Tuesday, March 27, 2018
দু’বছরে পদ্মার গর্ভে সহস্রাধিক ঘরবাড়ি: পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতি by মো. তারেক রহমান

চাঁপাই নবাবগঞ্জস্থ ৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম আবুল এহসান জানান, গত এক বছর ধরে এখানে যেভাবে ভাঙন চলমান রয়েছে তাতে আমাদের চরবাগডাঙ্গা বিওপিটি অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্রুত বড় ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সামনের বর্ষা মৌসুমে এটি তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি আমরা আমাদের সদর দপ্তরকে অবগত করেছি। এবং জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিজিবি সদর দপ্তর ২০১৭ সালের ১২ই মে মহাপরিচালক পাউবোর কাছে পত্র প্রেরণ করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের পার্শ্ববর্তী কাইড়াপাড়া গত ৩ মাসের মধ্যে তলিয়ে গেছে নদীতে। বিজিবির চরবাগডাঙ্গা বিওপিটি থেকে মাত্র ২৫০ গজ দূর দিয়ে বইছে প্রমত্তা পদ্মা। বিওপির বিজিবি সদস্যরা জানান ইতোমধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার নদীগর্ভে নেমে গেছে। এসময় কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা কাউয়ুম আলীর সঙ্গে। তিনি জানান, ভাঙতে ভাঙতে নদী এখন ক্যাম্পের কাছে চলে এসেছে। তিন মাস আগেও এখানে আমাদের বাড়ি ছিল, এখন পদ্মা নদীর মাঝখানে। ওই যে চরটি দেখতে পাচ্ছেন সেখানেই আমাদের বাড়ি ছিল।
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চরবাগডাঙ্গা বিওপির কাছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত। উজানে ফারাক্কার প্রভাবে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মায় পানি না থাকায় বেশ কিছু চর জেগে উঠেছে। ফলে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে চরবাগডাঙ্গার দিকে ধেয়ে আসছে। মূলত এই কারণে চরবাগডাঙ্গা এলাকায় শুষ্ক মৌসুমেও ব্যাপক ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
আলমগীর হোসেন নামে স্থানীয় অধিবাসী জানান, গত দু’বছরে প্রায় ছয়টি গ্রাম নদীতে তলিয়ে গেছে। এখন গোয়ালডুবি এলাকা থেকে ভারতীয় সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে পদ্মার ভাঙ্গন। ইতোমধ্যে কয়েকটি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক বাড়িঘর, বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ও আম বাগান পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদী তীরবর্তী লোকজন আতঙ্কে তাদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। হুমকির মধ্যে আছে বিজিবির চরবাগডাঙ্গা বিওপি, ফরিদপুর বিওপি, বাখের আলী কোম্পানি ক্যাম্প, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ভূমি অফিস, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি উচ্চ বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা ও স্থানীয় একাট হাট।
এ বিষয়ে চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ জানান, চরাঞ্চলের মানুষের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে দুঃখে আমাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এসব কাজ করতে কি পরিমাণ ঝামেলা আর হয়রানির শিকার হতে হয় তারা বিষয়টি জানেন না। সরাসরি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, পাউবোর কিছু অসহযোগিতাকারী কর্মকর্তা সরকারের তথা আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য যে কাজগুলো সহজেই করা সম্ভব সেগুলো না করে ইচ্ছাকৃতভাবে অসহযোগিতা করছে। তিনি আরো জানান, ইতোমধ্যে আমরা চরাঞ্চলে প্রায় ১৭০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছি। প্রায় আড়াই কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ বাকি রয়েছে। এই কাজটুকু না করলে পুরো কাজই ভেস্তে যাবে। চরবাগডাঙ্গা এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধ না করা গেলে চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা শহরও হুমকির মধ্যে পড়বে বলে জানান তিনি। চাঁপাই নবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ সাহিদুল আলম গত ২ বছর থেকে নদী ভাঙনের কথা স্বীকার করে জানান, নদীর ২-১ মিটার মাটি বাকিটা বালি। ফলে বাতাসেই সেগুলো ঝরে পড়ে। সাইনবোর্ড বাজার থেকে ইন্দোবাংলা বর্ডার পর্যন্ত দুই দশমিক ছয় কিলোমিটার নদী প্রতিরক্ষার ডিপিপি তৈরি করেছি। দু-একদিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবো। বিগত দুই বছরে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসলে সিস্টেমটাই এরকম। বছর খানেক থেকে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, কয়েকবার ডিপিপি তৈরি করে পাঠিয়েছি কিন্তু বারবার ফেতর আসায় আবারো নতুন করে ডিপিপি তৈরি করা হয়েছে। ডিপিপি থেকে মন্ত্রণালয় তারপর একনেক সভায় যাবে। এরপর অর্থ বরাদ্দের বিষয় আছে। তাছাড়া সামনে বর্ষা মৌসুম সুতরাং কাজটি শুরু হতে সময় লাগবে বলেও তিনি স্বীকার করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফ্ল্যাটমুখী ডেটিংয়ে আগ্রহ, হাসি-কান্না by শুভ্র দেব

