Saturday, May 21, 2016
আরেক ইন্দিরা খুঁজছে কংগ্রেস
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাহুলের খামখেয়ালিতে আসামডুবি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাকার বেতন ৫৭ কোটি টাকা!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় এক মঞ্চে আতিফ আসলাম ও আমব্রিন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে সন্ত্রাসের প্রকৃত উৎস by উইলিয়াম বি. মাইলাম
বাংলাদেশের এসব হামলা বৃদ্ধি পশ্চিমা বিশ্বের সরকারগুলোকে উদ্বিগ্ন করে তুলছে। তারা আশঙ্কা করছে যে, স্থানীয় সন্ত্রাসীরা হয়তো এখন আন্তর্জাতিক জিহাদি নেটওয়ার্কের মনোযোগ আকর্ষণ করতে অথবা তারা তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করছে এটা দেখাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ নিয়ে এর জবাব দিয়েছে। জাপান আকাশপথের নিরাপত্তা দিচ্ছে, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থাকে মোকাবিলা করার জন্য বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহায়তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন প্রতিক্রিয়া হবে এটা আগেই অনুমানযোগ্য। কিন্তু এটি ভুলপথে পরিচালিত হয়েছে এবং এটা বিপজ্জনক। এর মূলে হলো, কারণ নির্ধারণ করা হয়েছে ভুলভাবে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক এসব হত্যাকা-ের ঘটনা যতটা না সন্ত্রাসী ইস্যু, তারচেয়ে বেশি সুশাসন বিষয়ক। সেটা হলোÑ ২০১৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যে প্রচ- আক্রমণ শুরু করেছে, সেটাই বাংলাদেশে চরমপন্থাকে ছড়িয়ে দিয়েছে।
১৯৯১ সালে সামরিক স্বৈরতন্ত্রের অবসানের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরাজ করছে জিরো-সাম মানসিকতা। তখন থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগ প্রতিটি ক্ষমতার মেয়াদে ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। প্রতিবার যারাই ক্ষমতায় এসেছে, তাদের মনোযোগ ছিল নিজেদের সমৃদ্ধ করা এবং বিরোধীদের দুর্বল করার দিকে। এতে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের জন্য বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেসরকারি খাত নিঃস্ব হয়ে পড়ে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সামাজিক সেবা, যেগুলো সরকার দেয়নি, তা দিয়েছে এনজিওগুলো। এক হিসাবে সরকারের নিজের কিছু কাজে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা দেশটির জন্য অনেকাংশে ভালোই হয়েছে। গত দুই দশক ধরে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে গড়ে বছরে ৫ থেকে ৬ শতাংশ হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো সামাজিক উন্নয়ন সূচকে ভারত ও পাকিস্তানকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ক্রম-অবনতি ঘটেছে।
২০০৬ সালের শেষের দিকে তখনকার ক্ষমতাসীন বিএনপি ২০০৭ সালের নির্বাচন নিয়ে কারসাজি করার চেষ্টা করলে বড় ধরনের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময়ের জন্য সামরিক বাহিনী ক্ষমতা নিয়ে নেয়। ২০০৯ সালে নির্বাচনে ভোট পেয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসে আওয়ামী লীগ এবং ২০১১ সালের তাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ব্যবহার করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ধারা সংবিধান থেকে অপসারণ করে। অনেকটা ওই সংশোধনীর প্রতিবাদেই বিএনপি ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে এবং তখন থেকেই একদলীয় ও নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করার জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি পরিণত হয়েছে সরকারের তথাকথিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মূল, প্রকৃতপক্ষে একমাত্র টার্গেট। আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সুশীল সমাজে এই দলটির সঙ্গে ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত বিচার বিভাগ ও পুলিশকে ব্যবহার করে আসছে। বিএনপির উচ্চপর্যায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ীÑ সরকার গুম, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-কে ব্যবহার করে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে আসছে। যেসব সাংবাদিক এগুলোর যেকোনো একটি নিয়েও কাজ করার সাহস দেখিয়েছেন, তাদের মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবিরাম প্রচারণায় সব ধরনের সহিংস কট্টরপন্থিরা শিথিল পরিবেশ পেয়েছে। বিএনপি ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে সীমিত বিচারিক ও পুলিশি শক্তি ব্যবহারের দিকে রাষ্ট্রের মনোযোগ নিবদ্ধ হয়েছে। যে সম্পদ বা রিসোর্স দিয়ে সন্ত্রাস ও অপরাধ প্রতিরোধ করা যেতো এতে তা খর্ব হচ্ছে। বিরোধীদের দমনে যে অবৈধ পন্থা ব্যবহার করা হচ্ছে তা আইনের শাসনকে খর্ব করছে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে দায়মুক্তির একটি পরিবেশ, যা সন্ত্রাসকেই উৎসাহিত করে।
