Tuesday, October 6, 2009
আবুধাবি মেলায় অংশ নিচ্ছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড
তিন দিনব্যাপী এই মেলায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে জাহাজ নির্মাণশিল্পের আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে মনে করেন ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিট পোশাকের বাজার বাড়াতে বিকেএমইএর নেতারা দ. আফ্রিকায়
প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিকেএমইএর সভাপতি ফজলুল হক।
সফরকালে প্রতিনিধিদলটি দক্ষিণ আফ্রিকায় উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন জোহানেসবার্গ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রিটোরিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, ডারবান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, মিনারা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং কেপটাউন রিজিওনাল চেম্বার উল্লেখযোগ্য।
বিকেএমইএ প্রতিনিধিদলটি প্রথমে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবে এবং এরপর বতসোয়ানার উদ্দেশে যাত্রা করবে। তারা সেখানে কয়েকজন মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাসহ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জি-২০ জোটের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কাজ হবে না
প্যারিসভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) আন্তরিকভাবে জি-২০ জোটের এসব সংকল্প ও সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার আইসিসির বাংলাদেশ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।
কিন্তু বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার দোহা বাণিজ্য আলোচনাপর্ব সমাপ্তির বিষয়ে জি-২০ নেতারা তাঁদের আগের সিদ্ধান্ত পুনরাবৃত্তি করেছে, যে কারণে আইসিসি হতাশ হয়েছে। চেম্বার বরং মনে করে, জি-২০ নেতারা তাঁদের নিজেদের মধ্যে অঙ্গীকারবদ্ধ হননি যে ২০১০ সাল শেষ হওয়ার আগেই এই আলোচনার সমাপ্তি টানা হবে।
আইসিসি মহাসচিব বলেন, ‘দোহা পর্বের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তাঁদের আরও বেশি রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন। এর সফল সমাপ্তিতে একটা চুক্তি বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো ও ব্যবসায়ী নেতাদের নাড়া দেবে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫১টি কোম্পানির শেয়ার ওটিসি বাজারে যাচ্ছে
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) এক আদেশে গতকাল রোববার স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ কোম্পানিগুলোকে তালিকাচ্যুত করে।
যেসব কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করা হয়েছে: ইউসিবিএল, চিক টেক্সটাইল, রাসপিট ইনকরপোরেট, রাসপিট ডাটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন, পেট্রো সিনথেটিক প্রডাক্টস, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল, জার্মান বাংলা জে ভি ফুড, আল-আমিন কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ, আশরাফ টেক্সটাইলস, বাংলাদেশ কেমিক্যালস, বিডি ডায়িং অ্যান্ড ফিনিশিং ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ জিপার, এক্সেলসিউর সু, গচিহাটা অ্যাকুয়াকালচার ফার্মস, জিএমজি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করপোরেশন, ম্যাক এন্টারপ্রাইজেস, ম্যাক পেপার, মেটালেক্স করপোরেশন, মিতা টেক্সটাইল, মডার্ন সিমেন্ট, পদ্মা প্রিন্টার্স, কাশেম টেক্সটাইল, রহমান কেমিক্যালস, রাঙামাটি ফুড প্রোডাক্টস, রোজ হেভেন বলপেন, সজীব নিটওয়্যার, সোনালি পেপার, শ্রীপুর টেক্সটাইল, তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল, ওয়াটা কেমিক্যালস, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস, আরবি টেক্সটাইল, বাংলাদেশ মনোষ্পুল পেপার, বেঙ্গল ফাইন সিরামিকস, ঈগল স্টার, লেক্সকো, পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, ফিনিক্স লেদার, টিউলিপ ডেইরি, বায়োনিক সি ফুড, মোনা ফুড, আনাম সি ফুড, এম হোসেন গার্মেন্টস, ডায়নামিক টেক্সটাইল, সালেহ কার্পেট, বাংলাদেশ ইলেকট্রিসিটি মিটার কোম্পানি, পারফিউম কেমিক্যালস, কাশেম টেক্সটাইল, মেঘনা শ্রিম্প, বেঙ্গল বিস্কুট ও বাংলাদেশ লাগেজ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে বিলোনিয়া স্থলবন্দর উদ্বোধন
গতকাল বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান আনুষ্ঠানিকভাবে বিলোনিয়া স্থলবন্দর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী জিতেন্দ্র চৌধুরী।
এ উপলক্ষে বিলোনিয়া সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, ফেনী চেম্বার এবং ভারতের ত্রিপুরা চেম্বারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আইবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী, ত্রিপুরা রাজ্যের এমএলএ বাসুদেব মজুমদার, ত্রিপুরার মুখ্যসচিব ললিতকুমার গুহ, ত্রিপুরা চেম্বারের সভাপতি এম এল দেবনাথ, বিলোনিয়া পৌরসভার মেয়র খুকু ঘোষ, নৌপরিবহনসচিব মাসুদ ইলাহি, এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, স্থলবন্দরের চেয়ারম্যান কে এম হারুন, ফেনী চেম্বারের সভাপতি হাজি আলাউদ্দিন, চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার ফিরোজ শাহ আলম, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ আহম্মদ চৌধুরী, পরশুরাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যন কামাল উদ্দিন মজুমদার, পৌরসভার মেয়র আবু তালেব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা স্থলবন্দরের উভয় পাশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে উদ্যোগী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। বিশেষ করে বাংলাদেশ অংশে প্রশাসনিক ভবন, ওয়্যারহাউস, ওপেন ইয়ার্ড, সড়কপথ সম্প্রসারণ, রেলপথ মেরামত ও পুনঃস্থাপন এবং সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার দাবি জানান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে স্থলবন্দরের কাজকর্ম গতিশীল করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি বাংলাদেশ অংশে শুল্ক অফিসসহ অন্যান্য অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো শুল্কসুবিধা আদায়, বিদেশে অবাধে শ্রমিক প্রেরণ