রাজধানীর শীর্ষস্থানীয় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী অনুফা ও রিয়াদ (ছদ্মনাম)। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রথম বছর থেকে তাদের মধ্যে পরিচয় ও সখ্য গড়ে ওঠে। দু’জনই অভিজাত ঘরের সন্তান। ক্লাস ফাঁকি দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঘুরে বেড়াতেন পার্কে, রিসোর্টে ও রেস্তরাঁয়। তাদের বন্ধুরাও অনেকেই বান্ধবীর সঙ্গে আড্ডা দিত। তাদেরই এক বন্ধু তার বান্ধবীকে নিয়ে প্রায়ই উত্তরার একটি ফ্ল্যাটে আসা যাওয়া করত। কাটাতো বেশ অন্তরঙ্গ মুহূর্ত। সে তার অন্য বন্ধুদের খুব মজা করে এসব কথা শেয়ার করতো। তাই রিয়াদেরও ইচ্ছে হয় অনুফাকে নিয়ে ফ্ল্যাট ডেটিংয়ের। বন্ধুর সহযোগিতার আশ্বাস পেয়ে রিয়াদ তখন অনুফাকে রাজি করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। অনেকটা জোর করেই তাকে রাজি করায় রিয়াদ। বন্ধুর সেই চেনা ফ্ল্যাটে একদিন হয়ে যায় রিয়াদ আর অনুফার ডেটিং। এরপর থেকে সুযোগ পেলেই যাওয়া হয় তাদের। শুধু অনুফা, রিয়াদ আর তার বান্ধবী নয় ফ্ল্যাটমুখী ডেটিংয়ে ঝুঁকছে আরো অনেকেই। আর এই প্রেমিক জুটিদের অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর ব্যবস্থা করে দিয়ে অনেকেই কামাচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর অনেক এলাকাতেই এখন ফ্ল্যাটকেন্দ্রিক ডেটিং হয়। ঘণ্টা অথবা দিন চুক্তিতে এসব ফ্ল্যাটের কক্ষ ভাড়া পাওয়া যায়। রাজধানীর শাহজাহানপুর, বাসাবো, মালিবাগ, বনশ্রী, রামপুরা, মিরপুর, উত্তরা, শেওড়া, কাজিপাড়া, সেগুনবাগিচা, পান্থপথ, কাঁঠালবাগান, কলাবাগান, ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর, রাজাবাজার, তেজকুনিপাড়া, মগবাজার, কালশি, গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় চলছে এ ধরনের ডেটিং। বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন এলাকার এসব ফ্ল্যাটে একজন নিয়ন্ত্রণকারী থাকেন। তার আবার শহরের বিভিন্ন স্থানে আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক থাকে। বিভিন্ন মার্কেট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে তারা একটি ভিজিটিং কার্ড দিয়ে মোবাইল নম্বর প্রচার করে। উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটের প্রচারণা ও গেস্ট সংগ্রহের কাজ করে মামুন হোসাইন। মামুন বলে, আমরা মূলত দুই ধরনের ব্যবসা করে থাকি। প্রথমত, যারা বান্ধবী নিয়ে ডেটিং করার স্থান খোঁজে পায় না তাদেরকে আমরা টাকার বিনিময়ে সার্ভিস দিয়ে থাকি। এর বাইরে আমাদের কাছে কিছু নারী আছে। কেউ চাইলে সে ব্যবস্থাও আমরা করে দিই। মামুন বলেন, শুধু ফ্ল্যাট ডেটিং করতে হলে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে। পুরো দিন থাকলে ২ হাজার আর ঘণ্টা হিসাবে থাকলে ৫০০ টাকা করে লাগে। নিয়মিত যারা আসে তাদের বেলায় কিছুটা ছাড় দেয়া হয়।
ফ্ল্যাটমুখী ডেটিংয়ের খারাপ প্রভাবও কম নয়। বিশেষ করে তরুণীদের ঝুঁকি বেশি। কারণ, অনেক সময় প্রেমিকের কথা রাখার জন্য ফ্ল্যাট ডেটিংয়ে রাজি হয় অনেক তরুণী। তার শেষটা অনেক সময় সুখকর হয় না। প্রেমিকের প্রতারণার শিকার হয়ে অনেক তরুণী সর্বস্ব খোয়াচ্ছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ঘটনা। বড় ভাইয়ের বন্ধুর সঙ্গে প্রেমে মজেছিলেন শান্তনা (ছদ্মনাম) নামের এক শিক্ষার্থী। বেশ ভালোই কেটেছিল কয়েক বছর। কিন্তু হঠাৎ করেই তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। এই চার বছরে দু’জন আলাদা থাকলেও পরিচিত অনেক ফ্ল্যাটে গিয়ে অন্তরঙ্গ সময় কাটিয়েছেন একাধিকবার। শান্তনার পরিবার থেকে বিয়ের কথা উঠলে সে চাপ দিতে থাকে সোহানকে। কিন্তু সোহান বিষয়টি আমলে না নিয়ে শান্তনার সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখে। একসময় শান্তনার সঙ্গে পুরোপুরি যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। উপায়ান্তর না পেয়ে শান্তনা তার পরিবারকে জানায়। তখন পরিবারের পক্ষ থেকে সোহানের সঙ্গে আলোচনা করলে সে শান্তনাকে বিয়ে করতে অপারগতা দেখায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাকে গ্রেপ্তার কারা করিয়েছিল জানি, ওই হিসাব পরে নেবো -প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় তিনি স্বাধীনতার পর থেকে দেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের বিষয় উল্লেখ করে এক এগারোর সরকারের সময় তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা, স্বাধীনতার চেতনা নষ্ট করা আর ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করেছিলো বিএনপি। বাংলাদেশকে একটা সন্ত্রাসের দেশ হিসেবে পরিনত করেছিলো। ক্ষমতায় থেকে তখন অত্যাচার নির্যাতন করেছে বিএনপি সরকার। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসার পর প্রথম গ্রেপ্তার করা হলো আমাকে। আমি তো তখন ক্ষমতায় ছিলাম না। কারা করিয়েছে সেটা আমরা অন্তত এখন জানি। ওই হিসাব পরে নেবো আমরা।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা ভদ্রলোক, বিশ্বে অনেক নাম করেও তার মন ভরে নাই। একটি ক্ষুদ্র ব্যাংকের এমডি পদ ছাড়ার লোভ সামাল দিতে পারেনি। সেই এমডি পদের লোভে পড়ে পদ্মা সেতু বন্ধ করার জন্য আমেরিকায় লবিং করে। পরে সেতুর টাকা দেয়া ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বন্ধ করে দেয়। জাতির পিতা তো বলেছেন, কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা বাঙ্গালী আর আমি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। কাজেই আমি সেটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। দুর্নীতির অভিযোগ আনতে চেয়েছিলো। বহু চেষ্টা করেছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসে বিশেষ এজেন্সি হায়ার করে আমার বিরুদ্ধে, আমার বোনের বিরুদ্ধে, আমার ছেলে-মেয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি পায় কি না। পায়নি। আবার সেই এমডি সাহেবও আমেরিকাকে দিয়ে তদন্ত করিয়েছেন। না পেরে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের টাকা বন্ধ করে আমাকে দোষারোপ করতে চেষ্টা করেছিলেন। চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম প্রমাণ করো। প্রমাণ করতে পারেনি। আমেরিকার ফেডারেল কোর্টে মামলা হয়েছিলো। তারা বলে দিয়েছিলো সমস্ত অভিযোগ ভূয়া। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, একটা জিনিস মনে রাখবেন,বিএনপি ক্ষমতায় এসে বাংলাদেমকে ৫বার দুর্ণীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে। আজ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেখিয়েছে আমরা যে দুর্নীতি করি নাই তা আজ শুধু মুখে বলার না, তা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। আজ বাংলাদেশের মানুষের মুখ উজ্জল হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ উন্নত জীবন পাক সেটাই আমাদের একমাত্র চাওয়া। জাতির পিতা স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। আমরা বলেছি, স্বাধনিতার সুফল আমরা বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেব।
তিনি বলেন, অর্থ-সম্পদ চিরদিন থাকে না। অর্থ-সম্পদ কেউ কখনও কবরে নিয়েও যেতে পারে না। সম্পদের জন্য মারামারি-কাটাকাটি করে। মরে গেলে সব রেখেই কবরে যেতে হয়। এটাই বাস্তবতা। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া একজন রাজনীতিবিদের সেটাই কর্তব্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সেটাই করে গেছেন। তার কণ্যা হিসেবে সেটাই আমার দায়িত্ব মনে করি। আমাদের লক্ষ্য তৃণমুল থেকে জনগণের উন্নয়ন করা। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর দেশের উন্নয়ন করলেও ষড়যন্ত্রের কারণে ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালে ষড়যন্ত্র হলো। ভোট বেশি পেয়েও ক্ষমতায় আসতে পারিনি। ওই সময় বিএনপি-জামায়ত জোট ক্ষমতায় এসে শুরু করলো জুলুম-অত্যাচার। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো তারা গ্রামের পর গ্রাম নির্যাতন চালিয়েছে। মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, মানুষের চোখ তুলে নিয়েছে, হাত-পা ভেঙে দিয়েছে, ক্ষেতের ফসল নষ্ট করেছে, ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, পুকুর কেটে দিয়েছে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ মেরেছে। ভোট দেয়ার অপরাধে এমন কোনও অত্যাচার নেই, তারা করেনি। ছয় বছরের শিশুকে পর্যন্ত ধর্ষণ করেছে। প্রতিহিংসার বশে তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে এসব করেছে। পাঁচ পাঁচটি বছর দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে বাংলাদেশকে। বিএনপি-জামায়াত জোটের সময়ের বিবরণ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা বাংলা ভাই সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের দেশে পরিণত করেছে। গ্রেনেড হামলা তো আছেই। এইভাবে অত্যাচার করে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার চেষ্টা করেছে তারা, ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও যেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসতে পারে, তার জন্যও ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু সব ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। তিনি বলেন,আমরা সরকার গঠন করলাম। আমাদের লক্ষ্য ছিল, দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলব। যে মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করলেন, তারা ভিক্ষা করবে বা রিকশা চালাবে, এটা অপমানজনক। তাদের সন্তানেরা পড়ালেখার সুযোগ পাবে না, সেটা হতে পারে না। তাই আমরা ক্ষমতায় এসে তাদের জন্য কোটার ব্যবস্থা করলাম। আমরা চেষ্টা করছি, সবার মধ্যে ইতিহাসকে ছড়িয়ে দেয়ার। তরুণ প্রজন্ম ধীরে ধীরে উজ্জীবিত হচ্ছে, তারা সঠিক ইতিহাস জানতে পারছে। অথচ ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তারা জানে না, ইতিহাসকে কেউ মুছে ফেলতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গ্রামের মানুষদের পছন্দ করতেন। তাদের কথা বলতে গিয়েই তো তিনি জীবনটা পর্যন্ত দিয়ে গেছেন। প্রতি ঘরকে আমরা আলোকিত করবো। সেই লক্ষ্য নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি বলে আজ দেশের উন্নতি হচ্ছে। নইলে ৭৫ এর পর যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা তো নিজেদের খুব উচ্চ পর্যায়ের মনে করতো। কিন্তু দেশের মানুষ কি পেয়েছিলো? তাদের খাতা সবই শূণ্য। মুষ্টিমেয় লোক সম্পদশালি হয়েছে। সেই জিয়ার আমল থেকেই খেলাপি ঋণের কালচার। জিয়ার আমল থেকেই এই করাপশন। যার ধারাবাহিক ভাবে জিয়া, এরশাদ,খালেদা জিয়া যখনই যে ক্ষমতায় এসেছে,দুর্নীতি করেছে, সম্পদশালি হয়েছে। নিজেদের সাজুগুজু,নিজেদের ভোগবিলাস এই নিয়ে ব্যস্ত। দেশের মানুষ না খেয়ে থাকলে তাদের কি হলো? আমাদের চিন্তাটা সম্পুর্ন ভিন্ন। কারণ আমার বাবা শিক্ষা দিয়ে গেছেন। দামি শাড়ি,গহনা পরতে গেলে তিনি আমাদের বলতেন, মা কাকে দেখাবে। যে দেশের মানুষ একবেলা খাবার পায় না। এটাই আমাদের শিক্ষা দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ২০০৮ সালে সরকার গঠন করেছি। এরপর ২০১৩ সালে তারা এক দুর্বিষহ অবস্থা তৈরি করে। সেই অবস্থা আমরা সামাল দিয়েছি। ২০১৪ সালে আবার নির্বাচন হয়, মানুষের ভোটে ক্ষমতায় আসি। কিন্তু তারা ২০১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাস করে। সাড়ে ৩ হাজার মানুষ পুড়িয়েছে। হাজার হাজার গাড়ি, বাস, ট্রাক, লঞ্চ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। সরকারি অফিসে আগুন দিয়েছে। কেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলো এটাই তাদের অন্তর্জ্বালা। তারা তো ক্ষমতায় থেকে ভোগ-বিলাস করেছে, মানি লন্ডারিং করে ধরা পড়েছে। এতিম খানার টাকা পর্যন্ত আত্মসাৎ করেছে। সবকিছু ধরা পড়েছে। এতে আমাদের কোনও হাত নেই। কিন্তু আদালত তাদের সাজা দিলে তারা মানে না। তারা কিছুই মানে না। তারা ক্ষমতায় থেকে মানুষকে হত্যা করেছে, এখনও তাই করতে চায়। দেশের কোনও উন্নয়ন তারা চোক্ষেই দেখে না।
আলোচনা সভায় দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাংগনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর হারুন উর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাদেকা হালিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে ডায়রিয়াকে পরাভূত করেছে বাংলাদেশ by মাহমুদ ফেরদৌস

