Saturday, October 9, 2010
প্রতিবেশীদের সামরিক সামর্থ্য বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন ভারত
প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি বলেছেন, ভারতের প্রতিবেশীরা দ্রুত সামরিক সামর্থ্য বাড়িয়ে চলেছে। কাজেই ভারতকে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে এবং নিজেদেরও প্রস্তুতি নিতে হবে। অ্যান্টনির এই বক্তব্যের পরপরই বিমান বাহিনীর প্রধান মার্শাল পি ভি নায়েক গত শুক্রবার ভারতের প্রতিবেশীদের সাম্প্রতিক সামরিক কর্মকাণ্ডকে আগ্নেয়গিরির সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা যেকোনো মুহূর্তে উদিগরণ ঘটাতে পারে।
গত বুধবার নয়াদিল্লিতে সামরিক বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যান্টনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশীরা অতি দ্রুতগতিতে তাদের সামরিক সামর্থ্য বৃদ্ধি করছে। সফলভাবে তাদের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে আমাদেরও কোনো প্রশ্ন না তুলে সদা সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে হবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও সহজেই বোঝা যায়, তিনি চীনের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। ভারতের সীমান্তে চীন তাদের সামরিক প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে। তারা সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে এবং রাস্তাঘাটও তৈরি করছে। পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর সীমান্তে চীন সামরিক অবকাঠামো মজবুত করছে।
ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও বহুজাতিক সমাজব্যবস্থা কয়েকটি দেশের সহ্য হচ্ছে না উল্লেখ করে অ্যান্টনি বলেন, ‘আমাদের একতা ও অখণ্ডতা নষ্ট করতে উসকানি দিচ্ছে কোনো কোনো দেশ।’
সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ভূমি, আকাশ ও নৌসীমান্তে নিরাপত্তা প্রহরা আরও জোরদার করতে হবে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সতর্কতার দুই দিন পর গত শুক্রবার দিল্লিতে বিমান বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে মার্শাল পি ভি নায়েক বলেন, ‘চারদিকের নিরাপত্তা-পরিস্থিতি এখন একটি আগ্নেয়গিরির মতো, যা কোনো পূর্বসতর্কতা ছাড়াই যেকোনো মুহূর্তে আমাদের সামর্থ্যের পরীক্ষা নিতে পারে। তখন দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হবে।’ বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নদীর কান্না আমরা শুনতে পাই না by আহমদ রফিক
শুধু শীতলক্ষ্যা নয়, বুড়িগঙ্গা ও এর শাখানদীসহ বাংলাদেশের নানা অঞ্চলে দুর্বল স্রোতের নদীগুলো দুর্বৃত্তদের লোভ-লালসার শিকার। ফলে নদীর ছোটখাটো শাখা বা সংলগ্ন খাল-বিল ভরাট হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যকেন্দ্র, এমনকি বহুতল ভবনরূপে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। নদী তো বটেই, রাজধানীর জলাশয় ও হ্রদ তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। বছর কয়েক আগে গুলশান লেক ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণ নিয়ে জমজমাট বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমস্যার সুরাহা হয়নি। গুলশান হ্রদের একাংশ তার অস্তিত্ব হারিয়েছে। এ ধরনের অনাচার অব্যাহত ধারায় চলছে। বলা যায়, প্রতিকারহীন অপরাধ।
বিভিন্ন সময় কাগজে এ-জাতীয় খবর পড়তে পড়তে মনে এল একটি গানের পঙিক্ত, ‘নদী আপন বেগে পাগলপারা’। একসময় পাগলপারা নদীর স্বচ্ছন্দ স্রোত ছিল নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রাণ। একদা উচ্চারিত, ‘সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা বাংলাদেশ’ কথাগুলো এখন কিছুটা হলেও উপহাসের মতো শোনাবে। অথচ আজ থেকে ৬০-৭০ বছর আগে বড় বড় নদীগুলোয় চরের উপস্থিতি সত্ত্বেও জলস্রোত ছিল যথেষ্ট সচল। দুরন্ত পদ্মা, গভীর স্রোতে মেঘনা-যমুনা তখনো স্বমহিমায় অধিষ্ঠিত।
মনে পড়ে, ছোটবেলায় মেঘনার ধসনামা পাড়ে দাঁড়ালে ওপারটা আবছা নীলাভ দিগন্তরেখার মতো দেখা যেত। বোঝা যেত না ওপারের অস্তিত্ব। ছোট নদী হলেও খরস্রোতা মধুমতী ছিল আকর্ষণীয়। পাড়ভাঙা ধলেশ্বরীই বা কম কিসে? বাঁকফেরা শীর্ণ নাগর নদেও বৈশাখী গ্রীষ্মে ‘হাঁটুজল থেকেছে’। এখন তার বুকে বৈশাখে ফুটিফাটা হেঁটে পার হওয়া যায়। যেমন—কুষ্টিয়ার গড়াই নদী। আর চরে চরে দুস্থ পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার স্রোত।
শুধু বাণিজ্যবন্দর নয়, নদীর পরিবহন দক্ষতা ও নাব্যতা একদিক থেকে দেশের অর্থনীতিকে সাহায্য করেছে। জমিদারি চালে ধীরেসুস্থে চলা মহাজনি নৌকা, দ্রুতবেগে চলা জেলে ডিঙি এবং ছোট-বড় স্টিমার ও লঞ্চ নিয়ে নদীর বা জলস্রোতের আগেকার গর্বিত চেহারা অনেকটাই নেই। অনেক নদীতীরে জেলেপাড়ার মানুষগুলো আর্থিক কষ্টের দরুন জীবিকা বদল করেছে। অর্থাৎ অন্য পেশায় যেতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু পিতা-পিতামহদের জীবিকা ছেড়ে সবাই খুব যে ভালো আছে, তা নয়।
ভাটির নদী অনেক সময়ই উজানি অত্যাচারের শিকার। সেসবের সমাধান সহজ নয়। প্রাকৃতিক পরিবর্তনের চাপ সাধারণত নদীর নিজস্ব নিয়মে সুসহ হয়ে থাকে। কিন্তু মানুষের স্বার্থপ্রসূত অত্যাচার এমনই যে, তা নদীর অস্তিত্বে আঘাত করে, বিশেষ করে ছোট ও দুর্বল নদীর ক্ষেত্রে। বেশ কিছুকাল থেকে নদী ও পরিবেশের ওপর মানুষের তৈরি উপদ্রব জলস্রোতের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলেছে। যেমন, পাড়ঘেঁষে নদী দখল, নদী ভরাট, জলস্রোত বয়ে আনা খাল আর বিল ভরাট।
এসবই জলদস্যু, ভূমিদস্যুদের স্বার্থপর কারসাজি, তাই দেশের খাল-বিল নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে, সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা গ্রাম-নগরের নানান জায়গায়। বাদ ছিল না রাজধানী ঢাকাও। ঢাকার বদ্ধজল টেনে নদীতে নিয়ে যেত যে ধোলাই খাল, এক সামরিক রাষ্ট্রপতির তুঘলকি নির্দেশে সে খাল কংক্রিটে চাপা পড়ে শেষ হয়ে গেছে। বিশাল চলনবিল এখন আর জলাধার নয়। অথচ স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সচল নদী ও খাল-বিলের উপস্থিতি জরুরি। আমাদের সামাজিক প্রবণতা বুঝি নিজ স্বার্থে পরিবেশদূষণ, পরিবেশের বিনাশ, সুস্থকে অসুস্থ, দুস্থকে অধিকতর দুস্থ করে তোলা।
ঢাকার বুড়িগঙ্গার ওপর চাপ সম্ভবত সবচেয়ে বেশি এবং তা রাজধানী শহরের সংলগ্ন বলে। এখানে জমির বিনিময়মূল্য সর্বোচ্চ। একবার বুড়িগঙ্গায় ভেসে দেখে আসুন, এপাশ থেকে ওপাশ। দেখবেন, কত টং, কত মাচা, কত টিনের চালা, আরও কত কী। দুর্বৃত্তদের থাবায় নদী ক্রমশ শীর্ণ হতে চলেছে। কান পাতলে শোনা যাবে, জলস্রোতের চাপাকান্না। এ কান্না অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে।
কিছুদিন আগে বুড়িগঙ্গায় অবৈধ দখল ও স্থাপনা থেকে বুড়িগঙ্গাকে মুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছিল বেশ জোরেশোরে, মূলত সরকারি সদিচ্ছায়। কিন্তু তা পুরোপুরি সফল হয়নি, অনেকটা ওই কাঁচপুরে শীতলক্ষ্যার মতোই। এ ক্ষেত্রে সংবাদপত্র ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন তাদের পরোক্ষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল, যাতে কাজটা কর্তৃপক্ষের জন্য সহজ হয়ে ওঠে। কিন্তু আমাদের আশা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হতে দেখিনি।
কারণ সমাজের ক্ষমতাবান শ্রেণীর সঙ্গে দ্বন্দ্বে অনেক সময় রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক শক্তি এঁটে উঠতে পারে না, সদিচ্ছা তখন পিছু হটে। তাই আমার বিশ্বাস, সমাজের পরিবর্তন এবং তাতে সুস্থ মূল্যবোধের বিকাশ সবচেয়ে জরুরি। কিন্তু সে কাজ সহজ নয় এবং তা সময়সাপেক্ষ। সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতাদের সুবুদ্ধি ও সমাজের সচেতন অংশের সমর্থন ও সহায়তা জলাবদ্ধতার কারণ দূর করার সফল সূচনা ঘটাতে পারে।
ঢাকার প্রবীণ বাসিন্দাদের মনে থাকার কথা, একসময় এই ঢাকা শহরে ধোলাই খালই নয়, কথিত নতুন ঢাকায় পুকুরের কথা, প্রতিটি পাড়ায় দু-তিনটি করে পুকুর, যেগুলো বাড়তি পানি ধরে রাখতে সাহায্য করত, সেসব এখন উধাও। এর দায় অবশ্য কোনো সরকারের নয়, ব্যক্তিমালিকদের; তাদের প্রয়োজনের টানে হারিয়ে গেছে সেসব জলাশয়। পরবর্তী সময় ঢাকা নগর প্লাবিত হওয়া, ভেসে যাওয়ার ঘটনা এবং নগরবাসীর দুর্ভোগ আমাদের মনে থাকার কথা। স্বীকার করতে হয়, ঢাকার চারদিকে বেড়িবাঁধ দেওয়া না হলে ঢাকার অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াত! তখন হয়তো সচেতন নগরবাসী বুঝতে পারতেন, নদীর নাব্যতা, তার জলটানার ক্ষমতা এবং খাল-বিল ও জলাধারগুলোর গুরুত্ব কতটা। তার কিছুটা বুঝে নেওয়া এখনকার পরিস্থিতিতেও সম্ভব।
আজকে যে ঘন ঘন বন্যা হচ্ছে, যখন-তখন বর্ষায় শহরতলি ডুবে যাচ্ছে, ময়লার পচা গন্ধে এবং দূষিত পানির কারণে জীবনযাত্রা যে অসহনীয় হয়ে উঠছে, এর সচিত্র প্রতিবেদন মাঝেমধ্যে আমরা সংবাদপত্রে দেখতে পাই। দেখে উদ্বিগ্ন হই, কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তাতে টনক নড়ে না। আমরা জানি, এর বাস্তব সমাধান মোটেই সহজ নয়। দীর্ঘ সময়ের অবহেলা ও অনাচার এ দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কিন্তু তাই বলে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। পরিবেশগত স্বাস্থ্যরক্ষা ও দুর্ভোগ থেকে মুক্তির কাজ যেখান থেকেই হোক শুরু করতে হবে। নগরের পুকুর ভরাট বন্ধ করতে না পারা গেলেও খাল-বিল ভরাট বন্ধ করার চেষ্টা শুরু করতে তো কোনো বাধা নেই; অসুবিধাজনক হলেও অসম্ভব নয়, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা বাড়ানো এবং জলস্রোতের স্বচ্ছন্দ গতি অক্ষুণ্ন রাখার কাজ হাতে নেওয়া। গ্রামের ভরাট খালগুলো সংস্কার করে পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা, সেই সঙ্গে অতিরিক্ত পানি ধারণের জলাধারগুলোকে স্বাভাবিক করা এবং নতুন করে তেমন জলাধার তৈরির কাজ হাতে নেওয়া।
