Showing posts with label Principal Sanaullah. Show all posts
Showing posts with label Principal Sanaullah. Show all posts

Sunday, November 30, 2014

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসে ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত


গত ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রামের একমাত্র ক্লাস নির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসে প্রি-নার্সারী থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন সেকশনের ১২টি ক্লাসে পর্যাক্রমে ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাস পার্টি উদ্ভোধন করেন মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম, মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ শরিফুল কাদের চৌধুরী, কো-অর্ডিনেটর শিহাব উদ্দিন, বালিকা হোষ্টেল সুপার সাজেদা বেগম মিনু,শিক্ষক ওসমান বেনজির, রঞ্জন রায় চৌধুরী,কাজি মোহাম্মদ সাইয়েদ, চেমন আরা, সাইফুল ইসলাম,নজরুল ইসলাম,বৈশাখী বনিক,আবিদা নুর মনি লক্ষী রানী,নাসরিন আক্তার,পাপিয়া সেন প্রমূখ। অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ প্রতিটি ক্লাস পার্টি উদ্ভোধনের পূর্বে ছাত্র-ছাত্রীর উদেশ্যে বলেন, জীবনের  সব চাইতে আনন্দের বিষয় হচ্ছে শিক্ষা গ্রহণ, সেই আনন্দের প্রাপ্তির পূর্ণতা লাভ হচ্ছে নিজেকে  একাডেমীক ভাবে শিক্ষিত করা। সামনের বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, সারা বৎসরের লেখা-পড়ার মূল্যায়ন হচ্ছে বার্ষিক পরীক্ষা। এই মূল্যায়নের জন্য  শিক্ষার্থীদের দক্ষতা প্রমানের জন্য সামনের পরীক্ষাগুলোতে অবশ্যই  ভালো করতে হবে। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদেরকে আরো সচেতন ও নিজে কর্তব্যপরায়ন হতে হবে।

Saturday, November 29, 2014

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চকবাজার শাখায় ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

গত ২৯ নভেম্বর চট্টগ্রামের একমাত্র ক্লাস নির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চকবাজার শাখায় প্রি-নার্সারী থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন সেকশনের ১৬টি ক্লাসে পর্যাক্রমে ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী উৎসব মুখর ক্লাস পার্টি উদ্ভোধন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। এই সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোরশেদ হোসেন। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের সিনিয়র শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন। উক্ত প্রতিষ্ঠানের চীফ কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল, উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল, চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম, মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ শরিফুল কাদের চৌধুরী, মনোয়ারা বেগম, স্বপ্না রানী দত্ত, শওকত ওসমান, দেবাশিষ বড়–য়া, সঞ্জয় কান্তি দাশ প্রমূখ। অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ প্রতিটি ক্লাস পার্টি উদ্ভোধনের পূর্বে ছাত্র-ছাত্রীর উদ্যেশ্যে বলেন, জীবনের সফলতা অর্জনে অধ্যবসার কোন বিকল্প নাই, কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে হলে সময়কে কাজে লাগাতে হবে তাতেই সফলতা অর্জন হবে। সামনের বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন সারা বৎসরের লেখা-পড়ার মূল্যায়ন হচ্ছে বার্ষিক পরীক্ষা এই মূল্যায়নেই শিক্ষার্থীর দক্ষতা প্রমাণ করে।

Saturday, October 18, 2014

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সমন্বয় দরকার : স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, আঞ্চলিক সমন্বয় ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। এ অঞ্চলের কাঙ্খিত উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে সহযোগিতার মাধ্যমে সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী থেকে যথাযথ পানি বণ্টনের মাধ্যমে দুই দেশের পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল শুক্রবার নয়া দিল্লিতে ‘দিল্লি পলিসি গ্র“প আয়োজিত ভিশন-২০১৪ রিজওনাল কো-অপারেশন’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সার্কের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল শীলকান্ত শর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নেপালের বাণিজ্যমন্ত্রী সুনীল বাহাদুর থাপা, শ্রীলঙ্কার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিথা বোগোলাগামা বক্তৃতা করেন। এ সময় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক এ. করিম উপস্থিত ছিলেন বলে আজ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

স্পিকার বলেন, ভারত সরকার ও দেশটির জনগণ ’৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছিল, সেটা বাংলাদেশ চিরকাল মনে রাখবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা দু’দেশের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করে পারস্পরিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, জনগণের মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এ অঞ্চলের প্রতিটি দেশকে আন্তরিকভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ। দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়ন, সব ধরনের সন্ত্রাস রোধের মাধ্যমে এ অঞ্চলের সব দেশকে একযোগে কাজ  করে টেকসই উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সব দেশকে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে হবে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে সার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব-এশিয়া তাদের উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়েছে। আগামীতে সার্ক আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের

ভারত পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ‘নির্ভয়’-এর সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে। গতকাল শুক্রবার ওডিশা উপকূলের চাঁদিপুরে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা চালানো হয়। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার। ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভয় ৭০০ কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। রাডারে এর উপস্থিতি শনাক্ত করা সহজ নয়। এ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানোর মধ্য দিয়ে ভারত কাছাকাছি দূরত্বের ‘শত্রুদেশের’ অভ্যন্তরে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করল। ভারতের অগ্নিসহ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে নির্ভয়ের বিশেষ পার্থক্য হলো এর ডানা আছে। নির্ভয় ছোড়া হয় ক্ষেপণাস্ত্রের মতো করেই। কিন্তু পরে এটি ডানা মেলে বিমানের মতো চলতে পারে। এটি লক্ষ্যবস্তুর কাছে বাতাসে স্থির হয়ে ভেসে থাকতে পারে এবং যেকোনো দিক থেকে আঘাত হানতে পারে। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) তৈরি করা নির্ভয় শব্দের কাছাকাছি গতিতে চলতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এর আগেও ভারত দূরপাল্লাসহ কৌশলগত বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। কিন্তু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এটাই প্রথম। নির্ভয়কে মার্কিন টোমাহক ও পাকিস্তানের বাবর ক্ষেপণাস্ত্রের ভারতীয় সংস্করণ বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এর আগে গত বছরের ১২ মার্চ নির্ভয়-এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের প্রায় ২০ মিনিট পর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এর ইঞ্জিন বিকল করা হয়। পরে এটি উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় আছড়ে পড়ে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। মোদির বৈঠক: এদিকে দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গতকাল সকালে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সব সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে এটিই তাঁর প্রথম বৈঠক। নয়াদিল্লির এই বৈঠকে মোদি তাঁর কৌশলগত লক্ষ্য সম্পর্কে শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। এ ছাড়া সীমান্ত পরিস্থিতিসহ দেশের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলেন তিনি। পাকিস্তান ও চীনের সেনাদের সীমান্তে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ‘লঙ্ঘনের’ বিষয়েও কমান্ডারদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।