ইকবাল বাহারের পর্যবেক্ষণ সত্য হয়ে থাকলে, তা হয়তো হয়েছে কারণ আগের চেয়ে এখন শিশুরা স্বাস্থ্যবান হয় বেশি। ১৯৯৩-৯৪ সালে, বাংলাদেশের ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১৪ শতাংশ শিশুই দুই সপ্তাহ অন্তর অন্তর একবার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতো। ওই বয়স একটি শিশুর বিকাশের ক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পাকস্থলির জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তখন থাকে বেশি। ২০০৪ সালের দিকে আক্রান্ত শিশুর পরিমাণ কমে ১২ শতাংশে নেমে আসে। ২০১৪ সালে তা নেমে আসে ৭ শতাংশে। বয়সের তুলনায় শরীরের আকার কম হওয়ার হারও কমেছে আনুপাতিক হারে। টাইফয়েড হ্রাস পাওয়া ও স্যালাইন ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে বেঁচেছে অনেক প্রাণ।
বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য খাতে অগ্রগতি নিয়ে লন্ডনের ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের ২২শে মার্চ ইস্যুতে দুইটি নিবন্ধ ছাপা হয়েছে। ‘হাউ বাংলাদেশ ভ্যাংকুইশড ডায়রিয়া’ শিরোনামে একটি নিবন্ধে এসব বলা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের মতলব উপজেলার বাসিন্দাদের নিয়ে ভালো স্বাস্থ্য উপাত্ত রয়েছে। সেখানে ডায়রিয়া ও আমাশয় থেকে মৃত্যুর হার নব্বইয়ের দশকের পর থেকে ৯০ শতাংশ কমেছে। এখান থেকেই বোঝা সম্ভব কীভাবে বাংলাদেশ এই বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এখনও এশিয়ার দরিদ্র্যতম দেশগুলোর একটি। ভারতের চেয়ে এখানে মাথাপিছু আয় অর্ধেক। তবুও বাংলাদেশের শিশুমৃত্যুর হার ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে কম। আর বৈশ্বিক গড় হারের চেয়ে কম তো বটেই।
বাংলাদেশের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ব্যাখ্যা হলো ত্রিশালের মতো গ্রামে গ্রামে পাকা পায়খানার বিস্তার। ২০০৬ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে, ব্র্যাকের পরিচালিত স্যানিটেশন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৫০ লাখেরও বেশি ঘরে টয়লেট স্থাপিত হয়েছে। প্রথমে ব্র্যাকের মতো দাতব্য সংস্থা চালু করলেও, স্থানীয়রা তার বিস্তার ঘটিয়েছেন। ত্রিশালের একদল নারী ব্যাখ্যা করেছেন যে, ঘরে টয়লেট থাকা এখন মান-সম্মানের বিষয়। টয়লেট না থাকা নিয়ে বিয়ের কথা পাকা থাকলেও তা ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ব্র্যাকের কর্মকান্ড আছে এমন জেলাতেও ২০০৬ থেকে ২০১৫ সালে যত পায়খানা তৈরি করা হয়েছে, সেগুলোর দুই-তৃতীয়াংশই বানিয়েছেন জনসাধারণ।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, মানুষজন টয়লেট বানিয়েই ক্ষান্ত হননি, ঠিকঠাক তা ব্যবহারও করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে এমন পরিবারের সংখ্যা বাংলাদেশে শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এটা হয়তো বাড়িয়ে বলা কোনো তথ্য। অন্যান্য গবেষণায় ইঙ্গিত মিলেছে যে, ৫ শতাংশ পরিবার এখনও খোলা জায়গায় অথবা খাল বা নদীর ওপর নির্মিত ভাসমান টয়লেটে মলত্যাগ করে। কিন্তু বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবেই অন্যান্য দরিদ্র্য দেশের চেয়ে এই ক্ষেত্রে ভালো করেছে। যেমন, ডব্লিউএইচও’র মতে, ৪০ শতাংশ ভারতীয়ই খোলা স্থানে মলত্যাগ করে। ভারতের সরকার অবশ্য এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে। বর্তমানে প্রকাশ্যে মলত্যাগের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারাভিযান চালাচ্ছে সরকার। তাদের দাবি, প্রত্যন্ত অঞ্চলে খোলা স্থানে মলত্যাগকারীদের সংখ্যা ২০১৪ সালে ৫৫ কোটি ছিল। এখন তা ২৫ কোটি। যে-ই দাবিই সত্য ধরা হোক, তা বাংলাদেশের চেয়ে বহু পিছিয়ে।
ব্র্যাকের স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ জনির আহমেদ বলেন, গ্রামবাসীরা প্রথম প্রথম পাকা পায়খানা ব্যবহারে অনিচ্ছুক ছিল। তারা গন্ধ ও বদ্ধ পরিবেশ নিয়ে অনুযোগ করতো। কিন্তু ব্র্যাক বুঝতে পারে যে, সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র্যতম জনগোষ্ঠীই সবচেয়ে বেশি বিশেষজ্ঞদের কথা শোনেন। ব্র্যাক প্রথমে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর জন্য ল্যাট্রিন নির্মান করে। এরপর একটু বিত্তশালী বাসিন্দারা লজ্জায় পড়ে নিজেরাই টয়লেট নির্মান করতে শুরু করেন।
আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ মুশফিক মোবারক স্যানিটেশন নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি বলেন, সচ্ছল লোকজনই দরিদ্র্যদের অনুকরণ করেন। উল্টোটা ঘটে কম। কোনো ধনী ব্যক্তির যদি কিছু থেকে থাকে, নিজের কাছে তা না থাকায় আপনি লজ্জা বোধ করবেন না। কিন্তু দরিদ্র্যদের কাছে আছে, এমন কিছু যদি বিত্তশালীর কাছে না থাকে, তাহলে তারা লজ্জাবোধ করবেন।
ত্রিশাল গ্রামের আরেকটি দারুণ বিষয় হলো এখানে খাবার পানির কোনো স্বল্পতা নেই। ২৭০ পরিবারের এই গ্রামে ৩৩টি পানির পাম্প আছে। পাকা পায়খানার মতো, এই পানির পাম্পও বেশিরভাগ পরিবারই বসিয়েছে নিজ খরচায়। তবে বেশিরভাগ ওয়াটার পাম্পই বসানো হয়েছে পাকা পায়খানার নিকটে। তবে এতে কোনো সমস্যা নেই বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশের ইন্টারনেশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিসিজ রিসার্চের (আইসিডিডিআর) গবেষক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। ল্যাট্রিনের চারপাশের ভূগর্ভস্থ পানি পরীক্ষা করে তিনি দেখেছেন যে, মাটির নিচে জীবানু ২ মিটারের বেশি দূরে যেতে পারে না।
সিরাজুল ইসলাম আরেক জিনিসও আবিষ্কার করেছেন। তিনি দেখেছেন যে, ভূগর্ভস্থ পানি বেশ পরিষ্কার হলেও, পাম্পের মাধ্যমে যেই পানি উঠে আসে, তা পরিষ্কার নয়। এছাড়া ঘরে সংরক্ষিত পানিও প্রায়ই নোংরা থাকে। যেমনটা থাকে বাচ্চাদেরকে খাওয়ানোর জন্য মায়ের আলাদা করে রাখা খাবার। বাংলাদেশীদেরকে যদি পানির পাম্প, থালা-বাসন ও হাত পরিষ্কার রাখা ও ঠান্ডা হয়ে যাওয়া খাবার গরম করে খাওয়ার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা যায়, অন্ত্র-সংক্রান্ত রোগের হার আরও কমবে। যেই ডায়রিয়া রোগে আগে গণহারে মানুষ মারা যেত, সেই রোগ এখন মাঝারি মানের ঝুঁকি। সেখান থেকে এই রোগকে স্রেফ অনিয়মিত উৎপাতের মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে ইয়াবা নেশায় বুঁদ শিক্ষার্থীরা by সুদীপ অধিকারী

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ বিরাট চ্যালেঞ্জ by কাজল ঘোষ

অধ্যাপক রওনক জাহান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ও রাজনীতিকে দেখেছেন খুব কাছে থেকে। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সংকট ও এর সমাধান নিয়ে খোলামেলা সাক্ষাৎকার পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো-
আমাদের রাজনীতির মূল সমস্যা কোথায়?
১৯৯১ এর পর থেকে আমরা নির্বাচনী গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবার চেষ্টা করছি। নির্বাচনী গণতন্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার হস্তান্তর। নির্বাচনে এক দল হারবে, এক দল জিতবে। যারা একবার হারল তারা এর পরের বার আবার জিততেও পারে। নির্বাচনী গণতন্ত্রে বিভিন্ন দলের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা হতে পারে, তবে সেই প্রতিযোগিতা কখনো সংঘাতে পরিণত হওয়া উচিত নয়। আমাদের রাজনীতির মূল সমস্যা হলো আমাদের নির্বাচনী প্রতিযোগিতা একটা প্রচণ্ড সংঘাতের রাজনীতি সৃষ্টি করেছে। যারা নির্বাচনে জিতছেন তারা যারা হারছেন তাদের প্রতি অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক আচরণ করছেন। বিরোধী দলের অনেক নেতা-কর্মী জেলে যাচ্ছেন, কিংবা মামলায় পড়ছেন। আমাদের এই Winner takes all রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে দল হারছে তারা প্রায় সর্বহারা হয়ে যাচ্ছে। সংঘাতের রাজনীতির ফলে দুই প্রধান দলের মধ্যে বাদানুবাদ কখনই রাজনৈতিক সংলাপের মধ্যে দিয়ে সমাধান করা যাচ্ছে না। রাজনীতিতে বিভিন্ন দলের মধ্যে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু একটা ব্যবস্থা সকল দলকেই মানতে হবে যার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে এই সব মতভেদ নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে এবং সমাধানের বিভিন্ন পথ খুঁজে বের করা যায়। আমাদের দেশের রাজনীতির মূল সমস্যা হলো সকল দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি ব্যবস্থা আমরা গড়ে তুলতে পারিনি যার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক বিভেদগুলোর সমাধান করতে পারা যায় এবং শান্তিপূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তর করা যায়।
আমাদের এখানে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী না হওয়ার পেছনে প্রতিবন্ধকতাগুলো কোথায়?
গত ৪৭ বছর ধরে আমরা রাজনীতি চর্চা এবং শাসনপ্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে এমন কিছু রীতিকে নিয়মে পরিণত করেছি যেগুলো আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী হওয়ার জন্য প্রতিবন্ধক। এর মধ্যে কিছু রীতি সামরিক শাসন থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি; দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের নির্বাচিত রাজনৈতিক শাসকগণ সামরিক শাসকদের অনেক অগণতান্ত্রিক চর্চা পরিত্যাগ তো করেইনি, বরং এগুলোকে তারা লালন করে নিয়মে পরিণত করেছেন।
রাষ্ট্রপুষ্ট দল গঠন করা সামরিক শাসনের একটি বৈশিষ্ট্য। যখন কোনো সামরিক শাসক নিজেদেরকে বেসামরিক করে তোলার চিন্তা করে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয় তখন তারা তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠন করে। জিয়াউর রহমান গঠন করেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আর এরশাদ গঠন করেছিলেন জাতীয় পার্টি। দুঃখের বিষয় সামরিক শাসনের অধীনে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করে জনসমর্থন ধরে রাখার সংস্কৃতিটি সামরিক শাসন অবসানের সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায়নি। রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে ক্রমশ দলীয়করণ করার মাধ্যমে এবং বিজয়ী রাজনৈতিক দল বা জোট সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতার ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার ফলে ১৯৯১ এর পর থেকে নির্বাচনভিত্তিক গণতন্ত্রে এই চর্চা আরো শোচনীয় অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারগুলো জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং নিম্ন আদালতসমূহকে রাজনীতিকরণের প্রয়াস চালিয়ে গেছে। ক্ষমতাসীন দল বা দলগুলোর সমর্থকদের পুরস্কৃত করা হয়েছে এবং যাদেরকে বিদায়ী সরকারের অনুগত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে বা বর্তমান সরকারের নির্দেশ উপেক্ষা করছে বলে মনে করা হয়েছে তাদেরকে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে। আইন প্রয়োগ ব্যবস্থাকেও দলীয় করার চেষ্টা হয়েছে।
বর্তমান সংসদের আগ পর্যন্ত সংসদীয় বিরোধীপক্ষ সবসময় দাবি করে এসেছে যে, সংসদে তাদের কথা বলার যথেষ্ট সুযোগ দেয়া হয় না, ফলে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে সংসদ অধিবেশন বর্জন করেছে এবং এর পরিবর্তে রাজপথে নির্বাচিত সরকারের পদত্যাগ বা নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিয়েছে। সংসদে একটি কার্যকরী বিরোধীপক্ষের অভাবে আমরা সরকার প্রক্রিয়ার ভেতরে কোনো রকম ‘ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ’ (পযবপশ ধহফ নধষধহপব) পদ্ধতির প্রচলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছি, যা গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতি টিকিয়ে রাখার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রম খুঁটিয়ে দেখা এবং এটিকে জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান হলো জাতীয় সংসদ। সংসদীয় তদারকির অভাবে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নির্বাহী বিভাগ উত্তরোত্তর ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে। প্রশাসন, পুলিশ ও নিম্ন আদালতসমূহ প্রতিনিয়ত দলীয় রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হয়, ফলে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলো ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।
রাজনীতি আবারো সংকটে- বারবার দেশ একইরকম পরিস্থিতির দিকে কেন ফিরছে?
আমি আগেই বলেছি যতদিন পর্যন্ত না সব রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের মধ্যে মতভেদ এবং শান্তিপূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে একটি ব্যবস্থা সম্পর্কে ঐকমত্যে না পৌঁছাতে পারবে ততদিন পর্যন্ত আমরা বারে বারে এই সংকটে পড়বো।
অনেকেই দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের কথা বলে থাকেন- আপনি কি এতে কোনো সমাধান দেখেন?
না আমি এতে কোনো সমাধান দেখি না। আমাদের বিরোধী দলের সাংসদরা ১৯৯৪ সালের পর থেকে ২০১৪ প্রায় বিশ বছর, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম এবং নবম- চার চারটি সংসদে ক্রমাগত একই ব্যবহার করেছেন। তারা নির্বাচিত হয়েও সংসদ বর্জন করেছেন এবং সংসদকে কার্যকর করার চেষ্টা করেননি। রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা থাকলে একপক্ষ বিশিষ্ট সংসদ কার্যকরী হতো। দ্বিকক্ষ হলেই যে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। উপরন্তু আর একটি কক্ষের সাংসদরাও নিজেদের সুযোগ-সুবিধা এবং প্রভাব বিস্তারের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন। তাতে আমাদের রাজনীতির গুণগত কোনো পরিবর্তন হবে না।
উন্নয়ন আগে, গণতন্ত্র পরে- এ কথাটি নানাভাবে আলোচনায়। আপনার কি মনে হয়?
এই আলোচনা একেবারেই অবান্তর এবং যুক্তিহীন। দুটোই একে অপরের সম্পূরক। দুটোই জনগণ চায় এবং এক সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া উচিত।
দেশ আবারো একদলীয় শাসনের দিকে এগুচ্ছে বলে আপনি বলেছেন- কেন এমনটা মনে হচ্ছে?
দেশ একদলীয় শাসনের দিকে এগুচ্ছে এমন কথা আমি বলিনি। আমি বলেছি স্বাধীনতা পরবর্তী সময় আমাদের দেশে বহুদলের মধ্যে একটি মাত্র দল (আওয়ামী লীগ) প্রধান ছিল যেমন ভারতে স্বাধীনতার পর বহু বছর কংগ্রেস এরকম অবস্থায় ছিল। ১৯৯১ এর পর থেকে আমরা দেখেছি আমাদের দেশে দু’টি প্রধান দল (আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি) পালা বদল করে ক্ষমতায় এসেছে। তখন মনে হচ্ছিল আমরা যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মতো দুই প্রধান দল বিশিষ্ট দলীয় ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু ২০০৮ এর পর থেকে বিএনপি আর ক্ষমতায় আসেনি। বর্তমানে তাদেরকে অনেক দুর্বল মনে হয় এবং দেশে এখন আবার বহুদলের মধ্যে একটি দল (আওয়ামী লীগ) প্রধান হয়ে উঠেছে বলে মনে হচ্ছে। একদলীয় শাসন এবং বহুদলের মধ্যে একটি প্রধান দলের শাসন দুটি দুই রকম দলীয় ব্যবস্থা।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি যেদিকে এগুচ্ছে তাতে ভবিষ্যৎ কোনদিকে যাচ্ছে বলে মনে করেন?
স্বাধীনতার পর থেকে ক্রমান্বয়ে আমাদের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নতি যথেষ্ট হয়েছে এবং ভবিষতেও ভালো হবে বলে মনে হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এখনো আমাদের সামনে বিরাট চ্যালেঞ্জ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন ছুঁয়ে যায় সোনালী চেলার মোহনায় by মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী

ভোরে দুই দেশের সীমান্ত ওই এলাকায় পাহাড়ি পাখ-পাখালির কিচির মিচির শব্দ আর বারকী নৌকার লগি-বৈঠার আওয়াজে এখানকার বাসিন্দাদের ঘুম ভাঙে। সারি সারি বারকী নৌকার যাওয়া-আসার দৃশ্য পর্যটকদের নজর কাড়ে। প্রতিনিয়ত ওই নদী দিয়ে শত শত বারকী নৌকায় করে ভারত থেকে আনা হয় চুনা পাথর। আমদানীকৃত চুনাপাথর দিয়ে ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এর সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ওই সব চুনাপাথর দিয়ে ছাতকের বিভিন্ন চুল্লিতে (কোম্পানি) উৎপাদিত হয় চুন। সোনানী চেলায় বারকী নৌকা চলাচল শুরু হয় সম্ভবত ব্রিটিশ আমলে। বারক লি নামক জনৈক ইংরেজ ব্যক্তি এখানকার প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবসায়ী সর্বপ্রথম ভারতের পাহাড় থেকে চুনাপাথর এনে সুরমা নদীর পাড়ে সিমেন্ট তৈরিসহ একাধিক চুল্লি প্রতিষ্ঠিত করে চুন তৈরি করতেন। সেই থেকে আজ অবধি ওই নদী দিয়ে বারকী নৌকায় পরিবহন করা হয় চুনাপাথর।
সোনালী চেলায় শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর কমে গেলে স্থানীয়রা নুড়ি কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। এছাড়া ভোর হতে মধ্যরাত পর্যন্ত নদীতে শখের বশে মাছ আহরণ করেন স্থানীয়রা। বর্ষায় প্রচণ্ড শ্রোত প্রবহমান থাকে সোনালী চেলায়। উভয় তীরে নদী ভাঙন ও শুষ্ক মৌসুমে বালি ও পলিমাটি ভরাট হয়ে চর গজে উঠায় নাব্য সংকটে রয়েছে ওই নদী।
সোনালী চেলার উভয় তীরে নদী ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ ও খনন করা হলে দু’দেশের একেবারে জিরো পয়েন্টের সোনালী চেলার মোহনা হয়ে উঠবে উপজেলার অন্যতম একটি আকর্ষণীয় ও নান্দনিক দর্শনীয় স্থান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিনব অপরাধ: খুনের ভুয়া ভিডিওতে তোলপাড়

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার এসআই তৌহিদ জানান, আদলের মোবাইল নম্বর ট্রাক করে তার এক বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভিডিওর সঙ্গে তার চেহারা মিলিয়ে দেখা যায় সে-ই তরুণটির গলায় ছুরি চালিয়েছিল। তার নাম ইমরান। এফডিসিতে মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করে। তার কাছে পুলিশ নিহত তরুণের লাশ কোথায় তা জানতে চায়। তখন ইমরান জানায়, এটি তারা শুটিং করেছে। দুই হাজার টাকার বিনিময়ে সে এই শুটিংয়ে অংশ নেয়। ইমরানের গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে যে আদলকে নিয়ে এত কিছু, সে পালিয়ে ফরিদপুরে তার গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। সেখান থেকে তার স্বজনরা পুলিশকে জানায়, আদল বাড়িতে আছে। একইসঙ্গে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশও খবর পায় ওই তরুণ বাড়িতে গেছে। এরপর তার ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আদল জানিয়েছে, নিদাহাস ট্রফিতে সে পুরান ঢাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গে জুয়া খেলতো। প্রথম সে ৪০ হাজার টাকা জিতে। সিরিজের ফাইনাল ম্যাচে সে দেড়লাখ টাকা হেরে যায়। এক ব্যবসায়ী তার কাছে ওই টাকা পাবে। সে টাকা না দিতে পেরে ওই নাটক সাজায়। তাকে হত্যা করার ভিডিওটি ওই ব্যবসায়ীকে পাঠিয়ে দেয়। এটি আদলেরই পরিকল্পনা ছিল। এদিকে আদল ও তার সহযোগীদের থানা পুলিশ হেফাজতে রাখা হলেও এখনো তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন এসআই তৌহিদ। তিনি জানান, ছেলেটি যে অপরাধ করেছে তাতে পরিবার ও আত্মীয়স্বজন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাই এ ব্যাপারে কি ধরনের মামলা হবে তা নিয়ে চিন্তিত আমরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জীবনের গল্পটা অল্পই! by রফিকুজজামান রুমান

