Sunday, August 18, 2019
কাশ্মীরের জনগণের সঙ্গে দাবার ঘুটির মতো আচরণ করবেন না: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

গতকাল জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে যোগ দিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব কুমি নাইডু ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সংকটে জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের সঙ্গে দাবার ঘুটির মতো আচরণ করা উচিত নয়। কাশ্মীরের জনগণের মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও এগিয়ে আসা উচিত।’
তিনি আরো বলেন, ‘কয়েক দশক পর ফের প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে বৈঠক করছে। পরিষদের সদস্যদের স্মরণে রাখা উচিত তাদেরকে মূলত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ম্যান্ডেট দেওয়া হয়েছে। সুতরাং জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে মানবাধিকার রক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা উচিত তাদের।’
ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভারত সরকারের প্রতি আমাদের আহবান তারা যেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মানদণ্ড অনুযায়ী জম্মু-কাশ্মীরের মানুষদের সঙ্গে আচরণ করে। রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার ও আটক এবং জনগণের চলাচলের স্বাধীনতার ব্যাপারেও যেন তারা তা মেনে চলে।’
নাইডু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত সরকারের পদক্ষেপসমূহ সাধারণ জনগণের দৈনন্দিন জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তালেবান কি ক্ষমতায় ফিরে আসছে?
তালেবানদের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির ব্যাপারে কত দূর অগ্রগতি হয়েছে, সে প্রশ্নে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে ট্রাম্প এই টুইট পাঠান। অধিকাংশ পর্যবেক্ষক মনে করেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ব্যাপারে তিনি উদগ্রীব, তবে বাস্তব পরিস্থিতির কারণে কত দ্রুত সে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব, সে প্রশ্নে সন্দেহ রয়েছে।
শুক্রবারের বৈঠক শেষে হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি হোগান গিডলি জানিয়েছেন, আলোচনার মূল বিষয় ছিল সৈন্য প্রত্যাহার প্রশ্নে তালেবানদের সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তি। এই চুক্তি অনুসারে প্রথম পর্যায়ে সে দেশ থেকে পাঁচ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করা হবে। অবশিষ্ট নয় হাজার সৈন্য ধাপে ধাপে ফিরিয়ে আনা হবে। এর বদলে তালেবানরা আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে ও তালেবাননিয়ন্ত্রিত এলাকায় তাদের প্রশিক্ষণ বা অন্য কোনো সামরিক তৎপরতা সমর্থন করবে না। এই চুক্তির শর্তানুযায়ী তালেবানরা বর্তমান আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণির সঙ্গেও শান্তি আলোচনায় বসবে। চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি এই পক্ষের মধ্যেই সম্পাদিত হবে। গিডলির কথায়, খুব ভালো বৈঠক হয়েছে।
মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার হলে তালেবান ফের ক্ষমতায় ফিরে আসবে, এই সম্ভাবনায় আফগানিস্তানের ভেতরে ও বাইরে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সবচেয়ে ভয়ের কথা, গত দেড় দশকে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে আফগান নারীরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছেন, তালেবান ক্ষমতায় এলে তার অনেকটাই হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি জালমেই খাললিজাদের নেতৃত্বে মার্কিন পক্ষ কয়েক মাস ধরে দোহাতে তালেবানদের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি প্রশ্নে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে জার্মানি ও নরওয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে। হোয়াইট হাউস আশা করছে চুক্তির ব্যাপারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হলে তালেবান ও আফগান সরকার সরাসরি আলোচনায় বসবে। তালেবান অবশ্য এখন পর্যন্ত এই মুখোমুখি আলোচনার ব্যাপারে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেনি। তারা কাবুলে বর্তমান সরকারকে বৈধ বলে স্বীকার করে না।
বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, যেকোনো উপায়ে দ্রুত একটি চুক্তির ব্যাপারে ট্রাম্প খালিলযাদের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছেন। ২০২০ সালের নির্বাচনের আগেই তিনি এই চুক্তি সম্পাদন করতে চান। গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প ঘোষণা করেন অবিলম্বে অর্ধেক মার্কিন সৈন্যদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা হবে। এ বছর জানুয়ারিতে টিভিতে প্রচারিত এক কেবিনেট বৈঠকে ট্রাম্প সবার কাছে প্রশ্ন রাখেন, ছয় হাজার মাইল দূরের এক দেশে আমরা বছরের পর বছর ধরে কেন পড়ে আছি?
তালেবানদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনার পূর্বমুহূর্তে এমন ঘোষণা খালিলযাদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে। মার্কিনরা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাচ্ছে, এ অবস্থায় কোনোরকম ছাড় দিতে তালেবানরা স্বাভাবিকভাবেই উৎসাহী নয় বলে মন্তব্য করেছে রাজনৈতিক পত্রিকা ‘পলিটিকো’।
সৈন্য প্রত্যাহারের বিপদ সম্বন্ধে ট্রাম্পের নিকট রাজনৈতিক মিত্রদের অনেকেই তাঁকে সাবধান করে দিয়েছেন। সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম বলেছেন, মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করা হলে আফগানিস্তান সন্ত্রাসীদের স্বর্গে পরিণত হবে। ‘আমরা আরেকটি ৯/১১–এর পথ পরিষ্কার করছি।’
নিজ মিত্রদের উদ্বেগ প্রশমিত করতে হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করা হলেও সে দেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি একদম তুলে দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সেখানে পর্যাপ্তসংখ্যক মার্কিন সেনা উপদেষ্টারা অবস্থান করবেন। আফগানিস্তানে মার্কিন কমান্ডার জেনারেল অস্টিন ‘স্কট’ মিলার জানিয়েছেন, বর্তমানের তুলনায় কমসংখ্যক সৈন্য নিয়ে অপারেশন পরিচালনা সম্ভব। এ জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ বাগরাম বিমানঘাঁটি মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগ্রহী। কান্দাহারে উপস্থিতির ব্যাপারেও জেনারেল মিলার মার্কিন প্রতিনিধিদের পরামর্শ দিয়েছেন।
![]() |
| ৭ আগস্ট কাবুলে তালেবান জঙ্গিরা গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই ঘটনার পর ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে আছেন এক নিরাপত্তারক্ষী। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হৃদপিণ্ডে আঘাত by এন্টনি ডেভিস
নর্দান এলায়েন্স-বার্মা (এনএবি) নামে বেশ কয়েকটি ছোট ছোট বিদ্রোহী গোষ্ঠীর এই জোটের তড়িৎ হামলা দেশের উত্তরাঞ্চলে কার্যকরভাবে আরেকটি যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করেছে। এসব গ্রুপ ফেডারেল অটনমির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করছে। উপকূলীয় রাজ্য রাখাইনে গত কয়েক বছর ধরে সংঘাতের আগুনে জ্বলছে।
ভোররাতে বিদ্রোহীরা শান রাজ্যের নাউং খিও টাউনশিপের কাছাকাছি বেশ কয়েকটি পয়েন্টে একযোগ হামলা করে। এই টাউনশিপ মান্দালে শহরকে চীন সীমান্তের মুসে শহরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ঔপনিবেশিক যুগের ঐতিহাসিক দীর্ঘ রেলসেতু গোটেইকের কাছে নাউং খিও’র অবস্থান।
হামলায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ছিলো পালাউং তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ), কোকাং এলাকার জাতিগত চায়নিজ মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমক্রেটিক এলায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) ও রাখাইনের আরাকান আর্মি (এএ)। রাখাইন রাজ্যের যুদ্ধক্ষেত্রে মূল মনযোগ থাকলেও উত্তরাঞ্চলেও মনযোগ দিয়েছে এএ।
নাউং খিও’র সবচেয়ে গুরুতর হামলাটি চালানো হয় গোকে টুইন ব্রিজের পুলিশ ও সেনা পোস্টের উপর। এতে ১০ নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয় বলে জানা যায়। অনেকে আহত ও সেতুর ব্যাপক ক্ষতি হয়। সেতুর টোলগেট ও আরো কয়েকটি ছোট নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার ফলে নিহত সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫।
![]() |
| বৃহস্পতিবার বিদ্রোহীদের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত নাউং চো শহরের কাচে সরকারের মাদক নিয়ন্ত্রণ দফতর |
ডিএসটিএ হলো সেনাবাহিনীর সাইবার অপারেশন ও সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যা ডিফেন্স সার্ভিস একাডেমির (ডিএসএ) অংশ।
সরকারি ভাষ্যে বলা হয়, হামলায় একজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত ও একজন সেনা আহত হয়েছে। এই হামলা প্রতীকী অর্থেও অত্যন্ত শক্তিশালী। কারণ হামলা করা হয় সেনাবাহিনীর সবচেয়ে মর্যাদাবান প্রতিষ্ঠানগুলোর একটির উপর। এখানে অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
হামলার কাজে ১০৭ মিলিমিটার সারফেস টু সারফেস রকেট ব্যবহার করা হয়। সম্ভবত এসব অস্ত্র শক্তিশালী জাতিগত গ্রুপ ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির (ইউডব্লিউএসএ) কাছ থেকে কেনা হয়েছে। ফলে মিয়ানমারে বিদ্রোহের ধরনটিই বদলে গেলো।
আন-গাইডেড ফ্রি লাইট মিসাইলগুলো বালির বস্তার উপর রেখে আট কিলোমিটার দূর থেকে ছোঁড়া যায়। সম্প্রতি এএ রাখাইন রাজ্যের নদীতে মিয়ানমার নৌবাহিনীর জাহাজে হামলার জন্য আরো কাছ থেকে এই রকেট ছোড়ে। পাইন ও লুইন হামলার পর কাছাকাছি একটি পাহাড়ে অবিস্ফোরিত অবস্থায় এ ধরনের ছয়টি রকেট খুঁজে পাওয়া যায়।
টিএনএলএ কমান্ডার তার ফোনে কিয়াও ইরাবতী ম্যাগাজিনকে বলেন যে, দুটি আলাদা রাজ্যে সেনাবাহিনী যে অভিযান চালাচ্ছে তার পাল্টা জবাব হিসেবে একযোগে হামলাগুলো চালানো হলো।
চলতি বছরের শুরু থেকে রাখাইন রাজ্যে এএ’র বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। লড়াই ক্রমেই মিয়ানমারের কেন্দ্রস্থলের দিকে সরে আসছে।
শান রাজ্যে জোট বাহিনীর উপর হামলা করেছে সেনাবাহিনী। উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা গত ডিসেম্বরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির আওতায় ছিলো। ৩১ আগস্ট যুদ্ধ বিরতি শেষ হওয়ার আগেই হামলা চালায় সেনাবাহিনী।
![]() |
| হামলার পর পাইন ও লুইন শহরের পাহাড়ে বিদ্রোহীদের ফেলে যাওয়া রকেট |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চামড়া বিক্রি করছেন না আড়তদাররা

বিএইচএসএমএ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, কাঁচা চামড়া ওয়েট ব্লু রপ্তানির বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরা তার সঙ্গে একমত। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তা মেনে নেবো। তিনি বলেন, গতকাল থেকে সারা দেশে ট্যানারি মালিকদের কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করার কথা রয়েছে। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বকেয়া টাকা না পেলে কাঁচা চামড়া বিক্রি করবো না।
তিনি বলেন, ট্যানারি মালিকরা সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের পাওয়া টাকা নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ২০১২ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ট্যানারি মালিকদের কাছে আমাদের পোস্তায় ব্যবসায়ীদের পাওনা ১০০ কোটি টাকা এবং সারা দেশের কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। এইটাকা পরিশোধ হলেই কেবল আমরা কাঁচা চামড়া বিক্রি করবো। অন্যথায় আমরা চামড়া বিক্রি বন্ধ রাখবো।
