Showing posts with label Soikot. Show all posts
Showing posts with label Soikot. Show all posts

Thursday, April 9, 2015

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় সম্পাদক পরিষদের নিন্দা

জাতীয় দৈনিকের জেলা সংবাদদাতাদের ওপর পুলিশ, প্রভাবশালী রাজনীতিক ও স্থানীয় অপরাধীদের নির্যাতন-হয়রানির ক্রমবর্ধমান ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকদের সংগঠন ‘সম্পাদক পরিষদ’। গতকাল এক বিবৃতিতে সম্পাদক পরিষদ এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৪ঠা এপ্রিল শনিবার ডেইলি স্টার-এর কার্যালয়ে গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্পাদক পরিষদের সভায় পুলিশ হেফাজতে প্রথম আলোর বাউফল প্রতিনিধি মিজানুর রহমানের ওপর নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনা বিশেষ করে আলোচিত হয়। মিজানুর রহমানের শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে পটুয়াখালীর জেলা সিভিল সার্জনের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন নিয়েও বিশদ আলোচনা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিজানুর রহমানের শরীরে জখম ও নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার কিডনিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সভায় বলা হয়, মিজানুর রহমানকে সাজানো মামলায় পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ পর্যন্ত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘পুলিশকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়া’ সংক্রান্ত মামলার শুনানির তারিখ ১৫ই এপ্রিল। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অপর চাঁদাবাজির মামলার শুনানি ২৮শে এপ্রিল। অর্থাৎ ২৮শে এপ্রিলের আগে তার জামিনে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা সত্ত্বেও তাকে জেলহাজতে আটকে রাখা হয়েছে। সম্পাদক পরিষদ এই ঘটনার নিন্দা ও মিজানুর রহমানের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। জেলা প্রতিনিধিদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সম্পাদক পরিষদের সদস্য সংবাদপত্রগুলোর জেলা প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্পাদক পরিষদের সভায় প্রেস কাউন্সিলের একটি সাম্প্রতিক চিঠির ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সম্পাদকদের উদ্দেশ্যে লেখা প্রেস কাউন্সিলের ওই চিঠিতে পেশাদার সাংবাদিকদের কাজের ওপর কিছু শর্ত আরোপের কথা জানানো হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতভাবে এই অভিমত পুনর্ব্যক্ত করা হয় যে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সুরক্ষা ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সম্পাদক পরিষদ জোরালো ভূমিকা পালন করবে। সভায় দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, দি ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক এএইচএম মোয়াজ্জেম হোসেন, দৈনিক ইত্তেফাক-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, সংবাদ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মনিরুজ্জামান, নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এমএম বাহাউদ্দিন করতোয়া সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক, বণিক বার্তা’র সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহ্‌মুদ ও ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান।

‘ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়া’ ইরানের পরমাণু চুক্তির অংশ নয়: ওবামা

‘ইসরাইলের টিকে থাকার অধিকারকে স্বীকৃতি দেবে তেহরান’- চুক্তিপত্রে লিখিতভাবে এমন শর্তের ভিত্তিতে ইরানের সঙ্গে যে কোন পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়া উচিত বলে মনে করে ইসরাইল। কিন্তু, গত রোববার ক্ষুব্ধ ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এহেন দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি একে ‘ বিচারের মৌলিক ভুল’ বলেও মন্তব্য করেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। যুক্তরাষ্ট্রের একটি রেডিও নেটওয়ার্ক এনপিআর’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, ইসরাইলের এ দাবি চুক্তির বাইরের বিষয়। ইরান সরকার তাদের মনোভাব ও প্রকৃতি সম্পূর্ণ বদলে না ফেলা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করবে না, ইসরাইলের দাবিকে ওবামা এ ধরনের অযৌক্তিক প্রসঙ্গের সমজাতীয় বলে মন্তব্য করেন। ওবামা বলেন, এবং আমি মনে করি সেটা বিচারের মৌলিক ভুল। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ক্ষমতাধর ৬ রাষ্ট্রের প্রাথমিকভাবে সম্পাদিত চুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ চুক্তিকে ‘বাজে চুক্তি’ বলেও অভিহিত করেছিলেন।

