Sunday, January 31, 2016
বিয়ের অনুষ্ঠানে আগন্তুক! বিস্ময়, মানবতা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপানের কাছ থেকে পাকিস্তানকে শিক্ষা নিতে হবে by আইরিন খান
পূর্ব এশিয়ায় আমেরিকার মিত্র এ দুই দেশের সহজ ও আন্তরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ ঘটনা দীর্ঘ সময় ধরে এক বাধা হিসেবে কাজ করছিল। ১৯৩০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার কোরীয় মেয়েকে জাপান কমফোর্ট ওমেন হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করে। ৭০ বছর পর এসব অপকর্মের জন্য জাপানের ক্ষমা চাওয়ার মতো দৃষ্টান্তমূলক ঘটনার পেছনে অবশ্য মানবিক কারণের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনা। পূর্ব এশিয়ায় আমেরিকার এ দুই মিত্র দেশগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক ওই অঞ্চলে রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য খুবই দরকারি হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, অন্যদিকে পারমাণবিক শক্তির অধিকারী উত্তর কোরিয়াকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররাষ্ট্রগুলোর এক হওয়ার এবং একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জোট তৈরির কোনো বিকল্প নেই। বারাক ওবামার মধ্যস্থতায় দেশ দুটি তাদের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী হয়।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের নয় মাসে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় ও বর্বরতায় ৩০ লাখ মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি দুই থেকে চার লাখ নারী সম্ভ্রমহানি ও নির্যাতনের শিকার হন। (Saikia, Yasmin (2011)।(Sharlach, Lisa (2000)। ‘Rape as Genocide: Bangladesh, the Former Yugoslavia, and Rwanda’. New Political Science 1 (22): 89। P.94.)। দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য, জাতিকে দুর্বল করার লক্ষ্যে পাকিস্তানি বাহিনী আলবদর ও আলশামস বাহিনীর সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে তালিকা তৈরি করে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম গণহত্যা ঘটিয়েছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার একদম আগে শিক্ষক, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, লেখক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, প্রকৌশলী, শিল্পীসহ দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। ১৯৭২ সালের প্রথম তিন মাসে ৩০ হাজার যুদ্ধশিশু জন্মগ্রহণ করে। ভ্রূণ হত্যার ঘটনা ঘটেছে হাজার হাজার। পরিকল্পিতভাবে বাঙালি জাতির মনোবল ধ্বংস করা, বাঙালি নারীদের গর্ভে পূর্ববঙ্গে এক পাকিস্তানি প্রজন্ম তৈরি করা ছিল এই জঘন্যতম অপরাধের পেছনের রাজনীতি। যুদ্ধ শেষে এমন জঘন্য অপরাধের জন্য পাকিস্তান সরকার ন্যূনতম অনুশোচনা প্রকাশ করেনি; বরং তারা বাঙালি জাতির মনোবল বিনষ্ট করতে এই অপরাধকে ন্যায্য বলে মনে করেছে।
বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন মহল থেকে এ ঘটনার জন্য পাকিস্তানকে ক্ষমা প্রার্থনা করার দাবি উঠলেও পাকিস্তান সরকার বরাবরই এসব বিষয়ে চুপ থেকেছে। স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে। এই সম্পর্কের ভাটা দীর্ঘ হয় যখন বাংলাদেশ তার মাটিতে যুদ্ধকালীন গণহত্যা ও নির্যাতনের মতো অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। এ রায়কে ‘জুডিশিয়াল মার্ডার’ বা বিচার বিভাগীয় হত্যা বলে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করে। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর এই প্রথম দুই দেশের সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। তেহরিকে তালিবান পাকিস্তান দল ইসলামাবাদে বাংলাদেশ দূতাবাস আক্রমণের হুমকি দেয়। পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে সেখানকার জাতীয় পরিষদে নেওয়া প্রস্তাবের কঠোর নিন্দা করে প্রতিবাদলিপি তুলে দেওয়া হয়।
দুই দেশের সম্পর্কটা আরও খারাপ হয়, যখন বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তারে পাকিস্তান দূতাবাসের যুক্ততার ঘটনা প্রকাশ পায়। গত বছরের (২০১৫) ৩১ জানুয়ারি ভারতীয় মুদ্রা চোরাচালান এবং বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থা প্রশ্রয়ে হিযবুত তাহ্রীর, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম ও জামায়াতে ইসলামীকে অর্থায়নের দায়ে পাকিস্তান দূতাবাসের কর্মচারী মাজহার খানকে ঢাকা ত্যাগ করতে বলা হয়। পরে একই অভিযোগে পাকিস্তান দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ফারিনা আরশাদকেও তাঁর দেশে ফেরত পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত ধর্মীয় উগ্রবাদীদের জবানবন্দি থেকে আরশাদের জঙ্গিবাদ প্রশ্রয়ে সম্পৃক্ততার কথা জানা যায়। গোয়েন্দা বিভাগের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ২৯ নভেম্বর (২০১৫) গ্রেপ্তারকৃত জেএমবির সদস্য ইদ্রিস শেখ ফারিনা আরশাদের গাড়িতে করে বায়তুল মোকাররম থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত যান এবং ৩০ হাজার টাকা পান। পাকিস্তান দূতাবাসের দুজন কর্মচারীকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে পাকিস্তান দূতাবাস থেকে কোনো জোর প্রতিবাদ জানানো হয়নি। এ ঘটনার কিছুদিন পরে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের দ্বিতীয় সচিবকে প্রত্যাহার করে নিতে বলা হয় কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দুটি উল্লেখযোগ্য ও ভূ–রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দেশ। এখানে একাধারে চীন ও ভারতের মতো দুটি আঞ্চলিক শক্তির অবস্থান রয়েছে এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটেও এ দুটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ অঞ্চলে একদিকে যেমন ধর্মীয় উগ্রবাদের উত্থানে চরম বিপদ রয়েছে, তেমনি অন্যদিকে রয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিপুল সম্ভাবনা। বাংলাদেশ যখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে অগ্রসর হতে জোরালো অবস্থান নিয়েছে, তখন পাশের কোনো দেশের জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের জন্য সত্যিই বড় উদ্বেগের কারণ। এ দেশে জঙ্গিবাদে মদদ দেবে এমন কোনো দেশের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য খুবই কঠিন ব্যাপার। এ বিষয়টি পাকিস্তানকে বুঝতে হবে। জঙ্গিবাদ যে নিজ দেশের জন্য এক বড় অভিশাপ হয়ে দঁাড়িয়েছে, তা পাকিস্তান আজ অস্বীকার করতে পারবে না। জঙ্গিবাদ মোকাবিলা এবং দেশকে এই বিপদ থেকে মুক্ত রেখে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয় এবং এর জন্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পরস্পরের নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া একান্ত প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলতে কিছু নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার ৫০ বছরের বৈরী সম্পর্কের বরফ ২০১৫ সালে এসে গলা শুরু করেছে। পুরো বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। পাকিস্তান ও ভারতের শত্রুতা দীর্ঘদিনের পুরোনো। চারটি যুদ্ধসহ নানা বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতিতে এ দুটি দেশে নিজেদের মধ্যকার শত্রুতা অব্যাহত রয়েছে সেই ১৯৪৭ সাল থেকে। এখন ভারতে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতায়। এরপরও দেশ দুটি কূটনৈতিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
অতীতকে পেছনে রেখে সামনে এগিয়ে চলাই রাজনীতির মূলমন্ত্র। বাংলাদেশ উন্নয়নের স্বপ্ন দেখে, আমরা সামনে এগিয়ে চলার কথা বলি, তবে তা অতীতকে ভুলে গিয়ে নয়, বরং ইতিহাসকে সঙ্গে নিয়ে। বাংলাদেশের জন্ম ও স্বাধীনতার সঙ্গে লাখো শহীদের রক্ত ও আত্মত্যাগ মিশে রয়েছে। এ দেশের মানুষ একাত্তরে ঘটে যাওয়া বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ এবং নানা অপরাধের বিচার ও অপরাধীর শাস্তি চায়। বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম তাদের পূর্বপুরুষদের ওপর ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ ও অপমানের বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এর সব দায় পাকিস্তানকে নিতেই হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যতে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পাকিস্তানকে অবশ্যই ’৭১-এ ঘটে যাওয়া এই জঘন্য অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। কোরীয় জনগণের কাছে জাপানের সাম্প্রতিক ক্ষমাপ্রার্থনা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দৃষ্টান্ত থেকে পাকিস্তানের শিক্ষা নেওয়া দরকার।