তিনি বলেন, আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে বৈঠক হবে। বৈঠকে পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি না পাওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কাঁচা চামড়া বিক্রি বন্ধ থাকবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হলে চামড়া বিক্রির বিষয়ে পরবর্তী করণীয় জানিয়ে দেয়া হবে।
ট্যানারি মালিকদের কারণে চামড়ার দাম কমেছে অভিযোগ করে আড়তদারদের এ নেতা বলেন, ট্যানারিগুলো বকেয়া টাকা না দেয়ায় এবার অর্থের অভাবে চামড়া কিনতে পারিনি। অন্যান্য বছর ঈদের আগের দিন আড়তদারদের সঙ্গে আলোচনা করলেও এবার তারা কোনো কথা বলেনি। তারা যদি আমাদের আশ্বস্ত করতো ন্যায্য দামে চামড়া কিনতে তাহলে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। কিন্তু এটি না করে উল্টো মিডিয়ার কাছে নানা কথা বলেছেন। এ কারণে আরো দর কমেছে। তাই ট্যানারি মালিকরাই এ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ থেকে কবে কাঁচা চামড়া রপ্তানি হয়েছে তা আমার জানা নেই। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে কিছু কাঁচা চামড়া আমদানি করা হয়ে থাকে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চামড়া কিনছি বিক্রির জন্যই। কিন্তু ট্যানারি মালিকরা আমাদের জিম্মি করে রেখেছে, আমরা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চাই।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে চামড়া নিয়ে যা ঘটছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। এই ঘটনাটি একমাত্র ঘটেছে ট্যানারি মালিকদের কারণে। তারা যদি আড়তদারদের পাওনা টাকা পরিশোধ করতো, তাহলে আমরা খরিতদারদের টাকা দিতাম চামড়া কেনার জন্য। আর এটা করা গেলে চামড়া নিয়ে এত বড় ঘটনা ঘটতো না।
এদিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী কোরবানির পশুর লবণযুক্ত কাঁচা চামড়া কেনা শুরু করেছেন ট্যানারি মালিকরা। বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা ট্যানারি মালিকরা লবণযুক্ত কাঁচা চামড়া কেনা শুরু করেছি। আমরা সরকার নির্ধারিত মূল্যে আগামী দুই মাস চামড়া সংগ্রহ করবো। যেসব চামড়া ভালোভাবে সঠিক সময়ে লবণ দিয়েছে ওইসব চামড়া ভালো দামে কেনা হবে।
এদিকে এবার কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে চলছে নৈরাজ্য। পানির দামে চামড়া কেনেন ব্যবসায়ীরা। আবার অনেক চামড়া বিক্রি না হওয়ায় রাস্তায় পচেছে। এবারের কাঁচা চামড়া গত ত্রিশ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দরপতন হয়। কোরবানির পশুর চামড়া রাস্তায় পচে নষ্ট হয়। বিনা মূল্যেও নেয়নি। এ নিয়ে বিপাকে পড়েন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। সিন্ডিকেট করে ফায়দা লুটছে পোস্তার আড়তদার ও ট্যানারি মালিকরা। এ নিয়ে দু’পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে।
ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরে নড়েচড়ে বসে ট্যানারি মালিকরা। দেশীয় শিল্প রক্ষায় কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্তে এখনো অটল রয়েছে। দেশের চামড়া ও দেশীয় শিল্পের বিকাশের স্বার্থে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।
কাঁচা চামড়া রপ্তানির বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, আমরা কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করিনি। তবে ঢালাওভাবে কাঁচা চামড়া রপ্তানি করার অনুমোদন দিলে দেশে চামড়া শিল্প উন্নয়নে কিছু বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা চাই না একটা সম্ভাবনাময় খাত বাধাগ্রস্ত হোক। আবার এ-ও হতে দিতে পারি না যে, দাম না পেয়ে মানুষ চামড়া পুঁতে ফেলবে, নদীতে ফেলে দেবে। তাই কেস টু কেস ভিত্তিতে কাঁচা চামড়া রপ্তানিতে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
হঠাৎ করে কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্তে এই শিল্প খাতের কোনো উপকার হবে না বলে মনে করেন মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন আড়তদাররা। কারণ যা ক্ষতি হওয়ার গত কয়েক দিনেই হয়ে গেছে। আবার সিদ্ধান্ত নেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রপ্তানি করা যাবে এমন সুযোগও কম।
চামড়া রপ্তানির বিষয়ে সিপিডি’র সিনিয়র গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সরকার কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি যৌক্তিক বলেই মনে হয়। কিন্তু এর জন্য প্রস্তুতির দরকার আছে। কারণ আমাদের চামড়া যেসব দেশ আমদানি করবে তাদেরও কিছু নিয়ম-নীতি ও পরীক্ষার প্রয়োজন আছে। যেমন চামড়ায় কোনো ত্রুটি আছে কিনা, চামড়ায় কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে কিনা, তারা এগুলো ভালোভাবে নিরীক্ষা করার পরই আমাদের কাঁচা চামড়া আমদানি করবে। আবার এসব প্রক্রিয়াগুলো শেষ করতে সময় লাগে। কিন্তু আমদানিকারক দেশ যদি পরিচিত হয়, সেক্ষেত্রে সময় কিছুটা কম লাগে। আবার একেক দেশের জন্য একেক সময় লাগে। তার মতে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও সর্বনিম্ন সময় ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগবেই। তিনি বলেন, চামড়া পচনশীল। তাই কাঁচা চামড়া ভালোভাবে লবণজাত না করলে সংরক্ষণ করাও সম্ভব নয়। কিন্তু এর মাঝে চামড়ার দর পতন হয়েছে তা তো আর ফেরত আনা যাবে না।
তার মতে, এ বছর যদি নাও হয়, আগামী বছর যেন এবারের মতো পরিস্থিতি তৈরি না হয়। তিনি বলেন, চামড়া রপ্তানি কত দিনের জন্য তা নির্দিষ্ট করে দিতে হবে সরকারকে। কারণ স্থানীয় উদ্যোক্তারা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারছে না বাংলাদেশের চামড়া শিল্প। বিশ্বজুড়ে চামড়াজাত পণ্যের চাহিদা বাড়লেও এ খাতের রপ্তানিতে কয়েক বছর ধরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। এমনকি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কম হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর জটের কূটনৈতিক সমাধান না যুদ্ধ?

পাকিস্তানি সেনাসূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যবর্তী ‘লাইন অফ কন্ট্রোল' বা নিয়ন্ত্রণসীমায় গোলাগুলি চালিয়েছে ভারতীয় সেনা৷ প্রাণ হারিয়েছেন তিন সেনাসদস্যসহ মোট ৬ জন৷ অন্যদিকে, ভারতীয় অংশেও ৫জন মারা গেছে, এমন দাবি পাক সেনার৷
কিন্তু প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া এক ভারতীয় সেনা সদস্যের বরাত দিয়ে বলছে অন্য গল্প৷ ভারতের দাবি, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি নিয়ন্ত্রণসীমার আশেপাশে৷ কিন্তু আরেক ভারতীয় সেনাসদস্য স্বীকার করেছেন সীমান্তে মর্টার ও গোলাগুলি চালানোর কথা৷ কিন্তু হতাহতের সংখ্যা নিয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি তাঁর থেকে৷
একই সাথে, আজ ভারতের সুপ্রিম কোর্টে মর্যাদা বদলের ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলার রায়ের দিন৷ কাশ্মীর টাইমস পত্রিকার সম্পাদক অনুরাধা ভাসিন ভারতের শীর্ষ আদালতে দায়ের করেছেন মামলাটি৷
এদিকে, সোমবার থেকে স্বাভাবিক করা হবে কাশ্মীরে যোগাযোগব্যবস্থা ও পরিবহন পরিস্থিতি৷ ফলে, সব মিলিয়ে, আবার উত্তেজনা কাশ্মীরকে ঘিরে৷ সাম্প্রতিক গোলাগুলির পর আসন্ন কি ভারত-পাক যুদ্ধ?
যুদ্ধের আশঙ্কা কতটুকু?
ভারত ও পাকিস্তানের কাশ্মীর সংলগ্ন সীমান্তে গোলাগুলি প্রায় দৈনন্দিন বিষয়ে পরিণত হয়েছে, কিন্তু এবারের বিষয়টি রূপ নিয়েছে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে৷
চীন ও পাকিস্তানের থেকে লিখিত প্রস্তাব পাবার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বৈঠকে বসার৷ কিন্তু সেই বৈঠকে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রের তালিকয় নেই ভারত বা পাকিস্তান কেউই৷ শুক্রবার সকালে আয়োজিত হবে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক, জানিয়েছে এপি৷ সম্প্রতি, চীনে একটি সম্মেলনে ‘কাশ্মীরের বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু', এমন মন্তব্য করেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, যা ভারতের বহু পরিচিত অবস্থান৷ শুক্রবার নতুন দিল্লিতে বৈঠকে বসছেন জয়শঙ্কর ও মার্কিন ডেপুটি সেক্রেটারি অফ স্টেট জন সুলিভান৷
অন্যদিকে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরাবাদে আইনসভায় পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন যে, ভারত কাশ্মীরের এই অংশ দখল করার মাধ্যমে পাকিস্তান দখল করার চেষ্টা করছে৷ নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে তাঁর কড়া বার্তা, ‘‘আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু ভারত সংলাপে রাজি নয়৷ যদি প্রয়োজন হয়, শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব আমরা৷ সেই লড়াইয়ের শেষে অর্জিত হবে স্বাধীন কাশ্মীর৷''
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে পাকিস্তানের পাশে চীন থাকলেও ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আরেক স্থায়ী সদস্য, রাশিয়া৷ আলোচনাই সমাধান, এমন বার্তা রয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নেরও৷ কিন্তু, পিটিআই জানাচ্ছে, স্থায়ী সদস্য ফ্রান্সকে দলে টানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে৷
কাশ্মীর ইস্যুকে ঘিরে বর্তমানে সবার নজর শুক্রবারের বৈঠকে৷ আন্তর্জাতিক আলোচনা কোন পথে যাবে, সেই আলোচনায় ভারতের ভূমিকা কেমন থাকবে, তার ওপরেই নির্ভর করছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা৷
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘হাত-পা বেঁধে নাইমকে শ্বাসরোধ করে খুন করি’ by ওয়েছ খছরু

পরে বাসা থেকেই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে।’ সিলেটের ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক নাইমের বয়স বেশি নয়। তার সহপাঠীদেরও বয়স কম। নাইমের বয়স ১৫ বছর। আর তার ঘাতক দুই বন্ধুর বয়সও আঠারো থেকে উনিশের মধ্যে। তিনজনই ছিল ঘনিষ্ঠ বন্ধু। রিকশা চালাতো এক সঙ্গে। এরপর তারা একত্রে বসে আড্ডা দিতো।
ঘাতক পারভেজকে ঢংয়ের ছলে দুলাভাই বলে সম্বোধন করতো নাইম। পুলিশ জানায়- নাইমের মূল বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারের আলবান্না এলাকায়। তার পিতা আব্বাস উদ্দিন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে নগরীর বালুচর এলাকার সোনাই মিয়ার কলোনিতে বসবাস করছে। ঘাতক পারভেজ ও রোকনের বাড়ি নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায়। স্থানীয় হাজারীবাগ এলাকার আবদুল করিম পিয়ারের ছেলে পারভেজ ও একই এলাকার আবদুল মমিনের ছেলে আবদুর রোকন। গত বৃহস্পতিবার সকালে বালুচরের বাসা থেকে নতুন ক্রয় করা ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হয় নাইম। আর বাসায় ফিরেনি। এরপর থেকে সে নিখোঁজ। বাসায়ও ফিরেনি। রিকশাও নেই। এ কারণে নাইমকে নিয়ে চিন্তিত হন তার পরিবারের সদস্যরা। ওই দিন রাতে নাইমের পিতা আব্বাস উদ্দিন ছেলের সন্ধান চেয়ে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
