Friday, January 11, 2019
বাবরি মসজিদের নিচে মন্দির নয়, থাকতে পারে মসজিদ: প্রত্মতাত্ত্বিক

২০১০ সালে তারা ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি নামে একটি সাময়িকীতে এএসআই’র অনুসৃত পদ্ধতি ও ব্যাখ্যাকে চ্যালেঞ্জ করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, তৎকালীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের চাপেই বাবরি মসজিদ ধ্বংসকে বৈধতা দিতে ওই বক্তব্য দেয় এএসআই।
বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ২৬তম বার্ষিকীতে সুপ্রিম ভার্মা হাফিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারেও একই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ২০০৩ সালের খোঁড়াখুঁড়িতে যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়, সেগুলো মূলত এএসআই-এর আবিষ্কৃত। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে বি. আর. মনির নেতৃত্বে হওয়া এই খননে পদ্ধতিগত ত্রুটি হয়েছে। পরে এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশে তাকে এই খননকার্য থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ২০১৬ সালে এসে নরেন্দ্র মোদি সরকার এই বি. আর. মনিকে জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক করেছে।
সুপ্রিয় ভার্মাকে জিজ্ঞেস করা হয়, কোনো রামমন্দিরের ওপর বাবরি মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমন কোনো প্রত্মতাত্বিক প্রমাণ রয়েছে কিনা। জবাবে তিনি বলেন, কোনো ধরণের প্রমাণ নেই। এমনকি আজও কোনো প্রত্মতাত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে বাবরি মসজিদের নিচে মন্দির রয়েছে।
কিন্তু কী প্রমাণের ভিত্তিতে এএসআই এমন দাবি করেছিল, এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খননকার্য থেকে এএসআই মূলত তিন খন্ড প্রমাণ পেয়েছে। একটি হলো পশ্চিমমুখী দেওয়াল। ৫০টি স্তম্ভের গোড়া। আর কিছু স্থাপত্য খন্ড। পশ্চিমমুখী দেওয়াল মূলত একটি মসজিদের বৈশিষ্ঠ্য। এই দেওয়ালের সামনে ফিরেই মুসলমানরা নামাজ আদায় করেন। এটি কোনো মন্দিরের বৈশিষ্ট্য নয়। মন্দিরের বৈশিষ্ট্য পুরোই আলাদা। অপরদিকে যে ৫০টি স্তম্ভের গোড়ার কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণই ভুয়া। আমরা আদালতের কাছে বহুবার এই অভিযোগ করেছি। আমাদের যুক্তি হলো, তারা যে জিনিসকে স্তম্ভের গোড়া বা ভিত্তি বলছে, তা মূলত ভাঙ্গা ইটের খন্ড। এগুলোর ভেতরে মাটি। এসবের ওপর কোনো পিলার দাঁড় করানো একেবারেই সম্ভব নয়।
তৃতীয় প্রমাণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আর্কিটেকচারাল কিছু অংশবিশেষ। তারা বলছে যে, ৪০০-৫০০ টুকরো পাওয়া গেছে। এগুলো মূলত যেকোনো ভবনেরই অংশ হতে পারে। এগুলোর মধ্যে ১২টিকে তারা বলছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ১২টি খন্ড খননের সময় পাওয়া যায়নি। এগুলো মূলত মসজিদের মেঝের ওপর পড়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ থেকে নেওয়া হয়েছে। সেখানে একটি মূর্তিসদৃশ ছিল, সেটাকে বলা হচ্ছে, কোনো স্বর্গীয় জোড়া! কিন্তু সেটাকে সত্য ধরলেও, সেখানে শুধু একজন পুরুষ, একজন নারীর প্রতিকৃতির মতো আছে, তা-ও অর্ধভাঙ্গা। আর কিছুই সেখানে নেই! একটি মন্দির, যেটি কিনা প্রস্তর মন্দির বলে দাবি করা হচ্ছে, সেসব মন্দিরে আরও অনেক বেশি মূর্তি বা প্রস্তরে খোদাই করা জিনিস থাকার কথা। কিন্তু এমন কিছুই পাওয়া যায়নি। এছাড়া এই প্রস্তরের কোনো তারিখ নির্ণয় করা যায় না। এসব প্রস্তর যেকোনো সময়ের হতে পারে। এর সঠিক বয়স নির্ণয় করার কোনো উপায় নেই। অর্থাৎ এটি কোনো রাম মন্দিরের কিনা, তার কোনো প্রমাণই নেই। আর যেসব পিলারের গোড়া রয়েছে, সেগুলো আমার মতে স্পষ্টতই ১২ থেকে ১৫শ’ শতাব্দীর সময়কার। এএসআই নিজেও বলছে না, এসবের বয়স কতদিন। সুকৌশলে তা এড়িয়ে, সংস্থাটি শুধু বলেছে যে, মসজিদের নিচে একটি মন্দির আছে। ব্যাস!
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্যরকম এক ভালবাসা

কিন্তু দু’জন দু’জনকে ভালবাসেন। সেই ভালবাসা তারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চান। তার মাধ্যমে তারা মানুষকে শিক্ষিত করতে চান যে, বিকলাঙ্গা মানুষরা অবহেলার পাত্র বা পাত্রী নন। শেন’কে নিয়ে যখন হান্নাহ বের হন তখন অনেকেই তাদেরকে দেখে ভুল করেন। কেউ ভেবে বসেন তারা ভাইবোন। আবার কেউ মনে করেন অর্থের বিনিময়ে শেন’কে দেখাশোনা করেন হান্নাহ। শেনের যতœআত্মী দেখে অনেকে মনে করে বসেন হান্নাহ বুঝি তার মা। কিন্তু না। এর কোনোটিই নন তিনি। তিনি ¯্রফে ভালবাসেন শেনকে।
শেনের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভ্যানিয়াতে। তার জন্ম হয় স্পাইনাল মাসকুলার অ্যট্রোফি (এসএমএ) নামের এক রোগ নিয়ে। দু’বছর বয়স থেকে তিনি হুইল চেয়ারে। তারপর থেকে এভাবেই জীবন কাটিয়ে নিচ্ছেন। এখন থেকে তিন বছর আগে তার জীবনী নিয়ে তৈরি করা প্রামাণ্যচিত্র ‘শেনস লাইফ’। তা দেখে হান্নাহ আপ্লুত হন। সিদ্ধান্ত নেন শেনের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। শেন বই লেখেন। তাতে যে অনুভূতি তিনি তুলে ধরেছেন তার প্রশংসা করেছেন হান্নাহ। তিনি ভেবেছিলেন শেন হবেন খুবই শান্তশিষ্ট একজন মানুষ। এক পর্যায়ে তিনি শেনকে একটি চিঠি লেখেন। এতে তার শারীরিক অক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন নি তিনি। এরপর টেক্সট ম্যাসেজ এবং ভিডিও কলে তাদের যোগাযোগ হতে থাকে। মিনেসোটায় একটি কলেজে পড়াশোনা করেন হান্নাহ। শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে শেনকে দেখতে ছুটে যান পেনসিলভ্যানিয়াতে। চারদিন ছিলেন সেখানে। এ সময় একজন আরেকজনকে চিনেছেন খুব খাছে থেকে। তাদের মধ্যে ভালবাসার মুকুল ফোটে। সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন তারা জীবনের দীর্ঘ চলার পথে একে অন্যের হাত ধরে থাকবেন।
২০১৮ সাল। এ সময় মিনেসোটার একটি ফ্লাটে উঠে পড়েন তারা দু’জনে। সেখানেই কাটছে তাদের সময়। হান্নাহ এখন গ্রাজুয়েশন করছেন। এরপরেই সন্তান নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। ইউটিউবে তারা তাদের ভালবাসার ভিডিও প্রকাশ করে যাচ্ছেন। তাতে সাবস্ক্রাইবার এক লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি। আর এ সংখ্যা সৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৬ মাসে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৪২ বছরে ২৬৫০টি কবর খনন করেছেন মনু মিয়া by আশরাফুল ইসলাম

ব্যতিক্রমী পন্থায় মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ সেবাপরায়ণতার এক অনন্য প্রতীক- জীবনের অন্তিম যাত্রায় মাটিরঘরের নিবেদিত শিল্পী মনু মিয়া। দূরের যাত্রায় দ্রুত পৌঁছাতে নিজের ধানীজমি বিক্রি করে কিনেছেন একটি ঘোড়া। ঘোড়ার পিঠে তুলে নেন তার যাবতীয় হাতিয়ার-যন্ত্র।
সেই ঘোড়ায় সওয়ার হয়েই শেষ ঠিকানা সাজাতে মনু মিয়া এখন ছুটে চলেন গ্রাম থেকে গ্রামে।
কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের আলগাপাড়া গ্রামের এক কৃষক পরিবারে জন্ম মনু মিয়ার। পিতা আবদুল হেকিম মিয়া এবং মাতা সারবানুর দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে মনু মিয়া তৃতীয়।
ছোটবেলায় মনু মিয়া ছিলেন অত্যন্ত ডানপিটে ও দুরন্ত স্বভাবের। সে কারণে বাবা আবদুল হেকিম মিয়া ছেলেকে স্কুলে পাঠালেও লেখাপড়ায় এগোতে পারেননি। বরং স্কুল কামাই করে বন্ধুদের সঙ্গে হা-ডু-ডু, ডাংগুলি ও ফুটবল নিয়ে মাঠে পড়ে থাকার পাশাপাশি নানা রকম দুষ্টুমিই ছিল তার কাজ। এরপরও ছোট ছেলে হিসেবে বাবা-মায়েরর খুব আদরের ছিলেন মনু মিয়া। কৈশোরেই তার আবদার রক্ষা করতে বাবা আবদুল হেকিম মিয়াকে ঘোড়া পর্যন্ত কিনে দিতে হয়েছিল। হাসিখুশি আর হৈ-হল্লায় মেতে থাকা মনু মিয়ার জীবনে হঠাৎ করেই ঘটে ছন্দপতন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে মনু মিয়া তার মাকে হারান। মায়ের কবরে বাবা, বড় ভাই আর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে একমুঠো মাটি দিয়ে তাকে শেষ বিদায় জানানোর সময়েও মনু মিয়া বুঝতে পারেননি, তাকে কতটা স্নেহবঞ্চিত করে চলে গেছেন মা!
খুব অল্পদিনেই যখন মায়ের অভাবটা বুঝতে শুরু করলেন, তখন থেকে মনু মিয়াও শামিল হলেন বদলে যাওয়ার মিছিলে। কারো মৃত্যু সংবাদ শুনলেই, তার মানস পর্দায় ভেসে ওঠতো স্নেহময়ী জননীর মুখ। মাটির ঘরের শেষ বিছানায় কেমন কাটছে তার দিন? কেমন আছেন মা? এসব খুব ভাবাতো মনু মিয়াকে। ব্যাকুল হৃদয়ে মায়ের কবর জিয়ারতের জন্য ছুটে যেতেন কবরস্থানে। কবরস্থানে এভাবে যাওয়া-আসা থেকেই স্থানীয় গোরখোদকদের সঙ্গে মনু মিয়া একদিন কবর খননের কাজে অংশ নেন।
প্রথম সেই দিনের কথা বলতে গিয়ে মনু মিয়া বলেন, আমি তখন কিছুই বুঝতে পারিনি। আমার কেবলই মনে হচ্ছিল, আমি যেন আমার মায়ের শেষ ঠিকানাটা সাজিয়ে দিচ্ছি। এরপর থেকে যখনই সুযোগ পেয়েছি, তখনই তাদের সঙ্গে কবর খননের কাজে অংশ নিয়েছি। এভাবে একসময় এ কাজটার প্রতি আমার অন্যরকমের একটি ভাললাগা জন্মে গেল। কোনো কারণে যদি একটি কবর খোদায় শরিক হতে না পারতাম, মনে হতো কি যেন মিস করেছি।
মনু মিয়া জানান, তিনি ছোটবেলায় স্থানীয় গোরখোদকদের সঙ্গে প্রথম প্রথম আত্মীয়স্বজনের কবর খননের কাজে অংশ নিতেন। ক্রমশ দক্ষতা বাড়তে বাড়তে এক সময় এ কাজটিকেই তিনি জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। এরপর থেকে টানা ৪২ বছর ধরে অকৃত্রিম আবেগে তিনি নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন কবর খননের কাজে।
একজন নিখুঁত সুদক্ষ গোরখোদক হিসেবে তার সুনাম রয়েছে দুর্গম হাওর উপজেলা ইটনা, মিঠামইন, শাল্লা, আজমিরীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহে। কবর খনন করার জন্য নিজের খরচায় তিনি খুন্তি, কোদাল, দা, করাতসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি তৈরি করে নিয়েছেন।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ কাজে তার পারদর্শিতা এবং আন্তরিকতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। নিজ গ্রাম বা দূরবর্তী গ্রাম, যেখান থেকে যখনই কারো মৃত্যু সংবাদ পান, আবেগতাড়িত দরদ নিয়ে ছুটে যান মনু মিয়া। তিনি কবর খোঁড়ার বিনিময়ে কারো কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন না। এমনকি যাতায়াত খরচটুকুও না। আর এ কারণেও মনু মিয়া পাচ্ছেন মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর সম্মান। তিনি নিজেও বার্ধক্যের কিনারায় দাঁড়িয়ে। ফলে কবর খোঁড়ার কাজে তিনি নিয়োজিত হন এক বিষাদময় আবেগে।
মনু মিয়ার সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, তিনি ঢাকার বনানী কবরস্থানসহ দেশের নানা প্রান্তে গোর খনন করে এ পর্যন্ত ২৬৫০টি গোর খনন করেছেন। কোথাও বেড়াতে গিয়ে যদি কারো মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছেন তো তিনি সেখানে ছুটে গিয়ে গোর খননে শামিল হয়েছেন। এমনো হয়েছে, ভীষণ অসুস্থ অবস্থায় তিনি বিছানা ছেড়ে ওঠতে পারছেন না। কিন্তু কারো মৃত্যু সংবাদ তার কানে এসেছে, সে অবস্থায় তিনি কবরস্থানে ছুটে গিয়ে তার গোর খনন করেছেন। শুরুর দিকে তার স্ত্রী রহিমা বেগম মাঝে মাঝে এ বিষয়ে কথাবার্তা বললেও মনু মিয়ার এ কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও একাগ্রতার কারণে তিনিও স্বামীকে যতটা সম্ভব মানসিক সমর্থন দিয়ে চলেছেন।
উদাসীন ও সাদা মনের এ মানুষটি আমৃত্যু তার এ কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রাখেন। তার মতে, মানুষের জন্য এমনিতে কিছু করতে না পারলেও তার শেষ ঠিকানাটা তো সাজিয়ে দিতে পারছেন। আর এটাই তার সুখ।
মনু মিয়া আরো জানান, এ কাজ করতে গিয়ে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের নিকট থেকে যে ভালোবাসা পাচ্ছেন, এটাও তার পরম শান্তির। তাই শরীরে শক্তি-সামর্থ্য থাকলে আমৃত্যু এ কাজটি তিনি চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রাখেন। দূরের যাত্রায় দ্রুত পৌঁছাতে নিজের ধানিজমি বিক্রি করে কিনেছেন একটি ঘোড়া। ঘোড়ার পিঠে যাবতীয় হাতিয়ার-যন্ত্র তুলে নিয়ে ঘোড়ায় সওয়ার হয়েই শেষ ঠিকানা সাজাতে মনু মিয়া এখন ছুটে চলেন গ্রাম থেকে গ্রামে। মনু মিয়া বলেন, আমি সেই দিনটির অপেক্ষায় আছি, যখন আমার কবর খনন করার জন্য আমারই মতো কেউ নিঃস্বার্থ মন নিয়ে খুন্তি-কোদাল হাতে এগিয়ে আসবেন।
মনু মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম বলেন, এমনও হয়েছে, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনি (মনু মিয়া) বিছানা ছেড়ে ওঠতে পারছেন না। এরকম অবস্থায়ও কারো মৃত্যু সংবাদ কানে এলে ছুটে গেছেন কবর খুঁড়তে। তাদের কোনো সন্তান নেই। মানুষের ভালোবাসাই সন্তানের চেয়েও তাদের বড় সম্পদ বলে মন্তব্য করেন রহিমা বেগম।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌচাষিরা by মো. নজরুল ইসলাম

