Thursday, June 6, 2013

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সবকিছুই অন্ধকারাচ্ছন্ন নয় by আবদুল মান্নান

কিছুদিন পর পর বাংলাদেশের পাবলিক বা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়, তবে কদাচিৎ ভালো কারণে। আবার বাংলাদেশ একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী দেশ, যেখানে দেশের সব প্রথম শ্রেণীর সংবাদপত্রের বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা আছে।

মুখ সামলে কথা বলুন- মওদুদকে গয়েশ্বর রায়

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের প্রতি ইঙ্গিত করে যেসব সিনিয়র নেতা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে মিডিয়ায় অতিরিক্ত কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাঁদের মুখ বন্ধ করে জিহ্বা সামাল দিতে বলেছেন স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

রিজার্ভ ট্যাংকের পানি পান করে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ

গাজীপুরের ভোগড়া শিল্প এলাকার লাবীব গ্রুপের স্টারলাইট সোয়েটার কারখানার রিজার্ভ ট্যাংকের পানি পান করে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি-ক্ষতিপূরণ দাবির অবরোধে ছাত্রলীগ যুবলীগের হামলা

সাভারে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির শিকার ও তাদের স্বজনদের দাবি আদায়ের কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। গতকাল বুধবার সকালের দিকে এ ঘটনার পর আন্দোলনকারীদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য ১০ জন মৌখিক পরীক্ষায়

রেলওয়ের বুকিং সহকারী গ্রেড-২ পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে নাম নেই, এমন ১০ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছে। এরই মধ্যে তাঁদের মৌখিক পরীক্ষা শুরুও হয়েছে। এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তবে রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ হওয়া ১০টি খাতা তাদের নজরে এসেছে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ এই পদের লিখিত পরীক্ষা হয়। এতে ৪৪ হাজার ৭০০ আবেদনকারীর মধ্যে ১৫ হাজার ৪৪৩ জন অংশ নেন। পরীক্ষার আগের ১০ দিন টানা হরতাল ও ঘন ঘন ছুটির কবলে পড়ে। ফলে প্রবেশপত্র না পাওয়া আবেদনকারীরা পরীক্ষার আগের দিন রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল কার্যালয়ে বিক্ষোভ করেন। তার পরও রাজশাহীর ২৯টি ও চট্টগ্রামের পাঁচটি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। ৮ এপ্রিল এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের রোল নম্বরের তালিকা রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের কার্যালয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। এতে ৯৫৩ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। ১৪ মে মৌখিক পরীক্ষায় উপস্থিত হওয়ার জন্য আরেকটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের তালিকার সঙ্গে অতিরিক্ত ১০টি রোল নম্বর সংযোজন করে ৯৬৩ জনের নতুন তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা হচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন (রোল নম্বর ১৪৫৮, ১৪৭৮, ১৫৫০ ও ১৫৫৪), দিনাজপুরের দুজন (১১৮৪ ও ১২৬৯), লালমনিরহাটের একজন (রোল ৫০), পাবনার একজন (২৬৬৩), নাটোরের একজন (১১১২) ও কুষ্টিয়ার একজন (২২১)। ৩০ মে থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। রেলওয়ের একটি সূত্র বলছে, নিয়োগ-বাণিজ্য করার জন্য সুকৌশলে বিভিন্ন জেলা থেকে দু-চারজন করে নিয়ে মৌখিক পরীক্ষার তালিকায় অতিরিক্ত ১০ জনকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে নাটোর জেলার ২০১৩ রোল নম্বর লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের তালিকায় থাকলেও মৌখিক পরীক্ষার তালিকায় দেওয়া হয়নি। এই নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এস এম মুরাদ হোসেন। কথা বলার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। তাঁর পক্ষ থেকে প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তা অসীম কুমার তালুকদার বলেন, মুরাদ হোসেন মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে রয়েছেন। সে জন্য তিনি ফোন ধরতে পারছেন না। অসীম কুমার তাঁর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে বলেন, লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার পর অকৃতকার্য ব্যক্তিদের খাতা টেব্যুলেশন করার সময় উত্তীর্ণ ১০টি খাতা নিয়োগ কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তাঁরা যাতে চ্যালেঞ্জ করতে না পারেন, সে জন্য মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়েছে।

হাসপাতালে রোগী রেখে চিকিৎসকদের মানববন্ধন!

