Tuesday, May 22, 2018
আপ্লুত প্রিয়াঙ্কা, রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্ববাসীর প্রতি খোলা আহ্বান
এরপর শিশুদের জন্য লেখেন, ‘অনেক মাস পেরিয়ে গেলেও তারা এখনও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে আছে। তারা জানে না, কখন তাদের পরবর্তী সময়ের খাবার আসবে! হয়তো ভাবছে, তারা কিছুটা হলেও মানিয়ে নিয়েছে। তখনই প্রকৃতি হামলা করছে। বৃষ্টিতে সব শেষ করে দিচ্ছে। পুরো প্রজন্মটির আসলে কোনও ভবিষ্যত দেখা যাচ্ছে না। আমি তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম, সেখানে শুধু শূন্যতাই দেখেছি। তারা চরম মানবিক সংকটে আছে। তাদের আসলে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে সাহায্য দরকার। দয়া করে এ কাজটি সবাই করুন। এটা্ তাদের সত্যিই খুব দরকার।’
বলিউড-হলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এখন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করছেন। আজ (২১ মে) বিকালে তিনি টেকনাফের শামলাপুর যান। সেখানে শিশুদের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটান। তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কখনও তাকে বেশ আবেগিও হতে দেখা গেছে। কথা শুনতে শুনতেই চোখের পানি মুছেছেন। কখনও ঘটনা বর্ণনা করতে শিশুরাও কেঁদেছে।
খ্যাতনামা এ শিল্পী সকাল ৮টায় ঢাকায় পা রাখেন। তিন ঘণ্টার বিরতির পর তিনি ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে কক্সবাজারে যান। জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) -এর শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কার এই সফরের কারণ হলো, রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য কাজ করা। সফরের উদ্যোগটি নিয়েছেও এই প্রতিষ্ঠানটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিউ ইয়র্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তনয়ের এপার্টমেন্ট নিয়ে তোলপাড় -বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট

একই ভবনের নিচে অবস্থিত মসজিদ মিশনের কর্মকর্তা মাওলানা হাফেজ রফিকুল ইসলামের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল মসজিদের জন্য বেইসমেন্ট। তবে, মসজিদে মুসল্লি সমাগমের কারণে পানি সমস্যাসহ বিভিন্ন ইস্যু তুলে তিনি মামলা ঠুকেছেন ম্যানেজমেন্ট ও মসজিদের বিরুদ্ধে।
সূত্রমতে, জ্যামাইকাতে তমাল মনসুরের আরো দুটি বড় বড় প্রোপার্টি রয়েছে। যেখানে এখন নির্মাণ কাজ চলছে। উল্লিখিত দুই প্রোপার্টিতে এপার্টমেন্ট নির্মাণের কাজ চলছে। এখানে কোনো বাংলাদেশি নির্মাণ কোম্পানিকে কাজ দেয়া হয়নি। গায়ানিজ একজন কন্ট্রাক্টর এই ভবনগুলোতে এপার্টমেন্ট তৈরির কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
নিউ ইয়র্কে সম্পত্তি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তমাল মনসুরের সঙ্গে রোববার (২০ মে) ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমার সম্পদ আছে কি নেই এটা অন্য কারো বিষয় হতে পারে না। একটি মহল আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
জ্যামাইকার আফতাব টাওয়ারে তার কোনো এপার্টমেন্ট আছে কি না প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে এটাকে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার উপর হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন।
উল্লিখিত বিষয়ে নিউ ইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টে দায়েরকৃত মামলার ইনডেক্স নং ৭০৬৯৪৮/২০১৮। মামলার তারিখ মে ৩, ২০১৮। আর এই মামলার বাদী হচ্ছেন লেমবডা প্রোপ্রার্টিজ ইনক নামক একটি প্রতিষ্ঠান। তমাল মনসুর এফিডেভিটের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানকে মামলাটি পরিচালনা করার অনুমতি দিয়েছেন। মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছে আফতাব স্কাইভিউ কনডোমোনিয়াম, বোর্ড অব ম্যানেজারর্স অব আফতাব কনডোমোনিয়াম, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ টি আলী, আব্দুল মালেক, মির্জা রেজওয়ান ও মসজিদ মিশন সেন্টার ইনক।
মামলার আর্জিতে বলা হয়েছে বাদী আফতাব টাওয়ারের ১২টি বাণিজ্যিক এপার্টমেন্টের মালিক। যার মধ্যে আছে এপার্টমেন্ট ২এ থেকে ৪ডি এবং ৪টি পার্কিং স্পেস। যার মধ্যে আছে পিএস১, পিএস২, পিএস৩ এবং পিএস৪। উল্লেখ্য, আফতাব স্কাইভিউতে ২৪টি এপার্টমেন্ট, দুটি কমিউনিটি সেন্টার ও ১৩টি পার্কিং স্পট রয়েছে।
মামলার আর্জিতে কনডোমোনিয়াম বোর্ড গঠনের বিভিন্ন নিয়মাবলী উল্লেখ করে এর বেইসমেন্টের দুটি কমিউনিটি সেন্টারের স্পেস মসজিদ মিশন মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করছে বলে উল্লেখ করা হয়।
আর্জিতে বলা হয়, মুসল্লিদের সংখ্যাধিক্যের কারণে সিটির অকুপেন্সি সার্টিফিকেট আইন বার বার ভঙ্গ করেছে কথিত মসজিদটি। এভাবে ৮৬ জনের জায়গায় সেখানে শত শত মুসল্লির সমাবেশ ঘটে নামাজের সময়। এর ফলে মুসল্লিদের ওজু করার কারণে প্রচুর পানি খরচ হচ্ছে। এরফলে কনডোমোনিয়ামের জন্য বরাদ্দকৃত পানির চাইতে অনেক বেশি পানি ব্যবহৃত হচ্ছে মৃসল্লিদের ওজুর কারণে।
এ বিষয়ে অফতাব টাওয়ার ম্যানেজমেন্টদের পানির প্রতিকার বিষয়ে বার বার দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোনো লাভ হয়নি। এর ফলে সিটির সংশ্লিষ্ট বিভাগ এই ভবনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভায়োলেশন মামলা করেছে। যার কোনো প্রতিকার ম্যানেজমেন্ট বোর্ড না করার কারণে দরপতন ঘটেছে মামলার বাদী তমাল মনসুরের এপার্টমেন্ট সমূহের। ফলে বাদী তার ভাড়ার আয় ছাড়াও প্রোপার্টির সঠিক বাজার মূল্য পাচ্ছেন না। এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য নতুন ম্যানেজমেন্ট বোর্ড গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া সার্টিফিকেট অব অকুপেন্সি মেনে চলতে হবে মসজিদটিকে। এ ছাড়াও আরো অনেক অনিয়মের বিষয় আছে ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে।
আইন ভঙ্গ, উন্নাসিকতা, অবেহলা ও উপেক্ষার কারণে বাণিজ্যিক এই ভবনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ একটি দুরুহ বিষয়। তারপরও বলা যায় উল্লিখিত কারণসমূহের জন্য বাদী তমাল মনসুরের ১২টি এপার্টমেন্ট বাজার দরের চেয়ে কমপক্ষে সাড়ে তিন লাখ ডলারের দরপতনের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া ৪টি পার্কিং স্পটের দাম কমেছে কমপক্ষে ৪০ হাজার ডলার এবং এক লাখ ২০ হাজার ডলারের ক্ষতি হয়েছে ইমেজ নষ্টের কারণে। মামলায় এসবের প্রতিকার কামনা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কনডোমোনিয়াম বোর্ড ম্যানেজমেন্টের অন্যতম কর্মকর্তা এবং মসজিদ মিশনের প্রধান মওলানা হাফেজ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তমাল মনসুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে। এই হিসেবে বাংলাদেশিদের একটি মসজিদের বিরুদ্ধে তিনি অবস্থান নেবেন এটা আমরা চিন্তাই করতে পারিনি। তিনি আমাদের বিভিন্নভাবে ব্যবহার করেছেন। এখন এই মামলার অন্যতম কারণ হচ্ছে তার সম্পদের খবর যাতে কোনোভাবেই কেউ ফাঁস করতে না পারে এজন্য তিনি আমাদের ভয় দেখাচ্ছেন। আমরাও আইনের মাধ্যমেই এর জবাব দেবো।
হাফেজ রফিকুল ইসলাম বলেন, তমাল মনসুরের ১২টি নয়, আরো অনেক প্রোপ্রার্টি আছে। বাংলাদেশের একজন মন্ত্রীর ছেলে এতো সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন তা যে কেউ প্রশ্ন করতে পারে।
বাংলা পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে তমাল মনসুর বার বার বলেন, আপনারা যা বলছেন তা সঠিক নয়। কোনটি সঠিক নয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা যে আইনজীবী মামলা করেছেন তার কাছে প্রশ্ন করুন।
তিনি বলেন, আমার সম্পত্তির বিষয় যুক্তরাষ্ট্রের আই আর এস জানে। আমি বিগত ১৫ বছর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ সিটিজেন। অন্য কোনো লোককে কোনো কথা বলতে আমি বাধ্য নই।
একজন মন্ত্রীর ছেলে হিসেবে বিশাল সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখানে আমার পারিবারিক বিষয়টিকে কেন আনা হচ্ছে। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারা কেন এমন প্রশ্ন তুলছে এটা তাদেরই জিজ্ঞেস করুন। নিজের ১২টি এপার্টমেন্ট আছে কি না জানতে চাইতে তিনি এ বিষয়ে হ্যাঁ বা না সরাসরি উত্তর না দিয়ে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয় বলে মন্তব্য করেন।
উল্লিখিত এপার্টমেন্ট সমূহের দাম জানতে চাইলে একজন রিয়েল এস্টেট ব্রোকার বাংলা পত্রিকাকে বলেন, এখানে এখন প্রতিটি এপার্টমেন্টের দাম হচ্ছে কমপক্ষে চার লাখ ডলার। এই হিসেবে ১২টি এপার্টমেন্টের দাম ৪ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার। এর বাইরে পার্কিং লটের দাম না হয় বাদই দিলাম।
অপরদিকে মসজিদ মিশন সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রায় পাঁচ লাখ ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলার ঘটনায় স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসের শুরুতে গত ১৬ই মে বুধবার তারাবির নামাজের সময় মামলার বিষয়টি মসজিদ কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের দৃষ্টিগোচরে আনলে উপস্থিত মুসল্লিরা আইনগত প্রক্রিয়ায় ঐক্যবদ্ধভাবে তা মোকাবিলা করার পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেন। এ ছাড়াও গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময়ও এ ঘটনার ব্যাপারে মুসল্লিারা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোপ কি আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারবে?