পাশাপাশি সেবা খাতের ক্ষেত্রে আরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক যাতে বিভিন্ন দেশে পাঠানো যায়, সে চেষ্টাও করা হবে।
মূলত এই দুটি বিষয়কে মাথায় রেখেই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ চেষ্টা করবে স্বল্পোন্নত দেশগুলো (এলডিসি) নিয়ে এ ব্যাপারে একটি অভিন্ন অবস্থান তৈরি করার।
আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেনেভায় অনুষ্ঠেয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে যোগ দিতে যে প্রতিনিধিদল যাবে, তার নেতৃত্ব দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান। আর মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর আফ্রিকার তাঞ্জানিয়ায় অনুষ্ঠেয় স্বল্পোন্নত দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী পর্যায়েরও একটি বৈঠক হবে। এতেও ফারুক খানের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধিদল যোগ দেবে।
উভয় বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থ বজায় রেখে দেশীয় অবস্থান তুলে ধরা ও করণীয় নির্ধারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গতকাল রোববার সচিবালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানকে আহ্বায়ক করে আট সদস্যের একটি কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে ১ সেপ্টেম্বর। কমিটি সুপারিশমালাসংবলিত একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে।
কোর কমিটির আহ্বায়ক মজিবুর রহমান সাংবাদিকদের গতকাল এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ডব্লিউটিওর শর্ত অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য উন্নত দেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার-সুবিধা পাওয়ার কথা। বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলো যাতে অন্যায়ের শিকার না হয়, সে জন্য জেনেভার সম্মেলনে দরকষাকষি করতে হবে।
মজিবুর রহমান আরও বলেন, উন্নত দেশে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার দিক থেকে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ যাতে বঞ্চিত না হয়, সে ব্যাপারে দরকষাকষি করা হবে।
বৈঠকে বাণিজ্যসচিব ফিরোজ আহমেদ, অতিরিক্ত বাণিজ্যসচিব মোস্তাফা মহিউদ্দিন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আনিসুল হকসহ কোর কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক অমিতাভ চক্রবর্তী, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের যুগ্ম প্রধান মোস্তফা আবিদ খান, ডব্লিউটিও সেলের উপপরিচালক নেসার আহমেদ, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের (বিএফটিআই) প্রধান নির্বাহী এম এ তসলিম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মেট্রো চেম্বারের সভাপতি আবদুল হাফিজ চৌধুরী।
মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের মূল দরকষাকষির জায়গাটা হচ্ছে ৯৭ শতাংশ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মধ্যে যাতে প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো থাকে। তা ছাড়া পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার ব্যাপারে উন্নত দেশগুলোর পক্ষ থেকে বিশেষ শুল্কসুবিধার প্রস্তাব রয়েছে।’
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, সেবা খাতের আওতায় আরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ব্যাপারেও চেষ্টা থাকবে।
২০০৫ সালের ডিসেম্বরে হংকংয়ে ডব্লিউটিও মন্ত্রী পর্যায়ের ষষ্ঠ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনের প্রথম ঘন্টায় ঢাকা
লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেরই শেয়ারের দাম বাড়তির দিকে। এর মধ্যে শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৩০টি প্রতিষ্ঠানের, কমেছে ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের। এ পর্যন্ত মোট লেনদেন হয়েছে ২১০ কোটি টাকার।
এখন পর্যন্ত শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে যমুনা অয়েল, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড, নাভানা সিএনজি, ফার্স্ট বিএসআরএস, আফতাব অটো।
ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমতে দেখা গেছে। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ বীমা কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়তির দিকে লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে আজ থেকে গ্রামীণফোনের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা গ্রহণ শুরু হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোয়ার্টার ফাইনালে শেখ রাসেল
৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ শেখ রাসেল। ২ জয় আর ১ ড্র নিয়ে রাসেলকে টপকে সিলেট বিয়ানীবাজার ‘সি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন। আগেই শেষ আট নিশ্চিত করা বিয়ানীবাজার কাল তৃতীয় ম্যাচে ড্র করেছে (০-০) টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া সেনাবাহিনীর সঙ্গে।
কাল শেখ রাসেলের গোল তিনটি করেছেন ইউসুফ (২টি) ও মোবারক। ফরাশগঞ্জ কোণঠাসা হয়ে গিয়েছিল ৫২ মিনিটে দুই হলুদ কার্ডের শাস্তি হিসেবে ইমরোজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায়। বৃষ্টির মধ্যে এগিয়ে চলা ম্যাচে তারা কোনো জবাবই দিতে পারেনি শেখ রাসেলকে। টুর্নামেন্টে গতবারের সেমিফাইনালিস্ট ফরাশগঞ্জ এবার তিনটি ম্যাচই হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ চার খেলোয়াড় ছাড়া কাল মাঠে নেমেছিল বিয়ানীবাজার। তার পরও ড্র করতে পারায় অপরাজিত থেকেই শেষ আটে গেল দলটি। তিন ম্যাচে কোনো গোলই খায়নি বিয়ানীবাজার।
আজকের খেলা: চট্টগ্রাম আবাহনী-বাংলাদেশ পুলিশ, ঢাকা আবাহনী-মুক্তিযোদ্ধা (বিকেল ৩টা ও ৫টা, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম)
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবার ওপরে চেলসি
