Wednesday, August 12, 2026
‘হাতি পথ হারালে বিপদে মানুষও’ by রুবেল মিয়া
কারণ দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলে বন্য হাতির বিচরণ এবং মানুষ-হাতি সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নালিতাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাতির সংঘাতে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২১ সালের ২৭শে মে পানিহাটা-ফেকামারী এলাকায় রাতে হাতি তাড়াতে গিয়ে অপু মারাক (৪৮) নিহত হন। ২০২২ সালের ২রা আগস্ট মায়াঘাসী পাহাড়ে ঘাস কাটতে গিয়ে হাতির আক্রমণে মারা যান কৃষক ছমেদ আলী (৬৫)। ২০২৩ সালের ৬ই জানুয়ারি দাওধারা-কাটাবাড়ি এলাকায় হাতির সংঘাতে মারা যান শরীফুল আলম। ২০২৪ সালের ১৮ই এপ্রিল বাতকুচি গ্রামে ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে নিহত হন কৃষক উমর আলী। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৯শে মে বাতকুচি নামাপাড়ায় নিজ বাড়িতে হাতির আক্রমণে মারা যান বিধবা সুরতন নেছা। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি হাতির মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
২০২১ সালের ১৯শে নভেম্বর ফেকামারি এলাকায় চাঁন মিয়ার ধানক্ষেতে ২ থেকে ৩ বছর বয়সী একটি হাতিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই সময় এলাকায় প্রায় ৪০টি হাতির একটি পাল অবস্থান করছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। ২০২৪ সালের ৩১শে অক্টোবর রাতে নালিতাবাড়ীর সীমান্তবর্তী বাতকুচি রাবার বাগান এলাকায় ধানক্ষেতে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে একটি মাদি হাতির মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, ফসল রক্ষার জন্য ধানক্ষেতে বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের মার্চে পূর্ব সমশ্চুড়া-লাল টেংগড় এলাকায় বোরো ধানক্ষেতে বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরেকটি বন্য হাতির মৃত্যু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। এসব ঘটনা দেখিয়ে দেয়, মানুষ-হাতি সংঘাতের ক্ষতি শুধু মানুষের ওপরই পড়ছে না; হাতিও হারাচ্ছে প্রাণ।
হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের পথ সংকুচিত হওয়া, বনভূমির পরিবর্তন এবং খাদ্য ও পানির সংকটসহ নানা কারণে হাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে। অন্যদিকে কৃষকরাও ফসল ও বসতবাড়ি রক্ষায় নানা পদ্ধতি গ্রহণ করেন। ফলে সংঘাতের পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় উভয়পক্ষই। এ অবস্থায় প্রয়োজন হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংরক্ষণ, পাহাড়ে খাদ্য ও পানির উৎস নিশ্চিত করা, কৃষকের জন্য নিরাপদ ফসল সুরক্ষা ব্যবস্থা, সংঘাতপ্রবণ এলাকায় আগাম সতর্কতা এবং হাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়লে প্রশিক্ষিত দলের দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ। এই লক্ষ্যেই গত ৪ঠা জুলাই নালিতাবাড়ীতে বন্যহাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসন ও নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। সভায় বন বিভাগ, প্রশাসন, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম, জনপ্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ফাহিম চৌধুরী জানান, বন্যহাতির চলাচল পর্যবেক্ষণ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আগাম সতর্ক করতে গহীন বনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর আর্লি ডিটেকশন ডিভাইস স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে। এদিকে বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে শেরপুরের বালিজুরি, রাঙটিয়া ও মধুটিলা রেঞ্জে পৃথক র্যালি ও আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশ্ব হাতি দিবসে নালিতাবাড়ীর বার্তা তাই একটাই হাতিকে বাঁচাতে হবে, মানুষকেও বাঁচাতে হবে। সংঘাত নয়, প্রয়োজন নিরাপদ সহাবস্থান।

Friday, June 13, 2025
গজনী অবকাশকেন্দ্র: গারো পাহাড়ের নৈসর্গে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা by হারুন অর রশিদ দুদু
