Tuesday, April 16, 2019
নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ ‘জনগণের সবচেয়ে বড় শত্রু’: ফারুক আব্দুল্লাহ

ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি ও অমিত শাহ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু যারা জাতি ও ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করতে বিশ্বাসী। কিন্তু জনগণ বিজেপির বিভাজনমূলক অ্যাজেন্ডায় না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
বিজেপিকে টার্গেট করে ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ওরা দেশকে বিভক্ত করতে চায়। এই নির্বাচনে প্রমাণ হবে দেশ ধর্মনিরপেক্ষ থাকবে কি না। নিজেদের পরিচিতি ও রাজ্যের ঐক্যে রক্ষার স্বার্থে আমাদেরকে ভোট দিতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনও ভুল হলে আগামী প্রজন্মের জন্য তা গুরুতর প্রতিক্রিয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিজেপি লোকেদের দৃষ্টি ঘোরাতে আবেগপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করছে। ওরা সংবিধান পরিবর্তন করতে চায় যা সবাইকে সমান অধিকার ও সুযোগ প্রদান করে।’
ফারুক আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘সংবিধান রাজ্যকে ৩৫-এ এবং ৩৭০ ধারার মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। কিন্তু ওরা সবসময় এর সঙ্গে খেলা করার চেষ্টা করছে। বিজেপির ঘোষণাপত্রে (ইশতেহারে) স্পষ্ট যে রাজ্যের পরিচিতিকে কীভাবে ওরা ঘৃণা করে। এতে রাজ্যের জনবিন্যাস পরিবর্তনের অ্যাজেন্ডা রয়েছে। ওরা আগুন নিয়ে খেলছে।’
তাঁরা রাজ্যের পরিচিতি, অখণ্ডতা ও বহুত্ববাদী চরিত্রকে রক্ষা করে যাবেন এবং কাউকে তাঁদের অধিকার হরণ করতে দেবেন না বলেও ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ হুঁশিয়ারি দেন।
গত শনিবারও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে তাঁকে স্বৈরশাসক হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেন। শ্রীনগরের খানয়ারে এক জনসভায় ভাষণ দেয়ার সময় তিনি বলেন, মোদি যেভাবে সবার সঙ্গে সকলের উন্নয়নের কথা বলছেন, জার্মানিতে হিটলারও একথা বলেছিল। তিনি বলেন, ওরা ৩৭০ ধারা তুলে দেয়ার কথা বলছেন। কিন্তু আমরাও দেখতে চাই কীভাবে ওই ধারা তুলে দেয়া হয়। তাঁরা চুড়ি পরে নেই এবং কঠোরভাবে এর মোকাবিলা করা হবে বলেও ফারুক আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেমের টানে পাকিস্তানে ভারতীয় নারী, কূটনৈতিক টানাপড়েন

কিন্তু পাকিস্তান এ বিষয়ে কোনোই জবাব বা সাড়া দিচ্ছে না। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ।
২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর পাকিস্তানে পৌঁছেন টিনা। সেখানে গিয়ে তিনি ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। বিয়ে করেন সুলেমানকে। তাকে আটকে রাখা হতে পারে এমনটা জানিয়ে কমপক্ষে চারবার পাকিস্তান সরকারকে নোট দিয়েছে ভারত। কিন্তু ভারত বলছে, তাদেরকে কোনো সাড়া দেয় নি পাকিস্তান।
ভারতীয় হাই কমিশনের এক মুখপাত্র বলেছেন, আমরা ভারতের এই নাগরিক কোথায় আছেন তাকে খুঁজে পেতে এবং দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করেছি। এখন তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষা করছি।
এই ঘটনাটি এর আগের হামিদ নেহাল আনসারি, উজমা আহমেদের পৃথক ঘটনার সঙ্গে মিলে যায়। হামিদ প্রেম করে পাকিস্তান গিয়েছিলেন। সেখানে ৬ বছর জেলে ছিলেন। তারপর ২০১৮ সালে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তিনি পাকিস্তানি এক যুবতীর প্রেমে পড়েছিলেন। সেই সূত্রে তিনি আফগানিস্তান হয়ে পাকিস্তানে যান। ভুয়া পাসপোর্টে ২০১২ সালে পাকিস্তানের কোহাটে পৌঁছেন। তবে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের হাতে গ্রেফতার হন।
একই রকম ঘটনা ঘটে আরেক ভারতীয় উজমা আহমেদের। তাকেও ২০১৭ সালে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। উজমা আহমেদ একজন নারী। মালয়েশিয়ায় পাকিস্তানি নাগরিক তাহির আলীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল তার। তারপর তাহির আলীর সঙ্গে পাকিস্তানের খাইবার পখতুনখাওয়া জেলায় ফেরেন উজমা আহমেদ। পরে ওই প্রদেশের বুনার জেলায় তাহির আলীকে বিয়ে করতে বলা হয় তাকে। কিন্তু সেখান থেকে তিনি পালিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানকার কর্মকর্তাদের সহায়তায় তিনি ভারতে ফিরে আসেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে বিকল্প সরকারের নির্ণায়ক বাম দল: ইয়েচুরি by অমর সাহা

সম্প্রতি মমতা এই দুটি স্লোগানের সঙ্গে আর একটি দাবি যোগ করেছেন। সেটি হলো এবার মোদিবিরোধী সরকার গড়বে তৃণমূল। অর্থাৎ মোদি আর ফিরতে না পারায় কেন্দ্রের সরকার গড়বে তৃণমূল। তৃণমূলই হবে নতুন সরকার গড়ার কারিগর। মমতার এই তিন লক্ষ্য নিয়ে এখন পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ময়দান উত্তপ্ত।
এরই মাঝে গত রোববার বাম দল সিপিএমের কেন্দ্রীয় সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি কলকাতায় সিপিএমের রাজ্য দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়ে দিয়েছেন, এবার বিজেপিবিরোধী ধর্মনিরপেক্ষ বিকল্প সরকার গড়তে নির্ণায়ক শক্তি হবে বাম দল। অর্থাৎ মোদিবিরোধী সরকার হলে তার নির্ণায়ক শক্তি হবে বাম দল। তিনি পাশাপাশি এ কথাও বলেছেন, ভবিষ্যতে কংগ্রেসকেই সমর্থন দেবে সিপিএম।
সিপিএমের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ইয়েচুরি আরও বলেছেন, তিনি দেশের ৮টি রাজ্যে বাম দলের পক্ষে প্রচার সেরে কলকাতায় এসেছেন। ১৯টি রাজ্যে সিপিএম ৭১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ২০১৪ সালে দিয়েছিল ৯৭টি আসনে। ইয়েচুরি এ কথাও বলেছেন, দেশব্যাপী প্রচারে গিয়ে তিনি এটা বুঝেছেন, এবার বিজেপি হারছেই। ভোটের পর দেশে বিকল্প ধর্মনিরপেক্ষ সরকার হচ্ছেই। সিপিএমও দেশে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার গড়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দায়বদ্ধ। আর সেই সরকার গড়ায় নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে থাকবে বামপন্থীরা।
দার্জিলিং নিয়ে গোর্খাল্যান্ড রাজ্য গড়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ‘আমরা পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য সমর্থন করি না। আমরা অবিভক্ত বাংলাকেই চাই।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন সেনাদের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্তে অস্বীকৃতি

সেদেশে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং স্থানীয় তদন্তকারীদের সহযোগিতার অভাবকে দায়ী করেছে আইসিসি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই রায়কে 'গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিজয়' হিসেবে আখ্যা দিলেও মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এই রায়ের সমালোচনা করেছে।
আইসিসি'র কৌঁসুলি ফাতোও বেনসৌদা'র ভিসা বাতিল করার এক সপ্তাহ পর এই ঘোষণা এলো।
আফগানিস্তানে মার্কিন সেনারা যুদ্ধাপরাধ সংঘটন করেছিল - এমন অভিযোগ তদন্ত করার জন্য আবেদন করেছিলেন মিজ. বেনসৌদা। তার ভিসা বাতিল হওয়ার পর ধারণা করা হয়েছিল যে তার ঐ আবেদনের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র তার ভিসা বাতিল করেছে।
