনি আরো বলেছেন, আপনাকে হত্যার জন্য এ আক্রমণ করা হলো। এবং নারায়ণগঞ্জের ডিসি এসপির ভূমিকা নিয়ে আপনি প্রশ্ন তুলেছেন এবং তাদের অপসারণ চেয়েছেন- এ ব্যাপারে আপনার অবস্থান কি। জবাবে আইভী বলেন, আমি এ কথা এখনো বলছি। আমার দুই গজ সামনে থেকে নিয়াজুল পিস্তল উঁচিয়ে আমাকে টার্গেট করেছে। এটা আপনারা সংবাদকর্মীরা সবাই দেখেছেন। আসলে দুই পরিবারকে এভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশের সব জেলায় বড় দলগুলোতে এ ধরনের ব্যবধান থাকে। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবেই। এই শহরে আমি কোনোদিনই আগ বাড়িয়ে লাগিনি। আমার কাজ হলো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনকে নিয়ে সারাদিন চিন্তা করা এবং জনগণের জন্য কাজ করা। এই শহরের মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটতে পারছে না এটাও তো আমার জন্য একটা ব্যর্থতা। এই সাধারণ মানুষ তো আমাকে ভোট দিয়েছেন।
তবে মানবিক দিক বিবেচনা করলে হকাররাও কাজ করে খান। কিন্তু তাদের পুনর্বাসনে তো আমরা হকার্স মার্কেট করে দিয়েছি। ঢাকায় উচ্ছেদের পর ঢাকার হকাররা যদি এসে নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা করে তাকেও আমার আশ্রয় দিতে হবে? সে জায়গা কোথায়?
রাজউকের যে জায়গায় টার্গেট করেছি সেগুলোও রাজউক বিক্রি করতে চাচ্ছে। আমি ওটা রেজিস্ট্রি করে রাখিনি। আমাকে ৪ আসনের এমপি মহোদয় তো বলতে পারতেন এখানে যে হকার্স মার্কেটটা আছে সেটা দশ তলা করা হোক। আমি আপনাকে সহযোগিতা করবো। এই প্রস্তাবতো আমাকে উনি দেননি।
তিনি বলেন, পারিবারিক ভাবে এখানে আমাদের মধ্যে কোনো সংঘর্ষ নেই। তবে মঙ্গলবার যারা আহত হয়েছে প্রত্যেকে আমার আত্মীয়। আমার একেবারে কাছের কর্মী। মুখ চিনে চিনে, দেখে দেখে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এটা আমার জন্য একটা দুঃখজনক ঘটনা। আমি মাইর খাইতে প্রস্তুত, কিন্তু আমার কর্মীরা মার খাবে এটা আমি কখনোই চাইনি। আমার বাবাও কর্মীদের সন্তানের মতো দেখতেন। মঙ্গলবার আমি আমার একজন কর্মীকেও আঘাত থেকে বাঁচাতে পারিনি।
অনেক পত্রিকায় বলা হয়েছিল আমি পড়ে গেছিলাম। আসলে আমি পড়ে যাইনি। আমি পরিস্থিতি দেখে বসে পড়েছিলাম। তখন পায়ে ইটের আঘাতে প্রচণ্ড ব্যথা পাই। আমি বসে পড়েছিলাম কারণ আমি ভেবেছিলাম আমার উপস্থিতিতে হয়তো ওরা বিশৃঙ্খলা করবে না। কিন্তু ওরা আমাকেই মারতে আসে। আর কর্মীদের কাউকে ডেকে আনিনি, আমি হাঁটতে বের হলে সবাই আমার সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে।
রাজনৈতিক আধিপত্য ঘিরে মঙ্গলবারের ঘটনা কিনা এমন প্রশ্নে আইভী বলেন, এটা বলতে পারেন না। কারণ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অংশগ্রহণ থাকলে আপনি তা বলতে পারতেন। কিন্তু এখানে তো মারলো এক পক্ষ। আর একপক্ষ মার খেলো।
আমি শান্তিপূর্ণভাবে প্রেস ব্রিফিংয়ের জন্য আসছিলাম। আর প্রেস ক্লাবের সামনে আসার পর আমার ওপর হামলা হলো, এখানে তো একপক্ষ থেকে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হলো। এখানে প্রভাব বিস্তারের কিছু নেই, ভাই। আমি সিটির মেয়র আর উনি আমার দলীয় এমপি। উনি একতরফাভাবে হামলা করলো। গতকালের (মঙ্গলবার) ঘটনার নেপথ্যে শামীম ওসমান। তিনি ঘটনাকে উসকে দিয়েছেন। উনি (শামীম ওসমান) এসপিকে ডিসিকে আদেশ করেছেন যে হকার বসবে। অনুরোধ নয়, আদেশ। আমরা তো যে জায়গা বিকল্প হিসেবে ঠিক করেছিলাম তা তো এমপি সেলিম ওসমানের এলাকা। তিনি চিঠি দিলেন আমি চিঠির উত্তর দিলাম। এটা আমরা ডিসিকে পাঠিয়েছি। এবং আমরা আলোচনায় আছি। ডিসি বললেন, এমপি দেশের বাইরে আছেন, উনি এলেই আমরা আলোচনা করবো। আমি ডিসিকে বললাম, আপনি আইডি কার্ড সংগ্রহ করেন এবং তালিকার ব্যবস্থা করেন। যেখানে প্রশাসন বসে আমরা সমাধানের ব্যবস্থা করলাম। তখন কিভাবে উনি হামলা করলেন এবং পিস্তল দেখানো হলো তা আমার বোধগম্য নয়।
