Wednesday, March 5, 2025
গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে প্রস্তুত ইসরায়েল, তবে...
ইসরায়েল দাবি করেছে যে, এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য হামাসকে সব জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে এবং গাজা উপত্যকাকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে।
এই বিষয়ে বিস্তারিত জানান ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’য়ার।
তিনি স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৪ মার্চ) ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা গাজার দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর করতে প্রস্তুত, তবে এর জন্য হামাসের কাছ থেকে কিছু শর্ত প্রয়োজন। এর মধ্যে সব ইসরায়েলি জিম্মির মুক্তি এবং গাজাকে সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত। খবর টাইমস অব ইসরায়েল।
এর আগে, ১ মার্চ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষ হয়েছিল। পরবর্তীতে, ৩ মার্চ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক রেকর্ডেড বক্তৃতায় বলেন, গাজায় হামাস যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে, সেটি তারা গ্রহণ করবে না, কারণ এটি তাদের জন্য একেবারে অগ্রহণযোগ্য।
তবে, ইসরায়েল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফের সাময়িক যুদ্ধবিরতির জন্য উপস্থাপিত একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনায় ৫০ দিনের জন্য অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব এবং ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নেতানিয়াহু দাবি করেন, হামাস এখনো পর্যন্ত এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তারা প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর দাবি করেছে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’য়ার বলেন, আমরা গাজা উপত্যকাকে সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত্রীকরণ, হামাস এবং ইসলামিক জিহাদকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা এবং আমাদের জিম্মিদের ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তে দ্বিতীয় ধাপের চুক্তি কার্যকর করতে রাজি। যদি তারা এতে সম্মত হয়, তাহলে আমরা খুব শিগগিরই এই চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারব।
এদিকে, ১৯ জানুয়ারি হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শুরু হয় এবং গত ১ মার্চ সেই ধাপের মেয়াদ শেষ হয়। এই সময়ে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে বন্দি বিনিময়ও হয়। তবে, যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
হামাস তার পক্ষ থেকে বলেছে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ এখনই কার্যকর হওয়া উচিত, এর মাধ্যমেই গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধের অবসান সম্ভব।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার পর, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু গাজায় সব ধরনের মানবিক সহায়তা ও পণ্য প্রবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এর ফলে, গাজাবাসী নতুন করে আবারও খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব অনুভব করতে শুরু করেছেন।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, এই পণ্যগুলোর মাধ্যমে হামাস অর্থ আয় করছে এবং তারা এই অর্থ দিয়ে তাদের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে, যা যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনার পরিপন্থি।
ইসরায়েলি মন্ত্রীরা বলেছেন, হামাসের জন্য মানবিক সহায়তার অন্যতম বড় উৎস হলো এই পণ্যসম্ভার। তারা এই অর্থ ব্যবহার করে তাদের অস্ত্রাগার তৈরি করছে এবং তরুণদের সংগঠনে যোগদান করাচ্ছে। তবে, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
গাজাবাসী নতুন করে আবারও উদ্বেগে পড়েছেন, কারণ তারা শঙ্কা করছেন যে, ইসরায়েলি সেনারা আবারও গাজায় আক্রমণ শুরু করতে পারে এবং আরও বড় আকারের মানবিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
![]() |
| যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শুরু হওয়ার পর ফিলিস্তিনিরা ফিরছে গাজা উপত্যকায়। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্থির মধ্যপ্রাচ্য: এক দেশকে নিয়েই খেলছে চার দেশ
তুরস্কের প্রভাব বাড়ছে
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পর দেশটির নতুন ইসলামপন্থি সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক। ২০২৪ সালে বাহার আল-আসাদকে উৎখাত করে ক্ষমতায় আসে এ সরকার। তুরস্কের এই ভূমিকা ইসরায়েলের জন্য একটি বড় হুমকি। কারণ তারা মনে করে, তুরস্ক এই সরকারকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করতে পারে। ফলে, মধ্যপ্রাচ্যে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। নতুন ইসলামপন্থি সরকারও ইসরায়েলকে সরাসরি লক্ষ্য করে বিভিন্ন বিবৃতি দিয়েছে। এতে ইসরায়েল আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
আতঙ্কে ইসরায়েল
ইসরায়েল মনে করে, সিরিয়ায় তুরস্কের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় সেখানে ইসলামপন্থি শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, যা হামাস ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর আস্তানা হয়ে উঠবে। ফলে ইসরায়েলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে, ইসরায়েল আশঙ্কা করছে, সিরিয়ার নতুন সরকার ইসলামিক মৌলবাদী চিন্তা-ধারায় বিশ্বাসী হতে পারে। ইসরায়েল মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ যেমন ইরান ও মুসলিম ব্রাদারহুড, সিরিয়ার ইসলামিক শাসনকে সমর্থন দিতে পারে।
রাশিয়ার উপস্থিতি
সিরিয়ায় রাশিয়ার উপস্থিতি দেশটিকে দুর্বল রাখতে সাহায্য করবে। এতে তুরস্কের শক্তির বিস্তার ঠেকানো যাবে। সিরিয়ায় রাশিয়ার দুটি প্রধান সামরিক ঘাটি—তারতুস ও লাতাকিয়া—ইসরায়েলের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা চায়, এই বাহিনী সিরিয়ায় থাকুক, যেন তুরস্ক অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চয় করতে না পারে। রাশিয়া সিরিয়ায় যে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে, তা কেবল সিরিয়ার নিরাপত্তা নয়, বরং ইসরায়েলের স্বার্থেও সহায়ক বলে মনে হচ্ছে। ইসরায়েলের মতে, তুরস্কের তুলনায় রাশিয়া সিরিয়ায় আরও বড় শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। রাশিয়া এখন সিরিয়ায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মজবুত করে সেখানে একটি শক্তিশালী প্রভাব বজায় রাখতে চাইছে। এতে ইসরায়েল নিরাপদ বোধ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দুশ্চিন্তার কথা জানায় ইসরায়েল। সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে যুক্তি দেয় দেশটি। তারা একটি গোপন হোয়াইট পেপার' তৈরি করে, যা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে পাঠানো হয়। ইসরায়েল জানিয়েছে, সিরিয়ায় রাশিয়ার উপস্থিতিতে তাদের অঞ্চলে ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তবে বাইডেন প্রশাসন এই বিষয়ে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত ছিল, অবশ্য বর্তমান সরকার সিরিয়ার সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত আছে।
মার্কিন সরকারের মনোভাব
বাইডেন প্রশাসন সিরিয়ার নতুন সরকারকে সাহায্য করার জন্য একটি পরিকল্পনা শুরু করেছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি সরানোর শর্তে সিরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর, বিষয়টি অস্পষ্ট হয়ে যায়। ট্রাম্পের প্রশাসন সাধারণত ইসরায়েলের নিরাপত্তা সম্পর্কে বেশি আগ্রহী, তাই ইসরায়েলের প্রস্তাবের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব থাকতে পারে। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসনের নীতি কিছুটা অস্পষ্ট এবং সিরিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের অবস্থানও নির্ধারণ হয়নি।
শান্তি চায় তুরস্ক
সিরিয়ার নতুন ইসলামপন্থি সরকারকে সমর্থন দেওয়ার ইসরায়েলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তুরস্ক । তুরস্কেরর দাবি, তারা সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায় এবং তাদের কর্মকাণ্ড শুধু সিরিয়ার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য। তুরস্কের এক কর্মকর্তা জানান, তারা রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভকে সিরিয়ায় আমন্ত্রণ জানিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে। তুরস্ক মনে করে, সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে ইসরায়েলও লাভবান হবে। তুরস্কের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, তারা শান্তির কথা ভাবছে এবং সিরিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।
ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ
সিরিয়ার দক্ষিণে সামরিক স্থাপনায় বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলার মধ্যে বিমান হামলাও করেছে। তারা দাবি করছে, তাদের লক্ষ্য হচ্ছে সেখানকার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর শক্তি বৃদ্ধি রোধ করা। একইসঙ্গে তাদের সীমান্তের কাছে কোনো বিপদ যেন সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা। ইসরায়েলের বিমান বাহিনী এ লক্ষ্যে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে এবং তাদের সামরিক শক্তি সিরিয়াতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ইসরায়েল জানে, সিরিয়ায় চরমপন্থি গোষ্ঠীগুলোর শক্তি বাড়লে, তাদের জন্য এটি বড় ধরনের নিরাপত্তার হুমকি হতে পারে।
সিরিয়ার ঝোঁক
সিরিয়ার নতুন সরকার রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করছে। যদিও আগে তাদের সম্পর্ক তিক্ত ছিল, বর্তমানে তারা একটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়েছে। সিরিয়া আশা করছে, রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি তাদের স্বার্থের জন্য উপকারী হতে পারে। সিরিয়ার নতুন সরকার বুঝতে পারছে, রাশিয়ার সামরিক সহায়তা তাদের জন্য অপরিহার্য হতে পারে, বিশেষ করে তুরস্ক ও ইসরায়েলকে মোকাবিলা করার জন্য। তারা রাশিয়াকে এখন এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ভাবছে।
ইসরায়েল-তুরস্কের দ্বন্দ্ব
ইসরায়েল ও তুরস্কের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই জটিল। গাজা যুদ্ধে তাদের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে ওঠে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইসলামিক দেশগুলোর একটি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন, যা ইসরায়েলের জন্য আরও উদ্বেগের কারণ। এরদোয়ান ইসরায়েলকে চ্যালেঞ্জ করার মাধ্যমে তুরস্কের আন্তর্জাতিক প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। সিরিয়ার পরিস্থিতিতে, তুরস্ক ও ইসরায়েল একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সিরিয়ার ভবিষ্যৎ
সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে তুরস্ক, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া প্রত্যেকেই নিজেদের স্বার্থে সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি এখনও অস্পষ্ট এবং মার্কিন পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে সিরিয়ার ভবিষ্যৎ। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশ, যেমন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও সিরিয়ার সংকটের সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে। তবে সিরিয়া কীভাবে আগামী দিনে এই জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে, তা নির্ধারণ করবে পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যৎ।
তথ্যসূত্র: তেহরান টাইমস, টার্কিস মিনিট, অল ইসরায়েল নিউজ, রয়টার্স।
![]() |
| সিরিয়ার উপকূলীয় লাতাকিয়ার হেমেইমিম বিমান ঘাঁটির আকাশে রুশ সামরিক হেলিকপ্টার কামভ কেএ-৫০। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেন ইস্যু: ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে উত্তেজনা তুঙ্গে!