আইরিন খান: গবেষক। প্রতিষ্ঠাতা আইক্যান ফাউন্ডেশন।
khan.ayreen@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের গাছ-মানবকে নিয়ে বিশ্ব মিডিয়া যা বলছে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসহনীয় কষ্টে আছেন বাংলাদেশের 'বৃক্ষ-মানব'
![]() |
| শুরু হয়েছিলো আচিলের মতো। তারপর গত ১০ বছরে এই অবস্থা |
আবুল বাজানদার নামের ২৫ বছরের এই যুবক গত প্রায় এক দশক যাবত এই রোগে ভুগছেন। এর ফলে তার দুই হাত এবং পায়ের কিছু অংশ বিকৃত হয়ে অনেকটা গাছের শেকড়ের মতো রূপ নিয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে মায়ের পাশে বসে কথা বলছিলেন আবুল বাজানদার।
তার হাত দুটো কোলের ওপর রাখা, হাতের কব্জি থেকে বাকি অংশ বিকৃত হয়ে এমন রূপ নিয়েছে যে শুধুমাত্র হাত দুটো দেখলে সেটিকে বরং কোনো গাছের শেকড় বলে মনে হতে পারে।
দুই পায়ের পাতার কিছু অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে এই রোগ।

আবুল বাজানদার ভ্যান চালাতেন। কিন্তু এই রোগের কারণে গত ৬ বছর যাবত কোন কাজই করতে পারছেন না।
“প্রথমে ছোট ছোট আচুলি (আঁচিল) হইছিল। এরপর থেকে আমি গ্রামের ডাক্তার দেখাইছি, খুলনায় দেখাইছি, কলকাতায় দেখাইছি। কিন্তু অসুখ বাড়া ছাড়া কমেনি। এখন ডাক্তার বলছে অপারেশন করা লাগবে,” বলেন তিনি।
আবুল বাজানদারের বাড়ি খুলনা জেলার পাইকগাছায়।
রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর গত ১০ বছর যাবত হোমিওপ্যাথিসহ নানা চিকিৎসা করিয়েছেন। ভারতেও গিয়েছিলেন বছর পাঁচেক আগে।
চিকিৎসকেরা সেখানে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলেও অর্থের অভাবে সেটি আর করা হয়নি।
সর্বশেষ একজন সাংবাদিকের সহায়তায় খুলনার একটি হাসপাতালে তাকে নেয়া হয়।
![]() |
| মা আমেনা বেগমের সাথে আবুল বাজানদার |
বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ড. সামন্ত লাল সেন বলছেন, তারা এখন একটি মেডিকেল বোর্ড তৈরি করবেন এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই রোগীর হাত কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন।
মি. সেন বলেন, “এটিকে বলে এপিডার্মো ডিসপ্লেশিয়া ভেরুকোফরমিস। একধরণের ভাইরাস থেকে এসেছে। আমাদের প্রথম ইম্প্রেশন হচ্ছে, রোগীর হাতটা ঠিক করতে হবে। এরপর আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।”
ড. সেন বলছেন, তার জানামতে এপর্যন্ত বিশ্বে এর আগে মাত্র দু’জন রোগীর এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার রেকর্ড আছে।
এদের একজন ইন্দোনেশিয়ায় এবং অপরজন রোমানিয়ার।
আবুল বাজানদারের মা আমেনা বেগম বলছেন, তার ছেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর সামাজিকভাবে তিনি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন।
“কেউ কেউ বলে খারাপ লাগে না, পাশে এসে বসে। আবার কেউ কেউ একটু দূরে দূরে থাকে।”
আমেনা বেগম বলেছেন, বিভিন্নজনের থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে এতদিন ছেলের কিছু চিকিৎসা চালিয়ে এসেছেন।

আট ভাই-বোনের পরিবারের ষষ্ঠ সন্তান আবুল বাজানদার বছর পাঁচেক আগে বিয়ে করেছেন। এখন তিনি তিন বছরের এক কন্যা সন্তানের বাবা।
আবুল বাজানদার বলেন, “আমি মেয়েকে বলি কি হয়েছে, সে বুঝতে পারে না। আমার কোলে আসে, মুখে তুলে খাওয়ায়।”
সূত্র : বিবিসি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরশাদের ডাকা সভায় নেই রওশন ও দলের মন্ত্রীরা
ঢাকার বনানীতে এরশাদের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকটি শুরু হয় দুপুর বারটার দিকে।
সভায় আরও অনুপস্থিত রয়েছেন দলের অভ্যন্তরে রওশনপন্থী বলে পরিচিত নেতাদের অনেকেই।
এর মধ্যে রয়েছেন সম্প্রতি এরশাদ কর্তৃক পদ হারানো মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, কাজী ফিরোজ রশীদ, সরকারের মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু সহ অন্তত আটজন।
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা মসিউর রহমান রাঙ্গা দেশের বাইরে রয়েছেন।
জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু অবশ্য বিবিসিকে বলেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেয়ার জন্যে তিনি চট্টগ্রামে রয়েছেন।
রওশন এরশাদ অবশ্য ফোন ধরেননি।
অন্য যারা যোগ দেননি তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা কেউ ফোন কেটে দিয়েছেন আবার কেউ কেউ রিসিভ করেননি।
গত ১৭ জানুয়ারি এরশাদ তার ভাই জি এম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান ও ১৯ জানুয়ারি জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে মহাসচিব পদ থেকে সরিয়ে রুহুল আমিন হাওলাদারকে মহাসচিব ঘোষণা দেন।
এ নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখায় রওশন এরশাদের অনুসারীরাও।
এসব টানাপোড়েনের মধ্যেই এরশাদের আহবানে আজ সভাপতিমন্ডলীর সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সভাপতিমন্ডলীর ৩৭ জন সদস্যের মধ্যে এতে যোগ দিয়েছেন অন্তত ২৫ জন।
১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি এরশাদ জাতীয় পার্টি গঠন করেন।
এ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি কয়েক দফা ভাগ হয়েছে।
সংসদে বিরোধী দলে থাকলেও দলটির তিনজন নেতা সরকারের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এরশাদ নিজেও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্বে রয়েছেন।
সূত্র : বিবিসি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
করপোরেট কর সহনীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনা হবে : অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিট পোশাক রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩-১৪ অর্থবছরে করপোরেট কর ছিল ১০ শতাংশ। ১৪-১৫ অর্থবছরে ৩৫ শতাংশে উন্নীত হয়। তাঁরা (ব্যবসায়ী) এখন ৩৫ শতাংশ কর দিতে আপত্তি জানিয়েছেন। আমরা তাঁদের এ কর কমানোর আশ্বাস দিয়েছি।’
কতটুকু কমানো হবে জানতে চাইল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আমরা শিগগিরই একটি বৈঠক করব। বৈঠকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা থাকবেন। এতে একটি সুপারিশ করা হবে। পরে মন্ত্রিসভায় তা উত্থাপন করা হবে। অনুমোদন পেলে ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হবে।’
বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘সরকার আমাদের যে প্রণোদনা দেয়, এ জন্য অডিট করা হয়। এতে ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হন। অডিট উঠিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানাই।’
এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অডিটের ব্যাপারে তাঁদের কিছু আশ্বাস দিতে পারছি না।’
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, কারখানার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবসায়ীদের অনেক ব্যয় করতে হচ্ছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের দাম কিছুটা কমেছে। ফলে দেশের স্বার্থে ব্যবসায়ীদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরবের বসন্ত বিলাপ by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
কে জানত, মাত্র পাঁচ বছরেই বিলীন হয়ে যাবে তাদের সেই স্বপ্ন। শুকিয়ে মরীচিকা হবে আরব বসন্তের ফুল। সে ফুলে আজ আবার গণতন্ত্রের সুঘ্রাণ নেই। আছে কেবলই করুণ বিলাপ।
আরব বসন্ত শুরু হয়েছিল তিউনিসিয়ায়। ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর নিজের গায়ে আগুন জ্বেলে বিপ্লবের মশাল জ্বেলে দেন তিউনিসিয়ার ফেরিওয়ালা বাওয়াজিজি। ঘুষ, দুর্নীতি, বেকারত্ব, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তা ছিল এক জ্বলন্ত বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহের আগুন আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এসব দেশ হচ্ছে তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন ও সিরিয়া। বিদ্রোহের সে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় স্বৈরশাসক জয়নাল আবেদিন বেন আলীর ক্ষমতার আসন। ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি পদত্যাগে বাধ্য হন তিনি। কিন্তু বেন আলীকে হটিয়েও পাঁচ বছরে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি দেশের সার্বিক পিরিস্থিতি। সে দেশে বর্তমানে সাত লাখ লোক বেকার। এর মধ্যে আড়াই লাখই শিক্ষিত তরুণ। প্রেসিডেন্ট বেজি সাইদ এসেবসি সম্প্রতি নিজেই স্বীকার করেছেন দেশের এই ভয়ানক দুর্গতির কথা। কর্মসংস্থানের দাবিতে তিউনিসিয়ায় এখন প্রতিদিনই চলছে বিক্ষোভ, চলছে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ। এর শেষ কোথায়, কে জানে?