চাপাতির কোপে প্রথম নিহত হন একজন ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগার। এটা ঘটে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের আগে। যেমনটা আপনি একটি ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করেন আওয়ামী লীগ তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার অফিস থেকে বেরিয়ে নিহতের পরিবারের কাছে গিয়ে শোক প্রকাশ করেন। অপরাধীদের ধরার প্রত্যয় ঘোষণা করেন। কিন্তু দলটি আবার নির্বাচিত হওয়ার পর একই ধরনের অন্য হামলাগুলোর বিষয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া হলো কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া।
নিহতের পরিবারের প্রতি আওয়ামী লীগের নেতারা সম্মান জানিয়েছেন কিনা তা পরিষ্কার নয়। একই সময়ে আল কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাব কন্টিনেন্ট অথবা ইসলামিক স্টেটের বাংলাদেশে উপস্থিতির কথা অস্বীকার করেছেন এ দলের নেতারা। বিএনপি ও তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর অবশিষ্ট যা আছে, তারা বাংলাদেশে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করছেন তারা। এলজিবিটি অধিকারকর্মী ও মার্কিন দূতাবাসের কর্মী জুলহাজ মান্নানকে হত্যার পর, কয়েক সপ্তাহ আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অভিযোগ আবারও উত্থাপন করেছেন।
সরকারের আরো ক্ষতিকর দিক হলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় অটল না থাকা। সেপ্টেম্বরে হিন্দুদের এক উৎসবের প্রাক্কালে শেখ হাসিনা হিন্দু নেতাদের একটি গ্রুপকে বলেছেন, যার যার নিজস্ব ধর্ম চর্চার অধিকার আছে। তবে অন্যের ধর্মী অনুভূতিতে আঘাত করার অধিকার নেই। বাংলা নববর্ষের এক অনুষ্ঠানে তিনি আবারও ইসলামের সমালোচনাকারী ব্লগারদের লেখাকে অকথ্য শব্দ বলে আখ্যায়িত করেন। এ সময় তিনি প্রশ্ন রাখেন যদি এসব লেখার কারণে কোনো অঘটন ঘটে তাহলে কেন এর দায় সরকারের নেয়া উচিত। এর ফলে যারা ইসলামের শত্রু বলে বিবেচিত তাদের ওপর হামলার জন্য উগ্রপন্থিরা একে একটি ‘ফ্রি পাস’ হিসেবে ব্যবহার করছে।
বাংলাদেশে কট্টরপন্থি গ্রুপগুলোর একটি ইতিহাস আছে। এর মধ্যে অনেকে রয়েছে আফগান যুদ্ধের উত্তরাধিকারী হিসেবে, যেখানে কিছু বাংলাদেশি যুদ্ধ করেছে। আর কিছু হচ্ছে ওহাবী প্রভাবের উৎপাদ। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে কাজ শেষে ফেরার সময় তারা এই প্রভাব বহন করে এনেছেন দেশে। কিন্তু গত বছর ধারাবাহিক হামলা শুরু হওয়ার আগে বাংলাদেশে সর্বশেষ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে ২০০৫ সালে। সেই হামলা চালিয়েছে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে এখন যে ধরনের সন্ত্রাসী হুমকি বিরাজ করছে, বিশেষ করে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গ্রুপগুলোর মধ্যে যে যোগসূত্র, তার সঙ্গে আগের ওই হামলার ব্যবধান রয়েছে। যেমনভাবেই এটা করা হোক, মূলধারার ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে সরকারের দমনপীড়নের ফলেই এর বেশির ভাগ ঘটছে। নীতিগতভাবে এটা সুশাসনের সমস্যার চেয়ে নীতিগতভাবে একটি নিরাপত্তার ইস্যু। এসব হামলার এই প্রতিক্রিয়ায় ঘটনা ক্রমশ খারাপের দিকে যাবে।
(উইলিয়াম বি. মাইলাম। ওয়াশিংটনে উডরো উইলসন সেন্টারের সিনিয়র পলিসি বিষয়ক স্কলার। তিনি এর আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
১৯শে মে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ‘দ্য রিয়েল সোর্স অব টেরর ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক লেখার অনুবাদ)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডনের নিবন্ধ : বিচারের কাঠগড়ায় বাংলাদেশ
‘বাংলাদেশ অন ট্রায়াল' (বিচারের কাঠগড়ায় বাংলাদেশ) শিরোনামে আহমার বিলাল সুফির ওই নিবন্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সমালোচনা, বিচার ব্যবস্থায় ত্রুটিসহ নানা ধরণের সমালোচনা করা হয়েছে।
ডনের নিবন্ধটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:
১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সব পক্ষের করা নৃশংস অপরাধই নিন্দনীয়। পাকিস্তান তার বাড়াবাড়ির জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশের মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। অতীতকে সমাধিত করা ও ভবিষ্যতে শক্তিশালী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই এ দুঃখ প্রকাশ করে পাকিস্তান।
কিন্তু ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর পশ্চাদমুখী পন্থা অবলম্বন করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার। এ পশ্চাদমুখী নীতি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাহত করছে। এমনকি এটা দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য বিপর্যস্ত করছে। ঢাকা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ১৯৭১ সালের মর্মান্তিক ঘটনাবলীর ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করেছে। সরকার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম ও বিএনপির সঙ্গে জড়িত রাজনৈতিক বিরোধীদের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ত্রুটিপূর্ণ আদালতে বিচার করে রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি করতে চায়।