গতকাল বুধবার দিনব্যাপী এমনই চিত্র দেখা গেছে। এই পর্যটনকেন্দ্রের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সহজেই আকৃষ্ট করে দর্শনার্থীদের। গজনী অবকাশ পর্যটনকেন্দ্রটি পাহাড়, টিলা আর সমতল ভূমিতে সবুজের সমারোহ। শাল, গজারি, সেগুন, ছোট-বড় মাঝারি টিলা, লতাপাতার বিন্যাস প্রকৃতিপ্রেমীদের নিশ্চিত দোলা দিয়ে যায়। অন্যদিকে, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পাহাড়ের বুকজুড়ে তৈরি সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। হেঁটে পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় ধরে হেঁটে যাওয়া যায় এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে। পড়ন্ত বিকেলে ছোট ছোট নৌকায় করে ঘোরার জন্য রয়েছে লেক। লেকের বুকে নৌকায় চড়ে পাহাড়ের পাদদেশে কফি আড্ডা আর গান এখানে আগত দর্শনার্থীদের জন্য আনন্দময় দৃশ্য তৈরি করে। আগত শিশু দর্শনার্থীদের জন্য চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্কের পাশাপাশি এবার নতুন যুক্ত হচ্ছে শিশু কর্নার।
এমন সব মনোরম দৃশ্য দেখতে ঈদের ছুটিতে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, গজনী অবকাশের বিভিন্ন জায়গায় কেউ বা তুলছেন সেলফি, কেউ বা নিজ ও প্রিয়জনের ছবি ক্যামেরাবন্দি করছেন। চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্ক ছিল সকাল থেকেই মুখর। শিশুর ভিড় বেড়ে যাওয়ায় পার্কের ফটকে লম্বা লাইন দেখা যায়। এ সময় শিশুদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পার্কটি। বিভিন্ন রাইডে চড়ে ও খোলামেলা পরিবেশ পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে শিশুরা। শিশুদের সঙ্গে অনেক অভিভাবককেও আনন্দে মেতে উঠতে দেখা যায়।
গজনী বোট ক্লাবের বোটে চড়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্যও পর্যটকের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। ঘুরতে আসা কয়েকজন জানান, গারো পাহাড় ও কৃত্রিম তৈরি বিভিন্ন রাইড দেখে তারা বিমোহিত। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে তারা এসেছেন প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার অন্যান্য ঈদের তুলনায় পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। ঈদের দিন থেকে পর্যটক বেড়াতে আসছেন। এতে ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। পর্যটনকেন্দ্রের বিভিন্ন রাইডের ইজারাদার ফরিদ মিয়া বলেন, ঈদের দিন থেকেই প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন দেখা যাচ্ছে। আশা করছি, টানা ছুটির সব দিনেই দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. আল-আমীন বলেন, ঈদ উপলক্ষে গজনী অবকাশে দর্শনার্থী বেড়েছে। আগত দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘোরাফেরা করতে পারেন, সেজন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।

Monday, October 7, 2024
ভাসছে শেরপুর
জেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের পানি কিছুটা নেমে গেলেও সদর ও নকলা উপজেলাসহ নিম্নাঞ্চলের অন্তত ২শ’ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন আবাদ, মাছের ঘের ও সবজি আবাদ। এদিকে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ডুবে ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শেরপুরের নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও নকলায় বৃদ্ধ-নারীসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলাসহ জেলার অন্তত ৪৭ হাজার হেক্টর আবাদি জমির আমন ধান ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া ১ হাজার হেক্টর জমির সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর মাছের ঘের তলিয়ে গেছে ২ হাজারেরও বেশি।
অন্যদিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর বাঁধ ভেঙে ও নদীর পাড় উপচে পানি যাওয়ায় রামচন্দ্রকুড়া, কাকরকান্দি, নন্নী, পোড়াগাঁও, নয়াবিল, বাঘবেড়, কলসপাড়, মরিচপুরান, যোগানিয়া, রাজনগরসহ ১০টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরের তিনটি স্থানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
ফসলের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে শেরপুর খামারবাড়ির উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস বলেন, পাহাড়ি ঢলে ৩ উপজেলার আমন ধান ও সবজি আবাদ নষ্ট হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি কমবেশি নির্ভর করবে পানি নেমে যাওয়ার উপর। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় আনার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানো হবে।
জেলার বন্যাকবলিত এলাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছে প্রশাসন। বন্যাকবলিত বেশ কিছু এলাকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রাতভর পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা করেছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন।
ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ পরিদর্শন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, মহারশি নদীর বাঁধ উঁচু করার সুযোগ নেই। তবে ভাঙনকবলিত স্থান দ্রুত মেরামত করে দেয়া হবে।