মৌচাষে চাষিরা একদিকে যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে দূর হচ্ছে বেকারত্ব। এমনকি অনেক শিক্ষার্থীই লেখাপড়ার পাশাপাশি লাভবান হওয়ার জন্য মৌচাষ করছে। এই মধু এখন দেশের বিভিন্ন স্থানসহ বিদেশেও বিক্রি হচ্ছে।
তবে চাষিদের দাবি সরকারের সহযোগিতা পেলে তারা এ মধুচাষে আরো লাভবান হতেন।
সরিষা ফুলের মধু যেমন খাঁটি তেমনি সুস্বাদু। মধু উচ্চমাত্রার প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক হওয়ায় এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি ও ক্রেতাদের কাছে।
সরজমিনে মধুপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, সরিষা খেতের পাশে সারিবদ্ধভাবে মৌবাক্স স্থাপন করা হয়েছে।
আর মৌমাছিরা সরিষা থেকে মধু আহরণ করে বাক্সে জমা করছে। এই বাক্স থেকে চাষিরা মধু সংগ্রহ করে সময় পার করছেন। মৌবাক্সের চারদিকে মৌমাছি ঘোরাঘুরি করছে। ওই স্থানে মৌমাছিদের মিলন মেলা তৈরি হয়েছে।
বিগত ১০ বছর ধরে মৌচাষ করেন টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সন্তোষ ঘোষপাড়া এলাকার আমিনুর রহমান। তিনি এ পেশায় লাভবান উল্লেখ করে বলেন, এ বছর আমি সরিষা খেতে শতাধিক মৌবাক্স স্থাপন করেছি। এখন পর্যন্ত আমি (ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি ১ সপ্তাহ) প্রায় দেড় টন মধু সংগ্রহ করতে পেরেছি। সরিষা খেতে বছরে ৪ মাস মধু আহরণ করে থাকি। অন্য ৬ মাস কৃত্রিম পদ্ধতিতে চিনি খাইয়ে মৌমাছিদের রাখা হয়। এবার আমার প্রায় আড়াই লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। আশা করছি আমার প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকার মতো লাভ হবে। বিভিন্ন কোম্পানির লোকজন আমাদের কাছ থেকে মধু কিনে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, মূলত ডিসেম্বর থেকে মধু আহরণের উপযুক্ত সময়। তখন জেলায় বিভিন্ন স্থানে ভালো সরিষা ফুল ফোটে। আকার ভেদে একটি বাক্সে ২ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত মধু পাওয়া যায়। আর প্রতিটি বাক্সে খরচ হয় ২ থেকে ১২ হাজার টাকা। এ ছাড়া আমি লিচু থেকেও মধু সংগ্রহ করে থাকি।
আমিনুর রহমান বলেন, আমার সংসারের যাবতীয় খরচ এর ওপর নির্ভরশীল। যদি সরকার আমাদের সহযোগিতা করেন তাহলে আমরা মৌচাষে আরো লাভবান হতাম। কিন্তু আমি বিগত সময়ে জেলা প্রশাসক এবং কৃষি অফিসে গিয়েও কোনো সহযোগিতা পাইনি।
এ ব্যাপারে শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি এ পেশায় নিয়োজিত। এতে আমরা বেশ লাভবান হচ্ছি। আমাদের দেখে অনেকেই সরিষা থেকে মৌবাক্সে মধু আহরণে আগ্রহী হচ্ছেন। সরিষা থেকে মধু আহরণে একদিকে যেমন বেকারত্ব দূর হয়। অন্যদিকে অল্প সময়ের মধ্যে লাভবান হওয়া যায়।
তিনি আরো বলেন, অনেকেই প্রথমে সরিষা খেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপনে বাধা দিলেও এখন কৃষকরা বাধা দেন না। কারণ এর ফলে সরিষার ফলন বেড়ে যায়। আমাদেরকে মৌমাছি কিনে আনতে হয়।
বাসাইল উপজেলার বাশুলিয়া গ্রামের আয়নাল হক নামের এক কৃষক বলেন, মৌবাক্স স্থাপনে সরিষার ফলন ভালো হচ্ছে। মৌচাষিদের খেতে মৌবাক্স স্থাপনে কোনো বাধা দেয়া হচ্ছে না।
মৌচাষি ইয়াকুব বলেন, প্রথমে ৫টি মৌবাক্স নিয়ে শুরু করেছিলাম। এখন মৌবাক্স ৫০টিরও বেশি। এই কয়েক মাসের উপার্জন দিয়ে সারা বছর চলে যায়। মধু সংগ্রহে লাভবান হওয়ার কারণে অনেকেই এই পেশায় চলে আসছে।
জেলা কৃষি সমপ্রাসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলায় এ বছর সরিষার আবাদের টার্গেট ছিল ২৮ হাজার হেক্টর জমি। কিন্তু সরিষা উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার হেক্টর জমি। এতে প্রায় ১০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে।
এ বছর জেলায় ৭ হাজার ২শটি বাক্সে বসানোর টার্গেট ছিল। কিন্তু সরিষা খেতের পাশে প্রায় ১০ হাজারের মতো বাক্স বসানো হয়েছে। যা টার্গেটের চেয়ে বেশি। এখন পর্যন্ত মধু উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কেজি। আধুনিক প্রযুক্তি/বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মধু আহরণ করা হচ্ছে।
জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ বছর জেলায় টার্গেটের চেয়ে বেশি সরিষা আবাদ এবং মৌবাক্স স্থাপন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মধু উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কেজি। সামনে আরো মধু উৎপাদন হবে।
তিনি বলেন, বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষিজমিতে সরিষা খেতে মৌবাক্স স্থাপন করেছে মৌচাষিরা। এতে একদিকে মৌচাষিরা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে মধু সংগ্রহ করে লাভবান হচ্ছেন অন্যদিকে স্থানীয় কৃষিজমিতে সরিষার ফলনও অন্য বছরের তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আব্দুর রাজ্জাক জানান, মধু ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এখানকার মধু দেশের বিভিন্ন স্থান ছাড়াও বিদেশে চাহিদা রয়েছে। তাই মধু দেশের বিভিন্ন স্থানসহ বিদেশেও বিক্রি করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সরিষা খেতের পাশে মৌচাষ করলে সরিষার পরাগায়নের ফলে আবাদ শতকরা ১৫ থেকে ২০ ভাগ ফলন বৃদ্ধি পায়। কয়েক বছর আগেও সরিষা চাষিরা তাদের জমিতে মৌবাক্স স্থাপনে বাধা দিত। তাদের ধারণা ছিল মৌমাছির কারণে সরিষার ফলন কম হবে। তবে আমাদের কৃষি কর্মকর্তারা বোঝাতে সক্ষম হন মৌচাষের কারণে সরিষার ফলন কমতো হয়ই না, বরং ফলন ভালো হয়। এরপর চাষিরা তাদের জমির পাশে মৌবাক্স স্থাপনে সহায়তা করে আসছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় না বসার কারণ জানালো ভারত

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, পাকিস্তান যে সন্ত্রাসীদের মদদ দিয়ে আসছে তা প্রমান করতে ভারত এবার ৫টি নির্দিষ্ট ঘটনা তুলে ধরেছে। আর জানিয়েছে, এতেই প্রমানিত হয় পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের মদদ দেয় এবং এ কারনেই আলোচনায় বসতে অনিচ্ছুক ভারত। ভারতের প্রথম অভিযোগ, গত বছরের ১৬-১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আফ্রিদি জামায়াত উদ দাওয়াহ (জেইউডি) নেতা ও জাতিসংঘ ঘোষিত সন্ত্রাসী হাফিজ সাইয়িদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
বৈঠকে তাকে স্পষ্টভাবে বলতে দেখা গেছে, সাইয়িদ ও তার সংগঠনের প্রতি পাকিস্তান সরকারের সমর্থন রয়েছে। তিনি বলেন, পিটিআই যতদিন পাকিস্তানের ক্ষমতায় রয়েছে কেউ সাইয়িদ বা জেইউডির কিছু করতে পারবে না।
ভারতের দ্বিতীয় অভিযোগ, জেইউডি ২০১৮ সালের নভেম্বরে একটি রেসকিউ সেন্টার চালু করে যেখানে স্থানীয় পিটিআই নেতার সাহায্য রয়েছে। ভারত এটিকে জেইউডির প্রতি পাকিস্তান সরকারের সমর্থন মনে করছে। তৃতীয়ত, ইতিমধ্যে জেইউডি ও এর এনজিও ফালাহ-ই-ইনসানিয়াত ফাউন্ডেশনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা ধরে রাখতে পাকিস্তান সরকারের মধ্যে কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। তারা আইনে পরিনত করতে এটিকে পার্লামেন্টেও উত্থাপন করেনি। সম্প্রতি সাইয়িদ জেইউডি নিষিদ্ধের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। ভারতের চতুর্থ অভিযোগ, পাকিস্তানে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিন নেতা ও ইউনাইটেড জেহাদ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সায়িদ সালাউদ্দিন গত অক্টোবর মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বিদ্রোহীদের সাহায্যের আহবান জানিয়েছে। ভারতের সর্বশেষ অভিযোগ হচ্ছে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে সায়িদের সঙ্গে জনসম্মুখে আসেন পাকিস্তানের ধর্মমন্ত্রী নুরুল হক কাদরি। সেখানে তারা দুজনেই তীব্র ভাষায় ভারতবিরোধী বক্তব্য দেয়।
ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থান এর মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে। ইমরান খান ভারতীয় সাংবাদিকদের আশ্বস্থ করেছেন, পাকিস্তানের মাটি সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করতে দেবেন না। কিন্তু জেইউডি পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাস দমন অধিদপ্তরের ওয়াচলিস্টে থাকার পরেও তারা সীমান্তের ভারতবিরোধী কর্মকান্ডে মদদ দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভারত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে মন্ত্রিসভার ধাঁধা: ভারতের কম, চীনের বেশি? by ইরতিজা নাসিম আলী

অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ বেশির ভাগ বাংলাদেশিই এই মন্ত্রিসভা নিয়ে হতবুদ্ধিকর অবস্থায় পড়ে গেছেন। জাদুকররা যেভাবে টুপির ভেতর থেকে খরগোশ বের করেন, শেখ হাসিনাও এমন একটি দল (মন্ত্রিসভা) গঠন করেছেন, যা নিয়ে কোনো ধরনের ভবিষ্যদ্বাণীই করা যায় নি। এই বিস্ময়ের পেছনে রহস্য কী? বিরাজমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক দৃশ্যপট বিবেচনা করলে সাধারণ বুদ্ধিতেই বোঝা যাবে যে, ছোট দেশগুলোর স্থানীয় রাজনীতিতে বড় শক্তিগুলোর হাত থাকে। কলা-কৌশলে কিংবা বলপ্রয়োগ করে ‘বড় ভাইয়েরা’ তাদের অনুকূলে চলতে ছোট দেশগুলোকে বাধ্য করে।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তা প্রদানের জের ধরে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের ওপর ভারতের জোরালো প্রভাব রয়েছে এবং দেশটি আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ। ভারত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখলেও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ফ্রন্টে চীন বিশাল প্রেক্ষাপটে আবির্ভূত হওয়ায় দৃশ্যত সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটে গেছে। শক্তিশালী বিশ্বশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশকারী চীন তাৎপর্যপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, এতে সম্ভবত সন্তুষ্ট নয় কেউই।
ভারত দেখছে, তাদের একটির পর একটি প্রতিবেশী পূর্বমুখে বেইজিংয়ের দিকে তাকাচ্ছে, ধীরে ধীরে দিল্লি থেকে সরে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও কী তাই ঘটছে? আঞ্চলিক রাজনীতির খেলায় কৌশলী খেলোয়াড় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্ভবত চীনের দিকে অধিক ঝুঁকেছেন। তার নতুন মন্ত্রিসভায় সম্ভবত ওই পদক্ষেপেরই সূক্ষ্ম প্রতিফলন ঘটেছে। নিশ্চিতভাবেই মনে হচ্ছে ভারতের সঙ্গে নাড়ির সম্পর্কটি কেটে গেছে বা কাটা পড়ার পর্যায়ে রয়েছে। আর এটিও বেশ নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে যে ভারতকে তার মুষ্ঠি শিথিল করতে হচ্ছে। তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমুর মতো আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এবং হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননের মতো সিনিয়র নেতারা ভারতীয় এস্টাবলিশমেন্টের প্রশাসনিক বা নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে আলাদা সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছিলেন। তারা সবাই অপাংক্তেয় হয়ে গেছেন। ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি, কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মতো প্রভাবশালী ভারতীয় মহলের সঙ্গে এসব নেতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
এটি ভারতকে বিশেষ সুবিধা দিতো এবং ওই শক্তিটিই এখন মনে হচ্ছে খোয়া গেল। যোগাযোগের প্রতিষ্ঠিত পথটি কেটে গেছে। অসিম কুমার উকিল, মৃণাল কান্তি দাস, শাফি আহমেদের মতো আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সারির ছোট, তবে তাৎপর্যপূর্ণ যেসব নেতাকে ভারত প্রতিরক্ষার দ্বিতীয় প্রাচীর হিসেবে গড়ে তুলেছিল, তারা সবাই হাসিনার আশীর্বাদ থেকে সরে গেছেন। দিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষাকারীদের মধ্যে যারা থেকে গেছেন তাদের মধ্যে সম্ভবত আছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি। তবে দিপু মনিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেয়ায় (আগে তিনি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান) তিনিও নয়াদিল্লির স্বার্থ দেখভাল করার ক্ষেত্রে সামান্যই ভূমিকা রাখতে পারবেন। একইভাবে যাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় দেয়া হয়েছে তাদের কেউই, তোফায়েল আহমেদ ও আমুর সঙ্গে ভারতের যেমন ঘনিষ্ঠতা ছিল, তেমন ঘনিষ্ঠ নন।
এসব নেতাকে খুব বেশি পাশে সরিয়ে রাখাটা সম্ভবত দিল্লিকে দূরে রাখার একটি হিসাবি চাল। বলা হয়ে থাকে, ভারত এসব নেতার মাধ্যমে বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনা করতো, স্বার্থ আদায় করে নিতো। তোফায়েল ও আমুর মতো নেতারা দৃশ্যপট থেকে বিদায় নেয়ায় যোগাযোগ লাইনটিই কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যোগাযোগের একমাত্র যে লাইনটি রয়ে গেছে তা একেবারে সরাসরি এবং তা হলো হাসিনার সঙ্গে। মনে হচ্ছে, তিনি এমনটিই চেয়েছেন। নির্বাচন পর্যন্ত ভারত তার ঐতিহ্যবাহী মিত্র আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেয়ার মধ্যেই তার বিকল্প সীমিত রেখেছিল। বিএনপি অতীতে ভারতবিরোধী কার্ড খেললেও এবার তারা নয়াদিল্লির দিকে ছুটেছে। অবশ্য ওই উদ্যোগ অগ্রাহ্য করা হয়েছে এবং বিএনপির অনেক নেতা মনে করেন, তাদেরকে ব্যবহার করা হয়েছে। কঠোর বাস্তবতা হলো, শুরুতে বিএনপিই ছিল চীনের বিশ্বস্ত। এবার বিএনপি সুযোগটি হাতছাড়া করেছে কিংবা বলা যায়, সে পুরনো বন্ধুকে বাদ দিয়ে ভারতের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করেছে। অনেকে মন্ত্রিসভা গঠনকে হয়তো মায়ের (হাসিনা) উত্তরসূরি হিসেবে ছেলেকে (সজীব ওয়াজেদ জয়) এগিয়ে আনা বলে মনে করতে পারেন।
এসব বিশ্লেষক মনে করেন, হাসিনা এমনভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন, যাতে সুযোগমতো জয়ের পক্ষে ক্ষমতা গ্রহণ করা সহজ হয়। এই মন্ত্রিসভা তার জন্য স্বস্তিদায়ক হবে। অবশ্য এই দৃশ্যপটে আরো বড় একটি ছবি আছে। ভারত এখন দূরে থাকায় নিশ্চিতভাবেই যে প্রতিবেশী সুবিধা পাবে সে হলো শক্তিশালী চীন। বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগ করায় ভারতীয় প্রভাবের শক্তিকেন্দ্রগুলো বিচ্ছিন্ন রাখতে চীন কার্যকরভাবে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে চীন সফলভাবে পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রতিবেশী থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে এনেছে। সাধারণভাবে যতটুকু মনে করা হয়ে থাকে, চীনা সংশ্লিষ্টতা তার চেয়ে অনেক বেশি। এমন একটি ধারণা রয়েছে যে বাংলাদেশে চীন কেবল ব্যবসায়িক সুযোগ গ্রহণের ব্যাপারে আগ্রহী। বিশাল পদ্মা সেতুসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করায় ব্যবসা নিশ্চিতভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। তবে চীনের কৌশলগত অনুপ্রবেশকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। নিশ্চিত বিনিয়োগ স্বার্থের সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূ-কৌশলগত বৈশ্বিক তাৎপর্য থাকার কারণে বাংলাদেশের সরকার পরিচালনাকারীকে নিরঙ্কুশভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চীন অনেক বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সে এখানে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নয়াদিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কাউকেই দেখতে চায় না। এ কারণেই দিল্লি-অন্তঃপ্রাণদের বাদ দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। চীনা কৌশলের অংশে জয়-এর বিষয়টিও বেশ ভালোভাবে থাকতে পারে।
ভারতের সঙ্গে হাসিনা জোরালো সম্পর্ক অব্যাহত রাখলেও বেইজিং চেষ্টা করে যাচ্ছে জয়কে জয় করার। মনে হচ্ছে রাজনীতির হৈহুল্লোড়ের মধ্যে প্রবেশ করার পর থেকেই জয়ও চীনের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। ফলে ভারতপন্থি নেতারা বাদ পড়েছেন, তাদের স্থানে চীনপন্থিরা সুযোগ পেয়েছেন। এতে করে যথাযথ ধারায় জয়ের উত্তরাধিকার হওয়ার পথটি সুগম হতে পারে। কিন্তু এটি কি সাবলীল যাত্রা হবে? বাংলাদেশে ভারতের ব্যাপকভিত্তিক গ্রন্থি থাকায় একে পুরোপুরি অগ্রাহ্য করা কঠিন হবে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে ভারতীয় প্রভাব অনেক গভীরে এবং নয়াদিল্লি চাইলে দেশে ‘অস্থিরতা’ সৃষ্টি করার মতো ক্ষমতা তার আছে। অন্যদিকে নিজস্ব ঘরানার রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় মডেল থাকায় গণতন্ত্র, একদলীয় শাসন ও মানবাধিকার বা এসবের অভাবের মতো বিষয়গুলোর প্রতি কোনো ধরনের অনিচ্ছা বা অস্বস্তি চীনের নেই। চীনের গ্লোবাল টাইমসের সাম্প্রতিক এক সম্পাদকীয়তে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে লেখা হয়েছে: ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউসহ পাশ্চাত্যের শক্তিগুলোর মঙ্গলবারের নির্বাচন দিবসের সহিংসতা অন্যান্য অভিযোগ, যা নির্বাচনী প্রচারণার পরিবেশকে কলুষিত করেছিল, বিরোধীদের বিক্ষোভকে আরো ইন্ধন দেবে।’
সম্পাদকীয়টিতে আরো উল্লেখ করা হয় যে, হাসিনা ক্ষমতায় থাকায় চীন বেশ খুশি: ‘এটা উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে হাসিনার অধীনে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বজায় রেখেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু ল্যাঙ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন যে, চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্ব সহযোগিতা আরো এগিয়ে নিতে নতুন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চীন।’ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। এর কারণেই বাংলাদেশকে পাশে চায় চীন। ঢাকায় চীন-বান্ধব সরকার বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পগুলোর রাজনৈতিক ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়ক হবে। ভারত জোরালোভাবে এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে এবং যুক্তরাষ্ট্রও করে। চীন তার পরিম-লে কোনো ধরনের উপদ্রব বরদাস্ত করবে না। ফলে বাংলাদেশে কেবল দৃঢ় উপস্থিতিই নয়, আরো অনেক বিষয় নিশ্চিত করার সব কারণই আছে চীনের কাছে। চীনসাগর থেকে বাংলাদেশের দিকে পরিবর্তনের বাতাস বইছে, আওয়ামী লীগ নিশ্চিতভাবেই পূর্ব দিকে ঝুঁকছে। কারচুপির ব্যাপক অভিযোগ সত্ত্বেও জয় নিয়ে দলটি যে বাহাদুরি দেখিয়েছে, তার ব্যাখ্যা এটিই।
(ইরতিজা নাসিম আলী, প্রধান সম্পাদক, সাউথ এশিয়ান মনিটর)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারে অচলাবস্থার ২০ দিন: আবারো জরুরি অবস্থা জারির হুমকি ট্রাম্পের

আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এ দ্বন্দের কারনে যুক্তরাষ্ট্র সরকারে সৃষ্টি হয়েছে অচল অবস্থা।
ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, দেয়াল নির্মানের অর্থ না দেয়া হলে তিনি কোনো অর্থবিলে সাক্ষর করবেন না। ফলে আটকে আছে প্রায় ৮ লাখ ফেডারেল কর্মকর্তার বেতন। দেয়াল নির্মানের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ পারে এ সংকট থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করতে। সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমরা জরুরি অবস্থা জারি করতে পারি। যদিও এটা উচিত হবে না। এটা একটা সাধারন কা- জ্ঞান।
এর আগে, ডেমোক্রেট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেন ট্রাম্প। মার্কিন সরকারের অচলাবস্থার ১৯তম দিনে এমন ঘটনা ঘটে। এদিন ডেমোক্রেট নেতা প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও সিনেটে ডেমোক্রেট নেতা চাক শুমারের সঙ্গে বৈঠক ভেঙে যাওয়ায় ওয়াকআউট করেন ট্রাম্প। তিনি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে যে দেয়াল নির্মাণ করতে চান তাতে অর্থ ছাড় দিতে অস্বীকৃতি জানান ডেমোক্রেট এ দু’নেতা। ফলে ওই বৈঠককে সময়ের অপচয় বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে সৌদি তরুণীকে রক্ষা করলো টুইটার