সর্বসম্মতভাবে নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা হিসেবে আইসিসি'র বিচার পূর্ববর্তী আদালতের তিন বিচারক বলেন, এ ধরণের তদন্ত 'ন্যায়বিচারের স্বার্থ রক্ষা' করবে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই রায়ের ফলে 'শুধু এই দেশপ্রেমিকদেরই নয়, আইনের শাসনেরও বিজয় হয়েছে'।
এক বিবৃতিতে মি. ট্রাম্প আইসিসিকে 'অবৈধ' বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন তাদের বিরুদ্ধে 'দ্রুত এবং কঠোর প্রতিক্রিয়া' দেখানো হবে যদি তারা যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধ তদন্তে অস্বীকৃতি জানানোর সিদ্ধান্ত 'ভুক্তভোগীদের পরিত্যাগ করার অত্যন্ত বেদনাদায়ক নজির' যা 'আদালতের গ্রহণযোগ্যতাকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করবে'।
অ্যামনেস্টির বিরাজ পাটনায়ক বলেছেন, এই সিদ্ধান্তকে 'ওয়াশিংটনের হুমকির সামনে কাপুরুষচিত আত্মসমর্পণ' হিসেবে দেখা হতে পারে।
আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য সেনারাও যুদ্ধাপরাধ করেছে কিনা সেই অভিযোগ প্রায় এক দশক ধরে যাচাই করে আসছে আইসিসির কৌঁসুলিরা।
সম্ভাব্য অপরাধের বিষয় খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই শুরু হয় ২০১৭ সালের নভেম্বর থেকে।
আইসিসি যদিও বলেছে, যে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে এমনটা বিশ্বাস করার 'যৌক্তিক ভিত্তি' রয়েছে। বিচারকরা বলেন, আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থায় 'সফল তদন্ত পরিচালনার সম্ভাবনা অত্যন্ত সামান্য।'
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কী?
যখন কোনো দেশের কর্তৃপক্ষ গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে অপারগ হয়, তখন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
২০০২ সালে জাতিসংঘের একটি সমঝোতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের।
যুক্তরাজ্য সহ ১২৩টি দেশ এই সংস্থাকে অনুমোদন দিয়েছে।
তবে চীন, ভারত, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র সহ অনেক দেশই এই সংস্থার সাথে যুক্ত হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এছাড়া আফ্রিকার কিছু দেশের দাবি, এই আদালত আফ্রিকানদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করে।
যুক্তরাষ্ট্র কেন এর বিরোধিতা করছে?
মার্কিন প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই আইসিসির সমালোচনা করে আসছে।
মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, এই ধরণের বিচার কার্যক্রমের ফলে তাদের সেনারা রাজনৈতিক মামলার ভুক্তভোগী হতে পারে।
নিজের ক্ষমতাকালের শেষদিকে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠা করার সমঝোতায় স্বাক্ষর করেছিলেন, কিন্তু মার্কিন কংগ্রেস কখনোই এর সমর্থন করেনি।
বসনিয়ায় শান্তিরক্ষা মিশন থেকে যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন এক পর্যায়ে জাতিসংঘ মার্কিন সেনাবাহিনীকে যুদ্ধাপরাধের দায় থেকে রেহাই দিয়েছিল।
কিন্তু ২০০৪ সালে (ইরাকি বাহিনীর ওপর মার্কিন সেনাদের নির্যাতনের চিত্র প্রকাশিত হওয়ার দুই মাস পর) 'মার্কিন বাহিনীর জন্য ব্যতিক্রম' বাতিল করা হয়।
মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হলে আইসিসি'র বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে - গত সেপ্টেম্বরে এমন হুমকি দেয় মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুদানের পর আলজেরিয়ায় গণতন্ত্রের ডাক!

তিনি আগামী ৪ জুলাই অবাধ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তবে গণতন্ত্রের দাবিতে, গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে যুবসমাজ রাস্তায় নেমেছে। তারা কিছুতেই আবদেল কাদেরের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না যে, তিনি একটি অবাধ নির্বাচন দেবেন। এ জন্যই রাজপথে যুবসমাজ।
এ খবর দিয়ে অনলাইন বিবিসি লিখেছে, রাজধানীর গ্রান্ডে পোস্টে অথবা পোস্ট অফিসের বাইরে তারা শুক্রবার বিশাল বিক্ষোভ করেছে। এমন বিক্ষোভের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে থাকে নি যুবসমাজ। দেশটির মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরই বয়স ৩০ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্রী আমিনা জুয়াদি (২২) অন্যতম। বিবিসির সাংবাদিক তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। এ সময় সাদা পোশাকে বেশ কিছু পুলিশ তাদের পিছু নেয়। সবুজ হেডস্কার্ফ পরা আমিনা তাদের কথামতো চলতে থাকেন এবং কথা বলতে থাকেন। তিনিবলেন, এখন আমরা আর ভীত নই। আমরা যুবশক্তি। আমাদের রয়েছে পূর্ণাঙ্গ সাহস। জনগণই এখানে হিরো।
তারা আলজেরিয়ার স্বৈরশাসক আবদেল আজিজ বুটেফ্লিকার রক্তচক্ষু দেখেছেন। তিনি দুই দশক ক্ষমতার স্বাদ নিয়েছেন। তারা বলছে, ‘নি পুভোয়রের’ দিন শেষ হয়ে গেছে। এর মধ্য দিয়ে আবদেল আজিজের সামরিক সহযোগী, ব্যবসায়ী ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাদের কথা বোঝানো হয়েছে।
শুক্রবার পোস্ট অফিসের বাইরে যে জনতার সমুদ্র ডেকেছিল তাতে বৃটেনের ব্রেক্সিটের সুর ছিল। কোনো কোনো ব্যানারে লেখা ছিল, লিভ মানে লিভ। আমিনা বিশ্বাস করেন শাসকগোষ্ঠী এবার আর খুব জোরোলো ধাক্কা দিতে পারবে না। যদি তারা লড়াই করতে চায় তাহলে প্রথম দফায়ই সামনে আসা উচিত।
এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন ১৯ বছর বয়সী একজন ছাত্রী মিরিয়াম সাউদ। তিনি বলেন, যেসব মুখ আমরা ২০ বছর ধরে দেখে আসছি তাদেরকে বিদায় নিতে হবে। আমরা চাই আমাদের জনপ্রতিনিধি। তারা আমাদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। আমাদের কথা শোনা হোক এমনটা চাই আমরা। আমরা চাই সব কিছু পরিবর্তন করে দিতে।
বিক্ষোভকারীদের পরবর্তী টার্গেট হলো অন্তর্বর্তী নতুন প্রেসিডেন্ট আবদেল কাদের বেনসালাহ। তিনি আবদেল আজিজের অনুগত। আবদেল কাদের আগামী ৪ঠা জুলাই আলজেরিয়াকে একটি অবাধ নির্বাচন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে অল্প কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন যে, তিনি সে পর্যন্ত টিকে থাকবেন।
তরুণ একজন উদ্যোক্তা মেহদি ফেলোউসি। তিনি নিয়মিত বিক্ষোভে অংশ নেন। মেহদি মনে করেন, যদি আবদেল কাদের ও পুরনো সরকারের বাকি সদস্যরা যার যার জায়গায় থেকে যান তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার কোনোই সুযোগ নেই। তারা অতীতেও জালিয়াতি করেছে এবং এবারও তাই করবে। তার ভাষায়, এরা তারা, যারা গত ২০টি বছর ধরে চুরি করে আসছে। প্রতারণা করে আসছে কমপক্ষে ২০ বছর। তারা বলে আসছে, দয়া করে আমার ওপর আস্থা রাখুন। আমি পরিচ্ছন্ন থাকবো। একটি স্বচ্ছ ভোট করবো। সবাই জানে তাদের এ কথার সঙ্গে এবারও প্রতারণা করবে।
কিভাবে আপনি এ বিষয়ে নিশ্চিত হলেন? বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে মেহদি বলেন, শতকরা ৯৯.৯৯ ভাগ নিশ্চিত এটা হবে।
ওদিকে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। তাদের অনেকে শাসনযন্ত্রকে পাল্টে দিতে চাইছেন। এমনটি চান বয়স্ক নারী নিশা ইমাদ। পুলিশ তাকে বিক্ষোভে যোগ দেয়া থেকে বিরত রাখছিল। এ সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। এ বিষয়ে নিশা বলেন, তাদেরকে আমি বলেছি, এটা আমার দেশ। আমার স্বাধীনতা আছে। এখন সব সময়ের জন্য আমরা এই পোস্ট অফিসে অবস্থান নেবো। আমি রাত কাটিয়েছি এখানে। আমি একজন বয়স্ক নারী। এখানে তরুণদের জন্য, আমাদের শিশুদের জন্য যোগ দিয়েছি আমি।