এরপর থেকে নাইমকে পিতার পাশাপাশি পুলিশও খুঁজছিল। গত শুক্রবার সন্ধ্যার একটু আগে নগরীর বালুচর এলাকার লালটিলা নামক স্থানে বস্তাবন্দি এক কিশোরের লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। এ লাশ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। স্থানীয়রা মানুষের লাশ শনাক্ত করার পর পরই পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাহাদত হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা সেখানে যান। সেখানে ছুটে যান নাইমের পিতা আব্বাসও। তিনিও গিয়ে পুলিশের উদ্ধার করা নাইমের লাশ শনাক্ত করেন। এদিকে- লাশ উদ্ধারের পর নড়েচড়ে বসে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। রাতেই তারা অনুসন্ধান শুরু করে। এ সময় তারা নাইমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ তার দুই বন্ধু পারভেজ ও রুকনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটকের সময় পারভেজ ও রোকন বাসাতেই ছিল। নাইমের লাশের খোঁজ পাওয়া গেলেও তারা দেখতে যায়নি। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে খুনের ঘটনা স্বীকার করে তারা দু’জন। এরপর পুলিশ তাদের দেয়া তথ্য মতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ব্যাটারি ও অটোরিকশা উদ্ধার করে। ব্যাটারি বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল দক্ষিণ সুরমায়। আর রিকশা উদ্ধার করা হয় কুমারপাড়ার একটি গ্যারেজ থেকে। এদিকে- গ্রেপ্তারের পর প্রথমে পুলিশকে এবং পরে আদালতে খুনের ঘটনা খুলে বলেছে ঘাতক পারভেজ ও রোকন। তারা জানায়- বৃহস্পতিবারই তারা নাইমের কাছ থেকে রিকশাটি চুরি করে নেয়। কিন্তু পরে নাইম জানতে পারে তার দুই বন্ধু রিকশা চুরি করেছে। পারভেজের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। এ কারণে তারা রিকশা থেকে ব্যাটারি আলাদা করে ৬ হাজার ৪০০ টাকায় দক্ষিণ সুরমায় পরিচিত এক জনের কাছে বিক্রি করে দেয়।
এরপর ওই টাকা দিয়ে পারভেজ তার স্ত্রী চিকিৎসা করায়। রাতে বাসায় ফিরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার যুক্তি করে। এরপর তারা নাইমকে ডেকে এনে শাহী ঈদগাহের করিমের কলোনিতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে ঢুকিয়ে রোকন নাইমকে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ধরে। তখন চিৎকার শুরু করে নাইম। বাঁচাও বাঁচাও বলেও চিৎকার দেয়। এ সময় পারভেজ রোকনকে বলে- ‘সে (নাইম) আমাকে দুলাভাই ডাকে। তাকে মারিস না। ছেড়ে দে।’ কিন্তু রোকন পারভেজের কথা শুনেনি। সে নাইমের মুখেও গামছা গুঁজে দেয়। এরপর হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।’ লাশ গুম করে ফেলতে তারা বস্তার ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। এরপর লালটিলার নির্জন স্থানে লাশ ফেলে দিয়েছিল। সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাহাদত হোসেন জানিয়েছেন- পারভেজ ও রোকনকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাদের দেয়া তথ্য মতে ব্যাটারি ও রিকশা উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই খুন করা হয় নাইমকে। ঘাতকরা লাশ গুম করতে বস্তাবন্দি করে। তিনি বলেন- নাইমের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর পারভেজ ও রোকনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন- খুনের ঘটনা স্পষ্ট হয়েছে। সুতরাং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত থেকে ফেরার পর শেইখ জাকজাকি অজ্ঞাত স্থানে, তথ্য চেয়ে বিবৃতি

নাইজেরীয় সরকারের ইঙ্গিতে ভারতে শেইখ জাকজাকির চিকিৎসায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে বলে তার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে। আইএমএন'র মুখপাত্র ইব্রাহিম মূসা এক বিবৃতিতে বলেছেন, "নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী শেইখ জাকজাকিকে পণবন্দী করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে। জাকজাকিকে কোথায় রাখা হয়েছে তা জনগণকে অবহিত করতে আমরা নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"
১৪ আগস্ট সুচিকিৎসার আশায় ভারতে যান শেইখ জাকজাকি ও তার স্ত্রী। কিন্তু সেখানে গিয়েই তিনি প্রতারণার শিকার হন। শেইখ জাকজাকির ঘনিষ্ঠরা ভারতে যাদের মাধ্যমে চিকিৎসা করানোর জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নিয়েছিলেন শেষ পর্যন্ত তাদের কাছে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি।
শেইখ জাকজাকি নয়া দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছার পরপরই প্রতারণামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে তাকে ভিন্ন একদল চিকিৎসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। যাদের কাছে জাকজাকি ও তার স্ত্রীকে হস্তান্তর করা হয়েছিল তাদের সঙ্গে জাকজাকির ঘনিষ্টদের ঠিক করা চিকিৎসক টিমের কোনো সম্পর্ক ছিল না।
নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী ও তাদের অনুচররা ভারতে যাদের মাধ্যমে চিকিৎসা করাতে চেয়েছিল তাদের চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি জাকজাকি। এছাড়া বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল যা মেনে নিতে পারেননি তিনি। আদালতের এক রায়ের ভিত্তিতে চিকিৎসার জন্য শেইখ জাকজাকি ও তার স্ত্রীকে ভারতে পাঠিয়েছিল দেশটির সরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুজিব গ্রাফিক নভেল: কীভাবে হলো, কেন হলো by পার্থ শঙ্কর সাহা

মুজিব গ্রাফিক নভেলের প্রতিটি সংখ্যা খুঁটিনাটি দেখে দেন শেখ হাসিনা। এই নভেলের প্রকাশক আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)। এর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামসের কাছেই ঘটনাটি শোনা। সাব্বির শামসের কথা, ‘গ্রাফিক নভেলের স্বাভাবিক প্রয়োজনে সংলাপ জুড়ে দেওয়া হয়েছে, নতুন করে ছবি আঁকতে হয়েছে। কিন্তু তা যেন “অসমাপ্ত আত্মজীবনী”র বর্ণনাকে কোনোভাবেই বিকৃত না করে, এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সিরিয়াসলি দেখেন।’
বঙ্গবন্ধুর জীবনের অসামান্য দলিল ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সালে কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দী হিসেবে থাকার সময় নিরিবিলি সময়ে আত্মজীবনী লিখেছেন তিনি। তবে তাঁর লেখা চারটি খাতা হারিয়ে গিয়েছিল! দীর্ঘ সময় পর ২০০৪ সালে এগুলো শেখ হাসিনার হাতে আসে। এর কিছুদিন আগেই শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছে। হামলায় নিহত হন আওয়ামী লীগের ২২ নেতা-কর্মী। চারটি খাতা পাওয়ার পর তাঁর প্রবল উচ্ছ্বাসের কথা বইটির ভূমিকায় লিখেছেন শেখ হাসিনা, ‘খাতাগুলো পেয়ে আমি তো প্রায় বাকরুদ্ধ। এ হাতের লেখা আমার অতি চেনা। ছোট বোন রেহানাকে ডাকলাম। দুই বোন চোখের পানিতে ভাসলাম। হাত দিয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে পিতার স্পর্শ অনুভব করার চেষ্টা করলাম। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। তার পরই এই প্রাপ্তি। মনে হলো যেন পিতার আশীর্বাদের পরশ পাচ্ছি।’
বাংলাদেশের স্থপতির এই আশীর্বাদ দুই মুজিব-কন্যা শুধু নিজেদের জন্য রাখেননি। একে বই আকারে প্রকাশ করে সবার জন্য দিয়েছেন। কিন্তু এই বইকে শিশু-কিশোর উপযোগী করে গ্রাফিক নভেল করার উদ্যোগ কেন? সিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস বলছিলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের পছন্দের ফরম্যাটে বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই মুজিব গ্রাফিক নভেল। এখানে নতুন প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। আত্মজীবনীতে বর্ণিত নানা ঘটনা নাটকীয় আকারে তুলে ধরা হয়েছে। করা হয়েছে শিশুদের জন্য চিত্তাকর্ষক।’
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার মুজিব একটু একটু করে নিজেকে তৈরি করেছেন। কিশোরবেলা থেকেই তাঁর নানা কর্মকাণ্ডে প্রকাশ পায় ভবিষ্যৎ বঙ্গবন্ধু হওয়ার ইঙ্গিত। তাঁর জীবনটাই কেটেছে আন্দোলন-সংগ্রামের ভেতর দিয়ে। তবে সেই মানুষটিরও ছিল দুরন্ত শৈশব, কৈশোর। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে সেসবের নানা বর্ণিল বর্ণনা।
কেন মুজিব গ্রাফিক নভেল
কিশোর মুজিব বাবা লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ফুটবল খেলেছিলেন বার কয়েক। সত্যি। তখন বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলের ফুটবল দলে অধিনায়ক। আর বাবা লুৎফর রহমান অফিসার্স ক্লাবের সেক্রেটারি। মাঠে খেলার পোশাকে বাপ-ছেলের লড়াই। গ্রাফিক নভেলে দেখা যাচ্ছে বাবা লুৎফর বলছেন, ‘কী মুজিব, ভয়ে তো আজ খেলতেই চাইছিলে না।’

কিশোর মুজিবের জবাব, ‘আব্বা, আপনি জানেন ভয় আমরা পাই না। আপনারা বাইরের প্লেয়ার নিয়ে এসেও তো এ বছর আমাদের সাথে জিততে পারেননি।’
নভেলে দেখা যায়, এ জেড খান কাপের টানা কয়েক ম্যাচে অফিসার্স ক্লাবকে হারিয়ে ফাইনালের আগে সময় চান মুজিব। কিন্তু অফিসার্স ক্লাবের সেই সময় নেই। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অনুরোধে শেষে মুজিবের দল খেলতে রাজি হয়। তবে এক গোলে বাবার দলের কাছে হারে মুজিবের স্কুলের দল। খেলা শেষে ক্লান্ত, মন খারাপ করে থাকা মুজিবের মনে পড়ে প্রধান শিক্ষকের কথা, ‘বাবার কাছে হার মানো। বাপের কাছে হার মানলে মান যায় না কখনো।’
নিজের অবস্থানে সব সময় দৃঢ় ছিলেন মুজিব। একগুঁয়ে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু মানুষের কষ্ট শুনলেও সেই কঠোর ছেলেটি জীবন বাজি রাখতেন। এগিয়ে যেতেন বুক চিতিয়ে। সেই বাবাকে বলা কথার মতোই, ‘আপনি জানেন ভয় আমরা পাই না।’
মানুষ অন্তঃপ্রাণ মুজিবের পরিচয় মেলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেই সময়ে। যুদ্ধের দামামায় খাদ্যসংকট প্রবল। রাস্তায় মানুষ-কুকুর খাবারের জন্য লড়াই করছে। কী করলেন মুজিব তখন? নিজের জীবনীতে লিখেছেন, ‘আমি লেখাপড়া ছেড়ে দুর্ভিক্ষপীড়িতদের সেবায় ঝাঁপ দিলাম। লঙ্গরখানা থেকে দিনে একবার খাবার দেওয়া হতে থাকল।’
এ পর্যন্ত মুজিব গ্রাফিক নভেলের বাংলা ভাষায় ছয়টি, ইংরেজিতে তিনটি এবং জাপানি ভাষায় দুটি সংখ্যা বেরিয়েছে। জাপানের অনুবাদ করেছেন মাসাকি ওহাসি। সিআরআই সূত্র জানায়, বাংলায় সপ্তম সংখ্যার কাজ চলছে। সব মিলিয়ে সংখ্যা হবে ১০টি। আর ইংরেজিতে তিনটি পর্ব বের হয়েছে। আগামী ঢাকা লিট ফেস্টে বের হবে চতুর্থ সংখ্যা। ইংরেজিটি সাধারণত ঢাকা লিট ফেস্টে বের হয়। গ্রাফিক নভেলের প্রকাশক দুজন। বঙ্গবন্ধুর মেয়ে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে বের হয় প্রথম সংখ্যা।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে অনেক বই আছে। কিন্তু ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ তাঁর নিজের লেখা। তাই বইটিকে যখন শিশু-কিশোর উপযোগী করার চেষ্টা করা হলো, তখন বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠল। কারণ, ঘটনার অনুপুঙ্খ বর্ণনা তো নভেল না। এখানে কাহিনি আছে, বিভিন্ন চরিত্র আছে। তাদের মুখের সংলাপ জুড়ে দেওয়ার বিষয় আছে। আবার সেসব সংলাপ, ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা, সেই সময়ের আবহ তুলে ধরা এবং সেগুলোকে আবার কিশোর-উপযোগী করাটাও কঠিন কাজ। এসব কাজ করতে গ্রাফিক নভেলের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা বিস্তর গবেষণা করেছেন। মুজিব গ্রাফিক নভেলের সম্পাদনা করেছেন শিবু কুমার শীল। তাঁর কাছে শোনা গেল সম্পাদনার সময়কার জটিলতার কথা। শিবু শীল বললেন, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে বর্ণিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র যেমন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বা শেরেবাংলা ফজলুল হকের মতো চরিত্রদের ছবি সহজেই পাওয়া যায়। কিন্তু এমন সব কম গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বচরিত্র, যাঁরা বঙ্গবন্ধুর বর্ণনায় এসেছেন তাঁদের ছবি আঁকতে গিয়ে বা তাঁদের সংলাপ তৈরি ছিল চ্যালেঞ্জিং।