যশোরের সাবেরুল হকের গল্পটাই বা কেমন। ছোট্ট নাতি অনিরুদ্ধ হক বাবা মায়ের সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছিল নেপালে। যাওয়ার তিন দিন আগে নানার সঙ্গে কথা হয় নাতির। বলেছিল, নেপাল থেকে ফিরে নানা-বাড়ি বেড়াতে যাবে। বাবা-মা সহ তিনজনেরই মৃত্যু হয় নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে। নানার কাছে ফেরা হলো না অনিরুদ্ধের। বাবার কাছে ফেরা হলো না মা সানজিদা হকের। বাবা রফিকুজজামানও পাড়ি জমালেন এমন এক জগতে যেখান থেকে আর ফিরে আসা যায় না। অনিরুদ্ধের কাছে জীবন মানে কী? জীবন শুরু করার আগেই তার জীবনের গল্পটা শেষ!
কিংবা দুর্ঘটনায় নিহত কো-পাইলট পৃথুলার গল্পটাও কেমন অবেলায় সমাপ্ত হলো! বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। স্বপ্ন আর সম্ভাবনার কোনো আকুতির কাছেই হার মানতে চায়নি ভাগ্যের নির্মমতা। গল্পের ডালপালাগুলো ফুলে ফলে সুশোভিত হওয়ার আগেই লিখে ফেলা হলো চীর পরিসমাপ্তি।
এমন আরো অর্ধশতাধিক জীবনের গল্প থেমে গেল নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে। যেহেতু বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাটি একটি দুর্ঘটনা। কারো না কারো দায় কিংবা অবহেলা নিশ্চয়ই রয়েছে। কিন্তু সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তা বের হয়ে এলেও জীবনগুলো আর ফিরে আসবে না। দোষীদের বিচারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে হয়ত রচিত হবে অন্য কোনো গল্প। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া গল্পকে আর ফিরিয়ে আনা যাবে না। এই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য। নেপালে বিমান ধ্বংসের ঘটনা সেই চীর সত্য’রই এক টুকরো বয়ান। এই সত্য কারো জন্য অপেক্ষা করে না। এই গল্পের চিত্রনাট্য বড় অনিশ্চয়তায় ভরপুর!
কিংবদন্তি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর কথা আমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে। ২০১৪ সালের ৩০শে নভেম্বর বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীতের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন তিনি। একপর্যায়ে ডায়াসে দাঁড়িয়ে বলছিলেন, “আমার একটি কথা বলার...।” আর বলতে পারলেন না। যে কথাটি বলার ছিল, সেটি বলা হলো না। বলা গেল না। মৃত্যু এসে কী নিদারুণভাবে থামিয়ে দিয়ে গেল সবকিছু! কথা ফুরালো। জীবন ফুরালো। ফুরিয়ে গেল জীবনের গল্পটাও। অথচ আরো কতকিছু দেয়ার ছিল তাঁর। এই দেশকে নিয়ে, দেশের শিল্পচর্চা নিয়ে কত ভাবনা ছিল। সবকিছু তুচ্ছ হয়ে যায় ঐ মৃত্যুর কাছে। গল্পটা হঠাৎ করেই থেমে যায়। মহাকালের হিসেবে সেই গল্পটা কত অল্প!
মনে পড়ে যায় জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ফিরোজ সাঁই এর কথা। ১৯৯৫ সালের ১২ই জানুয়ারি শিল্পকলা একাডেমিতে চলছিল গানের উৎসব। ফিরোজ সাঁই এর গানে মাতোয়ারা হাজার হাজার দর্শক। একপর্যায়ে গাওয়া শুরু করলেন, “এক সেকেন্ডের নাই ভরসা/বন্ধ হইবে রঙ তামাশা।” গান শেষ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে গেল জীবন, জীবনের সমস্ত ‘তামাশা।’ “এক সেকেন্ডের নাই ভরসা” গেয়ে মঞ্চ মাতানো শিল্পীই প্রমাণ করলেন এই কথা কী ভয়ানক রকমের সত্যি! গান গাইতে গাইতেই চলে গেলেন। গল্পটা নিজের মতো করে লেখা হলো না; কারোরই হয় না।
তবু আমাদের কতো অহংকার! অবিরাম স্বার্থের পেছনে ছুটে চলা। যুদ্ধ বিগ্রহ, হানাহানি, ক্ষমতা, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি, মিথ্যা, কলুষতা- এসব নিয়েই আমাদের দিনযাপন। আরো চাই, আরো চাই। আমাদের প্রয়োজন শেষ হয়, চাওয়া শেষ হয় না। বিত্ত-বৈভব আর ক্ষমতার লোভে ভুলে যেতে বসেছি জীবনের সবচেয়ে বড় অনিবার্যতা। আজ এই মুহূর্তে যে জন্ম গ্রহণ করেছে, সবকিছুকে বাদ দিয়ে অন্তত একটি সত্যকে সঙ্গী করে সে এসেছে যে, তাকে মরে যেতে হবে। এবং সেটি যে কোনো সময়! তাহলে কেন এই দাম্ভিকতা? কেন স্বার্থপর বেঁচে থাকা? পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিও মরবে, মরে যাবে সবচেয়ে বেশি বিত্ত-বৈভবের অধিকারী লোকটিও। কোনো কিছুর বিনিময়েই শেষ পর্যন্ত মৃত্যুকে ঠেকানো যায় না। শত দম্ভ, অহংকার, অট্টালিকা নিমিষেই শেষ!
বিমানের যাত্রীদের কেউ হয়ত ভাবেননি তারা আর ফিরে আসবেন না। কাইয়ুম চৌধুরী হয়ত কল্পনাও করেননি এটাই তাঁর শেষ বক্তব্য। ফিরোজ সাঁই হয়ত সাজিয়ে নিয়েছিলেন আরো আরো কত পরিকল্পনা! সবকিছুই হার মানে মৃত্যু নামক ঐ অনিবার্য বাস্তবতার কাছে। এই লেখাটি ছাপা হবে, আমি সেটি দেখব- এই নিশ্চয়তাই বা আমাকে কে দিতে পারে? জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোরের একটি গান আছে- ‘জীবনের গল্প, আছে বাকি অল্প। যা কিছু দেখার নাও দেখে নাও, যা কিছু বলার যাও বলে যাও, পাবে না সময় আর হয়ত।’ কী নির্মম সত্য এই গানের কথায় ফুটে উঠেছে! সত্যিই তো আমাদের কারোর সময় নেই! এই ফুরলো বুঝি জীবনের গল্প! ‘যাচ্ছি’- এই কথাটি বলে যাওয়ার সময়ও হয়ত আমরা পাব না। জীবনের গল্পটা অল্পই! শেষ হয়ে যাওয়ার আগে তাই বিনয়ী হই, নিরহংকার হই, নির্লোভ হই। পরের জন্য কিছু করি। ভালো কিছু করি। চারদিকে এত মৃত্যু; তবু সেই মৃত্যুর কথা কীভাবে ভুলে যাই! নেপালের ঐ উড়োজাহাজে আমি থাকলে আমার গল্পটাও এতক্ষণে পুরনো হয়ে যেত!
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনিরাপদ সমপর্ক হুমকি

স্টর্মি ড্যানিয়েলস আরো বলেন, ২০১১ সালের দিকে বাউয়ার পাবলিশিং-এর কাছে ১৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে এই যৌন সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। এর পরই এক ব্যক্তি তাকে প্রচ্ছন্ন কিন্তু স্পষ্ট হুমকি দিয়ে যায়। উল্লেখ্য, এ বছরের শুরুর দিকে ইন টাচ্ ম্যাগাজিন সেই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে। এতদিন ধরে প্রকাশ না করার কারণ হিসেবে ম্যাগাজিনটি জানায়, ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেন তখন মামলা দেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। এ কারণেই আইনি জটিলতায় পড়ার ভয়ে তখন সাক্ষাৎকারটি ছাপানো হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রকাশ করে, ট্রাম্পের আইনজীবী স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ১,৩০,০০০ ডলার পরিশোধ করেছেন চুপ থাকার জন্য। এ খবর প্রকাশের পরই ইন টাচ্ ম্যাগাজিন ওই সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে দেয়। হুমকি পাওয়ার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে ড্যানিয়েলস বলেন, ‘আমি পার্কিং লটে ছিলাম। আমার দুধের শিশু মেয়েটাকে নিয়ে ফিটনেস ক্লাসে যাচ্ছিলাম। তখনই এক ব্যক্তি আমার দিকে এগিয়ে আসে এবং আমাকে বলে, ‘ট্রাম্পকে একা থাকতে দাও। ওই স্টোরির কথা ভুলে যাও।’ এরপরই ওই লোক আমার মেয়ের দিকে আগায়। তারপর বলে, ‘ফুটফুটে ছোট্ট একটা মেয়ে! মেয়েটার মার যদি কিছু হয়, ব্যাপারটা লজ্জার হবে।’
এই হুমকি পাওয়ার পর ড্যানিয়েলস পুলিশের কাছে যান নি। কিন্তু কয়েক বছর পর এক আইনজীবী তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তখন ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারাভিযান একেবারে শেষের দিকে। এ সময়ই ট্রাম্পের আইনজীবী কোহেন একটি প্রস্তাব দেন। স্টর্মি ড্যানিয়েলস বলেন, আমি ওই প্রস্তাব লুফে নিই। কারণ আমি আমার পরিবার ও আমার নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, ‘৬০ মিনিটস’-এর এই পর্বে স্টর্মি ড্যানিয়েলসের সাক্ষাৎকার প্রকাশের কথা থাকায়, এটি ছিল সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠানটির সবচেয়ে প্রতীক্ষিত একটি পর্ব। এ যেন একটি জাতীয় অনুষ্ঠান। দেশজুড়ে বহু মানুষ এটি দেখেছেন। এমনকি কিছু বারে এই অনুষ্ঠান চলাকালে ‘ডার্ক অ্যান্ড স্টর্মি’ ককটেল পার্টি আয়োজন করা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেনের জন্য এই সাক্ষাৎকারের সম্ভাব্য আইনি তাৎপর্যও রয়েছে। রোববারে প্রচারিত এই সাক্ষাৎকারের আগে স্টর্মি ড্যানিয়েলস দেশজুড়ে বিভিন্ন ‘স্ট্রিপ’ ক্লাবে উপস্থিত হয়েছেন। একে তিনি নাম দিয়েছেন ‘মেইক আমেরিকা হর্নি অ্যাগেইন’ ট্যুর। কিন্তু সিএনএন’র উপস্থাপক ও সিবিএস’-এর ‘৬০ মিনিটস’-এর অন্যতম প্রতিনিধি অ্যান্ডারসন কুপার্সকে দেয়া এই সাক্ষাৎকারে ড্যানিয়েলসের পোশাকে ছিল পেশাদারিত্বের ছাপ। বোঝাই যায়, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ক্ষেত্র প্রস্তুত করছেন তিনি।
ড্যানিয়েলস ছাড়াও আরেকজন নারী সম্প্রতি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে হওয়া শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে কিছু না বলতে উভয় নারীর সঙ্গেই চুক্তি করেছেন তার আইনজীবী। কিন্তু ওই নারীরা এখন সেই চুক্তির বাইরে এসে ওই সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে চান। তারা বলছেন, ওই সম্পর্কের ব্যাপারে কথা বলার অধিকার তাদের রয়েছে। অন্য নারী হলেন প্রাপ্তবয়স্কদের ম্যাগাজিন প্লেবয়ের সাবেক মডেল ক্যারেন ম্যাকডগাল।
ড্যানিয়েলসের মতো ম্যাকডগালও তার কাহিনী ন্যাশনাল এসকয়ার নামে এক ম্যাগাজিনের কাছে বিক্রি করেছিলেন। কিন্তু ন্যাশনাল এসকয়ার শেষ অবধি ওই কাহিনী ছাপেনি। বৃহস্পতিবার
সিএনএন-এ অ্যান্ডারসন কুপারকে ম্যাকডগালও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
এই নারীদের দাবি অস্বীকার করেছেন ট্রাম্পের মুখপাত্ররা। কিন্তু উভয় মামলাই ট্রাম্পের জন্য আইনি চ্যালেঞ্জ হাজির করেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ও আইন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যে, দুই নারীকে ট্রাম্প যেই অর্থ দিয়েছেন তা অবৈধভাবে নির্বাচনী অর্থ ব্যায়ের শামিল। সেই অভিযোগেরই যেন ভিত্তি প্রস্তুত করছে দুই নারীর বক্তব্য।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, ৬০ মিনিটসের মতো বড় টিভি অনুষ্ঠানে স্টর্মি ড্যানিয়েলসের উপস্থিত হওয়া থেকে বোঝা যায়, জনসম্মুখে কথা বলা থেকে তাকে বিরত রাখার চেষ্টা নিদারুণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ট্রাম্পের আইনজীবী কোহেন সম্প্রতি বলেছেন, চুক্তি ভঙ্গ করে এ নিয়ে কথা বলায় কয়েক লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করবেন তিনি। কিন্তু তা-ও ড্যানিয়েলসকে দমায়নি। আমেরিকায় টিভি নিউজে প্রায়ই সবচেয়ে বেশি দেখা অনুষ্ঠানগুলোর তালিকায় শীর্ষে থাকে ৬০ মিনিটস অনুষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠান সম্প্রচারের কিছুক্ষণ পর মাইকেল কোহেনের আইনজীবী ব্রান্ট এইচ. ব্লাকি একটি চিঠি পাঠান ড্যানিয়েলসের নতুন আইনজীবী মাইকেল আভেনাতির কাছে। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, যে হুমকির কথা ড্যানিয়েলস উল্লেখ করেছেন, তার মাধ্যমে তিনি মাইকেল কোহেনের মানহানি করেছেন। চিঠিতে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।
সাক্ষাৎকারে অ্যান্ডারসন কুপার স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কেন তিনি আইনগত ঝুঁকির কথা মাথায় নিয়েও ট্রাম্পের সঙ্গে হওয়া সম্পর্কের বিষয়ে এখন সরব হচ্ছেন? ‘তিনি বলেন, আমি যতদিন চুপ ছিলাম, আমার কোনো সমস্যাই ছিল না। কিন্তু যখনই আমাকে মিথ্যাবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা হলো, তখন আমি তা মানতে পারিনি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামী ধর্মতত্ত্বের আশ্রয় নিয়ে সন্ত্রাসীর বিচার বৃটেনে