কিন্তু সবচেয়ে বড় দরকার নদীর ওপর অত্যাচার বন্ধ করা এবং অবৈধ দখলদারি ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা। এ কাজটাতে সদিচ্ছা এবং দৃঢ় ও নিরপেক্ষ মানসিকতার প্রয়োজন। দিন কয়েক আগের একটি সংবাদ প্রতিবেদন পড়ে কিছুটা হলেও স্বস্তির আভাস মিলেছে। খবরে প্রকাশ, ‘সংসদে পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধনী) বিল অনুমোদন এবং সেই সূত্রে জলাধার ভরাট নিষিদ্ধ’ করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটা সুখবর, তবে তা কতটা কার্যকর করা যাবে, সেটাই বড় কথা।
কারণ আমাদের আইনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ আর তা বাস্তবায়নে অনেক ফারাক। আইন হলেই যদি সমস্যার সমাধান হতো, তাহলে গ্রামাঞ্চলে তথা মফস্বলে (মফস্বল কথাটাতে কারও কারও আপত্তি, চিঠিতে তা প্রকাশ পেয়েছিল) ফতোয়াবাজি বন্ধ হয়ে যেত হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে। কিন্তু তা হয়নি এবং নির্বাহী তথা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো প্রকার সদিচ্ছা দেখায়নি। তাই এখনো ফতোয়াবাজি, দোররা এবং একতরফাভাবে নারীর ওপর অন্যায় ও অনধিকারমূলক গ্রাম্য শাস্তির খবর আমরা সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানতে পাই।
ওই প্রতিবেদন সূত্রে আরও জানা যায়, ওই আইনে জলাধার সংরক্ষণ অর্থাৎ জলাধার ভরাট নিষিদ্ধ করা ছাড়াও পরিবেশ রক্ষার জন্য পাহাড় কাটার ওপরও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। এ বিষয়টাও গুরুত্বপূর্ণ। বেশ কিছুদিন আগে আমরা দেখেছি, পাহাড় কাটার ধুম, সমাজবিরোধীদের অন্যায় লোভ-লালসার প্রকাশ এবং পাহাড় ও টিলা কাটার কারণে ধস, দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর খবর। ঢালের অসহায় বাসিন্দাদের প্রতিবাদ কোনো কাজে আসেনি। তাই আমরা আশা করব, এ আইন দ্রুত কাজে লাগানো হবে।
আর এ উপলক্ষে আমরা বলব, বুড়িগঙ্গাসহ শীতলক্ষ্যা এবং অন্যান্য নদীর ওপর দখলদারি ও অবৈধ স্থাপনা স্থায়ীভাবে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। প্রধানমন্ত্রী এই কদিন হলো বাংলাদেশের পক্ষে ‘এমডিজি’ পুরস্কার নিয়ে নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফিরেছেন। নদীর অপমৃত্যু রোধ, নদীর সুস্বাস্থ্য রক্ষার কাজ জাতীয় পরিসরে একই রকম জরুরি। নদীর অপমৃত্যু জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী। ব্যক্তির লোভ ও স্বার্থে নদীর এ বলিদান কোনোমতেই মেনে নেওয়া যায় না। শুধু সমাজমনস্ক ব্যক্তিই নন, গোটা জাতিকে এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো উচিত।
সবশেষে তাই প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, বুড়িগঙ্গা-শীতলক্ষ্যাসহ সব নদীর বুকের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং নদীকে তার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে যাতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমরা জানি, এর আগেকার শাসনামলে এক প্রতিমন্ত্রীর বুড়িগঙ্গার এক শীর্ণ শাখা দখলে নেওয়ার দুর্বুদ্ধির কথা, যে ঘটনার বিরুদ্ধে সংবাদপত্রসহ সর্বত্র প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সুস্থ মানবিক হস্তক্ষেপে ওই দুর্দান্ত ক্ষমতাবান ব্যক্তিটির লালসা ঠেকানো সম্ভব হয়। তাই ঘটনা ও জাতীয় স্বার্থ এবং নাগরিক স্বার্থ রক্ষার বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী যেন জরুরিভিত্তিতে উল্লিখিত বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেন। আমরা অপেক্ষায় আছি, নদীর কন্না বন্ধ করার উদ্যোগের পরিণাম দেখার জন্য।
আহমদ রফিক: প্রাবন্ধিক, রবীন্দ্র গবেষক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নীরবেই চলে গেলেন ডা. সোফিয়া খাতুন by শুভা জিনিয়া চৌধুরী
ডা. সোফিয়া কেবল একজন দক্ষ চিকিৎসকই ছিলেন না, সবাইকে আপন করে নেওয়ারও অদ্ভুত একটা ক্ষমতা ছিল তাঁর। পরিবার, বন্ধুবান্ধব, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও তাঁর রোগীরা সে কথাই বলেন তাঁর সম্পর্কে। সোফিয়া ক্লিনিকে শুধু বিখ্যাত ব্যক্তিরাই চিকিৎসা ও সেবা পেতেন না। এই ক্লিনিকে অনেক দরিদ্রকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতেন ডা. সোফিয়া। কিন্তু হাসিখুশি এই মানুষটি সব সময়ই ছিলেন প্রচারবিমুখ। চুপচাপ নিজের কাজ ও দায়িত্ব পালন করে যেতেই তিনি পছন্দ করতেন। কাজের বাইরে যেটুকু অবসর পেতেন, অন্যের জীবনের সুখদুঃখের গল্প শুনতেন। সারা জীবন অনেক বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে হয়েছে ডা. সোফিয়াকে। তাঁর জীবনে চলার পথটা খুব সুগম ছিল না। কিন্তু তিনি কখনো তাঁর আদর্শ ও বিশ্বাসের সঙ্গে সমঝোতা করেননি। বরং সংগ্রাম করে জীবনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
১৯২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের দাউদকান্দিতে জন্ম হয় ডা. সোফিয়া খাতুনের। সে সময় নারীশিক্ষার হার ছিল খুবই কম। আর দাউদকান্দির মতো ছোট একটি গ্রামের মুসলিম পরিবারের মেয়ে হিসেবে শিক্ষাগ্রহণ করাটা তাঁর জন্য সহজ ছিল না। নিজের বাড়ি থেকে দূরে গিয়ে লেখাপড়া করা ছিল নিতান্তই সাহসের ব্যাপার। ডা. সোফিয়া সেই সাহসটা দেখাতে পেরেছিলেন খুব অল্প বয়সেই। তিনি ডা. খাস্তগীর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। পরে কলকাতায় গিয়ে লেডি ব্র্যাবোন কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা নেন। ডা. সোফিয়ার শিক্ষাজীবনটা স্বাভাবিকভাবেই ছিল ঘটনাবহুল। কারণ চারপাশের পৃথিবীটা তখন বদলাচ্ছিল। সময়টা ছিল অস্থির। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির উত্তেজনা খুব কাছ থেকে দেখেন ডা. সোফিয়া। একসময় যে শহর, যে দেশ ছিল তাঁর একান্তই নিজের, সেখানেই শুরু হয় দাঙ্গা, হানাহানি আর রক্তপাত। নিমিষেই সেই দেশটাকে আলাদা হয়ে যেতে দেখেন সোফিয়া। আর এর প্রভাব স্বাভাবিকভাবেই তাঁর জীবনে এসে পড়ে। দেশ বিভক্তির পর ডা. সোফিয়াকে কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসতে হয়। তবে এত সব অস্থিরতার মধ্যেও মূল লক্ষ্য থেকে সরে যাননি তিনি। সমাজের প্রচলিত বিধিনিষেধ আর চোখরাঙানি উপেক্ষা করে শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন। তাই লেখাপড়াটা চালিয়ে গেছেন ভালোভাবেই। ১৯৪৮ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে বৃত্তি অর্জন করেন সোফিয়া। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী শিক্ষার্থীদের প্রথম ব্যাচ থেকে তিনি অর্জন করেন এমবিবিএস ডিগ্রি। বাড়ি থেকে দূরে এসে নারী হিসেবে লেখাপড়া করা যে কত সমস্যাসংকুল, তা বুঝতে পেরেছিলেন সোফিয়া। আর তাই নারীদের শিক্ষাগ্রহণের পথটা কীভাবে আরেকটু সহজ করা যায়, সে ভাবনাটা শুরু থেকেই তাঁর মাথায় ছিল। তাই তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারীদের জন্য প্রথম আবাসিক হোস্টেল প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেন। সোফিয়াই ছিলেন এই হোস্টেলের প্রথম সুপারিনটেনডেন্ট। ইন্টার্নশিপ শেষ করার পরই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত সেখানেই চলে তাঁর কর্মজীবন।
১৯৫৮ সালে ডা. এম এ ওয়াদুদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ডা. সোফিয়া। বিয়ের পর ১৯৬৩ সালে সরকারি বৃত্তি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণের জন্য ব্রিটেনে যান তিনি। এরপর ১৯৬৭ সালে লন্ডনের রয়্যাল কলেজ থেকে স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় এমআরসিওজি ডিগ্রি অর্জন করেন। স্যার সলিমুল্লাহ কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে শুরু হয় তাঁর কর্মজীবন। পরে সেখানেই তিনি স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
১৯৬৮ সালে সোফিয়া ও তাঁর জীবনসঙ্গী ওয়াদুদ ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠা করেন সোফিয়া ক্লিনিক। ক্লিনিকটি অল্পদিনের মধ্যেই সুনাম অর্জন করে। এরই মধ্যে ১৯৮২ সালে আবার লন্ডনের রয়্যাল কলেজ থেকে সোফিয়া এফআরসিওজি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সেখানেই কর্মরত ছিলেন।
শিক্ষা ও পেশাগত জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনেও সাফল্যের কমতি ছিল না সোফিয়ার। মায়ের পথ ধরে তাঁর মেয়ে ডা. রুবিনাও পেশাগত জীবনে চিকিৎসক। ছেলে আহমেদ ফয়সাল মালিক একজন প্রকৌশলী। চারজন নাতি-নাতনি নিয়ে ভরপুর সংসার। সংগ্রামী এই নারীর পথ ধরে পরিবারের অনেকেই এসেছেন চিকিৎসা পেশায়। তাঁর ভাগনি সেহেরিন এফ সিদ্দিকাও স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছেন।
নিভৃতচারী এই নারী গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তি বিনির্মাণে আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ধর্মের সব বিধিবিধান ও আচার-অনুষ্ঠান শান্তি বিনির্মাণ, মানবকল্যাণ এবং মানুষকে সত্য-সুন্দর ও সুখ-শান্তির দিগ্দর্শন প্রদানে নিয়োজিত। পৃথিবীর সব কটি প্রধান ধর্মের প্রচারকেরা মহান সৃষ্টিকর্তার প্রেরিত মহামানব হয়েও সদা মানবকল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। ধর্মগ্রন্থগুলো হলো ধর্মীয় মূল্যবোধ তথা নির্দেশিকাগুলোর লিখিত বা সংকলিত রূপ। পবিত্র কোরআনের একাধিক জায়গায় বলা হয়েছে, ‘আমরা প্রত্যেক গোত্রের কাছে সময়ে সময়ে পথ প্রদর্শকরূপে আমাদের মনোনীত ব্যক্তিকে পাঠিয়েছি, আর তাঁদের সহায়তা হিসেবে পাঠিয়েছি ঐশী বাণী।’ এ বাণী ওই সব নবি বা রাসুল যে সম্প্রদায়ের ছিলেন, তাঁদের সমসাময়িক সমস্যাকে কেন্দ্র বা উপলক্ষ করে তাঁদেরই ভাষায় প্রেরিত হয়। এ ঐশী বাণী গ্রন্থগুলোর অনুসরণে কিংবা যুগ-যুগান্তের অভিজ্ঞতার আলোকেও মানুষ নিজেও ধর্মীয় বিধানাবলি প্রণয়ন করেছে। আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘আর আমি প্রত্যেক রাসুলকেই তাঁর স্বজাতির ভাষাভাষী করে পাঠিয়েছি তাদের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য।’ (সূরা ইব্রাহিম, আয়াত-৪)
ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি স্বীকৃত ও বিরাজমান থাকায় বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা পারস্পরিক ভাববিনিময়, আচার-ব্যবহার, রীতি-নীতি, কৃষ্টি-সভ্যতা, সংস্কৃতি প্রভৃতির চর্চা করতে পারে। এতে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থানের মাঝে বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য, সংহতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আন্তধর্মীয় সংলাপের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে পরিলক্ষিত হয়। একজন ধর্মভীরু লোক যখন অপর ধর্মের মর্মবাণী উপলব্ধি করতে পারবেন, তখন তাঁর মধ্যে ধর্মের উদার দৃষ্টিভঙ্গি জন্ম নিতে পারে। এমনিভাবে বিভিন্ন ধর্মের মূল সুর বিশ্বশান্তি, ঐক্য, সম্প্রীতি, সহনশীলতা, মানবতাবোধ, পরমতসহিষ্ণুতা, ন্যায়-নীতি, ক্ষমা, উদারতা, মহানুভবতা প্রভৃতি মানবজীবনের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গুণাবলি বাস্তবজীবনে প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সুনিশ্চিত হতে পারে; যেভাবে বাংলাদেশে মুসলমান-খ্রিষ্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ প্রভৃতি ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে আন্তধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা লক্ষণীয়। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ন্যায়বিচার, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তধর্মীয় সংলাপের মধ্য দিয়ে স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণভাবে অন্য ধর্মের অনুসারীদের বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান, সামাজিক রীতি-নীতি ও শিক্ষামূলক বিষয়াদির জ্ঞান লাভের দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
মানুষের মধ্যে যেসব গুণাবলি থাকলে মানুষকে মানুষ বলা যায় এবং না থাকলে আর মানুষ বলা যায় না, সে সমস্ত গুণই মানুষের ধর্ম। ‘সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই’, ‘মানুষ সকল জীবের মধ্যে শ্রেষ্ঠ’ বা ‘আশরাফুল মাখলুকাত’। মানুষ-মানুষের সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই সব আইন, সব উত্তরণ ও উন্নয়ন, সব আনন্দ, সব সর্বনাশ। সমাজজীবনে মানুষ বিভিন্ন উপায়ে ও উপলক্ষে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত। সম্প্রীতির ধর্ম ইসলাম মানবজাতির পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে। সমাজজীবনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করতে হলে সমাজের সব ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হয়। দৈনন্দিন জীবনে আয়-উপার্জন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রভৃতি থেকে শুরু করে মৃত্যুর পর কাফন-দাফন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা, সুখ-সমৃদ্ধি প্রভৃতি মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ওপর নির্ভর করে।
ইসলামের ন্যায়বিচার কোনো দেশ-কাল-জাতি বা মানুষ তথা মুসলিম-অমুসলিম ভেদে পক্ষপাতিত্ব করে না। ইসলাম গোত্রে-গোত্রে, মানুষে-মানুষে বর্ণবৈষম্যের প্রাচীর ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব জায়গাতেই অসংখ্য মানুষ বর্ণবাদ বা জাতিগত সমস্যায় অবিচার ও নিষ্ঠুরতার কারণে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে। অথচ বিভিন্ন বর্ণ ও জাতি সৃষ্টির পেছনে উদ্দেশ্য হলো, যেন ধর্মপ্রাণ মানুষ একে অন্যকে জানতে পারে। মোটকথা, ইসলামের দৃষ্টিতে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী অমুসলিম নাগরিকদের ওপর কোনো জোর-জুলুম চলবে না এবং তাদের জীবন, সম্পদ, মানসম্মান, মানবিক অধিকার, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রতিটি ব্যাপারে অবাধ স্বাধীনতা দিতে হবে। প্রকৃত ধর্ম মাত্রেরই মূল লক্ষ্য, মানুষকে সত্য-সুন্দর-কল্যাণ ও ন্যায়নীতির পথপ্রদর্শন। ইসলামও মুলমানদের এ লক্ষ্যেই অগ্রসর হওয়ার তাগিদ দিয়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আর্থসামাজিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুনির্দিষ্ট বিধান দিয়েছে ইসলাম।
পৃথিবীর সব দেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ বসবাস করে। তাদের ধর্মবিশ্বাসে, আচার-আচরণ ও রীতি-নীতিতে পার্থক্য রয়েছে। এহেন বৈপরীত্যের জন্য তাদের মধ্যে পরস্পরকে ভালোভাবে জানতে পারে না সবাই। তাই বিশ্বব্যাপী শান্তি বিনির্মাণ, বিভিন্ন দ্বন্দ্ব নিরসন এবং আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আন্তধর্মীয় সংলাপ একান্ত প্রয়োজন। মানবজীবনের নানা সমস্যা সমাধানের জন্যই যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্ম ও দর্শনের উৎপত্তি হয়েছে। মানুষের জীবনযাপনে একটা নীতিশৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রেরণা থেকেই ধর্ম। সুতরাং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ধর্মের ভূমিকা মুখ্য। মানুষ ধর্মের জন্য নয়, ধর্মই মানুষের জন্য। দুনিয়ায় আগে মানুষ এসেছে, পরে তাদের যুগ-যুগান্তরের প্রয়োজনে নির্দেশিকা হিসেবে এসেছে বিভিন্ন ধর্মীয় মূল্যবোধ। সুতরাং ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে ইহলৌকিক কল্যাণ তথা শান্তি বিনির্মাণ এবং আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর হতে পারে।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুদের নিয়ে বড়দের বেহুঁশ বিনোদন থামান by ফারুক ওয়াসিফ
বিজ্ঞাপনে শিশু, বিনোদনেও শিশু। মনের নাম মহাশয়, যা সওয়াও তা-ই সয়। শিশু ও শৈশবের বাণিজ্যিক ব্যবহার হয়তো অনেকেরই চোখ সয়ে গেছে, বিনোদনে ব্যবহারও হয়তো সয়ে যাচ্ছে। যেকোনো চ্যানেলে ১০টি বিজ্ঞাপনের কমপক্ষে সাতটিতেই তারা হাজির। তারা গাড়ি-বাড়ি, টিভি-ফ্রিজ, পানীয়, সাবান, হরলিকস মায় বালতি বা ঢেউটিনের গুণগান করে! সরল ও সুন্দর শিশুর জবানে-অভিনয়ে পণ্যের সুখ্যাতি দেখে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে, ব্যবসা সত্য না, মুনাফা সত্য না, পণ্যমুগ্ধ শৈশবই সত্য। অভিভাবকেরা অর্থ পাচ্ছেন, শিশুটিও স্টার হচ্ছে। আর ঘরের শিশুরা ভাবছে, ওই শিশুটির মতো আমারও খ্যাতি দরকার, টাকা দরকার। আর দরকার ওই সব বিজ্ঞাপিত পণ্য। মা-বাবারা তাদের আবদারে হার মানেন। শিশুরাও হয়ে যায় ওই সব পণ্যের স্থায়ী ক্রেতা। পণ্যায়িত সমাজে একটি নতুন শিশুর জন্ম তাই একজন সম্ভাব্য ক্রেতারও জন্ম। এ যুগে মিডিয়াই এখন আমাদের চোখ-কান-মন। মায়ের ছেলে বা বাবার মেয়েটি ঘরে শেখে, স্কুলে শেখে, টিভি দেখেও শেখে। কিন্তু কী শেখে আসলে?
ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহারের নিন্দা হয়, শিশু ও তাদের প্রতি বড়দের কোমল আবেগের বাণিজ্যিক ব্যবহারও অপরাধ। দেশি চ্যানেলগুলো এই পথে নবীন বলে রয়েসয়ে দেখায়। কিন্তু ভারতের হিন্দি চ্যানেলগুলো যে রকম তুখোড় দক্ষতা অর্জন করেছে, তাতে ভাষা ও সীমানা পেরিয়ে তার ডাক আমাদের ঘরে ঘরে সচিত্র বাজছে। হিন্দি সিরিয়ালের পাশাপাশি শিশুদের নাচ-গানের প্রতিযোগিতা তথা রিয়েলিটি শো এখন বাংলাদেশে দারুণ জনপ্রিয়। উন্নত প্রযুক্তি আর পুঁজির জোরে এসব চ্যানেলই এখন উপমহাদেশের জনসংস্কৃতিকে প্রভাবিত করছে। অন্যরা বাধ্য হচ্ছে তাদের অনুকরণ করতে। দৃশ্য বা ইমেজের ক্ষমতা এতই সর্বজনীন যে, ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির ঘের তা অনায়াসেই ভেঙে ফেলছে।
ওই সব অনুষ্ঠান আমাদের শৈশবের নতুন কুঁড়ির নাচ-গান নয়। ধুমধাড়াক্কা হিন্দি ছবির চটুল গানের সঙ্গে ততোধিক হট নাচ। দূর থেকে দেখলে মনে হবে বুঝি বলিউডি তারকারাই মঞ্চ কাঁপাচ্ছে, দর্শকের মনে ঢেউ তুলছে। সেই পোশাক, সেই বিশেষ ভঙ্গি, সে রকম শরীর চঞ্চল করা কথা ও সুর। একটি তিন-চার বছর বয়সী বালিকা অসম্ভব কসরত করে যে নাচটি করে, ফিল্মের দৃশ্যে তা করেছিল স্বল্পবসনা কোনো হার্ট থ্রব নায়িকা। নাক টিপলে দুধ বেরোবে, এমন বয়সী বালক ‘চুম্মা চুম্মা দে দো’ গানের সঙ্গে নাচা কি নিরীহ বিনোদন? দুটি বালক-বালিকাকে প্রেমঘন গানে নাচানো কি সভ্যতা? বহুদিনের বহু অনুশীলনে তারা এসব শিখেছে। আর আমরা চোখ ভরে দেখে মন ভরে মজে যাচ্ছি। বিনোদন আমাদের বিবেককে করে দিচ্ছে অবশ।
ভারতের প্রায় প্রতিটি হিন্দি-বাংলা চ্যানেলে এ রকম একটি অনুষ্ঠান সারা বছর চলে। ইদানীং দেশি চ্যানেলগুলোও সেই ধারায় চলা শুরু করেছে। একটি চ্যানেল বছরখানেক আগে এ রকম একটি নাচের প্রতিযোগিতা চালায় এবং সম্প্রচারও করে। স্কুলভিত্তিক প্রতিযোগিতাও হয়। শিক্ষকেরা মেনে নেন, অভিভাবকেরা খুশি হন। বলাবাহুল্য, নাচগুলো শিশুসুলভ ছিল না। প্রাপ্তবয়স্কদের বিনোদন নিয়ে প্রশ্ন থাক, শিশুদের ওপর তা চাপিয়ে তাদের মানসিক-দূষণ কেন আমরা সইব? এ উৎপাত প্রথম দেখা যায় মার্কিন মুলুকে। সেখান থেকে আসে ভারতে, এখন বাংলাদেশেও তা রমরমা। গল্পের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা জাদুর বাঁশি বাজিয়ে শিশুদের চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল, আর আজ শিশুদের শৈশবিক কোমলতা চুরি হচ্ছে বড়দের বেহুঁশ বিনোদনের খায়েশে। আজকের হ্যামিলনের বাঁশি বাজাচ্ছে জাদুর বাক্স টেলিভিশন। বোকা বাক্সটি এখন আর বোকা নেই।
বড়রাও এসব অনুষ্ঠানের দর্শক। শিশুদের মতো তাঁদেরও কি ক্ষতি করা হচ্ছে না? এ আনন্দ কতটা নির্মল, কতটা নিরীহ? সিনেমার প্রেমঘন দৃশ্যে যে গান বা নাচ সাবালক দর্শককে অবলোকনসুখ দেয়, সেই গান বা নাচ শিশুর কণ্ঠ ও দেহ ব্যবহার করে পাওয়া বা দেওয়া অন্যায়। একটি শিশুকে যৌনাবেদনময় পোশাকে ও সাজসজ্জায় পরিবেশন করলে, তা মূল সিনেমাটির নায়ক-নায়িকার দৈহিক আকর্ষণ ও নৃত্য-কথা-সুরের বিশেষ উপভোগের কথাই দর্শককে মনে করিয়ে দেয়। এসব দেখে কারও যদি দর্শকামের তৃষ্ণা নিবারণ হয়, তা ঠেকানোর উপায় কী?