টুইটারে তার এ সাহায্যের আকুতি মানুষের নজরে পড়ে।
অনলাইন জগতে #সেভরাহাফ হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যে মিসরীয় বংশোদ্ভূত একজন মার্কিন অধিকারকর্মী রাহাফের আরবি টুইটের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন। মুহূর্তেই তা অধিকারকর্মী মনা এলতাহাওয়ে’র লাখ লাখ অনুসারীর কাছে পৌঁছে যায়। কয়েক ঘণ্টা পর রাহাফের বিষয়টি মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের নজরে পড়ে। টুইটারে রাহাফের সঙ্গে সরাসরি বার্তা আদান-প্রদান করেন সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের ডেপুটি ডিরেক্টর ফিল রবার্টসন। তাকে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন রবার্টসন।
অবরুদ্ধ থাকার পরও রাহাফের অনবরত টুইট অনলাইন জগতে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। প্রতি মুহূর্তে রাহাফ টুইটারে নিজের অবস্থা বিশ্ববাসীকে জানাতে থাকেন। তার টুইটগুলোতে যে আতঙ্ক ও সাহায্যের আকুতি ছিল, তা টুইটার ব্যবহারকারীদের সহযোগিতা ও সহানুভূতি আদায় করতে সক্ষম হয়। ক্ষণিকের মধ্যেই ‘সেভরাহাফ’ হ্যাশট্যাগ অনলাইনে ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়ে। টুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরেরদিন রোববার বিকাল পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি টুইটার ব্যবহারকারী এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে টুইট করেছেন। টুইটারে একেবারেই অপরিচিত সৌদি তরুণী রাহাফের অনুসারী ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ২৪ জন থেকে ২৭ হাজারে পৌঁছে। ফিল রবার্টসন বলেন, যখন আমি শুনলাম যে রাহাফ প্রকাশ্য বিবৃতিতে তার ধর্মত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে, তখনই বুঝেছিলাম সৌদি আরবের ফেরত পাঠানো হলে তার পরিস্থিতি খুবই খারাপ হবে। এমন পরিস্থিতে তাকে সাহায্য করা ছাড়া অন্য কোনো চিন্তা আমার মাথায় ছিল না। সৌদি আরবে ইসলাম ধর্ম বা স্বধর্মত্যাগকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে মনে করা হয়। রাহাফের সাহায্যের আকুতি টুইটারে তোলপাড় করার পর বিভিন্ন মহল তার সমর্থনে সোচ্চার হয়েছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া রাহাফের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এগিয়ে এসেছে। সেখানে তার শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
যা হোক, সোমবার সকালে রাহাফের হোটেল রুমে উপস্থিত হয় থাইল্যান্ডের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। তারা রাহাফকে কুয়েতে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে জবরদস্তি করেন। টুইটারের মাধ্যমে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে রাহাফকে কোনো অবস্থাতেই তার মোবাইল জমা না দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। রাহাফ এই নির্দেশনা মান্য করতে কঠোর অবস্থানে যান। কর্তৃপক্ষ তার পাসপোর্ট জব্দ করতে সক্ষম হলেও মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে পারেনি। পরে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই নির্দেশনার গুরুত্ব প্রমাণিত হয়। সোমবার তাকে কুয়েতগামী একটি ফ্লাইটে তুলে দিতে জোর প্রচেষ্টা চালায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তিনি হোটেল রুমে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। অনবরত তার সঙ্গে ঘটে চলা বিষয়গুলো টুইটারে প্রচার করতে থাকেন। সোমবার টুইটারে তার অনুসারী বেড়ে ৬৬ হাজারে পৌঁছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ পাওয়া জনপ্রিয়তা রাহাফের পক্ষে বড় ভূমিকা রেখেছে। ফিল রবার্টসন বলেন, রাহাফ মোহাম্মদ আল কুনুন আতঙ্কিত অল্পবয়সী এক নারী। তার সঙ্গে সংঘটিত ঘটনাগুলো টুইটারে ছড়িয়ে পড়ার কারণে তার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়তে থাকে। এটা ছিল বর্তমান সময়ের খুবই শক্তিশালী একটি ঘটনা। যার সমাপ্তি ছিল অনিশ্চিত। সংকটময় পরিস্থিতিতে সমর্থন ও সাহায্য লাভের জন্য রাহাফের কাছে উপযুক্ত মাধ্যম ছিল টুইটার। কেননা এতে যেকোনো তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। টুইটারে ব্যাপক সমর্থন লাভের বিষয়টি থাইল্যান্ডের প্রধান গণমাধ্যমগুলোর নজরে পড়ে। রাহাফের টুইট স্থানীয় কূটনৈতিকসহ সরকারের উচ্চপর্যায় ও ইউএনএইচসিআরের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়। রাহাফ স্বেচ্ছায় যাবেন না- এটা পরিষ্কার হওয়ার পর থাইল্যান্ড তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনা করে। এক্ষেত্রে উপরের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রতিনিধি জোনাথন হেড বলেন, রোববার রাত পর্যন্ত থাইল্যান্ডের কর্মকর্তারা কঠোর অবস্থানে ছিলেন যে, রাহাফকে ফেরত পাঠানো হবে। তখনো থাই গণমাধ্যগুলো রাহাফের কোনো খবর প্রচার করেনি। কিন্তু সোমবার সকালে এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। এখন জাতিসংঘ রাহাফ মোহাম্মদ আল কুনুনকে বৈধ শরণার্থী ঘোষণা করার ফলে তিনি নিরাপদে আছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০১৮ সালে মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বিচারবহির্ভূত হত্যা ৪৬৬

লিখিত বক্তব্যে সংস্থাটির সমন্বয়ক আবু আহমেদ ফয়জুল কবির জানান, গত এক বছরে র্যাব-পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে (ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ, গুলিবিনিময়) ৪৬৬ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৪ঠা মে থেকে ৩১শে ডিসেম্বরই মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত হয়েছেন ২৯২ জন। যা ২০১৭ সালের হিসাবকে অনেকাংশে ছাড়িয়ে গেছে। সে বছর এসব বিনাবিচারে নিহত হওয়ার সংখ্যা ছিল ১৬২ জন। গত বছর মে মাসে কক্সবাজারের পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হকের র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উঠে আসে। পাশাপাশি গ্লোরি পরিবহনে চালক ফারুক হোসেনসহ চার যুবকের চাঞ্চল্যকর হত্যার বিষয়টিও তুলে ধরে আসক।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে গুম, অপহরণের ঘটনায় উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে সংস্থাটি জানায়, এক বছরে অন্তত ৩৪ ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। এর মধ্যে পরবর্তী সময়ে ১৯ জনের সন্ধান পাওয়া গেলেও অধিকাংশকেই বিভিন্ন মামলায় আটক দেখানো হয়েছে। গত বছরের ১০ই জুন মিরপুরে নিজ বাসা থেকে মোহন মিয়া নামের এক যুবককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজের বিষয়টিও উল্লেখ করে আসক। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করলেও এখন পর্যন্ত মোহনের কোনো সন্ধান মেলেনি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ২০১৮ সালে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৩২ জন। এরমধ্যে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন ৬৩ জন ও আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন। রাজনৈতিক সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে জানানো হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পর ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪৭০টি সহিংসতার ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ১৯ জন ও বিএনপির ৪ জন রয়েছেন। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ৭০১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬৭ জন নিহত হয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও তথ্য ও যোগাযোগ আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো সমরূপ আটটি ধারা সন্নিবেশিত হয়েছে। এসব ধারায় মতপ্রকাশের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে।
উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ২০১৮ সালে বখাটেদের কাছে যৌন হয়রানিসহ বিভিন্ন সহিংসতার শিকার হয়েছেন ১৭৩ জন। যার মধ্যে ১১৬ জন নারী। উত্ত্যক্তের কারণে আত্মহত্যা করেছেন ৮ জন। এ ছাড়া যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে ৩ জন নারীসহ খুন হয়েছেন ১২ জন। এ ছাড়া সালিশ ও ফতোয়ার মাধ্যমে ৭ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাছাড়া যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়ছেন ১৯৫ জন। এর মধ্যে নির্যাতনের কারণে মারা গেছেন ৮৫ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন ৬ জন। ২০১৭ সালে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন ১৭০ জন। অন্যদিকে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪০৯ জন। এ ছাড়া ৫৮ জন নারী গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪ নারী, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন ২৬ নারী এবং নির্যাতনসহ বিভিন্ন কারণে মারা যান ১৮ জন। অপরদিকে এসিড নিক্ষেপের শিকার হন ২২ জন। এর মধ্যে একজন মারা যান।
ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৮ সালে হিন্দু সমপ্রদায়ের উপাসনালয়ে ৯৭টি প্রতিমা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং ২৯টি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এতে একজন নিহত ও ৪৬ জন আহত হয়েছেন।
সাংবাদিক নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে আসক জানায়, গত বছরে হামলা, মামলা, হুমকি ও হয়রানিসহ বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২০৭ জন সাংবাদিক। এ ছাড়া দুর্বৃত্তদের হাতে ৩ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাধীন মতপ্রকাশ বা বাকস্বাধীনতার ও সভা-সমাবেশের অধিকার সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হলেও এসব অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বছরের বিভিন্ন সময়ে। পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা মতপ্রকাশের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করবে। এ ছাড়া সভা-সমাবেশের অধিকারও বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে।
একই বছর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে ৮ জন ও শারীরিক নির্যাতনের কারণে ৬ জনসহ মোট ১৪ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শিশু নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে আসক জানায়, ২০১৮ সালে এক হাজার ১১ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এসব কারণে ২৮৩ জন শিশু নিহত এবং আত্মহত্যার কারণে ১০৮ জন শিশু এবং রহস্যজনক মৃত্যু হয় ২৮ শিশুর। এ ছাড়া যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের শিকার হয় ৪৪৪ শিশু।
সংবাদ সম্মেলনে ২০১৮ সালে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ৪৮৪টি দুর্ঘটনায় ৫৯২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আদিবাসীদের অধিকার পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নসহ তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দীর্ঘদিনের দাবি এখনো পূরণ হয়নি। আসকের প্রতিবেদনে দেশের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু চিকিৎসক ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের অবহেলা, ত্রুটি এবং চিকিৎসা না পেয়ে রোগীর মৃত্যুসহ রোগীর ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রত্যাশা প্রকাশ করে আসকের নির্বাহী পরিচালক শিফা হাফিজা বলেন, সবার সমঅধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। বিভিন্ন সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেসব প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার বাস্তবায়নও সরকারের দায়িত্ব। তিনি বলেন, আমাদের দাবি হচ্ছে, যে সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়েছে রাষ্ট্র সেসব হত্যাকাণ্ডের অনুসন্ধান করবে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটানোর অধিকার স্বাধীন দেশে কারো নেই। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আসকের সিনিয়র ডেপুটি পরিচালক নিনা গোস্বামী ও নির্বাহী সদস্য তাহমিনা রহমান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুবকটা... by ইমরান আলী

মাথায় রুমাল দিলো।
আশপাশ তাকালো। এবার টেবিলের নিচ থেকে একটা বই বের করলো। একাউন্টিং এর বই।
পকেট থেকে কলম বের করে বইটার ভেতর কিছু লাইন দাগ দিয়ে পড়া শুরু করলো। যখনি কোনো ক্রেতা সামনে আসে সে বইটা দ্রুত টেবিলের নিচে রেখে দাঁড়িয়ে যায়। খুব ভালো করে খেয়াল করলাম, যখনই সে একটু অবসর পাচ্ছে বই বের করে পড়ছে। মাথার রুমাল টেনে নিচ্ছে একটু পরপর। ঘাম মুছছে।
তার নড়াচড়া, মুভমেন্ট, বই পড়া দেখে কোনোভাবেই মনে হচ্ছে না সে লোক দেখানো পড়া পড়ছে। কারণ সে খুব চেষ্টা করছে বইটা গোপন রাখার। গরমে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। চলে আসার সময় আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞাসা করেই ফেললাম, ভাই কিসে পড়েন? যুবকটা তাকালো না, না শোনার ভান করলো। আবারো বললাম, কিসে পড়েন। সে উত্তর দিলো- না, পড়ি না। এই জাস্ট বইটা দেখছিলাম। এখানেই ছিল তো!
বুঝলাম সে কিছুটা লজ্জা পাচ্ছে। বললাম, অনার্স না কী মাস্টার্স? সে এবার ধীরে বলল- অনার্স ফাইনাল ইয়ার। বলেই সামনে আসতে থাকা ক্রেতার দিকে তাকালো।
চলে এলাম সেখান থেকে। ইচ্ছে করছিল তার বৃত্তান্ত জানতে। কিন্তু প্রশ্ন করে তার ব্যবসার মূল্যবান সময় নষ্ট না করাই উত্তম। এমন সংগ্রামী যুবক এ শহরে অনেক আছে।
যারা কারও দয়ার অপেক্ষায় থাকে না। যারা কারও কাছে হাত পাততে চায় না। তারা চায় জীবনটাকে যতদূর পারা যায় ভালো রাখতে, সাজিয়ে গুছিয়ে তুলতে। এরা থেমে থাকে না। এরাই তো অলিতে গলিতে লুকিয়ে থাকা হিরো। যারা সাতে নেই পাঁচেও নেই। যাদের নেই কোনো অভিযোগ। এরা জানে শুধুই সংগ্রাম করতে। পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো এমন স্বনির্ভর যুবকদের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ে বহুগুণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসলে কতটা বেড়েছে মজুরি?

ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাবেক মহাসচিব মো. তৌহিদুর রহমান বলেন, এবার ভাতা বৃদ্ধি করে মূল মজুরি কমানো হয়েছে। নিম্নতম মজুরি ৮ হাজার টাকা নিয়ে সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে গ্রেডে। গ্রেডে যে হারে মজুরি বাড়ানোর দরকার ছিল, সেটি হয়নি। সে জন্য শ্রমিকরা খুশি হতে পারেন নি।
মজুরি কাঠামোর গ্রেড পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পোশাক খাতের মজুরি কাঠামোর মোট ৭টি গ্রেডের চারটিতে (৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর গ্রেড) মূল মজুরি বেড়েছে। তবে ৩ নং গ্রেডে মূল মজুরি না বেড়ে ৪০ টাকা কমেছে। ২ নং গ্রেডে কমেছে ৪১২ ও ১ নং গ্রেডে ৪০৫ টাকা। নতুন মজুরি কাঠামো নিয়ে অসন্তোষ মূলত ৩, ৪ ও ৫ নং গ্রেডের শ্রমিকদের। এর মধ্যে ৩ নম্বর গ্রেডের শ্রমিকদের অসন্তোষ মূল মজুরি কমে যাওয়ায়। আর ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডের শ্রমিকরা অসন্তোষ প্রকাশ করছেন মূল মজুরি তুলনামূলক কম বাড়ায়।
প্রতিবছর ৫ শতাংশ হারে শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি হওয়ায় ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডের পুরনো অনেক শ্রমিক ঘোষিত নতুন মজুরি কাঠামোর সমপরিমাণ মূল মজুরি এখনই পাচ্ছেন। প্রায় প্রতিটি কারখানায় এই তিন গ্রেডেই সবচেয়ে বেশি শ্রমিক কাজ করেন।
গ্রেড প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ৪ নম্বর গ্রেড বা অপারেটর পদেই বেশি শ্রমিক কাজ করেন। নতুন কাঠামোতে এই গ্রেডের মূল মজুরি ৪ হাজার ৯৩০ টাকা। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হওয়া আগের মজুরি কাঠামোতে গ্রেডটির মূল মজুরি ছিল ৩ হাজার ৮০০ টাকা। তবে প্রতিবছর ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট হওয়ায় এই গ্রেডে কর্মরত পুরনো শ্রমিকের মূল মজুরি বেড়ে ২০১৮ সালেই ৪ হাজার ৬১৭ টাকা হয়েছে। এবার নতুন কাঠামো ছাড়াই ইনক্রিমেন্ট হলে সেই মজুরি ৪ হাজার ৮৪৮ টাকা হতো। অর্থাৎ নতুন কাঠামোতে গ্রেডটিতে থাকা পুরনো শ্রমিকদের মূল মজুরি বেড়েছে মাত্র ৮২ টাকা। একইভাবে হিসাব করলে দেখা গেছে, ৫ নম্বর গ্রেডের মূল মজুরি বেড়েছে ১৬৮ টাকা। তবে ৩ নম্বর গ্রেডে উল্টো মূল মজুরি কমে গেছে ৪০ টাকার মতো।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিন বলেন, তিন বছরের ব্যবধানে ২০১৩ সালে নিম্নতম মজুরি বোর্ড হয়েছিল। এবার হয়েছে পাঁচ বছর পর। সেই হিসাবে শ্রমিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী মজুরি বাড়েনি। ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডেই সমস্যা আছে। এই গ্রেডগুলোর মজুরি পুনর্বিবেচনা করা দরকার। সরকার, মালিক ও শ্রমিক, তিন পক্ষ বসে পুরো বিষয়টি সমাধান করার পরামর্শ তার।
এদিকে বিজিএমইএ’র দেয়া বেতন কাঠামো পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নতুন মজুরি কাঠামোতে নিম্নতম বা সপ্তম গ্রেডে মজুরি বেড়েছে ৫১ শতাংশ। পোশাক কারখানায় ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডে বেশি শ্রমিক কাজ করেন। গ্রেড তিনটিতে মজুরি যথাক্রমে ৪১, ৪৪ ও ৪৬.৫৫ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০১৩ সালের মজুরি কাঠামোতে এই তিন গ্রেডে মজুরি বেড়েছিল ৬১ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত।
আগের মজুরি কাঠামোতে ৩ নম্বর গ্রেড বা সিনিয়র অপারেটর পদের মূল মজুরি ছিল ৪ হাজার ৭৫ টাকা। প্রতিবছর ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট হওয়ায় গ্রেডটিতে কর্মরত পুরনো শ্রমিকের মূল মজুরি বেড়ে চলতি বছর ৫ হাজার ২০৪ টাকা হতো। অথচ নতুন কাঠামোতে এই গ্রেডের মূল মজুরি করা হয়েছে ৫ হাজার ১৬০ টাকা। অর্থাৎ নতুন কাঠামোতে মজুরি কমে গেছে ৪০ টাকা। একইভাবে ৪ নম্বর গ্রেড বা অপারেটর পদের মূল মজুরি বেড়েছে মাত্র ৭৯ টাকা ও ৫ নম্বর গ্রেডের বেড়েছে মাত্র ১৬৪ টাকা।
শ্রমিক নেতারা মনে করেন, উপরের গ্রেডে মূল মজুরি বৃদ্ধি না পাওয়ায় শ্রমিকদের ওভারটাইমের অর্থ বাড়বে না। এমনকি উৎসব ভাতাও বাড়বে না। সবদিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দক্ষ শ্রমিকরা।
বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রত্যেক শ্রমিকের মোট মজুরি ১ হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকা বেড়েছে। মজুরি যথেষ্ট বেড়েছে। অন্যবারের চেয়ে এবারই সবচেয়ে বেশি মজুরি বেড়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, শ্রমিক নেতারা মনে করছেন, মজুরি কাঠামোর কোনো কোনো গ্রেডে কিছু অসংগতি আছে। মালিকপক্ষ সেটা মনে করছে না। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান হবে। আমি শতভাগ বিশ্বাস করি, আগামী এক মাসের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু কোনোভাবেই এ ধরনের সাংঘর্ষিক কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে জাতিসংঘের আন্তরিকতা নিয়ে টাস্কফোর্স বৈঠকে প্রশ্ন

পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সদস্য, বিভিন্ন এজেন্সির প্রতিনিধি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের প্রতিনিধিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে উপস্থিত থাকা একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউএনডিপি ও ইউএনএইচসিআর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের জন্য মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে। কিন্তু মিয়ানমারের পক্ষ থেকে তাদেরকে রাখাইনে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি রাখাইন সফর করার ইচ্ছা ব্যক্ত করলে মিয়ানমার তাতে রাজি হয়নি। বর্তমানে গোলযোগের কারণে প্রতিদিন সেখানকার অবস্থা খারাপ হচ্ছে এবং রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে কাজ করছে এমন কোনও জাতিসংঘ সংস্থা বা তাদের সদর দফতর কোনও বিবৃতি ইস্যু করেনি যার মাধ্যমে গোটা বিশ্ব জানতে পারে রাখাইনে কী ঘটছে।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা তাদেরকে বলেছি, বিবেকের তাড়না থেকেই তাদের উচিত– মিয়ানমারে কী ঘটছে সেটি গোটা দুনিয়াকে জানানো। আমরা বলেছি, তারা যেন তাদের কাজ ঠিকমতো করে।’ তারা যদি বিবৃতি দিতো, তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলে মিয়ানমারের বিষয়ে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়া সম্ভব হতো বলে তিনি জানান।
এ প্রসঙ্গে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশে যখন কোনও কিছু ঘটে সে বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে বিবৃতি দেয়, অন্যদিকে মিয়ানমারের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের পরে তারা একটি বিবৃতি দিয়েছিল, কিন্তু মিয়ানমারে যখন মানবিক বিপর্যয় ঘটছে তখন তারা নিশ্চুপ।’
ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান আরেকজন কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, ‘আমরা ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ব্যাচটি পাঠাতে চেয়েছিলাম কিন্তু রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে ফেরত যেতে ভয় পাওয়ার কারণে আমরা সেটি স্থগিত করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে আমরা প্রস্তুত। রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হলে এবং রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে রাজি হলে তাদের পাঠানো হবে। রোহিঙ্গারা তাদের নিরাপত্তা, জীবনযাপনের জন্য ব্যবস্থা ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারের বিষয়ে উদ্বিগ্ন।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুস্থ মানুষ এমন নির্বাচন করতে পারে না -ড. কামাল হোসেন

কিন্তু ভোট তো রাতেই হয়ে গেছে। ভারসাম্যহীন মানুষ ছাড়া কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে তথাকথিত নির্বাচন করা সম্ভব নয়।
ড. কামাল বলেন, আমার খুব দুঃখ লাগে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও ৩০ ডিসেম্বর যে ঘটনা ঘটলো এটা দেখতে হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা আমি বিশ্বাস করতে পারি না। এটা হওয়ার কথা না। ৪৮ বছর পরে এটা কেন হবে? তিনি বলেন, আমি আজকে প্রশ্ন রাখতে চাই, এইসব অস্বাভাবিক কাজ কেন হচ্ছে? তৃতীয়বারের মতো একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেছেন। ৩০০ লোক সংসদ সদস্য হয়ে গেছে। আর বিরোধীদলে সাত জন, আমাদের দুজন। এটার অর্থটা কী? এটা একটা খেলা নাকি? ১৭ কোটি মানুষকে নিয়ে কী খেলা করা যায়? সারা দেশের মানুষের মুখে মুখে উচ্চারণ হচ্ছে সরকার নাটক করেছে। আমি মনে করি মানসিকভাবে ভারসাম্য না হারালে এগুলো হয় না। ঐক্যফ্রন্টের এ শীর্ষ নেতা বলেন, চুপি চুপি রাতে কি হলো, সকালে জানিয়ে দিল যে ভোট শেষ।
রাষ্ট্রকে নিয়ে এভাবে খেলা করা তো চলে না। আমি মনে করি যারা এগুলো করছে হয় তারা না বুঝে করছে। তাদেরকে যারা উপদেশ দিচ্ছে, তারা সঠিক উপদেশ দিচ্ছে না। এই ধরনের কাজ কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সংবিধান অনুযায়ী এটা হয় না। সংবিধান মানতে সবাই বাধ্য। সংবিধানের ঊর্ধ্বে কেউ না। কিন্তু এসব সংকট কেন সৃষ্টি করা হচ্ছে? বাংলাদেশের জনগণ ক্ষমতার মালিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন হয়েছিল। ২০১৪ সালে কেউ নির্বাচনে গেলো না। তারা বললো, সাময়িকভাবে নির্বাচন করা হচ্ছে। কিন্তু তারা নির্বাচন না দিয়ে পাঁচ বছর থাকলো। পাঁচ বছর পরে যখন নির্বাচন আসলো, এখনও এই প্রহসন দেখতে হচ্ছে। এটাকে বঙ্গবন্ধু বলতেন রাজচালাকি। আমরা রাজনীতি থেকে সরে রাজচালাকিতে চলে যাচ্ছি।
৩০শে ডিসেম্বর যেটা হয়েছে, সেটা রাজচালাকির একটা সুন্দর উদাহরণ। ড. কামাল বলেন, আমি বলবো- এই রাজচালাকি থেকে বিরত থাকেন। সংবিধান অনুযায়ী আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে যা করার করেন। এ ছাড়া কোনো বিকল্প হতে পারে না। কারও জন্য এটা মঙ্গল হবে না। যারা করবে তাদের জন্যও না, যাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হবে তাদের তো একদমই হবে না। তিনি বলেন, এখানে সংকট বা বিরোধ সৃষ্টি করার কোনো প্রয়োজন নেই। কেন সংকট সৃষ্টি করছেন। এটা কোনো সুস্থ মানুষের করার কথা না। আমি আবার বলছি। সুস্থ মানুষ জেনেশুনে বিরোধ সৃষ্টি করবে কেন? আজকে শতকরা একশভাগ মানুষই বলবে, সরকার গঠন করতে হলে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। ৩০শে ডিসেম্বর যেটা হয়েছে সেটাকি কেউ অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন বলবে। আসুন বছরের প্রথম দিকে সংকট সৃষ্টি না করে সবার সঙ্গে জাতীয় সংলাপে বসি, জাতীয় সংলাপ সবচেয়ে ভালো পথ।
সংলাপের মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হোক কিভাবে আমরা সংবিধানকে মেনে, নির্বাচন করে, নির্বাচিত সরকার গঠন করবো। আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক আবু সায়িদ, মেজর জেনারেল (অব.) আমসা আমিন, মফিজুল ইসলাম কামাল প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেমোক্রেটদের সঙ্গে বৈঠক থেকে ট্রাম্পের ওয়াকআউট