তিউনিসিয়ায় বিপ্লবের সফল পরিণতি উজ্জীবিত করে হোসনি মোবারকের স্বৈরশাসনে নিষ্পেষিত মিসরের সাধারণ মানুষকে। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি সে দেশেও বিপ্লবের গণজাগরণ সৃষ্টি করে। কাররোর তাহরির স্কয়ার পরিণত হয় মুক্তিকামী মানুষের জনসমুদ্রে। ১৮ দিনের টানা বিক্ষোভের পরিণতিতে প্রায় ৮৫০ জন মানুষের রক্ত ঝরিয়ে এই বিপ্লবও সাফল্যের মুখ দেখে। ১১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন মোবারক। সেই মোবারক এখন কারাগারে।
পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইসলামপন্থী ব্রাদারহুড ক্ষমতায় এলেও তা বেশি দিন টেকসই হয়নি। মূলত ব্রাদারহুড়-সমর্থিত মোহাম্মদ মুরসির ক্ষমতালিপ্সাই তাঁর পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৩ সালে সেনাপ্রধান জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ আল সিসি ক্ষমতা কেড়ে নেন মুরসির কাছ থেকে। এখন সিসির বজ্রশাসনে আগের মতোই লৌহবন্ধনীর ভেতর কাটছে মিসরীয় মানুষরে জীবন। ২০১৪ সালে নতুন সংবিধান দেশের সেনাবাহিনীর ক্ষমতা বাড়িয়েছে। এখন মোবারকের চেয়েও কঠোর হস্তে দেশ শাসন করছেন সিসি। বিক্ষোভ করা দূরে থাক, কারও কোনো টুঁ শব্দটি করার সাহস নেই।
আরব বসন্ত আসা অন্য দেশগুলোর মধ্যে সিরিয়া, ইয়েমেন ও বাহরাইন এখন গোলযোগপূর্ণ দেশ। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি শুরু হয়েছে অনেক আগেই। শুরুতে এই যুদ্ধ ছিল কেবল প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের অনুগত সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব এতে নাক গলিয়ে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে তোলে। বাশারের পক্ষে রাশিয়ার শক্ত অবস্থান তাঁকে জোরালো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। এর মধ্যে আবার ঢুকেছে ইসলামি সুন্নি জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস। সব মিলিয়ে এখন জটাজালে ঘুরপাক খাচ্ছে সে দেশ। ব্যাপক প্রাণহানি আর ধ্বংসযজ্ঞ সেখানে নৈমিত্তিক ঘটনা। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটিতে সাড়ে চার বছর ধরে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এ পর্যন্ত আড়াই লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে শিশু। যুদ্ধের কারণে এক কোটির বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এসব মানুষ বিভিন্ন দেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় ভিক্ষা করছে। সিরিয়ায় এখন না খেয়ে প্রতিদিনই প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে।
ইয়েমেনের অবস্থাও টালমাটাল। আরব বসন্তের জেরে ২০১১ সালের শেষ দিকে দীর্ঘ সময়ের স্বৈরশাসক আলী আবদুল্লাহ সালেহ পদত্যাগ করলেও সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি। সালেহর পর তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী আবদুরাব্বো মনসুর এখন দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু দেশে শান্তি নেই। এক দিকে যেমন আইএসের সন্ত্রাসী হামলা চলছে, আরেক দিকে রয়েছে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী আল-কায়েদার উৎপাত। এ ছাড়া শিয়া বিদ্রোহী হুতিদের দৌরাত্ম্য তো আছেই। এই ডামাডোলে পড়ে প্রেসিডেন্ট হাদি এর মধ্যে রাজধানী সানা ছেড়ে এখন এডেনে বাস করছেন। তাঁর সাময়িক সরকারি কর্মকাণ্ড চলছে সেখানেই। হাদির সমর্থনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বিমান হামলা চালিয়েও হুতি ও ইসলামি জঙ্গিদের হটাতে পারেনি। বরং মাঝখান থেকে হাজারো মানুষের প্রাণ ঝরেছে। আইএস জঙ্গি বেশ কিছু সরকারি ভবন দখল করে বসে আছে। সব মিলিয়ে ইয়েমেনের পরিস্থিতি এখন সালেহর আমলের চেয়েও জটিল।
বাহরাইনের পরিস্থিতি ইয়েমেনের চেয়ে অনেকটা ভালো। তবে সেখানেও বিদ্রোহীরা প্রায়ই সংগঠিত হয়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নামছে। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে সংখ্যালঘু সুন্নি শাসকদের বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়ারা বিদ্রোহ-বিক্ষোভ করে আসছে।
আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় আরব বিশ্বের প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। সেখানে বিক্ষোভ ছিল মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের মদদে। তাদের সহযোগিতায় বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন ঘটায় বিদ্রোহীরা। এই বিদ্রোহীদের মধ্যে ছিল বিভিন্ন গোষ্ঠীর সশস্ত্র মিলিশিয়া। ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর বিদ্রোহীদের হাতে গাদ্দাফি তাঁর পুত্রসহ নিহত হওয়ার পর থেকে লিবিয়ায় ক্ষমতা নিয়ে রীতিমতো রশি টানাটানি শুরু হয়। বিভিন্ন মিলিশিয়া বাহিনী, আদিবাসী গোষ্ঠী ও বিদেশ থেকে আসা সশস্ত্র দলগুলোর মধ্যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বৃদ্ধি পায়। এই সুযোগে সেখানে আইএস মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তাদের দমনে যুক্তরাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ করার চিন্তাও করছে। সব দিক মিলিয়ে লিবিয়ার পরিস্থিতি আর যা-ই হোক, গাদ্দাফির শাসনামলের চেয়ে ভালো নয়। বরং সংঘাত ও রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা বেড়েছে।
আরব বসন্তের পাঁচ বছর পর এসব দেশের সার্বিক যে পরিস্থিতি, এতে কোনো দেশেই স্থিতিশীলতা বা শান্তি নেই। বরং যে আশা নিয়ে বিপ্লবের উন্মেষ ঘটেছিল, তা আজ সুদূরে বিলীন। এত দিনে এটাও পরিষ্কার যে, এই বিপ্লব আসলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লক্ষ্য নিয়ে আসেনি। গণতন্ত্রের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে তা ছিল পশ্চিমা স্বার্থাণ্বেষী গোষ্ঠীর স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা। ইউরোপ ও আমেরিকা এতে ইন্ধন জুগিয়েছে অস্ত্রের ব্যবসা করতে এবং তেল আমদানির সুবিধা নিতে।
গত ডিসেম্বরে একটি আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রামতানে লামামরা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিদেশের সামরিক হস্তক্ষেপ বিভিন্ন দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছে। সন্ত্রাস বাড়িয়েছে। এসব সামরিক হস্তক্ষেপ কেবল সমস্যারই অংশ হতে পারে, তা কোনো সমাধান আনতে পারে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে হচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট?