এভাবে শিশুদের একাধারে ‘খুদে প্রাপ্তবয়স্ক’ বানানো হয়, অন্যদিকে তারা হয় বড়দের ‘আনন্দের পুতুল’। অমিতাভ বচ্চনের পা ছবিতে ছোট্ট একটি শিশুর প্রোজোরিয়া নামের দুরারোগ্য রোগে বুড়িয়ে যাওয়া? বেদনা ও জটিলতায় দর্শক কাঁদে। আর এসব বিনোদনের ছলে ছোট মনে বড়র ভাব সংক্রমণের রোগটিকে কী বলব? বললে ‘সেক্সুয়ালাইজেশন অব চাইল্ডহুড’ বা ‘শৈশবের যৌনকরণ’ই বলতে হয়। সংস্কৃতির ক্ষতি এক প্রজন্মে শেষ হয় না। বহু প্রজন্মে তা চলে।
সম্প্রতি ইভ টিজিংয়ের চরম বাড়াবাড়িও আমরা দেখছি। যে যুবক বা বয়স্করা শিশুদের যৌন নিপীড়ন ও ইভ টিজিং করে, তারা শিশুদের মধ্যে শৈশবিক পবিত্রতা দেখে না, দেখে আনন্দের খোরাক। যে দেশের অধিকাংশ শিশুকেই বড় হওয়ার পথে বয়স্কদের যৌন নিপীড়নের শিকার হতে হয়, সে দেশে এসব অনুষ্ঠানকে প্ররোচনা বললে বেশি বলা হয় না।
ভারতে এর প্রতিবাদ হচ্ছে। সেখানকার মানবাধিকার কমিশন ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের এ ধরনের প্রতিযোগিতায় না টানতে বলেছে। অস্ট্রেলীয় সরকার তাদের দেশে গণমাধ্যমে শিশুদের যৌনসামগ্রী করে তোলার বিরুদ্ধে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। তাতে বলা হয়, শিশুদের এমনভাবে দেখানো উচিত নয়, যাতে অন্য শিশুরা ভুল বোঝে বা এ ধরনের যৌনাত্মক আচরণকেই স্বাভাবিক ভাবতে শেখে। বয়স হওয়ার আগেই তাদের বোঝানো হয় কোনটা আকর্ষণীয়, কোনটা সেক্সি, নারী কী, পুরুষ কী, রোমান্টিকতা কী, প্রেম কী, দেহের আকর্ষণ কী। তারা ভাবে, এসবের গুণেই বুঝি জীবনে সুখ ও সফলতা আসবে। মনে রাখা দরকার, মানুষের ব্যক্তিত্ব, রুচি শৈশবেই গড়ে ওঠে। বাকি জীবনে তার ছাপ পড়ে। আজকের সামান্য বিনোদন ভবিষ্যতের মানুষকে এমনভাবে বদলে দিতে পারে যা কাঙ্ক্ষিত নয়।
অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসব অনুষ্ঠান দেখার প্রভাবে অনেক শিশুর মধ্যে অল্প বয়সে যৌনতার বোধ জন্ম নেয়। এসব শিশু সহজেই বিচ্যুত হয়, তাদের জীবন আর সহজ থাকে না। মা-বাবাদের এসব ভাবা উচিত। অর্থ, খ্যাতি, সম্মান শিশুর প্রয়োজন নয়, তা বড়দের প্রয়োজন। শিশুদের দরকার নির্মল আনন্দ, খেলাপ্রিয়তা ও জানার-মেশার উচ্ছ্বাস। তাদের বড় করে দিলে চলবে না, বড় হতে দিতে হবে।
অনুষ্ঠান নির্মাতারা চান, প্রতিযোগিতার উত্তেজনা ও আনন্দ-বেদনার শামিল টিভির সামনে বসা শিশু ও তাদের অভিভাবকেরাও হোন। বিচারকেরা এমনভাবে শিশুদের অতি প্রশংসা বা চরম নিন্দা করেন, যাতে ছেলেমেয়েদের আবেগের চরম প্রকাশ ঘটে এবং দর্শক তা দেখতে পায়। এটাই নাকি নির্মাতাদের সাফল্য ও জনপ্রিয়তার শর্ত। কিন্তু এ রকম মানসিক চাপে অনেকের মন ভেঙে যায়। কোটি কোটি মানুষের দৃষ্টির সামনে বয়স্করাই ভিরমি খান। সেখানে শিশুদের এমন হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা আর স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করা বিচারের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বিপর্যয়কর। পশ্চিমবঙ্গের একটি চ্যানেলে ১৬ বছর বয়সী শিঞ্জিনী সেনগুপ্তকে বিচারকেরা কঠোর সমালোচনা করেন। কোটি দর্শকের চোখের সামনে শিঞ্জিনী অপমান গিলে প্রাণপণে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পারে না। তার হাসিখুশি মুখ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বেদনায় কুঁচকে যায়, চোখ দিয়ে অঝোরে ঝরতে থাকে অশ্রু। বাড়ি ফেরার পর তার রহস্যজনক পক্ষাঘাত হয়, কথা বলা ও নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যায়। মা-বাবাকে চিনতেও ব্যর্থ হয়। অনেক চিকিৎসার পরও শিঞ্জিনীর মধ্যে ভয়ের লক্ষণ কাটেনি। একই রকম পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ের স্টুডিওতে এক কিশোরী আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এ রকম ঘটনা অজস্র। আলোর নিচের এই অন্ধকার আর নিষ্ঠুরতার কথা দর্শকেরা জানে না। তাঁরা শুধু আনন্দ পেতে চান এবং ভুলিয়েভালিয়ে তাঁদের সেটাই দেওয়া হয়। জাদুর বাক্স এভাবে বড়দের বানিয়ে ফেলে আনন্দপিপাসু অবোধ শিশু।
এভাবে চলতে পারে না। দেশিই হোক আর বিদেশিই হোক, আমাদের শিশুদের এসবের আছর থেকে বাঁচাতে হবে। সরকার, অভিভাবক সমাজ, শিশু মনস্তত্ত্ববিদসহ সবারই সরব হওয়া দরকার। শিশুদের নৈতিক, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার স্বার্থে মুদ্রণমাধ্যম ও দৃশ্যমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো বিজ্ঞাপন বা অনুষ্ঠানে শিশুদের উপস্থাপন বিষয়ে কার্যকর নীতিমালা থাকতে হবে। সরকার শিশুনীতি নিয়ে কাজ করছে। গণমাধ্যম নিয়েও নীতিমালা হচ্ছে। রাজনীতিতে শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলেও এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কথা নেই। আমরা অবিলম্বে এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধিমালা চাই। তার তদারকি ও নজরদারির জন্য আলাদা সেলও করে দিতে হবে। শিশুবিশেষজ্ঞ, শিক্ষক মহল, মনস্তত্ত্ববিদ ও অভিভাবকদের এ বিষয়ে দায়িত্ব আছে। শিশুদের বিকাশ কোনোভাবেই নিশ্চিত হবে না, যদি না বড়দের সমাজ ঠিক হয়। শিশু-কিশোরদের নৈতিক, মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার স্বার্থে গণমাধ্যম ও বিজ্ঞাপনে শিশুদের বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং যৌনানুভূতি জাগানো উপস্থাপন বন্ধ করা সংস্কৃতির স্বার্থেও দরকার। রিমোট কন্ট্রোলার হাতে করে চ্যানেল পাল্টানোর স্বাধীনতায় ভুললে চলবে না। কারণ, টিভির রিমোট আপনার হাতে হলেও সংস্কৃতির রিমোট কন্ট্রোলার অন্যদের হাতে। তাতে শুধু নৈতিকতার লখিন্দরই ভেসে যাবে না, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের বেহুলাও তার সঙ্গী হবে।
ইতিহাসে স্বর্ণযুগ চিহ্নিত থাকে, কিন্তু আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগের সূচনায় কোনো ঘণ্টা বাজে না। নীরবেই তা শুরু হয়ে যায়। এক চীনা জল্লাদের সাধনা ছিল, এমনভাবে মানুষের কল্লা কাটা, যাতে তারা টেরও না পায়। বছরের পর বছর তিনি সূক্ষ্মভাবে মানুষের মাথা কাটার সাধনা চালিয়ে গেলেন এবং একদিন এত নিখুঁতভাবে একজনের মাথা কাটলেন যে হতভাগা লোকটি কিছু টের না পেয়ে প্রশ্ন করে, ‘কই, আপনি তো কিছু করছেন না।’ জল্লাদ মহাশয় সাধুপুরুষের মতো হেসে বললেন, ‘জনাব, মাথাটা একটু ঝাঁকান, টের পাবেন।’ ঝাঁকুনি না খেলে আমরাও বুঝব না, আমাদেরও মাথা বিনোদনের রেশমি সুতোয় কত সুকৌশলে কাটা পড়ছে।
ফারুক ওয়াসিফ: সাংবাদিক
farukwasif@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণমাধ্যম নিয়ে দিশেহারা সরকার by এবিএম মূসা
বেসরকারি টিভি সম্প্রচারকদের যে বাংলাদেশ টেলিভিশনের বেলা দুইটা ও রাত আটটার খবর প্রচার করতে বলা হবে, সরকারের ‘নাক গলানোর’ এ তথ্যটি আমাদের গণমাধ্যমে আগেই প্রকাশিত হয়েছে। বেসরকারি টেলিভিশনগুলোর কর্তাব্যক্তিরা এ নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সর্বশেষ একটি ‘সমঝোতা’ হয়েছে বলে শুনেছি। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, কোনো ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে ‘সমঝোতা’ না করে কি পার পাওয়া যায়? অতঃপর রাত আটটায় না হলেও দুপুর দুইটায় কিছুক্ষণের জন্য হলেও সব বেসরকারি টেলিভিশন ‘সরকারি’ হয়ে যাবে। এরই মধ্যে কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন বেলা দুইটায় বিটিভির সংবাদ সম্প্রচারে অনুরোধের ঢেঁকি গিলেছে। দুইটার সেই সংবাদ শ্রোতা-দর্শক দেখবেন-শুনবেন কি না, তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাবেন না। মাত্রাতিরিক্ত বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় কোনো কোনো বেসরকারি চ্যানেলে। এর মধ্যে বিটিভির সংবাদ না হয় একটুখানি জায়গা করে নিল।
তার পরও প্রশ্ন করা যেতে পারে, এ নির্দেশ অথবা একটি ‘কথিত প্রদত্ত অঙ্গীকার’ পালনের জন্য সরকারের আকস্মিক তাগাদা কেন? নির্জলা সত্যটি হচ্ছে, একটি অলিখিত নির্দেশ দিয়ে বিকল্পে অনুরোধ করে অথবা চ্যানেলের লাইসেন্স নেওয়ার সময় একটি প্রতিশ্রুতি পালনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সরকার স্বীকার করে নিয়েছে যে ‘বিটিভির সংবাদ কেউ দেখেন না।’ এখন বেসরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে তাই সরকারি কর্মকাণ্ড প্রচারের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করাতে চায়। সরাসরি বলতে হয়, ‘বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যমকে ব্যবহার করে সরকার নিজেদের “বস্তুনিষ্ঠ” খবর গেলাতে চায়।’ জনগণ গিলবে কি না, তাদের সে ভাবনা নেই।
আমার তো মনে হয়, ‘সমঝোতার’ একটি ইতিবাচক দিক আছে। দুপুরবেলায় যাঁরা টেলিভিশন দেখেন, তাঁরা এ সময়টুকুতে মধ্যাহ্নভোজের পর্বটি সেরে নিতে পারবেন। অথবা সে সময়টিতে টেলিভিশন বন্ধ রেখে বিদ্যুতের সাশ্রয় করবেন। অবশ্য যেভাবে লোডশেডিংয়ের সময় বাড়ছে, তাতে হয়তো সে প্রয়োজন পড়বে না। পাকিস্তান আমলে পিটিভি সংবাদ প্রচারকালে আমরা যা করতাম, তাও করতে পারে। তখন পাকিস্তান টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্র থেকে ‘১০ মিনিট’ উর্দুতে খবর প্রচার করা হতো। যেই মাত্র ঘোষণা হতো ‘ওয়াহিদ কায়সার নদভিসে উর্দুমে খবরে শুনিয়ে’, আমার মেয়ে টেলিভিশন ‘বোবা’ করে দিত। বেসরকারি টেলিভিশনগুলোকে অনুরোধ, আটটার খবর প্রচারেও সমঝোতা মেনে নিন। সেই সময় তারা সব জনপ্রিয় অনুষ্ঠান প্রচার করায় নৈশভোজ সারতে বিলম্ব হয়। আমার অনুরোধটি গ্রহণ করলে সরকারও খুশি হবে, দর্শকও ‘প্রাইম টাইমে’ কোনো অনুষ্ঠান দেখা থেকে বঞ্চিত না হয়ে নৈশভোজ সেরে ফেলবে। এবার পাঠক যা পড়তে চায় না, সংবাদপত্র যা নিয়ম রক্ষার খাতিরে সরকারি বরাত দিয়ে ছাপে, তা গণমাধ্যমের ওপর চাপানোর অতীতের আরেকটি উদাহরণ দেব।
১৯৬২ সাল, স্বৈরশাসক আইয়ুব খান প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অর্ডিন্যান্স জারি করে সংবাদপত্রে খবর প্রচারে ‘সমঝোতা’ নয়, কতিপয় বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলেন। একই সঙ্গে এই অধ্যাদেশে বলা হয়েছিল, ‘সরকারি প্রেসনোট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি’ ছাপা বাধ্যতামূলক এবং কোনো ধরনের ‘এডিটিং’ অথবা কাটছাঁট না করে পুরো ছাপতে হবে। সাংবাদিক, সম্পাদক ও মালিকদের প্রতিষ্ঠানগুলো মূল অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। সমগ্র পাকিস্তানে ১০ দিন সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়নি। অতঃপর আইয়ুব সরকার অধ্যাদেশটি সংশোধন করতে বাধ্য হয়। কিন্তু আইয়ুবের নতিস্বীকারের আগে আমি তৎকালীন পাকিস্তান অবজারভার-এর বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে একটি মজাদার পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। সব সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশাবলি, সরকারি বক্তব্যসংবলিত খবরাদি একনাগাড়ে একটি পৃষ্ঠায় শিরোনামহীন শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ধারায় ছাপতে থাকলাম। সরকারের ‘ছাপতে বাধ্য’ এমন সব বিজ্ঞপ্তি অথবা প্রেসনোট পৃষ্ঠাব্যাপী একের পর এক শিরোনামহীন ও প্যারাহীনভাবে অতি ক্ষুদ্রাক্ষরে শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের আকারে ছাপা হলো। সংবাদপত্রের ‘কম্পোজ’কর্মীরা একে বলেন ‘রানিং কম্পোজ’। একটি সংবাদ থেকে অন্যটি আলাদা করা হতো না। সরকারের নির্দেশ পালন করা হলো। পাঠক পড়তে পারল কি না অথবা পড়বে কি না, সেটা তাদের ব্যাপার।
উপরিউক্ত প্রসঙ্গটি বর্ণনা করলাম সরকারের সঙ্গে আমরা অতীতে কীভাবে ‘সমঝোতা’ কার্যকর করতাম তা বোঝাতে। সাম্প্রতিক ‘সমঝোতা’ অনুসরণে একইভাবে ‘বিটিভির সংবাদটি’ বেসরকারি টেলিভিশনের কক্ষের প্রকৌশলী যদি বিটিভির সংবাদ দ্রুতপঠন-পদ্ধতিতে সম্প্রচার করেন, তাহলে কেমন হয়? দর্শক-শ্রোতাদের পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করছি। আদিতে বিটিভিতে দৃশ্য গ্রহণ ও শব্দ ধারণ ছিল অতি মান্ধাতা আমলের। কোনো অনুষ্ঠান ভিটিআর তথা টেপে ধারণের পর ভিডিও বা সংলাপ কাটছাঁট বা এডিটিং করার কারিগরি পদ্ধতি ছিল না। কোনো নাটক বা গানের অনুষ্ঠানে যদি মাঝখানে কেউ উল্টাপাল্টা সংলাপ বলতেন, তবে ‘ফের বিসমিল্লাহসে’ শুরু করতে হতো। এ জন্য আমি বিটিভির মহাপরিচালক পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে বাইরের যেসব অনুষ্ঠান ওটি ভ্যানে (বাইরের অনুষ্ঠান ধারণের জন্য ব্যবহূত গাড়ি) ভিটিআর করে আনা হতো অথবা যেসব সিনেমা সেন্সর বা কাটছাঁট করে দেখাতে হতো, সে ক্ষেত্রে পুনর্ধারণ এড়ানোর জন্য বিশেষ প্রণালিতে ‘সম্পাদনা’ করতাম। সেগুলোর আপত্তিকর অংশ ‘জার্কিং’ করতাম। অর্থাৎ টেপের সেই অংশটি প্রচারযন্ত্রে গড়গড় করে দ্রুতগতিতে পার করে দেওয়া হতো। দর্শক সংলাপগুলো শুধু ‘করর-করর’ শব্দে শুনত, কথিত দৃশ্যের লাফানো ছবি দেখত।
