Monday, August 10, 2015

শক্তি প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সৌদি আরব

বদলে যাচ্ছে সৌদি আরব। ঐতিহাসিকভাবে তেলসমৃদ্ধ এই রাজতন্ত্র মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক এবং সামরিক ইস্যুতে এক ধরনের রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দিয়ে আসছে। অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার স্বার্থে সরাসরি কোথাও নাক গলানো থেকে বিরত থেকেছে দেশটি। কিন্তু তেলসমৃদ্ধ এই রাজতন্ত্র এখন স্পষ্টতই বহুদিনের সেই কৌশল থেকে সরে এসে নিজের শক্তি প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেশ কিছু অজানা ঝুঁকি নিতেও তারা পিছপা হচ্ছে না। প্রতিবেশী ইয়েমেনে সৌদি আরব গত চার মাসের বেশি সময় ধরে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। সিরিয়াতে প্রেসিডেন্ট বাশারবিরোধী ইসলামপন্থি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি নাটকীয়ভাবে সাহায্য বাড়িয়ে দিয়েছে সৌদি আরব। ইরান প্রসঙ্গে সৌদি সরকার পশ্চিমাদের বার্তা দিয়েছে, যদি তারা নিশ্চিত হয় তেহরান পারমাণবিক বোমা বানাতে সমর্থ হয়েছে, তবে সৌদি আরবও ওই একই পথে যেতে দ্বিধা করবে না।
কেন সৌদি আরব এই পথে এগুচ্ছে, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিবিসির প্রতিরক্ষা বিষয়ক বিশ্লেষক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার ঠিক দু’বছর আগে সৌদি রাজপরিবারের দুই ক্ষমতাসীন সদস্যের সঙ্গে তার একটি সাক্ষাৎকার উল্লেখ করেছেন। ওই সাক্ষাৎ হয়েছিল জেদ্দায় লোহিত সাগরের পাশে এক প্রাসাদে তৎকালীন যুবরাজ এবং বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সউদ এবং তার পুত্র প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে। সে সময় বাদশাহ সালমান সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন এবং মরক্কোতে অবকাশ যাপন কাটছাঁট করে ফিরে এসেছিলেন। কারণ ছিল, সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিকল্পনায় যুক্ত হওয়া। রাশিয়ার চাপে সেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা শেষ মুহূর্তে স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু সৌদি আরব চাইছিল মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের একমাত্র মিত্র প্রেসিডেন্ট আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে সিরিয়ায় সুন্নিপন্থি সরকার বসাতে। তারপর থেকে সৌদি শাসকদের ভেতর এমন ধারণা শক্ত হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বার্থ দেখছে না। তখন থেকেই সৌদি রাজপরিবারের সদস্যরা এবং নীতি-নির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা নিজেরাই নিজেদের মতো কাজ করবেন। সৌদি আরবের ভেতর ভয় ঢুকেছে ইরান তাদের সামরিকভাবে ঘিরে ফেলছে এবং এখনই পাল্টা জবাব দিতে হবে। সাদ্দাম-পরবর্তী ইরাক সরকারে ইরানপন্থি শিয়াদের নিয়ন্ত্রণ এবং লেবাননে ইরানপন্থি হিজবুল্লার শক্তি নিয়ে সৌদি আরব বেশ কিছুদিন ধরেই উদ্বিগ্ন। প্রতিবেশী ইয়েমেনে শিয়া হুতিদের হাতে সৌদি সমর্থক সরকারের পতনে সেই ভয় কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিবিসি

