Saturday, January 12, 2019
বাংলাদেশের নির্বাচন এবং পশ্চিমা বিশ্ব by আরাফাতুল ইসলাম

ভোটের দিন ঘটেছে প্রাণঘাতী সহিংসতার ঘটনা। ভোটে ব্যপক কারচুপি ও ভোটারদের ভয় দেখানোর উদাহরণের বরাত দিয়ে বিরোধী দলগুলো নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু ভোট জালিয়াতির ব্যাপক অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও, ভারত, চীন ও রাশিয়াসহ অনেক দেশই কোন বিলম্ব না করেই শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানায়।
পশ্চিমা দেশগুলোর ফাঁপা সমালোচনা?
পশ্চিমা দেশগুলো অবশ্য বাংলাদেশের নির্বাচনে সহিংসতা ও অন্যান্য নানাবিধ অনিয়মের সমালোচনা করেছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব সমালোচনার পর কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যাবে না।
নির্বাচনের পরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) অনিয়মের অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘নির্বাচনের দিন ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সমতল মাঠ নিশ্চিতের ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল, যা নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোটদানকে কলঙ্কিত করেছে।’ ইইউ এসব অনিয়মের যথাযথ তদন্তেরও আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ‘নির্বাচন পূর্ববর্তী হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সহিংসতা’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দেশটি বলেছে, এসব কারণে বিরোধীদলীয় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের জন্য মুক্তভাবে সমাবেশ, বৈঠক ও প্রচারণা চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।
কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোর এসব বিবৃতি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল ও নির্বাচন কমিশনের ওপর দৃশ্যত তেমন কোন প্রভাব ফেলেনি। ভোট কারচুপির অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে কমিশন। সংস্থাটি বলেছে, বিশ্বের কোন দেশ এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেনি। উপরন্তু, নির্বাচনী ফলাফলের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই একটি নতুন সরকার গঠিত হয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞানের ডিসটিংগুইশড অধ্যাপক আলি রিয়াজ বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলোর এমন নীরব প্রতিক্রিয়া বিস্ময়কর। ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’ নিয়ে জোর আরোপের পর, এই দেশগুলো নির্বাচনের পর যেই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তা আমার কাছে কিছুটা হতবুদ্ধিকর মনে হয়েছে। তবে এখানে এটি উল্লেখ করা উচিৎ যে, ভারত, চীন ও রাশিয়ার মতো অভিনন্দনসূচক বার্তা পাঠানো থেকে বিরত থেকেছে এই দেশগুলো।’
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উর্ধ্বে স্থিতিশীলতা?
ওয়াশিংটন-ভিত্তিক উইড্রো উইলসন সেন্টার ফর স্কলারস-এর মাইকেল কুগেলম্যান মনে করেন, বাংলাদেশের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা বেশ লক্ষণীয়।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মহলের বেশিরভাগই, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো শেখ হাসিনাকে এমন একজন দায়িত্বশীল নেতা দেখেন। যিনি কিনা স্থিতিশীলতা আনতে তার যতটুকু করার করেছেন। তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি অব্যাহত রেখেছেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে স্বাগত জানিয়েছেন।’ কুগেলম্যান বলেন, এসব কারণে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ নির্বাচনের মতো একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করছে না।
লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিকস-এর সোশ্যাল পলিসি বিষয়ক অধ্যাপক ডেভিড লুইস একইরকম মনোভাব প্রকাশ করে বলেন, অনেক পশ্চিমা দেশ হাসিনাকে এমন নেতা হিসেবে দেখে যিনি কিনা ‘তুলনামূলক স্থিতিশীলতা’ দিতে পারছেন। নির্বাচনি ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুললে অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি তৈরি হবে বলে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বনাম একদলীয় রাষ্ট্র
বাংলাদেশের বিতর্কিত নির্বাচনি ফলাফল নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর অগ্রাহ্যতার আরেকটি কারণ হতে পারে দেশটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। এই নির্বাচনের কারণে বাংলাদেশ একটি একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন খাতে পশ্চিমা দেশগুলোর ব্যাপক বিনিয়োগ রয়েছে, বিশেষ করে জ্বালানি ও টেলিযোগাযোগ খাতে।
এছাড়াও ২০১৭ সালে মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর নির্যাতন থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। পশ্চিমা শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো রোহিঙ্গাদের প্রতি শেখ হাসিনার অনুকূল মনোভাবের প্রশংসা করেছে।
আলি রিয়াজ বলেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার কেবল রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ই দেয়নি। এ বিষয়ে এমন একটা মনোভাবও অনেকের রয়েছে যে, এই সরকার শরণার্থীরা যাতে মৌলবাদের প্রতি ঝুঁকে না যায়, তা-ও সামলিয়েছে।’
ইউরোপকে আরও করতে হবে
জার্মান পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিশনের প্রধান ড. নরবার্ট রটগেন অবশ্য মনে করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো বাংলাদেশের নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে পর্যাপ্ত আকারে উদ্বেগ দেখায়নি। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি জার্মান সরকার ও বিরোধী দলসমূহ- উভয়ের এই বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার যে তাদের উদ্বেগের বিষয়টি ক্ষমতাসীন দল ও বাংলাদেশের মানুষ আমলে নিচ্ছে। গণতন্ত্রপন্থী হিসেবে, মানুষের ভোটদানের অধিকারের প্রতি সমর্থন দেখানো আমাদের করণীয়।’ তিনি আরও যোগ করেন, নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগের প্রতি ইউরোপের নীরবতা প্রমাণ করে যে, গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে এশিয়ার প্রতি পর্যাপ্ত মনোযোগ দিচ্ছে না ইউরোপ। তার মতে, এটি একটি গুরুতর কৌশলগত সীমাবদ্ধতা, যেটি ঠিক করা প্রয়োজন ইউরোপের। আর তা করতে হলে এই অঞ্চলে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে আরও সরব কণ্ঠে কথা বলতে হবে।
আলি রিয়াজের মতেও, ভোট জালিয়াতির ইস্যুতে অবস্থান নেওয়া পশ্চিমা দেশগুলোর কর্তব্য। এই জালিয়াতির কারণেই শাসক দল এমন জয় পেয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্খা যেন পদদলিত না হয়, তা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক মহলের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তারা এটা ভুলে যেতে পারে না যে, সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রে’র ২১ অনুচ্ছেদের চেতনা সমুন্নত রাখতে তারা দায়বদ্ধ।’
উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার পিতা ছিলেন বাংলাদেশের জনক। বহুবছর ধরে তিনি বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে আসছেন। কিন্তু গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে, দুর্নীতির মামলায় সাজা পেয়ে খালেদা জিয়া বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
(জার্মান সংবাদ মাধ্যম ডয়েচে ভেলেতে প্রকাশিত আরাফাতুল ইসলামের বিশ্লেষণী প্রতিবেদনের অনুবাদ।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেমিকাই আজ স্বপ্ন পূরণের হাতিয়ার by পিয়াস সরকার

তন্ময় আহমেদ। অধ্যয়নরত আছেন রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত তন্ময়ের ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি আলাদা ভালো লাগা কাজ করে। এই বাইকের জন্য বাবার হাতে মার পর্যন্ত খেতে হয়েছে তাকে। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে চলে আসেন ঢাকায়। সচ্ছল পরিবারের সন্তান তন্ময়ের দিন স্বপ্নের মতোই কাটছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে।
কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বাবা। ভারতে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। এরপর ছেড়ে দিতে বাধ্য হন চাকরি। তন্ময়ের লেখাপড়া, ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন সেখানেই থেমে যাওয়ার উপক্রম। চার মাস বাড়িতে কাটানোর পর ফের ফিরে আসেন ঢাকায়। সঙ্গে নিয়ে আসেন শখের বাইকটিকে।
সে থেকেই তার নতুন পথচলার শুরু। প্রায় একবছর যাবৎ সে অ্যাপ্লিকেশন ভিত্তিক বাইক সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন। সকালে ক্লাস শেষে দুপুরে বাইক নিয়ে নেমে পড়েন রাস্তায়। প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা বাইক চালান তিনি। মাসে আয় ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা। এতেই তার লেখাপড়ার খরচ চলছে খুব ভালোভাবেই। শুধু তাই নয়, ছোট বোনের লেখাপড়ার খরচও চালিয়ে যাচ্ছেন। তন্ময় বলেন, আমি সারা দিন বাইক চালাই এতে মোটেও ক্লান্তি আসে না। আমি ছোটবেলা থেকেই বাইক নিয়ে ঘুরতে পছন্দ করতাম। সেই ঘুরে বেড়ানো ও প্রিয় বাইকটি আজ আমার স্বপ্ন পূরণের হাতিয়ার। চার বছর আগে আব্বু কিনে দিয়েছিলেন বাইকটি। আমি বন্ধু-বান্ধবের কাছে একে প্রেমিকা বলেই সম্বোধন করি। সেই প্রেমিকাই আজ আমার স্বপ্ন পূরণের হাতিয়ার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকার বিচ্ছেদ by মিসবাহুল হক

মার্কিন ট্যাবলয়েড ন্যাশনাল এনকুয়ারারের প্রতিবেদনে এমনটিই বলা হয়েছে। ২০১৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি নির্বাচিত হয়েছিলেন জেফ বেজোস। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তকমা ধরে রেখেছেন তিনি। কিন্তু বান্ধবী সানচেজের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক হয়তো বিশ্বধনীদের তালিকায় তাকে নিচে নামিয়ে আনবে। কেননা, ২৫ বছর আগে ম্যাকেঞ্জি বেজোসকে বিয়ে করেছিলেন জেফ।
ওই বছরই দুজনে মিলে বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি ও ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন প্রতিষ্ঠা করেন। এ দম্পতির নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে ধাপে ধাপে অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানিতে পরিণত হয়। অ্যামাজনে বেজোস দম্পতির শেয়ার সমান সমান। অর্থাৎ জেফ বেজোসের প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকার সমান অর্ধেক ম্যাকেঞ্জি বেজোসের। বৃহস্পতিবার জেফ বেজোস তার টুইটার অ্যাকাউন্টে ম্যাকেঞ্জির থেকে পৃথক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘দীর্ঘদিনের ভালোবাসা ও পৃথক থাকার ট্রায়াল দেয়ার পর, আমরা ডিভোর্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা বন্ধু হিসেবে জীবন কাটাতে চাই। আমরা পরস্পরকে পেয়ে খুবই সৌভাগ্যবান।
বিবাহিত জীবনের প্রত্যেকটি বছরের জন্য আমরা পরস্পরের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের দাম্পত্য জীবন খুবই সুখের ছিল। সম্পর্ক বদলে গেলেও বন্ধু হিসেবে বাকি জীবন কাটাবো।’ জেফ বেজোসের এই টুইট থেকে স্পষ্টই বোঝা যায়, বেজোস দম্পতির বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের তথ্য অনুসারে, বেজোস দম্পতির সম্পদের পরিমাণ ১৩৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা দাঁড়ায় প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা। এ বিশাল সম্পদের ভাগাভাগি নিয়ে এ দম্পতির মধ্যে কোনো চুক্তিও নেই। তাই চূড়ান্তভাবে বিচ্ছেদ হলে তাদের এই বিশাল ধনসাম্রাজ্য সমান দু’ভাগ হওয়া অনেকটাই অবধারিত। এই একটি বিচ্ছেদই বিশ্বে সম্পদশালীদের তালিকা বদলে দিতে পারে। বিচ্ছেদের কারণে ম্যাকেঞ্জি পাবেন সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকা। এর ফলে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারীতে পরিণত হবেন।
বলা হচ্ছে, বেজোস দম্পতির বিচ্ছেদ এতটা সহজ হবে না। কেননা, অ্যামাজন ছাড়াও তাদের ৪ লাখ একর সম্পত্তি রযেছে। এছাড়া, বেজোস দম্পতির ৪ সন্তানও রয়েছে। ব্লুমবার্গের রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি বিচ্ছেদ বিশ্ব সম্পদ র্যাংকিং বদলে দিতে পারে। যদি এই দম্পতি তাদের সম্পদ সমান ভাগ করেন, তাহলে ম্যাকেঞ্জি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারীর তকমা পাবেন। এর ফলে মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস আবারো বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হবেন। ২০১৭ সালে বিল গেটসকে হারিয়ে জেফ বেজোস ধনীদের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেন। জেফ বেজোসের বর্তমান বান্ধবী লরেন সানচেজ হলিউডের অভিনেত্রী ছিলেন। ২০০৫ সালে তিনি প্যাট্রিক হুইটসেলকে বিয়ে করেছিলেন। এ দম্পতির ২ সন্তানও রযেছে। এটি ছিল সানচেজের দ্বিতীয় বিয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি স্বামী থেকে পৃথক রয়েছেন। প্রথম স্বামী টনি গঞ্জালেজের ঘরে তার আরো এক সন্তান রয়েছে।
দ্য সানের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কয়েক বছর আগে সিয়াটলে বেজোস দম্পতির সঙ্গে লরেন সানচেজ ও তার দ্বিতীয় স্বামীর পরিচয়। সিয়াটলে দুই পরিবারেরই বাড়ি ছিল। এই সূত্রে তাদের সাক্ষাৎ হয়। মাঝে মাঝে প্যাট্রিক ও সানচেজ আলাদা থাকতেন। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল খুবই সাধারণ ঘটনা। পরে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথক থাকতে শুরু করেন। এ সময় সানচেজ তার স্বামী প্যাট্রিককে জানান, তিনি এখন জেফ বেজসের সঙ্গে সম্পর্কে যাওয়ার কথা ভাবছেন। সানচেজের সঙ্গে জেফ বেজসের এই সম্পর্ক অল্প সময়ের না। একটি টিভি শো-এর শুটিংয়ের সময় সানচেজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জেফ বেজোস। পরে প্রায়ই তাদের দেখা-সাক্ষাৎ চলতে থাকে। ক্রমেই পরস্পর ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন তারা। সর্বশেষ গত রোববার অ্যামাজনের গোল্ডেন গ্লোবস পার্টিতে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এছাড়াও জেফ ও লরেন সানচেজ গোপন রিসোর্টসহ বিভিন্ন হোটেলে অবকাশযাপন করেছেন। ন্যাশনাল এনকুয়ারারের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি যে কারণে বাড়ছে