গোলশূন্য প্রথমার্ধে দুই দলের আক্রমণে প্রায় সমান ধার থাকলেও চেলসির প্রাধান্য কিছুটা বেশি ছিল। সেটারই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৬০ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় তারা আনেলকার গোলে। বাঁ প্রান্ত থেকে দিদিয়ের দ্রগবার নিচু ক্রস অসাধারণ দক্ষতায় লিভারপুলের জালে জড়িয়েছেন ফরাসি স্ট্রাইকার (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে গোল শোধের মরিয়া চেষ্টা করেও হাসতে পারেনি লিভারপুল। উল্টো ইনজুরি সময়ে দ্রগবারই করা মাইনাস থেকে ব্যবধান বাড়ান মালুদা (২-০)।
গতকালের জয়ে ৮ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলে সবার ওপরে উঠে গেছে চেলসি। ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দ্বিতীয় স্থানে। ৮ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট এর পরই রেখেছে টটেনহামকে। অন্যদিকে ১৯ বছরের শিরোপা-বন্ধ্যাত্ব ঘোচানোর মিশনে কেবলই পিছিয়ে পড়ছে লিভারপুল। ৮ ম্যাচ শেষে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা পঞ্চম স্থানে।
কাল দিনের আরেক ম্যাচে আর্সেনাল ৬-২ গোলে হারিয়েছে ব্ল্যাকবার্নকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিবা-রাত্রির টেস্ট এখনই নয়
সানডে টাইমস পত্রিকার খবর, টেস্টের আগে পরীক্ষামূলকভাবে ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ডারহাম ও উস্টারশায়ারের ম্যাচটা গোলাপি বলে খেলার প্রস্তাব দিয়েছিল ইসিবি। কোনো দলই রাজি হয়নি এতে। ডারহামের কোচ জিওফ কুক বরং একটু বিরক্তি সহকারেই মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘এটা একটা প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ। আমরা মনে করি খেলার মর্যাদাটা এখানে ধরে রাখা উচিত।’
যথেষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়নি বলেই যে দিবা-রাত্রির টেস্ট আপাতত মাঠে গড়াচ্ছে না, সেটা পরিষ্কার করেছেন ইসিবি চেয়ারম্যান জাইলস ক্লার্কও, ‘এর জন্য অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার। এখন আর তা করার সময় নেই। টেস্ট ক্রিকেটে সাদা পোশাকের ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ।’ এর আগে বিসিবি ও ইসিবি দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলার ব্যাপারে সম্মত হলেও এমসিসি থেকে জানানো হয়েছিল, যতক্ষণ পর্যন্ত না এটা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে যে ফ্লাডলাইটের আলোয় টেস্ট খেলার জন্য কী রঙের বল উপযুক্ত, ততক্ষণ পর্যন্ত দিবা-রাত্রির টেস্ট সম্ভব নয়। গত বছর সীমিত ওভারের ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে গোলাপি বল ব্যবহার করেছিল এমসিসি। কিন্তু ‘সাদা বলের চেয়ে সামান্যই ভালো’ বলে ইসিবি তাদের ২০০৯ সালের ঘরোয়া মৌসুমে গোলাপি বল দিয়ে খেলতে রাজি না হওয়ায় ব্যাপারটা ওখানেই থেমে যায়।
দিবা-রাত্রির টেস্টের ব্যাপারে এখনো সবুজ সংকেত দেয়নি আইসিসিও। গোলাপি বলের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এর রংটা কতক্ষণ টিকবে। কৃত্রিম আলো ও ভিন্ন রঙের বলে দিবা-রাত্রির খেলা টেস্ট ম্যাচে কতটা প্রভাব ফেলবে—এটি নিয়েও প্রশ্ন আছে। আপাতত তাই কৌলীন্য বজায় রাখতে পারছে শতাব্দী প্রাচীন টেস্ট ম্যাচ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগের পাঁচ ফাইনাল
২০০০, নাইরোবি
নিউজিল্যান্ডের চমক
শচীন টেন্ডুলকার ও সৌরভ গাঙ্গুলীর ১৪১ রানের উদ্বোধনী জুটির পরও ৫০ ওভারে ভারত করতে পেরেছিল ২৬৪। টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারে ১৫তম সেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক সৌরভ (১১৭)। ১৩২ রানে নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেট হারানোর পর ভারতের জয়টাকে মনে হচ্ছিল শুধুই সময়ের ব্যাপার। ষষ্ঠ উইকেটে ১২২ রান তুলে নিউজিল্যান্ডকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান দুই ‘ক্রিস’—কেয়ার্নস ও হ্যারিস। ম্যাচ-সেরা কেয়ার্নসের অপরাজিত ১০২ রানে শেষ পর্যন্ত দুই বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটের জয় পায় নিউজিল্যান্ড।
২০০২, কলম্বো
বৃষ্টিতে দুই চ্যাম্পিয়ন
ট্রফি উঠেছিল সৌরভ গাঙ্গুলী ও সনাত্ জয়াসুরিয়ার হাতে, তবে জিতেছিল আসলে বৃষ্টি। টানা দুই দিন ম্যাচ শেষ হতে পারেনি বৃষ্টি-বাধায়। কলম্বোর প্রেমাদাসার ধীরগতির উইকেটে প্রথম দিন ২৪৪ রান তুলেছিল শ্রীলঙ্কা, ভারত দুই ওভারে ১৪ রান করার পর বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয় ম্যাচ। পরদিন আবারও প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা করেছিল ২২২। ভারত এদিন ব্যাট করতে পেরেছিল ৮.৪ ওভার, দিনেশ মঙ্গিয়াকে হারিয়ে ৩৮ করার পর আবারও বৃষ্টি। ফলে এক টুর্নামেন্ট দেখে দুই চ্যাম্পিয়নকে।
২০০৪, ওভাল
ক্যারিবীয় রূপকথা
১৯৭৯ বিশ্বকাপ জয়ের ২৫ বছর পর ক্যারিবীয়দের বড় কোনো টুর্নামেন্ট জয়। ওপেনার মার্কাস ট্রেসকোথিকের ১০৪ রানের পর ইংল্যান্ডের ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল অ্যাশলি জাইলসের ৩১। ইংল্যান্ড করতে পারে মাত্র ২১৭। তবে ফ্লিনটফ-হার্মিসন-কলিংউড মিলে ১৪৭ রানেই তুলে নিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৮ উইকেট। নবম উইকেটে ৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ক্যারিবীয়দের জিতিয়ে দেন উইকেটকিপার কোর্টনি ব্রাউন ও পেসার ইয়ান ব্রাডশ। ট্রফি ওঠে ব্রায়ান লারার হাতে।
২০০৬, মুম্বাই
অস্ট্রেলিয়ার দুঃখমোচন
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ৫ ওভারে তুলেছিল ৪৯। তখন কে ভাবতে পেরেছিল, এটিই হতে যাচ্ছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে সবচেয়ে একতরফা ফাইনাল! দারুণভাবে ফিরে এসে অস্ট্রেলীয় বোলাররা ১৩৮ রানেই অলআউট করে দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ১৩ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে বোলিংয়েও প্রথমে জ্বলে উঠেছিল ব্রায়ান লারার দল। তবে অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে ১০৩ রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার চ্যাম্পিয়নস ট্রফি-খরা ঘোচান শেন ওয়াটসন ও ডেমিয়েন মার্টিন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের আপত্তি, ধারাভাষ্যে থাকবেন না আকরাম!