এনএলডির চরম বিপদের মুহূর্তের অন্যতম সহায়ক হিসেবে খ্যাত দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য টিন উ। ১৯৮৮ সালের গণবিপ্লবের সময় তার ভূমিকা অতীব গুরত্বপূর্ণ। তিনি নি উইন সরকারের সেনাবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৮৮ বছর বয়সী এ বিপ্লবী নেতা নিজেই দেশের নেতৃত্বের ব্যপারে অতটা আগ্রহী নয়। গত বছরে ইরাওয়াদ্দি সংবাদ মাধ্যমের ওয়েবসাইটে তিনি বলেছিলেন, আমি কখনও দেশের প্রেসিডেন্ট হতে চাইনি। সাবেক সেনা কর্মকর্তা উইন থেইনের নামও ব্যাপকভাবে আলোচিত হলেও তিনি নির্বাচনের পর বলেছিলেন, নিজের স্বাস্থ্যগত ও বয়সজনিত কারণে দেশের এমন গুরুভার কাঁধে নেবেন না। এছাড়া, সুচির পারিবারিক ডাক্তার টিন মিও উইনের নামও জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। তিনি এনএলডির ন্যাশনাল হেলথ নেটওয়ার্কের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি ইয়াঙ্গুনের মুসলিম ফ্রি হাসপাতালের প্রধান শৈল্য চিকিৎসক। সোমবার দেশটির সেনাবাহিনী প্রধান মিন অং হেইংয়ের সঙ্গে আলাপচারিতায়ও উইনের ভূমিকা প্রশংসিত। এদিকে, পার্লামেন্টের বর্তমান স্পিকার ইউ শয়ে ম্যান ও অং সান সুচির মধ্যে সমঝোতা হয়ে আছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেনাবাহিনী ও সুচির দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সমঝোতার বিষয়টি। তবে শয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। অং সান সুচিকে নিয়েই সবশেষ চমক থেকে যাচ্ছে। নির্বাচনে দেশটির তিন-চতুর্থাংশ পার্লামেন্ট আসন ইতিমধ্যেই জিতে নিয়েছেন তিনি। তবে সেনাদের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশটিতে বিরাজমান সংবিধান সংশোধন করতে না পারলে সুচির প্রেসিডেন্ট হওয়া এখনও ধোয়াশাই থেকে যাচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরণার্থীতে এবার খড়্গহস্ত জার্মানি
গত বছর জার্মানি প্রায় ১১ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। এদের অধিকাংশই যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে আসা। সম্প্রতি শরণার্থী ইস্যুতে অভ্যন্তরীণ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাপের মুখে রয়েছে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। এক জরিপে জানা গেছে, শরণার্থী সংকটের জের ধরে ৪০ শতাংশ জার্মান মার্কেলের পদত্যাগ চায়। আগামী মার্চে জার্মানির তিনটি রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী বছর দেশটিতে অনুষ্ঠিত হবে সাধারণ নির্বাচন। আসন্ন এ দুটি নির্বাচনে ভোটারদের মন রক্ষা করতেই মার্কেলের রক্ষণশীল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটস দল শরণার্থী ইস্যুতে কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিকে ফিনল্যান্ডে আশ্রয় নেয়া ৩২ হাজার শরণার্থীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশকেই ফেরত পাঠাতে চাইছে দেশটি। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক পাইভি নের্গ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন,
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গান্ধীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘হত্যাকারীর’ বই
উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করেছিলেন নথুরাম বিনায়ক গডসে। রবীন্দ্রনাথের ভাগ্নিকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন গান্ধী? : ভারতীয়দের কাছে যেমন সংগ্রামী নেতা হিসেবে পরিচিত, তেমনি বহু নারীর সঙ্গে রগরগে সম্পর্ক ছিল গান্ধীর- এমন পরিচয়েও তিনি কম সমালোচিত নন। গান্ধীর সঙ্গে নতুন আর এক নারীর সম্পর্কের সন্ধান পাওয়া গেছে। শুক্রবার গান্ধীর দৌহিত্র রাজমোহন গান্ধীর লিখিত বইয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য দিয়েছে ডেইলি ভাসকর। বলা হয়েছে, ৫০ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের ভাগ্নি সরলা দেবীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন গান্ধী। রাজমোহন তার বইয়ে বলেন, আমার সঙ্গে সরলা দেবীর বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন দাদা (গান্ধী)। কিন্তু তিনি সরলার প্রেমে পড়ে যান আর নিজেই বিয়ে করতে ইচ্ছা পোষণ করেন। আরও বলা হয়েছে, সরলা ছিল গান্ধীর স্ত্রী কসতুরবার মতো বুদ্ধিমতী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপা চেয়ারম্যানের কাছে মানবিক আবেদন by মিনা ফারাহ
বয়স ৮৬ কিন্তু হাবভাবে যুবক, ক্ষমতার খাইখাই এখনো তরুণদের মতো। সব কিছুরই বয়স আছে, যৌবনে যা মানায়, বার্ধক্যে তা মানায় না। ৫ জানুয়ারি প্রতিহত করার ক্ষমতা একমাত্র তারই ছিল, কারণ তারাই একে অপরের নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরছেন এবং ঘোরাচ্ছেন। কিন্তু ‘আসল’ বিরোধী দল হওয়ার খেলায় ভবিষ্যতে আরো কত মানুষের প্রাণ যেতে পারে, এ ব্যাপারে তারা ড্যাম কেয়ার হওয়ার কারণ, প্রত্যেকের হাবভাবে যেন মরণোত্তর ক্ষমতারও গ্যারান্টি। নতুন করে শুরু হলো তিন নম্বর ফাইটিং বেগমের সাপ খেলা, ২০৪১ সালে যার শতবর্ষ পূর্ণ হবে। ৮৩ বছর বয়সে মাথায় বুলেট ঠেকিয়ে বলেছিলেন, দেশবাসীর সাথে কিছুতেই প্রতারণা করবেন না। ৮৬ বছর বয়সেও স্বভাব গেল না। অভিশাপের হাত থেকে সহসাই মুক্তি আসছে না। জাপা চেয়ারম্যানের অতীত-বর্তমান আমলে নিয়ে আধ্যাত্মিক আলোচনাই সময়োপযোগী।
ত্রিখণ্ড ভারতের অনেক রাষ্ট্রনায়কই বয়সের দিক থেকে চেয়ারম্যান এরশাদের মতো সৌভাগ্যবান নন। অল্প বয়সেই কেউ ফাঁসির মঞ্চে, কেউ অভ্যুত্থানে, কেউ আততায়ীর গুলিতে খুইয়েছেন অমূল্য জীবন। তাতে কার কী লাভ হয়েছে জানি না। তবে ক্ষমতার মতো জীবন একখণ্ড তিলেখাজা নয়। রাজনীতির তুরুপের তাস ৮৬ বছরের তরুণ চেয়ারম্যানের চেয়ে লক্ষগুণ বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন চেয়ারম্যান মাও-এর মৃত্যু হয়েছে তার চেয়ে কম বয়সে অর্থাৎ ৮৩। মৃত্যুঞ্জয়ীকে জানতে চাই। জার্মানি আছে; কিন্তু নাৎসি পার্টি ফের ক্ষমতায় এলেও হিটলারের ক্ষমতা নেই চ্যান্সেলর হওয়ার। কথাটির অর্থ গভীর। বুড়ো বয়সেও এরশাদ দম্পতির খাইখাই দেখে মনে হচ্ছে, তিন ফুট অন্ধকার ঘরের চিন্তা মাথায় নেই। কিন্তু গোরস্থানের নামফলকগুলো সে কথা বলে না। বয়স্ক রাজনীতিবিদদের মৃত্যুঞ্জয়ী আচরণ, দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। তবে এখন বকধার্মিক হলেও চেয়ারম্যানের ধর্মভীরু আচরণের বহু প্রমাণ তিনি নিজেই।
যতই নামাজ পড়–ন, যতবারই হজ করুন, মিথ্যাবাদী এবং দুর্নীতিবাজদের আল্লাহ কি সহজে ছেড়ে দেবেন? বকধার্মিকেরা ইতোমধ্যে মধ্যবর্তী নির্বাচন মাথায় রেখে কুকর্মে নেমে পড়েছে। পোস্টারে নামাজি ছবি, মাজারে-দরগায় ধর্মের ট্যাবলেট বানিয়ে ভোট প্রার্থনা শুরু হয়েছে। তবে ষড়যন্ত্রের অংশীদার হওয়া ইতোমধ্যে অতি বুড়ো চেয়ারম্যানের বয়সের সাথে কি মানায়? কোনোরকম ব্যতিক্রম ছাড়াই দল এবং পরিবারহীন পরকালই বাস্তবতা। জাপা চেয়ারম্যানসহ বেশির ভাগেরই যে বয়স, ক্ষমতার খাইখাই বাদ দিয়ে মৃত্যুচিন্তাই কাম্য, কিন্তু তারাই সবচেয়ে বড় প্রতারণার প্রমাণ। অহেতুক মৃত্যুর কারণ হওয়ার শাস্তির বিধানও আসমানি কিতাবে। মৃত্যুর পর সত্যি সত্যিই সৃষ্টিকর্তার মুখোমুখি হতে হলে, ৫ জানুয়ারির কী জবাব দেবেন, এর প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করা উচিত। চেয়ারম্যানকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত বিশেষ দূত রাখতে চাইলেও, বাস্তব ভিন্ন কথা বলে।
অদৃশ্য বার্ধক্যকে যৌবনের রুজলিপস্টিক মাখিয়ে সাময়িক প্রতারণা সম্ভব, যা পরকালে অসম্ভব। মৃত্যুচিন্তা অদৃশ্য বলেই জন্মপ্রক্রিয়া সচল। একমাত্র মৃত্যুই মৃত্যুঞ্জয়ী। ‘ডেজার্ট স্টর্ম’ খ্যাত বাবা বুশ যে দিন প্রায় দুই হাজার ইরাকি সৈন্যের বেরিয়ে আসার সুড়ঙ্গপথে বুলডোজার মারলেন, তখন তিনি টগবগে যুবক। বর্তমানে হুইল চেয়ারে, এ কথা মনে থাকে না। জাপা চেয়ারম্যান অনেক সৌভাগ্যবান, ৮৬ বছর বয়সেও তিন ফাইটিং বেগমের ‘কোহিনূর’। জিম্বাবুয়ের স্বৈরাচারী মুগাবের পর সক্রিয় রাজনীতিতে রেকর্ড এরশাদেরই। ৩০ বছর ক্ষমতা ভোগের পরও, ৯৩ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট মুগাবের খায়েশ মেটেনি। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের আচরণও সেই রকম। আর তিন নম্বর ফাইটিং বেগমের ঝুড়িতে নতুন ‘পাইথন’, মানবতার বিরুদ্ধে একরকম যুদ্ধ ঘোষণা। অভিশপ্তরা আর কতকাল?
