Monday, January 12, 2015
রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-চট্টগ্রামে ১০ গাড়িতে আগুন



About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২২ জেলায় বিজিবি মোতায়েনের নির্দেশ by রোজিনা ইসলাম

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রেলের নিরাপত্তার জন্য প্রতি ৪৫ দিনে আট হাজার ৩২৮ আনসার মোতায়েনের ব্যয় হিসেবে ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে আজ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর থেকে সাতটি জাদুঘরের জন্য মোট ১২০ জন আনসার চাওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে লালবাগ দুর্গ, মহাস্থানগড় দুর্গ, পাহাড়পুর জাদুঘর, ময়নামতি জাদুঘর, বাগেরহাট জাদুঘর, খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর ও রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি জাদুঘর। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে বিজিবির টহল নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলায় জেলায় পণ্যবোঝাই ট্রাক এবং যাত্রীবাহী বাসের নিরাপত্তার জন্য বিজিবির গাড়ি বহরের জ্বালানির জন্য ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আ.লীগের সমাবেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস by মাহবুবুল হক ভূঁইয়া


শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুটিতে ছাত্রলীগের কর্মীদের শাহবাগ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে দেখা গেছে বেলা তিনটার দিকে। একই সময় তিতুমীর কলেজের তিনটি বাস দাঁড়িয়ে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে। এ সময় একটি বাসের চালকের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি নিরাপত্তার ভয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। ইডেন মহিলা কলেজের একটি বাস দাঁড়িয়ে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকায়। আর ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের দুটি বাসে কারওয়ানবাজার এলাকা দিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদেরকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
ঢাকার বাইরের গাড়ি কম
বিভিন্ন সময়ে ঢাকায় আওয়ামী লীগের জনসভায় নগরের বাইরের যানবাহনের সমাবেশ দেখা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর, বাংলা একাডেমির সামনে কিংবা শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন মোড় পর্যন্ত রাস্তায় সাধারণত যানবাহন রাখা হয়। তবে আজ এসব জায়গায় ঢাকার বাইরের (ঢাকার পাঁচটি উপজেলায় আজ ছাত্রদলের হরতাল ছিল) জেলার কোনো বাস দেখা যায়নি। তবে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক বাস-ট্রাক এসেছে। ঢাকা-১৪ আসনের সাংসদ ইলিয়াস মোল্লাহ মিরপুর থেকে বিআরটিসির ৩০টি বাস নিয়ে এসেছিলেন। এর মধ্যে ২৬টি দোতলা বাস। কত টাকা ভাড়ায় এসেছেন? জিজ্ঞেস করলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন চালক বলেন, ভাড়া কেউ দেবেন কি না, তিনি জানেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মিরাজুল ইসলাম ও শেরে-ই-বাংলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হকের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন ধরেননি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ খালেদা’

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেতাদের বক্তব্যে শুধুই খালেদা by আবদুর রশিদ ও একরামুল হুদা

বক্তব্যের শুরুতেই উপস্থিত সবাইকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘খবর পাইছেন তো? ...খালেদা জিয়া হাতে-নাতে ধরা খাইছে। কাপড়ে-চোপড়ে ধরা খাইছে।’ তারেক রহমান সম্পর্কে খালেদা জিয়ার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজ আপনার পোলা লন্ডনে অত্যন্ত বাজে কথা কয়। বাংলার মানুষের পক্ষ থেকে ওই খালেদার পোলা তারেক জিয়াকে বাংলার মাটিতে চিরদিনের জন্য অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে চাই।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমও খালেদা জিয়াকে নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া সন্ত্রাসীদের গডফাদার। তাঁর ছেলে উন্মাদ। ব্রিটিশ সরকারের কাছে অনুরোধ, তারা যেন তাঁর চিকিৎসা করে। যদি তারা চিকিৎসা করতে না পারে তাহলে আমাদের দিয়ে দেওয়া হোক। আমরা জানি কীভাবে পাগলের চিকিৎসা করতে হয়। সারা জীবনে আর কোনো পাগলামি করবে না।’
বিএনপির উদ্দেশে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘এরা মিথ্যাবাদীর দল। গোটা জাতিকে প্রেস রিলিজ, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের টেলিফোন নিয়ে অপমানিত করেছে। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ তিনি খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, ‘খাট পালং বিছানাপত্র নিয়ে উনি ওখানে পিকনিক করছেন, বনভোজন করছেন। আর গোটা জাতিকে সন্ত্রাস দিয়ে নির্যাতন করছেন।’
সমাবেশে খাদ্যমন্ত্রী ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বিএনপির উদ্দেশে বলেন, ‘এটা সুস্থ রাজনীতির জায়গা। জনগণ এদের ধাওয়া করবে। এদের যতদিন বিতাড়িত করা না যাবে, ততদিন দেশে স্বস্তি আসবে না।’ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, ‘আগে ছিলেন বিশ্ব বেহায়া। এবার ধরা পড়ে গেছেন বিশ্ব মিথ্যাবাদী। জানেন তো, এটা কে? এটা খালেদা জিয়া। তিনি এখন ইন্টারন্যাশনাল টাউটগিরি করছেন।’ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মায়া বলেন, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারির আগে নির্বাচন হবে না।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক তারেক জিয়াকে ‘লাদেন’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘আরেকজন লন্ডনে বসে লাদেন সেজেছেন। কার সম্পর্কে উক্তি করেছেন? আমার আরেকবার যুদ্ধে যেতে ইচ্ছে করে নেত্রী (শেখ হাসিনা)। আপনি (খালেদা জিয়া) মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এসব করছেন। আপনি মামলা থেকে রেহাই পাবেন না, পাবেন না, ইনশাআল্লাহ।’
সমাবেশের প্রথমেই বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। তিনিও খালেদা জিয়াকে নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন বাংলাদেশ ক্ষুধা, দারিদ্র্য বিমোচন করে উন্নতির দিকে যাচ্ছে, তখনই বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নাটক শুরু করেছেন। সারা বাংলাদেশের নিরীহ মানুষের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছেন। পেট্রলবোমা, গানপাউডার দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে।’
খালেদা জিয়া গুলশান কার্যালয়ে বসে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন এবং জনগণ সে আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেন সিদ্দিকী নাজমুল আলম। বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিশ্বনেতাদের নামে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তারা দেউলিয়া সংগঠনের পরিচয় দিয়েছে। খালেদা জিয়ার ওপর ভূত চেপেছে। ছাত্রলীগ জানে কীভাবে সেই ভূত ছাড়াতে হয়। কীভাবে শায়েস্তা করতে হয়।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি, জাতির জনককে নিয়ে লন্ডনে বসে যে বেয়াদব মিথ্যা রটনা করছেন, ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তাঁদের কোথাও সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না।’
সকালে সমাবেশ করতে আওয়ামী লীগকে অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মাসুদুর রহমান বলেন, ঢাকা মহানগরে সমাবেশের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় ডিএমপি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বেলা একটা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসতে শুরু করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। তাঁরা বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢোকেন। মঞ্চের মাইক থেকে সমাবেশে আসা নেতা-কর্মীদের স্বাগত জানানো হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণের নিরাপত্তা দিতে যা করার তাই করা হবে -শেখ হাসিনা

তিনি বলেন, বিশ্ব ইজতেমা হয়েছে। হজের পরে সব চেয়ে বড় সমাগম এটি। বিএনপি নেত্রীর ইসলামের প্রতি এতো দরদ। কিন্তু উনি অবরোধ বাদ দিতে পারলেন না ইজতেমার সময়। আমি ধন্যবাদ জানাই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের। যারা ইজতেমায় মুসল্লিদের আসতে সহযোগিতা করেছেন।
সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বক্তব্য রাখেন।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাড়া মহল্লায় সন্ত্রাসীদের খুজে বের করুন : প্রধানমন্ত্রী

About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আ. লীগের সমাবেশে শিশু-কিশোরের ভিড় by মাহবুবুল হক ভূঁইয়া

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছেন সিরিসেনা
![]() |
| মাইথ্রিপালা সিরিসেনা |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিযুক্ত হচ্ছেন জেনারেল প্রেট্রাউস?
