Tuesday, April 7, 2020
রুয়ান্ডার যুদ্ধশিশুদের কথা by আশিস আচার্য
![]() |
| রুয়ান্ডার যুদ্ধশিশু |
১৯৯৪ সালের ওই গণহত্যার সময় ঠিক কতজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন, বলা অসম্ভব। তাই সেই সময়ের যুদ্ধশিশুর সংখ্যা নির্ণয় করাটাও ২০ বছর পর একই রকম কঠিন হয়ে পড়েছে। নির্যাতিত অধিকাংশ নারীকেই পরে হত্যা করা হয়েছিল। আর যাঁরা বেঁচে গিয়েছিলেন, তাঁরা ওই দুঃসহ ঘটনা সম্পর্কে চুপ থাকাটাই শ্রেয় বলে মনে করেন।
রুয়ান্ডায় ওই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে আনুমানিক আট লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে মূলত তুতসি জাতিগোষ্ঠীর লোকজন ওই আক্রমণের শিকার হয়েছিল।
১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রুয়ান্ডায় গণহত্যাকালে ধর্ষণই ছিল রীতি এবং এর কোনো ব্যতিক্রম ছিল না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এসব ঘটনার কোনো পরিসংখ্যান নেই। গণহত্যার মূল হোতারা সুপরিকল্পিতভাবে ধর্ষণকে তাদের ‘অস্ত্র’ হিসেবে বেছে নিয়েছিল।
জন্ম-পরিচয় সম্পর্কে প্রশ্নের মুখোমুখি ডেভিডের আচরণে ‘বিস্ময়’ এবং ‘ক্ষোভ’ প্রকাশ পায়। পরে সে বলে, ধর্ষণের একটি ঘটনা থেকে তার জন্ম হয়েছে এবং এই বাস্তবতা ‘মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই’। তবে বিষয়টি সম্পর্কে সে আরও জানতে চায়।
বাবা সম্পর্কে ডেভিডের ভাষ্য, ‘আমার মায়ের গায়ের রং শ্যামলা। আর আমি বেশি কালো। আমি জানতে চাই, লোকটা দেখতে কেমন।’
ডেভিডের মা এস্টার ব্যাখ্যা করেন, তাঁর ছেলে সব ঘটনার বিস্তারিত জানে না। সে বেশি কথা বলে না। তাই সে আসলে কী ভাবছে, তা জানাটা সত্যিই কঠিন।
সংখ্যাগুরু হুতু সম্প্রদায় ১৯৯৪ সালের ৭ এপ্রিল গণহত্যা শুরু করে। তুতসি সম্প্রদায়ের নারী এস্টার তখন কিগালি শহর ছেড়ে পালিয়ে যান। একদল নারীর সঙ্গে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের সীমান্ত অতিক্রমের সময় সিয়াংগুগু সীমান্ত শহর এলাকায় তাঁকে ধর্ষণ করে একজন মিলিশিয়া।
এস্টার সেদিনের বর্ণনা দেন, ‘একজন নারী আমাদের একটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখার প্রস্তাব দেন এবং স্থানীয় মিলিশিয়াপ্রধানকে খবর দেন। সেই বাড়িতে একটি নারকীয় রাত কেটেছিল আমাদের।’
ধর্ষণের শিকার নারী ও তাঁদের পরিবারকে সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) সারভাইভার ফান্ডের গবেষক স্যামুয়েল মুন্ডেরেরে বলেন, ধর্ষণ একটি নিষিদ্ধ বিষয় হলেও লোকজন এখন এ ব্যাপারে কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। তবে এখনো অনেক দূর পথ পাড়ি দিতে হবে। অনেক শিশুই নিজেদের অতীত সম্পর্কে জানে না। কারণ, তাদের মায়েরা এ ব্যাপারে কিছু বলতে অনাগ্রহী।
মায়ের বিমর্ষ অবস্থা দেখে ১৯ বছর বয়সী নাইরামাউইজা এখন আর নিজের বাবা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার ভাষ্য, আট বছর আগে প্রথমবার মাকে ওই প্রশ্ন করলে তিনি কাঁদতে শুরু করেছিলেন। এক বছর পর একই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, গণহত্যা চলার সময়ই লোকটির মৃত্যু হয়।
গণহত্যা শুরু হওয়ার অল্প কয়েক দিন আগে নাইরামাউইজার জন্ম হয়। তার বাবা একজন হুতু দোকানি এবং সাবেক সেনাসদস্য। তিনি তুতসি নারী অগাস্টিনকে ১৯৯৩ সালে এক বছরব্যাপী যৌনদাসী হিসেবে আটকে রেখেছিলেন। গণহত্যার ওই বছরে বেশ কয়েকবার গণধর্ষণের শিকার হন অগাস্টিন। তাঁর দ্বিতীয় সন্তান একটি ছেলে। নিজের ছেলেমেয়েকেও তিনি ভালোবাসতে পারতেন না। কারণ, তাদের দেখলেই তাঁর মনে পড়ে যেত সেই দুঃসহ সময়ের কথা।
অগাস্টিন পরে জানতে পারেন, তাঁর শরীরে এইচআইভি রয়েছে। তাঁর মেয়ের এইচআইভি নেই। কিন্তু তাঁর ছেলেটা রক্ত পরীক্ষা করাতে রাজি হয়নি। তাকে স্কুলে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। প্রায়ই ছেলেটা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। তার আচরণও দিন দিন আগ্রাসী হয়ে যাচ্ছে।