এর আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ন্যাটোতে অর্থ ব্যয় নিয়ে তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ন্যাটোকে মার্কিন অর্থ ব্যয় নিয়ে এমন মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, ন্যাটো আমাদের সুরক্ষা দিচ্ছে না। ট্রাম্প ব্লকটিকে আমেরিকার জন্য প্রতিরক্ষা ব্যয় দ্বিগুণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রথম মেয়াদেও ন্যাটো থেকে বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ফিরে আসার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যু তার ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বিভেদের প্রতিনিধিত্ব করছে। মূলত ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপের সঙ্গে ট্রাম্পের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে গত সপ্তাহের শুক্রবার। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলেনস্কি। পরে সাংবাদিকদের সামনে ওভাল অফিসে জেলেনস্কির সঙ্গে বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন ট্রাম্প ও তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। এক পর্যায়ে জেলেনস্কিকে বের হয়ে যেতে বলা হয়েছে বলেও খবর রয়েছে। ওভাল অফিসে উভয় পক্ষই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেছে।
ট্রাম্প হুমকি দেন জেলেনস্কি যদি শান্তিচুক্তিতে রাজি না হন তাহলে ইউক্রেনকে সম্পূর্ণরুপে ত্যাগ করবেন তিনি। জেলেনস্কিকে অকৃতজ্ঞ বলেও অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জেলেনস্কি নিজের অবস্থান থেকে ট্রাম্পকে তার দেশের ধ্বংসযজ্ঞের ছবি দেখান এবং যুক্তি দিয়েছিলেন যে, তিনি আমেরিকান জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞ। ওভাল অফিসে দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে এমন উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় এর আগে কখনো দেখা যায়নি। এটা নজিরবিহীন। সেখানে সাংবাদিকরা উপস্থিত থাকায় তাদের ওই উত্তেজিত মুহূর্ত অল্প সময়ের মধ্যেই সারা দুনিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে। ইউক্রেন ইস্যুতে বিপাকে পড়েছে ইউরোপ। তারা ইউক্রেন ইস্যুতে লন্ডনে রোববার একটি শীর্ষ সম্মেলনে বসেন। যা প্রতিনিধিত্ব করেছে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। সেখানে ইউক্রেন সংঘাত থামাতে প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করানো যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করেন। যদিও জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের ওই উত্তেজিত মুহূর্ত তৈরি হওয়ার আগেই সম্মেলনটি নির্ধারণ করা হয়। শীর্ষ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্টারমার বলেছেন, বিশ্ব এখন ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এ পরিস্থিতিতে এমন একটি পথের প্রয়োজন যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উপস্থাপন করা যায়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক রাতেই জীবন বদল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসহনীয় যানজট, দুর্ভোগ
সড়কের তীব্র যানজটের কারণে ইফতারের আগে অনেকে বাস থেকে নেমে হেঁটেও রওনা দেন গন্তব্যে। জাহিদ হাসান নামের এক পথচারী বলেন, কাওরান বাজার থেকে মগবাজার যাবো। রাস্তায় প্রচুর যানজট। বাসের চেয়ে হেঁটে গেলেই কম সময় লাগবে। তাই হেঁটেই যাচ্ছি। কাওরান বাজারে দায়িত্বরত একজন ট্রাফিক পুলিশ সদস্য বলেন, রোজায় আসরের পর থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ির চাপ বেশি থাকে। সব অফিস কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই শেষ হয়। সবাই চায় ইফতারের আগে বাসায় পৌঁছাতে। তাই এমন যানজট। আমরাও দ্রুত সিগন্যাল ছেড়ে রাস্তা গতিশীল করার চেষ্টা করছি। আশা করি সবাই ইফতারের আগেই বাসায় যেতে পারবেন। ইফতারের মুহূর্তে পুরো রাস্তা ফাঁকা হয়ে যায়।
এদিকে যারা মেট্রোরেলে যাতায়াত করেন তাদের জন্যও বিকালে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফরমের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বিশেষ করে মতিঝিল থেকে উত্তরাগামী প্রতিটি স্টেশনেই যাত্রীদের চাপ থাকে। মেট্রোরেলে চলাচল করা যাত্রীরা জানিয়েছেন, বিকালে সব অফিস প্রায় একসঙ্গে ছুটি হওয়ায় সবাই একই সময়ে মেট্রোরেলে ভিড় করেন। গাদাগাদি করে মেট্রোর ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। আরিফুল ইসলাম নামের একজন যাত্রী জানান, পল্টনের অফিস থেকে নিয়মিত উত্তরা যাতায়াত করেন। অফিস শেষে সচিবালয় স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। বিকালে এত ভিড় হয় যে, লাইনে দাঁড়ানোর পর প্রথম ট্রেনে ওঠা যায় না, দ্বিতীয় ট্রেনে উঠতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ ও কাওরান বাজার স্টেশনেও এমন চিত্র দেখা যায়।
তামিম ইসলাম নামের এক মেট্রো যাত্রী বলেন, ইফতারের আগে সবারই বাসায় যাওয়ার তাড়া থাকে। তাই এই সময় ভিড় বেশি থাকে। একটু চাপাচাপি করেই যেতে হয়। সিয়াম নামের আরেক যাত্রী বলেন, আট মিনিট পর পর মেট্রোরেল আসে। তাও যাত্রীর চাপ কমে না। আগের ট্রেনটা ধরতে পারিনি। একবার মেট্রোতে কষ্ট করে উঠতে পারলেই হলো। কিন্তু রাস্তায় আরও খারাপ অবস্থা। মেট্রোরেলে একটু চাপাচাপি হলেও ভালো। দ্রুত পৌঁছানো যায়।
গতকাল থেকে যাত্রীদের বাড়তি নিরাপত্তার স্বার্থে মেট্রোরেলের প্রতিটি ট্রেনে দুইজন করে এমআরটি পুলিশ সদস্য নিযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত এমআরটি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এমআরটি পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সিদ্দিকী তানজিলুর রহমান বলেন, সম্প্রতি মেট্রোরেলে পকেটমার বেড়ে গেছে। প্রায়ই যাত্রীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হচ্ছে। অনেক যাত্রী অবৈধ মালামাল নিয়ে মেট্রোতে ওঠেন। এসব নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ট্রেনে দুইজন করে পুলিশ থাকবে। তারা যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে। সিদ্দিকী তানজিলুর রহমান বলেন, এখন রমজান ও সামনে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীর চাপ কিছুটা বেশি। এরমধ্য মেট্রোর যেসব কোচে বেশি চাপ থাকবে, সেগুলোতে প্রতি স্টেশন নেমে কোচ পরিবর্তন করবেন পুলিশ সদস্যরা। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, এখন ৬টি কোচের একটি ট্রেনে মোট ২ জন করে এমআরটি পুলিশ সদস্য থাকবেন। সেই হিসেবে চলমান ১০টি ট্রেনে ২০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। সকাল থেকে দুপুর ও দুপুর থেকে রাত; এই ২ শিফটে তারা কাজ করবেন। এ ছাড়া স্টেশনগুলোতে যেসব এমআরটি পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছিলেন, তারাও থাকবেন।
![]() |
| ইফতারের আগে অফিস শেষে ঘরমুখো মানুষ যানজটে অসহায়। ছবিটি রামপুরা ইউলুপের। -মানবজমিনের নিজস্ব ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুমের শিকার ৩৩০ জনের ফেরার আশা ক্ষীণ
