Monday, December 4, 2017
৩ বছরেও ফারুকী হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু উদঘাটন হয়নি

এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছেন তারা। মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে আট জনকে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তারকৃতদের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ফারুকী হত্যার পরপর যারা এই হত্যার বিচার দাবি করে মাঠে নেমেছিলেন, বক্তব্য, বিবৃতি দিয়েছেন তাদের অনেকেই এখন তদন্তে সহযোগিতার ক্ষেত্রে রহস্যময় ভূমিকা পালন করছেন। যথাযথ সহযোগিতা পাচ্ছেন না ফারুকীর ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে। সূত্রে জানা গেছে, নানা দিক থেকেই হুমকিতে ছিলেন ফারুকী। নিজের ইসলামি মতবাদ, বিভিন্ন ইসলামি সমাবেশে বক্তব্য ও টেলিভিশনে অনুষ্ঠানের কারণে হুমকি দেয়া হতো তাকে। সেই হুমকির বিষয়গুলো গুরুত্বসহ তদন্ত করেছে সিআইডি। ফারুকীর পারিবারিক-ব্যক্তিগত জীবন, ব্যবসা এসব বিষয়ও উঠে এসেছে তদন্তে। তার ফোনের কললিস্ট যাচাই-বাছাই করে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সর্বশেষ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বগুড়ার টনটনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার আবদুল মুবিনকে। ফারুকীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে দীর্ঘ তিন বছর কাজ করেছেন মুবিন। হত্যাকাণ্ডের কিছু দিন আগে চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। জিজ্ঞাসাবাদে মুবিন জানিয়েছেন, বিভিন্ন মহল থেকে হুমকি দেয়া হতো তাকে। মৃত্যুর কয়েক মাস আগে ফারুকীকে ডেকে নেয়া হয়েছিলো একটি দূতাবাসে। সেদিন তার গাড়িতে চালক, মুবিন ও আরো একজন ব্যক্তি ছিলেন। দূতাবাস থেকে বের হয়ে বিমর্ষ ছিলেন ফারুকী। এ প্রসঙ্গে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার রাজীব ফরহান মানবজমিনকে বলেন, ফারুকী ছিলেন আহলে সুন্নাতের অনুসারীদের নেতা। বক্তব্য বিবৃতির কারণে প্রতিপক্ষের চক্ষুশূল ছিলেন তিনি। এসব বিষয় গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। ২০১৪ সালের ২৭শে আগস্ট রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের বাসায় ঢুকে গলা কেটে হত্যা করা হয় ফারুকীকে। এ ঘটনায় তার ছেলে ফয়সাল ফারুকী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ছয়-সাতজনকে আসামি করে শেরে-ই-বাংলা নগর থানায় মামলা করেন। ফারুকী হত্যা মামলাটি প্রথমে তদন্ত করেন শেরে-ই-বাংলা নগর থানার তৎকালীন পরিদর্শক সাব্বির আহমেদ। পরবর্তীতে মামলাটি হস্তান্তর করা হয় ডিবিতে। তদন্ত করেন ডিবির পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। কিন্তু কোনো ক্লু উদঘাটন সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে মামলাটি হস্তান্তর করা হয় সিআইডিতে। তদন্ত করেন পরিদর্শক আজগর আলী। এর কিছু দিনের মধ্যেই তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে দায়িত্ব দেয়া হয় পরিদর্শক আরশেদ আলী মণ্ডলকে। এবার সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদসহ ব্যাপক তৎপরতা দেখালেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ প্রসঙ্গে সিআইডি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক আরশেদ আলী মণ্ডল বলেন, অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মামলাটি তদন্ত করছি। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে ফারুকীর ঘনিষ্ঠরা যথাযথ সহযোগিতা না করায় বেগ পেতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার রাজীব ফরহান বলেন, ফারুকীর ছেলে রেজার সঙ্গে যোগাযোগ ছিলো মুবিনের কিন্তু সেই তথ্য তিনি আমাদের দেননি। এছাড়াও ফারুকী হত্যার পর তার ঘনিষ্ঠ ইমরান হোসেন তুষার যেভাবে তৎপর ছিলেন এখন সেই তৎপরতা নেই। বরং রহস্যময় নীরব ভূমিকা পালন করছেন ইমরান। ফারুকী হত্যাকাণ্ডে থানায় মামলার পর ৪ঠা সেপ্টেম্বর আদালতে আরো একটি মামলা করেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সহযোগী সংগঠন ইসলামি ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার। তিনি অভিযোগ করেন, ফারুকীকে হত্যার আগে ২২শে আগস্ট রাজধানীর তালতলার ট্রেড সেন্টারে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ফারুকীকে হত্যার ষড়যন্ত্র হয়। এতে ছয়জন টিভি উপস্থাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মামলা করার পর থেকেই তার ভূমিকা ছিলো রহস্যময়। যে বৈঠকে ছয় উপস্থাপকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথা বলা হয়েছে সেখানে ইমরান হোসেন তুষার নিজেও উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ইমরান জানিয়েছেন, সাংবাদিক হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইমরান হোসেন তুষার বলেন, ওই সভায় আমি ছিলাম এটা সত্য। তবে সাংবাদিক হিসেবে না, টেলিভিশন উপস্থাপকদের সংগঠনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান।
তিনি বলেন, নানা কারণে ব্যস্ত থাকি। তবে আমি ফারুকী হত্যার বিচার চাই। নানাভাবে ফারুকীকে হুমকি দেয়া হতো। এসব হুমকি গুরুত্ব সহকারে তদন্তের দাবি জানান তিনি। উল্লেখ্য, মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের (মতিন) সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী বৈমানিক

মিশনে গিয়ে কাজ করতে যেসব প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বিমান বাহিনী সেসব প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তারা জানান, দুর্গম অঞ্চলে কাজ করতে গিয়ে তাদের অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। সেসবের জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছে। বিমান বাহিনী আমাদের ওপর বিশ্বাস রেখেছে। সবার কাছে দোয়া চাই কাজের মধ্যে দিয়ে যেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে পারি।
আইএসপিআর জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ২০০০ সালে সর্বপ্রথম সামরিক বাহিনীতে নারী কর্মকর্তা নিয়োগ শুরু করে। সময়ের পরিক্রমায় বিমান বাহিনীর বিভিন্ন শাখার নারী কর্মকর্তারা বিমান বাহিনী ছাড়াও জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন। আর এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমবারের মত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ২জন নারী বৈমানিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োগ পেয়েছেন।
আইএসপিআর আরো জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ১৮ নং স্কোয়াড্রনে বেল-২০৬ হেলিকপ্টারে বেসিক কনভার্সন কোর্সের জন্য মনোনীত হওয়া এই দুই নারী কর্মকর্তা ২০১৪ সালের ৩রা আগস্ট থেকে তাদের গ্রাউন্ড প্রশিক্ষণ শুরু করেন। ২৩শে সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মত তারা উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ শুরু করেন। পরবর্তীতে ২৫ ঘণ্টা সফল প্রশিক্ষণ উড্ডয়ন শেষে তারা প্রথম একক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন। এভাবে তারা ২০১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করে বৈমানিক হয়ে ওঠার প্রাথমিক পর্যায় শেষ করেন। আইএসপিআর জানিয়েছে, প্রশিক্ষণরত এই বৈমানিক-দ্বয় বেল-২০৬ হেলিকপ্টারে ৬৫ ঘণ্টা উড্ডয়নের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন করার পর পরবর্তীতে বিমান বাহিনীর বিভিন্ন হেলিকপ্টার স্কোয়াড্রনে দায়িত্ব পালন করেন। তারা ২০৬ হেলিকপ্টার কনভারসন কোর্স, এমআই-১৭, এমআই-১৭১ এবং এমআই-১৭১ এসএইচ হেলিকপ্টার প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেছেন। তারা ভারত থেকে এভিয়েশন মেডিসিন-এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তারা দুজনই পার্বত্য চট্টগ্রামে অপারেশন্স উত্তরণে অপারেশনাল পাইলট হিসেবে দায়িত্ব করেন। পেশাগত জীবনে বৈমানিক হিসেবে তাদের এই সাফল্য বিমান বাহিনী এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর উড্ডয়নের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভুল রিপোর্ট করার কারণে সাংবাদিক ব্রায়ান রস’কে সাময়িক বরখাস্ত