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় অনেক ইউরোপিয়ান ও কিছু আমেরিকান কোম্পানি ইরানে বাণিজ্য শুরু করে। তবে এসব কোম্পানি ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সতর্ক ছিল। কারণ, ইরানের সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ শাখা ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোরের সঙ্গে লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল। আর এই বিশেষ বাহিনী ইরানের অর্থনীতির বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে পশ্চিমের সঙ্গে ব্যবসা শুরু হলেও ইরানে দীর্ঘমেয়াদি বড় বিনিয়োগ তেমন একটা করেনি পশ্চিমারা।
আমেরিকার আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইউরোপিয়ান কোম্পানিগুলোর উদ্বেগের কারণ হলো, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু আমেরিকান কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন যখন কোনো অবরোধ আরোপ করে, তখন এই অবরোধ মেনে চলা ইউরোপের কোম্পানি ও নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক। তবে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা একটু ভিন্ন। আমেরিকান নিষেধাজ্ঞার প্রাথমিক স্তর আমেরিকান নাগরিক ও কোম্পানির জন্য প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে কোনো আমেরিকান কোম্পানি ও নাগরিক যে দেশের ওপর অবরোধ আরোপিত হয়েছে সেই দেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারে না। পাশাপাশি ওই দেশের নাগরিকদের বা বিশেষ কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়। এসব নিষেধাজ্ঞায় প্রায়ই দ্বিতীয় একটি স্তর থাকে। এই স্তরের আওতায় পড়ে অ-আমেরিকান ব্যক্তিবিশেষ বা কোম্পানি। এই দ্বিতীয় স্তরের নিষেধাজ্ঞার মানে হলো, কোনো অ-আমেরিকান কোম্পানি যদি লেনদেনের জন্য ডলার ব্যবহার করে থাকে, বা আমেরিকায় ওই কোম্পানির যদি কোনো অঙ্গপ্রতিষ্ঠান থেকে থাকে, বা ওই প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে যদি আমেরিকানরা থাকেন, তাহলে ওই কোম্পানিকেও আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে।
ইরানের ক্ষেত্রে আরোপিত নিষেধাজ্ঞায় এই দুইটি স্তরই রয়েছে। ইউরোপিয়ান যেসব কোম্পানির ইরানে কার্যক্রম রয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগেরই আমেরিকায়ও কার্যক্রম রয়েছে। ফলে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা তাদের ওপরও প্রযোজ্য। এ কারণে বেশকিছু ইউরোপিয়ান কোম্পানি এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পেতে আমেরিকায় আবেদন করবে। যেমন, ইরানে একটি বিশাল গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নে জড়িত ফরাসি কোম্পানি টোটালও নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাওয়ার আবেদন করছে।
কিছু কোম্পানি আবার ডলারের বদলে ইরানের সঙ্গে ইউরোতে লেনদেন করার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই পাবে। তবে বেশিরভাগ কোম্পানির সামনেই একটাই পথ খোলা থাকবে: হয় আমেরিকায় ব্যবসা চালাও, নয়তো ইরানে চালাও, যেকোনো একটা। স্বাভাবিকভাবেই বেশিরভাগ ইউরোপিয়ান কোম্পানির ব্যবসায়িক স্বার্থ আমেরিকায় বেশি। তাই তারা আমেরিকাকেই বেছে নিতে চাইবে। কিন্তু কোনো কোম্পানি যদি ইরানকেই বেছে নেয়, সেক্ষেত্রেও ব্যাংকিং লেনদেনে সমস্যা পোহাতে হবে। কারণ, বৈধ হলেও অনেক লেনদেন ছাড় দিতে পশ্চিমা ব্যাংকগুলো অস্বস্তিতে থাকবে।
আমেরিকার অবরোধের বিপরীতে কিছু করার সুযোগ ইউরোপের কম। একটি উপায় হলো, ২২ বছর পুরনো একটি প্রবিধান পুনরুজ্জীবিত করা। ওই প্রবিধান চালু হলে, ইউরোপিয়ান কোম্পানিগুলোর জন্য আমেরিকার দ্বিতীয় স্তরের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলাকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান কোম্পানিগুলোর সামনে দুইটি পথ খোলা থাকবে। এক. এই প্রবিধান অগ্রাহ্য করে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা। দুই. এই প্রবিধান মেনে চলার মাধ্যমে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করা।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইউরোপজুড়ে এই প্রবিধান প্রয়োগ করার জন্য প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্রকে নিজ নিজ দেশে একটি আইন পাস করাতে হবে। কিন্তু খুব কম দেশই ওই আইন পাস করেছে। ফলে আদৌ এই প্রবিধান প্রয়োগ করা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
আবার এই প্রবিধান মেনে না চলে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নজির ইউরোপে তেমন একটা নেই। শুধু অস্ট্রিয়া একবার ২০০৭ সালে একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে এই প্রবিধান মেনে না চলায় ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু তা নিয়ে আদালতে আর লড়াই হয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীরা বেশি সাইবার অপরাধের শিকার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রিয়াঙ্কা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রিফাত নামের এক শিশুকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বাংলায় জিজ্ঞেস করেন, ‘তোমাদের এখানে আমাকে ঘোরাবে?’ মাথা নেড়ে সম্মতি জানায় ওই রোহিঙ্গা শিশু। এরপর তার হাত ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাঁটেন এই বলিউড তারকা। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এ সময় আরেকটি শিশুর সঙ্গে কথা বলেন। বাংলায় ছেলেটিকে তিনি জিজ্ঞেস করেন, তোমার নাম কী?’ ছেলেটি বলে, মো. রফিক। ‘তুমি স্কুলে যাও?’ ছেলেটি মাথা নেড়ে বলল, যাই।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আসছেন, খবরটি আগে থেকেই রটে যায়। তাই অতিথিদের গাড়ি এসে থামতেই ভিড় করেন রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা মানুষজন। সঙ্গে আরও আসেন স্থানীয় অধিবাসীরা। প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আগে থেকেই পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় সেখানে। পুলিশ ধাক্কা দিয়ে আর লাঠিপেটা করে সবাইকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে বাধা দেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। পুলিশকে অনুরোধ করেন, ‘প্লিজ, কাউকে এভাবে সরাবেন না। ধাক্কা দেবেন না।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে যাওয়া হয় ইউনিসেফ পরিচালিত হাসপাতালে। এ সময় হাসপাতালের ভেতরে বাইরের কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। জানা গেছে, প্রিয়াঙ্কা সেখানে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। পানিবাহিত রোগের ব্যাপারেও জানতে চান। এ সময় তাঁকে জানানো হয়, এই অস্থায়ী শিবিরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। বিকাল ৪টা ০৭ মিনিটে প্রিয়াঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বিদায় নেন। যাওয়ার আগে হাত নেড়ে বাংলায় বললেন, ‘আবার আসব।’
এর আগে তিনি সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে ইউএস বাংলার বিএস-১৪১ ফ্লাইটে করে বেলা সাড়ে ১২টায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারে পৌঁছান এই বলিউড অভিনেত্রী। কক্সবাজার বিমান বন্দর থেকে তিনি ইনানীতে পৌঁছে পাঁচ তারকা হোটেল রয়েল টিউলিপে অবস্থান করেন।
কক্সবাজারে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া চার দিন থাকবেন। প্রিয়াঙ্কার সফরসূচি থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী ও জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। এরপর বিকালে টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন তিনি। বুধবার উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন এই বলিউড তারকা। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক তহবিলের (ইউনিসেফ) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। ঢাকায় এসে ফেসবুক নিজের ভেরিফায়েড পেজে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া লিখেছেন, ‘রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু ক্যাম্পে যাচ্ছি। আমার ইনস্টাগ্রামে সেখানকার সব অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। আমাকে সেখানে অনুসরণ করতে থাকুন। এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের ভাবা উচিত। ভাবতে হবে আমাদেরও। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ১৯শে মে ব্রিটিশ রাজপরিবারের আমন্ত্রণে প্রিন্স হ্যারি আর মেগান মার্কেলের রাজকীয় বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তিনি দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে ঢাকায় এসেছেন। কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র আফরাজুল হক টুটুল জানান, তিনি জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)’র শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ৪ দিনের বাংলাদেশে এসেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধ জাহাজে দূরপাল্লার মিসাইল ও আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র by কাজী সোহাগ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চেয়ারম্যান কন্যাকে নিয়ে দুই স্বামীর টানাটানি