বন্যা পরিস্থিতি ও সরকারি ত্রাণ বিতরণ সম্পর্কে শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান রোববার দুপুরে বলেন, অবিরাম বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তাদের অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন। ৩টি উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে। আমাদের সংগ্রহে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট পানিবন্দি পরিবারগুলোর মাঝে সরবরাহ করা হয়েছে। আরও ২৫ হাজার প্যাকেট ত্রাণের চাহিদা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরবর্তীতে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি: ঝিনাইগাতী উপজেলার উজানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ভাটি এলাকায় বন্যার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ভারী বর্ষণ ও সীমান্তের ওপার থেকে মহারশি নদী দিয়ে পাহাড়ি ঢলে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নই বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। মহারশি নদীর কুশাইকুড়া, রামেরকুড়া, খৈলকুড়াসহ বিভিন্ন স্থানে মহারশি নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে উপজেলা সদর কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। উপজেলা পরিষদ সহ বিভিন্ন অফিসে কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। হাজার হাজার একর আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। শত শত পুকুরের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। বন্যাকবলিত এলাকায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বহু কাঁচা-পাকা রাস্তাঘাট বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম জানান বন্যার্তদের মাঝে ১২শ’ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এদিকে গতকাল বিকালে শেরপুর-৩ আসনের বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।
ফুলপুর ও তারাকান্দায় পানিবন্দি হাজার হাজার মানুষ
ফুলপুর ও তারাকান্দা প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। উপজেলার ছনধরা ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামে পানিবন্দি অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ। তাদের উদ্ধারে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। বন্যার পানির কারণে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলায় ৪ হাজার ২৬০ হেক্টর আমন ধানের ক্ষেত নিমজ্জিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে মালিঝি নদী হয়ে ফুলপুরে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে চলা বৃষ্টির কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু এলাকায় পানি জমতে শুরু করে। গতকাল শনিবার রাতভর বৃষ্টিতে মানুষ পানিবন্দি হতে শুরু করে।
ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম আরিফুল ইসলাম জানান, শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে পানি নেমে উপজেলার ছন্দরা ইউনিয়ন পুরোটা প্লাবিত হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম সকাল থেকে চলছে। স্থানীয় নৌকা ও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকশ’ মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হয়েছে। ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। অন্যান্য ইউনিয়নেও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও জলাবদ্ধতা রয়েছে। তবে ছনধরায় সবচেয়ে বেশি। রোববার সকালের হিসাবে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছে, তবে এ সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
এদিকে তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা, কাকনী, তারাকান্দা, ঢাকুয়া ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা সবচেয়ে বেশি। তারাকান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অরুনিমা কাঞ্চি সুপ্রভা শাওন বলেন, জলাবদ্ধতায় ৬০০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ৫৬০ হেক্টর ধান ও ৪০ হেক্টর শীতকালীন আগাম সবজি। দু-তিন দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে কৃষকের তেমন ক্ষতি হবে না। তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মোটামুটি ভালো রয়েছি। বৃষ্টি বাড়লে এখানকার পরিস্থিতিও খারাপের আশঙ্কা রয়েছে।

Sunday, October 6, 2024
পানিবন্দি লাখ লাখ মানুষ: শেরপুর-ময়মনসিংহে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৩
এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলা দু’টির লাখ লাখ মানুষ। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত। শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। এদিকে টানা বর্ষণে কুড়িগ্রামে ফের বাড়ছে নদ-নদীর পানি। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে রৌমারী, চিলমারী, রাজীবপুর ও রাজারহাটের নিম্নাঞ্চল। তলিয়ে গেছে এসব উপজেলার ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্টে-
শেরপুর প্রতিনিধি জানান, শেরপুরে ৩ দিনের টানা ভারি বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার বিকাল পর্যন্ত নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের পানি কিছুটা নেমে গেলেও নিম্নাঞ্চলের অন্তত দেড়শ’ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া শ্রীবরদী, শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলার আরও ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে জেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটসহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন আবাদ, মাছের ঘের ও সবজি আবাদ। পানিবন্দি হয়ে আছে ৩ উপজেলার প্রায় ১ লাখ মানুষ।
প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি ঢলে নালিতাবাড়ীতে এক বৃদ্ধ ও নারীর মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ হয়েছেন আরও ৩ জন। এ ছাড়া ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে উজান থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক ব্যক্তির লাশ ভেসে এসেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। নালিতাবাড়ীতে নিহত ২ জন হলেন- বাঘবেড় গ্রামের মানিক মিয়ার স্ত্রী ওমিজা খাতুন (৪৫) ও আন্ধারুপাড়া গ্রামের ইদ্রিস মিয়া (৮০)। এ ছাড়া উপজেলার নন্নী অভয়পুর গ্রামের বছির উদ্দীনের ২ ছেলে আবু হাতেম (৩০) ও আলমগীর (১৭) এবং বাতকুচি গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের স্ত্রী জহুরা খাতুন (৪৫) নিখোঁজ রয়েছেন। শুক্রবার বিকালে উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামে ঢলের পানিতে ডুবে থাকা সড়ক পার হওয়ার সময় ডুবে যান ইদ্রিস মিয়া। পরে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজির পর তার লাশ উদ্ধার করে।
ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি এবং নালিতাবাড়ীর ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর অন্তত ১০ জায়গায় বাঁধ ভেঙে ও নদীর পাড় উপচে প্লাবিত হওয়া গ্রামগুলোর বিভিন্ন রাস্তাঘাট ও আবাদ তলিয়ে গেছে। জেলার অন্তত ১৮ হাজার হেক্টর জমির আমন আবাদ সম্পূর্ণ ও ১৭ হাজার হেক্টর জমির আমন আবাদ আংশিকসহ ১ হাজার হেক্টর সবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি কার্যালয়। এতে অন্তত ৬৫ হাজার ৪০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর বাঁধ ভেঙে ও নদীর পাড় উপচে পানি যাওয়ায় রামচন্দ্রকুড়া, কাকরকান্দি, নন্নী, পোড়াগাঁও, নয়াবিল, বাঘবেড়, কলসপাড়, মরিচপুরান, যোগানিয়া, রাজনগরসহ ১০টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরের ৩টি স্থানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে উপজেলার প্রায় ৬০০ পুকুর ও ১০ হাজার হেক্টর আমন আবাদ তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি ও মৎস্য অফিস। এ ছাড়া গতকাল শ্রীবরদী উপজেলার পাশাপাশি অপর ২ উপজেলা শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বেশকিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
এদিকে জেলার সব সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছে প্রশাসন। শুক্রবার বিকাল থেকে বন্যাকবলিত বেশকিছু এলাকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রাতভর পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা করেছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধার কাজ পরিচালনা করেন। গতকাল জেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন এলাকায় দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন।
নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, অবিরাম বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে কয়েকটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তাদের সরিয়ে আনা হচ্ছে।
বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে শেরপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পানিতে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়েছে। আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারে নৌকা নিয়ে আসা হচ্ছে। বন্যাকবলিত মানুষের জন্য শুকনো খাবার রেডি করা হচ্ছে। রাতের মধ্যেই সেগুলো পৌঁছে দেয়া হবে।