এমন পৈশাচিকতা কি খুব বিরল by আলী রীয়াজ

অত্যাচার মাত্রই অমানবিক, হত্যাকাণ্ড মাত্রই বর্বরোচিত। কিন্তু এসব বর্বরতার সাক্ষ্য-প্রমাণ যখন আমাদের সামনে আসে, তখন বুঝতে পারি আমরা কত নির্লিপ্ত জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি। সিলেটের শহরতলি কুমারগাঁও এলাকায় চোর সন্দেহে সামিউল আলম রাজনকে (১৩) পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর দুই দিন ধরে (১১ ও ১২ জুলাই) এই নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এই ভিডিওর সূত্রে আমরা জানতে পারি, কতটা বর্বরোচিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ-ও জানতে পারি, ঠান্ডা মাথায় এই নির্যাতন চালানো হয়েছে। অমানবিক নির্যাতনের মুখে শিশুটি যখন তার শেষ আশ্রয় হিসেবে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার জন্য অনুনয় করেছে, তখন নিপীড়নকারীদের একজন নিজেকে পুলিশ বলে দাবি করেছে। তারা যে রাজনকে হত্যা করতে চেয়েছে, সে বিষয়ে সন্দেহের কারণ নেই। কেননা, ভিডিওতে তার সাক্ষ্য রয়েছে—শেষ দিকে নির্যাতনকারীদের একজন সঙ্গীদের কাছে জানতে চায়, ‘কিতা করতাম?’ আরেকজনকে তখন বলতে শোনা যায়, ‘মামায় যে কইছন, ওই কাম করি ছাড়ি দে!’ এই ‘মামা’ যে নির্দেশদাতা, তা আমরা বুঝতে পারি। শুধু তা-ই নয়, এই হত্যাকারীরা লাশ গুমের চেষ্টা চালিয়েছিল।
শেখপাড়ার মুহিত আলমের মাইক্রোবাসে তুলে স্থানীয় কুমারগাঁও এলাকার ভেতরের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় লোকজন দেখে ফেললে মাইক্রোবাসটি সেখানে ফেলে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নির্যাতনকারীরা পালিয়ে যায়। মখলিছ মিয়া নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা। এ যাবৎ যে বর্ণনা পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট যে স্থানীয় কিছু লোক এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিল। কেউ কেউ লাশ গুমের কাজে সহযোগিতা করেছে। আবার স্থানীয় মানুষই এই অপরাধীদের ধরতে চেষ্টা করেছে।
রাজন হত্যার ঘটনার যে ভিডিওচিত্র আমরা দেখতে পাই, তা এতটাই অসহনীয় যে আমার জানামতে অনেকেই এক চেষ্টায় এর পুরোটা দেখতে পারেনি। কিন্তু যদি এই ভিডিও আমরা না দেখতাম, তাহলে কি আমরা জানতে পারতাম কতটা পৈশাচিকভাবে হত্যা করা হয়েছে একটি শিশুকে? আমরা জানি অথবা না জানি, তাতে এই হত্যাকাণ্ডের যে নির্মমতা, তা বিন্দুমাত্র কম হতো না।
যত কষ্টকরই হোক না কেন, এখন আমাদের একবারের জন্য হলেও এই প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া দরকার—এ রকম পৈশাচিকতা কি খুব বিরল ঘটনা? ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাতে যারা এ খবর দেখেছে, তারা কি এটাই লক্ষ করেছে যে ওই দিন আরও তিনটি খবর গণমাধ্যমে ছিল, যেখানে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে? গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী সিদ্ধিরগঞ্জে একজন পোশাকশ্রমিককে, রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক যুবককে এবং কোম্পানীগঞ্জে তৃতীয় লিঙ্গের একজন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই তিনটি হত্যাকাণ্ডের কারণ ভিন্ন।
সিদ্ধিরগঞ্জের ঘটনায় অভিযোগ, নাইম (১৯) নামের যুবক মুঠোফোন চুরি করেছেন। নাইম ও তাঁর মা ঝর্ণা বেগমকে পিটিয়ে ফেলে রাখার পর স্থানীয় লোকজন তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন। রাজশাহীতে জাহাঙ্গীর হোসেন নামে যে যুবককে হত্যা করা হয়েছে, তার কারণ জমি নিয়ে বিরোধ। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নে লাকি আক্তার ওরফে জাহাঙ্গীর নামের তৃতীয় লিঙ্গের যে মানুষটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তার অপরাধ হলো সে এবং তার সঙ্গীরা চাঁদা দাবি করেছিল; অভিযোগ রয়েছে যে এক বিয়ের অনুষ্ঠানের পারিশ্রমিক নিয়ে এই বচসার শুরু।
আমরা জানি যে সারা দেশে যত ঘটনা ঘটে, তার কিয়দংশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ফলে আমরা অনুমান করতে পারি, এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটেছে এবং তার সংবাদ আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। দুই দিনের এসব সংবাদ স্মরণ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য এই নয় যে রাজন হত্যার গুরুত্ব বা তার অমানবিক দিকটি ছোট করা; বরং এই প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া যে সমাজে এ রকম ঘটনা কেন ঘটছে? আমরা প্রতিদিন পিটিয়ে মারার যেসব খবর পাই, সেগুলো একদিক থেকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা; কিন্তু অন্য বিবেচনায় সেগুলো বিচ্ছিন্ন বলে ভাবার অবকাশ নেই।
