Showing posts with label নওশাদ জামিল. Show all posts
Showing posts with label নওশাদ জামিল. Show all posts

Friday, July 19, 2013

ছায়া সুনিবিড় হুমায়ূনতীর্থ by নওশাদ জামিল

'ওই যে দেখছেন তিনটা লিচুগাছ- ওই জায়গাটাই স্যারের খুব প্রিয় ছিল।' কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন নুহাশপল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল। তিনি জানান, নুহাশপল্লীতে এলে হুমায়ূন আহমেদ প্রথমেই খোঁজ নিতেন গাছপালার।

Thursday, July 18, 2013

প্রতিক্রিয়া শহীদ পরিবারের কথা'আদিপাপ থেকে মুক্তি পেল জাতি' by নওশাদ জামিল

'আদিপাপ থেকে মুক্তি পেল জাতি। বাংলাদেশের ঊষালগ্নে একাত্তরে যুদ্ধাপরাধীরা আদিপাপ করেছিল। ৪২ বছর পরে হলেও সে পাপ থেকে মুক্তি পেল জাতি।' আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও একাত্তরের আলবদর

Friday, January 18, 2013

বৌদ্ধ জনপদে হামলা-বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা বৌদ্ধদের by তোফায়েল আহমেদ ও নওশাদ জামিল

রামুর চৌমুহনী থেকে কিছুদূর এগোলে তিনটি প্রাচীন মন্দির- সাদাচিং, লালচিং আর অপর্ণচরণ। কারুকার্যময় এই মন্দিরগুলো পাশাপাশি বিশাল জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল যুগ যুগ ধরে। কিন্তু এখন আর আগের অবস্থায় নেই। দুর্বৃত্তদের হামলায় ক্ষতবিক্ষত হয়েছে মন্দিরগুলো।

Wednesday, October 24, 2012

ভাষা হারাল লেখক দেশ হারাল বন্ধু by নওশাদ জামিল

শামসুর রাহমান ও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন যেন হরিহর আত্মা। গভীর হৃদ্যতা ছিল দুজনের। সুনীল তাঁর লেখায় বহুবার তুলে এনেছেন শামসুর রাহমানের কবিতার পঙ্‌ক্তি। লিখেছেন তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ নানা স্মৃতির কথা।

Saturday, August 18, 2012

বাবাকে ছাড়া ঈদ নিষাদ নিনিতের by নওশাদ জামিল

ঈদের দিন ছোট্ট নিষাদ ও নিনিত বাবার হাতের স্পর্শ পেয়ে জেগে উঠত। যেন ভোরের নরম আলোর স্পর্শে ফুটে উঠত দুটি ফুল। নিষাদ-নিনিত বিরক্ত হতো না। বাচ্চাদের নিজ হাতে গোসল করাতেন তিনি। বাবা-ছেলে গোসল করত একসঙ্গে।

Monday, August 6, 2012

হুমায়ূনের ছোট দুই ছেলে নিষাদ-নিনিত-'বাবা আকাশে চলে গেছে ভালো হয়ে ফিরে আসবে' by নওশাদ জামিল

ছোট একটা কাগজের ওপর কাঠ পেনসিল দিয়ে ছবি আঁকছিল নিষাদ। পাশে বসে সে ছবি দেখছে ছোট ভাই নিনিত। নিনিতের হাতে খেলনা বন্দুক। বন্দুকটি তাক করা নিষাদের দিকে। নিষাদের সে দিকে মনোযোগ নেই। আনমনে ছবি আঁকছে। হঠাৎ কী মনে করে, নিষাদের আঁকা ছবিটা ধরে টানাটানি শুরু করে নিনিত।

Saturday, August 4, 2012

কালের কণ্ঠের মাধ্যমে মা ও ভাইয়ের বিবৃতি-হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে নোংরামি বন্ধ করুন by নওশাদ জামিল

তসবি হাতে হুমায়ূন আহমেদের ছবির দিকে নির্বাক তাকিয়ে মা আয়েশা ফয়েজ। জমে থাকা অশ্রুবিন্দু টলমল করছে দুই চোখে। ছেলে হারানোর শোকে তিনি বাকরুদ্ধ। প্রয়োজন ছাড়া তেমন কোনো কথাই বলছেন না কারো সঙ্গে। মাঝেমধ্যে শুধু ছেলের ছবিতে হাত বোলান, ছেলের বইগুলোতে হাত বোলান।

Wednesday, July 25, 2012

মাটির বিছানায় হুমায়ূন by আজিজুল পারভেজ ও নওশাদ জামিল

শ্রাবণের অঝোরধারা তাঁর ছিল দারুণ প্রিয়। বৃষ্টির শব্দ শোনার জন্য বানালেন 'বৃষ্টিবিলাস' নামে বিশাল টিনের ঘর। সে ঘরের চালে ঠিক দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে নামে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। শুরু হয় বৃষ্টির নাচন। ফুল ভিজছে, লতাপাতা ভিজছে, পাখি ভিজছে। এমন পবিত্র দৃশ্য তিনি কি দেখবেন না? শুনবেন না বৃষ্টির প্রিয় সুর?