ঠিক তখনই ব্রায়ান রস’কে সাময়িক বরখাস্ত করে এবিসি নিউজ। সঙ্গে সঙ্গে তারা পাঠকের কাছে, জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। এক বিবৃতিতে তারা বলে যে, ততক্ষণে তারা অনলাইন ও অনএয়ারে থাকা ওই রিপোর্ট সংশোধন করেছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে এবিসি নিউজের স্পেশাল রিপোর্টে ব্রায়ান রস মাত্র একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ট্রাম্প সম্পর্কে ওই ‘বোমা’ ছোড়েন। কিন্তু ওইদিন রাতেই ওয়ার্ল্ড নিউজ টুনাইট অনুষ্ঠানে তিনিই তার রিপোর্টের ভুল স্বীকার করেন দর্শকদের সামনে। তিনি দর্শকদের বলেন, যে সূত্রকে উদ্ধৃত করে তিনি ওই রিপোর্ট দিয়েছিলেন তিনিই তাকে পরে বলেছেন, নির্বাচনের একজন প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প যখন ছিলেন তখন এমন নির্দেশনা দেন নি ফ্লিনকে। এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরে তিনি মাইকেল ফ্লিনকে রাশিয়ানদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। ততক্ষণে এবিসি ওই রিপোর্ট টুইটে প্রকাশ করেছে এবং তা প্রায় ২৫০০০ বার রিটুইট করা হয়েছে। এরপরই এমন স্বীকারোক্তি দেন ব্রায়ান রস। ফলে টুইটার থেকে, অনলাইন থেকে ওই রিপোর্ট প্রত্যাহার করা হয। ততক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বাজারে বড় রকমের নাটকীয় প্রভাব পড়েছে। সূচক পড়ে গেছে সাড়ে তিন শ পয়েন্টের নিচে। তবে দিন শেষে তা আবার উন্নত হতে থাকে। এ বিষয়ে শুক্রবার বিকালে এবিসি নিউজের কাছে সিএনএন জানতে চায়, কেন অনলাইনে তাদের ওই রিপোর্ট নেই। এর কয়েক ঘন্টা পরে এ চ্যানেলের একজন মুখপাত্র বলেন, রিপোর্টটিতে সংশোধন চলছে। ওদিকে এবিসি নিউজ এ নিয়ে একটি বিবৃতি দেয়। তাতে বলে আমরা একটি ত্রুটিপূর্ণ রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য গভীরভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। ওই রিপোর্টটি করেছিলেন আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান রস। তার ওই রিপোর্ট পূর্ণাঙ্গ যাচাই করা হয় নি, যেটা আমাদের সম্পাদকীয় নীতির অধীনে। আমরা যখন রিপোর্টটি ভুল বুঝতে পেরেছি তখন তা অনএয়ার ও অনলাইন থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি। আমরা যে রিপোর্ট প্রকাশ করি তা যথাযথ হতে হয় এবং এর ওপর ভিত্তি করে আমরা জনআস্থা গড়ে তুলেছি। এটাই আমার মূল নীতি। কিন্তু ওই রিপোর্টটির ক্ষেত্রে এর অন্যথা হয়েছে। উল্লেখ্য, এবিসি নিউজের চিফ ইনভেস্টিগেটিভ করেসপন্ডেন্ট হলেন ব্রায়ান রস। তিনি এবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ টুনাইট, নাইটলাইন, গুডমর্নিং আমেরিকা, ২০/২০, এবিসি রেডিওর জন্য রিপোর্ট করেন। তিনি এ চ্যানেলে যোগ দিয়েছেন ১৯৯৪ সালে। রিপোর্ট করেছেন সরকারি দুর্নীতি নিয়ে। তার ঝুলিতে যোগ হয়েছে কমপক্ষে ৪৩টি আন্তর্জাতিক পুরষ্কার। এর মধ্যে ১৯৭৪ সালে পেয়েছেন পিবডি এওয়ার্ড। সেই শুরু। তারপর থেকে একের পর এক পুরস্কার পেতে থাকেন তিনি। ২০০৫, ২০০৬ সালে পেয়েছেন এমি এওয়ার্ড।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা ফেরত নেয়া নিয়ে ইরানি দু’এমপির মন্তব্য

গত ২৬ শে নভেম্বর রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে একটি চুক্তিতে সম্মত হয় মিয়ানমার ও বাংলাদেশ। কিন্তু প্রতিবেশী এই দুটি দেশ কিভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পাদন করা হবে তার বিস্তারিত জানায় নি। এ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে এক রকম লড়াই হয়ে গেছে। রাখাইনে শত শত গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেই সহিংসতা কবলিত রাখাইনে কিভাবে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে এ বিষয়গুলো ছিল আলোচনায়। এ বিষয়ে আল জাজিরাকে রোহিঙ্গাদের অধিকার বিষয়ক একজন কর্মী বলেছেন, কিভাবে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়া হবে সে বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য নেই তাদের কাছে। তিনি বলেছেন, আমি নিশ্চিত নই যে, রোহিঙ্গাদেরকে তাদের প্রকৃত বাড়িতে ফিরতে দেয়া হবে কিনা। নাই সান লউইন নামের ওই অধিকারকর্মী বলেছেন, মিয়ানমারের পুনর্বাসন ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী বলেছেন, তারা দিনে সর্বোচ্চ ৩০০ শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে পারবেন। এমনটা হলে সব শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে সময় লাগবে দু’দশকের মতো। মাসুদ গোদারজি এ জন্য মিয়ানমারের সমালোচনা করেছেন। বলেছেন, রোহিঙ্গাদের এমনভাবে ফিরিয়ে নেয়া হলে তা হবে নিয়ন্ত্রিত প্রত্যাবর্তন। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে মিয়ানমার সরকার একটি রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। ওদিকে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা মোকাবিলা করা হচ্ছে অদক্ষতার সঙ্গে এমন অভিযোগ তুলে জাতিসংঘের সমালোচনা করেছেন আরেক এমপি আবুল ফজল হাসানবেইগি। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘের নিষ্ক্রিয়তার কাছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নৃশংসতা অব্যাহত রাখার শক্তি পেয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, দুর্ভাগ্যজনক হলো এক্ষেত্রে জাতিসংঘ তার কার্যকারিতা হারিয়েছে। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘ শুধু রিপোর্ট বা বিবৃতি প্রকাশ করেই ক্ষান্ত হচ্ছে। এর কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে তাদের এমন ভূমিকায় প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুতিন কেনো জিনিয়াস নন by জস কোহেন