বাংলাদেশের সমাজে যে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার লক্ষণ দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়, এ ধরনের নির্মমতা কি তারই প্রকাশ? এ বিষয়ে সাময়িক ক্ষোভের বাইরে সমাজে একধরনের নির্লিপ্ততাও কি একই সূত্রে বাঁধা?
মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সর্বসাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬৮ জন মানুষকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সূত্রে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে ১৬৭ জন, ২০১১ সালে ১৪৫ জন, ২০১২ সালে ৯৯ জন এবং ২০১৩ সালে ১২৩ জন পিটিয়ে হত্যার শিকার হয়েছ। প্রায়ই আমরা এ ধরনের ঘটনাকে ‘গণপিটুনি’ বলে বর্ণনা করতে শুনি। প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা ও এর আশপাশে বিভিন্ন ঘটনায় ১৫০ জন গণপিটুনিতে নিহত হয়েছিল। এই সংখ্যাগুলো নিঃসন্দেহে স্বস্তিদায়ক নয়।
আমার জানামতে, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিচার হওয়ার কোনো নজির নেই। অনেকের মনে থাকবে যে ২০১১ সালে শবে বরাতের রাতে আমিনবাজারের বড়দেশী গ্রামে ছয় ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করে গ্রামবাসী। এ ঘটনার পর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রথমে পুলিশকে ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলেও আদালতের নির্দেশে পরে এ দায়িত্ব পায় র্যাব। প্রায় দেড় বছর পর ৬০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়, মামলার কাজ এখন চলছে।
কিন্তু এ ধরনের ঘটনার পৌনঃপুনিকতা এবং সমাজে এ নিয়ে উদ্বেগের অনুপস্থিতি কিসের ইঙ্গিত বহন করে? প্রথমত, এটি বিরাজমান বিচারহীনতার সংস্কৃতির লক্ষণ; ক্ষমতা, বিত্ত ও প্রভাবের কারণে অপরাধীরা বিচারের বাইরে থেকে যাওয়ায় এ ধরনের আচরণ করে পার পেয়ে যাওয়া যাবে বলে অপরাধীরা মনে করে। তারা যে ধরা–ছোঁয়ার বাইরে থাকবে, সেটা তারা ধরেই নেয় এ কারণে যে এ ধরনের ঘটনায় আগে কেউ বিচারের মুখোমুখি হয়নি। শুধু তা-ই নয়, তাঁরা এ-ও জানে যে সমাজে এ নিয়ে যে ক্ষোভ, তা অনেকটাই সাময়িক।
গুটি কয়েক মানুষ মিলে এ ধরনের ঘটনা সংঘটনের সময় অন্যদের মধ্য থেকে আমরা প্রতিরোধ দেখতে পাই না কেন? তার দুটি কারণ চিহ্নিত করা যায়—প্রথমটি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থার অভাব। দ্বিতীয়ত, বিচার বিভাগ নিয়ে, বিশেষত নিম্ন আদালতগুলোয় সুবিচারের সম্ভাবনা বিষয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা। তাঁরা মনে করেন না, এসব অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দিলে এরা শাস্তি পাবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থাহীনতা যে কতটা প্রবল, সেটা বোঝার জন্য একটি তথ্য উল্লেখ করা যায়। ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট প্রতিবছর সারা পৃথিবীর দেশগুলোর আইনের শাসনবিষয়ক, অর্থাৎ আইন ও বিচার বিভাগের বিভিন্ন দিক নিয়ে যে সূচক তৈরি করে, তাতে ২০১৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ১০২টি দেশের মধ্যে ৯৩; একই ধরনের অর্থনৈতিক অবস্থানের ১৫টি দেশের মধ্যে ১১ এবং আঞ্চলিক ৬টি দেশের মধ্যে চতুর্থ—কেবল আফগানিস্তান আর পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে।
শুধু তা-ই নয়, পুলিশের জবাবদিহিবিষয়ক যে তালিকা, যা তৈরি করা হয় আইনজীবী ও আইনজ্ঞদের দেওয়া মতামতের ওপর ভিত্তি করে, তাতে দেখা যায় যে উত্তরদাতাদের মাত্র ২৫ শতাংশ মনে করেন পুলিশ আইন অনুযায়ী কাজ করে, ২৬ শতাংশ মনে করেন যে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং ১৮ শতাংশ মনে করেন যে আইন ভঙ্গের জন্য পুলিশ শাস্তি ভোগ করে।
এ প্রশ্নও তোলা দরকার, কেন একটি দেশে মানুষ পিটিয়ে হত্যার ঘটনাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নেওয়া হচ্ছে? এ প্রশ্ন নিয়ে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানীদের যে ভাবনা-চিন্তা আমরা জানতে পারি, তা বিভিন্ন ঘটনার প্রতিক্রিয়া মাত্র। এ বিষয়ে গবেষণা যা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চোখে পড়ে না। কিন্তু বিভিন্ন ঘটনায় বাংলাদেশের সমাজে যে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার লক্ষণ দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়, এ ধরনের নির্মমতা কি তারই প্রকাশ? এ বিষয়ে সাময়িক ক্ষোভের বাইরে সমাজে একধরনের নির্লিপ্ততাও কি একই সূত্রে বাঁধা?
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।