অস্ত্রোপচারের পর রোগীর শরীরে সুই রেখে দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হওয়া চিকিৎসকের মুক্তির দাবিতে গতকাল বুধবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। মো. সুরমান আলী নামের ওই চিকিৎসক গতকাল তৃতীয় দফায় আদালতে জামিনের আবেদন করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে শুনানি হবে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা ব্যক্তিগত চিকিৎসাসেবা (প্রাইভেট প্র্যাকটিস) বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করলেও কর্মক্ষেত্রে সেবাদান অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছিলেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রাম শাখা অনির্দিষ্টকালের এই কর্মসূচি ঘোষণা করে। কিন্তু হাসপাতালে রোগী রেখে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাছে প্রবর্তক মোড়ে প্রায় এক ঘণ্টা তাঁরা মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রায় ২০০ চিকিৎসক অংশ নেন। তাঁদের বেশির ভাগই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। হাসপাতাল থেকে বের হয়ে মৌন মিছিল নিয়ে তাঁরা প্রবর্তক মোড়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন। মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তৃতা করেন বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের মুজিবুল হক খান, প্রসূতি বিভাগের প্রধান শাহানারা চৌধুরী, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের নাসির উদ্দিন মাহমুদ, সার্জন অব অ্যানেসথেশিয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন ভূঁইয়া ও বিএমএ চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফ। কর্মসূচি চলাকালে হাসপাতালে গিয়ে এসব চিকিৎসকসহ অনেক চিকিৎসকের কক্ষ তালাবদ্ধ দেখা গেছে। মেডিসিন বিভাগের এম এ হাসান, প্রসূতি বিভাগের শামিমা সিদ্দিকার পাশাপাশি হাসপাতালের অনেক জুনিয়র চিকিৎসকও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন জানান, সকাল থেকে কোনো বড় চিকিৎসক তাঁর রোগীকে দেখতে আসেননি।  হাসপাতালে রোগী রেখে কর্মসূচি পালন সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএমএ সভাপতি মুজিবুল হক বলেন, ‘কর্মসূচিতে সরকারি চিকিৎসকের চেয়ে বেসরকারি চিকিৎসক বেশি ছিলেন। আমরা ২০-২৫ মিনিট হাসপাতালের বাইরে ছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘আমরা কর্মস্থলে চিকিৎসা সেবা দেব।’ সমাবেশে বক্তারা সুরমান আলীর মুক্তি দাবির পাশাপাশি মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। তাঁরা মামলাটি আবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে তদন্ত করানোরও দাবি জানান। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় গত সোমবার চট্টগ্রামের একটি আদালত চিকিৎসক সুরমান আলীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিএমএ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার এবং কোনো রোগী না দেখার সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে চিকিৎসকদের এই কর্মসূচিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থসংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশেন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চট্টগ্রাম। এক বিবৃতিতে বলা হয়, চিকিৎসকের মুক্তির দাবিতে রোগীদের জিম্মি করার ঘটনা হতাশাজনক। এই দাবি প্রত্যাহার করে আদালত ও আইনকে নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া উচিত। এদিকে সুরমান আলীর জামিন চেয়ে গতকাল আবারও তাঁর পক্ষে আইনজীবী চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমানের আদালতে আবেদন করেছেন। আদালত আজ বৃহস্পতিবার এই আবেদনের ওপর শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন। বর্তমানে কারাগারে আটক সুরমান আলী এ নিয়ে তৃতীয় দফায় জামিনের আবেদন করলেন। এর আগে গত সোমবার সুরমান আলী চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নূরে আলম ভূঁইয়ার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর ওই দিন বিকেলে তাঁর পক্ষে দ্বিতীয় দফা জামিনের আবেদন করা হয়।