গণহত্যাকালে ধর্ষণের পরিণামে যেসব শিশুর জন্ম, প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাদের অতীত মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সেই যুদ্ধশিশুরা নিজ মায়ের বিপর্যস্ত মানসিক অবস্থা অথবা আশপাশের মানুষের প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হয় নিয়মিত। চলতি মাসেই ওই গণহত্যার দুই দশক পূর্ণ হয়েছে। সেই নৃশংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ মানুষকে ২০০১ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তৃণমূল পর্যায়ের আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। আর তাই অতীত লুকিয়ে রাখাটা দিনে দিনে কঠিন হয়ে পড়েছে। ওই বিচারপ্রক্রিয়ায় আদালত কিছু ঘটনা জনসমক্ষে প্রকাশ করেছেন, যেগুলো এত দিন গোপন রাখা হয়েছিল।
যুদ্ধশিশুদের ওই গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষের মধ্যে গণ্য করা হয় না। কারণ, তাদের অধিকাংশই ১৯৯৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরে জন্ম নিয়েছে। ফলে তারা সরকারি জাতীয় সহায়তা তহবিল (এফএআরজি) থেকে কোনো ধরনের সাহায্য পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। গণহত্যার কবল থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগঠন ইবুকার প্রধান জ্যঁ-পিয়ের দুসিঙ্গিজোমুঙ্গু বলেন, ‘যুদ্ধশিশুদের অনেকে মা ও বাবা উভয়ের কারও কাছেই আশ্রয় পায় না। তাদের সাহায্য করাটা এফএআরজির দায়িত্ব হওয়া উচিত। আর তারা তো আমাদেরই সন্তান।’
আশিস আচার্য, সূত্র: এএফপি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রংকিয়েকটেসিস : কেন হয় কী করবেন by ডা: মো: আতিকুর রহমান

নিউমোনিয়া সঠিক চিকিৎসা না হওয়া, সেরে যাওয়া যক্ষ্মা অথবা টিউমারের কারণে- এ ধরনের অসুখ হতে পারে। স্থায়ীভাবে প্রসারিত হওয়া শ্বাসতন্ত্রের স্থানে কফ জমতে থাকে এবং বারবার সেখানে ইনফেকশন দেখা দিতে পারে। এ রোগের উপসর্গ প্রধানত তিনটি- কফ, কাশির সাথে রক্ত যাওয়া এবং বারবার জ্বর হওয়া। কফ কখনো কখনো প্রচুর, পাকা ও অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত হয়। কখনো কখনো অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সাথে কফ বেড়ে যায়। সকালের দিকে অত্যন্ত বেশি কাশি হয়। কাশির সাথে মাঝে মধ্যেই রক্ত ঝরে।
কখনো কখনো প্রচুর রক্তক্ষরণ নিয়ে রোগী আসে। এক ধরনের ব্রংকিয়েকটেসিস আছে যাতে কফ হয় না, শুধু বারবার রক্তপাত হয়। একে বলা হয় ড্রাই ব্রংকিয়েকটেসিস। বুকের এক্স-রে করলে অনেক সময় ব্রংকিয়েকটেসিস ধরা পড়ে। তবে অনেক সময় স্বাভাবিক থাকতে পারে। ব্রংকিয়েকটেসিস সাধারণত দুই ফুসফুসেই হয় এবং ফুসফুসের নিচের অংশ সাধারণত বেশি আক্রান্ত হয়। রোগীর যদি ব্রংকিয়েকটেসিসের মতো উপসর্গ থাকে তবে বুকের এক্স-রে স্বাভাবিক থাকলেও সিটি স্ক্যান করে দেখা উচিত সত্যিই এ রোগ আছে কি না। অনেক সময় বুকের এক্স-রে দেখে রোগটি যক্ষ্মা না ব্রংকিয়েকটেসিস তা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। তবে সাধারণত যক্ষ্মা হয় ফুসফুসের উপরের অংশে আর ব্রংকিয়েকটেসিস হয় ফুসফুসের নিচের অংশে।
ব্রংকিয়েকটেসিসের চিকিৎসা পদ্ধতি তিনটি- পসচারাল ড্রেনেজ, অ্যান্টিবায়োটিক এবং অপারেশন। ব্রংকিয়েকটেসিসের প্রধান চিকিৎসা পসচারাল ড্রেনেজ। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে- স্ফীত ব্রংকাস থেকে পুঁজ বের করে ফেলা। রোগীকে নিজেই কাশি দিয়ে কফ বের করে ফেলতে হবে। সাধারণভাবে এতে এমন একটা অবস্থায় দেহকে রাখতে হবে যাতে ফুসফুসের যে অংশের পুঁজ বের করতে হবে সে অংশ সবচেয়ে উপরে থাকে। ফলে কফ, পুঁজ নিচের দিকে অর্থাৎ ট্রাকিয়া হয়ে লারিংসে চলে আসবে যেখান থেকে অতি সহজেই কাশি দিয়ে তা বের করে ফেলা যাবে। চৌকি বা খাটের ওপর পা রেখে মেঝেতে দুই হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে জোরে জোরে কেশে কফ বের করতে হবে। এভাবে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা দুইবার ১০ মিনিট করে ড্রেনেজ করলে রোগীর উপসর্গের লাঘব হয়। রোগীর যদি জ্বর আসে অথবা কফের রঙ হলুদাভ হয় তবে অ্যান্টিবায়োটিক দরকার হয়।