বেশ কিছুদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো ফেসবুক নিয়ে বেশ সক্রিয় বলে মনে হচ্ছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাব ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনকে আটক করেছে, যাদের বিরুদ্ধে ইন্টারনেটে গুজব এবং বিকৃত তথ্য ও ছবি প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে । এছাড়া পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাও আটক করেছে আরো কিছু ব্যক্তিকে। র্যাব এবং পুলিশ বলেছে, আটকদের অনেকেই প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে হয় কুৎসা রটিয়েছে নতুবা ছবি বিকৃত করে ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে।
সাংবাদিক আফসান চৌধুরী বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভালো কথা বলার সুযোগ যেমন তৈরি করে দেয়, তেমনি খারাপ কথা বলার সুযোগও তৈরি করে। ‘যখন সরকারের বিরুদ্ধে খারাপ কথাটা যায় তখন সক্রিয় হয়, ‘বলেন মি. চৌধুরী’।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ফেসবুকে তাদের ভাষায় গুজব ছড়ানো বন্ধের জন্য তৎপর হলেও তারা শুধুই সরকারের বিপক্ষে যেগুলো যাচ্ছে সেগুলোর দিকে নজর দিচ্ছেন। অথচ সমপ্রতি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে ভুয়া খবর প্রচারের জন্য তারা বাংলাদেশে ছয়টি অ্যাকাউন্ট এবং নয়টি পেজ বন্ধ করে দিয়েছে। ফেসবুক বলছে, এগুলোতে বাংলাদেশের সরকারের সমর্থনে বিভিন্ন কনটেন্ট পোস্ট করা হচ্ছিল, এবং এর সঙ্গে সরকার-সংশ্লিষ্ট কিছু লোকের সম্পর্ক আছে।
এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো ছিল নিশ্চুপ। কর্মকর্তারা বলছেন, এখনো পর্যন্ত যাদের আটক করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডির সাইবার তদন্ত বিভাগের প্রধান মোল্লা নজরুল ইসলাম বলছেন, বেশকিছু বিষয় নিয়ে তারা তদন্ত করে দেখেছেন যে মিথ্যা ঘটনাকে সত্য বলে প্রচার করেছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তির ছবি বিকৃত করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গত বছর খানেক ধরেই ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- বিশেষ করে ফেসবুক নিয়ে সরকার বেশ চিন্তিত। সরকারের অনেকেই মনে করেন, সরকার বিরোধীরা এ মাধ্যমে ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে নানা কুৎসা কিংবা অসত্য তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। এমনকি নির্বাচনের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যাতে গুজব ছড়াতে না পারে সেজন্য মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে কিংবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
সাংবাদিক আফসান চৌধুরী বলছিলেন, ইন্টারনেট-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে সরকারের চিন্তিত হবার কারণ রয়েছে। মি. চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের ২৫টা টেলিভিশন স্টেশনকে আমি বার করলাম, তার মধ্যে বেশিরভাগই তো দেখছি যে আওয়ামী লীগ সমর্থক অথবা আওয়ামী লীগের এমপি অথবা আওয়ামী লীগের মন্ত্রীর লোক। অতএব এসব গণমাধ্যম নিয়ে সরকার খুব একটা চিন্তিত না। ছাপা গণমাধ্যম সবচেয়ে দায়িত্বশীল। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া সরকার অন্য কোনো কিছুকে পাত্তা দেয় না।’ সরকার বিরোধীরা মনে করেন, ফেসবুকে যাতে কেউ সরকার বিরোধী মনোভাব প্রকাশ না করে সেজন্য নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ধরপাকড়ের মাধ্যমে এক ধরনের ভীতি তৈরি করার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের সমালোচনা করার জন্য কাউকে আটক করা হয়নি। যারা ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে, কিংবা তথ্য এবং ছবি বিকৃত করার মাধ্যমে কারো সম্মানহানি করছে অথবা কোনো কিছু উসকে দেবার চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধেই শুধু ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ায় গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ (শেষ পর্ব) by পল স্ট্যানিল্যান্ড

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে টিএলপি’র পিছু নিয়েছে ইমরান খানের সরকার। কিন্তু শিয়া, খ্রিস্টান, হিন্দু ও আহমাদিদেরকে বহিষ্কারের লক্ষ্য রয়েছে সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠদের। এতে এক ধরনের বিপদ ও ঝুঁকি রয়ে গেছে।
পরাভূত গণতন্ত্র
দক্ষিণ এশিয়ায় নির্বাচনী গণতন্ত্র অস্বস্তিকর এক অবস্থায় সহাবস্থান করে নিরপেক্ষ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে, বিশেষ করে বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে। তীব্র রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা হলে তা রাজনীতিবিদদেরকে তার নিজের সংসদীয় আসনের দিকে মনোযোগ দিতে বাধ্য করে। আদর্শগতভাবে এতে তারা অধিক দায়িত্বশীল হন। কিন্তু এই প্রতিযোগিতা তাদেরকে আদালত, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইন প্রয়োগকারীদের রাজনীতিকীকরণের দিকে ঠেলে দিতে পারে। শ্রীলঙ্কার শীর্ষ স্থানীয় রাজনীতিকরা সংকটের সময়ে সংবিধানের প্রতি উল্লেখযোগ্য অবজ্ঞা দেখিয়েছেন। তাদের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের একটি যুক্তিসঙ্গত একটি সমাধান পেতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিচার বিভাগ বিস্ময়কর দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছে। তারা একটি চাপা কঠিন পরীক্ষা মোকাবিলা করেছে, যেটা কখনো প্রথমে ঘটা উচিত ছিল না।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী পক্ষকে পদ্ধতিগতভাবে আঘাত করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনের দিন প্রাণঘাতী সহিংসতা ও নির্বাচনে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে এই নির্বাচন ব্যাহত হয়েছে। সরকার এমন আইন পাস করেছে, যাতে মুক্ত মতপ্রকাশকে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে, সাংবাদিক ও ভিন্নমতাবলম্বীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে টার্গেট করতে পুলিশ ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ হিসেবে দলটি ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট অসহিষ্ণুতা মোকাবিলার কথা বলছে। এর অংশ হিসেবে তারা ইসলামপন্থি বিরোধী দলগুলো যেমন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।
ভারতেও সরকার জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে হস্তক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ আছে। এর উদ্দেশ্য নরেন্দ্র মোদির দল যেন সুবিধা পায়। এর ফলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ব্যুরো (সিবিআই) ও রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) নাটকীয়, উচ্চ মাত্রার বিরোধ ও অভ্যন্তরীণ শত্রুতার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে। এমন হস্তক্ষেপ বিজেপির পুরনো রীতি ও ভারতের দীর্ঘদিনের ইতিহাস। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শিখর যখন বিজেপি ধরে রাখতে চাইছে তখন রাষ্ট্রীয় অভিজাত প্রতিষ্ঠানের এই সংঘাতময় অবস্থাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মিলান বৈষ্ণব বর্ণনা করেছেন ‘বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট’ হিসেবে।
দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশই বিপরীত সমস্যার সম্মুখীন। সেখানে নির্বাচিত রাজনীতিকরা স্বাধীন প্রতিষ্ঠানে যেমন হস্তক্ষেপ করেন তার চেয়ে বেশি নাগরিক রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে স্ব-শাসিত সেনাবাহিনী। পাকিস্তান ও মিয়ানমারে সব রাজনীতির ঊর্ধ্বে সেনাবাহিনী। এ দুটি দেশেই সেনাবাহিনীর দীর্ঘ উপস্থিতির ইতিহাস আছে। দুই দেশেই সেনাবাহিনী জাতীয় রাজনীতিতে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। কিন্তু তারা অব্যাহতভাবে ক্ষমতা পরিচালনা করে আসছে।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ‘তামাদ’ নামে পরিচিত। তারা নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়গুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। জাতীয় সংসদে তাদের শতকরা ২৫ ভাগ আসনের গ্যারান্টি নিশ্চিত করেছে। তারা রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যে নৃশংসতা চালিয়েছে তাতে তারা দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ বার্মার জাতিগোষ্ঠীর কাছ থেকে নতুন করে ব্যাপক হারে সমর্থন পেয়েছে। তারা এটাকে দেখে বাঙালি অনুপ্রবেশকারী ও বিদেশিদের নাক গলানো থেকে দেশকে নিরাপদ রাখার যুদ্ধ হিসেবে। সেনাবাহিনী সেখানে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করেছে। মিয়ানমারে সন্ত্রাসবিরোধী (কাউন্টার ইনসার্জেন্সি)-এর বিরুদ্ধে তাদের লড়াই অব্যাহত রেখেছে, বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। বার্মার জাতীয়তাবাদ ঝলসে ওঠার পর নিজেদেরকে তা থেকে বিরত রাখে সেনাবাহিনী। এর মধ্য দিয়ে তারা জাতির সুরক্ষক এমন একটি অবস্থান নিয়ে নিজেদের সুবিধা নিশ্চিত করে। সাবেক স্বৈরশাসকের চেয়ে এটা তাদের এক ভিন্ন কৌশল।
পাকিস্তানে প্রভাব বিস্তার করতে কোনো আনুষ্ঠানিক সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োজন হয় না সেনাবাহিনীর। বিস্তৃতভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময়ে তারা ব্যাপকভাবে ইমরান খানের পেছনে সমর্থন দিয়েছে। তার বিজয়ের পর ধর্ম অবমাননা বিষয়ক রায় নিয়ে যখন টিএলপি আন্দোলন তুঙ্গে তোলে তখন তাতে ইমরান খানের সমঝোতা বা সমাধান প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করেন সেনাবাহিনী। ব্যাপকভিত্তিক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে সেনাবাহিনী। এতে তারা বাহ্যিক প্রভাব পাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা অবসরপ্রাপ্ত সেনা অভিজাত শ্রেণিকে স্বস্তিকর একটি অবস্থা দিয়ে একটি ভালো অভ্যন্তরীণ স্থান তৈরি করে নিয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উল্লেখযোগ্য বিদেশি নীতি বিষয়ক সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষেত্রে তারা ভেটো দেয়ার ক্ষমতা রাখে বলে বিশ্বাস করা হয়। বিশেষ করে এ বিষয়টি বেশি প্রয়োগ করা হয় আফগানিস্তান ও ভারতের ক্ষেত্রে। তারা যে ক্ষমতা এক্ষেত্রে প্রয়োগ করে তা করার কথা নির্বাচিত বেসামরিক নেতাদের।
সতর্ক সংকেত
জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা, নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানকে আক্রান্ত করা ও সেনাবাহিনীর অব্যাহত প্রভাবের মতো এসব সমস্যা উদার গণতন্ত্রের জন্য অনেক দিক দিয়েই সুবিধার নয়। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার অভিজ্ঞতা বলে যে, অগ্রগতি ও পশ্চাদ্ধাবনকে আলাদা করা খুব কঠিন।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রমাসিংহের মধ্যকার সংঘাত কখনো প্রকাশ্যে আসতো না, যদি না তারা ২০১৫ সালের নির্বাচনের পরে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ভীষণভাবে প্রয়োজনীয় সংস্কার পাস না করতেন। ওই সংস্কার অল্প সময়ের মধ্যেই ধ্বংসাত্মক প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা শ্রীলঙ্কার গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে। মিয়ানমারের ভয়াবহ এক আধিপত্যের প্রকাশ বেরিয়ে এসেছে। তবে সেখানে স্বাধীন মিডিয়ার জন্য ভূমিকা রেখেছে, অধিকতর মুক্ত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় অবদান রেখেছে এবং নাগরিক সমাজের জন্য নতুন সম্ভাব্যতা সৃষ্টি করেছে। মিয়ানমার পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ভারতে নির্বাচন উচ্চ মাত্রায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রয়েছে। বিরোধী দলের বিরুদ্ধে নতুন করে ইঞ্জিনিয়ারিং করার মধ্যেই নিশ্চিন্তে থাকতে পারে না বিজেপি। সেনাবাহিনীর প্রভাবযুক্ত ও ধর্মীয় উগ্রপন্থার ছায়ার নিচে পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক যে প্রতিযোগিতা তাতে এমন একটি সম্ভাব্য সরকার গঠন করে, যে সরকার তার নাগরিকদের কাছে অধিকতর দায়সম্পন্ন।
দ্বিধাহীনভাবে বলা যায়, কিছু দেশে গণতন্ত্র এখনো আছে, যেমন হাঙ্গেরি। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি একই নয়। সর্বোপরি গণতন্ত্রের বিতর্কিত প্রকৃতি এখানে নজরদারির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। যারা অন্যান্য গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলেন অব্যাহতভাবে তাদেরকে তা করতে হবে, পশ্চাতে ফেলে আসতে হবে আদর্শগত অধিকারের প্রকল্পের বিরুদ্ধে কথা বলা, যেসব রাজনীতিক প্রতিষ্ঠানকে খর্ব করেন এবং যেসব প্রতিষ্ঠান জবাবদিহিতা থেকে পালানোর চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া।
স্বেচ্ছায় গণতন্ত্রের পক্ষে থাকার বিষয়টি প্রমাণ করে শ্রীলঙ্কার সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি সমাধানের বিষয়। সিরিসেনার ক্ষমতার খেলা সহজেই উতরে যাওয়া যেতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় গণতন্ত্রের দুটি মূল বিপদ বর্তমান: তা হলো জাতি-জাতীয়তাবাদ এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লঙ্ঘন। সিরিসেনার লক্ষ্য ছিল দ্রুত একটি সত্য প্রতিষ্ঠা করা, যা সহজে পাল্টানো যাবে না। কিন্তু সাধারণ মানুষ, নাগরিক সমাজ ও রাজনীতিকরা সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণ করেন। তাদের এই কঠোর লড়াই উৎসাহ ও ক্ষয়িষ্ণু গণতন্ত্রের কথা বলে।
(অনলাইন ডেইলি টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কবুতরে ভাগ্য পরিবর্তন by তোফাজ্জল হোসেন তপু

এরপর রবিউলের বাড়িতে যুক্ত হয় নতুন কবুতরের ঘর। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে কবুতর। এখন তার খামারে রয়েছে সিরাজী, ম্যাগপাই, আউল, জালালী, গিরিবাজ, লোটন, লাক্ষা, কিং, ঘিয়ে, চুন্নী, হোয়াইট কিংসহ ৩০ জাতের দেশি-বিদেশি প্রায় ৫শ’ কবুতর। এসব কবুতরের বাজার মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা।
এ ছাড়াও রবিউলের খামারে শোভা পাচ্ছে ঘুঘু, টিয়া, লাভ বার্ডসহ নানান জাতের পাখি।