নিশা ইমাদের পাঁচ সন্তান। বহু তরুণ আলজেরিয়ানের মতো তারাও বেকার। এ বিষয়ে নিশা বলেন, তরুণ প্রজন্মের সামনে কিছুই নেই। তাদের কোনো কর্মসংস্থান নেই। তাদের বাসস্থান নেই। তাই তারা বিয়ে করতে পারছে না। তাই আমরা চাই এই পুরো শাসন ব্যবস্থা বদলে যাক।
বিক্ষোভে যারা যোগ দিয়েছেন তাদের অনেকে পরেছেন লাল, সবুজ ও সাদা রঙের পোশাক। আলজেরিয়ার পতাকার রঙ এটা। রাবিয়া ফেরুকি নামে একজন তো আরো একটু এগিয়ে গিয়েছেন। তিনি মুখে এঁকে নিয়েছেন দেশের পতাকা। তিনি বিদেশে থাকেন। দেশে ফিরেছেন পারিবারিক একটি দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখান থেকেই তিনি যোগ দিয়েছেন বিক্ষোভে। রাবিয়া বলেন, এখানে আমার পরিবারের সঙ্গে এই গণতন্ত্রের আন্দোলনে যোগ দিতে পেরে আমি খুব খুশি। এই দুর্নীতিবাজ সরকারকে থামাতে, যুব সমাজকে আগামী দিনের সুযোগ করে দিন। ২০ বছর খুব বেশি ধৈর্য্য ধরেছে জনগণ। তা এখন শেষ হয়ে গেছে।
এই বিক্ষোভ কতদিন চলবে তা নির্ভর করে আলজেরিয়ায়র শক্তিশালী সেনাবাহিনীর ওপর। চীফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ গাইদ সালাহ বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যদি তা প্রলম্বিত হয় তাহলে ভাল। কিন্তু পরেই তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। বলেছেন, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকা ছাড়া অন্তর্বর্তী সময়টাকে ম্যানেজ করা অযৌক্তিক।
তার এমন সতর্কতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির শ্রদ্ধাভাজন মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী মোসতেফা বোচাছি। তবে তিনি মনে করেন আলজেরিয়ানরা যদি বদ্ধপরিকর থাকে তাহলে কোনো প্রতিষ্ঠান বা কোনো ব্যক্তি তাদেরকে গণতন্ত্রে পৌঁছা থামাতে পারবে না। এটা আলজেরিয়ার ইতিহাস বলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিম কংগ্রেসওমেন ইলহান ওমরের বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা যুক্তরাষ্ট্রে

গত ২৩ মার্চ কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন্স (কেয়ার) নামের নাগরিক অধিকার বিষয়ক গ্রুপে বক্তব্য রেখেছেন ইলহান ওমর। ২০ মিনিটের ওই বক্তব্যে তিনি বিদেশীদের ইসলামভীতি ও নিউজিল্যান্ডে সাম্প্রতিক মসজিদে হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিমদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে তা নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।
তাকে বলতে শোনা যায়, এটাই সত্য। এতদিন যাবত আমরা এখানে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকের মতো অস্বস্তিত্বে বসবাস করছি। খোলামেলাভাবে বলতে, আমি এতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। এ দেশের প্রতিজন মুসলিমেরই ক্লান্ত হওয়া উচিত। ৯/১১ হামলার পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কেয়ার। কারণ, তারা মেনে নিয়েছেন কিছু মানুষ কিছু করেছে। এ জন্যই আমাদের সবাই নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়া শুরু করেছি।
ইলহান ওমরের ‘কিছু মানুষ কিছু করেছে’ বক্তব্যে ক্ষেপেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকরা। তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে নিজের দল ডেমোক্রেট। তারা বলছে, ইলহান ওমরের বক্তব্য ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দিচ্ছেন। ইলহানের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্প টুইট করেছেন। তাতে বলেছেন, আমরা কখনোই ভুলবো না। এর সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হয়েছে ১১ই সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার ভিডিও ফুটেজ। তার সঙ্গে দেখানো হচ্ছে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ইলহান ওমরকে। এতে তাকে বলতে শোনা যায়, সাম পিপল ডিড সামথিং।
গত নভেম্বরে মিনেসোটা থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ইলহান ওমর। তার পরিবার সোমালিয়ার। ইসরাইল এবং ইসরাইলপন্থি লবিস্টের বিষয়ে মন্তব্য করে এরই মধ্যে অভিযুক্ত হয়েছেন ইলহান। এমন বক্তব্যে তার সমালোচনা করেছেন ডেমোক্রেটরা। তখন তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, এখনও শুনছি এবং শিখছি। তিনি তাকে কেন্দ্র করে মুসলিম বিরোধী উদ্বেগজনক কথাবার্তা নিয়ে কথা বলেছেন। এর জবাবে রিপাবলিকানরা তাকে নিয়ে পোস্টার বানিয়েছে। তাতে সন্ত্রাসী হামলায় ধ্বংস হওয়া টুইন টাওয়ারের পাশে তাকে দেখানো হয়েছে।
ইলহান ওমরের বক্তব্য সবার নজরে আসে ৯ই এপ্রিল। ওইদিন টেক্সাসের রিপাবলিকান দলের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ড্যান ক্রেনশ একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তিনি এতে ইলহানের বর্ণনাকে অবিশ্বাস্য বলে আখ্যায়িত করেন। এরপর ফক্স নিউজ সহ রক্ষণশীল মিডিয়া তা লুফে নেয়। তারা ইনডেপথ নিউজ করতে থাকে। ইলহান ওমরকে আমেরিকান-বিরোধী বলে আখ্যায়িত করেন রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান রোনা ম্যাকডানিয়েল। এরপর শুক্রবার ইলহান ওমরের ভিডিওটি পোস্ট করেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বর্তমানে এই ভিডিওটি ট্রাম্পের টুইটারের শীর্ষে পিন করা আছে। আর তা শেয়ার করেছেন লাখ লাখ মানুষ।
জবাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনেকে ইলহান ওমরের পক্ষে দাঁড়ান। তারা হ্যাসট্যাগ চালু করেন এই নামে ‘#আই স্ট্যান্ড উইথ ইলহান’। শুক্রবার বিশ্বজুড়ে তা ছড়িয়ে পড়ে। ওদিকে আলোচনার সময় সিএনএন ওই ভিডিও ক্লিপটি প্রদর্শন করে। পরে এর উপস্থাপক ক্রিস কুমো তা প্রচার করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এমএসএনবিসির উপস্থাপক জয় রেইড এই ভিডিও প্রদর্শন করতে অস্বীকৃতি জানান। ওদিকে ইলহান ওমরের পক্ষ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমালোচনায় নেমে পড়েছেন ডেমোক্রেট দলের শীর্ষ স্থানীয় অনেকে। এর মধ্যে রয়েছেন ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলটি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কয়েকজন। তার মধ্যে এলিজাবেথ ওয়ারেন অন্যতম।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্যারোলে আগ্রহী নন খালেদা by কাফি কামাল

কিছুদিন আগে একবার প্যারোলে মুক্তির প্রসঙ্গ তুলে তার কড়া ধমক খেয়েছেন কয়েকজন আইনজীবী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন, সেদিন তিনি পরিষ্কার বলে দিয়েছেন- ‘কেউ তেমন উদ্যোগ নিলে তিনি তার কোন কিছুই বিবেচনায় নেবেন না, আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে দেবেন।’ এরপর থেমে যায় সে আলোচনা। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিছুদিন ধরে তার পরিবারের কতিপয় সদস্য এ ব্যাপারে আগ্রহ পোষণ করেন।