মুজাহিদের বিরুদ্ধে মামলার রায় যে কোনো দিন

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলার রায় আসছে। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে যেকোনো দিন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ মামলার কার্যক্রম শেষে রায় অপেক্ষাধীন (সিএভি) রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও মো. শাহিনুর ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২-এ গতকাল রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে রায় অপেক্ষাধীন রাখা হয়। এর মধ্য দিয়ে এ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন চারটি মামলার কার্যক্রম শেষ হলো। এগুলোর তিনটির রায় ইতিমধ্যে ঘোষিত হয়েছে। এদিকে ট্রাইব্যুনাল-১-এ জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে করা মামলাটিও রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল-১ ইতিমধ্যে একটি মামলার রায় দিয়েছেন। গতকাল রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি তুরিন আফরোজ আসামিপক্ষের যুক্তি খণ্ডন করতে গিয়ে বলেন, একাত্তরে মুজাহিদ ছিলেন ইসলামী ছাত্র সংঘের (জামায়াতের তৎকালীন ছাত্রসংগঠন) পূর্ব পাকিস্তান শাখার সভাপতি। তিনি ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গা যেমন রংপুর, ফরিদপুর, কুমিল্লা ও বগুড়ায় ছাত্র সংঘের সদস্যদের উজ্জীবিত করতেন এবং পাকিস্তানি সেনাদের সহায়তা করার আহ্বান জানাতেন। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি ‘বুদ্ধিজীবী-সাংবাদিক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না’, ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র, যুক্তি নয়’—এসব স্লোগান দিতেন। এগুলো নথিতে প্রমাণিত। তাই তিনি কোনোভাবেই ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায় (সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি) এবং যৌথ দায়বদ্ধতা (জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ) এড়াতে পারেন না। সাক্ষ্যে পাওয়া গেছে, অপরাধ সংঘটনস্থলের আশপাশে মুজাহিদ থাকতেন। কিন্তু আসামিপক্ষ বলছে, তিনি সরাসরি অপরাধ করেননি। তাহলে কি তিনি অপরাধের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নন? রাষ্ট্রপক্ষের এই কৌঁসুলি বলেন, ‘মুজাহিদ ওই সব অপরাধের অক্সিজেন হিসেবে কাজ করেছেন। আমরা অক্সিজেন দেখতে পারি না। কিন্তু অক্সিজেন ছাড়া আমরা কেউ-ই বাঁচতে পারব না।’ তিনি বলেন, স্বাধীনতার সূর্যসন্তান যাঁরা একটি নতুন দেশ গড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাঁদের তুলে নিয়ে একই কায়দায় একই স্থানে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। অনেক নথিতে দেখা গেছে, আলবদররাই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। যেহেতু মুজাহিদ ছিলেন আলবদরের নেতা, তাই তিনি দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। পরে এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মোকলেছুর রহমান ট্রাইব্যুনাল, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের ধন্যবাদ জানান। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী ইমরান এ সিদ্দিক দুই মিনিট পাল্টা জবাব দেন। যুক্তি উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, যেকোনো দিন মামলার রায় হতে পারে। এ ট্রাইব্যুনাল গত ২১ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার প্রথম রায়ে জামায়াতের সাবেক সদস্য (রুকন) পলাতক আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আরেক মামলায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ এবং ৯ মে আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানকে ফাঁসির আদেশ দেন। এদিকে ট্রাইব্যুনাল-১ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। কাদের মোল্লা ও সাঈদীর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারাধীন। গত বছরের ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল-২। এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষ্য দেন, আসামিপক্ষে সাক্ষ্য দেন মুজাহিদের ছেলে। ৭ মে যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়ে গতকাল শেষ হয়। মুজাহিদের বিরুদ্ধে সাত অভিযোগ: মুজাহিদের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ, একাত্তরে ইত্তেফাক-এর তৎকালীন কার্যনির্বাহী সম্পাদক সিরাজুদ্দীন হোসেনকে অপহরণ ও হত্যা। দ্বিতীয় অভিযোগ হলো, ফরিদপুরের হিন্দু-অধ্যুষিত তিনটি গ্রাম বৈদ্যডাঙ্গি, মাঝিডাঙ্গি ও বালাডাঙ্গিতে হামলা ও অর্ধশতাধিক হিন্দুকে হত্যার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা। তৃতীয় ও চতুর্থ অভিযোগ হলো, ফরিদপুরের রথখোলা গ্রামের রণজিৎ নাথ ও গোয়ালচামট খোদাবক্সপুর গ্রামের মো. আবু ইউসুফকে নির্যাতন। পঞ্চম অভিযোগ অনুসারে, একাত্তরের ৩০ আগস্ট মতিউর রহমান নিজামীকে নিয়ে মুজাহিদ নাখালপাড়ার পুরোনো এমপি হোস্টেলে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে যান। সেখানে আটক সুরকার আলতাফ মাহমুদ, বদি, রুমি, জুয়েল, আজাদকে দেখে একজন পাকিস্তানি ক্যাপ্টেনকে বলেন, রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আগে এঁদের মেরে ফেলতে হবে। ওই সিদ্ধান্ত অনুসারে মুজাহিদ সঙ্গীদের সহযোগিতায় তাঁদের অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করেন। ষষ্ঠ অভিযোগ অনুসারে, মোহাম্মদপুরের ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (বর্তমানে শারীরিক শিক্ষা কলেজ) পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে মুজাহিদ দলীয় নেতাদের নিয়ে বাঙালি নিধনের পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করতেন। সপ্তম অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের ১৩ মে পাকিস্তানি সেনা ও স্থানীয় রাজাকারদের নিয়ে মুজাহিদ ফরিদপুরের হিন্দু-অধ্যুষিত বাকচর গ্রামে হামলা চালান। সেখানে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