ভারতে বন্দি থাকা বাংলাদেশিদের যে তালিকা পাওয়া গেছে সেখানে গুম হওয়া কোনো ব্যক্তি আছে কিনা- মিলিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তুলে ধরেন মইনুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কারাগারে বন্দি বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। ভারত এক হাজার ৬৭ জনের একটি তালিকা দিয়েছে, সেটি গুম সংক্রান্ত কমিশন মিলিয়ে দেখছে, সেই তালিকায় গুম হওয়া কোনো ব্যক্তি আছে কিনা, তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এই তালিকা ভারত আরও দিবে।
মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপার ও বিজিবি’র সেক্টর কমান্ডারদের কাছ থেকে আগস্টের পর ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশইন করা ১৪০ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মধ্যে কোনো গুমের শিকার ব্যক্তির নাম এখনো পাওয়া যায়নি। ধামরাই থেকে গুম হওয়া মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ নামের এক ব্যক্তিকে গত ২২শে ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কমিশন অনুসন্ধান করছে।
গুম কমিশনের প্রধান বলেন, কমিশনে ১ হাজার ৭৫২টি অভিযোগ জমা পড়েছে, যার মধ্যে ১ হাজারটি অভিযোগ ও তার সঙ্গে সংযুক্ত কাগজপত্রের যাচাই-বাছাই প্রাথমিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কমিশনে ২৮০ জন অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৪৫ জন কর্মকর্তার বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। গুমের শিকার হয়ে ফিরে না আসা ৩৩০ জন ব্যক্তির বর্তমান অবস্থা বা ভাগ্য সম্পর্কে অনুসন্ধান চলমান আছে। তবে সাধারণভাবে বলা যায় তাদের ফিরে আসার আশা ক্ষীণ।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ নির্দেশদাতা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার নির্দেশে গুমের ঘটনা ঘটেছে। এটা আমরা আগেও বলেছি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক, ডিজিএফআই’র মহাপরিচালক ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে এবং হচ্ছে বলে তুলে ধরেন তিনি। পুলিশ লাইনেও গোপন বন্দিশালা পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশন।
বগুড়া পুলিশ লাইন এ বন্দিশালা পাওয়া গেছে দাবি করে কমিশনের সদস্য নূর খান বলেন, পুলিশ লাইনের ভেতরে কারাগারের মতো গোপন বন্দিশালা তৈরি করে রাখা হয়েছিল। যেটি একেবারেই অ্যাবসার্ড একটা ব্যাপার। সেটি আমরা বগুড়ায় পেয়েছি। আমাদের ধারণা অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের আরও বন্দিশালা পাবো।
এসব বন্দিশালা গত ১৫ বছরে করা হয়েছে কিনা-এক সাংবাদিদের এ প্রশ্নে নূর খান বলেন, এগুলো গত ১৫ বছরের মধ্যেই বানানো হয়েছে। সম্ভবত গত ১০-১২ বছরের মতো। এখানে বিভিন্ন জেলা থেকে বন্দিদের এনে রাখা হতো, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করা হতো। এখান থেকেও অনেকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে।
গুমের অপরাধের দায় ব্যক্তির, এ দায় কোনো বাহিনীর নয় মন্তব্য করে কমিশনের সভাপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার যে সকল সদস্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নাগরিকদের গুম করার অভিযোগ আছে, তাদের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অনুসন্ধান করছে কমিশন। কেউ কেউ আশংকা করছেন যে, গুমের সঙ্গে জড়িত কতিপয় ব্যক্তির জন্য পুরো বাহিনী আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার যেসব সদস্য গুমের সঙ্গে জড়িত, তা তাদের ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায়। কারণ অপরাধীরা অনেক সময় আইনের হাত থেকে বাঁচতে তার ধর্ম, কমিউনিটি, সামাজিক গ্রুপ, ইত্যাদির আড়ালে লুকাতে চেষ্টা করে। কিন্তু বিচার কখনো ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে হয় না, তা হয় সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে। কারণ ফৌজদারি অপরাধ একটি ব্যক্তিগত দায়, এতে কমিউনিটিকে দোষারোপ করার কোনো সুযোগ নেই। গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায় পুরো বাহিনীর উপর বর্তায় না মন্তব্য করে গুম কমিশনের প্রধান বলেন, গুমের সঙ্গে জড়িত নির্দেশদাতাদের দায় আছে। তাদের সংখ্যাও অনেক। প্রত্যেক বাহিনীতে নির্দেশদাতা ও গোপন বন্দিশালা ছিল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুলহাসের উড়োজাহাজ নিয়ে মানিকগঞ্জে হৈচৈ by রিপন আনসারী
পরীক্ষামূলকভাবে প্লেনটি নিয়ে আকাশে উড্ডয়নের জন্য বেলা ১১টার দিকে ২৮ বছর বয়সী জুলহাস প্লেনের স্টিয়ারিং সিটে বসে পড়েন। চারদিকে তখন উৎসুক মানুষের ভিড়। যমুনায় জেগে ওঠা চড়ে প্লেনটি রানওয়ের মাধ্যমে নিমিষের মধ্যেই আকাশে উড়ে যায়। প্লেনটি ৪০ থেকে ৪৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থান করে প্রায় দুই মিনিট। আকাশে উড়ার দৃশ্য দেখে অনেকেই হতবাক হয়ে যান। অপলকদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন অনেকেই। হইহুল্লোড় ও করতালি দিয়ে জুলহাসের এই কারিশমাকে অভিবাদন জানান উৎসুক মানুষ। নিজের তৈরি প্লেন চালিয়ে আকাশে উড্ডয়নের পর জুলহাস তার এই কারিশমার গল্প তুলে ধরেন সাংবাদিকদের কাছে। তিনি বলেন, ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আমি পঞ্চম। ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হিসেবে বর্তমানে কাজ করছি ঢাকায়। ২০১৪ সালে এসএসসি পাস করার পর অর্থাভাবে লেখাপড়া করতে পারেননি। প্লেন তৈরি করে সেই প্লেন চালিয়ে আকাশে উড়বো- এমন ইচ্ছা জেগেছিল ছোটবেলা থেকেই। সেই ইচ্ছা আল্লাহ আমার পূরণ করেছেন।
জুলহাস বলেন, সম্পূর্ণ নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আমি প্লেনটি তৈরি করেছি। প্লেন তৈরি করতে গিয়ে আমাকে তিন বছর গবেষণা করতে হয়েছে। এরপর পুরোপুরি এক বছর লেগেছে প্লেনটি তৈরি করতে। মোট চার বছরের পরিশ্রমে এই প্লেনটি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এটা তৈরিতে যে মেটেরিয়াল আছে সেগুলো কিনতে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। আর এটা তৈরির জন্য যে জ্ঞানটা প্রয়োজন সেই জ্ঞান অর্জন করতেও ৮/১০ লাখ টাকা লেগেছে।
এই প্লেনে অ্যালুমিনিয়াম, এসএস পাইপ, লোহা সবই ব্যবহার করছি। যেখানে যেটা পারফেক্ট হয় সেখানে সেটা লাগানো হয়েছে। আর আমার সামর্থ্য অনুযায়ী মাত্র ১৩ হাজার টাকা দিয়ে একটি পানির পাম্পের সাতঘোড়া ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্লেনটি চেষ্টা করলে মেঘের উপর থেকেও ঘুরানো সম্ভব। যেহেতু এটা একটা প্রশিক্ষণ বিমান সেহেতু এটাকে বেশি উঁচুতে উঠানো ঝুঁকিপূর্ণ বলে আমি মনে করি। আমি কখনোই ৫০ ফুটের উপরে ওঠানোর চেষ্টা করিনি এবং ভবিষ্যতেও করা হবে না। তবে এটাকে যদি ডেভেলপ করা হয় তাহলে এটার লিমিট বাড়ানো যেতে পারে। মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, জুলহাসের প্লেন তৈরি এবং মেধা দেখে আমি মুগ্ধ। তাকে গবেষণা কাজে সরকার সহযোগিতা করবে। প্রাথমিকভাবে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। তবে ওর মধ্যে যে মেধা রয়েছে সে যদি ধরে রাখতে পারে তাহলে বহুদূর এগিয়ে যেতে পারবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণপিটুনিতে জামায়াতের ২ কর্মী নিহত: চট্টগ্রামে কী ঘটেছিল সেদিন?