শিবু শীল জানান, সম্পাদনার আগে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র কাহিনির একটা বড় অংশ জুড়ে থাকা গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা তিনি ঘুরেছেন।

গ্রাফিক নভেলে ছবি এঁকেছেন সৈয়দ রাশাদ ইমাম তন্ময়। তাঁর কথা, ‘পুরো বইটা থেকে চরিত্রগুলোকে খুঁজে বের করতে হয়েছে। তারপর কাহিনির বিন্যাস হয়েছে।’
ছবি আঁকার ক্ষেত্রে জটিলতার প্রসঙ্গ তুলে তন্ময় বললেন, ‘হয়তো কোনো চরিত্রের একটি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এসেছে। এখন সেটাকে পূর্ণাঙ্গ মানুষের রূপ দিতে হয়েছে। এখন পাসপোর্ট সাইজের ছবির মানুষকে যখন পূর্ণাঙ্গ আকারে দেখা হয়, তখন তাঁর পোশাকপরিচ্ছদ একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সে হিন্দু হলে ধুতি কেমন করে পরে, মুসলিম হলে লুঙ্গি বা পাজামা-পাঞ্জাবি কীভাবে পরত বা সেই সময় সম্ভাব্য কী পোশাক পরা সম্ভব ছিল, সব গবেষণার বিষয় ছিল। এসব দিকে খেয়াল রাখতে হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে উঠে এসেছে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তাঁর জীবনের নানা ঘটনার কথা। এরপর কিন্তু আরও অনেক, বলা যায় বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোকোজ্জ্বল সব ঘটনা ঘটেছে একের পর এক। আর সেসবের ঘটনায় হিরে হয়ে দ্যুতি ছড়িয়েছেন বঙ্গবন্ধু। মুজিব ধীরে ধীরে মুজিব ভাই হয়েছেন, বঙ্গবন্ধু হয়েছেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের মহানায়ক হয়েছেন, জাতির জনক হয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী ও পরে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। ১৯৭৫-এর মধ্য আগস্টে বাঙালির অসম সাহসী এই বীরকে হত্যা করা হয়েছে।
সিআরআই সূত্র বলছে, গ্রাফিক নভেলে কিন্তু এসবই তুলে ধরা হবে। আর তা করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু-সম্পর্কিত নানা ঐতিহাসিক দলিল, ইতিহাসের বইয়ের পাঠ চলছে। নিকটজনদের সঙ্গে আলাপচারিতাও।
গ্রাফিক নভেল যারা পড়েছে
গ্রাফিক নভেল ইতিমধ্যে যারা পড়েছে তাদের কাছে শোনা গেল কিছু কথা।
তাহিয়া তাসমিম মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গ্রাফিক নভেল কিনেছে বাংলা একাডেমির বইমেলা থেকে। তাহিয়া বলছিল, ‘বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে অনেক কিছু জানতে পেরেছি। ছবি দিয়ে দেওয়ায় আরও সহজ হয়ে গিয়েছে আমার জন্য।’
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মারিয়া জামান দিয়ার কথা, ‘অনেক কিছু জানলাম। এত মজা করে ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, তাই ভালো লেগেছে।’
তাহিয়া ও দিয়ার মতো শিশুদের জন্যই যে বইটি, তা জানালেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব। তাঁর কথা, ‘বিশ্বাসের জন্য এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে কখনো বঙ্গবন্ধু ভয় পাননি। তিনি বলতেন, যে কাজ ঠিক মনে করি, তা কেউ সঙ্গে না এলেও আমি করব। এই ছাপ বইটিতে আছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের নতুন নাগরিকদের মনে তাঁর অমিত সেই সাহস ও নৈতিকতার ছাপ পড়ুক, “মুজিব গ্রাফিক নভেল” সে জন্যই লেখা হয়েছে।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অধিকৃত কাশ্মীরে পুলিশের সাথে শত শত বিক্ষোভাকারীর সংঘর্ষ

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এ অঞ্চলে বিক্ষোভ ও অস্থিরতার আশঙ্কা করছে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এই অঞ্চলটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে, যখন ভারত সরকার এ অঞ্চলের স্বায়ত্বশাসন বাতিল করে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর প্রধান শহর শ্রীনগরের প্রধান সড়কে নাগরিকরা বিক্ষোভের চেষ্টা করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও ছড়ড়া গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে।
বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে পাথর ছুড়ে মারে এবং দোকানের সাইনবোর্ড এবং টিনের পাতকে ব্যবহার করে ছড়ড়া গুলি থেকে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এক বিক্ষোভকারী এএফপিকে জানিয়েছে, “আমরা অবরোধ উপেক্ষা করে শহরের কেন্দ্রের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু পুলিশ আমাদের থামানোর জন্য শক্তি প্রয়োগ করেছে”। তিনি আরও বলেন যে, বৃহস্পতিবার পুলিশ ও নিরাপত্তা রক্ষীদের সাথে সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছে।
কাশ্মীর উপত্যকার অন্যান্য অংশেও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। বহু দশক ধরে ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে এখানেই সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এ অঞ্চলে ইন্টারনেট ও ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে।
অস্থিতিশীল উপত্যকার অধিকাংশ শহরেই কারফিউ জারি রয়েছে, এবং সরকারী বাহিনী বিশেষ পাসধারীদেরকেই কেবল চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।
খাড়া ব্যারিকেড এবং কাঁটাতার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সড়ক বন্ধ করে রেখেছে সরকারী বাহিনী।
উপত্যকায় বড় ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং টানা দ্বিতীয় শুক্রবার মসজিদগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।
আরেক বিক্ষোভকারী এএফপিকে বলেছে, “যেটা আমাদের, আমরা সেটা চাই। আমরা কোন ভিক্ষা চাচ্ছি না, বরং আমাদের দাবি চাচ্ছি যাতে ভারত তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে”।
তিনি বলেন, “ভারত থেকে পুরোপুরি স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামবো না”।
বিক্ষোভকারীরা শ্রীনগরের সড়ক ধরে বিক্ষোভ করেছে এবং এ সময় তারা শোকের প্রকাশ হিসেবে কালো পতাকা বহন করে। তাদের বহন করা প্ল্যাকার্ডে ‘গো ইন্ডিয়া, গো ব্যাক’ লেখা ছিল।
শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্রীনগরসহ কাশ্মীরের অন্যান্য জায়গায় ফোন লাইন পুনরায় চালু করা হবে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় কাশ্মীরীদের ক্ষুব্ধ এবং সহিংস প্রতিবাদের আশঙ্কা থেকে এখানে অতিরিক্ত ১০,০০০ সেনা মোতায়েন করে। আগে থেকেই সেখানে অর্ধ মিলিয়ন সেনা ছিল। সেই সাথে সেখানে চলাফেরা সীমিত করার পাশাপাশি সেখানকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন, চলছে বাছবিচারহীন গ্রেপ্তার

শ্রীনগরের স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে তারা ক্রমাগত ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ব্যাপক শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়ে আসছেন। পাথর ছোড়ার মত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেও তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরের কর্মকর্তারা এখনো কোনো তথ্য দেয়নি যাতে স্পষ্ট হয় এখন পর্যন্ত পাথর ছোঁরা ও এতে আহতের সংখ্যা কত। কাশ্মীর কর্তৃপক্ষ শ্রীনগরে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে দাবি করেছে, এই অঞ্চলে ‘শান্তিপূর্ন’ অবস্থা বিরাজ করছে। তবে তারা শ্রীনগরে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে জড়ানোর ঘটনার বিষয়ে অবগত কিনা তা স্পষ্ট করা হয়নি।
এদিকে কাশ্মীর কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও কার্যত এখনো অবরুদ্ধ হয়ে আছে গোটা উপত্যকা।
শনিবার কর্তৃপক্ষ জানায়, সমগ্র জম্মুতে এবং কাশ্মীরের বেশ কিছু এলাকায় পরিষেবাগুলো চালু হয়েছে। কিন্তু এখনো সেখানকার বেশিরভাগ শহুরে এলাকাই এখনো অবরুদ্ধ হয়ে আছে। সেখানে চালু হয়নি ইন্টারনেট কিংবা টেলিফোন সেবা। একইসঙ্গে, এখনো ছেরে দেয়া হয়নি কাশ্মীরের আটক অর্ধসহস্র নেতাকর্মীকে। তাদের মধ্যে থেকে অনেককেই অন্য রাজ্যের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শনিবার হরি মহারাজা সিং হাসপাতালের দুই কর্মকর্তা জানান, শ্রীনগরের সৌরা ও চাদুরা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর পেলেটে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুজন। হাসপাতালটি আহতদের তথ্য সংগ্রহ করছে। তাদের মধ্যে একজনের নাম গোলাম রাসুল। তিনি আলিকাদাল এলাকায় একটি দোকান পরিচালনা করতেন। হাসপাতালে তার সন্তান নাসির জানান, তার পিতাকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কমপক্ষে ২০টি পেলেটবিদ্ধ করে।
শ্রীনগরের বেমিনা এলাকায় প্রায় এক ডজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন যে, সেখানকার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা বেশ কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে। এসময় তারা কমপক্ষে ৬ জনকে ধরে নিয়ে যায় ও বাড়িগুলো রড দিয়ে পিটিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ করার চেষ্টা করে। এর আগে সকাল বেলা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্থানীয়দের পাথর নিক্ষেপের তুচ্ছ ঘটনা ঘটে।
এদিকে কাশ্মীরজুড়ে বিরাজ করছে আতঙ্ক। নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা বাছবিচারহীনভাবে গ্রেপ্তার করতে শুরু করেছে সেখানে। শাহিদা নামের এক গৃহিনী জানান, তিনি ও তার বর রিয়াজ আহমেদ দার বাড়ির নিচতালায় বসে চা খাচ্ছিলেন। এমন সময় নিরাপত্তাবাহিনীর অন্তত ১৫ সদস্য তাদের বাড়িতে ঢুকে রিয়াজ আহমেদকে নিয়ে চলে যায়। এসময় তারা বাড়ির জানালা ভাঙচুর করে। কান্নাজরিত কন্ঠে শাহিদা বলেন, আমি আমার ২ মাস বয়সী শিশুকে আগলে রাখলেও তারা রিয়াজকে নির্মমভাবে পেটাতে থাকে। সে ব্যবসা করে, কখনো পাথর ছোরেনি। ১৮ বছর বয়সী আরেক কিশোর সিমরান শাহনেওয়াজের পায়ে ব্যান্ডেজ দেখা যায়। সে জানায়, একজন পুলিশ কর্মকর্তা রাস্তায় তাকে লোহার দণ্ড দিয়ে নির্দয়ের মত আঘাত করেছে।
গত ৩০ বছর ধরে কাশ্মীরে নানা ধরণের নির্যাতন চালিয়ে আসছে ভারতীয় বাহিনী। এই সময়ের মধ্যে হত্যা করা হয়েছে কমপক্ষে অর্ধলক্ষ কাশ্মীরিকে। বিশ্লেষকদের ধারণা, মোদি সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত কাশ্মীরকে আরো উত্তপ্ত করে তুলবে এবং তাদের সশস্ত্র আন্দোলনে আরো জ্বালানী সরবরাহ করবে। যদিও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দাবি, ৩৭০ ধারা বাতিল কাশ্মীরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। কিন্তু কাশ্মীরিদের রয়েছে মোদি সরকারের প্রতি তীব্র অবিশ্বাস। কাশ্মীরিদের না জানিয়েই তাদের বিশেষ অধিকার বাতিলের ঘোষণা আসার পরই এর বিরুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা উপত্যকা।
এছাড়া, নতুন এ সংকট উত্তাপ ছড়িয়েছে সীমান্তের ওপারেও। লাইন অব কন্ট্রোলে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব বিরাজ করছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঘোষণা দিয়েছে নির্যাতিত কাশ্মীরিদের পক্ষে থাকার। শনিবার পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে এক ভারতীয় সেনা নিহত হয়। গত সপ্তাহে সীমান্ত যুদ্ধে আরো ৫ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো পাকিস্তান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বিস্ফোরণ: 'পুরুষদের প্রায় সবাই নিহত বা আহত'
![]() |
| আহতদের হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে |
এর আগে কী হয়েছিলো?