ছাত্রলীগ তরুণ, ভুলত্রুটি হতেই পারে: আশরাফ

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বয়সে তরুণ এবং তাঁদের ‘ভুলত্রুটি’ হতেই পারে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বর্তমান বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতি করা খুব কঠিন হয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আজ রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও তাঁদের সন্তান শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের আলোচনা সভায় সৈয়দ এ মন্তব্য করেন। সম্প্রতি মাগুরায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে মা ও তাঁর পেটের শিশু গুলিবিদ্ধ হয়। ওই ঘটনায় এক বৃদ্ধ গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর ছাত্রলীগের সমালোচনা হচ্ছে সবখানে।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকেই আপনার, পত্রপত্রিকাও দেখি, দলের লোকজনও, ছাত্রলীগকে নিয়ে টিটকারি দেয়। আমি অত্যন্ত ব্যথিত হই। এরা বয়সে তরুণ, ভুলত্রুটি হতেই পারে। কিন্তু তাদের অবজ্ঞা করা বা তাদের একেবারে সাধারণ মানুষের সমান সম্মানও দেখানো হয় না। তারপরও ছাত্রলীগ এগিয়ে যাচ্ছে।’
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগ মানে চাঁদাবাজি, ছাত্রলীগ মানে সন্ত্রাস, ছাত্রলীগ মানে হলো দখল, ছাত্রলীগ মানে যত ধরনের অপকর্ম হতে পারে সব বিশেষণই ছাত্রলীগ এবং ছাত্রলীগ নেতাদের পেছনে লাগানো হয়। এটা সাংঘাতিক অন্যায়। আবার এদেরকেই যদি বলেন-এরাই ভবিষ্যৎ। তাহলে ভবিষ্যৎ বলে তাদের যদি এখনই নিঃশেষ করি দেই; তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ, এই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হবে? ’
ছাত্রলীগের অবদানের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফ বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি, অনেকেই আমার যারা সহকর্মী, ছাত্রলীগের যে কনট্রিবিউশনটা তারা মানতে রাজি না। আমাদের রাজনীতি ছিল ছাত্রলীগের রাজনীতি। আজকে আমি এ পর্যায়ে এসেছি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছি। এ প্র্যাকটিস হয়েছে ছাত্রলীগের মধ্য থেকে। ছাত্রলীগ ছাত্রদের একটা রাজনৈতিক দল।’
আশরাফ বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই ছাত্র সংগঠন, রাজনীতি আছে। এখান থেকে ট্রেনিং হয় ভবিষ্যতের নেতার। দীর্ঘদিন যাবৎ ছাত্রলীগ সেই দায়িত্বটাই পালন করছে। প্রতিবছরই নতুন নতুন জাতীয় নেতা তারা সৃষ্টি করছে। এটার ধারাবাহিকতা রাজনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এক সময় আমরা যখন ছাত্র রাজনীতি করি তখন ছিল ছাত্র রাজনীতির স্বর্ণযুগ। এখন সেটা আর নাই। তার মধ্যেও আপনাদেরকে সেই স্বর্ণযুগে ছাত্রলীগকে নিয়ে যেতে হবে। এটা পারবেন শুধু আপনারাই।’
ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, এনামুল হক শামীম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।
==== প্রথম আলো পাঠকের মন্তব্য সহ ---------------------------------------
  • Motaleb hossain
    Motaleb hossain
    'তাদের একেবারে সাধারণ মানুষের সমান সম্মানও দেখানো হয় না।'' কি আশ্চর্য্য , তারা কি সাধারন মানুষ নাকি ?? তারাতো ছাত্রলীগ ।
     