কিন্তু খালেদা জিয়া যে এ ব্যাপারে রাজি নন তা আরও পরিষ্কার হয়ে গেছে বাংলা নববর্ষের দিন। হাসপাতালে সাক্ষাত করতে যাওয়া দলের নীতিনির্ধারক ফোরামের তিন সদস্যের কাছে প্যারোলের ব্যাপারে অনাগ্রহের বিষয়টি জানিয়ে দেন খালেদা জিয়া। এছাড়া বিএনপির টিকিটে এমপি নির্বাচিত হওয়া ৬ জনের সংসদে যাওয়ার ব্যাপারে রাজনৈতিক মহলে যে গুঞ্জন রয়েছে সেটা নিয়েও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। বিএনপির সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সূত্রগুলো জানায়, বাইরে খালেদা জিয়ার পরিবার বা দলের নেতাকর্মীরা আবেগের বশবর্তী হয়ে একটি পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারবেন বড়জোর। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা একমাত্র খালেদা জিয়ার। তিনি অনাগ্রহী হওয়ায় হালে পানি পায়নি প্যারোলের মুক্তির আয়োজন।
বাংলা নববর্ষের দিন তার সঙ্গে সাক্ষাত শেষে নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোন বক্তব্য দেননি গণমাধ্যমে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়ার ব্যাপারে নেতারা নিশ্চিত হন আগের দিন। তবে নববর্ষ উপলক্ষে খালেদা জিয়ার জন্য তারা কোন উপহার নিয়ে যাননি। বিএসএমএমইউ’র কেবিন ব্লকের ৬ তলায় দুইটি কক্ষের একটি কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। সামনের কক্ষে বসে তার সঙ্গে কথা বলেছেন নেতারা। সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়াকে শারীরিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত দেখাচ্ছিল। আলাপের সময় কখনো কখনো তিনি হাত তুলে বা নেড়ে কথা বলতে পারছিলেন না। আর্থ্রাইটিসের ব্যথার কারণে তিনি পা নাড়াতে পারছিলেন না। কখনো কখনো তার মুখের কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল। তবে তার প্রতিটি বাক্য ছিল গোছালো। নিজে অসুস্থ হলেও দলের কয়েকজন নেতার মৃত্যু ও অসুস্থতার ব্যাপারে খোঁজ-খবরও নিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, স্বাভাবিক খাবার গ্রহণেও অসুবিধা হচ্ছে তার। সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, সাক্ষাত করতে যাওয়া তিন নেতার সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্যারোল নিয়ে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমের একটি বক্তব্যের উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, ৭ই এপ্রিল বিএনপির গণঅনশনে কাদের সিদ্দিকী বলেছিলেন- ‘প্যারোলে মুক্তি মানে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু, গণতন্ত্রের মৃত্যু।’ তিনি তার মামলাগুলোর ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন। এ সময় তিনি কয়েকবার বলেন, ‘আমি কি করেছি- আমার বিরুদ্ধে কেন মামলা হবে? আমার বিরুদ্ধে কেন সাজা হবে?’ দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও জানতে চান তিনি। নেতারা জানান, সাক্ষাতের পুরো সময় খুবই স্বাভাবিক ছিলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু নেতারা চলে আসার সময় কিছুটা বেদনার ছাপ দেখা গেছে খালেদা জিয়ার চেহারায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের একদিন পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্যারোল ও সংসদে যোগ দেয়ার ব্যাপারে মুখ খুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নবগঠিত কমিটির নেতাদের নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জেয়ারত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় প্যারোলে মুক্তির ব্যাপারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোন আলোচনা হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের বিষয়। তাই এ নিয়ে দলীয় চেয়ারপারসনের সঙ্গে খুব বেশি আলোচনা হয়নি।’ বিএনপির কতিপয় এমপির সংসদে যোগ দেয়ার গুঞ্জনের ব্যাপারে তিনি বলেন- ‘এই ধরনের কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই।’
খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির পরোক্ষ সরকারি প্রস্তাব নিয়ে বিএনপি স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, প্যারোলের নামে সরকার মূলত আরেকবার দেশবাসীর সামনে জনপ্রিয় এই নেত্রীকে হেয় করতে চায়। তিনি বলেন, সরকার যদি প্যারোলে মুক্তিই দেবে তাহলে তার স্বাভাবিক জামিন প্রক্রিয়ায় বাধার সৃষ্টি করে কেন? সরকার যদি বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ না করে তাহলে খালেদা জিয়া বহু আগেই জামিনে মুক্তি পেতেন। তার প্রতিটি মামলাই জামিন যোগ্য এবং মামলার অন্য আসামীরাও জামিনে মুক্ত রয়েছেন। নানামুখী প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে খালেদা জিয়া যখনই কোন মামলায় জামিন পান তখনই নতুন কোন মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এটা কোনভাবেই সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের লক্ষণ নয়। আসলে প্যারোলে মুক্তির মাধ্যমে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর কাছে খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ফের হেয় করতে চায় সরকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মনোবল যতটুকু দৃঢ়তার সঙ্গে অটুট রয়েছে তাকে দলের কোন নেতা বা সরকার সে সুযোগ পাবে না।
বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা সংসদে গেলে খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখাবে সরকার- এমন গুঞ্জন রয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু এ গুঞ্জনের বাস্তবতা কতটুকু? বিএনপির কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতা জানান, খালেদা জিয়া চাইলে নির্বাচনের আগেই আপস করতে পারতেন। খালেদা জিয়াকে রাজী করাতে বা তেমন পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকারের তরফে নানা প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে জাতীয় নির্বাচনের আগে-পরে। বিএনপির কোন কোন নেতাও সরকারের সে প্রচেষ্টায় যুক্ত হয়েছেন আবেগের বশবর্তী বা সরকারের কৌশলে বিভ্রান্ত হয়ে। কিন্তু প্রতিটি প্রচেষ্টাই নাকচ হয়ে গেছে খালেদা জিয়ার দৃঢ় মনোবলে। এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সবুজ সংকেত ছাড়া বিএনপির এমপিরা শপথ নিয়ে সংসদে যাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, আইনী প্রক্রিয়ায় জামিনে মুক্তির বাইরে কিছুই ভাবতে নারাজ খালেদা জিয়া। এমনকি অনির্ধারিত সময় পর্যন্ত কারাভোগের মানসিক প্রস্তুতিও রয়েছে তার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রগরগে ছবি পাঠিয়ে বালিকা ধর্ষণ: সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশীর ২২ বছরের জেল

এসব অপরাধ সংঘটিত হয় ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল সময়ের মধ্যে। ওই বালিকাটি একদিন রতনের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিল। এ সময় তার মার সন্দেহ হয়। তিনি তার হাত থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে টেক্সট ম্যাসেজ চেক করেন।
ব্যস ধরা পড়ে যায় ঘটনা।
সিঙ্গাপুরের হাইকোর্টের শুনানিতে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি ওই বালিকা তার আত্মীয়দের সঙ্গে ট্রেনে ভ্রমণ করছিল। ওই একই ট্রেনে ছিল রতন। এ সময় বালিকাটির দিকে চোখ পড়ে রতনের। তাদেরকে অনুসরণ করতে থাকে সে। বালিকাটিকে তার দুটি ফোন নম্বর দিয়ে ফোন করতে বলে। একই দিনে ওই বালিকাটি তাকে ফোন করে। রতন তখন তাকে জানায় তার বয়স ২৫ বছর। বালিকাটি তাকে জানায় তার বয়স ১২ বছর। এরপর তাদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। রতন যৌন অসংলগ্ন কথাবার্তা পোস্ট করতে থাকে তাকে। চ্যাটিংয়ে উঠে আসে তা।