আশা করি, সরকারি নীতিনির্ধারকেরা আমায় ভুল বুঝবেন না। আমি বেসরকারি সম্প্রচারকদের বিটিভির বাধ্যতামূলক সংবাদ সম্প্রচারে উপরিউক্ত ‘অপকৌশল প্রয়োগের বদবুদ্ধি দিচ্ছি না’। শুধু সরকারের নীতিনির্ধারকদের ‘সমঝোতাভিত্তিক নির্দেশ’ নিয়ে একটুখানি রসিকতা করলাম। যাকগে, এবার একটুখানি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা যাক। সরকারের তথ্য ‘গেলানোর’ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তিদের জানাচ্ছি, আমাদের কালের দুই-তৃতীয়াংশ সময়ে সামরিক আইন, জিয়া-এরশাদের ‘প্রেস অ্যাডভাইস’, মানে পরোক্ষ আদেশ মানতে হয়েছে। পেশাজীবনের শেষ সময়ে এসে একই আলামত দেখছি। তাও আবার একটি গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অনাদিকালের সংগ্রামী রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত সরকারের আমলে। সর্বোপরি কোটি টাকার তথা মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারি মদদে আরও কয়েকটি নিজস্ব ধারার চ্যানেলের অনুমতি দেওয়ার পরও বিদ্যমান স্বাধীন চ্যানেলে এই আগ্রাসন কেন? আপনজনদের ১২টি সম্প্রচার অনুমতি দিয়েও স্বস্তি পাচ্ছে না কেন?
উপরিউক্ত বিষয়ে টেলিফোনে দীর্ঘক্ষণ আলাপ হলো আমার প্রবাসী বন্ধু কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সঙ্গে। আমরা দুজন একমত হলাম, বিদেশি মিডিয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশ সম্পর্কে ইতিবাচক অনেক খবর বের হচ্ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দেশ ও সরকার পরিচালনার সাফল্য, বিশেষ করে পররাষ্ট্রনীতি বিদেশি মিডিয়ায় প্রশংসিত হচ্ছে। জাতিসংঘ কর্তৃক পুরস্কৃতও হয়েছেন। জাতিসংঘে তাঁর ভাষণ, টাইম ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এ প্রকাশিত বাংলাদেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে দীর্ঘ প্রতিবেদন পড়ে আমরা উভয়ে মোহিত হয়েছি। অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, সরকার পরিচালনা ইত্যাদি নিয়ে গণমাধ্যমে গত দেড় বছরে ‘সুসংবাদ’ খুব কমই ছাপা হচ্ছে। এর কারণ কি সরকারের বা সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ‘কর্মকাণ্ড’ বহির্বিশ্বে প্রচারিত সুকর্মের ফিরিস্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়? প্রসঙ্গত বলছি, আমি দু-চারটি বেসরকারি চ্যানেলে মধ্যরাতের সংবাদ পর্যালোচনা করি। পর্যালোচনার শুরুতে সঞ্চালক অনেক পত্রিকার খবরের শিরোনাম পড়েন। এক রাতে চ্যানেল আইয়ের সঞ্চালক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দুঃখ করে বললাম, ‘সবই তো খারাপ খবর, ক্ষমতাসীনদের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি অথবা সরকার-পরিচালকদের কারও কারও কীর্তিকাহিনির আলোচনায় যে হাঁপিয়ে উঠলাম।’ পরে অবশ্য একটি ব্যাখ্যা দিলাম। আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্য, দখলদারি-চাঁদাবাজি, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানির জন্য হাহাকারের নিচে সরকারের ‘সুকর্মের’ খবরগুলো চাপা পড়ে গেছে।
এখন শুনছি গণমাধ্যমের জন্য ‘নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হবে। চাপা পড়া ‘সুসংবাদ’ বিতরণে ‘সমঝোতা’ হবে। আমাদের সাংবাদিকবান্ধব তথ্যমন্ত্রী সংসদে গণমাধ্যমে ‘অতিরঞ্জিত সংবাদ’ তথাকথিত অপকীর্তির অবারিত মত প্রকাশে ক্ষুব্ধ বিব্রত সাংসদদের এ আশ্বাসটি দিয়েছেন। আশঙ্কা হচ্ছে, অতীতের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের এর আগে অগণতান্ত্রিক সরকার আরোপিত প্রণালিগুলো কি নীতিমালার রূপ ধরে ফিরে আসছে? মাননীয় তথ্যমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা, ‘কোন বন্ধনে জড়াবেন গো, বন্ধু!’ সামরিক শাসনামলে ছিল সরাসরি ‘সেন্সরশিপ’ তথা নিষেধাজ্ঞা। সেনাশাসক জিয়া-এরশাদ আমলে নতুন নামকরণ হলো ‘প্রেস অ্যাডভাইস’। এর মানে এ খবরটি না ছাপলে অথবা অমুক বিষয়ে মন্তব্য না করার ‘পরামর্শ’ দেওয়া হলো। মানলে ভালো, না মানলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা যথাসময়ে টের পাবেন। নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে সরাসরি গণমাধ্যমের ওপর প্রকাশ্য নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা অনুচিত হবে। আবার হয়তো কোনো একসময় আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে বিবিসির কোনো সঞ্চালক গণমাধ্যমের নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন করে বিব্রত করতে পারেন।
আগেই বলেছি, বন্ধু গাফ্ফারের সঙ্গে সমঝোতার অছিলায় ‘গণমাধ্যমে আগ্রাসন’ নিয়ে কথা হচ্ছিল। তিনি আমার সঙ্গে মতৈক্য প্রকাশ করে বললেন, ‘বন্ধু, আমার দীর্ঘ সাংবাদিকজীবনের অভিজ্ঞতা হলো, একটি সরকার যখন গণমাধ্যম নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত মাথা ঘামায় অথবা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে, তখন বুঝতে হবে তারা দিশেহারা অর্থাৎ “নার্ভাস” হয়ে পড়েছে। তবে একটি ইতিবাচক দিকও আছে। গণমাধ্যম সরকারে টনক নাড়িয়েছে, এ সত্যটি প্রতিভাত হয়েছে।’
এবিএম মূসা: সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার রাসায়নিকের আগুন, আবার লাশ
এবার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর একটি প্রতিষ্ঠানের কারখানা ও গুদামে রাসায়নিক দ্রব্যের অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিকভাবে নিহত হলো নয়জন। আবাসিক এলাকায় এ রকম রাসায়নিকের গুদাম কিংবা কারখানা অবৈধ। তার পরও এর অস্তিত্ব ছিল এবং প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণের সরঞ্জামহীনভাবেই। এ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা যতটা প্রভাবশালীই হোক না কেন, পিছিয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই। নিমতলী ট্র্যাজেডি সংশ্লিষ্টদের চোখ খুলে দেওয়ার কথা। প্রতিবেদন, সম্পাদকীয় ও ছবি প্রকাশ করে আমরা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তৎপর হওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা করেছি। কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো এবং আবাসিক এলাকা থেকে গুদাম উচ্ছেদ করতে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।
আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া বা গাফিলতির সুযোগ নেই। কেননা, এর সঙ্গে মানুষের জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন জড়িত। এ ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থাগুলোর সক্রিয়তা সবচেয়ে জরুরি। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যে জনগণের নিরাপত্তার ব্যাপারে যত্নশীল, তা তাদের কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ দিতে হবে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও মর্মান্তিক মৃত্যু আমরা আর দেখতে চাই না।
আমাদের সমাজে, কি ঘরে, কি বাইরে, নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব দেখা যায়। আগুন লেগে কিছুদিন পরপর বহু মানুষ নিহত হয়, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় প্রতিদিন মারা যায়। নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতনতা সবার মনে শিশু বয়সেই প্রোথিত করা দরকার এবং শিশুশিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। নিরাপত্তার মৌলিক মানদণ্ড সম্পর্কে সবার ধারণা সৃষ্টি করা গেলে আস্তে আস্তে এ অবস্থা পাল্টে যেতে থাকবে।
সমৃদ্ধি সবারই চাই, কিন্তু তা মানুষের প্রাণের বিনিময়ে নয়। অন্যের অবহেলার আগুনে এভাবে আর কত শ্রমজীবী মানুষ ভস্মীভূত হবে?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিবেকের কণ্ঠস্বর শুনুন -সুশাসন ও সহনশীলতা গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত
নানা কারণে আমাদের সমাজে সাহস করে সত্য কথা বলার মানুষ কমে যাচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালকদের ভ্রুকুটি কিংবা পদ-পদবি হারানোর ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে চান না। আবার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের বৃহত্তম অংশ যেহেতু দলীয় রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ, সেহেতু তাঁদের কথা জনগণের কাছে খুব একটা গুরুত্বও বহন করে না। তবে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বরাবরই ব্যতিক্রম। তিনি কারও মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলেন না। আমরা স্মরণ করতে পারি, ১৯৯৬ সালে প্রধান উপদেষ্টার পদে থাকতে তিনি কী অসম্ভব বুদ্ধিমত্তা ও সাহসের সঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব করে তুলেছিলেন। তাঁর লেখনী, কর্ম ও সাধনা সমাজে আলো ছড়ায়, জনগণকে আশা জাগায়, উদ্দীপ্ত করে তরুণ প্রজন্মকে। অতএব, তাঁর বক্তব্যকে নিছক কল্পনাবিলাস ভাবার কারণ নেই।
বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান যথার্থই বলেছেন, যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা স্বাধীনতা লাভ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি, তার অনেকটাই অপূর্ণ রয়ে গেছে। দেশে এখনো অর্ধেক গ্রামে বিদ্যুৎ না পৌঁছানো, কিংবা ৪০ শতাংশ মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যর্থতার দুটি উদাহরণ মাত্র। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি কীভাবে টেকসই গণতন্ত্রে রূপ দেওয়া যায়, তার পথও বাতলে দিয়েছেন তিনি। গণতন্ত্রের জন্য নিরন্তর অনুশীলন প্রয়োজন। প্রয়োজন দলবাজি, চাঁদাবাজি নিয়োগবাজির পথ পরিহার করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা। গণতন্ত্রের নামে বাজিকরদের হাতে দেশ জিম্মি থাকতে পারেনা।
অতীতের কথা বাদ দিলেও গত দুই দশকের সংসদীয় গণতন্ত্রও রাজনীতিতে সহনশীলতা এবং অন্যের মত শোনার সহিষ্ণুতা প্রায় অনুপস্থিত। গণতন্ত্রের নামে কখনো রাজপথে সহিংসতা ছড়ানো, বোমাবাজি কিংবা বাসে আগুন দেওয়া চলতে পারেনা। গণতন্ত্রের প্রধান লক্ষ্য সুশাসন, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে কিংবা দেশবাসীর দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ উপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই; কিন্তু সে জন্য এমন আইন কাম্য নয়, যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে থাকেন। সব গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক সংস্থাগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করে থাকে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব চায় তারা অনুগত থাকবে। এসব যে গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয় সেই কথাটিই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মুহম্মদ হাবিবুর রহমান। ক্ষমতাসীন কিংবা ক্ষমতাবহির্ভূত রাজনীতির কশীলবেরা তাঁর এই হুঁশিয়ারি আমলে নিলে দেশ ও জনগণ বেঁচে যাবে, রক্ষা পাবে গণতন্ত্র।a
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারপক্ষের প্রধান সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে পারবেন না
তানজানিয়া ও কেনিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে ১৯৯৮ সালে বোমা হামলায় আল-কায়েদাকে বিস্ফোরক দিয়ে সহযোগিতা দেওয়ার অভিযোগে তানজানিয়ার নাগরিক ঘাইলানিকে বিচারে দাঁড় করা হয়েছে। ওই হামলায় ২২৪ জন নিহত হয়েছিলেন। বুধবার নিউইয়র্কের ওই বেসামরিক আদালতে ঘাইলানির বিরুদ্ধে হুসেনের সাক্ষ্য নেওয়ার কথা ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, হুসেন আদালতকে জানাতেন, ১৯৯৮ সালের আগস্টে তানজানিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলায় ব্যবহার করা বিস্ফোরক তিনি ঘাইলানিকে সরবরাহ করেছিলেন।
