Saturday, July 13, 2019
দুই যুবতীর বিয়ে

মঙ্গলবার বিকাল থেকেই এ খবর বাতাসের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ভারতে। ঘটনাটি ঘটেছে বারানসির ধাগড়বীর হনুমান মন্দিরে।
২ জুলাই মঙ্গলবার জিন্সের প্যান্ট ও টি-শার্ট পরা ওই দুই যুবতী ওই মন্দিরে গিয়ে উপস্থিত হন। তারা সেখানে বিয়ের ওড়না পড়েন। তারপর মালা বদল করেন। মাথায় পরে নেন সিঁদুর। এর মধ্য দিয়ে তারা একজন অন্যজনকে বিয়ে সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় সময় দুপুর একটায় কুরসাটো গ্রামের এক যুবক-যুবতীর বিয়ে হচ্ছিল একটি মন্দিরে। তখন অটোতে করে সেখানে হাজির হন ওই যুবতী। তারা গোপালজিকে ডাকতে থাকেন। গোপালজি মন্দিরের বিভিন্ন হিসাব ও রেকর্ড সংরক্ষণ করেন। এ সময় তারা বলেন, তারা কানপুর থেকে সেখানে গিয়েছেন। বিয়ে করতে চান। গোপালজি বলেন, তিনি তাদের কাছে বর কই জানতে চাইলে তারা বলেন, তারাই একজন অন্যজনকে বিয়ে করবেন। তারা বলেন, তারা কাজিন। খুব ভাল বন্ধু। সারাজীবন এক সঙ্গে কাটাতে চান। ওই দুই যুবতী বলেন, অন্য কারো সঙ্গে বিয়ে দিয়ে তাদের পরিবার আলাদা করে দেবে তাদেরকে।
এমন কথা শুনে মন্দিরের ভিতরে তাদের বিয়েতে কোনো সাহায্য করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন গোপালজি। এ সময় তারা মন্দিরের ভিতরে থাকা অন্যদের কাছে জানতে চান, কোথায় বিয়ে পড়ানো হয়। তাদেরকে একটি শিব মন্দিরের খবর দেয়া হয়, যা ধাগড়বীর হনুমান মন্দির চত্বরে। ঠিকানামতো তারা সেখানে চলে যান। এই মন্দিরের একজন পুরোহিত বাচানু বলেন, ওই দুই যুবতী মন্দিরের ভিতরে গিয়ে বসেন কয়েক মিনিটের জন্য। তারপরই তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিয়ের ওড়না বের করে তা পরে ফেলেন। তারা প্রার্থনা সেরে একে অন্যের মাথায় সিঁদুর পরিয়ে দেন। তারপর দেবদেবীদের সামনে মালা ও মঙ্গলসূত্র বদল করেন।
এ সময় ওই মন্দিরের মধ্যে আরেকটি বিয়ে পড়াচ্ছিলেন আরেক পুরোহিত শিব শঙ্কর তিওয়ারি। তিনি বলেন, অন্য বিয়ের অনুষ্ঠানে আসা মানুষে ভর্তি ছিল মন্দির। তারা সবাই ওই দুই যুবতীর কাণ্ডকারখানা দেখছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘তোমরা হাঁস, মুরগীর মত বেঁধে ছেলেয়েদের বড় করো’

পরিবার গুলো জানায়, উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের দ: কোলকোন্দ গ্রামের মটের পাড় বাঁধের ধারে তারা বসবাস করে আসছিল। বাঁধ সংস্কার করায় তাদের বাড়ি-ঘর সড়িয়ে দেয়া হয়। বসবাসের জায়গা না থাকায় ওই এলাকায় বাঁধের ধারের একটু দুরে দীপের মত এক খন্ড জায়গায় পরিবারগুলো চাপাচাপি করে বাড়ি পূর্ণ স্থাপন করে বসবাস শুরু করে। তাদের বসবাসকৃত জায়গা টুকুর পিছঁনে নিচু জলাশয় ও সামনে একটা পুকুরের মত বড় গর্ত এবং দক্ষিণ দিকে জলাশয় আর উত্তর দিকে রাস্তা। উত্তর দিকের ৩/৪ বাড়ির লোকজন বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তা উঠে চলাচল করতে পারলেও বাকী বাড়ির লোকজন বের হওয়ার মত কোন রাস্তা বা জায়গা নাই। ফলে তারা এক বাড়ির ভিতর দিয়ে আরেক বাড়ির লোকজন কোন রকম চলাচল করছে।
সরজমিন দেখা যায় আব্দুল হামিদ, মোজাম্মেল, মতিয়ার রহমান, লাল মিয়া, ঋরনা বেগম, দীপা বেগম, রনজিনা বেগম, মমতাজ, নিলুফা, সুজা মিয়া, দুলাল, রাবেয়া, মনোয়ার, বাবু মিয়া, সোয়াদ, রোকছানা জানান, বাঁধের ধারে বাড়ি করে বসবাস করে আসছিলাম।
বাঁধ সংস্কার করায় আমাদের সেখান থেকে উচ্ছেদ করে। নিরুপায় হয়ে সামান্য একটু জায়গাতে ঠেলাঠেলি করে বাড়ি করে ২৫ পরিবার বসবাস শুরু করে। কিন্তু বসবাসকৃত জায়গাটাও নিচু। সামান্য বৃষ্টি হলে বাড়িতে পানি উঠে। তাছাড়া বাড়ি থেকে বের হওয়ার মত কোন জায়গা না থাকায় কষ্টে আছি। ছোট ছেলেমেয়ে ও গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী নিয়ে পড়েছি বিপাকে। বাড়ির সবদিকে নিচু জলাশয় থাকায় বাড়ি করার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ৩টি শিশু পানিতে পড়ে ছিলো। এমন মানবিক জীবন থেকে পরিত্রাণ পেতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ ও ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্যর সাথে আলোচনা করে বাড়ির সামনে ও বাঁেধর ধারের গভীর গর্তটি ভরাটের উদ্যোগ নেই। ওই গর্তটি ভরাট হলে আমাদের কষ্ট কেটে যাবে চলাচলে কোন সমস্যা হবেনা। সেজন্য একজন জমির মালিকের সঙ্গে কথা বলে নিজেদের টাকা খরচ করে সেখান থেকে মেশিন দিয়ে মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করি। কিন্তু জনৈক দু’জন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মেশিন দ্বারা মাটি উত্তোলনের অপরাধে ওসির কথা বলে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে তাদের মাটি উত্তোলন বন্ধ করে দিবে। আমরা তাদের টাকা না দেওয়ায় সামান্য মাটি না কাটতেই পুলিশ এসে মাটি উত্তোলন বন্ধ করে দিয়ে বলে, 'তোমরা হাঁস, মুরগীর মত বেঁধে ছোট ছেলেয়েদের বড় করো।' তারা আরো বলেন, স্তিস্তা নদীসহ বিভিন্ন এলাকায় অবাধে মাটি বালু উত্তোলন করে রাস্তা ঘাটের কাজ করছে, কেউ বিক্রি করছে সেখানে বন্ধ না করে আমরা বসবাসের জন্য মাটি কাটলে অপরাধ যদি হয় তাহলে মানবিকতা কোথায় থাকলো। কে দেখবে আমাদের মাবেতর জীবন যাপনের কষ্ট।
আমরা প্রশাসনের কাছে সরকারিভাবে মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করে শান্তিতে বসবাসের দাবি করছি। ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু বলেন, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা এ গুলো নাগরিকের নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্র তথা সরকারের। এ কথা বিবেচনা করে মানুষ গুলোর কষ্টের কথা ভেবে মাটি ভরাটের কথা বলে ছিলাম। আইনে মেশিন মাটি উত্তোলন অপরাধ তাই প্রশাসন বন্ধ করে দেয়। মানিক বিবেচনায় তাদের কষ্ট লাঘবে প্রশাসনের সহযোগী প্রয়োজন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পদ্মার ভাঙনে আতঙ্কে হাজারো মানুষ by কাজী তানভীর মাহমুদ
![]() |
| ভাঙছে পদ্মার পাড়, বাড়ছে আতঙ্ক |
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া, দেবগ্রাম ও ছোটভাকলা, সদর উপজেলার বরাট, অন্তরমোড়, গোদারবাজার, সিলিমপুর ও মহাদেবপুর, পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ও বাহাদুরপুর, কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ও কালিকাপুর এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া, কোনাগ্রাম, গয়েশপুর এলাকায় পদ্মার পাড় ভাঙছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার সিলিমপুর এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ফেলা জিও ব্যাগসহ অন্তত একশ’ মিটার এলাকা ধসে নদীতে বিলীন হয়েছে।
সিলিমপুর এলাকার বাসিন্দা জহুরা বেগম বলেন, ‘নদীর ভাঙন যেভাবে দেখা দিয়েছে, এবছর আর বসতবাড়িতে থাকা সম্ভব না। নদীর শোঁ শোঁ শব্দে ভয়ে সন্তানদের নিয়ে রাতের বেলায় ঘুমাতে পারছি না। সবসময় মনে হয়, এই বুঝি আমাদের বসতবাড়ি নদীগর্ভে গেলো।’
একই এলাকার গৃহবধূ ফুলজান বিবি বলেন, ‘প্রতিবছর নদী ভাঙে। আবার সরকার কাজও করে। কাজ মজবুত হয় না বলে ফের ভাঙন শুরু হয়। আমার বাড়ি দুই বার ভেঙেছে। এবছর যাওয়ার আর জায়গা নেই। কোথাও জমিজমা নেই যে, সেখানে বাড়ি করবো।’
সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ছবদুল হোসেন বলেন, ‘ঝুঁকিতে রয়েছে সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে, আর কয়েকদিন ভাঙলেই এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দিতে হবে।’
গোয়ালন্দের ছোট ভাকলা ইউনিয়নের বাসিন্দা জসিম খাঁ বলেন, ‘নিজেদের বাড়ির কাছে দুই বিঘার একটু বেশি জমিতে ধানের আবাদ করেছিলাম। একবিঘার মতো জমির ধান কাটতে পারলেও বাকি একবিঘা নদীতে বিলীন হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও পদ্মায় পানি বাড়ায় পাড় ভাঙছে। ইতোমধ্যে অনেকেই ভাঙন আতঙ্কে বাড়িঘরও অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে।’
একই এলাকার বাসিন্দা সিরাজ খান বলেন, ‘ঘন ঘন ঝড়-বৃষ্টির কারণে নদী উত্তাল। ঢেউ পাড়ে এসে আঘাত করছে। আর তখনই পাড় ভাঙছে। এভাবেই গত এক সপ্তাহে অনেকের ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনরোধের দাবি জানিয়ে আসছি। এখনই ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বর্ষা মৌসুমে আরও অনেক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
অপরদিকে পদ্মার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চর মজলিশপুর, কাশেমপুর, মহিদাপুর গ্রামের আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও এর উজান ও ভাটিতে ভাঙন-আতঙ্কে রয়েছে শত শত পরিবার। এ ছাড়া, দেবগ্রাম ইউনিয়নের কউয়ালজানি ও দেবগ্রামে নদী তীরের ফসলি জমিতে ভাঙন শুরু হয়েছে।
গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন জানান, ইউনিয়নের চর বরাট, ছোট জলো, গোড়া মারা ও কাওয়ালজানির আংশিক মৌজা নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। ওই চারটি মৌজার পদ্মা তীরবর্তী হওয়ায় অন্তত ৫০ একর আবাদি কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়েছে।
রাজবাড়ী পাউবো সূত্রে জানা গেছে, পদ্মার ভাঙনরোধে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শুরু হয়েছে শহররক্ষা বাঁধ ফেইজ-২ প্রকল্পের কাজ। শহরের গোদার বাজার থেকে ২ দশমিক ৫ কি.মি. উজান এবং ৩ কি.মি. ভাটি এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ সাড়ে ৪ কি.মি. এলাকা এ প্রকল্পের আওতায় থাকবে। প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের জন্য সরকারিভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন খুলনা শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষকে। খুলনা শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ আবার ডিবিএল নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োজিত করেছে। রাজবাড়ী শহররক্ষা বাঁধ ফেইজ-২ প্রকল্পের কাজ ২০২০ সালের ৩১ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডিবিএল-এর প্রকৌশলী মো. ইউনুস হোসেন বলেন, ‘এই কাজ করতে স্থানীয়দের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বর্তমানে নদীতে যে স্রোত, তাতে আমাদের ফেলা বালুর বস্তা টিকবে না। তারপরও আমাদের পর্যাপ্ত বালুর বস্তা তৈরি করা আছে। তাৎক্ষণিক সেই বস্তাগুলো নদীতে ফেলা হবে।’
পাউবো রাজবাড়ীর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান, ভাঙনকবলিত গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ও সদর উপজেলার মহাদেবপুর এলাকায় কাজ চলছে। এ ছাড়া, জরুরি ভিত্তিতে কাজ করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম জানান, ইতোমধ্যে ৮ কিলোমিটার এলাকায় পদ্মার নদী ভাঙনরোধে কাজ চলছে। আরও ১৭ কিলোমিটারের জন্য ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলমান আছে। আমরা আশাবাদী, বাকি অংশের কাজও তাড়াতাড়ি শুরু হবে।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাকজমকপূর্ণ বৌভাত মোস্তাফিজের

আপনারা যারা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এসেছেন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে আপনাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে অবশ্যই কেউ না খেয়ে আমার বাড়ি থেকে যাবেন না। অনুষ্ঠাণে যোগ দিয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্তমান সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দসহ রাজনৈতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নেতৃবৃন্দ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপহরণকারীদের কবল থেকে যেভাবে পালিয়ে এলো তাসলিমা -মাইক্রোবাসে ছিলো আরও দুই শিশু

জানা যায়, শনিবার ভোর ৬টায় নানার বাড়ি থেকে বের হয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়ক সংলগ্ন খলিলপুর-পেরুল বাইতুন নূর জামে মসজিদ মক্তবে যাচ্ছিলো কিশোরী তাসলিমা। এ সময় বোরকা পরিহিত এক মহিলা মুখে রোমাল দিয়ে চেঁপে ধরে তাকে কালো রংয়ের মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নেয়।
আনুমানিক সকাল ৭টার দিকে একই উপজেলার জামতলী এলাকায় পৌঁছলে মাইক্রোবাস থামিয়ে অপহরণকারীদের একজন (ছেলে) সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলো।
এ সুযোগে মহিলাকে ধাক্কা দিয়ে তাসলিমা মাইক্রো থেকে লাফিয়ে দৌঁড় দেয়। পরে স্থানীয়রা তাসলিমাকে পেরুল নানার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। খবর পেয়ে লালমাই থানার উপ-পরিদর্শক স্বরজিৎ কুমার দে ও আবদুর রহিম ফোর্স নিয়ে তাসলিমার বাড়িতে যান এবং অপহরণের বর্ণনা শুনেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি।
তাসলিমা আক্তার সাংবাদিকদের জানায়, মক্তবে যাওয়ার জন্য নানার বাড়ি থেকে বের হলে একজন মহিলা জিজ্ঞাসা করে, এটা কোন বাড়ি? কেউ ভিক্ষা দিবে? একটু সামনে এগুতেই মহিলা রুমাল দিয়ে আমার মুখ চেঁপে ধরে মাইক্রোতে ওঠায়। জামতলীতে মাইক্রোবাস দাঁড়ালে আমি মহিলাকে ধাক্কা দিয়ে নেমে পালিয়ে যাই। চালক ছাড়াও গাড়িতে মুখোশ পরা দু’জন পুরুষ ও একজন মহিলা ছিল। তাছাড়া অপহৃত আরও দু’জন শিশু কান্না করছিলো বলেও জানায় তাসলিমা।
লালমাই থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কালো রংয়ের মাইক্রোটি খুঁজতে তারা অভিযান চালাচ্ছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারায়ণগঞ্জ বিসিক শিল্পাঞ্চল: রাস্তা ভাঙা, বিদেশী ক্রেতারা যান হেলিকপ্টারে

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই খাতটির প্রতি অযতœ অবহেলার যেন শেষ নেই । শিল্প উদ্যোক্তাদের আশাবাদ, শিল্প এ খাতটির প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তা সমাধানে সরকার উদ্যোগ নিলে শুধু পঞ্চবটি বিসিক থেকে বছরে অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন সম্ভব হবে।
সরেজমনি গিয়ে দেখা যায়, নীট সম্রাজ্যে নেতৃত্ব দেয়া নারায়ণঞ্জের ফতুল্লা বিসিকি শিল্প নগরী যোগাযোগ ব্যবস্থায় রয়েছে চরম অব্যবস্থাপনা। যানবাহন চলাচল পণ্য বহনের ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ-মোক্তারপুর মুন্সীগঞ্জ মূল সড়কটি বিসিক এলাকায় মাত্র ১৮ ফিট প্রশস্থ। উচু নীচু ভগ্ন রাস্তা যেন ভয়ংকর দূর্ঘটনার ফাঁদ। প্রায় সময় পণ্যবাহি যানের স্প্রিং ভেংগে বিকল হয়ে পড়ে থাকা রাস্তায়। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। পুরো বিসিকের শিল্প প্রতিষ্ঠানের অলিগলির যত্রতত্র পড়ে আছে বর্জ্য ময়লা। নেই কোন নির্দিষ্ট ডাস্টবিন। বৃষ্টির দিন কাঁদা আর শুকনো মৌসুমে ধুলেবালিতে নোংরা এক পরিবেশ।
উৎপাদন ক্ষেত্রে অপরিহার্য চাহিদা গ্যাসে রয়েছে তীব্র সংকট। গ্যাসে চাহিদামত প্রেসার না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। ডাইংগুলোতে ওয়াসা চাহিদার ১৫ ভাগ পানিও সরবরাহ করতে পারলেও নিচ্ছে পানির বিল। নিচ্ছে ডিপ বাসানোর টেক্স।
অন্যদিকে রয়েছে প্রভাবশালীদের ঝুট ব্যবসার অজুহাতে জিম্মি করে শিল্পে চাঁদাবাজি। বাজার মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে ঝুট না দিলেই নির্দিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানে ধেয়ে আসে শ্রমিক অসন্তোষ। বেশ কয়েক শ্রমিক নেতা নেপথ্যে থেকেই নিয়ন্ত্রণ করেন এই সেক্টর। তাদের কথামত কাজ না করলেই শুরু হয় কৃত্রিম শ্রমিক অসন্তোষ।
নীট শিল্পের উত্থানের ইতিহাসে জানা যায়, ৮০ দশকে দেশের গার্মেন্ট শিল্পের অভিষেক হয়ে নব্বইয়ের দশকে এর ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) পরিসখ্যানে বর্তমানে রপ্তানিমুখী নিটওয়্যার শিল্পের সংখ্যা দেড় হাজার। এর ৬০ ভাগই নারায়ণগঞ্জে, বাকিগুলো গাজীপুর ও চট্টগ্রামে অবস্থিত। এর বাইরেও কিছু নিটওয়্যার কারখানা আছে, যারা বিজেএমইএর সদস্যভুক্ত।
এ বিষয়ে কথা হয় বিকেএমইএর সাবেক সহ-সভাপতি আসলাম সানির সাথে। তিনি জানান, শতভাগ রপ্তানিমুখী নিটওয়্যার পণ্য তৈরীতে যেসব একসেসোরিজ অতিরিক্ত পণ্য ব্যবহার হয় এর ৮০ ভাগ উৎপাদন হয় দেশীয় সামগ্রী। বাকিটা আমদানিকৃত। আর ওভেনে (শার্ট-প্যান্ট) ৬৫-৭০ ভাগই আমদানিকৃত। কিন্তু নীট পণ্য সহায়ক পণ্য আমদানিতে যেমন ডাইস কেমিক্যাল ইত্যাদি আমদানিতে কাস্টমস ও ইনসেনটিভ অডিট ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে পদে পদে। এতে ব্যবসায়িরা নানা হয়রারানির শিকার হচ্ছেন।
তিনি আক্ষেপ করে জানান, পঞ্চবটি বিসিকটি থেকে বছরে ৩২ হাজার কোটি টাকার পণ্য রপ্তানী করছে নীট শিল্প। কিন্তু সেই বিসিকের পণ্য বহনের সড়কটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ মোক্তারপুর, মুন্সীগঞ্জ সড়কটির বিসিক এলাকায় রাস্তাটি মাত্র ১৮ ফিট প্রশস্ত। এখানে প্রয়োজন অন্তত ৪০ ফিট রাস্তা। এতে যানবাহন যানজট লেগেই থাকে। এর মধ্যে রাস্তা ভাঙ্গা।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি চক্র এখানে শত কোটি টাকার ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে প্রায় সময় কৃত্রিম শ্রমিক আন্দোলন সৃষ্টি করে থাকে। এরা কম মূল্যে ব্যবসা করতে না পারলেই নির্দিষ্ট কারখানায় শ্রমিক আন্দোলন লাগিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে সিক শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, বর্তমানে এখানে প্রায় ৫০০ নীট কারখানা রয়েছে। যা সারা দেশের মোট নীট কারখানার এক-তৃতীয়াংশ। এর বাইরে ওভেন গার্মেন্টস, নিটিং, পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প আছে এখানে। এখান থেকে বছরে ৪০০ কোটি ডলার পণ্য রপ্তানি হয়। এখানে শ্রম দিচ্ছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ থেকে ৪ লাখ শ্রমিক। কিন্তু সমস্যার কথা বললে শুরু হবে তো শেষ হবে না।