ওই বৈঠকটিতে মধ্যপ্রাচ্যের ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু, পুতিনের প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। ইউরোপে, ইউক্রেনের ক্রিমিয়ান উপদ্বীপ দখল ও ২০১৪ সালে ইউক্রেনের নিবাসীরা দেশটির মস্কোপন্থি প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ডনবাস অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন দিয়ে ইউক্রেইনকে অস্থিতিশীল করে রেখেছে। এশিয়ায় চীনের সঙ্গে খুব অল্প সময়ে রাশিয়া বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রে, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রামপকে সহায়তা করার উদ্দেশে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়টি এখনো পর্যন্ত দেশটির রাজনৈতিক পটভূমি দখল করেছে। প্রশাসনের আইনি এজেন্ডার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়টি। রাশিয়ার জন্য এগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ সফল অর্জন। বিশেষ করে সাবেক এই সুপারপাওয়ার যেহেতু বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে প্রায় রক্তশূন্য অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে রাশিয়ার জিডিপি হচ্ছে, ১ লাখ ২৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার- যা কোনোরকমে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির মাত্র ৭ শতাংশ। এই হিসেবে পুতিন বেশ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তার কার্ড খেলছে। এসব সত্ত্বেও পুতিনের আপাত সফলতা অদূর ভবিষ্যতে ব্যর্থতা হিসেবে দেখা দিতে পারে। মাস্টার কৌশলবিদ হিসেবে তার জনপ্রিয়তার কারণে এ বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে না যে, তার অর্জনগুলো তার মুখের ওপরেই বিস্ফোরিত হতে পারে।
ইউক্রেনের বিষয়ে: রাশিয়া ঐতিহাসিকভাবেই ইউক্রেন দখলের চেষ্টায় ছিল। পাশাপাশি পুতিন চায়না যে, দেশটি মস্কোর কক্ষপথ ছেড়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে যোগ দিক। ক্রিমিয়া দখলের পর ক্রেমলিন আশা করেছিল যে, ক্রেমলিন ভিত্তিক এজেন্ট, স্থানীয় সহায়তাকারী ও অগোছালো রুশ সেনাদের একটি জোট নিয়ে ইউক্রেনের পুরো দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল দখল করে নেবে। তৎকালীন সময়ে পুতিনের এই ‘নভোরোশিয়া’ বা নতুন রাশিয়া তৈরির স্বপ্ন অনেকটা বাস্তবায়নযোগ্যই মনে হয়েছিল। কেননা, ইউক্রেনের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত সেনার সংখ্যা ছিল মাত্র ৬ হাজার কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পরিস্থিতি তার পরিকল্পনা মতো আগায়নি। সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে ইউক্রেনের জনসংখ্যাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- ইউক্রেনিয়ান ভাষী, ইউরোপ বংশোদ্ভূত পশ্চিমা অর্ধেক ও রাশিয়াপন্থি রুশ-ভাষী পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাক্র অধিবাসী। ইউক্রেনের ওপর পুতিনের যুদ্ধ ইউক্রেনবাসীদের মধ্যে তাদের জাতীয় পরিচয়ের অনুভূতি ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ব্যক্তিগতভাবে অর্থায়নকৃত সামরিক ব্যাটালিয়ন ও বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবীরা ইউক্রেনের সরকারি সামরিক বাহিনীকে রাশিয়া-সমর্থনকারী বিচ্ছিন্নতাবাদী ও স্থানীয় সহায়তাকারীদের পিটিয়ে ফেরত পাঠাতে সাহায্য করেছিল। ইউক্রেনজুড়ে সামপ্রতিক চালানো এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ইউক্রেনীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবাদ নিয়ে সচেতনতা ২০১৪ সাল থেকে ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইইউ ও ন্যাটোর মতো পশ্চিমা সংগঠনে যোগ দেয়ার জন্য সমর্থন লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে রাশিয়া-বিরোধী প্রবণতাও। যদিও ক্রেমলিন আশা করতেই পারে যে, একসময় তাদের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবেই। সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের মতো রাশিয়াপন্থি কেউ পুনরায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের গদিতে বসবেন। কিন্তু সেগুলো বোধহয় বাস্তবে ঘটা অসম্ভব। মস্কোর ক্রিমিয়া দখল ও ইউক্রেনের পশ্চিমাংশে চালানো যুদ্ধে তারা লাখ লাখ রাশিয়াপন্থি, ন্যাটো ও ইইউ বিরোধী ভোটার হারিয়েছে। সহজভাবে, পুতিন হয়তো ক্রিমিয়ার দখল নিতে পেরেছেন। কিন্তু পাশাপাশি তিনি ইউক্রেনের বাকি অংশ হারিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ-হস্তক্ষেপও পুতিনের পরিকল্পনা মতো কাজ করেনি। ক্রেমলিনের আশা ছিল যে, ট্রামপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলে দুই দেশের মধ্যে সমপর্ক ঘনিষ্ঠ হবে। যুক্তরাষ্ট্র অনেকটা রাশিয়াপন্থি নীতিমালা অনুসরণ করবে। আদতে ঘটেছে তার উল্টোটা। গত এপ্রিল মাসে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সমপর্ক নতুনভাবে গড়ে তোলার এবং উত্তর কোরিয়া থেকে আফগানিস্তান ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে যেসব বৈশ্বিক ইস্যুতে সহযোগিতার যে গোপন প্রস্তাব পুতিন দিয়েছিলেন তার কোনোটারই কোনো প্রকারের বাস্তবায়ন হয়নি। আগস্ট মাসে মার্কিন কংগ্রেস প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বিল পাস করেছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে- পুতিনের মিত্রদের উদ্দেশ্য করে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি কংগ্রেস এটাও নিশ্চিত করে যে, ট্রামপ যেন কোনোভাবে কংগ্রেসের অনুমতি ব্যতীত পূর্বে আরপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে না পারেন।
পুতিনের আরো প্রত্যাশা ছিল যে, ট্রামপ জয়ী হলে ন্যাটো দুর্বল হয়ে যাবে। কিন্তু ট্রামপ তার প্রত্যাশার বিপরীতে গিয়ে ন্যাটো ও ন্যাটোভুক্ত মিত্রদেশগুলোর প্রতি ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি রক্ষার বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করেন। ট্রামপ তার প্রতিশ্রুতি রক্ষার বিষয়টি যে সত্যিকারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তা প্রমাণ করতে বালটিকে আমেরিকান সেনা মোতায়েন করেছেন। পাশাপাশি পোলিশ-রুশ সীমান্তেও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছেন। আর ট্রামেপর এই সঙ্গত দাবির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্ররাও অবশেষে তাদের প্রতিরক্ষা বিষয়ক বাজেট বাড়াচ্ছেন। চূড়ান্তভাবে ট্রাম্প মস্কোর সঙ্গে বন্ধন দৃঢ় করার জন্য কাজ করবেন- ক্রেমলিন এখনো এই আশা ধরে রেখেছে। কিন্তু আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এমনটি ঘটতে বাধা দিচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জেমস ম্যাটিস, সিআইএ পরিচালক মাইক পম্পেও, জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচআর ম্যাকমাস্টারসহ ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার কিছু সদস্য রাশিয়ার বিষয়ে কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। মনে করা হচ্ছে, রাশিয়া-আমেরিকা সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে ট্রাম্পের কোনো পদক্ষেপ তারা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। এমনকি ট্রাম্প যদি দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে চান, তাও অসম্ভব হতে পারে। কেননা মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়ে এখনো ট্রাম্প, তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও উপদেষ্টাদের সন্দেহ করা হয়। প্রকৃতপক্ষে, মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের ঘটনা তদন্তে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন ট্রাম্প। তিনি যে রাশিয়ার ‘সিক্রেট’ পুতুল নন, এই বিষয়টি প্রমাণ করা কঠিন হবে।
এদিকে, চীনের সঙ্গে পুতিনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় গুটি কয়েক আমেরিকান যে হুমকির আশঙ্কা তুলে ধরেন, আদতে বিষয়টি অত গুরুতর নয়। চীনের অর্থনীতি রুশ অর্থনীতির তুলনায় অনেক বড়। এই অর্থনৈতিক অসামঞ্জস্যতার কারণে দুই দেশের মধ্যে কোনো চুক্তি হলে রাশিয়া হবে তার ছোট অংশীদার। চীনের সঙ্গে মস্কোর সামরিক সহায়তার বিষয়টিও খালি চোখে যা দেখা যায়, তার থেকে কম। যদিও দুই দেশের যৌথ সামরিক মহড়া বেড়েছে। তবে এগুলো পশ্চিমাবিরোধী কোনো জোট গঠন করার জন্য নয়। এমনকি বেইজিংয়ের কাছে সর্বাধুনিক অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে মস্কোর আগ্রহ পুতিনের জন্য খারাপ পরিণতি বয়ে আনতে পারে। কেননা এতে দীর্ঘ মেয়াদে রাশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান খর্ব হতে পারে। কয়েক দশক ধরে চলা আস্থাহীনতাকে অগ্রাহ্য করেই সম্পর্ক উন্নয়ন করছে করছে ইউরোপ ও এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুই শক্তি। তাদের এই আস্থাহীনতা এখনো রয়েছে। কোনো দিন যদি চীন প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে রাশিয়ার কাছে আবারো ঐতিহাসিক সাইবেরিয়া অঞ্চল দাবি করে বসে, তখন স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তাকে বিসর্জন দেয়ার ক্ষেত্রে পুতিনের সিদ্ধান্তের জন্য অনুতাপ করতে হবে। খুব পরিষ্কারভাবে পুতিন কিছু রাজনৈতিক অর্জনের কথা উল্লেখ করতে পারেন। সিরিয়ার বিষয়ে তার সফল কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোও তার ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বিভিন্ন সময়ে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সিরিয়ায় ইসরাইলের স্বার্থের বিষয়টি দেখার জন্য পুতিনকে অনুরোধ করেছেন। সবচেয়ে বড় অর্জন হলো প্রথম সৌদি নেতা হিসেবে ১৫০০ প্রতিনিধি নিয়ে বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ মস্কো সফর করেছেন। অনেক পর্যবেক্ষক এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দুই দেশ বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য অত্যাধুনিক এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তিও রয়েছে।
পুতিন হয়তো মধ্য প্রাচ্যের শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, কিন্তু তার অর্জন খুবই সামান্য। এখন এটা বোঝা যায় যে, তার ভূরাজনৈতিক ‘জিনিয়াস’ হওয়ার দাবি বাস্তবতার থেকে কল্পনা-ই বেশি।
(রয়টার্সে প্রকাশিত নিবন্ধের অনুবাদ)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের ভায়াগ্রা কোহিনুর পান, দাম ৫০০০ রুপি