সরকারপক্ষের আইনজীবীরা জানান, হুসেন তাঁদের প্রধান সাক্ষী। তাঁকে সাক্ষ্যদানে বিরত থাকার ব্যাপারে আদালতের এ নির্দেশের বিরুদ্ধে তাঁরা আবেদন করবেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী পিটার কুইজানো আদালতের এ নির্দেশের প্রশংসা করে বলেছেন, বিচারকের এই নির্দেশে মার্কিন সংবিধানের বড় ধরনের জয় হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার ব্যাপারে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। সাজানো সাক্ষীরা নয়, আদালতে প্রকৃত সাক্ষীরাই সাক্ষ্য দেবেন।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুয়ের্তোরিকোর ৭০ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ১২০ জনের বেশি কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে ৬০ জন পুলিশ বিভাগের সদস্য, ১৬ জন মহানগর পুলিশের কর্মকর্তা, ১২ জন কারা কর্মকর্তা, তিনজন ন্যাশনাল গার্ডের সেনাসদস্য, দুজন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা ও ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক।
আটক পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে মাদক পাচারকারীদের সশস্ত্র নিরাপত্তা দেওয়ার অভিযোগ আছে।
মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করতে পুয়ের্তোরিকোয় কাজ করছে এফবিআইয়ের প্রায় সাড়ে সাত শ এজেন্ট।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারপক্ষের প্রধান সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে পারবেন না
তানজানিয়া ও কেনিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে ১৯৯৮ সালে বোমা হামলায় আল-কায়েদাকে বিস্ফোরক দিয়ে সহযোগিতা দেওয়ার অভিযোগে তানজানিয়ার নাগরিক ঘাইলানিকে বিচারে দাঁড় করা হয়েছে। ওই হামলায় ২২৪ জন নিহত হয়েছিলেন। বুধবার নিউইয়র্কের ওই বেসামরিক আদালতে ঘাইলানির বিরুদ্ধে হুসেনের সাক্ষ্য নেওয়ার কথা ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, হুসেন আদালতকে জানাতেন, ১৯৯৮ সালের আগস্টে তানজানিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলায় ব্যবহার করা বিস্ফোরক তিনি ঘাইলানিকে সরবরাহ করেছিলেন।
সরকারপক্ষের আইনজীবীরা জানান, হুসেন তাঁদের প্রধান সাক্ষী। তাঁকে সাক্ষ্যদানে বিরত থাকার ব্যাপারে আদালতের এ নির্দেশের বিরুদ্ধে তাঁরা আবেদন করবেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী পিটার কুইজানো আদালতের এ নির্দেশের প্রশংসা করে বলেছেন, বিচারকের এই নির্দেশে মার্কিন সংবিধানের বড় ধরনের জয় হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার ব্যাপারে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। সাজানো সাক্ষীরা নয়, আদালতে প্রকৃত সাক্ষীরাই সাক্ষ্য দেবেন।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইকুয়েডরে বিদ্রোহের ঘটনায় সন্দেহভাজন ৪০ পুলিশ আটক
প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়ার ব্যয়-সংকোচন পরিকল্পনার প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্রোহের চেষ্টা করে ইকুয়েডরের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একাংশ। বিদ্রোহীরা প্রেসিডেন্ট কোরেয়াকে একটি হাসপাতালে ১২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে প্রেসিডেন্টের অনুগত সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়।
প্রেসিডেন্ট রাফায়েল জানান, বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িতদের আটক করে সাজা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্রের পেছনে যারা জড়িত, তাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। তারা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল।’
প্রেসিডেন্ট বলেন, কট্টর ডানপন্থী আধাসামরিক বাহিনী গড়ে তুলতে কর্মকর্তারা ষড়যন্ত্র করছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরবরাহ পথে হামলায় আফগান যুদ্ধের ক্ষতি হবে না: ন্যাটো
জোসেফ বোল্টজ বলেন, আন্তর্জাতিক বাহিনী যথেষ্ট মজুদ গড়ে তুলেছে এবং বিকল্প রসদ সরবরাহের পথ তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানে আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ রসদ মজুদ আছে। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, গত কয়েক বছরে রসদ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে আমরা বিকল্প পথ তৈরি করেছি।’ তিনি জানান, আফগানিস্তানে আইএসএএফের মোট জ্বালানি চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে সরবরাহ করা হয়।
ন্যাটোর একটি বিমান হামলায় কমপক্ষে দুই পাকিস্তানি সেনার মৃত্যুর ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা বন্ধ করে দেয় ইসলামাবাদ। এর পরই ন্যাটোর তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা বেড়ে যায়। গত বুধবার জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৪০টি ট্যাংকারে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এদিকে পাকিস্তানি সেনা নিহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে মার্কিন বাহিনীর প্রধান জেনারেল ডেভিড পেট্রাউসও ওই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বরের ওই বিমান হামলায় তাদের তিনজন সেনাসদস্য নিহত হন। এতে আফগানিস্তানে রসদ সরবরাহ পথের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা তোরখাম ক্রসিং বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুঃখ প্রকাশের পর তারা আশা করছে, রসদ সরবরাহ শুরুর জন্য পাকিস্তান সীমান্ত এলাকা খুলে দেবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বোল্টজ বলেন, ‘এ ধরনের দুর্ঘটনা ভবিষ্যতে এড়ানোর জন্য আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে সমন্বিতভাবে লড়াই চালানো দরকার। ওই শত্রু হলো তালেবান এবং বিচ্ছিন্ন হামলা। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ গতকাল দশম বর্ষে পদার্পণ করেছে।’
বিমান হামলায় নিহত ১১: পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে গত বুধবার মার্কিন মানববিহীন (ড্রোন) বিমান থেকে চালানো দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিরানশাহ বাজারের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ছয়জন নিহত ও দুজন আহত হন। একই দিন রাতে আরেকটি হামলায় হুরমাজ গ্রামে পাঁচজন নিহত হন। কর্তৃপক্ষের দাবি, দুই হামলায় নিহতদের সবাই জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য। ন্যাটোর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এঁদের মধ্যে মাওলাউই জাওয়াদুল্লাহ নামের এক তালেবান নেতাও রয়েছেন।
বিমান হামলা অবৈধ: মার্কিন ড্রোন থেকে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো বৈধতা নেই এবং এ বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সমঝোতা হয়নি বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ। গতকাল পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল বাসিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা মনে করি এ ধরনের পদক্ষেপ নেতিবাচক এবং আমাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। আমরা আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে তাদের নীতি পুনর্বিবেচনা করবে।’ তিনি বলেন, ‘মনুষ্যবিহীন বিমান হামলা খুব বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা বয়ে আনছে না।’ ২০০৮ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ১৪২টি মনুষ্যবিহীন বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে এক হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১১০ মিটার খুঁড়লেই খনিশ্রমিকদের উদ্ধার করা যাবে
ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬৩০ মিটার নিচে খনিতে দুই মাসের বেশি সময় ধরে আটকা পড়ে আছেন শ্রমিকেরা। তাঁদের উদ্ধার করতে তিনটি ড্রিল মেশিন দিয়ে সুড়ঙ্গ খোঁড়া হচ্ছে।
প্রকৌশলীরা এ পর্যন্ত ৫২০ মিটার খুঁড়তে পেরেছেন। আর মাত্র ১১০ মিটার খুঁড়তে পারলে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানো যাবে। তবে খনির কাছাকাছি সুড়ঙ্গ পৌঁছে যাওয়ায় খননকাজ ধীর হয়ে পড়েছে, কেননা এতে সুড়ঙ্গ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কাল শনিবার নাগাদ শ্রমিকদের উদ্ধার করা যাবে বলে যে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যাপারে কিছুটা সতর্ক উদ্ধার অভিযানের প্রধান আন্দ্রে সৌগারেত। তিনি বলেন, ‘এখনো ১০০’ মিটারের বেশি খুঁড়তে বাকি আছে। তা ছাড়া আমরা এখন একটি ঝুঁকিপূর্ণ শিলাস্তরের মধ্য দিয়ে খননকাজ করছি। কাজেই, বলা যাচ্ছে না শনিবারের মধ্যে শ্রমিকদের উদ্ধার করা যাবে।’
উদ্ধারপথ প্রস্তুত হওয়ার পর বিশেষভাবে তৈরি একটি ধাতব খাঁচা ওই পথ দিয়ে খনিগর্ভে শ্রমিকেরা যেখানে আটকে আছেন, সেখানে পাঠানো হবে। এরপর ওই খাঁচায় করে শ্রমিকদের উদ্ধার করে আনা হবে।
এভাবে প্রত্যেক শ্রমিককে ভূপৃষ্ঠে নিয়ে আসতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগবে। খাঁচায় করে বের হয়ে আসার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন আটকে থাকা শ্রমিকেরা।
উদ্ধারকাজের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে উদ্ধারকর্মী এবং নৌবাহিনীর চিকিৎসকদের ১৬ সদস্যের একটি দল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
করাচিতে মাজারে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নয়জন নিহত
প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি হামলার নিন্দা করেছেন। ঘটনার পর পুলিশ মাজারে লোকজনের যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে। করাচির অন্যান্য মসজিদ-মাজারসহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার আলী মির্জা জানিয়েছেন, মুসলিম সুফি সাধক আবদুল্লাহ শাহ গাজীর মাজারে ওই হামলা চালানো হয়। মাজারের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেওয়া হলেও আত্মঘাতী হামলাকারীদের ঠেকানো যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসরের নামাজ পড়ে মুসল্লিরা যখন মাজারের ফটক দিয়ে বের হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই বিস্ফোরণ দুটি ঘটানো হয়। হতাহত ব্যক্তিদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে পড়ে মাজার-প্রাঙ্গণ। হামলায় দুই শিশুসহ নয়জন নিহত হয়। সিন্ধুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সগির আহমেদ জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে ৬০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। তাদের করাচির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মাজারটিতে সচরাচর লোকসমাগম বেশি হয়। এদিন গরিবদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। তাই হামলার জন্য এ দিনটিই তালেবান জঙ্গিরা বেছে নেয় বলে মনে করছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে সরকার লড়াই চালিয়ে যাবে। তাদের পাকিস্তানের মাটি থেকে নির্মূল করা হবে।
এর আগে গত জুলাই মাসে করাচির আরেকটি মাজারে দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ৪০ জন নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতী এয়ারটেলের দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক বাড়ানোর উদ্যোগ
রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতী এয়ারটেল আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়ে বলা হয়, চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারতী এয়ারটেল এ দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে নেটওয়ার্ক স্থাপন করে কম খরচে টেলিযোগাযোগসেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। ভারত ও শ্রীলঙ্কার সাফল্যের পথ ধরেই বাংলাদেশে এই ধরনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