  • Md. Emran Hossain
    Md. Emran Hossain
    তাই বলে ছাত্র লীগের হাতে মায়ের পেটের সন্তান গুলা খাওয়াটাও ভুল ?
     
  • শিপন   ITALY
    শিপন ITALY
    আর সে ভুল যদি মানুষ মাড়ার হয় তা কিন্তু ক্ষমার যোগ্য নয়
     
  • hidden
    hidden
    চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বন্দুকবাজি এগুলা কি ভুলের অংশ?
     
  • Hamid Shadin
    Hamid Shadin
    আমার মায়ের পেটের বাচ্ছাকে ও গুলি করবে? সেটা ও ভুল? না ভাই কিছুই বলার নেই।
     
  • hidden
    hidden
    হে হে হে। এইটা কি কইলেন????!!!!
     
  • hidden
    hidden
    এই আশকারা পেয়েই ছাত্রলীগ ক্রমে দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
     
  • hidden
    hidden
    আপনি ঠিকই বলেছেন, শুধু ছাএলীগের তরুনরা ভুল করতে পারে এবং এটা কোন অপরাধ না, অপরাধ হবে এই একই ভুল যদি ছাএদল, জামাত বা ছাএশিবিরের তরুনরা করে!
     
  • Andalib Khan
    Andalib Khan
    ছাত্রলীগের 'ভুল'এ বুলেটকন্যা সুরাইয়া মরতে মরতে বেঁচে গেছে। ছাত্রদলেরও একইরকম 'ভুলে' বাবার কোলে থেকেও বাঁচতে পারেনি শিশু মীম। রাজ্নীতিবিদদের কাছে যা 'ভুল' অন্যের কাছে তা মৃত্যু।
     
  • md.khorshed alam(shawpon)
    md.khorshed alam(shawpon)
    আপনারা আস্কারা দিলে তো আর বলার কিছু নেই।
     
  • hidden
    hidden
    ঠিকই বলেছেন। ছাত্রলীগ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে সঠিক পথে নয়, ভুল পথে।
     
  • farhad
    farhad
    আমি ও তরুণ তাহলে আমি ও কি তাদের মত ভূল করতে পারব ?
     
  • Mohammad Nurul Amin
    Mohammad Nurul Amin
    আপনার কথা ঠিক আছে কিন্তু ছাত্রলীগ যেইভাবে নিজেদেরকে খাই-খাই লিগ এ পরিনত করেছে, তাতে বুঝা যায় ওনারা স্বর্ণযুগে থাকতে চাননা তাই উনাদের চোখে উনারা ডায়মন্ডের যুগ দেখেন!!
     
  • hidden
    hidden
    দুঃখ একটাই অামাদের মহান বিজ্ঞ নেতারা ভূলত্রুটি অার প্রকাশ্যে সন্ত্রাস-চাদাবাজির মধ্যে যে বিরাট পার্থক্য সেটা এখনও বোঝে না !!!
     
  • Shamim
    Shamim
    এসব মন্তব্য অপরাদিদের আরও উৎসাহীত করবে ।
     
  • hidden
    hidden
    ভুল ত্রুটির মধ্যে কি খুন খারাপি, টেন্ডার বাজি, কোপানি ইত্যাদি পরে নাকি?
     