সাক্ষাতের দু’সপ্তাহ পরেই রতন ওই বালিকাকে নগ্ন ছবি পাঠাতে থাকে। এমন কি তার গোপনাঙ্গের ছবিও পাঠায়। অনুরোধ করে ওই বালিকাকে একই কাজ করতে। প্রথম প্রথম প্রেমে বেপরোয়া হয়ে পড়ে ওই বালিকা। ফলে সেও রতনকে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী সব ছবি পাঠাতে থাকে। সম্পর্কের এত ঘনিষ্ঠতায় রতন তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। এতে কমপক্ষে ৫ বার সম্মতি দেয় ওই বালিকা। ফলে তিন বার সে ওই বালিকাকে নিয়ে যায় লোয়ার পিয়ার্স রিজাভয়ের পার্কে। এ ছাড়া অং মো কিও টাউন গার্ডেন ইস্ট এবং এইচডিবির ডেকেও তারা যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়।
২৩ শে এপ্রিল ওই বালিকার মার সন্দেহ হয়। তিনি মেয়ের মোবাইলে বিপুল পরিমাণ এসএমএস দেখে বিস্মিত হন। বিষয়টি তিনি স্বামী ও তারই এক সতীনকে জানান। পরের দিন তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়া হয়। তা থেকে উদ্ধার করা হয় রগরগে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কথাবার্তা। তারা বালিকাকে সঙ্গে নিয়ে ২৫ এপ্রিল যান পুলিশে রিপোর্ট করতে। এর পরের দিন গ্রেপ্তার করা হয় রতনকে।
এ মামলায় ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর উইনস্্টন ম্যান আদালতে রতনের কমপক্ষে ২২ বছর জেল ও ১৮ ঘা বেত্রাঘাত দাবি করেন। এর প্রেক্ষিতে আদালত ওই রায় দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মুসলিমদেরকে ধর্মান্তরিত করে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বানাতে চান মোদি’

আসামের ধুবরি আসনের বর্তমান এমপি বদুরুদ্দিন আজমল।
এ আসনে তিনি তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য লড়াই করছেন। তাই নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি বলেন, ‘শতকরা ৯০ ভাগ মুসলিম এবং হিন্দুরা মোদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চান না। তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া উচিত, যেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। কিন্তু তাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে দেয়া যাবে না। দেশের জনসংখ্যাতত্ত্ব বদল করতে বিজেপি ও মোদিকে অনুমোদন দেবো না। কোটি কোটি মুসলিমকে ধর্মান্তরিত করে হিন্দু বানানোর জন্য সংবিধান পরিবর্তন করতে দেবো না। এই কর্মকা- বন্ধ করতে আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন।’
আসামে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে আজমলের দল এআইইউডিএফ। এগুলো হলো বরপেটা, ধুবরি ও করিমগঞ্জ। ২০১৪ সালে এ আসনগুলোতে দলটি জিতেছিল। ওই বছর তারা ৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এখানে প্রথম দফা নিবাচনের সময় তুলনামূলক নীরব ছিলেন আজমল। এরপরই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি প্রচারণার গতি বাড়িয়ে দিয়েছেন। কারণ সামনের নির্বাচনে তার দলের আসন পড়েছে। তাই তিনি শুক্রবার বরপেটায় বলেছেন, যদি লোকসভা নির্বাচনে মোদি বিজয়ী হন তাহলে তিনি দেশকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করে ধ্বংস করে দেবেন এ দেশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একমাসে তিন দফা বাড়লো ডলারের দাম

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি-রপ্তানির মধ্যে ভারসাম্য না থাকা, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ, অর্থ পাচারসহ নানা কারণে ডলারের বাজারে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রপ্তানি বাণিজ্য ও প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে কিছুটা উৎসাহিত হলেও, বেড়ে যাচ্ছে পণ্য আমদানির ব্যয়। ফলে খাদ্যশস্য, ভোগ্যপণ্য, জ্বালানি তেল, শিল্পের কাঁচামালসহ সব আমদানি পণ্যের ব্যয় বাড়বে।
এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে মূল্যস্ফীতিতে। অবশ্য মার্চ মাস শেষে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.৫৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরে কয়েক দফা ডলারের দাম বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি বছরের শুরু থেকেই আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের দাম ছিল ৮৩ টাকা ৯০ পয়সা। শুধু এই তিন মাসেই ৯ বার দাম বেড়েছে। ৩রা জানুয়ারি ডলারের দাম ৫ পয়সা, ১১ই ফেব্রুয়ারি ১০ পয়সা ও ১৪ই ফেব্রুয়ারি ৭ পয়সা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চাহিদা বাড়ায় অর্থবছরের প্রথম মাস থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। চলতি অর্থবছরের মার্চ মাসে মাসওয়ারি ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫.৫৫ শতাংশ। এর আগের মাসে এই হার ছিল ৫.৪৭ শতাংশ। জানুয়ারি মাসের পর থেকেই টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ল। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৪২ শতাংশ। বিশ্লেষকরা বলেন, ডলারের দাম বাড়ার প্রভাব দেখা গিয়েছে মার্চ মাসের মূল্যস্ফীতিতে। আমাদের দেশের যেসব পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় সেগুলোর দাম বাড়াটাই সাভাবিক।
কারণ আমদানি নির্ভর পণ্য ডলারের দামের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। প্রচুর পরিমাণ এলসি বা ঋণপত্র খোলার কারণে ডলারের চাহিদা অনেকটা বেড়েছে। তবে এই চাপ মোকাবিলায় যথেষ্ট সাহায্য করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকগুলো যে দরে ডলার বা অন্য মুদ্রা কেনাবেচা করে, তাকে আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বিনিময় হার বলা হয়। ব্যাংকগুলো এর চেয়ে এক থেকে দেড় টাকা বেশি দামে ডলার গ্রাহকের কাছে বিক্রি করে। গত এক বছরের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ৫ শতাংশের বেশি। ছয় মাসের ব্যবধানে কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদ ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ডলারের দাম বাড়ার প্রধান কারণ বাণিজ্য ঘাটতি। যে হারে আমদানি হচ্ছে সেই হারে রপ্তানি আয় হয়নি। বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাবে ঋণাত্মক হয়ে গেছে। আর এটি পূরণ করতে গিয়ে বাড়তি চাপে ডলারের দাম বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, অর্থবছরের সাত মাসে (জুলাই- জানুয়ারি) ইপিজেডসহ রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ২ হাজার ৩৮০ কোটি ২০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে ৩ হাজার ৩৪৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে জানুয়ারি শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৯৬৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৫ টাকা দরে) ৮১ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নুসরাত জাহান রাফির দুই খুনির লোমহর্ষক জবানবন্দি, বেরিয়ে এলো প্রভাবশালীদের নাম by জিয়া চৌধুরী