এশিয়া ও আফ্রিকাসহ বিশ্বের ১৯টি দেশে টেলিযোগাযোগসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ওয়ারিদ টেলিকমের ৭০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করে।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য দেন ভারতী এয়ারটেলের মোবাইল সার্ভিসেসের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল। এ সময় এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ম্যানেজার পার হেনরিক নেলসন, ভারতে হুয়াউয়ে টেকনোলজিসের আঞ্চলিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাক্স ইয়াং, ওয়ারিদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস টোসিট এবং ভারতী এয়ারটেলের সাউথ এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের প্রধান অরুণ বানসাল উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এরিকসন ও হুয়াউয়ের অত্যাধুনিক নেটওয়ার্কের সাহায্যে ভারতী এখন সহজেই গ্রাহকদের স্পষ্টভাবে কথা বলার ও দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দিতে পারবে। এ ছাড়া এর ফলে অত্যাধুনিক বিজনেস অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহার বাড়ানো, আরও বেশি বিনোদনের উপকরণ ব্যবহার সম্ভব হবে এবং গ্রামাঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মোবাইল সেবার সুবিধা দেওয়া যাবে।
অতুল বিন্দাল বলেন, ‘এ দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির ফলে বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য সহনীয় খরচে কথা বলা ও দ্রুতগতিতে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিশ্বমানের সেবা দিতে সক্ষম হব।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এই চুক্তির ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের বেশির ভাগ অংশ তৈরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব এরিকসন পালন করবে। এ ব্যাপারে পার হেনরিক নেলসন বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের অংশীদারির মাধ্যমে সেবার পরিধি গ্রামাঞ্চলে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেব।’
অপর নেটওয়ার্ক সহযোগী হুয়াউয়ে দেশের পূর্বাঞ্চলের পুরোনো রেডিও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বদলে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সংযোগ স্থাপন করবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার কাছ থেকে ৩০০ জঙ্গি বিমান কিনছে ভারত
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি গতকাল বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আনাতোলি সার্দাইকোভের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অ্যান্টনি জানান, রাশিয়ার কাছ থেকে প্রায় ৩০০টি জঙ্গি বিমান ও ৪৫টি বহুমুখী পরিবহন বিমান (এমটিএ) কিনবে ভারত।
এফজিএফএ জঙ্গি বিমানের আক্রমণের ক্ষমতা অনেক বেশি এবং এটি শত্রুপক্ষের পর্যবেক্ষণ ফাঁকি দিয়ে হামলা চালাতে সক্ষম। অ্যান্টনি বলেন, ‘আগামী ১০ বছরের জন্য অন্যতম বড় এই প্রকল্প দুটি হবে রুশ-ভারত সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’
এমটিএ সরবরাহ করতে গত মাসে ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক লিমিটেডের (এইচএএল) সঙ্গে ৬৪ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি করেছে রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফট করপোরেশন ও রোসোব্রোনেক্সপোর্ট।
সংবাদ সম্মেলনে সার্দাইকোভ জানান, দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টায় ব্রহ্ম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সফলতায় এফজিএফএ চুক্তিটিও গতি পাবে। ভারতের এইচএএল এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সুখোই কোম্পানি যৌথভাবে এফজিএফএ তৈরি করবে।
সার্দাইকোভ বলেন, ‘এটা আমাদের ১০ বছরের প্রকল্প, যা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। তবে সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের বেশ অভিজ্ঞতা আছে এবং ব্রহ্ম এর একটি দৃষ্টান্ত।’
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘এফজিএফএর নকশা আমাদের তৈরি। মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে গেছে এবং চুক্তির খসড়াও ভারতকে দেওয়া হয়েছে। চুক্তির পরপরই এইচএএল ও সুখোই এফজিএফএ তৈরির কাজ শুরু করবে।’
এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি সার্দাইকোভ। বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রতিটি এফজিএফএর দাম পড়বে প্রায় ১০ কোটি মার্কিন ডলার।
ভারতের প্রতিরক্ষা দপ্তরের নির্মাণবিষয়ক সচিব আর কে সিং জানিয়েছেন, সময়মতো দরদাম নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, আপাতত প্রায় তিন হাজার কোটি মার্কিন ডলারের প্রাথমিক চুক্তির কথা বিবেচনা করছে সরকার।
আগামী ডিসেম্বরে রুশ প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভের নয়াদিল্লি সফরের সময় ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় এই ক্রয় চুক্তি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতের সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্রের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী রাশিয়া। তবে রাশিয়ার তৈরি বিমান মেরামতের খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহে বিলম্বের কারণে ভারত কিছুটা অসন্তুষ্ট।
এ বিষয়ে সার্দাইকোভ বলেন, ‘সামরিক খাতে আমাদের বড় অনেক প্রকল্প আছে, কাজেই কিছুটা বিলম্ব হওয়া স্বাভাবিক।’
রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ২২টি জঙ্গি হেলিকপ্টার এবং ১৫টি পরিবহন হেলিকপ্টার সরবরাহের ব্যাপারে ভারতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে রাশিয়া। তিনি বলেন, ‘চুক্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা এগুলো সরবরাহ করব।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসইসি দুটি কোম্পানির রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে
এছাড়া সভায় ব্র্যাক ব্যাংককে বাজার থেকে ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বন্ড ছেড়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২৭০ কোটি টাকা ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা রিপিট আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে বাকি ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।
এছাড়া সভায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ১০০ কোটি টাকার একটি মিউচুয়াল ফান্ডেরও অনুমোদন দেওয়া হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্মিলিত লেনদেন তিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল মোট লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৮০১ কোটি টাকার শেয়ার। ডিএসইর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত এটিই এক দিনে সর্বোচ্চ লেনদেন। এর আগে গত রোববার ডিএসইতে দুই হাজার ৪৮৯ কোটি টাকার শেয়ারের লেনদেন হয়েছিল।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল লেনদেন হয়েছে ২২৪ কোটি টাকার শেয়ার। এতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সম্মিলিত লেনদেনের পরিমাণ প্রথমবারের মতো তিন হাজার কোটি টাকার নতুন মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সম্মিলিতভাবে সর্বোচ্চ লেনদেনের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৬৮০ কোটি টাকা।
তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সব সূচকই বেড়েছে। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক গতকাল প্রায় ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৭৪৮০ পয়েন্ট হয়েছে। আর সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ১৯০ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ২১৮০৯ পয়েন্ট।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) যখন বাজারে স্থিতিশীল রাখতে নানা পদক্ষেপ নিতে চাইছে, তখন বাজারে এ ধরনের উল্লম্ফন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে।
সম্প্রতি বাজার নিয়ন্ত্রণে সংস্থাটির নেওয়া একটি নির্দেশনা হাইকোর্টে স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আর কোনো পদক্ষেপ তেমনভাবে কাজেও আসছে না। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাজারকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তোলা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা সবাইকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। জানা গেছে, আগামী শনিবার ডিএসই ও সিএসই সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজার নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানাবে। সতর্ক হতে বলবে বিনিয়োগকারীদের।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, শুরুতে ডিএসই-সিএসইসহ সংশ্লিষ্টরা বাজারে আসার জন্য বিনিয়োগকারীদের উদ্বুদ্ধ করেছে। এতে বাজারে নতুন নতুন বিনিয়োগকারী যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো যায়নি। তা বাড়াতে সরকারও তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এসব কারণেই বাজারের ঊর্ধ্বগতি সম্ভাবনা না হয়ে সংকটে পরিণত হয়েছে।
ডিএসইতে এদিন লেনদেন হয়েছে ২৩৯টি কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে ১৪৯টি কোম্পানিরই দাম কমেছে। বেড়েছে ৮৮টির, আর অপরিবর্তিত ছিল চারটি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮৮টি কোম্পানির শেয়ার। দাম বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১১৬টির ও অপরিবর্তিত ছিল দুটি কোম্পানির শেয়ার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আন্তর্জাতিক ক্লাব কাবাডি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান দলে আবার মিসবাহ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুটবলের সঙ্গী গ্রামীণফোন
ফেডারেশন কাপটা হলো শুরু, বাফুফের সঙ্গে ভবিষ্যতে গ্রামীণফোনের গাঁটছড়াটা আরও দীর্ঘ হবে।
কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে আজ শুরু হচ্ছে মৌসুম সূচক গ্রামীণফোন ফেডারেশন কাপ। উদ্বোধনী ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ পুলিশ। কাল বাফুফে ভবনে টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করেছেন ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। তিনি গ্রামীণফোনকে উল্লেখ করলেন বাফুফের নতুন সঙ্গী হিসেবে। তবে এই টুর্নামেন্টের জন্য কী পরিমাণ টাকা পাচ্ছে ফেডারেশন, সেটা জানাতে চাননি কাজী সালাউদ্দিন। দীর্ঘ মেয়াদে গ্রামীণফোনকে পাশে পেতে চান তিনি, ‘ফেডারেশন কাপ দিয়ে আমাদের যে সম্পর্ক শুরু হলো সেটা আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে চাই।’ লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা কাজী মনিরুল ইসলাম। তাঁরও প্রত্যাশা দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক, ‘গ্রামীণফোন অনেক দিন থেকেই এ দেশের বিভিন্ন খেলায় পৃষ্ঠপোষণা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা ফুটবলে পৃষ্ঠপোষণা করতে এসেছি, এটা ফুটবলের জন্যই সুসংবাদ।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাতো, নিলমার, আলভেজ জেতালেন ব্রাজিলকে
১৪ মিনিটে ব্রাজিলের প্রথম গোলটি করেছিলেন বার্সেলোনা তারকা আলভেজ।
খেলার ৬৮ মিনিটে পাতো ও একেবারে শেষ মিনিটে নিলমার আরও দুটো পেরেক ঠুকে দিয়েছেন ইরানের স্কোরশিটে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাতিস্তার আরেকটি পরীক্ষা
অতএব পরিস্থিতি যেমন দাঁড়াল তাতে বাতিস্তাকে আরেকটি পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে আজ। জাপানের মাটিতে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিকদের। এমনিতেই শক্তির ব্যবধান (ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে পাঁচে থাকা আর্জেন্টিনার চেয়ে ২৫ ধাপ পেছনে জাপান) কিংবা মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যান (ছয় ম্যাচের সবগুলোই জিতেছে আর্জেন্টিনা) কোনোটাই এ ম্যাচ নিয়ে ভাবনায় ফেলার কথা নয়। কিন্তু ওই যে, অলক্ষ্যে-অদৃশ্যে বাতিস্তাকে যে ‘খেলতে’ হচ্ছে ম্যারাডোনার সঙ্গেও!