  • FAZLE AZIM CHOWDHURY
    FAZLE AZIM CHOWDHURY
    একি কথা শুনি ;;;;
     
  • Akas
    Akas
    কলা জাহাঙ্গীর, সুব্রত বাইন, সুইডেন আসলাম, নারায়ানগঞ্জ সাত খুনের আসামী সহ সবাইকে তো আমি তরুণই দেখি। আর ৩/৪ সন্তানের বাপ ছাত্র নেতারা অবস্যই তরুণ। আমাদের সবাইকেই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা উচিত। পাপকে ঘৃনা কর নয়। আমাদের মন্ত্রী সভাসদরা বরই মানবতাবাদী। যুদ্ধঅপরাধীরাও সবাই ১৯৭১ সালে তরুণ ছিল ভুল করেছিল, তাদেরও মাফ করে দেওয়া উচিত। আমাদের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লাশকে শত টুকরাকারীকে ক্ষমা করে অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। সত্যিই আমার বঙ্গদেশের দ্বিতীয় কোনো উদাহরণ নেই।
     
  • মোঃ আমিনুল ইসলাম (নকলা)
    মোঃ আমিনুল ইসলাম (নকলা)
    এই বক্তব্য কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। তরুণরা জাতির ভবিষ্যৎ, তারা যদি ভুল করে তবে তাদের ভবিষ্যৎ যেমন অন্ধকার তেমনি জাতির ভবিষ্যতও অন্ধকার। এই বক্তব্যের পর ছাত্রলীগের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অপকর্মের বৈধতা দেয়া হলো।
     
  • hidden
    hidden
    বোঝা গেল, মন্ত্রী মহোদয় ছাত্রলীগকে দারুন সমীহ করেন।
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    আশরাফ সাহেব, হাওয়া দিলেন
     
  • hidden
    hidden
    ছাএলীগের কোন দোষ নাই। সব দোষ আ.লীগ নেতাদের। কারন তারাই তো আশকারা দেয়, যেমন আজকে দিল।
     
  • hidden
    hidden
    মন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে এসব না বলে কোন উপায় নাই।
     
  • M. Ahmed
    M. Ahmed
    ভাই দুঃখ পাবার কিছু নাই। বাস্তবতা হচ্ছে অামরা অনেক কিছুর দিকেই তাকাই কিন্তু ভালমত দেখি না, অনেক কিছুই জানি কিন্তু মানি না, অনেক কিছুই পড়ি কিন্তু বুঝি না।
     
  • Tareq shamim
    Tareq shamim
    জানি আমাদের এই অভাগা জাতীর কপালে আরো ভয়ংকর ভুল-ত্রুটি অপেক্ষা করছে।
     
  • মোঃ আল আমিন মিয়া (চিলমারী)
    মোঃ আল আমিন মিয়া (চিলমারী)
    সার্টিফিকেট তো ধরাই দিলেন জনাব। এবার নতুন চমকের অপেক্ষায় দেশ।
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    আমরা যদি গণতান্ত্রিক দেশ-জাতি হতাম, তাহলে এই উক্তির কারণে তাঁকে পদত্যাগ করতে হতো...
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    ধন্যবাদ
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    নিশ্চয় পারবেন যদি আপনি ছাত্রলীগ হন, আর না হয় আপনাকে অস্ত্র উদ্ধারে নিয়ে......... অতবা ক্রসফায়ার........
     
  • Md. Masudul Hasan Shobhon
    Md. Masudul Hasan Shobhon
    অভিভাবকসূলক কথা শুনতে ভালো লাগে। তবে অভিবাববকদের কথা দায়িত্ব ও বিবেক বিবর্জীত হলে সন্তানের খারাপ কাজের গ্লানিও বয়ে বেড়াতে হয় চিরকাল। তাই অভিভাবকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সাবধান।
     
  • Monzur
    Monzur
    ...... আর বাতাস দিয়েন না!
     
  • মতিউর রহমান
    মতিউর রহমান
    এটা আবার বলা লাগে নাকি? সে জন্যই তো মায়ের পেট ফুটো হয়ে শিশুর শরীরে বুলেট ঢুকার পরও আমরা চুপচাপ আছি।
     
  • Farid-Abu Dhabi
    Farid-Abu Dhabi
    মানুষ মাত্রই ভুল আর ক্ষমা মহত্বের লক্ষন। দেন স্যার ছাত্রলীগের সব অন্যায় ক্ষমা করে দেন!!!!
     