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘটনায় জড়িত আরো অন্তত ১৫ জনের নাম উল্লেখ করেছে এই দুই আসামি। এর মধ্যে সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনও ঘটনা জড়িত বলে আদালতকে জানায় নুরউদ্দিন ও শামীম। দুই আসামির এমন জবানবন্দির পর রোববার রাতেই রুহুল আমিন গা ঢাকা দেন বলে স্থানীয় কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে। তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে চেয়ে মুঠোফোন নম্বরে কল করলেও অপর প্রান্ত থেকে কল রিসিভ করেনি কেউ। তবে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা কারাগার থেকেই নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনা করেন। আর ঘটনার এক দিন আগে ৪ঠা এপ্রিল বিকালে ফেনীর জেলা কারাগারে দেখা করে নির্দেশনা বুঝে নেয় নুরউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন।
নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয়া পাঁচজনের পরিচয়ও মিলেছে জবানবন্দিতে। এদের মধ্যে ছিল দুইজন নারী ও তিনজন পুরুষ। পাঁচজনের সবাই সোনাগাজী মাদরাসার শিক্ষার্থী। এজাহারে উল্লেখ করা ১৩ জনের বাইরে ঘটনায় জড়িত বেশিরভাগই সোনাগাজীর ওই মাদ্রাসার আলিম ও ফাজিল শ্রেণির শিক্ষার্থী। এছাড়া মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষকও এমন নির্মম ঘটনায় মদত দিয়েছে বলেও আদালত ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে। অধিকতর তদন্তে এদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তাদের নাম অর্ন্তভূক্ত করা হবে বলে মামলার তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গেছে।
গত রোববার বিকাল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা ধরে ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দিতে নুরউদ্দিন ও শামীম পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। এর আগে ঢাকায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদর দপ্তরে এজাহারভুক্ত আসামিসহ মোট ১৩ জন হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন পর্যায়ে জড়িত বলে জানান পুলিশের এই ইউনিটের প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। পিবিআইয়ের ফেনীর দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান রবিবার মধ্যরাতে সাংবাদিকদের জানান, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নুরউদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম অনেক তথ্য দিয়েছে। তারা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাহর নির্দেশে তারা কীভাবে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কীভাবে কী করে তা বিস্তারিত বলেছে। পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, নুরউদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম আরও কিছু নাম বলেছে।
আমরা তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করছি না। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে বাকিদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। তদন্ত সূত্র জানায়, ২৭শে মার্চ নুসরাতকে যৌন হয়রানির পর থানা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করার দায়িত্বও নিয়েছিলেন রুহুল আমিন। যৌন হয়রানির মামলায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনের নির্দেশে নুরউদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম অধ্যক্ষের মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করে। এজন্য সোনাগাজীর পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলম তাদের ১০ হাজার টাকাও দিয়েছিল। এছাড়া মাদরাসার আরেক শিক্ষকও আন্দোলন ও নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার জন্য পাঁচ হাজার টাকা দেন। ঘটনায় জড়িত শিক্ষকদের মধ্যে আফসার উদ্দিনের নামও বলেছে প্রধান দুই আসামি। সরাসরি কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেয়া শাহাদাত হোসেন শামীম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর সে দৌঁড়ে নিচে নেমে উত্তর দিকের নিচু প্রাচীর টপকে পার হয়ে যায়। ঘটনার পর দুই মিনিটের মধ্যে নিরাপদ দুরত্বে গিয়ে সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে কল করে বিষয়টি জানায় শামীম। উত্তরে রুহুল আমিন বলেন, আমি জানি। তোমরা চলে যাও। নুসরাতের শরীরে আগুন দিয়ে ভবন থেকে নেমে প্রথমেই শামীমের সাথে কথোপকথন হয় রুহুল আমিনের। কয়েক সেকেন্ডের ওই আলাপে ঘটনায় রুহুল আমিনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের এই নেতার বিষয়ে শাহাদাত হোসেন শামীম বলেছে, নুসরাতের দায়ের করা মামলার পর রুহুল আমিন থানা ম্যানেজ করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এদিকে, প্রায় দেড় মাস আগে প্রেমের প্রস্তাব দিলে শামীমকে ফিরিয়ে দেয় নুসরাত। সে সময় শামীমকে অপমানও করা হয় বলে জবানবন্দিতে বলেছে সে। নুসরাতের প্রতি নিজের ক্ষোভ থাকার কথা উল্লেখ করে শাহাদাত হোসেন শামীম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছে, সে নিজেও নুসরাতের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিল। এসব কারণে অধ্যক্ষ সিরাজের নির্দেশে অন্যদের সঙ্গে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। নুসরাত কিলিং মিশনে শামীম নেতৃত্ব দিলেও এতে অংশ নেয় আরো চারজন।
এদের প্রত্যেকেই সোনাগাজী মাদরাসার শিক্ষার্থী। শামীম ছাড়া বাকি চার জন হলো: অধ্যক্ষের ভাগ্নী উম্মে সুলতানা পপি, নুসরাতের সহপাঠী কামরুন্নাহার মনি, আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জাবেদ এবং ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও শামীম-নুরউদ্দিনের বন্ধু জোবায়ের। এদের মধ্যে উম্মে সুলতানা পপি ও কামরুন্নাহার মনি নুসরাতের সহপাঠী। তারা দুজনেই সেদিন বোরকা, হাতমোজা ও দড়ি ম্যানেজ করে। আর উম্মে সুলতানা পপি নুসরাতকে ডেকে নিয়ে যায় ছাদে। পপি ও মনি মিলে শম্পা নামের ফাঁদ ফেলে। মূলত নুসরাত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার জন্য নিজে থেকে নুসরাতের সামনে বার বার শম্পা নামটি বলার চেষ্টা করে পপি ও মনি। কিলিং মিশনে অংশ নেয়া প্রত্যেকে বিভিন্ন পরীক্ষায় অধ্যক্ষের কাছ থেকে আগেভাগে প্রশ্ন পেতো বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে শামীম।