![]() |
| ডেভিড পেট্রাউস |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দুর্বলতা স্পষ্ট
![]() |
| ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা শার্লি এবদো কার্যালয়ে জঙ্গি হামলায় নিহতদের প্রতি সংহতি জানাতে শুক্রবার প্যারিসের আর্ক দো ত্রিয়ঁফ সৌধে লেখা হয় ‘প্যারিসই শার্লি’ বার্তাটি। ছবি: রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এয়ারএশিয়া বিমানটির ‘ব্ল্যাক বক্স’ উদ্ধার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খাদে ও ফাঁদে পড়েছে সরকার: অলি

About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপযোগী ব্ল্যাকবেক্স আগ্রহ বাড়ছে
![]() |
| সাগরতল থেকে ওপরে তুলে আনার পর ভাসছে এয়ারএশিয়ার উড়োজাহাজের পেছনের অংশের একটি টুকরা। ছবি: এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিসেম্বর ও জানুয়ারির টেক্সচুয়াল শোক by জয়া ফারহানা
জিহাদ মারা গেল। তা এ রকম অপঘাতে মৃত্যুর মহামারী তো আমাদের দেশে আছেই। ট্রেনের কামরা আর ট্যুরিস্ট স্পটের আলাপের মতো দু’দিন পরেই যথারীতি এসব মৃত্যুর কথা আমরা ভুলেও যাই। পথে পড়ে থাকা আইসক্রিমের ঠোঙা বা ছেঁড়া কাগজের দিকে আমরা যেমন আর ফিরে চাই না, এসব মৃত্যুও তেমন থাকে অলক্ষেই। দু’দিন হইচই। ঘটমান বর্তমানে সবাই অনিয়মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী, বিপ্লবী। তারপর আবার নীরবতা, যতক্ষণ না আরেক জিহাদ গর্তে পড়ে। ফর্মুলা অনুযায়ী যথারীতি জিহাদের মৃত্যুর পরেও আমরা নড়েচড়ে বসলাম। নিজেদের জন্য অপেক্ষমাণ অনিবার্য অপঘাতে মৃত্যুর কথা ভেবে। আত্মসর্বস্ব সমাজের কথা ভেবে। জিহাদ বাংলাদেশের এক সন্ধিক্ষণের অমীমাংসিত চরিত্র বলে, এবং জিহাদের মধ্যে আমরা প্রত্যেকে আমাদের জীবনের অনিশ্চয়তা অনুভব করেছি বলে। নাগরিক সমাজের আরও একটু বেশি সংক্ষুব্ধ হয়ে ওঠার কারণ, জিহাদকে ঘিরে তাদের শোক ও ক্ষোভের ওপর অয়েন্টমেন্টের প্রলেপ না বুলিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাইপের মধ্যে জিহাদের অবস্থান অস্বীকার করা হল। যা বলা হল, তাতে আমরা নিজেদেরই মৃত্যুঘণ্টা অবিরাম শুনতে পেলাম। এতদিন জানতাম, টাকার অভাবে দেশ গরিব হয় না, দেশ গরিব হয় ভরসার অভাবে। কতদিন থেকে শুনে আসছি আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হতে যাচ্ছি বা হয়েই গেছি! জিহাদের পর আবার শুনলাম, গর্তে পড়া মানুষ তোলার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিই নাকি আমাদের নেই। সেসব কেনার টাকাও নাকি নাই (আবার শত্রুপক্ষকে গর্তে ফেলে দেয়ার কারিকুরি তো কম জানা নাই)! মধ্যম আয়ের দেশের ক্যাটাগরিটি তবে এই যে, দুর্যোগের সময় তা মোকাবিলা করার টেকনিক্যাল সাপোর্ট থাকে না, তবে একটি গর্তের ভেতর জীব দূরের কথা, জীবাশ্মও নেই- এমনটা বলে দেয়ার টেকনিক্যাল জ্ঞান থাকে। আমাদের টাকার অভাব আছে, সৌজন্যের অভাব আছে। অভাব নাই খালি কূটবুদ্ধির। এ সম্পদে আমরা মধ্যম আয়ের দেশ নই, এক্কেবারে অতুলনীয়। অনন্য। তো এসব মৌলিক অর্থ সমস্যা নিয়েই আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হতে যাচ্ছি? করোটিতে এসব ভাবনাই সাঁতরে বেড়াচ্ছিল! রাষ্ট্র যে বিপদকালে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পাশে দাঁড়ায় না, সেই অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক আছে (রানা প্লাজা, তাজরিন, নিমতলী)। মানুষই যে মানুষের পাশে নানা সৃজনশীল উপায় বের করে বিপদ ও অনিশ্চয়তাকে মোকাবিলা করে, বেঁচে থাকার বা বেঁচে ওঠার নতুন নতুন পথ খুঁজে নেয়, সেটা লক্ষ করলে মানুষের সহমর্মিতার প্রতি শ্রদ্ধা আসে বটে, তবে শেষ ভরসাটি তো আসতে হবে রাষ্ট্রের কাছ থেকেই। অথচ রাষ্ট্রের কাছে ভরসা না পেয়ে মানুষকে ভরসা খুঁজতে হচ্ছে ব্যক্তিতে। কাজেই জনতার জাগরণে আবেগ উঁকিঝুঁকি দিলেও সেটা যে সমাধানের স্থায়ী পথ নয়, সেই উৎকণ্ঠাও থেকে যায়। ব্যক্তির ক্ষমতা সীমিত; কিন্তু রাষ্ট্রের ওপর রয়েছে বিস্তর দায়িত্ব। কথা ছিল রাষ্ট্র রক্ষা করবে নগর এবং তার নাগরিককে। কোথাও কোনো মৃত্যুকূপ থাকবে না। অথচ দেখা যাচ্ছে, প্রায় শূন্য গহ্বরের ওপর তৈরি হয়েছে আমাদের এ তিলোত্তমা(!) নগর। ‘জিহাদ ট্র্যাজেডি’-তে মানুষের পাশে মানুষ এসে দাঁড়ানোর প্রবণতা আমাদের জন্য খানিকটা আশা তৈরি করেছিল বটে, তবে ৫ জানুয়ারির ঘটনায় সেটুকু মিলিয়ে যায়। মনে হয়েছিল, একটুখানি সত্য আর মানবিকতা বোধহয় আমাদের ছুঁয়ে গেছে। কিন্তু ৫ জানুয়ারি সেই আস্থার সিংহভাগই গেল লুট হয়ে। পাইপে আটকে থাকা জিহাদকে কেন্দ্র করে দেশের প্রত্যেকটি মানুষের যে আবেগীয় বিপর্যয় বা মানসিক চাপ, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাকে মোকাবিলা করার জন্য কোনো মানবিক সমাধান ছিল না। ছিল না ৫ জানুয়ারির সংকট মোকাবিলা করার ক্ষেত্রেও। না দেখেছি দায়িত্ব, না দরদ। যতই মধ্যম আয়ের বাংলাদেশের কথা বলা হোক, আমরা জানি বাংলাদেশ গরিব। অর্থে যতটা গরিব, তার চেয়ে বেশি গরিব চিন্তায়, যে কারণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোন জিনিসটি আগে কিনতে হবে তা যেমন আমরা জানি না, তেমন জানি না আমাদের অধিকারের সীমারেখাও। জানি না কোথায় থামতে হবে, তাও। তার চেয়েও বড় সমস্যা জনগণের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব। ফায়ার সার্ভিসের সীমিত সক্ষমতা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ এবং সেবা সংস্থা যদি পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠতেন, শ্রম ভাগ করে নিতেন সতর্কতার সঙ্গে, ৫ জানুয়ারির নাজুক মুহূর্তগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি মানবিক ছোঁয়া দিয়ে পূরণ করতেন, তাহলেও খানিকটা আশাবাদী হয়ে ওঠার ব্যাপার ছিল। দুর্ভাগ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ শব্দযুগলটি কেবল সংবিধানেই লেখা হয়ে থাকল, তন্ত্রের মধ্যে কোথাও গণ সম্পৃক্ততা থাকল না। জিহাদকে জীবিত উদ্ধার করতে পারাটা ছিল ষোলো কোটি মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ। প্রতীকী এবং বাস্তব- দুই অর্থেই। সীমাহীন দুর্যোগে সহযোগিতা আর সহমর্মিতা দিয়ে পরস্পরকে রক্ষা করার বিস্তর দৃষ্টান্ত আছে আমাদের। ঐতিহাসিকভাবেই এ অঞ্চল চর্চা করে আসছে সহনশীলতার ধর্ম। ইতিহাসজুড়ে এ অঞ্চলে আর্যের সঙ্গে অনার্যের, হিন্দুর সঙ্গে মুসলমানের, মুসলমানের সঙ্গে বৌদ্ধের, বৌদ্ধের সঙ্গে হিন্দু ও খ্রিস্টানের অর্থাৎ পারস্পরিক প্রভেদের মধ্যেও ঐক্য স্থাপনের মাধ্যমে টিকে গেছে এ সমাজ। আছে এ ঐক্যের হাজার বছরের ইতিহাসও। বহুর মধ্যে এক’কে প্রতিষ্ঠিত করাই এ অঞ্চলের মূল সুর। সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে একাত্তর। অথচ জনগণের সঙ্গে সরকারের দূরত্বের কারণে যে কোনো দুর্যোগের কালে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কথাবার্তাই অন্য আর সবকিছুর চেয়ে বড় দুর্যোগ হয়ে ওঠে আমাদের কাছে। আর দুর্যোগ মন্ত্রণালয় বলে যে কোনো বস্তু আছে, তা তো আমরা টেরই পাই না। অন্যদিকে আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় না দুর্যোগ, না সুযোগ-কোনোটাই মোকাবিলা করতে সক্ষম নয়। একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা, শাহ এএমএস কিবরিয়া ও আহসানউল্লাহ হত্যাকাণ্ডসহ এ সময় পর্যন্ত ঘটে যাওয়া সহিংসতা ও নৃশংসতার এক করুণ ধারাবাহিকতা মাত্র। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইতিহাস তাই জনগণের প্রতি অসহিষ্ণুতা ও নৃশংসতার ইতিহাস। কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন, যুক্তিবিচারে সক্ষম এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কি কোনোদিন পাব না আমরা?