তিনি আরো জানান, এত সমস্যা দেখলে বিদেশী ক্রেতারা ফিরে যাবে। এই কারণে বেশ কয়েকটি নীট কারখানা বিদেশী ক্রেতাদের হেলিকপ্টারে বহন করে ছাঁদে থাকা হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। আবার সেখান থেকেই নিয়ে যায়। কারণ এই পরিবেশ দেখলে অর্ডার প্রত্যখাত হতে পারে। কিন্তু এই সামর্থ্য সকলের নেই ।
বিসিকের এই নেতা বলেন, নীট খাতের সকল সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে সরকারের ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানবতার নজির: সাতদিন বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ হলদিয়ার মৎস্যজীবী উদ্ধার বাংলাদেশে

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভারতীয়ের উদ্ধার কাহিনি৷ বাংলাদেশের জাহাজ এমভি জাওয়াদের ক্যাপ্টেন ও নাবিকরা এই উদ্ধারে নিযুক্ত ছিলেন৷ হলদিয়া থেকে কুতুবদিয়া পর্যন্ত প্রায় ৬০০ কিলোমিটার ভেসে এসেছেন রবীন্দ্রনাথ দাস৷ ৭ দিন ভেসে থাকার সময় শুধুমাত্র বৃষ্টির জল খেয়েই তিনি তৃষ্ণা মেটান৷
বুধবার বঙ্গোপসাগরে ভেসে থাকা ওই ব্যক্তিকে জাহাজের ক্যাপ্টেন দেখতে পান৷ এরপর জাহাজটি তার কাছে নিয়ে গিয়ে লাইফ জ্যাকেট ফেলা হয়৷ কিন্তু প্রবল স্রোতে তিনি কিছু ধরতে পারেননি৷ অনেকটা দূরে ভেসে যান৷ পরে কোনওরকমে লাইফ জ্যাকেটটা ধরতে পারেন৷ ততক্ষণ জাহাজটি ওই ব্যক্তির পিছনেই ছিল৷ প্রায় তিন নটিক্যাল মাইল দূরে তাকে ফের পাওয়া যায়। এরপর উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া রবীন্দ্রনাথ পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা৷ বাংলা জানা থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলতে সুবিধা হয়েছে৷
রবীন্দ্রনাথ দাস জানিয়েছেন, হলদিয়ার অদূরে বাংলাদেশ ভারত সমুদ্র সীমান্তের কাছে তিনি মাছ ধরছিলেন৷ হটাৎ ঝড়ের কবলে পড়লে ফিশিং বোট উলটে যায়। বোটের ভিতর ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন ছিটকে পড়েন। বাকি ৫ জন ছিল তাদের খবর অজানা। ৩ জন একসাথে ভেসে গিয়েছিলেন৷ এদের মধ্যে ২ জন তলিয়ে গিয়েছেন৷ বেঁচে যান রবীন্দ্রনাথ৷
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এশিয়ায় প্রভাব বাড়াতে চীনা তৎপরতার মধ্যে বেইজিং সফরে খলিলজাদ

মুখপাত্র খলিলজাদের সফরের ব্যাপারে বিস্তারিত আর কিছু বলেননি, তবে মাত্র কয়েকদিন আগেই খলিলজাদ বলেছেন যে, এই প্রথমবারের মতো তিনি শান্তি আলোচনার ব্যাপারে ‘সুনির্দিষ্ট’ অগ্রগতির কথা জানাতে পারবেন, যে ইস্যুগুলো নিয়ে শান্তি আলোচনা চলছে। এরপরই তিনি বেইজিং সফরে গেলেন।
মুখপাত্র অবশ্য তার পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।
খলিলজাদ বলেছেন যে, তালেবানদের সাথে সর্বশেষ বৈঠকটি এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে ফলপ্রসূ হয়েছে। আলোচনার ইস্যুতে এখানে আন্ত:অভ্যন্তরীণ আলোচনা এবং অস্ত্রবিরতির সম্ভাব্য সময়সীমা যুক্ত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গতমাসে বলেছেন যে, ১ সেপ্টেম্বরের আগেই একটা শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।
আফগানিস্তানে প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে এটাও জানা গেছে যে, তালেবানদের একটি প্রতিনিধি দল এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইও সম্প্রতি বেইজিং সফর করেছেন।
পাকিস্তানের পাশাপাশি ইরান, রাশিয়া ও চীনও আফগানিস্তানে তাদের প্রভাব বাড়াচ্ছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র আফগান ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোর্সেসকে সহায়তার জন্য বহু বিলিয়ন ডলার ব্যায় করে আসছে।
চীন এর আগে তালেবান ও আফগার সরকারের মধ্যে আলোচনার আয়োজন করেছিল। দেশটির খনিজ সম্পদের ব্যাপারে চীনের আগ্রহ রয়েছে। তাছাড়া আফগানিস্তানের ওয়াখান করিডোর এলাকা দিয়ে চীনের ভেতরে যাতে সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য আফগানিস্তানের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য চেষ্টা করছে চীনও।
আফগান শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সাথে বৈঠকেও অংশ নিয়েছে চীন। এপ্রিলে মস্কোতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর একটা যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে কাবুল সরকারের প্রতিনিধিসহ আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদের সাথে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনায় বসার জন্য তালেবানদেরকে উৎসাহিত করা হয়েছে”।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, তালেবানরা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটিকে বিবেচনায় নিয়েছে তারা। এদের মধ্যে সেই গ্রুপও রয়েছে, যারা উত্তরপশ্চিমের জিনজিয়াংয়ে চীন সরকারকে উৎখাত করতে চায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্যাপরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা: রাজধানীতে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া সহকারী আব্দুল আলীম মানবজমিনকে বলেন, বৃষ্টির পরিমান বাড়তে পারে ।
কোথাও কোথাও ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। গতকাল শুক্রবার সকালের পর থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি হতে থাকে দেশজুড়ে। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলে ভারি বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দুপুর ১২টার পর বৃষ্টি হানা দিতে থাকে দেশের মধ্যাঞ্চলে। সকাল নয়টায় পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
অন্যদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টির কারণে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং ভারতের আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে এবং ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা নদীর জামালপুর জেলায় বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের সুরমা, কুশিয়ারা, কংস, সোমেশ্বরী, ফেনী, সাঙ্গু, মাতামুহুরি, হালদাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
এদিকে ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে । ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা ঢলে দেশের ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। এছাড়া বন্যা আক্রান্ত হতে পারে এমন জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। সচিবালয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বন্যা আক্রান্ত জেলাগুলোতে পাঠানো হয়েছে দুই কোটি ৯৩ লাখ টাকা, সাড়ে ১৭ হাজার টন চাল এবং ৫০ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার। এসব জেলায় দু’এক দিনের মধ্যে পৌঁছে যাবে ৫০০ তাবু, তৈরি করা হয়েছে মেডিকেল টিম। এনামুর রহমান বলেন, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার এবং নীলফামারীতে বন্যা পরিস্থির অবনতি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে, এজন্য বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। ্তুতিনি বলেন, ভারতের ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যমুনা নদীতে পানি বাড়বে এবং বিহারে গঙ্গার পানি বাড়ায় পদ্মার অববাহিকায় বন্যা দেখা দিতে পারে। মন্ত্রীর তথ্যমতে, ৬২৮টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে, তারমধ্যে ২৬টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, সেগুলোতে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ৫৫১টি সেন্টারকে ঝুঁকিমুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে। ত্রাণ সচিব শাহ কামাল বলেন, প্রতিটি জেলায় দুই হাজার প্যাকেট করে মোট ৫০ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার পাঠানো হয়েছে। একটি প্যাকেটে চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, তেল, আটা, মসুরের ডাল, শিশু খাবারসহ একটি পরিবারের সাত দিনের খাবার রয়েছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটি ৯৩ লাখ নগদ টাকা এবং দুই দফায় সাড়ে ১৭ হাজার টন চাল বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে। কোনো জেলা প্রশাসক চাহিদা পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে চাল দেয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে জায়গার অভাব হলে ব্যবহারের জন্য দুর্গত এলাকাগুলোতে ৫০০টি করে তাঁবু পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রত্যেক তাবুতে ২০ জন করে থাকতে পারবে।