জাপা চেয়ারম্যানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের আয়ুষ্কাল, বিশ্বে প্রথম ১০ জনের একজন। বহু মানুষ এর চেয়ে কম সময় বাঁচে। জিয়াউর রহমান তাকেই চিফ অব আর্মি স্টাফ বানানোর পর থেকেই ক্ষমতার লাগাম আষ্টেপৃষ্ঠে। মুক্তিযুদ্ধ না করেও মুজিব আমলে ফিরে আসামাত্র সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ পদ, ১৯৮২ সালে সিএমএলএ। ১৯৮৩ থেকে ’৯০ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি। আজ অবধি তুরুপের তাস। ১৭ কোটি মানুষের জীবন বিষাক্ত করছেন তিন ফাইটিং বেগম এবং ২০৪১ পর্যন্ত জাপাই কোহিনূর। যে দুই বেগম তাকে গদিছাড়া করলেন, তারাই তার সৌভাগ্যের কাছে পরাজিত। শাড়ি পুরান হলে কাঁথা হয়, বস্তা পুরান হলে গরুর শীতবস্ত্র হয়। একমাত্র বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরাই পুরান হন না। আর তাই মুগাবেকে পরাজিত করা চেয়ারম্যান সাহেবও ৮৬ বছর বয়সে বসন্তের গোলাপের মতো নবীন, রাজনীতি এবং তরুণীরা এখনো নাকি তাকে নিয়ে টানাটানি করতে চান। তিন ফুট নামফলকের নিচে স্থায়ী ঘরটির চিন্তা থাকলে এসব সম্ভব হতো না। ২০৪১ সাল পর্যন্ত এক ব্যক্তিই যদি ক্ষমতায় থাকেন, ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদের বই অনুযায়ী, জাপা ছাড়া আওয়ামী লীগের বিরোধী দল বলে আর কারো অস্তিত্ব নেই। সিলেটের ভোট প্রার্থনাও মহামারীর উপসর্গ। ২০৪১ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা দেয়া ব্যক্তিই শুধু মুগাবে-এরশাদকে পরাজিত করতে পারেন। তবে ওই সালে ধনী রাষ্ট্র, অর্থাৎ বিশ্বব্যাংক ফর্মুলা অনুযায়ী ১০৮৬ থেকে ১২৪৭৬ ডলার মাথাপিছু আয় হতে হলে, বাস্তব কী বলছে, বুড়ো চেয়ারম্যানের গ্রাহ্য করা উচিত। ২০৪১ সালে মুগাবের বয়স যখন ১১৭, জাপা চেয়ারম্যানের ১১১, রওশনের ১০০, হাসিনার ৯৪। তবে ওই সালে মুগাবে এবং এরশাদ আদৌ ইহলোকে থাকবেন কি না, জানার আগেই অনেকের মৃত্যু হবে। মিশেল ওবামা গদির জন্য লড়বেন কি না, এ প্রশ্নে ‘একমাত্র মৃত্যুই গ্যারান্টি’ বলে সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দিলেন প্রেসিডেন্ট ওবামা। ক্ষমতার খাইখাইদের মধ্যে মৃত্যুচিন্তা উধাও বলেই অনির্বাচিত পার্লামেন্ট, কিন্তু কোনো পার্লামেন্টই কাউকে মৃত্যুঞ্জয়ী করে না। অনির্বাচিত পার্লামেন্টের প্রধান অংশীদার চেয়ারম্যান, সৃষ্টিকর্তার কাছে ভ্রষ্টাচারের কী জবাব দেবেন, সেটাই ভাবছি।
চেয়ারম্যানের জীবনবৃত্তান্তে এমন কিছু বাকি নেই, যার জন্য আর আফসোস থাকা উচিত ছিল। একজন মানুষ কত খেতে পারে? মৃত্যু ছাড়া আর কে মৃত্যুঞ্জয়ী? তিনি রাজি না হলে, অনির্বাচিত পার্লামেন্ট গঠন কার সাধ্য? সুজাতা সিংকে অবশ্যই বলতে পারতেন- ‘স্যরি’। তখনকার আন্দোলনে অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী তিনিও। বার্ন ইউনিটেরও অন্যতম ভাগীদারের দায় এড়াতে পারবেন না। কারাগারে তিন গুণ বেশি বন্দীর মানবেতর অবস্থার অভিশাপ থেকেও মুক্তি নেই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের বিশাল জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি নির্মূল করতে ২৫-৩০ বছর তো লাগবেই, যেমন লেগেছে ইরাকে। এই নির্মূল করার প্রতিক্রিয়া থেকেই ‘আইসলের’ অভ্যুত্থান রাকায়। ২০৪১ সালের মহাপরিকল্পনা পূর্ণ করতে হলে, কতগুলো ‘রাকা’র সৃষ্টি হতে পারে, বলা যাচ্ছে না। তবে অষ্টম জনবহুল দেশে, প্রতি বর্গকিলোমিটারে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা। ইউরোপের অর্ধেক দেশের সমপরিমাণ জনসংখ্যা। ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগে ভবিষ্যতে এই দেশে অনেক কিছুই ঘটতে পারে, তা অস্বীকারের কোনোই কারণ ছিল না। ১১১ এবং ১০০ বছর বয়সে উন্নতির পার্টনার দম্পতি ২০৪১ সালে কোথায় থাকবেন, নিজেরাও জানেন। চেয়ারম্যানের কারণেই বহুদলীয় গণতন্ত্র, ’৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্রে পা রাখল। অসৎ সঙ্গে পড়ে নিজের লেগেসিকে ধ্বংস করার মানে হয়?