সরকারে অচলাবস্থা শুরু হওয়ার পর এ সপ্তাহেই প্রথম বেতনছাড়া কাজে যোগ দিতে হচ্ছে প্রায় ৮ লাখ ফেডারেল কর্মচারীকে।
বুধবার ওয়েস্ট উইংয়ে সম্মেলন সেন্টারের সিচুয়েশন রুম ওই বৈঠক হয়। এরপর প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেন, কেন্দ্রিয় সরকারের কর্মচারীদের বেতন দিতে না পারা ট্রাম্পের পাশাপাথি একটি ক্ষতিকর বিষয়। এ বিষয়টি নিয়ে প্রেসিডেন্ট সংবেদনহীন। পেলোসি বলেন, প্রেসিডেন্ট হয়তো ভাবে, কর্মচারীরা তাদের পিতাকে বলবেন তাদেরকে আাে অর্থ দিতে। কিন্তু তারা তা আর দিতে পারে না। ওদিকে চাক শুমার সাংবাদিকদের বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেয়াল নির্মাণের তহবিলে অর্থ অনুমোদন দেয়া হবে নাÑ এমনটি ন্যান্সি পেলোসি বলার পরই অকস্মাৎ বৈঠক ত্যাগ করেন তিনি। চাক শুমার আরো বলেন, স্পিকার পেলোসিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশ্ন করেন, দেয়াল নির্মাণের বিষয়ে আপনি কি একমত? জবাবে পেলোসি বলেন- না। সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প উঠে দাঁড়ান এবং বলেন, তাহলে আমাদের আলোচনা করার কিছু নেই। এ কথা বলেই তিনি বৈঠক ত্যাগ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনে ‘ভুলগুলো’ চিহ্নিত করছে বিএনপি by আব্দুল আলীম

বিএনপির কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা মানবজমিনকে জানান, সরকার কারচুপি করবে- এটা সবার ধারণা ছিল। সেই কারচুপি মোকাবিলায় বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টও কিছু কৌশল গ্রহণ করেছিল। কিন্তু সরকার এতটা বেসামাল হয়ে কাউকে ভোট কেন্দ্রে যেতে দেবে না, প্রার্থীদের ওপর হামলা ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে এমন জালিয়াতি করবে- সেটা ভাবনায়ও নেননি তারা।
সরকারের পরিকল্পনা পুরোপুরি বুঝতে না পারায় ভোটের দিন এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। নেতারা বলেন, দেশি-বিদেশি সব মহলেই ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে কি হয়েছে সেসব বিষয়ে অবগত। ভোটের দিন সারা দেশে বিরোধীরা কোনো কেন্দ্রেই দাঁড়াতে পারেনি। নজিরবিহীনভাবে বিরোধী প্রার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে।
এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। ভোটের আগের রাতে সিল মেরে রাখাসহ প্রশাসনের ভূমিকা কি ছিল দেশবাসীর মতো অবগত বিদেশিরাও। এরপরও দলের পক্ষ থেকে এসব তথ্য-উপাত্ত কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠার উদ্যোগ নেবে বিএনপি। অহিংস আন্দোলন ও জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে সরকারকে পরাজিত করতে ব্যর্থ হওয়া, এমনকি নির্বাচনের মাঠে দাঁড়াতে না পারায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে হতাশা দেখা দিয়েছে তাও কাটাতে চায় দলটি। নেতারা বলছেন, ভবিষ্যতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় করাই হবে নতুন টার্গেট। এর জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন সব ধরনের কর্মসূচিই গ্রহণ করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দলের সিনিয়র নেতারা কোনো বৈঠক করেন নি। কবে নাগাদ বৈঠক করতে পারেন সে বিষয়েও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে দলের সিনিয়র নেতাদের সাক্ষাতের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি মিললে সাক্ষাতের পর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, নির্বাচনে দৃশ্যত বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা হারলেও ভোটের চিত্র দেশবাসীকে একটি বড় বার্তা দিয়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না তা স্পষ্ট হয়েছে। ভবিষ্যতে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কোনো যুক্তিই এখন ধোপে টিকবে না। নেতারা বলছেন, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়েও এখন রাজনৈতিক দলগুলো ভাববে। যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে তাই এ বিষয়ে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টেরও ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মানবজমিনকে বলেন, আমরা এখন দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন পুনর্গঠন করবো। এটা আমাদের চলমান প্রক্রিয়া। নির্বাচনের সময় আমাদের সিদ্ধান্ত ও ব্যর্থতাগুলো পর্যালোচনা করে আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ হবে। সরকারের সকল ধরনের চালাকি মোকাবিলার জন্য আমাদের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত করা হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মানবজমিনকে বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গিয়ে একটি বিষয় প্রমাণিত হয়েছে যে, ২০১৪ সালে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে না গিয়ে সঠিক কাজটি করেছিল খালেদা জিয়া। এখন আর কেউ বলে না ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে না গিয়ে বিএনপি ভুল করেছিল। সকল পর্যায়ের মানুষের ভেতর সরকারের প্রতি ক্ষোভটা বহুগুণ বেড়ে গেছে। এখন নেতারা বসে সিদ্ধান্ত নেবে আগামীতে দলের করণীয় কি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরকীয়ার জেরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

থানা সূত্রে জানা যায়, ২ বছর আগে চিলমারী উপজেলার আকন্দপাড়া এলাকার রহিদুল হকের মেয়ে রুমার সঙ্গে উলিপুর উপজেলার নারিকেলবাড়ী পূর্ব ছড়ার পাড় গ্রামের মৃত চান্দ উল্যা হাজীর ছেলে আঃ ছালাম (৩০)-এর বিয়ে হয়। নিহতের স্বামী আঃ ছালাম বিবাহের আগে তার ভাবীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিল বলে পারিবারিকভাবে বিষয়টি তার এলাকাতে জানাজানি হলে তা গোপন রেখে অতি সুকৌশলে অতিদ্রুত রুমার সঙ্গে বিয়ে দেন আঃ ছালামের পরিবার। বিবাহের পরও ছালামের পরকীয়া চলতে থাকলে রুমা বিষয়টি জানতে পারায় প্রতিনিয়তই রুমার ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করে আঃ ছালাম। এ অবস্থায় ঘর-সংসার করা কালীন রুমার একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়। কিন্তু থেমে থাকেনি আঃ ছালামের পরকীয়া এবং স্ত্রীর ওপর অত্যাচার। এরই জের ধরে ২রা জানুয়ারি সকালে আঃ ছালাম রুমার ওপর নির্যাতনের একপর্যায়ে দা দিয়ে ঘাড়ে সজোরে আঘাত করে এবং বিভিন্ন ভাবে শারীরিক নির্যাতন করলে রুমা অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এ সময় মৃত্যু যন্ত্রণায় রুমা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী রুমার খালা বিলকিস বেগম তাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ঐ দিনই ছালাম তার পরিবারের লোকজনসহ পরিকল্পিতভাবে রুমাকে চিকিৎসার নামে তার খালার বাড়ি থেকে নিয়ে আসে এবং আবারো তার ওপর নির্যাতন চালায়। রুমার অবস্থার চরম অবনতি হলেও তারা চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে বাড়িতেই রেখে দেয়। অপর দিকে বিলকিসের মাধ্যমে রুমার মা খবর পেয়ে রুমার বাড়িতে আসলে রুমাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উলিপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে রুমার অবস্থার আরো অবনতি হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ৩রা জানুয়ারি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রুমার মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে চিলমারী আকন্দপাড়ায় রুমার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে আঃ ছালাম ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি করেছেন রুমার আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী। উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি আরো জানান, তদন্তের সঙ্গে আসামি ধরারও চেষ্টা চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
থামছে না শ্রমিক বিক্ষোভ, সিদ্ধান্ত আসেনি, রোববার ফের বৈঠক

এ সময় কালশীসহ আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যসহ জলকামান, সাঁজোয়া যান মোতায়েন করা হয়।
এরমধ্যেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে শ্রমিকদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সহায়তায় স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের মালিক মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। আলোচনার একপর্যায়ের শ্রমিকরা সড়ক থেকে সরে যায়। এদিন বিক্ষোভ হয়েছে- সাভার, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। বৈঠক শেষে জানানো হয়েছে, যেসব গ্রেডে মজুরি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। শ্রমিকদের কাজে যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, আগামী রোববার বৈঠকে সার্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
একপর্যায়ে শ্রমিকরা আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ এতে বাধা দেয়। পরে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রমিক ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়। একপর্যায়ে বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। একই দাবিতে আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় অবস্থান নিয়েও অগ্নিসংযোগ করে ৩ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে পোশাক শ্রমিকরা। খবর পেয়ে সকাল ১১টার দিকে আশুলিয়া থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপুর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। শাহাদাত হোসেন নামে এক শ্রমিক বলেন, কারও ইন্ধনে নয়, ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্যই আমরা আন্দোলন করছি। মকবুল নামে অপর শ্রমিক বলেন, সরকার যদি গেজেট করে বেতন বৃদ্ধি করে তাহলে একেক কারখানায় বেতন একেক রকম কেন।
যেসব কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের সঠিকভাবে বেতন দিচ্ছে সে কারখানাতে তো কোনো আন্দোলন হচ্ছে না। সেখানে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবেই কাজ করছে। আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পরিচালক সানা শামিনুর রহমান বলেন, শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় আশুলিয়ার কাঠগড়া ও জামগড়া এলাকায় শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়া হয়। শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় বৃহস্পতিবার প্রায় ৩০টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।
গাজীপুরে গতকাল তীব্র বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। ইটপাটকেলের আঘাতে ও পুলিশের লাঠিচার্জে বিভিন্নস্থানে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নগরের ভোগড়া, মোগরখাল, বড়বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় অন্তত ২০টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়।
বিকালে নগরের ইটাহাট এলাকার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা। ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি যানবাহন। শ্রমিকদের বিক্ষোভে দ্রুত আশপাশের বিভিন্ন গার্মেন্টের শ্রমিকরা অংশ নেন। এ সময় ইটাহাটা এলাকার কোস্ট টু কোস্ট কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে শুরুতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এ সময় এক নারী শ্রমিক আহত হলে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এ সময় লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে নারী শ্রমিকরা মহাসড়কে নেমে অবরোধ করে, তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে।
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানায়, নগরের মোগরখাল এলাকায় বিসিএল কারখানার শ্রমিকরা তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সকালে কাজ করতে না চাইলে কর্তৃপক্ষ অপারেটর আল আমিনসহ কয়েকজন নারী শ্রমিককে মারধর ও গালাগাল করে। এতে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে বিক্ষোভ করে। পরে মোগরখাল, ভোগড়াসহ আশপাশ এলাকার কারখানার শ্রমিকরাও কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভে অংশ নেয়। এই অবস্থায় আশপাশের এলাকার কমপক্ষে ১৫টি কারখানা ছুটি ঘোষণা দেয়া হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এসব শিল্প এলাকাগুলোতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফুঁসে উঠেছেন বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পোশাক শ্রমিকরাও। শ্রমিক নেতারা বলছেন, ঢাকার পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামেও পোশাক শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। কিন্তু চট্টগ্রামের গার্মেন্টস মালিক ও প্রশাসনের সহমর্মিতাসুলভ মনোভাবের কারণে শ্রমিকরা এখনো মাঠে নামেনি। তবে, এ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শ্রমিকদের বেশিদিন ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই শ্রমিকদের দাবি দাওয়া মেনে নেয়ার জোর দাবি জানান তারা।
চট্টগ্রাম ইপিজেড পোশাক শ্রমিক নেত্রী মরিয়ম খাতুন বলেন, ঢাকার পরিস্থিতি নিয়ে গার্মেন্টস মালিকরা চট্টগ্রামের শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। মালিকরা বলছেন, ঢাকার পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের বিষয়ে যে সিদ্ধান্তই আসুক না কেন সেটা তারা মেনে চলবেন।
মজুরি কাঠামোর মূল সমস্যা চিহ্নিত, রোববার ফের বৈঠক
পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৈষম্য নিরসনে পর্যালোচনা কমিটির প্রথম বৈঠকেই মজুরি কাঠামোর মূল সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। মজুরি কাঠামোর সাতটি গ্রেডের মধ্যে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডে অসঙ্গতি তৈরি হয়েছে। মালিক-শ্রমিক ও সরকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে এ সমস্যা শনাক্ত করা হয়। গতকাল পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো পর্যালোচনার জন্য গঠিত ১২ সদস্যের কমিটির প্রথম সভা শ্রম মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কমিটির আহ্বায়ক আফরোজা খান।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, যেহেতু সমস্যা শনাক্ত হয়েছে সেহেতু সমস্যা সমাধান করা যাবে। আগামী রোববার (১৩ই জানুয়ারি) কমিটির বৈঠক আবার বসবে। ওই বৈঠকে চিহ্নিত তিনটি গ্রেডের বিষয় সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
সভা শেষে শ্রম সচিব বলেন, আমরা দেখতে পেয়েছি সাতটি গ্রেডের মধ্যে ১ ও ২ সম্পর্কে উনাদের মন্তব্য হচ্ছে সেখানে কোনো সমস্যা নেই। ৬ ও ৭ নম্বর গ্রেডেও কোনো সমস্যা নেই। শুধু ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডে একটু অবজারভেশন আছে, সেটা আমলে নিয়েছি। তিনি বলেন, এখানে যেহেতু ক্যালকুলেশনের ব্যাপার আছে, সেজন্য আরো গভীরভাবে পর্যালোচনার জন্য আরো ছোট পরিসরে আগামী রোববার বসে সেটার সমাধান খুঁজে বের করব। কোথায় কীভাবে করলে সেই সমন্বয়টা আমরা করতে পারি। যাতে এই সমস্যা সমাধান হয়।
তিনি বলেন, কমিটিকে বিষয়টি সমাধানে এক মাসের সময় দেয়া হয়েছিল। ওই সময়ের আগেই বিষয়টির সমাধান হয়ে যাবে। সরকার যে শ্রমিকবান্ধব তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকদের কারও বেতনই কমবে না। মজুরি কাঠামোর কারণে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে তা নয়, এর পেছনে অন্য ঘটনা রয়েছে যার একটি উদাহরণ উল্লেখ করে আফরোজা খান বলেন, মজুরি কাঠামোর চাইতে বেশি বেতন দেয়া হয় এমন একটি কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি বলেন, অর্থনীতির মূলভিত্তি হচ্ছে গার্মেন্টস খাত। এ খাতকে ধ্বংস করার জন্য একটি চক্র পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে। এ কারণে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু বেতনই নয়, শ্রমিকরা যেকোনো সমস্যায় পড়লে একটি হটলাইন নম্বর চালু করবে শ্রম অধিদপ্তর। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা সেই নম্বরে ফোন দিয়ে শ্রমিকরা তাদের সমস্যা জানাতে পারবেন। সমস্যার যাতে তাৎক্ষণিক সমাধান হয় তার ব্যবস্থাও থাকবে। নম্বরটি শিল্প অঞ্চলে মাইকিং করে জানানো হবে।’
বৈঠকে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ তৈরিপোশাক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম এবং বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শিদীসহ গার্মেন্টস মালিক, শ্রমিক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা কমিটির ১২ সদস্যের মধ্যে ১০ জন উপস্থিত ছিলেন।
গার্মেন্ট শ্রমিকদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন বন্ধের আহ্বান জার্মান রাষ্ট্রদূতের
আন্দোলনরত গার্মেন্ট শ্রমিকদের ওপর পুলিশি দমনপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোলজ। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দেয়ার জন্য তিনি কারখানা মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এক টুইটে তিনি গতকাল এসব কথা বলেছেন বলে খবর দিয়েছে ডেইলি স্টার।
টুইটে তিনি লিখেছেন, আন্দোলনরত গার্মেন্ট শ্রমিকদের ওপর পুলিশের দমনপীড়ন চালানো উচিত নয়। এর জন্য প্রয়োজন সমঝোতা। তা করতে হবে কারখানা মালিকদের। ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ দিন। দুর্ঘটনা বা অ্যাক্সিডেন্ট বিষয়ক ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠা করুন। সরকারের আড়ালে থাকবেন না। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ক্রেতা দেশ জার্মানি। এক্ষেত্রে প্রথম অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের রাজকোষ চুরি, সেই ব্যাংক ম্যানেজারের জেল