খবরে বলা হয়, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মধ্য লন্ডনের একটি টিউব ট্রেনে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় দোষী সাব্যস্ত হন আহমেদ হাসান। শুক্রবার তাকে ৩৪ বছরের সাজা দেওয়া হয়।
তার তৈরি করা বিস্ফোরক সম্পূর্ণভাবে বিস্ফোরিত হয়নি। ফলে কেউ মারা যায়নি। কিন্তু আহত হয় কমপক্ষে ৩০ জন। ১৮ বছর বয়সী হামলাকারী আহমেদ হাসান জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস’র প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন।
তাকে সাজা দিতে গিয়ে বিচারপতি চার্লস হ্যাডন কেইভ হামলাকারী আহমেদ হাসানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি হিরাবা (সন্ত্রাসকর্ম) সংঘটন করেছেন। এ সময় মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, আপনি দুনিয়ার বুকে অবক্ষয় সৃষ্টি করেছেন।
খবরে বলা হয়, বিচারক যে দু’টি শব্দ ব্যবহার করেছেন, তা দিয়ে ইসলামি বিধানে ‘বিদ্রোহ’কে বোঝানো হয়। তবে ইসলামি তাত্ত্বিকরা আধুনিক প্রকরণে সন্ত্রাসবাদ বোঝাতে এই শব্দ দু’টি ব্যবহার করেন।
বিচারপতি হ্যাডন কেইভ আরও বলেন, ‘আগামী বছরগুলোতে আপনি কারাগারে বসে ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়ন করার অশেষ সময় পাবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামে যেকোনো চরম কিছু নিষিদ্ধ। এর মধ্যে ধর্মীয় চরমপন্থাও অন্তর্ভূক্ত। যেই স্থানের বাসিন্দা ও অতিথি আপনি, সেই স্থানের আইন লঙ্ঘণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ। ইসলামে সন্ত্রাসবাদ নিষিদ্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী বিধানে বলা আছে যে, জমিনে ফিৎনা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসবাদী কর্মকান্ড চালানো ইসলামী বিধান অনুযায়ী সবচেয়ে নিকৃষ্ট অপরাধের একটি। বৃটিশ আইনেও তা-ই।’
১৬ বছর বয়সে, অর্থাৎ হামলা চালানোর ৩ বছর আগে, শরণার্থী হিসেবে ইরাক থেকে বৃটেনে আসেন আহমেদ হাসান। হামলার আগে নিজেকে অনাথ দাবি করে আশ্রয় চান তিনি। তার দাবি ছিল, ইরাক থেকে আসার আগে তাকে অপহরণ করে আইএস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্যের ওপর ইরাকে আগ্রাসন চালিয়েছিলেন ব্লেয়ার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খাল খনন থেকে সরে এলো চসিক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন অন্য কথা। তিনি বলেন, খাল খনন কার্যক্রম চলমান রাখলে সিডিএর প্রকল্পের আওতায় তার ব্যয় পরিশোধ করা হবে কি না জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু তারা বলেছে প্রকল্পের ডিপিপিতে কোনো টাকা বরাদ্দ নেই। কিন্তু আমাদের কাছে যে বই আছে সেখানে দেখেছি ১০০ কোটি বরাদ্দ আছে। তিনি বলেন, খাল খননের বরাদ্দ পেয়েছে সিডিএ। তাই খাল খনন করবে তারা। আমরা শহরের মধ্যে যেসব ড্রেন আছে সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করব। শতভাগ ক্লিয়ার করব। ড্রেনগুলো পরিষ্কার না থাকলে তো পানি যাবে না। রাস্তায় পানি উঠে যাবে। তাই আমরা নাগরিকদের সুবিধার্থে ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখবো। তিনি বলেন, মুষলধারে বৃষ্টি হলে পাহাড় থেকে বালি এসে ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যায়। ওই ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা যাতে বৃষ্টির মধ্যেও ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখতে পারে সেজন্য তাদের রেইনকোট দিব। এ ব্যাপারে চউক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, গৃহীত মেগাপ্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে। খুব শিগগিরই সেনাবাহিনীর সঙ্গে এমওইউ করা হবে। এরপর ৫৭ খালের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগামী বর্ষার আগেই ৩৬ খালের খনন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
সিডিএর মেগা প্রকল্পে যা আছে : গত ৬ই মার্চ সিডিএর গৃহীত মেগা প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন বা জিও দেয় একনেক। জিও-তে বলা হয়েছে, ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকায় প্রকল্পটি সমপূর্ণ জিওবি (বাংলাদেশ সরকারের ফান্ড) অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মেয়াদকাল হচ্ছে ২০১৭ সালের ১লা জুলাই থেকে ২০২০ সালের ৩০শে জুন পর্যন্ত।
প্রকল্পের আওতায় খালের পাড়ে ৮৫ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ, ৬ হাজার ৫১৬ কাঠা ভূমি অধিগ্রহণ, খাল থেকে ৪ লাখ ২০ হাজার ঘনমিটার কাদা অপসারণ, ৫ লাখ ২৮ হাজার ২১৪ ঘনমিটার মাটি খনন, ১ লাখ ৭৬ হাজার মিটার আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, বন্যার পানি সংরক্ষণে ৩টি জলাধার, ৬টি আরসিসি কালভার্ট, ১২টি পামপ, ৪২টি সিল্ট ট্রাপ স্থাপন। এছাড়া টাইডাল রেগুলেটর ও ড্রেন কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। চলতি ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে প্রকল্পটির আওতায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে খাল খননে বরাদ্দ রয়েছে ১০০ কোটি টাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চালু হলো বিমানের সিলেট-দুবাই ফ্লাইট by ওয়েছ খছরু

বাংলাদেশ বিমানও। সন্ধ্যায় সাড়ে ৬ টার দিকে ১৫৬ জন যাত্রী নিয়ে সিলেট থেকে দুবাইয়ের পথে উড়াল দিয়েছে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট। এর আগে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে এই ফ্লাইটের উদ্বোধনও করা হয়। এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) এবং হজ্ব এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর প্রতিনিধিসহ বিমান ও বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন। বিমানের সিলেট অফিসের রিজার্ভেশন অ্যান্ড সেলস ইনচার্জ শাহনেওয়াজ মজুমদার গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানিয়েছেন- বাংলাদেশ বিমান দুবাইয়ে সরাসরি ফ্লাইট চালু করলো। ভবিষ্যতে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানববন্দর থেকে আরো নতুন নতুন রুটে ফ্লাইট চালু করা হবে। তিনি বলেন- প্রাথমিকভাবে তারা সপ্তাহে দুই দিন ওইরুটে সিলেট থেকে দুবাই পর্যন্ত ফ্লাইট চালু করেছেন। পরে ফ্লাইট সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের আরো কয়েকটি রুটেও তারা খুব শিগগিরই ফ্লাইট অপারেট করতে যাচ্ছেন। সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল জানিয়েছেন- ‘বিমানের ফ্লাইট চালু হওয়ায় আমরা দারুণ খুশি। এই রুটের প্রায় সব যাত্রীরাই সিলেটি। সুতরাং নিজ দেশের বিমানে কেউ যাতায়াত করবে- এটা এতোদিন স্বপ্ন ছিল। এখন সেটি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। আমরা আশা করি অচিরেই বিমান আরো নতুন নতুন রুটেও তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু করবে।’ তিনি দাবি জানিয়ে বলেন- ‘সিলেটবাসীর প্রধান দাবি সিলেট থেকে হিথ্রো পর্যন্ত রুট চালু হওয়া। আমরা বিমানের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছি। বিমান কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন তারাও এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। সিলেট থেকে লন্ডন ফ্লাইট চালু করে কাঙ্ক্ষিত একটি দাবির সুরাহা হবে বলে জানান তিনি।’ বিমানের সিলেট অফিসের ভারপ্রাপ্ত জেলা ব্যবস্থাপক মো. আলী আকবর হাওলাদার প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যাত্রী সাধারণের সুবিধা বিবেচনায় সিলেট-দুবাই রুটে দু’টি সরাসরি ফ্লাইট চালু করা হচ্ছে। সপ্তাহের প্রতি সোমবার এবং শুক্রবার সিলেট থেকে দু’টি ফ্লাইট দুবাই’র উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমান অপারেটর ফ্লাই দুবাই সিলেট থেকে দুবাইয়ে সপ্তাহে ৫টি ফ্লাইট অপারেট করছে। ১৯৯৮ সালে ওসমানী বিমাবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর সিলেট থেকে লন্ডনসহ আরো কয়েকটি রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু ছিল। পরবর্তীতে নানা অজুহাতে ওই ফ্লাইটগুলো গুটিয়ে নেয়া হয়েছিল। এদিকে- সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে রিফুয়েলিং স্টেশন নির্মিত হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: যে নিবন্ধ পাল্টে দিয়েছিল ইতিহাস