এদিকে, সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের পঞ্চম তলার ৪২৫ নম্বর রুমে এ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর ০২৯৫৭০০২৮। সারাদেশে বন্যা-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে এই কন্ট্রোল রুমে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পানি উন্নয় বোর্ডের ‘বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র’ এর টোল ফ্রি ১০৯০ নম্বরে ফোন করার পর ৫ প্রেস করে বন্যার পূর্বাভাস সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ বছরে হোঁচট খাইনি -প্রধানমন্ত্রী

বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, আবুল মাল আবদুল মুহিত, এইচটি ইমাম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, পীযূষ ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, আমিরুল আলম মিলন, ইকবাল হোসেন অপু, এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার, মারুফা আক্তার পপিসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আমাদের একটা লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছি।
কিন্তু উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যে স্বীকৃতি পেয়েছি সেটাকে আমাদের ধরে রাখা প্রয়োজন। এজন্য রাজনৈতিক শক্তিটা খুব বেশি প্রয়োজন, সংগঠন প্রয়োজন, জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। আমি মনে করি, ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর এ পর্যন্ত যেভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে এবং আজকে বাংলাদেশে আমরা সরকার গঠন করে যে জায়গাটাতে নিয়ে আসতে পেরেছি সেখানে মূল শক্তিটাই ছিল আমাদের দেশের জনগণ ও তাদের সমর্থন এবং অবশ্যই মহান আল্লাহর একটা রহমত ছিল। তিনি বলেন, সরকারে আসলে কি করব সবকিছু আমাদের একটা খসড়া তৈরি করা ছিল বলেই কিন্তু আমরা সরকারে আসার পর কাজগুলো করতে পেরেছি। আজকে আমরা যেখানে এসেছি সেখান থেকে দেশকে আগামী দিনে কোথায় নিয়ে যাব? কতটুকু করব, সে পরিকল্পনাও আমাদের আছে। সেটা আমরা ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছি। সেই প্রস্তুতিটাও আমাদের নিতে হবে। সেই পথগুলো আমাদের ধাপে ধাপে অতিক্রম করতে হবে। তার জন্য সব থেকে বেশি প্রয়োজন সাংগঠনিকভাবে আমাদের দলকে যেমন শক্তিশালী করা, জনমত সৃষ্টি করার পাশাপাশি আমাদের চিন্তা-চেতনাগুলোকে সমন্বিত করে প্রতি পদক্ষেপে যেন আমরা সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যেতে পারি। আমাদের চলার পথে যত বাধাই আসুক অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। চলমান অতিবৃষ্টিসহ দেশের জনগণের কল্যাণে সবকিছুর দিকে সরকারের পক্ষ থেকে দৃষ্টি রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও নেতাকর্মীদের আরো সজাগ ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিএনপি শাসনামলে বন্যায় মানুষ নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে খালেদা জিয়া সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কিন্তু মানুষকে অবহেলা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করি না। আমরা মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে মানুষের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়ানো আর মানুষের কল্যাণে এবং উন্নয়নে কাজ করা- এই নীতি নিয়ে কাজ করি বলেই আজকে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা এটাই চাই। আমাদের এই রাজনৈতিক দল যে দল এ দেশের জনগণের কথা বলার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছিল, যে দলটিকে সুসংগঠিত করে জাতির পিতা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সেই স্বাধীনতার সুফল প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাব। মানুষের জীবন-মান উন্নত হবে, এই বাংলাদেশে একটি মানুষও দরিদ্র থাকবে না, বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না, অশিক্ষার অন্ধকারে থাকবে না। দেশটা হবে সার্বিকভাবে একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ। হ্যাঁ, আমরা খুব বড় বড় উন্নত দেশের মত উন্নয়ন হয়তো করতে পারব না। কিন্তু প্রতিটি মানুষই তার জীবনটাকে অর্থবহ করবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে তারা মুক্তি পাবে, তারা সুন্দরভাবে বাঁচতে পারবে। তাদের জীবনের যে লক্ষ্য তা পূরণ করতে পারে অন্তত সেইভাবে আমাদের দেশটাকে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সাংগঠনিকভাবে দলকে শক্তিশালী করা, জনমত সৃষ্টি করার উপর গুরুত্বারোপ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এজন্য দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
সরকার প্রধান বলেন, আমরা অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাই, কিছু লোক সব সময় এটাকে ভিন্ন চোখে দেখে। এরা আসলে কখনো গণতান্ত্রিক ধারাটা চায় না। তাদের কাছে মনে হয় যেন অস্বাভাবিক কিছু হলে তাদের খুব দাম বাড়ে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বৃষ্টি হচ্ছে, বন্যা হচ্ছে, কোথাও নদী ভাঙন হতে পারে বা পাহাড়ে ধস নামতে পারে। সারা দেশে কোথায় কী ঘটছে খবর নিচ্ছি। এবং সেখানে যার যা দায়িত্ব সেটা দেয়া আছে। এখানে এতটুকু শৈথিল্য নেই। কারণ তাদের সব কাজ আমাকে সঙ্গে সঙ্গে ম্যাসেজ দিয়ে জানাতে হয়। ১৫ই আগস্ট জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমার তো মনে হয়, স্বাধীনতার ৫/৬ বছরের মধ্যে সারা বিশ্বে তথা সাউথ এশিয়া বা সাউথ ইস্ট এশিয়ার মধ্যে একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু সেই জায়গাটাই বাধাগ্রস্ত করা হলো। জাতির পিতার এই হত্যার পিছনে যারা ছিল পরবর্তীতে আমরা দেখেছি আমাদের স্বাধীনতার চেতনাকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার চিন্তাভাবনা লক্ষ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের ইতিহাসকে নস্যাৎ করে দিয়ে একেবারে ভিন্ন পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। উন্নয়নের ধারাটাকেও ব্যাহত করা হয়।
উদ্দেশ্যটাই ছিল এরকম, বাংলাদেশ একটা স্বাবলম্বী রাষ্ট্র হিসেবে যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলকে সংগঠিত করে বিভিন্ন মেয়াদে সরকার গঠনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠন করেছি আজকে ২০১৯ পর্যন্ত এই দশকের মধ্যে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের মধ্যে একটা উন্নয়নের রোল মডেল, বাঙালি জাতি একটা সম্মান পেয়েছে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা মনে করি, উপদেষ্টারা আমাদের একটা থিঙ্কট্যাঙ্ক। আমি এইটুকু চাইব, সকলকে আরেকটু সক্রিয় হতে হবে। আমাদের অফিসের সব ব্যবস্থা করা রয়েছে। আমাদের প্রত্যেকটা বিষয়ে উপকমিটিও করা আছে। আপনারা সেখানে বসেন, মিটিং করেন। সেগুলো অব্যাহত রাখতে হবে। ভবিষ্যতের জন্য আরো বিভিন্ন পরিকল্পনা সেটাও নিতে হবে এবং আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আষাঢ়ী গরম by সোয়েল রানা
প্রখর রোদে ছাতা মাথায় দিয়ে বিদ্যালয়ের পথে তিন শিক্ষার্থী
বিদ্যালয়ে গিয়ে গরমে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা টিউবওয়েল থেকে বোতলে পানি ভরে নিচ্ছে
পানির জন্য ভিড় জমিয়েছে ছোটরা
চলছে পানি সংগ্রহ
স্কুলে পানি নিয়ে প্রশান্তি
গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। একটু ঠান্ডার পরশ নিতে গাছতলায় পাখা নিয়ে কর্মজীবীরা
গরমে হাঁপ ধরে গেছে। তাই নদীর জলে শিশুদের ঝাঁপাঝাঁপি
নদীপাড় দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে গলা ভিজিয়ে নিচ্ছেন এক কৃষকAbout: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির ‘সেকেন্ড টার্ম’ বাংলাদেশের জন্য কেমন? by রঞ্জন বসু
![]() |
| নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর জোটের নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয় তাকে। (সাম্প্রতিক ছবি) |
শ্রীরাধা দত্ত: এটা অস্বীকার করার উপায় নেই বিজেপি যখন পাঁচ বছর আগে ক্ষমতায় এসেছিল, তখন বাংলাদেশে একটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল যে শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কী দাঁড়াবে। কিন্তু, যেভাবেই হোক নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনা দুজনেই সেই আশঙ্কাকে খুব তাড়াতাড়ি ভুল প্রমাণ করে ছেড়েছিলেন–তারা দুজনেই যে একই ধরনের লেন্স দিয়ে দেখেন সেটাও শিগগির বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। মোদি ক্ষমতায় আসার মাত্র বছরখানেকের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এখন দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আট বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিগ ইনফ্রা (অবকাঠামো) প্রকল্পে ভারত শত শত কোটি টাকা লগ্নি করছে। শ্রীলঙ্কায় সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার মতো ঘটনাও দুটো দেশকে নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে বলেই আমার বিশ্বাস।
তিস্তা চুক্তিতে কোনও ব্রেক-থ্রুর সম্ভাবনা?