আজ পবিত্র শবে মিরাজ

আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র শবে মিরাজ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ঊর্ধ্বলোকে পরিভ্রমণের ঐতিহাসিক ও অলৌকিক ঘটনার স্মারক দিবস। এই রাতেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা শরিফ থেকে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে সপ্তম আসমান পেরিয়ে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সাক্ষাৎ লাভ করে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসেন। এ কারণেই হিজরি রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। ইসলামের ইতিহাসে পবিত্র এ রাতটি বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। শবে মিরাজের এ মহিমান্বিত রাতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, জিকির-আসকার, দোয়া-দরুদ, মিলাদ মাহফিলসহ ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি কামনা করা হয়ে থাকে। মহানবী (সা.) এ রাতে প্রথমে কাবা শরিফ থেকে বোরাক নামের বাহনে যাত্রা করে ফিলিস্তিনের বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদে যান। সেখানে অন্যান্য নবী-রাসুলের সঙ্গে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। এরপর ঊর্ধ্বলোকে সফর শুরু করেন। এ সময় তিনি নভোমণ্ডল, বেহেশত-দোজখ ও সৃষ্টির বিভিন্ন রহস্য প্রত্যক্ষ করেন এবং পূর্ববর্তী নবীদের সাক্ষাৎ লাভ করেন। সপ্ত আসমান পেরিয়ে তিনি আরশে আজিমে ধনুক পরিমাণ দূরত্বে থেকে মহান আল্লাহ পাকের দিদার লাভ করেন। সরাসরি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয়। এই সফরেই উম্মতে মোহাম্মদির জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়। শবে মিরাজ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেছে। এতে খতিব মাওলানা মুহাম্মদ সালাহউদ্দীনসহ বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামরা ওয়াজ করবেন।