![]() |
| হাসপাতালের বাইরে স্বজনদের কান্না |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উফ! কী মর্মান্তিক: সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত
এ ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে শিবপুর উপজেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের কারার চর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নরসিংদী দমকল বাহিনীর উপসহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। হাইওয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী জানায়, মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীরা পিকনিক শেষে প্রাইভেটকার যোগে সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন। প্রাইভেটকারটি শিবপুরের কারার চর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে বাসটি খাদে পড়ে যায় এবং প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারে থাকা ৩ যাত্রী নিহত হন। আহতাবস্থায় বাস ও প্রাইভেটকারের আরো ৬ যাত্রীকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে মারা যায় আরো ১ জন। আহতদের মধ্যে ৪ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী নরসিংদী ও শিবপুরের ৪টি ইউনিট দুর্ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে।
বেপরোয়া গতিতে পাশ কাটাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও দমকল বাহিনী।
ময়মনসিংহে কর্তব্যরত অবস্থায় ট্রাক চাপায় এক ট্রাফিক কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। নিহত কনস্টেবলের নাম রবি চৌধুরী (৩৫)। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরতলির শহরতলির শম্ভুগঞ্জের ঝাউগড়া এলাকায় নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত রবি চৌধুরীর বাড়ি নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানায়। ঈদ উপলক্ষে ময়মনসিংহ-শেরপুর, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ সড়কে গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় শম্ভুগঞ্জ পর্যন্ত অনেক যানজটের সৃষ্টি হয়। শহরতলির শম্ভুগঞ্জের ঝাউগড়া এলাকায় যানজট নিরসনে কাজ করছিলেন তিনি। সে সময় একটি ট্রাক হঠাৎ করে কনস্টেবল রবিকে চাপা দেয়। এতে মারাত্মক আহত হলে স্থানীয়রা আহত রবিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান তিনি। পুলিশ ট্রাকের চালককে আটক করেছে এবং ট্রাকটি জব্দ করেছে।
মাগুরা-শ্রীপুর সড়কের বরিশাট চারাবটতলা এলাকায় গতকাল সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় জিয়াউর রহমান শেখ (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ও অপর একজন আহত হয়েছেন। নিহত জিয়াউর রহমান রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার কালুখালী গ্রামের আব্দুর জব্বার শেখের ছেলে।
সাভারের আশুলিয়ায় জিরানী বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাসচাপায় আলমগীর হোসেন (৩০) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তার বড়ভাই হযরত আলী। গতকাল দুপুরে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের জিরানী বাজার এলাকায় আর কে টেক্সটাইলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর হোসেন আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউপির গোহাইলবাড়ি মেশিনপাড় এলাকার মুসলিম উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে। আহত হন নিহতের ভাই হযরত আলী। স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, মোটরসাইকেল আরোহী ও তার ভাই জিরানী বাজার আর কে টেক্সটাইলের সামনে ইউটার্ন নিয়ে নবীনগরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী পুষ্প এন্টারপ্রাইজের যাত্রীবাহী বাস জিরানী বাজার এলাকায় পেছন থেকে মোটরসাইলকে চাপা দিলে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী আলমগীর হোসেন নিহত ও তার ভাই হযরত আলী আহত হন। সালনা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মোটরসাইকেল ও বাস জব্দ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষে ইব্রাহীম সরকার (৪২) নামে এক কাপড় ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ৬ জন। গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড (৩শ’ ফিট) সড়কের ভোলানাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রূপগঞ্জ থানার এসআই শাহজান খান জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড (৩শ’ ফিট) সড়কের ভোলানাথপুর এলাকায় মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল চালক রাজধানীন খিলক্ষেত থানাধীন কাওলা মধ্যপাড়া এলাকার সুধন মিয়ার ছেলে কাপড় ব্যবসায়ী ইব্রাহীম সরকার নিহত হয়। এ সময় আহত হয়- মোটরসাইকেল আরোহী আরিফ, প্রাইভেটকারের যাত্রী বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান, ড্রাইভার জালাল, আশরাফসহ ৬ জন। আহতদের রাজধানীর আশিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান এসআই।
রংপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দুইজন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- দিনাজপুর সদরের আনিছুর রহমান আনিছ (৩২) ও অজ্ঞাত আরেকজন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শুক্রবার রাত ১০টায় নগরীর রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের হাজীরহাট মন্থনা নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস কান্তি পরিবহন মন্থনা এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই আনিছুর (৩২) মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালায়। আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ নেয়ার পথে অজ্ঞাত আরেক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
হাজীরহাট থানার এসআই আমিনুর রহমান জানান, নিহতের লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। লাশ দুটি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া আহতরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
![]() |
| মেহেদির রঙ মোছেনি। বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন সিলেটে। ফেরার পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চারজনের। ছবিটি এখন কেবলই স্মৃতি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবজ্ঞার বিশ্ব

কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের ভারতের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের মধ্যে এখনও ক্ষোভের বিস্ফোরণ অব্যাহত রয়েছে। আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের আইনসভায় প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যে বক্তৃতা করেছেন, তার মধ্যেও এই ক্ষোভের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। তিনি ভারতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোন ধরনের সামরিক অভিযানের চেষ্টা করা হলে সেটার কঠোর জবাব দেয়া হবে।
“তোমাদের প্রতি আমার বার্তা হলো: তোমরা যদি কোন পদক্ষেপ নাও, তাহলে প্রতিটি ইটের জবাব পাথর দিয়ে দেয়া হবে” –এর অর্থ হলো প্রতিটি পদক্ষেপ জবাব আরও তীব্রভাবে দেয়া হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একতরফা পদক্ষেপকে ‘কৌশলগত কেলেঙ্কারি’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং শেষ পর্যন্ত কাশ্মীর ইস্যুকে তিনি আন্তর্জাতিক ইস্যু হিসেবে মন্তব্য করেন। এবং একদিন আগে তিনি যে মন্তব্য করেছিলেন, তিনি ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে নাৎসী জার্মানির সাথে তুলনা করেন, যাদের আদর্শ হিন্দুত্ববাদী আদর্শের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন, হিন্দু চরমপন্থার মধ্যে যে বিপদ রয়েছে, সেটার ব্যাপারে বিশ্বকে অবগত করতে হবে।
প্রশ্ন হলো: বিশ্ব কি সেটা শোনার জন্য প্রস্তুত? কোন সন্দেহ নেই যে কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান ন্যায়সঙ্গত, নৈতিক এবং আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
তবে দুঃখজনক বিষয় হলো বাস্তব রাজনীতি ভিন্ন ভাষায় কথা বলে, যেখানে বাজারের মূল্য অন্যান্য বিবেচনাকে ছাপিয়ে গেছে, ঐতিহাসিক এবং ভ্রাতৃত্বের সম্পর্কের সেখানে মূল্য নেই।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি মুজাফফরাবাদে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনকি এটা উল্লেখ করেছেন যে: “আমরা যদিও উম্মাহ ও ইসলামের কথা বলে এসেছি, কিন্তু ইসলামের অভিভাবকরা ভারতে বিনিয়োগ করেছে এবং সেখানে তাদের স্বার্থ রয়েছে কারণ সেটা বিলিয়ন মানুষের বাজার”।
ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ইতিবাচক জবাবের ব্যাপারেও খুব সামান্যই আশাবাদ রয়েছে মি কোরেশির। তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন যে, পাকিস্তান যখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের সামনে কাশ্মীরের বিষয়টি উত্থাপন করবে, তখন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের যে কোন স্থায়ী সদস্য পাকিস্তানের জন্য বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তিনি সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, বিগত বছরগুলোতে কাশ্মীরের সমস্যার ব্যাপারে বিশ্ব খুব সামান্যই গুরুত্ব দিয়েছে এবং এবারও সেটা করার সম্ভাবনা কম। সন্দেহ নেই যে, মি কোরেশির কথাগুলো গভীর হতাশা থেকে উঠে এসেছে বিশেষ করে ভারতের অবৈধ পদক্ষেপের ব্যাপারে শক্তিধর মুসলিম দেশগুলোর নিরবতার কারণে।
তবে, ভারতের অর্থনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় নিয়েও আরেকটি সমান বাস্তবতা সামনে রয়েছে যেটা আরও গুরুত্বপূর্ণ, যে বিপদটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অবজ্ঞা করছে। রাষ্ট্রের নিষ্ঠুরতার বিপরীতে স্থানীয় কাশ্মীরীদের স্বাধীকারের আকাঙ্ক্ষা বেপরোয়া মাত্রায় বেড়ে গেছে। এ ধরনের হতাশাজনক পরিস্থিতির মধ্যেই মৌলবাদের উত্থান হয়ে থাকে, যেখানে হাজার হাজার দুর্ভোগ একটার উপর আরেকটি জমে স্তুপ হয়ে গেছে এবং যেটার প্রতিক্রিয়া অঞ্চল ছেড়ে অঞ্চলের বাইরে ছড়িয়ে গেছে। বহুজাতিক চরমপন্থী শক্তিগুলো হয়তো কিছুটা দুর্বল হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের ছায়া উপস্থিতি এখনও রয়েছে এবং নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় আছে তারা। বিশ্বকে তাই এখনই কাশ্মীরী জনগণের বিরুদ্ধে অবিচারের প্রতিবাদে সক্রিয় হতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওদের সব পুড়ে শেষ by পিয়াস সরকার

এটিকে সবাই ঝিলপাড় বস্তি নামেই চেনেন। এই বস্তির প্রায় হাজার পরিবারের
স্বপ্ন, মাথা গোজার ঠাঁই এখন ছাই হয়ে পড়ে আছে। পুড়েছে প্রায় ৩ হাজার ঘর। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় আগুন লাগে। আর ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় মানুষের চেষ্টায় যখন আগুন নিয়ন্ত্রণে তখন প্রায় পুরো বস্তি পুড়ে ছাই। এই বস্তির সকলেই নিম্ন আয়ের মানুষ। বস্তিবাসী অধিকাংশই ঈদের জন্য বাড়িতে ছিলেন। বস্তির একপাড়ে আগুন লাগার এক ঘণ্টা পর অপর পাড়ে আগুন আসে। তার পরেও ঘরের ব্যবহার্য জিনিসপত্র বের করার মতো লোক ছিলো না সেখানে। আর লোকজন না থাকায় প্রাণহানী ঘটেনি। তবে এই ভয়াবহ আগুনে ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। তার হলেন কবির (৩৫), হাবিব (১৯), রফিক (২২) ও আরেকজনের নাম জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে আগুন আগুন বলে চিৎকার শোনেন। এরপর ছুটে গিয়ে দেখেন, জ্বলছে কয়েকটি ঘর। আর আগুন লাগার কারণ হিসেবে ফয়ার সার্ভিস কর্মী জাহিদ হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি আগুনের সূত্রপাত শট সার্কিট থেকে।
এই আগুন মূলত ছড়িয়েছে গ্যাসের লাইনের ফলে। এই বস্তিতে অনেক অবৈধ গ্যাসের লাইনের সংযোগ ছিলো। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত। এরপর আগুন ধাবিত হয়েছে বাতাসের সঙ্গে। শুরুতেই সেখানে থাকা এক পোশাক কারখানা থেকে পানির লাইনের মাধ্যমে পানি ছিটানো হয়। এ কারণে বেঁচে গেছে প্রায় ৫০টি ঘর। বস্তির বাসিন্দা যারা রাজধানীর আশেপাশের জেলার তারা গতকাল সকালেই রাজধানীতে পৌঁছান। তবে দুরের জেলার বাসিন্দারা পৌঁছাতে পারেননি। সকাল থেকেই দেখা মেলে টিনের স্তুপ আর কাদা। কাদা হাতড়িয়ে খুঁজছেন ব্যবহার্য জিনিস। মূলত লোহা জাতীয় জিনিস মিলছে তাদের। সব পুড়ে ছাই। কিন্তু তারপরেও এই ধ্বংসাবশেষটুকুও মেলেনি অনেকের। চুরি ঠেকাতে দিতে হচ্ছে পাহাড়া। হ্যান্ড মাইকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা বারাবার শতর্ক করলেও ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।
ময়মনসিংহে ঈদ পালন করতে গিয়েছিলেন মিতু বেগম। আগুনের খবরে ছুটে এসেছেন রাজধানীতে। তিনি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার স্বামী বাবুর্চি। তিনি বলেন, এসে দেখি কিছুই নাই। খালি টিন। যা ছিলো সব চুরি হয়ে গেছে। আর ক্ষত বস্তিটি জুড়েই দেখা মেলে চুরি আতঙ্ক। অন্যদিকে চুরি করা টিন ও লোহার জিনিসপত্র কেনার জন্য পিক আপে করে এসেছেন ক্রেতারা। চোরাই জিনিস বিক্রি করছে অনেক যুবক।
মো. দেলোয়ার হোসেন একজন মৌসুমী ব্যাবসায়ী। তিনি এবারের কোরবানী ঈদে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানীর পশু কিনে এনেছিলেন। প্রায় ১৮ লাখ টাকার। সেগুলো বিক্রি করেন গাবতলীর পশুর হাটে। এই পুরো টাকাটাই ছিলো আড়ৎদারের কাছ থেকে নেয়া। পরিশোধ করেন টাকা। আর ঘরে ছিলো প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এই টাকার সাড়ে ৩ লাখ টাকা ঋণ। আর বাকী টাকা তার লাভের। দু’একদিনের মধ্যে পরিশোধ করবার কথা ছিলো এই অর্থ। কিন্তু তার আগেই টাকা পুড়ে ছাই। পরিবারের সবাই ঈদ করতে গিয়েছে ফরিদপুরে। তিনি এই টাকার হিসেব মিটিয়ে স্ত্রী সন্তানকে আনতে যাবার কথা ছিলো। কিন্তু তার আগেই টাকা ছাইয়ে পরিণত হয়েছে। আগুন লাগার সময় তিনি ছিলেন বাড়ির বাইরে। আগুনের খবর শুনে বস্তিতে ফিরলেও ঘরে যেতে পারেননি। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আগুনে মরি নাই, বাঁইচা আছি। কিন্তু না বাঁচার মতোই। সব গেলো। এখন এই ধারের টাকা শোধ করমু ক্যামনে?