এর মধ্যে নববিবাহিতদের জন্য আছে এক রকম পান। একে বলা হয় স্টার পান। এই পানের কদর অনেক বেশি। এই পানটি স্থানীয়ভাবে ‘ভারতের ভায়াগ্রা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে এ পানটি ‘কোহিনুর’ পান নামে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। আওরঙ্গাবাদে ওই পানের দোকানটির নাম তারা পান সেন্টার। এই দোকানে কোহিনুর পান বানানো হয় বিশেষ সব উপাদান মিশ্রিত করে। এর মধ্যে রয়েছে বিশেষ ধরনের কস্তুরি, যার প্রতি কিলোগ্রামের দাম ৭০ লাখ রুপি। মিশানো হয় জাফরান, যার প্রতি কেজির দাম ৭০ হাজার রুপি। মিশানো হয় গোলাপ, যার প্রতি কেজির দাম ৮০ হাজার রুপি। এ ছাড়া এই পানে মিশানো হয় বিশেষ তরল। তাতে আছে ভিন্ন মাত্রার সুঘ্রাণ। এ জিনিসটি শুধু পশ্চিমবঙ্গেই পাওয়া যায়। এরপরে যে জিনিসটি মিশানো হয় সেটিই এই পানের বিশেষত্ব। কি সেই উপাদান সে বিষয়টি কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করে না। ব্যবসায়িক স্বার্থে তারা এ বিষয়টি গোপন রেখেছে। এমনকি ওই দোকানে যেসব কর্মচারী কাজ করেন তারা পর্যন্ত জানেন না কি সেই গোপন উপাদান। এ গোপনটি জানেন শুধু দু’জন। একজন হলেন দোকানের মালিক মোহাম্মদ সিদ্দিকী ও তার মা। সিদ্দিকীর মা-ই এই ব্যবসার মূলে। তিনিই তার ছেলে সিদ্দিকীকে গোপন রেসিপি দিয়েছেন। সেই রেসিপি অনুসরণ করে তারা এখন ভারতজোড়া খ্যাতি পেয়েছেন। এমনকি বিদেশী অনেক অতিথিও তাদের দোকানে ভিড় জমান। বিশেষ করে ‘ভারতীয় ভায়াগ্রা’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় নবদম্পতি এবং যারা যৌন জীবনে অসুখী তারা পর্যন্ত ছুটে যান ওই দোকানে। সিদ্দিকী বলেন, আমি বিয়ের আগে এই পান বিক্রি করি নি। আমার বিয়ের পর মা আমাকে এই পান দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন এটা আমার খাওয়া উচিত। তারপর যদি আমার পছন্দ হয় তাহলে আমাকে এটা বিক্রি করার জন্য বলেন। তারপর থেকেই এই পানের ভক্ত হয়ে যান সিদ্দিকী। তিনি এই পানকে তার দোকানের মেনুতে যুক্ত করেন। ফলে তার দোকানে প্রতিনিয়ত ভিড় লেগে থাকে কোহিনুর পানের জন্য। কিন্তু দামটা একটু বেশিই হয়ে যায়। তাই কম দামেও এটি বিক্রি করার একটি বিকল্প পন্থা আবিষ্কার করেছেন সিদ্দিকী। এর দাম রাখা হয় ৩০০০ রুপি। তার দোকানের একজন কর্মচারী বলেন, ৩০০০ রুপির একটি পান যদি আপনি খান তাহলে তার প্রভাব থেকে যায় তিন দিন। এই তারা পান সেন্টারে পুরুষদের পাশাপাশি আছে নারীদের জন্য কোহিনুর পান। প্রতিদিন এই দোকান থেকে বিক্রি হয় ১০০০০ পান।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুতা শিল্পে নতুন সম্ভাবনা by এম এম মাসুদ

উদ্যোক্তারা বলছেন, উৎপাদন প্রবৃদ্ধি জোরদারের মাধ্যমে বর্তমানে আরো এগিয়ে গেছে দেশের পাদুকা শিল্প। আগামীতে তৈরি পোশাকের সঙ্গে জুতার বাজারও বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে প্রত্যাশা তাদের। তারা জানান, বর্তমানে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড নাইকি, অ্যাডিডাস, টিম্বারল্যান্ড, আলদো, সিয়ার্স, জেনেসকো, স্টিভ ম্যাডেন, হুগো বস, মেসি’জ, স্যান্ডারগারড, ডায়েচম্যান, এবিসি মার্ট ও এইচঅ্যান্ডএম বাংলাদেশ থেকে জুতা কেনা শুরু করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে এ খাতে রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৮ কোটি ডলার। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য মিলিয়ে ১২৩ কোটি ৪০ হাজার ডলার রপ্তানি আয় করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ছিল ১০০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ১৩.৫ শতাংশ বেশি। পোশাকের পর পণ্য রপ্তানি আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চামড়া খাত। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ৪২ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়া পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে আছে ৫ কোটি ৯৩ লাখ ডলারের চামড়া, ১৭ কোটি ডলারের চামড়া পণ্য ও ২০ কোটি ডলারের চামড়ার জুতা। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মেয়াদে চামড়ার জুতা রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১৩ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৩.১০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৮.৪৩ শতাংশ বেড়েছে।
বৈশ্বিক চামড়াজাত পণ্যবাজার নিয়ে সমপ্রতি একটি বাজার সমীক্ষা করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক পণ্যবাজার গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান টেকনাভিও। সমীক্ষায় দেখা গেছে, গত বছর বিশ্বে চামড়াজাত পণ্য কেনাবেচা হয়েছে ২১,৭৪৯ কোটি ডলারের।
এদিকে পর্তুগালভিত্তিক জুতা প্রস্তুতকারকদের সংগঠন পর্তুগিজ ফুটওয়্যার, কম্পোনেন্টস, লেদারগুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এপিআইসিসিএপিএস) গত তিন বছরের ফুটওয়্যার ইয়ারবুকে উল্লিখিত উৎপাদন প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় শীর্ষ ১০ উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে বাংলাদেশ। আর শুধু উৎপাদনের দিক থেকে অষ্টম অবস্থানে।
সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী বছরে ২,৩০০ কোটি জোড়া জুতা উৎপাদন হয়। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি উৎপাদন করে চীন। তবে ২০১৪ সালের পর থেকে দেশটিতে উৎপাদনের পাশাপাশি উৎপাদন প্রবৃদ্ধিও কমতে শুরু করে। এ সুযোগে বাংলাদেশের উৎপাদকরা নিজেদের অবস্থান আরো সুসংহত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে গত বছরও জুতা উৎপাদনে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৪ ও ১৫ সালে এ প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৫.৭ ও ১২ শতাংশ। এ তিন বছরে গড়ে ৮.২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ২০১৪-১৬ সাল, এ তিন বছরের গড় হিসাবে নিলে জুতা উৎপাদনে ২.১ শতাংশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে চীনের। অন্যদিকে উৎপাদন বিবেচনায় শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে অষ্টম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি উভয়ই বাড়ছে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ২৯ কোটি ৮০ লাখ জোড়া জুতা উৎপাদন করে। ২০১৪ সালে ৩১ কোটি ৫০ লাখ, ২০১৫ সালে ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ও ২০১৬ সালে ৩৭ কোটি ৮০ লাখ জোড়া উৎপাদন করে বাংলাদেশ। এপিআইসিসিএপিএসের তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৪-১৬ সাল পর্যন্ত জুতা উৎপাদনে গড় প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল তুরস্কের। এ তিন বছরে দেশটি যথাক্রমে ৩২, ৩৫ ও ৫০ কোটি জোড়া জুতা উৎপাদন করেছে। গড় প্রবৃদ্ধি নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটি উৎপাদন করেছে যথাক্রমে ৭২, ১০০ ও ১১১ কোটি জোড়া জুতা। প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম। দেশটি উৎপাদন করে যথাক্রমে ৯১, ১১৪ ও ১১৮ কোটি জোড়া জুতা। একইভাবে তিন বছরে গড়ে ৮.২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাংলাদেশ আছে চতুর্থ অবস্থানে। উৎপাদন প্রবৃদ্ধিতে পঞ্চম থেকে দশম অবস্থানে থাকা দেশগুলোর মধ্যে আছে ভারত, পাকিস্তান, ব্রাজিল, মেক্সিকো, চীন ও থাইল্যান্ড।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমরা বাজার দখলে কাঙ্ক্ষিত গতি আনতে পারছি না। এগিয়ে যাচ্ছে ধীরগতিতে। কারণ এ খাতের সংযোগ শিল্প ইন্ডাস্ট্রি নেই। কারখানার কর্মপরিবেশের মান ধরে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে থাকলেও রপ্তানিকারক হিসেবে অনেকটাই পিছিয়ে বাংলাদেশ। তাদের মতে, এ খাতের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করতে নীতিসহায়তা ও গ্যাস-বিদ্যুৎসহ সার্বিক ভৌত অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
এপিআইসিসিএপিএসের হিসাবে, রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২২তম। আমদানি বিবেচনায় ৭১তম ও ব্যবহার বিবেচনায় ১২তম অবস্থানে। বাংলাদেশের রপ্তানি করা জুতার ৪২ শতাংশই চামড়াজাত। এ ছাড়া ৩২ শতাংশ বস্ত্রজাত। বাকি ২৬ শতাংশ রাবার ও প্লাস্টিক থেকে তৈরি জুতা।
ব্যবসায়ীরা জানান, এ দেশের চামড়ার অন্যতম বড় সুবিধা হচ্ছে অভ্যন্তরীণভাবে কাঁচামাল প্রাপ্তি। কাঁচা চামড়ার চাহিদার পুরোটা দেশেই পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে দেশে প্রতি বছর প্রায় বিভিন্ন পশুর ১ কোটি ৬৫ লাখ কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ২২ কোটি বর্গফুট চামড়া পাওয়া যায়।
সম্প্রতি রাজধানীতে অনুষ্ঠিত চামড়াজাত পণ্যের প্রদর্শনীতে চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তারা জানান, চামড়াজাত পণ্যের বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনার পেছনে ৫টি কারণ রয়েছে। এগুলো হলো চীন থেকে চামড়াজাত পণ্যের কারখানা সরছে, বাংলাদেশের জুতা ও ব্যাগ তৈরির সক্ষমতা বাড়ছে, এ খাতের মূল কাঁচামাল দেশেই হয়, বাংলাদেশ মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করছে এবং এ দেশের শুল্কমুক্ত বাজার-সুবিধা আছে। তবে রপ্তানি বাড়াতে বেশ কিছু সমস্যাও আছে। এগুলো হলো চামড়া প্রক্রিয়াকরণে পরিবেশদূষণ, রপ্তানিতে লিডটাইম বা পণ্য তৈরি করে জাহাজীকরণ করতে সময় বেশি লাগে, এ দেশে পণ্য বৈচিত্র্যের অভাব, শ্রমিকের দক্ষতায় ঘাটতি এবং কারিগরি জ্ঞানের অভাব।
দেশের শীর্ষস্থানীয় পাদুকা উৎপাদনকারী অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বলেন, বাজার ধরতে আমাদের প্রয়োজন কারিগরি জ্ঞান ও শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধি। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ইউরোপে রপ্তানি বাড়াতে হলে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে, সাধারণ জুতা তৈরি করে বাজার ধরা যাবে না। এজন্য বাংলাদেশে পণ্য উন্নয়ন কেন্দ্র বা প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট সেন্টার দরকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অনেক বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান আসছে। তবে তারা সার্বিক মান বা কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে খুবই সচেতন। যে গরুর চামড়া দিয়ে জুতা হচ্ছে, সেই গরুটি কোন ঘাস খেয়েছে, এটাও তারা জানতে চায়।
লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলএফএমইএবি) সভাপতি সায়ফুল ইসলাম বলেন, দেশের মোট চামড়ার ২০-২৫ শতাংশ ব্যবহার করে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয় ১০০ কোটি ডলার হয়েছে। দেশের চামড়ার আরও ৩০ শতাংশ ব্যবহার করে চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করতে পারলে ২০২১ সালে এ খাতে রপ্তানি আয় ৫০০ কোটি ডলার করা সম্ভব।
চামড়া রপ্তানিকারকরা বলছেন, বৈশ্বিক বড় ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের চামড়া কেনে না। কারণ, এ দেশের ট্যানারিগুলোর বিরুদ্ধে পরিবেশদূষণ করার অভিযোগ রয়েছে। সাভারের চামড়া শিল্পনগরে পরিবেশবান্ধব উপায়ে উৎপাদন শুরু হলে চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় বাড়বে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেঁদেছেন কিন্তু...

তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সফরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি তার কাছে একটি শর্ত ছিল। আর মিয়ানমারে রোহিঙ্গা উচ্চারণ না করলেও তাদের বিষয়ে বার্তাটি দেশটির বেসামরিক- সামরিক নেতৃত্বের কাছে ঠিকই পৌঁছে দিয়েছেন। সরাসরি জায়গায় আঘাত না করলেও তারা আগেই বুঝে নিয়েছিল পোপ কি বলতে চান। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেয়ায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পোপ।
পোপের সফর ঘিরে অনেকেই তাকিয়ে ছিলেন তিনি মিয়ানমারের সামরিক, বেসামরিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি আলাদাভাবে উত্থাপন করবেন। কিন্তু নানা পরামর্শ, মিয়ানমারের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পরিণতির কথা চিন্তা করে তিনি ওইসব বৈঠকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি।
সাংবাদিকদের পোপ বলেছেন, আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের সময় আমি যদি ওই শব্দটি ব্যবহার করতাম তাহলে হয়তো আমি আসল স্থানে খোঁচা দিতাম। কিন্তু আমি কি ভাবছি, কি বোঝাতে চেয়েছি তারা তা আগেভাগেই বুঝে গেছে। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বার্তাটি ছড়িয়ে দিতে পেরেছি। মিয়ানমারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে তিনি ‘অত্যন্ত সন্তোষ’ প্রকাশ করেন। এএফপি ও এসবিএস-এর খবরে বলা হয়, পোপের মিয়ানমার সফর কূটনৈতিক নিরাপত্তায় ঢাকা ছিল। মিয়ানমার থেকে তিনি বাংলাদেশ সফর করেছেন। এখানে সাক্ষাৎ করেছেন কিছু রোহিঙ্গার সঙ্গে। এখানেই তিনি প্রথম রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করেছেন। পোপ বিমানে থাকা সাংবাদিকদের বলেছেন, আমি জানতাম রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছি। তবে কোথায় এবং কিভাবে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবো সেটা আমি জানতাম না। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাতই ছিল আমার সফরের অন্যতম শর্ত। বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যখন সাক্ষাৎ হয়েছে তখন আমি কেঁদেছি। কেঁদেছি এমনভাবে যাতে কেউ তা দেখতে না পারে। এ সময় রোহিঙ্গারাও কেঁদেছেন। পোপ বলেন, তাদের কিছুই না বলে চলে যাবো আমি- এমনটা হতে পারে না। তাদের আমি বলেছি, একীভূত বিশ্বের সামনে আপনাদের ওপর যারা নিষ্পেষণ চালিয়েছে, যারা আপনাদের ক্ষতি করেছে তাদের ক্ষমা করে দেয়ার আহ্বান জানাই আমি। বিমানে সফরের সময় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেন পোপ। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ যা করেছে তা অনেক। এটা স্বাগত জানানোর একটি উদাহরণ।
উল্লেখ্য, মিয়ানমার সফরকালে তিনি রোহিঙ্গাদের শরণার্থী হিসেবে উল্লেখ করেন। সেখানে তাকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন তার উপদেষ্টারা ও ইয়াঙ্গুনের আর্চবিশপ। তারা বলেছিলেন, তিনি যদি মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করেন তাহলে সেখানে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। সেখানে বসবাসরত খ্রিস্টানরা বিপদে পড়বেন। সেই পরামর্শই অনুসরণ করেছেন পোপ। তবে মিয়ানমারে চার দিনের সফর শেষে তিনি বাংলাদেশে এসে প্রথম রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করেন।
ওদিকে মিয়ানমারে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার বিষয়ে আগামী ৬ মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নারীদের অধিকার বিষয়ক একটি প্যানেল।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জেরুজালেমকে রাজধানীর স্বীকৃতি দিলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে’ -জর্ডানের হুঁশিয়ারি

তবে ট্রাম্পের জামাই জারেড কুশনার বলেছেন, এখনও এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় নি। ওদিকে আয়মান সাফাদি এক টুইটে বলেছেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে জানিয়ে দিয়েছি জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিলে তাতে ভয়াবহ পরিণতি হবে। এমন সিদ্ধান্ত আরব ও মুসলিম জাহানে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবে। উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢালবে এবং শান্তি প্রচেষ্টা নষ্ট হবে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো বিবৃতি দেয়া হয় নি। ওদিকে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা না দেন সে জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে তৎপর রয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তার অফিস থেকে বলা হয়েছে, রোববার ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগান সহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন মাহমুদ আব্বাস। তার উপদেষ্টা মজদি আল খালিদি বার্তা সংস্থা এএফপি’কে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট আব্বাস বিশ্ব নেতাদের কাছে ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার দূতাবাস জেরুজালেম থেকে সরিয়ে নেয় বা জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া তাহলে কি কি বিপদজনক ঘটনা ঘটতে পারে সেসব সম্পর্কে অবহিত করেছেন তাদেরকে। উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় থেকেই পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে ইসরাইল। ১৯৮০ সালে দখলীকৃত এলাকার আয়তন বৃদ্ধি করেছে। তারা এ এলাকাকে তাদের বড় একটি বিশেষ এলাকা হিসেবে দেখে। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ওই এলাকাটি দখলীকৃত এলাকা হিসেবে বিবেচিত। ইসরাইল সংকল্পবদ্ধ যে, কিন্তু এই জেরুজালেমকে ইসরাইল দেখাতে চায় তাদের চিরস্থায়ী ভূমি হিসেবে, অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে। তবে ফিলিস্তিন চায় অন্যভাবে। তারা চায়, ভবিষ্যতে তাদের যে রাষ্ট্র হবে সেই রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। ফলে এই জেরুজালেম নিয়ে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে। যদি জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় তাতে সঙ্কট আরো বাড়বে। ফিলিস্তিনিদের দাবি অগ্রাহ্য হবে। তারা তাদের ভূমি হারাবে। এতে দ্বিরাষ্ট্র ভিত্তিক সঙ্কট সমাধানের যে প্রচেষ্টা তা বিফল হবে। ১৯৪৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যত সরকার এসেছে তারা একটি ভাবধারা অব্যাহত রেখেছে। তারা চেয়েছে জেরুজালেমের মর্যাদা কি হবে তা নির্ধারিত হবে আলোচনার মাধ্যমে। তারা এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না যাতে এসব আলোচনা বিঘিœত হয়। কিন্তু গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইলের প্রতি কঠোর সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যেদিন ক্ষমতায় বসবেন সেদিনই তেল আবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেবেন। এর মধ্য দিয়ে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হবে। কিন্তু ক্ষমতায় এসেছেন ট্রাম্প এক বছর হতে চলল। কিন্তু তার সেই সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করেছেন। এখন নতুন করে খবর রটেছে যে, তিনি বুধবার এ সম্পর্কে ঘোষণা দিতে পারেন। এ বিষয়ে তার জামাই জারেড কুশনার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হন নি। তিনি শুধু বলেছেন, এটা প্রেসিডেন্টের বিষয়।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে অন্যের হয়ে যায় ওরা by রুদ্র মিজান