পুলিশ ও আদালত সূত্রমতে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের মেয়ে নাজিরা আক্তার মিতু তার স্বামী উইসুফ মিয়া ও তাদের দুই সন্তান নিয়ে ফতুল্লার ভূইগড় রূপায়ন টাউনে বসবাস করেন। এরমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে এক সন্তানের জনক আবুল হোসেন সজিবের সঙ্গে পূর্ব পরিচয়ে মিতুর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ ঘটনা সজিবের স্ত্রী সায়মা আক্তার জানতে পেরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর গত বছরের ২৩শে আগস্ট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এতে উভয় পক্ষকে ডেকে শাসিয়ে দেন পুলিশ। এরপর গত ১৮ই এপ্রিল দুই সন্তানকে রেখে রূপায়ণ টাউনের বাসা থেকে নাজিরা আক্তার মিতু পালিয়ে যায়। পরে ২৯শে এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় জিডি করেন মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া। তবে এর আগের দিন সজিবের ভাই সালাউদ্দিনও ২৮শে এপ্রিল একই থানায় আরেকটি জিডি করেন। তার জিডিতে দাবি করা হয়, তাঁর ভাই সজীবকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে ২৬শে এপ্রিল মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন মিতুর পরকীয়া প্রেমিক, তার ভাইসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এই মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ ২০শে মে দুপুরে নাজিরা আক্তার মিতুকে ফতুল্লার সস্তাপুর থেকে উদ্ধার করে। ২১শে মে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে অশোক কুমারের আদালতে নাজিরা আক্তার মিতুকে হাজির করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। আদালতে মিতু ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন। মিতু তার জবানবন্দিতে আদালতকে জানান, ‘তাকে কেউ অপহরণ করেনি। সে স্বেচ্ছায় তার প্রেমিক আবুল হোসেন সজিবের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছেন। আদালতে শুনানি শেষে মিতু সাবালক, স্বাভাবিক বিবেচনায় তাকে তার নিজ জিম্মায় ছাড়া হয়। পরে মিতু আদালত থেকে বেরিয়ে জিআরও সেকশনে যান। সেখানে মিতুকে নিতে একদিকে পরকীয়া প্রেমিকের পরিবার অন্যদিকে তার দুই সন্তনসহ অন্য স্বজনরা অবস্থান নেয়। এমন পরিস্থিতে আদালত চত্বরে যখন কিছুটা জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখন দায়িত্বরত পুলিশ উভয় পক্ষকে জিআরও সেকশন থেকে বের করে দেন। এবং মিতুকে কিছুটা নিরাপদে বাইরে বের করে দিয়ে যান।
এসময় আদালতের বাইরে মিতুকে বের করে দেয়ার পর এখানেও দু’পক্ষের টানাটানি শুরু হয় মিতুকে নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে মিতু কোন দিকে যাবে নিজেও ঠিক করতে পারছিলেন না। এক পর্যায়ে মিতু তার বর্তমান স্বামী আবুল হোসেন সজিবের বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলে। এসময় কৌশলে ফতুল্লা মডেল থানার এস আই গোলাম মোস্তফা মিতুকে তার বাবা সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের কালো রঙের নোহা মাইক্রোবাসে একরকম জোর করে তুলে দেন। এরআগে নাজিরা আক্তার মিতু জানায়, সজিব তাকে অপহরণ করেনি। নিজ থেকে সেচ্ছায় সজিবের সঙ্গে এসেছি। সজিবকে আমি বিয়ে করেছি। আমার আগের স্বামীকে পূর্বেই তালাক দিয়েছি। মিতু আরও বলেন, আমাদের মধ্যে সম্পর্ক প্রায় তিন বছর যাবৎ। এ ঘটনা সবাই জানতেন। আমার আগের স্বামী একটা মানসিক রোগী। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শাহ মঞ্জুর কাদের জানান, ২০শে মে মিতুকে উদ্ধারের পর সোমবার আদালতে হাজির করা হয়। পরে মিতু তার বাবার সঙ্গে বাড়িতে চলে গিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খুচরা বিক্রেতা বন্দুকযুদ্ধে, মূলহোতারা কই? by আমানুর রহমান রনি
![]() |
| চুয়াডাঙায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত জোনাব আলী |
গত জানুয়ারিতে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর যারা ইয়াবা ব্যবসা করে লাখপতি হয়েছে এমন ১৪১ জনের নাম সংবলিত মাদক ব্যবসায়ীদের একটি তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনে দেয়। এ তালিকায় থাকা অধিকাংশ ব্যক্তি চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টেকনাফের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের গোয়েন্দা শাখার এক কর্মকর্তা বলেন,‘এই তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, র্যাব, পুলিশ ও দুর্নীতি দমন কমিশনে দেওয়া হয়েছে।’
এই তালিকায় সংসদ সদস্য, তাদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নাম ছিল বলেও জানান এই কর্মকর্তা। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর তখন অভিযান চালানোর উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তাদের জনবল সংকট ও লজিস্টিক সাপোর্ট না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। এরপর প্রধানমন্ত্রী গত ৩ মে র্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই বাহিনীকে মাদক প্রতিরোধে অভিযানের নির্দেশ দেয়। তবে অভিযানে এখনও কোন মোটাদাগের বা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়নি।
মাদক বাহক ও খুচরা বিক্রেতা গ্রেফতার হলেও গডফাদারদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাবের ডিজি গত সোমবার সাংবাদিকদের বলেন,‘আমরা কাউকেই ছাড় দেবো না। সে যেই হোক। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় অবস্থান।’
টেকনাফে বিভিন্ন ব্যক্তি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিষয়ে কোনও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘এই অভিযান কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে নয়, আবার কাউকে বাদ দিয়েও নয়। মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে সামগ্রিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিভিন্ন সময় রাজনীতিক নেতা-কর্মী, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গোয়েন্দাদের তালিকায় নাম এসেছে। কখনও কখনও তারা গ্রেফতারও হয়েছেন। তবে এই অভিযানে এমন নির্দিষ্ট পেশাজীবীদের কেউ গ্রেফতার হয়নি।
গত ১১ জানুয়ারি দুপুরে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষী রিয়াজুল, ৮ জানুয়ারি বরিশাল রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) কনস্টেবল পার্থ চন্দ্র দে ও তানজিলুর রহমানকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। গত বছরের ১১ ডিসেম্বর বরিশাল নগরীর আল-সামস নামক আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াবাসহ ভোলা আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের কনস্টেবল রমজান আলীকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলামকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়। তাদের মামলাগুলো এখনও বিচারধীন।
গত ৮ মার্চ নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাধীন রূপালী আবাসিক এলাকার বাসা থেকে পুলিশের এএসআই আলম সরোয়ার্দী রুবেলকে ৪৯ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ। পরে আদালতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আরও পুলিশের জড়িত থাকার তথ্য মিলে।