জানা যায়, নেজামুদ্দিন ও আবু ছালেক-দু’জনই জামায়াতের কর্মী। এরমধ্যে ছালেক নেজামুদ্দিনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। নেজামুদ্দিন দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। জামায়াতের কোনো পদ- পদবিতে না থাকলেও এলাকায় তিনি জামায়াতের ‘নেতা’ বলে পরিচিত। এরমধ্যে ৫ই আগস্টের পর কাঞ্চনাসহ কয়েকটি ইউনিয়নে তার বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠে। সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে তাকে কয়েকবার সতর্কও করা হয়।
নিহতদের লাশের সঙ্গে চমেক হাসপাতালে আসা হাশেম খান বলেন, তাদেরকে কেন হত্যা করা হয়েছে জানি না। তাদেরকে হত্যার খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে আসি। সেখানে ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সম্পূর্ণ গুজব বিষয়টি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয় নুর উদ্দিন বলেন, নেজামুদ্দিন কোনো ডাকাতির সঙ্গে জড়িত নয়। দীর্ঘদিন এলাকায় আসতে পারেননি আওয়ামী লীগের নির্যাতনের কারণে।
এদিকে কয়েকটি সূত্র জানিয়েছেন, নিহত এই দুই জামায়াত কর্মী জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের ফেসবুক আইডিতে আন্দোলনে অংশগ্রহণের অসংখ্য ভিডিও এবং ছবি পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চট্টগ্রামের দামপাড়া এলাকায় ছাত্র- জনতার মিছিলে অংশ নিয়েছেন তারা। আর নিজের মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেছেন। ভিডিওতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা খান তালাত মাহমুদ রাফি ও চট্টগ্রামের সমন্বয়কদের দেখা গেছে।
সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি তারেক হোসাইন বলেন, নিহতরা আমাদের কর্মী। তাদেরকে একটি সালিশে অংশগ্রহণের কথা বলে ডেকে এনে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা আইনের আশ্রয় নেবো।
তবে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, নিহতরা জামায়াতের লিস্টেড কোনো কর্মী নন। তারা সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়েছিলেন। এই নিয়ে গত মঙ্গলবারও নিহত নেজামকে ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। যদিও নিহতরা দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ বলে জানিয়েছেন এই নেতা। এদিকে হত্যাকাণ্ডের ১২ ঘণ্টা পার হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দায়ের করা হয়নি মামলা। একইসঙ্গে দুই কর্মীকে হত্যার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে সাতকানিয়া জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সাতকানিয়া থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলামকে একাধিকবার ফোনকল করা হলেও তারা সাড়া দেননি। পরে জানতে চাইলে ওই থানার ওসি তদন্ত সুদীপ্ত রেজা বলেন, ডাবল মার্ডারের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। খুব দ্রুত ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনাটি কি আসলে ডাকাতি নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড- সেটা এখনই বলতে পারছি না। যেহেতু মামলা তদন্তাধীন, তাই তদন্ত করে বলতে হবে।
এদিকে দুই কর্মী খুনের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াত। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ‘বিভ্রান্তিকর’ সংবাদের প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে জামায়াত নেতারা বলেন, গতকাল রাতের হত্যাকাণ্ড একটি পরিকল্পিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড। এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা গ্রাম এটি বহু আগে থেকেই সন্ত্রাসকবলিত এলাকা। এওচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম প্রকাশ মানিক চেয়ারম্যান ছনখোলা গ্রামের পাহাড়, পাহাড়ি গাছ ও ইটভাটা সমূহ নিয়ন্ত্রণে নিতে একাধিকবার সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। গ্রামের অনেক মানুষ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অসংখ্য মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষের পাহাড়, ভূমি জবরদখল করেছিল।
জামায়াত নেতারা বলেন, এলাকার মানুষ তার (মানিক) অত্যাচার নিপীড়নে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে বয়কট করে। তৎকালীন আওয়ামী সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতার কারণে তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে পারেনি। বিগত ৫ই আগস্ট ফ্যাসিবাদী হাসিনার পতনের পর সে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করলেও তার বাহিনী ধরাছোঁয়ার বাইরে।
মানিকের ভাই হারুন ও মমতাজের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই সন্ত্রাসীগণ এখনো নানা অপকর্মে জড়িত। তারা বলেন, গতরাতে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আওয়ামী দুঃশাসনে নির্যাতিত ও ব্যবসায়ী নেজামুদ্দিন ও আবু ছালেককে বিচারের কথা বলে ডেকে এনে মাইকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ডাকাত আখ্যা দিয়ে মূলত গণপিটুনির নামে চেয়ারম্যান মানিকের নির্দেশে তার ভাই মমতাজ, হারুনের পরিকল্পনায় কুপিয়ে দুজনকে জঘন্যতম কায়দায় হত্যা করেছে, যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইভাবে বিগত ২০১৬ সালে মানিক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে জামায়াতের কর্মী বশরকে নির্মমভাবে ছনখোলাতে হত্যা করা হয়েছিল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিডিআর বিদ্রোহ ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: ‘সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ছাড়া অন্যদের মধ্যে খুব একটা শোকের ছায়া দেখলাম না’
সম্প্রতি ‘দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস বাংলাদেশ’ ইউটিউব চ্যানেলে এক আলোচনায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সে সময়ে গঠিত তদন্ত কমিশনের সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এরকম একটা বিদ্রোহের ঘটনায় যে রিঅ্যাকশন হওয়ার কথা ছিল সেটা হয় নাই। আমি যখন কমিশনের সদস্য হলাম তখন দেখলাম ঘটনাটি পুরোপুরি ভিন্ন। এটা ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’।