আয়-রোজগার হবে। মুক্তি পাবে দীর্ঘদিনের বন্দি জীবন থেকে। সাদিয়াকে সেভাবেই স্বপ্ন দেখানো হয়েছে। যশোরের হাটখোলা রোডের বন্দিঘর থেকে বের হয়ে সীমান্ত এলাকা। সাতক্ষীরা সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে জমির আইল দিয়ে যাত্রা শুরু। হেঁটে হেঁটে চুপিসারে তারা পৌঁছে যায় ভারতের চব্বিশ পরগনার চাঁদপাড়া সীমান্তে। তখন সঙ্গী ওই যুবকসহ আরো দুই কিশোরী। অবশ্য অঞ্জলি বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তেই। রাতটা কাটে তাদের চাঁদপাড়ার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার একটি ঝুঁপড়ি ঘরে। সকালে ট্যাক্সিতে করে দমদম। এভাবেই ঘটছে নারী পাচারের মতো ভয়াবহ ঘটনা। নানা কৌশলে পাচার হচ্ছে নারী। দেশের প্রত্যন্ত এলাকার গরিব, অসহায় কিশোরী, তরুণীদের প্রলোভন দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাচার করা হচ্ছে। মানবপাচার রোধে মামলা হচ্ছে কিন্তু পাচার রোধ হচ্ছে না। বরং দিনদিন তা বেড়েই চলেছে। দেশের অন্তত ২০টি রুট দিয়ে নারী পাচার হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভয়াবহ তথ্য। মাত্র ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কিশোরী-তরুণীদের সংগ্রহ করছে দালালরা। সেখান থেকে বাংলাদেশি এজেন্টরা লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করছে ভারতীয় এজেন্টদের কাছে। গত চার মাসে বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে পাচারকালে ৩৮৫ জনকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। জুলাই মাসে ৪৪, আগস্টে ৫৩, সেপ্টেম্বরে ৭৯ ও অক্টোবরে ২০৯ জন।
মানবপাচার নিয়ে কাজ করছে এরকম সংগঠনের মধ্যে অন্যতম হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন। সম্প্রতি ওই সংগঠনের এক কর্মীর সঙ্গে ভারতের চেন্নাইয়ে কথা হয় কিশোরী সাদিয়ার। মাদারীপুরের এই কিশোরী ডিজে পার্টিতে নাচ করতো। এরকম একটি পার্টির কথা বলেই গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে যশোরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অঞ্জলি নামে এক নারীর কাছে বিক্রি করে দেয়া হয় ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে। মন্দির পতিতালয়ের ২০৩১ নম্বর ঘরে আটকে রাখা হয় তাকে। অঞ্জলির ঘরে সাদিয়ার মতো সুমি, মালা চাকমা, কনাসহ চারটি মেয়ে। ওই ঘরে আটকে রেখে দিনের পর দিন অত্যাচার করা হয় তাকে। ইচ্ছের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ করা হয়। চিৎকার করলেও মারধর করা হয়। এভাবেই বাধ্য করা হয় পতিতাবৃত্তিতে। সাদিয়া তখন মুক্তি চাইতো যে কোনো কিছুর বিনিময়ে। নির্যাতনের একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে যায়। তারপর চিকিৎসার কথা বলে এক যুবকের সঙ্গে পাঠানো হয় তাকে। তাকে জানানো হয়, ওই শহরে ভালো চাকরি করবে। তার পরিবারের সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পাবে। পনের বছর বয়সী সাদিয়া তখনও জানতো না সে দেশ ছেড়ে যাচ্ছে ভারতে। মানবাধিকারকর্মী আলমগীর সেলিম জানান, প্রথমে দমদম স্টেশনের শামীম মণ্ডলের বাসায় রাখা হয় সাদিয়াকে। ততক্ষণে কিশোরী বুঝতে পারে তাকে ভারতে পাচার করা হয়েছে। একপর্যায়ে পাঠানো হয় ভারতের চেন্নাইয়ে। সেখানে চক্রের মূল হোতা সুনীল, সুমন দাশ, সঙ্গীতা ও রবিনদের আস্তানায় ঠাঁই হয় তার। চক্রের সদস্যরা জানায় দুই লাখ টাকার বিনিময়ে কেনা হয়েছে তাকে। এখানে তাদের কথামতো কাজ না করলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। তারপর থেকে চেন্নাই ও দিল্লির বিভিন্ন বারে, বাসায় ও আবাসিক হোটেলে শরীর বিক্রি করছে সাদিয়া। আলমগীর সেলিম জানান, আইনি জটিলতার কারণে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে।
ভারতের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’র গবেষণা পরিচালক সায়ন্তনী দত্ত গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রলোভন দেখিয়ে, মাদক সেবন করিয়ে ও অপহরণ করে নারী ও শিশুদের পাচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে যাদের পাচার করে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের অনেকেই পাচারকালে বুঝতেই পারেনি তাদের অন্য দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তারা ভেবেছে দেশের অন্য কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের। সাদিয়ার মতোই ভোলার মেয়ে পপিকে পাচার করা হয়েছে ভারতে। ২৭ বছর বয়সী সুন্দরী এই কিশোরী কাজ করতো গাজীপুরের একটি গার্মেন্টে। গাজীপুরের কোনাবাড়ির আবাসিক হোটেলের এক কর্মচারীর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রধরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যায় পপি। বান্ধবী তমার মাধ্যমে হোটেল কর্মচারী কবিরের সঙ্গে পরিচয় পপির। কবির জানায়, তার মা ভারতে থাকেন। সেখানে তাদের ঘর-বাড়ি রয়েছে। সেখানে গিয়ে পপিকে বিয়ে করে ঘরে তুলবে। সেভাবেই যশোরের পুটখালী সীমান্ত দিয়ে ব্যাঙ্গালুর। সেখানে গেলেই প্রকাশ পায় কবিরের আসল রূপ। সাঞ্জু, বাপ্পি নামের নারী পাচার চক্রের এজেন্টের হাতে তুলে দেয় তাকে। ওই চক্র পপিকে তুলে দেয় সুশীল, সুমন, রণজিৎ ও গণেশের হাতে। সূত্রমতে, হায়দরাবাদের কুকুপল্লীর এসপি পেট্রোল পাম্পের গলির একটি টিনশেড বাসায় দীর্ঘদিন রাখা হয় পপিসহ কয়েক নারীকে। তারপর তাকে রাখা হয় সৈনিকপুরীর শ্রী কলোনীর ৩৫ নম্বর বাড়িতে। দিন-রাত পাহারা দিয়ে রাখা হয়। কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ নেই। একপর্যায়ে দেশে ফেরার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে পপি। প্রায়ই চিৎকার করে কান্নাকাটি করে। এরমধ্যেই তাকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে পুলিশে ধরিয়ে দেয়া হয়। কারাগারে বন্দি পপি আবার আত্মসমর্পণ করে ওই চক্রের কাছে। তার জামিন করাবে ওই চক্র। বিনিময়ে আবারো অন্ধকার পথে হাঁটবে সে। সূত্রমতে, পপি এখন হায়দরাবাদ কারাগারে।
সেন্টার ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজের তথ্যানুসারে বাংলাদেশ থেকে প্রতিমাসে শতাধিক শিশু এবং অর্ধ শতাধিক নারী বিদেশে পাচার হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১০ লাখ নারী ও শিশু বিদেশে পাচার হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ লাখ নারীকে ভারতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নারী পাকিস্তানে পতিতাবৃত্তিতে লিপ্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মহসিন রেজা বলেন, মানবপাচার রোধে বিজিবি অত্যন্ত তৎপর। প্রায়ই ভিকটিম উদ্ধার ও পাচারকারীকে আটক করছে বিজিবি।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা নারীদের যৌনতার ফাঁদ ...