পাকিস্তান সীমান্তের কাছে ৮ ইরানি সেনা নিহত

পাকিস্তানের সীমান্ত থেকে অবৈধভাবে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরানে অনুপ্রবেশ করা সুন্নি বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে ইরানের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৮ সদস্য নিহত হয়েছেন। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর আলী আসগর মিরশেকারি জানিয়েছেন, পাকিস্তান থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অবৈধভাবে ইরানে প্রবেশ করে এবং সেখানে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে পিছু হটে পাকিস্তানে পালিয়ে আসার আগে তারা ৮ ইরানি সেনাকে হত্যা করে। পাকিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এ প্রদেশটিতে সুন্নি মুসলমান সম্প্রদায়ের একটি বৃহৎ অংশের বসবাস। মূলত, শিয়া-অধ্যুষিত ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর জঙ্গিদের হামলা নতুন নয়। তবে ২০১৩ সালের অক্টোবরে ইরানের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ১৪ সদস্য নিহত হওয়ার পর এটাই সবচেয়ে মারাত্মক প্রাণহানির ঘটনা। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল জঙ্গি সংগঠন জাইশ-উল আদল। একই জঙ্গি সংগঠন গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৫ ইরানি সেনাকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। গত এপ্রিলে এর মধ্যে ৪ সেনাকে জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দেয় জঙ্গি সংগঠনটি। পঞ্চম সেনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৫০০ মিটার সাঁতার কেটে ‘শতবর্ষী তরুণী’র বিশ্বরেকর্ড

বয়সটা সত্যি কোন বাধা নয়। শরীর বুড়িয়ে গেলেও, মনটা যদি চিরতরুণ থাকে তবে হিমালয়সম বাধা অতিক্রমের সামর্থ্য না থাকুক, প্রাণ খুলে হাসতে তো পারবেন! অপরূপ প্রকৃতির মধ্য দিয়ে হেঁটে সৌন্দর্যটাকে নিজের মধ্যে ধারণ তো করতে পারবেন! জাপানের এক শতবর্ষী নারী সেটাই করে দেখিয়েছেন। নতুন করে শিখিয়েছেন চিরতরুণ বা চিরতরুণীর সংজ্ঞা। বিশ্বাস করুন বা নাই করুন, ফ্রিস্টাইল সাঁতারে জাপানের ১০০ বছর বয়সী ‘তরুণী’ মিয়েকো নাগাওকা সাঁতার কেটে ১,৫০০ মিটারের দূরত্ব পাড়ি দিয়েছেন। আর তা করতে তিনি সময় নিয়েছেন মাত্র ১ ঘণ্টা ১৬ মিনিট। বিশ্বরেকর্ড তিনি গড়ে ফেলেছেন। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির অপেক্ষা। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তার এ অসামান্য কৃতিত্বকে বিশ্বসেরার মর্যাদা দেবে অচিরেই, এমনটা আশা করা হচ্ছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন গার্ডিয়ান। শহুরে কয়জন তরুণ বা তরুণী এ কাজটি করার সামর্থ্য দেখাতে পারবেন, সেটাও বোধ হয় প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়-চিহ্নের আড়ালে থেকে যাবে। হ্যাঁ, তিনি যা করেছেন, সেরকম দম রেখে সাঁতার কাটা আজকের দিনের শহুরে তরুণ-তরুণীদের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। গত শনিবার জাপানের পশ্চিমাঞ্চলীয় এহিম এলাকার একটি সুইমিং পুলে এ কৃতিত্ব গড়েন ‘শতবর্ষী তরুণী’ মিয়েকো। ১০০-১০৪ বছর বয়সী ক্যাটিগরিতে একমাত্র প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নেন তিনি। শুধু তাই নয়। মিয়েকো বলেছেন, যদি ১০৫ বছর পর্যন্ত বাঁচি, আমি সাঁতার কাটতে চাই। এখানেই শেষ নয়। লেখালেখির মতো অসামান্য ধৈর্য্যরে কাজও তিনি করে চলেছেন এ বয়সে। মিয়েকো নাগাওকার একটি বইও গত বছর প্রকাশিত হয়। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আমার বয়স ১০০ বছর এবং আমি বিশ্বের সেরা সক্রিয় সাঁতারু। আত্মবিশ্বাসেও বলীয়ান এ ‘শতবর্ষী তরুণী’। অলিম্পিকের যে ধরনের বড় সুইমিং পুল থাকে, ৯৯ বছর বয়সে সে ধরনের একটি সুইমিং পুলেও আয়োজিত ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতায় ১,৫০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছিলেন। ৮০ বছর বয়স থেকে সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। বিশ্বে নারীদের গড় আয়ুর দিক থেকে এগিয়ে জাপান। ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জাপানে নারীদের গড় আয়ু ছিল ৮৬ দশমিক ৬১ বছর। সে বছর জাপানের পুরুষদের গড় আয়ু ছিল ৮০ দশমিক ২১ বছর। বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তিও ছিলেন জাপানের মিসাও ওকাওয়া নামের এক নারী। সম্প্রতি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১১৭ বছর। জাপানের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাপানে প্রায় ৫৯,০০০ শতবর্ষী মানুষ ছিলেন। যার অর্থ, জাপানের প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৪৬ জনের বয়স ১০০ বছর বা তার বেশি।