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ায় কমেছে চায়ের রপ্তানি

বিগত ১০ বছরের উৎপাদন ও চাহিদার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এই সময়ের ব্যবধানে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে দুই কোটি কেজি। অর্থাৎ বছরে গড়ে উৎপাদন বাড়ছে সাড়ে ৩ শতাংশ হারে। একই সময়ে চায়ের চাহিদা বেড়েছে ৩ কোটি ৩৮ লাখ কেজি। যা বছরে সাড়ে ৬ শতাংশ হারে চাহিদা বাড়ছে।
চায়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা বলছেন, ২০১০ সাল থেকে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হয়। তখন থেকেই আমদানি শুরু হয়। গত আট বছরে দেশে মোট চা আমদানি হয় ৫ কোটি ৯৫ লাখ কেজি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছিল ২০১৫ সালে, মোট ১ কোটি ৫৮ লাখ কেজি। ২০১৬ সালে ৮৭ লাখ কেজি এবং ২০১৭ সালে ৬২ লাখ কেজি চা আমদানি হয়।
ব্যবসায়ীরা জানান, নব্বইয়ের দশকে বিশ্বে চা রপ্তানির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল পঞ্চম। সবচেয়ে বেশি পরিমাণ চা রপ্তানি হয় সেই সময়। ১৯৮২ সালে চা রপ্তানি হয় ৩ কোটি ৪৪ লাখ কেজি। সবচেয়ে কম রপ্তানি হয় ২০১৬ সালে, ৪ লাখ ৭০ হাজার কেজি। অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়তে থাকায় রপ্তানিও কমে গেছে। ২০১৬ সালের চা রপ্তানিতে বাংলাদেশ ছিল ৭৭তম।
চা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, গত ১০ বছরে দেশে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ২ কোটি কেজি। আর অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে ৩ কোটি ৩৮ লাখ কেজি। এ অবস্থায় উৎপাদন বাড়িয়ে চাহিদা মেটানো ও রপ্তানি বাড়াতে ১৫ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনায় ২০২৫ সালে ১৪০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশে ২০১৬ সালে সাড়ে ৮ কোটি কেজি চা উৎপাদিত হয়। রেকর্ড পরিমাণ এই উৎপাদনের পরের বছরই উৎপাদন ৬১ লাখ কেজি কমে যায়। সব মিলিয়ে গত বছর উৎপাদন দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮৯ লাখ কেজি। চা চাষের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎপাদন। গত দুই বছর রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদনের কারণে চা আমদানি কিছুটা কমেছে। পাশাপাশি রপ্তানিও বেড়েছে। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান থেকে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তাতে দেখা যায়, ২০১৬ সালে চায়ের উদ্বৃত্ত ছিল ৮৮ লাখ কেজি। এজন্য গত বছর চা আমদানি হয়েছে ৬২ লাখ কেজি, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। আবার রপ্তানি বেড়েছেও আগের তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। গত বছর ২৫ লাখ কেজি চা রপ্তানি হয়।
চা বোর্ডের হিসাব মতে, আমদানি ও উৎপাদন মিলে ২০১৬ সালে দেশের বাজারে চায়ের সরবরাহ ছিল সবচেয়ে বেশি, ৯ কোটি ৩৮ লাখ কেজি। ওই বছর দেশের মানুষ ৮ কোটি ১৬ লাখ কেজি চা পান করেছে। তবে ব্যবসায়ীরা জানান, মানুষ পান করেছে ৮ কোটি ৫০ লাখ কেজি চা।
চা-বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান এম শাহ আলম বলেন, বাগানের পুরনো চারা উঠিয়ে নতুন চারা লাগানো হচ্ছে। উৎপাদন বাড়াতে সংস্কার কার্যক্রম চলছে। ফলে আগামী দিনে চা উৎপাদন বাড়বে। সে ক্ষেত্রে আমদানি কমে আসবে। বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। তিনি বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে গত বছর চায়ের উৎপাদন কম হয়। তারপরও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খুলনায় ১৪শ’ ফুট নিচেও পাওয়া যাচ্ছে না পানি by রাশিদুল ইসলাম

ওয়াসার তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে পানির স্তর নেমেছে দুই থেকে চার ফুট নিচে। ফলে অনেক এলাকায় নলকূপ ও পাম্পে পানি উঠছে না আগের মতো। সমস্যার কথা স্বীকার করে আগের তুলনায় বেশি সময় পাম্প চালানো এবং নতুন চারটি পাম্প বসানোর কথা জানিয়েছেন ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ পিইঞ্জ। খুলনা ওয়াসার পাম্প রয়েছে ৮৫টি এবং পানি সরবরাহ পাইপ লাইন ২৯০ কিলোমিটার। আর নলকূপ রয়েছে প্রায় নয় হাজার।
খুলনা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার নয় উপজেলার মধ্যে কয়রা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, পাইকগাছা ও তেরখাদা উপজেলায় সংকট বেশি। শুকনো মওসুমে এসব এলাকার জনগণের পানযোগ্য পানির একমাত্র উৎস পুকুর। লবণাক্ততার প্রবণতা বেশি থাকায় এসব এলাকায় গভীর নলকূপের পানিও অনুপযোগী। সর্বশেষ গেল বছর সেপ্টেম্বর মাসে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে খুলনার সবগুলো উপজেলায় জরিপ চালানো হয়। ওই জরিপে দেখা যায়, ১২শ’ ফুটের মধ্যে পান করার উপযোগী কোনো পানির স্তর নেই। ১৪শ’ ফুট নিচেও পাওয়া যাচ্ছে না পানি। ফলে ওই সব এলাকায় ১৫শ’ ফিট গভীর নলকূপ বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি এ দপ্তরটি। এ লক্ষ্যে প্রায় ১৩০টি গভীর নলকূপ বসানোর জন্য একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনা। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে তবেই এ উদ্যোগ সফল করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ পারভেজ। তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির স্তর পাওয়া একটু কঠিন। এজন্য আমরা ১৫শ’ ফিট গভীর নলকূপ বসানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করছি পান উপযোগী ভালো পানি পাওয়া যাবে। দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা এবং রূপসা উপজেলায় জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিচেনায় এনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, বিভিন্ন এনজিও ও সংগঠন এসব এলাকার পুকুরের পানিতে ফিল্টারিং-এর ব্যবস্থা করেছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব পদ্ধতির বেশিরভাগই অকেজো হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কয়রা উপজেলার ৫৩টি, বটিয়াঘাটার সুরখালী ইউনিয়নে ১৪টি, দাকোপ উপজেলার ১১৯টি পুকুরে পানি ফিল্টারিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এরমধ্যে বর্তমানে ৫০টির মতো পুকুরে ফিল্টারিং ব্যবস্থা সচল আছে। এদিকে শুষ্ক মওসুমে উপকূলে সুপেয় পানির সকল উৎস ক্রমেই হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং ভূ-উপরিস্থিত পানি দূষিত হয়ে যাচ্ছে। আর্সেনিকের প্রভাব ও লবণাক্ততা পুকুর এবং টিউবওয়েলের পানিতে। এরপর রয়েছে ফ্লোরাইডের হাতছানি। উপকূলের বিশেষ করে বাগেরহাটের মংলা, খুলনার দাকোপ, কয়রা, সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার মানুষ বছরে অন্তত ৬ মাস তীব্র সংকটকাল অতিবাহিত করে। এ সময় ৪-৫ বা ৮-১০ কিলোমিটার দূর থেকেও পানি সংগ্রহ করতে হয়। এক কলস খাওয়ার পানি সংগ্রহ করতে ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিদিন এক ঘণ্টা বা তার চেয়েও বেশি সময় তাদের ব্যয় করতে হয়।
এসব এলাকায় যেসব টিউবওয়েল রয়েছে সেগুলোও শুষ্ক মওসুমে পানি স্বাভাবিক লেয়ারের নিচে নেমে যায়। যে কারণে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলন করা সম্ভব হয় না। ফলে স্বাভাবিক অবস্থা বিবেচনায় এনে ও দাতা সংস্থা ইউনিসেফের অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকার খুলনার চার উপজেলাসহ সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে মোট ৯৪টি অ্যাকুইফার রিজার্ভ পরীক্ষামূলকভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. জাহিদ পারভেজ বলেন, খুলনায় ২৬টি অ্যাকুইফার রিজার্ভ পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর সুফল পাচ্ছে স্থানীয় লোকজন। এছাড়াও ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও পিএসএফগুলোও সচল করার চেষ্টা চলছে। দাকোপ ও কয়রাসহ অন্যান্য উপজেলায় সাড়ে ১২শ’ রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং চালু রয়েছে। পানি সংকটের বিষয়ে দাকোপ উপজেলার নলিয়ান গ্রামের স্কুল শিক্ষক আবুল কালাম বলেন, পৌষের মাঝামাঝি সময় থেকেই এলাকার অধিকাংশ পুকুরের পানি শুকিয়ে গেছে। নলকূপেও পানি উঠছে না। তিনি জানান, খাবার পানি আনার জন্য এখানকার নারীদের পায়ে হেঁটে দুই-তিন কিলোমিটার দূরে যেতে হচ্ছে। কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের হাফিজুল সানা জানান, তাদের এলাকায় কিছু এনজিও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলেও তা অনেকের ভাগ্যেই জোটে না। এ ব্যাপারে কয়রা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল বলেন, উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় খাবার পানির সমস্যা রয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগিতায় কয়েকটি পুকুর সংস্কার করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু এলাকায় টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরো ব্যবস্থা করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইটভাটায় ফসলি জমির মাটি by খালিদ হোসেন সুমন

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের চালনাই এলাকায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি ইটভাটা। সেই ভাটার ইট তৈরিতেও ব্যবহার করা হচ্ছে ফসলি জমির মাটি। মাটি কাটার কোনো অনুমতি নেই। উপজেলার বেশ কয়েকটি ইটভাটার নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র। কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই নিত্য নতুন ইটভাটা তৈরির কাজ চলছে। একদিকে ভাটার কালো ধোঁয়ায় যেমন পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তেমনি করে ক্ষতি হচ্ছে ক্ষেতের ফসল ও বিভিন্ন ফলদ এবং বনজ বৃক্ষ। এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো ভূমিকা নেই বলে জানান স্থানীয়রা।
বুধবার সরেজমিনে চালনাই ইটভাটা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর মৌজায় চালনাই চক এলাকায় প্রবাসী আলমগীরের ধানের ফসলি জমি থেকে ভেক্যু দিয়ে মাটি খনন করছে। সেখানকার শ্রমিক ও ভেক্যু চালককে জিজ্ঞেস করলে বলেন স্থানীয় মাঝির কান্দা গ্রামের আজাদ খান আমাদের জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় নিতে বলছে তাই আমরা মাটি কাটতিছি। চিত্র দেখে মনে হয়েছে প্রশাসন যেন এসবের খবরই রাখছে না। এ বিষয়ে চালনাই চকে বান্দুরা, হাসনাবাদ, মহব্বতপুর কৃষি সমবায় সমিতির ইরি প্রজেক্টের ম্যানেজার জুয়েল খান ক্ষোভের সঙ্গে জানান, ক্ষমতার জোরে ভাটার মালিকরা সবাইকেই ম্যানেজ করে অবৈধ পন্থায় ব্যবসা করে যাচ্ছে। নিষিদ্ধ নসিমন-মাহেন্দ্রার ধোঁয়া ও বিকট শব্দে পরিবেশে দূষণ ঘটছে। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাসহ স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে বিজিব ইট কোম্পানির মালিক নাসির উদ্দিন বলেন আমাদের গ্রামাঞ্চলে ইটভাটার প্রধান বাহনই হচ্ছে নসিমন মাহেন্দ্রা। প্রশাসন যদি এসব বাহন বন্ধ করে দেয় আমরা অন্য ব্যবস্থা করব। জমির মাটি কাটার জবাবে বলেন আমরা মাটি কিনে ইট তৈরি করি। মাটি কোথায় থেকে আসে কিংবা কে দেয় সেটা দেখার বিষয় নয়। এ ব্যাপারে আমাদের বিরুদ্ধে নিউজ করলে কিছু যায় আসে না।
এবিসি কোম্পানির ভাটার আরেক মালিক তাজুল ইসলাম বলেন আমাদের পরিবেশ ছাড়পত্রে লেখা আছে কোন ফসলি জমির মাটি দিয়ে ইট বানানো যাবেনা। আমরা আজাদ খানের কাছ থেকে মাটি কিনে নিচ্ছি এখন যদি প্রশাসন মনে করে যে ফসলি জমির মাটি কাটার অনুমতি আজাদ পায়নি তাহলে আমরা আর ওই জামির মাটি কিনবো না । মাটি কাটার অনুমতির বিষয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন আমি কাউকে মাটি কাটার অনুমতি দিইনি তবে এর আগে বিষয়টি আমি জেনে তাৎক্ষনিকভাবে মাটি কাটা বন্ধ করে দিয়েছি। তারপরেও যদি মাটি কাটা শুরু করে থাকে খোঁজ নিয়ে তা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাইজুদ্দিনের মানবেতর জীবন by মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ হেলালী