তবে এবারের অভিযানে এখনও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও সদস্য গ্রেফতার হননি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও সদস্য যদি মাদক ব্যবসার সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত থাকে তাদের এখনই এসব অপকর্ম বন্ধ করার পরমর্শ দিয়ে র্যাবের ডিজি বলেন,‘যে বাহিনীরই হোক, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
প্রসঙ্গত, গুগল সার্চ ইঞ্জিনে বাংলায় ‘ইয়াবাসহ পুলিশ আটক’ লিখে সার্চ দিলে ১৩ লাখ ৪০ হাজার তথ্য আসে। একইভাবে ‘ইয়াবাসহ র্যাব সদস্য আটক’ তল্লাশি করলে ২ লাখ ৯৬ হাজার তথ্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের লিংক আসে। এখানে একই ঘটনার তথ্য বিভিন্ন মিডিয়া ও ব্যক্তির ওয়েবসাইটে বহুবার প্রদর্শন করা হলেও মোটা দাগে এসব ঘটনার সংখ্যা কম নয়।
র্যাবের কেউ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কিনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বেনজীর আহমেদ বলেন, তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন,‘র্যাবের কেউ মাদক ব্যবসায় সহযোগিতার সঙ্গে জড়িত নয়।’
একইভাবে গুগুলে সার্চ ইঞ্জিনে ‘ইয়াবাসহ সাংবাদিক আটক’ লিখলে ৪ লাখ ৪৫ হাজার লিংক আসে। তবে এবারের অভিযানে এখনও এই পেশার কেউ আটক হয়নি।
অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী বা বিশেষ পেশার কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মো. জামাল উদ্দীন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সীমান্ত বাহিনী ও অধিদফতর অভিযান চালাচ্ছে। আমরা বিভিন্ন সময় এ নিয়ে কাজ করছি। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, এই কথা আমরা আগে থেকেই বলে আসছি। সে যেই ব্যক্তিই হোক।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনকে সামনে রেখে মোদি-হাসিনা অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হবে -ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈধভাবে স্বর্ণবার আমদানি শুরু হচ্ছে: স্বর্ণ নীতিমালা মন্ত্রিসভা কমিটিতে by দীন ইসলাম

আগামী বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠেয় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে স্বর্ণ নীতিমালাটি অনুমোদনের জন্য উঠবে। গত ১৫ই মে প্রস্তাবিত নীতিমালা ও মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য সারসংক্ষেপ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ স্বর্ণালঙ্কারের চাহিদা পূরণ করতে অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে স্বর্ণবার আমদানির নতুন পদ্ধতি প্রবর্তন করা
হবে। অনুমোদিত ডিলার নির্বাচন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। অনুমোদিত ডিলার স্বর্ণবার আমদানির সময় বন্ড সুবিধা গ্রহণ করে স্বর্ণ আমদানি করতে পারবে। এজন্য ডিলারদের আমদানি নীতি আদেশ এবং কাস্টমস অ্যাক্ট অনুসরণ করে বন্ড লাইসেন্স নিতে হবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভ্যাট নিবন্ধিত প্রকৃত স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ী অনুমোদিত ডিলারের কাছ থেকে স্বর্ণবার কিনতে পারবেন।
তবে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে গোল্ড (প্রকিউরমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন অর্ডার, ১৯৮৭)-এর আওতায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। অনুমোদিত ডিলার এবং স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ীর ব্যবসায়িক কার্যাবলী সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কাস্টমস অ্যাক্ট ও মূল্যসংযোজন কর আইন এবং অন্যান্য বিধিবিধান দিয়ে নিয়ন্ত্রণ ও পরিবীক্ষণ করা হবে। এতে বলা হয়েছে, স্বর্ণ নীতিমালা জারির ছয় মাসের মধ্যে সব অলঙ্কার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ীকে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী মজুত স্বর্ণ, হীরক, রৌপ্য, অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও প্রস্তুতকৃত অলঙ্কার সম্পর্কিত ঘোষণা সংশ্লিষ্ট মূসক কার্যালয়ে জমা দেবেন। এরপর প্রতি মাসে প্রারম্ভিক মজুত, ক্রয় বা সংগ্রহ, বিক্রয় বা সরবরাহ ও সমাপনী মজুত সম্পর্কিত তথ্য মূসক কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন। নীতিমালায় বলা হয়েছে, গ্রাহকের কাছ থেকে রিসাইকেলন্ড স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার জন্য গ্রাহক বা বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি এবং পূর্ণাঙ্গ যোগাযোগের ঠিকানা সংরক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী স্বর্ণ বা স্বর্ণালঙ্কারের খাদের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বর্ণ চোরাচালান নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে কথা উঠার পরপরই স্বর্ণ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। বিভিন্ন মাধ্যমে যাচাই বাছাই শেষে এটি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদনের জন্য উঠতে যাচ্ছে। অনুমোদন মিললেই বৈধভাবে স্বর্ণবার আমদানি শুরু হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে কটাই-মিলির প্রেম না ‘ব্ল্যাকমেইল’ by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্ত্রী-এমপিদের বৈঠক আচরণবিধি লঙ্ঘন

ইসি খুলনাতে সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে মাত্র। বর্তমান ইসি প্রতিষ্ঠান হিসাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্বর্ণালী বাহিনী নন বরং এখন তারা ‘খাঁচায় পোরা তোতা পাখি’ হয়ে গেছে। রিজভী বলেন, খুলনার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট সন্ত্রাসের এক অভিনব নতুন মডেল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি খারাপ নজির সৃষ্টি করলো। এতে নির্বাচন কমিশন বিএনপির সমর্থকসহ সাধারণ ভোটারদের অধিকার হরণ করে তাদের হাত-পা বেঁধে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চেপে ধরে আওয়ামী লীগকে জয় আদায় করে দিতে সক্ষম হয়েছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের ফলেই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে খুলনার মানুষের সমর্থন মিলেছে। অন্যদিকে গত ১৫ই মে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলেছে তাদের কাছে প্রধানমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করেছেন- এমন সুষ্ঠু নির্বাচন দেশে কবে হয়েছে? আসলে ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, খুলনার ভোটারদের সঙ্গে শ্রেষ্ঠ তামাশা। বিএনপির মুখপাত্র বলেন, অবৈধ ক্ষমতার দৌরাত্ম্যে ভোটারদের অধিকার বঞ্চিত করে এখন তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন।
নতুন মডেলের ‘চমৎকার’ নির্বাচনে খুলনা সিটির অর্ধেকেরও কম ভোটার ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেনি। কেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারেনি হাজার হাজার ভোটার। যে নির্বাচনের পর লজ্জায় আজও নির্বাচন কমিশন কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিতে পারেনি। যে নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও কারচুপির নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্ব মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে। বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানসহ নানা অনিয়মের তদন্ত দাবি করছে জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো। তিনি বলেন, সিটি নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের প্রচারণায় অংশগ্রহণ না করার কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সরকারদলীয় একজন এমপি যিনি প্রধানমন্ত্রীর নিকট আত্মীয়, একটানা পনের দিন খুলনায় অবস্থান করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। কিভাবে খুলনাতে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন তা দেশবাসী দেখেছে গণমাধ্যমের বদৌলতে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রীরা প্রভাব বিস্তার করে না।