গত প্রায় এক দশক ধরে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে অস্বস্তির কাঁটা হয়ে রয়েছে না-হওয়া তিস্তা চুক্তি। এতদিনে এই ধারণাও মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত যে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষর করতে চাইলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই চুক্তি সম্পাদনের পথে প্রধান বাধা। এবারের নির্বাচনে সেই পশ্চিমবঙ্গেই অপ্রত্যাশিত ভালো ফল করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে বিজেপি–কিন্তু সে রাজ্যের এই পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণ তিস্তার ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩৫ মণ যুবরাজের দাম ১৮ লাখ টাকা by আমিনুল ইসলাম লিটন

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহ আলম মিয়ার পৈত্রিক বাড়ি মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলায়। প্রায় ৭ বছর আগে এক বন্ধুর হাত ধরে এই গ্রামে চলে আসেন। বর্তমানে এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। স্কুল ও কলেজ জীবন শিবচরে কেটেছে তার। পরে অর্থ উপার্জন করতে বিদেশে যান। ৫ বছর সিঙ্গাপুরে থাকার পর দেশে ফিরে আসেন। এরপর বিদেশের সঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। এই ব্যবসার প্রয়োজনে ৩৫টি দেশে ঘুরেছেন তিনি। পরে ঝিনাইদহে এসে গড়ে তোলেন আবদুল্লাহ এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্ম। প্রায় ৩৮ লাখ টাকা ব্যয় করে বাড়ি এবং বাড়ির সঙ্গে এই ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন। ৩ বছর হলো এই খামারে গরু লালন-পালন করেন। বর্তমানে তিনি এই খামারেই সময় দেন। এগুলো লালন-পালন করে যা আয় করেন তা দিয়ে সংসার চালান। শাহ আলম জানান, বর্তমানে তার খামারে ৭টি গরু আছে। সব গরুর আলাদা আলাদা নাম আছে। তিনি সবাইকে নাম ধরেই ডাকেন। আসন্ন ঈদুল আজাহায় তিনি যে তিনটি গরু বিক্রি করবেন সেগুলোর নাম যুবরাজ, রবি ও সাহেব। বাকি চারটা আগামী বছর বিক্রি করবেন বলে জানান। শাহ আলম জানান, তিন বছর তিনি এই খামার করেছেন। যুবরাজকে তিনি খামার শুরুর সময় নিয়েছিলেন। মাত্র ৬ মাস বয়সে নিয়েছিলেন, এখন তার বয়স ৩ বছর ৬ মাস। যুবরাজের পেছনে এখন পর্যন্ত তার ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ আসছেন তার এই যুবরাজ নামক গরুটি দেখতে। গ্রামের বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা জানান, শাহ আলম মিয়া গরুর সঙ্গে কথা বলে। সে নাম ধরে ডাক দিলেই গরু বুঝতে পারে। এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান জানান, তারা গরুটির ওজন আনুমানিক ৩৫ মণ বলে ধারণা করছেন। ঈদ আসতে এখনো কিছুদিন বাকি আছে। এরই মধ্যে আরো কিছু ওজন বাড়বে বলে মনে করছেন। অবশ্য গরুর ওজন আরো বেশি হবে বলে তিনি দাবি করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করবে ভুটান, তালিকায় অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়া

সাবেক সরকারের পাঁচ বছরের আমলে কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিষয়টি পুরোপুরি হিমাগারে ছিলো। এবার প্রধানমন্ত্রী তার স্টেট অব দ্য নেশন রিপোর্টে অন্তত নতুন একটি দেশে দূতবাস বা কনস্যুলেট স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী ড. লোটে শেরিংয়ের ঘোষণা ছিলো নীতির পরিবর্তন। বিদেশে বসবাসকারী ভুটানিদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এর প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে। তাছাড়া, প্রধানমন্ত্রী আরো ঘোষণা দেন যে সরকার দুটি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
৫ জুলাই এক সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানায় বিরোধী দল।
বিরোধী নেতা পেমা গিয়ামসো (পিএইচডি) বলেন, আমরা নীতিগতভাব খুশি এই জন্য যে সরকার আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করছে এবং এটাই হওয়া উচিত। নীতি হিসেবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সবার স্বাগত জানানো উচিত বলে তিনি মনে করেন।
তবে ভুটান কোন দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় প্রধানমন্ত্রী সেগুলোর নাম বলেননি। সরকারের পক্ষ থেকে সন্দেহ নিরসন করা না হলেও তালিকার শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়া রয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
বিরোধী দলের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক ফোকাল পার্সন, বারতসাশ সংপু থেকে নির্বাচিত এমপি পাসাং দর্জি বলেন, অন্তত পাঁচটি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তিনিও দেশগুলোর নাম উল্লেখ করেননি।
দর্জি বলেন, এখন আমরা বলি যে ৫৩টি দেশের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু ইইউকে বাদ দেয়া হলে সম্পর্ক রয়েছে আসলে ৫২টি দেশের সঙ্গে।
এমপি বলে, ভুটানের একটি স্থায়ী পররাষ্ট্রনীতি রয়েছে। আর তাহলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি দেশের কারো সঙ্গে তার কূটনৈতিক সম্পর্ক না রাখা। কিন্তু দেশটি অন্য কোন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না তেমন কোন স্থায়ী নীতি নেই।
পাসাং দর্জি আরো উল্লেখ করেন যে যত বেশি সংখ্যক দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে তত ভালো হবে। তিনি ভূরাজনৈতিক স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এবং প্রতিষ্ঠিত পররাষ্ট্র নীতির কার্যক্রমগুলো বিবেচনায় নেয়ার বিষয়টি মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, আমরা কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত সমর্থন করি।
বর্তমান বিরোধী দলটি সরকারে থাকাকালে কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারলকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় এবং সেক্ষেত্রে ‘সফট পাওয়ার’ প্রয়োগ করা হয়। এমন কি তখন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী আসন পর্যন্ত চাওয়া হয়েছিলো। তবে ভুটান ভোটাভুটিতে হেরে যায়।
তবে দ্বিতীয় নির্বাচিত সরকার ওই নীতি থেকে সরে যায়। তাদের যুক্তি ছিলো দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের অনুকূল নয়। ভুটানের সঙ্গে যেসব দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আগে থেকেই ছিলো সেগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সুসংহত করার দিকে সরকার মনযোগ দেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এনআরসি-বঞ্চিতদের জন্য আরো ১০ আটককেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা আসাম সরকারের by রাহুল কর্মকার

সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে আসামের ১৯৫১ সালের নাগরিক তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। আগামী ৩১ জুলাই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন ১০টি কেন্দ্রের প্রত্যেকটিতে ৩০০০ জনকে রাখা যাবে। এর মানে হলো এনআরসি তালিকা থেকে কয়েক লাখ লোক বাদ পড়লেও সরকার এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০,০০০ জনকে আটক রাখার পরিকল্পনা করেছে।
এনআরসি থেকে বাদ
২০১৮ সালের ৩০ জুলাই এনআরসি’র যে তালিকা প্রকাশিত হয় তাতে আসামের ৩ কোটি ২৯ লাখ আবেদনকারীর মধ্যে ৪০ লাখ ৭০ হাজারের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ২৬ জুন প্রকাশিত খসড়া তালিকা থেকে আরো এক লাখ ২ হাজার জনের নাম বাদ পড়ে। তবে বাদ পড়াদের পুনরায় অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করার সুযোগ দেয়া হয়েছে।
আসামের অতিরিক্ত মূখ্যসচিব (স্বরাষ্ট্র ও রাজনৈতিক) কুমার সঞ্জয় কৃষ্ণ বুধবার এই পত্রিকাকে বলেন, এনআরসি বহির্ভুত লোকজনকে রাখার জন্য নতুন ১০টি আটক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব আমরা পাঠিয়েছি। এগুলো রাজ্যের বিভিন্নস্থানে স্থাপন করা হবে।
পরিকল্পনা অনযায়ী বড়পেটা, দিমা হাসাও, গোয়ালপাড়া, কামরুপ, করিমগঞ্জ, লাখিমপুর, নাগাঁও, নালবাড়ি, শিবসাগর ও সনিতপুর জেলায় একটি করে আটককেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
গেয়ালপাড়া জেলায় একটি পুরোদস্তুর আটককেন্দ্র প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানিয়ে কৃষ্ণ বলেন, রাজ্যের ছয়টি কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বিদেশীদের এখানে এনে রাখা হবে। কারাগারে অপরাধীদের সঙ্গে যেন বিদেশীদের রাখা না হয় সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে।
গোয়ালপাড়া জেলার ঢাকুরভিটায় এই আটক কেন্দ্র স্থাপনের জন্য তিন বছর আগে রাজ্য সরকার ২০ বিঘা জমি বরাদ্দ দেয়। ৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে আসাম পুলিশ হাউজিং কর্পোরেশন লিমিটেড এই কেন্দ্র নির্মাণ করছে। অক্টোবরে কেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৩১ জুলাইয়ের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আসামের ছয়টি বিভাগে ১২-২৩ পর্যন্ত ধারাবাহিক বৈঠকের আয়োজন করেছে।
প্রশাসন, পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগগুলোর প্রধানদের বৈঠকে অংশ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এদিকে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ এনআরসি তৈরির জন্য ‘ডি’ বা ‘সন্দেহজনক’ ভোটার ইস্যু নিরসনে একটি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে ভারতীয় গুর্খা পরিষদ (বিজিপি)।
বিজিপি’র জাতীয় সচিব নন্দ কিরাতি দেওয়ান বলেন, আমরা মঙ্গলবার রাজ্যের এনআরসি সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলার সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি স্পষ্টভাবেই বলে দিয়েছেন যে তারা ডি ভোটার হিসেবে চিহ্নিত কারো মামলা পুনর্বিবেচনা করতে পারবেন না। এমনকি তার যদিও লিগ্যাসি পারসন বা পরিবারের অন্য কেউ ডি-ভোটার না হন এবং সংযোগ স্থাপনের পর্যাপ্ত ডকুমেন্ট থাকে তারপরও না।
দেওয়ান পরামর্শ দিয়ে বলেন, পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে বাদ পড়াদের বেশিরভাগ হয় ‘ডি’ ভোটার অথবা তাদের মামলা ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে বিচারাধিন অথবা লিগ্যাসি উপাত্ত্বে উল্টাপাল্টা হয়েছে। কিন্তু এমন অনেক ডি ভোটার আছে যাদের বিরুদ্ধে আসাম পুলিশের বর্ডার উইংয়ের কাছে কোন মামলা নেই বা ট্রাইব্যুনালেও তাদেরকে পাঠানো হয়নি। তাই এদেরকে আলাদা করার জন্য সরকারকে একটি ব্যবস্থা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গালি দেওয়া মানুষের জন্য ভাল, ইউক্রেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী
![]() |
| ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউলানা সুপ্রুন |
'গালিগালাজের জন্য আলাদা কক্ষ'
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভয় দেখানো নয়, সংলাপেই কাশ্মির সমস্যার উপশম

এই রূপক সেতুটি রক্ষার পক্ষে ভালো যুক্তি রয়েছে। বিজেপি ও এর অভিভাবকেরা বুঝতে অক্ষম যে ইউনিয়ন সৃষ্টি ছিল নির্দিষ্ট কিছু সমঝোতার প্রতিষ্ঠার ওই সময়ের রাজনৈতিক অনিবার্য প্রয়োজন পূরণ। এসব সুবিধাকে ছাড় হিসেবে বিবেচনা করা হবে অবিজ্ঞচিত কাজ। অথচ অমিত শাহ ও তার দল এমন ধারণাই বারবার প্রকাশ করে আসছে। অথচ ৩৭০ ধারা হলো আধুনিক প্রজাতন্ত্রের ধারণার সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার একটি ব্যবস্থা। এটি হলো অন্তর্ভুক্তির চেতনার প্রতীক, এটি ভারতের মূল দর্শনের প্রতিনিধিত্বকারী। এটাও উল্লেখ করতে হবে যে জম্মু ও কাশ্মির একমাত্র রাজ্য নয় যা যথার্থ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এক গুচ্ছ অধিকারের বলে ইউনিয়নে প্রবেশ করেছে। ধারা ৩৭১ক নাগাল্যান্ডকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এর জনগণের জন্য কিছু সুবিধার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। কিন্তু বিজেপি অস্বস্তি বোধ করছে ৩৭০ ধারা নিয়ে। সমালোচকেরা অভিযোগ করছে, বিজেপির ক্রুদ্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এই বাস্তবতা যে এই ধারাটি ভারতের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যটির জনসংখ্যা পুনঃবিন্যাসের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ। ধারা ৩৭০ বাতিল করার বিষয়টি রাজ্য বিধান সভা থেকে অনুমোদিত হতে হবে। খুব শিগগিরই রাজ্য বিধান সভার নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু চ্যালেঞ্জ রয়েছে অন্যত্র। এই ধারাটি সংশোধনের চেষ্টা করা হলে কাশ্মিরের সঙ্কট আরো ঘনীভূত হবে। শক্তির প্রদর্শনী (উদাহরণ হলো ধারা ৩৭০ নিয়ে বিজেপির প্রচারণা) যথেষ্ট নয়। কাশ্মিরকে প্রশমিত করতে পারে সংলাপ, ভীতি প্রদর্শন নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে উত্তেজনার নেপথ্যে
![]() |
| ট্রাম্প ও মোদি |
স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পর্কের (ওই সময় মস্কোর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ভারতের) ওয়াশিংটন ও নয়া দিল্লি দৃঢ়তার সাথে আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে, তাদের কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে এই সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে। আর ট্রাম্প নিজেকে ভারতের বড় ফ্যান দাবি করেছেন।
কিন্তু শেষ দিকে এসে ট্রাম্প প্রশাসন ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের মধ্যে নানা ইস্যুতে টানাপোড়েনের সৃষ্টি হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ভারতের অত্যন্ত গভীরে থাকা সংরক্ষণবাদ, অনিশ্চিয়তাপূর্ণ বিধিনিষেধ, সাবেক ঘনিষ্ঠ মিত্র মস্কোর কাছ থেকে এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার নয়া দিল্লির আগ্রহ ইত্যাদি।
বিশ্লেষকেরা এখন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান মতপার্থক্য তাদের কৌশলগত সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদি ও তার সরকারের সাথে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার দিল্লিতে অবতরণ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেইও। এ প্রেক্ষাপটে আমরা কি জানতে চাইতে পারি, তারা এই আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতপার্থক্যের নিরসন ঘটিয়ে বন্ধুত্বকে যথাযথ স্থানে ফিরিয়ে আনতে পারবে কিনা?