এটা শামীম বনাম আইভীর সংঘর্ষ না- শামীম ওসমান : ওদিকে মঙ্গলবারের ঘটনায় গতকাল সংবাদ সম্মেলন করেছেন এমপি শামীম ওসমান। বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের রাইফেলস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই সংবাদ সম্মেলন শামীম ওসমান বলেন, মঙ্গলবার যে ঘটনা ঘটেছে তা আমার সঙ্গে সেলিনা হায়াৎ আইভীর নয়। এটি সেলিনা হায়াৎ আইভী বনাম হকারদের। আমি গরিব মানুষের পক্ষে কথা বলেছি। আমি কখনও ফুটপাথে দোকান বসানোর পক্ষে না। এমনকি দেশের মানুষ বস্তিতে থাকুক তাও আমি চাই না।
তিনি বলেন, ২৫শে ডিসেম্বর কোনো নোটিশ ছাড়াই হকারদের বেধড়ক পিটিয়ে উচ্ছেদ করা হয়। তাদের দোকানের গরম কাপড় পুড়িয়ে দেয়া হয় সিটি করপোরেশনের সামনে। হকাররা আমার কাছে এসে কান্না করেছেন। তাদের ঘরে স্ত্রী-সন্তান আছে। ফুটপাতে ব্যবসা করেই তারা পরিবারের মুখে ভাত তুলে দেয়। তারা বলেছে, আমাদের বাঁচান। আমাদের ঘরে খাবার নেই। আমি তাদের বলেছি মেয়রের কাছে যান। কয়েকবার তারা গেছে। ফল পায়নি। শ্রমজীবী মানুষের দায়িত্ব নিয়েছে বামমোর্চা। আইভীকে তারা পাঁচ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজকের আইভী বানিয়েছে। বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দের কথাও আইভী শুনেনি। এমপি সেলিম ওসমান সাহেবকে বলেছি আপনি চিঠি পাঠান। আগে হকারদের পুনর্বাসন করা হোক। তিনি চিঠি পাঠালেন। আইভী পাল্টা চিঠি পাঠালেন, সম্ভব না। তিনি পুনর্বাসনের জন্য ব্যক্তিগত সম্পত্তি দেখালেন। এ সময় শামীম ওসমান নিজের অতীতের নানা কষ্টের কথা তুলে ধরে বলেন, গরিব মানুষের কষ্ট আমি উপলব্ধি করি। যদি ভাত না খেয়ে থাকতেন, যদি ছেলেকে স্কুলে-কলেজে ভর্তির ফি দিতে না পারতেন তাহলে বুঝতেন গরিবের কী কষ্ট। শামীম ওসমান বলেন, আমি বলেছি উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেন। আমি গরিব মানুষের পক্ষে। ভোটের আগে তাদের বাপ ডেকেছি, হাতে ধরেছি। এখন লাথি মারতে পারবো না। এমন ভণ্ডামির রাজনীতি শামীম ওসমান করে না।
সংঘর্ষের বর্ণনা দিতে গিয়ে শামীম ওসমান বলেন, শুনলাম আইভী প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করবেন। তিনি হকারদের উচ্ছেদ করলেন। মারধর করলেন। হকারদের দোকানের কাপড় পুড়িয়ে দিলেন। এ সময় একটি ছবি দেখিয়ে শামীম ওসমান বলেন, এই দেখেন আইভীর প্রিয়বন্ধু সুফিয়ানের কোমরে পিস্তল। তার সঙ্গে ছিল যুবদলের আহ্বায়ক খুরশেদ। বিভা, যার ভাই মার্ডার মামলার আসামি। এ সময় আরও একটি ছবি দেখিয়ে শামীম ওসমান বলেন, পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করছে বিএনপি’র ক্যাডার সুমন। নিয়াজুলকে তারা তিন দফা পিটিয়েছে। তারপর সে তার লাইসেন্স করা পিস্তল বের করেছে। লাইসেন্স করা পিস্তল কেন দেয়া হয়, আত্মরক্ষার জন্যই। নিয়াজুল তিন দফা মার খাওয়ার পরে পিস্তল বের করেছে। নিয়াজুল আমাদের কর্মী, তবে সে মার্কেটের মালিক। একজন বয়স্ক মানুষ। দুই শ’ লোক তাকে পিঠিয়েছে। মাথা ফাটিয়েছে।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন করেছি। অনেক কিছুই ওলট-পালট করে দিয়েছি। দল- বলে কিছু বলতে চাই না। কিভাবে নির্বাচন করেছি, কোথায় কি হয়েছে কিভাবে কাকে পাস করানো হয়েছে- সময় হলে বলবো।
এ সময় এক প্রশ্নের উত্তরে শামীম ওসমান বলেন, একজন এমপি শুধু নিজের নির্বাচনী এলাকা নিয়ে কথা বলেন না। একইভাবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, নিয়াজুলের পিস্তল নিয়ে গেছে। কারা নিয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও তা রেকর্ড করা হয়নি। ডিসি ও এসপি প্রত্যাহার সংক্রান্ত আইভীর দাবি সম্পর্কে শামীম ওসমান বলেন, আমি পাগলও না, ছাগলও না। ডিসি, এসপি’র বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে কোথায় করতে হয় তা আমি ভালো করেই জানি। প্রেসের কাছে না।