তাদেরকে যৌন ব্যবসায় নামাচ্ছে একটি চক্র। এ বিষয়টি সামনে এনে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আওএম) জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা নারীদের রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিযেছে। বিভিন্ন সাহায্য বিষয়ক এজেন্সির মতে, এসব নারীকে পাচার করা হচ্ছে। বিপথে পরিচালিত করা হচ্ছে। আর এই ধারা ক্রমশ বাড়ছেই। এমনিতেই আশ্রয় শিবিরগুলোতে যৌন ব্যবসা ও যৌন দাসী বানানোর খবর প্রচলিত আছে। দ্য সানডে টেলিগ্রাফের মতে, রোহিঙ্গা নারীদেরকে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে এ বিষয়টিতে অবগত আইওএম। যেসব দাতব্য সংস্থা ও বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশে শরণার্থীদের সহায়তা করছে তাদের সঙ্গে জড়িত আইওএম। আইওএমের জরুরি বিভাগের তথ্য বিষয়ক কর্মকর্তা অলিভিয়া হেডন বলেন, তারা পাচার বিরোধী কর্মকান্ড রোধে তহবিল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে লিঙ্গগত সহিংসতা প্রতিরোধেও কাজ করছেন। উল্লেখ্য, মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নৃশংসতার ফলে বর্তমান রোহিঙ্গা সঙ্কটের সৃষ্টি। এ ঘটনাকে জাতিসংঘ জাতি নিধন হিসেবে অভিহিত করেছে। সেপ্টেম্বরে মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জায়েদ রা’দ আল হোসেন জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক পরিষদে বলেছেন, মিয়ানমারে জাতি নিধন চলছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পোপকে সর্বোচ্চ সম্মান বাংলাদেশের

লাল সবুজের পতাকাবাহী ‘মেঘদূত’ পোপকে মিয়ানমার থেকে আগাম অভ্যর্থনা জানিয়ে বাংলাদেশ নিয়ে আসে। শনিবার বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট অরুণ আলোতে রোম পৌঁছান পোপ ফ্রান্সিস। পোপকে বহন করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নতুন মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছে বলে মনে করে সংস্থাটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটাকে বিমানের জন্য গৌরবের বলে উল্লেখ করা হয়। শনিবার বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে পোপ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রোমের উদ্দেশে যাত্রা করেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোসাদ্দিক আহমেদ ও মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ পোপকে পৌঁছে দিতে রোম যান। ঢাকা থেকে সরাসরি রোমে পোপকে বহনকারী বিমানের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজের অরুণ আলোয় ছিলেন ক্যাপ্টেন ফজল ও ক্যাপ্টেন ইহছাক। এছাড়া তাদের সহায়তায় ছিলেন ফার্স্ট অফিসার রুবায়েত ও মইনুল। এ প্রসঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, ভিভিআইপি ফ্লাইট মর্যাদায় পোপকে বহন করার জন্য বিমানকে বেছে নেয়ায় ভ্যাটিকানের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। এতে বিমানের প্রতি খ্রিস্টান ধর্মীয় গুরুর আস্থা প্রকাশ পেয়েছে।
মোবাইল ফোনে মত্ত না হতে তরুণদের সতর্ক করলেন পোপ: ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার আগে ১০ হাজার তরুণ ও যুব প্রতিনিধির উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতায় মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক করেছেন পোপ। ঐতিহ্যবাহী নটরডেম কলেজ প্রাঙ্গণে এক যুব সমবেশে পোপ ফ্রান্সিস বলেন, ‘তোমার আশেপাশে যারা আছে তাদের প্রতি অমনোযোগী হয়ে মোবাইল ফোনে সারাদিন খেলায় মত্ত থেকে সময় কাটিয়ে দিও না। ইতিহাস আমাদের থেকে শুরু হয়নি। বরং আমরা সুপ্রাচীন এক প্রবাহমানতার অংশ। সেই বাস্তবতা আমাদের চেয়েও সমৃদ্ধ। তোমাদের বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানির সঙ্গে সবসময় আলাপ করবে।’ অনুষ্ঠানে পোপকে স্বাগত জানান বরিশালের বিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার, নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ফাদার প্যাট্রিক গাছনী।
পরনিন্দা-পরচর্চা এক ধরনের সন্ত্রাসবাদ: এর আগে তেজগাঁও গির্জায় খ্রিস্টান ক্যাথলিকদের উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতায় পোপ পরনিন্দা ও পরচর্চা থেকে ভক্তদের বিরত থাকার আহ্বান জানান। বলেন, পরনিন্দা-পরচর্চাও এক ধরনের সন্ত্রাসবাদ। এতে মানব সম্প্রদায়ের শান্তি বিনষ্ট হয়। প্রাচীন রোজারি চার্চে খ্রিস্ট ধর্মযাজকদের জমায়েতে পোপ ফ্রান্সিস বলেন, মানুষ যখন অন্যদের নিয়ে খারাপ কথা বলে, তারা সেগুলো বলে তাদের পেছনে। এটা ওই সন্ত্রাসীদের মতো যারা বলে না যে তারা সন্ত্রাসী কিন্তু পেছনে রেখে যায় প্রাণঘাতী বোমা। এরপর অপর আরেকজন ফের ওই একই পরনিন্দা শুরু করে। এই উদাহরণ টেনে পোপ বলেন, অন্যদের নিয়ে বাজে কথা বললে অবিশ্বাস ও বিভক্তি সৃষ্টি হয় যা এক পর্যায়ে শান্তি বিনষ্ট করে। পোপ প্রত্যেককে সংযমী হতে এবং যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সততার সঙ্গে ও খোলামেলা কথা বলার পরামর্শ দেন। বলেন, ‘নিজেদের জিহ্বা সংবরণ করুন। চেষ্টা করুন আনন্দ ও শান্তির উদ্যম ধারণ করার। তিন দিনের সফরে ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশে আসেন পোপ ফ্রান্সিস। শনিবার বিকালে রোমের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যান।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেড় লাখ রিয়ালসহ সিঙ্গাপুরগামী যাত্রী আটক
![]() |
| হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি রিয়ালসহ এক যাত্রীকে আটক করে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ দল। ছবি: সংগৃহীত |
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্যার পরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কী করে সামলাচ্ছে?