খুলনায় সাবেক এমপির পুত্রবধূর রহস্যজনক আত্মহত্যা

খুলনায় সারা ফার্গুসা তন্বী (২১) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।  মঙ্গলবার রাতে নগরীর নুরনগর এলাকায় স্বামীর গৃহে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিলে এ ঘটনা ঘটে। তন্বী সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফ্‌ফার বিশ্বাসের ছেলে সোহেল বিশ্বাসের স্ত্রী। ঘটনার পর তন্বীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তন্বীর পরিবারের পক্ষ থেকে নির্যাতন করে মেয়েকে হত্যা করার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে আবদুল গফ্‌ফার বিশ্বাস বলেন, সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুত্রবধূ আত্মহত্যা করেছে। তিনি পুত্রবধূর ওপর পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোন  ঘটনা ঘটেনি। খালিশপুর থানার এস আই কমল কান্তি পাল বলেন, বুধবার সকালে খবর পেয়ে নুরনগরে গফ্‌ফার বিশ্বাসের বাড়ির বারান্দায় খাটিয়ার ওপর তন্বীর লাশ পাওয়া যায়। পারিবারিক কলহের জের ধরে সে আত্মহত্যা করেছে বলে শোনা গেছে। ময়নাতদন্তের পর প্রাপ্ত প্রতিবেদনে প্রকৃত তথ্য জানা সম্ভব হবে। নিহত তন্বী খুলনা সোনাডাঙ্গা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কামরুল আলম মিন্টুর কন্যা। আর সোহেল বিশ্বাস মহানগর জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি, খুলনা বিভাগীয় ট্রাক ও বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাবেক এমপি আব্দুল গফ্‌ফার বিশ্বাসের পুত্র।

সীমান্ত এলাকায় গুলিবর্ষণ না করতে বিজিবির অনুরোধ

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী গুলিবর্ষণ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের কর্মকর্তারা। গতকাল দুপুরে সীমান্তের ঘুমধুম ফ্রেন্ডশীপ ব্রিজের কাছে বিজিবি-বিজিপি সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিপির কর্মকর্তাদের কাছে সীমান্তে অহেতুক গুলিবর্ষণ বন্ধের দাবিও জানানো হয়। এ সময় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকর্তারা সীমান্তে গুলিবর্ষণের কথা স্বীকার করে জানান, আতঙ্ক সৃষ্টি করতে নয়, সীমান্তে মিয়ানমারের ওপারে হাতি তাড়ানোর লক্ষে সীমান্তরক্ষীরা ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে থাকে। পতাকা বৈঠকে মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ বন্ধে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়। পতাকা বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিককালে ব্যাপক হারে মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। তাদেরকে আটক করে বিজিবি ফেরতও পাঠাচ্ছে। পতাকা বৈঠকে সীমান্তে একটি বর্ডার লিয়াজোঁ অফিস স্থাপনের বিষয়ে বিজিবি-বিজিপি ঐক্যমতে পৌঁছে। পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরে কর্মান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ খালেকুজ্জামান।  অপরদিকে মিয়ানমারের পক্ষে ৯ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিপির মংডু সেক্টরের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল মিউ সুই। দুপুর ১২টা থেকে ২ ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে মাদক ইয়াবা পাচারকারীদের তৎপরতা বন্ধের কার্যক্রম গ্রহণ করা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তে বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যা দূরীকরণে উভয় দেশের কর্মকর্তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান এবং পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এতে বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, উপ-মহাপরিচালক, মো. খালেকুজ্জামান, পিএসসি এবং মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন নং-১ বর্ডার গার্ড পুলিশ কমান্ডিং অফিস, মংডু, মিয়ানমারের, সেকেন্ড কমান্ডিং অফিসার পুলিশ কর্নেল ‘মিউ সুই’ (গুড় ঝবি)। এ ছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে কক্সবাজার, নাইক্ষ্যংছড়ি, রামু এবং টেকনাফ ব্যাটালিয়নের চারজন অধিনায়কগণসহ সর্বমোট ১৪ জন উপস্থিত ছিলেন। মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের মধ্যে ২ জন লেঃ কর্নেলসহ ৯ জন উপস্থিত ছিলেন।