ময়মনসিংহে পানিবন্দি হাজার হাজার মানুষ
স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ থেকে: গত ২৪ ঘণ্টায় টানা বর্ষণে ময়মনসিংহে ১৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ ছাড়া ভারত নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা হালুয়াঘাট, ফুলপুর এবং ধোবাউড়ার বেশকিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। শুক্রবার দিনভর সারা দেশের মতো ময়মনসিংহ জেলাতেও টানা বৃষ্টিপাত হয়। এরপর বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট, ধোবাউড়ার বেশকিছু গ্রাম প্লাবিত হয়। বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে শত শত ফিশারি এবং কয়েক হাজার একর জমির ফসল।
ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত শারমিন বলেন, উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ও ঘোষগাঁওসহ কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে গেছে বলে শুনেছি। নেতাই নদীর বাঁধ কিছু কিছু পয়েন্টে ভেঙে গেছে। এক থেকে দেড় হাজার লোক পানিবন্দি আছে, প্রায় তিনশত ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে।
হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদুর রহমান বলেন, যেসব এলাকায় পানি আটকে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে সেখান থেকে মানুষকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
ময়মনসিংহ আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তবে আগামীকাল আবহাওয়া কেমন থাকবে তা কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হবে।
ফুলপুরে নিম্নাঞ্চল
ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, ফুলপুরে গত দু’দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। এতে রোপা আমনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বেশির ভাগ আমন ক্ষেত অথৈ জলে তলিয়ে গেছে। যা দু’দিন আগেও ছিল সবুজ সমারোহ ও নির্মল প্রান্তর। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে নতুন ধান ঘরে তোলার কথা থাকলেও এখন পাহাড়ি ঢলের পানিতে নিমজ্জিত হাজারো কৃষকের স্বপ্ন।
কুড়িগ্রামে ফের বাড়ছে নদ-নদীর পানি
স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম থেকে: ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ফের বাড়ছে নদ-নদীর পানি। তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মুপুত্রের পানি ধীরগতিতে বাড়লেও তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। ভারি বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম শহরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর, ফায়ার সার্ভিস চত্বর, টাপু ভেলাকোপা, চর হরিকেশ, তালতলা ও রৌমারীপাড়াহ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ১০০ মিলিমিটারসহ জেলায় ১৫৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান।
পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী জিঞ্জিরাম নদীর পানি দুকূল ছাপিয়ে রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার ১০টি গ্রামের নিচু এলাকার আমন ও বাদাম ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এরমধ্যে রৌমারী উপজেলার চর লাঠিয়াল, চান্দারচর, ভন্দুরচর, বড়াইবাড়ী এবং রাজীবপুর উপজেলার বালিয়ামারি, শিবেরডাঙি ও নয়ারচর রয়েছে। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তিস্তা ও ধরলার নিচু এলাকায় প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির আমন ক্ষেত তলিয়ে থাকায় ক্ষেত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(1756)
-
▼
August
(303)
-
▼
Aug 27
(10)
- দৈনন্দিন খাবারে সিসার ঝুঁকি থেকে কীভাবে মুক্ত হবেন...
- ফিলিস্তিনে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে ইউএনআরডব্লিউএ
- ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় ‘বোর্ড অব পিস’ ব্যর্থ ...
- ইয়েমেনের আল-মাখা বন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- মার্কিন শক্তি প্রদর্শনের মিশনে ব্যর্থ রণতরী আব্রাহ...
- ফিলিস্তিনি শরণার্থী ইস্যু ‘মুছে ফেলতে’ চায় ইসরাইল ...
- ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ছাড়া শান্তি আসবে না: জা...
- ভারতে হিজাব পরায় বাধা, ক্ষুব্ধ ওয়াইসি বললেন ‘এটি ই...
- ব্রিটেনে ইসলামি প্রজাতন্ত্র গড়ছেন না মুসলিমরা—এটি ...
- পুরুষের সমস্যা ভেরিকোসিল কেন হয়, চিকিৎসা কী? by অধ...
-
▼
Aug 27
(10)
-
▼
August
(303)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...