মুক্তিযোদ্ধা তাইজউদ্দিন কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, একাত্তরের অক্টোবর মাসে সকাল ৮টায় স্থানীয় চাঁদপুর গ্রামে আগুন দেয় পাক সেনারা। তৎক্ষণাত এন ইসলামসহ সঙ্গীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রতিরোধ করতে যাই। নিজের পরিবার পরিজন ছেড়ে জীবন বাজি রেখে অস্ত্র হাতে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি মুক্তিযুদ্ধে। এভাবে দীর্ঘ সাড়ে চার মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাইনি। আমি ভাতার জন্য নয় মৃত্যুর আগে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেখে মরতে চাই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আপসের কথা জানালেন রাকায়েত

এই আপসে গাজী রাকায়েত আদাবর থানায় দায়ের করা ৫৭ ধারার মামলা এবং ভুক্তভোগী তরুণীর শ্যামপুর থানায় দায়ের করা পর্নোগ্রাফি আইনের মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়। সমপ্রতি এক তরুণী ফেসবুক মেসেঞ্জারে গাজী রাকায়েতের সঙ্গে তার এক বান্ধবীর কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন। যেখানে দেখা যায়, গাজী রাকায়েত ওই তরুণীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এই আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে গত ১৬ই মার্চ রাজধানীর আদাবর থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় একটি মামলা (নং ১৮) দায়ের করেন গাজী রাকায়েত। এ নিয়ে আরো বেশি আলোচনা-সমালোচনা শুরু হওয়ায় ওই তরুণী গত ২১শে মার্চ শ্যামপুর থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে গাজী রাকায়েতের বিরুদ্ধেও মামলা (নং ২৬) দায়ের করেন।
জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের হওয়ার পর উভয়পক্ষের শুভাকাঙ্ক্ষীরা সমাধানের জন্য আলোচনা শুরু করেন। পরে গাজী রাকায়েত এবং ওই দুই নারী একসঙ্গে বসে একটি যৌথ ঘোষণার স্ট্যাম্পে সই করেন। গাজী রাকায়েত ঘোষণায় আরো বলেন, ‘আমার অভিযুক্ত ফেসবুক আইডি থেকে আমি কাউকে কোনো অনৈতিক প্রস্তাব পাঠাইনি। কে বা কারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তা হ্যাক করে আমার সম্মানহানির উদ্দেশ্যে এ ধরনের আপত্তিকর মেসেজ পাঠিয়েছে। এরপরও যেহেতু আমার আইডি থেকেই এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে তার জন্য আমি তরুণীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি। তবে মামলা দুটি তদন্তের জন্য এখনো সাইবার ক্রাইম ইউনিটে রয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইউনিটের কোনো কর্মকর্তা মামলা প্রত্যাহার করার বিষয়টি অবগত হননি বলে জানিয়েছেন সাইবার ক্রাইম ইউনিটের প্রধান আলিমুজ্জামান। তিনি বলেন, আমারা তো মামলা দুটি তদন্ত করে দেখছি। এখনো তাদের দিক থেকে প্রত্যাহার করে নেয়ার কোনো তথ্য পাইনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুশিয়ারার বুকে গোচারণ ভূমি by এম আর চৌধুরী মাছুম

কুশিয়ারা নদী একদিন আপন ঐশ্বর্যে ভরপুর ছিল। ছোট-বড় ডলফিন, শুশুক ইলিশসহ বহু প্রজাতির মাছ যেখানে খেলা করতো। উত্তাল স্রোতে চলতো পালতোলা নৌকা। লঞ্চ, স্টিমার ও জাহাজ চলতো সারা বছর। ঘাটে ঘাটে ছিল নৌকার ভিড়। ছিল কুলি-শ্রমিকদের কোলাহল। কুশিয়ারা নদীকে কেন্দ্র করে বালাগঞ্জ বাজার, শেরপুর ঘাট ও ফেঞ্চুগঞ্চ বাজার ছিল সদা কর্মতৎপর সচল নৌবন্দর। বিস্তীর্ণ জনপদে কুশিয়ারা নদীর সেচের পানিতে হতো চাষাবাদ। অনেক পরিবারের জীবিকা নির্বাহের অবলম্বন ছিল এই কুশিয়ারা। কিন্তু এখন নদীর দিকে তাকানো যায় না। দিন দিন যেন সংকীর্ণ হয়ে আসছে তার গতিপথ। অথৈ জলের পরিবর্তে কেবল কান্নার সুরই যেন ভেসে আসে কুশিয়ারার বুক থেকে। তাইতো বছরের অধিকাংশ সময় স্রোতহীন অবস্থায় থাকছে কুশিয়ারা। তাছাড়া বিগত কয়েক বছর ধরে নদীতে চর জেগে ওঠায় প্রভাবশালী মহল বালু ব্যবসায় মেতে উঠে। আর অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করার কারণে নদী পাড়ে দেখা দেয় ভয়াবহ ভাঙন।
সূত্র মতে, ১৮২২ সালে আসামে চা-শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে চালু করা হয় আসাম-কলিকাতা নৌরুট। কলিকাতা-করিমগঞ্জ ভায়া প্রায় ১২৮৫ কিলোমিটারব্যাপী বিস্তৃত কুশিয়ারা নৌপথে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটে স্টিমার ও জাহাজ নোঙর করত। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জ স্টিমার ঘাটে যাত্রা বিরতি ছিল অধিকতরও বেশি। তৎকালীন সময়ে কুশিয়ারা নদী দিয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস পারচালিত হতো। সেগুলো হলো ফেঞ্চুগঞ্চ-করিমগঞ্জ ডেইলি ফিডার সার্ভিস, ফেঞ্চুগঞ্জ-মৌলভীবাজার ভায়া মনু মুখ ফিডার সার্ভিস ও ফেঞ্চুগঞ্জ-মার্কুলী ফিডার সার্ভিস। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন লঞ্চ ও নৌ সার্ভিসতো ছিলই। যা ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হওয়া পর্যন্ত তা চালু ছিল। কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকা ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভারতের বরাক নদীর একটি শাখা নদী হচ্ছে কুশিয়ারা। দীর্ঘ দিন ধরে কোনো প্রকার ড্রেজিং না হওয়ায় নদী নাব্য হারাচ্ছে। কুশিয়ারার এই করুণ অবস্থায় নৌযান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। অচল হয়ে পড়েছে অনেক ঘাট। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে নৌপরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকরাও বেকার হয়ে পড়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উপযুক্ত সময়ে নদী ড্রেজিং করা হলে প্রতি বছর ফাল্গুন-চৈত্র মাসে এভাবে নদী শুকিয়ে যেত না। কুশিয়ারা-সুরমাসহ সিলেট বিভাগের সব নদ-নদীকে নৌপরিবহন চলাচলের উপযোগী করতে অবিলম্বে খননের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন, বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় কুশিয়ারা নদীর খননের কোনো পরিকল্পনা এখনো শুরু করা হয়নি। তবে কুশিয়ারা নদীর ভাটি এলাকায় খনন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 27
(23)
- দু’বছরে পদ্মার গর্ভে সহস্রাধিক ঘরবাড়ি: পানি উন্নয়ন...
- ফ্ল্যাটমুখী ডেটিংয়ে আগ্রহ, হাসি-কান্না by শুভ্র দেব
- আমাকে গ্রেপ্তার কারা করিয়েছিল জানি, ওই হিসাব পরে ন...
- যেভাবে ডায়রিয়াকে পরাভূত করেছে বাংলাদেশ by মাহমুদ ফ...
- যেভাবে ইয়াবা নেশায় বুঁদ শিক্ষার্থীরা by সুদীপ অধিকারী
- গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ বিরাট চ্যালেঞ্জ by কা...
- মন ছুঁয়ে যায় সোনালী চেলার মোহনায় by মুহাম্মদ হাবীব...
- অভিনব অপরাধ: খুনের ভুয়া ভিডিওতে তোলপাড়
- জীবনের গল্পটা অল্পই! by রফিকুজজামান রুমান
- অনিরাপদ সমপর্ক হুমকি
- ইসলামী ধর্মতত্ত্বের আশ্রয় নিয়ে সন্ত্রাসীর বিচার বৃ...
- সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্যের ওপর ইরাকে আগ্রাসন চালিয়েছিল...
- খাল খনন থেকে সরে এলো চসিক
- চালু হলো বিমানের সিলেট-দুবাই ফ্লাইট by ওয়েছ খছরু
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: যে নিবন্ধ পাল্টে দিয়েছিল ...
- অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ায় কমেছে চায়ের রপ্তানি
- খুলনায় ১৪শ’ ফুট নিচেও পাওয়া যাচ্ছে না পানি by রাশি...
- ইটভাটায় ফসলি জমির মাটি by খালিদ হোসেন সুমন
- তাইজুদ্দিনের মানবেতর জীবন by মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ...
- আপসের কথা জানালেন রাকায়েত
- কুশিয়ারার বুকে গোচারণ ভূমি by এম আর চৌধুরী মাছুম
- এগিয়ে যাওয়ার শপথ
- পৃথিবীর বিপজ্জনক সব যাতায়াত ব্যবস্থা
-
▼
Mar 27
(23)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...