শিগগিরই ১০,০০০ নার্স নিয়োগ by ইকবাল আহমদ সরকার

আমরা যা কিছু করছি সব জনগণের কল্যাণ ও সেবার জন্য করছি। আমাদের উদ্দেশ্য দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে  দেয়া। এ লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের জনগণের প্রতিটি মৌলিক চাহিদা পূরণই হচ্ছে আমাদের প্রধান কাজ। সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। আর বিদেশে চিকিৎসা নয়, এদেশেই আমরা আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা পেতে পারি সে লক্ষ্যে হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে। আর আমি বিদেশে নয় আজ থেকে এই হাসপাতালে সব ধরনের চিকিৎসা নেব। গাজীপুরের কাশিমপুরের তেঁতুইবাড়ি এলাকায়  শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব  মেমোরিয়াল হাসপাতালের কেপিজে কলেজ চত্বরে নার্সিং কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম  মোজাম্মেল হক, প্রকল্প পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, মালয়েশিয়া কেপিজে হেলথ  কেয়ার বার্হাডের প্রেসিডেন্ট তুয়ান হাজী আমির উদ্দিন আবদুল সাতার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, নার্সিং পেশাকে আমি অত্যন্ত সম্মান করি। একজন রোগী ডাক্তারের চিকিৎসা নেন বটে, কিন্তু একজন নার্সের হাতের স্পর্শে,  সেবাযত্নই একজন রোগীকে সুস্থ করে তোলে। সুস্থ হওয়ার প্রেরণা  যোগায়। নার্সিং পেশাকে তাই আমি  শ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে বিবেচনা করি।  শিগগিরই আরো ১০ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হবে। এ জন্য পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রথমবার ক্ষমতায় এসেও আমরা নার্স নিয়োগ দিয়েছি। অনেক নীতিমালা শিথিল করেও নিয়োগ দিয়েছি। এই পেশাকে আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়েছি। নার্সিং  পেশাকে আমাদের দেশে নিচু হিসেবে দেখা হতো। চাকরির  ক্ষেত্রেও এ পেশা ছিল তৃতীয়  শ্রেণীভুক্ত। স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষিত   মেয়েরা এ পেশায় আসতো না। বিজ্ঞান বিষয় ছাড়া কেউ নার্সিংয়ে আসতে পারবে না বলে কারিকুলামে বাধ্যবাধকতা ছিল। আমরা এসব দূর করেছি। ক্ষমতায় এসে বলেছি, সরকারি-বেসরকারি খাতে নার্সিং ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের চেয়ে এ দেশের মানুষকে বেশি ভালোবেসেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গ্রামবাংলার মানুষের জন্য কাজ করেছেন, জেল খেটেছেন। পাশে  থেকে সবসময় তার সঙ্গে কাজ করেছেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। আড়ালে  থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। মানবতার সেবায় তিনিও নিয়োজিত ছিলেন সবসময়। ভবিষ্যতে এই হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যার ও মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করার অঙ্গীকার করে তিনি আরো বলেন, এই এলাকায় প্রচুর শিল্প-কারখানা রয়েছে। সেখানে অনেক শ্রমিক কাজ করে। কিন্তু হঠাৎ  কোন দুর্ঘটনা ঘটলে চিকিৎসার তেমন সুযোগ নেই। এখানকার রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটলেও চিকিৎসার ব্যবস্থা  নেই। তাই এই হাসপাতাল করা হয়েছে। হাসপাতালে চলাচলের সুবিধার্থে সামনে একটি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হবে। নার্সিংয়ের বেসিক  কোর্সে ২৪ ও পোস্ট বেসিক কোর্সে ৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে আজ থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো নার্সিং কলেজটি।

ড. ইউনূস ক্ষুদ্রঋণের স্থপতি: অর্থমন্ত্রী

ক্ষুদ্রঋণের সুবিধা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে এর ওপর মুনাফা কমানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) অডিটোরিয়ামে ‘প্রোমোটিং মাইক্রো ফাইন্যান্স ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট ইন আইওআরএ রিজন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য দূরীকরণে ক্ষুদ্রঋণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ক্ষুদ্রঋণ গ্রাম ও শহরের নারীদের স্বাবলম্বী করতে দারুণ ভূমিকা রাখছে। এ সময় ড. মোহাম্মদ ইউনূসের প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ড. ইউনূস হলেন ক্ষুদ্রঋণের স্থপতি। এ কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন পিকেএসএফ’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী খলিকুজ্জামান। ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পিকেএসএফ যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করেছে। আইওআরএ’র ২০টি সদস্য দেশের মধ্যে ১২টি দেশ এ কর্মশালায় অংশ নিয়েছে।