এ কারণেই কিনা, ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাতিস্তার কণ্ঠে থাকল জাপান সম্পর্কে সমীহের সুর, ‘এটা কঠিন একটা ম্যাচই হতে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের পর জাপান কতটা উন্নতি করেছে, সেটা তো আমরা দেখেছি। প্রীতি ম্যাচ হলেও আমাদের কঠিন একটা লড়াই-ই করতে হবে। তা ছাড়া আর্জেন্টিনা এমন একটা দল, প্রতিটি ম্যাচ যাদের জয়ের জন্য খেলতে হয়।’
লিওনেল মেসি খেলবেন কি খেলবেন না, এ নিয়ে কিছুদিন ধরে ধোঁয়াশা ছিল। মেসি-জাদুর আর্থিক মূল্যও তো অনেক। কেবল মেসি মাঠে নামলেই নির্ধারিত ‘অ্যাপিয়ারেন্স ফি’র পাশাপাশি আরও ২ লাখ ডলার বোনাস পাবে আর্জেন্টিনা। ক্লাবসূচির ব্যস্ততার কারণে এক দিন পরে জাপানে এসে হাজির হয়েছেন মেসি। তাঁকে চোখের দেখা দেখতে উন্মুখ হয়ে আছে যে দর্শকেরা, তাদের জন্য বাতিস্তার দেওয়া সুসংবাদ, ‘লিওনেল এই ম্যাচে খেলার জন্য শারীরিকভাবে তৈরিই আছে।’
ম্যাচটা আলবার্তো জাকেরনির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এ ম্যাচ দিয়েই কোনো জাতীয় দলের কোচ হিসেবে অভিষেক হবে এই ইতালিয়ানের। মিলানের দুই বড় ক্লাব ছাড়াও ইতালির বেশ কয়েকটি দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জাকেরনিও আশাবাদী শুরুটা তাঁর ভালোই হবে। কাগজপত্রের জটিলতায় জাপানের গত দুই ম্যাচে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। তবে গ্যালারিতে তাঁর উপস্থিতিই হয়তো জাপানকে অনুপ্রাণিত করে থাকবে। প্যারাগুয়ে আর গুয়াতেমালার বিপক্ষে জিতেছে জাপান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্রিকেট-আয়নায় জীবনের ছবি
সারা দেশের ২৯টি জেলা থেকে ৪৮ জন কিশোরী এসেছিল স্ট্রিট টোয়েন্টি ক্রিকেটে অংশ নিতে। ব্র্যাক, সিএমইএস (সেন্টার ফর ম্যাস এডুকেশন ইন সায়েন্স), তৈমু, গ্রাউচ, অপরাজেয় বাংলাদেশ ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে ঢাকায় আসা এই কিশোরীদের বেশির ভাগই মফস্বলের। স্ট্রিট টোয়েন্টি ক্রিকেট মূলত আইসিসির ‘ক্যাচ দ্য স্পিরিট’ কর্মসূচির একটা অংশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই ক্রিকেট কর্মসূচির আয়োজন করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা ‘ক্রিকেট ফর চেঞ্জ’। এটি শুরু হয়েছে গত ৪ অক্টোবর, শেষ হবে আজ। কিন্তু বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড আজকের দ্বিতীয় ওয়ানডের কথা মাথায় রেখে আয়োজকেরা গতকালই বাংলাদেশে এর কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন। পাঁচ দিনের এই কর্মশালায় দেশের সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীরা শিখেছে কীভাবে ক্রিকেটীয় চেতনা থেকে নিজের জীবনকে উদ্বুদ্ধ করতে হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর টেকনিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী শিউলি জানায়, ‘এই কদিন অনেক কিছু শিখেছি। আমাদের বেশ কয়েকটি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে হয়েছে। পাঁচ ওভারের এই ম্যাচগুলোয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আমরা সবাই অধিনায়কত্ব করেছি।’ ক্রিকেট ম্যাচ দিয়েই যেন পুরো জীবনের সামনের লক্ষ্য নির্ধারণের কথা বুঝিয়ে দিলেন আয়োজকেরা। ইউনিসেফের বাংলাদেশের প্রতিনিধি মিশেল সেন্ট লটের কথার মূল সুর তো তাই, ‘এই মেয়েরা এখান থেকে শিখে গিয়ে তাদের বন্ধু ও সহপাঠীদের খেলাটা শেখাবে। শেখাবে কীভাবে দায়িত্ব নিতে হয়, কীভাবে দ্রুত অথচ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এরাই ভবিষ্যতে প্রতিরোধ করবে বাল্যবিবাহ, যৌতুকের মতো ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধির।’ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের মুখে কর্মসূচিটির প্রশংসা, ‘আমি আসলে জানতাম না এখানে কী হবে। এসেই সবকিছু শুনলাম। উদ্যোগটা খুবই ভালো।’ বাংলাদেশে এসে কদিনে এই কিশোরীদের বেশ আপন করে নিয়েছেন ক্রিকেট ফর চেঞ্জের ডেভেলপমেন্ট অফিসার বেথ ইভানস। এর আগে ভারত ভ্রমণ করা ভদ্রমহিলা বাংলাদেশে এই প্রথম। কর্মশালার মেয়েরা গত পরশু রাতে তাঁর ফরসা হাতে মাখিয়ে দিয়েছেন মেহেদি। মেহেদিরাঙা হাত দেখিয়ে বললেন, ‘খুবই মজার ব্যাপার। রাতে এগুলো মেখে রাখলাম। নকশাগুলো সকালে দেখি লাল রঙে ভরে গেছে।’ তাঁর দাবি, মেহেদির রঙের মতোই মেয়েদের জীবনটা রঙিন করে তুলতে এমন আয়োজন, ‘আমরা চাই, এখান থেকে মেয়েরা যে শিক্ষা নিয়ে যাবে, সেটা যেন সারা জীবন কাজে লাগে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাপ এখন নিউজিল্যান্ডের ওপরই!
কেউ প্যাড, কেউ বিশাল ছাতা, আবার কেউ হাত দিয়ে মাথা ঢেকে দৌড়ে মাঠ পার হলেন। ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে অমন করেই মাঠ পেরিয়ে আসা শাহরিয়ার নাফীস সাংবাদিকদেরই উল্টো প্রশ্ন করে বসলেন, ‘কাল খেলা হবে তো?’
কোটি টাকার এই প্রশ্ন এখন বাংলাদেশ-জুড়ে—খেলা হবে তো! খেলোয়াড়দেরও মনেও এই প্রশ্ন আছে। তবে আপাতত আবহাওয়াকে প্রধান প্রতিপক্ষ বানাতে রাজি নন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। ইমরুল কায়েস যেমন হেসে বললেন, ‘আমরা তো বৃষ্টিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। তাই বৃষ্টি নিয়ে ভাবছি না। ভাবছি খেলা নিয়ে।’
খেলা নিয়ে ভাবতে গিয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা নিজেদের এই ম্যাচে একটু হলেও এগিয়ে রাখছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের সিরিজ; সেখানে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ। দল তো মানসিকভাবে একটু এগিয়ে থাকবেই।
তবে চোটের ধাক্কায় মাঠের বাইরে চলে যাওয়া ‘আসল’ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলছেন, বাংলাদেশ এগিয়ে থাকবে নিউজিল্যান্ড চাপে পড়ে যাওয়ার কারণে, ‘দেখেন, প্রথম ম্যাচ আমরা জেতায় আমাদের ওপর একটা প্রত্যাশা থাকবে। কিন্তু সেটা চাপ না। কারণ ওরা তুলনামূলক বড় দল। আর এ জন্যই ওরা সিরিজে পিছিয়ে থাকায় একটু চাপে পড়ে গেছে। এই চাপটাই আমাদের এগিয়ে রাখবে।’
নিউজিল্যান্ড চাপে পড়ে গেছে—এই তত্ত্বটা দেখা গেল বাংলাদেশ দলে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। রকিবুল হাসান চাপের স্বরূপটা ব্যাখ্যাও করলেন, ‘ওরা এখন নিজেদের সেরাটা খেলার জন্য মরিয়া হয়ে যাবে। এমন করতে গেলে ভুলচুক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।’
শাহরিয়ার নাফীসও বলছেন, প্রথম ম্যাচ জেতায় তারা এই চাপের সুবিধাটা নিতে পারবেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে আরও শক্ত আক্রমণের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে আমাদের। তবে মনে রাখতে হবে, ওরা এই ম্যাচ খেলবে সিরিজে সমতা ফেরানোর জন্য। আর এটাই ওদের নড়বড়ে করে দিতে পারে।’
এসব কথার সঙ্গে দারুণ একমত বাঁহাতি স্পিনারও আবদুর রাজ্জাকও। তাঁরও ধারণা, যদি আজ খেলা হয়, তাহলে নিউজিল্যান্ড চাপে থাকবে। তবে কথা বলতে গিয়ে রাজ্জাক বৃষ্টি প্রসঙ্গটাকেও এড়াতে পারলেন না, ‘বৃষ্টি যেমন হচ্ছে, তাতে খেলা হবে কি না, কে জানে। খেলা হলেও কন্ডিশনে কিন্তু প্রভাব পড়তে পারে। ফলে সব দিক বিবেচনা করেই প্রস্তুত হচ্ছি আমরা।’
এই সতর্কতা সবার মধ্যেই আছে। রকিবুল হাসান যেমন মনে করিয়ে দিলেন, কন্ডিশন যেমনই হোক, নিউজিল্যান্ড আহত বাঘের মতো ফিরে আসতে চেষ্টা করবে। রকিবুলরা তাই আহত বাঘ সামলানোরই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
নিউজিল্যান্ড মরিয়া হয়ে উঠবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। মরিয়া নিউজিল্যান্ডের স্বভাবতই আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠার কথা। কিন্তু তাতেও বিচলিত নন ইমরুল কায়েস, ‘ওরা তো ওদের সেরাটাই খেলবে। আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যখন খেলছি, তাদের সেরা পারফরম্যান্সের বিপক্ষে খেলার জন্যই প্রস্তুত আমরা।’
সেই ভালো। সেরা পারফরম্যান্সের বিপক্ষে খেলেই জেতা ভালো!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্রীড়াঙ্গনকে পাকিস্তানে ফেরার আহ্বান কুরেশির
কমনওয়েলথ গেমসের টেনিস ইভেন্টে অংশ নিতে ভারতে এসে পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে কুরেশি বলেছেন, ‘লাহোরে যা ঘটেছিল, সেটা খুবই দুঃখজনক। কিন্তু কখনো না কখনো তো এ দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হবে। আর আমি আশা করছি, হংকংই প্রথম এগিয়ে আসবে। আমি নিশ্চিত করছি যে তারা খুবই ভালো আতিথেয়তা পাবে।’
ইন্টারন্যাশনাল টেনিস ফেডারেশন (আইটিএফ) ২০১১ সালের মার্চে পাকিস্তানে একটি টেনিস প্রতিযোগিতা আয়োজন করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন কুরেশি। সেই লক্ষ্যে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যাচাই করে দেখার জন্য একটি পরিদর্শক দল পাকিস্তানে পাঠাতে রাজি হয়েছে আইটিএফ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক নম্বরে ক্যারোলিন ওজনিয়াকি
নতুন এই র্যাঙ্কিং ঘোষণার পর উচ্ছ্বসিত ওজনিয়াকি বলেছেন, ‘এটা আমার জন্য একটা বিশাল ধাপ। এক নম্বর হওয়া আমার সব সময়ের স্বপ্ন।’ কিন্তু র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে উঠে এলেও এখন পর্যন্ত কোনো গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা জয়ের স্বাদ নিতে পারেননি এ ২০ বছর বয়সী টেনিস তারকা। গত দুই বছরে সার্বিয়ার জেলেনা জাঙ্কোভিচ ও রাশিয়ার দিনারা সাফিনার পর তিনি তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে কোনো গ্র্যান্ড স্লাম না জিতেই উঠে গেছেন র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে। এবার গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা জয় ওজনিয়াকির পরবর্তী লক্ষ্য।
চায়না ওপেনের অন্যান্য ম্যাচে ভেরা জভোনারেভা ৫-৭, ৬-৪, ৬-২ সেটে মারিয়া কিরিলেঙ্কোকে এবং আনা ইভানোভিচ ৭-৬ (৭-২), ৭-৬ (৭-৪) সেটে হারিয়েছেন এলেনা ডিমেনটেভাকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 09
(28)
- প্রতিবেশীদের সামরিক সামর্থ্য বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন ভারত
- নদীর কান্না আমরা শুনতে পাই না by আহমদ রফিক
- নীরবেই চলে গেলেন ডা. সোফিয়া খাতুন by শুভা জিনিয়া চ...
- শান্তি বিনির্মাণে আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি by মুহাম্মদ...
- শিশুদের নিয়ে বড়দের বেহুঁশ বিনোদন থামান by ফারুক ওয়...
- গণমাধ্যম নিয়ে দিশেহারা সরকার by এবিএম মূসা
- আবার রাসায়নিকের আগুন, আবার লাশ
- বিবেকের কণ্ঠস্বর শুনুন -সুশাসন ও সহনশীলতা গণতন্ত্র...
- সরকারপক্ষের প্রধান সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে পারবেন না
- পুয়ের্তোরিকোর ৭০ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
- সরকারপক্ষের প্রধান সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে পারবেন না
- ইকুয়েডরে বিদ্রোহের ঘটনায় সন্দেহভাজন ৪০ পুলিশ আটক
- সরবরাহ পথে হামলায় আফগান যুদ্ধের ক্ষতি হবে না: ন্যাটো
- ১১০ মিটার খুঁড়লেই খনিশ্রমিকদের উদ্ধার করা যাবে
- করাচিতে মাজারে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নয়জন নিহত
- ভারতী এয়ারটেলের দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক বাড়ানোর উদ্যোগ
- রাশিয়ার কাছ থেকে ৩০০ জঙ্গি বিমান কিনছে ভারত
- এসইসি দুটি কোম্পানির রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব অনু...
- সম্মিলিত লেনদেন তিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
- আন্তর্জাতিক ক্লাব কাবাডি
- পাকিস্তান দলে আবার মিসবাহ
- ফুটবলের সঙ্গী গ্রামীণফোন
- পাতো, নিলমার, আলভেজ জেতালেন ব্রাজিলকে
- বাতিস্তার আরেকটি পরীক্ষা
- ক্রিকেট-আয়নায় জীবনের ছবি
- চাপ এখন নিউজিল্যান্ডের ওপরই!
- ক্রীড়াঙ্গনকে পাকিস্তানে ফেরার আহ্বান কুরেশির
- এক নম্বরে ক্যারোলিন ওজনিয়াকি
-
▼
Oct 09
(28)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...