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত কেন গুরুত্বপূর্ণ?
যুক্তরাষ্ট্র এশিয়ায় তার দীর্ঘ মেয়াদি নিরাপত্তা কৌশলে ভারতকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মনে করে। এই অঞ্চলে চীনা প্রভাব দমনের এই কৌশলে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্পৃক্ত।
ওয়াশিংটন ২০১৬ সালে ভারতকে ‘প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারের’ মর্যাদা দেয়। তারা একে অপরের সামরিক স্থাপনাগুলোতে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সুযোগ দিয়ে, তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থাসহ বেশ কয়েকটি চুক্তিতে সই করেছে।
ভারতকে আরো প্রাসঙ্গিক করার জন্য গত বছর যুক্তরাষ্ট্র তার প্যাসিফিক কমান্ডের নাম বদলে করেছে ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড। ভারতের মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় বাড়ছে, যৌথ সামরিক মহড়া ঘন ঘন হচ্ছে।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে কী ঘটছে?
দুই দেশের মধ্যকার সঙ্ঘাতের একটি বড় উৎস হলো বাণিজ্য। মার্কিন কোম্পানিগুলো ভারতের ১.৩ বিলিয়ন লোককে সম্ভাবনাপূর্ণ আকর্ষণীয় বাজার হিসেবে দেখছে। কিন্তু দিল্লির সংরক্ষণবাদ ও অনিশ্চয়তাপূর্ণ বিধিনিষেধ ও নীতির ফলে সেখানে ব্যবসা করা খুবই কঠিন কাজ।
আর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এক দশক আগের ৬৬ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে হয়েছে ১৪২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু ট্রাম্প কষ্ট পেয়েছেন ভারতের অনুকূলে থাকা ২৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে।
বাণিজ্য বিরোধ কি কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে?
অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোকে কেন্দ্র করে মতপার্থক্য তীব্র হচ্ছে। মোদির পুনঃনির্বাচিত হওয়ার মাত্র এক দিন পর ওয়াশিংটন ভারতের ৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (জিএসপি) বাতিল করেছে।
এর জবাবে ভারত আপেল, ডালসহ ২০টির বেশি মার্কিন পণ্যের ওপর আমদানি কর আরোপ করেছে। এসব পণ্যের মূল্য ১.৪ বিলিয়ন ডলার।
উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে, সেজন্য উভয় পক্ষই সচেতন। কিন্তু তবুও বিরোধ প্রশমিত হচ্ছে না।
অন্য কোনো বিরোধপূর্ণ ইস্যু আছে?
অবশ্যই। ভারত তার দীর্ঘ দিনের কৌশলগত স্বায়াত্তশাসনকে গুরুত্ব দেয়, উষ্ণ বৈদেশিক সম্পর্কের জটিল একটি জাল বজায় রাখার তার স্বাধীনতাকে মূল্য দেয়। বিশেষ করে ইরান ও রাশিয়অকে সে দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্যবাহী বন্ধু মনে করে। এ দুটি দেশের কাছ থেকে সে যথাক্রমে তেল ও সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করে অনেক দিন থেকে।
কিন্তু মার্কিন হুমকির কারণে ভারত বাধ্য হয়েছে ইরানের কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে। ভারত ইরানি তেল কেনা বন্ধ করেছে মহা অনীহা নিয়ে। রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ কেনার ভারতের সিদ্ধান্তেও আপত্তি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
চীনা হুয়াওয়ে সরঞ্জাম ব্যবহার এড়াতেও ভারতকে বলে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন বলছে, হুয়াওয়ে ৫জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গোয়েন্দাবৃত্তি করা হতে পারে। কিন্তু ভারত এখন পর্যন্ত এই ইস্যুতে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের এসব চাহিদা ভারতে প্রত্যাঘাতের সৃষ্টি করতে পারে। কারণ ভারতের জনসাধারণ বিদেশী শক্তির নির্দেশনার ব্যাপারে খুবই স্পর্শকাতর।
দুই দেশ এসব মতপার্থক্য খতিয়ে দেখার প্রেক্ষাপটে তাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব অনিশ্চয়তায় থাকতে পারে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস/সাউথ এশিয়ান মনিটর
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ময়মনসিংহে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের সম্পদের পাহাড়

অনুসন্ধান চালিয়ে জানা যায়, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শামসুল আলমের যেসব সম্পদের সন্ধান মিলেছে নগরের বাইপাস ময়নার মোড় ৩ শতাংশ জমির ওপর ৫ তলা একটি বাড়ি যার মূল্য ৫ কোটি টাকা, চরপাড়া লাশ কাটা গেটের বিপরীত পাশে সৌহার্দ্য টাওয়ারে জমিসহ ২টি প্লাট রয়েছে যার মূল্য কমপক্ষে এক কোটি টাকা ও নতুন বাজার সাহেব আলী রোডে অন্বেষা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বিপরীতে রয়েছে নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের জমিসহ ২টি ফ্ল্যাট যার মূল্য কোটি টাকা। এছাড়া একাধিক জমিজমাসহ সব মিলিয়ে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার মালিক তিনি।
ময়মনসিংহ সদরের দাপুনিয়ায় জন্ম, শামসুল আলম ১৯৮৮ সালে স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। প্রমোশন পেয়ে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।
অভিযোগের সত্যতা বিষয়ে ময়মনসিংহের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আবুল কাসেম জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর লোকমুখে এসব ঘটনা শুনেছি। কিন্তু লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলেও এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
এদিকে, ময়মনসিংহে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম আবদুর রব বিগত কয়েক মাস পূর্বে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক পদে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বদলিবাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। তিনি নগরের আকুয়া হাজি বাড়ি এলাকায় একটি ৬ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। যার মূল্য জমিসহ ৫ কোটি টাকা। স্থাবর অস্থাবরসহ কোটি কোটি টাকা অর্জন করেছেন। যার অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। সিভিল সার্জনের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ মদত জুগিয়েছেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শামসুল আলম। মূলত তার মাধ্যমেই বদলিবাণিজ্য, পদোন্নতি ও নিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রমে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন খোদ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
তাদের ভাষ্যমতে- জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ভোগ্য পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা আদায় করেন জেলা স্যানিরটারি ইন্সপেক্টর শামসুল আলম। মোবাইল কোর্টের ভয় দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকদের মাসোয়ারা দিতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ একাধিক সূত্রের।
এছাড়াও জেলার বিভিন্ন ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে অফিস সহকারী ইমরান মেহেদী হাসানের মাধ্যমে নিয়মিত টাকা সংগ্রহ করাও অভিযোগ রয়েছে।
গৌরীপুর উপজেলার বাসিন্দা আবদুল মোতালেব জানান, চাকরিতে যোগদানের আগে সিভিল সার্জন অফিসে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গেলে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা দিতে হয় সংশ্লিষ্টদের। এবং তাদের নির্ধারিত ডায়াগনস্টিক বা ক্লিনিক থেকে করানো হয় ব্যয়বহুল পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, উপজেলা পর্যায়ে স্টোর কিপার ও ফার্মাসিস্টদের পরিবহন বিলের ১২ লাখ টাকা নিয়ম বহির্ভূতভাবে উত্তোলন করে নয়-ছয়ের মাধ্যমে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়াও অফিস খরচের নামে ভুয়া বিল ভাউচার, বিআরটিএর অনুমোদন ছাড়াই জিপগাড়ি মেরামতের নামে সরকারি টাকা আত্মসাৎ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে, ঘটনার সত্যতা মিলবে বলেও দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
এসব বিষয়ে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শামসুল আলম বলেন, দায়িত্ব পালনকালে যাদের স্বার্থ নষ্ট হয়েছে তারাই অভিযোগ করতে পারে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার লেনদেনের ঘটনা নেই। এসব মিথ্যা অভিযোগ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘চারদিন না খেয়ে ছোট একটা নৌকায় ভাসার পর চিৎকার করে সাগরে লাফিয়ে পড়ি’ by হিমাদ্রি শেখর ভদ্র
![]() |
| শিপন আহমেদ |
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মুনিরজ্ঞাতি গ্রামের চক্রবনপাড়া এলাকার তরুণ শিপন আহমেদ এই কথাগুলো বলছিলেন। শিপন পেশায় ছিলেন সিএনজি অটোরিকশা চালক। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে প্রাথমিকেই থেমে যায় লেখাপড়া। কয়েক বছর বেকার থাকার পর স্বজনদের সহযোগিতায় একটি ফোরস্ট্রোক সিএনজি অটোরিকশা কিনে গোবিন্দগঞ্জ-বোকারভাঙ্গা-সিলেট-সুনামগঞ্জ রুটে চালিয়ে ভালোই আয়-রোজগার করছিলেন শিপন। সিএনজি চালিয়ে প্রতিমাসে তিনি গড়ে ১৫ হাজার টাকা আয় করতেন।
হঠাৎ একদিন রাতে পাশের মায়েরকোল গ্রামের লিবিয়া প্রবাসী দালাল লুৎফুর রহমান তাকে ফোন দিয়ে কথা বলে, ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন দেখায়। কিন্তু দালালের সঙ্গে কথা ছিল ইতালি যাওয়ার পর আর্থিক লেনদেন করা হবে। তবে সে কথা রাখেনি দালাল। শিপন বলেন, ‘অভাবের সংসারে সুখ সমৃদ্ধি আসবে এই আশায় দালালের কথা বিশ্বাস করে কিছু কৃষিজমি নিকট আত্মীয়দের কাছে বন্দক রেখে, তিনটি গরু বিক্রি করে, স্বজন ও ভাইদের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ধার করে মোট পাঁচ লাখ টাকা জোগাড় করে দালালের প্রতিনিধির হাতে তুলে দেই। ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরু করি।’
তিনি জানান, ‘লিবিয়ার বেনগাজিতে একটি ক্যাম্পে খুব নির্যাতন করা হয়েছে আমাদের ওপর। এক দালাল মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আমাকে বলে, বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দ্রুত নিয়ে আসো, না হয় হত্যা করা হবে। পরে বাড়িতে বাবাকে ফোন দিয়ে সবকিছু জানাই। বাবা আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ করে সাড়ে চার লাখ টাকা তাদের কথামতো লিবিয়ায় থাকা পাশের গ্রাম মায়েরকোলের লুৎফুরের বাবা জমির আলীর হাতে তুলে দেন। টাকা দেওয়ার পর বেনগাজি থেকে দালালরা আমাদের নিয়ে যায় ত্রিপোলি। সেখানে নিয়ে যাওয়ার সময়ও অনেক মারধর করে। একপর্যায়ে বললো, আরও দুই লাখ টাকা দিতে হবে, না হয় তোদের ইতালি যাওয়ার গেইমের ঘরে নিয়ে যাবো না। পরে আমার কাছে থাকা কিছু টাকা এবং লিবিয়ায় থাকা আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখ টাকা দেই তাদের।’