রবিউলের প্রতিজোড়া কবুতরের বাচ্চা বিক্রি হয় ২০০-২৫০ টাকায়। বিদেশি জাতের কবুতরের বাচ্চা বিক্রি হয় প্রায় চারগুণ দামে। কবুতর বছরে ৬-৭টি বাচ্চা জন্ম দিতে সক্ষম। বাচ্চার পাশাপাশি তার খামারে প্রতি জোড়া বিদেশি কবুতর বিক্রি হয় প্রায় ৮-১০ হাজার টাকায়। বাহারী কবুতর, কবুতরের বাচ্চা ও পাখি বিক্রি করে তার প্রতিমাসে আয় হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা। শখের বশে পালিত কবুতরই এখন রবিউলের উপার্জনের হাতিয়ার।
রবিউল যশোর এমএম কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স শেষ করেছেন। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই কবুতর প্রীতি ছিল তার। শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় শখের বশে নিয়ে আসেন ছয় জোড়া কবুতর। এরপর বাচ্চা বিক্রি করে চালাতেন লেখাপড়ার খরচ। কবুতরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পেতে এখন তা খামারে পরিণত হয়েছে। মাস্টার্স শেষ করেছেন। জোটেনি চাকরি। এখন চাকরির চিন্তা বাদ দিয়ে হয়েছেন খামারী। কবুতরের সফলতার পর খামারে যুক্ত হয় বিভিন্ন জাতের পাখি। পাশাপাশি বাড়ির পাশের জমিগুলোতে করেন নানান ফসলের চাষ। নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি করেছেন অন্যের কর্মের সুযোগ। রবিউলের ইচ্ছা আছে এই খামারটি আরো অনেক বড়পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার।
সরজমিন কাকলাশ গ্রামে রবিউল ইসলামের খামারে দেখা যায়, বড় একটি টিনের ছাউনির ঘরে ছয় শতাধিক খোপ। বিদেশি কবুতরের জন্য দেয়া হয়েছে লোহার খাঁচা। নিচে দেয়া খাবার ও পানি। আর পাখিগুলোর জন্য দেয়া হয়েছে একটি নির্দিষ্ট স্থান।
কবুতর ও পাখির যত্ন সম্পর্কে রবিউল জানান, ঘর সবসময় পরিষ্কার পরিছন্ন রাখার পাশাপাশি রোগ জীবাণুর হাত থেকে বাঁচতে তিন মাস অন্তর অন্তর ওষুধ দিতে হয় শুধু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেগুন চুরির মামলায় ভাগ্য পরিবর্তন

আদালতে তাবেলা জানিয়েছিল, সে রাতে ছিল তীব্র শীত এবং ঘরে ছিল না কোনো খাবার। অভাবের কারণেই বাড়ির পাশের বেগুন বাগান থেকে বেগুন চুরি করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাবেলার দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনার পরেও মন গলেনি বিচারকের। জরিমানা করেন ১২০ ইউরো প্রায় ১২ হাজার ৬শ’ টাকা এবং দুই মাসের জেল। তবে, এই শাস্তিতে খুশি হয়নি স্থানীয় লিগ্যাল কাউন্সিল। তারা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। এরপর সময় গড়িয়ে যায় দীর্ঘ ৯ বছর। সম্প্রতি মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে। চুরির বিষয়টি স্বীকার করার কারণে জরিমানা এবং সাজা মওকুফ করে উচ্চ আদালত। আর জনগণের করের টাকায় দীর্ঘদিন মামলা চালানোর দায়ে আদালতকে শুনতে হয় নানান গঞ্জনা।
আর তাবেলো এখন বেশ সুখেই আছেন। এখন তিনি অভাবের শিকল থেকে বের হতে পেরেছেন। মামলার ঘটনাটি জানাজানি হবার পর পেয়েছেন সাহায্য। শহরের বুকে দিয়েছেন একটি সবজির দোকান। জীর্ণ বাড়িটি হয়েছে পাকা দালান। সন্তান পড়ালেখা করছেন শহরের নামি স্কুলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উইলের রাজনীতি, জাপার ভবিষ্যৎ কি কাদেরই?

বারবার সিদ্ধান্ত বদল করার জন্য খ্যাতি রয়েছে এরশাদের। এই বয়সে এসেও তিনি চমক দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। যদিও কে না জানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন চাঞ্চল্য তৈরি করা খুবই কঠিন।
বলতে গেলে প্রায় অসম্ভব। তবুও তিনি চেষ্টা করছেন। নতুন বছরের প্রথম দিনই এরশাদের একটি উইল ঘিরে রাজনীতিতে ফের চাপান-উতর তৈরি হয়। যেখানে বিবৃতি দিয়েই ছোট ভাই জিএম কাদেরকে দলের ভবিষ্যৎ প্রধান ঘোষণা করেন তিনি।
২০১৪ সালে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই জাপার রাজনীতির কর্তৃত্ব চলে যায় রওশন এরশাদের হাতে। মূলত এরশাদকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচনে থেকে যাওয়ার পুরস্কার পান তিনি। সংসদে বিরোধী দলের নেতাও নির্বাচিত হন। যদিও এরশাদও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হয়ে সুখে-শান্তিতেই পাঁচ বছর কাটিয়ে দেন। এবারের নির্বাচন ঘিরে এরশাদের কৌশল ঠিক কী ছিল তা এখনো পরিষ্কার নয়।
তবে তার একান্ত অনুগত রুহুল আমিন হাওলাদার দৃশ্যপট থেকে একেবারেই হারিয়ে যান। হাওলাদারকে সরিয়ে মশিউর রহমান রাঙ্গাকে মহাসচিব বানান এরশাদ। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা ঘিরে দলের ভেতরে নানা অসন্তোষ তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে মনোনয়ন বাণিজ্যের। এ নিয়ে নানা গুজব বাতাসে। সরকারি দলের মহাজোটে থেকে নির্বাচন করে ২২টি আসনে জয়ী হয়ে প্রধান বিরোধী দল হয়েছে জাপা। স্ত্রী রওশন নয়, এবার এরশাদ নিজেই হয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা। অন্যদিকে, রওশন চলে গেছেন অনেকটাই পর্দার আড়ালে। যদিও জাপায় এরশাদের উত্তরাধিকার নিয়ে অনেক দিন ধরেই ঠাণ্ডা লড়াই চলে আসছে। ২০১৬ সালে দলে প্রথম কো-চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি করেন এরশাদ। জিএম কাদেরকে ওই পদে বসান। ঘোষণা দেন, তার অবর্তমানে দলের হাল ধরবেন জিএম কাদের। এ নিয়ে তখন রওশনপন্থিদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন এরশাদ। রওশনকে জিএম কাদেরের উপর স্থান দেন। বানান সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান।
দৃশ্যত এবার জাপার বেশিরভাগ সংসদ সদস্যই সরকারে যোগ দেয়ার পক্ষে ছিলেন। দলের সংসদীয় কমিটির সভায়ও এমনই সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এরশাদ বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেন, জাপা বিরোধী দল হবে। শেষ পর্যন্ত হয়ও তাই। এর আগে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণ করে দেয়া বিবৃতিতে এরশাদ বলেন, আমি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে পার্টির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখছি যে, আমার অবর্তমানে বর্তমান কো-চেয়ারম্যান জনাব গোলাম মোহাম্মদ কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আশা করি, পার্টির জাতীয় কাউন্সিল আমার মতো তাকেও চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে পার্টির সার্বিক দায়িত্ব তাকে অর্পণ করবে। পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে আমি যতদিন দায়িত্ব পালন করবো, ততদিন জিএম কাদের আমাকে সহযোগিতা করবেন।
এরশাদের এই নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে অবশ্য দলের ভেতরে প্রকাশ্যে কেউ কোনো প্রশ্ন তোলেননি। পরে জিএম কাদেরকে বিরোধী দলীয় উপনেতা বানিয়েও এরশাদ এ ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন যে, কাদেরই জাপার দ্বিতীয় প্রধান নেতা। জাতীয় পার্টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রশ্নে দলের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে দলটির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, তৃণমূল নেতাদের মধ্যে এরশাদের প্রতি শতভাগ আনুগত্য রয়েছে। তারা সব সময়ই বিনাবাক্যে দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্ত মেনে নেন। এ অংশটি জিএম কাদেরকে দলের ভবিষ্যৎ প্রধান হিসেবে মেনে নিতে রাজি রয়েছেন। তবে সংসদ সদস্যদের একটি বড় অংশ এখনো রওশন এরশাদের প্রতি অনুগত।