আইভী সম্পর্কে তিনি বলেন, আইভী আমার দুশমন না। তাকে প্রকাশ্যে ভোট দিয়েছি। পাস করিয়েছি। ছেলের বিয়েতে তাকে কার্ড দিতে বাসায় গিয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তার দেখা পাইনি। সে আমার ছেলেকে নিয়ে কথা বলে। অথচ আমি তৈমূর আলম খন্দকারের মেয়েকে মা বলে ডাকি। আইভীকে আমি বোন বলেছি।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিয়াজুলকে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম: এদিকে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী নিয়াজুলকে গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। অন্যথায় প্রশাসনের সকল সংবাদ বর্জনসহ সারা দেশের সাংবাদিকদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারী দেন তারা। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের উদ্দেশে এই আল্টিমেটাম দেয়া হয়। নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন (এনইউজে) এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ওমর ফারুক বলেন, ভেবেছিলাম নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ন্যায়পরায়ণ। কিন্তু না সেটা ভুল ভাবনা। প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরিফউদ্দিন সবুজকে যেভাবে প্রকাশ্যে পেটানো হয়েছে আজকে যদি সেভাবে আপনাকে কিংবা প্রশাসন এবং বিচার বিভাগের কাউকে পেটানো হতো তবে এতক্ষণে দেখতাম সেই পিস্তল উঁচু করা নিয়াজুলরা মাটির নিচে থাকতো। সেই সন্ত্রাসীদের আপনারা ক্রসফায়ারে দিতেন। আমরা সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। তারপরও আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা পাচ্ছি না, নিরাপত্তা পাচ্ছি না।
জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারকে বলছি, আপনারা যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করেন তবে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনে আমরা মানববন্ধন করবো। এবং সেখান থেকে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব। প্রয়োজনে সারা দেশের সাংবাদিকরা নারায়ণগঞ্জে আসবেন বলেও তিনি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন। নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুমের সভাপতিত্বে মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ওমর ফারুক, সাবেক মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কবি হালিম আজাদ, প্রবীণ ফটো সাংবাদিক শফিউদ্দিন বিটু, নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস সালাম প্রমুখ।
মানববন্ধনের শুরুতে নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম দায়িত্ব পালন করতে না পারলে ডিসি এসপিকে জেলা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসীরা যখন প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে হামলা চালায় পুলিশ তখন নীরব ভূমিকা পালন করে। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এখনো প্রশাসন কোনো মামলা করেনি। তাদের ব্যর্থতায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সবুজ, তাপসসহ ১২ জন সাংবাদিককে রক্ত ঝরাতে হয়েছে। প্রশাসন শহরের এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে আরেক প্রান্তকে উস্কানি দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। তাদের এমন ভূমিকার জন্য নিন্দা ও ধিক্কার জানাই।