কিন্তু এটা যে কতটা নির্লজ্জ মিথ্যাচার তার আরো একটি উদাহরণ হলো গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে গতকাল গাজীপুরের টঙ্গিতে এক স্থানীয় এমপির বাসায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এমপি-মন্ত্রীদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, কর্নেল ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, ডা. দিপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রী-এমপিরা আরো উপস্থিত ছিলেন। যা নির্বাচনী আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থি। এই ঘটনায় গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন মহলের এক গভীর নীলনকশার বীভৎস আভাস ফুটে উঠছে। রিজভী বলেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান ও ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদের নামে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
এর আগেও অনেকবার তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। তরুণ সমাজকে ভীত করার জন্যই রাজিব ও রাজের উপর এই নির্যাতন। আমি অবিলম্বে তাদের রিমান্ড প্রত্যাহার করে মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সকল মামলায় জামিন পাওয়ার পরও আবার গতকাল তাকে একটি মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়েছে। এটি সরকারের এক ঘৃণ্য নিপীড়নের বীভৎস চিত্র। অদৃশ্য গণতন্ত্র যাতে ফিরিয়ে আনা না যায় সে জন্যই বিরোধী দলের তরুণ নেতাদেরকে মিথ্যা মামলায় আটকে রাখতেই সরকারের এত কারসাজি। ব্রিফিংয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, আমিনুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাদক নির্মূলে বন্দুকের ব্যবহারে উদ্বেগ

মাদক দমনে কঠোর আইন করে তা প্রয়োগের আহ্বান জানিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, আমরাও চাই কঠোর আইন হোক, কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হোক। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা যে, আমাদের সংবিধান বলে তো একটা কথা আছে। জাতিসংঘের ইউপিআরের আওতায় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ বিষয়ে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সিএসএ, এনএনএমসি, এএলআরডি ও কাপেং ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, পত্রিকা খুলতেই দেখা যাচ্ছে প্রতিদিন বন্দুকযুদ্ধে মানুষ মারা যাচ্ছে। সরকারের দিক থেকে বলা হচ্ছে যে, মাদকের বিরুদ্ধে একটা অভিযান চলছে।
এই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের বিষয়ে আমাদের কারোই দ্বিমত নেই। কিন্তু যে পদ্ধতিতে কাজটি হচ্ছে সেটি সঠিক হচ্ছে কি না, ভেবে দেখা দরকার। তিনি বলেন, যে-ই অপরাধী হোক, মাদক ব্যবসায়ী হোক বা মাদক চোরাচালানী হোক অথবা মাদকের সঙ্গে অন্য কোনোভাবে সম্পৃক্ত হোক, সকলেরই মৌলিক অধিকারগুলো আমাদের সংবিধানে আছে। সংবিধানের সেই পন্থা অনুসরণ না করে এটা করার ফলে সুদূরপ্রসারী যে ফলাফল হবে, সেটা আমাদের রাষ্ট্রের জন্য সুষ্ঠু ফল আনবে না। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির পর্যালোচনা করে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সিএসএর সদস্য আকলিমা ফেরদৌস। এ সময় আরো বক্তব্য দেন কাপেং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পল্লব চাকমা, এনএনসির কো-অর্ডিনেটর মুজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাবধান! রাজধানীতে তৎপর অজ্ঞান পার্টি

রমজানের তিন দিন আগে গত সোমবার রাজধানীর হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে অজ্ঞান পার্টি চক্রের ৮ সদস্য। তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে তৎপরতা শুরু করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পূর্ব বিভাগের একটি টিম তাদেরকে ওই দিন শেষ রাতে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- শাহআলম (৫২), টুকু (৩৮), হাফিজ (৩৫), আসলাম মোল্লা (৪৪), নয়ন মোল্লা (৪০), হারুন বেপারী (৪৫), শিপলু সিকদার (৩০) ও রুহুল আমিন (২৪)। ওই সময় তাদের কাছ থেকে ১২০টি চেতনানাশক ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। রমনা থানায় দায়ের করা এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মানুষকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়ার তৎপরতা শুরু করে বলে জানিয়েছেন ডিবি পূর্ব বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) খন্দকার নুরুন্নবী।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. আসাদুজ্জামান মানবজমিনকে বলেন, গত বছর পুলিশের ব্যাপক অভিযানের কারণে অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা কমেছিল। সম্প্রতি ধরাপড়া চক্রগুলোর তথ্যে জানা গেছে তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে আবার সঙ্ঘবদ্ধ হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় হচ্ছে। সম্প্রতি অন্তত ৮ থেকে ১০টি চক্র সক্রিয় হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিক। এক অভিযানে ৮ জন গ্রেপ্তার হলেও পলাতকসহ বাকিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা সদস্যরা সক্রিয় রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ২৪শে এপ্রিল যাত্রাবাড়ীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাঁশপট্টিতে অজ্ঞান পার্টি চক্র সঙ্ঘবদ্ধ হওয়ার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেদিনও ৫২টি চেতনানাশক ট্যাবলেটসহ চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সাগর, আনাস, সাইফুল ইসলাম সোহাগ, আলমগীর হোসেন, রুবেল মিয়া, আব্দুর রহিম মুন্সী ও শুভ। যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়। তারাও তাদের ভয়াবহ তৎপরতার লোমহর্ষক বর্ণনা দেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, রমজান ও ঈদে বাজারে অর্থপ্রবাহ স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বাড়ে। তাতে লুটের কালো থাবা বসাতে রাজধানীতে সঙ্ঘবদ্ধ হচ্ছে মৌসুমি অজ্ঞান পার্টি চক্র। ৫ থেকে ৬ জনের দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন এলাকায় তৎপরতা শুরু করেছে। এ ছাড়া বছরজুড়ে তো তাদের ‘বিচ্ছিন্ন অপারেশন’ রয়েছেই। রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড ও ব্যস্ততম এলাকায় নানা ছদ্মবেশে ওঁৎ পেতে আছে ওরা। নানা ছদ্মবেশী পরিচয়ের আড়ালে বিস্তার করে আছে কালো থাবা। নানা অভিনব কায়দায় শিকার ধরছে। রাস্তার ধারে ডাব, কোমল পানীয়, ইফতারি বিক্রির আড়ালে চক্রটির সদস্যরা বিভিন্ন ভূমিকায় শিকার ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। কোমল পানীয় বা বোতলের পানির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে তা তুলে দেয়া হচ্ছে তৃষ্ণার্তের মুখে। তা খেয়ে অজ্ঞান হলেই চক্রের অন্য সদস্যরা তাকে বাঁচানোর নাম করে নিরাপদে নিয়ে সব কিছু কেড়ে নিয়ে রাস্তায় ফেলে চলে যাচ্ছে। গণপরিবহনের আসনে ক্লোরোফোম জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ লাগিয়েও অজ্ঞান করা হচ্ছে। ডাবের পানি, জুস, চা, কফি, পান, খেজুর, ঝালমুড়ি, শক্তিবর্ধক হালুয়া, চটপটি, ক্রিম জাতীয় বিস্কুট, চকলেট, রঙিন পানীয় ইত্যাদি খাবারের সঙ্গে মেশানো হচ্ছে চেতনানাশক। সিএনজি অটোরিকশার চালক সেজেও ধোঁকা দেয়া হচ্ছে। বাসের যাত্রী সেজে পাশে বসে খোশগল্পে ঘনিষ্ঠ হয়ে গন্ধ শুঁকিয়ে বা নাকে মুখে মলম লাগিয়ে অজ্ঞান করা হচ্ছে। অটোরিকশা বা মাইক্রোবাস ব্যবহার করে যাত্রী হিসেবে গাড়িতে তুলে কাজ সারা হচ্ছে। সব হাতিয়ে নেয়ার পর অচেতন যাত্রীকে গাড়ি থেকে রাস্তার ধারে মৃত্যুর মুখে ফেলে দিয়ে পগারপার। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা যেসব মলম বা ওষুধ ব্যবহার করছে তা মারাত্মক বিপজ্জনক। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতেও দীর্ঘ সময় নিচ্ছে কেউ কেউ। রাজধানীতে প্রবেশ ও বাইরের বাসস্ট্যান্ডসহ নগরীর ব্যস্ততম সড়ক, মার্কেট, পার্কে এদের উৎপাত বাড়তে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর ব্যস্ত যাত্রাবাড়ী বাসস্ট্যান্ড, সায়েদাবাদ, আরামবাগ, গাবতলী, মিরপুর, গুলিস্থান, ফার্মগেট, চিড়িয়াখানা, পল্টন, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর, চানখাঁরপুল ইত্যাদি অন্তত দুই ডজন স্পটে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে তৎপতা চালাচ্ছে। এ ছাড়া রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে ও পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে তাদের তৎপতরা রয়েছে। সাভার, টঙ্গী, গাজীপুরে সক্রিয় একাধিক দল। এসব চক্রের অন্তত দেড় থেকে দুই শতাধিক সদস্য রাজধানীতে সক্রিয় রয়েছে বলে ধারণা গোয়েন্দা পুলিশের। প্রায় প্রতি সপ্তাহে কোথাও না কোথাও দু’একজন অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ছে। হারাচ্ছে সর্বস্ব। অনেক সময় বিপন্ন হচ্ছে নিরীহ মানুষের জীবন।