এরফলে ওয়াসিম আকরামের আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজ ক,লকাতা নাইট রাইডার্সের বোলিং কোচের চাকরিও হুমকির মুখে পড়ল। ২০০৮-এ অনুষ্ঠিত প্রথম আইপিএলের বিভিন্ন দলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা চুক্তিবদ্ধ হলেও মুম্বাই হামলার পর এ বছরের আইপিএল শুরু হওয়ার আগে সরকারি নির্দেশে সব পাকিস্তানি খেলোয়াড়ের চুক্তি বাতিল করে আইপিএলের দলগুলো।
ধারাভাষ্যকারদের তালিকা থেকে বাদ পড়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘আমি জানি যে চ্যাম্পিয়নস লিগের ধারাভাষ্যকারদের তালিকা থেকে আমি বাদ পড়েছি। তবে আমি মনে করি না, এ ব্যাপারে ভারত সরকারের কোনো হাত রয়েছে।’
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলিং উপদেষ্টা হিসেবে ভারত সফরের ব্যাপারে তাঁর অগের পরিকল্পনাই বহাল রাখবেন বলে আকরাম সংবাদমাধ্যমকে জানান। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্যাম্পে যোগ দিতে তাঁর আগামী মঙ্গলবার দিল্লির গুরগাঁওয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের ভারতের মাটিতে খেলার ব্যাপারে ভারত সরকারের কঠোর মনোভাব থাকলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশ নেওয়া সাসেক্স শার্ক তাদের দলে রেখেছে পাকিস্তানের সাবেক টেস্ট খেলোয়াড় ইয়াসির হামিদ। এখন চ্যাম্পিয়নস লিগ কর্তৃপক্ষ তাঁকে নিয়ে কি করে সেটাই দেখার বিষয়।
চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রচারসত্ত্ব পাওয়া ইএসপিএন-স্টারকে বলে দেওয়া হয়েছে, তারা যেন কোনো সাবেক ও বর্তমান পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে ধারাভাষ্য বা এইসংক্রান্ত কোনো দায়িত্বে এনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে বিব্রত না করে। এরই ফলশ্রুতিতে ওয়াসিম আকরামকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ধারাভাষ্য দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। তবে ওয়াসিম আকরাম চ্যাম্পিয়নস লিগে ধারাভাষ্য দিতে আসার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত এক বোলিং কর্মশালার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আকরাম এখন দুই কূলই হারাতে বসেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যাপীঠ নিয়ে কিছু কথা by ফজলুল হক
দেশের বেশির ভাগ সরকারি প্রাইমারি স্কুলের অবস্থা খুবই নাজুক; কোনো কোনো স্কুলে ঘর নেই, নেই চেয়ার-টেবিল-বেঞ্চ, ক্লাস চলে গাছতলায়; কোথাও দেখা যায় স্কুল চত্বরে নিবিড়মনে বিচরণ করছে গরু-ছাগল; কোনো স্কুলে হয়তো দেখা যাবে শিক্ষক নেই; আবার কোথাও কোথাও নেই কোনো শিক্ষার্থী। আধাসরকারি বা বেসরকারি অধিকাংশ বিদ্যালয়ের অবস্থাও খুব বেশি ভালো নয়; বেতনের জন্য এখনো হাজার হাজার শিক্ষক পথ চেয়ে বসে আছেন। কখনো কখনো বেতন-ভাতার জন্য আমাদের শিক্ষকসমাজকে অনশনের মতো অবমাননাকর কর্মসূচিতেও অংশ নিতে দেখা যায়। তার ওপর আমাদের দেশের অসংখ্য শিশু এখনো ন্যূনতম শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। আর্থিক অনটন কিংবা সামাজিক-রাষ্ট্রীয় প্রতিকূলতার কারণে বহু পরিবার সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছে না। এই যখন আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার চালচিত্র, তখন ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। রকমারি বিজ্ঞাপনে তারা আকর্ষণ করছে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের; শুষে নিচ্ছে তাদের পকেটের অর্থকড়ি। যত্রতত্র বাড়ি নির্মাণ করে কিংবা ভাড়া নিয়ে তৈরি হচ্ছে এসব স্কুল। সংখ্যার দিক থেকে সামান্য না হলেও জাতীয় শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্ক-সমন্বয় কিংবা জাতীয় অগ্রগতিতে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্টতা কতটুকু আছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে এই স্কুলগুলো তৈরি করে চলেছে ভিনদেশি নাগরিক; যারা পড়াশোনার একটা অংশমাত্র এখানে সম্পন্ন করে পাড়ি জমাবে ভিনদেশের মাটিতে। আমার কেবলই মনে হয়, এই যে আমরা আমাদের সন্তানদের অন্য দেশের নাগরিক বানানোর চেষ্টায় মগ্ন হয়েছি; আপন অস্তিত্ব এবং কর্তব্য ভুলে নিশ্চিন্তে খোয়াচ্ছি সম্ভাবনা।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো প্রকৃত পক্ষে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা দিচ্ছে না; তারা ইংরেজদের কারিকুলাম অনুযায়ী পাঠ দিচ্ছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীসমাজের একাংশকে। সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি করার পাশাপাশি এ প্রক্রিয়াটি বিস্তার করছে অপরাধপ্রবণতাও। উচ্চবিত্তের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলো তাদের সাংসারিক ব্যয়ের বিরাট অংশ ঢেলে দিচ্ছে সন্তানদের বিদেশি শিক্ষায় শিক্ষিত করার কাজে। পরিবারের অন্যান্য চাহিদার টাকা এ খাতে বিনিয়োগ (সত্যি বিনিয়োগ কি!) করায় পারিবারিক জীবনেও আঘাত হানছে নানান সমস্যা। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো বাংলাদেশি সংস্কৃতির ওপরও অনেক ক্ষেত্রে ফেলছে নেতিবাচক প্রভাব। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কৃত্রিমভাবে আয়ত্ত করছে ভিনদেশি সংস্কৃতি; দূরে সরে পড়ছে আপন ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির উদার জমিন থেকে। অন্যরা বাংলাদেশের স্যাঁতসেঁতে ঘরের মেঝেতে; একপ্রকার অবোধ্য ঝিমুনি নিয়ে যোগ দেয় বাংলা মিডিয়াম কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় নামক তাদের ভীষণ অপছন্দের বিদ্যায়তনে। এ পরিণতির শিকারে পরিণত হয় বিশেষ করে মধ্যবিত্ত-নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা।