হাসান নাসির বলেন, ‘২৬ তারিখ বিকেলে বিদ্রোহ শেষ ঘোষণা করা হলো। তখন আমরা জানতে পারলাম ডিএডি তৌহিদ তখন পিলখানায় ছিলেন, তার সঙ্গে ২০০ বিডিআর সদস্য ভেতরে ছিলেন। পরদিন সকালে আমি জানতে পারি যে, তদন্ত কমিটি গঠন হচ্ছে, এটার আমি সদস্য। ২৭ তারিখ বেলা ৩টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথম সভা হবে। মিটিংয়ের আগে জানতাম না আর সদস্য কারা। সেখানে গিয়ে দেখি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী(সাবেক) সাহারা খাতুন, আইন প্রতিমন্ত্রী(সাবেক) অ্যাডভোকেট কামরুল। এরকম একটা দুর্ঘটনার পর আমরা আলাপে বসেছি, কিন্তু সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে খুব একটা শোকের ছায়া দেখলাম না। আমি সাহারা খাতুনকে প্রশ্ন করি, মাননীয় মন্ত্রী এটা কী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি নাকি জাতীয় পর্যায়ের? তখন তিনি একটা বিরক্তির স্বরে বললেন, কেনো আপনি জানেন না এটা জাতীয় কমিশন! আমি পাল্টা প্রশ্ন করি তাহলে আপনি এবং অ্যাডভোকেট কামরুল ২৫ তারিখ রাতে ১২টার পরে দীর্ঘ সময় পিলখানায় ছিলেন। তাহলে জাতীয় কমিশনকে বলতে হবে আপনারা ঐ সময় হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা, অফিসার ও তাদের পরিবারদের রক্ষা করা, যে ক্ষতি হয়েছে এটা বন্ধের জন্য আপনি কী অবদান রেখেছেন? সাথে সাথে পরিবেশ পাল্টে গেলো। ওখানে সচিব ছিলেন গোলাম হোসেন, উনি সঙ্গে সঙ্গে বললেন, চলেন আমরা পিলখানায় যাই। এরপর আমরা পিলখানায় গেলাম। পিলখানা ভিজিট শেষে পরদিন সাড়ে ১০টা, ১১টার দিকে ফোন আসলো যে এই কমিশন বাতিল। ১টার দিকে আবার ফোন আসলো, জানলাম নতুন কমিশন হয়েছে, কিন্তু আমি নাই। ২টার দিকে আবার ফোন। আমাকে জানানো হলো যে, স্যার আপনাকে কমিটিতে না রাখার কারণে আমরা কমিটি মানি নাই। আবার কমিটি করা হয়েছে আপনাকে রাখা হয়েছে। ২৮ তারিখ বিকেলে পিলখানায় যে মিটিং হবার কথা ছিল সেটা চেঞ্জ হয়ে গেছে, সেটা হবে না। তৃতীয় কমিটিতে সাহারা খাতুন ও অ্যাডভোকেট কামরুলকে বাদ দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সচিব আনিসুজ্জামানকে সভাপতি করা হলো। বাকী সদস্যরা একই থাকলেন’।
তিনি বলেন, ‘কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যই ছিল একটা গল্প লেখা হবে তাতে সবাই সই করবে, শেষ। প্রথমে সাহারা খাতুনকে দেখেই আমার সন্দেহ হয়। এরপর টার্মস অব কন্ডিশন দেখেও আমার সন্দেহ হয়। প্রতিদিন অফিস শেষে ৩টার দিকে বিডিআর’র অফিসার্স মেসে বসতাম। ম্যাক্সিমাম সময়ে দেখতাম আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা গল্প আড্ডা চা খাওয়াতেই চলে যেতো। কার্যক্রমের মধ্যে কোনো সিরিয়াসনেস দেখতে পাই নাই। এরপর আমরা নিজেরা নিজেরা আলাদাভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করি। সেসময় র্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই’র অনেকেই চাচ্ছিল সুষ্ঠু তদন্ত হোক। প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসুক। তরুণ অফিসাররা তথ্য দেয়া শুরু করে। সিনিয়র লেভেলে তখন চেঞ্জ হয়ে যায়। কিন্তু জুনিয়র লেভেলে কোনো পরিবর্তন তখনো হয় নাই। আমরা জানলাম জেনারেল মঈন ভারত থেকে আসার পর থেকেই সেনাবাহিনী পর্যায়ে একটা এডজাস্টমেন্ট চলছিল। এই হত্যাকাণ্ড উপলক্ষে র্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই থেকে লিস্টেট করে আইন ভেঙে তাদের বিডিআর’এ পোস্টিং করা হয়েছে। নিয়ম ভেঙে বলতে আমি বলছি, এটা একটা সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী রেগুলার ইউনিটের বাইরে চাকরি করলে এরপর রেগুলার ইউনিটে ফেরত আসতে হবে। ডেপুটেশনে আসলেও আমাকে ফেরৎ যেতে হবে আর্মিতে। আমরা দেখলাম সেকশন অব অফিসারকে র্যাব, ডিজিএফআই থেকে বিডিআর’এ নিয়ে আসা হলো ছয় মাসের মধ্যে। পরে যখন আমরা দেখলাম এমনো লোক আছে ২৩ তারিখে যোগদান করানো হয়েছে। সিভিল থেকে পোশাক বানিয়ে এনে ২৫ তারিখ তাদের দরবার হলে হাজির করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে কর্নেল গুলজার, ক্যাপ্টেন তানভিরসহ অনেকে ছিলেন। আমি যাদের একমাস আগে বিদায় দিছি তাদেরও ডেথ লিস্ট দেখতে হয়েছে’।
হাসান নাসির বলেন, ‘কমিশনে কিছু কিছু তথ্য আমি পাচ্ছিলাম। আমার রিকুয়েস্ট ছিলো কমিশন এটাকে ফোরিফাই করুক। জুনিয়র অফিসারদের তথ্য কমিশনের পছন্দ হচ্ছিল না। জুনিয়ররা ইন্ট্রাক্ট করা শুরু করে, কল রেকর্ড মনিটর করা শুরু করছে। বিএনপির নেতা পিন্টুর নামে একটা বেনামে চিঠি আসে যে, তিনি নদী পারাপারে সহযোগিতা করেছিল বিদ্রোহীদের। যে আমাকে চিঠিটা দিয়ে যায় সে আমাকে কানে কানে বলে যায়, স্যার এটা কিন্তু আমার অফিসে টাইপ করা। কয়েকদিন পর সিআইডি থেকেও একই বেনামি চিঠি আসে। পিন্টুকে গ্রেপ্তার করার কারণ কিন্তু এই বেনামি চিঠি। তারপর তাকে জেলে মরতে হলো। তোরাব আলীকে আমরা পেলাম যিনি বড় আকারে ইনভলভ। রিটায়ার্ড সুবেদার। তার ছেলে শীর্ষ সন্ত্রাসী লেদার লিটন। এরা দুজন ব্যারিস্টার তাপসের সঙ্গে ক্লোজ ছিল। সাধারণ সৈনিকদের সঙ্গে লিংক ছিলো যে তোমরা তাপসকে ভোট দিবা। তাপস জয় পাইলে তোমাদের বেতন ভাতাসহ যতো দাবি আছে সব মেনে নেবে। তোরাব আলীর একটা কল রেকর্ড আমার কাছে আসে। সুবেদারের কাছে ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গাপুর থেকে একটা মিসডকল ও চারটা কল হয়। ভারত থেকেও চারটা কল হয়। সেই সময়ে সে অলরেডি জেলে। আমি জেলে থাকা বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে এবং তোরাব আলীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলাম। অন্য সবার সঙ্গে কথা বলার পর তোরাব আলীর সঙ্গে কথা বলা শুরু করলাম। আমি তোরাব আলীকে জিজ্ঞাসা করলাম আত্মীয়, স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব কেউ বিদেশে আছে? সে বলল, না। তখন আমি কল রেকর্ডটা বের করে ফোন নাম্বারটা চেক করি। নাম্বারটা তার বলার পর আমি বলি, এই নয়টা কল বিদেশ থেকে আসছে। এই কথা বলার পরই সে চুপ। এসব ঘটনার পরই আমাকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলা হয়। এরপর ৩০০ কল যদি থাকে পেপার ওয়ার্কে দেখানো হয় ১০০ কল। বিদেশি কলসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে হওয়া কল ডিলিট করে দেয়া হলো। ভারতের সঙ্গে কল, আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কল, কিলাররা চট্টগ্রামে প্রথম ধরা পড়লো ওদের স্টেটমেন্ট চলে এসেছিলো আমার কাছে। আমি যেসব তথ্য পাচ্ছিলাম সেগুলো যাচাই না করে উল্টো আমাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা হলো। একটা পর্যায়ে দুজন রক্ষীবাহিনীর লোক আলাদা আলাদা তারিখে আসেন। তারা আপার বেড রুমে আলাপের বিষয়ে কথা বলেন। আমি বলি কোন আপা, বলে কেনো প্রধানমন্ত্রী(সাবেক) শেখ হাসিনা। তখন বলা হলো, একলা চলাফেরা করো, ভাবি-বাচ্চারা একলা চলাফেরা করে কী দরকার। আওয়ামী লীগ খুব খারাপ। আপার সঙ্গে কথা হইছে এটা প্রমোশন নাও, সই করো। যেকোনো দেশের এম্বাসেডর হয়ে যেতে পারবা। দেশে আর রাখবে না। আমার মৃত্যু পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু যেখানে লেখা আছে সেখানেই হবে। আমি অফারটা নিলাম না’।