এ ধরনের রোগীদের বারবার অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন পড়ে। সাধারণত কোট্রাইমক্সাজল অথবা এমক্সিসিলিনেই রোগী ভালো হয়ে যায়। তবে অনেক সময় সিপ্রোফ্লোক্সাসিন বা ইরাইথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধ ন্যূনতম দুই-সপ্তাহ বা তার চেয়ে বেশি দিনের জন্য খেতে দিতে হয়। যদি সিটিস্ক্যানে দেখা যায় রোগটি স্থানীয়ভাবে ফুসফুসের কোনো অংশকে আক্রান্ত করেছে তবে অপারেশন করে ঐ অংশটুকু বাদ দিলেই রোগী স্থায়ীভাবে আরোগ্য লাভ করে। ফুসফুসের একটি অংশ বা প্রকোষ্ট বাদ দিলে রোগীর কোনো অসুবিধা হয় না।
তবে রোগীর বয়স কম হওয়া এবং ফুসফুসের অন্যান্য স্থান ভালো থাকা এ ধরনের অপারেশনের পূর্বশর্ত। যেহেতু রোগী দীর্ঘদিন ধরে ভোগার পর ডাক্তারের শরণাপন্ন হয় তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দুটি ফুসফুসই সমানভাবে আক্রান্ত থাকে। ফলে অপারেশনের সুযোগ খুব একটা থাকে না। এসব ক্ষেত্রে রোগীকে পরবর্তী জীবনের সুস্থতার জন্য নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক এবং ডাক্তারের নির্দেশ মেনে চলতে হয়।
শ্বাসনালীর স্থায়ী প্রসারতা একবার সৃষ্টি হলে, তা থেকেই যায়। শ্বাসনালীতে এ ধরনের গঠনতান্ত্রিক পরিবর্তন থাকার দরুন বারবার জীবাণু আক্রমণ হতে থাকে। ফলে জ্বর, কফ, কাশি, ঘুরে ফিরে বারবার হতে থাকে।
কফের সাথে ফুসফুস থেকে প্রায়ই রক্তক্ষরণ হতে থাকে এবং এটা কখনো কখনো মারাত্মক আকার ধারণ করে। প্রদাহ থাকার দরুন ফুসফুস কলাতে ঋরনৎড়ংরং হয়। ব্রংকিয়েকটেসিসের বিস্তৃতি লাভ করে। ফুসফুসে অধিক ঋরনৎড়ংরং হলে ফুসফুসের রক্ত চলাচলের জালকগুলো নষ্ট হয় এবং অবশেষে ফুসফুস ধমনির রক্তচাপ বাড়ে। ফলে হৃদযন্ত্রের অসুখ দেখা দেয়। ক্রমাগত জীবাণু আক্রমণের জন্য লোহিত রক্তকণিকার উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং রক্তহীনতা দেখা দেয়।
তাই শৈশবে হাম, হুপিং কাশি, প্রাথমিক যক্ষ্মারোগের আক্রমণ হলে তার যথাযথ চিকিৎসা করাতে হবে। কোনো কারণেই শ্বাসনালীতে সঙ্কীর্ণতা সৃষ্টির সুযোগ যাতে না হয় সে দিকে নজর রাখতে হবে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা করতে হবে।
লেখক : অধ্যাপক ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, রাফা মেডিক্যাল সার্ভিস, ৫৩, মহাখালী টিবি গেইট, ঢাকা। ফোন : ০১৯১১৩৫৫৭৫৬
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা: বাংলাদেশে প্রবীণদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসক বা 'জেরিয়াট্রিক কনসালটেন্ট' নেই কেন? by শাহনাজ পারভীন
![]() |
| ষাট বছর বয়সের পর মানুষের শরীরে বিভিন্ন অসুস্থতা ধরা পরে |
![]() |
| তেজকুনি পাড়ার বাসিন্দা রিজিয়া বেগম |
![]() |
| জেরিয়াট্রিক কনসালটেন্ট ড. আমিনুল হক বলছেন বয়সের কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষমতা কমে যায়। |
![]() |
| ডা. লায়লা সাবেকুন নাহার বলছেন জেরিয়াট্রিক সেবার অভাবে বয়স্ক নারীরা আরও বেশি সমস্যায় পরেন। |
![]() |
| প্রবীণ হিতৈষী সংঘের মহাসচিব অধ্যাপক এ এস এম আতিকুর রহমান বলছেন, প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবায় এখনই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1432)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