বিপাকে আছেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ক্ষেত্রে দুটি সূচক ওলট-পালট হয়ে গেছে। তিনি চেয়েছিলেন মূল্যস্ফীতির সূচক হবে কম, বিনিয়োগের সূচক হবে বেশি। কিন্তু এই দফায় পঞ্চম বাজেট দিতে গিয়ে দেখছেন, সূচকের যেন অদল-বদল হয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতির সূচক বেড়েছে, বিনিয়োগের সূচক কমেছে, বিশেষ করে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ কমে গেছে। অর্থমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় বিপাক এই দুটি সূচক নিয়েই। কারণ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ তাঁর দলের প্রথম অগ্রাধিকার। আর বিনিয়োগ বাড়ানো নিয়ে তিনি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মতো নতুন একটি ধারণা দিয়ে চমক দিয়েছিলেন। চার বছর পরও পিপিপি বাজেট বক্তৃতার মধ্যেই থেকে গেছে। যেমন বক্তৃতা-বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু।
মহাজোট সরকারের শেষ বাজেটে অর্থমন্ত্রীর সামনে আরও চ্যালেঞ্জ আছে। এই বাজেট হতে হবে জনতুষ্ট। কারণ, সামনেই নির্বাচন। রাস্তাঘাট বানানো আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার প্রবল চাপ এসেছে দলের ভেতর থেকেই। কর বাড়ানো চলবে না। পদ্মা সেতু নিয়ে দৃশ্যমান কিছু করতে হবে। আয় যাই হোক, ব্যয় বাড়াতে হবে। কারণ, শেষ সময়ে ব্যয় বাড়ানোর নানা চাপ রয়েছে অর্থমন্ত্রীর ওপর। ফলে বিশাল আকারের বাজেট দিতে হচ্ছে অর্থমন্ত্রীকে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন নতুন অর্থবছরের নতুন বাজেট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিশাল আকারের এই বাজেট অবশ্য বাস্তবায়ন করবে নতুন একটি সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো বলছে, আগামী ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করবেন অর্থমন্ত্রী। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট এক লাখ ৯১ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা থেকে আগামী অর্থবছরে ৩০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা বেশি। আগামীবারের জন্য মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হচ্ছে ১১ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা, আর জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ধরা হচ্ছে চলতিবারের জন্য প্রাক্কলন করা হারের সমান, অর্থাৎ ৭ দশমিক ২ শতাংশ। আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার প্রাক্কলন করা হচ্ছে ৭ শতাংশ, চলতি বছর যা ছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।
অনুদান বাদে সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ধরা হচ্ছে জিডিপির ৪ দশমিক ৬ শতাংশ, অর্থাৎ ৫৫ হাজার ৩২ কোটি টাকা। তবে অনুদানসহ হিসাব করলে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৮ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। আগামী বাজেটে অনুদানসহ রাজস্ব পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকছে এক লাখ ৭৪ হাজার ১২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক লাখ ৬৭ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা রাজস্ব পাওয়া এবং বিদেশি অনুদান ছয় হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে অনুদানসহ রাজস্ব পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। তিন ধরনের সংগ্রহের মধ্যে আগামীবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত করব্যবস্থা থেকে এক লাখ ৩৬ হাজার ৯০ কোটি টাকা, এনবিআর-বহির্ভূত করব্যবস্থা থেকে পাঁচ হাজার ১২৯ কোটি টাকা এবং কর ব্যতীত পাওয়া বাবদ ২৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আগামী বাজেটে অনুন্নয়নমূলক ব্যয় ধরা হচ্ছে এক লাখ ৩৪ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের ব্যয় এক লাখ ১১ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা থেকে যা ২৩ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা বেশি। নতুন বাজেটে মোট উন্নয়নমূলক ব্যয় ধরা হচ্ছে ৭২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে ছিল ৬০ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা চলতি অর্থবছরে ৩২ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা থাকলেও বাজেট ঘাটতি মেটাতে আগামী অর্থবছরে সরকারকে ৩৩ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিতে হবে। ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ২৫ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা এবং ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে সরকারের সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সাত হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে চার হাজার ৯৭১ কোটি টাকার পাশাপাশি অন্যান্য উৎস থেকে আরও তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে সরকারের। অন্যদিকে আগামী অর্থবছরে ২৩ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তবে নিট বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা থাকবে ১৪ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। কারণ, নয় হাজার ৩৩১ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে। রাজস্ব কার্যক্রম: আগামী বাজেটের সবচেয়ে বড় দিক হলো বিনা প্রশ্নে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট কিনতে এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। হস্তান্তর বা চুক্তিমূল্যের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিলেই অবৈধ অর্থে জমি বা প্লট কেনা যাবে। সর্বশেষ ২০০৭-০৮ অর্থবছরে জমি বা প্লট কেনার সময় সাড়ে ৭ শতাংশ হারে কর দিয়ে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে বর্তমান অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেটে (২০০৯-১০) ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক ফ্লোর কেনায় কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অভিজাত এলাকা ও অভিজাত এলাকার বাইরের ফ্ল্যাট কিনলে বিভিন্ন হারে প্রতি বর্গমিটারে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর দিলেই কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকবে। আবার ২০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের ফ্ল্যাটের জন্য আলাদা করহার থাকবে। এ ছাড়া ১০ শতাংশ হারে কর দিয়ে শেয়ারবাজারে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ আরও এক বছরের জন্য রাখা হচ্ছে। আর অপ্রদর্শিত বৈধ আয় প্রদর্শনের সুযোগেও কোনো পরিবর্তন আসছে না। এদিকে ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের বার্ষিক আয় করমুক্তসীমা দুই লাখ থেকে দুই লাখ ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হতে পারে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া মহিলা ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে পুরুষ করদাতাদের ক্ষেত্রে করমুক্তসীমা দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা করা হচ্ছে। আর প্রতিবন্ধী করদাতাদের তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত থাকবে। নারীদের জন্য পরিবার সঞ্চয়পত্রে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে এর মুনাফার ওপর কর মুক্ত রাখা হতে পারে। পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ উৎসে কর প্রত্যাহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র—এই দুটি স্কিমে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী কেউ এই দুটি সঞ্চয়পত্রে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে মুনাফার ওপর করমুক্ত সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ১০ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ উৎসে কর আরোপ হতে পারে। কর অবকাশ-সুবিধা ২০১৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখা হচ্ছে। ৩০ জুন কর অবকাশের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তবে কর অবকাশ-সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে ধরন পাল্টাবে। অপেক্ষাকৃত অল্প দামি গাড়ির মালিকদেরও এবার করের আওতায় আনা হয়েছে। ১৩০০ সিসির গাড়ির মালিককে বার্ষিক ১০ হাজার টাকা করে কর দেওয়ার বিধান রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কস্তরের পরিবর্তন হতে পারে। মফস্বলের করদাতাদের ওপর বাধ্যতামূলক ন্যূনতম কর চাপানো হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে জেলা পর্যায়ের করদাতাদের কমপক্ষে দুই হাজার টাকা ও উপজেলা পর্যায়ে এক হাজার টাকা করারোপ হতে পারে। অন্যদিকে সারচার্জের ক্ষেত্রেও কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। বর্তমানে দুই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিককে প্রদত্ত করের ওপর ১০ শতাংশ হারে সারচার্জ দিতে হয়। আগামী বাজেটে সারচার্জের ক্ষেত্রে সম্পদের পরিমাণভেদে স্তর করে দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া ফার্মের আওতায় গঠিত প্রতিষ্ঠানের অংশীদারদের কর শনাক্তকরণ সংখ্যা (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। করপোরেট করের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন হতে পারে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মুঠোফোন কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ কর আরোপ রয়েছে। এই করহার কিছুটা বাড়ানো হতে পারে। এদিকে আমদানি শুল্কস্তরেও কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। মূলধনি যন্ত্রপাতির ওপর আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ কমিয়ে ২ শতাংশ করা হতে পারে। আবার মধ্যবর্তী পণ্যে তা ২ শতাংশ কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে। আর নয় স্তরের সম্পূরক শুল্কের পরিবর্তে ১০ স্তর করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন স্তরে সম্পূরক শুল্কহার হতে পারে ১৫ শতাংশ, ২০ শতাংশ, ৪৫ শতাংশ, ৬০ শতাংশ, ১০০ শতাংশ, ১৫০ শতাংশ, ২৫০ শতাংশ, ৩৫০ শতাংশ ও ৫০০ শতাংশ। আর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্কস্তরের পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক অব্যাহত থাকবে। তবে মধ্যবর্তী পণ্যের আওতায় থাকা কয়েক শ ধরনের পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এসব পণ্য মূলত মধ্যবর্তী পণ্যও নয়, আবার প্রস্তুতপণ্যের মধ্যেও পড়ে না। আবার পুরোপুরি ভোগ্যপণ্যও নয়। এ ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারে আরোপিত ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আবার কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনে স্পনসরশিপের ওপর ১৫ শতাংশ মূসক আরোপহচ্ছে।