তিনি বলেন, ‘এতো বড় আকারের একটা হত্যাকাণ্ড। যেটার মাধ্যমে শুধু বিডিআর না বাংলাদেশের পুরো সশস্ত্র বাহিনীকে ধ্বংস করা হয়েছে। ২০০৯ সালে যে স্বৈরাচার শাসনের শুরু হলো সেটা এই বিডিআর হত্যাকাণ্ড দিয়ে। আইসিটিকে আমরা কনভিন্স করতে পারছি যে, তারা পোশাকে থাকলেও তারা সিভিলিয়ন হিসেবে গিয়েছে কথা শুনতে। যদি ব্যাটল যুদ্ধরত অবস্থায় হতো তাহলে জেনেভা কনভেনশন আসতো। এটা শতভাগ ষড়যন্ত্র। লিস্ট আউট করে পোস্টিং করা হয়েছে। এক গ্রুপকে দেখামাত্র গুলি করা হয়েছে। নিকট আত্মীয় বা আওয়ামী লীগ পরিবারের তাদের কোয়ার্টার গার্ডে রাখা হয়েছে। যারা জড়িত তারা সরাসরি সৈনিকদের সঙ্গে থাকছে এবং এরপর বেরিয়ে চলে এসেছে। সব সংস্থার অফিসারদের সম্পৃক্ততা না হলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো সম্ভব হতো না'।
পোস্টিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, এই পোস্টিং শুরু হয়েছে জেনারেল মঈনের ভারত সফরের পর থেকেই। যাদের হত্যা করা হয়েছে তারা যেন বিডিআর’এ জয়েন করেন। এমনকি ছুটি বাতিল করেও জয়েন করানো হয়েছে। র্যাব থেকে আর্মিতে যাওয়ার কথা সে সরাসরি বিডিআর’এ আসছে। পোশাক বানিয়ে পরদিন হাজির করছে। যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ৪০ ব্যাটেলিয়ান আর্মস তার অধিনায়ক কর্নেল শামস, তার অধীনস্থ আরও তিনজন অফিসার বীরের মতো বের হয়ে চলে আসছে। শামস ওখান থেকে যমুনায় গেছে। সেখান থেকে নিয়োগ পরিবর্তন হয়ে এসএসএফ’এ যায়। এটার আইনের পরিপন্থি। শামস এখন পর্যন্ত কোনো বিচারের আওতায় আসে নাই। বিশ্বের কোথাও এমন কিছু হয় নাই যে ব্যাটেলিয়ান বিদ্রোহ করে তার প্রধানকে দায়ী করা হয় নাই। হাইকোর্ট থেকে রায় এলো এদের বিচার ক্রিমিনাল কোর্টে হবে। এতে কিন্তু কর্নেল শামস আসামি নয় সাক্ষী’।
তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের জন্য একটা দাবি দাবার ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছিল। এখন দাবির একটা সিজন চলছে। সবার দাবি আছে এরকম বিডিআর এরওতো দাবি থাকতে পারে। তখন একটা ট্রেন্ড ছিল বিডিআর পুলিশ, আনসার সবাই আর্মির সমান সুবিধা চায়। ডাল ভাতের যে অভিযোগ আছে কোন একটা বিষয় সাপ্লাই দিতে হবে সে পরিচিত একজনকে বলছে। এই দোকানগুলো চালাইতে হবে এটার মধ্যেই দুর্নীতি। মূল দুর্নীতি হলো ৩০০ কোটি টাকার চাল বরাদ্দ দেয়। ১০ শতাংশ কমিয়ে সরকারকে ফেরৎ দিতে হবে। অর্থাৎ ২৭০ কোটি টাকা। কিন্তু জমা হয়েছিল ৩১০ কোটি টাকা। তারা টাকা জমা দিতে দিতে আর হিসেব করেনি। দুর্নীতি হলেতো ২০০ কোটি টাকা জমা হতো। বরং অন্যান্য পণ্যের লাভের টাকাটাও এখানে যোগ হয়েছে’।
জওয়ানদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয় এমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাড়ে ৯টার সময় গোলাগুলি শুরু হলো। ১০টার সময় এসে মুন্নি সাহা এতো গল্প কী করে জানলো? এটাও একটা তদন্তের বিষয়। নিউজ হেডদের ডাকা হয়েছিল। ওরা সবাই এসে একটা কমন বক্তৃতা দিয়ে চলে গেলেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো মুন্নি সাহা একজন বিদ্রোহীর সঙ্গে কথা বলছে কিন্তু সামরিক বাহিনীর কেউ কেনো পারছে না। রাজনৈতিক নেতা একটা সাদা রুমাল নিয়ে কীভাবে চেলে গেলো ভেতরে? ইন্টেলিজন্সের দায়িত্ব ছিল তথ্য দেয়া। এটাই তাদের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু তারা একটা ব্লাংক লুক দিলো। হেড অব দ্য ইন্টেলিজেন্স মামুন খালেদ, আম্বালা সুইটস এ ২৫ তারিখ সকাল ১০টা থেকে ২৬ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিলো। কিন্তু সে কোনো তথ্যই দিলো না। ১৪ জন যখন যমুনার গেটে গেলো এটা ওরা দেখেছে। ভিডিও ফুটেজ থাকার কথা। কোনো কিছুই রেকর্ড নাই। ১৪ জন খুনি যখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসা তার আগেই খবর বেরিয়েছে তিনজন মারা গেছে। তারা তিনটার সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেছে। দুটার সময় কিন্তু দুটা ডেড বডি পাওয়া গেছে। তারা যেয়ে বলল তিন বাহিনীর প্রধান থাকলে আমরা কথা বলবো না। প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর প্রধানকে বের করে দিলেন। হওয়া উচিত ছিল কি এই ১৪ জনকে আটকে রেখে বলা আমার অফিসারদের ছাড়ো, পরিবারের লোকদের ছাড়ো তারপর তোমাদের ছাড়ব। যাদের প্রতিহত করার কথা তারাইতো এটার সঙ্গে জড়িত। রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী জড়িত। দুজন মহিলা ভেতরে নির্বিঘ্নে চলে গেলো। গোলাগুলি হচ্ছে ৫/৬টা এমপি ঢুকলো বির্বিঘ্নে। সোহেল তাজ কোথায় ছিল কেউ জানে না। ২৪ তারিখ রাতে নীলক্ষেত মোড়ে একটা প্রেট্রোল পাম্প আছে সেটার মালিক ডিজি জেনারেল শাকিলকে সরাসরি ফোন দেয়। তিনি বলেন, ২৫ তারিখ যে দরবার হওয়ার কথা আছে আপনি সেখানে যাবেন না আপনাকে মেরে ফেলা হবে। এই কথা বলার ১০/১৫ মিনিট পরই ওই মালিককে একটা মাইক্রোবাস এসে উঠায় নিয়ে যায়। ২৬ তারিখ বা ২৭ তারিখ রাতে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মালিককে হাজির করা হয় না। কি হয়েছে একটা টেলিফোন কনভারসেশন হয়েছে। তারমানে ডিজির ফোন কন্টিনিউয়াস মনিটরিংয়ে ছিল। ডিজিএফআই, এনএসআই কোনো ডিজিকেই আনা যায় নাই কমিশনে। নানক, তাপস, মির্জা আজম, অ্যাডভোকেট কামরুলকে বলা হলো ওনাদের ইন্টারভিউ নেয়া হবে কিন্তু আনা গেলো না। ওই পাম্প মালিককে আনা গেলেও কিন্তু জানা যেতো কী ঘটনা ঘটছে।
বিডিআর এর একটি লিফলেট ২১শে ফেব্রুয়ারি থেকে ছাড়া হয়। একটা অসন্তোষ ছিল এটা জানতাম। দুই বছরের কেয়ারটেকার সরকারের সময় বিডিআর সপ্তাহটাও হয় নাই। ২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী প্যারেডে যোগ দেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসহ অনেকেই ছিলেন। ২৩ তারিখে তিনটা এসএমজি হারানো যায়। এটা অস্বাভাবিক বিষয়। প্রধান অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগের দিন তিনটা অস্ত্র হারালো অনুষ্ঠানই হবার কথা নয়। তিন এজেন্সি যারা আছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে প্রশ্ন রাখি... প্রধানমন্ত্রী যাবার আগে একটা সিকিউরিটি সার্ভে হয়। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান আলাদা আলাদাভাবে করে। কিন্তু তাদের রিপোর্ট দেখলাম রুটিন, সব ঠিক আছে। ২৫ তারিখ রাতে একটা বিডিআর’র ডিনার হয় এটা ট্র্যাডিশন। ওইটা উনি না করে দিয়েছিলেন। শুধু তিনটা প্রতিষ্ঠানের তিনটা অফিসারের ডিউটি দেয়া হয় অস্ত্রের ওখানে'।