সেই সঙ্গে ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বেশি জরিমানা করা হয়েছে। এ মামলা থেকে ক্যাসিনো বস বলে পরিচিত কিম ওং’কে খালাস দিয়েছেন আদালত। এখন থেকে প্রায় তিন বছর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ থেকে হ্যাকিং করে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের মাকাতিতে জুপিটার স্ট্রিট শাখায় চলে যায়। তখন ওই শাখার ম্যানেজার ছিলেন মাইয়া দিগুইতো। গতকাল তার বিরুদ্ধে ওই রায় ঘোষণা হয়েছে। যেসব অ্যাকাউন্টধারীর নামে অর্থ গিয়েছিল বলে অভিযোগ তার মধ্যে রয়েছেন মাইকেল ফ্রান্সিসকো ক্রুজ, জেসি ক্রিস্টোফার ল্যাগ্রোসাস, আলফ্রেড স্যান্তোস ভারগারা ও এনরিকো টিওডোরো ভাসকুয়েজ।
তাদের বিষয়ে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ খবর দিয়েছে ফিলিপাইনের এবিএস-সিবিএন নিউজ ও জিএমএ নিউজ।
রায় ঘোষণার পর মাইয়া দিগুইতোর আইনজীবী দেমিত্রিও কাস্টোডিও বলেছেন, তার মক্কেল ভীষণভাবে হতাশাগ্রস্ত। তবে আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করবেন। সেই আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিগুইতোকে জেল দেয়া যাবে না। তিনি বলেছেন, আমরা আদালতকে বলেছি, দিগুইতো ব্যাংকে যে পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন তার সেই দায়িত্ব পালনের কারণে তাকে দায়ী করা যায় না। কারণ, ব্যাংকে তার পদটি ছিল কাস্টমার কেয়ার বিষয়ক। ফলে ব্যাংকে যে লেনদেন হয় তার অপারেশনাল কাজের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এক্ষেত্রে সরকার শুধু একজন নিচের দিকের কর্মকর্তাকে বিচার করছে। এ ঘটনার সঙ্গে আরো অনেক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার দায় রয়েছে। অর্থ লেনদেনে তাদের ভূমিকা দিগুইতোর চেয়ে অনেক বেশি। দিগুইতোর আরেক আইনজীবী ফার্দিনান্দ টোপাসিও এ রায়কে বিচার বিভাগের হাস্যকর অভিযোগ বলে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ফিলিপাইনের আইন মন্ত্রণালয় এ নিয়ে তদন্ত করেছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ থেকে যখন ওই বিশাল অংকের অর্থ পাচার হয় তখন থেকে এখন পর্যন্ত এ ইস্যুটি সারাবিশ্বকে আলোড়িত করেছে। সাইবার হামলায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহতা বলে স্বীকার করে নিয়েছেন অর্থবিশ্লেষকরা। এর ফলে দুনিয়াজুড়ে সাইবার নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
আরসিবিসির দাবি, সাইবার হামলার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হলো এই ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাদের অভিযোগ, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেদের গাফিলতিকে ঢাকার চেষ্টা করছে। ওদিকে আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে নিউ ইয়র্ক ফেডারেলের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই অর্থ যখন পাচার হয়ে আসে আরসিবিসির জুপিটার স্ট্রিট শাখায় তখন এর ম্যানেজার ছিলেন দিগুইতো। এই ব্যাংকে বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক নামে জমা হয় ওই অর্থ। এর থেকে কিছু অর্থ চলে যায় ক্যাসিনোতে। ওই অর্থ হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। কারণ, তা কার কাছ থেকে কার কাছে গেছে তার কোনো হদিস নেই। তবে ক্যাসিনো বস বলে পরিচিত কিম ওং চুরি যাওয়া অর্থ থেকে এক কোটি ৫০ লাখ ডলার ফেরত দিয়েছেন। ফিলিপাইনে অর্থ পাচার বিরোধী আইনের আওতায় ছিল না ক্যাসিনো। বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ পাচারের ঘটনা ধরা পড়ার পর ফিলিপাইনের সিনেটে বেশ কয়েক দফা শুনানি হয়। তা সরকারি টেলিভিশনে প্রচার করা হয়। এরপর ২০১৭ সালের জুনে প্রেসিডেন্ট রড্রিগো দুতের্তে একটি আইনে স্বাক্ষর করেন। এ আইনে ক্যাসিনো ব্যবসাকে অর্থ পাচার বিরোধী কাউন্সিলের আওতায় আনা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যারা আন্দোলনে ব্যর্থ তারা নির্বাচনে জিততে পারে না
তারা যতোই আন্দোলন করে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করে। তাই তাদের সব আন্দোলন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।
আর আন্দোলনে যারা ব্যর্থ হয়, নির্বাচনে তারা কখনো জয়ী হতে পারে না। সেটা প্রমাণ হয়েছে ২০১৮ সালের নির্বাচনে। এই নির্বাচনে ব্যর্থতার কারণটা কী? আমি বিএনপিকে বলবো তাদেরই ভেবে দেখতে। কারণ তারা যে অপকর্মগুলো করেছে, আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, শুধু সন্ত্রাস, লুটপাট, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারা এবং ব্যাপক হারে মনোনয়ন বাণিজ্যের কারণে তাদের এই ভরাডুবি। একই আসনের জন্য সকালে একজন, দুপুরে একজন ও বিকালে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তাদের অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের দুঃখের কথা বলেছেন। একজন তো আমাদের দলে জয়েন করলেন। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির যেসব প্রার্থী উইনেবল ছিল তারা কেউই মনোনয়ন পাননি। টাকা বেশি না দিতে পারায় তারা মনোনয়ন পাননি।
সকালে যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়, তার চেয়ে বেশি টাকা দেয়ার পর দুপুরে আরেকজন মনোনয়ন পান। বিকালে তার চেয়ে বেশি টাকা পাওয়ায় সকাল ও দুপুরের প্রার্থী মনোনয়ন থেকে আউট হয়ে যান। এভাবে যে দল মনোনয়ন দেয় তাদের জনগণ কেন ভোট দেবে? প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা মনোনয়ন দিয়েছে উচ্চ আদালত থেকে নিষিদ্ধ হওয়া জামায়াতে ইসলামীকে। এই দলের ২৫ জন মনোনয়ন পেয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। তারা কখনো যুদ্ধাপরাধীকে ভোট দেবে না। যারা রাজনীতি না করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায় তারা কীভাবে আশা করে দেশের মানুষ তাদের মেনে নেবে। এই দেশের মানুষ বিএনপিকে অতীতে কখনো মেনে নেয়নি, এখনো মেনে নেয় নাই আর ভবিষ্যতেও মেনে নেবে না। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটের হার নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অনেকে এই ভোটের হার নিয়ে সমালোচনা করছেন, তারা যদি একটু তুলনাটা দেখেন তাহলে দেখবেন ২০০৮ সালে এর চেয়েও বেশি ভোট পড়েছিল। ৮৬ ভাগ। কোনো কোনো কেন্দ্রে ৯০ ভাগের বেশি ভোট পড়েছিল।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, তার স্বপ্নগুলো পূরণে এখন কাজ করতে হবে। দেশে একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই মানুষের জন্য কিছু করে। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য যারা ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের জন্য কিছু করেনি। মানুষের কথা ভাবেনি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছর আমাদের জন্য কঠিন পরীক্ষা। যে উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা শুরু করেছি, সেটা অব্যাহত রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। তিনি বলেন, ‘জনগণ আমাদের ওপর আস্থা-বিশ্বাস রেখেছে। এই বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবো এই বিশ্বাস আমাদের আছে। তিনি বলেন, আজ জাতির পিতা আমাদের মাঝে নেই। তার আদর্শ বুকে নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই, এ দেশের যে উন্নতি আমরা করেছি, সেটা যেন অব্যাহত থাকে।
বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দলীয় সভাপতি বলেন, জাতির পিতার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়লে দেখবেন, একজন মানুষ তার জীবনে জনগণের জন্য কতখানি ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন। ‘কারাগারে রোজনামচা’ পড়লেও দেখবেন, কীভাবে তিনি ত্যাগ স্বীকার করেছেন মানুষের জন্য।
এ সময় ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন নিয়ে ‘সিক্রেটস অব ডক্যুমেন্টস’ বইয়ের প্রকাশিত খণ্ডগুলোও নেতাকর্মীদের পড়ার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, আজ এদেশের মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে, তাদের বাসস্থান হবে, চিকিৎসা, শিক্ষার সুযোগ হবে, মানুষ উন্নত জীবন পাবে- এটাই তো ছিল জাতির পিতার একমাত্র লক্ষ্য, একমাত্র উদ্দেশ্য। একটা দেশের জনগণ সবসময় বঞ্চিত ছিল, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তিনি মহৎ আত্মত্যাগ করে গেছেন। সেই আত্মত্যাগ আমাদের ভুললে চলবে না। আমাদের সেটাই অনুসরণ করে চলতে হবে। দেশের মানুষ যদি ভালো থাকে, দেশের মানুষ যদি সুন্দর জীবন পায়, এরচেয়ে বড় সার্থকতা একজন রাজনীতিবিদের জীবনে আর কিছু হতে পারে না।
শেখ হাসিনা বলেন, আজকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতা দেখে যেতে পারলেন না। কিন্তু আমি এটা সবসময় বিশ্বাস করি, নিশ্চয়ই তিনি যে দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালোবেসেছেন, হয়তো তিনি আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন, এই বাংলাদেশের ৫৪ হাজার বর্গমাইলজুড়ে তিনি আছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা এ সময় আবেগতাড়িত হয়ে বলেন, ‘আমি জানি না। সেটা আমি উপলব্ধি করতে পারি, তিনি আছেন। নইলে আমার পক্ষে এত দ্রুত দেশের উন্নতি করা বা দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এতটা অর্জন করা কখনোই সম্ভব হতো না। আমি সবসময় মনে করি, আমার মা-বাবা আমাকে সবসময় ছায়া দিয়ে রেখেছেন বলেই আজকে এটা সম্ভব হচ্ছে। নিশ্চয় তিনি বেহেশতে বসে সব দেখছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন এবং ২০২০ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের সময় বাংলাদেশকে অবশ্যই একটি উন্নত দেশ হিসেবে, ক্ষুধামুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।’ ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশকে আরো উন্নত করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবে। বাংলাদেশকে আর কেউ পেছনে টেনে নিতে পারবে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে যেন আর কখনো যুদ্ধাপরাধী, খুনি, সন্ত্রাসী, অগ্নিসন্ত্রাসী ফিরে আসতে না পারে, দেশের মানুষকে সেভাবেই সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রার শুরু, জাতির পিতা যে কথা বলে গেছেন, কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না, কেউ দাবায়ে রাখতে পারে নাই, ভবিষ্যতেও পারবে না। জাতির পিতার প্রতি এটাই আমাদের ওয়াদা। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ, মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ। আলোচনা মঞ্চে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
এদিকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। সকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। শেখ হাসিনা পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে ফের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী ও ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও ডা. দীপু মনি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন ও এনামুল হক শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গবন্ধু ভবন এলাকা ত্যাগ করার পর বিভিন্ন দল ও সংগঠন ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গমাতা পরিষদ এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বঙ্গমাতা পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোজাফ্ফর হোসেন পল্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপির নারী প্রার্থীদের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধিদের বৈঠক