জয়া ফারহানা : প্রাবন্ধিক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইট-বালুর ট্রাক আর পিপার স্প্রে দিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করা যায় না by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার
বিএনপিকে ৫ জানুয়ারি রাজধানীতে সমাবেশ করতে দিলে কী হতো? ওই সমাবেশে বিএনপি নেতাকর্মী এবং দলীয় চেয়ারপারসন বক্তব্য রাখতেন। অনেক মানুষ সমাবেশে যোগদান করত। বিএনপি নেতারা তাদের বক্তব্যে ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনের সমালোচনা করতেন। বিরোধী দলের প্রতি সরকারের নিপীড়নমূলক ভূমিকার সমালোচনা করতেন। সরকারের মামলা, হামলা, দুর্নীতি বৃদ্ধি এবং দ্রুত আরেকটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দিতে গড়িমসির সমালোচনা করতেন। বিএনপির চেয়ারপারসন হয়তো এসব সমালোচনার সঙ্গে সঙ্গে সরকারকে দ্রুত সংসদ নির্বাচন দিতে আহ্বান জানাতেন। তিনি হয়তো ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রেস কনফারেন্স করে তার দেয়া সাত দফা প্রস্তাবের আলোকে দ্রুত সংলাপে বসে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা উদ্ভাবনের জন্য বলতেন। বিএনপিকে এসব কাজ করতে দিলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেত না। সরকারের পতন হয়ে যেত না। অথচ সরকার সে পথে না গিয়ে বিএনপির প্রতি দমন-পীড়নমূলক ভূমিকা পালন করল। দলীয় চেয়ারপারসনের ওপর নিষ্ঠুর ভূমিকা নিয়ে তার প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন ও সহানুভূতি বাড়িয়ে দেয়া হল। রাজনীতির মারপ্যাঁচ না বোঝা সাধারণ মানুষ যখন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং একটি বড় দলের প্রধান, যিনি বয়সের ভারে ভালো করে চলাফেরা করতে পারেন না, এমন একজন নেত্রীকে অবরুদ্ধ করে রাখার জন্য ১১টি ইট-বালুর ট্রাক, অসংখ্য পুলিশ এবং জলকামান ব্যবহার করতে দেখেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই তার প্রতি তাদের সহানুভূতি গভীর হয়।
দশম সংসদ নির্বাচন যে ভালো হয়েছে সে কথা তো সরকারি দলের মন্ত্রী-নেতারাও বলেন না। ওই নির্বাচনের প্রাক্কালে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই এ নির্বাচনকে নিয়ম রক্ষার নির্বাচন বা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার নির্বাচন বলে অভিহিত করে ওই নির্বাচনের পর আরেকটি অংশগ্রহণমূলক সংসদ নির্বাচনের কথা বললেও এখন তারা তাদের আগের বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন। এখন তারা সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে অন্যতম ব্যতিক্রমী চরিত্রধারী দশম সংসদ নির্বাচনের ওপর ভর করে পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন। কারণ, সরকার নিজ জনপ্রিয়তার মাত্রা সম্বন্ধে বুঝতে পেরেছে এবং একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অংশগ্রহণমূলক সংসদ নির্বাচন হলে ওই নির্বাচনে তাদের ফলাফল কেমন হবে সে বিষয়টি সম্পর্কেও তারা ধারণা পেয়েছে। এজন্য সরকার হয়তো নতুন নির্বাচন দিতে চাইছে না। কিন্তু যে নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগেই ক্ষমতাসীন দল সরকার গঠনের যোগ্যতা অর্জন করে, এমন একটি নির্বাচনের ওপর ভর করে যদি কোনো দল সরকার গঠন করে ক্ষমতায় থাকতে চায় তাহলে ওই সরকার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা পায় না।
মহাজোট সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বড় ভুল করে। উল্লেখ্য, যে কোনো নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তন করার পর ওই ব্যবস্থার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখা দেয়া স্বাভাবিক। প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নিয়ে ওই ভুল-ত্রুটি শোধরানো সম্ভব। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, ১৯৯৬ সালে সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের পর ওই সরকারের যেসব প্রার্শপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল সেগুলো সমাধানের জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সরকার কোনো সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কিছু জটিলতা সৃষ্টি করেছিল। বিশেষ করে ওই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগে বিচার বিভাগে যেমন রাজনীতিকরণ ঘটেছিল, তেমনি উপদেষ্টা নিয়োগেও রাজনৈতিক দলগুলো প্রধান উপদেষ্টার কাছে নিজ পছন্দনীয় ব্যক্তিত্বদের তালিকা পেশ করত এবং প্রধান উপদেষ্টা ওই সব তালিকাকে আমলে নিয়ে ভুল করতেন। তাছাড়া বিচারপতি সাহাবুদ্দীন ও বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারদ্বয় যথাক্রমে শিক্ষা সংস্কার কমিটি গঠন করে এবং হাইস্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীতে ধর্ম বিষয় পড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে সংবিধানে প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা লংঘন করেছিল। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ বা বিএনপি সরকার সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে ত্রুটিমুক্ত করে তুলতে পারত। কিন্তু তারা তার পরিবর্তে রাজনৈতিক অংক করে নিজ পছন্দের বিচারপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করে এবং উপদেষ্টা হিসেবেও পছন্দের ব্যক্তিত্বদের নিয়োগ দিয়ে সংসদ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আনুকূল্য লাভের চেষ্টা করেছে। এজন্য বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সরকারকে একইভাবে দায়ী করা যায়।
দেশের উন্নয়ন, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং স্বচ্ছ সংসদ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে চাইলে দশম সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে সরকারের উচিত ছিল ৩১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া উপস্থাপিত সাত দফাকে গুরুত্ব দিয়ে বড় দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের ঘোষণা দেয়া। সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি এক বছর গঠনমূলক আন্দোলন ও সভা-সমাবেশ করেছে। এক বছর পর দলটি স্বচ্ছ সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সাত দফা দাবি উত্থাপন করে সরকারকে সংলাপে আহ্বান জানিয়েছে। সরকারের উচিত ছিল ওই আহ্বানে সাড়া দিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের লক্ষ্যে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করা। কারণ, পঞ্চদশ সংশোধনী-উত্তর সংবিধানের অধীনে সংসদ কার্যকর রেখে, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিদের ক্ষমতায় রেখে, নতজানু নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে যে ত্রুটিমুক্ত সংসদ নির্বাচন করা যাবে না, তা সবাই বুঝতে পেরেছেন। বিগত দশম সংসদ ও চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিষয়টি অধিকতর সুনিশ্চিত হয়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এ দুটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং পোশাকধারী বাহিনী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে পারেনি। ফলে এ দুটি নির্বাচনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত করা যায়নি।