২
জাতীয় পার্টির নতুন নাটক নিয়ে আমার ন্যূনতম সন্দেহ নেই। সব উপসর্গই বলছে, জাতীয় পার্টিই আসল বিরোধী দল হওয়ার পথে। এই লক্ষ্যেই সরকার থেকে বেরিয়ে আসার ভুয়া বাকযুদ্ধ। মহাজোটের বডিল্যাঙ্গুয়েজে মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছেন বেগম নম্বর তিন। এ জন্য দেশ ও মানুষ কী মূল্য দেবে, পরকালের চিন্তা দম্পতির মাথায় নেই। অথচ ব্যক্তি এরশাদ একজন ধর্মভীরু মুসলমান হিসেবেই নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছেন বহুবার। তার আগে রাষ্ট্রধর্ম করার সাহস আর কেউ করেননি। আটরশি পীরেরও মুরিদ, রাষ্ট্রপতি থাকাকালে তাই নিয়মিত যেতেন ফরিদপুরে। তার ‘ধর্মভীরুতার’ কার্যক্রম তখন পত্রিকায় ছাপা হতো। তাহলে কেন এই কেলেঙ্কারি? তিনি জানেন, ৫ জানুয়ারি কেন অবৈধ। কেন ‘আসল’ বিরোধী দলের বদলে প্রয়োজন কার্যকর বিরোধী দল। কেন ২০ দলের বিরুদ্ধে খানবাহাদুর-রায়বাহাদুরদের সরব যুদ্ধ। মিথ্যা মিথ্যাই এবং মিথ্যার শাস্তি হবেই। চেয়ারম্যানকে ঘিরে আছে অসংখ্য বিষাক্ত প্রাণী, দুর্নীতিবাজ, লোভী, দুর্বৃত্ত, চোর-বাটপাড়েরা; মানবতার শত্র“ তারা, ক্ষমতার খাইখাই ছাড়া কিছুই বোঝে না। ‘যে পাপ করে, তার চেয়ে অধিক শাস্তি পাবে পাপীকে যে সমর্থন করে।’ বুড়ো বয়সে নতুন ষড়যন্ত্রে না জড়িয়ে উচিত ছিল, মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো। এখন বকধার্মিক জানেন, ৫ জানুয়ারি কত বড় পাপের বোঝা এবং পাপের শাস্তি হবেই। মধ্যবর্তী নির্বাচনে চোর-বাটপাড়দের পকেট ভারী হবে, কিন্তু ১১১ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত থাকলে, আমিও লেখা ছেড়ে দেবো।
৫ জানুয়ারিকে ‘হ্যাঁ’ বলাটা ভ্রষ্টাচার। সারা জীবনই বড় পদে থেকেছেন, ভালো কাজও করেছেন, গত ৪৪ বছরে একমাত্র রাষ্ট্রনায়ক যিনি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন। তার বর্ণাঢ্য জীবনের জন্য বিশেষ দূত এবং কয়েকটি মন্ত্রীর পদ তুচ্ছ। চাইলে ’৯০-এ মুগাবের মতোই ক্ষমতা দখলে রাখতে পারতেন হয়তো। অথচ নিজের হাতেই কবর দিলেন লেগেসি? একটি লেগেসির জন্য মানুষ কত পরিশ্রম করে! ইরান ও কিউবার সাথে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করাই ওবামার লেগেসি। ম্যান্ডেলা স্বেচ্ছায় একটানা ২৭ বছর জেল খেটেছিলেন কি নিজের পরিবারের জন্য? মন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিয়ে বলিভিয়ানদের মুক্তির জন্য গেরিলা অপারেশনে গিয়ে নিহত, চে গুয়েভারা কি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য কাজটি করেছিলেন? এত বছর পরও তাদের লেগেসি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণা। কারো উপকার করলে চোখে পানি আসে। কিন্তু ১০০টা খুন করলেও চোখ থাকে শুকনো। কেন?
প্রত্যেকের কাছেই কিছু না কিছু শেখার থাকে। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরা আত্মজীবনী লেখেন না। লিখবেন কোন সাহসে? পত্রিকায় প্রকাশিত খবর মোতাবেক, বেশির ভাগই নানা অপরাধে অপরাধী। কেউ লিখলে, বই নিষিদ্ধ করে উত্তরসূরিরা, সংসদে গালিগালাজের বোমাবর্ষণ। এমনকি পাশের দেশের রাজনীতিবিদেরাও আত্মজীবনী লিখে যাচ্ছেন। পশ্চিমা রাজনীতিবিদদের ৯৯ শতাংশই বই লেখেন। সুজাতা সিংয়ের কলঙ্কে কলঙ্কিত না হলে, রাষ্ট্রনায়ক এরশাদের বর্ণাঢ্য আত্মজীবনীও হতে পারত নতুন প্রজন্মের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
৩
আরেকটি ৭ মার্চের প্রয়োজন হলে কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হতো, নব্য উপনিবেশবাদীদের কুঠিবাড়ির নিয়মিত অতিথি চেয়ারম্যান সেটা জানেন। তাকে কেন্দ্রবিন্দু করে ঢাকা-দিল্লির দরকষাকষি বোঝার জন্য কারো আত্মজীবনীর প্রয়োজন না হলেও, সালমান খুরশিদের আত্মজীবনী ৫ জানুয়ারি ষড়যন্ত্রের আরেক কেতাব। সুজাতা-পঙ্কজ গংয়ের কর্মকাণ্ডেও মহামারী। আবার হঠাৎ করেই প্রধান বিচারপতির কুরুক্ষেত্র বক্তব্য, এস কে সিনহার বিরুদ্ধে বিচারপতি মানিকের অনক্যামেরা দেশদ্রোহিতার অভিযোগ (‘এস কে সিনহা শান্তি কমিটির সদস্য এবং সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন’), রওশন বনাম এরশাদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই... পিপলস পার্লামেন্ট আর হচ্ছে না। যে দিন এরশাদ মাথায় বন্দুক রেখে বললেন, নির্বাচনে যাচ্ছেন না,... সাথে সাথে কি উড়ে আসেননি সুজাতা সিং?
মহামতি আলেকজান্ডারের একটি গল্প। মৃত্যুশয্যায় জেনারেলকে তার তিনটি কথা। শবযাত্রা পথে হীরা-মণি-মানিক্য বিছানো থাকবে, দুই হাত থাকবে কবরের বাইরে, ডাক্তারেরা মৃতদেহ বহন করবে। জেনারেলের প্রশ্নের উত্তরে, মানুষ দেখুক, যে বিশ্বজয়ী সারা জীবন ব্যয় করল রতœভাণ্ডার লুটপাটে, সে শূন্য হাতেই চলে যাচ্ছে, ডাক্তারেরাও মৃত্যুকে সারিয়ে তুলতে পারে না। কিন্তু আশপাশের অ্যান্টি-মানুষের কারণে এরশাদের পাগলের অবস্থা। পার্টির লোকেরা মলমূত্রের চোখে দেখে, বিশেষ করে রওশন এরশাদ গং। মৃত্যুচিন্তা মাথায় রেখে দুষ্ট ব্যক্তিদের এখনই বিনাশ না করলে, পরকালে সম্ভব? পার্টির ক্ষমতা এরশাদের হাতে। সুতরাং রওশন আর বাবলুদের অবিলম্বে নস্যাৎ করতে সত্যের পথে আসা উচিত।
তবে স্বীকার করতেই হবে, নির্বাচনে রাখতে সরাসরি জামায়াতের ভয় দেখানো হয়েছিল। অন্যথায় তার জীবন সংশয়। সিএমএইচে নিয়ে গওহর রিজভী গংদের উদ্ভট আচরণ পত্রিকায়। সুজাতা সিংয়ের ধমক, ‘...তুমি যদি নির্বাচনে রাজি না হও, জামায়াত ক্ষমতায় আসবে, জামায়াত একটি সন্ত্রাসী দল, এই দেশ সন্ত্রাসে ভরে যাবে, তুমি কি তাই চাও?’ এরশাদের উচিত, অবিলম্বে চোর-বাটপাড়দের মুখোশ উন্মোচন। লেগেসির সময় শেষ হয়নি। পদত্যাগ করে পাপের গোমর ফাঁস করলে ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে চেয়ারম্যানের নাম। অন্যথায় নির্বাচন নিয়ে আবারো তেলেসমাতি হলে, মানুষের মৃত্যুর দায় তার ঘাড়েই।
অসংখ্য দায়মুক্তির শৃঙ্খলে জর্জরিত উন্নতির অন্যতম অংশীদার জাতীয় পার্টি, পাপেরও অংশীদার। এরশাদ জানেন, ফাঁপা উন্নতি নিয়ে কী ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। বিদেশীরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢেলে কী আদায় করছে! ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল কাদের স্বার্থে! ২৪ তারিখে প্রথম আলোতে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত রিপোর্ট দুটো অর্থনীতির ভয়াবহ মানচিত্র। উপনিবেশকেন্দ্রিক উন্নতি মানুষের কাজ হলে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকান। ব্যাংকগুলোর দুর্নীতি মহামারী আকারে। যদি দায়মুক্তি পাওয়া তৃতীয় শ্রেণীর রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রটিতে বিস্ফোরণ ঘটে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, পরকালে কী জবাব? দায়মুক্তি পাওয়া রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সুন্দরবন ছারখার হবে অনেকে বলেন? জুডিশিয়াল কিলিংয়ের দায় এরশাদের ঘাড়েও। মহাজোটের ক্ষয়রোগে প্রতিদিনই মরছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত কর্মীরা। দায়মুক্তির বদলে পাপমুক্তির সময় এখন।
বাল্মীকি মুনির একটি গল্প দিয়ে শেষ করছি। দস্যু রত্নাকরকে ছদ্মবেশী ঈশ্বর নারদ বললেন, মানুষ হত্যা করে সম্পদ লুটে নিচ্ছো, তোমার পরিবার কি এর দায়িত্ব নেবে? ডাকাতের উত্তর, কেন নেবে না? ‘তুমি আমাদের খাওয়াবে-পরাবে, পাপের ভাগী হবো কোন দুঃখে?’ -উত্তর দিলো তার স্ত্রী। এর পরই ডাকাত রত্নাকর হলেন, ‘রামায়ণ’ লেখক- বাল্মীকি মুনি। আপসহীনের মৃত্যুতে যে গৌরব, বিশেষ দূত হওয়ার মধ্যে তা নেই। সত্য বললে হয়তো ম্যান্ডেলার লেগেসি হতে পারে, এর চেয়ে বড় পুরস্কার আর কী? ম্যান্ডেলার মতো ইটভাঙা নয়, বরং জেলে ডিভিশন পাবেন। সুতরাং নির্ভয়ে সত্যের পথে আসার সব কারণই তার জন্য তৈরি হয়েছে। চেয়ারম্যানকে মানবিক নিবেদন- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ’৯০-এর লেগেসি মাথায় রেখে আবারো সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ান।