বাস্তবতা হলো, ইংলিশ মিডিয়াম নামধারী এসব স্কুল ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা কী, তাই আমাদের ভোলাতে বসিয়েছে। এ কারণে প্রকৃত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো এখন ইংলিশ ভার্সন নামের আড়ালে ক্ষীণ পা নিয়ে কোনোরকমে টিকে আছে। টেক্সট বুক বোর্ডও হিমশিম খাচ্ছে চাহিদা অনুযায়ী ইংরেজি অনুবাদের বই রচনা ও সরবরাহ করতে। স্কুলগুলো নিজ উদ্যোগে ব্রিটেন-আমেরিকা কিংবা ভারতে প্রকাশিত বই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিক্রি করছে; কখনো কখনো মূল বইয়ের ফটোকপি সরবরাহ করা হয়। অন্য দেশের বই পড়ে আমাদের শিশুরা ডলার-রুপির হিসাব বুঝলেও তাদের অজানা থেকে যায় টাকা সম্পর্কে ধারণা; আর শেক্সপিয়ার, এলিয়টের টেক্সট পড়লেও তারা লাভ করে না রবীন্দ্র-নজরুল-জীবনানন্দবিষয়ক পরিচিতি। বাংলা ভাষার লিখিত প্রয়োগ কিংবা পঠনশৈলীও এদের অনেকটাই অজানা থেকে যায়। জাতীয় কারিকুলামের পাঠ্য বিষয়াবলি ইংরেজিতে শেখানোই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর লক্ষ্য; অর্থাত্ ইংরেজি মাধ্যমে দেশীয় শিক্ষা। আমার মনে হয়, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ব্রিটিশ সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ সরকারের পরিচালনার অধীনে রেখে দেশীয় পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুস্তকের ভিত্তিতে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। প্রকৃতপক্ষে অন্যান্য সাধারণ স্কুলের মতো এ প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরাও একই পড়া পড়বে; কেবল তারা পড়বে ইংরেজিতে। আর এর সঙ্গে সম্পূরক শিক্ষা হিসেবে যুক্ত হতে পারে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি। এ ছাড়া ইংরেজি ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সাধারণ স্কুলে ধারাবাহিক কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এটি করা গেলে সব শ্রেণীর শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক ভাষা শেখার সুযোগ লাভ করবে। এতে পরিবারে তথা সমাজে অর্থনৈতিক চাপ কমার পাশাপাশি সৃষ্টি হবে শিক্ষার শক্ত ভিত; সামাজিক অস্থিরতা এবং অস্বাভাবিক ইংরেজিপ্রীতি হ্রাস পাবে অনেকাংশে।
ব্রিটিশ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকার শিক্ষার নামে নানা উপায়ে বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে, প্রতিদানে বাংলাদেশকে কয়েকটি মাত্র কমনওয়েলথ স্কলারশিপ দিচ্ছে। বিশ্ববিস্তৃত শিক্ষাবাণিজ্য ব্রিটিশ সরকারের আয়ের এক বড় উত্স। যুক্তরাষ্ট্রেরও আছে বিশ্ববিস্তৃত শিক্ষাবাণিজ্য। তারা বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর ভেতর থেকে এমন সব লোক তৈরি করছে, যারা রক্তে ও রঙে বাংলাদেশি হলেও রুচিতে, পছন্দে, নৈতিক বিবেচনায় ও আচরণে ইংরেজ কিংবা আমেরিকান হয়ে যাচ্ছে। এই দোআঁশলা লোকদের দিয়ে কী উপকার হচ্ছে বাংলাদেশের? রাজধানী ঢাকা এবং বিভাগীয় শহর ছাড়িয়ে ক্রমাগত এই বাণিজ্যের শাখা-প্রশাখা বর্তমানে মফস্বল শহর এবং প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সচিবেরা যেখানে বেতন পান ৪০ হাজার টাকারও কম, সেখানে কীভাবে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো ভর্তি ফি হিসেবে প্রায় লাখ টাকা নেওয়ার মতো কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারে? যে দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের অধিকাংশের মাসিক বেতন ২০ হাজার টাকার নিচে, সে দেশে শিশুদের জন্য পরিচালিত এসব স্কুল কী করে মাসে ১০-১২ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করতে পারে—এ প্রশ্ন নিশ্চয়ই অযৌক্তিক হবে না। আমার কেবলই মনে হয়, আমরা ইংরেজি শেখার নামে উলু বনে মুক্তো ছড়াচ্ছি না তো!
একটু সতর্কভাবে ভাবলে অনুধাবন করা যায়, বাংলাদেশের উচ্চবিত্তের একটি বিরাট অংশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে প্রাথমিক পাঠ নিয়ে অন্য দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য পাড়ি দেয়; ফলে দিন দিন আমরা হারাচ্ছি সম্ভাবনাময় জনশক্তি এবং সৃষ্টিশীল প্রতিভা। আজকে হয়তো এ সমস্যাকে আমরা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছি না; কিন্তু একদিন এটিই জাতির জন্য বিরাট সংকট হয়ে দাঁড়াতে পারে।
দেশের সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো, অধিদপ্তর, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, উন্নয়নকর্মী, সংবাদকর্মীসহ বিবেকবান-চিন্তাশীল ব্যক্তিদের দায়িত্ব এ বিষয়ে চিন্তা করা, মত প্রকাশ করা ও জাতীয় কর্তব্য নির্ধারণ করা। দুঃখজনক ব্যাপার এই যে দেশের নীতিনির্ধারক, প্রশাসক ও প্রগতিশীল ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সংগঠন এ বিষয়ে বিস্ময়করভাবে নির্বিকার। এভাবে নির্বিকার থেকে কিংবা ঘুমিয়ে থেকে অথবা ঘুমের ভান করে আর কতকাল আমরা অতিক্রম করতে পারব।
ফজলুল হক: সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।
snue90@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাছ নিধন
এতগুলো গাছ কাটার পেছনে বন বিভাগের কর্মকর্তা কিংবা বনকর্মীদের যোগসাজশ নেই, সেটা কোনোমতেই বিশ্বাস করা যায় না। যদি তাদের যোগসাজশ না থাকত, তাহলে প্রথম যেদিন দুর্বৃত্তরা গাছ কাটা শুরু করেছিল, সেদিন পার্শ্ববর্তী থানায় ইনফর্ম করে প্রশাসনের সাহায্য চাইতে পারত। আমাদের দক্ষ পুলিশ বাহিনী ছিল, বিডিআর, র্যাব ছিল। প্রয়োজনে আমরা তাদের সাহায্য নিতে পারতাম।
বন বিভাগের নাকের ডগার ওপর দিয়ে এতগুলো গাছ কেটে নিয়ে গেল আর বন বিভাগ বলছে, তাদের জনবল নেই, এ কথার কোনো ভিত্তি নেই, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জনবল বন বিভাগের না থাকতে পারে, কিন্তু সরকারের তো ছিল। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় পুলিশ, বিডিআর ও সেনাবাহিনীর সহায়তা নিতে দোষের কী ছিল?