বিশেষ করে আমরা বিএনপি থেকে যেসব নারী প্রার্থী নির্বাচন করেছিলাম তাদের সঙ্গে ওনারা কিছু কথা বলতে চেয়েছেন। নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা কি, নির্বাচনে কী ঘটেছে- সেগুলো নিয়ে কথা বলতে বলেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, নির্বাচনের দিন কী ঘটেছে সেটা আমাদের চেয়ে তারা বেশি জানেন। কারণ নির্বাচনের দিন ও আগের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এসেছে, জাতীয় পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে এবং তারা নিজেরা ঢাকায় ৩০শে ডিসেম্বর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে জানতে পেরেছেন। আমরা তাদের বলেছি ৩০শে ডিসেম্বর নির্বাচন হয়নি। যেমন আমি ফরিদপুরে নির্বাচন করেছি। আমাদের এলাকায় ২৯শে ডিসেম্বর নির্বাচন হয়ে গেছে। নির্বাচনের দিন সব এজেন্টকে বের করে দেয়া হয়। মূলত ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনটা ২৯শে ডিসেম্বরই করে ফেলেছে সরকার। শামা বলেন, এই ঘটনা ইইউ’র প্রতিনিধিরা জানেন এবং বিভিন্ন তথ্য তারা নিয়েছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রভিত্তিক যে রেজাল্টগুলো হয়েছে, ওগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় গত এক মাসে আমাদের যে নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে, অনেকে আহত হয়েছেন, অনেকে নিহত হয়েছেন, সেসব তথ্য নিয়ে তারা কথা বলেছেন। তাদের জিজ্ঞাসা ছিল- আমরা নারী প্রার্থী হিসেবে কি ফেস করেছি।
আমরা সেই প্রশ্নগুলোর জবাব দেয়ার চেষ্টা করেছি। তারা কোনো মতামত দিয়েছেন কি-না নির্বাচন নিয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ওনারা তথ্য কালেক্ট করছেন, এগুলো নিয়ে রিপোর্ট করবেন। তারপর তারা কোনো স্টেটমেন্ট দেবেন। আমরা নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে যাবো, আপিল করবো- সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। ইইউ প্রতিনিধি দল নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন, নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা যেহেতু ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তারা তো ওভাবে কথা বলতে পারেন না। তারা ৩০০ আসনের তথ্য কালেক্ট করছেন। রিপোর্ট বানানোর আগে হয়তো কিছু বলবেন না। রিপোর্ট বানিয়ে তাদের মতামতটা তারা পরে প্রকাশ করবেন। এ সময় বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে রুমানা মাহমুদ, জেবা আমিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিশোধের লড়াইয়ে মাশরাফির মুখোমুখি সাকিব

তবে সবকিছু ছাপিয়ে লড়াই জমে উঠবে জাতীয় ওয়ানডে ও টেস্ট দলের দুই অধিনায়কের দ্বৈরথে। মাশরফি বিন মুর্তজার পেস আর সাকিব আল হাসানের স্পিন কোনটির জয় হবে সেটি দেখার অপেক্ষায় দেশের ক্রিকেট ভক্তরা। দেশের দুই মহা তারকার লড়াই শুরু হবে আজ দুপুর ২টায়। ঢাকার হয়ে প্রথম বিপিএল খেলতে এসেছেন ইয়ান বেল। তারকা খচিত দলের হয়ে এই ইংলিশ ক্রিকেটারের এখন পর্যন্ত অবশ্য মাঠে নামা হয়নি। তবে মাঠে না নামলেও দারুণ উপভোগ করছেন বিপিএল এমনটাই জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে রংপুরের বিপক্ষে আজ দারুণ চ্যালেঞ্জের ম্যাচ নিয়ে ৩৬ বছর বয়সী ইংলিশ ব্যাটসম্যান দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘বড় ম্যাচ, যেখানে থাকবে বড় ক্রিকেটাররা। দলের ছেলেরা দারুণভাবে প্রশিক্ষিত। আমি সত্যি দারুণ একটি ম্যাচের অপেক্ষাতে আছি। কাল (আজ) একটি বড় লড়াইয়ের প্রদর্শনীই হবে।’
এ পর্যন্ত ঢাকা ডায়নামাইটস ও রংপুর রাইডার্স মুখোমুখি হয়েছে পাঁচ ম্যাচে। যেখানে ঢাকার জয় ৩টিতে এবং রংপুরের ২টিতে। তবে শেষ দেখাতে ক্রিস গেইলের তাণ্ডবে ফাইনালে হেরে যায় ঢাকা। গেইল একাই ৬৯ বলে করেছিলেন ১৪৬ রান। ২০৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকার ইনিংস থামে ১৪৯ রান ৯ উইকেট হারিয়ে। ৫৭ রানের বড় ব্যবধানেই হারে দলটি। সেই গেইল এবারও খেলছেন রংপুরের হয়ে। দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অ্যালেক্স হেলসের মতো তারকাও। নিয়মিত পারফরমার রবি বোপারাতো আছেনই। এই আসরে প্রথম ম্যাচে হার চট্টগ্রাম ভাইকিংসের সঙ্গে দিয়ে শুরু করলেও মাশরাফির দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে দারুণভাবে। হারিয়ে দিয়েছে আসরে খুলনা ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের কুমিল্লার বিপক্ষে বল হাতে দারুণ ভূমিকা রাখেন রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি। বল হাতে একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট। এছাড়াও দলটির টপ অর্ডারে গেইল থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশো রাখেন ব্যাট হাতে দারুণ অবদান। তবে এই অবদানে তিনি এখন দারুণ আশাবাদী ঢাকার বিপক্ষে। রুশো বলেন, ‘আমরা সামনের দিকেই তাকিয়ে আছি। জানি ঢাকা দারুণ শক্তিশালী দল। তবে আমরাও সেরাটা দিতে প্রস্তুত।’ তিন ম্যাচে দুই জয়। এখানেই ঢাকার সঙ্গে পিছিয়ে রংপুর। কারণ প্রতিপক্ষ একটি ম্যাচেও হারেনি। তবে রুশো এ নিয়ে ভাবছেন না। তিনি বলেন, ‘এটিও ভালো বিষয় যে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়ে টানা জয় তুলে নিয়েছি। আশা করি দলের সবাই বেশ আত্মবিশ্বাসী ভালো করতে।’
ঢাকা এই আসরের শুরু থেকেই দাপট দেখাতে শুরু করেছে। প্রথম ম্যাচেই তারা স্কোর বোর্ডে তোলে ১৮৯ রান ৮ উইকেট হারিয়ে। জবাব দিতে নামলে ঢাকার বোলাররা রাজশাহীকে গুঁড়িয়ে দিয়ে তুলে নেয় ৮৩ রানের জয়। এছাড়াও দ্বিতীয় ম্যাচে তারা ছিল আরো ভয়ঙ্কর। ৬ উইকেট হারিয়ে খুলনার বিপক্ষে তুলে নেয় ১৯২ রান। সেই ম্যাচেও জয় পায় ১০৫ রানের। দুই ম্যাচেই ঢাকার আফগান ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই হাঁকিয়েছেন ফিফটি। যার দিকে দল আজও তাকিয়ে থাকবে। তবে সুনীল নারাইন, পোলার্ড, রাসেলরাও দলটির অন্যতম ব্যাটিং ভরসা। বল হাতে সাকিব আল হাসান একাই ঘুরিয়ে দিতে পারেন ম্যাচের মোড়। আর ব্যাট হাতেও তিনি যেকোনো সময় চড়াও হওয়ার সক্ষমতা রাখেন। দলে আছেন দেশের আরেক সেরা পেসার রুবেল হোসেনও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেসি কখনোই দলনেতা হতে পারবে না -দিয়েগো ম্যারাডোনার

সে আমার বন্ধু। আমি আমার পুরো হৃদয় দিয়ে তাকে ভালোবাসি। তারা (আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন) মেসিকে দলনেতা বানাতে চায়। কিন্তু এটি সে কখনোই করতে পারবে না। কারণ, মেসির নিজের খেলার জগত ও পরিবার রয়েছে।’ ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েও স্বপ্নভঙ্গ হয় মেসির। ২০১৫ ও ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালেও শিরোপার পাশ দিয়ে হেঁটে যান। টানা তিন বছর তিনটি ফাইনাল হেরে অধরাই থেকে যায় জাতীয় দলের হয়ে শিরোপা জয়। ২০১৬ কোপা আমেরিকার পর অবসরও নিয়ে ফেলেছিলেন মেসি। পরে ভক্ত-সমর্থক থেকে শুরু করে ম্যারাডোনাদের ডাকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরেন। বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে তোলেন ২০১৮ বিশ্বকাপ মঞ্চে। ৩১ বছর বয়সী মেসির বিশ্বকাপ জয়ের শেষ সুযোগ ধরা হয়েছিল গত আসরকেই। কিন্তু ফ্রান্সের বিপক্ষে ৪-৩ গোলে হেরে শেষ ষোলো রাউন্ডেই স্বপ্নভঙ্গ হয় মেসির। আর রাশিয়া বিশ্বকাপের পর থেকে আকাশী-নীল জার্সি গায়ে তোলেননি বার্সেলোনা তারকা। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রত্যেক ম্যাচেই গ্যালারিতে সরব উপস্থিতি ছিল ম্যারাডোনার। আর উত্তরসূরিদের ব্যর্থতার পর ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘মেসি অসাধারণ খেলোয়াড় কিন্তু সে অধিনায়কত্বের চাপ নিতে পারে না। তাকে দলনেতা বানানোর প্রচেষ্টা সময়ের অপচয় মাত্র। মেসির ওপর আর নির্ভর করা যাবে না।’ আগামী জুনে ব্রাজিলে বসবে কোপা আমেরিকা আসর। তার আগেই প্রীতি ম্যাচ দিয়ে মেসির ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1353)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
January
(487)
-
▼
Jan 11
(22)
- বাবরি মসজিদের নিচে মন্দির নয়, থাকতে পারে মসজিদ: প্...
- অন্যরকম এক ভালবাসা
- ৪২ বছরে ২৬৫০টি কবর খনন করেছেন মনু মিয়া by আশরাফুল ...
- সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌচাষিরা by মো. নজর...
- পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় না বসার কারণ জানালো ভারত
- বাংলাদেশে মন্ত্রিসভার ধাঁধা: ভারতের কম, চীনের বেশি...
- সরকারে অচলাবস্থার ২০ দিন: আবারো জরুরি অবস্থা জারির...
- যেভাবে সৌদি তরুণীকে রক্ষা করলো টুইটার
- ২০১৮ সালে মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বিচারবহির...
- যুবকটা... by ইমরান আলী
- আসলে কতটা বেড়েছে মজুরি?
- রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে জাতিসংঘের আন্তরিকতা নিয়ে টা...
- সুস্থ মানুষ এমন নির্বাচন করতে পারে না -ড. কামাল হোসেন
- ডেমোক্রেটদের সঙ্গে বৈঠক থেকে ট্রাম্পের ওয়াকআউট
- নির্বাচনে ‘ভুলগুলো’ চিহ্নিত করছে বিএনপি by আব্দুল ...
- পরকীয়ার জেরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন
- থামছে না শ্রমিক বিক্ষোভ, সিদ্ধান্ত আসেনি, রোববার ফ...
- বাংলাদেশের রাজকোষ চুরি, সেই ব্যাংক ম্যানেজারের জেল
- যারা আন্দোলনে ব্যর্থ তারা নির্বাচনে জিততে পারে না
- বিএনপির নারী প্রার্থীদের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধিদের বৈঠক
- প্রতিশোধের লড়াইয়ে মাশরাফির মুখোমুখি সাকিব
- মেসি কখনোই দলনেতা হতে পারবে না -দিয়েগো ম্যারাডোনার
-
▼
Jan 11
(22)
-
▼
January
(487)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