খালেদা জিয়ার সাত দফায় তেমন আপত্তিকর কিছু বলা হয়েছে কি? সাত দফায় নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন দাবি করে আরপিও সংস্কারের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছে। নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পর সংসদ ও মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত করার কথা বলা হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কথা। প্রশাসন এবং আইনশৃংখলা বাহিনীর বিতর্কিত সদস্যদের প্রত্যাহার অথবা কর্তব্য পালন থেকে বিরত রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি ও বন্ধ করা সংবাদপত্র ও স্যাটেলাইট টিভি খুলে দিতে বলা হয়েছে। নির্বাচনী স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খালেদা জিয়ার এ সাত দফাকে তো নিরপেক্ষ বিচারে মন্দ বলা যায় না।
ভুলে গেলে হবে না, গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা হল নির্বাচন। জনপ্রতিনিধিরা যদি স্বচ্ছ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত না হন, তাহলে যতই উন্নয়নের চেষ্টা করা হোক না কেন গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিকতা পায় না। অস্বচ্ছ নির্বাচন সরকারবিরোধী আন্দোলন সৃষ্টি করে দেশকে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতায় নিমজ্জিত করে। এ অবস্থা থেকে দেশকে বের করতে হলে অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে দেশের বাস্তবতায় নির্দলীয় সরকারব্যবস্থা এবং শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে সংসদ নির্বাচন হওয়া বাঞ্ছনীয়। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে স্বচ্ছ নির্বাচনের পাশাপাশি শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজন রয়েছে। বিরোধী দল না থাকলে, অথবা বিরোধী দল দুর্বল হলে সরকারের স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। শক্তিশালী বিরোধী দল গঠনমূলক ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে সরকারকে গণতান্ত্রিকভাবে দেশ পরিচালনায় বাধ্য করে। তবে সেই বিরোধী দলের চরিত্র বর্তমান বাংলাদেশের দশম সংসদের বিরোধী দলের মতো সরকারে শরিক বিচিত্র বিরোধী দল হলে হবে না। গণতন্ত্রের সফলতার জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার সম্পর্ক থাকা জরুরি। কিন্তু তার পরিবর্তে যদি এদের মধ্যে শত্রুতার সম্পর্ক বা পরস্পরকে সুযোগ পেলে দেখে নেব মনোভাব কাজ করে, তাহলে গণতন্ত্র অসুস্থ হয়ে পড়ে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন বাংলাদেশে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে মোটেও সম্প্রীতির সম্পর্ক নেই। ফলে রাজনীতিতে অস্থিতিশীলতা এবং অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অতি সম্প্রতি দশম সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে সরকারি দল ও সংসদের বাইরের প্রধান বিরোধী দলের মধ্যে যে সম্পর্ক দেখা গেছে, তা গণতন্ত্রকে আরও পেছনে নিয়ে গেছে এবং গণতান্ত্রিক বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ভাবমূর্তি ভূলুণ্ঠিত করেছে। সরকারের মনে রাখা দরকার, বিরোধী দলকে সুযোগ পেয়ে মামলা-হামলায় কাবু করার মধ্যে সংকটের সমাধান নেই। খালেদা জিয়ার মতো একজন বর্ষীয়ান, তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে বালুর ট্রাক, জলকামান আর শত শত পুলিশ দিয়ে অবরুদ্ধ করে তার ওপর পিপার স্প্রে করে সরকার বিএনপি নয়, নিজ দলেরই ক্ষতি করেছে। এতে খালেদা জিয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি দলকে মনে রাখতে হবে, সমঝোতা ও সহমর্মিতার মধ্যেই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যতই গণতন্ত্র রক্ষা দিবস পালন করা হোক না কেন, বিরোধী দলকে মামলা, পুলিশ, জলকামান, ইট-বালুর ট্রাক আর পিপার স্প্রে দিয়ে নাজেহাল করলে গণতন্ত্র যেমন শক্তিশালী হবে না, তেমনি বাড়বে না নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক দলের চিন্তাচেতনায় নারসিসিজমের বৈশিষ্ট্য by মো. আবদুল মুহিত
বাঙালির রাজনৈতিক নেতৃত্বের চরিত্রকে বিশ্লেষণের জন্য এর চেয়ে ভালো উপমা খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রতিটি সরকার এবং রাজনৈতিক দল চারিত্রিক এবং ভাবগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে Narcissism-এর শিকার। স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মোটামুটিভাবে ১৯৯০ সাল থেকে গণতান্ত্রিকভাবে গঠিত সরকার দেশ পরিচালনা করে আসছে। প্রতিটি সরকারের সফলতা বা ব্যর্থতা পর্যালোচনা করেই এদেশের জনগণ প্রতিটি নির্বাচনে তাদের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার গঠন করার সুযোগ পেয়েছে। এভাবে প্রধান দুটি দল পালাক্রমে সরকারও গঠন করেছে। প্রতিটি সরকারি দল তাদের আমলে দেশের উন্নয়নের ফিরিস্তি সংসদে উপস্থাপন করলে বিরোধী দল হত্যা-লুটপাট-সন্ত্রাস-মানবাধিকার হরণ ইত্যাদির তালিকা নিয়ে হাজির হয়েছে। প্রতিটি সরকার তাদের সময় দেশ অত্যন্ত সুচারুরূপে পরিচালিত হয়েছে বলে অত্যুক্তি প্রকাশ করে থাকলে বিরোধী দল আন্দোলন করে সাধারণের জীবনযাপন অসহনীয় করে তুলেছে। এসবের মাঝে গরিব জনসাধারণের ভাগ্যের প্রকৃত উন্নয়ন কতটুকু হয়েছে তা বিবেচনার দাবি রাখে। তথাপি এটি নিঃসন্দেহে বলা যায়, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতাই দেশের আর্থ-সামাজিক কিঞ্চিৎ উন্নয়নের পেছনে বিরাট ভূমিকা রেখেছে।
৫ জানুয়ারি আমাদের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল সেই শিশু গণতন্ত্রকে হত্যা বা রক্ষার নামে আন্দোলন কিংবা উৎসবে নেমে পড়েছে। এ অবস্থায় আবারও সাধারণ নাগরিকদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। এরই মধ্যে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনে মনে হবে তাদের আমলে দেশ স্বর্গের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আর অন্যদিকে বিরোধী দলের বক্তব্য, দেশ নরকে রয়েছে। এটা সরকারের নারসিসাসের মতো আচরণ। অপরদিকে বিরোধী দলও ইকোর মতো বারংবার একই কথা পুনরাবৃত্তি করে চলেছে। অনেকটা ভাঙা ক্যাসেট প্লেয়ারে একই গান বারবার শোনা। তবে এবারে বিরোধী দলের অন্যতম দাবি হল সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, মধ্যবর্তী সংসদ নির্বাচন। আর এ বিষয়েও সরকার তার আগের অবস্থানে অনড়। অর্থাৎ একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের কোনো ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে বিরোধী দলও হরতাল-অবরোধ দিয়ে সাধারণের জীবন বিপন্ন করে তুলছে। এর পেছনে দুই দলের নেতাদের সেই নারসিসিজমই ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে জনসাধারণ হল খুব ভালো মনোবিজ্ঞানী। তারা রাজনৈতিক নেতাদের এ মানসিক বৈকল্যের যোগ্য প্রতিদান দেন ভোটের মাধ্যমে। তাই তো কোনো সরকার তাদের কৃত উন্নয়নের গালগল্প মেরেও একবারের বেশি ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। তারা ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে পড়ছে বারবার।
তবে এবারের সরকার শুধু যে Narcissism-এর শিকার ছিল তাই নয়, এদের চরিত্রে Machiavellianism-এর বৈশিষ্ট্যও বিদ্যমান। এটা এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যেখানে মানুষ আবেগবর্জিত এবং প্রচলিত নৈতিকতাবিমুখ হয়ে পড়ে। এ বৈশিষ্ট্যের লোকজন নিজেকে সমাজ থেকে আলাদা ভাবতে শুরু করে। এরা প্রতারণা এবং ছলচাতুরির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সমূহ ক্ষতিসাধন করে থাকে। দশম সংসদ নির্বাচন নিয়ে বর্তমান সরকার প্রায় নিশ্চিত ছিল যে তারা জিততে পারবে না। কারণ গত বছর ওই নির্বাচনের প্রাক্কালে যে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হয়েছিল, সেখানে ক্ষমতাসীন সরকারের ভরাডুবি তাদের ভাবিয়ে তুলেছিল। ফলে ক্ষমতায় টিকে থাকতে তারা একটি প্রহসনের নির্বাচন করেছিল। যেখানে প্রায় অর্ধেকের বেশি আসনে কোনো ব্যক্তিকে ভোট কেন্দ্রে যেতে হয়নি। এটি স্পষ্ট জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। যদিও ওই নির্বাচন সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধ ছিল, কিন্তু জনগণের মতামত সেখানে প্রতিফলিত হয়নি। তাই সে সময়ে সরকার এ নির্বাচনকে নিয়ম রক্ষার নির্বাচন নামে আখ্যায়িত করেছিল। অতঃপর সরকার গঠন করে তারা বেমালুম ভুলে গেছে সেই প্রতিশ্র“তি। এখানেও তাদের Machiavellianism-এর বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে। প্রতারণা, ছলচাতুরি দিয়ে গঠিত এই সরকার আগামী পাঁচ বছর দেশ শাসন করলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই। আমাদের দেশে এটি সম্ভব।