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের দেয়াল হিসেবে কাজ করত এই ঝাউগাছগুলো। এগুলো গাছ কেটে ফেলার ফলে পরিবেশের যে ভারসাম্য নষ্ট হবে। আমরা বাংলাদেশের সচেতন মানুষ এ ধরনের গর্হিত কাজকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। এর পেছনে যে বা যারা জড়িত, দ্রুত তদন্ত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
আবু সৈয়দ
আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যনীতির পূর্বশর্ত by ইশতিয়াক আহমদ
কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, দীর্ঘ ২৪ বছরেও সংস্থাটি থেকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের একটি তালিকা (অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগলিস্ট) তৈরি করা যায়নি। দেশের সরকারি হাসপাতালে সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিকসহ কতিপয় ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কতিপয় প্রভাবশালীর স্বার্থরক্ষা ছাড়া গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে ইডিসিএলের কোনো কার্যকর ভূমিকা নেই। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সংস্থাটির চরিত্রের আবর্তন ও বিবর্তন ঘটেছে সরকার পরিবর্তনের ধারার সঙ্গে রাজনৈতিক দাপটে, প্রয়োজনের তাগিদে নয়। অতিক্রান্ত সময়গুলোতে জনগুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির অবস্থান, উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের ‘উদাসীনতা’ এবং এর পরিচালকদের প্রবেশ-প্রস্থানের ইতিহাস দেখলেই তা বোঝা যায়।
১৯৮২ সালে স্বাস্থ্যনীতির আগে দেশে ওষুধনীতি এসেছে। এর পেছনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের কর্মকাণ্ডের এক দীর্ঘ ইতিহাস জড়িত। এই দুরূহ কাজটির যাত্রা শুরু হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭৩ সালের জুলাই থেকে। ওষুধের ঢালাও আমদানি কমিয়ে শুধু অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ আমদানি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য ওষুধপত্র স্থানীয়ভাবে উত্পাদন করার পরিবেশ তৈরি করতে বঙ্গবন্ধু তাঁর ব্যক্তিগত চিকিত্সককে প্রধান করে ওষুধবিষয়ক একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন। ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর রাজনৈতিক উত্থান-পতন, ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে ১৯৮২ সালে জাতীয় অধ্যাপক নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে জাফরউল্লাহসহ অন্য ওষুধ বিশেষজ্ঞরা ওষুধনীতি তৈরির প্রক্রিয়াটির অসমাপ্ত কাজটুকু অকল্পনীয় গোপনীয়তার মাধ্যমে সম্পন্ন করেন এবং নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি ঠেলে তা প্রয়োগও করেন। বাংলাদেশে বর্তমানে স্থানীয় ওষুধ শিল্পের বিকাশ এবং এর সাফল্যের পেছনে ১৯৮২ সালের ওষুধনীতির অবদান অস্বীকার করার অবকাশ নেই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ২০০৫ সালে যুগোপযোগিতার নামে এই ওষুধনীতির গণমুখী চরিত্রকে নষ্ট করা হয়েছে।
একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যনীতির পূর্বশর্ত হওয়া উচিত স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রগুলো নির্ধারণ করা। সর্বস্তরের জনগণের জন্য চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করতে হলে তার প্রয়োগ পদ্ধতির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে কয় স্তরে একে ভাগ করা প্রয়োজন। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দরিদ্র দেশের পক্ষে সব মানুষের জন্য বিনামূল্যে সকল প্রকার চিকিত্সাসেবা প্রদান সম্ভব নয় এবং দুঃসাধ্যও বটে। কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার সবার জন্য সাধারণভাবে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী, নিম্ন আয়ের ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য বিশেষভাবে মৌলিক চিকিত্সাসেবার নিশ্চয়তা এবং তার মানোন্নয়ন করতে সাংবিধানিকভাবে দায়বদ্ধ। সংবিধানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিত্সা ও শিক্ষার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অঙ্গীকার করা হলেও অর্থনৈতিক কারণে তার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা করা হয় না। স্বাস্থ্যনীতির ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের গণমুখী অবস্থান কার্যকরের লক্ষ্যে এর দিকনির্দেশনার ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলোর ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত করে এর বাস্তবসম্মত সমাধান অত্যন্ত জরুরি।
সরকারিভাবে না হলেও প্রাইভেট সেক্টরে সাধারণ ও বিশেষায়িত হাসপাতালের সংখ্যা বাংলাদেশে বাড়ছে। কিন্তু এর স্থাপনা বিভাগীয় শহরের চেয়ে আশঙ্কাজনকভাবে কেন্দ্রমুখী। ক্যানসারের চিকিত্সা, বাইপাস সার্জারি, কিডনি প্রতিস্থাপন ইত্যাদি জটিল চিকিত্সা ও অস্ত্রোপচারের জন্য আগের তুলনায় কম রোগী এখন বিদেশ যাচ্ছে। যদিও মনস্তাত্ত্বিকভিত্তিক এখনো চিকিত্সাসেবায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না, তবুও অনেক ক্ষেত্রে এসব চিকিত্সাসেবা বিদেশের তুলনায় কম মূল্যে এখন দেশেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু এসব কর্মকাণ্ডের ওষুধপত্র এবং প্রয়োগ-সহায়ক মেডিকেল জিনিসপত্র যেমন বিশেষায়িত হাসপাতালের সার্জারি, ইমারজেন্সি, আইসিইউ, সিসিইউ ইউনিটগুলোতে প্রতিনিয়ত যেসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিভিন্ন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, অঙ্গ প্রতিস্থাপনসংক্রান্ত ওষুধ, ওষুধ প্রয়োগসহায়ক সামগ্রী এবং মেডিকেল যন্ত্রপাতি দরকার তার বেশির ভাগই আমদানিনির্ভর। আমদানি জটিলতা ইত্যাদির কারণে তাই এর বেশির ভাগ ওষুধ চোরাই পথে দেশে ঢুকছে, এবং অতি উচ্চ মূল্যে নিরুপায় জনগোষ্ঠী তা ক্রয় করছে এবং এর কারণে চিকিত্সার মান ও ব্যয়ে অনিয়ন্ত্রিত প্রভাব পড়ছে। এসব প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী তৈরির প্রযুক্তি দেশে থাকলেও এগুলো তৈরি করার উদ্যোগ নেই, কারণ এর ব্যবহারিক চাহিদা কখনো ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রবেশ করে না। এ জন্য উন্নত বিশ্বের মতো প্রয়োজন স্বাস্থ্য ও ওষুধনীতির সমন্বয় করে এর উত্পাদন নিশ্চিত করা।