ই-মেইল : farahmina@gmail.com
ওয়েবসাইট : www.minafarah.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতার ছায়ায় ‘রাজনীতির দোকান’ by উৎপল রায়

২০০৯ সালে প্রথম মেয়াদে সরকার গঠনের পর থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের দুই মেয়াদে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নামে বেনামে অসংখ্য সংগঠন গড়ে উঠেছে। দলের কেন্দ্রীয় ও দায়িত্বশীল এ সংখ্যা পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, দল যেহেতু ক্ষমতায়, তাই এসব সংগঠন রাজনীতির দোকান খুলে বসেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের নাম ভাঙিয়ে চলছে এসব সংগঠন। দাপটের সঙ্গে তাদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, জাতীয় প্রেস ক্লাব, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা নামসর্বস্ব এসব সংগঠনের কার্যালয় দূরের কথা, এদের কোনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি পর্যন্ত নেই। অনেক সংগঠন তাদের ঠিকানা ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দাবি করলেও সেখানে তাদের কোনো অফিস বা দপ্তরও নেই। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল ও রাজনীতি সচেতন কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা মনে করেন, এসব ভুঁইফোড় ও নামসর্বস্ব সংগঠন দলের নাম ভাঙিয়ে ‘আগাছা’ ‘পরগাছা’ হয়ে ‘স্বার্থ হাসিলের দোকান’ খুলে বসেছে। সূত্র জানিয়েছে, প্যাডসর্বস্ব এসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি, নিয়োগ বাণিজ্য, তদবিরসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া সংগঠনের নেতৃত্ব কর্তৃত্ব নিয়েও নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে জড়াচ্ছেন তারা।
অতি পরিচিত একটি সংগঠন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। এই সংগঠনটিতে পরিচিত মুখ অনেকে সময়ে সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি এ সংগঠনের সভাপতি টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম মামলা করেছেন তার সই জাল করে প্রতারণার। অভিযোগ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার বিরুদ্ধে। রানা যদিও অভিযোগ করেছেন, তার স্বাক্ষরও জাল করা হয়েছে একই প্যাডে। সই জাল করে সংগঠনের নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ করে তারানা হালিমের পক্ষে মামলাটি দায়ের করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের বেশ কজন প্রভাবশালী নেতা, সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী নামসর্বস্ব এসব সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। এমনকি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা নিয়মিত অংশ নেন।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, তাঁতী লীগ ও যুব মহিলা লীগ দলের সহযোগী সংগঠন। এছাড়া ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদকে ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ আরও কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠনও আওয়ামী লীগের নামে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ১৫ই আগস্ট শাহাদাৎবার্ষিকী, শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মদিবসসহ জাতীয় নানা দিবসের কর্মসূচি পালন করে। এসব সংগঠনের পাশাপাশি নতুন গজিয়ে ওঠা সংগঠনও দিবসভিত্তিক কর্মসূচি পালনে সক্রিয় থাকে। নতুন করে উদ্ভব হয়েছে ‘শিশু লীগ’, ‘আওয়ামী দর্জি লীগ’, ‘আওয়ামী চালক লীগ’ ‘আওয়ামী সমবায় লীগ’সহ আরও কিছু সংগঠন। এছাড়া নামে বেনামে চলছে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী, জননেত্রী পরিষদ, আওয়ামী ওলামা লীগ, আওয়ামী বাস্তুহারা লীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, আওয়ামী পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা লীগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ ফোরাম, আওয়ামী পরিবহন শ্রমিক লীগ, আওয়ামী যুব সাংস্কৃতিক জোট, জনতার মঞ্চ, জনতার প্রত্যাশা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা গবেষণা পরিষদ, আওয়ামী প্রচার লীগ, আওয়ামী তরুণ লীগ, আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ, আওয়ামী রিকশাচালক মালিক-শ্রমিক ঐক্য লীগ, আওয়ামী যুব হকার্স লীগ, বঙ্গবন্ধু লেখক লীগ, মুক্তিযোদ্ধা জনতা লীগ, বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, বঙ্গবন্ধু একাডেমি, বঙ্গবন্ধু বাস্তুহারা লীগ, বঙ্গবন্ধুর চিন্তাধারা বাস্তবায়ন পরিষদ, আমরা মুজিব সেনা, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা লীগ, মুক্তিযোদ্ধা জনতা লীগ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব পরিষদ, জননেত্রী পরিষদ, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদ, স্বাধীনতা পল্লী চিকিৎসক পরিষদসহ অসংখ্য নামসর্বস্ব সংগঠন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে এছাড়া ওলামা লীগ, বঙ্গবন্ধু মঞ্চ, বাংলাদেশ হকার্স লীগসহ ২২টি সংগঠনের একটি জোট (সম্মিলিত আওয়ামী সমর্থক জোট) ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আহূত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবদুল হক সবুজ এই জোটের চেয়ারম্যান হয়ে জোটের নেতাকর্মী ও সংগঠনের দেখ-ভাল করতেন। কিন্তু ব্যাপক সমালোচনার মুখে তিনি সম্মিলিত আওয়ামী সমর্থক জোটের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ান। বর্তমানে নিয়াজ মোহাম্মদ খান নামে আওয়ামী লীগের একজন নেতা এই নামসর্বস্ব জোটের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নূহ-উল-আলম লেনিন মানবজমিনকে বলেন, দল ক্ষমতায় থাকলে যা হয় সংগঠনের নামে তা-ই হচ্ছে। এরা রাজনীতির নামে রাজনীতির দোকান খুলে বসেছে। কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের কিছু নেতাও এসব সংগঠনের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা বিবৃতি দেয়। মনগড়া নানা কথা বলে। আমরা এসব পাত্তা দিই না। আমার ধারণা, বিএনপি-জামায়াতের লোকজনও এসব সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, নামসর্বস্ব সংগঠনের অনেকেই কর্মসূচির নামে চাঁদাবাজি করে এরকমও শুনেছি। কিন্তু এসব তৃতীয় ও চচুর্থ শ্রেণির সংগঠনের বিষয়ে আমরা ভাবি না। আওয়ামী লীগের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আলাপকালে বলেন, কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের কিছু নেতা এবং বর্তমান ও সাবেক কিছু মন্ত্রী মিডিয়া কভারেজ পাওয়ার জন্য ভুঁইফোড় বিভিন্ন সংগঠনের অনুষ্ঠানে যান। তারা তাদের মতো করেই সেখানে বক্তব্য বিবৃতি দেন। তবে, এসব সংগঠনের কোনো রাজনৈতিক স্বীকৃতি ও সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। তারা আওয়ামী লীগেরও কেউ নয়। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা ক্ষোভের সঙ্গে মানবজমিনকে বলেন, এসব সংগঠনের কোনো দোষ নেই। কেন্দ্রীয় ও মহানগরের শীর্ষ নেতারাই এদের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন। এদের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের বিপক্ষে ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বললে যে কোনোভাবেই বলা যায়। এসব নামসর্বস্ব সংগঠনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কথা বলার কোনো যুক্তি দেখি না।