  • joy narayan, (switzerland)
    joy narayan, (switzerland)
    "এরা বয়সে তরুণ, ভুলত্রুটি হতেই পারে।" আপনাকে বাবার মত সম্মান করি। দয়া করে এসব বলবেন না।
     
  • Md. Abu Shahin
    Md. Abu Shahin
    ছাত্রলীগের এই তরুনদের ভূলের শিকার আপনারা হলে তখন দেখতাম যে বড় বড় কথা কি করে বলেন। আসলে সব তো যায় জনগণেন উপর দিয়ে।
     
  • HELAL
    HELAL
    আওয়ামী লীগের একজন আদর্শবাদী নেতার মুখে এসব কথা মানায় না!
     
  • mahfuza bulbul
    mahfuza bulbul
    সরকারের সোনার তরুণ ছেলেদের জন্ম শুধু ভুল করার জন্য। সাধারণ মানুষ আজ পর্যন্ত তাদের সঠিক কাজ করতে দেখলো না।
     
  • Mohammed Shahed Parvez
    Mohammed Shahed Parvez
    "এখান থেকে ট্রেনিং হয় ভবিষ্যতের নেতার" এই কারনেই আমাদের দেশে গণতন্ত্র শুধু ভোটের দিনের জন্যেই সংরক্ষিত (ইদানিং এরও ব্যতিক্রম হচেছ)।
     
  • Anisur Rahman
    Anisur Rahman
    ও বাবা , দ‌লে একটু ক্ষমতা পে‌য়ে আবারও ছাত্রলী‌গের মানুষ হত্যা‌কে সা‌র্টি‌ফি‌কেট দি‌চ্ছেন। আপনার মে‌য়ে আর তার পে‌টে থাকা সন্তান‌কে যে দু‌নিয়ার ছাত্রলীগ/ছাত্রদল বো‌ঝেনা তা‌কে গু‌লি করা হ‌লেও কি তুচ্ছ ভুল ব‌লে চা‌লি‌য়ে দি‌বেন। আপনারা পা‌রেনও ব‌টে ।
     
  • Anisur Rahman
    Anisur Rahman
    আপনা‌কে তো একটু আলাদা আর ভা‌ল ম‌নে ক‌রে‌ছিলাম, শেষ পর্যন্ত আপ‌নিও!!
     
  • Shamim Ansary
    Shamim Ansary
    'তাদের একেবারে সাধারণ মানুষের সমান সম্মানও দেখানো হয় না।''....বুঝেগেছেন মনে হয়!
     
  • Md. Khairul Islam
    Md. Khairul Islam
    তারা আমার বোনকে ধর্ষন করবে আর বলবেন তারাতো তরুন নাবালক না?
     
  • hidden
    hidden
    ভাল তো ভাল না
     
  • farhad
    farhad
    ''এখান থেকে ট্রেনিং হয় ভবিষ্যতের নেতার" কি ধরনের নেতা বের হবে ভবিষ্যৎে ভাবতে গা শিউরে উটে !! যাদের কাছে মায়ের পেটের সন্তানও নিরাপদ নয় !!!
     
  • হিমেল
    হিমেল
    কারন ওরা ও যে আ:লীগই অংশ। দুনিয়াতে কি আর ছাত্র নাই নাকি ? কেন বার বার ওদের উস্কে দিচছেন। একদিন যে এই তরন ই ভুল করে আপনার পরিবারের ক্ষতি করবে না তার গ্যারানটি কি ?
     
  • hidden
    hidden
    আহা-হা কী অসাধারণ চিজ্। তা পিৎজা বানিয়ে আপনি খেতে পারেন আমাদের রুচি হবে কেন?
     
  • Izak
    Izak
    OMG!!!
     
  • Md.Asif Iqbal
    Md.Asif Iqbal
    সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাহেব সবসময় মদ খাওয়াটা ভুল নয় অভভাস ,আর তাই বুঝি আপনিকি ভুল আর অপরাধের পারথক্কো কি সেটা গুলিয়ে ফেলেছেন ??
     