প্রথমে যাত্রাপথে কোনো পথিককে টার্গেট করছে চক্রের সদস্যরা। তারপর দায়িত্ব ভাগ করে তার পিছু নিচ্ছে। পিছু নেয়ার পর্যায়ে তাকে কোনোভাবে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খাওয়ানো হয়। অথবা মলম লাগিয়ে দেয়া হয় চোখে-মুখে। এতে অচেতন হলেই সুযোগ বুঝে পকেট কাটা হচ্ছে। মানুষের ভিড়ে সে সুযোগ পাওয়া না গেলে তার আত্মীয় বা সহকর্মী বা পরিচিত সেজে হাসপাতালে নেয়ার নামে রওনা হচ্ছে। সিএনজি বা অন্য যানবাহনে নিরাপদ স্থানে গিয়ে হাতিয়ে দিয়ে অচেতন অবস্থায় ফেলে দেয়া হয়। অজ্ঞান হয়ে প্রতি সপ্তাহে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ডসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে পথচারী বা যাত্রীরা। শুধু বাস স্টেশন নয়। রাজধানীর রেল ও লঞ্চ স্টেশনগুলোতে তৎপর এই চক্র। কিন্তু এই মৌসুমি চক্রগুলো অনেকক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ হিমশিম খাচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক কর্মকর্তা।
একাধিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক স্বীকারোক্তিকে রাজধানীতে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে তৎপরতা শুরুর কথা স্বীকার করেছে। সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে টার্গেট করা ব্যক্তির বা যাত্রীদের কৌশলে পানি, চা, জুস ও শরবতসহ অন্যান্য তরল জাতীয় খাদ্রব্যের সঙ্গে চেতনানাশক ট্যাবলেট মিশিয়ে তাদের খাইয়ে দেয়। অজ্ঞান হলেই সুযোগমতো টাকা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে সরে পড়ে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, ঈদের আগে মানুষের ঘরমুখো যাওয়া-আসার ভিড়ে অজ্ঞান ও মলমপার্টির তৎপরতা বাড়ে। প্রতিবারের মতো এবারও তারা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। তবে পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোবাইল কিনতে মন্ত্রী-সচিবরা পাবেন ৭৫,০০০ টাকা

অনেকেই প্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে, এর মধ্যে তাকেও যুক্ত করা। শফিউল আলম বলেন, মোবাইল ফোন সেট কেনার প্রাধিকারপ্রাপ্তদের (পাওয়ার যোগ্য) জন্য টাকার বরাদ্দ বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এটা অনেক আগের, তা বাড়ানো হয়নি। বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটাকে ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী সব ধরনের সচিব অর্থাৎ ভারপ্রাপ্ত সচিবরা মোবাইল ফোন সেট কেনার প্রাধিকারপ্রাপ্ত। নীতিমালায় আরেকটি পরিবর্তন আনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিবদের মোবাইল ফোন বিল ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। যারা মোবাইল ফোন সেট কেনার প্রাধিকারপ্রাপ্ত তাদের বিলের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, তাদের (মোবাইলের সিম) ব্যাসিক্যালি পোস্ট পেইড, যা বিল আসে তাই দেয়া হয়। এদিকে মন্ত্রিসভা ‘হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট একটি পুরনো প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৭ সালে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি করা হয়। সামরিক সময়ের আইন হওয়ায় এটাকে প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন আইন আনা হয়েছে। এখানে তেমন কোনো বড় পরিবর্তন নেই। শুধু কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে একটু পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের ইংরেজি আইনটিকে মূলত বাংলায় করা হয়েছে।
ইমারতের নকশা প্রণয়ন, নির্মাণ, মানব বসতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যার উপর বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি অনুসন্ধান এবং গবেষণা কার্যক্রমই মূলত এই প্রতিষ্ঠানের কাজ। খসড়া আইনে ইনস্টিটিউট পরিচালনা পরিষদের কথা বলা হয়েছে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী হবেন এর চেয়ারম্যান। ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকলে তারা ভাইস চেয়ারম্যান হবেন। পূর্ত সচিব হবেন সদস্য। প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী না থাকলে সচিব ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এই কমিটিতে ২০ ক্যাটাগরির সদস্য থাকবেন। কমিটি বছরে কমপক্ষে দু’বার সভা করবেন। অর্ধেকের বেশি সদস্য উপস্থিত থাকলে কোরাম হবে। সিদ্ধান্ত হবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে। খসড়া আইনানুযায়ী ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হবেন নির্বাহী কমিটির সভাপতি। একথা জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই কমিটি আগেও ছিল। তারা দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজকে উৎখাতের ডাক নির্বাসিত প্রিন্সের
| জার্মানিতে নির্বাসিত সৌদি প্রিন্স খালেদ বিন ফারহান |
২০১৩ সাল থেকে জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন প্রিন্স খালেদ। সাক্ষাৎকারে এই প্রিন্স জানান, বাদশাহ সালমান বড় ভাইদের মধ্যে একমাত্র বেঁচে থাকা মামদুহ বিন আব্দুলাজিজের সম্প্রতি দেওয়া বক্তব্য রাজপরিবারের বড় ধরনের অসন্তোষের ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলেন, রাজপরিবার ক্ষোভে ফুঁসছে। আমি এই তথ্য জেনেছি এবং আমার চাচা আহমেদ ও মাকরিনকে আহ্বান জানিয়েছি। এই দুজনেই আব্দুলাজিজের ছেলে এবং শিক্ষিত। তারা পরিবর্তন করতে পারবেন ভালোভাবে। আমি বলতেই, আমরা সবাই তাদের সমর্থন দেবো।
খালেদ জানান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলাজিজের প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ও উপজাতিদের সমর্থন রয়েছে। প্রিন্স মাকরিন ছিলেন বাদশাহ সালমানের নিয়োগ করা প্রথম যুবরাজ। ২০১৫ সালের এপ্রিলে মাকরিনের স্থলে মুহাম্মদ বিন নায়েফকে যুবরাজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ২০১৭ সালের জুনে বাদশাহ সালমান নিজের ছেলে মুহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ বানান।
প্রিন্স খালেদ জানান, এই ডাক দেওয়ার পর তিনি অসংখ্য ফোন ও ইমেইল পেয়েছেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর লোকেরাও তার এই আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছেন।
বাদশা ও যুবরাজকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের এই ডাক এমন সময় এলো, যখন রাজপ্রাসাদের বাইরে বড় ধরনের গোলাগুলিতে সৌদি যুবরাজের আহত হওয়ার গুজব বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। এপ্রিলের ওই গোলাগুলির ঘটনায় সরকারিভাবে খেলনা ড্রোন ভূপাতিত করার কথা বলা হয়েছে। তবে অজ্ঞাত এক সৌদি ব্লগার দাবি করেছেন, রাজপ্রাসাদে হামলা চালানো হয়েছিল। এতে ছয়জন নিরাপত্তাকর্মী ও দুই দুর্বৃত্ত নিহত হয়। ওই ঘটনার পর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি যুবরাজ সালমানকে। এতে গুজব ছড়ায় তিনি নিহত হয়েছেন। এই গুজবকে উড়িয়ে দিতে যুবরাজের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তার কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
এপ্রিলের ওই গোলাগুলিতে ড্রোনকে ইস্যু বানিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রিন্স খালেদ বলেন, আমি ব্যক্তিগত মনে করি ওই হামলা যুবরাজকে হত্যা করার জন্য ছিল না, হতে পারে তার (যুবরাজ) পদক্ষেপের প্রতিবাদ। কিন্তু যদি যুবরাজ ক্ষমতায় থাকেন তাহলে এ ধরনের হামলা চলতে থাকবে। পশ্চিমাদের আমি বলতে চাই, সৌদি আরবের পরিস্থিতি আগ্নেয়গিরির মতো হয়ে আছে। যদি এটা বিস্ফোরিত হয় তাহলে শুধু যে সৌদি আরব প্রভাবিত হবে তা নয়, আরব অঞ্চলে যাদের স্বার্থ রয়েছে তারা সবাই প্রভাবিত হবে।
খালেদ জানান, সৌদি আরবে সন্ত্রাসীদের স্লিপার সেল রয়েছে এবং ওয়াহাবি আদর্শ হলো উগ্র আদর্শ। যেসব মুসলমান ইউরোপিয়ান ও আমেরিকানদের ভয় করে তাদের আদর্শ এটা। তিনি বলেন, সৌদি আরব যদি বিশৃঙ্খলায় পতিত হয় তাহলে বিশ্বও পতিত হবে। বিশ্বের সন্ত্রাসবাদের উৎসে পরিণত হবে সৌদি আরব, যা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান: এক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১০