Tuesday, July 24, 2012

হুমায়ূনের জন্য ভালোবাসা by আজিজুল পারভেজ ও নওশাদ জামিল

তিনি সামনেই, এর পরও কী তীব্র তাঁর শূন্যতা। প্রিয় লেখক, প্রিয় মানুষ হুমায়ূন আহমেদকে শেষবারের মতো চোখের দেখা দেখতে উপচে পড়া ভিড় শহীদ মিনারে। শুধু মানুষ আর মানুষ। কারো হাতে ফুল, কারো শুধু চোখের জল- সবার হৃদয়ে একই রকম ভালোবাসা।

Monday, July 23, 2012

নুহাশপল্লীর বিষণ্ন লিচুগাছগুলো by নওশাদ জামিল

'নুহাশপল্লীর গাছপালার কী খবর, ওরা কেমন আছে?' অন্য কিছু নয়, প্রথমেই তিনি খোঁজ নিতেন গাছপালার। কোন গাছে ফুল এলো, কোন গাছে ফল, কোনোটার রোগ-বালাই হলো কি না কিংবা কোথাও আগাছা জন্মাল কি না- সব খুঁটিয়ে দেখতেন তিনি।

Sunday, July 22, 2012

ক্যান্সার হাসপাতালের স্বপ্ন থেকে গেল অধরা by নওশাদ জামিল

নিউ ইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হুমায়ূন আহমেদ 'নো ফ্রি লাঞ্চ' শিরোনামে একটি মর্মস্পর্শী লেখা লেখেন। এতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন তাঁর এক স্বপ্নের কথা। বলেছিলেন, দেশ ও মানুষের জন্য ওই স্বপ্নপূরণের তিনি সব করবেন। লেখাটি প্রকাশিত হলে তাঁর ওই স্বপ্ন ছুঁয়ে গিয়েছিল সব মানুষের হৃদয়।

Friday, July 20, 2012

চলে গেলেন সাহিত্যের রাজপুত্র by আজিজুল পারভেজ ও নওশাদ জামিল

বাংলা সাহিত্যের মহাকাশ থেকে খসে পড়ল হুমায়ূন আহমেদ নামের অত্যুজ্জ্বল নক্ষত্রটি। দীর্ঘ ১০ মাস ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে চলে গেলেন বাংলা সাহিত্যের নন্দিত এই রাজপুত্র। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলদেশ সময় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

Wednesday, June 6, 2012

নিঝুম দ্বীপের কান্না-২-মৃত্যুমুখে ৫০ হাজার হরিণ by নওশাদ জামিলনিঝুম দ্বীপের কান্না-২-মৃত্যুমুখে ৫০ হাজার হরিণ by নওশাদ জামিল

মেঘনার বুক থেকে ভেসে আসা হাওয়ার তোড়ে নুয়ে পড়েছিল কয়েকটি কেওড়াগাছ। ডাল-পাতাসহ গাছগুলো পেয়েই হুমড়ি খেয়ে পড়ে হরিণগুলো। প্রথমে আসে দু-একটি হরিণ, এরপর ঝাঁকে ঝাঁকে। জঙ্গল থেকে হরিণগুলো বের হয়ে জমা হয় ওই কেওড়াগাছ ঘিরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ন্যাড়া হয়ে গেল গাছগুলো।

Tuesday, June 5, 2012

নিঝুম দ্বীপের কান্না-১-গাছ কাটা কোনো ব্যাপারই না! by নওশাদ জামিল

নদী ঘেঁষেই বিশাল ম্যানগ্রোভ বন। বড় বড় কেওড়াগাছ দুলছে হাওয়ায়। পর্যটকরা উৎসাহী হয়ে ঢুকছেন বনে। কিন্তু কিছুদূর এগোলেই তাঁরা দেখতে পান, বন নেই। গাছের গুঁড়ি পড়ে আছে শুধু। সেখানে তৈরি হচ্ছে বসতবাড়ি।
নিঝুম দ্বীপে গাছ কেটে চলছে ভূমি দখলের মহোৎসব।

Wednesday, April 4, 2012

পানির জন্য হাহাকার অগত্যা কূপ খনন by অমিতোষ পাল ও নওশাদ জামিল

মূল সড়ক পার হয়ে ছোট গলি ধরে সামনে এগিয়ে যেতেই চোখে পড়ল মানুষের জটলা। চারদিকে গোল হয়ে কী যেন দেখছে তারা। ঘটনাস্থলে যেতেই শোনা গেল উত্তেজিত কণ্ঠস্বর। 'আরো খুঁড়তে হবে। ১০ ফুট না, ১৫-২০ ফুট খুঁড়ো।' এ ধরনের কথা শুনে অনেকে বিচলিত হয়ে জানতে চাইল, 'কী খুঁড়তাছেন!' ঘটনাস্থলের খুব কাছে গিয়ে জানতে চাইলে উত্তর