প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আশরাফের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি মুজিবুল হক পলাশ, দৈনিক মানবজমিন-এর স্টাফ রিপোর্টার বিল্লাল হোসেন রবিন, দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক অন্তু রেজা, গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক তরিকুল সুজনসহ জেলার বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ মিনারে হকারদের অবস্থান: অন্যদিকে শহীদ মিনারে ব্যানার টাঙিয়ে দিনভর সেখানে অবস্থান করেছে হকাররা। বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসেবে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে ওই ব্যানারে। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, স্থায়ী সমাধান হলে অন্যত্র চলে যাবেন তারা। একই দাবিতে নগরবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি বিতরণ করেছেন হকাররা। হকাররা দাবি করেছেন, ‘আমাদের ব্যবসা হয় দু’টি ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখ ও শীত মৌসুমে। সারা বছর এই আয় দিয়েই সংসার চলে। যদি দুই মাস আগে উচ্ছেদের নোটিশ করা হতো আমরা অন্য কোনো অবলম্বন খুঁজে বের করতাম। আমরা শুধু একমাস এই শীতে রাস্তায় বসার অনুমতি চেয়েছি। তারপরও আমাদের সঙ্গে বিমাতাসুলভ আচরণে আমরা কষ্ট পেয়েছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে ভয়াবহ বিপদজনক চুক্তি -সৌদি গেজেটের সম্পাদকীয়

কিন্তু এ চুক্তিতে বিরাট ও চরম বিপদজনক ফাঁক (হোল) রয়ে গেছে। তাই কার্যত এই চুক্তির ফলে শরণার্থীরা কোনোই সুবিধা পাবেন না। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো চুক্তির কোথাও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় নি। উপরন্ত তাদেরকে ‘রেসিডেন্টস’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাদেরকে মিয়ানমারের ‘সিটিজেনস’ বা নাগরিক বলা হয় নি। অথচ তারা মিয়ানমারে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করে আসছেন।
উপরন্তু, ফেরত যাওয়া রোহিঙ্গাদেরকে অন্তর্বর্তী আশ্রয়শিবিরে রাখার পরিকল্পনা করেছে অং সান সুচির সরকার। সম্ভবত প্রায় ১৮ মাস আগে তাদেরকে যেমন খামারে আটকে রাখার মতো রাখা হয়েছিল এবারও তেমনটিই যেন একটি জেলখানার মতো স্থানে রাখা হবে। এটা করা হবে তাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় বৌদ্ধরা তাদের যেসব সহায় সম্পদ ধ্বংস করে দিয়েছে তা পুনর্নির্মাণের কোনো বিধান রাখা হয় নি চুক্তিতে। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো অং সান সুচি ও তার লোকজন দাবি করেন যে, রোহিঙ্গারা নিজেরাই তাদের নিজেদের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে। এমন কি এডলফ হিটলারও কিন্তু এমন দাবি করেন নি যে, নিজেদের উপাসনালয়ে জার্মান ইহুদিরা নিজেরাই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, জানালা ভাঙচুর করেছে এবং তাদের নিজেদের দোকানপাট নিজেরাই লুট করেছে।
খুবই বিস্ময়কর বিষয় হলো, বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হতাশাজনক। তারা গাদাগাদি করে আশ্রয়শিবিরগুলোতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বসবাস করতে চান। কারণ, এখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা আছে এবং তারা এখানে মুক্ত। এখন আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থাগুলো তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে। অনাহারে থাকা ও ভীতসন্ত্রন্ত এসব শরণার্থীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার জন্য বড় প্রচেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ ও বিদেশী আত্মপ্রণোদিত মেডিকেল টিমগুলো বর্তমানে সেখানে ডিপথেরিয়া ছড়িয়ে পড়া মোকাবিলা করছে।
একবার দেশে ফিরে গেলে এসব সেবা রোহিঙ্গারা আর পাবেন না। বর্তমান অবস্থার অধীনে তারা যদি ফিরে যেতে রাজি হন তাহলেও হয়তো তারা এ সুবিধা পাবেন না। তাই তারা মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। মিয়ানমারে ফিরে গেলে তাদের ওপর আরো নির্যাতন হতে পারে।