হলিউড আবার হ্যাংওভার

হ্যাংওভার ভক্তদের সুখবর। সিরিজের তৃতীয় ছবি হ্যাংওভার থ্রি মুক্তি পেয়ে গেল। হ্যাংওভার ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ, এটাই সিরিজের শেষ ছবি। নেশায় চুর হয়ে পাগলামির চূড়ান্ত, খ্যাপাটে, উদ্ভট সব কাণ্ডকারখানারও কি সমাপ্তি? সে তো ছবির গল্পই বলে দেবে।

সত্যান্বেষীর সেটে...

কাহানি ছবির বলিউডি পরিচালক সুজয় ঘোষকে ঋতুপর্ণ ঘোষ নায়ক করলেন তাঁর শেষ ছবি সত্যান্বেষীতে। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোরাবালি উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি করছিলেন তিনি।

ঋতুর টুকিটাকি

 টালিউডে ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচিত ছিলেন ঋতুদা নামে। ১২ বার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তাঁর চলচ্চিত্রগুলো ছিল বিষয়বৈচিত্র্যে অতুলনীয়। মা-মেয়ে, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে জটিলতা থেকে শুরু করে থ্রিলারও ছিল তাঁর ছবির বিষয়।

বিদায় ঋতুপর্ণ ঘোষ হঠাৎই চলে গেলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ, তাঁকে নিয়ে আমাদের এ আয়োজন ঋতু কথা রাখেনি

ঋতুপর্ণ ঘোষের খুব কাছের মানুষ ছিলেন প্রসেনজিৎ। ঋতুপর্ণের মৃত্যুর পর ‘আনন্দ’-এর কাছে তিনি তাঁর অনুভূতির কথা বলেছেন

এখনো ভাবতে পারছি না, ও নেই আমাদের মাঝে। ও মানে আমার বন্ধু ঋতু।

হাসতে নাকি জানে না কেউ! by সুজাত হোসেন

তাঁদের কাজ মানুষকে হাসানো। তুষার খান, সাজু খাদেম ও শামীম জামান—তিনজনই অভিনেতা। পর্দায় তাঁদের অভিনয় দেখে না চাইলেও হেসে উঠি আমরা। এই রসিক অভিনেতাদের কাছ থেকে শুনতে চাই রসে টইটম্বুর কথা।

কম্বোডিয়ায়ও মজুরি ও পরিবেশ নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ

বাংলাদেশের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশ কম্বোডিয়ার পোশাকশিল্পেও সাম্প্রতিক সময়ে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দেশটিতে তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ যত বাড়ছে, এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন দাবিতে বাড়ছে শ্রমিক অসন্তোষ।

মাশরাফি বিন মুর্তজা লিখছেন প্রথম আলোয় পাপকে ঘৃণা করি, পাপীকে নয়

অনূর্ধ্ব-১৭ ক্যাম্প করতে আমি সবে ঢাকায় এসেছি। অন্যদিকে মোহাম্মদ আশরাফুল-মোহাম্মদ শরীফরা তখনই ওই পর্যায়ে সুপারস্টার। আশরাফুলকে প্রথম দেখে সালাম দিয়ে বলেছিলাম, ‘ভাই, কেমন আছেন?’ তবে সম্পর্কটা এরপর থেকেই বন্ধুত্বে গড়াল, যে বন্ধুত্ব আজও অটুট।

দুইবার না পারিলে দেখো তৃতীয়বার by কমল জোহা খান

যাত্রী ও নৌযান-সংকট আর ত্রুটি, এর সঙ্গে স্টেশনগুলোর অব্যবস্থাপনায় আগের দুইবারই এ উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। তবুও ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ করে তৃতীয়বারের মতো রাজধানী ঢাকার নৌপথে পুনরায় চালু করা হচ্ছে ওয়াটার বাস সার্ভিসের তৃতীয় সংস্করণের।

শতাব্দীর সেরা সেই ডেলিভারি by রাজীব হাসান

এর চেয়ে আকাশ থেকে জ্যান্ত একটা এলিয়েনকে নেমে আসতে দেখলেও হয়তো বিশ্বাস করতেন। কিন্তু যা ঘটল, কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না মাইক গ্যাটিংয়ের মতো পোড়খাওয়া ব্যাটসম্যানের।

এবার আক্রান্ত রাজধানীর ফুটপাত by শেখ সাবিহা আলম

ঢাকাবাসীকে নির্বিঘ্নে হাঁটার সুযোগ করে দিতে ঢাকা সিটি করপোরেশন ফুটপাত সংস্কারের কাজে নেমেছে। ঢাকা শহরের একটা বড় অংশজুড়ে রাস্তাঘাট, নর্দমার পাশাপাশি জোরেশোরে ফুটপাত ভাঙার কাজ চলছে।

৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন রাসেল by শাহীন আকন্দ

অপহরণের পাঁচ দিন পর ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে গাজীপুরের শ্রীপুরের বিএনপি নেতার ছেলে মাহবুব আলম রাসেল ফকিরকে। অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণের টাকা

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-মুজাহিদের মামলার রায় যেকোনো দিন

একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মামলায় যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

১৮ অতিরিক্ত সচিব ও ৬৬ যুগ্ম সচিব ঝুঁকিতে by আশরাফুল হক রাজীব

মহাজোট সরকারের শুরু থেকেই ওএসডি হয়ে থাকা অর্ধশতাধিক কর্মকর্তার সামনে বাধ্যতামূলক অবসরের খৰ ঝুলছে। বিশেষ করে তাঁদের মধ্যে যাঁরা বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস),

এনবিআরের কাঁধে চাপছে বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায় by ফারজানা লাবনী

দেশের ইতিহাসে আজ সবচেয়ে বড় অঙ্কের বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এতে বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বড় চাপেও পড়তে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বাজেট প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তেও এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে রাজস্ব আদায়কারী সংস্থাটি।

ব্যয় বিশাল, আয়ের পথ কম by আবুল কাশেম

নির্বাচনের আগে 'জনকল্যাণমুখী' বাজেট ঘোষণা করতে গিয়ে ব্যয়ের পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শেষ বাজেটের সঙ্গে মহাজোট সরকারের প্রথম বাজেটের বেশ মিল রয়েছে।

কুয়েতের হাসপাতালে সকালে সেবা পাবে না বিদেশিরা

কুয়েতে অবস্থানরত প্রবাসীরা এখন থেকে সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে পারবে না। কেবল কুয়েতি নাগরিকরা ওই সময় হাসপাতালের সেবা পাবে। সকালবেলায় চিকিৎসা নিতে আসা লোকদের অতিরিক্ত ভিড় কমাতে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে

দিল্লি গণধর্ষণ-হত্যা মামলা-আঠারোতে পা দিল ষষ্ঠ আসামি

দিল্লিতে চলন্ত বাসে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার ষষ্ঠ আসামি গত মঙ্গলবার ১৮ বছর বয়সে পা দিয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় এত দিন তাকে অভিযুক্ত করা যায়নি। এবার কর্তৃপক্ষ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করে বিচার শুরু করতে পারবে।

সরকারের আহবান উপেক্ষা-তুরস্কে বিক্ষোভ অব্যাহত

তুরস্কে সরকারের আহবানে সাড়া না দিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে বিক্ষোভকারীরা। বিভিন্ন শহরের পুলিশপ্রধানদের সরিয়ে দেওয়াসহ কয়েক দফা দাবি জানিয়েছে তারা।

কুসায়ের দখলে নিল আসাদ বাহিনী

প্রায় তিন সপ্তাহের টানা লড়াইয়ের পর বিদ্রোহীদের কাছ থেকে কুসায়ের শহরের দখল নিয়েছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীরাও গতকাল বুধবার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরটির নিয়ন্ত্রণ হারানোর কথা স্বীকার করেছে।

গোপন চুক্তিতে দেশ ছাড়ছেন মোশাররফ!

পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে গোপন চুক্তির মাধ্যমে দেশ ছাড়ছেন সাবেক সেনাশাসক পারভেজ মোশাররফ। শিগগিরই তিনি দুবাই কিংবা সৌদি আরব যাচ্ছেন।

দুর্নীতিগ্রস্ত এমপিদের সরানোর সুযোগ পাবেন ব্রিটিশ ভোটাররা

পার্লামেন্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে অপকর্মের অভিযোগ উঠলে তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে ব্রিটেনের ভোটারদের। অভিযোগের সমর্থনে নির্দিষ্টসংখ্যক ভোটারের স্বাক্ষর জমা হলে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হতে পারে।

'নওয়াজের সামনে বড় বাধা ড্রোন ও মোশাররফ'

তৃতীয়বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গতকাল বুধবার শপথ নিয়েছেন নওয়াজ শরিফ। এ মেয়াদে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি চীন ও ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব দেবেন তিনি- এমনটাই আশা করছেন সবাই।

দৈনন্দিন বিজ্ঞান-চালকবিহীন গাড়ি!