নাসিমা বেগমের যেন সুখের সঙ্গে আড়ি। বয়স তার আনুমানিক ৬০। ১২ বছর আগে থাকতেন ভোলায়। নদী ভাঙনে হারান সব। বাঁচার তাগিদে দুই ছেলে আর স্বামীকে নিয়ে আসেন ঢাকায়। এরপরই চলে নতুন করে মাথা তুলে বাঁচার লড়াই। তার দুই ছেলের বিয়ে হয়েছে। তারা বাবা-মায়ের খোঁজ রাখেন না। তার বৃদ্ধ স্বামী কাজ করেন মুদি দোকানে। বেতন পান ৭ হাজার টাকা। আর বাড়িতে সেলাই করেন। এই দম্পতির সব কিছু কেড়ে নিয়েছে সর্বনাশা আগুন।
বস্তির পাশেই বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানে ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাত্রী। রাত্রীর পরিবার সব হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছে বিদ্যালয়টিতে। এটি এখন আশ্রয়স্থল তাদের। এখানে আরো ২০/২৫টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। রাত্রীর বাবা রবিউল ইসলাম। পেশায় বাবুর্চী রবিউল বলেন, ছোট একটা পোলা ঘরে। মায়ের দুধ খায়। কাপড় ছাড়া কিছুই নিবার পাই নাই। এখন কীভাবে চলবো? কোথায় থাকবো? আমার মেয়েটারে লেখাপড়া করামু ক্যামনে?
ইমদাদুল ইসলামের আছে একটি ছোট চায়ের দোকান। এটিই তার আয়ের উৎস। দোকানে চুরি হওয়ার ভয়ে সব জিনিস বাড়িতে নিয়ে রেখেছিলেন তিনি। এরপর যান দিনাজপুরে ঈদ করতে। আগুনের খবর শুনে রাতেই ট্রাকে করে রওয়ানা দেন। তিনি বলেন, আল্লাহ, চুরির ভয়ে দোকানের মাল বাড়িত আনে রাখলাম। আর সব পুড়ে গেলো। দোকানে রাখলেই ভালো হতো। চুরি হলেও সবতো আর চুরি হতো না।
এই বস্তিতে তিনটি ঘর নিয়ে ৬ জনের পরিবার মোমেনা বেগমের। তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করেন আর তার স্বামী ট্রাক চালক। ঈদের আগে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে কিনেছিলেন নতুন টেলিভিশন ও ফ্রিজ। নতুন টেলিভিশন, ফ্রিজ গেছে। সঙ্গে পুড়েছে বেঁচে থাকার রশদ। এই নিঃস্ব মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয়রা। বস্তির বিভিন্ন এলাকায় দেখা মেলে তারা খাবার সরবরাহ করছেন। দিচ্ছেন পোশাক। কিন্তু এনিয়েও আছে ঝামেলা। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন- এই কাপড় সব নিয়ে গেছে আসে পাশের মানুষ। তারা পাননি। আর খাবারও খেয়ে ফেলছে তারা। ক্ষতিগ্রস্থরা জানান, আসলেই আমাদের সাহায্য করার ইচ্ছা থাকলে বস্তিতে এসে সাহায্য করতে। রাস্তাতেই যেন না বিতরণ করে। অনেকের মুখেই আগুন লাগার কারণ নিয়ে ভিন্ন কথাও শোনা যায়। অনেকের দাবি এই আগুন লাগানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহানন্দায় ধরা পড়ল ১ মণ ওজনের বাঘাইড় by মোহাম্মদ রনি মিয়াজী
![]() |
| মহানন্দা নদীতে ধরা পড়া বাঘাইড় মাছ |
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৩টায় তেঁতুলিয়ার সর্দারপাড়া এলাকার মহানন্দা নদীতে একদল পাথর শ্রমিকের জালে মাছটি আটকা পড়ে।
সূত্রে জানা যায়, মহানন্দা নদীর পানি কিছুটা হ্রাস পেলে ওই এলাকার রেজাউল, নাদির, বিপ্লব, দেলু, হাসিবুল নামে কয়েকজন পাথর শ্রমিক বড় জাল দিয়ে সীমান্ত সংলগ্ন নদীতে মাছ ধরতে গেলে তাদের জালে এক মণ ওজনের বাঘাইড় মাছটি আটকা পড়ে।
এদিকে মাছটি শিকার করে বাড়িতে নিয়ে গেলে মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ফলে মাছটি দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত মানুষ ভিড় জমায়। মাছটি অনেকেই কিনতে চাইলেও মাছটি বিক্রি না করে মাছটি তারা বাড়িতে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে হাসিবুল ইসলাম বার্তাটেয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন,' আমরা আজ কয়েকজন মিলে নদীতে মাছ ধরতে গেলে হঠাৎ আমাদের জালে এক মণ ওজনের বাঘাইড় মাছটি আটকা পড়ে এবং মাছটি নদী থেকে বাসায় নিয়ে এসে সমান ভাগে ভাগ করে নিয়েছি।
স্থানীয়রা জানান, মহানন্দা নদী ভারত থেকে প্রবাহিত হওয়ায় মাছটি ভারত থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর আগে বোয়াল মাছ ধরা পড়লেও এই প্রথম বাঘাইর মাছ ধরা পড়লো।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাদাখে একদিকে উৎসব, অন্যদিকে ক্ষোভ by জুবায়ের আহমেদ
![]() |
| জম্মু কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ |
![]() |
| পাহাড় ঘেরা কার্গিল শহর |
![]() |
| লাদাখ অঞ্চল আবহমান কাল থেকেই সরাসরি কাশ্মীরের সঙ্গেই যুক্ত জোজিলা পাসের মাধ্যমে। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: হাসপাতালের রোগীরা এখনও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন
![]() |
| ভারতীয় সেনাবাহিনী হাসপাতালে ঢুকতে দেবার আগে রোগীর প্রেসক্রিপশন পরীক্ষা করছে। (১৭ই অগাস্ট তোলা ছবি) |
![]() |
| বিবিসির সাথে কথা বলছেন বিলাল আহমেদ |
![]() |
| শাহিল আহমেদের চাচী ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলকাতায় হচ্ছে ভারতের প্রথম ডুবো মেট্রো রেল
![]() |
| ডুবো মেট্রো রেলের মডেল |
জানা গেছে, প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে ডুবো ট্রেন ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন হাওড়া ও মহাকরণ রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে সংযোগ ঘটাবে। এখন এর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
নদীগর্ভের ৩০ মিটার নিচে ৫২০ মিটারের যমজ টানেল তৈরি করা হয়েছে। এই পথ দিয়ে হাওড়া থেকে মহাকরণ মেট্রো স্টেশনে যেতে যাত্রীদের লাগবে প্রায় এক মিনিট। ট্রেনটি টানেল দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে চলবে।
মেট্রো টানেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০০৯ সালে। ২০২১ সালের মধ্যে এটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপরই এই সেবা চালু হয়ে যাবে।
![]() |
| ডুবো মেট্রো রেলের মডেল |
ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল সম্প্রতি জানিয়েছেন, ভারতীয় রেলওয়ের তত্ত্বাবধানে চলা কলকাতা মেট্রো দেশের প্রথম ডুবো টানেল নির্মাণ করেছে। এক্ষেত্রে বিশ্বের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। যাত্রীরা শিগগিরই ডুবো মেট্রোতে যাতায়াত করতে পারবেন।
যদিও প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কারণ প্রস্তাবিত রুটে অসংখ্য পুরনো ভবন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভঙ্গুর।
ফলে ডুবো মেট্রো রেল বাস্তবায়ন কোনও সহজ কাজ নয়, তবু ট্র্যাফিক জ্যামে জর্জরিত শহরে এটি সাফল্য পাবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।
![]() |
| ডুবো টানেল |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিআইপি সংস্কৃতি ও তিতাস ঘোষের করুণ মৃত্যু by সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা
![]() |
| তিতাস ঘোষ |
এই ত্যাগ স্বীকার কোন সাধারণ কোন ছাড় নয়, জীবনকেই বিলিয়ে দিতে হচ্ছে। মানুষের জীবনের চেয়ে যে অসাধারণ বা তথাকথিত ভিআইপিদের চলাচল বড় তার এক জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্থাপিত হল সম্প্রতি। গত ২৫ জুলাই রাতে মাদারীপুর কাঠালবাড়ি ফেরিঘাটে স্কুলছাত্র তিতাসকে নিয়ে নদী পার হতে অ্যাম্বুল্যান্সে অপেক্ষা করছিলেন মা। ঘন্টার পর ঘন্টা চলে যায়, ফেরি ছাড়েনা। ফেরি ম্যানেজারের পায়ে ধরেও মা তার অসুস্থ সন্তানকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য সময়মত নদী পার হতে পারেননি। সরকারের এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব আব্দুস সবুর মণ্ডলের গাড়ির অপেক্ষায় প্রায় তিন ঘণ্টা ফেরি বসে থাকায় ঘাটে আটকে পড়া অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর গুরুতর আহত স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষ মারা যায়।
এখন তদন্ত কমিটি হচ্ছে, কে ভিআইপি আর কে নয়, সেই পর্যবেক্ষণও এসেছে হাইকোর্ট থেকে। কিন্তু যারা ‘অ-সাধারণ’ হবার সুবিধাটি পূর্ণমাত্রায় ভোগ করে চলেছেন, তারা অতঃপর ‘সাধারণ’-এ উপনীত হবেন – এই আশা কি করছি আমরা? না করাই ভাল। আমরা জানি এই ভিআইপি সংস্কৃতির কোন অবসান কখনও হবে না।
আমলারা, এক শ্রেণির ক্ষমতাবান রাজনীতিক, বহু দিন ধরে ভুলেই বসে আছেন যে তাদের কাজ মানুষের জন্য। ভুলেছেন বলেই যানজটের চাপে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠে, অসুস্থ ব্যক্তির প্রাণসংশয় হয়, তখন তারা ট্রাফিক আইনের তোয়াক্কা না করে গন্তব্যে ছোটেন। অথচ এই মানুষগুলির স্বার্থ রক্ষাই নাকি তাদের একমাত্র দায়িত্ব।
বাস্তবে সেই দায়িত্ব পালনের আগ্রহ অপেক্ষা তাদের পক্ষ হতে ক্ষমতার আস্ফালন চোখে পড়ে অনেক বেশি। তাদের গাড়িতে লালবাতি ও নানা ধরনের সাইরেন আছে, আগে পিছে পেয়াদা আছে। আর এগুলো সেই আস্ফালনেরই নামান্তর মাত্র। এবং বিভাজনেরও বটে। বিভাজন পদাধিকারের, ক্ষমতারও। যে সরকারি কর্মচারী বিসিএস দিয়ে শপথ নেন যে তিনি কাজ করার সময় মানুষকেই সব কিছুর উপরে রাখবেন, সেই তিনিই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে মানুষকে নিচে ভাবতে শুরু করেন।
তিতাসের ঘটনা আমাদের নাড়া দিয়েছে। কিন্তু ফেরিঘাটে এমন অসংখ্য ঘটনা নিয়মিত ঘটে। এদেশে কত ভিআইপির জন্য শত শত মানুষকে কষ্ট দিয়েও ট্রেন ছাড়েনা, প্লেন ছাড়েনা সেসব লিখতে গেলে সব প্রিন্টিং প্রেস মিলেও তা ছেপে শেষ করতে পারবে না। আমরা এমনিতে কথায় কথায় বলি আইনের চোখে সবাই সমান। কিন্তু বাস্তবে সাধারণ মানুষ কেবল বুঝতে শিখে এদেশে ক্ষমতার কেন্দ্রে যারা থাকে তারা সমানের চেয়েও বেশি সমান।
তারা রাস্তায় রাজা, তারা যেকোন সেবা প্রতিষ্ঠানে সবার আগে সেবা প্রাপ্য, তারা যেকোন সুবিধা সবার আগে ভোগ করবেন। ‘ভিআইপি’ সংস্কৃতি মানেই হল এরা সাধারণ নাগরিক হতে ভিন্ন এক স্বতন্ত্র শ্রেণি। এই আমলাতান্ত্রিক প্রবণতাটি চরম ক্ষতিকর, সর্বনাশের মূল। এটি এক ধরনের অসুস্থতা এবং এই ভিআইপি সংস্কৃতির মাধ্যমেই সমাজ ব্যাধিগ্রস্ত হয়।