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি ফাতেমা জলিল সাথী বলেন, আরও চারজন মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের ব্যানারে কর্মসূচি পালন করলেও তার পরিচালিত সংগঠনটিই আসল। আলাপকালে তিনি জানান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা তার পরিচালিত মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। আর একই নামে অন্য চারটি সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী। গত কয়েক বছর ধরে আওয়ামী শিশু লীগের ব্যানারে একটি সংগঠনের কিছু শিশু কিশোরকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সভা, সমাবেশ ও মানববন্ধনে অংশ নিতে দেখা গেছে। এছাড়া একই সংগঠনের নামে মাঝে মাঝে ব্যানার ও প্যানাফ্লেক্সও শোভা পায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ছবি। ব্যানারে লেখা থাকে ‘আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত’। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১২ সালে ‘শিশু লীগ’ নামে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। বেশ কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বিগত কয়েক মাস ধরে শিশু লীগের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা রাজধানীর ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মুন্সী। মানবজমিনকে তিনি বলেন, আমি একটি ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের একত্র করে এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের পড়ালেখাসহ তাদের যাবতীয় বিষয় দেখভাল করার। কিন্তু অনেকেই বিষয়টি নেতিবাচক হিসেবে নিয়েছে। তাই কয়েক মাস ধরে শিশু লীগের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে তা আবার চালু হবে কিনা তা বলতে পারছি না। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ব্যানার ফেস্টুন ও দলীয় কর্মসূচিতে শিশুদের নিয়ে অংশগ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিরল রোগ, শিকড়ের মতো হয়ে যাচ্ছে হাত-পা by উত্তম মণ্ডল
এমন ‘শিকড়’ গজিয়েছে ২৫ বছর বয়সী যুবক আবুল বাজনদারের হাত ও পায়ে। তাঁর বাড়ি খুলনার পাইকগাছা সদরের সরল গ্রামে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, এটি বিরল রোগ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি ‘এপিডার্মোডাইসপ্লাসিয়া ভেরাসিফরমিস’ নামে পরিচিত। জিনগত এবং একধরনের ভাইরাসের কারণে এই রোগ হয়ে থাকে।
গত ২৩ ডিসেম্বর খুলনার গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে আবুল চিকিৎসা নিতে যান। আবুলের প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বঙ্গ কমল বসু।
গত বৃহস্পতিবার বঙ্গ কমল বসু প্রথম আলোকে বলেন, আবুলের রোগটি বিরল। এর নাম এপিডার্মোডাইসপ্লাসিয়া ভেরাসিফরমিস। জিনগত এবং একধরনের ভাইরাসের কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। তিনি জানান, ২৪ জানুয়ারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা আবুলের রোগ নিয়ে একটি বোর্ড বসান। সেখান থেকেই তাঁকে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আবুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট খুপরি ঘরে তিনি শুয়ে আছেন। পাশে বিষণ্ন হয়ে বসে আছেন মা আমেনা বেগম ও বাবা মানিক বাজনদার।
কাঁদতে কাঁদতে আমেনা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ১০ বছর ধরে এই রোগে ভুগছেন আবুল। অনেক চিকিৎসককে দেখালেও ভালো হয়নি, বরং অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
রোগটি সূত্রপাতের কথা জানিয়ে মানিক বাজনদার বলেন, আবুলের বয়স যখন ১৫ বছর, তখন তার ডান হাঁটুর নিচে আঁচিলের মতো একধরনের গোটা উঠতে থাকে। পরে দুই হাতের কনুই পর্যন্ত এবং দুই পায়ের হাঁটু পর্যন্ত আঁচিলে ভরে যায়। খুলনায় হোমিও চিকিৎসাও করান তাঁরা। কিন্তু শিকড় গজানো ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় আবুলকে। সেখানকার চিকিৎসকেরা একপর্যায়ে তাঁকে আরও উন্নত চিকিৎসা নিতে বলেন। বাবা বলেন, অভাবের সংসারে দ্বারে দ্বারে ঘুরে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে টাকা তুলে দুই দফায় ভারতের কলকাতায় চিকিৎসাও করানো হয়েছে আবুলের।
হাত ও পায়ে গজানো শিকড়কে খুব ভারী মনে হয় আবুলের। তিনি বলেন, এগুলো থেকে মাঝে মাঝে উৎকট গন্ধও তৈরি হয়। খাওয়া থেকে শুরু করে কোনো কাজই তিনি নিজে করতে পারেন না।
আট ভাইবোনের মধ্যে আবুল ষষ্ঠ। ২০১১ সালে গড়ইখালী গ্রামের হালিমা খাতুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের তিন বছরের একটি শিশুকন্যা আছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরুর মাংস ইস্যুতে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা আসছে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদল
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ডেলিগেশন প্রধান জেইন লেম্বার্ড তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। তার সাথে থাকবেন কনজারভেটিভস ও রিফর্মিষ্ট গ্রুপের সদস্য সাজ্জাদ করিম ও প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স অব সোশ্যালিষ্ট অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটিসের সদস্য রিচার্ড হাউয়িট।
১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা সফরকালে প্রতিনিধি দলটি স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করবেন।
গত ২৬ নভেম্বর ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এক প্রস্তাবে বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পার্লামেন্টের আলোচনায় বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে জেইন লেম্বার্ডের নেতৃত্বে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধি দল ২০১৪ সালের মার্চে ঢাকা সফর করেছিল। সেই সফরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি পার্লামেন্টে বলেছেন, বাংলাদেশে আমার সফরকালে একটি সক্রিয় গণমাধ্যম দেখেছিলাম, কিন্তু এটি এখন আক্রমনের শিকার। আমরা জানি যে সরকার ও রাজনীতিকরা সব সময় সক্রিয় গণমাধ্যমকে পছন্দ করেন না, কিন্তু গণমাধ্যম গণতন্ত্রিক উন্নয়নের অংশ। একইভাবে সক্রিয় নাগরিক সমাজ ও এনজিওদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
January
(576)
-
▼
Jan 31
(15)
- বিয়ের অনুষ্ঠানে আগন্তুক! বিস্ময়, মানবতা
- জাপানের কাছ থেকে পাকিস্তানকে শিক্ষা নিতে হবে by আই...
- বাংলাদেশের গাছ-মানবকে নিয়ে বিশ্ব মিডিয়া যা বলছে
- অসহনীয় কষ্টে আছেন বাংলাদেশের 'বৃক্ষ-মানব'
- এরশাদের ডাকা সভায় নেই রওশন ও দলের মন্ত্রীরা
- করপোরেট কর সহনীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনা হবে : অর্থমন্ত্রী
- আরবের বসন্ত বিলাপ by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
- কে হচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট?
- শরণার্থীতে এবার খড়্গহস্ত জার্মানি
- গান্ধীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘হত্যাকারীর’ বই
- জাপা চেয়ারম্যানের কাছে মানবিক আবেদন by মিনা ফারাহ
- ক্ষমতার ছায়ায় ‘রাজনীতির দোকান’ by উৎপল রায়
- বিরল রোগ, শিকড়ের মতো হয়ে যাচ্ছে হাত-পা by উত্তম ...
- গরুর মাংস ইস্যুতে...
- ঢাকা আসছে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদল
-
▼
Jan 31
(15)
-
▼
January
(576)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