এছাড়া, নানা সময় অনৈতিক সুবিধাও দিতেন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা। আরেক আসামি নুূরউদ্দিন জানিয়েছে, তার সঙ্গে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার ভালো সম্পর্ক ছিল। এ কারণে তার নির্দেশে তারা পরিকল্পনা করে নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ঘটনার সময় সে ভবনের নিচে ছিল। আর পরিকল্পনা অনুযায়ী উম্মে সুলতানা পপি গিয়ে নুসরাতকে ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে যায়। ওই সময় ছাদে কামরুন্নাহার মনি বোরকা পড়ে অপেক্ষায় ছিল। নুরউদ্দিন জানিয়েছে, অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা নানা সময়ে ছাত্রীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের যৌন হয়রানি করতো। ফেনীর সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে গত ২৭শে মার্চ যৌন হয়রানি করেছিল ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা। এ ঘটনায় নুসরাত থানায় অভিযোগ করলে অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এরপর থেকেই মাদরাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা তুলে না নেয়ায় নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। গত ৬ই এপ্রিল পরীক্ষার আগ মুহূর্তে মিথ্যা কথা বলে নুসরাতকে মাদরাসার ছাদে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়া হয়। শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় জীবনের সঙ্গে লড়াই করে হেরে যান নুসরাত। গত ১০ই এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরদিন সোনাগাজীর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় নুসরাতকে। এ ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠে সারাদেশে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে বিভিন্ন সংগঠন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নববর্ষকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা by শুভংকর কর্মকার

• দেশীয় পণ্য ক্রয়ে ক্রেতাদের ঝোঁক।
• বেচাবিক্রিতে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা।
• বৈশাখী অর্থনীতির আকার বড় হচ্ছে।
বাঙালির সর্বজনীন উৎসব বৈশাখ। এ উপলক্ষে শহরের ফুটপাত থেকে শুরু করে অলিগলির দোকান ও বিপণিবিতানে গত কিছুদিন ধরে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। লাল-সাদাসহ বাহারি রঙের বৈশাখী পোশাক দেদার বিক্রি হয়েছে। অনলাইনেও বেচাবিক্রি জমে ওঠে। সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বড় ব্র্যান্ড ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারে মিষ্টিসহ বিভিন্ন ধরনের উপহার পাঠিয়ে তাদের গ্রাহকদের বৈশাখী শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।
বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী বলছেন, প্রতিবছরই বৈশাখী অর্থনীতির আকার বড় হচ্ছে। চার বছর ধরে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বৈশাখে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। একইভাবে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পাচ্ছেন ভাতা। বর্ষবরণে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানও বাড়ছে। এতে করে বৈশাখকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য রাজধানী থেকে পল্লি অঞ্চলে বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে।
পয়লা বৈশাখে কত টাকার বাণিজ্য হয়, তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। ব্যবসায়ী নেতা ও অর্থনীতিবিদের ধারণা, সারা দেশে নববর্ষকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হয়। ঈদ বা পূজার সঙ্গে বর্ষবরণ উৎসবের তফাত হচ্ছে, এ সময় দেশীয় পণ্য ক্রয়ে ক্রেতাদের ঝোঁক থাকে। তাই বৈশাখকেন্দ্রিক বেচাবিক্রিতে গ্রামীণ অর্থনীতি বেশ চাঙা হয়ে ওঠে।
বর্ষবরণের উৎসবে নতুন পোশাকের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি থাকে। গত তিন দিন রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট, গাউছিয়া ও গুলিস্তানের বঙ্গবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বৈশাখী পোশাক কিনতে বিপণিবিতানে ভিড় করছে মানুষ। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য নগরীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতে বৈশাখী পোশাক নিয়ে বসেন অনেক হকার। তবে ফুটপাতে হকার বসতে না দেওয়ার কারণে মতিঝিল ও পল্টন এলাকায় গতবারের মতো এবার আর বৈশাখী পোশাকের পসরা একেবারেই দেখা যায়নি।
দেশের মানুষের পোশাকের জোগান দেওয়ার জন্য পুরান ঢাকা, কেরানীগঞ্জ, কালীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র-মাঝারি কারখানা গড়ে উঠেছে। এ ধরনের ছয় হাজার কারখানার সংগঠন অভ্যন্তরীণ পোশাক প্রস্তুতকারক মালিক সমিতি। তাদের হিসাব অনুযায়ী, পয়লা বৈশাখে সারা দেশে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার পোশাক বিক্রি হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সমিতির সভাপতি আলাউদ্দিন মালিক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, পোশাকের ব্যবসা উৎসবকেন্দ্রিক। ঈদ ও পূজার পর বড় উৎসব এখন বৈশাখ। ১০-১৫ বছর আগে বৈশাখী পোশাক টুকটাক বিক্রি শুরু হয়। এখন সেটি বহুগুণ বেড়ে গেছে। কেরানীগঞ্জ, কালীগঞ্জের মতো পাইকারি বাজার থেকে বৈশাখের পোশাক কিনে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তিনি বলেন, গতবারের চেয়ে এবার পোশাকের ব্যবসা ২০ শতাংশ বেড়েছে।
দেশের ফ্যাশন হাউস মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফ্যাশন উদ্যোক্তা সমিতি (এফইএবি বা ফ্যাশন উদ্যোগ) ফ্যাশন হাউসগুলোর বিক্রিবাট্টা নিয়ে জরিপ করছে সমিতি। সেই জরিপের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, ফ্যাশন হাউসগুলোতে সারা বছর প্রায় আট হাজার কোটি টাকার বেচাবিক্রি হয়। এর মধ্যে অর্ধেকই রোজার ঈদে। ২৫-২৮ শতাংশ পয়লা বৈশাখে।
জানতে চাইলে ফ্যাশন উদ্যোগের নির্বাহী পরিষদের সদস্য আজহারুল হক গত শুক্রবার প্রথম আলোকে বলেন, বৈশাখের বেচাবিক্রি হয় মূলত শেষের তিন-চার দিন। এখন পর্যন্ত যেটুকু হিসাব তার ভিত্তিতে বললে গতবারের চেয়ে বেচাবিক্রি ১০-১৫ শতাংশ বেশি হয়েছে।
একই কথা বললেন দেশের স্বনামধন্য ব্র্যান্ড আড়ংয়ের বিপণন বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) তানভীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘ঈদ ও পয়লা বৈশাখ কাছাকাছি হওয়ায় আমরা কিছুটা শঙ্কায় ছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত বৈশাখের বেচাবিক্রি খুবই ভালো হয়েছে।’
ইপিলিয়ন গ্রুপের ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর। গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আল-মামুন গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবারের বৈশাখে আমাদের বিক্রি দ্বিগুণ।’
পয়লা বৈশাখের সঙ্গে হালখাতার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। হালখাতায় ক্রেতা ও গ্রাহকদের মিষ্টি-নিমকি খাওয়ান ব্যবসায়ীরা। আধুনিক যুগে হালখাতা উৎসবের জৌলুশ অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। তারপরও মিষ্টি খাওয়ানোর প্রচলনটা অনেকেই ধরে রেখেছেন। সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান। তারা তাদের গ্রাহকদের নববর্ষের উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে মিষ্টিকে রাখছে সবার ওপরে। ফলে পয়লা বৈশাখে মিষ্টির দোকানের ব্যবসা অন্য সময়ের চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সব মিলিয়ে সারা বছরে যে পরিমাণ মিষ্টি বিক্রি হয়, তার ২০-২৫ শতাংশ পয়লা বৈশাখে হয়ে থাকে।
প্রাণ গ্রুপের মিষ্টির ব্র্যান্ড মিঠাই বৈশাখ উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক, জুয়েলারি, ইলেকট্রনিকসহ ৫০টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০-৩৫ টন মিষ্টি ক্রয়াদেশ পায়। সেই চাহিদা মেটাতে ৯ এপ্রিল থেকে তাদের কল্যাণপুরের কারখানায় প্রতিদিন ১০-১২ টন মিষ্টি উৎপাদন হচ্ছিল। যদিও সাধারণ সময়ে দিনে ৩ টন মিষ্টি উৎপাদন করে মিঠাই।