দেশে এখন আধুনিক প্রযুক্তির ওষুধ তৈরির পরিবেশ বিদ্যমান। পর্যাপ্তসংখ্যক অভিজ্ঞ ওষুধবিদও দেশে আছেন। ক্ষেত্রবিশেষে বিক্ষিপ্তভাবে নিজ উদ্যোগে তাঁরা কাজও করে যাচ্ছেন। বিক্ষিপ্ত উদ্যোগের চেয়ে প্রয়োজন সুষ্ঠু নীতিমালার। রাষ্ট্রসমর্থিত নীতিমালায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধগুলোর তালিকা তৈরি এবং এর উত্পাদনের পাশাপাশি ওষুধ-প্রয়োগ সামগ্রী এবং মেডিকেল যন্ত্রপাতি (বিশেষ করে জরুরি ও উন্নত প্রযুক্তির চিকিত্সাসামগ্রী) তৈরির সমন্বিত একটি পরিকল্পনা স্বাস্থ্যনীতি বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ইডিসিএলের মাধ্যমে অনায়াসে নেওয়া যেতে পারে। তা ছাড়া এসব অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের কাঁচামাল তৈরি ও ক্ষেত্রবিশেষে জরুরি আমদানি ও ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ইডিসিএল এক স্বচ্ছ, সক্রিয় ও বাস্তবসম্মত ভূমিকা রাখতে পারে।
শোনা যায়, গত জোট সরকারের আমলে বগুড়ায় ইডিসিএলের নতুন প্রকল্পে ওষুধ উত্পাদনের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের পরিকল্পনা হয়েছিল, যা এখনো সম্পন্ন হয়নি, চলছে। এও শোনা যায়, বিগত সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির আঁচড় ইডিসিএলের সর্বাঙ্গে খোদাই হয়ে আছে। কথা হচ্ছে, এত দক্ষযজ্ঞের পরিণতি কী হয়েছে? অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ তৈরির কোনো কার্যকর পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে কি?
২০১৫ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য (গ্যাট, ট্রিপস্) চুক্তি বাস্তবায়নের আগে আমাদের দেশে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া এখনই জরুরি। কালক্ষেপণ হবে আত্মঘাতী। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে স্বাস্থ্য ও ওষুধ খাত নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ভাবনা-চিন্তার সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। আমাদের উচিত ১. পরিবেশ ভিত্তিতে রোগের ধরন চিহ্নিতকরণ, ২. সঙ্গে তার প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন, ৩. এর উত্পাদন প্রক্রিয়াকে সচল ও কার্যকরকরণ এবং ইডিসিএলের পরিকাঠামোয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উত্পাদনের আরএনডি (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) সেল গঠন করা। অতি জরুরি এই কর্মকাণ্ডে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কাজে যোগ্যতার মাপকাঠিতে পর্যাপ্তসংখ্যক অভিজ্ঞ ওষুধ প্রযুক্তিবিদ নিয়োগ করে দূরদৃষ্টিমূলক একটি পরিকল্পনা তৈরি করা।
সরকারের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত রাজনৈতিক ইশতেহার অনুযায়ী দেশের আপামর জনগণের জন্য যে খসড়া স্বাস্থ্যনীতি প্রণীত হয়েছে, তার পরিকাঠামোতে ওষুধবিদদের ভূমিকাকে উপেক্ষা করা হলো কেন? উপজেলাভিত্তিক সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে, সরকারি হাসপাতালে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও নির্দেশিকা মোতাবেক ওষুধবিদদের নিয়োগনীতির কার্যক্রম কোথায়? এই বিষয়গুলো স্বাস্থ্যনীতি প্রয়োগের আগে গভীরভাবে ভাবার বিষয়। কাজটি দুরূহ বা দুর্বোধ্য নয়। সরকারের সদিচ্ছা ও অনুসরণযোগ্য উন্নয়নশীল দেশের স্বাস্থ্যনীতির প্রয়োগ পদ্ধতির পথ অনুসরণ করে এগোলেই এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন সম্ভব।
ইশতিয়াক আহমদ: সভাপতি, ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ।
sattuka@gmail.comr
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসপাতালে অবৈধ মার্কেট সেবায় ব্যাঘাত ঘটে এমন কাজের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের অনুমোদনও নেওয়া হয়নি; কিন্তু নির্মাণকাজ শুরু করা হলো। কর্তৃপক্ষের সায় না থাকলে এমনটা ঘটতে পারার কথা নয়। প্রকাশ্যে হাসপাতালের জমিতে অনুমোদনহীন নির্মাণকাজ চলছে, অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এ থেকেও কর্তৃপক্ষের কোনো না কোনো মহলের যোগসাজশ থাকার ধারণাটি বদ্ধমূল হয়। দাবি করা হয়েছে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের কল্যাণে তহবিল গঠনের উদ্দেশ্যে এ মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছে। অতীতে আমরা দেখেছি, কর্মচারীদের কল্যাণের নাম করে কৌশলে সরকারি সম্পদ কাজে লাগিয়ে নেতা ও তাঁদের সহযোগীরা পকেট ভারী করেছেন। এবার শোনা গেছে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-সমর্থিত কল্যাণ সমিতির নেতারা সমঝোতার ভিত্তিতে দোকান ভাগ করে নিয়েছেন। এসব দোকান সাধারণ কর্মচারীদের কতটা ‘কল্যাণে’ আসবে, সে প্রশ্নও চলে আসে।
যেকোনো বিবেচনায় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াই হাসপাতালের প্রধান কাজ। আমাদের হাসপাতালগুলোতে এমনিতেই স্বাস্থ্যসেবা বেশ অপ্রতুল; তার ওপর যদি হাসপাতালের জমিতে মার্কেট নির্মাণ করা হয়, তবে সেবার মান আরও পড়ে যাবে। সেখানে সারাক্ষণ ভিড় লেগে থাকবে, যা চিকিত্সাসেবায় ব্যাঘাত ঘটাবে। যে কাজ সেবা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটায়, তা কর্তৃপক্ষ কেন নীরবে সহ্য করবে? সেবা দেওয়ার চেয়ে ‘ব্যবসা’ করাটাই কি তাদের কাছে বড়?