ধরুন আপনার নতুন কেনা গাড়িটি নিজেই নিজেকে চালানোর সব দায়িত্ব নিয়েছে। অর্থাৎ স্টিয়ারিং হুইলে আপনাকে বসতে হচ্ছে না। গাড়ি চালানোর যত ঝক্কি-ঝামেলা সব ওই গাড়ির যন্ত্রপাতির ঘাড়ে।

ভালো থাকুন by পোস্ট-পারটাম সাইকোসিস

প্রতি হাজার শিশু জন্মের মধ্যে এক বা দুজন প্রসূতি প্রসবোত্তর জটিল মানসিক সমস্যা 'পোস্ট-পারটাম সাইকোসিস' বা 'পিউয়েরপেরাল সাইকোসিস' রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

ব্যক্তিত্ব-শিবাজি

মোগল সম্রাটদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে মারাঠায় হিন্দু রাজত্ব কায়েম করে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন শিবাজি। ১৬৭৪ খ্রিস্টাব্দের ৬ জুন তিনি মারাঠাকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন।

পবিত্র কোরআনের আলো-কারাগারে আল্লাহর প্রতি সহজে জন্মে বিশ্বাস ও ভালোবাসা

৩৬. ওয়া দাখালা মা'আহুস সিজনা ফাতায়া-নি, কা-লা আহাদুহুমা ইন্নী আরা-নী আ'সিরু খামরান, ওয়া কা-লাল আ-খারু ইন্নী আরা-নী, আহমিলু ফাউকা রা'সী খুবযান, তা'কুলুত্তাইরু মিনহু, নাব্বি'না- বিতা'বীলিহী, ইন্না- নারা-কা মিনাল মুহসিনী-না। সুরা ইউসুফ।

'নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ কাজে বাধা কোথায়'

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেছেন, 'ইলেকশন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত দুটি প্রতিষ্ঠান।

বিদ্যুৎ খাতকে বাঁচাতে যা করণীয় by ড. এম শামসুল আলম

শুরুতেই মূল্যহার ও ঘাটতি প্রসঙ্গ। ২০০৯ সালে পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যহার ছিল ২.৩৭ টাকা। তখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি খাত লাভজনক থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি খাত থেকে আইপিপি ও এসআইপিপির কেনা বিদ্যুতের দাম অধিক হওয়ায় বিদ্যুৎ খাত আর্থিক ঘাটতির শিকার হয়।

অসৎসঙ্গে রাজনীতি by এ কে এম শাহনাওয়াজ

ছেলেবেলা থেকে এই আপ্তবাক্যটি সবার জানা, 'সৎসঙ্গে স্বর্গবাস আর অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।' বড় কোনো রাজনৈতিক দলের ভেতর যদি আদর্শিক জায়গাটি মজবুত না থাকে, দূরদর্শী নেতৃত্ব না থাকে ও সংকীর্ণ স্বার্থবাদিতা আচ্ছন্ন করে রাখে; তবে তেমন পরিস্থিতিতে অসৎসঙ্গের প্রভাব তাকে বিপন্ন করে তুলতে পারে।

অনলাইন থেকে-নওয়াজ শরিফ ও সন্ত্রাস

আফগানিস্তানের পশতুনে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ দেওয়ার কালেই নিজেরা সন্ত্রাসের চোরাবালিতে আটকে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সেই সন্ত্রাসবিরোধী হামলা সেখানকার অসংখ্য বেসামরিক জনগণের প্রাণহানি ঘটিয়েছিল।

খাদ্যের বিনাশ ও অপচয়, আর নয় by কানন পুরকায়স্থ

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএন টপি) দ্রুত সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়া দেশ মঙ্গোলিয়াকে এ বছরের স্বাগতিক দেশ হিসেবে নির্বাচন করেছে। এ বছর পরিবেশ দিবসের মূল বিষয় ইউএন টপির ভাষায়, 'খাদ্য গ্রহণের আগে চিন্তা করো, পরিবেশকে রক্ষা করো।

সাদাকালো-'সীমাহীন অংশীদারিত্বে' বাংলাদেশের ভাবনা by আহমদ রফিক

প্রশংসা কার না ভালো লাগে! যখন তা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তথা গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের কোনো প্রতিনিধির কণ্ঠে উচ্চারিত হয়, তখন রাজনৈতিক-রাষ্ট্রনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পা পিছলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কলঙ্কিত ক্রিকেট-দায় মোচনের দায়িত্ব নিতে হবে

কলঙ্কের দাগ এবার বাংলাদেশের ক্রিকেটের গায়ে। ক্রিকেটজগতের বোদ্ধা-বিশ্লেষকদের মুখে যাঁর নামে উচ্চারিত হতো প্রশংসাবাক্য, বাংলাদেশের ক্রিকেট ব্র্যান্ডিংয়ে যে তরুণের নাম উচ্চারিত হতো আরো অনেকের সঙ্গে, তিনি মিডিয়ার সামনে দোষ স্বীকার করে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আসছে নতুন বাজেট- বিরোধী দলের যথার্থ ভূমিকা প্রত্যাশা করি

২০১৩-১৪ অর্থবছরের বাজেট আজ সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এরপর সরকারি দলের পক্ষ থেকে বাজেটকে জনবান্ধব ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে গণবিরোধী আখ্যায়িত করে চলবে বক্তৃতা-বিবৃতি।