তিনি বলেন, গুলিতে নিহত তিন ব্যক্তির বয়সই ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। এদের একজনের গায়ে লাল স্যান্ডো গেঞ্জি ও চেক লুঙ্গি, একজনের গায়ে জাম রঙের হাফ হাতা গেঞ্জি ও সাদা থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট এবং অন্যজনের খালি গা ও পরনে চেক লুঙ্গি ছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ তিনজনের কারও পরিচয় জানা যায়নি।
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) মানবজমিন প্রতিনিধি জানান, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ নরেন্দ্রপুর এলাকায় র্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছব্দুল মণ্ডল (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি নাইন এমএম পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, ১০০ বোতল ফেনসিডিল, ১৫০ পিস ইয়াবা, একটি হেলমেট ও নগদ ১ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে র্যাব। নিহত ছব্দুল মণ্ডল উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বলে র্যাব জানিয়েছে।
ঝিনাইদহ র্যাব-৬ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক এএসপি গোলাম মোর্শেদ জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে নরেন্দ্রপুর নামক স্থানে তাদের একটি টহল টিম চেকপোস্ট বসিয়ে দায়িত্ব পালন করছিল। সে সময় ওই স্থান দিয়ে একটি মোটরসাইকেলে ২ থেকে ৩ জন লোক ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় র্যাব তাদের গতিরোধ করে। এসময় তারা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির শেষে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থলে সব্দুলের লাশ পড়ে থাকে।
যদিও নিহতের ভাই আতিয়ার মণ্ডল বলেছেন, শনিবার বিকালে বাড়ির পাশে শসা ক্ষেতে কাজ করার সময় তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
ছাগলনাইয়া (ফেনী) মানবজমিন প্রতিনিধি জানান, ছাগলনাইয়ায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আলমগীর হোসেন (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। পুলিশ জানায় সে উপজেলার চিহ্নিত ইয়াবার ডিলার। রোববার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার পাঠাননগর ইউনিয়নের পশ্চিম পাঠান নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের কাছে খবর আসে বড় ধরনের একটি মাদকের চালান বিক্রি হবে। এ সময়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর ও তার দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে, পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে পুলিশ আলমগীরকে আহত অবস্থায় সেখান থেকে উদ্ধার করে। পরে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় পুলিশ একটি বন্দুক, ৩ রাউন্ড গুলি, ১শ’ বোতল ফেনসিডিল ও ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। ছাগলনাইয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) এম মোর্শেদ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিহত আলমগীরের বিরুদ্ধে ছাগলনাইয়া থানায় বিভিন্ন অভিযোগে ৯টি মামলা রয়েছে। সে উপজেলার চিহ্নিত ইয়াবার ডিলার ও ফেনসিডিল ব্যবসায়ী। সে পাঠাননগর ইউনিয়নের পূর্ব পাঠানগড় এলাকার আবদুস সালাম ভূঁইয়ার ছেলে।
পলাশ (নরসিংদী) মানবজমিন প্রতিনিধি জানান, নরসিংদী ও পলাশের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইমান আলী (২৮) র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। সোমবার ভোরে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার খালিসকার টেক গ্রামে তার বাড়ি সংলগ্ন মাঠে এ ঘটনা ঘটে। বন্দুকযুদ্ধের পর একটি বিদেশি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছে বলে র্যাব দাবি করেছে। র্যাব- ১১-এর কোম্পানি কমান্ডার মো. জসিম উদ্দিন জানান, ঘোড়াশাল পৌর এলাকার খালিসকারটেক এলাকায় ইয়াবার একটি বড় চালান আদান-প্রদান হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ইমান আলীর সঙ্গে তার কয়েকজন সহযোগী উপস্থিত ছিল। পরে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে আতঙ্ক তৈরি করার চেষ্টা করে। এ সময় র্যাব পাল্টা গুলি ছুড়লে ইমান আলী গুলিবিদ্ধ হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়। ইমান আলী ঘোড়াশাল খালিসকারটেক গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে পলাশ ও নরসিংদী থানায় হত্যাসহ বিস্ফোরক, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
মানবজমিন স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে জানান, রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছে। নিহত লিয়াকত আলী মণ্ডলের বাড়ি পুঠিয়া থানার নামাজগ্রাম এলাকায়। তিনি ওই এলাকার ‘চিহ্নিত মাদক কারবারি’ এবং তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে সাতটি মামলা রয়েছে বলে র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আশরাফুল ইসলামের ভাষ্য। তিনি বলছেন, রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেলপুকুর থানার ক্ষুদ্র জামিরা এলাকায় মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে র্যাবের গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে। র্যাবের একটি টহল দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করে। তখন র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় লিয়াকত মোটরসাইকেল নিয়ে পালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়; অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ লিয়াকতকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান মেজর আশরাফুল। এদিকে নিহত লিয়াকতের পরিবার জানিয়েছে, শনিবার দুপুর থেকে লিয়াকত নিখোঁজ ছিলেন। পরে রাতে তারা খবর পান লিয়াকত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন।
মানবজমিন চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মাদক মামলার এক আসামি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। রোববার রাত ৩টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ওই ঘটনা ঘটে বলে জীবনননগর থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানান। তিনি বলেন, নিহত জোনাব আলী উথলী গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনের একাধিক মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করতে ওই গ্রামে অভিযানে যায় পুলিশ। পুলিশ জীবননগর সন্ন্যাসীতলায় পৌঁছালে জোনাব আলী পুলিশের দিকে গুলি করে। পুলিশও আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ী জোনাব আলী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
মানবজমিন স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ও টঙ্গী থেকে জানান, গাজীপুরের টঙ্গীতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছে, যার বিরুদ্ধে থানায় মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৪টি মামলা রয়েছে। নিহত রেজাউল ইসলাম রনি ওরফে বেস্তি রনি (২৭) টঙ্গীর এরশাদনগরের ৩ নম্বর ব্লকের হাফিজুল ইসলামের ছেলে। রোববার রাত সোয়া ৩টার দিকে টঙ্গীর নিমতলী মাঠ এলাকায় গোলাগুলিতে রনি নিহত হন বলে টঙ্গী থানার ওসি মো. কামাল হোসেনের ভাষ্য। তিনি বলেন, মাদক কেনাবেচার খবর পেয়ে পুলিশ রাতে ওই এলাকায় অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে রনি গুলিবিদ্ধ হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।
মানবজমিন স্টাফ রিপোর্টার, টাঙ্গাইল থেকে জানান, টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আবুল কালাম আজাদ খান নামক এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি শনিবার তাকে মোটর সাইকেলযোগে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো।