মো. আবদুল মুহিত : শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বর্তমানে জাপানে গবেষণারত
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেগম রওশন এরশাদের কাছে আন্তরিক ক্ষমা চেয়ে by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
আমার দুর্ভাগ্য, আমি শেষ পর্যন্ত বেগম রওশন এরশাদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারিনি; এমনকি সেজন্য তার কাছে ক্ষমা চাইতেও পারিনি। ঢাকায় হাতে নানা ধরনের কাজ থাকায় এবং দেশের বাইরে কলকাতা, বাগডোরা, দার্জিলিংয়ে ছোটাছুটি করায় বেগম রওশন এরশাদের আমন্ত্রণ আন্তরিক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও গ্রহণ করতে পারিনি। সেজন্যই সাক্ষাতে তাকে যে কথাগুলো বলতে পারিনি, আজ নিজের কলামে তা লেখার শুরুতে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
বেগম রওশন এরশাদের রাজনীতির সঙ্গে সহমত পোষণ না করলেও তার প্রতি আমার এক ধরনের শ্রদ্ধাবোধ আছে। বর্তমান জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেত্রী হিসেবে তার পারফরম্যান্স কখনও কখনও চমৎকার। দেশের বর্তমান রাজনীতিতে অত্যন্ত দুরূহ ভারসাম্য রক্ষায় তিনি যে দক্ষতা ও কৃতিত্বের পরিচয় দিচ্ছেন তা এক কথায় অনবদ্য। দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক সঙ্কটে তার এই গঠনমূলক ভূমিকা ইতিহাসে হয়তো একদিন স্বীকৃতি পাবে।
দেশে এখন রাজনৈতিক সংঘাত আছে, গণতান্ত্রিক বিরোধিতা নেই। এই বিরোধিতার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ ইচ্ছা না থাকলেও হয়তো একদলীয় শাসন ক্ষমতার অধিকারী হতো। বিএনপি ভীষ্মের শরশয্যা গ্রহণের মতো ইচ্ছামৃত্যুর পথ ধরে সংঘাতের রাজনীতিতে লিপ্ত রয়েছে। আন্দোলন নেই, আছে বিক্ষিপ্ত ও ব্যর্থ সন্ত্রাস। গত রোববারও বিএনপি ঢাকায় যা করেছে তা আত্মঘাতী গোল দেয়া ছাড়া আর কিছু নয়। বিএনপির সন্ত্রাসীরা যার গাড়ি পুড়িয়েছে, তা বিএনপি-নেত্রীরই উপদেষ্টা সাবিহউদ্দীন আহমদের। অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়ার আরেক প্রভাবশালী উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টুর বাড়িতে হামলা হয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর বেয়াই হলেও তার আসল পরিচয় তিনি খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহচর ও উপদেষ্টা। বিএনপির সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতেই হামলা চালিয়েছে। বিএনপিকে যে ডেথ উইশে পেয়েছে এটা তার প্রমাণ।
এ ক্ষেত্রে বেগম রওশন এরশাদ তার জাতীয় পার্টি নিয়ে একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তিনি দেশে গণতান্ত্রিক বিরোধিতার বদলে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে যে সন্ত্রাসী অভ্যুত্থান ঘটতে যাচ্ছিল, তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের গণতান্ত্রিক শাসনকে ক্ষমতা ধরে রাখতে সমর্থন দিয়েছেন, এমনকি তাদের সহযোগী হয়েছেন। অন্যদিকে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক বিরোধিতার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ যে অনিবার্য একদলীয় শাসনক্ষমতার অধিকারী হতো, তা ঠেকিয়ে রাখার জন্য সংসদে বিরোধী দলের অবস্থানও গ্রহণ করেছেন।
এটা একটা রাজনৈতিক দলের পরস্পরবিরোধী ভূমিকা মনে হতে পারে। কিন্তু কোনো কোনো দেশে কোনো কোনো সময় এমন রাজনৈতিক অবস্থা সৃষ্টি হয়, যে অবস্থায় গণতন্ত্রের স্বার্থেই কোনো কোনো রাজনৈতিক দলকে এ ধরনের স্ববিরোধী ভূমিকায় নামতে হয়। তাতে দলটির হয়তো ক্ষতি হয়। কিন্তু দেশের নাজুক গণতন্ত্র রক্ষা পায়। নজির হিসেবে প্রতিবেশী ভারতের কথা উল্লেখ করা যায়। দেশটি স্বাধীন হওয়ার পর নেহেরুর গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় বসে বটে, কিন্তু ক্ষমতায় বসার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীণ মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং বাইরের সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চক্রান্তের সম্মুখীন হয় নেহেরু সরকার।
স্বাধীনতা লাভের বছরখানেকের মধ্যে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী সাম্প্রদায়িক চক্রের হাতে নিহত হন। ক্ষমতাসীন দল কংগ্রেসের ভেতর থেকেই সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিক্রিয়াশীল অংশ নেহেরুর গণতান্ত্রিক ও সেকুলার রাষ্ট্রনীতিকে সাবোটাজ করার চক্রান্ত শুরু করে। বাইরে থেকে আমেরিকা তার নয়া সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের জালে ভারতকে বেঁধে ফেলার অপচেষ্টা চালায়।
এই সময় অবিভক্ত সিপিআই বা ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ছিল দেশটির বৃহত্তম দ্বিতীয় রাজনৈতিক দল। কথা ছিল তারা কংগ্রেসের বিরোধী দলের শক্তিশালী ভূমিকায় নামবেন। কিন্তু তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সিপিআই এমন এক নীতি গ্রহণ করে, যা পরে দলটির ভীষণ ক্ষতি করেছে; কিন্তু ভারতীয় গণতন্ত্রকে মৌলবাদী অভ্যুত্থান ও সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য থেকে রক্ষা করেছে। সিপিআইয়ের তখনকার সিদ্ধান্তটি ছিল তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রগতিশীল নীতির ক্ষেত্রে নেহেরু সরকারকে সমর্থন দেবেন, তবে সরকারে আসন গ্রহণ করবেন না। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে নেহেরু সরকারের ভুলভ্রান্তির তারা বিরোধিতা করে যাবেন।
এই নীতি সিপিআইকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কিন্তু ভারতীয় গণতন্ত্র সাম্প্রদায়িক ও সাম্রাজ্যবাদী থাবা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পেরেছে। দীর্ঘকাল পর ভারতের রাজনীতিতে এই একই নীতি গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছিল কয়েক বছর আগে বামফ্রন্টকে। দেশটিতে হিন্দুত্ববাদী অপশক্তি তখন মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে শক্তিশালী ও একক দল ক্ষমতায় না থাকায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ দীর্ঘকাল পর দেশটিতে তার সামরিক প্রভাব বিস্তারের চক্রান্ত সফল করতে চাচ্ছিল।
এ সময় বামফ্রন্ট সিদ্ধান্ত নেয়, তারা সাম্প্রদায়িক জোটের বিরুদ্ধে সোনিয়া-মনমোহন সিংয়ের সেকুলার কংগ্রেসী জোটকে ক্ষমতায় আসার কাজে সাহায্য জোগাবে। তারা তা জুগিয়েছে এবং কংগ্রেস জোট ক্ষমতায় বসার পর দীর্ঘ সময় তারা এই সরকারকে সমর্থন দিয়ে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছেন। অবশ্য তারা মন্ত্রিসভায় আসন নেননি। পরে নীতিগত প্রশ্নে এই সমর্থন তারা প্রত্যাহার করেন বটে, কিন্তু কংগ্রেস জোট সরকারের বিপদ তখন কেটে গিয়েছিল।
বাংলাদেশের জাতীয় পার্টি (এরশাদ) অবশ্যই বাম রাজনৈতিক দল নয়। কিন্তু এ কথা স্বীকার করতে হবে, বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে গত নির্বাচনবিরোধী সন্ত্রাসী আন্দোলন ব্যর্থ করার ব্যাপারে জাতীয় পার্টি একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে সফল করা এবং পরবর্তী পর্যায়ে মৌলবাদী সন্ত্রাসী জোট এবং একটি তথাকথিত সুশীল সমাজের সম্মিলিত হামলা থেকে নির্বাচন-পরবর্তী সরকারকে রক্ষা করার ব্যাপারেও দলটি তার সাধ্যমতো ভূমিকা গ্রহণ করেছে।