Wednesday, December 14, 2011

শহীদদের রক্তস্নাত বধ্যভূমিও বেদখল-স্থবির হয়ে আছে ৭১ কোটি টাকার প্রকল্প by নওশাদ জামিল

৯৭১ সালে জায়গাটিতে ছিল 'মুসলিম লীগ বাজার'। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বাঙালিদের ধরে এনে নির্মমভাবে হত্যা করে পুঁতে রাখা হতো এখানে। স্বাধীনতার ২৮ বছর পর ১৯৯৯ সালে এখানে আবিষ্কৃত হয় বধ্যভূমি। পাওয়া যায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদ লে. সেলিমসহ অনেক মুক্তিযোদ্ধার হাড়, পাঁজর, মাথার খুলি। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এটি খনন করা হলে তখন উঠে আসে অসংখ্য মানুষের মাথার খুলি, হাড়গোড়, কঙ্কালসহ মানবদেহের নানা অংশ।

Tuesday, December 6, 2011

ঢাকায় মহররমের ঐতিহ্য-হোসেনি দালানের সৌন্দর্যে ইরানি নান্দনিকতা by নওশাদ জামিল

হররমের মাস এলে শুধু ঐতিহাসিক হোসেনি দালান নয়, গোটা মহল্লা সাজে নতুন রূপে। কিন্তু ওই সাজে আলোর রোশনাই নেই, আছে শোকের প্রতীক। আশপাশের বাড়িঘর, দোকান ও ছাদে শোকের প্রতীক হয়ে ওড়ে কালো নিশান। চানখাঁরপুল পার হয়ে পশ্চিম দিকে সরু গলি ধরে কিছুটা এগুলেই শোনা যায় শোকের মাতম। এ গলিই নয়, এখন আশপাশের সব জায়গায় চলছে শোকের মাতম। সেখানের ঐতিহাসিক হোসেনি দালান ঘিরে হাজারো শোকার্ত

Sunday, December 4, 2011

ঐতিহ্য-জিঞ্জিরা প্রাসাদের দখল ঠেকানোর কেউ নেই! by নওশাদ জামিল

বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ তীরে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে এক প্রাচীন প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ। এখন আর বোঝার উপায় নেই, এখানে একসময় ছিল সুরম্য প্রাসাদ। স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞেস করে, অনেক খোঁজাখুঁজির পর দেখা মেলে ওই প্রাসাদের। জিঞ্জিরা প্রাসাদ ও জিঞ্জিরার হাম্মামখানা হিসেবে পরিচিত এ স্থাপনা মোগল আমলের বেদনাবিধুর ইতিহাসের সাক্ষী। বাংলার শেষ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরিবারের স্মৃতিঘেরা ঐতিহাসিক সেই জিঞ্জিরা

Sunday, November 27, 2011

চলে গেলেন রশীদ করীম by নওশাদ জামিল

মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির জাতির শ্রেষ্ঠতম অর্জন হলেও তা নিয়ে সার্থক উপন্যাস লেখা হয়নি বলে অনেকেরই আক্ষেপ রয়েছে। কথাশিল্পী রশীদ করীমের উপন্যাস 'আমার যত গ্লানি' এ আক্ষেপ দূর করতে পারে। এ উপন্যাসের এক জায়গায় এরফানকে জিজ্ঞেস করা হয়, 'আপনি কি ভিড়ে আটকা পড়ে গেছেন? কোথায় যাবেন?' এরফানের উত্তর, 'শেখ সাহেবের কাছে, স্বাধীনতার কাছে।' দেশভাগ কিংবা একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম দিকে যাঁরা উপন্যাস

Wednesday, November 23, 2011

ঐতিহ্য-আহছান মঞ্জিল জাদুঘর আসছে নতুন রূপে by নওশাদ জামিল

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী আহছান মঞ্জিল জাদুঘর দেখা যাবে নতুন রূপে। জাতীয় জাদুঘরের পর ডিজিটাইজড হচ্ছে এ জাদুঘরও। এর সুবাদে জাদুঘরের গ্যালারিতে স্থান পাওয়া নিদর্শনগুলো ইন্টারনেটে দেখার সুযোগ হবে।সরেজমিনে দেখা যায়, ডিজিটাইজ করার লক্ষ্যে আহছান মঞ্জিল জাদুঘরের গ্যালারিগুলো সাজানো হয়েছে নতুন রূপে। আগের ২৩ গ্যালারির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন ১১টি গ্যালারি। সেসব গ্যালারির জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে ৯২টি নিদর্শন।