১৯৭১ সালের ঘটনাবলীর চার দশক পর, ২০১০ সালে আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ বিচার ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তির লঙ্ঘন। এ উপমহাদেশে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুর্ণ মিত্রতা, শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থেই এ চুক্তি করা হয়।
চুক্তিতে বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের বিচার না করতে সম্মত হয়। এই পারস্পরিক নিশ্চয়তার ফলশ্রুতিতে পাকিস্তান বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এ পর্যন্ত দুই ডজনের অধিক মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনের রায় দেয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে চারজনের। আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও মান ভঙ্গ করে ন্যায়বিচারে ধারাবাহিক ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে আদালত কলঙ্কিত হয়েছে।
আইনি দৃষ্টিকোণ থেকেও আদালতকে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযুক্তদের জামিন অধিকারে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে। সর্বোচ্চ সাজা ও যাবজ্জীবনের বিরুদ্ধে আপিলের আসামিদের সীমিত অধিকার দেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে জনশ্রুতি প্রমাণ দাখিল করা হয়েছে। আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দেয়া হয়েছে তড়িঘড়ি করে প্রণয়ন করা অতীত-সম্পর্কীয় আইনের ভিত্তিতে। এছাড়া আসামি পক্ষের সাক্ষী ও নথিপত্র উপস্থাপন খেয়ালখুশি মতো সীমিত করা হয়েছে।
এমন ধরনের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা মৌলিকভাবেই ত্রুটিপূর্ণ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭(এ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সংবিধান অনুযায়ী এই ধারা আইসিটি আইনের অধীনে যে কোনো অভিযুক্তকে প্রতিবিধান লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার অনুমতি দেয় না।’ ৪৭(এ) ধারাকে অসাংবিধানিক হিসেবে চ্যালেঞ্জ করাও নিষিদ্ধ করা হয়।
অভিযোগ করা হয়, যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রধান সাফাই সাক্ষীকে সরকারি বাহিনী অপহরণ করেছে। তা সত্ত্বেও সাঈদীকে সর্বোচ্চ সাজা দেয়া হয়। আদালত কর্তৃক আসামি পক্ষের সাক্ষী ও নথিপত্র উপস্থাপন সীমিত করা সত্ত্বেও, ২০১৫ সালের এপ্রিলে মোহাম্মাদ কামারুজ্জামানকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়। অথচ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের বক্তব্যে ব্যাপক অসঙ্গতি ছিল। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বেলায়ও বিদেশি সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো হয়। ঘটনার সময় তার দেশের বাইরে থাকার বিষয়ে বিদেশি সাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় আইসিটি। সালাহউদ্দিনকে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের ৪১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দেয়া হলেও, আইসিটি সালাহউদ্দিনকে মাত্র চারজন সাক্ষী উপস্থিত করার অনুমতি দেয়। সালাহউদ্দিনের বিদেশি সাক্ষী যাতে ঢাকায় আসতে না পারে, সেজন্য এয়ারলাইন্সগুলোকে নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। এ উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের কিছু বিশিষ্ট নাগরিক সালাহউদ্দিনের রিভিউ শুনানিতে আসার জন্য টিকেট বুক করলে, তাদের দেশে প্রবেশে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
অসংখ্য পদ্ধতিগত ও খুঁটিনাটি ত্রুটি আদালতকে প্রহসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে, যা তুলে ধরেছেন বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধ আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো । বর্তমান প্রধান বিচারপতি মীর কাশেম আলীর আপিল শুনানিতে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা এই আদালত রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যবহার করছেন। প্রসিকিউশনের বক্তব্য অসঙ্গতিপূর্ণ হওয়ায় তিনি মর্মাহত হন। প্রধান বিচারপতির এমন মন্তব্য সত্ত্বেও মীর কাসেমের সর্বোচ্চ শাস্তি বহাল রাখা হয় সুপ্রিম কোর্টে। সন্দেহাতীতভাবে রাজনৈতিক চাপেই এমন করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামির প্রধান মতিউর রহমান নিজামীকে বানোয়াট যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে। পাকিস্তানকে অবশ্যই এ বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উঠাতে হবে। যাতে করে নিশ্চিত করা যায়, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইনী বাধ্যবাধকতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে অবিলম্বে ত্রুটিপূর্ণ বিচার স্থগিত করে। সেই সাথে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া সব রায় রহিত করে। এছাড়া এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের শাসন নিশ্চিত করে, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদার করবে।
লেখক আহমার বিলাল সুফি পাকিস্তানের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনমন্ত্রী ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1384)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ▼ 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