তিনি বলেন, ‘আর্মি অ্যাক্ট ৩১। এতে বলা হয়, বিদ্রোহের কোনো ঘটনার তথ্য আসলে আমার ক্ষমতা থাকলে আমি রেজিস্ট করব। এই ঘটনার পর কিন্তু সেনাবাহিনী জেনেছেন। তিনি কিন্তু সরাসরি আদেশ দিতে পারতেন যে, যাও তোমরা বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে আনো। তিনি করলেন না। দ্বিতীয়ত ১১টার দিকে সেনাবাহিনী যখন ওখানে গেলো গুলিতে একজন সৈনিক নিহত হলেন এবং আরেকজন মারাত্মক আহত হলেন। এখানেও আর্মি রিয়্যাক্ট করে নাই। ৯.৫০ এ র্যাব যখন যায় তখন তাদের বলা হয় কোনো অ্যাকশনে যাবা না। সেনাবাহিনী গেলেও তাদের একই কথা বলা হয়। র্যাব থেকে না করছিলেন ডিডিজি রেজা নূর। সে বাহাউদ্দীন নাসিমের কাজিন সে। সে বলে, যাবা না। ইচ্ছা করলেই যাওয়া যেতো। একটু পর যখন ইনসিস্ট করেছে তখন বলা হয়েছে তোমরা নিরাপদ দূরত্বে চলে যাও। প্রথমে যদি ঢুকতে দেয়া হতো তাহলে অনেক হত্যাকাণ্ডই হতো না। সাহারা খাতুন রাতে ভেতরে ছিলেন। তার থেকে ৫০ মিটার দূরে একজন বেরিয়ে আসছে তাকে মারা হয়েছে। ওনাকে বলা হলো গুলির শব্দ শুনেছেন উনি বললেন, শুনি নাই। পরে জানা গেলো তার খুব কাছ থেকে একজনকে মারা হয়েছে। আগের কমিশনে যেহেতু ব্রিগেডিয়ার রশিদ আমাকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলেন। শুধু সাইন করার সময় হলে তিনি সাইন করতে ডাকেন। পরে আমি ডিজঅ্যাগ্রি করি। আমি রিজেক্ট করি। আমার ধারণা অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর এটা পুর্নতদন্ত হবে। যেহেতু এটা সবার দাবি। দাবি উঠলেও কাজ হলো না। হাইকোর্ট থেকে বলা হলো, কমিশন গঠন করতে হবে এবং শহীদ দিবস পালন করতে হবে। কোর্টে একজন বলতেছেন কমিটি কমিটি। আমিতো জানি কমিটি আর কমিশন আলাদা। কমিশন একটা কোর্ট। তারা যেকোনো কাউকে ডাকতে পারে। একজন অ্যাডভোকেট হাইকোর্টে দৌড়াদৌড়ি করতেছে বলতেছে কমিটি তাই আমরা আর পরবর্তী হেয়ারিংয়ে গেলাম না। পরে স্বরাষ্ট্রে জানিয়ে দেয় যে আপাতত কোনো কমিটি হবে না। পরে আমাদের সন্দেহ হয় কমিশন যাতে না হয় এজন্যই এই রিটটা করা হয়েছে। এরপর আমরা শহীদ পরিবারদের নিয়ে একটা দাবি করি এরপর কমিশন গঠন করে দেয়া হয়’।
ফরেন এলিমেন্টের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শহীদ পরিবারের একজন বলেছেন আমার বাসায় যে ১০/১২ জন সৈনিক ঢুকেছে তাদের মধ্যে হিন্দিতে কথা বলেছে। আরো জানতে পারি বিভিন্ন জায়গায় হিন্দিতে কথা বলা সৈনিক ছিলো। আরো অনেক সৈনিক পেয়েছি যাদের মুখ বাধা ছিল তারা নিজেদের লুকাচ্ছিল। আর বিডিআররা কিন্তু নিজেদের লুকায়নি। ওই দিন সকালে একটা ট্রাক যে ট্রাকে ন্যাশনাল লেবেলের খেলোয়াড়রা খোলা মাঠে যায়, আবার ফিরে আসে। ধারণা করা হয় এই ট্রাকে একটা গ্রুপ ঢুকে পরে। তাদের ড্রেস বাইরে সিভিলে বানানো হয়। ২৫ তারিখ রাত আটটার দিকে চারটা অ্যাম্বুলেন্স কোনো ধরনের মার্কিং নেই দ্রুতবেগে ভেতরে গেলো। কেউ তাদের চ্যালেঞ্জ করলো না। তারা আবার ভর্তি হয়ে বের হলো কেউ তাদের চেক করলো না। এরকম ঘটনায় ঢোকা এবং বাইর হবার সময় চেক হবে। কোনো ধরনের চেক হলো না। কোনো নম্বরও ছিল না গাড়িতে। এগুলো যে প্রাতিষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ড না হলে এতো সহজে হতো না। পরদিন ঢাকা এয়ারপোর্টে একটা ফ্লাইট দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পরে ফ্লাই করলো। ধারণা করা যায় ওই ফ্লাইটে কিছু কিলার বেরিয়ে যায়।
কিলাররা দেশে ঢুকলো কীভাবে? এটা আমাদের আওতার বাইরে ছিল। এটা নিয়ে আমরা ইনভেস্টিগেশন করতে পারি নাই। সিআইডি, ডিজিএফআই, এনএসআই এদের ইনভেস্টিগেশন করা উচিত ছিল। কিন্তু তারা করে নাই। কমিশনের স্টেটমেন্ট দেখে মনে হবে সাধারণ একজন জনতা সেখানে ছিলো। পরে মামুন খালিদ একটু পরিবর্তন করেন। ৩ মার্চ একটা স্টেটমেন্ট দেয় এরপর ২৩শে মার্চ আরেকটা স্টেটমেন্ট দেয়। তার স্টেটমেন্ট হওয়া কথা ছিল অনেক বেশি। কে কোথায় বৈঠক করেছে, কে কে ছিলো এসব বিষয় থাকার কথা ছিলো। কিন্তু কিছুই সেখানে ছিলো না। আমরা ডিজি ডিজিএফআইকে কিন্তু খুঁজে পাই নাই। অনেকের ধারণা দুবাইতে যেয়ে কিলারদের পেমেন্ট করে। ২১শে ফেব্রুয়ারি দুই বাংলার মিলনমেলা হলো বেনাপোল বর্ডারে। ১০ হাজার মিষ্টি আসলো দেশে। মিষ্টির একটা অংশ ঢাকায় আসলো। ওই সময় কোনো পাসপোর্ট ভিসার ব্যাপার ছিলো না। ওপেন বর্ডার করে দেয়া হয়। ঢাকায় যে মিষ্টিগুলো নিয়ে এসেছে এরাই খুনি। হতে পারে তারা ট্রাডিশনাল কিলার। সাধারণত দুই দেশের বর্ডারে এরকম কখনও হয় না। দুই দেশের মিষ্টি বিতরণ। কে আসলো কি আসলো কিছুই জানি না'।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার থেকে আমাকে কমিশনের প্রধান করার প্রস্তাব আসে। আমি অস্বীকৃতি জানাই। এটাতেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হয়েছে। আগের কমিশনের রিপোর্টে আমি নোট অব ডিসেন্ট দিলাম। মানে আগের কমিশনের রিপোর্ট প্রশ্নবিদ্ধ। এখন নতুন কাউকে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়। আমি নোট অব ডিসেন্ট দিলাম এখন আমি তদন্ত করলে অবশ্যই বিতর্ক হবে। বলা হবে আওয়ামী লীগকে বা ভারতকে টার্গেট করার জন্যই এই তদন্ত করা হয়েছে। এজন্য আমি ডিজএগ্রি করেছি'।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশের খাতায় ১,২৪,৬৯৫ নারী-শিশু নির্যাতনকারীর নাম by শুভ্র দেব