হাসপাতালে সেবার পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। সেবায় ব্যাঘাত ঘটায়, এমন অনুমোদনহীন কাজের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জ্বালানি খাতের জন্য তহবিল উদ্যোগটি অবশ্যই কার্যকর করা প্রয়োজন
বিদ্যুত্-জ্বালানির চাহিদা দ্রুতগতিতে বাড়ার সমান্তরালে উত্পাদন বাড়েনি, বাড়ছে না। ফলে জ্বালানিসংকট বেড়ে চলেছে। এই খাতে বিনিয়োগের অভাবই মূলত এর কারণ। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদেশি দাতাদের ওপর নির্ভরশীলতা একটি বড় বাধা; কারণ নির্ভরশীলতার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দাতাদের নানা রকম চাপিয়ে দেওয়া শর্ত, যা সব সময় প্রাসঙ্গিক নয়। কালক্ষেপণও একটি বড় বাধা। মোটের ওপর, বিদ্যুত্-জ্বালানি খাতে দাতানির্ভরতার অবসান ঘটানো এই খাতের সমস্যা দূরীকরণের পথে একটি প্রাথমিক ও জরুরি পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হতে পারে।
খবরে প্রকাশ, সরকারি-বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংক, ঋণদানকারী সংস্থা, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি—উভয় পর্যায়ে বিদ্যুত্-জ্বালানি খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে পারবেন। বর্তমান সরকার বিদ্যুত্ খাতের জন্য যে রূপকল্প প্রণয়ন করেছে তা বিবেচনায় নিলে মনে হয়, সরকারি পর্যায়েই এ খাতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে। শুধু নতুন নতুন উত্পাদনকেন্দ্র স্থাপনই নয়, বিদ্যমান উত্পাদন ও সঞ্চালন-সরবরাহব্যবস্থার প্রযুক্তিগত হালনাগাদকরণসহ সামগ্রিক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও এ খাতে বিনিয়োগ উত্সাহিত করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থের প্রয়োজন। পরিকল্পিত বিশেষ তহবিলটির গঠনকাঠামো ও এর অর্থ ব্যবহারের নীতিমালা কেমন হবে তা নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসানকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এই কমিটি এমনভাবে সবকিছু নির্ধারণ করবে যাতে তহবিলটি সর্বোচ্চ মাত্রায় ফলপ্রসূ হতে পারে।
উল্লিখিত তহবিলের অর্থ সংগ্রহের একটি উত্স ধরা হয়েছে শেয়ারবাজারকে। এটি অবশ্যই একটি বড় উত্স হতে পারে; কারণ বর্তমানে শেয়ারবাজারে বিদ্যুত্ খাতসংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার রয়েছে, সেগুলোর অবস্থান বেশ ভালো। সংশ্লিষ্ট কেউ কেউ বলছেন, শেয়ারবাজার থেকে এই তহবিলের জন্য অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে, অনিয়ম-দুর্নীতি, অতিরিক্ত লোকবলসহ সামগ্রিক সিস্টেম লসের বিষয়গুলো না থাকলে বিদ্যুত্ খাত বেশ লাভজনক হতে পারে। লাভজনক কোনো খাতের উন্নয়ন বা বৃদ্ধি কেবল বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে আটকে থাকবে, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। তহবিল গঠনের উদ্যোগটি অবশ্যই কার্যকর করা প্রয়োজন।
বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিদ্যুত্-জ্বালানি খাতের পরিকল্পনাগুলো বাতিল করে এ ধরনের একটি তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছিল বলে জানা যায়। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, সে রকম কোনো তহবিল তাদের আমলে গঠিত হয়নি। বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগের ক্ষেত্রেও যেন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
October
(746)
-
▼
Oct 06
(17)
- আবুধাবি মেলায় অংশ নিচ্ছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড
- নিট পোশাকের বাজার বাড়াতে বিকেএমইএর নেতারা দ. আফ্রিকায়
- জি-২০ জোটের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কাজ হবে না
- ৫১টি কোম্পানির শেয়ার ওটিসি বাজারে যাচ্ছে
- ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে বিলোনিয়া স্থলবন্দর উদ্...
- পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো শুল্কসুবিধা আদায়, বিদেশ...
- দিনের প্রথম ঘন্টায় ঢাকা
- কোয়ার্টার ফাইনালে শেখ রাসেল
- সবার ওপরে চেলসি
- দিবা-রাত্রির টেস্ট এখনই নয়
- আগের পাঁচ ফাইনাল
- ভারতের আপত্তি, ধারাভাষ্যে থাকবেন না আকরাম!
- ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যাপীঠ নিয়ে কিছু কথা by ফজলুল হক
- গাছ নিধন
- একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যনীতির পূর্বশর্ত by ইশতিয়াক আহমদ
- হাসপাতালে অবৈধ মার্কেট সেবায় ব্যাঘাত ঘটে এমন কাজের...
- জ্বালানি খাতের জন্য তহবিল উদ্যোগটি অবশ্যই কার্যকর...
-
▼
Oct 06
(17)
-
▼
October
(746)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...