উইলের রাজনীতি কিছুটা বিরল হলেও উত্তরাধিকারের রাজনীতি উপমহাদেশে একেবারেই সাধারণ ঘটনা। বাংলাদেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই চলছে উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে। এরশাদের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তার শরীর আসলেই বেশ খারাপ। নানা রকম শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে দলের ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি হিসেবে ভাই জিএম কাদেরকেই বেছে নিয়েছেন এরশাদ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, জিএম কাদের কি দলের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পারবেন?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মর্মান্তিক! ভবন থেকে ইট পড়ে ১৬ দিনের শিশুর মৃত্যু

ছেলে একদিন অনেক বড় হবে। বাবা মায়ের স্বপ্ন এক এক করে পূরণ করবে। কিন্তু সব স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল। গতকাল সকাল ১০টায় মিরপুর এক নম্বর সেকশনের জোনাকি রোডে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। ইটের টুকরো পড়ার সঙ্গে সঙ্গে গুরুতর অবস্থায় আব্দুল্লাহকে নেয়া হয় আগারগাঁওয়ের ঢাকা শিশু হাসপাতালে। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল্লাহর বাবা কবির হোসেন জানান, ১৬ দিন আগে মিরপুরের একটি হাসপাতালে আব্দুল্লাহ জন্মগ্রহণ করে। গতকাল সকালে শিশুর খালা তামিম সুলতানা আব্দুল্লাহকে কোলে নিয়ে বাসার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। এর পাশের একটি চারতলা ভবনের ছাদে বাচ্চারা খেলছিল। হঠাৎ সেখান থেকে একটি পাঁচ ইঞ্চির মতো ইট খালার কোলে থাকা শিশু আব্দুল্লাহর মুখের উপর এসে পড়ে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক দুপুরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বরিশালের মুলাদী উপজেলার প্রাইভেটকারচালক কবির হোসেনের প্রথম সন্তান মেয়ে। তাই দ্বিতীয় সন্তান পুত্র হওয়ায় তাদের ঘরে বইছিল আনন্দের বন্যা। কিন্তু ১৬ দিনের মাথায় তা পরিণত হয় কান্নায়। বিষাদে। স্ত্রী লাইজু ও মেয়ে আয়শাকে নিয়ে মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের জোনাকি রোডে ৭৫ নম্বর একটি টিনশেড বাড়িতে ভাড়া থাকে কবির হোসেন।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাদন ফকির বলেন, পাশের একটি চারতলা ভবনের ছাদে কয়েকজন শিশু খেলা করছিল। এ সময় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুর হাত থেকে একটি ইটের টুকরো নিচে পড়ে যায়। এতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।
আব্দুল্লাহর মতো এমন অনেকেই আকস্মিক অপঘাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়েও এমন মৃত্যুর শিকার হতে হচ্ছে অনেককে। চলতি বছরের অক্টোবরে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার বলাকা ভবনের পাশে নির্মাণাধীন একটি ভবনের উপর থেকে ইট পড়ে জাহাঙ্গীর হোসেন নামের একজন নিহত হয়েছেন। এর আগে মে মাসে ভবনের উপর থেকে ইট পড়ে যাত্রাবাড়ীর আইডিয়াল রোড এলাকায় নিয়ামুল নামের এক বৃদ্ধ প্রাণ হারান। তবে, এসব অপ্রত্যাশিত ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ শিক্ষাবিদ ও স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, যেকোনো নির্মাণ কাজ শেষ হলে বা চলাকালে ভবনের অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তথা ইট পাথর সরিয়ে রাখা উচিত। এ বিষয়গুলো নিয়ে সবার সচেতন হতে হবে। একই কথা রাস্তাঘাটের ক্ষেত্রেও। মানুষের জন্য নিরাপদ করে তুলতে হবে। কোনো দুর্ঘটনার শিকার যেন কাউকে না হতে হয় সেজন্য চলাচলের উপযুক্ত রাখতে হবে। মিরপুরের এই ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি যদি নির্মাণাধীন ভবন হতো তাহলে আলাদা কথা ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতীয় সংলাপের সিদ্ধান্ত আজ, ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে সফর সোমবার: চলতি সপ্তাহে ট্রাইব্যুনালে মামলা by আব্দুল আলীম

নির্বাচনে অনিয়মের তথ্য চেয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রত্যেক প্রার্থীর কাছে ৮টি ক্যাটাগরিতে তথ্য চেয়ে গত ৩রা জানুয়ারি চিঠি দেয় বিএনপি। সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচনে অনিয়মের তথ্য সাতদিনের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বরাবর জমা দিতে হবে। চিঠিতে বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল ১০ই জানুয়ারি।
তবে গতকাল পর্যন্ত ১৮০ জন প্রার্থী নিজ নিজ আসনের অনিয়মের প্রতিবেদন জমা দেন। ধানের শীষ প্রতীকে ২৮১ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫৬ জন ছিল বিএনপির, বাকিরা ২০ দলীয় জোটের শরিক এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী। বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর কারণে অনেক প্রার্থী দেরিতে চিঠি পেয়েছেন।
তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রার্থী প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। আর দু-একদিনের মধ্যে সবাই জমা দিয়ে দেবেন। জানা গেছে, নির্বাচনে অনিয়মের তথ্য চেয়ে যে চিঠি দেয়া হয়, তাতে বলা হয়- প্রার্থীদের নিজের ও পরিবারের অবরুদ্ধ হয়ে পড়া কিংবা হামলায় আহত, সহায়-সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য ও ছবি, নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায় সংঘটিত অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি, সহিংসতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের তাণ্ডব এবং সন্ত্রাসের একটি সচিত্র প্রতিবেদন দিতে হবে। পরে প্রার্থীরা এসব তথ্য-সংবলিত ভিডিও এবং ছবি ও লিখিত বর্ণনা দিয়েছেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য প্রার্থীর কাছেও এসব তথ্য চাওয়া হয়। সব প্রার্থী নির্বাচনে অনিয়মের এসব তথ্য জমা দিলে তার ওপর ভিত্তি করে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। ভিডিওগুলো দিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করা হবে। এরপর এগুলো সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরাসহ ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের কাছেও তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছেও তুলে ধরা হবে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মানবজমিনকে বলেন, ইতিমধ্যে ১৮০ জন প্রার্থী নিজ নিজ আসনে ভোটের অনিয়মের তথ্য জমা দিয়েছেন। বাকিরা দু-একদিনের মধ্যে জমা দেবেন। এগুলো নিয়ে আমাদের কাজ চলছে। তথ্যচিত্র ও ভিডিওচিত্র তৈরি করা হতে পারে। এছাড়া, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ঘোষিত তিন দফা কর্মসূচির দিনক্ষণ নির্ধারণ নিয়েও কাজ চলছে। শিগগিরই জানানো হবে। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য মোস্তফা মোহসিন মন্টু মানবজমিনকে বলেন, নির্বাচনের পর এক মাসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার নিয়ম রয়েছে। সেই হিসাবে আমাদের হাতে কিছু সময় রয়েছে। আমরা কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল পাওয়ার আশায় ছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব করায় অন্যভাবে তথ্য সংগ্রহ করছি। শেষ পর্যন্ত এগুলো দিয়েই মামলা করা হবে। এটা চলতি সপ্তাহের মধ্যেই করা হতে পারে। অন্যদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে জাতীয় সংলাপের দিনক্ষণ নির্ধারণ করতে আজ শনিবার আমরা বৈঠক করব। রাতে হয়তো চূড়ান্ত হবে জাতীয় সংলাপে বসার দিনক্ষণ। এছাড়া, আগামী ১৪ তারিখ থেকে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের দেখতে যাওয়া শুরু করব। প্রথম দিন সিলেটের বালাগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা আগেই দেয়া হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিবিদ-মন্ত্রী হয়, সৈয়দ আশরাফ সহজে হয় না

মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফ দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন তিনি। ৬৭ বছর বয়সী আশরাফ ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গত ৩রা জানুয়ারি থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে মারা যান। তার সততা ও নির্লোভ মানসিকতার প্রশংসা করছেন প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতারাও।
আশরাফের ব্যক্তিত্ব ও প্রজ্ঞার কথা তুলে ধরে সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর স্মরণসভায় বলেন, তার অন্তিমযাত্রায় লাখো মানুষের ঢল প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ সৈয়দ আশরাফের মতো লোককেই নেতা হিসেবে চায়।
লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত চোখ এ-কথাই বলে, এ দেশের মানুষ সৈয়দ আশরাফের আদর্শকে লালন করতে চায়। ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ওই পদ তাকে ‘কখনো আচ্ছন্ন করেনি’ বলে মন্তব্য করেন নূর।
নিজেকে কিছুটা আড়ালে রেখে সুচারুভাবে দলকে পরিচালনা করেছেন তিনি। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে তার জনপ্রিয়তা ছিল প্রবাদ প্রতিম। একজন রাজনীতিবিদের জীবনে এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। সৈয়দ আশরাফকে বাংলাদেশের রাজনীতির ‘উজ্জ্বল নক্ষত্র’ হিসাবে বর্ণনা করে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, মাটির কাছাকাছি থেকেও নিজেকে আকাশের উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারার মতো এক বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী এই মানুষটিকে শ্রদ্ধা জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে।
আন্দোলনে-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সৈয়দ আশরাফকে জানার সুযোগ হওয়ার কথা তুলে ধরে নূর বলেন, আমার বলতে দ্বিধা নাই, একইসঙ্গে ঈর্ষণীয় ও অনুকরণীয় এ রকম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সমকালীন সময়ে আমি খুব একটা দেখি না। বিভিন্ন বিষয়ে অগাধ জ্ঞান থাকলেও ‘মৃদুভাষী এই মানুষটিকে কখনো পাণ্ডিত্য জাহির করতে দেখা যায়নি’।
সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, আমরা যারা রাজনীতি করি, আমরা ফেরেশতা নই, শয়তানও নই। আমরা দোষে-গুণে মানুষ। কিন্তু যারা দোষ না করে গুণে এগিয়ে থাকেন, তারা মহা মানুষ, ভালো গুণের মানুষ। সৈয়দ আশরাফ তেমনি একজন ছিলেন। তিনি গুণী মানুষ ছিলেন, সাহসী মানুষ ছিলেন, দক্ষ মানুষ ছিলেন।
ষাটের দশকের শেষে ছাত্রলীগের একজন নেতা হিসাবে দেখার এবং মুক্তিযুদ্ধে সৈয়দ আশরাফকে সঙ্গী হিসাবে পাওয়ার কথা জানিয়ে জাসদ সভাপতি ইনু বলেন, জীবনের সর্বক্ষেত্রে ‘নীতি, নিষ্ঠা, আদর্শ ও দৃঢ়তার’ পরিচয় দিয়ে গেছেন আশরাফ।
এক-এগারোর সময় যখন অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিন্দুমাত্র বিভ্রান্ত হননি।
ইনু বলেন, তিনি নীতিবান ছিলেন, নিষ্ঠাবান ছিলেন, আদর্শবান ছিলেন, কুশলী ছিলেন, সজ্জন ছিলেন। ক্ষমতা ও টাকার পেছনে ছোটেন নি কখনো। এসব বিষয় তার কাছ থেকে শেখার আছে আমাদের।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সৈয়দ আশরাফ ছিলেন একজন নির্লোভ মানুষ। তিনি বাংলাদেশকে ভালোবাসতেন। যে স্বপ্ন নিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তিনি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করেছিলেন। তিনি নেই। তাকে সামনে রেখে আমাদের আগামীর পথ চলতে হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই শোকসংগীত ‘তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে’ পরিবেশন করেন গণসঙ্গীত শিল্পী সমন্বয় পরিষদের শিল্পীরা।
এরপর সৈয়দ আশরাফের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
অনুষ্ঠানে জীবনানন্দ দাশের ‘আবার আসিবো ফিরে’ কবিতা পাঠ করেন সৈয়দ হাসান ইমাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পরিচয়’ পাঠ করেন ভাস্বর বন্দোপাধ্যায়।
সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ পাঠ করেন আহকাম উল্লাহ্, রেজিনা ওয়ালী লীনা পড়েন শামসুর রাহমানের ‘পান্থজন’। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ জানান, সৈয়দ আশরাফ অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শাহ আবদুল করিমের ‘বন্দে মায়া লাগাইছে’ গানটি শুনতেন। অনুষ্ঠানে তার স্মরণে গানটি গেয়ে শোনান শিল্পী লাভলী দেব।
শিল্পী মহিউজ্জামান চৌধুরী গেয়ে শোনান ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে’। গণসঙ্গীত শিল্পী সমন্বয় পরিষদের শিল্পীদের কণ্ঠে ‘আমরা সবাই বাঙালি’ গাওয়ার মধ্য দিয়ে স্মরণ অনুষ্ঠান শেষ হয়।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ। অনুষ্ঠানে জোটের পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি পাঠ করেন জোটের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়েদের স্কুল-কলেজে দেবেন না -আহমদ শফি

গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর চট্টগ্রামের আল জমিআ’তুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা প্রাঙ্গণে মাদরাসার বার্ষিক মাহফিল ও দস্তারবন্দি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ওয়াজ (বক্তব্য) করার সময় উপস্থিত লোকজনকে এই ওয়াদা করান তিনি। এ সময় মাহফিলে উপস্থিত ১৫ হাজারের অধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান হাত তুলে ওয়াদা করেন। ওয়াজের একটি অডিও রেকর্ড মানবজমিনের কাছে সুরক্ষিত আছে।
শাহ আহমদ শফি বক্তব্যে বলেন, আপনাদের মেয়েদের স্কুল-কলেজে দেবেন না। ক্লাস ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত পড়াতে পারবেন। আর বেশি যদি পড়ান..., পত্র-পত্রিকায় তো দেখতেছেন। মেয়েকে ক্লাস এইট, নাইন, টেন, এমএ, বিএ পর্যন্ত পড়ালে ওই মেয়ে কিছুদিন পর আপনার মেয়ে থাকবে না। বেশি পড়ালে আপনার মেয়েকে টানাটানি করে অন্য পুরুষ নিয়ে যাবে।
এ ওয়াজটা মনে রাখবেন। তাই আপনারা আমার সঙ্গে ওয়াদা করেন। আপনার মেয়েকে স্কুল-কলেজে পড়াবেন না।
এ সময় উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ হাত তুলে ওয়াদা করেন। এ ছাড়া তিনি পুরুষদের সুন্নত মোতাবেক দাড়ি রাখা, নামাজ পড়া ও মেয়েদের পর্দা করানোর বিষয়ে উপস্থিত সবার কাছ থেকে হাত উঠিয়ে প্রতিশ্রুতি নেন। পরে দোয়া পরিচালনার মাধ্যমে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে চলছে হাসপাতালে সমাজসেবা কার্যক্রম by পিয়াস সরকার