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়ে অত্যন্ত জটিল এক পরিস্থিতিতে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ সরকার। তারা চায়, রোহিঙ্গারা তাদের দেশে রাখাইন রাজ্যে ফিরে যান। এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে অং সান সুচি। এই চুক্তির শর্তগুলো সমস্যার মূল ইস্যুগুলোকে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে কিছুই করে নি। এর মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মিয়ানমারের নাগরিকত্বের বিষয়। অবাধে প্রার্থনা করার অধিকার সহ শান্তিতে বসবাসের অধিকার। পূর্ণাঙ্গ অধিকার। এসব বিষয় চুক্তিতে না থাকায় বর্তমান আশ্রয়শিবিরে তারা যে নিরাপত্তায় আছে তা ঠাসাঠাসি হলেও এই শিবির ছেড়ে যেতে গণহারে প্রত্যাখ্যান করবেন বলেই বেশি মনে হয়।
সম্পাদকীয়তে আরো বলা হয়, যদি এমনটা হয় তাহলে এ পরিস্থিতিতে অং সান সুচি ও তার সহযোগীরা এটা বলার সক্ষমতা অর্জন করবেন যে, রোহিঙ্গাদের ওই দেশেই (বাংলাদেশে) থাকা উচিত। কারণ, তার সরকার মিথ্যা দাবি করে যে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশী। তাই এভাবেই নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে প্রকৃতপক্ষে হেরে যাবে বাংলাদেশ সরকার। অন্য দিকে অং সান সুচি ও বৌদ্ধরা লজ্জাজনকভাবে জাতি নিধন চর্চার ফল ভোগ করবে। তাই এই ভয়াবহ চুক্তি বাতিল করতে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মহলকে চাপ দিতেই হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন নিয়ে ডনের সম্পাদকীয়তে যা বলা হয়েছে

এই ভীতসন্ত্রস্ত রোহিঙ্গারা গাদাগাদি করে অবস্থান করছেন আশ্রয় শিবিরগুলোতে। এখন তারা আবার এক নরকযন্ত্রণা নিয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাদের বেশির ভাগই মিয়ানমারে ফিরে যেতে আতঙ্কিত। তারা মনে করছেন, রাখাইনে এখনও নির্যাতনমুলক পরিবেশ বিদ্যমান। গত বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রত্যাবর্তন বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি আগামী সপ্তাহে বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার কথা। এর ফলে রোহিঙ্গাদের আতঙ্ক আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। উপরন্তু, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, সম্পাদিত চুক্তিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার বিষয়টিতে ঘাটতি রয়েছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় জড়িত মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বিষয়ে অধিকতর স্বচ্ছতা প্রয়োজন। অন্যথায়, দায়মুক্তির অধীনে একই রকম নৃশংসতা অব্যাহত থাকবে এটা বিশ্বাস করার প্রতিটি ক্ষেত্রে যৌক্তিক কারণ রয়েছে। জাতিসংঘের হিসাবে গত বছরে মিয়ানমারে হত্যা করা হয়েছে কমপক্ষে এক হাজার বেসামরিক সাধারণ মানুষকে। এ জন্য রাখাইনে এত বিপুল সংখ্যক বেসামরিক মানুষের প্রাণহানীর কারণে প্রতিটি মানুষের প্রত্যাবর্তন হতে হবে অবশ্যই পুরোপুরি স্বেচ্ছায়। এটা অত্যাবশ্যক যে, শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতা ছাড়া এই চুক্তি সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া উচিত নয়।
এই প্রত্যাবর্তন চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ হয়তো চাইছে দু’বছরের মধ্যে সব রোহিঙ্গা ফিরে যাক। কিন্তু তা কিভাবে ঘটবে এ বিষয়টি অনুধাবন করা খুব কঠিন। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকার কারণে বাংলাদেশ এসব শরণার্থীকে ফেরত পাঠাতে চাইবে- এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। তবে এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যে বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে তা হলো, মৌলিক মানবাধিকারের প্রটোকলের অধীনে তাদের অধিকার সমুন্নত রাখা। এটাই প্রাথমিক উদ্বেগের বিষয়। ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে এর আগে যেসব রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরেছেন তারা অন্তর্বর্তীকালীন শিবিরগুলোতে এখনও বসবাস করছেন। সেখানে তাদের চলাফেরায় রয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। এক্ষেত্রে গণহত্যা সহ নৃশংসতার জন্য যারা দায়ী তাদেরকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনার জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ দেয়া উচিত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের। একই সঙ্গে বার্তা সংস্থা রয়টার্সে কর্মরত স্থানীয় দু’জন সাংবাদিককে মুক্ত করতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর চাপ দেয়া উচিত। যখন প্রান্তিক বা সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে নির্যাতিত হন তখন জাতিসংঘের মতো শক্তিধর সংস্থা ও এর সদস্য দেশগুলোর পদক্ষেপ নেয়ার দায় রয়েছে। শেষে বলতে হয়, মূল সমস্যা হলো মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তারা জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অনীহা দেখায়। এতে রোহিঙ্গাদেরকে বৈধ নাগরিকত্ব ও রাজনৈতিক অধিকার দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এটা যেকোনো প্রত্যাবর্তন চুক্তিতে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে হাসিনা-প্রণব আলোচনা -আনন্দবাজারের খবর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনে মধ্যাহ্ন ভোজের পর মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হাসিনা সরকারের সঙ্গে ভারতের ট্র্যাক-টু কূটনীতির সূত্রপাত হল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে হাসিনার সঙ্গে একান্ত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পর বিকেলে বাংলা একাডেমির মাঠে সাহিত্য উৎসবে বলতে উঠে প্রণব মুখোপাধ্যায় সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদী সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘পরিবেশ দূষণের চেয়েও বড় দূষণ মানুষের মন ও চিন্তার দূষণ। মানুষের হিংস্রতার শিকার হচ্ছেন নিরীহ মানুষ। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশ। ভাষা সংস্কৃতি লুঠ হয়ে যেতে দেননি এ’দেশের মানুষ। এই হিংস্রতার বিরুদ্ধে আজ কবি শিল্পী সাহিত্যিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।’
তার বক্তৃতায় কোনও রাজনৈতিক দল বা মৌলবাদী সংগঠনের নাম করেননি প্রণব। এমনকী শাসক দলের বিরুদ্ধে হেফাজত ইসলামের কট্টরপন্থাকে প্রশ্রয় দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, সে ব্যাপারেও কোনও মন্তব্য করেননি। কিন্তু সূত্রের খবর, আজ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে দুজনের। গণভবনে মেয়ে শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে পৌঁছেছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি। হাসিনা ফুল দিয়ে বরণ করার সময় উপস্থিত ছিলেন বোন শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববিও। মাছের নানা পদ ছাড়া মধ্যাহ্ন ভোজে ছিল হরেক রকমের পিঠেপুলিও।
আগামি এক বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাসিনার রাজনৈতিক লড়াইয়ে। বিশিষ্টজনেদের বক্তব্য, লড়াই শুধুমাত্র বিএনপি-র সঙ্গে নয়, নিজের দলকে শুদ্ধিকরণের প্রশ্নটাও উঠে আসছে। সর্বস্তরে ক্ষমতার প্রভাব দেখানো, দুর্নীতি, হেফাজতে ইসলামির চাপে পাঠ্যসূচি বদল গত কয়েক বছরে সমাজের বিভিন্ন স্তরে এই নিয়ে ক্রমাগত ক্ষোভ জমা হয়েছে। নিরপেক্ষ উদারনীতি থেকে আওয়ামী লীগ অনেকটাই সরে এসেছে এই অভিযোগ ঢাকায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, এই নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।
অগ্নি রায় আরেকটি রিপোর্টে লিখেছেন, কাওরান বাজারের পাইকারি বেচাকেনার ভিড় ঠেলে হোটেলের রিসেপশনে ঢুকেই চমক! নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি এখানে নতুন কিছু নয়, কিন্তু এ বারে যা দেখলাম তা ঢাকায় আগের অভিজ্ঞতার থেকে আলাদা। কাগজপত্র দেখিয়ে চাবি নেওয়ার আগে নানা অ্যাঙ্গেল থেকে তুলে রাখা হল বেশ কয়েকটি ছবি। সরকারের নতুন নির্দেশ!