সরকারকে শুধু সমর্থন দেয়া নয়, তারা সরকারে আসন গ্রহণও করেছে। একই সঙ্গে সরকারে আসন গ্রহণ এবং সরকারের বিরোধিতার কথা বলা একটি রাজনৈতিক দলের স্ববিরোধী নীতি মনে হতে পারে। কিন্তু জাতীয় সঙ্কটে এই ধরনের ভূমিকা গ্রহণ দলের জন্য না হলেও দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য মঙ্গলজনক হয় তার উদাহরণ আগেই দিয়েছি।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, ‘সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে জাতীয় পার্টির সদস্যদের অচিরেই ফিরিয়ে আনা হবে। কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের জন্যই দলের নেতারা সরকার থেকে সরে আসবেন।’ বেগম রওশন এরশাদের মন্তব্যকে কেউ কেউ এই বলে বিশ্লেষণ করতে চেয়েছেন যে, তিনি বুঝি মধ্যবর্তী নির্বাচন চান। কিন্তু এই বিশ্লেষণের কোনো অবকাশ নেই। একই সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে মধ্যবর্তী নির্বাচন দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি, বিএনপির দাবির সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই।’ অর্থাৎ বিরোধীদলীয় নেত্রী চান, বর্তমান সংসদ তার মেয়াদ পূর্ণ করুক। হয়তো মন্ত্রিসভা থেকে সরে এসে তারা বিরোধী দলের স্বাভাবিক ভূমিকা গ্রহণ করতে চান।
মন্ত্রিসভা থেকে সরে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় পার্টি এখনও নেয়নি। দলনেতা এরশাদ সাহেব মন্ত্রিত্ব ত্যাগের সিদ্ধান্তের সঙ্গে হয়তো সহমত পোষণ করবেন না। তবে আমার ধারণা, জাতীয় পার্টি যদি মন্ত্রিত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তও নেয় (যা তারা এই মুহূর্তে নেবেন বলে মনে হয় না), তাহলেও তারা সরকারের ওপর সমর্থন প্রত্যাহার করবেন না। অগণতান্ত্রিক ও অশুভ শক্তির ক্ষমতা দখলের চক্রান্তের মুখে তারা আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার কাজে যে সচেষ্ট থাকবেন, তা বেগম রওশন এরশাদের কথার মধ্যেও স্পষ্ট।
বিএনপির বদলে জাতীয় পার্টি যদি দেশে সত্যিই বিরোধী দলের অবস্থান গ্রহণ করতে পারে, তাহলে এ কথা বলতে দ্বিধা করি না যে, আমি তাতে আনন্দিত হব। বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান এখন আর একটি গণতান্ত্রিক দলের নয়; এই অবস্থান এখন একটি সন্ত্রাসী দলের এবং তাদের ভূমিকাও রাষ্ট্রীয় আদর্শের বিরোধী, আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করতে গিয়ে তারা এখন স্বাধীনতা যুদ্ধের মৌল আদর্শ, এমনকি জাতির পিতার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণে দ্বিধা করছে না। স্বাধীনতার শত্রুদের সব স্লোগান ও প্রোপাগান্ডা এখন বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক মূলধন।
এ ক্ষেত্রে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার বিরোধিতার ক্ষেত্রে যদি রাষ্ট্রের মৌল আদর্শের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী একটি দলের আবির্ভাব ঘটে, দলটি শক্তি সঞ্চয় করে প্রকৃত বিরোধী দলের ভূমিকা গ্রহণ করে এবং সে দলটি হয় জাতীয় পার্টি, তাকে দেশপ্রেমিক মানুষ মাত্রই অভিনন্দন জানাবে। বেগম রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি এই অবস্থানে উঠে আসুক, সে কামনা আমি করি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুর আগে শেরিফের সাক্ষাৎকার
শেরিফ : আমরা আপনাদের বলেছিলাম আমরা নবীর সমর্থক (তার ওপর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক ) এবং আমি শেরিফ কোয়াশিকে আল কায়দার ইয়েমেন শাখা পাঠিয়েছে। ওকে?
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : ওকে, ওকে।
শেরিফ : আমি সেখানে (ইয়েমেন) গিয়েছিলাম এবং আনওয়ার আল আওলাকি আমাকে অর্থ দিয়েছিল।
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : এটা কত আগে
শেরিফ : তার মৃত্যুর আগে।
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : ওকে, তার মানে আপনি বেশি দিন আগে ফ্রান্সে ফেরত আসেননি?
শেরিফ : না, অনেক আগে আমি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে চিনি, তাদের সম্পর্কে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। আমি ভালোভাবেই জানি কাজটা ভালোভাবে করতে আমি কতটুকু সমর্থ।
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : ওকে, এখন কেবল আপনি এবং আপনার ভাই আছেন?
শেরিফ : এটা আপনার সমস্যা নয়।
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : কিন্তু আপনাদের পেছনে কি আর কেউ আছে নাকি নেই?
শেরিফ : এটা আপনার সমস্যা নয়।
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : ওকে, আল্লাহ নামে আপনাদের কি আরও হত্যার পরিকল্পনা আছে নাকি নেই?
শেরিফ : কাকে হত্যা?
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : আমি জানি না। আপনাকে আমি প্রশ্নটি করছি।
শেরিফ : গত দু’দিন ধরে আপনারা আমাদের খোঁজ চালাচ্ছেন, আমরা কি কোনো বেসামরিক লোককে হত্যা করেছি?
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : আপনারা সাংবাদিকদের হত্যা করেছেন।
শেরিফ : কিন্তু আমরা কি বেসামরিক লোককে হত্যা করেছি? বেসামরিক অথবা সাধারণ জনগণের জন্য দু’দিন ধরে আপনারা আমাদের খোঁজ চালাচ্ছেন? অথবা সাধারণ জনগণই কি দু’দিন ধরে আমাদের খোঁজ চালাচ্ছে?
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : শেরিফ একটু আপনারা কি আজ সকালে কাউকে হত্যা করেছেন?
শেরিফ : আমরা হত্যাকারী নই। আমরা মহানবীর অনুসারী। আমরা নারী হত্যা করি না। আমরা কাউকে হত্যা করিনি। আমরা নবীকে অনুসরণ করি। কেউ নবীর অবমাননা কবলে আমরা তাকে হত্যা করতে পারি। আমরা আপনাদের মতো নই। আপনারা সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তানে নারী ও শিশুদের হত্যা করছেন। আমরা এমন নই। ইসলামে তাদের সম্মানের একটি স্থান রয়েছে।
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী : কিন্তু আপনারাতো সেখানে প্রতিশোধ নিলেন। আপনারা ১২ জনকে হত্যা করেছেন।
শেরিফ : হ্যাঁ, কারণ আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। আপনি ভালো বলেছেন। আপনি নিজেই বললেন, আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। এনবিসি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের প্রথম গরুমন্ত্রী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লেজ উদ্ধার, ব্ল্যাকবক্স নেই
শুক্রবার সাগর থেকে ‘পিং’ সংকেত পাওয়ার কারণে আশপাশে কোথাও সেটি রয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এখন সংকেতটি কোথা থেকে এসেছে তা শনাক্তে কাজ চলছে। উদ্ধারকর্মীরা সমুদ্র থেকে এখনও বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করছেন। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। মালয়েশিয়াভিত্তিক এয়ার এশিয়ার কিউজেড ৮৫০১ ফ্লাইটের এ-৩২০-২০০ এয়ারবাসটি গত ২৮ ডিসেম্বর স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে জাভা সাগরে সকাল ৬টা ১৭ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছিল। বিমানটির ওই দিনই সকাল সাড়ে ৮টায় সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর কথা ছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজধানীতে দুটি বাসে আগুন

About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যবসায়ীর পায়ে পুলিশের গুলি!

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিবিদদের কাছে জনগণের খোলা চিঠি

আমরা অনেক আগে থেকেই জানি, আপনাদের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র। তবে এই ফুলের ঘ্রাণ, বর্ণ, রূপ সহ্য করার ক্ষমতা আমরা হারিয়ে ফেলেছি! এই ফুল যেন ধুতরা ফুল!