মামলার পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ওই সময়টা সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে ঢাকা রেঞ্জে। পুলিশের এই রেঞ্জে প্রায় ২০ হাজার ৮৭টি মামলা হয়েছে। এরপরে বেশি মামলা হয়েছে চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১৫ হাজার ৩৪টি। পর্যায়ক্রমে রাজশাহী রেঞ্জে ১৪ হাজার ৮১টি। রংপুর রেঞ্জে ১৪ হাজার ৭২৭টি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছে ১১ হাজার ৮৯০টি। ময়মনসিংহ রেঞ্জে ১০ হাজার ৯৯৩টি। খুলনা রেঞ্জে ১০ হাজার ৮২৮টি ও বরিশাল রেঞ্জে ৮ হাজার ৬০৪টি। পুলিশের এসব ইউনিট ছাড়াও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি), রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি), গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি), সিলেট রেঞ্জ ও রেলওয়ে পুলিশের বিভিন্ন থানায়ও অনেক মামলা দায়ের হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডিএমপিতে ২০২৪ সালে ১ হাজার ৪৬০, ২০২৩ সালে ১ হাজার ৬০২, ২০২২ সালে ২ হাজার ১২, ২০২১ সালে ২ হাজার ২১৮, ২০২০ সালে ২ হাজার ১৯৮ ও ২০১৯ সালে ২ হাজার ৪০০টি মামলা হয়েছে। ঢাকা রেঞ্জে ২০২৪ সালে ২ হাজার ৯২৮, ২০২৩ সালে ৩ হাজার ২৯১, ২০২২ সালে ৩ হাজার ৪৭৯, ২০২১ সালে ৩ হাজার ৫৫৯, ২০২০ সালে ৩ হাজার ৩৯৮, ২০১৯ সালে ২ হাজার ৪৩২টি। ময়মনসিংহ রেঞ্জে ২০২৪ সালে ১ হাজার ৩৩২, ২০২৩ সালে ১ হাজার ৭৯৮, ২০২২ সালে ২ হাজার ১৭২, ২০২১ সালে ২ হাজার ১৫৫, ২০২০ সালে ১ হাজার ৮৬১ ও ২০১৯ সালে ১ হাজার ৬৭৫টি। চট্টগ্রাম রেঞ্জে ২০২৪ সালে ১ হাজার ৯৭৫, ২০২৩ সালে ২ হাজার ২০, ২০২২ সালে ২ হাজার ৪৮৬, ২০২১ সালে ২ হাজার ৮২৩, ২০২০ সালে ২ হাজার ৮৮৮, ২০১৯ সালে ২ হাজার ৮৬০। খুলনা রেঞ্জে ২০২৪ সালে ১ হাজার ৫৫৫, ২০২৩ সালে ১ হাজার ৬৯৮, ২০২২ সালে ১ হাজার ৯৩২, ২০২১ সালে ২ হাজার ১৫, ২০২০ সালে ২ হাজার ১৩৫ ও ২০১৯ সালে ১ হাজার ৪৯৩। বরিশাল রেঞ্জে ২০২৪ সালে ১ হাজার ৭১১, ২০২৩ সালে ১ হাজার ৩০১, ২০২২ সালে ১ হাজার ২৮৩, ২০২১ সালে ১ হাজার ৩০০, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪৩২ ও ২০১৯ সালে ১ হাজার ৬৭৭। রাজশাহী রেঞ্জে ২০২৪ সালে ২ হাজার ২৫৪, ২০২৩ সালে ২ হাজার ২৮৯, ২০২২ সালে ২ হাজার ৬২৪, ২০২১ সালে ২ হাজার ৩১০, ২০২০ সালে ২ হাজার ৮৬১ ও ২০১৯ সালে ২ হাজার ৪৭৪। রংপুর রেঞ্জে ২০২৪ সালে ২ হাজার ২০০, ২০২৩ সালে ২ হাজার ৩৭৭, ২০২২ সালে ২ হাজার ৬৪৬, ২০২১ সালে ২ হাজার ৫২৯, ২০২০ সালে ২ হাজার ৫৪৩ ও ২০১৯ সালে ২ হাজার ৪৩২ জন ভুক্তভোগী নির্যাতনের শিকার হয়ে মামলা করেছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারী ও শিশুরা প্রতিনিয়তই কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ঘর থেকে শুরু করে পাড়াপ্রতিবেশী, কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সর্বত্রই নারীরা নির্যাতিত হচ্ছেন। কিন্তু অনেক ভুক্তভোগী এসব নির্যাতনের পরেও হয়রানি, মামলায় ঝক্কিঝামেলা, বিচার না পাবার শঙ্কা, প্রভাবশালীদের চাপ, হুমকি, মামলা পরিচালনা করতে অর্থের প্রয়োজন, লোক জানাজানি, সমাজ সেটিকে উল্টোভাবে নিবে এমন নানা কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে চান না। তাই হিসাবমতে, দেশে যে পরিমাণ নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হন তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছেন। তবুও দেশের গতানুগতিক অপরাধ যেমন চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, হত্যা, অপহরণসহ অন্যান্য অপরাধের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মামলা হচ্ছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায়। অপরাধ ও সমাজ নিয়ে কাজ করেন এমন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন ঠেকানোর জন্য সরকার অনেক আইন ও নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করে রেখেছে। কিন্তু সেগুলোর সঠিক প্রয়োগ না হওয়ায় এমন অপরাধ বন্ধ করা যাচ্ছে না। এখানে মামলার তদন্ত, বিচারহীনতা, অপরাধীরা প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যাওয়া, মামলার আলামত না পাওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা রয়েছে। কারণ অপরাধীরা এক সময় মনে করেন মামলা তাদের শাস্তি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে না। এর ফাঁকফোকর দিয়ে তারা বের হয়ে যাবেন। এজন্য কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, একজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকে।
সমাজ ও অপরাধবিজ্ঞানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তৌহিদুল হক মানবজমিনকে বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের আইন আছে। কিন্তু আইন থাকা সত্ত্বেও মামলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়া বা এই নির্যাতন বন্ধ করতে না পারাই একটি মৌলিক প্রশ্ন। আইন তৈরি করে সেটি বন্ধ করতে পারছে না কেন। আইনের জটিলতা বা চ্যালেঞ্জটা কোথায়। আরেকটা প্রশ্ন হলো যে আইন তৈরি হয়েছে সেটি যথাযথভাবে প্রয়োগ হচ্ছে কিনা। এই দুটা প্রশ্নের সদত্তোর আমাদের দেশে নাই। আইনের যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, আইনে যে সাজার কথা বলা আছে সেটি সমাজে খুব বেশি প্রভাব ও সতর্কতা সৃষ্টি করে না। যেহেতু দ্রুত সময়ের ভেতরে বিচার সম্পন্ন হয় না, সময়ক্ষেপণ, বিচারহীনতার কারণে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন হয় সেটা থেকে অপরাধীরা মনে তারা পার পেয়ে যাবেন। পার পেয়ে যাওয়ার উদাহরণও আছে আমাদের দেশে।
তিনি বলেন, অধিকাংশ মামলাই হলো প্রান্তিক পর্যায়ের নারী ও শিশুদের। নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে প্রান্তিক পর্যায়ের নারী ও শিশুরা বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছেন। এই নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বলছে তাদের সুরক্ষার জন্য আইন করা হয়েছে, বিভিন্ন সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুরক্ষার জন্য কি কি আছে সেদিক দিয়ে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে আছে। নারীদের সুরক্ষার জন্য সবই আছে। কিন্তু সেটি ঠিকমতো কাজ করছে না। শাস্তিভিত্তিক বিচার ব্যবস্থায় যদি বিচার না হয় দ্রুত সময়ের মধ্যে তাহলে ভুক্তভোগীর সংখ্যা বাড়বেই।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
March
(433)
-
▼
Mar 05
(10)
- গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে প্রস্তুত ইসরায়েল, তবে...
- অস্থির মধ্যপ্রাচ্য: এক দেশকে নিয়েই খেলছে চার দেশ
- ইউক্রেন ইস্যু: ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে উত্তে...
- এক রাতেই জীবন বদল
- অসহনীয় যানজট, দুর্ভোগ
- গুমের শিকার ৩৩০ জনের ফেরার আশা ক্ষীণ
- জুলহাসের উড়োজাহাজ নিয়ে মানিকগঞ্জে হৈচৈ by রিপন আনসারী
- গণপিটুনিতে জামায়াতের ২ কর্মী নিহত: চট্টগ্রামে কী ঘ...
- বিডিআর বিদ্রোহ ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: ‘সশস্ত্র ...
- পুলিশের খাতায় ১,২৪,৬৯৫ নারী-শিশু নির্যাতনকারীর নাম...
-
▼
Mar 05
(10)
-
▼
March
(433)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