বাংলাদেশের রাজধানীর বাতাসে বারুদের গন্ধ ছিলই। এ বার তার সঙ্গে মিশছে ভোটের উত্তেজনা। বছরের গোড়াতেই টান টান ভাবটা তাই চোখ এড়াচ্ছে না। যে উপলক্ষে এ বারের সফর, ঢাকায় ‘বাংলা একাডেমি’-র সেই আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সন্ত্রাস এবং রাজনৈতিক নৈরাজ্যকে হারাতে পারে সাহিত্যই। এ দিনই ঢাকায় পৌঁছনো প্রণব মুখোপাধ্যায় থাকবেন কাল সম্মলনের সমাপনী পর্বে। রবীন্দ্রনাথে, জীবনানন্দে ম-ম করছে একাডেমি চত্বর। কিন্তু এর দু’দিন আগেই পশ্চিম নাখালপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মেরে-কেটে তিনশো গজ দূরে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর জঙ্গি ডেরায় অভিযান চলেছে। তিন জঙ্গি নিহত। র্যাব-এর বক্তব্য, ঢাকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিস্ফোরণের পরিকল্পনা ছিল এদের। যে সব বিস্ফোরক ও অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে, তা রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে হাসিনা প্রশাসনের। তবে ওয়াকিবহালরা বলছেন সবে শুরু। ভোট যত ঘনিয়ে আসবে, বাড়বে ছোট বড় জঙ্গি-হানার আশঙ্কাও।
গোটা নগরী আলোয় আলো করে সরকারের চতুর্থ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে ভোটের ঢাকে কাঠি দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা। বছর শেষে এই নির্বাচনে খালেদা জিয়ার বিএনপি অংশ নেবে কি না সে দিকেই এখন নজর সবার। বিএনপি-র দাবি, তারা সর্বান্তকরণে চাইছে ভোটে যোগ দিতে। ২০১৪-র ৫ই জানুয়ারির ভোটে যোগ না-দেওয়াটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে এখন এই দলের অনেকেই মনে করছেন। তাদের কথায়, বিএনপি এতে রাজনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণ মানুষের অনেকেরই মতে জামাতে ইসলামির সঙ্গে জোট বেঁধে রাস্তায় রাস্তায় যানবাহনে আগুন দিয়ে ‘জ্বালাও পোড়াও’ আন্দোলনের নামে মানুষ পোড়ানোয় বিএনপি-র জনপ্রিয়তা কমেছে। আবার এই মুহূর্তে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের পক্ষেও জিতে আসা কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা এই শাসক দলের অনেক কট্টর সমর্থকেরও। তঁদের কথায়, শেখ হাসিনা ঢাকা ও বাংলাদেশের অনেক উন্নয়ন করেছেন বটে। কিন্তু তা ছাপিয়ে মানুষের কাছে বড় হয়ে উঠছে দলের নেতা-কর্মীদের দুর্নীতি, উদ্ধত আচরণ এবং দখলদারির মানসিকতা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বেচ্ছায় বনবাস by তামান্না মোমিন খান