আপনারা দু–তিন দলে ভাগ হয়ে সস্তা দু–চারটা প্রাণের বিনিময়ে আমাদেরকে যেভাবে ধারাবাহিক নাটক উপহার দিয়ে যাচ্ছেন, তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। বিনোদনজগতে আপনারা অতি অবশ্যই চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। হ্যাঁ, কিছু নিন্দুক জিজ্ঞেস করছে, ‘এখন নাটকের দলগুলো কী করবে? রাজনীতি?’ তবে এই নিন্দুকদের কথায় পাত্তা দিয়ে আপনারা লাপাত্তা হয়ে যাবেন, এটা হতে পারে না! আপনাদের এমন নাটক করার পরই না আমরা জানতে পারলাম, আপনারাও কিছু করতে পারেন! ধন্যবাদ দিয়ে আপনাদের ছোট করব না, এর জন্য আপনারা নিজেরাই যথেষ্ট।
প্রিয় আত্মস্বীকৃত ‘প্রিয়বৃন্দ’, কদিন আগে দেখলাম, আপনাদের ইশারায় কী করে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী বালু ও ইটের ট্রাক নিয়ে নির্মাণকাজে হাত লাগিয়েছে। প্রকৌশলীরা তাঁদের কাজ হাতছাড়া হতে দেখে কিঞ্চিৎ মন খারাপ করলেও এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই। অবশ্য মাথা অতি মাত্রায় বিশ্রামে থাকলে এমনিতেও খুব একটা ঘামে না। এ ছাড়া পুলিশকে দিয়ে রোগী নির্বাচন করে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ঘটনাও ঘটিয়েছেন আপনারা। এ জন্য আপনাদের নোবেল প্রাইজ না দেওয়া হলে ঘোরতর অন্যায় হবে।
অন্যদিকে নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও দিব্যি ফোনালাপ করার মতো কীর্তি গড়েছেন আপনারা। বিদেশি ব্রাদারদের দিয়ে কাল্পনিক বিবৃতি লিখিয়েও সাহিত্য অঙ্গনে স্থাপন করেছেন বিরল দৃষ্টান্ত। রাজপথে যানবাহন পোড়ানোর উৎসব করে দেশকে রক্ষা করছেন শীতের প্রকোপ থেকে। অবরোধ নামক মিষ্টি এক কর্মসূচি দিয়ে ভাঙছেন বাংলাদেশের কৃষকের কোমর! আহা, কৃষকের জন্য আপনাদের সে কী ভালোবাসা! কৃষককে যেন রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে আর কষ্ট করতে না হয়, তার জন্যই তো এই ব্যবস্থা।
আপনাদের এক পক্ষ বলছে, ‘আমরা কেবল জনগণকেই চাই।’ অপর পক্ষ বলছে, ‘না, আমরাও জনগণকে চাই।’ কিন্তু যে হারে আমাদের লাশ ফেলছেন, তাতে মনে হচ্ছে আমরা আপনাদের কিছুটা চাইলেও, আপনারা আমাদেরকে কিছুতেই চান না। এসব বলে কী হবে! আপনাদের তো আর নিরস্ত করা যাবে না। আপনারা আমাদের বন্ধু হয়েই থাকবেন। আপনাদের ব্যবসা আছে, বিদেশে গাড়ি–বাড়ি করার ঝামেলা আছে, টাকা পাচারে মেধা খাটানোর ব্যাপার–স্যাপার আছে। এসবে কান দিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ কী!
একবার এক বিধ্বংসী ঝড় বাংলাদেশের দিকে আসতে আসতে নাকি অন্যদিকে ঘুরে গিয়েছিল। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ওই ঝড় অন্যদিকে ঘুরে যাওয়ার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আপনাদের। আপনারা যে আমাদেরকে ভালোবেসেই এসব করেন, এটাই তার প্রমাণ। তার পরও খুব বলতে ইচ্ছে করে, প্লিজ, আমাদের এতটা ভালোবাসবেন না। বড় প্রেম যে সব সময় কাছে টানে না, দূরেও ঠেলে দেয়!
ইতি
আপনাদের ভালোবাসার চাপে পিষ্ট
বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ
লেখা: মহিউদ্দিন কাউসার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমরা কেন পারছি না by এস এম মাসুম বিল্লাহ
![]() |
| লেখক: এস এম মাসুম বিল্লাহ |
![]() |
| নিউজিল্যান্ডের প্রাকৃতিক দৃশ্য |
প্রকৃতি, প্রাণী, উদ্ভিদ, মানুষ সবাই ভাগ করে নিয়েছে দেশটি। লম্বা সাদা মেঘের দেশ এটি মাওরি ভাষায় যার নাম আও-তে-রোয়া। পাহাড়ের বুক বিদীর্ণ করে আমরা এগিয়ে যেতে থাকি। পাহাড় এমন যত্ন করে কাটা যেন তার রূপে কোনো আঁচড় না পড়ে! পাহাড় অখুশি নয়। মানুষের ওপর তার আস্থা আছে! সে জানে আরও বড় মহৎ কিছু তাকে দিয়ে হচ্ছে। শুধু পাহাড় নয়, অন্য সবার ক্ষেত্রেই কথাটা প্রযোজ্য।
আমরা কেন বাংলার রূপ ধরে রাখতে পারছি না? ভেবে দেখলাম—অপরিণামদর্শীর মতো দেশটাকে শুষে নিচ্ছি আমরা মানুষ নামের প্রাণীরা। ‘আখ মাড়াইয়ের মতো নারীর জানু চেপে উৎপাদন করে চলেছি সন্তান৷’ ভূমি, পাহাড়, নদী আর বন বিরান করে দিয়েছি। কেড়ে নিয়েছি পাহাড়ের কান্না, নদীর বিরহ, বনের ঔদার্য আর প্রাণিকুলের নির্লিপ্ততা। নদী ও নারী শুষে নিয়ে এখন আমরা বিরস, বর্গি যেন। আমাদের নদীও আর নারীর মতো কথা কয় না৷
এক ঢাকা শহরকে যে মাত্রায় শোষণ করছি আমরা, ঢাকার মাটির যদি কণ্ঠ থাকত, তাহলে চিত্কার করে বলত, ‘দয়া করে আমাকে একটু বৃষ্টির স্বাদ নিতে দিন৷ আমার ভেতরটা জ্বলছে৷ একটু ইট, বালু, সুড়কি, কংক্রিট আমার বুকটা থেকে সরান৷ আমার পানির স্তরটা একটু বাড়াই, প্লিজ!’ কিন্তু কে শোনে কার কথা! আমাদের হৃদয় রড-সিমেন্টের বড় বিজ্ঞাপন।
ভেবে দেখলাম, এখানকার মানুষের দর্শন ভিন্ন। সব প্রজাতির কল্পিত পার্লামেন্টে নিউজিলান্ডের মানুষেরা নিজেদের একটা সদস্যমাত্র ভাবে। ইন্টার-জেনারেশনাল ইকুইটির কী প্রসন্ন প্রয়োগ সবখানে! বর্তমান প্রজন্ম ভবিষ্যতের প্রজন্মের কাছে একটা দায় অনুভব করে। একটা চড়ুই পাখিও বিনা কারণে ভূপাতিত হবে না—এই এদের মুক্তির দর্শন! আমার উপলব্ধিতে হয়তো রং আছে। কিন্তু যে বাংলার রং নিয়ে বড় হয়েছি, তাও তো দিনে দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে! এখন ফরিদা পারভিনের কিন্নরী কণ্ঠে কি ‘এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়ে, নির্ভয়ে নীলাকাশ রয়েছে নুয়ে’ শোনা যায়? হয়তো যায়, কিন্তু দেখা কী যায়?