ভিআইপি সংস্কৃতির মূল দর্শন হলো রাষ্ট্রক্ষমতা যারা হাতে পেয়েছেন তারা সেই ক্ষমতা নিজেদের সুবিধার্থে ব্যবহার করতে লজ্জিত নন। আইনের শাসন, নিয়মের আনুগত্য হতে তাদের মুক্তি মিলেছে এটাই তাদের বিশ্বাস। এরা এমন যে, টোল প্লাজায় রোড ট্যাক্স চাইলে, ট্রাফিক আইন ভঙ্গের জন্য আটকালে তারা পুলিশের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। গণমাধ্যম সেই ছবি তুলতে গেলে তারা দেখে নেয়ার হুমকি দেন। নাগরিক জীবনের নানা পরিসরে অনেক রাজনৈতিক নেতা ও তাদের অনুচরেরা, আমলারা যথেচ্ছ নিয়ম ভাঙেন। দেশবাসীকে তারা কার্যত দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে রেখেছেন। এই ভয়ানক ভিআইপি সংস্কৃতি ধরে রেখে সুশাসনের বুলি আওড়ানো আসলে প্রতারণার নামান্তর।
এই ভিআইপি সংস্কৃতি সমাজকে বিভাজিত করে রাখার এক আগ্রাসী তৎপরতা। একটি জড় বস্তুকে অপসারিত করবার কাজটি সহজ। কিন্তু হাতে ক্ষমতা পেলে বা সামাজিক মর্যাদায় এক ধাপ উঠলে নিজেকে ‘বিশেষ’ ভাববার প্রবণতার অপসারণ সহজ না। এই প্রবণতা হতেই সাধারণ মানুষকে অপদস্থ করবার, তাদের নিকট হতে পবিত্র দূরত্ব বজায় রাখবার মোক্ষম ইচ্ছাটি জন্ম নেয়।
বলছিলাম রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনে থেকে আমলা শ্রেণি কি করে এমনটা করে। অনেক সমালোচনার পরও রাজনীতিকরাই জনগণের জীবনের গতিপথ ঠিক করেন। তাই রাজনীতির কাছেই আমাদের আবেদন নিবেদন। তিতাস ঘোষের করুণ মৃত্যু আমাদের বিবেককে জাগ্রত করুক। প্রধানমন্ত্রী একটা ঘোষণা দেন – বাংলাদেশের জনগণই ভিআইপি, আর কেউ নয়।
>>>লেখক : প্রধান সম্পাদক, জিটিভি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিলাসবহুল বাসের রেজিস্ট্রেশন মিনিবাস হিসেবে! by শাহেদ শফিক
![]() |
| বিলাসবহুল এসি বাস |
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে দেশের গণপরিবহনগুলো। দীর্ঘ যাত্রাপথে এসি বাসই পছন্দ যাত্রীদের। এসব গাড়ির ভাড়া নন এসির তুলনায় বেশি।
শুধু এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণে নয়, রেজিস্ট্রেশনেও রয়েছে অসঙ্গতি। বিলাসবহুল বিজনেস ক্লাস, হুন্দাই, হাইডেক ও ভলবোসহ কোটি টাকা মূল্যের পরিবহনও রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে মিনিবাস হিসেবে। বিআরটিএ’র দাবি, এসি বা বিলাসবহুল বাসের বিষয়ে কোনও আইন-কানুন বা নিয়মনীতি তাদের নেই। তারা শুধু বাসের আসন হিসেবেই রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে বিলাসবহুল এসব পরিবহন আসন সংখ্যা হচ্ছে ২৮ সিটের। কিন্তু ২৮ সিটের বাসকে মিনিবাস হিসেবেই রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে বিআরটিএ। এতে কোটি টাকা মূল্যের এসব বাস মিনিবাস হিসেবেই চলাচল করছে।
আর বিজনেস ক্লাস বা বণিজ্যিক পরিবহন হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নিতে হলে এসব পরিবহনকে ৩৬ আসনের পরিবহন হিসেবে দেখাতে হয়। বাণিজ্যিকভাবে এসব পরিবহনের রেজিস্ট্রেশন নিতে হলে ৩৬ আসন হিসেবেই রেজিস্ট্রেশন নিতে হয়। এতেও সমস্যায় পড়েন মালিকরা। সড়কে ট্রাফিক সার্জন পরিবহনের ব্লু বুকের সঙ্গে আসনের বাস্তবতার মিল না পেলে মামলায় জড়িয়ে দেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ বাস মালিকরা। এ ধরনের বাস থেকে রাজস্ব আয় বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও মিনিবাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন দেওয়ায় তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
মালিকরাও বলছেন, তারাও চান প্রকৃত রাজস্ব দিয়ে লাক্সারিয়াস গাড়ি হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে সড়কের হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্ক্যানিয়া হাইডেক বাসের মতো কোটি টাকা মূল্যের বাসও রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে মিনিবাস হিসেবে। এসি বাস বলতে বিআরটিএর কোনও ক্যাটাগরিই নেই। বিলাসবহুল বাণিজ্যিক গাড়িও সাধারণ বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে। কোটি টাকা মূল্যের বাস কীভাবে মিনিবাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে? আমি বিআরটিএকে বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছি। বিআরটিএ চেয়ারম্যান আমাকে জানিয়েছেন এটি তাদের নিয়মের মধ্যে নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিআরটিএ একটি মিটিং ডেকে রেজ্যুলেশন করে এই ক্যাটাগরিটি তাদের সফ্টওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। চেয়ারম্যান আমাকে আশ্বস্ত করেছেন তারা এটি ঠিক করবেন।’
এ ধরনের বাসের বিষয়ে বিআরটিএ’র কোনও নিয়ন্ত্রণ না থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ থাকলেও কর্তৃপক্ষ কিছুই করতে পারে না। ৩১ মে বিআরটিএর একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গাবতলী বাস টার্মিনালে অভিযান চালানো হয়। ওই সময় ম্যাজিস্ট্রেট জে আর পরিবহনে গিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সত্যতা পান। এ সময় টার্মিনালে বিআরটিএ’র কন্ট্রোল রুমে সংস্থাটির চেয়ারম্যান মশিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তাকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, ‘জরিমানা বা কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। কারণ এসি বাসের বিষয়ে বিআরটিএ’র কোনও আইন বা নীতিমালা নেই। মালিকরা যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই ভাড়া নির্ধারণ করবেন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএ’র সড়ক নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক মাহবুব-ই-রাব্বানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দামি বা বিলাসবহুল বাসগুলোর ক্ষেত্রে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। ব্লু বুকে লাক্সারিয়াস লিখে দিলেই হয়। কিন্তু এখনও লেখা যাচ্ছে না। এজন্য সফটওয়্যার চেঞ্জ করতে হবে। এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এখনও কিছু ফাইনাল হয়নি।’
বিআরটিএ চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এসি বা বিলাসবহুল গাড়ি বলতে আমাদের ক্যাটাগরিতে কিছুই নেই। বিআরটিএ নির্ধারিত আইন দিয়েই চলে। ভবিষ্যতে যদি এসব অন্তর্ভুক্ত হয় তখন দেখা যাবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গু জ্বরের বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট by এম এ হানিফ

সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর প্রায় ৩৯ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ১২৮টি দেশের ৩৯০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এই দু'টো পরিসংখ্যান থেকেই স্যারের কথাটির সত্যতা পাওয়া যায়।
এছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, ডেঙ্গু জ্বরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল। ২০১৬ সালে এসব অঞ্চলে আক্রান্ত হয়েছিল প্রায় ৩০ লাখের বেশি মানুষ। ২০১৫ সালে কেবল আমেরিকাতেই আক্রান্ত হয়েছিল ২০ লাখের বেশি। আমেরিকার এত উন্নত চিকিৎসা সেবার পরেও মারা গেছে প্রায় হাজারের ও বেশি মানুষ।
এ বছর, ফিলিপাইনে এ মাসে জাতীয় ভাবে ডেঙ্গু এলার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সাড়ে চার'শর বেশি মানুষ মারা গেছে, আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১ লাখ। হন্ডুরাসে গেল ৫০ বছরের তুলনায় এবছর বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। চলতি বছর ২৮ হাজারের বেশি ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে, এর মধ্যে মারা গেছে ৫৪ জন। সিঙ্গাপুরে এখন পর্যন্ত ৯ জনের মারা যাবার খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৮ হাজারের অধিক।
এবার বাংলাদেশের কথায় আসি। ২০০০ সালে এদেশে প্রথম ডেঙ্গু রোগ সনাক্ত হয় এবং এ প্রর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। সরকারি সংকলন অনুযায়ী শুধু গত বছরে প্রায় ১০,১৪৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। আর এ বছর, ইতোমধ্যে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি হিসাবে মারা গেছে ১৪ জন। যদিও গণমাধ্যমে সংখ্যাটি আরও বেশি বলা হচ্ছে।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, ডেঙ্গু জ্বর ৯৯২ খ্রিস্টাব্দে প্রথম সনাক্ত হয় বর্তমান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনে। তবে রোগটিকে ডেঙ্গু জ্বর বলে নামকরণ করা হয় ১৭৭৯ সালে। তখন একে 'হাড়ভাঙ্গা জ্বর'ও বলা হত। ধারণা করা হয় আফ্রিকার সোয়াহিলি ভাষার প্রবাদ ''কা-ডিঙ্গা পেপো' থেকে 'ডেঙ্গু' নামটি এসেছে। যার অর্থ 'শয়তানের শক্তির কাছে আটকে যাওয়ার মতো ব্যথা'। সোয়াহিলি ভাষার 'ডিঙ্গা' শব্দটি স্প্যানিশ শব্দ 'ডেঙ্গু' থেকে আসতে পারে, যার মানে হলো 'সতর্ক থাকা'।