র্যাব-১২ এর তিন নম্বর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানান, রোববার রাতে গোপন সংবাদে তারা জানতে পারেন ঘাটাইল উপজেলার দেওলাবাড়ী এলাকায় সোহরাব চেয়ারম্যানের ইটভাটায় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছেন। এ খবরের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালাতে যায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে অবস্থানরত মাদক ব্যবসায়ী দলটি র্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ শুরু করে। এসময় র্যাবও পাল্টা গুলি করে। ১০/১৫ মিনিট পাল্টাপাল্টি গুলি বিনিময়ের পর মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে যায়। পরে ওই ইটভাটার চিমনীর পশ্চিম পাশে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ে মাটিধসে নিহত ৩: সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার নূরুল

গত বছর তিন পার্বত্য জেলায় ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখার দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, বান্দরবান জেলায় ২০১২ সালে পাহাড় ধসে মারা গেছে ৩৭ জন। ২০১৫ সালে ৯ জন। গত বছর ২০১৭ সালের জুন ও জুলাই মাসে একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৭ জন। ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের জুলাই পর্যন্ত পাহাড় ধসে মারা গেছে ৫৩ জন। জেলায় বর্তমানে কত পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে তার হিসাব জেলা প্রশাসনের কাছে নেই। এই ব্যাপারে কোনো জরিপও হয়নি। তবে বেসরকারিভাবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলায় প্রায় ৫০ হাজার পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।
প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা সোপায়েন বড়ুয়ার মৎস্য প্রজেক্টে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলের জন্য গত কয়েকদিন ধরে কাজ করছিল ৭-৮ জন শ্রমিক। প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার সকালেও তারা শ্রমিকের কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে পানি যাওয়ার সুড়ঙ্গের উপর অংশ থেকে মাটি ভেঙে পড়লে ঘটনাস্থলেই ৫ জন শ্রমিক চাপা পড়েন। পরে এক ঘণ্টা পর নূর মোহাম্মদ নামে এক শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। এরপর অন্যান্য শ্রমিক বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দেন স্থানীয়রা। কিন্তু অলৌকিকভাবে ঘটনার সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬.৩০টার দিকে নুরুল হাকিমকেও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ রাত সাড়ে ৮টায় অন্য তিনজন শ্রমিক মো. আবু, সোনা মেহের ও জয়নাল আবেদীন এর লাশও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী মনজয় পাড়ার ৯নং ওয়র্াডের বড়ইতলী গ্রামে পাহাড় কেটে ড্রেন তৈরি সময় মাটি চাপা পড়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়িতে নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি, বান্দরবান পার্র্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন।
জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন জানান, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের তালিকা এখনো সম্পূর্ণভাবে হাতে এসে পৌঁছায়নি। শিগগিরই চলে আসবে। ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের ব্যাপারে সরকারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে লোকজনদের সব সময় সতর্ক করে দেওয়া হয়। আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নোম্যান্স ল্যান্ড ছাড়তে রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমারের নির্দেশ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২২২৩ উদ্বাস্তুকে নিয়ে প্রত্যাবাসনে শুরু করতে উভয়পক্ষ প্রস্তুত?

তবে ঢাকার সামনে এটি একটি কোটি টাকা দামের প্রশ্ন। বাংলাদেশ গত নভেম্বরে চুক্তি সই করেছে এবং অবিলম্বে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে তার গরজও রয়েছে। অন্যদিকে মিয়ানমারের প্রত্যাবাসন শুরু করা যে নিতান্তই কৌশলগত এবং এতে সাড়া দিলেও বিপদ না দিলেও কিছুটা ঝুকি থাকবে বলে ঢাকার কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন।
কিন্তু অধিকাংশ পর্যবেক্ষক বিশ্বাস করেন যে, আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের তরফে বাংলাদেশের কাছে আসা চিঠির জবাবদানের সময় বিবেচনায় নিয়ে মিয়ানমার এই মুহুর্তে প্রত্যাবাসন শুরু করতে সবধরণের ‘আন্তরিকতা’ প্রদর্শন করছে। কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের দেওয়া ৮ হাজার রোহিঙ্গার তালিকার মধ্য থেকে ওই ২২২৩ জনকে চূড়ান্ত করেছে বলে গতকাল মিয়ানমার টাইমসের এক খবরে বলা হয়েছে। মিয়ানমারের সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক উ কো কো নিয়ং ২১ মে এমএমটাইমসকে বলেছেন, ওই ২২২৩ জনের মধ্যে ১০০১ জন উদ্বাস্তু রয়েছে যাদের বেশিরভাগই মুসলিম। গত ২ মে তাদেও ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন করা হয়েছে বলেও ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন। এর আগে ৭৭৮ জন মুসলিম এবং ৪৪৪ জন হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রত্যাবাসনে কথিতমতে ‘‘উভয় দেশ’’ একমত হয়েছে বলেও ওই খবরে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, মি. কোকো নিয়ং গত বৃহস্পতিবার উভয় দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকা এসেছিলেন। ওই বৈঠকের অগ্রগতিতে বাংলাদেশ সন্তোষ প্রকাশ না করলেও এখন মি, কোকো বলছেন যে, বৈঠকে তিনি প্রত্যাবাসন শুরু করতে মিয়ানমারের প্রস্তুতি থাকার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। ’’ আমরা তাদেরকে বলেছি, প্রত্যাবাসন শুরুর ব্যাপারে আমাদেরকে অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে।’’ তিনি এমএম টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরো বলেন, উভয়পক্ষের মধ্যে কোনো মতভেদ না থাকলেও যেহেতু প্রক্রিয়াটি খুবই জটিল, তাই প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। আলোচনাকালে উভয়পক্ষ প্রত্যাবাসন বিষয়ক নিরাপত্তা এবং একটি অনুকূল পরিবেশ গঠন এবং এই প্রক্রিয়ায় জতিসংঘের সম্পৃক্ততা বিষয়ে মতবিনিময় হয়। তবে তিনি তথ্য প্রকাশ করেন যে, প্রত্যাবাসন শুরু করতে হলে উভয়পক্ষকে উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশন এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে একটি চুক্তি সই করতে হবে।
জয়েন্ট ওয়ার্কি গ্রুপ গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় মিলিত হয়। এতে মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ইউ মিন্ট থু। তিনি পরররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পারমানেন্ট সেক্রেটারি। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1353)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 22
(20)
- আপ্লুত প্রিয়াঙ্কা, রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্ববাসীর প্র...
- নিউ ইয়র্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তনয়ের এপার্টমেন্ট নিয়ে...
- ইউরোপ কি আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারবে?
- ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীরা বেশি সাইবার অপরাধের শিকার
- রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রিয়াঙ্কা
- যুদ্ধ জাহাজে দূরপাল্লার মিসাইল ও আধুনিক যুদ্ধাস্ত্...
- চেয়ারম্যান কন্যাকে নিয়ে দুই স্বামীর টানাটানি
- খুচরা বিক্রেতা বন্দুকযুদ্ধে, মূলহোতারা কই? by আমান...
- নির্বাচনকে সামনে রেখে মোদি-হাসিনা অনানুষ্ঠানিক বৈঠ...
- বৈধভাবে স্বর্ণবার আমদানি শুরু হচ্ছে: স্বর্ণ নীতিমা...
- সিলেটে কটাই-মিলির প্রেম না ‘ব্ল্যাকমেইল’ by ওয়েছ খছরু
- মন্ত্রী-এমপিদের বৈঠক আচরণবিধি লঙ্ঘন
- মাদক নির্মূলে বন্দুকের ব্যবহারে উদ্বেগ
- সাবধান! রাজধানীতে তৎপর অজ্ঞান পার্টি
- মোবাইল কিনতে মন্ত্রী-সচিবরা পাবেন ৭৫,০০০ টাকা
- সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজকে উৎখাতের ডাক নির্বাসিত প্রিন...
- মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান: এক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহ...
- নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ে মাটিধসে নিহত ৩: সাড়ে ৬ ঘণ্টা...
- নোম্যান্স ল্যান্ড ছাড়তে রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমার...
- ২২২৩ উদ্বাস্তুকে নিয়ে প্রত্যাবাসনে শুরু করতে উভয়পক...
-
▼
May 22
(20)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