৭ই জানুয়ারি সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের সমাজসেবা কার্যালয়ের চিত্র। দরজার সামনে ৮ থেকে ১০ জনের লাইন। হাতে ডাক্তারের দেয়া আবেদনপত্র।
সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে আছেন সকলে। সকলেই সেবাপ্রত্যাশী-দরিদ্র-অসহায় রোগীর স্বজন। গত রোববার ফিরোজ মিয়া ক্যানসারে আক্রান্ত ভগ্নিপতির জন্য করেছিলেন বেশ কয়েকটি ইনজেকশন প্রাপ্তির আবেদন। তিনি একদিন পর গতকাল সোমবারেই হাতে পেয়ে যান আবেদনে উল্লেখ Platinex, Trexonate, Cyclotox, Xorubin ইনজেকশন। এই ইনজেকশন চারটির বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার টাকা। ইনজেকশন প্রাপ্তির জন্য হতদরিদ্র পরিবারটিকে প্রথমে ডাক্তারের স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দিতে হয়। তারপর করতে হয় একটি ফরম পূরণ। এই ফরম পূরণ করার পর নিতে হয় ডিউটিরত ডাক্তার ও বিভাগীয় প্রধানের স্বাক্ষর।
আরেকজন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী মোসা. সুরতন। তার ছেলে গতকাল দুটি ইনজেকশন পান সমাজসেবা কার্যালয় থেকে। Erubin I Platinex| Erubin ইনজেকশনটির বাজারমূল্য ৩৭০০ টাকা। দুটি ইনজেকশনের বাজারমূল্য প্রায় ৪ হাজার টাকা। আরো একজন ক্যানসার আক্রান্ত রোগী আইয়ুব আলী ইনজেকশনের পাশাপাশি পেয়েছেন বেশকিছু ওষুধ। ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের সেবা নিতে প্রতি ২১ দিন পর পর আসতে হয় হাসপাতালে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্ত্রোপচার হয়েছে সাবের আলীর। অস্ত্রোপচারের সময় পেয়েছেন ওষুধসহ বিভিন্ন সহযোগিতা। এবার প্রয়োজন বাড়ি ফেরা। বাড়ি ফেরার জন্য চাই গাড়ি ভাড়া। পরশুদিন দেন আবেদন। সেই আবদনে সাড়া দিয়ে গতকাল এম্বুলেন্সযোগে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করে দেয় সমাজসেবা হাসপাতাল অফিস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের পাশাপাশি রয়েছে দুটি বুথ। এসব বুথে রোগীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। প্রতিটি বুথে রয়েছেন দুজন করে ব্যক্তি। তারা প্রত্যেকে প্রার্থীদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। এই মেডিকেলে কর্মরত সমাজসেবা কার্যালয়ের দায়িত্বরত অফিসার রুবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, আমরা এখানে সাধ্যমতো সকলের সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। আমাদের নিজস্ব কোনো বাজেট নেই।
বিভিন্ন সংস্থা-ব্যক্তির অনুদান, যাকাত, ওষুধ কোম্পানির সহযোগিতায় আমরা দুস্থদের সেবা প্রদানের চেষ্টা করে থাকি। আনুমানিক কতজনকে সেবা দিতে সক্ষম আপনারা? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, গত মাসে (ডিসেম্বরে) আমরা ২৫২ জনকে ওষুধসহ বিভিন্ন সেবা দিয়েছি। এ ছাড়াও রোগীসহ স্বজনদের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করেছি হাজারখানেক ব্যক্তিকে। এই সেবা সঠিক ব্যক্তি পাচ্ছেন কিনা এই প্রশ্নের জবাবে আরেকজন অফিসার কামরুন নাহার ফেরদৌসি বলেন, আমরা নিজে থেকে কোনো ব্যক্তিকে সহযোগিতা প্রদান করি না সাধারণত। দরিদ্র কে? তা ডাক্তার সব থেকে ভালো জানেন। আমরা ডাক্তারের স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র প্রথমে গ্রহণ করি। এরপর আমাদের বিবেচনায় দেয়ার মতো মনে হলে একটি ফরম পূরণ করতে দেই। ফরমটি পূরণের পর কর্তব্যরত চিকিৎসক এবং বিভাগীয় প্রধান স্বাক্ষর করেন। এরপর আমরা সহযোগিতা প্রদানের ব্যবস্থা করি। তার সঙ্গে কথা বলার সময় ইনসেপ্টা গ্রুপের সৌজন্যে এক কার্টন ওষুধ আসে কার্যালয়ে।
কিন্তু মহৎ কাজেও রয়েছে দালালদের প্রচ্ছন্ন ছায়া। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকরা আবেদনপত্র লিখে স্বাক্ষর করার পর স্বজনদের বলে দেন এর প্রক্রিয়া। কিন্তু সাহায্য নিতে আসা অধিকাংশ ব্যক্তি নিরক্ষর ও নিম্নআয়ের মানুষ হওয়ার কারণে এই অফিসিয়াল কাজগুলো করতে ভীত হন। সমাজসেবা কার্যালয়ের আশেপাশে থাকে বেশ কয়েকজন দালাল। সাহায্যপ্রার্থীরা কার্যালয় কোথায় প্রশ্ন করলেই ধরে ফেলেন তাদের। মোজ্জামেল হোসেন নিচ তলায় কাগজ দেখিয়ে জানতে চেয়েছিলেন কার্যালয়টি কোথায়? এরপর দালাল রুবেল কাগজ হাতে নিয়ে নানা কথার মাধ্যমে ভীত করতে থাকেন। যেমন, আপনি গেলে ওষুধ দেবে না। দাঁড়ায় থাকতে হবে সারাদিন। আমার চেনা লোক আছে ৫০০ টাকা দিলে করে দেবে। এরপর ২০০ টাকায় সে দফায় রাজি হন কাজ করতে। এরপর লাইনে দাঁড়ায় সেই দালাল।
কক্ষে ঢুকার সময় নিয়ে যান মোজাম্মেলকে। দালাল পরিচয় দিলেন তার ভাই। এরপর কার্যালয়ে ফরম পূরণ করে দেয় সেই দালাল। এবার তাকেই পাঠান ডাক্তারের কাছে স্বাক্ষর নেয়ার জন্য। আর দালাল দাঁড়িয়ে থাকে সমাজসেবা কার্যালয়ের পাশেই। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ফিরে এলেন তিনি। সেখানে জমা দেন কাগজ। বলেন, কাল সকালে আসলে ওষুধ পেয়ে যাবেন। তার কাছ থেকে বাগিয়ে নেন ২০০ টাকা। হাসপাতালের দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে লেখা দালাল ধরিয়ে দিন, তার নিচে দেয়া নম্বর। সেই নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন ধরেন নি কেউ। দালালদের দৌরাত্ম্যের বিষয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের দায়িত্বরত অফিসার অলিভিয়া পারভীন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ও অসহায় রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ৯০টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়াও ৩৪২টি উপজেলায় এই কার্যক্রম চলছে। বিনামূল্যে ওষুধ, সহায়ক যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম অঙ্গ, বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান বা এর জন্য নগদ আর্থিক সহায়তা। নামপরিচয়বিহীন মৃত ব্যক্তির সৎকার করার ব্যবস্থাসহ ১৪টি সেবা প্রদান করে থাকেন তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
January
(487)
-
▼
Jan 12
(13)
- বাংলাদেশের নির্বাচন এবং পশ্চিমা বিশ্ব by আরাফাতুল ...
- প্রেমিকাই আজ স্বপ্ন পূরণের হাতিয়ার by পিয়াস সরকার
- সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকার বিচ্ছেদ by মিসবাহুল হক
- বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি যে কারণে বাড়ছে
- দক্ষিণ এশিয়ায় গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ (শেষ পর্ব) by পল ...
- কবুতরে ভাগ্য পরিবর্তন by তোফাজ্জল হোসেন তপু
- বেগুন চুরির মামলায় ভাগ্য পরিবর্তন
- উইলের রাজনীতি, জাপার ভবিষ্যৎ কি কাদেরই?
- মর্মান্তিক! ভবন থেকে ইট পড়ে ১৬ দিনের শিশুর মৃত্যু
- জাতীয় সংলাপের সিদ্ধান্ত আজ, ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে স...
- রাজনীতিবিদ-মন্ত্রী হয়, সৈয়দ আশরাফ সহজে হয় না
- মেয়েদের স্কুল-কলেজে দেবেন না -আহমদ শফি
- যেভাবে চলছে হাসপাতালে সমাজসেবা কার্যক্রম by পিয়াস ...
-
▼
Jan 12
(13)
-
▼
January
(487)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...