শিপন বলেন, ‘এপ্রিল মাসে সবাইকে নিয়ে গেইমের ঘরে ঢোকায়। জেলখানার মতো ছোট্ট একটি ঘর। ৬৪ জনকে ওখানে ঢোকায়। কোনও দিন একবার খাওয়া দিতো, কোনও দিন দিতো না। সিলেটি ১৪ জন ওখানে ছিলাম আমরা। তখন রমজান মাস ছিল। রোজা তো রাখতেই পারিনি, একপর্যায়ে সবাইকে ভূমধ্যসাগর পাড়ে নিয়ে যায়। কথা ছিল আমাদের বড় জাহাজে তুলে দেবে। কিন্তু তুলে দেয় কয়েকটি প্লাস্টিকের বোটে। ৭৩ জন ছিলাম ওই বোটে।’
দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দালালদের পরিকল্পনা ছিল আমরা যেন সাগরের মাঝখানে ডুবে যাই। প্রত্যেকটা দিন আমরা চিৎকার করে কাঁদতাম। কিন্তু এই কান্না শোনার মতো কেউ ছিল না। দুই সপ্তাহ বলতে গেলে আমরা কিছুই খাইনি। চিন্তা করতাম আর কোনও দিন হয়তো মায়ের কাছে ফিরে আসতে পারবো না। বড় ভুল করেছি সেটাও ভাবতাম। ওই সময়ে আল্লাহর কাছে বিচার চাইতাম, আল্লাহ যেন ওই দালালদের বিচার করেন।’
তিনি জানান, চারদিন সাগরে ভাসার পর তিউনিসিয়ার একটি জাহাজ দেখে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার দিয়ে ১৫ জন হিমশীতল পানিতে লাফিয়ে পড়েন। পরে ওই জাহাজ থেকে রশি ফেলে তাদের জাহাজে তোলা হয়। অন্যদেরও উদ্ধার করে বোটে রাখে তিউনিসিয়ার ওই জাহাজকর্মীরা। তারাই পরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করে আমাদের অবস্থার কথা জানায়।
শিপনের মা মিনারা বেগম বলেন, ‘আমার সব বিক্রি কইরা, জমি বন্ধক দিয়া ছেলেরে বিদেশে পাঠাইছিলাম। কিন্তু দালালরা আমার ছেলেরে মারার চেষ্টা করছে। এতো টাকা নিয়া গেছে, আমারে ঠকাইসে, আমি এর বিচার চাই।’
শিপনের বাবা হেলাল মিয়া বলেন ‘গত মার্চ মাসে শিপনকে লিবিয়া নেওয়ার কথা বলে টাকা নেয় দালাল লুৎফুর রহমান ও তার বাবা জমির আলী। পরে শিপনকে লিবিয়া নিয়ে আটকে রেখে তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরে ইতালি নেওয়ার কথা বলে গত ২১ মে আরও তিন লাখ টাকা চেয়ে নেয় লুৎফুরের বাবা জমির আলী। টাকা নেওয়ার পর লুৎফুর আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে ছেলের কোনও খোঁজ পাইনি। পরে টিভিতে খবরে জানলাম আমার ছেলে উদ্ধার হয়েছে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু পরিবর্তন: ২৮ দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

যৌথভাবে জরিপটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের গ্রান্থাম ইন্সটিটিউট ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে দায়ের হওয়া মামলার তথ্য পর্যালোচনা করে গত ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি মামলা দায়ের হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। দেশটিতে মোট ৯৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়া যুক্তরাজ্যে ৫৩টি, ব্রাজিলে ৫টি, স্পেন-এ ১৩টি, নিউ জিল্যান্ডে ১৭টি এবং জার্মানিতে ৫টি মামলা দায়ের হয়েছে।
জরিপের সহ লেখক জোয়ানা সেটজার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যর্থতার জন্য সরকার ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো এক বৈশ্বিক বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে’। ব্যক্তি মানুষ আর পরিবেশবাদী গ্রুপগুলো বিভিন্ন দেশের সরকার ও কোম্পানিকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যর্থতার জন্য আদালতে যেতে বাধ্য করছে, আর এটা কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই ঘটছে না। জলবায়ু পরিবর্তনকে আদালতে নিয়ে যাওয়া দেশের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তার পরিবেশবাদী নীতি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ঠেকাতে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। গত আড়াই বছরে ১৫৪টি মামলা পর্যালোচনা করে ব্রিটিশ জরিপে বলা হয়েছে, আদালতে চ্যালেঞ্জ করা ট্রাম্পের কোনও জলবায়ু নীতি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকেনি।
চার বছর আগে পাকিস্তানে এক যুগান্তকারী মামলায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যর্থতার জন্য মানবাধিকার ইস্যুতে মামলা দায়েরের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশটির দক্ষিণ পাঞ্জাবের কৃষক আসগার লেগারি সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তিনি দাবি করেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করতে সরকার ব্যর্থ হওয়ায় তার মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। তার অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে পানি, খাবার, জ্বালানি নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তার দেশের নেতারা। আদালত ওই কৃষকের পক্ষে রায় দেয়। এর মামলার কারণেই দেশটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন কমিশন।
নেদারল্যান্ডসে আরজেন্ডা ফাউন্ডেশন সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কার্বণ নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আনায় সফলতা পায়। ওই মামলার রায় এখন আপিলের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে।
বাতাস দূষণের অবৈধ মাত্রা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাজ্য সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে একাধিকবার আদালতে জয় পেয়েছে ক্লায়েন্ট আর্থ নামের একিটি সংস্থা।
এ বছরের মে মাসে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটির কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলের টরেস উপত্যকার দ্বীপে বসবাসকারী আট ব্যক্তি। ওই আবেদনে অস্ট্রেলিয়ার সরকারকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো এবং দ্বীপের বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে উপকূল রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
গত ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার প্রকাশিত জরিপে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন মামলার বিচারিক আওতা সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে। আর তা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার অনুষঙ্গকে শক্তিশালী করছে।
কৌশলগত ও নিয়মিত মামলার সংখ্যার বৃদ্ধি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আইনি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, আইনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তন মামলার সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে দেখা যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার অনুষঙ্গ হিসেবে মামলার ব্যবহার নীতি পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অতি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন
![]() |
| ছবিঃ নাসির উদ্দিন |
| ছবিঃ নাসির উদ্দিন |
| ছবিঃ নাসির উদ্দিন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বকাপে ভারতের পরাজয়ে কাশ্মীরজুড়ে আনন্দ মিছিল ও আতশবাজি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনকে আরো কঠোর করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাব। দেশের যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, তা আরো এগিয়ে নিয়ে যাব। দেশকে আরো সমৃদ্ধশালী করবো। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী আমরা পালন করবো ভিক্ষুকমুক্ত, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতি করি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য। দেশের সম্পদ বিক্রি করে ক্ষমতায় আসতে হবে সেই রাজনীতি আমি করি না। আমার প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের উন্নতি ও দেশের মানুষের কল্যাণ। দেশের মানুষকে একটু সুন্দর জীবন দেয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীর সমাপনী বক্তব্য শেষে স্পিকার রাষ্ট্রপতির আদেশ পাঠ করে সংসদ অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই দেশের উন্নয়ন হয়। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার গত এক দশকে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসোপানে যাত্রা শুরু করেছে। সারাবিশ্বেই এখন বাংলাদেশ উন্নয়নের রোলমডেল। তিনি বলেন, দেশকে আরো উন্নতি করতে হলে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। এবারের বাজেটে আমরা প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ ভাগে উন্নীত করতে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। কারণ আমরা দেশকে উন্নয়নের পথে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক বিশ্বেও আজ প্রমাণিত উন্নয়নে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা এখন বিশাল বাজেট নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছি। বাজেটের বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ মাত্র শূন্য দশমিক ৮ ভাগ। আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি মানুষের কল্যাণের জন্য। ভিক্ষা চেয়ে নয়, দেশের নিজস্ব সম্পদ নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। কারণ আমাদের দেশের সম্পদ জনগণ আর দেশের মাটি হচ্ছে উর্বর। আমরা দেশের যে উন্নতি করতে পারি তা আজ প্রমাণিত। আগামী এক বছরের দেশের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ডলারে উন্নীত করতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী। দেশের উন্নয়ন ও সফলতার বিবরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি আমরা ৪ দশমিক ৯ ভাগে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি। সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করেছি, দেশ আজ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের মানুষের পুষ্টিও নিশ্চিত করেছি বলেই পুরুষের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৮ ভাগ এবং নারীদের গড় আয়ু ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে। খাদ্যে ভেজালের কথা বলা হয়, অথচ মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। রপ্তানি আয় অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এলএমজি আমদানি করছি গ্যাসের চাহিদা মেটাবার জন্য। দেশে শিল্পায়ন হচ্ছে, শিল্পায়নের সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু সে পরিমাণ গ্যাস আমাদের দেশে নাই। আমরা গ্যাসের কূপ খনন করছি। গ্যাসের জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে, যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে উত্তোলন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশাল সমুদ্র সীমা অর্জন করেছি। সেখানেও গ্যাস উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। গ্যাসের দাম নিয়ে যে কথাগুলো আসছে যে দাম না বাড়িয়েও করা যাবে। কিন্তু দাম বাড়ানোর প্রয়োজনটা কেন ছিল? গ্যাসের বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য পেট্রোবাংলা ও বিভিন্ন কোম্পানি গ্যাসের দাম ১০২ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এলএমজি গ্যাস আমদানি খুব ব্যয় সাপেক্ষ। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন মূল্যায়ন করে দেখেছে বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করার প্রয়োজন ছিল। সেখানে আমরা কতটুক দাম বৃদ্ধি করেছি? গ্রাহকদের আর্থিক চাপ বিষয়টা বিবেচনা করে কমিশন মাত্র ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করেছে। অর্থাৎ ভোক্তাপর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্য হার বর্তমানে প্রতি ঘন মিটার ৯ দশমিক ৮০ টাকা। আর প্রতি ঘনমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গ্রাহকদের জন্য কোনো দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। তিনি বলেন, গণপরিবহনের বিষয়টি বিবেচনা করে সিএনজি খাতে শুধুমাত্র প্রতি ঘনমিটারে ৩ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এখন থেকে মিনিমাম চার্জ প্রত্যাহার করা হয়েছে। সকল শিল্প গ্রাহকদের ইবিসি মিটার দেয়া হবে। যাতে করে গ্যাস কে কত ব্যবহার করে সেটা যেন নির্দিষ্ট থাকে। যাতে বিল পরিশোধ সহজ হয়। গ্রাহকদের আর্থিক চাপ যেন বেশি না পরে সেজন্য সরকার গ্যাসে প্রতি বছর ৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা বা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল থেকে ২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, আমরা যদি সব খরচটা ধরি তাতে এলএমজি আমদানির খরচ পড়ে সম্পূরক শুল্কসহ প্রতি ঘনমিটার ৬১ দশমিক ১২ টাকা। আমরা নিচ্ছি মাত্র ৯ দশমিক ৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি ঘনমিটারে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে ৫১ দশমিক ৩২ টাকা। আর সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের কারণে সরকারের ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় বন্ধ হয়ে গেছে। এটি বন্ধ না হলে দেশের আরো উন্নতি করতে পারতাম। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ২০০০ ও ২০০১ সালে গ্যাস বিক্রির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের ঘটনা তুলে ধরে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিল ক্লিনটন বাংলাদেশে এসে ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রির জন্য চাপ দেয়। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারও খালেদা জিয়া ও আমার সঙ্গে বিক্রির একই চাপ দেয়। আমি তাদের স্পষ্ট করে জানাই, আগে আমাদের কত পরিমাণ গ্যাস রয়েছে, দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ৫০ বছরের গ্যাস রিজার্ভ রেখে যদি উদ্বৃত্ত থাকে তবেই আমি গ্যাস বিক্রি করতে রাজি। তিনি বলেন, গ্যাস বিক্রিতে রাজি না হলেও খালেদা জিয়া গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসেন। নির্বাচনে আমরা বেশি ভোট পেলেও ক্ষমতায় যেতে পারিনি। কারণ আমি রাজনীতি করি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য। দেশের সম্পদ বিক্রি করে ক্ষমতায় যেতে হবে সেই রাজনীতি আমি করি না। তিনি বলেন, এনার্জি ছাড়া দেশের উন্নয়ন হয় না। এখন দেশের ৯৩ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। আমরা যদি গ্যাস সরবরাহ করতে না পারি তবে দেশের উৎপাদন বন্ধ হবে, রপ্তানি কমে যাবে, দেশে হাহাকারের সৃষ্টি হবে। যারা এ নিয়ে আন্দোলন বা সমালোচনা করে তারা কী দেশে এমন পরিস্থিতি হোক সেটাই চান? তিনি বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পুরোটা খরচই নেয়া উচিত। কিন্তু আমরা নিচ্ছি না। দেশের জনগণের স্বার্থে ও উন্নয়নে গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাত দুটোতেই বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছি। ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে গ্যাসের মূল্য বেশি এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে দু’দেশের তুলনামূলক মূল্যের চিত্র সংসদে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ভারতসহ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের তুলনায় বাংলাদেশে গ্যাসের মূল্য কম। বাংলাদেশে গৃহস্থালী খাতে যেখানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের মূল্য ১২ টাকা ৬০ পয়সা, সেখানে ভারতের মূল্য ৩০ থেকে ৩৭ রুপি। শিল্পে বাংলাদেশে ১০ টাকা ৭০ পয়সা, ভারতে ৪০ থেকে ৪২ রুপি, সিএনজি খাতে বাংলাদেশে ৪৩ টাকা, ভারতে ৪৪ থেকে ৫৩ রুপি এবং বাণিজ্যিক খাতে বাংলাদেশে ২৩ টাকা, সেখানে ভারতে ৫৮ থেকে ৬৫ রুপি। তবে ভারত থেকে আমাদের দেশে গ্যাসের দাম বেশি হলো কীভাবে? সংসদ নেতা বলেন, আমাদের সরকার প্রতিটি গ্রামকে শহরে পরিণত করতে চায়। আকাশ, রেল, নৌ-পথ, সড়ক পথ সবক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। গত ১০ বছরে আমরা ১০ হাজার চিকিৎসককে নিয়োগ দিয়েছি। নার্সদের শিক্ষার মানও বৃদ্ধি করেছি। চাকরিতে বয়সের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব কার্যত নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আগের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের ঝনঝনানি নেই। শিক্ষার কার্যকর পরিবেশ রয়েছে। তিনটি বিসিএস পরীক্ষার ফলাফলের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী পরীক্ষার্থীদের পাসের হার ৪০ দশমিক ৬০ ভাগ, ২৫-২৭ বছর বয়সীদের পাসের হার ৩০ দশমিক ২৯ ভাগ, ২৭-২৯ বছর বয়সীদের পাসের হার ১৩ দশমিক ১৭ ভাগ এবং ২৯ বছরের বেশি বয়সীদের পাসের হার মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ ভাগ। এক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করা হলে ঘর-সংসার সামলিয়ে আদৌ পরীক্ষায় পাস করতে পারবে কি না, তাতে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। আর নিয়মিত পড়াশোনা করলে এখন ২৩ বছরের মধ্যে মাস্টার্স পাস করা যায়। সেক্ষেত্রে ২৩ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত চাকরিতে প্রবেশের সময় থাকে। এরা প্রতিটি বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, যা বিশ্বের কোথাও এমন সুযোগ দেয়া হয় না। সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়া প্রসঙ্গে সংসদ নেতা বলেন, ডেঙ্গু রোগটা বেড়ে গেছে। সমস্যা হচ্ছে ডেঙ্গু মশাটা এরোসক্রেট হয়ে গেছে। এরা পচা ডোবা-নর্দমায় নয়, একটু ভদ্র এলাকায় বাস করে। বাসা-বাড়ির স্বচ্ছ পানিতে এরা বংশবিস্তার করে। তাই এ ব্যাপারে দেশের মানুষকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে, বাসাবাড়ির আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তবে ডেঙ্গুর চিকিৎসা আগের থেকে এখন অনেক সহজ হয়েছে, চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 13
(34)
- দুই যুবতীর বিয়ে
- ‘তোমরা হাঁস, মুরগীর মত বেঁধে ছেলেয়েদের বড় করো’
- পদ্মার ভাঙনে আতঙ্কে হাজারো মানুষ by কাজী তানভীর মা...
- জাকজমকপূর্ণ বৌভাত মোস্তাফিজের
- অপহরণকারীদের কবল থেকে যেভাবে পালিয়ে এলো তাসলিমা -ম...
- নারায়ণগঞ্জ বিসিক শিল্পাঞ্চল: রাস্তা ভাঙা, বিদেশী ক...
- মানবতার নজির: সাতদিন বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ হলদিয়ার ম...
- এশিয়ায় প্রভাব বাড়াতে চীনা তৎপরতার মধ্যে বেইজিং সফর...
- বন্যাপরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা: রাজধানীতে জলাবদ্ধতায়...
- ১০ বছরে হোঁচট খাইনি -প্রধানমন্ত্রী
- আষাঢ়ী গরম by সোয়েল রানা
- মোদির ‘সেকেন্ড টার্ম’ বাংলাদেশের জন্য কেমন? by রঞ্...
- ৩৫ মণ যুবরাজের দাম ১৮ লাখ টাকা by আমিনুল ইসলাম লিটন
- কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করবে ভুটান, তালিকায় অস...
- এনআরসি-বঞ্চিতদের জন্য আরো ১০ আটককেন্দ্র নির্মাণের ...
- গালি দেওয়া মানুষের জন্য ভাল, ইউক্রেনের স্বাস্থ্যম...
- ভয় দেখানো নয়, সংলাপেই কাশ্মির সমস্যার উপশম
- যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে উত্তেজনার নেপথ্যে
- ময়মনসিংহে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের সম্পদের পাহাড়
- ‘চারদিন না খেয়ে ছোট একটা নৌকায় ভাসার পর চিৎকার করে...
- জলবায়ু পরিবর্তন: ২৮ দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠানের বির...
- অতি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন
- বিশ্বকাপে ভারতের পরাজয়ে কাশ্মীরজুড়ে আনন্দ মিছিল ও ...
- প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনকে আরো কঠোর করা হবে: প্রধানমন...
- পাকিস্তান নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো নতুন মেরিটাইম প...
- চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে তালেবান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা,...
- শ্রীলংকায় ‘সিনহলা সরকার’ চায় কট্টর বৌদ্ধ সংগঠন বিব...
- মশক নিধনে এবার কমিউনিটি অ্যাম্বাসেডর!
- দক্ষিণ রাখাইনে শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছে মিয়ানমারের স...
- ফ্রান্সে সৌদি যুবরাজের বোনের বিচার শুরু
- ‘রাজহাঁসের ব্যথা’ কি কমবে by শওকত হোসেন
- বিগ বসের ১.২ কোটি রুপির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ...
- পাঞ্জাব সীমান্ত সুরক্ষিত করছে পাকিস্তান, রোবটিক ট্...
- হিজড়াদের জন্য আবাসন হচ্ছে শেরপুরে by শাহরিয়ার মিল্টন
-
▼
Jul 13
(34)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