(পিএইচডি শিক্ষার্থী, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুখোমুখি দু’পক্ষ- ঢাকায় আওয়ামী লীগের শোডাউন, ২০ দলের হরতাল

ব্যাপক লোক সমাগম করবে আওয়ামী লীগ: বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আজকের সমাবেশে ব্যাপক লোক সমাগমের লক্ষ্য রয়েছে। বেলা ২টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে এ সমাবেশ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আজকের জনসভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও বক্তব্য দেবেন। ১০ই জানুয়ারি এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার জন্য জনসভার তারিখ পিছিয়ে তা ১২ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। এ বিষয়ে ৮ই জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইজতেমার বিষয়টি ভাবনায় রেখে জনসভাটি ১০ই জানুয়ারির পরিবর্তে ১২ই জানুয়ারি (আজ) হবে বলে জানান আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। গত ৪ঠা জানুয়ারি উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রাজধানীতে সভা, সমাবেশ, মিছিল নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এদিকে সমাবেশে কয়েক লাখ লোকের সমাবেশ ঘটাতে চায় আওয়ামী লীগ। জনসভাকে সফল করার লক্ষ্যে দলের বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যলায়ে গত কয়েক দিন ধরে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা দফায় দফায় বৈঠক করেছে আওয়ামীলীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে। ধানমণ্ডিতে সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় শনিবার। এদিন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যৌথসভায় মিলিত হন ঢাকা মহানগর ও তার পার্শ্ববর্তী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার এমপিরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমসহ অন্য কেন্দ্রীয় নেতারা। বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ আজকের জনসভা সফল করতে ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগসহ দলের সবাইকে সর্বাত্মকভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগ ও ঢাকা মহনগরের একাধিক নেতা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা প্রায় অভিন্ন সুরে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সোমবারের সমাবেশ সফল করার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা কেন্দ্র থেকে দেয়া হয়েছে। জনসভায় যাতে ব্যাপক লোকসমাগম হয় সেজন্য ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে ব্যাপক লোকসমাগমের কথা বলা হয়েছে। এদিকে আজকের সমাবেশকে সফল করতে গতকাল বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ মহানগরের অন্য নেতারা। বক্তব্যে তারা মহানগরের প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিটের নেতাকর্মীদের বেলা ২টা বাজার আগেই সভাস্থলে পৌঁছার নির্দেশ দেন। তারা বলেন, ১২ই জানুয়ারির (আজ) সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপান্তরিত করতে যা যা করা দরকার তার সবই করা হবে।
রাজধানী ঘিরে ২০ দলের হরতাল: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে রাখা ও শীর্ষ নেতাদের মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদ এবং নেতাদের মুক্তির দাবিতে রাজধানীর চারপাশে ৪ জেলাসহ সারা দেশে ৭ জেলায় হরতাল ডেকেছে ২০ দল। ফেনীতে সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে ২০ দলীয় জোট। পাশাপাশি একই ঘটনায় ঢাকা জেলাসহ ১৬ জেলায় হরতাল ডেকেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। গতকাল মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই, গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকার, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ড. মোখছেদুর রহমান আলাদা ব্রিফিং ও বিবৃতিতে এ হরতালের ঘোষণা দেন। ওদিকে ঢাকাসহ ১৪ জেলায় সোমবার হরতাল ডেকেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। গতকাল ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হরতাল ডাকা জেলাগুলো হলো- ঢাকা, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, কুমিল্লা (উত্তর ও দক্ষিণ), ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর ও নেত্রকোনা। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান সংশ্লিষ্ট জেলা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হরতাল সফল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া আলাদাভাবে হরতালের ডাক দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল। গতকালের হরতালের সময়সীমা বাড়িয়ে আগামীকাল ভোর ৬টা পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করেছে বগুড়া জেলা ২০ দল। নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হরতাল ডেকেছে ফেনী জেলা ২০ দল। এছাড়া নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলায় হরতাল ডেকেছে উপজেলা বিএনপি। এদিকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)। হরতালে দেশের ব্যবসা, যান, মাল ও সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি।
আটকের পর ৫ নেতা নিখোঁজ, দাবি ছাত্রদলের: এদিকে পুলিশের হাতে আটকের পর রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের ৫ নেতা নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছে ছাত্রদল। গতকাল বিকালে ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার আটকের পর থেকে ওই ৫ ছাত্রনেতার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশও এ ব্যাপারে কিছু বলছে না। নিখোঁজ ছাত্রনেতারা হলেন- কলেজ শাখা ছাত্রদলের সমাজসেবা সম্পাদক জসীম উদ্দিন (বিএ-৩য় বর্ষ), সদস্য সুজন চন্দ্র দাস (ব্যবস্থাপনা-৩য়), রোমান আহম্মেদ (ব্যবস্থাপনা-৩য়), কেএম নাজমুল হাসান নিহাত (ইংরেজি-৪র্থ) ও ইরফান আহম্মেদ ফাহিম (বিএসএস-২য় বর্ষ)। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জহির উদ্দিন জানান, কবি নজরুল কলেজের ছাত্রদলের সমাজসেবা সম্পাদক জসীমকে গত শুক্রবার পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। জসীমের সন্ধান না পেয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে সারা দিন যোগাযোগ করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেনি। এরপর শনিবার সন্ধ্যার পরে জসীমের ফোন থেকে কল করে নিখোঁজ বাকি চারজনকে ভিক্টোরিয়া পার্কে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এরা যাওয়ার পর জসীমের পাশে ডিবি পুলিশকে দেখতে পায়। তারা আর সরে আসতে পারেনি, তাদেরও ডিবি ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের আটকের কথা ডিবি স্বীকার করেনি। এ বিষয়ে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ভিক্টোরিয়া পার্কের আশপাশ থেকে শনিবার রাতে ও গতকাল সন্দেহভাজন হিসেবে কয়েকজন আটক করা হয়েছে। তবে তিনি আটককৃতদের নাম জানাননি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 12
(59)
- রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-চট্টগ্রামে ১০ গাড়িতে আগুন
- ২২ জেলায় বিজিবি মোতায়েনের নির্দেশ by রোজিনা ইসলাম
- আ.লীগের সমাবেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস by মাহবুবুল...
- ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ খালেদা’
- নেতাদের বক্তব্যে শুধুই খালেদা by আবদুর রশিদ ও একরা...
- জনগণের নিরাপত্তা দিতে যা করার তাই করা হবে -শেখ হাসিনা
- পাড়া মহল্লায় সন্ত্রাসীদের খুজে বের করুন : প্রধানমন...
- আ. লীগের সমাবেশে শিশু-কিশোরের ভিড় by মাহবুবুল হক ...
- বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছেন সিরিসেনা
- অভিযুক্ত হচ্ছেন জেনারেল প্রেট্রাউস?
- গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দুর্বলতা স্পষ্ট
- এয়ারএশিয়া বিমানটির ‘ব্ল্যাক বক্স’ উদ্ধার
- খাদে ও ফাঁদে পড়েছে সরকার: অলি
- বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপযোগী ব্ল্যাকবেক্স আগ্রহ বাড়ছে
- ডিসেম্বর ও জানুয়ারির টেক্সচুয়াল শোক by জয়া ফারহানা
- ইট-বালুর ট্রাক আর পিপার স্প্রে দিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা...
- রাজনৈতিক দলের চিন্তাচেতনায় নারসিসিজমের বৈশিষ্ট্য b...
- বেগম রওশন এরশাদের কাছে আন্তরিক ক্ষমা চেয়ে by আবদুল...
- মৃত্যুর আগে শেরিফের সাক্ষাৎকার
- ভারতের প্রথম গরুমন্ত্রী
- লেজ উদ্ধার, ব্ল্যাকবক্স নেই
- রাজধানীতে দুটি বাসে আগুন
- ব্যবসায়ীর পায়ে পুলিশের গুলি!
- রাজনীতিবিদদের কাছে জনগণের খোলা চিঠি
- আমরা কেন পারছি না by এস এম মাসুম বিল্লাহ
- মুখোমুখি দু’পক্ষ- ঢাকায় আওয়ামী লীগের শোডাউন, ২০ দল...
- অবরোধে অচল সোনামসজিদ স্থলবন্দর
- পেয়ারা নিয়ে বিপাকে ঈশ্বরদীর কৃষকেরা by মাহাবুবুল হক
- বাংলাদেশের শীর্ষ ৫০ সম্পদশালী
- টানা অবরোধে মাঠ প্রশাসনে আতঙ্ক- বিজিবি চেয়ে বিভিন...
- অবরোধে ভেঙে পড়েছে পণ্য পরিবহন অস্থির চালের বাজার
- আরও ১২ গাড়িতে আগুন, দগ্ধ চালকের মৃত্যু- ট্রেনের স...
- মায়ের কবরে সমাহিত হবেন চাষী নজরুল
- চাষী নজরুল ছিলেন অভিভাবক
- হঠাৎই আমি ‘কালারড’! যেন ভয়ঙ্কর এক প্রাণী by সুমনা ...
- হাইকোর্ট থেকে তিনটি হাতবোমা উদ্ধার, আতঙ্ক
- সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ নারীপুলিশ নিহত
- ‘বঞ্চিত’ শিশুদের তুলিতে স্বপ্নের বিদ্যালয়
- মংলা-ঘষিয়াখালীর ৩২ খাল বেদখল by সুমেল সারাফাত
- বস্তিতে আগুন, শিশুর মৃত্যু- সবকিছু হারাল প্রায় ৫০০...
- মুসলিমবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে মিছিল- জার্মানির ড্রেসড...
- ফরাসিদের পাশে সারা বিশ্ব
- নাশকতা ঠেকাতে রেলে ৮,০০০ আনসার
- চট্টগ্রামে ৫৮ লাখ টাকা উদ্ধারে কাউকে শনাক্ত করতে প...
- আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত তুরাগতীর by ইকবাল আহমদ সর...
- ব্যবসা-বিনিয়োগ ঘিরে শঙ্কা by এমএম মাসুদ
- শামসুজ্জামান দুদু গ্রেপ্তার, ২০১৯ সালের আগে কোন আল...
- রাঙ্গামাটিতে কারফিউ by শংকর হোড়
- ঢাকা ছাড়ছেন হিদার ক্রুডেন- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সা...
- অঞ্জলীকে অনুসরণ করতো সন্ত্রাসীরা
- কয়েস লোদীকে রুখে দিলেন বিদ্রোহীরা by চৌধুরী মুমতাজ...
- মামলার ভারে সংসদ সচিবালয় by কাজী সোহাগ
- দিনভর অবরুদ্ধ গুলশান-বনানী
- এক কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকারের বিদায়
- নতুন নির্বাচনের আহ্বান সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির...
- কূটনীতিকদের স্মরণ করিয়ে দেয়া হলো
- হরতালে সিলেটে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ
- এসপি হারুনের কিশোরগঞ্জের বাসায় আগুন, মামলা
- ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্ট নিয়ে আপিল নিষ্পত্তি
-
▼
Jan 12
(59)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)