সাঘাটা, ফুলছুরি, মোল্লারচর, কামারজানি, গাইবান্ধা যেতে উড়োজাহাজে কেউ সৈয়দপুর যায় না; কিন্তু এখন সারা দেশেই রাস্তাঘাটের এমন হাল হয়েছে যে সে কথা যত কম বলা যায়, ততই টাই-পরা মন্ত্রীর মঙ্গল। নেত্রকোনার কেন্দুয়ার পিকআপচালক হারুন আকন্দ নিরুপায় হয়ে ঢাকায় রিকশা চালাচ্ছে। সেটা দেখে সহকর্মী নেত্রকোনানিবাসী জামিল খানের বিস্ময় লাগলেও অবাক বা অজ্ঞান হওয়ার কিছু নেই। ইদানীং ১৭-১৮ ঘণ্টার আগে ঢাকা থেকে গাইবান্ধা পৌঁছানো ভাগ্যের ব্যাপার—দোষ নন্দ ঘোষ বন্যার। (আধুনিক ফ্যাশন মেনে জলবায়ু পরিবর্তনকেও কি দায়ী করা যায়? উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে নাকে সরষের তেল দিয়ে ঘুমানোর কালচারে এখন ডুবে থাকাই যেন আমাদের খাসলতে পরিণত হয়েছে)। তবে উড়োজাহাজের টিকিট থাকলেই যে সৈয়দপুর পৌঁছানো যায় না, তা আবারও প্রমাণিত হলো। পোপ আসবেন, তাই রানওয়ে বন্ধ—বিমানবন্দরে ফ্লাইটবন্দী মানুষের থিকথিকে ভিড়; এটাও কি বিগত বন্যার দোষ? তিনি কখন আসবেন, কবে আসবেন, ছয় মাস আগে থেকেই সবার জানা ছিল, তারপরও এই অব্যবস্থা কেন? মাথার সবটাই কি বন্ধক! না পচন ধরেছে মগজে-চিন্তায়-ব্যবস্থাপনায়-গভর্নেন্সে?
জল সরে না, জমিতে জো আসে না!
রাধাগোবিন্দপুর এখন আর বিল-জলের নামা জমি নয়; বিলের বুক চিরে (নাকি ছিঁড়ে) এখন কাবিখার (কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে তৈরি) রাস্তা। ইমারত, চালকল, চাতাল, ইটভাটা সেই পথের দুধারে উন্নয়নের ঘণ্টা বাজিয়ে মাতোয়ারা করে রাখছে। সেসব বাজনায় কান ঝালাপালা হলেও সফুলের (নাম বোধ সাইফুলই হবে, কিন্তু নিশ্চত করল তিনবার নাম তার সফুল) মাতোয়ারা হওয়ার ফুরসত নেই। কাকডাকা ভোরে সে ভাই-বোন-দুলাভাই নিয়ে বর্গা/আধি নেওয়া জমির আটকে থাকা জল ছাঁকতে কাদাজলে একসা। অন্য বছর এত দিনে জালা (ধানের চারা) গজিয়ে তিন-চার ইঞ্চি লম্বা হয়ে যায়; এবার বন্যার পানি আটকে আছে জন্মের মতো। পানি সরে না; কাবিখাতে তৈরি উন্নয়নের এক জটিল সড়ক আর তার ফাঁকে ফাঁকে মাথায়-বগলে না-কালভার্ট না-ব্রিজ তৈরির প্রচেষ্টার এই ফলাফল, জানাল সফুল। পানি সরার জন্য তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করে এখন তারা এক অন্যায্য যুদ্ধের মুখোমুখি। বাড়ির ঘটি-বাটি-বদনা-গামলা দিয়ে পানি ছাঁকতে নেমেছে সবাই। সময় বয়ে যায়, সময় গেলে ধান-সাধন কিছুই হবে না। কী মনে হলো, ফোন দিলাম মৌলভীবাজারের সহকর্মীকে। বলেন, ‘গতকাল কভার করেছি, ইংরেজি পেপার পড়েন।’ হাকালুকির কৃষকদের মাথায় হাত—পানি সরছে না, বীজতলা তৈরি করতে পারছে না। কবে পানি সরবে, কবে বীজতলা বানাবে আর কবেইবা চারা রুইবে? কোরবানপুর, উত্তর সাদিপুর, মউরগৌরী, সারশাকান্দি আর বারদলের বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষক জানে না কোন ত্রাণকর্তা তাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধার করবে। এসব নেহাতই ভুলভাল ব্যবস্থাপনার নতিজা। বাঁধ না হয় ইঁদুরে কেটেছিল, পানি নামাতে দুই কোদাল মাটি কাটতে বা মেশিন লাগাতে বাধা কই? বন্যাপরবর্তী কৃষি পুনর্বাসন মানে কী? কৃষককে আবার কৃষিতে ফিরিয়ে আনা, না তাকে খেদিয়ে ইটভাটার ইতর জীবনে পাচার করা? বেশি ঢল নামলে, বেশি পানি এলে নানা কায়দায় নয়া বেকায়দার তৈরি অবকাঠামোর দোয়া-বদদোয়ায় জল যে আটকে যাবে, তা কি অজানা কোনো কথা? এলান হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ কৃষি পুনর্বাসনের মকসুদে কৃষকপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি সার (কী সার কে জানে) আর নগদ এক হাজার টাকা বিতরণ করবে। জমিতে জো না এলে, পানি না সরলে কৃষক এসব দিয়ে কী করবে? তা ছাড়া এসব সাহায্যে ভাগচাষি (আদি খাতক) ভূমিহীনদের কোনো হিস্যা নেই। পাবে জমি যার, বন্যার সাহায্য হবে তার। যে কৃষক আগাম শ্রম বেচে, চরম সুদে টাকা নিয়ে দিনরাত খেটে ধান বুনে বন্যায় মরেছে, সে পাবে না কিছুই। তবে জমির পানি নিকাশের ব্যবস্থা করলে ওই প্রান্তিক মানুষটারও অল্পবিস্তর উপকার হতো বৈকি।
বিল এখন পগার, আধি এখন অগ্রিম
গাইবান্ধার সফুলের পরিকল্পনা কি চকের বাকি অংশগুলো নিয়ে? এখন যেটার কাজ ধরেছে, সেটা নিচু জমির মধ্যে কম নিচু একটা খণ্ড আরকি। আরও বড় দুটি খণ্ড আছে আধি বা বর্গা নেওয়া—সেখানে এখনো থই থই পানি। ‘ও, আপনি পগারের কথা বলছেন?’ আগে যখন জখম হয়নি, এই বিল তখন থাকত বড় বড় মাছ আর এটা তো এখন পগার (নালা বা ড্রেন)। আহা, রাধাগোবিন্দপুরের বিলটার যদি জবান থাকত, সে যদি বলতে পারত? কী আর করত! পগার হওয়ার বেদনা নিয়ে কি বুদ্ধিমানদের কাছে ধরনা দিত একটা মানববন্ধনের জন্য? স্পনসরের মার্কাওয়ালা গেঞ্জি পরে শাহবাগে দাঁড়াতেও এখন পয়সা লাগে—হা মুক্তি, হা স্বাধীনতা! আধি বোধ হয় আর রাখতে পারবে না সফুলরা। এখন সবাই অগ্রিম চায়; ফসল উঠলে তিন ভাগ কেউ আর নিতে চায় না। বলে, তুমি বরং বন্ধক নাও; বিঘাপ্রতি লাখ টাকা। আমি খাজনা কেটে যেদিন টাকা ফেরত দেব, সেদিন থেকে আবার হিসাব। লাখ টাকা কোথায় পাবে সফুলরা? সফুল তাই রঙের কাজ শিখছে, সে হবে পেইনটার সুফল। ‘যাবার বেলায় রাঙ্গিয়ে দিয়ে যাও গো তুমি’; পেইন্টার সফুলের পেইনটা যদি আমাদের জাঁদরেলরা একটু বুঝতে পারত!
গওহর নঈম ওয়ারা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকর্মী এবং শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাংসদ শওকতকে দুই মাসের মধ্যে ৫ কোটি টাকা দিতে হবে

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিআর কঙ্গোতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৩

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝালকাঠিতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু : স্বামীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামিন নিতে মঙ্গলবার আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ কোটি টাকা না দিলে এমপি শওকতের জামিন বাতিল

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে সম্পদের বৈষম্য বেড়েছে শতভাগ : সিপিডি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিসেম্বরেই হোলে আর্টিজান মামলার চার্জশিট

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসায় গিয়েও বিপাকে শ্রমিকেরা

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় 'রোহিঙ্গা' বলে মিয়ানমারে তোপের মুখে পোপ

মিয়ানমারের ক্যাথলিক চার্চ থেকে পোপ ফ্রান্সিসকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিলো তিনি যাতে বিতর্কিত বিষয়ে কিছু না বলেন। কারণ সেরকম কিছু করলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে এবং সেখানে খিস্টানদের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। পোপ ফ্রান্সিস যখন মিয়ানমারে ভাষণ দেন তখন তিনি তাতে ঐক্য, ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে সম্মান জানানোর কথা বললেও, রোহিঙ্গা শব্দটি একবারের জন্যেও উচ্চারণ করেননি। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী ইয়ে লং মিন পোস্ট করেছেন, "পোপ একজন পবিত্র মানুষ। কিন্তু তিনি মিয়ানমারে এক কথা বললেন আবার অন্য একটি দেশে গিয়ে অন্য কথা বললেন।
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল ভারত-পাকিস্তান

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারি স্কুলে চলন্ত সিঁড়ি ব্যয় ১১ শ’ কোটি টাকা

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২৯ ডিসেম্বর

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মূলধনও খেয়ে ফেলছে সাত ব্যাংক

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
December
(1121)
-
▼
Dec 04
(36)
- ৩ বছরেও ফারুকী হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু উদঘাটন হয়নি
- শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী বৈমানিক
- ভুল রিপোর্ট করার কারণে সাংবাদিক ব্রায়ান রস’কে সাময়...
- রোহিঙ্গা ফেরত নেয়া নিয়ে ইরানি দু’এমপির মন্তব্য
- পুতিন কেনো জিনিয়াস নন by জস কোহেন
- ভারতের ভায়াগ্রা কোহিনুর পান, দাম ৫০০০ রুপি
- জুতা শিল্পে নতুন সম্ভাবনা by এম এম মাসুদ
- কেঁদেছেন কিন্তু...
- ‘জেরুজালেমকে রাজধানীর স্বীকৃতি দিলে ভয়াবহ পরিণতি ভ...
- যেভাবে অন্যের হয়ে যায় ওরা by রুদ্র মিজান
- রোহিঙ্গা নারীদের যৌনতার ফাঁদ ...
- পোপকে সর্বোচ্চ সম্মান বাংলাদেশের
- দেড় লাখ রিয়ালসহ সিঙ্গাপুরগামী যাত্রী আটক
- বন্যার পরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কী করে সামলাচ্ছে?
- সাংসদ শওকতকে দুই মাসের মধ্যে ৫ কোটি টাকা দিতে হবে
- ডিআর কঙ্গোতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৩
- ঝালকাঠিতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু : স্বামীকে আশঙ্ক...
- জামিন নিতে মঙ্গলবার আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া
- ৫ কোটি টাকা না দিলে এমপি শওকতের জামিন বাতিল
- দেশে সম্পদের বৈষম্য বেড়েছে শতভাগ : সিপিডি
- ডিসেম্বরেই হোলে আর্টিজান মামলার চার্জশিট
- মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসায় গিয়েও বিপাকে শ্রমিকেরা
- ঢাকায় 'রোহিঙ্গা' বলে মিয়ানমারে তোপের মুখে পোপ
- যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল ভারত-পাকিস্তান
- সরকারি স্কুলে চলন্ত সিঁড়ি ব্যয় ১১ শ’ কোটি টাকা
- ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২৯ ডিসেম্বর
- মূলধনও খেয়ে ফেলছে সাত ব্যাংক
- ছয় মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর: সে...
- ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেয়র পদে উপনির্বাচন
- জমির পর্চা তুলতে ৫৬ শতাংশ ব্যক্তিকে ঘুষ দিতে হয়
- আ’লীগে প্রার্থী সংখ্যা দুই ডজন জাতীয় পার্টি চায় পু...
- রংপুর সিটির ভোটের প্রচার শুরু আজ
- চীনের সঙ্গে মহাকাশে যুদ্ধের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র
- পদ্মা সেতু নির্মাণে হাত দেয়ায় সবাই সমীহ করে
- নান্দনিক ‘সুপারমুন’ দেখলেন জোছনাপ্রেমীরা
- চট্টগ্রামে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা
-
▼
Dec 04
(36)
-
▼
December
(1121)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