  • ব্লগার মোহাম্মদ কাশেম
    ব্লগার মোহাম্মদ কাশেম
    এই টা অপরাধের লাইন্সের সামিল
     
  • mahfuza bulbul
    mahfuza bulbul
    ছাত্রলীগের এই সোনার তরুণ ছেলেরা নারীদের লাঞ্ছিত করলে হয় দুষ্টামি আর খুন, চাদাবাজী , টেন্ডারবাজি , সন্ত্রাসীকর্ম কাণ্ড করলে হয় ভুল ! আহারে সরকারের সোনার মাসুম ছেলে !
     
  • rasel
    rasel
    আমাদের সাংসদ, মন্ত্রীরা অযথা এমন সব কথা বলেন !!
     
  • Hafizur Rahman
    Hafizur Rahman
    দয়ার শরীরই বলতে হবে সৈয়দ দাহেবের। তবে সৈয়দ সাহেব, মাগুড়ার ছাত্রলীগের ঐ গুলিটা যদি আপনার স্ত্রীর পেট ছিদ্র হয়ে আপনার আনাগত সন্তানের বক্ষ ছিদ্র করলে আপনি কি পারতেন ক্ষমা করতে?
     
  • hidden
    hidden
    নেতা এমন হলে তার কর্মীরা আবার কেমন হবে?
     
  • Md. Mobarak Hossain
    Md. Mobarak Hossain
    লীগ সব অপকরমের হোতা, এটা ত সবাই জানি। একটা উদাহরন দিন না ইদানিং কার লীগ ভাল কিচু করেছে। What to say you yourself are other side of the coin..
     
  • hidden
    hidden
    এত্ত বড় মন্ত্রী কিন্তু তিনি ভুল আর অন্যায়ের পার্থক্য বোঝেন না, আফসোস।
     
  • hidden
    hidden
    যে দলের বীছন খারাপ তার ফল তো এমনই হওয়ার কথা,তাই নয় কি?ছাএলীগ কি অতীতেও ধোয়া তুলসিপাতা ছিল না কি?অতীতেও তারা নোংরামী কাজে এগিয়ে ছিল অন্য যেকোন দলের চেয়ে,এখন সীমাহীন নোংরামি করে এই তো পার্থক্য। আশরাফ সাহেব দয়া করে একটা সত্যি কথা বলবেন-ছাএ রাজনীতি স্বাধীনতার আগে ভাল ছিল না স্বাধীনতার পরে?
     
  • Mahadi
    Mahadi
    মনে হয়নি আশরাফ চলে গেলে বাংলাদেশের রাজনীতির তেমন ক্ষতি হত।
     
  • Yousuf Sheikh Manik
    Yousuf Sheikh Manik
    তাহলে আপনার মতে তরুনরা হত্যা করবে যা খুশি তাই করবে তাতে কোন সমস্যা নাই। তাহলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের হাজার হাজার তরুণ ভাইকে কেনো জালিমের কারাগারে অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছেন। তারা তো আপনার ছাত্রলীগের মত আর মানুষ হত্যা করেনি।
     
  • masud ahmed
    masud ahmed
    Mr Ashraf than why not you forgive those who killed your father because they also was young when they killed your father.
     
  • hidden
    hidden
    চাপাতিলীগ/ ছাত্রলীগের ভুলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজপথে কতজন নৃশংসভাবে খুন হয়েছে আন্দালিব ? ওই ভুলগুলো ভুলে যেতে চান?
     
  • hidden
    hidden
    ওরা তো মানুষ না ছাত্রলীগ, মানুষের সন্মান পাবে কেন?
     
  • hidden
    hidden
    ভাবছি এই দেশে আর থাকবো না। রুটি রোজগারের একমাত্র উপায় সরকারি চাকরী টা ছেড়ে দিয়ে বিদেশে চলে যাব। এই দেশটা এদের মত নেতা আর তাদের অনুসারীদের জন্যই উপযোগী। লজ্জা লাগে আমার! আপনাদের লাগেনা ভাই?
     
  • ফখরুদ্দিন
    ফখরুদ্দিন
    দয়া করে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেন... বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতির কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হই না
     
মন্ত