বর্তমানে প্রায় ১০০টি দেশে ডেঙ্গু জ্বর হতে দেখা গেছে অথচ ১৯৭০ সালের আগে মাত্র ৯টি দেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ১৯৫০ সালের দিকে ফিলিপিন্স এবং থাইল্যান্ডে ডেঙ্গু জ্বর প্রথম মহামারি আকার ধারণ করে এবং বিংশ শতকের শেষ ২৫ বছরে এই রোগটির ব্যাপকভাবে বিস্তার ঘটে। তারা একে 'সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোগ' বলে বর্ণনা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন বলছে, আঠারো এবং ঊনিশ শতকের দিকে বিশ্বব্যাপী যখন জাহাজ শিল্পের বিকাশ ঘটতে থাকে, বন্দর নগরীগুলো গড়ে উঠতে শুরু করে এবং শহর এলাকা তৈরি হয়, তখন এই ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী ভেক্টর এবং এডিস ইজিপ্টির জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ডেঙ্গু রোগটি হয় এডিস স্ত্রী জাতীয় মশার কামড়ে। ডেঙ্গু আক্রান্ত বাহক অন্য জায়গায় ভ্রমণ করার মাধ্যমে রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে অর্থাৎ একজন আক্রান্ত ব্যক্তি যখন অন্যত্র ভ্রমণ করেন, সেখানে তাকে এডিস মশা কামড়ালে সেই মশার ভেতরেও ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। সেসব মশা যাদের কামড়াবে, তাদের শরীরে ডেঙ্গু রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই জাতীয় মশা জমে থাকা পরিষ্কার বা স্বচ্ছ পানিতে জন্ম নেয় এবং দিনে কামড়ায়।
বাংলাদেশে ঢাকাতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি হলেও এবছর সারা দেশের সকল জেলায় ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ লোকজন তাই এটা নিয়ে আতংকিত। তাদের আতংকিত হবার যতেষ্ট কারণও রয়েছে। কিন্তু ডেঙ্গু নিয়ে কি আমাদের আসলেই আতংকের কিছু আছে? না, আতংকের কিছু নেই। তবে উদ্বেগ আছে।
সামনে কোরবানীর ইদ। ইদে ঢাকার লোকজন নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে যাবে। যাদের ডেঙ্গু জ্বর হয়নি কিন্তু শরীরে ইনফেকশন ঢুকে আছে, তাদের মাধ্যমে এসময় ডেঙ্গু ভাইরাস দেশের অন্য অঞ্চলে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কারও যদি জ্বর থাকে তাহলে তিনি যেন ভ্রমণ না করেন। জ্বর থাকলে যেন পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে এটা ডেঙ্গু কি-না। নইলে সারাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হল এবার ফেব্রুয়ারিতে বৃষ্টি হয়েছে। এডিস মশার ডিম ছয়মাস পর্যন্ত শুকনো স্থানে থাকলে বেঁচে থাকতে পারে। এবার আগে বৃষ্টির কারণে ও এখন থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে এডিস মশা বংশ বিস্তার করেছে বেশি। জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস ডেঙ্গু রোগের মৌসুম বলা হলেও, এ বছর আগে-ভাগে রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ফলে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে এবং সামনে উদ্বেগ জনক হারে বাড়বে।
২০০০ সালের দিকে যখন বাংলাদেশে ডেঙ্গু রোগটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তখন এডিস মশা সার্ভেইল্যান্স নামের একটি প্রজেক্ট নেয়া হয়েছিল। সেই প্রজেক্ট একবছর চলে। এরপরে সিটি কর্পোরেশনে কিছুটা এডিস মশা নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল। তখন ১৪ জনের একটি টিম ছিল, যারা প্রতিদিন বিভিন্ন ওয়ার্ডে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা করতো যে, এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব কোন জায়গায় কেমন আছে এবং সেগুলো গবেষণাগারে নিয়ে এসে পরীক্ষা করে দেখতো। সে অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনকে একটি তথ্য দেয়া হতো। সেই তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে কর্পোরেশন তাদের কার্যক্রম চালাতো। কিন্তু এক বছর পরেই সেই প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে, ঢাকায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য আসলে কোন কার্যক্রমই নেই, যে কারণে এই অবস্থার তৈরি হয়েছে। ঢাকা শহরে মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য যে কার্যক্রম নেয়া হয়, সেটা শুধুমাত্র কীটনাশক দিয়ে মশা দমন, যার মাধ্যমে আসলে কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ড্রেন, ডোবা, নালা বা রাস্তার আশেপাশে যে কীটনাশক স্প্রে করা হয়, সেটা হচ্ছে কিউলেক্স মশার আবাসস্থল। আমাদের এটা মনে রাখতে হবে যে, কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আর এডিস মশা দমনের পদ্ধতি এক নয়, এ দুইটা আলাদা ধরনের এডিস মশার আবাসস্থল হচ্ছে মানুষের বাড়ি, বাড়ির চারপাশে বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি।
এ মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কর্মী দরকার এবং বিশেষ বিশেষ জায়গায় এ মশা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার, সেটা সিটি কর্পোরেশনগুলো আসলে করেনি। এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের আসলে কোন প্রশিক্ষিত দলই নেই, যারা এডিস মশার লার্ভা বা পূর্ণাঙ্গ এডিস মশা চিনতে পারেন বা কোথায় এগুলো জন্মায়, সেটা চিনতে পারেন। '' আশার কথা হল সিটি কর্পোরেশন এবার নড়ে চড়ে বসেছে। মশা মারার জন্য ইতোমধ্যে ঢাকার দুই মেয়র নানা কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। বিদ্যমান ওষুধে এডিস মশা না মড়ায় বিদেশ থেকে ওষুধ আনার ঘোষণা দিয়েছে। দেখার বিষয় কবে নাগাদ এই ওষুধ আসে আর দেশবাসীর মনে স্বস্তি ফিরে আসে।
তবে আমাদের এটা ভুলে গেলে চলবে না যে মশার বাসস্থান ধ্বংস করা শুধু সরকার বা সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব। আমাদের সকলকেই এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। যেহেতু এডিস মশা জমে থাকা পানিতে জন্মায় সেহেতু নিজ নিজ বাড়ির আশ পাশ নিজেদেরকেই পরিষ্কার রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে।
এডিস মশার বংশ নিয়ন্ত্রণে কলকাতা সফলতা দেখিয়েছে। তারা সারা বছর ধরে নিবিড় নজরদারি চালায়। শুধু ডেঙ্গুর মৌসুমে নয়, সারা বছর ধরে প্রতি ওয়ার্ডে তদারকি করে। প্রতি ওয়ার্ডে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য স্পেশাল টিম রয়েছে তাদের। দীর্ঘমেয়াদে আমরা কলকাতার মতো পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারি। কেননা শুধু কীটনাশক দিয়ে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন। পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতা ছাড়া এটা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ নয়। কলকাতায় এক ধরনের জরিমানা করার ব্যবস্থা রয়েছে, সেটা আমাদের দেশে চালু করা যেতে পারে। শুধু কলকাতায় নয়, সিঙ্গাপুরেও এরকম জরিমানা করার বিধান রয়েছে।
তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এক হয়ে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। শুধু সরকারের উপর দায় চাপিয়ে ঘরে বসে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
- ডেঙ্গু জ্বর ৯৯২ খ্রিস্টাব্দে প্রথম সনাক্ত হয় বর্তমান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনে। তবে রোগটিকে ডেঙ্গু জ্বর বলে নামকরণ করা হয় ১৭৭৯ সালে। তখন একে 'হাড়ভাঙ্গা জ্বর'ও বলা হত। ধারণা করা হয় আফ্রিকার সোয়াহিলি ভাষার প্রবাদ ''কা-ডিঙ্গা পেপো' থেকে ‘ডেঙ্গু’ নামটি এসেছে। যার অর্থ 'শয়তানের শক্তির কাছে আটকে যাওয়ার মতো ব্যথা'। সোয়াহিলি ভাষার 'ডিঙ্গা' শব্দটি স্প্যানিশ শব্দ 'ডেঙ্গু' থেকে আসতে পারে, যার মানে হলো 'সতর্ক থাকা’।
mhanifcu@gmail.com
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 18
(37)
- কাশ্মীরের জনগণের সঙ্গে দাবার ঘুটির মতো আচরণ করবেন ...
- তালেবান কি ক্ষমতায় ফিরে আসছে?
- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হৃদপিণ্ডে আঘাত by এন্টনি ডেভিস
- চামড়া বিক্রি করছেন না আড়তদাররা
- কাশ্মীর জটের কূটনৈতিক সমাধান না যুদ্ধ?
- ‘হাত-পা বেঁধে নাইমকে শ্বাসরোধ করে খুন করি’ by ওয়েছ...
- ভারত থেকে ফেরার পর শেইখ জাকজাকি অজ্ঞাত স্থানে, তথ্...
- মুজিব গ্রাফিক নভেল: কীভাবে হলো, কেন হলো by পার্থ শ...
- অধিকৃত কাশ্মীরে পুলিশের সাথে শত শত বিক্ষোভাকারীর স...
- অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন,...
- আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বিস্ফোরণ: 'পুরুষদের ...
- উফ! কী মর্মান্তিক: সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বিশ্ববিদ্যালয় শ...
- অবজ্ঞার বিশ্ব
- ওদের সব পুড়ে শেষ by পিয়াস সরকার
- মহানন্দায় ধরা পড়ল ১ মণ ওজনের বাঘাইড় by মোহাম্মদ রন...
- লাদাখে একদিকে উৎসব, অন্যদিকে ক্ষোভ by জুবায়ের আহমেদ
- কাশ্মীর: হাসপাতালের রোগীরা এখনও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন
- কলকাতায় হচ্ছে ভারতের প্রথম ডুবো মেট্রো রেল
- ভিআইপি সংস্কৃতি ও তিতাস ঘোষের করুণ মৃত্যু by সৈয়দ ...
- বিলাসবহুল বাসের রেজিস্ট্রেশন মিনিবাস হিসেবে! by শা...
- ডেঙ্গু জ্বরের বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের প্রেক...
- গল্প- শেষ চিঠি by রোমিও অনুব্রত
- রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু প্রশ্নে অবস্থান নমনীয় মিয়ানমারে...
- কাশ্মীর: ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫এ কেন বিতর্কিত?
- ভারত থেকে বছরে ১০ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার ...
- শান্তি বিঘ্নিত না করেই আফগান যুদ্ধ শেষ করা প্রয়োজন...
- বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ইসুফ: কেমব্রিজে প্রত্যাখ্যাত, ...
- নারী পুলিশের রগরগে যৌন সম্পর্ক, চাকরি হারানোর ঝুঁকি
- ভারতে বেকারের হার সর্বোচ্চ
- চামড়া নিয়ে কান্না
- অপরূপা খাগড়াছড়িতে হাজারো পর্যটক by জসিম মজুমদার
- সাইকেলের মতো চালিয়ে উড়ে যাবেন আকাশে!
- ভারতের অর্থনীতি কীভাবে সামলাবেন মোদি?
- গণতন্ত্রের স্বার্থে এবার দ্রুত ঘর গোছাক কংগ্রেস
- সরাইলে কলেজছাত্র ইকরাম হত্যা: নাটের গুরু শিমুল, নি...
- নিউজিল্যান্ডে জেলখানা থেকে সেই সন্ত্রাসী ব্রেন্টনে...
- আগামী সপ্তাহ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে ব...
-
▼
Aug 18
(37)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

