বাঘের ভয়, কুমিরের পেটে যাওয়ার শঙ্কা, বন্য শূকর কিংবা বিষাক্ত সাপের ছোবল সবই তাদের কাছে তুচ্ছ। একমাত্র তাদের কাছে বড় হয়ে দেখা দেয় সংসার। যে সংসারকে ঠেলে নিতে হবে সামনে। আর তাই সব ভয় দূরে ঠেলে তারা বনবাসে চলে যায়। একমাস ধরে স্বেচ্ছায় বনবাসে আছেন এমন দেড় শ’ লোক ছন কাটছেন সুন্দরবনে। আরো কিছুদিন থাকবেন এই বনেই। নিজেরাই ছন কেটে বেঁধেছেন ঘর। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ছন কাটেন তারা। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত বনবিভাগ তাদের ছন কাটার অনুমতি দিয়েছে। এ সময়ের মধ্যেই কাটতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণ ছন। বাগেরহাট থেকে কবীর তালুকদার সুন্দরবনে এসেছেন ডিসেম্বরের শুরুতে। একমাসের বেশি সময় ধরে তার পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। সুন্দরবনের ভেতরে মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় পরিবার-পরিজনের কোনো খবর জানেন না তিনি। কবীর বলেন, বাইচ্ছা ফিরতে পারলে আবার পরিবারের সঙ্গে দেখা হইবো। পেটের দায়ে এইখানে ছন কাটতে আইছি। রাত হইলেই এইখানে শুনা যায় বাঘের হুংকার। সেদিন রাতে খুব কাছে বাঘ একটা হরিণ শিকার কইরা নিয়া গেছে। আমরা ঘরে বইসা সেই শব্দ পাইছি আর আল্লাহ আল্লাহ করছি। আরেকদিন ছন কাটতে গিয়া দেখি বড় এক গোখরা সাপ। এইখানে পদে পিদে বিপদ। রাত হইলে যে কত রকম প্রাণীর ডাক শোনা যায়। তখন আর মনে হয় না যে দুনিয়ার মধ্যে আছি। সারা রাত ঘরের বাহিরে মশাল জ্বালায় রাখি যেন আগুন দেইখা বন্য জানোয়ার এইদিকে না আসতে পারে। আমার সঙ্গে আরো ছয়জন আছেন। আমি একজন ছোটখাটো মহাজন। এরকম একেক মহাজনের সঙ্গে ৬/৭ জন কইরা লোক আসছে এইখানে। আমরা প্রায় দেড় শ’র মতো মানুষ আসছি ছন কাটতে। আমি কাটতে পারবো ৫০ হাজার মুঠি ছন। ৫০ হাজার মুঠি ছন কাইটা বিক্রি করতে পারলে ৫০ হাজার টাকার মতো লাভ হইবো। এই ছন নৌকায় কইরা নিমু শরণখোলায়। সেইখানে বিক্রি হইবো। ৫০ হাজার মুঠিতে সরকারকে কর দিতে হইবো ২৫০০ টাকা। এই ছন পান গাছের বর দেয়ার কাজে ব্যবহার হয়। আবার ছালাও বানান হয় এই ছন দিয়ে। শুধু এক মাসের জন্য সুন্দরবন এসেছেন কবীর। বাকি সময়টা বাড়িতে ক্ষেতমজুর করে সংসার চালান। কবীরের মতো মোহাম্মদ নাসিরও এসেছেন ছন কাটতে। তিনি এসেছেন পাথরঘাটা থেকে। নাসির জানান এর আগেও তিনি ছন কাটতে এসেছিলেন সুন্দরবনে। ২০১৪ সালে সুন্দরবনে আগুন লাগার কারণে কয়েক বছর ছন আহরণ বন্ধ রেখেছিল সরকার । ২০১৭ সালে আবার সুন্দরবনে ছন কাটতে এসেছেন তিনি। নাসির বলেন, সুন্দরবনে ছন কাটতে আসি বহু বছর ধইরা। মাঝখানে তিন বছর আসি নাই। আগেতো অনেক বেশি বাঘ দেখা যাইতো। একবার ছন কাটতে ছিলাম, দেখি কাছেই বাঘ আইসা পরছিল তখন হাতে কাঁচি ছিল। কাঁচি ছুইড়া মারছিলাম। আমার সঙ্গের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়া আসলে বাঘ পালিয়ে যায়। তবে এখন বাঘের হুংকার শুনা যায় রাতে। তিনি বলেন, সুুন্দরবনে বন্য শূকরের অনেক ভয় আছে। এ ছাড়া সাপতো ছন গাছের ভিতরে বাসা কইরা থাকে। ছন কাটতে গেলে অনেক সাপ বের হইয়া আসে। তবে সব সাপ বিষধর না। সুন্দরবনে যারাই নানা ধরনের জীবিকার জন্য আসে তারা নানা বিপদের কথা জেনেই আসে। আর এটাকে জেনেশুনে স্বেচ্ছায় বনবাস বলেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ▼ 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...