জানতে চাইলে মিঠাইয়ের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) অনিমেষ সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত বৈশাখে আমরা ২৫টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ১০ টন মিষ্টির ক্রয়াদেশ পেয়েছিলাম। তবে গতবারের চেয়ে এবার মিষ্টির ক্রয়াদেশ তিন গুণ বেড়েছে।’
এদিকে বাঙালি ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযোগ না থাকলেও ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে বর্ষবরণে পান্তা-ইলিশ অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। ফলে নগরবাসীর মধ্যে ইলিশ কেনার একধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। বাড়তি ইলিশের জোগান দিতে দেড়-দুই মাস আগে থেকে মাছ মজুত করেন ব্যবসায়ীরা। তারপরও মাছটির দাম আকাশ ছুঁয়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে বর্ষবরণে ইলিশ খাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ায় দুই বছর ধরে পয়লা বৈশাখে ইলিশ কেনার প্রতি মানুষের ঝোঁক কিছুটা হলেও কমেছে।
ঢাকার কারওয়ান বাজারের মাছ ব্যবসায়ী শুক্কুর আলী গতকাল ৭০০-৭৫০ গ্রাম ওজনের পদ্মার এক হালি ইলিশ ৩ হাজার টাকা এবং ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের পদ্মার ইলিশ ৫ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেন। বেশ কয়েক দিন আগের হিমায়িত ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি করছেন ৩ হাজার ৫০০ টাকায়। তিনি বলেন, ‘ব্যবসা খুবই ভালো। তবে আগের মতো কাড়াকাড়ি নেই।’
পরিবার কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে বৈশাখী ছুটি কাটাতে কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও সিলেটে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন অনেকে। কেউবা যান বিদেশে। তবে বাড়তি ছুটি না থাকায় এবার ঘুরতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা কিছুটা কম—এমনটাই জানালেন ট্যুর অপারেটর মালিকদের সংগঠন টোয়াবের পরিচালক সৈয়দ সাফাত উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বৈশাখে ঘুরতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা অন্যবারের চেয়ে কম। কারণ বাড়তি ছুটি নেই। বাচ্চাদের স্কুলও খোলা। তারপরও বালি ও শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে কিছু মানুষ। সেখানে অফ সিজন চলছে, খরচ কম।’
জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রথম আলোকে বলেন, ঈদ ও দুর্গাপূজার সঙ্গে বৈশাখী উৎসবের তফাত হচ্ছে এটি সর্বজনীন উৎসব। এই উৎসবে দেশীয় পণ্য ব্যবহারের প্রতি মানুষের আকাঙ্ক্ষা থাকে। এতে করে গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত জনগণ অর্থনৈতিকভাবে সুবিধা পান। তবে মুনাফার বড় অংশই শহরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যায়। সে জন্য গ্রামের উৎপাদকদের যদি ক্রেতাদের কাছে সরাসরি পণ্য বিক্রি সুযোগ করে দেওয়া যায়, তাহলে বৈশাখের বেচাবিক্রিতে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও চাঙা হবে। সে ক্ষেত্রে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলীবাবা উদাহরণ হতে পারে। চীনের গ্রামীণ পণ্য সরাসরি বিক্রির সুবিধা করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানি গান নকলের অভিযোগ বিজেপির সেই বিধায়কের বিরুদ্ধে

এতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মিডিয়া শাখা ২৩ শে মার্চ একটি দেশাত্ববোধক গান প্রকাশ করে।
হুবহু তা নকল করে গান বানিয়েছেন ভারতের বিধায়ক রানা সিং। তিনি গত শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছেন, রাম নবমী অনুষ্ঠান উপলক্ষে ১৪ই এপ্রিল তিনি একটি নতুন গান প্রকাশ করবেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এটি প্রকাশ করা হবে।
তিনি টুইটারে এ ঘোষণা দিয়ে স্টুডিওতে গান রেকর্ডিংয়ের একটি ভিডিও জুড়ে দিয়েছেন। এ গানের কথা ও সুর পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্সের (আইএসপিআর) একটি গানের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। আইএসপিআর ওই গানটি প্রচার করে পাকিস্তান দিবসে। গানটি গেয়েছেন সাহির আলী বাগ্গা। তবে ভারতে ওই গানটিতে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ পাল্টে ‘হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ’ করা হয়েছে।
রানা সিংয়ের এই ভিডিওর বিষয়ে টুইটারে নিজের একাউন্টে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের আইএসপিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গফুর। রোববার তিনি লিখেছেন, খুশি হয়েছি যে আপনি নকল করেছেন। কিন্তু প্রকৃত সত্যটা বলুন।
ডন লিখেছে, প্রকৃত সত্যটা বলুন বলতে ভারতের বিমান বাহিনীর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন আসিফ গফুর। কারণ, ফেব্রুয়ারিতে আকাশপথে দুই দেশের ডগফাইট চলার সময় পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান এ দাবি অস্বীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া থেকেও পাকিস্তানের দাবির পক্ষে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাই এক্ষেত্রে প্রকৃত সত্য প্রকাশ করা বলতে ওই বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করেছেন আইএসপিআর মহাপরিচালক।
রানা সিংয়ের ওই ভিডিওর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন পাকিস্তানের সিনিয়র সাংবাদিক হামিদ মীর। তিনি বলেছেন, বিজেপির বিধায়কের গানটি আসলে নকল নয়। এটা হলো চুরি। তিনি রানা সিংয়ের এ উদ্যোগকে অনাকর্ষণীয় বলে মনে করেন।
উপস্থাপক ফিরিহা ইদ্রিস বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, বিজেপির এই বিধায়ক কেন ভারতে এত বিপুল শিল্পে সমাহার থাকা সত্ত্বেও একটি প্রকৃত জিনিস নিয়ে হাজির হলেন না।
ডন লিখেছে, বিতর্কে নতুন নয় রানা সিংয়ের নাম। এর আগেও বিভিন্ন মামলা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে রয়েছে ঘৃণামুলক বক্তব্য দেয়া, দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ কনস্টেবলকে অপমান করা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1432)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
April
(369)
-
▼
Apr 16
(13)
- নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ ‘জনগণের সবচেয়ে বড় শত্রু’:...
- প্রেমের টানে পাকিস্তানে ভারতীয় নারী, কূটনৈতিক টানা...
- ভারতে বিকল্প সরকারের নির্ণায়ক বাম দল: ইয়েচুরি by অ...
- মার্কিন সেনাদের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্তে অস্বীকৃতি
- সুদানের পর আলজেরিয়ায় গণতন্ত্রের ডাক!
- মুসলিম কংগ্রেসওমেন ইলহান ওমরের বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক...
- প্যারোলে আগ্রহী নন খালেদা by কাফি কামাল
- রগরগে ছবি পাঠিয়ে বালিকা ধর্ষণ: সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ...
- ‘মুসলিমদেরকে ধর্মান্তরিত করে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র...
- একমাসে তিন দফা বাড়লো ডলারের দাম
- নুসরাত জাহান রাফির দুই খুনির লোমহর্ষক জবানবন্দি, ব...
- নববর্ষকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা ...
- পাকিস্তানি গান নকলের অভিযোগ বিজেপির সেই বিধায়কের ব...
-
▼
Apr 16
(13)
-
▼
April
(369)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...